(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: -)
مجلسان من أمالي طراد الزينبي   (طراد الزينبي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجلسان من أمالي طراد الزينبي

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 14

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

তুরাদ আয-যায়নাবীর আমালী থেকে দুটি মজলিস   (তুরাদ আয-যায়নাবী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: তুরাদ আয-যায়নাবীর আমালী থেকে দুটি মজলিস

[‘তুরাদ আয-যায়নাবীর রচনাবলী, এবং অন্যান্য খণ্ড’ এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]

মুহাক্কিক: নাবিল সা’দ আদ-দীন জাররার

প্রকাশক: আরওয়াকাহ লিদ-দিরাসাত ওয়ান-নাশর, জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শা’বান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ৩৫)
مَجلِسانِ منِ أَمالي طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

«جزءٌ فيه مجلسُ يومِ الجمعةِ رابعَ عشرَ شعبانَ مِن سَنةِ ثمانٍ وسَبعينَ وأربعِمئةٍ مِن إملاءِ الأَجلِّ السيِّدِ نَقيبِ النُّقباءِ .. ».

هذا ما جاءَ في ورقةِ العنوانِ [170/ب] مِن المَجموعِ (94) مِن المَجاميعِ العُمريةِ.

ويَنتَهي هذا المَجلسُ في مُنتصفِ الورقةِ [173/أ]، ويبدأُ المَجلسُ التالي: «مجلسُ يومِ الجمعةِ ثاني عشرَ شهرِ رمضانَ مِن سَنةِ ثمانٍ وسَبعينَ وأربعِمئةٍ».

وإسنادُ هذِه النُّسخةِ هو إسنادُ المَجلسِ المُتقدِّمِ في المَجموعِ (62)، وإسنادُ المَجلسِ الآتي بعدَه في المَجموعِ (37):

سماعُ أبي نصرٍ الطُّوسيِّ ووَلدَيه: محمدٍ وعبدِ الرحمنِ، مِن طِرَادٍ.

وسماعُ عبدِ المُحسنِ الطُّوسيِّ مِن عَمِّه عبدِ الرحمنِ.

وعنه بَوْزَانُ الرُّوميُّ.

وفي آخِرِ الجُزءِ سَماعٌ بخطِّه على عبدِ المُحسنِ الطوسيِّ سَنةَ (612 هـ).

بعد سَماعٍ منقولٍ مِن الأصلِ مِن خطِّ عبدِ المُحسنِ الطُّوسيِّ على عَمِّه عبدِ الرحمنِ سَنةَ (558 هـ).
তিরদ আল-যায়নাবীর আমালি থেকে দুটি মজলিস

«একটি খণ্ড যাতে রয়েছে ৪৭৮ হিজরী সনের ১৪ই শাবান, জুমুআর দিনের মজলিস; যা অতি সম্মানিত সাইয়্যেদ নাকীবুন নুকাবা-এর শ্রুতিলিখন থেকে...»।

উমারিয়্যাহ সংকলনসমূহের (৯৪) নম্বর সংকলনের শিরোনাম পত্রের [১৭০/খ] পৃষ্ঠায় এটি বর্ণিত হয়েছে।

এই মজলিসটি [১৭৩/ক] পৃষ্ঠার মাঝামাঝিতে শেষ হয়েছে এবং পরবর্তী মজলিস শুরু হয়েছে: «৪৭৮ হিজরী সনের ১২ই রমজান, জুমুআর দিনের মজলিস»।

এই পাণ্ডুলিপির সনদটি হলো (৬২) নম্বর সংকলনের পূর্ববর্তী মজলিসের সনদ এবং (৩৭) নম্বর সংকলনের পরবর্তী মজলিসের সনদ:

তিরদ থেকে আবু নাসর আত-তুসি এবং তাঁর দুই পুত্র: মুহাম্মদ ও আব্দুর রহমানের শ্রবণ।

তাঁর চাচা আব্দুর রহমান থেকে আব্দুল মুহসিন আত-তুসির শ্রবণ।

তাঁর থেকে বাওযান আর-রুমি।

খণ্ডের শেষে ৬১২ হিজরী সনে আব্দুল মুহসিন আত-তুসির নিকট তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে একটি শ্রবণলিপি রয়েছে।

যা ৫৫৮ হিজরী সনে আব্দুল মুহসিন আত-তুসি কর্তৃক তাঁর চাচা আব্দুর রহমানের নিকট মূল পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা একটি শ্রবণলিপির পরে অবস্থিত।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৮৭)
جزءٌ فيه مجلسُ يومِ الجمعةِ

رابعَ عشرَ شعبانَ مِن سَنةِ ثمانٍ وسَبعينَ وأربعِمئةٍ

مِن إملاءِ الأَجلِّ السيِّدِ نَقيبِ النُّقباءِ الكاملِ

ذِي الشَّرفَينِ شِهابِ الحَضرتَينِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ

بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ

رضي الله عنه وأرضاهُ

سماعُ أبي نصرٍ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ الطُّوسيِّ ووَلدَيه:

أبي عبدِ اللهِ محمدٍ وأبي محمدٍ عبدِ الرحمنِ

رضي الله عنهما

سماعُ الإمامِ العالمِ خطيبِ الخُطباءِ أبي القاسمِ

عبدِ المحسنِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ الطُّوسيِّ

على عمِّه أبي محمدٍ عبدِ الرحمنِ على النَّقيبِ المَذكورِ

سماعُ أبي أحمدَ بَوْزانَ بنِ سُنْقُرَ الرُّوميِّ

عَفا اللهُ عنه ورَفقَ به ورعاهُ

على الخطيبِ المذكورِ صانَ اللهُ قدرَهُ
একটি পুস্তিকা যাতে রয়েছে জুমাবার দিবসের মজলিস

চারশত আটাত্তর হিজরি সনের চৌদ্দই শাবান

মহান সায়্যিদ, নাকীবুন নুকাবা, আল-কামিল এর শ্রুতিলিপি হতে

দুই সম্মানের অধিকারী, দুই দরবারের আলোকবর্তিকা, আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ

ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-যায়নাবীর

আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন

আবু নাসর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কাহির আত-তুসী এবং তাঁর দুই পুত্রের শ্রবণ:

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান

আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন

ইমাম, আলিম, খতীবুল খুত্বাবা আবুল কাসিম

আব্দুল মুহসিন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আত-তুসীর শ্রবণ

তাঁর চাচা আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমানের নিকট থেকে, যিনি উক্ত নাকীবের নিকট থেকে শুনেছেন

আবু আহমদ বাওযান ইবনে সুনকুর আর-রুমীর শ্রবণ

আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর প্রতি সদয় হোন এবং তাঁকে রক্ষা করুন

উক্ত খতীবের নিকট থেকে, আল্লাহ তাঁর মর্যাদা রক্ষা করুন
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৮৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

وما تَوفيقي إلا باللهِ عليه تَوكلتُ

أخبرنا الشيخُ الإمامُ العالمُ أبو القاسمِ عبدُ المحسنِ بنُ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ محمدٍ الطُّوسيُّ الخطيبُ بالموصلِ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في يومِ الخميسِ ثالثٍ وعشرينَ شهرِ رَبيعٍ الأولِ سَنةَ اثنتَي عشرةَ وستِّمئةٍ قالَ: أخبرنا عَمِّي الإمامُ أبو محمدٍ عبدُ الرحمنِ بنُ أحمدَ بنِ محمدٍ الطُّوسيُّ بقراءَتي عليه يومَ الجمعةِ قبلَ الصلاةِ للعِشرينَ مِن جُمادى الأُولى سَنةَ ثمانٍ وخمسينَ وخمسِمئةٍ بجامعِ الموصلِ قالَ: أخبرنا الشريفُ الأَجلُّ السيِّدُ نَقيبُ النُّقباءِ الكاملُ ذو الشَّرفَينِ شهابُ الحَضرتَينِ أبو الفَوارسِ طِرَادُ بنُ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيُّ أدامَ اللهُ تَوفيقَه يومَ الجمعةِ رابعَ عشرَ شعبانَ سَنةَ ثمانٍ وسبعينَ وأربعِمئةٍ بجامعِ المنصورِ بابَ سقايةِ الراضي باللهِ قالَ:

