(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي عبد الله الفراء   (أبو عبد الله الفراء)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد أبي عبد الله الفراء

المؤلف: محمد بن الفضل بن نظيف أبو عبد الله المصري الفراء (ت 431هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 47

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাররার ফাওয়াইদ   (আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাররা)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাররার ফাওয়াইদ

লেখক: মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল বিন নাযীফ আবু আব্দুল্লাহ আল-মিসরী আল-ফাররা (মৃত্যু ৪৩১ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; এটি ইসলাম ওয়েব ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি সফটওয়্যারে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৭

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ مِنْ فَوَائِدِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْفَرَّاءِ الْمِصْرِيِّ ، عَنْ شُيُوخِهِ.

رِوَايَةُ الرَّئِيسِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيِّ ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيِّ، عَنْهُ.

بسم الله الرحمن الرحيم
আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফজল ইবনে নাজিফ আল-ফাররা আল-মিসরীর ফাওয়াইদ (উপকারিতা ও শিক্ষা) থেকে একটি অংশ, যা তিনি তাঁর শায়খদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে রাইস আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফীর বর্ণনা।

তাঁর থেকে ইমাম আল-হাফিজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আস-সিলাফীর বর্ণনা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ الْمُعْتَمِدُ أَبُو عَبْدُ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ فِي دَارِهِ فِي شَهْرِ اللَّهِ الأَصَمِّ مِنْ سَنَةِ ثَمانٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ نَظِيفٍ الْمِصْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمَكَّةَ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ بَيْنَ بَابِ النَّدْوَةِ وَالْحُجْرَةِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وَأْرَبَعِ مِائَةٍ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيْوَيَةَ النَّيْسَابُورِيُّ الشَّيْخُ الثِّقَةُ، إِمْلاءً، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ التُّجِيبِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ الْمَخْزُومِيُّ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْس ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسٍ أَوْ أَقَلَّ صَدَقَةٌ»
১ - নির্ভরযোগ্য প্রধান শাইখ আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, চারশো আটাশি হিজরি সনের আল্লাহর মাস আল-আসাম-এ (রজব) ইস্পাহানে তাঁর নিজ গৃহে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফজল ইবনে নাজিফ আল-মিসরী, চারশো বারো হিজরি সনের জিলহজ মাসে মক্কায় মসজিদে হারামে বাবুন নদওয়াহ এবং হুজরার মধ্যবর্তী স্থানে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে। নির্ভরযোগ্য শাইখ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাকারিয়া ইবনে হাইওয়াইহ আন-নাইসাবুরী শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আত-তুজীবী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বুকাইর আল-মাখজুমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীকে বলতে শুনেছি যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো সদকা (যাকাত) নেই এবং পাঁচের কম বা তার চেয়ে কম পরিমাণে কোনো সদকা নেই»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، ثنا سَعْدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ وَلا فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ، وَلا فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ»
২ - আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন নাসর আর-রাফিকী আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াজিদ বিন আব্দুল হামীদ আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আয-যুবাইরী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ বিন আবু উবাইদ আদ-দারাওয়ারদী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন ইয়াহইয়া আল-মাযিনী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণে কোনো সদকা নেই, পাঁচটির কম উটে কোনো সদকা নেই এবং পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণে সদকা নেই।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ، إِمْلاءً، أنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسَائِيُّ، أنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، نا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، نا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا تَحِلُّ فِي الْبُرِّ وَالتَّمْرِ زَكَاةٌ حَتَّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسُقٍ، وَلا تَحِلُّ فِي الإِبِلِ زَكَاةٌ حَتَّى تَبْلُغَ خَمْسَ ذَوْدٍ»
৩ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাকারিয়া আন-নায়সাবুরী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে মাসউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে যুরাই, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনুল কাসিম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমারা তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: «গম এবং খেজুরের ক্ষেত্রে যাকাত ওয়াজিব হয় না যতক্ষণ না তা পাঁচ ওয়াসাক পর্যন্ত পৌঁছায়, এবং উটের ক্ষেত্রে যাকাত ওয়াজিব হয় না যতক্ষণ না তা পাঁচটি উটে পৌঁছে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ السَّنَدِيِّ الصَّابُونِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا مِنْ لَفْظِهِ، أنا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أنا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ مِنَ التَّمْرِ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ مِنَ الْوَرِقِ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ مِنَ الإِبِلِ صَدَقَةٌ» .

