(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
أمالي ابن منده- رواية البزاني   (ابن منده محمد بن إسحاق)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أمالي ابن منده- رواية البزاني

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن مَنْدَه العبدي (ت 395 هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আমালি ইবনে মান্দাহ- রিওয়ায়াত আল-বাযানী   (ইবনে মান্দাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আমালি ইবনে মান্দাহ- রিওয়ায়াত আল-বাযানী

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন মান্দাহ আল-আবদি (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামেউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
فِيهِ مَجْلِسٌ مِنْ أَمَالِي الإِمَامِ الْحَافِظِ النَّاقِدِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، رضي الله عنه وَأَرْضَاهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي الْفَضْلِ الْمُطَهَّرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبُزَانِيِّ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ الرَّئِيسِ الأَجَلِّ سَيِّدِ الرُّؤَسَاءِ أَبِي الْفَرَجِ مَسْعُودِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ الثَّقَفِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ، رحمه الله، عَنْهُ.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، وَبِهِ نَسْتَعِينُ
এতে ইমাম, হাফিয, সমালোচক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মানদাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন)-এর শ্রুতলিপি থেকে একটি মজলিস রয়েছে।

তাঁর থেকে শায়খ আবুল ফাদল আল-মুতাহহার ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-বুজানি-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে মহান প্রধান, প্রধানদের নেতা আবুল ফারাজ মাসউদ ইবন আল-হাসান ইবন আল-কাসিম আস-সাকাফি আল-আসফাহানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর বর্ণনা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে, এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
1 - أَخْبَرَنَا الرَّئِيسُ أَبُو الْفَرَجِ مَسْعُودُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، فِي سَنَةِ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنبا الشَّيْخُ أَبُو الْفَضْلِ الْمُطَهَّرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، إِمْلاءً، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، نا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ، نا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخُو سُفْيَانَ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ أَيُمْنَعُ أَحَدُكُمْ أَنْ يُكَبِّرَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ عَشْرًا، أَوْ يُسَبِّحَ عَشْرًا، أَوْ يَحْمَدَ عَشْرًا، فَذَلِكَ فِي خَمْسِ صَلَوَاتٍ خَمْسُ مِائَةٍ بِاللِّسَانِ وَأَلْفٌ وَخَمْسُ مِائَةٍ فِي الْمِيزَانِ، وَإِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كَبَّرَ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ، وَسَبَّحَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَحَمِدَ ثلاثًا وَثَلاثِينَ، فَتِلْكَ مِائَةٌ بِاللِّسَانِ، وَأَلْفٌ فِي الْمِيزَانِ، قَالَ: وَقَالَ: فَأَيُّكُمْ يَعْمَلُ فِي يَوْمِهِ وَلَيْلَتِهِ أَلْفَيْ وَخَمْسَ مِائَةِ سَيِّئَةٍ "
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রয়িস আবুল ফারাজ মাসউদ ইবনুল হাসান ইবনুল কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, ৫৬১ হিজরি সালে ইসফাহানে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন শায়খ আবুল ফজল আল-মুতাহহার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাযযানি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ; আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার; আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ ইবনে ইয়াযিদ; আমাদের বর্ণনা করেছেন মুবারক ইবনে সাঈদ, যিনি সুফিয়ানের ভাই; তিনি মুসা আল-জুহানি থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে এবং তিনি সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌তোমাদের মধ্যে কেউ কি প্রত্যেক সালাতের শেষে দশবার আল্লাহু আকবার বলতে, অথবা দশবার সুবহানাল্লাহ বলতে, অথবা দশবার আলহামদুলিল্লাহ বলতে অক্ষম? পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে তা মুখে হবে পাঁচশত বার এবং মিযানের পাল্লায় হবে এক হাজার পাঁচশত বার। আর যখন সে তার বিছানায় যাবে তখন যেন চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার, তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ এবং তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ বলে। ফলে তা মুখে হবে একশত বার এবং মিযানের পাল্লায় হবে এক হাজার বার।" তিনি (রাবী) বলেন: তিনি (রাসূলুল্লাহ) আরও বললেন: "তোমাদের মধ্যে কে আছে যে দিনে ও রাতে দুই হাজার পাঁচশত পাপ করে?"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ غَالِبٍ، نا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، نا زَكَرِيَّا بْنُ زَائِدَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: "‌‌ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم سَبْعَ سِنِينَ، فَمَا أَعْلَمُهُ قَالَ لِي: هَلا فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا، وَلا عَابَ عَلَيَّ شَيْئًا قَطُّ "
২ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন গালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইউসুফ আল-আযরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া বিন যায়িদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ বিন আবি বুরদাহ হতে, তিনি আনাস বিন মালিক হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি সাত বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমত করেছি। আমার জানামতে তিনি আমাকে কখনও বলেননি: কেন তুমি এমন এমন করলে না? এবং তিনি কখনও দোষারোপ করেননি আমার কোনো বিষয়ের ওপর।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ، نا أَبُو بَدْرٍ شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ، نا زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ السُّدِّيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: ‌‌«دَخَلَ قَبْرَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْعَبَّاسُ، وَعَلِيٌّ، وَالْفَضْلُ، وَسَوَّى لَحْدَهُ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ هُوَ الَّذِي سَوَّى لُحُودَ قُبُورِ الشُّهَدَاءِ يَوْمَ بَدْرٍ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বদর শুজা ইবনুল ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে খাইসামা, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল আস-সুদ্দী, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরে আব্বাস, আলী এবং ফজল প্রবেশ করেছিলেন। আর আনসারদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি তাঁর লাহদ (কবরের পার্শ্বস্থ কুলুঙ্গি) সমান করেছিলেন, তিনি সেই ব্যক্তিই ছিলেন যিনি বদর যুদ্ধের দিন শহীদদের কবরের লাহদসমূহ সমান করেছিলেন।»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
4 - أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ أَبُو عُثْمَانَ الْحِمْصِيُّ، نا أَبُو عُتْبَةَ أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، نا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: ‌‌«انْقَطَعَتِ الْهِجْرَةُ بَعْدَ الْفَتْحِ»
৪ - সাঈদ বিন ইয়াজিদ আবু উসমান আল-হিমসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উতবাহ আহমদ বিন আল-ফারাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওজায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ বিন আবি লুবাবাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «বিজয়ের পর হিজরত বন্ধ হয়ে গেছে»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ الْهَرَوِيُّ، نا مُعَاذُ بْنُ عِيسَى الْهَرَوِيُّ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَنَحْنُ نَطُوفُ بِالْبَيْتِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ فِيهِنَّ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل مِنْ أَيَّامِ الْعَشْرِ» .