 

196 - (1) أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عمرَ الشيخُ الصالحُ قراءةً عليه وأنا أسمعُ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ قالَ: حدثنا عباسُ بنُ محمدٍ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ يوسفَ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن الأعمشِ، عن سعدِ بنِ عُبيدةَ، عن أبي عبدِ الرحمنِ السُّلميِّ، عن عليٍّ رضي الله عنه قالَ:

كُنا مع رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في بَقيعِ الغَرقدِ في جنازةٍ، فقالَ: «ما مِنكم مِن أحدٍ إلا وقَد كُتبَ مَقعدُه مِن النارِ أو الجَنةِ» فقالَ رَجلٌ: يا رسولَ اللهِ أفلا نَتكلُ؟ / قالَ: «اعمَلوا فكُلٌّ مُيسَّرٌ لِما خُلقَ له» ثم قَرأَ: {فَأَمَّا مَن أَعْطَى وَاتَّقَى * وَصَدَّقَ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে; আমি তাঁরই ওপর ভরসা করেছি।

শায়খ, ইমাম, আলিম, মসুলে খতিব আবু আল-কাসিম আবদুল মুহসিন বিন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আত-তুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ৬১২ হিজরির ২৩শে রবিউল আউয়াল বৃহস্পতিবার তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার চাচা ইমাম আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আত-তুসি; ৫৫৮ হিজরির ২০শে জুমাদাল উলা শুক্রবার সালাতের পূর্বে মসুলের জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অতি সম্মানিত শরিফ, সাইয়্যিদ, নাকীবুন নুকালা, আল-কামিল, যূশ শারাফাইন, শিহাবুল হাদরাতাইন আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আয-যাইনাবি (আল্লাহ তাঁর তাওফিক দীর্ঘস্থায়ী করুন); ৪৭৮ হিজরির ১৪ই শাবান শুক্রবার মনসুর জামে মসজিদের বাব সাকায়াতুর রাদি বিল্লাহতে। তিনি বলেন:

 

১৯৬ - (১) নেককার শায়খ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন মুহাম্মদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমাশ থেকে, তিনি সাদ বিন উবায়দাহ থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:

আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বাকিউল গারকাদে একটি জানাজায় ছিলাম। তখন তিনি বললেন: «তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার ঠিকানা জাহান্নামে অথবা জান্নাতে লিখে রাখা হয়নি» তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! তবে কি আমরা (তাকদীরের ওপর) ভরসা করব না? তিনি বললেন: «তোমরা আমল করতে থাকো, কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, তার জন্য সেটি সহজ করে দেওয়া হয়» অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {অতএব যে দান করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে, আর সত্য বলে বিশ্বাস করে...}
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯০)
بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى * وَأَمَّا مَن بَخِلَ وَاسْتَغْنَى * وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى} [الليل: 5 - 10].

هذا حديثٌ صحيحٌ مِن حديثِ أبي عبدِ الرحمنِ عبدِ اللهِ بنِ حَبيبٍ السُّلميِّ المقرئِ الكوفيِّ، عن أميرِ المؤمنينَ أبي الحسنِ عليِّ بنِ أبي طالبٍ رضي الله عنه، وثابتٌ مِن روايةِ أبي حمزةَ سعدِ بنِ عُبيدةَ الطُّهَويِّ(1) عنه. أخرجَه الإمامُ أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إسماعيلَ البخاريُّ رضي الله عنه في كتابِه «الصحيح» [4945] عن أبي نُعيمٍ الفضلِ بنِ دُكينٍ، عن سفيانَ بنِ سعيدٍ أبي عبدِ اللهِ الثوريِّ، عن أبي محمدٍ سليمانَ بنِ مِهرانَ الأعمشِ، عن سعدِ بنِ عُبيدةَ بهذا(2).

فكأنَّ شيخَنا أبا عبدِ اللهِ حُدِّث به عن البخاريِّ.

 

197 - (2) أخبرنا أبو الحُسينِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ فيما أذِنَ لنا أن نَرويَ عنه، أنَّ أبا بكرٍ أحمدَ بنَ سلمانَ الفقيهَ حدَّثهم قالَ: حدثنا محمدُ بنُ مَسلمةَ الواسطيُّ قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: أخبرنا الحَجاجُ، عن يحيى بنِ أبي كثيرٍ، عن عروةَ، عن عائشةَ رضي الله عنها قالتْ:

فقَدتُّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم ذاتَ لَيلةٍ فخرَجتُ أطلبُهُ، فإذا هو بالبَقيعِ رافعٌ رأسَه إلى السماءِ، فقالَ: «يا عائشةُ، أكُنتِ تَخافينَ أن يَحيفَ اللهُ عليكِ ورسولُهُ؟» قالتْ: فقلتُ: وما بي ذاكَ، ولكنِّي ظَننتُ أنَّكَ أَتيتَ بعضَ نِسائِكَ، فقالَ: «إنَّ اللهَ عز وجل يَنزلُ لَيلةَ النِّصفِ مِن شعبانَ إلى سماءِ الدُّنيا، فيَغفرُ لأكثَرَ مِن

--------------------------------------------

(1) هكذا نسبه يحيى بن معين، كما في «تقييد المهمل» للغساني (2/ 336)، و «الأنساب» للسمعاني (4/ 89). وأكثر كتب التراجم لا تذكر هذه النسبة.

(2) وأخرجه ومسلم (2647) من طريق سعد بن عبيدة به.
{উত্তম বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করে * আমি তার জন্য সহজ পথকে সুগম করে দেব। আর যে কার্পণ্য করে ও বেপরোয়া হয় * এবং উত্তম বিষয়কে অস্বীকার করে * আমি তার জন্য কঠিন পথকে সুগম করে দেব।} [আল-লাইল: ৫ - ১০]।

এটি একটি সহীহ হাদীস, যা আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে হাবীব আস-সুলামী আল-মুকরি আল-কুফী থেকে বর্ণিত, তিনি আমীরুল মুমিনীন আবুল হাসান আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং এটি তাঁর থেকে আবু হামযা সাদ ইবনে উবায়দাহ আত-তুহাবী(১) এর বর্ণনায় প্রমাণিত। ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর ‘সহীহ’ কিতাবে [৪৯৪৫] আবু নুয়াইম আল-ফাযল ইবনে দুকাইন থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আবু আবদুল্লাহ আস-সাওরী থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ সুলাইমান ইবনে মিহরান আল-আমাস থেকে, তিনি সাদ ইবনে উবায়দাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন(২)।

যেন আমাদের শায়খ আবু আবদুল্লাহ এটি বুখারীর বরাতে বর্ণনা করেছেন।

 

১৯৭ - (২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুআদ্দিল সেই সব বিষয়ে যা তিনি আমাদের বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন যে, আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান আল-ফকীহ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাসলামাহ আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাজ্জাজ, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হারিয়ে ফেললাম, তাই আমি তাঁর খোঁজে বের হলাম। হঠাৎ দেখলাম তিনি বাকী কবরস্থানে তাঁর মাথা আকাশের দিকে উঠিয়ে আছেন। তখন তিনি বললেন: «হে আয়েশা, তুমি কি ভয় পাচ্ছিলে যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমার প্রতি অবিচার করবেন?» তিনি (আয়েশা) বললেন: আমি বললাম: আমার বিষয়টি তেমন ছিল না, বরং আমি ভেবেছিলাম যে আপনি আপনার কোনো স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা শাবান মাসের মধ্যরাতে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন, অতঃপর তিনি ক্ষমা করেন...

