(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: -)
ثلاثة مجالس من أمالي أبي سعيد النقاش   (أبو سعيد النقاش)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ثلاثة مجالس من أمالي أبي سعيد النقاش

المؤلف: أبو سعيد محمد بن علي بن عمر بن مهدي الأصبهاني الحنبلي النقاش (ت 414هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 59

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু সাঈদ আন-নাক্কাশের আমালি থেকে তিনটি মজলিস   (আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু সাঈদ আন-নাক্কাশের আমালি থেকে তিনটি মজলিস

লেখক: আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন উমর বিন মাহদী আল-আসবাহানি আল-হানবালি আন-নাক্কাশ (মৃত্যু ৪১৪ হিজরি)

প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক (IslamWeb) ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জোয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহাজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءِ فِيهِ ثَلاثَةُ مَجَالِسَ مِنْ أَمَالِي أَبِي سَعِيدٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَهْدِيٍّ النَّقَّاشِ الْحَافِظِ الأَصْبَهَانِيِّ رحمه الله رِوَايَةُ أَبِي طَالِبٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيِّ الْكُنْدُلانِيِّ، عَنْهُ.

وَعَنْهُ الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سِلَفَةَ الأَصْبَهَانِيُّ.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ مَا شَاءَ اللَّهُ لا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ
এই খণ্ডটিতে হাফেজ আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আমর বিন মাহদী আন-নাক্কাশ আল-আসবাহানী (রহিমাহুল্লাহ)-এর শ্রুতিলিপি (আমালি) থেকে তিনটি মজলিস রয়েছে, যা তাঁর নিকট থেকে আবু তালিব আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-কুরাশী আল-কুন্দুলানীর বর্ণনা।

এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন শাইখ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সিলাফাহ আল-আসবাহানী।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ যা চেয়েছেন (তা-ই হয়), আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় এবং কোনো শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سِلْفَةَ الأَصْبَهَانِيُّ ، أنبا أَبُو طَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي هَاشِمٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيُّ الْكُنْدُلانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ، سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ، وَقَرَأْتُ أنا عَلَيْهِ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أنبا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَمْرِو بْنِ مَهْدِيٍّ النَّقَّاشُ الْحَافِظُ، إِمْلاءً، فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ الْوَادِعِيُّ ، بِالْكُوفَةِ، ثنا جَدِّي أَبُو حُصَيْنٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الصِّينِيُّ، ثنا سَوَّارُ بْنُ مُصْعَبٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ لا يَشْكُرُ الْقَلِيلَ لا يَشْكُرُ الْكَثِيرَ، وَالتَّحَدُّثُ بِنِعْمَةِ اللَّهِ شُكْرٌ، وَالسُّكُوتُ عَنْهَا كُفْرٌ، وَالْجَمَاعَةُ رَحْمَةٌ، وَالْفُرْقَةُ عَذَابٌ، وَإِذَا أَتَى رَجُلٌ إِلَى رَجُلٍ مَعْرُوفًا فَاسْتَطَاعَ لَهُ الْمُكَافَأَةَ فَلْيُكَافِئْهُ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَالثَّنَاءُ.

لا أَعْلَمُ رَوَاهُ غَيْرُ النُّعْمَانِ، وَعَنْهُ الشَّعْبِيُّ.

تَفَرَّدَ بِهِ سَوَّارٌ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিলফাহ আল-আসফাহানি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আহমদ ইবনে আবি হাশিম মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-কুরাশি আল-কুন্দুলানি, তাঁর সামনে তাঁর মূল শ্রুত অনুলিপি থেকে পাঠের মাধ্যমে, ৪৯১ হিজরি সনে; এবং আমি তাঁর নিকট তা পাঠ করেছি ৪৯২ হিজরি সনে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদি আন-নাক্কাশ আল-হাফেজ, শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, ৪১২ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি হুসাইন আল-ওয়াদিয়ি, কুফায়। তিনি বলেন, আমার দাদা আবু হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আস-সিনি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাওয়ার ইবনে মুসাব, আব্দুল হামিদ থেকে, তিনি আশ-শা'বি থেকে, তিনি নুমান ইবনে বশির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি অল্পের শুকরিয়া আদায় করে না, সে বেশিরও শুকরিয়া আদায় করে না। আল্লাহর নেয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করাও একটি শুকরিয়া, আর তা নিয়ে নীরব থাকা বা গোপন করা হলো অকৃতজ্ঞতা। জামাত বা ঐক্য হলো রহমত, আর বিচ্ছিন্নতা হলো আজাব। আর যখন কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির প্রতি কোনো ভালো কাজ (উপকার) করে, তখন তার যদি প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য থাকে, তবে সে যেন তার প্রতিদান দেয়। আর যদি সামর্থ্য না থাকে, তবে যেন সে তার প্রশংসা করে।

আমি জানি না যে নুমান ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেছেন কি না, এবং তাঁর থেকে আশ-শা'বি বর্ণনা করেছেন।

সাওয়ার এটি আব্দুল হামিদ থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِدْرِيسُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ يَعْقُوبَ الْمُؤَدِّبُ الْحَرْبِيُّ، بِبَغْدَادَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْزَجَانِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، ثنا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ‌‌ يَعْتَكِفُ فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ مُوسَى غَيْرَ الْفُضَيْلِ
২ - বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইদরীস ইবন আলী ইবন ইসহাক ইবন ইয়াকুব আল-মুয়াদ্দিব আল-হারবী, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আলী আল-জাওযাজানী, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল মিকদাম, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-ফুদাইল ইবন সুলাইমান, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন উকবা, তিনি বলেন, আমাকে বর্ণনা করেছেন নাফে, ইবন উমর থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।

আল-ফুদাইল ব্যতীত অন্য কেউ মুসা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْرَائِيلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الطَّرَّازِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ، ثنا أَبُو عَمْرٍو سَعِيدُ بْنُ الْعَلاءِ الْبَرْدَعِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ اللَّيْثِ بْنِ الْخَلِيلِ الْبَلْخِيُّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَلْخِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ هَارُونَ الْبَلْخِيُّ، ثنا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ يُحْسِنُ أَنْ يَتَكَلَّمَ بِالْعَرَبِيَّةِ فَلا يَتَكَلَّمَنَّ بِالْعَجَمِيَّةِ؛ فَإِنَّهُ يُوَرِّثُ النِّفَاقَ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ أُسَامَةَ، غَيْرَ عُمَرَ بْنِ هَارُونَ الْبَلْخِيِّ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসরাইল ইবন ইসমাইল ইবন আবদুল্লাহ আত-তারাজি, নিশাপুরে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর সাঈদ ইবনুল আলা আল-বারদায়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল লাইস ইবনুল খলিল আল-বালখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইব্রাহিম আল-বালখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবন হারুন আল-বালখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসামা ইবন যায়িদ, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি উত্তমরূপে আরবি ভাষায় কথা বলতে সক্ষম, সে যেন অনারবি ভাষায় কথা না বলে; কেননা এটি নিফাক (কপটতা) সৃষ্টি করে।"