قِيلَ: وَلا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: «وَلا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، إِلا مَنْ خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ ثُمَّ لا يَرْجِعُ حَتَّى تُهْرَاقَ مُهْجَةُ دَمِهِ»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবি সালেহ আল-হারাউয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুয়ায বিন ঈসা আল-হারাউয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আইয়াশ, ইউনুস বিন আবি ইসহাক থেকে, তিনি আবদাহ বিন আবি লুবাবাহ থেকে, তিনি হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমরের মুক্তদাস আবু আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমরা যখন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলাম, তখন তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জিলহজের এই দশ দিনের তুলনায় এমন কোনো দিন নেই যাতে আমল করা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।»

জিজ্ঞাসা করা হলো: আল্লাহর পথে জিহাদও কি নয়? তিনি বললেন: «আল্লাহর পথে জিহাদও নয়; তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে তার জান ও মাল নিয়ে বের হয়েছে এবং তার প্রাণের রক্ত প্রবাহিত হওয়া পর্যন্ত সে আর ফিরে আসেনি (অর্থাৎ শহীদ হয়েছে)»।
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَعْقِلٍ النَّيْسَابُورِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، نا أَبُو قُتَيْبَةَ سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِنَّ الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ لَيُشْرِفُ عَلَى أَهْلِ الْجَنَّةِ كَأَنَّهُ كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ، وَعُمَرَ مِنْهُمْ، وَأَنْعَمَا»
৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাকিল আন-নায়সাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আদ-যুহলি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু কুতাইবা সালম ইবনে কুতাইবা, তিনি ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক থেকে, তিনি আমির আশ-শাবি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই জান্নাতবাসীদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি অন্য জান্নাতবাসীদের ওপর এমনভাবে দীপ্তিমান হবেন যেন তিনি একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র; আর আবু বকর ও উমর তাদের অন্তর্ভুক্ত, এবং তারা কতই না নেয়ামতপ্রাপ্ত ও মর্যাদাবান!»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْعَسْكَرِيُّ، بِمِصْرَ، نا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبْجَرَ، عَنْ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ أَبِي عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَرَأَى أَبِي الَّذِي بِظَهْرِهِ، فَقَالَ: " دَعْنِي أُعَالِجُ الَّذِي بِظَهْرِكَ، فَإِنِّي طَبِيبٌ.