--------------------------------------------

(১) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাকে এভাবেই নিসবত করেছেন, যেমনটি আল-গাসসানী-র ‘তাকয়ীদ আল-মুহমাল’ (২/ ৩৩৬) এবং আস-সামআনী-র ‘আল-আনসাব’ (৪/ ৮৯) গ্রন্থে রয়েছে। তবে অধিকাংশ জীবনীমূলক গ্রন্থ এই নিসবতটি উল্লেখ করে না।

(২) এবং মুসলিম (২৬৪৭) এটি সাদ ইবনে উবায়দাহ-র সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯১)
عَددِ شَعرِ غَنمِ كلبٍ»(1).

 

198 - (3) أخبرنا / عليُّ بنُ محمدٍ السُّكريُّ قراءةً عليه قالَ: أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ جعفرٍ الجَوزيُّ قالَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عُبيدٍ قالَ: حدثنا داودُ بنُ عَمرو الضبيُّ وسَعدويه، قالا: حدثنا ابنُ المباركِ، عن يحيى بنِ أيوبَ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ زحرٍ، عن عليِّ بنِ يزيدَ، عن القاسمِ، عن أبي أُمامةَ (عنان؟)(2)

قالَ عقبةُ بنُ عامرٍ: قلتُ: يا رسولَ اللهِ ما النَّجاةُ؟ قالَ: «املكْ عليكَ لِسانكَ، وليسَعْكَ بيتُكَ، وابكِ على خطيئتِكَ»(3).

 

199 - (4) أخبرنا القاضي الشريفُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ إبراهيمَ الهاشميُّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو قالَ: حدثنا محمدُ بنُ غالبٍ قالَ: حدثني محمدُ بنُ معاويةَ النَّيسابوريُّ قالَ: حدثنا ابنُ لَهيعةَ، عن محمدِ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ نوفلٍ، عن رَجلٍ، عن العباسِ بنِ عبدِ المطلبِ رضي الله عنه،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ذاقَ طعمَ الإيمانِ مَن قالَ: رَضيتُ باللهِ رباً، وبالإسلامِ دِيناً، ومحمدٍ صلى الله عليه وسلم نبياً»(4).

--------------------------------------------

(1) تقدم (107).

(2) كذا في الأصل، ولعلها تحرفت عن: «قال» كما عند ابن أبي الدنيا وغيره.

(3) هو في «الصمت» لابن أبي الدنيا (2).

ومن طريقه أخرجه قوام السنة في «الترغيب والترهيب» (1713).

وهو أيضاً في «الزهد» لابن المبارك (134). ومن طريقه أخرجه الترمذي (2406)، وأحمد 5/ 259 (22235)، وانظر تمام التخريج فيه.

وقال الترمذي: حديث حسن. وقال الألباني في «الصحيحة» (890): وإنما حسنه لمجيئه من طرق أخرى.

(4) إسناده ضعيف لحال ابن لهيعة وجهالة راويه عن العباس.

لكن الحديث في «صحيح مسلم» (34) من وجه آخر عن العباس.
কালব গোত্রের বকরির পশমের সংখ্যার সমান।"(১).

 

১৯৮ - (৩) আলী ইবনে মুহাম্মদ আস-সুক্কারী আমাদের নিকট এটি পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-জাওযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে আমর আদ-দাব্বী ও সাদাওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে যাহর থেকে, তিনি আলী ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে (আনান?)(২)

উকবাহ ইবনে আমির (রা.) বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! নাজাত (মুক্তি) কিসে? তিনি বললেন: «তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখো, তোমার ঘর যেন তোমার জন্য প্রশস্ত হয়, এবং তোমার পাপাচারের জন্য ক্রন্দন করো»(৩)।

 

১৯৯ - (৪) কাযী শরীফ আবুল হাসান আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-হাশেমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে গালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুআবিয়াহ আন-নাইসাবুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনু লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে নওফাল থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রা.) থেকে,

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «সেই ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করেছে, যে বলেছে: আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি»(৪)।

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (১০৭)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি ইবনে আবী আদ-দুনইয়া এবং অন্যদের বর্ণনার ন্যায় «قال» (তিনি বলেছেন) শব্দের বিকৃত রূপ।

(৩) এটি ইবনে আবী আদ-দুনইয়ার ‘আস-সামত’ গ্রন্থে (২) রয়েছে।

এবং তার সূত্র ধরে কাওয়ামুস সুন্নাহ ‘আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব’ (১৭১৩) গ্রন্থে এটি বের করেছেন।

এটি ইবনুল মুবারকের ‘আয-যুহদ’ (১৩৪) গ্রন্থেও রয়েছে। তাঁর সূত্র ধরে তিরমিযী (২৪০৬), আহমদ ৫/ ২৫৯ (২২২৩৫) এটি বের করেছেন, সেখানে পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।

ইমাম তিরমিযী বলেন: হাদীসটি হাসান। আলবানী ‘আস-সহীহাহ’ (৮৯০) গ্রন্থে বলেছেন: অন্যান্য সূত্রের কারণে তিনি একে হাসান বলেছেন।

(৪) ইবনু লাহিয়াহর অবস্থা এবং আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনাকারীর পরিচয় অজ্ঞাত হওয়ার কারণে এর সনদটি যঈফ।

তবে হাদীসটি আব্বাস (রা.) থেকে অন্য সূত্রে ‘সহীহ মুসলিম’ (৩৪) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯২)
200 - (5) قالَ نَقيبُ النُّقباءِ أدامَ اللهُ توفيقَه: قرأتُ في أصلِ سماعِ والدِي الرِّضا نظامِ الحَضرتَينِ أبي الحسنِ محمدِ بنِ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ الوهابِ بنِ سليمانَ بنِ محمدِ بنِ سليمانَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ الإمامِ بنِ محمدِ بنِ عليِّ بنِ عبدِ اللهِ بنِ العباسِ رضي الله عنهم: أخبرنا أبو بكرٍ أحمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ الحسنِ البزازُ قالَ: أخبرنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ العزيزِ قالَ: حدثنا أبو بحرٍ عبدُ الواحدِ بنُ غياثٍ قالَ: حدثنا فَضَّالُ بنُ جُبيرٍ أبو المُهنَّى(1) قالَ:

سمعتُ أبا أمامةَ صُدَيَّ بنَ عَجلانَ الباهليَّ صاحبَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم يأثرُ حديثاً / سمعَه مِن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، أنَّه كانَ يقولُ: «اكفَلوا لي بسِتِّ خِصالٍ أكفَل لكم بالجَنةِ: إذا حدَّثَ أحدُكم فلا يكذِب، وإذا وَعدَ فلا يُخلِفْ، وإذا ائتُمِنَ فلا يخُنْ، غُضُّوا أبصارَكم، وكُفُّوا أيديَكم، واحفَظوا فُروجَكم»(2).

--------------------------------------------

(1) هكذا في الأصل، وهكذا في بعض مصادر ترجمته، وفي أخرى: (أبو المهند)، وانظر ما كتبه الدكتور عبد القيوم في تحقيق «تكملة الإكمال» (4/ 300).

(2) فضال بن جبير ضعيف.

ومن طريقه أخرجه الطبراني في «الكبير» (8018)، و «الأوسط» (2539)، وابن عدي (13949)، وابن حبان في «المجروحين» (2/ 204)، والخطيب (8/ 396).

وقواه الألباني بشواهده في «الصحيحة» (1525).