উমর ইবন হারুন আল-বালখি ব্যতীত আর কাউকে আমি জানি না যিনি এটি উসামা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بَكْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ صَالِحٍ الْقُوطِيُّ، بِوَاسِطَ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ تَحِيَّةَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ أَكْرَمَ ذَا شَيْبَةٍ كَأَنَّمَا قَدْ أَكْرَمَ نُوحًا فِي قَوْمِهِ، وَمَنْ أَكْرَمَ نُوحًا فِي قَوْمِهِ فَقَدْ أَكْرَمَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ يَزِيدَ، غَيْرَ ابْنِ تَحِيَّةَ الْوَاسِطِيِّ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম বাকর ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাসির ইবনে সালিহ আল-কুতি, ওয়াসিত শহরে; তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াকুব ইবনে তাহিয়্যাহ; তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন; তিনি হুমাইদ থেকে, আর তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো বৃদ্ধ মানুষকে সম্মান করল, সে যেন নূহ (আলাইহিস সালাম)-কে তাঁর সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্মান করল; আর যে ব্যক্তি নূহ (আলাইহিস সালাম)-কে তাঁর সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্মান করল, সে যেন মহান আল্লাহকেই সম্মান করল।"

ইবনে তাহিয়্যাহ আল-ওয়াসিতি ব্যতীত আর কেউ এটি ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ صَالِحٍ الْكَاتِبُ الْحَرْبِيُّ، بِبَغْدَادَ، أنا الْحَسَنُ بْنُ الطَّيِّبِ الْبَلْخِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُوَقَّرِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَرَأَى كَسْرَةً مُلْقَاةً، فَمَالَ إِلَيْهَا فَأَخَذَهَا ثُمَّ مَسَحَهَا أَحْسَبُهُ قَالَ: بِكُمِّ قَمِيصِهِ ثُمَّ قَالَ: يَا عَائِشَةُ‌‌ أَحْسِنِي جِوَارَ نِعَمِ اللَّهِ عز وجل؛ فَإِنَّهَا قَلَّ مَا نَفَرَتْ مِنْ قَوْمٍ فَكَادَتْ أَنْ تَرْجِعَ إِلَيْهِمْ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ غَيْرَ الْمُوَقَّرِيِّ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বিশর বিন আহমদ বিন সালিহ আল-কাতিব আল-হারবী, বাগদাদে; আমাদের জানিয়েছেন আল-হাসান বিন আত-তাইয়িব আল-বালখি; আমাদের বর্ণনা করেছেন আলী বিন হুজর; আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ বিন মুহাম্মদ আল-মুওয়াক্বারি, যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট প্রবেশ করলেন এবং পড়ে থাকা এক টুকরো রুটি দেখতে পেলেন। তিনি সেটির দিকে ঝুঁকে তা তুলে নিলেন। অতঃপর তিনি তা মুছে ফেললেন—বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি তাঁর জামার হাতা দিয়ে তা মুছেছিলেন—এরপর তিনি বললেন: হে আয়েশা! মহান আল্লাহর নিআমতসমূহের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করো; কেননা তা কোনো জাতির নিকট থেকে একবার চলে গেলে পুনরায় ফিরে আসা তাদের নিকট বিরল।"

আল-মুওয়াক্বারি ব্যতীত অন্য কেউ এটি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَاسِينَ بْنِ النَّضْرِ الْقَاضِي ، بِنَيْسَابُورَ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ رَاشِدٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ الشَّامِيُّ، ثنا يَاسِينُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيْمَنَ، عن أبي صالح، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ أَعْطَانِي رَبِّي عز وجل فِي عَلِيٍّ خِصَالا فِي الدُّنْيَا وَخِصَالا فِي الآخِرَةِ، أَعْطَانِي بِهِ أَنَّهُ صَاحِبُ لِوَائِي عِنْدَ كُلِّ شَدِيدٍ، وَأَعْطَانِي بِهِ فِي الدُّنْيَا أَنَّهُ غَامِضِي وَغَاسِلِي وَدَافِنِي، وَأَعْطَانِي بِهِ فِي الدُّنْيَا أَنَّهُ لَنْ يَرْجِعَ بَعْدِي كَافِرًا، وَأَعْطَانِي بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَّهُ صَاحِبُ لِوَاءِ الْحَمْدِ يُقَدِّمُنِي بِهِ، وَأَعْطَانِي بِهِ فِي الآخِرَةِ أَنَّهُ مُتَّكِئٌ فِي طُولِ الْحَشْرِ يَوْمَ الْقَيِامَةِ، وَأَعْطَانِي بِهِ أَنَّهُ عَوْنٌ لِي عَلَى حَمْلِ مَفَاتِيحِ الْجَنَّةِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، غَيْرَ يَاسِينَ
৬ - নিশাপুরে আবুল কাসিম বিশর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াসিন বিন নযর আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু সাঈদ আমর বিন উসমান বিন রাশিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ আল-শামী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াসিন বিন মুহাম্মদ বিন আয়মান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমার রব মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ আমাকে আলীর ব্যাপারে দুনিয়াতে কিছু বৈশিষ্ট্য এবং আখেরাতে কিছু বৈশিষ্ট্য দান করেছেন। তিনি তার মাধ্যমে আমাকে এই দান করেছেন যে, সে প্রত্যেক বিপদের সময় আমার পতাকাবাহী হবে, এবং দুনিয়াতে আমাকে তার মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্য দিয়েছেন যে, সে আমার চোখ বন্ধ করবে, আমাকে গোসল করাবে এবং আমাকে দাফন করবে। আর দুনিয়াতে আমাকে তার মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যে, সে আমার পরে কখনোই কাফের হয়ে ফিরে যাবে না। আর কিয়ামতের দিন তিনি আমাকে তার মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যে, সে হবে প্রশংসার পতাকাবাহী এবং সে আমার আগে আগে থাকবে। আর আখেরাতে তিনি আমাকে তার মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যে, কিয়ামতের দিন দীর্ঘ হাশরের সময় সে হেলান দিয়ে অবস্থান করবে। আর তিনি আমাকে তার মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যে, জান্নাতের চাবিকাঠি বহনে সে আমার জন্য একজন সাহায্যকারী হবে।"