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:‌‌ أَنْتَ الرَّفِيقُ وَاللَّهُ الطَّبِيبُ ".

ثُمَّ قَالَ لأَبِي: " مَنْ ذَا الَّذِي مَعَكَ؟ قَالَ: ابْنِي
.

قَالَ: أَمَا إِنَّهُ لا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلا تَجْنِي عَلَيْهِ "
৭ - আহমাদ ইবনে ইসমাঈল আল-আসকারী মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে আবদিল আ'লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান ইবনে উয়ায়নাহ থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে আবজার থেকে, তিনি ইয়াদ ইবনে লাকিত থেকে, তিনি আবু রিমসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম। তখন আমার পিতা তাঁর পিঠের ওপর যা ছিল তা দেখলেন এবং বললেন: "আমাকে আপনার পিঠের ওপর যা আছে তার চিকিৎসা করতে দিন, কেননা আমি একজন চিকিৎসক।"

অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:‌‌ "তুমি হলে দয়াবান সাথী, আর আল্লাহ হলেন প্রকৃত চিকিৎসক।"

তারপর তিনি আমার পিতাকে বললেন: "তোমার সাথে ওটি কে?" তিনি বললেন: "আমার পুত্র"
।

তিনি বললেন: "জেনে রেখো, সে তোমার অপরাধের জন্য দায়ী হবে না এবং তুমিও তার অপরাধের জন্য দায়ী হবে না।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
8 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، قَالا: نا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ حَيَّانَ، نا شُعَيْبُ بْنُ حَرْبٍ، نا مُحِلُّ بْنُ خَلِيفَةَ الضَّبِّيُّ، أنا شَقِيقُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَنَقُولُ: السَّلامُ عَلَى اللَّهِ.

فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاتَهُ، قَالَ: "‌‌ مَنِ الْقَائِلُ السَّلامُ عَلَى اللَّهِ، قُولُوا: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ، وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ "
৮ - উসমান বিন আহমদ বিন ইয়াজিদ এবং আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুআইব বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহিল বিন খলীফা আদ-দাব্বী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাকীক বিন সালামাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম, তখন আমরা বলতাম: আল্লাহর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।

অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর সালাত সমাপ্ত করলেন, তখন তিনি বললেন: "‌‌ কে সেই ব্যক্তি যে বলেছিল 'আল্লাহর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক'? তোমরা বলো: যাবতীয় অভিবাদন আল্লাহর জন্য, যাবতীয় সালাত এবং যাবতীয় পবিত্র বিষয়সমূহ আল্লাহর জন্য। হে নবী, আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেককার বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
9 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، قَالا: نا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ عُتْبَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرْمِيُّ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبْجَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا الْعَمَلُ فِي أَيَّامٍ أَفْضَلُ مِنْهُ فِي هَذِهِ الأَيَّامِ» .

يَعْنِي أَيَّامَ الْعَشْرِ، فَقَالَ رَجُلٌ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلا الْجِهَادُ؟ حَتَّى أَعَادَهَا ثَلاثًا، فَقَالَ: لا، إِلا أَنْ لا يَرْجِعَ "
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব এবং আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ বিন উতবাহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন মুহাম্মাদ আল-জারমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আবি আব্দুল মালিক বিন আবজার, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতিন থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এই দিনগুলোর আমলের তুলনায় অন্য কোনো দিনের আমল অধিক শ্রেষ্ঠ নয়» .

অর্থাৎ (জিলহজ মাসের প্রথম) দশ দিন। তখন এক ব্যক্তি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, জিহাদও কি (এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ) নয়?" এমনকি তিনি তিনবার কথাটি পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: "না, তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে (জিহাদে যাওয়ার পর আর) ফিরে আসেনি।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
10 - حَدَّثَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ النَّصِيبِيُّ، نا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، نا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، عَنِ ابْنِ أَبْجَرَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، قَالَ: لَقِيَنِي أَبُو جُحَيْفَةَ، فَقَالَ لِي: يَا سَلَمَةُ،‌‌ مَا بَقِيَ مِمَّا كُنْتُ أَعْرِفُهُ إِلا هَذِهِ الصَّلاةُ، وَمَا نَفْسٌ تَسُرُّنِي أَنْ تُفْدِيَنِي مِنَ الْمَوْتِ وَلا نَفْسُ ذُبَابٍ.

