(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: -)
حديث أبي الحسين بن العالي   (أبو الحسين العالي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: حديث أبي الحسين بن العالي

المؤلف: أبو الحسين العالي، أحمد بن محمد بن منصور العالي البوشنجي (ت 419هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 32

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-হুসাইন ইবনুল আলির হাদিস   (আবু আল-হুসাইন আল-আলি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আল-হুসাইন ইবনুল আলির হাদিস

লেখক: আবু আল-হুসাইন আল-আলি, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মানসুর আল-আলি আল-বুশানজি (মৃত্যু ৪১৯ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ فِيهِ مِنْ حَدِيثِ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَالِمِ الْعَلامَةِ أَبِي الْحُسَيْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْعَالِي، وَغَيْرِهِ رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ.

انْتِقَاءُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَالِمِ الْعَلامَةِ الْحَافِظِ أَبِي الْفَضْلِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَارُودِيِّ رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ.

بسم الله الرحمن الرحيم
এই খণ্ডটি শায়খ, ইমাম, আলিম, আল্লামা আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন আল-আলী এবং অন্যদের বর্ণিত হাদিস সংবলিত, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

শায়খ, ইমাম, আলিম, আল্লামা, হাফিজ আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জারুদীর সংকলন, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْغِطْرِيفِيُّ، وَمَنْصُورُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْفَقِيهُ، قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ وَلَيْسَ بِالنَّهْدِيِّ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«اقْرَءُوهَا عَلَى مَوْتَاكُمْ» .

يَعْنِي يس
১ - আবু আহমাদ আল-গিতরিফী এবং মানসুর বিন আল-আব্বাস আল-ফকীহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ আল-হাকাম বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক, সুলায়মান আত-তায়মী থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে—আর তিনি আল-নাহদী নন—তিনি মা’কিল বিন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা তোমাদের মৃতদের ওপর এটি পাঠ করো।” .

অর্থাৎ ইয়াসীন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - وَبِهِ.

قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الْحَيَّانِيَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي حَاتِمٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ يَزِيدَ بْنِ سِنَانٍ الرُّهَاوِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَطَاءً، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، يَقُولُ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ صُهَيْبًا، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«مَا آمَنَ بِالْقُرْآنِ مَنِ اسْتَحَلَّ مَحَارِمَهُ»
২ - এবং তাঁর মাধ্যমে।

তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আল-হায়য়ানি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে সিনান আর-রুহাবিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুজাহিদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুহাইবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরআনের হারামকৃত বিষয়গুলোকে হালাল জ্ঞান করে, সে কুরআনের প্রতি ঈমান আনেনি»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - وَبِهِ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الْحَيَّانِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ الْقُومَسِيُّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْبَرْدَعِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ ثَابِتٍ الرَّازِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مَسْلَمَةَ بْنَ عَلِيٍّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَمِّي مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْكَدِرِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«هَذَا دِينٌ ارْتَضَيْتُهُ لِنَفْسِي، وَلَنْ يصلحَهُ إِلا السَّخَاءُ وَحُسْنُ الْخُلُقِ، فَأَكْرِمُوهُ بِهِمَا مَا صَحِبْتُمُوهُ»
৩ - এবং এই একই সনদে তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আল-হায়য়ানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-কূমাসিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-বারদাঈকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে সাবিত আর-রাজিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মাসলামা ইবনে আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম ইবনে আবি বকরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার চাচা মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: ‌‌«এটি এমন এক দ্বীন যা আমি নিজের জন্য পছন্দ করেছি, আর দানশীলতা ও উত্তম চরিত্র ব্যতীত কোনো কিছুই একে সংশোধন করতে পারবে না। সুতরাং তোমরা এই দুটি গুণের মাধ্যমে একে সম্মানিত করো যতক্ষণ তোমরা এর অনুসারী হয়ে থাকবে।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الإِسْمَاعِيلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ بُنْدَارٍ الْعَطَّارُ الإِسْتَرَابَاذِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ أَبَانٍ الْعَبْدُ الصَّالِحُ، عَنْ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، عَنِ الْفَرَجِ بْنِ فَضَالَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ: الْتَحَمَتْ سَفِينَةٌ لِبَعْضِ التُّجَّارِ فِي بَلَدِ الرُّومِ، وَفِيهَا شَابٌّ مِنْ بَنِي عَمِّي، يُقَالُ لَهُ: زَيْدٌ، جَهَّزَهُ أَبُوهُ، وَمَعَهُ قِيمَةُ مِائَةِ أَلْفِ دِينَارٍ، فَلَمَّا الْتَحَمَتْ جَاءَ أَبُوهُ إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، وَسَأَلَهُ أَنْ يَدْعُوَ لَهُ، فَقَالَ لَهُ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَلا أَدُلُّكَ عَلَى مَا هُوَ أَنْفَعُ لَكَ مِنْ دُعَائِي، وَأَسْرَعُ إِجَابَةً وَأَفْضَلُ، تَصَدَّقْ بِصَدَقَةٍ تَكُنْ بِهَا نَجَاةُ ابْنِكَ، وَسَلامَةُ مَا مَعَهُ.

قَالَ: فَالْتَفَتَ، فَإِذَا سَائِلٌ فِي الْمَسْجِدِ، فَوَضَعْتُ فِي يَدِهِ دِرْهَمًا.

فَقُلْتُ: هَذَا فِدَاءُ ابْنِي، وَعَلَيْكَ خَلاصُهُ، وَذَلِكَ عِنْدَ اصْفِرَارِ الشَّمْسِ.