هذا وقد وقع الحديث عند المصنف من رواية عبد الله بن محمد أبي القاسم البغوي عن عبد الواحد بن غياث، والحديث عند كل من وقفت عليه من طريق البغوي إنما هو من روايته عن طالوت بن عباد، عن فضال بن جبير. نَعم يرويه عبد الواحد بن غياث عن فضال بن جبير أيضاً، لكن من رواية محمد بن صالح التمار عنه وليس البغوي، أخرجه ابن شاهين في «جزء من حديثه» (1) وغيرُه. والله أعلم.
২০০ - (৫) নাকীবুন নুকাবা (আল্লাহ তাঁর তাওফীক অব্যাহত রাখুন) বলেছেন: আমি আমার পিতা আর-রিদা নিযামুল হাদরাতাইন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন সুলাইমান ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-ইমাম ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর মূল শ্রবণ-পাঠে পড়েছি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন ইব্রাহিম ইবন হাসান আল-বাযযার, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বাহর আব্দুল ওয়াহিদ ইবন গিয়াস, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফাদদাল ইবন জুবাইর আবুল মুহান্না(১) তিনি বলেছেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবু উমামাহ সুদাই ইবন আজলান আল-বাহিলীকে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছিলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলতেন: «তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব: যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন যেন মিথ্যা না বলে, যখন ওয়াদা করে তখন যেন তা ভঙ্গ না করে, যখন তার নিকট আমানত রাখা হয় তখন যেন খিয়ানত না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো, তোমাদের হাত (অন্যায় থেকে) বিরত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থান হিফাযত করো»(২)।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, এবং তাঁর জীবনীর কিছু উৎসেও এভাবেই রয়েছে। আবার কোনোটিতে (আবু আল-মুহান্নাদ) এসেছে। ‘তাকমিলাতুল ইকমাল’ (৪/৩০০)-এর তাহকীকে ড. আব্দুল কাইয়ুম যা লিখেছেন তা দেখুন।

(২) ফাদদাল ইবন জুবাইর দুর্বল রাবী।

তাঁর সূত্রে এটি তাবারানি ‘আল-কাবীর’ (৮০১৮) ও ‘আল-আওসাত’ (২৫৩৯)-এ, ইবন আদি (১৩৯৪৯), ইবন হিব্বান ‘আল-মাজরুহীন’ (২/২০৪)-এ এবং খতিব (৮/৩৯৬)-এ বর্ণনা করেছেন।

আলবানী তাঁর ‘আস-সাহীহা’ (১৫২৫)-তে এর সমার্থবোধক বর্ণনার (শাওয়াহেদ) ভিত্তিতে হাদীসটিকে শক্তিশালী বলেছেন।

উল্লেখ্য যে, গ্রন্থকারের নিকট হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আবুল কাসিম আল-বাগাভী-এর সূত্রে আব্দুল ওয়াহিদ ইবন গিয়াস থেকে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আমি যাদের নিকট হাদীসটি পেয়েছি, বাগাভীর সূত্রে তা মূলত তালুত ইবন আব্বাদ-এর বর্ণনায় ফাদদাল ইবন জুবাইর থেকে বর্ণিত। হ্যাঁ, আব্দুল ওয়াহিদ ইবন গিয়াসও ফাদদাল ইবন জুবাইর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তা মুহাম্মদ ইবন সালিহ আত-তাম্মার-এর বর্ণনায়, বাগাভী থেকে নয়। ইবন শাহীন তাঁর ‘জুযউন মিন হাদীসিহি’ (১) ও অন্যান্যরা এটি বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৩)
201 - (6) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ بنِ محمدِ بنِ الفضلِ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عرفةَ قالَ: حدثنا إسماعيلُ بنُ عَياشٍ الحمصيُّ، عن المغيرةِ بنِ قيسٍ التَّميميُّ، عن عَمرو بنِ شعيبٍ، عن أبيه، عن جدِّه قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أيُّ الخَلقِ أعجبُ إليكم إيماناً؟» قَالوا: الملائكةُ، قالَ: «وما لهم لا يُؤمنونَ وهم عندَ ربِّهم» قَالوا: فالنَّبيونَ، قالَ: «وما لَهم لا يُؤمنونَ والوَحيُ يَنزلُ عَليهم» قَالوا: فنحنُ، قالَ: «وما لَكم لا تُؤمنونَ وأنا بينَ أظهُرِكم» قالَ: فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ألا إنَّ أعجبَ الخَلقِ إيماناً لَقومٌ يكونونَ مِن بعدِكم، يجِدونَ صُحفاً فيها كتابٌ يُؤمنونَ بما فيها»(1).

 

202 - (7) أخبرنا أبو الحسينِ بنُ بِشرانَ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن هشامِ بنِ عُروةَ، عن أبيه، عن عبدِ الله بنِ عَمرو قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ اللهَ عز وجل لا يَنزعُ العلمَ مِن صُدورِ الرِّجالِ بعدَ أَن يُعلِّمَهم إياهُ، ولكنْ ذَهابُه قبضُ العلماءِ، فيَتخذُ الناسُ رُؤساءَ جُهالاً،

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (19).

ومن طريقه أخرجه البيهقي في «الدلائل» (6/ 538)، وقوام السنة في «الترغيب والترهيب» (48)، والحافظ ابن حجر في «الأمالي المطلقة» (ص 38 - 39) وقال: هذا حديث غريب، ومغيرة بن قيس بصري قال أبو حاتم: منكر الحديث، وإسماعيل بن عياش روايته عن غير الشاميين ضعيفة وهذا منها، لكنه يعتضد بالذي قبله.

وضعفه الألباني في «الضعيفة» (647)، ثم مال إلى تقويته بشواهده في «الصحيحة» (3215).
২০১ - (৬) আবু আল-হুসাইন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন আরাফা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন আইয়াশ আল-হিমসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুগীরা বিন কাইস আত-তামিমী থেকে, তিনি আমর বিন শুআইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের নিকট সৃষ্টির মধ্যে কাদের ইমান সবচেয়ে আশ্চর্যজনক?» তারা বলল: ফেরেশতাদের। তিনি বললেন: «তারা কেনই বা ইমান আনবে না অথচ তারা তাদের রবের নিকটে অবস্থান করে?» তারা বলল: তাহলে নবীগণ। তিনি বললেন: «তারা কেনই বা ইমান আনবে না অথচ তাদের নিকট ওহী অবতীর্ণ হয়?» তারা বলল: তাহলে আমরা। তিনি বললেন: «তোমরা কেনই বা ইমান আনবে না অথচ আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান রয়েছি?» তিনি বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «শুনে রাখো, নিশ্চয় সৃষ্টির মধ্যে ইমানের দিক থেকে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হলো সেই সম্প্রদায়, যারা তোমাদের পরে আসবে; তারা কিতাব সম্বলিত কিছু পাণ্ডুলিপি পাবে এবং তাতে যা আছে তার প্রতি ইমান আনবে»(১)।

 

২০২ - (৭) আবু আল-হুসাইন বিন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মানসুর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা মানুষের অন্তর থেকে ইলম বা জ্ঞান ছিনিয়ে নেবেন না მას পর যা তিনি তাদের শিখিয়েছেন; বরং ইলম চলে যাওয়া হলো আলেমদের তুলে নেওয়ার মাধ্যমে। ফলে মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে,

--------------------------------------------

(১) এটি «জুযউল হাসান বিন আরাফা» (১৯)-এ রয়েছে।

এবং তাঁর সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন বায়হাকী «আদ-দালাইল» (৬/৫৩৮)-এ, কাওয়ামুস সুন্নাহ «আত-তারগীব ওয়াত তারহীব» (৪৮)-এ এবং হাফেজ ইবনে হাজার «আল-আমালি আল-মুতলাকা» (পৃ. ৩৮-৩৯)-এ এবং তিনি বলেছেন: এই হাদীসটি গরীব, আর মুগীরা বিন কাইস একজন বসরী, আবু হাতিম বলেছেন: সে মুনকারুল হাদীস। ইসমাইল বিন আইয়াশের বর্ণনা গায়রে-শামীদের (সিরীয় ব্যতীত অন্যদের) থেকে দুর্বল এবং এটি সেগুলোর একটি, তবে এটি পূর্ববর্তী বর্ণনার দ্বারা শক্তিশালী হয়।

আলবানী একে «আদ-দাঈফাহ» (৬৪৭)-এ দুর্বল বলেছেন, এরপর এর শাওয়াহিদ বা সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে «আস-সাহীহা» (৩২১৫)-তে একে শক্তিশালী বলার দিকে ঝুঁকেছেন।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৪)
فيُسأَلونَ، فيَقولونَ بغيرِ عِلمٍ، فيَضِلونَ ويُضِلونَ»(1).