ইয়াসিন ছাড়া অন্য কেউ এটি আবু সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الأَحْمَسِيُّ، بِالْكُوفَةِ، ثنا أَبُو حُصَيْنٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْوَادِعِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحِمَّانِيُّ، ثنا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُسْرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: لَمَّا قُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، وَسْوَسَ أُنَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ، وَكُنْتُ فِيمَنْ وَسْوَسَ، فَمَرَّ عَلَيَّ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَسَلَّمَ عَلَيَّ فَلَمْ أَرُدَّ عَلَيْهِ، فَشَكَانِي إِلَى أَبِي بَكْرٍ، فَجَاءَ، فَقَالَ لِي: سَلَّمَ عَلَيْكَ أَخُوكَ فَلَمْ تَرُدَّ عَلَيْهِ؟ فَقُلْتُ: مَا عَلِمْتُ تَسْلِيمَهُ عَلَيَّ، وَإِنِّي لَفِي شُغُلٍ.

قَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَلِمَ؟ فَقُلْتُ: قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ نَسْأَلْهُ النَّجَاةَ مِنْ هَذَا الأَمْرِ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: قَدْ سَأَلْتُهُ رَجُلٌ تَحَمَّلَ حَمَالَةً فَحَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ حَتَّى يُصِيبَهَا، ثُمَّ يُمْسِكَ، وَرَجُلٌ أَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ اجْتَاحَتْ مَالَهُ فَحَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةَ حَتَّى يُصِيبَ سَدَادًا مِنْ عَيْشٍ، وَرَجُلٌ أَصَابَتْهُ فَاقَةٌ حَتَّى يَقُولَ ثَلاثَةٌ مِنْ ذَوُي الْحِجَى: ‌‌«إِنَّهُ قَدْ أَصَابَتْ فُلانًا فَاقَةٌ فَحَلَّتْ لَهُ الصَّدَقَةُ، حَتَّى يُصِيبَ سَدَادًا مِنَ الْعَيْشِ، فَمَا سِوَى ذَلِكَ مِنَ الْمَسْأَلَةِ يَا قَبِيصَةُ سُحْتٌ يَأْكُلُهَا صَاحِبُهَا» .

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ رَوْحِ بْنِ الْقَاسِمِ غَيْرَ الْهَيَّاجِ بْنِ بِسْطَامٍ ، وَعَنْهُ ابْنُهُ خَالِدٌ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আমর আল-আহমাসী কুফায়, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-ওয়াদিয়ী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আল-হিমমানী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুস সালাম বিন হারব, তিনি আব্দুল্লাহ বিন বুসর থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন, তখন তাঁর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোক অত্যন্ত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন, আর আমিও তাদের মধ্যে ছিলাম। তখন উমর বিন আল-খাত্তাব আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং আমাকে সালাম দিলেন, কিন্তু আমি তাঁর উত্তর দিইনি। ফলে তিনি আবু বকরের কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন। তখন আবু বকর আসলেন এবং আমাকে বললেন: তোমার ভাই তোমাকে সালাম দিয়েছে অথচ তুমি তার উত্তর দাওনি? আমি বললাম: আমি তাঁর সালাম দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারিনি, কারণ আমি এক গভীর চিন্তায় নিমগ্ন ছিলাম।

আবু বকর বললেন: কেন? আমি বললাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন অথচ আমরা এই (ভীতিকর) পরিস্থিতি থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। তখন আবু বকর বললেন: আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম; (তিনি বলেছিলেন) এমন এক ব্যক্তি যে কোনো যিম্মাদারি (ঋণ বা রক্তপণ) বহন করেছে, তার জন্য যাঞ্চা করা বৈধ যতক্ষণ না সে তা লাভ করে, অতঃপর সে বিরত থাকবে। আর এমন এক ব্যক্তি যার ধন-সম্পদ কোনো দুর্যোগে আক্রান্ত হয়ে বিনষ্ট হয়েছে, তার জন্য যাঞ্চা করা বৈধ যতক্ষণ না সে জীবন ধারণের ন্যূনতম সংস্থান করতে পারে। আর এমন এক ব্যক্তি যে দারিদ্রক্লিষ্ট হয়েছে এমনকি তার গোত্রের তিনজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি বলে যে: «নিশ্চয়ই অমুক ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, তাই তার জন্য সদকা গ্রহণ করা বৈধ, যতক্ষণ না সে জীবন ধারণের ন্যূনতম সংস্থান করতে পারে। হে কবীসাহ! এ ছাড়া অন্য কোনোভাবে যাঞ্চা করা হলো অবৈধ সম্পদ ভক্ষণ করা, যা ভক্ষণকারী হারাম হিসেবেই ভক্ষণ করে»।

আমি জানি না যে হাইয়াজ বিন বিস্তাম ব্যতিত আর কেউ রাওহ বিন আল-কাসিম থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আর তার থেকে তার পুত্র খালিদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حُطَيْطٍ الأَسَدِيُّ، بِالْكُوفَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الأَشْنَانِيُّ، ثنا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثنا عِيسَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:‌‌ التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ، وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ فِي الصَّلاةِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ بِهَذَا اللَّفْظِ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ غَيْرَ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي لَيْلَى
৮ - আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে হুতাইত আল-আসাদি কুফায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-আশনানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু কুরাইব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ঈসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবি লাইলা থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "সালাতে তাসবিহ পুরুষদের জন্য এবং হাততালি নারীদের জন্য।"

মুহাম্মাদ ইবনে আবি লাইলা ছাড়া অন্য কাউকে আমি জানি না যিনি আবুয যুবাইর থেকে এই শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الطَّرَسُوسِيُّ ثنا طَاهِرُ بْنُ يَحْيَى بْنِ قَبِيصَةَ الْفَلَقِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: ”‌‌ قَطَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَ سَارِقٍ فِي مِجَنٍّ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ، عَنْ مُوسَى، غَيْرَ أَبِي سَعِيدٍ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، وَعَنْهُ حَفْصُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ
৯ - আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে ইব্রাহিম আত-তারসুসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাহির ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে কাবিছা আল-ফালাকী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে হাফস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে তাহমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি মূসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ”‌‌ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের (চুরির) কারণে চোরের হাত কেটেছিলেন। ”.

