(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: -)
جزء من حديث النعالي   (أبو الحسن النعالي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء من حديث النعالي

المؤلف: محمد بن طلحة بن محمد بن عثمان أبو الحسن النعالي الرافضي (ت 413هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 86

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জুযুন মিন হাদিসিন নুআলি   (আবুল হাসান আন-নুআলি)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: জুযুন মিন হাদিসিন নুআলি

লেখক: মুহাম্মাদ ইবনে তালহা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উসমান আবুল হাসান আন-নুআলি আর-রাফিদি (মৃ. ৪১৩ হিজরি)

প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত 'জাওয়ামিউল কালিম' নামক মুক্ত সফটওয়্যারে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৬

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي الْحَسَنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النِّعَالِيِّ، عَنْ شُيُوخِهِ رِوَايَةُ ابْنِ ابْنِهِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ الْمُقَرِّبِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْفَقِيهِ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ الْحَافِظِ أَبِي الْفُتُوحِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْفَرَحِ بْنِ عَلِيٍّ الْحُصَرِيِّ، عَنْهُ، بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَالتُّكْلانُ عَلَى اللَّهِ
একটি খণ্ড, যাতে রয়েছে আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবন তালহা আন-নিআলী কর্তৃক তাঁর শায়খদের থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহ; তাঁর থেকে তাঁর পৌত্র আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন তালহা এটি বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে আবু বকর আহমদ ইবনুল মুকাররিব ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-ফকিহ’র বর্ণনা।

তাঁর থেকে হাফেজ আবুল ফুতুহ নাসর ইবন আবিল ফারাহ ইবন আলী আল-হুসারী’র বর্ণনা। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর ওপরই ভরসা।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النِّعَالِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، بِقِرَاءَةِ أَبِي الْقَاسِمِ الرُّوَيْدَشْتِيِّ، فِي يَوْمِ الأَرْبَعَاءِ، تَاسِعِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ تِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ لَهُ: أَخْبَرَكَ جَدُّكَ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، فِي جَامِعِ الْمَدِينَةِ، فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى عَشْرَةَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَائِنِيُّ، أنبا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ» .

حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدٌ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ الْبَزَّازُ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِي كِتَابِهِ: مَرْفُوعًا
১ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন তালহা আন-নিআলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, যা আবু আল-কাসিম আর-রুওয়াইদাশতি পাঠ করছিলেন—বুধবার, চারশ নব্বই হিজরির নয় রবিউল আউয়াল তারিখে। তিনি তাকে বলেছেন: আপনার দাদা আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন তালহা বিন মুহাম্মদ বিন উসমান আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন—শহর জামে মসজিদে, চারশ এগারো হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন রাওহ আল-মাদায়িনী। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ বিন হারুন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারি যে, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি আলকামা বিন ওয়াক্কাসকে বলতে শুনেছেন: আমি উমর বিন আল-খাত্তাবকে বলতে শুনেছি: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»।

মুহাম্মদ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন রুমহ আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন হারুন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ তাঁর সনদে অনুরূপ হাদিস। তবে তিনি তাঁর কিতাবে এটি 'মারফু' (রাসুলের বাণী) হিসেবে উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِسْمَعِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا‌‌ الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لامْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ مُعَاذٍ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ.

ح وَثنا مُحَمَّدٌ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَصْرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ» .

الْحَدِيثَ
২ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-মিসমায়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমর ইবন মারযূক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবন ওয়াক্কাস থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই সমস্ত কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে; আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।»।

আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মু'আয ইবনুল মুসান্না ইবন মু'আয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আল-ক্ব'নাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুলায়মান ইবন বিলাল বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে।

হ (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আল-বাসরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন কাসীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে সুফিয়ান আস-সাওরী সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আল-লায়সী থেকে, তিনি আলক্বামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সমস্ত কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।»।

হাদীসের শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ سَهْلِ بْنِ كَثِيرٍ الْوَشَّاءُ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ أَتَى الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ»
৩ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইমরান মুসা বিন সাহল বিন কাসীর আল-ওয়াশশা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইউসুফ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাফে' হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি জুমুআয় আসবে, সে যেন গোসল করে»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَائِنِيُّ، ثنا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«نَهَى عَنِ الْقَزَعِ»
৪ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে রওহ আল-মাদায়িনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «মাথার কিছু অংশের চুল মুণ্ডন করতে এবং কিছু অংশ রেখে দিতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثناه مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا مُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ عَنِ الْقَزَعِ» .

