(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: -)
الألغاز النحوية = الطراز في الألغاز   (الجلال السيوطي)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الألغاز النحوية وهو الكتاب المسمى (الطراز في الألغاز)

المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911هـ)

الناشر: المكتبة الأزهرية للثراث

عام النشر: 1422 هـ - 2003 م

عدد الصفحات: 86

أعده للشاملة: أبو إبراهيم حسانين

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 صفر 1432

আল-আলগাজ আন-নাহউইয়্যাহ = আত-তিরাজ ফিল-আলগাজ   (আল-জালাল আস-সুয়ূতী)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


গ্রন্থ: আল-আলগাজ আন-নাহউইয়্যাহ যা মূলত (আত-তিরাজ ফিল-আলগাজ) নামে অভিহিত

লেখক: আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর, জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু ৯১১ হিজরি)

প্রকাশক: আল-মাকতাবাহ আল-আজহারিয়্যাহ লিত-তুরাস

প্রকাশকাল: ১৪২২ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৬

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আবু ইবরাহিম হাসনাইন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ সফর ১৪৩২

(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: -)
ـ[الألغاز النحوية وهو الكتاب المسمى (الطراز في الألغاز)]ـ

المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (المتوفى: 911هـ)

الناشر: المكتبة الأزهرية للثراث

عام النشر: 1422 هـ - 2003 م

عدد الأجزاء: 1

أعده للشاملة/ أبو إبراهيم حسانين

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[ব্যাকরণগত ধাঁধা, যা "আত-তিরাজ ফিল আলগাজ" নামে পরিচিত]

লেখক: আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর, জালালুদ্দীন আল-সুয়ূতী (মৃত্যু: ৯১১ হিজরি)

প্রকাশক: মাকতাবা আল-আযহারিয়া লিত-তুরাস

প্রকাশের বছর: ১৪২২ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আবু ইব্রাহিম হাসানাইন

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة الإمام السيوطى

الحمد لموليه، والصلاة والسلام على نبيه محمد وآله وذويه.

هذا كتاب في الألغاز والأحاجي والمطارحات والممتحنات والمعاياة، وهو منثور غير مرتب وسميته:

الطراز في الألغاز

* * *

 

‌‌اللغز النحوي قسمان قسم يطلب به تفسير المعنى وقسم يطلب به تفسير الإعراب

قال الشيخ جمال الدين بن هشام في كتابه (موقظ الوسنان وموقد الأذهان).

اعلم أن اللغز النحوي قسمان، أحدهما ما يطلب به تفسير المعنى، والآخر ما يطلب به وجه الإعراب.

* * *

 

‌‌بعض ألغاز الحريري

* ما يطلب به تفسير المعنى:

فالأول كقول الحريري ما العامل الذي يتصل آخره بأوله - ويعمل معكوسه مثل عمله؟.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌ইমাম সুয়ূতী-র ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা তাঁর মহান রবের জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর।

এটি ধাঁধা, হেয়ালি, বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক, পরীক্ষা এবং জটিল ভাষাগত সমস্যার একটি কিতাব। এটি গদ্য আকারে অবিন্যস্তভাবে সংকলিত এবং আমি এর নামকরণ করেছি:

আত-তিরাজ ফিল আলগাজ

* * *

 

‌‌নাহু সংক্রান্ত ধাঁধা দুই প্রকার; এক প্রকার যার দ্বারা অর্থের ব্যাখ্যা চাওয়া হয় এবং অন্য প্রকার যার দ্বারা ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের (ইরাব) ব্যাখ্যা চাওয়া হয়

শায়খ জামালুদ্দিন ইবনে হিশাম তাঁর কিতাব (মুওকিজ আল-ওসনান ওয়া মুওকিদ আল-আযহান)-এ বলেছেন:

জেনে রাখুন যে, নাহু সংক্রান্ত ধাঁধা দুই প্রকার। একটি হলো যার মাধ্যমে অর্থের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, আর অন্যটি হলো যার মাধ্যমে ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের (ইরাব) ধরন অনুসন্ধান করা হয়।

* * *

 

‌‌হারীরী-র কিছু ধাঁধা

* যার দ্বারা অর্থের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়:

প্রথমটি হলো যেমন হারীরী-র বক্তব্য: “সেই আমিল কোনটি যার শেষাংশ তার প্রথমাংশের সাথে যুক্ত থাকে—এবং এর বিপরীত রূপটিও তার মূলের মতোই আমল সম্পন্ন করে?”
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১০)
وتفسيره: (يا) في النداء فإنه عامل النصب في المنادى وهو حرفان فآخره متصل بأوله ومعكوسه وهو (أي) حرف نداء أيضًا.

وكقوله أيضًا: وما منصوب أبدا على الظرف لا يخفضه سوى حرف.

وجوابه: لفظة (عند)، تقول جلست عنده وأتيت من عنده لا يكون إلا منصوبًا على الظرفية أو مخفوضًا بمن خاصة، فأما قول العامة سرت إلى عنده فخطأ.

فإن قيل: لدن وقبل وبعد بمنزلة عند في ذلك فما وجه تخصيصك إياها؟

قلت: لدن مبنية في أكثر اللغات فلا يظهر فيها نصب ولا خفض، وقبلُ وبعد يكونان مبنيين كثيرًا وذلك إذا قطعا عن الإضافة، وإنما تبين الألغاز والتمثيل بما يكون الحكم فيه ظاهرًا.

وكقوله وأينَ تلبسُ الذكرانُ براقع النسوان، وتبرُز رباتُ الحِجال بعمائم الرجال.

وجوابه: باب العدد من الثلاثة إلى العشرة تثبت التاء فيه في المذكر وتحذف في المؤنث.

* * *

* " ما يطلب به تفسير الإعراب: والثاني - وهو الذي يطلب فيه تفسير الإعراب وتوجيهه، لا بيان المعنى، كقول الشاعر:

جَاءك سُليمانُ أبو هاشما … فقد غدا سيدها الحارث
এর ব্যাখ্যা হলো: সম্বোধনের ক্ষেত্রে (يا - ইয়া), কারণ এটি মুনাদা (সম্বোধিত পদ)-এর ক্ষেত্রে নসবের আমেল (عامل النصب)। এটি দুটি বর্ণ বিশিষ্ট, যার শেষ বর্ণটি প্রথমটির সাথে যুক্ত এবং এর বিপরীত হলো (أي - আই), যা-ও একটি সম্বোধনসূচক অব্যয়।

অনুরূপভাবে তাঁর উক্তি: এমন কী যা সর্বদা যরফ (ظرف) হিসেবে মানসুব (منصوب) হয় এবং 'হারফ' (حرف) ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা মাজরুর (مخفوض) হয় না?

এর উত্তর হলো: (عند - ইনদা) শব্দটি। আপনি বলেন: جلست عنده এবং أتيت من عنده। এটি যরফ (ظرف) হওয়া হিসেবে মানসুব (منصুব) হওয়া অথবা বিশেষভাবে 'মিন' (من) দ্বারা মাজরুর (مخفوض) হওয়া ব্যতীত অন্য কোনো অবস্থায় থাকে না। সাধারণ মানুষের কথা "سرت إلى عنده" বলাটি ভুল।

যদি প্রশ্ন করা হয়: (لدن - লাদুন), (قبل - কাবলু) এবং (بعد - বা'দু) এই ক্ষেত্রে (عند - ইনদা)-এর সমপর্যায়ভুক্ত, তবে আপনি কেন একে নির্দিষ্ট করলেন?