كَذَا قَالَ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَالصَّوَابُ: مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
৪ - আমাদের নিকট আবুল ফাওয়ারিস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আস-সানাদি আস-সাবুনি তাঁর নিজ শব্দে আমাদের সামনে পাঠ করে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস বিন আবদিল আ'লা আস-সাদাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি সা'সাআ আল-মাযিনি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, আর তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণ খেজুরের ক্ষেত্রে কোনো সদাকা (যাকাত) নেই, এবং পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রুপার ক্ষেত্রে কোনো সদাকা (যাকাত) নেই, আর পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো সদাকা (যাকাত) নেই।» .

তিনি এভাবেই বলেছেন: আবদুর রহমান; তবে সঠিক হলো: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْمَوْتِ الْمَكِّيُّ، إِمْلاءً، ثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْقَاسِمُ بْنُ اللَّيْثِ الرَّأْسِيُّ مِنْ رَأْسِ الْعَيْنِ نَا بِشْرُ بْنُ آدَمَ، نَا مَنْصُورُ بْنُ زَيْدٍ الْمَوْصِلِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ، عَن عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لَيْسَ عَلَى الرَّجُلِ الْمُسْلِمِ زَكَاةٌ فِي كَرْمِهِ وَلا فِي زَرْعِهِ إِذَا كَانَ أَقَلَّ مِنْ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ»
৫ - আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল মাওত আল-মাক্কী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সালেহ আল-কাসিম বিন আল-লাইস আর-রা’সী রাসুল আইন হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর বিন আদম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মানসুর বিন যায়েদ আল-মাওসিলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুসলিম আত-তায়েফী বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর বিন দীনার হতে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«কোনো মুসলিম ব্যক্তির ওপর তার আঙুর বাগান কিংবা তার ফসলে কোনো যাকাত নেই, যখন তা পাঁচ ওয়াসাক অপেক্ষা কম হয়।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَرُوفٍ الْمَدِينِيُّ، إِمْلاءً، ثنا مُوسَى بْنُ هَارُونَ الْجَمَّالُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يَضَعَ الرَّجُلُ إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى وَهُوَ مُتَّكِئٌ»
৬ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন খারূফ আল-মাদিনী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন হারূন আল-জাম্মাল আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুসলিম আত-তায়েফী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে, জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি হেলান দেওয়া অবস্থায় যেন তার এক পা অন্য পায়ের ওপর না রাখে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، ثنا سَعْدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ، نا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي»
৭ - আমাদের নিকট আবু আল-ফাদল আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-রাফিকী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সা'দ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আব্দুল হামীদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট যুহাইর ইবনে হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত দাঁড়াবে না»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، نا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الصَّبَّاحِ أَبُو عَمْرٍو، نا أَبُو نُعَيْمٍ وَاسْمُهُ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يَمَسَّ الرَّجُلُ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ»
৮ - আব্বাস বিন মুহাম্মদ আর-রাফিকী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি আকারে বর্ণনা করেছেন, হাফস বিন উমর বিন আস-সাব্বাহ আবু আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম—তাঁর নাম আল-ফদল বিন দুকাইন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা’মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবু কাসীর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবু কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন যে কোনো ব্যক্তি যেন তার ডান হাত দিয়ে তার লিঙ্গ স্পর্শ না করে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، إِمْلاءً، ثنا بَكْرُ بْنُ سَهْلِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الدِّمْيَاطِيُّ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ، نا زَيْدُ بْنُ مِسْوَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا أَتَى اللَّهُ عَالِمًا عِلْمًا إِلا أَخَذَ عَلَيْهِ الْمِيثَاقَ أَلا يَكْتُمَهُ»
৯ - আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন হাসান বিন ইসহাক বিন উতবা আর-রাজি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বকর বিন সাহল বিন ইসমাইল আদ-দিমইয়াতি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা বিন মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যাইদ বিন মিসওয়ার, তিনি যুহরি থেকে, তিনি ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ কোনো আলেমকে কোনো জ্ঞান দান করেননি, তবে তার থেকে এই অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন যে, সে তা গোপন করবে না»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ الرَّازِيُّ، إِمْلاءً، ثنا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ صَالِحِ بْنِ صَفْوَانٍ، نا أَبِي، وَنَصْرُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ ، مِثْلَهُ سَوَاءً.