وَزَعَمَ الْقَزَعُ يُجَزِّئُ الرَّأْسَ، أَوْ يَحْلِقُ وَيَتْرُكُ فِي وَسَطِهِ أَوْ فِي بَعْضِهِ شَعَرًا
৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামা আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুবারাক ইবনে ফাদালা বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) 'কাযা' (মাথার চুল আংশিক মুণ্ডন করা) থেকে নিষেধ করেছেন।»

আর তিনি বর্ণনা করেছেন যে, 'কাযা' হলো মাথার চুলকে বিভিন্ন অংশে বিভক্ত করা, অথবা কিছু অংশ মুণ্ডন করা এবং মাথার মাঝখানে বা কোনো কোনো অংশে চুল রেখে দেওয়া।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ عُقَيْلٍ، ثنا زَمْعَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«لا تَنْتَفِعُوا مِنَ الْمَيْتَةِ بِشَيْءٍ» .

أَوْ «لا يُنْتَفَعُ مِنَ الْمَيْتَةِ بِشَيْءٍ»
৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইদ ইবনে উকাইল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জামআহ ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যুবাইর হতে এবং তিনি জাবির (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «তোমরা মৃত প্রাণী থেকে কোনো কিছুই দ্বারা উপকৃত হবে না»