 

203 - (8) أخبرنا أحمدُ بنُ عليِّ بنِ الحسنِ بنِ عليٍّ المقرئُ قالَ: أخبرنا أبو عليٍّ حامدُ بنُ محمدٍ الهَرويُّ قالَ: أخبرنا عليُّ بنُ / عبدِ العزيزِ قالَ: حدثنا أبو عُبيدٍ القاسمُ بنُ سَلَّامٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ هاشمِ بنِ البَريدِ، عن هشامِ بنِ عُروةَ، عن أبيه قالَ:

خطبَ أبو بكرٍ رضي الله عنه فحمدَ اللهَ وأَثنى عليه ثم قالَ: أمَّا بعدُ، فإنِّي رَكبتُ أمرَكم ولستُ بخَيرِكم، ولكنَّه نَزلَ القرآنُ وسَنَّ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وعُلِّمنا فعَلِمْنا، واعْلَمنْ(2) أيُّها الناسُ أنَّ أكيَسَ الكَيْسِ الهُدى أو التُّقى -شكَّ أبو عُبيدٍ، قالَ: وأكبرُ ظَني أنَّه التُّقى-، وأنَّ أعجزَ العَجزِ الفُجورُ، وأنَّ أَقواكم عِندي الضعيفُ حتى آخُذَ له بحقِّه، وأنَّ أضعفَكم عِندي القويُّ حتى آخُذَ مِنه الحقَّ، أيُّها الناسُ، إنَّما أنا مُتَّبِعٌ ولستُ بمُبتدعٍ، فإنْ أنا أَحسنتُ فأَعينُوني، وإنْ أنا زِغتُ فقَوِّموني، أقولُ قَولي هذا وأَستغفرُ اللهَ لي ولكم(3).

آخِرُ المَجلسِ

والحمدُ للهِ وحدَه

وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ النبيِّ وآلِه وسلَّمَ تَسليماً كثيراً

--------------------------------------------

(1) هو في «جامع معمر» (20481).

وأخرجه البخاري (100) (7307)، ومسلم (2673) من طريق عروة به.

ويأتي (479).

(2) هكذا شُكلت في الأصل، ولعل الأنسب للسياق: «واعلمُنَّ». والله أعلم.

(3) هو في «الخطب والمواعظ» (119)، و «الأموال» (8) لأبي عبيد. وانظر تمام تخريجه فيه.
অতঃপর তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে, তখন তারা জ্ঞানহীনভাবে উত্তর দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।"(১).

 

২০৩ - (৮) আহমাদ ইবন আলী ইবনুল হাসান ইবন আলী আল-মুকরি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী হামিদ ইবন মুহাম্মাদ আল-হারাবী আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন আব্দুল আযীয আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবন সালাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন হাশিম ইবনুল বারীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ভাষণ প্রদান করলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান বর্ণনা করলেন, অতঃপর বললেন: অতঃপর, নিশ্চয়ই আমি আপনাদের শাসনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি অথচ আমি আপনাদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। কিন্তু কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাহ প্রবর্তন করেছেন। আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং আমরা শিখেছি। হে লোকসকল! জেনে রাখুন(২) যে, সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তা হলো হিদায়াত বা তাকওয়া—আবু উবাইদ সন্দেহ পোষণ করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার প্রবল ধারণা যে এটি তাকওয়া হবে—আর সবচেয়ে বড় অক্ষমতা হলো পাপাচার। আপনাদের মধ্যে যে দুর্বল সে আমার নিকট শক্তিশালী যতক্ষণ না আমি তার প্রাপ্য অধিকার তাকে ফিরিয়ে দিই, আর আপনাদের মধ্যে যে শক্তিশালী সে আমার নিকট দুর্বল যতক্ষণ না আমি তার নিকট থেকে হক আদায় করে নিই। হে লোকসকল! আমি কেবল একজন অনুসরণকারী, কোনো নতুন প্রথা উদ্ভাবনকারী নই। সুতরাং আমি যদি ভালো কাজ করি তবে আমাকে সহযোগিতা করুন, আর যদি আমি বিপথগামী হই তবে আমাকে সোজা করে দিন। আমি আমার এই কথা বলছি এবং আমার ও আপনাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি(৩).

মজলিসের সমাপ্তি

এবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য

এবং আমাদের নেতা নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর অনেক অনেক দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক

--------------------------------------------

(১) এটি ‘জামে মামার’ (২০৪৮১)-এ রয়েছে। এবং ইমাম বুখারী (১০০) (৭৩০৭) ও মুসলিম (২৬৭৩) উরওয়াহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। সামনে আসছে (৪৭৯)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই হরকত দেওয়া হয়েছে, তবে প্রসঙ্গের বিচারে সম্ভবত: ‘ওয়া-লামুন্না’ (তোমরা অবশ্যই জেনে রাখো) হওয়াই অধিক মানানসই। আল্লাহই ভালো জানেন।

(৩) এটি আবু উবাইদের ‘আল-খুতাব ওয়াল মাওয়াইয’ (১১৯) এবং ‘আল-আমওয়াল’ (৮) গ্রন্থে রয়েছে। এর পূর্ণাঙ্গ সূত্রের যাচাইয়ের জন্য সেখানে দেখুন।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৫)
مجلسُ يومِ الجمعةِ ثاني عشرَ شهرِ رمضانَ مِن سَنةِ ثمانٍ وسَبعينَ وأربعِمئةٍ

مِن إملاءِ الأَجلِّ السيِّدِ الكاملِ نَقيبِ النُّقباءِ شهابِ الحَضرتَينِ

أبي الفَوارسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ

 

204 - (9) قالَ: أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ رِزْقويه قراءةً عليه قالَ: أخبرنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن أبي سلمةَ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيٍّ صلى الله عليه وسلم: «مَن صامَ رمضانَ إيماناً واحتِساباً غُفرَ له ما تَقدَّمَ مِن ذنبِهِ، ومَن قامَ ليلةَ القدرِ إيماناً واحتِساباً غُفرَ له ما تَقدَّمَ مِن ذنبِهِ»(1).

هذا حديثٌ صحيحٌ مِن حديثِ أبي سلمةَ عبدِ اللهِ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ / عوفٍ الزُّهريِّ، عن أبي هريرةَ الدَّوسيِّ، وثابتٌ مِن روايةِ أبي بكرٍ محمدِ بنِ مسلمٍ الزُّهريِّ. أخرجَه الإمامُ أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إسماعيلَ البخاريُّ في كتابِه «الصحيح» [2014] عن عليِّ بنِ عبدِ اللهِ بنِ المَدينيِّ، عن سفيانَ بنِ عُيينةَ.

فكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ سمعَه مِنه وحدَّثنا به عنه.

 

205 - (10) أخبرنا أبو نصرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ الجبارِ قالَ: حدثنا أبو معاويةَ محمدُ بنُ خازمٍ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:

--------------------------------------------

(1) تقدم (63).
৪৭৮ হিজরি সনের ১২ই রমজান, জুমার দিনের মজলিস

অতি মহান, পূর্ণাঙ্গ সাইয়্যিদ, নকিবুল নুকাবা, শিহাবুল হাদরাতাইন

আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আজ-জায়নাবি-এর শ্রুতিলিপি থেকে

 

২০৪ - (৯) তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন রিজকওয়াইহ্, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন আলি বিন হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি বিন হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত: «যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা পালন করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদতের মাধ্যমে রাত জাগরণ করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে»(১)।

এই হাদিসটি আবু সালামাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আজ-যুহরি থেকে আবু হুরাইরাহ আদ-দাওসি-এর সূত্রে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। এটি আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আজ-যুহরির বর্ণনা থেকে সুসাব্যস্ত। ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি তাঁর «সহিহ» গ্রন্থে [২০১৪] আলি বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মাদিনি থেকে, তিনি সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে—এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

যেন আমাদের শাইখ আবুল হাসান এটি তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন।

 

২০৫ - (১০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হাসনুন আন-নারসি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল জাব্বার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মাদ বিন খাযিম, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন:

--------------------------------------------

(১) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (৬৩)।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৬)
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما نفَعَني مالٌ قطُّ ما نفَعَني مالُ أبي بكرٍ» فبَكى أبو بكرٍ ثم قالَ: وهَل أنا ومَالي إلا لكَ يا رسولَ اللهِ(1).

