(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: -)
جزء الحسن بن شاذان (ابن شاذان، الحسن بن أحمد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء الحسن بن شاذان
المؤلف: الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن ابن محمد بن شاذان، أبو علي البَزَّاز (ت 425هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 70
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
হাসান বিন শাযান-এর জুয (ইবনে শাযান, হাসান বিন আহমাদ)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: হাসান বিন শাযান-এর জুয
লেখক: হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন হাসান ইবনে মুহাম্মাদ বিন শাযান، আবু আলী আল-বাযযায (মৃ. ৪২৫ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ জাউয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَاذَانَ السُّكَّرِيِّ الْحَرْبِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيِّ، عَنْ أَبِي زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ الْيَشْكُرِيِّ الْمَرْوَزِيِّ.رِوَايَةُ أَبِي الْحُسَيْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِ الْبَزَّازِ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ
আবু আল-হাসান আলি ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-হাসান ইবন শাযান আস-সুক্কারি আল-হারবি বর্ণিত হাদিসের প্রথম অংশ; যা আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবন আল-হাসান ইবন আবদ আল-জাব্বার আস-সুফি থেকে এবং তিনি আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবন মাঈন আল-ইয়াশকরি আল-মারওয়াযি থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আন-নাক্কুর আল-বাযযায-এর বর্ণনা।পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ الأَرْمَوِيُّ الْفَقِيه، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَاذَانَ السُّكَّرِيُّ الْحَرْبِيُّ الْخُتُلِّيُّ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ الْكَبِيرُ رحمه الله قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ فِي شَعْبَانَ فِي سَنَةِ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَمَاتَ رحمه الله بِمَدِينَةِ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم، يَوْمَ الْجُمُعَةِ لِسَبْعٍ بَقِينَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الْفُضَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي حَرِيزٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُزَوَّجَ الْمَرْأَةُ عَلَى الْعَمَّةِ أَوْ عَلَى الْخَالَةِ، وَقَالَ: إِنَّكُنَّ إِذَا فَعَلْتُنَّ ذَلِكَ قَطَعْتُنَّ أَرْحَامَكُنَّ "
১ - বিচারক আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ইউসুফ আল-আরমাওয়ী আল-ফকীহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আন-নাক্কুর আল-বাযযার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে শাযান আস-সুককারী আল-হারবী আল-খুতুল্লী আল-হাদরামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সূফী আল-কাবীর (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন ২২৯ হিজরি সালের শাবান মাসে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) ২৩৩ হিজরি সালের যিলকদ মাসের সাত দিন অবশিষ্ট থাকতে জুমার দিনে রাসূলের (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) শহরে মৃত্যুবরণ করেন—তিনি বলেন: মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আল-ফুদায়েল ইবনে মাইসারাহ-এর কাছে পাঠ করেছি, তিনি আবু হারীয থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) নিষেধ করেছেন যে—কোনো নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সাথে একত্রে বিবাহ করতে, এবং তিনি বলেছেন: তোমরা যদি এমন করো, তবে তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করলে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: ثنا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ يُحَدِّثُ ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ بُجَيْرِ بْنِ أَبِي بُجَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، حِينَ خَرَجْنَا مَعَهُ إِلَى الطَّائِفِ فَمَرَرْنَا بِقَبْرٍ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: هَذَا قَبْرُ أَبِي رِغَالٍ، وَهُوَ أَبُو ثَقِيفٍ، وَكَانَ مِنْ ثَمُودَ، وَكَانَ بِهَذَا الْحَرَمِ يَدْفَعُ عَنْهُ، فَلَمَّا خَرَجَ مِنْهُ أَصَابَتْهُ النِّقْمَةُ الَّتِي أَصَابَتْ قَوْمَهُ بِهَذَا الْمَكَانِ، فَدُفِنَ فِيهِ، وَآيَةُ ذَلِكَ أَنَّهُ دُفِنَ مَعَهُ غُصْنٌ مِنْ ذَهَبٍ، إِنْ أَنْتُمْ نَبَشْتُمْ عَنْهُ أَصَبْتُمُوهُ مَعَهُ.قَالَ: فَابْتَدَره النَّاسُ فَاسْتَخْرَجُوا مِنْهُ الْغُصْنَ