আমি উত্তরে বলব: (لدن - লাদুন) অধিকাংশ ভাষাতেই মাবনি (مبني), তাই এতে নসব (نصب) বা জর (خفض) প্রকাশ পায় না। আর (قبل - কাবলু) ও (بعد - বা'দু) অনেক ক্ষেত্রে মাবনি (مبني) হয়ে থাকে যখন তা ইদাফাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। ধাঁধা ও উদাহরণ তো এমন শব্দ দিয়ে দিতে হয় যার বিধান প্রকাশ্য (ظاهر) থাকে।

এবং তাঁর উক্তি: কোথায় পুরুষরা মহিলাদের নেকাব পরিধান করে এবং পর্দানশীন মহিলারা পুরুষদের পাগড়িতে আবির্ভূত হয়?

এর উত্তর হলো: তিন থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যার পরিচ্ছেদ, যেখানে পুংলিঙ্গের ক্ষেত্রে 'তা' (ة) যুক্ত হয় এবং স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে তা বিলুপ্ত হয়।

* * *

* " যার দ্বারা ইরাবের ব্যাখ্যা (تفسير الإعراب) অন্বেষণ করা হয়: দ্বিতীয় প্রকার—যাতে ইরাবের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ চাওয়া হয়, অর্থের বর্ণনা নয়; যেমন কবির উক্তি:

সুলাইমান আবু হাশেম তোমার কাছে এসেছে … কারণ তার নেতা আল-হারিস হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১১)
شرحه: جاء فعل ماض كسليمان جار ومجرور وعلامة الجر الفتح لأنه لا ينصرف، وإنما أفردت الكاف في الخط ليتأتى الإلغاز، أبوها فاعل جاء، والضمير لامرأة قد عرفت من السياق، شما فعل أمر من شام البرق يشيمه ونونه للتوكيد كتبت بالألف على القياس، سيدها نصب بشم كما تقول انظر سيدَها، والحارث فاعل غدا - انتهى كلام ابن هشام.

* لغز لابن هشام: وقال ابن هشام في (المغني): مسألة يحاجي بها فيقال: ضمير مجرور لا يصح أن يعطف عليه اسم مجرور أعدت الجار أم لم تعده.

وهو الضمير المجرور بلولا نحو لولاي وموسى لا يقال إن موسى فى محل الجر لأنه لا يعطف على الضمير المجرور من غير إعادة الجار هنا، لأن لولا لا تجر الظاهر، فلو أعيدت لم تعمل الجر بل يحكم للمعطوف والحالة هذه بالرفع، لأن لولا محكوم لها بحكم الحروف الزائدة والزائدة لا تقدح في كون الاسم مجردًا من العوامل اللفظية، فكذا ما أشبه الزائدة.

عود لألغاز الحريري: قال ما كلمة إن شئتم هي حرف محبوب، أو اسم لما فيه حرف حلوب؟

وأي اسم يتردد بين فرد حازم، وجمع ملازم؟

وأية هاء إذا التحقت أماطت الثقل، وأطلقت المعتقل؟

وأين تدخل السير فتعزل العامل من غير أن تجامل؟
ব্যাখ্যা: 'জাআ' (جاء) হলো একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض)। 'কাসুলাইমানা' (كسليمان) হলো অব্যয় ও পরবর্তী বিশেষ্যের সমন্বয় (جار ومجرور) এবং এর জরের চিহ্ন (علامة الجر) হলো ফাতহা (الفتح), কারণ এটি রূপান্তরহীন (لا ينصرف)। ধাঁধাটি সম্পন্ন করার নিমিত্তে এখানে 'কাফ' (الكاف) বর্ণটিকে পৃথকভাবে লেখা হয়েছে। 'আবুহা' (أبوها) হলো 'জাআ' (جاء) ক্রিয়াটির কর্তা (فاعل), আর এখানে সর্বনামটি (الضمير) একজন মহিলার দিকে নির্দেশ করছে যা প্রেক্ষাপট থেকে নির্ণয় করা হয়েছে। 'শুম্মা' (شما) হলো 'শামা আল-বারকা ইয়াশিমুহু' থেকে আগত একটি আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر) এবং এর তাকিদ প্রদানের নুন (نونه للتوكيد) প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আলিফ দ্বারা লেখা হয়েছে। 'সাইয়িদাহা' (سيدها) শব্দটি 'শুম্মা' (شم) দ্বারা নসব (نصب) প্রাপ্ত হয়েছে, যেমন আপনি বলে থাকেন 'তার মনিবকে দেখো'। আর 'আল-হারিস' (الحارث) হলো 'গাদা' (غدا) ক্রিয়ার কর্তা (فاعل)। - ইবনে হিশামের বক্তব্য সমাপ্ত।

