(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث عوالي وفوائد منتقاة وإنشادات   (ابن الأذلاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث عوالي وفوائد منتقاة وإنشادات

المؤلف: علي بن محمد بن علي بن محمد بن أحمد أبو القاسم التيمي الكوفي المعروف بابن الأذلاني (ت 470هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 46

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদিসসমূহ, নির্বাচিত ফায়দা এবং কবিতা আবৃত্তি   (ইবনুল আযলানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদিসসমূহ, নির্বাচিত ফায়দা এবং কবিতা আবৃত্তি

লেখক: আলি বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আবু আল-কাসিম আত-তাইমি আল-কুফি, যিনি ইবনুল আযলানি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪৭০ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক (ইসলাম ওয়েব) সাইটের অধীনস্থ ফ্রি 'জাওয়ামিউল কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৬

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ فِيهِ أَحَادِيثُ عَوَالٍ وَفَوَائِدُ مُنْتَقَاةٌ وَإِنْشَادَاتٌ عَنِ الشُّيُوخِ الثِّقَاتِ، رِوَايَةُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَلامَةِ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْكُوفِيِّ النَّيْسَابُورِيِّ ، رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ، عَنْ شُيُوخِهِ، رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِمْ.

بسم الله الرحمن الرحيم
এই খণ্ডটি নির্ভরযোগ্য শাইখদের থেকে বর্ণিত উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদিসসমূহ, নির্বাচিত শিক্ষণীয় তথ্যাবলি এবং পদ্য আবৃত্তি সম্বলিত। এটি শাইখ, ইমাম, আল্লামা, হাফেজ আবুল কাসিম আলি ইবন মুহাম্মাদ ইবন আলি আল-কুফি আন-নাইসাবুরি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) কর্তৃক তাঁর শাইখদের (আল্লাহ তাআলা তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন) নিকট থেকে বর্ণিত।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২)
1 - قَالَ شَيْخُ الإِسْلامِ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَتْحِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَيْخِ الإِسْلامِ عَلاءِ الدِّينِ أَبِي الْفُتُوحِ عَلِيِّ بْنِ الْقَاضِي قُطْبِ الدِّينِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْقُرَشِيُّ الْقَلْقَشَنْدِيُّ الشَّافِعِيُّ وَشَيْخُ الإِسْلامِ بُرْهَانُ الدِّينِ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي شَرِيفٍ الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ شَرَفُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ قَاضِي الْمَدِينَةِ زَيْنِ الدِّينِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَرَاغِيُّ، إِجَازَةً، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا وَلا قِرَاءَةً، وَشَيْخُ الإِسْلامِ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ الشَّافِعِيُّ ، إِجَازَةً، قَالا: أَخْبَرَنَا بِهِ الْمُسْنِدُ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ السَّقَّا، سَمَاعًا لِلأَوَّلِ، وَقِرَاءَةً لِلثَّانِي.

ح وَقَالَ شَيْخُ الإِسْلامِ الْقَلْقَشَنْدِيُّ ، وَابْنُ أَبِي شَرِيفٍ وَأَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا الْمُسْنِدُ أَبُو زَيْدٍ الْقَبَّانِيُّ، إِجَازَةً، قَالا: أَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْخَبَّارِ، سَمَاعًا لِلسَّقَّا، وَإِجَازَةً لِلْقَبَّانِيِّ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْيُسْرِ التَّنُوخِيُّ وَكَمَالُ الدِّينِ أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدٍ الْحَارِثِيُّ، حُضُورًا فِي الرَّابِعَةِ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ أَبِي الْبَرَكَاتِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي سَعْدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، سَمَاعًا لابْنِ أَبِي الْيُسْرِ، وَإِجَازَةً لابْنِ عَبْدٍ الْحَارِثِيِّ، أَخْبَرَنَا بِهِ وَالِدِي أَبُو الْبَرَكَاتِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصُّوفِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، وَذَلِكَ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الثَّالِثِ مِنْ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخِ الزَّاهِدُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْكُوفِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ، سَنَةَ تِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّرَّاجُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ،‌‌ مَا بِرُّ الْحَجِّ؟ قَالَ: «إِطْعَامُ الطَّعَامِ وَطَيِّبُ الْكَلامِ»
১ - শাইখুল ইসলাম জামালুদ্দীন আবুল ফাতহ ইব্রাহিম ইবন শাইখুল ইসলাম আলাউদ্দীন আবুল ফুতুহ আলী ইবনুল কাজী কুতুবুদ্দীন আহমদ ইবন আলী ইবন ইসমাঈল আল-কুরাশী আল-কালকাশান্দী আশ-শাফিঈ এবং শাইখুল ইসলাম বুরহানুদ্দীন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন আবু শারীফ আশ-শাফিঈ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ শারাফুদ্দীন মুহাম্মদ ইবন মদীনার কাজী যাইনুদ্দীন আবু বকর ইবনুল হুসাইন আল-মারাগী, ইজাজত সূত্রে, যদি সরাসরি শ্রবণ বা পাঠের মাধ্যমে না হয়ে থাকে; এবং শাইখুল ইসলাম শিহাবুদ্দীন আবুল ফযল আহমদ ইবন আলী ইবন হাজার আশ-শাফিঈ ইজাজত সূত্রে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন মুসনিদ সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আব্দুল আযীয আস-সাক্কা, প্রথমজনের ক্ষেত্রে শ্রবণ সূত্রে এবং দ্বিতীয়জনের ক্ষেত্রে পাঠের মাধ্যমে।