২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াহাব ইবনে জারীর ইবনে হাযিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাককে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি ইসমাঈল ইবনে উমাইয়্যাহ থেকে, তিনি বুজাইর ইবনে আবি বুজাইর থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—যখন আমরা তাঁর সাথে তায়েফের উদ্দেশ্যে বের হলাম এবং একটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এটি আবু রিগালের কবর, সে ছিল সাকীফ গোত্রের আদি পিতা এবং সে সামূদ জাতির অন্তর্ভুক্ত ছিল। সে এই হারাম (পবিত্র সীমানা) অঞ্চলে থাকার কারণে রক্ষা পাচ্ছিল, কিন্তু যখনই সে এখান থেকে বের হলো, তখনই তার ওপর সেই আযাব আপতিত হলো যা এই স্থানে তার জাতির ওপর আপতিত হয়েছিল। অতঃপর তাকে এখানেই দাফন করা হয়। আর এর নিদর্শন হলো এই যে, তার সাথে স্বর্ণের একটি ডাল দাফন করা হয়েছে; তোমরা যদি তার কবর খনন করো, তবে তার সাথেই সেটি খুঁজে পাবে। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর লোকেরা দ্রুত সেদিকে ছুটে গেল এবং তারা সেখান থেকে স্বর্ণের ডালটি বের করে আনল।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: ثنا قُرَيْشُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لأَهْلِي مِنْ بَعْدِي "
৩ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট কুরাইশ ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে আমার পরবর্তী সময়ে আমার পরিবার-পরিজনের নিকট সর্বোত্তম।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: ثنا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: ” وُلِدَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ الْفِيلِ "
৪ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ”রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হস্তিবাহিনীর বছর জন্মগ্রহণ করেছেন।”
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ غُنْدَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى عَلَى قَبْرِ امْرَأَةٍ بَعْدَمَا دُفِنَتْ "
৫ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবীব ইবনে আশ-শাহীদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক মহিলার কবরে তাকে দাফন করার পর জানাযার সালাত আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أنبا أَحْمَدُ ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: ثنا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا حِمَى إِلا لِلَّهِ وَرَسُولِهِ "
৬ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুআইব ইবনে আবি হামযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ব্যতীত কোনো সংরক্ষিত চারণভূমি নেই।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: عَلَيْكُمْ بِقِيَامِ اللَّيْلِ؛ فَإِنَّهُ دَأْبُ الصَّالِحِينَ قَبْلَكُمْ، وَهُوَ مَكْفَرَةٌ مِنَ السَّيِّئَاتِ مَبْرَأَةٌ مِنَ الإِثْمِ "
৭ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুআবিয়া বিন সালিহ থেকে, তিনি রাবিআহ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু ইদরীস থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা রাত্রিকালীন সালাত (কিয়ামুল লাইল) নিয়মিত আদায় করো; কেননা তা তোমাদের পূর্ববর্তী নেককার বান্দাদের অভ্যাস ছিল, আর তা মন্দ কাজসমূহ মোচনকারী এবং পাপ থেকে বিমুক্তকারী।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا قُرَادٌ أَبُو نُوحٍ، قَالَ: ثنا الْعُمَرِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَمَى الْبَقِيعَ لِخَيْلِهِ "حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: ثنا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: كَانَ مُحَمَّدٌ مِنْ أَرْجَى النَّاسِ لِهَذِهِ الأُمَّةِ، وَأَشَدِّهِ إِزْرَاءً عَلَى نَفْسِهِ
৮ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কুরাদ আবু নূহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমারি বর্ণনা করেছেন নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘোড়াগুলোর জন্য বাকী‘ ভূমিকে সংরক্ষিত চারণভূমি হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।"আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুতামির বিন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন ইবনে আওন থেকে, তিনি বলেন: মুহাম্মদ এই উম্মতের জন্য মানুষের মধ্যে সবথেকে বেশি আশাবাদী ছিলেন এবং নিজের নফসের প্রতি সর্বাধিক কঠোর সমালোচনাকারী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الأَبَّارُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عَطَاءٍ فَجَعَلَ يَسْأَلُنِي فَكَأَنَّ أَصْحَابَهُ أَنْكَرُوا ذَلِكَ، وَقَالُوا: تَسْأَلُهُ، قَالَ: مَا تُنْكِرُونَ ، هُوَ أَعْلَمُ مِنِّي.قَالَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى، وَكَانَ عَالِمًا بِالْحَجِّ قَدْ حَجَّ زِيَادَةً عَلَى سَبْعِينَ حَجَّةً، قَالَ: وَكَانَ يَوْمَ مَاتَ ابْنَ نَحْوِ مِائَةِ سَنَةٍ، وَرَأَيْتُهُ يَشْرَبُ الْمَاءَ فِي رَمَضَانَ، وَيَقُولُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رضي الله عنه: ” {وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ} [البقرة: 184] إِنْ أُطْعِمَ مِسْكِينٌ.فَإِنِّي أُطْعِمُ أَكْثَرَ مِنْ مِسْكِينٍ
৯ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস আল-আব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি বলেন: আমি আতা-এর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি আমাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন। এতে তাঁর সঙ্গীরা যেন বিষয়টি অপছন্দ করলেন এবং বললেন: আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করছেন? তিনি বললেন: তোমরা কী অপছন্দ করছ? তিনি আমার চেয়ে অধিক জ্ঞানী।ইবনে আবি লায়লা বলেন, তিনি (আতা) হজ সম্পর্কে অত্যন্ত বিজ্ঞ ছিলেন এবং সত্তরটিরও বেশি হজ পালন করেছিলেন। তিনি বলেন: যেদিন তিনি ইন্তেকাল করেন, তাঁর বয়স ছিল প্রায় একশ বছর। আমি তাকে রমজান মাসে পানি পান করতে দেখেছি এবং তিনি বলতেন, ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: ” ‘আর যাদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টকর, তাদের কর্তব্য হলো ফিদইয়া প্রদান করা—একজন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো। অতঃপর যে ব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে’ [আল-বাকারা: ১৮৪]। যদি একজন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানোর কথা থাকে,তবে আমি একজন মিসকিনের চেয়েও বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়াচ্ছি।”
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَنْبَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: بِئْسَ الشِّعْبُ جِيَادٌ.مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا، قَالُوا: فِيمَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: تَخْرُجُ مِنْهُ الدَّابَّةُ فَتَصْرُخُ ثَلاثَ صَرَخَاتٍ فَيَسْمَعُهَا مَنْ بَيْنَ الْخَافِقَيْنِ "
১০ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হিশাম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জিয়াদ উপত্যকাটি কতই না মন্দ!—দুইবার বা তিনবার (একথা বললেন)। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, কেন এমন? তিনি বললেন: সেখান থেকে ‘দাব্বাহ’ (বিশেষ প্রাণীটি) বের হবে এবং তিনটি চিৎকার দিবে, যা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তের মধ্যবর্তী সকলেই শুনতে পাবে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا سَوَّارٌ أَبُو عُمَارَةَ شَيْخٌ كَانَ بِالرَّمْلَةِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَيْسَرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ اللَّخْمِيُّ، قَالَ: صَلَّى بِنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي كَبْشَةَ الْعَصْرَ، ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَيْنَا بَعْدَ سَجْدَةٍ، فَقَالَ: إِنِّي صَلَّيْتُ وَرَاءَ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَسَجَدَ بِنَا مِثْلَ هَاتَيْنِ السَّجْدَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَيْنَا، فَأَعْلَمَنَا أَنَّهُ صَلَّى وَرَاءَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، فَسَجَدَ مِثْلَ هَاتَيْن السَّجْدَتَيْنِ، وَقَالَ لَنَا: إِنِّي كُنْتُ عِنْدَ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنِّي صَلَّيْتُ فَلا أَدْرِي أَشَفَعْتُ أَوْ أَوْتَرْتُ، فَأَجَابَهُ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنْ يَلْعَبْ بِكُمُ الشَّيْطَانُ فِي صَلاتِكُمْ، فَلَمْ يَدْرِ أَشَفْعًا أَوْ وِتْرًا فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ؛ فَإِنَّهُمَا تَمَامُ صَلاتِهِ "