আমি জানি না যে আবু সাঈদ ইব্রাহিম ইবনে তাহমান ব্যতীত অন্য কেউ এটি মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তাঁর থেকে হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরী এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْقَوَّاسُ، بِبَغْدَادَ، ثنا بُسْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الأَصْفَهَانِيُّ، ثنا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ أَنَسِ بْنِ عُثْمَانَ الأَنْصَارِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَمْدَانَ بْنِ إِسْحَاقَ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ الْحِزَامِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ قَالَ: رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ وَأَنَا مُتَّكِئٌ عَلَى قَبْرٍ، فَقَالَ: لا تُؤْذِ صَاحِبَ هَذَا الْقَبْرِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ عَمْرٍو غَيْرَ سَالِمٍ، وَغَيْرَ بَكْرٍ
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস আল-কাওয়াস, বাগদাদে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুসর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-আসফাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, আসিম ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে। (এবং) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে আনাস ইবনে উসমান আল-আনসারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হামদান ইবনে ইসহাক আল-আসকারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল মাদিনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস, বকর ইবনে সাওয়াদা আল-হিজামি থেকে, সালিম ইবনে নুআইম আল-হাদরামি থেকে, আমর ইবনে হাযম থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখলেন এমতাবস্থায় যে আমি একটি কবরের ওপর হেলান দিয়ে ছিলাম, তখন তিনি বললেন: "এই কবরের বাসিন্দাকে কষ্ট দিও না" ।

আমি সালিম এবং বকর ব্যতীত আর কাউকে এটি আমর থেকে বর্ণনা করতে জানি না।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ الشَّيْبَانِيُّ، بِالْكُوفَةِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ غَنَّامِ بْنِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، ثنا جُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ، ثنا حَمَّادُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: سَمِعْتُ عِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ لا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ الْخَالِقِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْنٍ غَيْرَ حَمَّادِ بْنِ يَحْيَى
১১ - কুফায় আবু আল-কাসিম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-শাইবানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ঘান্নাম ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জুবারা ইবনুল মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আওন থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইমরান ইবনে হুসাইনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতায় সৃষ্টির কোনো আনুগত্য নেই।"

আমি হাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ব্যতীত আর কাউকে আব্দুল্লাহ ইবনে আওন থেকে এটি বর্ণনা করতে জানি না।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دَاوُدَ الْقَزَّازُ، بِبَغْدَادَ، ثنا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ، ثنا سَلْمُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الأَزْدِيُّ، ثنا مُصْعَبُ بْنُ مَاهَانَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ:‌‌ تَوَضَّأْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ قَدْ أَصَابَتْ مِنْهُ الْهِرَّةُ قَبْلَ ذَلِكَ ".

لا أَعْلَمُ
أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ سُفْيَانَ غَيْرَ مُصْعَبٍ، وَعَنْهُ سَلْمٌ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ زَيْدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي بِلالٍ الْمُقْرِئُ الْكُوفِيُّ، بِبَغْدَادَ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّلالُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ثنا أَبُو مَرْيَمَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ.

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَلافُ الْمِصْرِيُّ، بِبَغْدَادَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: " مَنْ سَبَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ جُلِدَ، وَمَنْ سَبَّ عَائِشَةَ يُقْتَلُ؛ لأَنَّ اللَّهَ عز وجل قَالَ: {يَعِظُكُمُ اللَّهُ أَنْ تَعُودُوا لِمِثْلِهِ أَبَدًا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ} [النور: 17] فَمَنْ عَادَ فَقَدْ كَفَرَ " سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ أَشْكِيبٍ، بِنَيْسَابُورَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ الْبَلْخِيَّ، سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ الْحَكِيمَ، يَقُولُ: الشَّهَادَةُ فِتْنَةٌ وَكُلٌّ يَتَمَنَّاهَا، وَالْخُمُولُ نِعْمَةٌ وَقَلَّ مَنْ يَرْضَاهَا.

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ أَبِي نَصْرٍ الْعَطَّارُ الطُّوسِيُّ، سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ الْجَحْدَرِيَّ، سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمَ الْحَكِيمَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الْوَرَّاقَ، يَقُولُ: فِي آخِرِ الزَّمَانِ عَلَيْكُمْ بِالْخُمُولِ؛ فَإِنْ لَمْ يَكُنِ الْخُمُولُ فَالتَّحَامُقُ، وَلَيْسَ كَالْخُمُولِ، فَإِنْ لَمْ يَكُنِ التَّحَامُقِ فَالْخَلْوَةُ، وَلَيْسَ كَالتَّحَامُقِ، وَإِنْ لَمْ تَكُنِ الْخَلْوَةُ فَالسُّكُوتُ، وَلَيْسَ كَالْخَلْوَةِ، وَإِنْ لَمْ يَكُنِ السُّكُوتُ فَعَلَيْكَ بِمَا تَكَلَّمَ بِهِ الْقُدَمَاءُ.

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجُرْجَانِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الدَّامَغَانِيُّ، أَنْشَدَنَا يَحْيَى بْنُ مُعَاذٍ الرَّازِيُّ:

أَشْكُو إِلَيْكَ ذُنُوبًا لَسْتُ أُنْكِرُهَا … وَقَدْ رَجَوْتُكَ يَا ذَا الْمَنِّ تَغْفِرُهَا

مِنْ قَبْلِ تَسْأَلُنِي فِي الْحَشْرِ يَا أَمَلِي … يَوْمَ الْجَزَاءِ عَلَى الأَحْوَالِ تَذْكُرُهَا

أَرْجُوكَ تَغْفِرُهَا فِي الْحَشْرِ يَا أَمَلِي … إِذْ كُنْتَ فِي الأَرْضِ قَبْلَ الْيَوْمِ تَسْتُرُهَا.
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হাবীব বিন আল-হাসান বিন দাউদ আল-কাযযায বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমর বিন হাফস আস-সাদূসী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সালম বিন আল-মুগীরা আল-আযদি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসআব বিন মাহান, সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:‌‌ "আমি এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একই পাত্র থেকে ওযু করেছি যা থেকে ইতিপূর্বে একটি বিড়াল পান করেছিল।"

আমি জানি না
মুসআব ব্যতীত আর কেউ এটি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন কি না, আর তাঁর থেকে সালম বর্ণনা করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম যাইদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন আবী বিলাল আল-মুকরি আল-কূফী বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-কাসিম বিন মুহাম্মাদ আদ-দাল্লাল, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবূ মারইয়াম, জা’ফর বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির বিন (আবদুল্লাহ) থেকে...