* ইবনে হিশামের একটি ধাঁধা: ইবনে হিশাম আল-মুগনি গ্রন্থে বলেছেন: একটি মাসয়ালা যা নিয়ে ধাঁধা বা বুদ্ধির পরীক্ষা নেওয়া হয়, তা হলো: এমন একটি মাজরুর সর্বনাম (ضمير مجرور) যার ওপর কোনো মাজরুর বিশেষ্যকে আতফ (عطف) করা শুদ্ধ নয়, চাই আপনি অব্যয়টি পুনরায় উল্লেখ করুন কিংবা না করুন।

আর সেটি হলো 'লাওলা' (لولا) এর পরবর্তী মাজরুর সর্বনাম (الضمير المجرور), যেমন: 'লাওলাই ওয়া মুসা' (لولاي وموسى)। এখানে বলা যাবে না যে 'মুসা' শব্দটি জরের স্থানে (في محل الجر) রয়েছে; কারণ এখানে অব্যয়টি পুনরায় উল্লেখ করা ছাড়া মাজরুর সর্বনামের ওপর আতফ (عطف) করা বৈধ নয়। যেহেতু 'লাওলা' কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্যকে (الظاهر) জর (جر) প্রদান করে না, তাই অব্যয়টি পুনরায় ফিরিয়ে আনা হলেও তা জরের আমল করবে না। বরং এমতাবস্থায় আতফকৃত শব্দটিকে রফ (رفع) প্রদানের বিধান দেওয়া হবে। কারণ 'লাওলা' অতিরিক্ত হরফসমূহের (الحروف الزائدة) পর্যায়ভুক্ত, আর অতিরিক্ত হরফ কোনো বিশেষ্যকে শাব্দিক আমলসমূহ (العوامل اللفظية) থেকে মুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না। অতিরিক্ত হরফের সদৃশ শব্দগুলোর ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য।

হারিরির ধাঁধার দিকে প্রত্যাবর্তন: তিনি বললেন, এমন কোন শব্দ যা আপনারা চাইলে একটি পছন্দনীয় হরফ (حرف), অথবা এমন কিছুর নাম যার মধ্যে দুগ্ধবতী পশুর সংশ্লিষ্ট অক্ষর বিদ্যমান?

এবং এমন কোন বিশেষ্য (اسم) যা একজন দৃঢ়সংকল্প ব্যক্তি এবং একটি অবিচ্ছেদ্য দলের মধ্যে আবর্তিত হয়?

এবং এমন কোন 'হা' (هاء) যা যুক্ত হলে তা ভারী বোঝা লাঘব করে এবং বন্দিকে মুক্ত করে দেয়?

এবং ভ্রমণের গতি (السير) কোথায় প্রবেশ করলে তা কোনো প্রকার সৌজন্য প্রদর্শন ছাড়াই আমিল বা কার্যসম্পাদনকারীকে (العامل) অপসারিত করে দেয়?
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১২)
وأي مضاف أخل من عرى الإضافة بعروة، واختلف حكمه بين مساء وغدوة؟

وأي عامل نائبه أرحب منه وكرا، وأعظم مكرا، وأكثر لله تعالى ذكرًا؟

وأين يجب حفظ المراتب على المضروب والضارب.