11 - আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সাওয়ার আবু উমারা বর্ণনা করেছেন—যিনি রামলার একজন শাইখ ছিলেন—তিনি বলেন: মায়সারা বিন মা'বাদ আল-লাখমি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন আবি কাবশাহ আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন, এরপর তিনি দুটি সিজদা করার পর আমাদের দিকে ফিরলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি মারওয়ান বিন আল-হাকামের পেছনে সালাত আদায় করেছি, তিনি আমাদের নিয়ে এই দুই সিজদার মতো দুটি সিজদা করেছেন, এরপর আমাদের দিকে ফিরেছেন। তখন তিনি আমাদের অবহিত করেছেন যে, তিনি উসমান বিন আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছেন এবং তিনিও এই দুই সিজদার মতো দুটি সিজদা করেছেন। আর তিনি আমাদের বলেছিলেন: আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে তাঁকে সালাম দিলেন। এরপর বললেন: হে আল্লাহর নবী, আমি সালাত আদায় করেছি কিন্তু আমি জানি না যে আমি জোড় রাকাত পড়েছি নাকি বিজোড়। তখন আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উত্তর দিলেন এবং বললেন: যদি শয়তান তোমাদের সালাতে তোমাদের নিয়ে খেলা করে, ফলে কেউ যদি না জানে যে সে জোড় পড়েছে নাকি বিজোড়, তবে সে যেন দুটি সিজদা করে; কেননা এই দুটিই হলো তার সালাতের পূর্ণতা। "
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: ثنا يَحْيَى الْوُحَاظِيُّ، قَالَ: ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلامٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَافِعٍ مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ أَنَا سَأَلْتُ الْحَجَّاجَ بْنَ عَمْرٍو الأَنْصَارِيَّ، عَنْ مَنْ كُسِرَ وَهُوَ مُحْرِمٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ عَرِجَ أَوْ كُسِرَ أَوْ خُدِشَ أَوْ حُبِسَ فَلْيَنْحَرْ أَمْثَلَهَا وَهُوَ حِلٌّ ".فَحَدَّثْتُهُ أَبَا هُرَيْرَةَ، فَقَالَ: صَدَقَ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْن عَبَّاسٍ صَدَقَ
১২ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আল-উহাযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআবিয়া ইবন সালাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উম্মে সালামাহর মুক্তদাস আবদুল্লাহ ইবন রাফি বলেছেন, আমি হাজ্জাজ ইবন আমর আল-আনসারীকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে ইহরাম অবস্থায় হাড় ভেঙে ফেলেছে। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি খোড়া হয়ে যায় অথবা যার হাড় ভেঙে যায় অথবা যে জখম হয় কিংবা যাকে আটকে দেওয়া হয়, সে যেন তার পশুর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠটি জবেহ করে এবং সে হালাল হয়ে যাবে।"।অতঃপর আমি বিষয়টি আবু হুরায়রাকে জানালাম, তিনি বললেন: তিনি সত্য বলেছেন; এবং আবদুল্লাহ ইবন আব্বাসও বললেন: তিনি সত্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ التِّنِّيسِيُّ، قَالَ: ثنا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو مَعْبَدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَبْعَثُ الأَيَّامَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى هَيْئَتِهَا، وَيَبْعَثُ الْجُمُعَةَ وَهِيَ زَهْرَاءُ مُنِيرَةٌ، أَهْلُهَا يَحُفُّونَ بِهَا كَالْعَرُوسِ تُهْدَى إِلَى كَرِيمِهَا تُضِيءُ لَهُمْ، يَمْشُونَ فِي ضَوْئِهَا بِضِيَائِهَا، أَلْوَانُهُمْ كَالثَّلْجِ، وَرِيحُهُمْ يَسْطَعُ كَالْمِسْكِ، يَخُوضُونَ فِي جِبَالِ الْكَافُورِ، يَنْظُرُ إِلَيْهِمُ الثَّقَلانِ مَا يَطْرِفُونَ تَعَجُّبًا، حَتَّى يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ، لا يُخَالِطُهُمْ أَحَدٌ إِلا الْمُؤَذِّنُونَ الْمُحْتَسِبُونَ "حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا الأَصْمَعِيُّ، عَنِ الْمُعْتَمِرِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ حَازِمٍ الْقِطَعِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ طَرْخَانَ.قَالَ مُعْتَمِرٌ: هُوَ أَبِي، قَالَ: قَالَ الأَحْنَفُ بْنُ قَيْسٍ: ثَلاثٌ فِيَّ مَا أَقُولُهُنَّ إِلا لِيَعْتَبِرَ بِهِنَّ مُعْتَبِرٌ، مَا أَتَيْتُ بَابَ هَؤُلاءِ، يَعْنِي السُّلْطَانَ، إِلا أَنْ أُدْعَى إِلَيْهِ، وَلا دَخَلْتُ بَيْنَ اثْنَيْنِ حَتَّى يَكُونَا هُمَا يُدْخِلانِي، وَمَا ذَكَرْتُ أَحَدًا بَعْدَ أَنْ يَقُومَ مِنْ عِنْدِي إِلا بِخَيْرٍ