ثُمَّ بَكَى
10 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইসামা ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে সাইয়্যার আন-নাসিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিসা ইবনে উকবা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে মিগওয়াল, ইবনে আবজার থেকে, সালামা ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি বলেন: আবু জুহাইফা আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং আমাকে বললেন: হে সালামা, আমি যা কিছু জানতাম তার মধ্যে এই সালাত ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এমন কোনো প্রাণ নেই যা আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে মুক্তি দিয়ে আনন্দিত করবে, এমনকি একটি মাছির প্রাণও নয়।

অতঃপর তিনি কাঁদলেন
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
11 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مَالِكٍ، نا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ الْقَزَّازُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْلَى، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ قَرْمٍ، عَنْ أَبِي الْجَحَّافِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لِعَلِيٍّ: ‌‌«أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى؟» .

قَالَ: رَضِيتُ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনুল হাসান ইবনে মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিম আল-কাযযায, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ালা থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে কারম থেকে, তিনি আবু জাহহাফ থেকে, তিনি আলী ইবনে যাইদ ইবনে জুদআন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, আর তিনি সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলীকে বললেন: “তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার নিকট তোমার মর্যাদা ঠিক তেমনি, যেমন মুসার নিকট হারুনের ছিল?”।

তিনি (আলী) বললেন: “আমি সন্তুষ্ট হলাম।”
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
12 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو أُمَيَّةَ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، نا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ سَعِيدُ بْنُ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى، يَذْكُرُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَفَعَهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَمْ يَبْقَ مِنَ الدُّنْيَا إِلا فِتْنَةٌ مُنْتَظَرَةٌ، أَوْ كُلُّ مُحْزِنٍ»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে হারুন আস-সামারকান্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আবু উমায়্যাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে হারব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে আবি বুরদাহ ইবনে আবি মুসা আমার নিকট লিখেছেন, যা তিনি তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «দুনিয়াতে প্রতীক্ষিত ফিতনা অথবা প্রতিটি দুঃখদায়ক বিষয় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْرَائِيلَ النَّيْسَابُورِيُّ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ الْفَضْلِ الْبَجْلِيُّ، نا سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، نا عُمَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُقَدَّمٍ، نا أَبُو عَقْلٍ يَحْيَى بْنُ الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ: أَتَانِي نَاسٌ مِنَ الأَشْعَرِيِّينَ، فَقَالُوا: اذْهَبْ مَعَنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِنَّ لَنَا حَاجَةً، فَذَهَبْتُ مَعَهُمْ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، اسْتَعِنْ بِنَا فِي عَمَلِكَ.

قَالَ أَبُو مُوسَى: فَاعْتَذَرْتُ مِنْ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَخْبَرْتُهُ أَنِّي لَمْ أَدْرِ مَا حَاجَتُهُمْ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّا لا نَسْتَعِينُ فِي عَمَلِنَا مَنْ يُرِيدُهُ»
১৩ - মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসরাঈল আন-নায়সাবূরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনুল ফজল আল-বাজালী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলায়মান ইবন হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবন আলী ইবন মুকাদ্দাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আকীল ইয়াহইয়া ইবনুল মুতাওয়াক্কিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবন আবী বুর্দাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু মূসা আল-আশআরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আশআরী গোত্রের কিছু লোক আমার নিকট এসে বলল: আমাদের সাথে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট চলুন, কারণ আমাদের একটি প্রয়োজন আছে। সুতরাং আমি তাদের সাথে গেলাম। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার প্রশাসনিক কাজে আমাদের নিয়োজিত করুন।