হা এবং শাইখুল ইসলাম আল-কালকাশান্দী ও ইবন আবু শারীফ বলেন: আমাদের নিকট এটি উচ্চতর সূত্রে বর্ণনা করেছেন মুসনিদ আবু যায়েদ আল-কাব্বানী, ইজাজত সূত্রে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন ইব্রাহিম ইবনুল খাব্বার, আস-সাক্কার নিকট শ্রবণ সূত্রে এবং আল-কাব্বানীর নিকট ইজাজত সূত্রে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ— তাকীউদ্দীন আবু মুহাম্মদ ইসমাঈল ইবন ইব্রাহিম ইবন আবুল ইউসর আত-তানুখী এবং কামালুদ্দীন আবু নাসর আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল মুনইম ইবন আল-খাদ্বির ইবন আবদ আল-হারিছী, (তাঁদের) চতুর্থ বয়সে উপস্থিতির মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুল লতীফ ইবন আবুল বারাকাত ইসমাঈল ইবন আবু সা'দ আন-নাইসাবুরী, ইবন আবুল ইউসরের নিকট শ্রবণ সূত্রে এবং ইবন আবদ আল-হারিছীর নিকট ইজাজত সূত্রে। আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবুল বারাকাত ইসমাঈল ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আস-সূফী আন-নাইসাবুরী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি; আর এটি ছিল ৫৩৩ হিজরীর ৩রা জুমাদাল উলা, শুক্রবার। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ যাহেদ আবুল কাসিম আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আল-কূফী আন-নাইসাবুরী, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, ৪৯০ হিজরীতে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আস-সাররাজ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব আল-আসাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হাকাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব ইবন সুয়াইদ, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল,‌‌ হজ্জের পুণ্য কী? তিনি বললেন: "খাদ্য দান করা এবং উত্তম কথা বলা।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُؤَمَّلِ بْنِ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي هُرْيَرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«لأَنْ يَحْتَزِمَ أَحَدُكُمْ حُزْمَةً مِنْ حَطَبٍ فَيَحْمِلَهَا عَلَى ظَهْرِهِ فَيَبِيعَهَا خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ رَجُلا فَيُعْطِيَهُ أَوْ يَمْنَعَهُ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল মুআম্মিল ইবনুল হুসাইন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফজল ইবনু মুহাম্মদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু রবি ইবনু সুলাইমান ইবনু দাউদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফুলাইহ ইবনু সুলাইমান, যুহরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আউফের মুক্তদাস আবু উবাইদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «তোমাদের কারো কাঠের একটি বোঝা সংগ্রহ করে তা নিজ পিঠে বহন করে নিয়ে গিয়ে বিক্রয় করা কোনো ব্যক্তির নিকট হাত পাতার চেয়ে উত্তম, চাই সে তাকে দান করুক অথবা বঞ্চিত করুক।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُرَيْشٍ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَجِيحٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ حَفِظَ عَنْ أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুরাইশ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হুজর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে নাজীহ, ইবনে জুরাইজ থেকে, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করে রাখবে, কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী হব।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مَنْصُورٍ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«نَهَى عَنِ الْبَيْعِ وَالشِّرَاءِ فِي الْمَسْجِدِ»
৪ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া বিন মানসুর আল-কাদি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল মুসান্না, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আসমা, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক, উসামা বিন যায়েদ থেকে, তিনি আমর বিন শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا وَالِدِي، أَخْبَرَنَا الْمُؤَمَّلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّسَائِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَجْلانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرْيَرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: "‌‌ ثَلاثَةٌ لا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: الشَّيْخُ الزَّانِي وَالإِمَامُ الْكَاذِبُ وَالْعَامِلُ الْمَزْهُوُّ "
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুআম্মাল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আন-নাসায়ী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বাশশার বুন্দার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ তিন ব্যক্তি এমন যাদের দিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকাবেন না: বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী ইমাম এবং অহংকারী অভাবী।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - بِإِسْنَادِهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، كَانَ يَقُولُ: يَقُولُ اللَّهُ سبحانه وتعالى: ‌‌«مَا مِنْ عَبْدٍ سَلَبْتُهُ كَرِيمَتَهُ فَصَبَرَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا كَانَ لَهُ عِنْدِي ثَوَابًا إِلا الْجَنَّةَ»