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আল্লাফ আল-মিসরী বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম বিন আম্মার, তিনি বলেন: আমি মালিক বিন আনাসকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আবূ বকর ও উমরকে গালি দেবে তাকে চাবুক মারা হবে, আর যে ব্যক্তি আয়েশাকে গালি দেবে তাকে হত্যা করা হবে; কারণ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: {যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহ তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন যেন তোমরা কখনোই পুনরায় এর অনুরূপ কিছু না করো} [সূরা আন-নূর: ১৭], সুতরাং যে পুনরায় এমনটি করবে সে কুফরী করল।" আমি নিশাপুরে আবূ বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আশকীবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-বালখীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসিম আল-হাকীমকে বলতে শুনেছি: "শাহাদাত হলো একটি পরীক্ষা যা সবাই কামনা করে, আর অখ্যাত থাকা হলো একটি নেয়ামত যা খুব কম লোকই পছন্দ করে।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসর বিন আবী নাসর আল-আত্তার আত-তূসী, তিনি বলেন: আমি আবূ জা’ফর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-জাহদারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসিম আল-হাকীমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবূ বকর আল-ওয়াররাককে বলতে শুনেছি: "শেষ যামানায় তোমরা অখ্যাত থাকাকে আবশ্যক করে নাও; যদি অখ্যাত থাকা সম্ভব না হয় তবে মূর্খ সেজে থাকো (সরলতা অবলম্বন করো), যদিও তা অখ্যাত থাকার মতো নয়। যদি মূর্খ সেজে থাকাও সম্ভব না হয় তবে নির্জনতা অবলম্বন করো, যদিও তা মূর্খ সেজে থাকার মতো নয়। যদি নির্জনতাও সম্ভব না হয় তবে নীরবতা অবলম্বন করো, যদিও তা নির্জনতার মতো নয়। আর যদি নীরবতাও সম্ভব না হয় তবে পূর্বসূরিরা যা বলেছেন তা আঁকড়ে ধরো।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুরজানী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান বিন আলী আদ-দামেগানী, তিনি ইয়াহইয়া বিন মুআয আর-রাযীর এই কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

আমি আপনার কাছে সেইসব গুনাহের অভিযোগ করছি যা আমি অস্বীকার করি না … আর হে অনুগ্রহকারী, আমি আপনার কাছে সেগুলো ক্ষমা করার আশা রাখি।

হে আমার প্রত্যাশার স্থল, হাশরের ময়দানে আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করার পূর্বেই … প্রতিদানের দিবসে যখন আপনি অবস্থাগুলো স্মরণ করবেন।

হে আমার প্রত্যাশার স্থল, আমি আশা করি হাশরের ময়দানে আপনি সেগুলো ক্ষমা করে দেবেন … যেহেতু আজকের দিনের আগে আপনি পৃথিবীতে সেগুলো গোপন রেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ هَارُونَ النَّقَّاشُ، ثنا أَبُو بْكَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ عِنْدَ غُرُوبِ الشَّمْسِ، فَقَالَ: يَا أَبَا ذَرٍّ‌‌ أَتَدْرِي أَيْنَ تَغْرُبُ؟ قُلْتُ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ.

قَالَ: فَإِنَّهَا تَذْهَبُ حَتَّى تَسْجُدَ تَحْتَ الْعَرْشِ عِنْدَ رَبِّهَا
، فَتَسْتَأْذِنُ فَيُؤْذَنُ لَهَا، وَيُوشِكُ أَنْ تَسْتَأْذِنَ فَلا يُؤْذَنَ لَهَا، حَتَّى تَسْتَشْفِعَ وَتَطْلُبَ، فَإِذَا طَالَ عَلَيْهَا قَالَ لَهَا: اطْلَعِي مِنْ مَكَانِكِ، فَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ عز وجل: {وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَهَا ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ} [يس: 38] ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، رَوَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، فِي مُسْنَدِهِ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ.

وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ فِي الْجَامِعِ وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ فِي الْجَامِعِ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، وَرَوَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ.

وَرَوَاهُ أَبُو سَلَمَةَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَإِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবুল হাসান আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আইয়ুব ইবনে হারুন আন-নাক্কাশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুন নুমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, তিনি ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা সূর্যাস্তের সময় মসজিদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তখন তিনি বললেন: হে আবু যার! তুমি কি জানো এটি কোথায় অস্ত যায়? আমি বললাম: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক ভালো জানেন।

তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এটি যেতে থাকে যতক্ষণ না এটি তার রবের নিকট আরশের নিচে সেজদা করে
, অতঃপর সে অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যখন সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেওয়া হবে না, এমনকি সে সুপারিশ করবে এবং আবেদন করবে। যখন তার উপর সময় দীর্ঘ হবে, তখন তাকে বলা হবে: তুমি যেখান থেকে এসেছ সেখানেই উদিত হও। আর এটিই মহান আল্লাহর বাণী: "আর সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলতে থাকে, এটি মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।" [ইয়াসীন: ৩৮] "।

এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস। ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালি এটি তাঁর মুসনাদে আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী এটি আল-জামি’-তে বর্ণনা করেছেন, এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী এটি আল-জামি’-তে আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু আব্দুল্লাহ ইউনুস ইবনে উবাইদ এটি ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু সালামা হাম্মাদ ইবনে সালামা ও ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ এটি ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ السِّمْسَارُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ بُسْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ، عَنْ أَبِي مَرْثَدٍ الْغَنَوِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ لا تَجْلِسُوا إِلَى الْقُبُورِ، وَلا تُصَلُّوا إِلَيْهَا ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
، رَوَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَل، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُجْر، عَن الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الرَّبِيع، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আস-সিমসার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নুমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে রাবী‘, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, তিনি আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ ইবনে জাবির হতে, তিনি বুসর ইবনে উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি আবু ইদরীস হতে, তিনি ওয়াসিলা ইবনুল আসকা‘ হতে, তিনি আবু মারসাদ আল-গানাবী হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা কবরের ওপর বসো না এবং কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করো না।"

এটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত একটি সহীহ হাদিস
, যা আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ ইবনে জাবির হতে।

এবং এটি মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হুজর হতে, তিনি আল-ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম হতে।

এবং মুসলিম এটি হাসান ইবনে রাবী‘ হতেও বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনুল মুবারক হতে।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - ‌‌«وَمَا شَيْءٌ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنَ الْحَمْدِ» .

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ أَنَسٍ غَيْرَ سَعْدٍ، تَفَرَّدَ بِهِ اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ
১৫ - “আল্লাহর নিকট প্রশংসার চেয়ে অধিক প্রিয় আর কিছু নেই।”

আমি জানি না যে সা’দ ব্যতীত আর কেউ এটি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন; লাইস এটি ইয়াজিদ থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ فَوْرَكِ بْنِ حَمُّوَيْهِ الْمُؤَدِّبُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ زُفَرَ الْكُوفِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِجَنَازَةِ رَجُلٍ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهِ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ‌‌ مَا رَأَيْنَاكَ تَرَكْتَ الصَّلاةَ عَلَى أَحَدٍ إِلا عَلَى هَذَا.