 

206 - (11) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ قالَ: حدثني الوليدُ بنُ الفضلِ العَنَزيُّ قالَ: حدثني إسماعيلُ بنُ عُبيدٍ العِجليُّ، عن حماد بنِ أبي سليمانَ، عن إبراهيمَ النَّخعيِّ، عن علقمةَ بنِ قيسٍ، عن عمارِ بنِ ياسرٍ رضي الله عنه قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أتاني جبريلُ عليه السلام فقلتُ: يا جبريلُ، حدِّثني بفضائلِ عمرَ بنِ الخطابِ في السماءِ، فقالَ: يا محمدُ، لو حدَّثتُكَ بفضائلِ عمرَ بنِ الخطابِ في السماءِ مِثلَ ما لبِثَ نوحٌ في قومِه ألفَ سَنةٍ إلا خَمسينَ عاماً ما نَفدتْ فضائلُ عمرَ، وإنَّ عمرَ حَسنةٌ مِن حَسناتِ أبي بكرٍ» رضي الله عنهما(2).

--------------------------------------------

(1) هو في «ستة مجالس من أمالي ابن البختري» (55).

ومن طريق المصنف أخرجه أبو بكر بن عبد الدائم في «عواليه» (5).

وأخرجه ابن ماجه (94)، والنسائي في «الكبرى» (8056)، وأحمد (2/ 253)، وابن حبان (6858) من طريق أبي معاوية به.

وصححه الألباني في «الصحيحة» (2718).

(2) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (35).

ومن طريق المصنف أخرجه قوام السنة في «سير السلف» (1/ 129).

ومن طريق الحسن بن عرفة وغيره أخرجه أبو يعلى (1603)، وعبد الله في «فضائل الصحابة» (678)، والطبراني في «الأوسط» (1570)، واللالكائي في «شرح الأصول» (2431)، وأبو نعيم في «فضائل الخلفاء» (70)، وابن عدي (17434)، وابن الجوزي في «الواهيات» (303)، و «الموضوعات» (596).

وقال الإمام أحمد كما في «المنتخب من العلل» للخلال (ص 195): لا أعرف إسماعيل بن نافع، هذا حديث موضوع.

وقال في «المجمع» (9/ 68) بعد أن زاد نسبته للطبراني في «الكبير»: فيه الوليد بن الفضل العنزي وهو ضعيف جداً.
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আবু বকরের সম্পদ আমাকে যেভাবে উপকৃত করেছে, কোনো সম্পদই আমাকে সেভাবে কখনো উপকৃত করেনি»। তখন আবু বকর (রা.) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি এবং আমার সম্পদ কি আপনার জন্যই নয়?(১)।

 

২০৬ - (১১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফদল, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনু মুহাম্মদ ইবনু ইসমাইল, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনু আরাফাহ, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবনুল ফদল আল-আনাযী, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনু উবাইদ আল-ইজলি, হাম্মাদ ইবনু আবি সুলাইমান থেকে, তিনি ইবরাহিম আন-নাখয়ী থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবনু কায়েস থেকে, তিনি আম্মার ইবনু ইয়াসির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার নিকট জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আসলেন, তখন আমি বললাম: হে জিবরাঈল, আসমানে উমর ইবনুল খাত্তাবের যে মর্যাদা রয়েছে সে সম্পর্কে আমাকে বলুন। তিনি বললেন: হে মুহাম্মদ, আমি যদি আপনার নিকট আসমানে উমর ইবনুল খাত্তাবের মর্যাদার কথা বর্ণনা করি নূহ (আ.) তাঁর কওমের মাঝে যত বছর অবস্থান করেছিলেন—অর্থাৎ পঞ্চাশ বছর কম এক হাজার বছর—তত বছর ধরেও, তবুও উমরের মর্যাদা শেষ হবে না। আর নিশ্চয়ই উমর আবু বকরের পুণ্যসমূহের মধ্য হতে একটি পুণ্য মাত্র» আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন(২)।

--------------------------------------------

(১) এটি ইবনুল বাখতারির ‘সিত্তাতু মাজালিস মিন আমালি’ (৫৫) গ্রন্থে রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি আবু বকর ইবনু আবদুদ দায়িম তাঁর ‘আওয়ালি’ (৫) গ্রন্থে বের করেছেন।

এটি বর্ণনা করেছেন ইবনু মাজাহ (৯৪), নাসায়ি ‘আল-কুবরা’ (৮০৫৬) গ্রন্থে, আহমাদ (২/ ২৫৩) এবং ইবনু হিব্বান (৬৮৫৮) আবু মুয়াবিয়ার সূত্রে।

আর আলবানী একে ‘আস-সহীহা’ (২৭১৮) গ্রন্থে সহীহ বলেছেন।

(২) এটি ‘জুযউল হাসান ইবনু আরাফাহ’ (৩৫) গ্রন্থে রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি ক্বাওয়ামুস সুন্নাহ ‘সিয়ারুস সালাফ’ (১/ ১২৯) গ্রন্থে বের করেছেন।

হাসান ইবনু আরাফাহ এবং অন্যান্যদের সূত্রে এটি বের করেছেন আবু ইয়ালা (১৬০৩), আব্দুল্লাহ ‘ফাদায়িলুস সাহাবা’ (৬৭৮) গ্রন্থে, তাবারানি ‘আল-আওসাত’ (১৫৭০) গ্রন্থে, লালকায়ি ‘শারহুল উসুল’ (২৪৩১) গ্রন্থে, আবু নুয়াইম ‘ফাদায়িলুল খুলাফা’ (৭০) গ্রন্থে, ইবনু আদি (১৭৪৩৪), ইবনুল জাওযি ‘আল-ওয়াহিয়াত’ (৩০৩) এবং ‘আল-মাওদুয়াত’ (৫৯৬) গ্রন্থে।

ইমাম আহমাদ ‘আল-মুনতাখাব মিনাল ইলাল’ লিল-খল্লাল (পৃ. ১৯৫) গ্রন্থে যেমনটি বলেছেন: আমি ইসমাইল ইবনু নাফি-কে চিনি না, এটি একটি বানোয়াট হাদিস।

আর ‘আল-মাজমা’ (৯/ ৬৮) গ্রন্থে তাবারানির ‘আল-কাবীর’-এর দিকে নিসবত করার পর বলা হয়েছে: এতে ওয়ালিদ ইবনুল ফদল আল-আনাযী রয়েছেন এবং তিনি অত্যন্ত দুর্বল।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৭)
207 - (12) أخبرنا أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ الهاشميُّ قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ قالَ: حدثنا الحسنُ بنُ سَلَّامٍ السَّواقُ قالَ: حدثنا قَبيصةُ قالَ: حدثنا سفيانُ يَعني الثَّوريَّ، عن خالدٍ الحَذاءِ وعاصمٍ، عن أبي قِلابةَ، عن أنسٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أرحَمُ أُمَّتي أبو بكرٍ، وأشدُّها في دِينِ اللهِ عمرُ، وأصدَقُها عثمانُ، وأفرَضُهم / أُبَيٌّ(1)، وأعلَمُهم بالحلالِ والحرامِ معاذُ بنُ جبلٍ، وإنَّ لِكلِّ أُمةٍ أَميناً، وإنَّ أمينَ هذه الأُمةِ أبو عُبيدةَ بنُ الجَرَّاحِ» رضي الله عنهم أجمَعينَ(2).