৬ - তাঁর সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলতেন: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন: «আমার এমন কোনো বান্দা নেই যার দুটি প্রিয় বস্তু (চক্ষুদ্বয়) আমি ছিনিয়ে নিয়েছি, অতঃপর সে ঈমান ও সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণ করেছে, তার জন্য আমার নিকট জান্নাত ব্যতীত আর কোনো প্রতিদান নেই।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ السُّلَمِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ ، إِجَازَةً، أَنَّ أَبَا الْعَبَّاسِ مُحَمَّدَ بْنَ يَعْقُوبَ الأَصَمَّ، أَخْبَرَهُمْ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الدَّاهِرِيُّ، حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«ابْنَ آدَمَ عِنْدَكَ مَا يَكْفِيكَ وَأَنْتَ تَطْلُبُ مَا يُطْغِيكَ، ابْنَ آدَمَ لا بِقَلِيلٍ تَقْنَعُ وَلا مِنْ كَثِيرٍ تَشْبَعُ، إِذَا أَصْبَحْتَ مُعَافًا فِي جَسَدِكَ آمِنًا فِي سِرْبِكَ عِنْدَكَ قُوتُ يَوْمِكَ فَعَلَى الدُّنْيَا الْعَفَاءُ»
৭ - ইমাম আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আস-সুলামী আন-নাইসাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (অনুমতি সাপেক্ষে), আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম্ম তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, রাবী বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসাদ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আদ-দাহিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাওব বিন ইয়াজিদ খালিদ বিন মুহাজির হতে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «হে আদম সন্তান! তোমার নিকট তা আছে যা তোমার জন্য যথেষ্ট, অথচ তুমি এমন কিছু অন্বেষণ করছ যা তোমাকে উদ্ধত করে তোলে। হে আদম সন্তান! তুমি অল্পতে তুষ্ট হও না এবং অধিক পেয়েও তৃপ্ত হও না। যখন তুমি সকালে সুস্থ শরীরে, নিজ আবাসে নিরাপদ অবস্থায় এবং তোমার নিকট সেদিনের খাদ্য থাকা অবস্থায় উপনীত হও, তখন দুনিয়ার অবশিষ্ট সব কিছু তুচ্ছ।’
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنَّ الْحُسَيْنَ بْنَ سُفْيَانَ أَخْبَرَهُمْ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا رَوَّادُ بْنُ الْجَرَّاحِ الْعَسْقَلانِيُّ، عَنْ بُكَيْرٍ الدَّامَغَانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ أَبْغَضَ الْخَلْقِ إِلَى اللَّهِ سُبْحَانَهُ الْعَالِمُ يَزُورُ الْعَامِلَ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর বিন আবি জাফর, আল-হুসাইন বিন সুফিয়ান তাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওয়াদ বিন আল-জাররাহ আল-আসকালানি, বুকাইর আদ-দামাগানি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন বিশর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ সৃষ্টির মাঝে মহান আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত হলো সেই আলেম যে শাসকের নিকট যাতায়াত করে।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى، حَدَّثَنَا وَالِدِي ، رحمه الله، الشَّيْخُ الزَّاهِدُ أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْحَرَشِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا مُقَاتِلٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا عَائِشَةُ،‌‌ مَا صَلاةٌ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل مِنَ الْمَغْرِبِ، لَمْ يَحُطَّهَا عَنْ مُسَافِرٍ وَلا مُقِيمٍ، افْتَتَحَ بِهَا اللَّيْلَ وَخَتَمَ بِهَا النَّهَارَ، فَمَنْ صَلاهَا صَلَّى بَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يُكَلِّمَ جَلِيسَهُ رَفَعْتُ صَلاتَهُ أَعْلَى الْعِلِّيِّينَ»
৯ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া। আমার পিতা, শায়খ যাহেদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। ইমাম আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আল-হারাশী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। মুকাতিল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু তাআলা আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হে আয়েশা, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট মাগরিবের চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো সালাত নেই। তিনি এটি মুসাফির কিংবা মুকীম কারো জন্য হ্রাস করেননি। এর মাধ্যমেই তিনি রাত শুরু করেছেন এবং সমাপ্ত করেছেন দিনকে। অতএব, যে ব্যক্তি এই সালাত আদায় করার পর তার সঙ্গীর সাথে কথা বলার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে, আমি তার সালাতকে ইল্লিয়্যিনের উচ্চস্তরে উন্নীত করব।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسف الشَّيْبَانِيُّ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيَّ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ ، وَهُوَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«وَقَفْتُ عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَإِذَا أَكْثَرُ مَنْ يَدْخُلُهَا الْفُقَرَاءُ، وَإِذَا أَصْحَابُ الْجَدِّ مَحْبُوسُونَ، وَوَقَفْتُ عَلَى بَابِ النَّارِ فَإِذَا أَكْثَرُ مَنْ يَدْخُلُهَا النِّسَاءُ»