قَالا: نا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ دُونَ إِذْنِ وَلِيِّهَا فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ، فَإِنْ أَصَابَهَا فَلَهَا مَهْرُهَا، وَإِنِ اشْتَجَرُوا فَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لا وَلِيَّ لَهُ»
১০ - আমাদের নিকট শ্রুতলিপি (ইমলা) হিসেবে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসহাক আর-রাজি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে উসমান ইবনে সালিহ ইবনে সাফওয়ান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা এবং নাসর ইবনে আব্দুল জাব্বার, একইভাবে।

তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়াহ, ইবনে আবি জাফর হতে, তিনি ইবনে শিহাব হতে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর হতে এবং তিনি মুমিনজননী আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করবে, তার বিবাহ বাতিল। অতঃপর যদি সে তার সাথে সহবাস করে, তবে তার জন্য মোহর সাব্যস্ত হবে। আর যদি তারা বিবাদে লিপ্ত হয়, তবে সুলতান (রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ) তার অভিভাবক যার কোনো অভিভাবক নেই।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَصْرِيُّ، بِمِصْرَ، نا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ سَهْلِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْجَوْنِيُّ الْعَبْدِيُّ، نا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، نا قَزَعَةُ بْنُ سُوَيْدٍ السَّدُوسِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مِنْ حُسْنِ إِسْلامِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لا يَعْنِيهِ»
১১ - আমাদের নিকট আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বাসরী মিসরে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইমরান মুসা বিন সাহল বিন আব্দুল হামিদ আল-জাওনী আল-আবদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল ওয়াহিদ বিন গিয়াস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাযাআ বিন সুওয়াইদ আস-সাদুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ বিন উমর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মানুষের ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো তার জন্য যা অনর্থক তা বর্জন করা।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عُتْبَةَ الرَّازِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْعُتْبِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنِيَ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ، وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: "‌‌ إِذَا قُلْتَ لأَخِيكَ: أَنْصِتْ ، وَالإِمَامُ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَدْ لَغَوْتَ "
১২ - আমাদের নিকট আবুল আব্বাস বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক বিন উতবা আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন মুআবিয়া আল-উতবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন বুকাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট লাইস বিন সাদ বর্ণনা করেছেন উকাইল বিন খালিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উমর বিন আবদুল আজিজ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন কারিজ এবং সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে, তারা আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "‌‌ জুমার দিনে ইমাম যখন খুতবা দেন, তখন যদি তুমি তোমার ভাইকে বলো: ‘চুপ থাকো’, তবে তুমি অনর্থক কাজ করলে। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْمَوْتِ الْمَكِّيُّ، إِمْلاءً، نا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْبَصْرِيُّ، نا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، نا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنِيَ ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالإِمَامُ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَدْ لَغَوْتَ»