১৩ - আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ আত-তিন্নিসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাইসাম বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার কাছে আবু মাবাদ বর্ণনা করেছেন, তাউস থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন দিনসমূহকে তাদের নিজ নিজ আকৃতিতে পুনরুত্থিত করবেন এবং জুমার দিনকে এমন উজ্জ্বল ও আলোকময় অবস্থায় পুনরুত্থিত করবেন যে, জুমার অনুসারীরা তাকে এমনভাবে ঘিরে থাকবে যেমনভাবে কোনো কনেকে তার সম্ভ্রান্ত বরের নিকট উপহার হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়। জুমার দিন তাদের জন্য আলো ছড়াবে, তারা তার আলোর ওপর দিয়ে তার দ্যুতির সাহায্যে চলতে থাকবে। তাদের গায়ের রং হবে বরফের মতো (সাদা), আর তাদের সুগন্ধি মিশকের মতো ছড়িয়ে পড়বে। তারা কর্পূরের পাহাড়সমূহের মধ্য দিয়ে বিচরণ করবে। জিন ও মানুষ তাদের দিকে বিস্ময়ে পলকহীনভাবে তাকিয়ে থাকবে, যতক্ষণ না তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাওয়াবের আশায় আযান দেওয়া মুয়াজ্জিনগণ ব্যতীত অন্য কেউ তাদের সাথে মিশতে পারবে না।"আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আসমায়ি বর্ণনা করেছেন, মুতামির বিন সুলাইমান থেকে, তিনি হাযিম আল-কিতা'য়ি থেকে, তিনি সুলাইমান বিন তারখান থেকে বর্ণনা করেছেন।মুতামির বলেন: তিনি আমার পিতা। তিনি বলেন: আহনাফ বিন কাইস বলেছেন: "আমার মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা আমি কেবল এজন্যই বলছি যাতে কোনো উপদেশ গ্রহণকারী তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে: আমি এই সব লোকদের (অর্থাৎ সুলতান বা শাসকদের) দরজায় যাই না যতক্ষণ না আমাকে সেখানে আসার আহ্বান জানানো হয়; আমি দুই ব্যক্তির মাঝে প্রবেশ করি না যতক্ষণ না তারা নিজেরাই আমাকে অন্তর্ভুক্ত করে; এবং কোনো ব্যক্তি আমার নিকট থেকে উঠে চলে যাওয়ার পর আমি তাকে কেবল ভালো কথাতেই স্মরণ করি।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: ثنا الْمُغِيرَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: لَيَأْتِيَنَّ الرَّجُلُ الْعَظِيمُ السَّمِينُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لا يَزِنُ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ.ثُمَّ قَرَأَ: {فَلا نُقِيمُ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَزْنًا} [الكهف: 105] "
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুগীরাহ ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি আবিয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: কিয়ামতের দিন অবশ্যই এমন এক বিশালদেহী স্থূলকায় ব্যক্তি আসবে, আল্লাহর নিকট যার ওজন একটি মশার ডানার সমানও হবে না।অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {সুতরাং কিয়ামতের দিন আমি তাদের জন্য কোনো ওজনের ব্যবস্থা রাখব না} [আল-কাহফ: ১০৫]
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ أَنَسٍ، قَالَ: ثنا ثُمَامَةُ، عَنْ أَنَسٍ، ” أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِالْكَلِمَةِ رَدَّدَهَا ثَلاثًا، وَإِذَا أَتَى قَوْمًا فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثَلاثًا "
১৫ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুসান্না ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুমামাহ বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোনো কথা বলতেন, তখন তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করতেন; এবং যখন কোনো সম্প্রদায়ের নিকট আসতেন ও তাদের সালাম দিতেন, তখন তিনি তাদের ওপর তিনবার সালাম দিতেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا حَكَّامٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: اللَّحْدُ لَنَا وَالشَّقُّ لِغَيْرِنَا "
১৬ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাক্কাম বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে আবদিল আ’লা থেকে, তিনি তাঁর পিতার থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "লাহদ আমাদের জন্য এবং শাক অন্যদের জন্য।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - ثنا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ثَلاثٌ لَنْ يَزَلْنَ فِي أُمَّتِي: التَّفَاخُرُ فِي الأَحْسَابِ، وَالنِّيَاحَةُ، وَالأَنْوَاءُ "
১৭ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল আজিজ ইবনে সুহাইব হতে, তিনি আনাস ইবনে মালিক হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তিনটি বিষয় আমার উম্মতের মধ্যে সর্বদা বিদ্যমান থাকবে: বংশমর্যাদা নিয়ে অহংকার করা, বিলাপ করা এবং নক্ষত্ররাজির প্রভাবে বিশ্বাস করা।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا أَبُو الْيَمَانِ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ مُرَّةَ الْجُهَنِيَّ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ شَهِدْتُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ، وَصَلَّيْتُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ، وَأَدَّيْتُ الزَّكَاةَ، وَصُمْتُ رَمَضَانَ، وَقُمْتُهُ، فمِمَّنْ أَنَا؟ قَالَ: أَنْتَ مِنَ الصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ "
১৮ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-ইয়ামান বর্ণনা করেছেন, তিনি শুআইব বিন আবি হামজাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আবি হুসাইন থেকে, তিনি ঈসা বিন তালহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমর বিন মুররাহ আল-জুহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! বলুন তো, আমি যদি এই সাক্ষ্য দিই যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আপনি আল্লাহর রাসূল, আর আমি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি, জাকাত প্রদান করি এবং রোজা রাখি রমজানের, এবং তাতে (ইবাদতে) দণ্ডায়মান হই, তবে আমি কাদের অন্তর্ভুক্ত হবো? তিনি বললেন: "তুমি সত্যবাদী এবং শহীদদের অন্তর্ভুক্ত।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ الأَعْرَجِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَتِيقٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، ” أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِوَضْعِ الْجَوَائِحِ، وَنَهَى عَنْ بَيْعِ السِّنِينَ "
১৯ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আল-আ’রাজ থেকে, তিনি সুলায়মান ইবন আতীক থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, ” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুর্যোগ বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মূল্য মওকুফ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং কয়েক বছরের জন্য অগ্রিম ফসল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْحَسَنِ عليه السلام: إِنَّ ابْنِي هَذَا سَيِّدٌ ، يُصْلِحُ اللَّهُ عز وجل بِهِ بَيْنَ فِئَتَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ "
২০ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-উমাবী বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান (আলাইহিস সালাম)-এর উদ্দেশ্যে বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমার এই পুত্র একজন নেতা, মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলিমদের দুটি দলের মধ্যে মীমাংসা করে দেবেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - ثنا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحيى، قَالَ: ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: ثنا أَبِي، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ حَدَّثَهُ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ حَدَّثَهُ، أَنَّهُمْ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ مِنْ عِنْدِ يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ مَقْتَلَ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ عليه السلام لَقِيَهُ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ، فَقَالَ لَهُ: هَلْ مِنْ حَاجَةٍ تَأْمُرُنِي بِهَا؟ قَالَ: قُلْتُ لا، قَالَ: فَهَلْ تُعْطِينِي سَيْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؛ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يَغْلِبَكَ الْقَوْمُ عَلَيْهِ، وَايْمُ اللَّهِ لَئِنْ أَعْطَيْتَنِيهِ لا يُخْلَصُ إِلَيْهِ أَبَدًا حَتَّى تَبْلُغَ نَفْسِي، إِنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام خَطَبَ بِنْتَ أَبِي جَهْلٍ عَلَى فَاطِمَةَ عليها السلام، فَسَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَخْطُبُ فِي ذَلِكَ عَلَى مِنْبَرِهِ، وَأَنَا يَوْمَئِذٍ كَالْمُحْتَلِمِ، فَقَالَ: إِنَّ فَاطِمَةَ مِنِّي، وَإِنِّي أَخَافُ أَنْ تُفْتَنَ فِي دِينِهَا، وَذَكَرَ صِهْرًا لَهُ مِنْ بَنِي عَبْدِ شَمْسٍ فَأَثْنَى عَلَيْهِ فِي مُصَاهَرَتِهِ إِيَّاهُ، فَأَحْسَنَ، وَقَالَ: حَدَّثَنِي فَصَدَقَنِي، وَوَعَدَنِي فَوَفَّى لِي، وَإِنِّي لَسْتُ أُحَرِّمُ حَلالا، وَلا أُحِلُّ حَرَامًا، وَلَكِنْ وَاللَّهِ لا تَجْتَمِعُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَابْنَةُ عَدُوِّ اللَّهِ مَكَانًا وَاحِدًا أَبَدًا "
২১ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হালহালা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, আলি ইবনে আল-হুসাইন তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, যখন তারা হুসাইন ইবনে আলির (আলাইহিস সালাম) শাহাদাতের পর ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার নিকট থেকে মদিনায় ফিরে এলেন, তখন মিসওয়ার ইবনে মাখরামা তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাকে বললেন: "আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে যা আপনি আমাকে করার আদেশ করবেন?" তিনি (আলি ইবনে আল-হুসাইন) বললেন: "আমি বললাম, না।" তিনি (মিসওয়ার) বললেন: "তবে আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তরবারিটি দেবেন? কারণ আমি আশঙ্কা করছি যে, লোকেরা তা আপনার কাছ থেকে জোরপূর্বক নিয়ে নেবে। আল্লাহর শপথ, যদি আপনি সেটি আমাকে দেন, তবে আমার প্রাণ থাকা পর্যন্ত কেউ কখনো তা স্পর্শ করতে পারবে না। নিশ্চয়ই আলি ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) ফাতিমা (আলাইহাস সালাম)-এর বর্তমানে আবু জাহলের কন্যার বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন আমি নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বরে দাঁড়িয়ে এ বিষয়ে খুতবা দিতে শুনেছি, আর আমি তখন প্রায় সাবালক। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ফাতিমা আমার অংশ, আর আমি আশঙ্কা করছি যে সে তার দ্বীনের বিষয়ে ফিতনায় পড়বে। এরপর তিনি বনু আবদে শামস গোত্রের তার এক জামাতার কথা উল্লেখ করলেন এবং জামাতা হিসেবে তার প্রশংসা করলেন এবং তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে করলেন। তিনি বললেন: "সে আমার সাথে কথা বলেছে এবং সত্য বলেছে, সে আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তা রক্ষা করেছে। আমি কোনো হালালকে হারাম করছি না এবং কোনো হারামকে হালাল করছি না। কিন্তু আল্লাহর শপথ, আল্লাহর রাসূলের কন্যা এবং আল্লাহর শত্রুর কন্যা কখনো এক স্থানে একত্রিত হতে পারবে না।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُنَيْسٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ طَلْحَةَ بْنَ خِرَاشٍ يُحَدِّثُ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلا قَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ، فَقَرَأَ فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى قُلْ يَأَيُّهَا الْكَافِرُونَ حَتَّى انْقَضَتِ السُّورَةُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: هَذَا عَبْدٌ عَرَفَ رَبَّهُ عز وجل.وَقَرَأَ فِي الآخِرَةِ: قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ حَتَّى انْقَضَتِ السُّورَةُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: هَذَا عَبْدٌ آمَنَ بِرَبِّهِ.قَالَ طَلْحَةُ: فَأَنَا أَسْتَحِبُّ أَنْ أَقْرَأَ هَاتَيْنِ السُّورَتَيْنِ فِي هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ
২২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উনাইস আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তালহা ইবনে খিরাশকে জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তিনি প্রথম রাকাতে ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ সূরাটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটি এমন এক বান্দা যে তার মহান ও মহিমান্বিত প্রতিপালককে চিনেছে।আর তিনি দ্বিতীয় রাকাতে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ সূরাটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটি এমন এক বান্দা যে তার প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছে।তালহা বলেন: আমি এই দুই রাকাতে এই সূরা দুটি পাঠ করা পছন্দ করি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ أَيُّوبَ يُحَدِّثُ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي وَهْبٍ الْجَيْشَانِيِّ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ فَيْرُوزٍ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَسْلَمْتُ وَعِنْدِي أُخْتَانِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: طَلِّقْ أَيَّتَهُمَا شِئْت "
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব ইবনে জারীর, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুবকে ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব আল-জায়শানি থেকে, তিনি দাহহাক ইবনে ফাইরুজ আদ-দাইলামি থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এমতাবস্থায় যে (স্ত্রী হিসেবে) আমার নিকট দুই বোন রয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: তুমি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তালাক দাও ।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - ثنا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ طَارِقٍ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتِ بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُوَيْدٍ الْخَطْمِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ، مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يَدْخُلِ الْحَمَّامَ إِلا بِمِئْزَرٍ، مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ، مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ مِنْ نِسَائِكُمْ فَلا تَدْخُلَنَّ الْحَمَّامَ.قَالَ: فَنَمَيْتُ ذَاكَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي خِلافَتِهِ، فَأَرْسَلَ إِلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنْ سَلْ مُحَمَّدَ بْنَ ثَابِتٍ عَنْ حَدِيثِهِ، فَإِنَّهُ رِضًا، فَسَأَلَهُ، ثُمَّ كَتَبَ إِلَى عُمَرَ، فَمَنَعَ عُمَرُ النِّسَاءَ مِنَ الْحَمَّامِ