وأي اسم لا يفهم إلا باستضافة كلمتين، والاقتصار منه على حرفين، وفي وضعه الأول التزام وفى الثاني إلزام؟

وأي وصف إذا أردف بالنون نقص من العيون وقوم بالدون وخرج من الزبون وتعرض للهون.

أراد بالأول نعم.

وبالثاني سراويل.

وبالثالث هاء التأنيث الداخلة على الجمع المتناهى، نحو زنادقة وصياقلة وتبابعة.

وبالرابع باب إنْ المخففة من الثقيلة.

وبالخامس لدن.

وبالسادس باء القسم ونائبه الواو.

وبالسابع نحو كلم موسى عيسى.
কোন সম্বন্ধপদ (مضاف) সম্বন্ধের (إضافة) বন্ধনসমূহ থেকে একটি বন্ধন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং যার বিধান সকাল ও সন্ধ্যার ব্যবধানে পরিবর্তিত হয়ে যায়?

কোন আমলকারী (عامل) যার স্থলাভিষিক্ত তার চেয়েও অধিক শক্তিশালী, অধিক কৌশলী এবং মহান আল্লাহর অধিক জিকিরকারী?

কোথায় আঘাতকারী এবং আঘাতপ্রাপ্তের পদের ক্রম রক্ষা করা আবশ্যক হয়?

কোন বিশেষ্য (اسم) যা দুটি শব্দের সাহায্য ব্যতীত বোঝা যায় না, যা মাত্র দুটি বর্ণের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং যার প্রথম অবস্থায় প্রতিশ্রুতি ও দ্বিতীয় অবস্থায় বাধ্যবাধকতা থাকে?

কোন বিশেষণ (وصف) যার শেষে ‘নুন’ যুক্ত হলে তা মর্যাদা হারায়, হীন বলে গণ্য হয়, গ্রহণযোগ্যতা হারায় এবং লাঞ্ছনার শিকার হয়?

প্রথমটি দ্বারা তিনি ‘না‘আম’ (نعم) বুঝিয়েছেন।

দ্বিতীয়টি দ্বারা ‘সারাবিল’ (سراويل) বুঝিয়েছেন।

তৃতীয়টি দ্বারা সেই স্ত্রীলিঙ্গবোধক হা (هاء التأنيث) বুঝিয়েছেন যা চূড়ান্ত বহুবচনের (الجمع المتناهي) অন্তর্ভুক্ত হয়, যেমন: যিনাদিকাহ (زنادقة), সাইয়াক্বিলাহ (صياقلة) এবং তাবাবিআহ (تبابعة)।

চতুর্থটি দ্বারা ভারী থেকে হালকা করা ‘ইন্ন’ (إن المخففة من الثقيلة) এর পরিচ্ছেদ বুঝিয়েছেন।

পঞ্চমটি দ্বারা ‘লাদুন’ (لدن) বুঝিয়েছেন।

ষষ্ঠটি দ্বারা শপথের বা (باء القسم) এবং তার স্থলাভিষিক্ত ওয়াও বুঝিয়েছেন।

সপ্তমটি দ্বারা ‘মুসা ঈসার সাথে কথা বলেছে’ (كلم موسى عيسى) এর ন্যায় উদাহরণ বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৩)
وبالأخير نحو ضيف تدخل عليه النون فيقال ضيفن وهو الطفيلى (1).

* * *

 

‌‌أحاجي الزمخشري

وللزمخشري (كتاب الأحاجي) منثور، وشرحه الشيخ علم الدين السخاوي بشرح سماه (تنوير الدياجي في تفسير الأحاجي) وأتبعه بأحاجي له منظومة، وأنا ألخص الجميع هنا:

قال الزمخشري: أخبرني عن فاعل جمع على فعلة، وفعيل جمع على فعلة.