فَقَالَ: إِنَّهُ كَانَ يُبْغِضُ عُثْمَانَ أَبْغَضَهُ
اللَّهُ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ غَيْرَ جَابِرٍ، وَعَنْهُ أَبُو الزُّبَيْرِ، تَفَرَّدَ بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ
১৬ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ফাওরাক বিন হাম্মুওয়াইহ আল-মুআদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন জুফার আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন জিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তির জানাজা আনা হলো, কিন্তু তিনি তার জানাজা পড়লেন না। তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনাকে এই ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো জানাজা ত্যাগ করতে দেখিনি।

তিনি বললেন: সে উসমানকে ঘৃণা করত, আল্লাহ তাকে ঘৃণা
করেছেন।"

আমি জাবির ব্যতীত অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না, আর তাঁর থেকে আবু যুবায়ের। মুহাম্মদ বিন জিয়াদ এটি মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَفْصٍ الْمَغَازِلِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: ”‌‌ لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَحْجُبُهُ شَيْءٌ مِنَ الْقُرْآنِ إِلا الْجَنَابَة ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ عَلِيٍّ غَيْرَ عَبْدِ اللَّهِ ، وَعَنْهُ عَمْرٌو
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাফস আল-মাগাজিলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুন নুমান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনে দুকাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শুবা, আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ”‌রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত কুরআনের কোনো কিছুই (পাঠ করা থেকে) বিরত রাখত না।”।

আমি জানি না যে আবদুল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এটি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তার থেকে এটি আমর বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ نَاجِيَةَ السَّدُوسِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ خَوْلَةَ بِنْتِ حَكِيمٍ، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ:‌‌ لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا نَزَلَ مَنْزِلا قَالَ: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ فِي ذَلِكَ الْمَنْزِلِ حَتَّى يَرْتَحِلَ مِنْهُ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ خَوْلَةَ غَيْرُ سَعْدٍ، وَعَنْهُ سَعِيدٌ
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন বুন্দার বিন নাজিয়াহ আল-সাদুসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আন-নুমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উহাইব বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান, ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আশাজ্জ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি সাদ বিন মালিক থেকে, তিনি খাওলাহ বিনতে হাকিম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমাদের কেউ যখন কোনো স্থানে অবতরণ করে এবং বলে: 'আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি', তবে সেই স্থানে অবস্থানকালে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না যতক্ষণ না সে সেখান থেকে প্রস্থান করে।"

আমি জানি না যে সাদ ব্যতীত আর কেউ খাওলাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে সাঈদ এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يُوسُفَ الضَّرِيرُ، إِمَامُ مَسْجِدِ هَارُونَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ بَيْنَ الرُّكْنِ الْيَمَانِيِّ، يَقُولُ: " {رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ} [البقرة: 201] "
১৯ - হারুন মসজিদের ইমাম আবু জাফর আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইউসুফ আদ-দরীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুন নুমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আস-সাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রুকনে ইয়ামানির নিকট বলতে দেখেছি: "হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন এবং আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।" [আল-বাকারাহ: ২০১]
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْقَاسِمُ بْنُ سَعْدٍ الأَصْفَهْبَدُ الْعَدْلُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ غَيْرَ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَنْهُ سَعِيدٌ، تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-কাসিম বিন সাদ আল-আসফাহবাদ আল-আদল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নুমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক এবং আল-ফাদল বিন মুসা, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আবি হিন্দ, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দুটি নিয়ামত এমন রয়েছে যাতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়; তা হলো সুস্থতা ও অবসর।"

আমি ইবনে আব্বাস ব্যতীত অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না; এবং তাঁর থেকে সাঈদ (বর্ণনা করেছেন), আবদুল্লাহ এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْبَزَّازُ الْمُؤَذِّنُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ الْكِنْدِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَسْبِقَ الدَّائِبَ الْمُجْتَهِدَ فَلْيَكُفَّ عَنِ الذُّنُوبِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ غَيْرَ الصِّدِّيقَةِ عَائِشَةَ، وَعَنْهَا عَطَاءٌ، تَفَرَّدَ بِهِ يُوسُفُ
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আমর আল-বাজজায আল-মুআজ্জিন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নুমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফারওয়া বিন আবিল মাগরা আল-কিন্দি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুশহির, ইউসুফ বিন মাইমুন থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:‌‌ "যে ব্যক্তি নিরন্তর পরিশ্রমী ইবাদতকারীর চেয়েও অগ্রগামী হতে পছন্দ করে, সে যেন গুনাহসমূহ থেকে বিরত থাকে।" .

আমি সিদ্দিকা আয়েশা ব্যতীত অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না, এবং তাঁর থেকে আতা এটি বর্ণনা করেছেন, আর ইউসুফ এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْجُمَحِيُّ، ثنا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ سَأَلْتُ رَبِّي مَسْأَلَةً وَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ سَأَلْتُهُ، قُلْتُ: أَيْ رَبِّ قَدْ كَانَ قَبْلِي أَنْبِيَاءُ مِنْهُمْ مَنْ سَخَّرْتَ لَهُ الرِّيحَ ثُمَّ ذَكَرَ سُلَيْمَانَ بْنَ دَاوُدَ عليه السلام وَمِنْهُمْ مَنْ كَانَ يُحْيِي الْمَوْتَى وَذَكَرَ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ وَمِنْهُمْ وَمِنْهُمْ.

فَقَالَ: أَلَمْ أَجِدْكَ يَتِيمًا فَأَوَيْتُكَ؟ قُلْتُ: بَلَى.

أَيْ رَبِّ.