২৪ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনুর রবি' ইবনে তারিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সাবিত ইবনে শারাহবিল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সুওয়াইদ আল-খাতমি থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত গোসলখানায় প্রবেশ না করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নীরব থাকে। আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তারা যেন গোসলখানায় প্রবেশ না করে।"বর্ণনাকারী বলেন: আমি ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের খেলাফতকালে তাঁর কাছে এই সংবাদ পৌঁছালাম। তখন তিনি আবু বকর ইবনে আমর ইবনে হাযমের নিকট এই মর্মে বার্তা পাঠালেন যে, তিনি যেন মুহাম্মাদ ইবনে সাবিতকে তাঁর বর্ণিত হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, কেননা তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। অতঃপর তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং ওমরের নিকট লিখে পাঠালেন। এরপর ওমর নারীদের জন্য গোসলখানায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ النَّوْفَلِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَحِبُّوا اللَّهَ عز وجل لِمَا يَغُّذوكُمْ مِنْ نِعَمِهِ، وَأَحِبُّونِي لِحُبِّ اللَّهِ عز وجل، وَأَحِبُّوا أَهْلَ بَيْتِي لِحُبِّي "
২৫ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আন-নাওফালি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা মহান আল্লাহকে ভালোবাসো তাঁর সেইসব নেয়ামতের কারণে যা তিনি তোমাদের প্রদান করেন, আর আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার কারণে আমাকে ভালোবাসো, এবং আমার আহলে বাইতকে ভালোবাসো আমার ভালোবাসার কারণে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الأَبَّارُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ زُبَيْدٍ، وَطَلْحَةُ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ ب سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى، وقُلْ يَأَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ "
২৬ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস আল-আব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি জুবাইদ ও তালহা থেকে, তারা যারর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবযা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’, ‘কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন’ এবং ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ সূরাগুলো দিয়ে বিতর পড়তেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى: حَدَّثَنَا نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: أَفْشُوا السَّلامَ، وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ، وَكُونُوا إِخْوَانًا كَمَا أَمَرَكُمُ اللَّهُ عز وجل "
২৭ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন জুরাইজ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন মুসা বলেছেন: নাফে‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর বলতেন: নিশ্চয় আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, অন্ন দান করো এবং পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও যেমনটি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: ثنا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: قَالَ سُلَيْمَانُ الأَحْوَلُ: إِنَّ طَاوُسًا أَخْبَرَهُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، ” أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْكَعْبَةِ بِإِنْسَانٍ يَقُودُ إِنْسَانًا بِخِزَامٍ فِي أَنْفِهِ، فَقَطَعَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ أَمَرَهُ أَنْ يَقُودَهُ بِيَدِهِ "
২৮ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন জুরায়জ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: সুলায়মান আল-আহওয়াল বলেছেন: নিশ্চয়ই তাউস তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, ”রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবা ঘর তাওয়াফ করার সময় এমন একজন ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন যে অন্য একজনকে তার নাকের লাগাম ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি কেটে দিলেন, অতঃপর তাকে নির্দেশ দিলেন যেন সে তাকে হাত দিয়ে টেনে নিয়ে যায়।“