অথবা: «মৃত প্রাণী থেকে কোনো কিছুই দ্বারা উপকৃত হওয়া যাবে না»।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرِ بْنِ سَنْقَةَ الْوَاسِطِيُّ، إِمْلاءً، ثنا الْقَاضِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْمُؤَذِّنُ، ثنا عَوْفُ بْنُ أَبِي جَمِيلَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا، مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
৭ - আমাদের নিকট আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশর ইবনে সানকাহ আল-ওয়াসিতি শ্রুতিলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বিচারক ইসমাইল ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উসমান ইবনে হাইসাম আল-মুয়াজ্জিন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আউফ ইবনে আবি জামিলাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি সেগুলো গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ بْنِ مُوسَى، ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ أَبُو مُحَمَّدٍ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ‌‌«كُنَّا نَصُومُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي السَّفَرِ، فَيَصُومُ بَعْضُنَا، وَيُفْطِرُ بَعْضُنَا، لا يَأْمُرُ مُفْطِرَنَا أَنْ يَصُومَ، وَلا الصَّائِمَ أَنْ يُفْطِرَ»
৮ - উসমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনে উবাদাহ আবু মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট হুমাইদ আত-তাবীল থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে সফরে সিয়াম পালন করতাম; তখন আমাদের কেউ সিয়াম পালন করত এবং কেউ সিয়াম ভঙ্গ করত। তিনি আমাদের সিয়াম ভঙ্গকারীকে সিয়াম পালন করার নির্দেশ দিতেন না এবং সিয়াম পালনকারীকেও সিয়াম ভঙ্গ করার নির্দেশ দিতেন না।’»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنُ سَنْقَةَ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَرْبِيُّ، ثنا دَاوُدُ بْنُ مِهْرَانَ، وَمُسَدَّدٌ، قَالا: ثنا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ فَهَبَّتْ رِيحٌ مُنْتِنَةٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ نَاسًا مِنَ الْمُنَافِقِينَ اغْتَابُوا نَاسًا مِنَ الْمُؤْمِنِينَ، فَلِذَلِكَ هَبَّتِ الرِّيحُ»
৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান, যিনি ইবনে মুহাম্মদ বিন সানক্বাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন ইসহাক আল-হারবী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন মিহরান ও মুসাদ্দাদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুযাইল বিন ইয়াদ, আ'মাশ থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় এক দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস বয়ে গেল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই মুনাফিকদের কিছু লোক একদল মুমিনদের গীবত করেছে, আর এ কারণেই এই বাতাস প্রবাহিত হয়েছে।’
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ السَّمَّانُ، ثنا ابْنُ عَوْنٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ جُنْدُبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ صَلَّى صَلاةَ الصُّبْحِ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ، فَلا تُخْفِرُوا اللَّهَ فِي ذِمَّتِهِ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আজহার ইবনে সাদ আস-সাম্মান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আউন, হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি জুনদুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, সে আল্লাহর জিম্মায় থাকবে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর জিম্মাদারির ব্যাপারে তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করো না»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا عَلِيُّ بْنُ قَادِمٍ الْخُزَاعِيُّ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«تَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً، وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ»
১১ - উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে কাদিম আল-খুজাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, সুলাইমান ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «একবার একবার করে ওযু করেছেন এবং তাঁর মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করেছেন»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَاهُ حَبِيبٌ الْقَزَّازُ، ثنا ابْنُ مُسْلِمٍ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌«تَوَضَّأَ، وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، وَصَلَّى خَمْسَ صَلَوَاتٍ»