قَالَ: فَنَادَى مُنَادٍ فِي تِلْكَ السَّاعَةِ فِي الْبَحْرِ: أَلا إِنَّ الْفِدَاءَ مَقْبُولٌ، فَسَلِمَتِ السَّفِينَةُ بِمَا فِيهَا، وَقَدِمَ زَيْدٌ يَوْمَ الثَّالِثِ، فَأَخْبَرَهُمْ أَنَّ السَّفِينَةَ جَنَحَتْ، وَأَنَّهُمْ أَيْقَنُوا بِالْهَلاكِ عِنْدَ مُغَيْرِبَانِ الشَّمْسِ، فَوَاللَّهِ مَا غَابَتِ الشَّمْسُ حَتَّى رَأَيْتُ رِجَالا بِيضَ الْوُجُوهِ، عَلَيْهِمْ ثِيَابٌ بِيضٌ دَنَوْا مِنْهَا فَاقْتَلَعُوهَا، وَمَسَحُوهَا بِأَيْدِيهِمْ، فَسَلِمَتْ وَسَارَتْ.

قَالَ مَكْحُولٌ: هُوَ الْوَقْتُ الَّذِي تَصَدَّقَ بِهِ عَمِّي الدِّرْهَمَ.

فَبَلَغَ ذَلِكَ أَبَا هُرَيْرَةَ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَلَمْ أَقُلْ لَكُمْ؟ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«تَدَارَكُوا الْهُمُومَ وَالْغُمُومَ بِالصَّدَقَاتِ يُكْشَفْ عَنْكُمْ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে ইবরাহিম আল-ইসমাঈলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে বুন্দার আল-আত্তার আল-ইস্ত্রাবাদজি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে আবান আল-আবদ আস-সালিহ, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মুনইম থেকে, তিনি আল-ফারাজ ইবনে ফাদালাহ থেকে, তিনি উমর ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি বলেন: রোম দেশে কিছু ব্যবসায়ীর একটি জাহাজ আটকা পড়েছিল, আর তাতে আমার এক চাচাতো ভাই ছিল যাকে জায়েদ বলা হতো। তার পিতা তাকে এক লক্ষ দিনার সমমূল্যের সম্পদ দিয়ে সজ্জিত করে পাঠিয়েছিলেন। যখন জাহাজটি আটকা পড়ল, তখন তার পিতা আবু হুরায়রা (রা.)-এর কাছে আসলেন এবং তার কাছে দোয়া চাইলেন। তখন আবু হুরায়রা তাকে বললেন: আমি কি তোমাকে এমন কিছু বলে দেব না যা তোমার জন্য আমার দোয়ার চেয়েও বেশি উপকারী এবং যা দ্রুত কবুল হয় ও অধিক উত্তম? তুমি কিছু সদকা করো, যার মাধ্যমে তোমার ছেলের মুক্তি এবং তার সাথে যা আছে তার নিরাপত্তা অর্জিত হবে।

তিনি বললেন: অতঃপর আমি তাকালাম এবং মসজিদে একজন সাহায্যপ্রার্থীকে দেখতে পেলাম, তখন আমি তার হাতে একটি দিরহাম দান করলাম।

আমি বললাম: এটি আমার ছেলের মুক্তিপণ, আর তাকে মুক্ত করার দায়িত্ব আপনার ওপর। আর তা ছিল সূর্য হলদে হয়ে যাওয়ার সময়।

বর্ণনাকারী বলেন: তখন সেই মুহূর্তে সমুদ্রের মধ্যে এক ঘোষক ঘোষণা দিলেন: শোনো, নিশ্চয়ই মুক্তিপণ কবুল করা হয়েছে। ফলে জাহাজটি তার মধ্যে থাকা সকল কিছুসহ নিরাপদ হলো। জায়েদ তৃতীয় দিনে ফিরে আসলেন এবং তাদের সংবাদ দিলেন যে, জাহাজটি চরে আটকে গিয়েছিল এবং সূর্যাস্তের সময় তারা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন। আল্লাহর কসম, সূর্য অস্ত যাওয়ার আগেই আমি শ্বেতবর্ণ মুখমন্ডলের একদল লোককে দেখলাম যাদের পরনে ছিল সাদা কাপড়, তারা জাহাজের নিকটে এলেন এবং সেটিকে টেনে বের করলেন ও নিজেদের হাত দিয়ে মুছে দিলেন, ফলে সেটি নিরাপদ হলো এবং চলতে লাগল।

মাকহুল বলেন: এটি সেই সময় ছিল যখন আমার চাচা দিরহামটি সদকা করেছিলেন।

এই সংবাদ আবু হুরায়রা (রা.)-এর নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: আমি কি তোমাদের বলিনি? আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‌‌«তোমরা সদকার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা ও শোকসমূহ দূর করার চেষ্টা করো, তবে তোমাদের থেকে তা দূর করে দেওয়া হবে»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دَيْسَمٍ الْكَثِيرِيُّ الْهَرَوِيُّ، بِهَا، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ وَرْدَانَ الْمَدِينِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ تَرَكَ الْكَذِبَ وَهُوَ بَاطِلٌ بُنِيَ لَهُ فِي رِيَاضِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ تَرَكَ الْمِرَاءَ وَهُوَ مُحِقٌّ بُنِيَ لَهُ فِي وَسَطِهَا، وَمَنْ حَسُنَ خُلُقُهُ بُنِيَ لَهُ فِي أَعْلاهَا»
৫ - আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাসীর ইবনে দাইসাম আল-কাসীরী আল-হারাভী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর আহমদ ইবনে মিকদাম আল-হারাভী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু নুয়াইম আল-ফদল ইবনে দুকাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সালামাহ ইবনে ওয়ারদান আল-মাদিনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি মিথ্যা বর্জন করে অথচ তা বাতিল, তার জন্য জান্নাতের উদ্যানে ঘর নির্মাণ করা হয়; আর যে ব্যক্তি বিতর্ক বর্জন করে অথচ সে হকের ওপর রয়েছে, তার জন্য জান্নাতের মধ্যভাগে ঘর নির্মাণ করা হয়; এবং যার চরিত্র সুন্দর হয়, তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে ঘর নির্মাণ করা হয়।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ السَّرَّاجُ ، بِنَيْسَابُورَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ حَدَّثَهُ قَالَ قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَنَحْنُ فِي الْغَارِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ يَنْظُرُ إِلَى قَدَمَيْهِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ.

فَقَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ،‌‌ مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا؟»
৬ - আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইসমাইল আস-সাররাজ নিশাপুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনুল মুসান্না ইবনে মুআয আল-আনবারী বসরায় দুইশ তিরানব্বই হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবিত আনাস (রা.) থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর (রা.) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললাম যখন আমরা গুহায় ছিলাম: হে আল্লাহর রাসূল, যদি তাদের কেউ নিজের দুই পায়ের দিকে তাকাত, তবে অবশ্যই সে আমাদের তার দুই পায়ের নিচে দেখে ফেলত।

অতঃপর তিনি বললেন: "হে আবু বকর, সেই দুইজন সম্পর্কে তোমার ধারণা কী যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ?"
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ مَرْوَانَ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَجْدَةَ بْنِ الْعُرْيَانِ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ الْكُوفِيُّ السُّنِّيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ، قَالَ: خَطَبَنَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، فَقَالَ: "‌‌ أَلا أُنَبِّئُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم: أَبُو بَكْرٍ، وَخَيْرُهُمْ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ، قَالَ: وَلَوْ شِئْتُ لأَنْبَأْتُكُمْ بِالثَّالِثِ ".

قَالَ: فَرَأَيْنَا أَنَّهُ يَعْنِي نَفْسَهُ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইউসুফ বিন মারওয়ান আল-হারাওয়ী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন নাজদাহ বিন আল-উরইয়ান শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস আল-কুফি আস-সুন্নি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক বিন মিগওয়াল, হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি আবদ খাইর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: "‌‌ আমি কি তোমাদেরকে আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর এই উম্মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তিনি হলেন আবু বকর; আর আবু বকরের পর তাদের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন উমর।" তিনি বললেন: "আর আমি চাইলে তোমাদেরকে তৃতীয় ব্যক্তি সম্পর্কেও সংবাদ দিতাম।"