আবু মূসা বলেন: তখন আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এ বিষয়ে ওজর পেশ করলাম এবং তাঁকে জানালাম যে, আমি জানতাম না তাদের প্রয়োজন কী ছিল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই আমরা আমাদের কাজে এমন কাউকে নিয়োগ করি না, যে তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ الْبُخَارِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الضَّوْءِ، نا صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ دُفِعَ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ مُسْلِمٍ يَهُودِيٌّ أَوْ نَصْرَانِيٌّ، فَيُقَالُ: هَذَا فِدَاكَ مِنَ النَّارِ "
14 - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হারিস আল-বুখারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আদ-দাও আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদাকা ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা আল-জুহানী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে, তখন প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির নিকট একজন ইহুদি বা একজন খ্রিস্টানকে হস্তান্তর করা হবে এবং বলা হবে: এ হলো জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তিপণ।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
15 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عِيسَى بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحِيرِيُّ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْهَرَوِيُّ، نا خَالِدُ بْنُ الْهَيَّاجِ بْنِ بَسْطَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُمَيْعٍ الْحَنَفِيِّ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ إِلَى الْفُرَاتِ، فَلَمَّا جَلَسَ صَلَّى عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«مَا مِنْ نَفْسٍ مَنْفُوسَةٍ إِلا قَدْ سَبَقَ لَهَا شَقَاءٌ أَوْ سَعَادَةٌ» .

قَالَ: فَقَامَ الرَّجُلُ مِنَ الْقَوْمِ، فَقَالَ: " فَبِأَيِّ شَيْءٍ نَعْمَلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: كُلٌّ مُيَسَّرٌ لَهُ، ثُمَّ قَرَأَ: {فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى {5} وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى} [الليل: 5-6] "
১৫ - আলী ইবনে ঈসা ইবনে ইবরাহীম আল-হীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে ইদরীস আল-হারাভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনুল হাইয়াজ ইবনে বাসতাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাঈল ইবনে সুমাই আল-হানাফী থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতীন থেকে এবং সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তারা আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমরা আলী ইবনে আবু তালিবের সাথে ফুরাত নদীর দিকে বের হলাম। যখন তিনি বসলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর দরূদ পাঠ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «এমন কোনো প্রাণ নেই যার জন্য দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্য পূর্বেই নির্ধারিত হয়ে যায়নি»।