الأول باب قاض وداع. والئانى نحو سرى وسراة.

وقال: أخبرني عن تنوين يجامع لام التعريف، وليس إدخاله على الفعل من التحريف.

هو تنوين الترنم والغالى.

* وقال: أخبرني عن واحد من الأسماء ثني مجموعًا بالألف والتاء؟

* أخبرني عن موحد في معنى اثنين وعن حركة في حكم حركتين؟

* أخبرني عن حركة وحرف قد استويا، وعن ساكنين على غير حدهما قد التقيا.

--------------------------------------------

(1) لم يذكر جواب اللغز الثامن وهو توله: وأي اسم لا يفهم إلا باستضافة كلمتين أو

الاقتصار منه على حرفين وفى وضعه الأول التزام، وفى الثاني إلزام.
এবং শেষোক্তটির উদাহরণ হলো 'দাইফ' (ضيف - মেহমান), যার সাথে 'নুন' যুক্ত হয়ে 'দাইফান' (ضيفن) হয়, যা দ্বারা অনাহূত অতিথি (الطفيلى) বোঝানো হয় (১)।

* * *

 

‌‌যামাখশারীর ধাঁধাসমূহ

আল্লামা যামাখশারীর 'কিতাবুল আহাজি' নামক একটি গদ্যে রচিত গ্রন্থ রয়েছে, এবং শাইখ আলমউদ্দীন আস-সাখাভী 'তানভীরুদ দায়াজি ফি তাফসিরিল আহাজি' নামক একটি ভাষ্যগ্রন্থের মাধ্যমে এর ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি সেখানে নিজের রচিত কিছু পদ্যবদ্ধ ধাঁধাও যুক্ত করেছেন। আমি এখানে সেগুলোর সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করছি:

যামাখশারী বলেন: আমাকে এমন 'ফায়িল' (فاعل) সম্পর্কে বলো যা 'ফায়ালাহ' (فعلة) ওজনে বহুবচন (جمع) হয়, এবং এমন 'ফায়িল' (فعيل) সম্পর্কে বলো যা 'ফায়ালাহ' (فعلة) ওজনে বহুবচন (جمع) হয়।

প্রথমটি হলো 'কাদিন' (قاض) এবং 'দায়িন' (داع) এর অধ্যায়। আর দ্বিতীয়টি হলো 'সারিয়্যুন' (سرى) এবং 'সারাতুন' (سراة) এর মতো উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন: আমাকে এমন একটি তানভীন (تنوين) সম্পর্কে বলো যা লামে তারিফের (لام التعريف) সাথে একত্রিত হয়, এবং ক্রিয়ার (فعل) মধ্যে তা অন্তর্ভুক্ত করা বিকৃতি (تحريف) নয়।

এটি হলো তানভীনুত তারাননুম (تنوين الترنم) এবং তানভীনুল গালি (الغالى)।

* তিনি বলেন: আমাকে এমন একটি একবচন বিশেষ্য (اسم) সম্পর্কে বলো যাকে আলিফ এবং তা-এর (الألف والتاء) মাধ্যমে বহুবচন (مجموعًا) করার পর পুনরায় দ্বিবচন করা হয়েছে?

* আমাকে এমন একটি একবচন (موحد) সম্পর্কে বলো যা দ্বিবচনের অর্থে ব্যবহৃত হয়, এবং এমন একটি হরকত (حركة) সম্পর্কে বলো যা দুটি হরকতের বিধানে (حكم) রয়েছে?