বর্ণনাকারী বলেন: আমরা বুঝতে পারলাম যে তিনি এর দ্বারা নিজেকেই বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْعُصْمِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْقُرَشِيُّ، أَنَّ أَحْمَدَ بْنَ مِهْرَانَ، حَدَّثَهُمْ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُمَرَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ الأَجْلَحِ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«بَعَثَ عَلِيًّا فِي سَرِيَّةٍ، وَبَعَثَ مَعَهُ رَجُلا يَكْتُبُ الأَخْبَارَ»
৮ - আমাদের নিকট প্রধান আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস আল-উসমি শ্রুতলিখন আকারে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন যে, আহমদ ইবনে মিহরান তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইসমাইল ইবনে উমর আল-কুফি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরি বর্ণনা করেছেন আল-আজলাহ থেকে, তিনি ইবনে বুরায়দাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «আলীকে একটি সামরিক অভিযানে পাঠালেন এবং তাঁর সাথে খবরাখবর লিপিবদ্ধ করার জন্য একজন লোক পাঠালেন»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْكَاتِبُ الْعَيْسَقَانِيُّ عَيْسَقَانُ هَرَاةَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَزْمٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي بِشْرِ بْنِ سَعْدَانَ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَا اجْتَمَعَ خَمْسُ أَبْيَاتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ لَمْ يُؤَذِّنْ فِيهِمْ مُؤَذِّنٌ، أَوْ تُقَمْ عَلَيْهِمُ الصَّلاةُ، فَقَدِ اسْتَحْوَذَ عَلَيْهِمُ الشَّيْطَانُ»
৯ - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-কাতিব আল-আইসাকানি—হিরাতের আইসাকান অঞ্চলের—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আল-ফজল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হাযম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মালিক ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে সাদ থেকে; তিনি আবু বিশর ইবনে সা'দান থেকে; তিনি মা'দান ইবনে আবি তালহা থেকে; তিনি আবু দারদা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "এমন কোনো পাঁচটি মুসলিম পরিবার একত্রে বসবাস করে না যাদের মধ্যে কোনো মুয়াজ্জিন আজান দেয় না কিংবা যাদের মধ্যে সালাত কায়েম করা হয় না, তবে অবশ্যই তাদের ওপর শয়তান আধিপত্য বিস্তার করে নিয়েছে।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنِي أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى بْنِ عِصَامٍ الْخُزَاعِيُّ الرَّازِيُّ، بِالرَّيِّ، وَكَتَبَ لِي بِخَطِّهِ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحُنَيْنِيُّ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلُّوِيَةَ الْقَاضِي الأَبْهَرِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ أَسَدٍ، وَالِيَ خُرَاسَانَ يَقُولُ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الأَشْجَعِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ وَحَّدَ اللَّهَ عز وجل وَكَفَرَ بِمَا سِوَاهُ حُرِّمَ مَالُهُ وَدَمُهُ وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ عز وجل»
১০ - আবু হাতিম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া ইবন ইসাম আল-খুজায়ি আর-রাজি রাই শহরে আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নিজ হাতে আমার জন্য লিখেছেন: আহমাদ ইবন ইবরাহিম আল-হুনাইনি আল-হাফিজ আমাকে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল্লুউইয়াহ আল-কাদি আল-আবহারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি খুরাসানের গভর্নর ইসমাঈল ইবন আহমাদ ইবন আসাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার পিতা ইয়াজিদ ইবন হারুন থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মালিক আল-আশজায়ি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর একত্ববাদ ঘোষণা করল এবং তিনি ব্যতীত অন্য যা কিছুর ইবাদত করা হয় তা অস্বীকার করল, তার ধন-সম্পদ ও রক্ত (হরণ করা) হারাম হয়ে গেল এবং তার হিসাব মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর জিম্মায় রইল।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَسْعَدِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الأَخْيَلِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: ‌‌«دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফার ইবনে মুসা আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনুল আসআদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনুল আখইয়াল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান আস-সাওরী, তিনি আম্মার আদ-দুহনী থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, আর তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন মক্কায় প্রবেশ করেন এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّلِيطِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعِيدٍ الْبُوشَنْجِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ حُمْرَانَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ تَوَضَّأَ، فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ جَسَدِهِ حَتَّى تَخْرُجَ مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِهِ»
১২ - আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আস-সালিউতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-বুশানজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্বল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন জিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন হাকিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির, তিনি হুমরান থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওযু করল এবং উত্তমরূপে ওযু সম্পাদন করল, তার শরীর থেকে তার গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়, এমনকি তা তার নখের নিচ থেকেও বের হয়ে যায়»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ هُوَ الإِسْمَاعِيلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ الْبَزَّارُ الْوَاسِطِيُّ، سَنَةَ تِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ يُعْرَفُ بِابْنِ كِسَاءٍ حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، أَخْبَرَنَا أَبِي، عَنْ حَمَّادِ بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى الْقَتَّاتِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، بِبَعْضِ جَسَدِي، وَقَالَ: ‌‌«كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّكَ غَرِيبٌ، أَوْ عَابِرُ سَبِيلٍ»
১৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর, যিনি আল-ইসমাঈলী হিসেবে পরিচিত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন সাঈদ আল-বাজার আল-ওয়াসিতী, দুইশত নব্বই হিজরী সনে, তিনি ইবনে কিসা নামে পরিচিত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হারুন বিন যায়েদ বিন আবিল যারকা; তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা; তিনি হাম্মাদ বিন শুআইব থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া আল-কাত্তাত থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার শরীরের একাংশ ধরলেন এবং বললেন: «দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা একজন পথচারী»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ اللَّيْثِ الْجَوْهَرِيُّ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا جُبَارَةُ يَعْنِي ابْنَ الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ ‌‌«رَخَّصَ فِي التَّمَاثِيلِ مَا كَانَ يُوَطَّأُ، وَكَرِهَ مَا كَانَ مَنْصُوبًا»
১৪ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল লাইস আল-জাওহারী বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুবারা অর্থাৎ ইবনুল মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমী থেকে, তিনি ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, «তিনি সেই সব প্রতিকৃতির ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন যা পদদলিত হয় এবং যা স্থাপন করে রাখা হয় তা অপছন্দ করেছেন»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْقَصَبِيُّ الْوَاسِطِيُّ، وَلَمْ يَكُنْ بِذَاكَ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ شَاهِينَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي طُوَالَةَ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«النَّظَرُ فِي مِرَآةِ الْحَجَّامِ دَنَاءَةٌ» .

قَالَ أَبُو الْفَضْلِ الْجَارُودِيُّ: غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي طُوَالَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، تَفَرَّدَ بِهِ هَذَا الشَّيْخُ الْقَصَبِيُّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ، وَلا يَثْبُتْ مِثْلُ هَذَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَالْحَمْلُ فِيهِ عَلَى الْقَصَبِيِّ، وَإِنَّمَا يُكْتَبُ مِثْلُ هَذَا الْحَدِيثِ لِلْمَعْرِفَةِ
১৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসান আল-কাসাবী আল-ওয়াসিতি—আর তিনি তেমন (নির্ভরযোগ্য) ছিলেন না—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন শাহীন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু তুওয়ালা থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হাজ্জামের (সিঙা প্রদানকারীর) আয়নায় তাকানো নীচতা।» .

আবু আল-ফাদল আল-জারুদি বলেন: এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আনাস বিন মালিকের সূত্রে আবু তুওয়ালার বর্ণনায় একটি অপ্রসিদ্ধ (গারিব) হাদিস। এই শায়খ আল-কাসাবী এই সনদে এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই ধরণের বর্ণনা প্রমাণিত নয়। এর দায়ভার আল-কাসাবীর ওপর বর্তায়। আর এ ধরণের হাদিস কেবল জানার জন্যই লিখে রাখা হয়।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ ذُرَيْحٍ الْعَكْبَرِيُّ، بِهَا، قَالَ: حَدَّثَنَا جُبَارَةُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مَسْرُوقٍ الأَسَدِيِّ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا صَلَّيْتُمُ الْجُمُعَةَ فَصَلُّوا بَعْدَهَا أَرْبَعًا»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন যুরাইহ আল-আকবরি সেখানে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুবাহরাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, তিনি মাসরুক আল-আসাদি থেকে, তিনি সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা জুমার সালাত আদায় করবে, তখন এরপর চার রাকাত সালাত আদায় করবে»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْحَوْضِيُّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ وَجِيهٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«تَحْتَ كُلِّ شَعْرَةٍ جَنَابَةٌ أَلا فَاغْسِلُوا الشَّعَرَ، وَأَنْقُوا الْبَشَرَةَ»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আদি আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনুল হুবাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর হাফস ইবনে উমর আল-হাওদি, তিনি হারিস ইবনে ওয়াজিহ থেকে, তিনি মালিক ইবনে দিনার থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেকটি চুলের নিচে অপবিত্রতা রয়েছে; সুতরাং তোমরা চুল ধৌত করো এবং চামড়া পরিষ্কার করো।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْمُغِيرَةِ الْجُرْجَانِيُّ، بِهَا، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدَانَ الْحَدَّادِيُّ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ طَرْخَانَ الإِسْتَرَابَاذِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ رَأَى جِنَازَةً فَقَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ هَذَا مَا وَعَدَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ، اللَّهُمَّ زِدْهُ إِيمَانًا وَتَسْلِيمًا، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ عِشْرِينَ حَسَنَةً فِي كُلِّ يَوْمٍ يَقُولُهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ".