১৩ - এবং আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল মাওত আল-মাক্কি শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-আব্বাস আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি ফুদাইক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি যিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জুমার দিন ইমাম যখন খুতবা প্রদান করেন, তখন তুমি যদি তোমার সঙ্গীকে বলো ‘চুপ থাকো’, তবে তুমি অনর্থক কাজ করলে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ ثَوَابَةُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عِيسَى بْنِ ثَوَابَةَ الْمَوْصِلِيُّ، إِمْلاءً، ثنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى التَّمِيمِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ هُوَ ابْنُ الْحَجَّاجِ الشَّامِيُّ، نا حَمَّادٌ هُوَ ابْنُ سَلَمَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌«نَهَى أَنْ يَتَنَفَّسَ أَحَدٌ فِي الإِنَاءِ»
১৪ - আবু আল-হুসাইন সাওয়াবাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ঈসা ইবনে সাওয়াবাহ আল-মাওসিলি আমাদের নিকট মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আত-তামিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম (যিনি ইবনুল হাজ্জাজ আশ-শামি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ (যিনি ইবনে সালামাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আবি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «পাত্রের মধ্যে কাউকে শ্বাস ফেলতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السُّيُوطِيُّ، إِمْلاءً، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُونُسَ، نا بِشْرُ بْنُ الْوَلِيدِ الْكِنْدِيُّ، نا أَبُو مَعْشَرٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَا مِنْ مُؤْمِنٍ إِلا يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَعْنِي بِيَهُودِيٍّ أَوْ نَصْرَانِيٍّ، يَقُولُ: هَذَا فِدَائِي مِنَ النَّارِ "
১৫ - আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনুল খদির ইবনে আবদুল্লাহ আস-সুয়ূতী শ্রুতিলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বিশর ইবনুল ওয়ালীদ আল-কিন্দি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মা'শার আল-মাদানী বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসআব ইবনে সাবিত থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি আবু বুরদা ইবনে আবু মুসা থেকে এবং তিনি আবু মুসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌এমন কোনো মুমিন নেই যে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আসবে না যে তার সাথে একজন ইহুদি বা নাসারা থাকবে, সে বলবে: এ হচ্ছে আমার মুক্তিপণ আগুন থেকে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْمَوْتِ الْمَكِّيُّ، إِمْلاءً، نا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَكِّيُّ، نَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ الصَّفَّارُ، نا هَمَّامٌ، نا قَتَادَةُ ، أَنَّ عَوْفًا، وَسَعِيدًا، حَدَّثَاهُ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا بُرْدَةَ، يُحَدِّثُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا يَمُوتُ رَجُلٌ مُسْلِمٌ إِلا أَدْخَلَ اللَّهُ مَكَانَهُ النَّارَ يَهُودِيًّا أَوْ نَصْرَانِيًّا» .

فَاسْتَحْلَفْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ بِاللَّهِ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ أَنَّ أَبَاهُ رضي الله عنه حَدَّثَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: فَلَمْ يُحَدِّثْنِي سَعِيٌد أَنَّهُ اسْتَحْلَفَهُ، وَلَمْ يُنْكِرْ عَلَى عَوْفٍ قَوْلَهُ
১৬ - আমাদের নিকট আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল মাউত আল-মাক্কী শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মাক্কী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আফফান ইবনে মুসলিম আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন যে, আউফ এবং সাঈদ তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে তারা উভয়ে আবু বুরদাহকে উমর ইবনে আব্দুল আজিজের নিকট তার পিতার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: ‌‌«কোনো মুসলিম ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহ তার পরিবর্তে জাহান্নামে একজন ইহুদি অথবা খ্রিস্টানকে প্রবেশ করান» .