قَالَ: أَلَمْ أَجِدْكَ ضَالا فَهَدَيْتُكَ؟ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ سَعِيدٍ غَيْرَ عَطَاءٍ
২২ - আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে ফারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নুমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আল-জুমাহি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আতা ইবনে সাইব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি আমার রবের কাছে এমন একটি বিষয় প্রার্থনা করেছিলাম যা আমি না চাইলেই বেশি পছন্দ করতাম। আমি বলেছিলাম: হে আমার রব! আমার পূর্বে এমন নবীগণ গত হয়েছেন যাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যার জন্য আপনি বাতাসকে অনুগত করে দিয়েছিলেন," অতঃপর তিনি সুলাইমান ইবনে দাউদ আলাইহিস সালামের কথা উল্লেখ করলেন, "আর তাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যিনি মৃতকে জীবিত করতেন," এবং তিনি ঈসা ইবনে মারইয়ামের কথা উল্লেখ করলেন এবং আরও অনেকের কথা উল্লেখ করলেন।

অতঃপর তিনি (আল্লাহ) বললেন: "আমি কি তোমাকে এতিম অবস্থায় পাইনি, অতঃপর তোমাকে আশ্রয় দান করিনি?" আমি বললাম: "অবশ্যই।"

"হে আমার রব।"

তিনি বললেন: "আমি কি তোমাকে পথভোলা অবস্থায় পাইনি, অতঃপর তোমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করিনি?"।

সাঈদ থেকে আতা ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ حَمْزَةَ الْهَيْسَانِيُّ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سَابِقٍ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، ثنا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: خَطَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، فَقَالَ:‌‌ هَذَا صِرَاطُ اللَّهِ الْمُسْتَقِيمُ ثُمَّ خَطَّ سُبُلا، ثُمَّ قَالَ: وَلَيْسَ مِنْ هَذِهِ السُّبُلِ سَبِيلٌ إِلا عَلَيْهِ الشَّيْطَانُ يَدْعُو إِلَيْهِ ثُمَّ قَرَأَ: {وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ} [الأنعام: 153] .

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ غَيْرَ عَبْدِ اللَّهِ، وَعَنْهُ شَقِيقٌ ، تَفَرَّدَ بِهِ أَبُو جَعْفَرٍ، عَنْ عَاصِمٍ
২৩ - আবু উমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসান বিন হামযাহ আল-হায়সানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নুমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন সাবিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু জাফর আর-রাযি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আসিম বিন আবুন নাযুদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শাকিক বিন সালামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাত দিয়ে তিনবার রেখা টানলেন এবং বললেন: এটি আল্লাহর সরল পথ, অতঃপর তিনি আরও কিছু পথ অঙ্কন করলেন এবং বললেন: এই পথগুলোর মধ্যে এমন কোনো পথ নেই যার ওপর শয়তান নেই যে সেদিকে আহ্বান করে না, এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: "আর এটিই আমার সরল পথ, সুতরাং তোমরা এর অনুসরণ করো এবং অন্যান্য পথের অনুসরণ করো না, নতুবা তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে।" [আল-আনআম: ১৫৩]।

আমি আবদুল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না এবং তাঁর থেকে শাকিক বর্ণনা করেছেন; আবু জাফর এটি আসিম থেকে বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رُسْتُمَ الرَّازَانِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُمَّ سُلَيْمٍ فِي بَيْتِهَا وَصَلَّى تَطَوُّعًا، ثُمَّ قَالَ: يَا أُمَّ سُلَيْمٍ،‌‌ إِذَا صَلَّيْتِ الْمَكْتُوبَةَ، فَقُولِي: سُبْحَانَ اللَّهِ عَشْرًا، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَشْرًا، وَاللَّهُ أَكْبَرُ عَشْرًا، ثُمَّ سَلِي مَا شِئْتِ، يُقَالُ لَكِ: نَعَمْ نَعَمْ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ أَنَسٍ غَيْرَ حُسَيْنٍ، تَفَرَّدَ بِهِ الْقَاسِمُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন রুস্তম আর-রাজানি, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নু'মান, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ফারওয়া বিন আবিল মাগরা, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন মালিক, আবদুর রহমান বিন ইসহাক থেকে, তিনি হুসাইন বিন আবি সুফিয়ান থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মে সুলাইমকে তার ঘরে দেখলেন এবং নফল সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: হে উম্মে সুলাইম, যখন তুমি ফরজ সালাত আদায় করবে, তখন বলবে: দশবার সুবহানাল্লাহ, দশবার আলহামদুলিল্লাহ এবং দশবার আল্লাহু আকবার, অতঃপর তুমি যা ইচ্ছা করো প্রার্থনা করো, তোমাকে বলা হবে: হ্যাঁ, হ্যাঁ।

আমি হুসাইন ব্যতীত অন্য কাউকে এটি আনাস থেকে বর্ণনা করতে জানি না, আল-কাসিম এটি আবদুর রহমান থেকে বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْجَارُودِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سَابِقٍ، ثنا عَمْرُو بْنُ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، عَنْ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ”‌‌ إِنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ اسْتَخْلَفُوا خَلِيفَةً عَلَيْهِمْ بَعْدَ مُوسَى عليه السلام، فَقَامَ يُصَلِّي فِي الْقَمَرَاءِ فَوْقَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ، فَذَكَرَ أُمُورًا كَانَ صَنَعَهَا، فَخَرَجَ فَتَدَلَّى بِسَبَبٍ، وَأَصْبَحَ السَّبَبُ مُعَلَّقًا فِي الْمَسْجِدِ، وَقَدْ ذَهَبَ قَالَ: فَانْطَلَقَ حَتَّى أَتَى قَوْمًا عَلَى شَطِّ الْبَحْرِ فَوَجَدَهُمْ يَصْنَعُونَ لَبَنًا، فَسَأَلَهُمْ: كَيْفَ تَأْخُذُونَ عَلَى هَذَا اللَّبَنِ؟ فَأَخْبَرُوهُ، فَلَبَّنَ مَعَهُمْ، فَكَانَ يَأْكُلُ مِنْ عَمَلِ يَدِهِ، فَإِذَا كَانَ حِينُ الصَّلاةِ تَطَهَّرَ فَصَلَّى، فَرَفَعَ ذَلِكَ الْعُمَّالُ إِلَى دِهْقَانِهِمْ، أَنَّ فِينَا رَجُلا يَفْعَلُ كَذَا وَكَذَا، فَأَرْسَلْ إِلَيْهِ، فَأَبَى أَنْ يَأْتِيَهُ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ إِنَّهُ جَاءَ بِنَفْسِهِ يَسِيرُ عَلَى دَابَّتِهِ، فَلَمَّا رَآهُ قُدُمًا تَبِعَهُ، فَسَبَقَهُ، فَقَالَ: انْظُرْ لِي أُكَلِّمْكَ.

قَالَ: فَقَامَ فَكَلَّمَهُ، فَأَخْبَرَهُ خَبَرَهُ فَلَمَّا أَخْبَرَهُ أَنَّهُ كَانَ مَلِكًا، وَأَنَّهُ فَرَّ مِنْ رَهْبَةِ رَبِّهِ.

قَالَ: إِنِّي لاحِقٌ بِكَ، فَاتَّبَعَهُ، فَعَبَدَ اللَّهَ حَتَّى مَاتَ بِرُمَيْلَةِ مِصْرَ.

قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: لَوْ أَنِّي كُنْتُ ثَمَّ لاهْتَدَيْتُ إِلَى قَبْرِهِمَا مِنْ صِفَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ غَيْرَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَنْهُ ابْنُهُ
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর উবায়দুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন আলী ইবনুল জারুদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবনুন নুমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সাঈদ ইবন সাবিক, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবন আবী কায়স, তিনি সিমাক ইবন হারব থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ”‌‌নিশ্চয়ই বনী ইসরাঈল মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর পরে তাদের উপর একজন খলীফা নিযুক্ত করেছিল। সে জ্যোৎস্নালোকে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিল বায়তুল মাকদিসের উপরে, অতঃপর সে তার কৃত কিছু বিষয়ের কথা স্মরণ করল। এরপর সে বেরিয়ে পড়ল এবং একটি রশির সাহায্যে ঝুলে নিচে নামল। রশিটি মসজিদে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়ে গেল আর সে চলে গেল। তিনি বলেন: সে চলতে থাকল যতক্ষণ না সমুদ্রতীরের এক সম্প্রদায়ের নিকট পৌঁছাল। সে দেখল তারা ইট তৈরি করছে। সে তাদের জিজ্ঞাসা করল: তোমরা এই ইটের বিনিময়ে কী পারিশ্রমিক নাও? তারা তাকে জানাল। অতঃপর সে তাদের সাথে ইট তৈরি করতে লাগল। সে তার নিজের হাতের কাজ থেকে আহার করত। যখন সালাতের সময় হতো, সে পবিত্রতা অর্জন করত ও সালাত আদায় করত। শ্রমিকরা তাদের নেতার নিকট বিষয়টি উত্থাপন করল যে, আমাদের মাঝে এমন একজন লোক আছে যে এমন এমন কাজ করে। তখন সে (নেতা) তার নিকট লোক পাঠাল, কিন্তু সে তিনবারই আসতে অস্বীকৃতি জানাল। অতঃপর সে নিজেই তার বাহনে চড়ে আসল। যখন সে তাকে সামনে দেখল, সে তার অনুসরণ করল এবং তাকে ছাড়িয়ে সামনে গেল। সে বলল: আমার জন্য একটু অপেক্ষা করুন, আমি আপনার সাথে কথা বলব।

তিনি বলেন: অতঃপর সে দাঁড়াল এবং তার সাথে কথা বলল। সে তাকে তার বৃত্তান্ত জানাল। যখন সে তাকে জানাল যে সে একজন রাজা ছিল এবং সে তার রবের ভয়ে পলায়ন করে এসেছে।

সে বলল: আমি আপনার সাথে যোগ দিচ্ছি। অতঃপর সে তার অনুসরণ করল এবং তারা আল্লাহর ইবাদত করতে থাকল যতক্ষণ না সে মিসরের রুমায়লায় মৃত্যুবরণ করল।

আবদুল্লাহ বললেন: আমি যদি সেখানে থাকতাম, তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বর্ণনা অনুযায়ী আমি অবশ্যই তাদের দুইজনের কবরের পথ চিনে নিতাম।

আবদুর রহমান ব্যতীত অন্য কেউ এটি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর তাঁর থেকে তাঁর পুত্র এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ سَهْلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْعَبَّاسِ الأَبْهَرِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَنْبَرِيُّ، ثنا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا دَاوُدُ بْنُ خَالِدٍ الْمَكِّيُّ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ جُعِلَ قَاضِيًا فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنِ الْمَقْبُرِيِّ غَيْرَ دَاوُدَ، وَعَنْهُ مُعَلَّى
২৬ - আবুল হাসান সাহল বিন আহমাদ বিন আল-আব্বাস আল-আবহরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আন-নুমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-আনবারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুআল্লা বিন মানসুর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, দাউদ বিন খালিদ আল-মাক্কী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মাকবুরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যাকে বিচারক নিযুক্ত করা হয়েছে, তাকে যেন ছুরি ছাড়াই যবেহ করা হয়েছে।"

দাউদ ব্যতীত অন্য কেউ মাকবুরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর দাউদ থেকে এটি মুআল্লা বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الْمَصَاحِفِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ، وَجَنَّةُ الْكَافِرِ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ غَيْرَ ابْنِهِ الْعَلاءِ
২৭ - আবু মুসলিম মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-মাসাহিফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আন-নুমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ আল-কা'নবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আযীয ইবনু মুহাম্মদ আমাদের নিকট আল-আলা ইবনু আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার এবং কাফিরের জন্য জান্নাত।"

আমি আল-আলা ব্যতীত অন্য কাউকে তাঁর পিতা আবদুর রহমান থেকে এটি বর্ণনা করতে জানি না।
(খণ্ড: ১) সালাসাহ মাজালিস মিন আমালি আবি সাঈদ আন-নাককাশ (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ مِمْشَاذُ الْقَارِئُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ عُبَيْدٍ أَبُو قُدَامَةَ الإِيَادِيُّ، ثنا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ أَرْبَعَةٌ، ثِنْتَانِ مِنْ ذَهَبٍ، وَثِنْتَانِ مِنْ فِضَّةٍ ، وَحِلْيَتُهُمَا وَآنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا، وَلَيْسَ بَيْنَ الْقَوْمِ وَبَيْنَ أَنْ يَنْظُرُوا إِلَى رَبِّهِمْ عز وجل إِلا رِدَاءُ الْكِبْرِيَاءِ عَلَى وَجْهِهِ فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ ".

لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ أَبِي مُوسَى غَيْرِ ابْنِهِ أَبُو بَكْرٍ، وَعَنْهُ أَبُو عِمْرَانَ
২৮ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ মিমশায আল-ক্বারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুন নুমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুসলিম ইবনে ইবরাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-হারিস ইবনে উবাইদ আবু কুদামাহ আল-ইয়াদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু ইমরান আল-জাওনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বকর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কায়স থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জান্নাতুল ফিরদাউস হলো চারটি; দুটি স্বর্ণের এবং দুটি রূপার—তাদের অলঙ্কার, তাদের পাত্রসমূহ এবং তাদের মধ্যে যা কিছু আছে সহ। আর আদন জান্নাতে লোকদের এবং তাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের দিকে তাকানোর মাঝে তাঁর চেহারার ওপর মহিমার চাদর ব্যতিরেকে আর কোনো অন্তরায় থাকবে না।

আমি আবু মূসা থেকে তাঁর পুত্র আবু বকর ছাড়া অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না, আর তাঁর থেকে আবু ইমরান এটি বর্ণনা করেছেন।