تَفَرَّدَ بِهِ أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ النَّخَعِيُّ
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-মুগীরা আল-জুরজানী, সেখানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে হামদান আল-হাদ্দাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে তারখান আল-ইস্তারাবাদযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে উমর, মুখতার ইবনে ফুলফুল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি কোনো জানাজা দেখে বলবে: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন, এটিই আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদের যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, হে আল্লাহ, আপনি বৃদ্ধি করে দিন ঈমান ও আত্মসমর্পণ, তবে আল্লাহ তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত প্রতিদিন এটি বলার বিনিময়ে বিশটি করে নেকি লিখে দেবেন।"

আবু দাউদ সুলাইমান আন-নাখায়ী এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَطَّانُ وَهُوَ ابْنُ عَمَّةِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، بِنَيْسَابُورَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ حَمْدُونَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الضُّبَعِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْحٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنِي مَكْحُولٌ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
১৯ - আমাদের নিকট নিশাপুরে আবু বিশর মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-কাত্তান—যিনি মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন খুযাইমাহ-এর ফুফাতো ভাই—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ ইবন হামদুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন মুসা আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবন হাম্মাদ আদ-দুবাই, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন জুরাইজ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবন উমর ইবন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মাকহুল, ইরাক ইবন মালিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো সংরক্ষণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ السَّرِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَهْلِ بْنِ أَيُّوبَ، سَنَةَ خَمْسِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ شَدَّادٍ الْقَصْرِيُّ الْقَاضِي، قَاضِي، دِيَارِ مِصْرَ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَكُونَ السَّنَةُ كَالشَّهْرِ، وَالشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ، وَالْجُمُعَةُ كَالْيَوْمِ، وَالْيَوْمُ كَالسَّاعَةِ، وَالسَّاعَةُ كَاخْتِرَاقِ السَّعْفَةِ»

وَبِهِ إِلَى ابْنِ نَظِيفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ، قَالَ: أَنْشَدَنَا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ:

فَوَاأَسَفَا أَسِفْتُ عَلى شَبَابِي … نَعَاهُ الشَّيْبُ وَالرَّأْسُ الْخَضِيبُ

عَرِيتُ مِنَ الشَّبَابِ وَكُنْتُ غُصْنًا … كَمَا يَعْرَى مِنَ الْوَرَقِ الْقَضِيبُ

بَكَيْتُ عَلَى الشَّبَابِ بِدَمْعِ عَيْنِي … فَمَا نَفَعَ الْبُكَاءُ وَلا النَّحِيبُ

تَذَكَّرْتُ الشَّبَابَ وَقَدْ تَقَضَّى … وَأَيَّامُ الشَّبَابِ لَهُنَّ طِيبُ

أَلا لَيْتَ الشَّبَابَ يَعُودُ يَوْمًا … فَأُخْبِرُهُ بِمَا صَنَعَ الْمَشِيبُ
২০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর ইবনে আস-সারী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে আইয়ুব, তিনশ পঞ্চাশ হিজরী সনে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে শাদ্দাদ আল-কাসরী আল-কাদী, যিনি মিসর ভূখণ্ডের বিচারক ছিলেন; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ, অর্থাৎ ইবনে আব্দুল্লাহ; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে আবু সালিহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না একটি বছর একটি মাসের মতো হবে, একটি মাস একটি জুমার (সপ্তাহের) মতো হবে, একটি জুমা একদিনের মতো হবে এবং একদিন এক ঘণ্টার মতো হবে, আর এক ঘণ্টা হবে খেজুরের শুকনো ডাল পুড়ে যাওয়ার সময়ের মতো।»

এবং একই সনদে ইবনে নাযীফ পর্যন্ত পৌঁছে তিনি বলেন: আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিলাল ইবনুল আলা আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন:

হায় আফসোস! আমি আমার যৌবনের জন্য ব্যথিত … বার্ধক্য এবং রঞ্জিত মস্তক তার বিদায়ের বার্তা শুনিয়েছে।

আমি যৌবন থেকে রিক্ত হয়েছি অথচ আমি ছিলাম এক সতেজ ডাল … যেমন পাতা থেকে রিক্ত হয়ে যায় বৃক্ষের শাখা।

আমি দু'চোখের জলে যৌবনের জন্য কেঁদেছি … কিন্তু সেই ক্রন্দন ও বিলাপ কোনো উপকারে আসেনি।

আমি অতিক্রান্ত যৌবনকে স্মরণ করেছি … আর যৌবনের দিনগুলো ছিল অত্যন্ত মনোরম।

হায়! যৌবন যদি একদিনের জন্যও ফিরে আসত … তবে আমি তাকে জানাতাম বার্ধক্য আমার কী দশা করেছে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ شَرَفُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ شَرَفُ بْنُ الْخَضِرِ بْنِ مُوسَى التُّونِيُّ الدِّمْيَاطِيُّ، رحمه الله، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الْحَافِظُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أَسْعَدَ بْنِ يُونُسَ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ، وَأَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ.