১২ - হাবীব আল-ক্বাযযায আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, ইবন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবন মারসাদ থেকে, তিনি সুলায়মান ইবন বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «ওযু করলেন, তাঁর চামড়ার মোজা দুটির ওপর মাসেহ করলেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলেন»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَنْقَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ قُتَيْبَةَ الرِّفَاعِيُّ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بَرُّوا آبَاءَكُمْ يَبَرَّكُمْ أَبْنَاؤُكُمْ، وَعِفُّوا تَعِفَّ نِسَاؤُكُمْ، وَمَنْ تَنَصَّلَ إِلَيْهِ فَلَمْ يَقْبَلْ فَلَنْ يَرِدَ عَلِيَّ الْحَوْضَ»
১৩ - উসমান ইবনে সানকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে কুতায়বাহ আল-রিফায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা তোমাদের পিতাদের প্রতি সদাচার করো, তবে তোমাদের সন্তানরাও তোমাদের প্রতি সদাচার করবে; এবং তোমরা পবিত্র (চরিত্রবান) থাকো, তবে তোমাদের নারীরাও পবিত্র থাকবে। আর যার নিকট কেউ (নিজের ভুল স্বীকার করে) ক্ষমা প্রার্থনা করল কিন্তু সে তা গ্রহণ করল না, সে আমার নিকট হাউজে আসতে পারবে না।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ رَآنِي فَقَدْ رَآنِي؛ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لا يَتَمَثَّلُ بِي عَلَى صُورَتِي»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আন-নাবিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, তিনি আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমাকে দেখেছে সে প্রকৃতপক্ষে আমাকেই দেখেছে; কেননা শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثنا يُونُسُ بْنُ أَبِي يَعْفُورٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَرْفَجَةَ بْنِ ضَرِيحٍ الأَسَدِيِّ، قَالَ: إِنِّي أُحَدِّثُكُمْ مَا سَمِعْتُ مِنْ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم ، لأَعْرِفَنَّ فُلانًا وَلأَعْرِفَنَّ فُلانًا وَلأَعْرِفَنَّ فُلانًا، وَهُوَ يَقُولُ: ‌‌«مَنْ أَتَاكُمْ وَأَمْرُكُمْ جَمِيعًا عَلَى رَجُلٍ وَاحِدٍ يُرِيدُ أَنْ يَشُقَّ عَصَاكُمْ، وَيُفَرِّقَ جَمَاعَتَكُمْ فَاقْتُلُوهُ»
১৫ - উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জা’ফর ইবনে হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে আবি ইয়াফুর তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আরফাজা ইবনে দরিহ আল-আসাদি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তোমাদের নিকট তা-ই বর্ণনা করছি যা আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি; আমি অবশ্যই অমুককে চিনতে পারব, আমি অবশ্যই অমুককে চিনতে পারব এবং আমি অবশ্যই অমুককে চিনতে পারব; তিনি বলছিলেন: «তোমাদের নেতৃত্ব যখন একজনের অধীনে ঐক্যবদ্ধ থাকে, এমতাবস্থায় যে কেউ তোমাদের নিকট এসে তোমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে এবং তোমাদের জামাআতকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, তাকে তোমরা হত্যা করো।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَعْفَرٍ الْقِدِّيسِيُّ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ بْنِ مُوسَى الْقُرَشِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন ইবরাহিম বিন জাফর আল-কিদ্দিসি আয-জাফরানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউনুস বিন মুসা আল-কুরাশি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস বিন উবাইদ, তিনি বলেন আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি জান্নাতের বাগানসমূহ হতে একটি বাগান»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ إِذَا دَخَلَ الْخَلاءَ غَطَّى رَأْسَهُ، وَإِذَا أَتَى أَهْلَهُ غَطَّى رَأْسَهُ»
১৭ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মাখযুমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন তাঁর মাথা ঢেকে রাখতেন, এবং যখন তিনি তাঁর স্ত্রীর নিকট আসতেন তখন তাঁর মাথা ঢেকে রাখতেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الأَزْدِيُّ، ثنا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: ‌‌«إِنِّي لأَهُمُّ بِأَهْلِ الأَرْضِ عَذَابًا، فَإِذَا نَظَرْتُ إِلَى عُمَّارِ بُيُوتِي وَالْمُتَحَابِّينَ فِيَّ بِالأَسْحَارِ أَسْقَطْتُ عَذَابِي عَنْهُمْ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহীম আল-আযদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ আল-মুররি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জা'ফর ইবনে যায়েদ, তিনি আনাস (রা.) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা বলেন: «নিশ্চয়ই আমি জমিনবাসীদের আজাব প্রদানের ইচ্ছা করি; অতঃপর যখন আমি আমার ঘরসমূহ আবাদকারীদের এবং শেষ রাতে আমার জন্য পরস্পরকে মহব্বতকারীদের দিকে দৃষ্টিপাত করি, তখন আমি আমার আজাব প্রত্যাহার করে নেই তাদের থেকে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا يَزِيدُ بْنُ بَيَانٍ الْمُعَلِّمُ، ثنا أَبُو الرِّجَالِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا أَكْرَمَ شَابٌّ شَيْخًا لِسِنِّهِ إِلا قَيَّضَ اللَّهُ لَهُ مَنْ يُكْرِمُهُ» .

حَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ، ثنا أَبُو قِلابَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، قَالا: ثنا يَزِيدُ بْنُ بَيَانٍ، مِثْلَهُ
১৯ - আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শিক্ষক ইয়াজিদ ইবনে বায়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবুুর রিজাল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোন যুবক যদি কোনো বৃদ্ধকে তার বয়সের কারণে সম্মান করে, তবে আল্লাহ তার জন্য এমন কাউকে নির্ধারিত করে দেন যে তাকে সম্মান করবে।».

আবু বকর আশ-শাফেঈ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, আবু কিলাবাহ এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইয়াজিদ ইবনে বায়ান আমাদের নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دَاوُدَ الْغَزَّالُ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ الْكُمَيْتِ بْنِ الْبُهْلُولِ الْمَوْصِلِيُّ، ثنا أَبُو سَلَمَةَ أَحْمَدُ بْنُ نَافِعٍ، ثنا الرَّبِيعُ بْنُ بَدْرٍ، عَنِ الْجَرِيرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا أَدْرَكَتْكَ الصَّلاةُ وَأَنْتَ فِي مَرْبِضِ الْغَنَمِ فَصَلِّ، وَإِذَا أَدْرَكَتْكَ وَأَنْتَ فِي أَعْطَانِ الإِبِلِ فَاخْرُجْ مِنْهَا»
২০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম হাবীব ইবনুল হাসান ইবনে দাউদ আল-গাজ্জাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনুল কুমাইত ইবনুল বুহলুল আল-মাওসিলী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ আহমাদ ইবনে নাফে‘, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আর-রাবী‘ ইবনে বাদ্র, আল-জারীরী থেকে, তিনি আবু নাদরাহ্ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি তোমার নামাযের সময় হয় আর তুমি ভেড়ার খোঁয়াড়ে থাকো তবে নামায আদায় করো, আর যদি তোমার নামাযের সময় হয় এবং তুমি উটের আস্তাবলে থাকো তবে বের হয়ে সেখান থেকে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا حَبِيبٌ، ثنا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ، ثنا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا فَاتَتْهُ الأَرْبَعُ مِنْ قَبْلِ الظُّهْرِ صَلاهُنَّ بَعْدَ الظُّهْرِ بَعْدَ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ»
২১ - আমাদের নিকট হাবীব বর্ণনা করেছেন, উমর ইবন হাফস আস-সাদুসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম ইবন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কায়স ইবনুর রাবী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ থেকে, তিনি খালিদ আল-হাদ্ধা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন শাকীক থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যোহরের পূর্বের চার রাকাত হারাতেন (ছুটে যেত), তখন তিনি তা যোহরের পরবর্তী দুই রাকাতের পর আদায় করতেন।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِسِيُّ، ثنا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَافِظُ، بِالْبَصْرَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفِ بْنِ دَاوُدَ الإِمَامُ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَنَفِيُّ، ثنا أَبُو زَيْدٍ سَعِيدُ بْنُ أَوْسٍ الأَنْصَارِيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ حَبَّةَ الْعُرَنِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ بِأَكْلِ الثُّومِ، وَقَالَ: «لَوْلا أَنَّ الْمَلَكَ يَنْزِلُ عَلَيَّ لأَكَلْتُهُ»
২২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আহমাদ আল-ফারিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলি আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-হাফিজ, বসরায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আউফ ইবনে দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলি ইবনে ইসমাইল আল-হানাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ সাঈদ ইবনে আউস আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি কায়েস ইবনুর রাবি’ থেকে, তিনি মুসলিম থেকে, তিনি হাব্বাহ আল-উরানি থেকে, আর তিনি আলি ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের রসুন খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন: «যদি আমার কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ না হতেন, তবে আমি অবশ্যই তা খেতাম»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ خَفِيفٍ الدَّرَّاجُ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْفَضْلُ بْنُ الْمُهَاجِرِ بْنِ جُعْشُمٍ، بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ حَسَّانٍ الْمِصْرِيُّ، ثنا أَيُّوبُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ زِيَادَ بْنَ سَيَّارٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي قُرْصَافَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«نَضَّرَ اللَّهُ عَبْدًا سَمِعَ مَقَالَتِي، فَوَعَاهَا، وَحَفِظَهَا، وَبَلَّغَهَا إِلَى مَنْ هُوَ أَوْعَى مِنْهُ، فَرُبَّ رَجُلٍ يَحْمِلُ عِلْمًا إِلَى مَنْ هُوَ أَعْلَمُ مِنْهُ، ثَلاثٌ لا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ الْقَلْبُ إِخْلاصُ الْعَمَلِ، وَمُنَاصَحَةُ الْوُلاةِ، وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ؛ فَإِنَّ الدَّعْوَةَ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ»
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান ইবন উমর ইবন খাফিফ আদ-দাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-ফাদল ইবন আল-মুহাজির ইবন জুশুম, বাইতুল মাকদিসে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন হারুন ইবন হাসসান আল-মিসরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবন আলী, তিনি বলেন: আমি যিয়াদ ইবন সাইয়্যারকে আবু কুরসাফাহ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ সেই বান্দাকে উজ্জ্বল ও সজীব রাখুন যে আমার কথা শুনেছে, অতঃপর তা অনুধাবন করেছে, সংরক্ষণ করেছে এবং এমন ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিয়েছে যে তার চেয়ে অধিক প্রজ্ঞাবান। কেননা ইলমের অনেক বাহক এমন আছে যারা ইলম বহন করে নিয়ে যায় এমন ব্যক্তির নিকট যে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যাতে মুমিনের অন্তর খেয়ানত করে না: আমলের একনিষ্ঠতা, শাসকবর্গের কল্যাণকামনা এবং মুসলিম জামাআতকে আঁকড়ে ধরা; কেননা (জামাআতের) আহ্বান তাদেরকে পেছন থেকে বেষ্টন করে রাখে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْبَصْرِيُّ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ زِيَادٍ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَطَّامِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَمَا يَخَافُ الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ»
২৪ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইউনুস আল-বাসরি আল-উসফুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন জিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন আল-কাত্তামি, মুহাম্মদ বিন জিয়াদের সূত্রে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইমামের আগে নিজের মাথা উঠায়, সে কি ভয় পায় না যে আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় পরিণত করে দেবেন?»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الدَّارَكِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ، ثنا بَكْرُ بْنُ خُنَيْسٍ، وَسَلامٌ الطَّوِيلُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ» .