অতঃপর আমি উমর ইবনে আব্দুল আজিজকে সেই আল্লাহর নামে তিনবার শপথ করালাম যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই যে, তার পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমার পিতা আমাকে এটি বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন: সাঈদ আমাকে এটি বলেননি যে তিনি তাকে শপথ করিয়েছিলেন, তবে তিনি আউফ-এর বক্তব্যের কোনো প্রতিবাদ করেননি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْحَدَّادِ، إِمْلاءً، نا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَدِمَ عَلَيْنَا أَبُو جُمُعَةَ الأَنْصَارِيُّ صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ الْمَقْدِسِ لِيُصَلِّيَ فِيهِ، وَمَعَنَا رَجَاءُ بْنُ حَيْوَةَ يَوْمَئِذٍ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ خَرَجْنَا مَعَهُ لِنُشَيِّعَهُ ، فَلَمَّا أَرَدْنَا الانْصِرَافَ، قَالَ: إِنَّ لَكُمْ عَلَيَّ جَائِزَةً، وَحَقًّا أُحَدِّثُكُمْ بِحَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَقُلْنَا: هَاتِ يَرْحَمْكَ اللَّهُ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَمَعَنَا مُعَاذٌ عَاشِرُ عَشَرَةٍ، قَالَ: فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ هَلْ مِنْ قَوْمٍ أَعْظَمُ مِنَّا أَجْرًا؟ آمَنَّا بِكَ وَاتَّبَعْنَاكَ، قَالَ: «مَا مَنَعَكُمْ مِنْ ذَلِكَ وَرَسُولُ اللَّهِ بَيْنَ أَظْهُرِكُمْ ، يَأْتِيكُمُ الْوَحْيُ مِنَ السَّمَاءِ، بَلَى قَوْمٌ يَأْتُونَ مِنْ بَعْدِكُمْ ، يَأْتِيهِمْ كِتَابٌ بَيْنَ لَوْحَيْنِ فَيُؤْمِنُونَ بِهِ ، وَيَعْمَلُونَ بِمَا فِيهِ ، أُولَئِكَ أَعْظَمُ مِنْكُمْ أَجْرًا، وَأُولَئِكَ أَعْظَمُ مِنْكُمْ أَجْرًا»
১৭ - আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ, যিনি ইবনুল হাদ্দাদ নামে পরিচিত, শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী আবু জুমুআহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বাইতুল মাকদিসে আসলেন সেখানে সালাত আদায় করার জন্য, আর সেদিন আমাদের সাথে রাজা ইবনে হাইওয়াহ ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি ফিরে যেতে চাইলেন, আমরা তাঁকে বিদায় জানাতে তাঁর সাথে বের হলাম। যখন আমরা ফিরে আসতে চাইলাম, তিনি বললেন: তোমাদের জন্য আমার নিকট একটি পুরস্কার ও পাওনা অধিকার রয়েছে; আমি তোমাদের নিকট এমন একটি হাদীস বর্ণনা করব যা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে শুনেছি। বর্ণনাকারী বলেন: আমরা বললাম, তবে তা পেশ করুন, আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। তিনি বললেন: আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম এবং আমাদের সাথে দশজনের মধ্যে দশম ব্যক্তি হিসেবে মুয়াজ (রা.) ছিলেন। তিনি বললেন: তখন আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, এমন কি কোনো সম্প্রদায় আছে যারা প্রতিদানের দিক থেকে আমাদের চেয়েও মহান? আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। তিনি বললেন: "তোমাদের ঈমান আনতে কিসে বাধা দিত যখন স্বয়ং আল্লাহর রাসুল তোমাদের মাঝে বিদ্যমান এবং তোমাদের নিকট আকাশ থেকে ওহী আসছে? বরং তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা তোমাদের পরে আসবে, তাদের নিকট দুই মলাটের মধ্যবর্তী একটি কিতাব (কুরআন) আসবে, অতঃপর তারা তাতে ঈমান আনবে এবং তাতে যা আছে সে অনুযায়ী আমল করবে। তারাই প্রতিদানের দিক থেকে তোমাদের চেয়ে মহান, তারাই প্রতিদানের দিক থেকে তোমাদের চেয়ে মহান।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرٍ الْمَالِكِيُّ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكِ بْنِ الْفَضْلِ أَبُو إِسْحَاقَ الْكُوفِيُّ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، نا زَائِدَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ أَبِي الْيُسْرِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا أَوْ وَضَعَ عَنْهُ أَظَلَّهُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ يَوْمَ لا ظِلَّ إِلا ظِلُّهُ» .