ح وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ الْمُكَبِّرِ، مُكَاتَبَةً عَنِ الشَّيْخِ الْمُعَمَّرِ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيِّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ الْوَاسِطِيَّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ.

وَثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ وَثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ نَهَى يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ» .

مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ نَازِلا عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ
بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ مَالِكٍ.

وَعَنْ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَاتِمٍ الْهَرَوِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَحْبُوبٍ، عَنْ عَنْتَرِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمْ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

فَكَأَنَّ شَيْخَنَا الْحَافِظَ شَرَفَ الدِّينِ رحمه الله، سَمِعَهُ مِنَ النَّسَائِيِّ، وَصَافَحَهُ بِهِ، وَكَأَنَّنِي مِنْ طَرِيقِ ابْنِ طَبَرْزُدَ رَوَيْتُهُ عَنِ النَّسَائِيِّ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

أَنْشَدَنَا الْحَافِظُ شَرَفُ الدِّينِ الدِّمْيَاطِيُّ، الْمَذْكُورُ إِجَازَةً لِنَفْسِهِ:

وَمَا الْعِلْمُ إِلا فِي كِتَابٍ وَسُنَّةٍ … وَمَا الْجَهْلُ إِلا فِي كَلامٍ وَمَنْطِقٍ

وَمَا الْخَيْرُ إِلا فِي سُكُوتٍ بِعِفَّةٍ … وَمَا الشَّرُّ إِلا مِنْ كَلامٍ وَمَنْطِقٍ
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, হাফিজ শারাফুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ বিন আবুল হাসান শারাফ বিন আল-খিদর বিন মুসা আত-তুনি আদ-দিময়াতি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে আর আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল আল-হাফিজ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন আসআদ বিন ইউনুস। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ বিন আব্দুল জাব্বার বিন আহমাদ আস-সাইরাফি এবং আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আশ-শাইবানি।

(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, কামালুদ্দীন আবু আল-ফারাজ আব্দুল রহমান বিন আব্দুল লতিফ বিন আল-মুকাব্বির, প্রবীণ শাইখ আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ আল-বাগদাদি থেকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আশ-শাইবানি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-বাযযায। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ি। আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে সালামা আল-ওয়াসিতি। আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাজ্জাজ, আবু ইসহাক থেকে।

এবং সাবিত বিন উবাইদ ও সাবিত বিন উবাইদ থেকে, বারা বিন আযিব (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খয়বারের যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছেন»।

এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম উভয়ই বর্ণনা করেছেন)।

এবং নাসায়ি এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাআদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব থেকে, তিনি মালিক থেকে এক স্তর নিচে।

এবং যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন হাতিম আল-হারাউয়ি থেকে, তিনি সাঈদ বিন মাহবুব থেকে, তিনি আনতার বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি হাসান বিন মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী (আল্লাহ তাআলা তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত।

ফলে মনে হয় যেন আমাদের শাইখ হাফিজ শারাফুদ্দীন (রহিমাহুল্লাহ) এটি নাসায়ি থেকে সরাসরি শুনেছেন এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছেন। আর আমি যেন ইবনে তাবারযুদের সূত্রে এটি নাসায়ি থেকে বর্ণনা করলাম। আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

হাফিজ শারাফুদ্দীন আদ-দিময়াতি (যাঁর কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে) আমাকে তাঁর নিজের রচিত কবিতা ইজাজত হিসেবে শুনিয়েছেন:

ইলম (জ্ঞান) কেবল কিতাব ও সুন্নাহর মধ্যেই নিহিত ... আর মূর্খতা কেবল কালাম (তর্কশাস্ত্র) ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যেই নিহিত।

কল্যাণ কেবল সচ্চরিত্রতার সাথে মৌন থাকার মধ্যেই নিহিত ... আর অকল্যাণ কেবল কালাম (তর্কশাস্ত্র) ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যেই নিহিত।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْمُسْنِدُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاضِي عِمَادِ الدِّينِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقُرَشِيِّ الْفُوِّيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عِمَادٍ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ غَدِيرٍ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْخِلَعِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ النَّحَّاسِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّاهِرِ الْمَدِينِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى.

ح وَبِهِ قَالَ: ابْنُ النَّحَّاسِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ الرَّمْلِيُّ، قَالا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، سَمِعَ مَالِكَ بْنَ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ الْبَصْرِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الذَّهَبُ بِالْوَرِقِ رِبًا إِلا هَاءَ وَهَاءَ، وَالْبُرُّ بِالْبُرِّ رِبًا إِلا هَاءَ وَهَاءَ، وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ رِبًا إِلا هَاءَ وَهَاءَ، وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ رِبًا إِلا هَاءَ وَهَاءَ»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সম্মানীয় শায়খ, মুসনিদ যাইনুদ্দীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল কাযী ইমাদুদ্দীন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ আল-কুরাশী আল-ফুওয়ী—৭০২ হিজরী সনে তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইমাদ আল-হাররানী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে গাদীর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবুল হাসান আলী ইবনুল হাসান আল-খিলায়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইবনুন নাহহাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আল-মাদীনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদিল আলা।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন এবং একই সূত্রে ইবনুন নাহহাস বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হারুন আস-সামারকান্দী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে শায়বান আর-রামলী, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরী থেকে, তিনি মালিক ইবনে আওস ইবনুল হাদাসান আল-বাসরীকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «রুপার বিনিময়ে স্বর্ণের লেনদেন সুদ, যদি না তা হাতে হাতে হয়। গমের বিনিময়ে গমের লেনদেন সুদ, যদি না তা হাতে হাতে হয়। খেজুরের বিনিময়ে খেজুরের লেনদেন সুদ, যদি না তা হাতে হাতে হয়। যবের বিনিময়ে যবের লেনদেন সুদ, যদি না তা হাতে হাতে হয়।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - قَرَأْتُ عَلَى وَالِدِي، تَغَمَّدَهُ اللَّهُ تَعَالَى بِرَحْمَتِهِ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى وَالِدِي إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ اللَّهِ، قَدَّسَ اللَّهُ تَعَالَى رُوحَهُ، سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا الْعَلامَةُ أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الشَّافِعِيُّ، سَنَةَ ثَمَانَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي الْقَاسِمِ الْحَافِظِ، أَخْبَرَنَا زَاهِرٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَيْهَقِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: قُلْتُ لأَنَسٍ: "‌‌ أَكَانَتِ الْمُصَافَحَةُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ "

وَسَمِعْتُ وَالِدِي، تَغَمَّدَهُ اللَّهُ تَعَالَى بِرَحْمَتِهِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ وَالِدِي مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الْحَمَوِيَّ رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ، يَقُولُ إِنَّهُ خَرَجَ مَعَ جَمَاعَةٍ إِلَى مُتَنَزَّهٍ، فَقَذَفَ بَعْضُهُمْ عُصْفُورًا بِعَصًا فَمَاتَ الْعُصْفُورُ وَالَّذِي رَمَاهُ، وَلَمْ يَدْرِ أَيُّهُمَا كَانَ أَسْبَقَ مَوْتًا
২৩ - আমি আমার পিতার নিকট পাঠ করেছি, আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর রহমত দ্বারা আবৃত করুন। তিনি বলেছেন: আমি আমার পিতা ইবরাহিম ইবনে সাদুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি, আল্লাহ তাআলা তাঁর রুহকে (আত্মাকে) পবিত্র করুন, ৬৬৯ হিজরি সনে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা আবু মনসুর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসান শাফিয়ী, ৬১৮ হিজরি সনে, তাঁর চাচা আবুল কাসেম হাফেজ হতে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জহির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বায়হাকি, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হাফেজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবু তালিব, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, তিনি কাতাদাহ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম: "‌‌ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে কি মুসাফাহা (করমর্দন) করার প্রচলন ছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ "

এবং আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর রহমত দ্বারা আবৃত করুন, তিনি বলতেন: আমি আমার পিতা মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর হামাভি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি একদল লোকের সাথে একটি প্রমোদ উদ্যানে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁদের মধ্য থেকে কেউ একজন একটি লাঠি দিয়ে একটি চড়ুই পাখিকে আঘাত করল (ছুঁড়ে মারল)। ফলে চড়ুই পাখিটি এবং যে ব্যক্তি তাকে আঘাত করেছিল উভয়েই মারা গেল; আর তাদের মধ্যে কে আগে মারা গিয়েছিল তা জানা যায়নি।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْمُحَدِّثُ نَجْمُ الدِّينِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ عُمَرَ بْنِ شِبْلٍ الْحَمَوِيُّ رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّدُ بْنُ مُرْتَضَى بْنِ حَاتِمٍ الْمَقْدِسِيُّ، وَأَبُو الْفَتْحِ عُمَرُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ عُثْمَانَ الإِرْبِلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ ابْنُ مُرْتَضَى: أَخْبَرَتْنَا أُمُّ هَانِئٍ عَفِيفَةُ ابْنَةُ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْفَارْقَانِيَّةُ، إِجَازَةً، وَقَالَ الإِرْبِلِيُّ أَنْبَأَنَا دَاوُدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَاشَاذَةَ، وَاللَّفْظُ لَهُ وَأَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرِ بْنِ الْفَاخِرِ، قَالُوا: أَخْبَرَتْنَا أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةُ ابْنَةُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْجَوْزَدَانِيَّةُ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا ابْنُ زُبَيْدَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ خَالِدِ بْنِ حِبَّانَ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ الْجُعْفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ كَانَ‌‌ يَرَى الاسْتِثْنَاءَ وَلَوْ بَعْدَ سَنَةٍ ، ثُمَّ قَرَأَ {وَلا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا {23} إِلا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ} [الكهف: 23-24] .

يَقُولُ: إِذَا ذَكَرْتَ.

فَقِيلَ لِلأَعْمَشِ: سَمِعْتَ هَذَا مِنْ مُجَاهِدٍ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنِي بِهِ اللَّيْثُ، عَنْ مُجَاهِدٍ
২৪ - মহান শায়খ, মুহাদ্দিস নাজমুদ্দীন আবদুল্লাহ ইবনে আবিল হাসান ইবনে উমর ইবনে শিবল আল-হামাবী (রহমাতুল্লাহি তা'আলা আলাইহি) তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুর্তাজা ইবনে হাতিম আল-মাকদিসী এবং আবুল ফাতহ উমর ইবনে ইয়াকুব ইবনে উসমান আল-ইরবিলি, তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি। ইবনে মুর্তাজা বলেন: উম্মু হানি আফীফা বিনতে আবু বকর আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ফারকানিয়্যাহ ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আর আল-ইরবিলি বলেন: দাউদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাশাজাহ—শব্দাবলী তাঁর—এবং আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে নাসর এবং মুহাম্মদ ইবনে মা’মার ইবনুল ফাখির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: উম্মু ইব্রাহিম ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-জাওযদানিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুবায়দাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম সুলায়মান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে খালিদ ইবনে হিব্বান আর-রাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সুলায়মান আল-জু’ফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এক বছর পরেও ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা (ইস্তিসনা) বৈধ মনে করতেন, অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {আর কোনো বিষয়ে কক্ষনো বলো না যে, আমি তা আগামীকাল করব, তবে ‘যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন’ (বলা) ব্যতীত} {আর যখন ভুলে যাও তখন তোমার রবকে স্মরণ করো} [আল-কাহফ: ২৩-২৪]।

তিনি বলেন: যখন তোমার মনে পড়বে তখন (স্মরণ করো)।

অতঃপর আ’মাশকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কি এটি মুজাহিদ থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: লায়স মুজাহিদ থেকে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - وَبِهِ إِلَيَّ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ جَرِيرٍ الصُّورِيُّ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ مُسْلِمٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ حُصَيْنٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: ‌‌{وَاذْكُرْ رَبَّكَ إِذَا نَسِيتَ} [الكهف: 24] .