 

208 - (13) أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عمرَ الشيخُ الصالحُ رحمه الله قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ قالَ: حدثنا أبو بكرٍ يحيى بنُ أبي طالبٍ قالَ: أخبرنا عليُّ بنُ عاصمٍ قالَ: أخبرنا سهيلُ بنُ أبي صالحٍ، عن أبيه، عن

--------------------------------------------

(1) كذا هنا تبعاً لما في «فوائد العيسوي» وعليها هناك علامة التضبيب، وفي بقية المصادر: « .. وأفرضهم زيد، وأقرؤهم أبي .. ».

(2) هو في «فوائد العيسوي» (33).

وأخرجه الترمذي (3791)، والنسائي في «الكبرى» (8185) (8229)، وابن ماجه (154) (155)، وأحمد (3/ 184، 281)، وابن حبان (7131) (7137) (7252)، والحاكم (3/ 422)، والبيهقي (6/ 210)، والضياء في «المختارة» (2240) (2241) (2242) من طريق خالد الحذاء به.

وقال الترمذي: حسن صحيح. وصححه الحاكم على شرط الشيخين. وصححه الألباني في «الصحيحة» (1224).
২০৭ - (১২) আবুল হাসান আলী বিন আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম আল-হাশেমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন সাল্লাম আস-সাওয়াক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাবিদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান অর্থাৎ আস-সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হাজ্জা ও আসিম থেকে, তারা আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু হলেন আবু বকর, আল্লাহর দ্বীনের ব্যাপারে সবচেয়ে কঠোর উমর, সবচেয়ে সত্যবাদী উসমান, আর তাদের মধ্যে ফারায়েজ (উত্তরাধিকার শাস্ত্র) সম্পর্কে সবচেয়ে জ্ঞানী হলেন উবাই(১), হালাল ও হারাম সম্পর্কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী মুয়াজ বিন জাবাল। নিশ্চয়ই প্রতিটি উম্মতের একজন বিশ্বস্ত প্রতিনিধি থাকে, আর এই উম্মতের বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হলেন আবু উবায়দাহ বিন আল-জাররাহ» আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন(২)।

 

২০৮ - (১৩) আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন উমর আশ-শায়খ আস-সালিহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইয়াহইয়া বিন আবি তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুহাইল বিন আবি সালিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে...

--------------------------------------------

(১) ‘ফাওয়াইদ আল-ইসাওয়ি’-তে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে এখানে সেভাবেই রাখা হয়েছে এবং সেখানে এর ওপর সংশোধনের চিহ্ন (তাদবিব) রয়েছে। অন্যান্য সূত্রে রয়েছে: “...তাদের মধ্যে ফারায়েজ সম্পর্কে সবচেয়ে জ্ঞানী যায়িদ এবং কিরাত পাঠে সবচেয়ে দক্ষ উবাই...”।

(২) এটি ‘ফাওয়াইদ আল-ইসাওয়ি’ (৩৩)-তে রয়েছে।

এটি বর্ণনা করেছেন তিরমিজি (৩৭৯১), নাসায়ি ‘আল-কুবরা’ (৮১৮৫, ৮২২৯)-তে, ইবনে মাজাহ (১৫৪, ১৫৫), আহমদ (৩/ ১৮৪, ২৮১), ইবনে হিব্বান (৭১৩১, ৭১৩৭, ৭২৫২), হাকেম (৩/ ৪২২), বায়হাকি (৬/ ২১০) এবং জিয়া ‘আল-মুখতারা’ (২২৪০, ২২৪১, ২২৪২)-তে খালিদ আল-হাজ্জার সূত্র ধরে।

তিরমিজি বলেছেন: হাসান সহিহ। হাকেম একে শায়খাইনের (বুখারি ও মুসলিম) শর্তানুযায়ী সহিহ বলেছেন। আলবানি ‘আস-সহিহাহ’ (১২২৪)-তে একে সহিহ বলেছেন।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৮)
أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لأُعطينَّ الرايةَ رَجلاً يُحبُّ اللهَ ورسولَه ويُحبُّه اللهُ ورسولُه» فاستَشرفَ لها أصحابُ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فدفَعَها إلى عليٍّ رضي الله عنه(1).

 

209 - (14) أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ العِيسَويُّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ قالَ: حدثنا أبو قِلابةَ عبدُ الملكِ بنُ محمدٍ الرَّقاشيُّ قالَ: حدثنا أبو حُذيفةَ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن أبيه، عن أبي الضُّحى، عن ابنِ عباسٍ رضي الله عنه قالَ:

قالَ العباسُ رضي الله عنه: ما نَلقى يا رسولَ اللهِ مِن قُريشٍ، إذا تلاقَوا تلاقَوا بوُجوهٍ مُشرقةٍ، وإذا لَقيناهم لقُونا بغيرِ ذلكَ، فقالَ: «وَالذي نَفسي بيدِه، لا يَدخلوا الجَنةَ حتى يُؤمنوا، ولا يُؤمنوا حتى يُحبُّوكم للهِ ولرسولِهِ، أتَرجو مُرادُ شَفاعَتي ولا يَرجوها بَنو عبدِ المطلبِ!»(2).

 

210 - (15) أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حَسْنونَ قالَ: حدثنا محمد بنُ عَمرو قال: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ الجبارِ العُطارديُّ قالَ: حدثنا أبو معاويةَ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي سعيدٍ الُخدريِّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَسبُّوا أَصحابي، / فوَالذي نَفسي بيدِهِ لو أنَّ أحدَكم أنفَقَ مِثلَ أُحدٍ ذَهباً ما أدرَكَ مُدَّ أحدِهم ولا نَصيفَهُ»(3).

 

211 - (16) أخبرنا أبو الحسينِ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ

--------------------------------------------

(1) أخرجه مسلم (2405) من طريق سهيل بن أبي صالح به.

(2) تقدم (145).

(3) تقدم (144).
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমি অবশ্যই এমন এক ব্যক্তির হাতে এই পতাকা অর্পণ করব, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালোবাসেন»। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এর প্রত্যাশায় উন্মুখ হয়ে রইলেন, অতঃপর তিনি তা আলীর (রা.) হাতে অর্পণ করলেন(১)।

 

২০৯ - (১৪) আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম আল-ঈসায়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু কিলাবা আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আর-রাকাশী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুযায়ফা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবুয যুহা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আব্বাস (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কুরাইশদের পক্ষ থেকে এমন আচরণের সম্মুখীন হই যে, তারা যখন একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ করে তখন উজ্জ্বল (হাস্যোজ্জ্বল) মুখে সাক্ষাৎ করে, কিন্তু যখন আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করে তখন তেমনটি করে না। তখন তিনি বললেন: «সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তারা ততক্ষণ জান্নাতে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না তারা ঈমান আনবে, আর তারা ততক্ষণ মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য তোমাদের ভালোবাসবে। মুরাদ (গোত্র) কি আমার সুপারিশের আশা করবে অথচ আব্দুল মুত্তালিবের বংশধরেরা তা করবে না!»(২)।

 

২১০ - (১৫) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসনুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না, / সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমাদের কেউ যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করে, তবে তা তাদের কারোর এক মুদ্দ (এক আঁজলা) বা তার অর্ধেকের সমানও হবে না»(৩)।

 

২১১ - (১৬) আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...

--------------------------------------------

(১) মুসলিম (২৪০৫) সুহাইল ইবনে আবু সালিহের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (১৪৫)।

(৩) পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (১৪৪)।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ১৯৯)
قالَ: أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ جعفرٍ الجَوزيُّ قالَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عُبيدٍ قالَ: حدثنا أبو نصرٍ التَّمارُ قالَ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن عليِّ بنِ زيدٍ، عن حميدٍ(1)، عن أنسٍ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «المؤمنُ مَن أمِنَه الناسُ، والمسلمُ مَن سَلِمَ المُسلمونَ مِن لِسانِه ويدِهِ، والمُهاجرُ مَن هَجَرَ السوءَ، والذي نَفسي بيدِهِ لا يَدخلُ الجَنةَ عبدٌ لا يأمَنُ جارُه بوائِقَه»(2).