أَخْبَرَنِي أَبُو دَاوُدَ الزَّاهِدُ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْقَيْسِيُّ، أَخْبَرَنَا وَزِيرَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْغَسَّانِيُّ ، قَالَ: أَنْشَدَنِي ابْنُ الأَعْرَابِيِّ ، لِبَعْضِ الظُّرَفَاءِ:

سَأَصْبِرُ مَغْلُوبًا وَإِنْ شِئْتُ طَائِعًا … وَأَعْصِي عَلَى مَا كَانَ مِنْ حَدَثِ الدَّهْرِ

وَلَيْسَ اصْطِبَارِي عَنْ وِصَالِكَ رَغْبَةً … وَلَكِنْ رَأَيْتُ الصَّبْرَ يَذْهَبُ بِالْهَجْرِ.
১০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আশ-শায়বানী আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযিদ ইবনে হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান—যিনি আত-তায়মী—আবু উসমান থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়ালাম, তখন দেখলাম যারা তাতে প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশই দরিদ্র। আর বিত্তবানরা তখনো অবরুদ্ধ ছিল। আর আমি দাঁড়ালাম জাহান্নামের দরজায়, তখন দেখলাম যারা তাতে প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশই নারী।»

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ আয-যাহিদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-কায়সী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াযীরাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-গাসসানী, তিনি বলেন: ইবনুল আরাবী আমাকে জনৈক বিদগ্ধ ব্যক্তির পঙক্তি শুনিয়েছেন:

আমি ধৈর্য ধরব পরাজিত হয়ে এবং চাইলে স্বেচ্ছায় … আর কালের যাবতীয় দুর্ঘটনার মুখে আমি হব অটল (অবাধ্য)

তোমার সান্নিধ্য থেকে আমার এই ধৈর্য ধারণ কোনো বিরাগের কারণে নয় … বরং আমি দেখেছি যে ধৈর্যই বিরহের অবসান ঘটায়।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا وَالِدِي ، رحمه الله، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الطَّبَرِيُّ الْوَاعِظُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْمَرْوَرُوذِيُّ ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ الطَّوِيلُ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي الإِسْلامِ كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
১১ - আমাদের নিকট আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আত-তাবারী আল-ওয়াইজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাগদাদে ইউসুফ বিন মুসা আল-মারওয়ারুজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন বিন মনসুর আত-তবীল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসহাক আল-আযরাক বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আউন থেকে, তিনি ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «ইসলামে থাকা অবস্থায় যার একটি চুলও পেকেছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর (আলোকবর্তিকা) হবে»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ يَزِيدَ الْقَزْوِينِيُّ ، بِالرَّيِّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْدَه الأَصْبَهَانِيُّ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ وَرْدَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ:‌‌ قَامَ رَجُلٌ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرُئِيَ فِي قِيَامِهِ عَجْزٌ، فَقَالُوا: " يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَعْجَزَ فُلانًا! قَالَ: أَكَلْتُمْ أَخَاكُمْ وَاغْتَبْتُمُوهُ "

أَنْشَدَنِي وَالِدِي ، رحمه الله، أَنْشَدَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ ، قَالَ: أَنْشَدَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ بَشَّارٍ ، لِنَفْسِهِ:

سَيَعْلَمُ مَنْ لا يَتَّقِي اللَّهَ رَبَّهُ … إِذَا بَرَزَتْ يَوْمَ الْحِسَابِ الْفَضَائِحُ

وَمَنْ لَمْ يُقَدِّمْ صَالِحًا لَمْ يَكُنْ لَهُ … مَكَانٌ لَعَمْرِي فِي الْقِيَامَةِ صَالِحُ

فَقُلْ لِخَلِيعٍ صَالَحَ فِي نَشَاطِهِ … تَذَكَّرْ إِذَا صَاحَتْ عَلَيْكَ الصَّوَائِحُ

فَكَمْ مَلِكٌ قَدْ بَاتَ فِي الْمُلْكِ قَائِمًا … فَأَصْبَحَ قَدْ قَامَتْ عَلَيْهِ النَّوَائِحُ.

أَنْشَدَنِي أَبُو الْحَسَنِ بْنُ صَفْوَانٍ الْكُوفِيُّ، أَنْشَدَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفَارِسِيُّ، أَنْشَدَنَا زَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَمَّانِيُّ، أَبُو الْعَطَّافِ ، لِغَيْرِهِ:

إِذَا كَانَ جِدُّ الْمَرْءِ فِي الشَّيْءِ مُقْبِلا … تَأَتَّتْ لَهُ الأَشْيَاءُ مِنْ كُلِّ جَانِبِ

فَإِنْ أَدْبَرَتْ دُنْيَاهُ عَنْهُ تُوَعَّرَتْ … عَلَيْهِ وَأَعْيَتْهُ وُجُوهُ الْمَطَالِبِ

وَلا يُدْرِكُ الأَرْزَاقَ فِيهَا وَلا الْمُنَى … بِحِيلَةٍ يَحْتَالُ وَلا كَسْبِ كَاسِبِ.
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে হাসান ইবনে ইয়াজিদ আল-কাযউইনি, রাই নামক স্থানে; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মানদাহ আল-আসফাহানি; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বকর ইবনে বাক্কার; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু হুমাইদ; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসা ইবনে ওয়ারদান; তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:‌‌ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে এক ব্যক্তি উঠে গেল, তার উঠে যাওয়ার মধ্যে এক প্রকার অক্ষমতা বা দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেল। তখন উপস্থিত লোকজন বললেন: "হে আল্লাহর রাসুল! অমুক ব্যক্তি কতই না অক্ষম!" তিনি বললেন: "তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করেছ এবং তার গীবত করেছ।"

আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে এই কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাকে কবিতা শুনিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুল আজিজ ইবনে হাসান আল-বাগদাদি; তিনি বলেন, আমাকে আবু বকর ইবনে বাশশার তার স্বরচিত এই কবিতা শুনিয়েছেন:

যে ব্যক্তি তার রব আল্লাহকে ভয় করে না, সে শীঘ্রই জানতে পারবে … যখন হিসাবের দিনে সকল গোপন কেলেঙ্কারি প্রকাশ হয়ে পড়বে

যে ব্যক্তি কোনো সৎকাজ অগ্রিম পাঠায়নি, তার জন্য … আমার জীবনের শপথ, কিয়ামতের দিনে কোনো উত্তম স্থান থাকবে না

সুতরাং সেই নির্লজ্জকে বলো যে তার চাঞ্চল্যের সময় সৎ সেজেছে … সেই সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন তোমার ওপর বিলাপকারীরা চিৎকার করে কাঁদবে

কত রাজাই তো রাতে তার রাজত্বে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল … অথচ সকাল হতে না হতেই তার শিয়রে বিলাপকারিনীরা মাতম শুরু করে দিয়েছে।

আমাকে আবুল হাসান ইবনে সাফওয়ান আল-কুফি কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন হাসান ইবনে মুহাম্মদ আত-তামিমি; তিনি বলেন, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ফারিসি; তিনি বলেন, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আবু আত্তাফ যায়িদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আম্মানি অন্য একজনের কবিতা থেকে:

যখন কোনো বিষয়ে মানুষের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় … তখন সব দিক থেকে সুযোগ-সুবিধা তার অনুকূলে চলে আসে

কিন্তু যদি তার দুনিয়া তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তার জন্য সব পথ দুর্গম হয়ে পড়ে … এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জনের সব উপায় তাকে ক্লান্ত ও ব্যর্থ করে দেয়

সে সেখানে রিযিক কিংবা আকাঙ্ক্ষিত বস্তু লাভ করতে পারে না … কোনো অপকৌশল অবলম্বন করে কিংবা কোনো উপার্জনকারীর উপার্জনের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - ثنا الشَّيْخُ وَالِدِي ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: "‌‌ لِلْمُؤْمِنِ عَلَى الْمُؤْمِنِ سِتُّ خِصَالٍ: يَعُودُهُ إِذَا مَرِضَ، وَيَشْهَدُهُ إِذَا مَاتَ، وَيُجِيبُهُ إِذَا دَعَاهُ، وَيُسَلِّمُ عَلَيْهِ إِذَا لَقِيَهُ، وَيُشَمِّتُهُ إِذَا عَطَسَ، وَيَنْصَحُهُ إِذَا غَابَ أَوْ شَهِدَ "
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ, আমার পিতা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতায়বাহ বিন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুসা, তিনি সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ এক মুমিনের ওপর অপর মুমিনের ছয়টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে: সে অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাবে, সে মারা গেলে তার জানাজায় উপস্থিত হবে, সে তাকে দাওয়াত দিলে তা গ্রহণ করবে, তার সাথে দেখা হলে তাকে সালাম দিবে, সে হাঁচি দিলে তার হাঁচির জবাব দিবে এবং সে অনুপস্থিত থাকুক বা উপস্থিত, তার কল্যাণ কামনা করবে।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ يَزِيدَ الْقَزْوِينِيُّ ، بِالرَّيِّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْدَهْ الأَصْبَهَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَا مِنْ أَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ يُصَابُ بِبَلاءٍ فِي جَسَدِهِ إِلا أَمَرَ اللَّهُ الْحَافِظَيْنِ اللَّذَيْنِ يَحْفَظَانِهِ، فَقَالَ: «اكْتُبَا لِعَبْدِي فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ مِثْلَ مَا كَانَ مِنَ الْخَيْرِ مَا دَامَ فِي وَثَاقِي»
14 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে ইয়াযীদ আল-কাযওয়ীনি রাই শহরে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মানদাহ আল-আসবাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে হাফস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, তিনি কাসেম ইবনে মুখাইমিরাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মুসলমানদের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে তার শরীরে কোনো বিপদে আক্রান্ত হয়, তবে আল্লাহ সেই দুই সংরক্ষণকারী ফেরেশতাকে নির্দেশ দেন যারা তাকে পাহারা দেয়, অতঃপর তিনি বলেন: «তোমরা আমার বান্দার জন্য প্রতিদিন ও রাতে সেই পরিমাণ নেক আমল লিখে রাখো যা সে ইতিপূর্বে করত, যতক্ষণ সে আমার বন্ধনে থাকে।»"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدُوسٍ الطَّرَائِفِيُّ، حَدَّثَنَا عُثمانَُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارَمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَهْضَمٍ السَّدُوسِيُّ ، مُؤَذِّنُ مَسْجِدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ فَهُوَ مُنَافِقٌ وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى وَزَعَمَ أَنَّهُ مُسْلِمٌ: إِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِنِ اؤْتُمِنَ خَانَ، وَإِذَا حَدَّثَ كَذَبَ "

أَنْشَدَنِي وَالِدِي، أَنْشَدَنِي أَبُو الْقَاسِمِ السُّلُوبِيُّ الْعَدْلُ، أَنْشَدَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ مَسْعُودٌ الْقَزْوِينِيُّ:

عَجِبْتُ لِقَلْبِكَ كَيْفَ انَقْلَبْ … وَحُبِّكَ إِيَّايَ لِمَ قَدْ ذَهَبْ

وَأَعْجَبُ مِنْ ذَا وَذَا أَنَّنِي … أَرَاكَ بِعَيْنِ الرِّضَى فِي الْغَضَبْ.
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুস আত-তরাইফি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাহদাম আস-সাদুসি—যিনি একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আইয়ুব, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে থাকবে সে মুনাফিক, যদিও সে রোজা রাখে, নামাজ পড়ে এবং দাবি করে যে সে মুসলিম: যখন সে প্রতিশ্রুতি দেয় তখন তা ভঙ্গ করে, যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন সে খিয়ানত করে এবং যখন সে কথা বলে তখন মিথ্যা বলে।"

আমার পিতা আমাকে কবিতা শুনিয়েছেন, আমাকে আবুল কাসিম আস-সুলুবি আল-আদল কবিতা শুনিয়েছেন, আমাকে আবু মুহাম্মাদ মাসউদ আল-কাজভিনি কবিতা শুনিয়েছেন:

আমি তোমার হৃদয়ের জন্য বিস্মিত যে তা কীভাবে বদলে গেল … আর আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা কেন চলে গেল

আর এর চেয়েও বেশি বিস্ময়কর হলো এই যে … আমি তোমাকে রাগের মুহূর্তেও সন্তুষ্টির চোখে দেখি।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ، حَدَّثَنَا الصَّابُونِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ فَارِسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«أَلا أُخْبِرُكُمْ بِخِيَارِكُمْ مِنْ شِرَارِكُمْ ، خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالا»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল বিন নাজিফ আল-ফাররা, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আস-সাবুনী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন মারযূক, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান বিন উমর বিন ফারিস, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমের থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি কি তোমাদের মন্দদের মধ্য থেকে যারা উত্তম তাদের সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা, যাদের দীর্ঘ জীবন দান করা হয়েছে এবং যাদের আমল সবচেয়ে সুন্দর হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَظِيفٍ ، حَدَّثَنَا الصَّابُونِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْجَارُودِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مَوْهِبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا حَلِيمٌ إِلا ذُو عَثْرَةٍ، وَلا حَكِيمٌ إِلا ذُو تَجْرِبَةٍ»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাযীফ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-সাবুনী, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল জারূদ হতে, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াজীদ ইবনে মাওহিব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস, তিনি দাররাজ হতে, তিনি আবু হাইসাম হতে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: «পদস্খলন হওয়া ব্যক্তি ছাড়া কেউ সহনশীল হতে পারে না এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউ প্রজ্ঞাবান হতে পারে না»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي دَاوُدَ الْبُرُلُّسِيُّ، حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ نَاجِيَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمُ بْنُ حِبَّانَ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ أَرْطَأَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَوْلًى لأَبِي بَكْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ ذَنْبَانِ لا يُغْفَرَانِ وَيُعَجَّلُ لِصَاحِبِهِمَا الْعُقُوبَةُ: الْبَغْيُ وَقَطِيعَةُ الرَّحِمِ "

وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ
إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْفَتْحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمَهْدِيِّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ ، قَالَ: قَالَ حَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ لِخُرَيْمٍ النَّاعِمِ: لِمَ سُمِّيتَ خُرَيْمًا النَّاعِمَ؟ قَالَ: لِخَلَّتَيْنِ لَمْ أَلْبَسْ جَدِيدًا فِي الصَّيْفِ وَخَلَقًا فِي الشِّتَاءِ، قَالَ: فَأَخْبِرْنِي مَا الْعَيْشُ؟ قَالَ: الأَمْنُ ، فَإِنِّي رَأَيْتُ الْخَائِفَ لا يَتَهَنَّى بِعَيْشٍ.

قَالَ: زِدْنِي.

قَالَ: الشَّبَابُ ، فَإِنَّ الشَّيْخَ لا يَتَهَنَّى بِعَيْشٍ.

قَالَ: زِدْنِي.

قَالَ: لا أَجِدُ لَكَ مَزِيدًا.

أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ الْكِرَامِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ بُنْدَارٍ الأَدْنَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ السَّرَّائِيِّ ، قَالَ: أَنْشَدَنَا ابْنُ الْمُعْتَزِّ ، لِنَفْسِهِ:

نَفْسُكَ ثَوْبُ الْبَهَاءِ فَصُنْهَا … مَنْ لَمْ يَصُنْ نَفْسَهُ يُهِنْهَا

نَفْسُكَ رَيْحَانَةٌ تُفْدَى … فَاعْمِ عُيُونَ الْعُدَاةِ عَنْهَا

إِنْ عَسِرْتَ حَاجَةً فَدَعْهَا … الْيَأْسُ مِنْهَا غِنَاكَ عَنْهَا.
১৮ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবি দাউদ আল-বুরুসুলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আদম ইবনে নাজিয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলাইম ইবনে হিব্বান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ থেকে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ-এর এক মুক্ত দাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌ দুটি গুনাহ এমন যা ক্ষমা করা হয় না এবং এগুলোর সম্পাদনকারীর শাস্তি ত্বরান্বিত করা হয়: অন্যাচার ও বিদ্রোহ এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা। "