قَالَ: فَبَصَقَ أَبُو الْيُسْرِ فِي صَحِيفَتِهِ، وَقَالَ لِغَرِيمِهِ: اذْهَبْ فَهِيَ لَكَ ، وَذَكَرَ أَنَّهُ كَانَ مُعْسِرًا
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু আল-তহির মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাসর আল-মালিকী, তিনি ইব্রাহিম ইবনে শারীক ইবনে আল-ফদল আবু ইসহাক আল-কুফি থেকে, তিনি আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস থেকে, তিনি যায়িদাহ থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি রিবঈ ইবনে হিরাশ থেকে, তিনি আবুল ইউসর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তকে (ঋণ পরিশোধের জন্য) অবকাশ দেয় অথবা তার ঋণ মওকুফ করে দেয়, আল্লাহ তাকে তাঁর ছায়ায় ছায়া দান করবেন এমন দিনে যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না»।

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর আবুল ইউসর তাঁর (ঋণ সংক্রান্ত) দলিলে থুতু দিলেন এবং তাঁর ঋণগ্রহীতাকে বললেন: যাও, এটি তোমার জন্য; আর তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত ছিল।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ نَصْرٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، ثنا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ يُلَقَّبُ سَنْجَةَ نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، نا زَائِدَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ رَجُلٍ يَسْلُكُ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا إِلا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَبْطَأَ بِهِ عَمَلُهُ لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ»
১৯ - আমাদের নিকট আবুল ফজল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আর-রাফিকী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাফস ইবনে উমর বর্ণনা করেছেন, যাঁর উপাধি সানজাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাইদাহ বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণের কোনো পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। আর যার আমল তাকে পিছিয়ে দেয়, তার বংশমর্যাদা তাকে এগিয়ে নিতে পারে না।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْحَاقَ الرَّازِيُّ، إِمْلاءً، نا رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ الْقَطَّانُ، نا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنِي مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ الزَّنْجِيُّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ‌‌ الْخَاصِرَةَ عِرْقُ الْكُلْوَةِ، فَإِذَا تَحَرَّكَ آذَتْ صَاحِبَهَا ، فَدَاوُوهَا بِالْمَاءِ الْمُحْرَقِ وَالْعَسَلِ»
২০ - আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক আর-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাউহ বিন আল-ফারাজ আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন বুকাইর, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন খালিদ আজ-জাঞ্জি, তিনি আবদুর রহমান বিন উমর থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই পার্শ্বদেশের ব্যথা হলো কিডনির শিরাজনিত, যখন তা নড়াচড়া করে তখন তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কষ্ট দেয়; সুতরাং তোমরা এর চিকিৎসা করো ফোটানো পানি এবং মধু দ্বারা।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السُّيُوطِيُّ، إِمْلاءً، نا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الدِّمَشْقِيُّ، نا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، نا شِهَابٌ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ بَابًا، أَفْضَلُهَا شَهَادَةُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَهْوَنُهَا إِمَاطَةُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ»
২১ - আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনুল খাদির ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুয়ূতী শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আদ-দিমাশকী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিশাম ইবনে আম্মার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শিহাব বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «ঈমান সত্তরটিরও কিছু বেশি শাখা বিশিষ্ট, যার মধ্যে সর্বোত্তম হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আর তার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা, এবং লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।’»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ غِيَاثِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْقطان، أنا زَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُعَدَّلِ، بِالْمَوْصِلِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمَّارٍ الْمَوْصِلِيُّ ، نا الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ، عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ، عَنْ قَابُوسِ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«السَّمْتُ الصَّالِحُ وَالْهَدْيُ الصَّالِحُ وَالاقْتِصَادُ جُزْءٌ مِنْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ»
২২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে গিয়াস ইবনুল হাসান ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়েদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনুল মুয়াদ্দাল, মাওসেলে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আম্মার আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুয়াফা ইবনে ইমরান, আবু হানিফা থেকে, তিনি কাবুস ইবনে আবি যাবইয়ান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ‌‌«উত্তম আচরণ, উত্তম স্বভাব এবং পরিমিতিবোধ হলো নবুওয়াতের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَصْرِيُّ الْمَالِكِيُّ، بِمِصْرَ، إِمْلاءً، نا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازُ، نا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، نا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَتْ‌‌ تَلْبِيَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكُ لا شَرِيكَ لَكَ» .