قَالَ: إِذَا نَسِيتَ الاسْتِثْنَاءَ فَاسْتَثْنِ إِذَا ذَكَرْتَ، وَهِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَاصَّةً، وَلَيْسَ لَنَا أَنْ نَسْتَثْنِيَ إِلا فِي صِلَةِ الْيَمِينِ
২৫ - এবং তার মাধ্যমেই আমার নিকট তাবারানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে জারীর আস-সূরী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাফওয়ান ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল ওয়ালিদ মুসলিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আযীয ইবনে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবী নাজীহ থেকে বর্ণিত, তিনি মুজাহিদ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {আর যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন} [কাহফ: ২৪]।

তিনি বলেন: যখন আপনি ইনশাআল্লাহ (ব্যতিক্রমসূচক বাক্য) বলতে ভুলে যাবেন, তখন যখনই স্মরণ হবে তখনই তা বলবেন। আর এটি বিশেষভাবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য নির্ধারিত ছিল, এবং শপথের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে থাকা ব্যতীত আমাদের জন্য (বিলম্বে) ইনশাআল্লাহ বলা বৈধ নয়।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - وَبِهِ إِلَيَّ الطَّبَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنْبَاعِ رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ:‌‌ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَلَى رَجُلٍ وَاضِعٍ رِجْلَهُ عَلَى صَحْفَةِ شَاةٍ، وَهُوَ يُحِدُّ شَفْرَتَهُ، وَهِيَ تَلْحَظُ إِلَيْهِ بِبَصَرِهَا.

فَقَالَ: «أَفَلا قَبْلَ هَذَا؟ أَوَ تُرِيدُ أَنْ تُمِيتَهَا مَوْتَتَيْنِ»
২৬ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আমার নিকট তাবারানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনবা' রাওহ ইবনুল ফারাজ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনু আদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহিম ইবনু সুলায়মান, আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যে একটি বকরির ঘাড়ের এক পাশে পা রেখে নিজের ছুরি ধার দিচ্ছিল, আর বকরিটি তার দিকে তাকিয়ে দেখছিল।

তখন তিনি বললেন: "তুমি কি এর আগেই তা করলে না? অথবা তুমি কি তাকে দুবার মৃত্যু দিতে চাও?"
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - وَبِهِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ الْحَدَّادُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رَفَعَهُ قَالَ: ‌‌«لَيْسَ أَحَدٌ إِلا يُؤْخَذُ مِنْ قَوْلِهِ وَيُودَعُ، غَيْرَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم»
২৭ - এবং একই সনদে তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আমর আল-বাযযার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ বিন আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ আল-হাদ্দাদ, মালিক বিন দীনার থেকে, ইকরিমাহ থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে বলেছেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত এমন কেউ নেই যার কথা গ্রহণ অথবা বর্জন করা হয় না।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবিল হুসাইন বিন আল-আলী (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا الأُسْتَاذُ الْعَلامَةُ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الزُّبَيْرُ الْعَاصِمِيُّ الثَّقَفِيُّ، فِيمَا كَتَبَ إِلَيْنَا مِنْ جَزِيرَةِ الأَنْدَلُسِ، عَنِ الْكَاتِبِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ إِسْحَاقَ بْنِ عَامِرٍ الْهَمَذَانِيِّ الطُّوسِيِّ، بِفَتْحِ الطَّاءِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ خَلِيلٍ الْقَيْسِيُّ الْقُرْطُبِيُّ، وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَيَّانِيُّ الْحَافِظُ، حَدَّثَنِي حَكَمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْمُهَنْدِسِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا فَضَالُ بْنُ جُبَيْرٍ، سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: "‌‌ اكْفُلُوا لِي سِتًّا أَكْفُلْ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ: إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فَلا يَكْذِبْ، وَإِذَا ائْتُمِنَ فَلا يَخُنْ، وَإِذَا وَعَدَ فَلا يُخْلِفْ، غُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ "
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ আল্লামা আবু জাফর আহমদ বিন ইবরাহীম আয-যুবায়ের আল-আসিমি আস-সাকাফী, আন্দালুস দ্বীপ থেকে আমাদের নিকট তিনি যা লিখে পাঠিয়েছেন তাতে, লেখক আবু ইবরাহীম ইসহাক বিন আমির আল-হামাদানি আত-তুসী হতে—'ত' বর্ণে ফাতহা সহ—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন খলীল আল-কাইসি আল-কুরতুবী, আর তিনি তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-জাইয়ানি আল-হাফিজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাকাম বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আল-মুহান্দিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফাযাল বিন জুবায়ের, আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "‌‌তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব: যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন সে যেন মিথ্যা না বলে, যখন তাকে আমানত প্রদান করা হয় তখন যেন খিয়ানত না করে এবং যখন সে ওয়াদা করে তখন যেন তা খেলাফ না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো, তোমাদের হাতকে বিরত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করো।"