এবং মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলি ইবনে
ইব্রাহিম ইবনুল ফাতহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে জিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনুল মাহদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ খুরাইম আন-নায়িমকে জিজ্ঞেস করলেন: কেন আপনাকে 'খুরাইম আন-নায়িম' (সুখী খুরাইম) নামে অভিহিত করা হয়? তিনি বললেন: দুটি অভ্যাসের কারণে; আমি গ্রীষ্মকালে নতুন কাপড় পরি না এবং শীতকালে জীর্ণ কাপড় পরি না। তিনি বললেন: তাহলে আমাকে বলুন জীবন কী? তিনি বললেন: নিরাপত্তা, কারণ আমি দেখেছি যে ভীত ব্যক্তি জীবন উপভোগ করতে পারে না।

তিনি বললেন: আমাকে আরও বলুন।

তিনি বললেন: যৌবন, কারণ বৃদ্ধ ব্যক্তি জীবন উপভোগ করতে পারে না।

তিনি বললেন: আমাকে আরও বলুন।

তিনি বললেন: আপনার জন্য আমার কাছে আর কিছু বলার নেই।

আবুল হুসাইন ইবনুল কিরাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আলি ইবনে বুন্দার আল-আদনা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ আস-সাররায়ি থেকে, তিনি বলেন: ইবনুল মুতায আমাদের নিকট তার নিজের রচিত কবিতা পাঠ করেছেন:

তোমার আত্মা হলো সৌন্দর্যের পোশাক, তাই একে রক্ষা করো … যে নিজের আত্মাকে রক্ষা করে না, সে একে অপদস্থ করে।

তোমার আত্মা একটি সুগন্ধি ফুল যা উৎসর্গ করার যোগ্য … তাই শত্রুদের দৃষ্টি থেকে একে আড়াল করে রাখো।

যদি কোনো প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে তবে তা বর্জন করো … সেটির আশা ত্যাগ করাই হলো তোমার জন্য অভাবহীনতা।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - وَأَخْبَرَنَا وَالِدِي ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ، حَدَّثَنَا الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَلْيُخَفِّفْ، فَإِنَّ فِيهِمُ السَّقِيمَ وَالْمَرِيضَ، وَإِذَا كَانَ يُصَلِّي لِنَفْسِهِ فَلْيُطِلْ مَا شَاءَ»
১৯ - এবং আমার পিতা (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাজী আবু বকর আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-হিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনু ইয়াকুব আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর-রাবি‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আশ-শাফি‘ঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ‘রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করে, সে যেন সংক্ষিপ্ত করে; কারণ তাদের মধ্যে দুর্বল ও অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছে। আর যখন সে নিজের জন্য সালাত আদায় করে, তখন সে যতটা ইচ্ছা দীর্ঘ করতে পারে।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - وَأَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ ، أَخْبَرَنَا الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: "‌‌ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ: أَنْصِتْ.

وَالإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ "
২০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাবী‘, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শাফি‘ঈ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক বিন আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনে আল-মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌যখন তুমি তোমার সঙ্গীকে বলবে: চুপ করো.

আর ইমাম তখন খুতবা দিচ্ছেন, তবে তুমি অনর্থক কাজ করলে।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ، أَخْبَرَنَا الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ،‌‌ رَأَى حُلَّةَ سِيَرَاءَ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوِ اشْتَرَيْتَ هَذِهِ فَلَبِسْتَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَلِلْوُفُودِ إِذَا قَدِمُوا عَلَيْكَ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا يَلْبَسُ هَذِهِ مَنْ لا خَلاقَ لَهُ فِي الآخِرَةِ» .

ثُمَّ جَاءَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا حُلَلٌ، فَأَعْطى عُمَرَ مِنْهَا حُلَّةً، فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ: كَسَوْتَنِيهَا وَقَدْ قُلْتَ فِي حُلَّةِ عُطَارِدٍ مَا قُلْتَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَمْ أَكْسُكَهَا لِتَلْبِسَهَا» .

فَكَسَاهَا أَخًا لَهُ مُشْرِكًا بِمَكَّةَ
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাবী‘, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাফি‘ঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) মসজিদের দরজার কাছে একটি রেশমি পোশাক দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি এটি ক্রয় করতেন এবং জুমার দিন ও প্রতিনিধি দল যখন আপনার নিকট আসবে তখন পরিধান করতেন।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: “নিশ্চয়ই এটি কেবল সেই ব্যক্তিই পরিধান করে, পরকালে যার কোনো অংশ নেই।”

অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট তেমন কিছু পোশাক এল। তিনি সেখান থেকে উমরকে একটি পোশাক প্রদান করলেন। তখন উমর (রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু) বললেন: আপনি আমাকে এটি পরিধান করতে দিচ্ছেন অথচ উতারিদ-এর পোশাকের ব্যাপারে আপনি যা বলার বলেছিলেন? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: “আমি এটি তোমাকে পরিধান করার জন্য দেইনি।”

অতঃপর তিনি (উমর) সেটি মক্কায় অবস্থানরত তাঁর এক মুশরিক ভাইকে প্রদান করলেন।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ، أَخْبَرَنَا الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا الثِّقَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ كَانَ‌‌ يَنَامُ قَاعِدًا ثُمَّ يُصَلِّي وَلا يَتَوَضَّأُ "
২২ - আর-রাবী‘ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আশ-শাফি‘ঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নির্ভরযোগ্য রাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বসা অবস্থায় ঘুমাতেন, অতঃপর সালাত আদায় করতেন এবং ওযু করতেন না।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الصَّيْرَفِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا.

قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَصَرْتُهُ مَظْلُومًا فَكَيْفَ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا؟ قَالَ: تَمْنَعُهُ مِنَ الظُّلْمِ فَذَلِكَ نَصْرُكَ إِيَّاهُ "
২৩ - নিশাপুরে আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আস-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: মারওয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; তিনি বলেন: হুমাইদ আত-তবিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আনাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক অথবা মজলুম।"

জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! সে মজলুম হলে তো তাকে সাহায্য করব, কিন্তু সে জালেম হলে তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: "তুমি তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই তাকে তোমার সাহায্য করা।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا الأَصَمُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ، أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ.

قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ
، كُلُّنُا نَكْرَهُ الْمَوْتَ.

قَالَ: لَيْسَ ذَلِكَ بِكَرَاهِيَةِ الْمَوْتِ، إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا احْتَضَرَ فَجَاءَتْهُ الْبُشْرَى مِنَ اللَّهِ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ فَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا احْتَضَرَ فَجَاءَهُ مَا هُوَ رَاجِعٌ إِلَيْهِ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ وَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ "
২৪ - আবু সাঈদ আস-সায়রাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান ইবনে মুআবিয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করাকে ভালোবাসে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত করাকে ভালোবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করা অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত করা অপছন্দ করেন।

জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল
, আমরা তো সবাই মৃত্যুকে অপছন্দ করি।

তিনি বললেন: বিষয়টি মৃত্যুকে অপছন্দ করা নয়; বরং মুমিন ব্যক্তি যখন মৃত্যুশয্যায় শায়িত হয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিকট সুসংবাদ আসে, তখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করাকে ভালোবাসে, ফলে আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত করাকে ভালোবাসেন। আর কাফির ব্যক্তি যখন মৃত্যুশয্যায় শায়িত হয় এবং তার জন্য যা নির্ধারিত (শাস্তি) তা তার নিকট আসে, তখন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করাকে অপছন্দ করে, ফলে আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাত করাকে অপছন্দ করেন।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ ، إِمْلاءً، يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي شَهْرِ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنِي الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَنَا الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاقَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، يَقُولُ: ‌‌«بَايَعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلى النُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»
২৫ - আবু সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম ৩৪১ হিজরি সনের জুমাদিউল উলা মাসের জুমার দিনে আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, রাবী ইবনে সুলাইমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যিয়াদ ইবনে ইলাকা থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রত্যেক মুসলমানের কল্যাণ কামনার ওপর বায়আত গ্রহণ করেছি»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - وَأَخْبَرَنَا رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَسْعُودٍ الدَّارَمِيُّ ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، فِي مَنْزِلِهِ بِفِلَسْطِينَ، حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ الْقَاسِمِ الطَّرْدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْكُدَيْمِيُّ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَسَنٍ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَرَأَى رَجُلا قَدْ ظُلِّلَ عَلَيْهِ، فَقَالَ: «مَا هَذَا» ؟ قَالُوا: صَائِمٌ.

قَالَ: ‌‌«لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ»
২৬ - এবং তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), ফিলিস্তিনে তাঁর নিজ বাসভবনে শায়খ আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাসউদ আদ-দারিমি (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু সাহল মুহাম্মাদ ইবনে হারুন ইবনে আল-কাসিম আত-তারদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আল-কুদাইমি আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হাসান থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক সফরে থাকাকালীন এক ব্যক্তিকে দেখলেন যার ওপর ছায়া দেওয়া হচ্ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এটি কী?" তারা বলল: "এক জন রোজা পালনকারী।"

তিনি বললেন: "সফরের অবস্থায় রোজা রাখা পুণ্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي فُلَيْحٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ كَثِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا غُفِرَتْ ذُنُوبُهُ وَإِنْ كَانَتْ أَكْثَرَ مِنْ زَبَدِ الْبَحْرِ "
২৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাজ্জাজ ইবনে নুসায়র বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ফুলায়হ থেকে, তিনি আমর ইবনে মায়মুন থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি বলে: ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহ অতি পবিত্র) অধিক পরিমাণে এবং ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর) অধিক পরিমাণে, তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় যদিও তা সমুদ্রের ফেনার চেয়েও বেশি হয়।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু আউয়ালী ওয়া ফাওয়ায়িদু মুনতাকাহ ওয়া ইনশাদাত (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ أَنْ تَصُومُوا فِي السَّفَرِ»
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল হাসান থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সফরে রোজা রাখা কোনো পুণ্যের কাজ নয়»