তিনি বলেন: তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমরা কিসের ভিত্তিতে আমল করব?" তিনি বললেন: "প্রত্যেককে তার (নির্ধারিত গন্তব্যের) জন্য সহজ করে দেওয়া হয়।" অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {সুতরাং যে দান করল এবং তাকওয়া অবলম্বন করল, আর উত্তম বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করল} [আল-লাইল: ৫-৬]।
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
16 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، نا الْحَسَنُ بْنُ ثَوَابٍ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، نا أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم‌‌ لَمْ يَدْخُلِ الْكَعْبَةَ حَتَّى أَمَرَ بِالزُّخْرُفِ فَنُحِّيَ، وَأَمَرَ بِالصَّنَمِ فَكُسِرَ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-হাসান বিন সাওয়াব, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আশ'আস বিন সাওয়ার, আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত, জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত যে, «নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ততক্ষণ পর্যন্ত কাবায় প্রবেশ করেননি যতক্ষণ না তিনি কারুকার্য সরাবার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে, এবং তিনি মূর্তির নির্দেশ দিয়েছেন অতঃপর তা ভেঙে ফেলা হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
17 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَمَّادٍ الْعَسْكَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحُنَيْنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، نا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ:‌‌ أَصَابَنِي رَمَدٌ فَعَادَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
১৭ - আবদুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ আল-আসকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আবিল হুনাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আস-সাবিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবি ইসহাক থেকে, তিনি যাইদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:‌‌ আমি চোখের পীড়ায় আক্রান্ত হয়েছিলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন।
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
18 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مِهْرَانَ الْفَارِسِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّائِغُ، نا قَبِيصَةُ بَنْ عُقْبَةَ، نا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَصُومُ فِي غُرَّةِ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ»
১৮ - আহমদ ইবনে মিহরান আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সায়িগ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাবিদাহ ইবনে উকবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আসিম ইবনে বাহদালাহ থেকে, তিনি জিরর ইবনে হুবাইশ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক মাসের শুরুতে তিন দিন রোজা রাখতেন।
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
19 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْقَيْسَرَانِيُّ، نا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَبِيبٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ، نا الْحُسَيْنُ بنُ الْحَسَنِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَبْدِ الْغَفَّارِ بْنِ الْقَاسِمِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْمَعْرُوفُ كُلُّهُ صَدَقَةٌ، وَالدَّالُّ عَلَى الْخَيْرِ كَفَاعِلِهِ، وَاللَّهُ يُحِبُّ إِغَاثَةَ اللَّهْفَانِ»
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবদুর রহিম আল-কায়সারানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আহমদ বিন হাবিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবি রাজা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আতিয়্যাহ, তিনি আবু মারইয়াম আব্দুল গাফফার বিন আল-কাসিম আল-আনসারি থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেকটি নেক কাজই সদকা, এবং কল্যাণের পথপ্রদর্শনকারী তা সম্পাদনকারীর ন্যায়, আর আল্লাহ বিপদগ্রস্তের সাহায্য করা পছন্দ করেন।»
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
20 - أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَضْرَمِيُّ، بِدِمَشْقَ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ الْمَهْدِيُّ وَأَمَرَنِي أَنْ أَصْلُبَ فِي الْحُكْمِ، وَقَالَ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ قَالَ اللَّهُ عز وجل: لأَنْتَقِمَنَّ مِنَ الظَّالِمِ فِي عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، وَلأَنْتَقِمَنَّ مِمَّنْ رَأَى مَظْلُومًا فَقَدرَ أَنْ يَنْصُرَهُ فَلَمْ يَفْعَلْ "
২০ - দামেস্কে খালিদ বিন আহমাদ আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন হামযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা তাঁর পিতার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল-মাহদি আমার নিকট লিখেছেন এবং আমাকে বিচারে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি তাঁর পত্রে আমার নিকট বলেছেন: আমার পিতা তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি তাঁর দাদার সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "‌‌ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: আমি অবশ্যই জালিমের থেকে তার ইহকালে ও পরকালে প্রতিশোধ গ্রহণ করব, এবং আমি অবশ্যই সেই ব্যক্তির নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব যে কোনো মজলুমকে দেখেছে এবং তাকে সাহায্য করার সামর্থ্য রাখা সত্ত্বেও তাকে সাহায্য করেনি।"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ قُرَيْبٍ، قَالَ: قِيلَ لأَعْرَابِيٍّ: مَا أَحْسَنَ ثَنَاءَ النَّاسِ عَلَيْكَ! قَالَ: بَلاءُ اللَّهِ عِنْدِي أَحْسَنُ مِنْ مَدْحِ الْمَادِحِينَ وَإِنْ أَحْسَنُوا، وَذُنُوبِي أَكْثَرُ مِنْ ذَمِّ الذَّامِّينَ وَإِنْ أَكْثَرُوا، فَيَا أَسَفِي عَلَى مَا فَرَّطْتُ، وَيَا سَوْءَتَاهُ مِمَّا قَدَّمْتُ
২১ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবন ইসমাইল আল-মাদায়িনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়ালা যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবন কুরাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক বেদুইনকে বলা হলো, "আপনার সম্পর্কে মানুষের প্রশংসা কতই না চমৎকার!" সে বলল, "আমার নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা পরীক্ষা প্রশংসাকারীদের প্রশংসার চেয়েও উত্তম, যদিও তারা তা সুন্দরভাবে করে; আর আমার পাপসমূহ নিন্দুকদের নিন্দার চেয়েও অধিক, যদিও তারা তা অনেক বেশি করে। হায় আফসোস আমার অবহেলার জন্য, আর হায় পরিতাপ আমার কৃতকর্মের জন্য!"
(খণ্ড: ১) আমালী ইবনু মানদাহ- রিওয়ায়াতুল বাযযানী (পৃষ্ঠা: -)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: قَالَ الْمَأْمُونُ قَالَ لِيَ الرَّشِيدُ: مَا رَأَتْ عَيْنَايَ مِثْلَ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، قَالَ لِي: فَرِّغْ قَلْبَكَ لِلْحُزْنِ وَالْخَوْفِ حَتَّى يَسْكُنَاهُ فَيَقْطَعَانِكَ عَنْ
২২ - আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইবরাহিম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মামুন বলেছেন, আল-রশীদ আমাকে বলেছেন: আমার দুই চোখ ফুযাইল ইবনে আয়াযের মতো কাউকে দেখেনি। তিনি আমাকে বলেছিলেন: তোমার অন্তরকে দুঃখ ও ভয়ের জন্য খালি করো, যাতে তারা সেখানে বসতি স্থাপন করে এবং তা তোমাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়...