 

212 - (17) أخبرنا أحمدُ بنُ عليِّ بنِ الحسنِ المقرئُ قالَ: أخبرنا حامدُ بنُ محمدٍ الهَرويُّ قالَ: أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ قالَ: حدثنا أبو عُبيدٍ القاسمُ بنُ سَلَّامٍ قالَ: حدثنا أبو معاويةَ، عن الأعمشِ، عن سالمِ بنِ أبي الجعدِ قالَ: جاءَ أهلُ نجرانَ إلى عليٍّ رضي الله عنه فَقالوا: شَفاعتُكَ بلِسانِكَ، وكتابُكَ بيدِكَ، أخرَجَنا عمرُ مِن أرضِنا فرُدَّها إلينا، فقالَ: إنَّ عمرَ كانَ رَشيدَ الأمرِ، ولا أُغيِّرُ شيئاً صنَعَه عمرُ رضي الله عنه(3).

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل، ولعل الصواب: «وحميد» كما في «الترغيب والترهيب» لقوام السنة (880) من طريق أبي الحسين بن بشران شيخ المصنف، وكما هو عند ابن أبي الدنيا وغيره.

(2) هو في «الصمت» لابن أبي الدنيا (28).

وأخرجه أحمد (3/ 154)، والبزار (7432)، وابن حبان (510)، والحاكم (1/ 11)، والضياء في «المختارة» (2031) من طريق حماد بن سلمة، عن علي بن زيد ويونس بن عبيد وحميد، عن أنس. ولم يذكر الحاكم علي بن زيد.

وصححه الألباني في «الصحيحة» (549).

(3) هو في «الأموال» لأبي عبيد (296).

وقال الألباني في «ضعيف أبي داود» (2/ 442): ورجاله ثقات لكنه منقطع، سالم لم يسمع من علي، وتابعه الشعبي عن علي في «خراج يحيى» (31)، وسنده صحيح إن كان الشعبي سمع من علي.
তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-জাওজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আত-তাম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, আলী বিন যায়েদ থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে(১), তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন,

নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিন সেই ব্যক্তি যার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, আর মুসলিম সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে, আর মুহাজির সেই ব্যক্তি যে মন্দ বিষয় পরিত্যাগ করে। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, এমন কোনো বান্দা জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয়»(২)।

 

২১২ - (১৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামিদ বিন মুহাম্মদ আল-হারাবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আল-আমাশ থেকে, তিনি সালিম বিন আবি আল-জাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নাজরানবাসীরা আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বলল: আপনার সুপারিশ আপনার জিহ্বায় এবং আপনার লিখিত নির্দেশ আপনার হাতে; উমর আমাদের আমাদের ভূমি থেকে বের করে দিয়েছেন, অতএব আপনি তা আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন: নিশ্চয়ই উমর সঠিক পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, আর উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু যা করেছেন আমি তাতে কোনো পরিবর্তন করব না(৩)।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে। সম্ভবত সঠিক পাঠ হবে: «এবং হুমাইদ», যেমনটি কাওয়ামুস সুন্নাহর «আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব» (৮৮০) গ্রন্থে সংকলকের শিক্ষক আবু আল-হুসাইন বিন বিশরানের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে এবং ইবনে আবিদ দুনিয়া ও অন্যদের নিকট যেমনটি রয়েছে।

(২) এটি ইবনে আবিদ দুনিয়ার «আস-সামত» (২৮) গ্রন্থে রয়েছে।

আহমদ (৩/১৫৪), আল-বাযযার (৭৪৩২), ইবনে হিব্বান (৫১০), আল-হাকিম (১/১১) এবং আদ-দিয়া «আল-মুখতারা» (২০৩১) গ্রন্থে হাম্মাদ বিন সালামাহর সূত্রে আলী বিন যায়েদ, ইউনুস বিন উবাইদ এবং হুমাইদ থেকে, তাঁরা আনাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আল-হাকিম আলী বিন যায়েদ-এর নাম উল্লেখ করেননি।

আলবানী «আস-সহীহা» (৫৪৯) গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন।

(৩) এটি আবু উবাইদের «আল-আমওয়াল» (২৯৬) গ্রন্থে রয়েছে।

আলবানী «যঈফ আবু দাউদ» (২/৪৪২) গ্রন্থে বলেন: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য কিন্তু এটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি); সালিম আলী থেকে শ্রবণ করেননি। আশ-শা’বী «খারাজু ইয়াহইয়া» (৩১) গ্রন্থে আলী থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন, আর যদি আশ-শা’বী আলী থেকে শুনে থাকেন তবে এর সনদ সহীহ।
(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালি তিরাদ আজ-জাইনাবী (পৃষ্ঠা: ২০০)
آخِرُه

والحمدُ للهِ ربِّ العالَمينَ

وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ النبيِّ وآلِه وصحبِه أجمعينَ

* * *

شاهدتُّ في الأصلِ:

سماعُ أبي عبدِ اللهِ محمدٍ وأبي محمدٍ عبدِ الرحمنِ ابنَي أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ القاهرِ الطُّوسيِّ مِن نَقيبِ النُّقباءِ في شهرِ ربيعٍ الآخِرِ سَنةَ تسعينَ وأربعِمئةٍ.

وأُخرى:

سمعَه بقراءَتي على القاضي الإمامِ مُسددِ الدِّينِ أبي محمدٍ عبدِ الرحمنِ بنِ أحمدَ الطُّوسيِّ: ولدُهُ أبو المَحاسنِ عبدُ الكريمِ، وعليُّ بنُ مجاهدٍ، وحسنُ بنُ حسينٍ، وأبو القاسمِ بنُ أحمدَ الجَزريُّ، وعبدُ العزيزِ بنُ عليٍّ الخياطُ، و .. .. بن إبراهيم، ومحمدُ بنُ منصورٍ، يومَ الجمعةِ قبلَ الصلاةِ للعِشرينَ مِن جُمادى الأُولى سَنةَ ثمانٍ وخمسينَ وخمسِمئةٍ، بجامعِ المَوصلِ عمَرَه اللهُ تعالى.

كتَبَه عبدُ المُحسنِ بنُ عبدِ اللهِ بنِ الطُّوسيِّ الخطيبُ بخطِّه في التاريخِ.
সমাপ্ত

এবং সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য

এবং আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন

* * *

আমি মূল পাণ্ডুলিপিতে প্রত্যক্ষ করেছি:

নকীবুন নুয়াবা-এর নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ এবং আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান—আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কাহির আত-তুসীর দুই পুত্র—এর শ্রবণ, চারশত নব্বই হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে।

এবং অপর একটি টীকা:

বিচারপতি ইমাম মুসাদ্দিদুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন আহমাদ আত-তুসীর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এটি শুনেছেন: তাঁর পুত্র আবুল মাহাসিন আব্দুল করীম, আলী বিন মুজাহিদ, হাসান বিন হুসাইন, আবুল কাসিম বিন আহমাদ আল-জাজারী, আব্দুল আযীয বিন আলী আল-খাইয়্যাত, এবং... বিন ইবরাহীম এবং মুহাম্মাদ বিন মানসুর; পাঁচশত আটান্ন হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসের বিশ তারিখ জুমার নামাজের পূর্বে, মসুলের জামে মসজিদে—আল্লাহ তাআলা একে আবাদ রাখুন।

আব্দুল মুহসিন বিন আব্দুল্লাহ বিন আত-তুসী আল-খাতীব উক্ত তারিখে নিজ হাতে এটি লিখেছেন।