قَالَ الْقَاضِي: قَالَ أَبُو عِمْرَانَ: لَمْ يَرْوِ الرَّبِيعُ عَنْ مَالِكٍ إِلا هَذَا الْحَدِيثَ
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাসরি আল-মালিকি, মিসরে, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান মুসা ইবনে হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজ্জাজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-রাবি আল-জাহারানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তালবিয়া ছিল: ‘আমি হাজির হে আল্লাহ, আমি হাজির; আমি হাজির, আপনার কোনো শরিক নেই, আমি হাজির; নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আপনারই এবং রাজত্বও আপনার, আপনার কোনো শরিক নেই।’

বিচারক বলেন: আবু ইমরান বলেছেন: রাবি মালিক থেকে এই হাদিসটি ব্যতীত আর কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، نا أَبُو عَمْرٍو حَفْصُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الصَّبَّاحِ، نا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: " إِنَّمَا‌‌ كَانَ مَنْزِلا نَزَلَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَكُونُ أَسْمَحَ لِخُرُوجِهِ ، تَعْنِي الأَبْطَحَ
২৪ - আবু আল-ফাদল আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে আস-সারী আর-রাফিকী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আমর হাফস ইবনে উমর ইবনে আস-সাব্বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই এটি ছিল কেবল একটি বিরতিস্থল যেখানে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবস্থান করেছিলেন যাতে তাঁর প্রস্থান করা সহজতর হয়; তিনি আল-আবতাহ নামক স্থানকে বুঝিয়েছেন।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ أَحْمَدَ الشَّمْعِيُّ الْبَغْدَادِيُّ ، إِمْلاءً، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدُوسِ بْنِ كَامِلٍ، نا الْفَضْلُ بْنُ الصَّبَّاحِ، نا أَبُو عُبَيْدَةَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ وَاصِلٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ وَهُوَ ابْنُ بَهْرَامَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«مَا أَظَلَّتِ الْخَضْرَاءُ وَلا أَقَلَّتِ الْغَبْرَاءُ أَصْدَقَ لَهْجَةً مِنْ أَبِي ذَرٍّ، وَمَنْ سَرَّهُ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى مِثْلِ عِيسَى فِي الزُّهْدِ فَلْيَنْظُرْ لأَبِي ذَرٍّ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন আহমাদ ইবন মাহমুদ ইবন আহমাদ আশ-শাময়ী আল-বাগদাদী, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আব্দুস ইবন কামিল। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবন আস-সাব্বাহ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ আব্দুল ওয়াহিদ ইবন ওয়াসিল, তিনি আব্দুল হামিদ হতে—যিনি ইবন বাহরাম—তিনি শাহর ইবন হাওশাব হতে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন উসমান হতে এবং তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «আবু যার অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী কাউকে এই আকাশ ছায়া দান করেনি এবং এই পৃথিবী বহন করেনি; আর যাকে ঈসার ন্যায় কাউকে দেখে আনন্দিত হওয়া খুশি করে দুনিয়াবিমুখতার ক্ষেত্রে, সে যেন আবু যারকে দেখে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السُّيُوطِيُّ، إِمْلاءً، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُونُسَ، نا أَبُو حَفْصٍ عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْبَاهِلِيُّ، نا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، نا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ حُمْرَانَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ.