ثنا عُثْمَانُ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا إِسْمَاعِيلُ، ثنا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِمِثْلِهِ
২৫ - ওসমান ইবনে ওমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আলী আদ-দারাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আমর আল-বাজালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনে খুনাইস ও সালাম আত-তাবিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে মাইমুন থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ»।

ওসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসীর ইবনে শিনজীর থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ نَصْرِ بْنِ أَبِي رُؤْبَةَ الْمُعَدِّلُ، إِمْلاءً، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ الْبَاغَنْدِيُّ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الزُّبَيْدِيِّ الْحِمْصِيُّ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي الْمُهَاجِرِ، عَنِ ابْنِ عَطِيَّةَ بْنِ عَمْرٍو السَّعْدِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَسْأَلِ النَّاسَ شَيْئًا؛ فَإِنَّ اللَّهَ مَسْئُولٌ وَمَنْطِيٌّ» .

قَالَ: وَكَلَّمَنِي بِلُغَةِ قَوْمِي وَهَمَزَ
২৬ - আবু মুহাম্মাদ আব্দুল খালিক ইবনুল হাসান ইবনে নাসর ইবনে আবি রুবা আল-মুয়াদদিল আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হারিস আল-বাগান্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আজ-জুবাইদি আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর ইবনে রাজা থেকে বর্ণিত, তিনি ইসমাইল ইবনে আবি আল-মুহাজির থেকে, তিনি ইবনে আতিয়্যাহ ইবনে আমর আস-সাদি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষের নিকট কোনো কিছু প্রার্থনা করো না; কেননা আল্লাহই হলেন প্রার্থিত এবং দানকারী»।

তিনি বলেন: তিনি আমার গোত্রের ভাষায় আমার সাথে কথা বলেছেন এবং হামযাহ যোগ করে (অর্থাৎ সেই উপভাষার উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী) শব্দ উচ্চারণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو الطَّيِّبِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شِهَابٍ الْعَطَّارُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ الْقِرَبِيُّ، ثنا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الإِمَامُ ضَامِنٌ، وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ، وَارْشُدِ الأَئِمَّةَ»
২৭ - আবু আল-তাইয়িব ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন শিহাব আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আইয়ুব আল-কিরাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-ওয়ালিদ আল-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুহাইল বিন আবি সালিহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইমাম হলো জামিনদার এবং মুয়াজ্জিন হলো আমানতদার। হে আল্লাহ! মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করুন এবং ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।»
(খণ্ড: ১) জুযউ মিন হাদিসিন নুয়ালী (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ الْحَافِظُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ كَثِيرٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، أنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «إِنَّ‌‌ أَهْلَ الْبَيْتِ إِذَا تَوَاصَلُوا أَجْرَى اللَّهُ عَلَيْهِمُ الرِّزْقَ وَكَانُوا فِي كَنَفِ الرَّحْمَنِ تَعَالَى»
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালম আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে কাসীর আশ-শায়বানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ কোনো পরিবারের সদস্যরা যখন একে অপরের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে, আল্লাহ তাদের ওপর রিযিক জারি করে দেন এবং তারা মহান দয়াময় আল্লাহর আশ্রয়ে থাকে।»