ح وحَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الرَّافِقِيُّ، إِمْلاءً، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ شَدَّادٍ الْقَاضِي الْجُذُوعِيُّ، نا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ حُمْرَانَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ» .

لَفْظُ الرَّافِقِيِّ
.

وَقَالَ ابْنُ الْخَضِرِ: يَعْلَمُ أَنَّ
২৬ - আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনুল খিদর ইবনে আবদুল্লাহ আস-সুয়ুতি শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু হাফস আমর ইবনে আলী আল-বাহিলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ আল-হাদ্দা বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আবু বিশর থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে হুমরানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি উসমানকে বলতে শুনেছি।

এবং আমাদের নিকট আবুল ফজল আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আর-রাফিকি শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে শাদ্দাদ আল-কাদি আল-জুযুয়ি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ আল-হাদ্দা বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি হুমরান থেকে, তিনি উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«যে ব্যক্তি এই জ্ঞান নিয়ে মৃত্যুবরণ করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে»।

এটি আর-রাফিকির শব্দচয়ন।
.

এবং ইবনুল খিদর বলেছেন: (তার বর্ণনায় শব্দ হলো) "সে জানে যে"।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ غِيَاثِ بْنِ الْحَسَنِ، نا أَبُو الْقَاسِمِ وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، نا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ لَمَّا صَوَّرَ اللَّهُ آدَمَ عليه السلام تَرَكَهُ فَجَعَلَ إِبْلِيسُ يَنْظُرُ إِلَيْهِ ، فَلَمَّا رَآهُ أَجْوَفَ، قَالَ: ظَفِرْتُ "

حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودٍ الشَّمْعِيُّ، نا خَلَفُ بْنُ عَمْرٍو الْعَكْبَرِيُّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، نا عَمَّارٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَبِي رَاشِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: {يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ أَرْضِي وَاسِعَةٌ} [العنكبوت: 56] ، قَالَ: إِذَا عُمِلَ فِي الأَرْضِ بِالْمَعَاصِي فَاخْرُجُوا.
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন গিয়াস বিন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম—আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবাহ বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যখন আল্লাহ আদম (আলাইহিস সালাম)-কে আকৃতি দান করলেন, তখন তিনি তাঁকে (সেভাবেই) রেখে দিলেন। ফলে ইবলিস তাঁকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগল। অতঃপর যখন সে তাঁকে ফাঁপা দেখল, তখন সে বলল: আমি জয়ী হয়েছি।"

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মাহমুদ আশ-শামঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন আমর আল-আকবরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার, আমাশ থেকে, তিনি রাবী' বিন আবি রাশিদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {হে আমার মুমিন বান্দারা, নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত} [আনকাবুত: ৫৬], তিনি বলেন: যখন জমিনে পাপকাজ বা নাফরমানি করা হয়, তখন তোমরা সেখান থেকে বেরিয়ে পড়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবি আব্দুল্লাহ আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَوْتِ الْمَكِّيُّ، إِمْلاءً، نا عَلِيٌّ ابْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَكِّيُّ، نا أَبُو نُعَيْمٍ، نا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا رَأَيْتُمُ الْجَنَازَةَ فَقُومُوا ، فَمَنْ تَبِعَهَا فَلا يَقْعُدْ حَتَّى تُوضَعَ»
২৮ - আমাদের নিকট আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবিল মাওত আল-মাক্কী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মাক্কী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবু কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা জানাজা দেখবে, তখন দাঁড়িয়ে যেও। আর যে ব্যক্তি তার অনুসরণ করবে, সে যেন ততক্ষণ না বসে যতক্ষণ না তা (মাটিতে) রাখা হয়।»