* আমাকে এমন একটি হরকত (حركة) ও হরফ (حرف) সম্পর্কে বলো যা সমমান হয়ে গেছে, এবং এমন দুটি সাকিন (ساكنين) সম্পর্কে বলো যা তাদের সাধারণ সীমার বাইরে একত্রিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) এখানে অষ্টম ধাঁধার উত্তর উল্লেখ করা হয়নি, যা হলো তাঁর উক্তি: এমন কোন ইসম (اسم) যা দুটি শব্দকে পরষ্পর সম্বন্ধযুক্ত করা ছাড়া অথবা দুটি হরফের (حرفين) ওপর সীমাবদ্ধ করা ছাড়া বোঝা যায় না? যার মূল গঠনে রয়েছে আবশ্যকতা (التزام) এবং দ্বিতীয়টিতে রয়েছে বাধ্যবাধকতা (إلزام)।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৪)
* أخبرني عن اسم على أربعة فيه سببان لم يمتنع صرفه بإجماع، وعن آخر ما فيه إلا سبب واحد وهو حقيق بالامتناع.

أخبرني عن فاء ذات فنين وعن لام ذات لونين.

الأولى - نحو البرى والسرى والبث والنث وقاتعه الله وكاتعه بمعنى قاتله، وبيد أني من قريش وميد أني، ونحو وزن وأزن.

وهو قياس مطرد في المضموم وفى المكسور نحو وشاح وإشاح ووعاء وإعاء، والمفتوح نحو وسن وأسن ووبد وأبد إذا غضب، ووله وأله تحير، وما وبه له وما أبه سماع بإجماع.

والثانية - نحو عضه وسنه هي هاء في عضه وعضاه وبعير عاضه وعضه أي راعى العضاه، وعضهه إذا شتمه، وفى نخلة سنهاء وسانهت الأجير، وواو في عضوات وسنوات.

* أخبرني عن نسب بغير يائه - وعن تأنيث بتاء ليس بتائه.

الأول: ما دل عليه بالصيغة نحو عواج وبتار ودراع ولابن، ونظير دلالتي العلامة والصيغة قولك لتضرب واضرب.

والفرق بين البنائين أن فعالا لما هو صيغة وفاعلا لمباشرة الفعل.

والثاني: بنت وأخت لأن تاءهما بدل من الواو والتي هي لام، إلا أن اختصاص المؤنث بالإبدال دون المذكر قام علمًا للتأنيث فكأن هذه التاء لاختصاصها كتاء التأنيث، ونحوها التاء في مسلمات هي
আমাকে এমন একটি বিশেষ্য (اسم) সম্পর্কে বলুন যাতে চারটি বর্ণ রয়েছে এবং যাতে (রূপান্তর নিষিদ্ধ হওয়ার) দুটি কারণ থাকা সত্ত্বেও সর্বসম্মতভাবে (إجماع) তার রূপান্তর (صرف) নিষিদ্ধ হয়নি; এবং অন্য একটি শব্দ সম্পর্কে বলুন যাতে মাত্র একটি কারণ থাকা সত্ত্বেও তা নিষিদ্ধ হওয়ার যোগ্য।

আমাকে দুই প্রকারের ফা (فاء) এবং দুই বর্ণের লাম (لام) সম্পর্কে বলুন।

প্রথমটি হলো— যেমন البرى (আল-বিরা), السرى (আস-সারি), البث (আল-বাস্‌স), النث (আন-নাস্‌স), এবং 'قاتعه الله' (কাতায়াহুল্লাহ) ও 'كاتعه' (কাতায়াহু) যার অর্থ 'قاتله' (কাতালাহু); এবং 'بيد أني من قريش' (বাইদা আন্নি মিন কুরাইশ) ও 'ميد أني' (মাইদা আন্নি), এবং 'وزن' (ওয়াযান) ও 'أزن' (আযান)-এর মতো শব্দসমূহ।

আর এটি পেশযুক্ত (مضموم) এবং যেরযুক্ত (مكسور) বর্ণের ক্ষেত্রে একটি নিয়মিত নিয়ম (قياس), যেমন: 'وشاح' (উইশাহ) ও 'إشاح' (ইশাহ), এবং 'وعاء' (বি'আ) ও 'إعاء' (ই'আ); আর যবরযুক্ত (مفتوح) বর্ণের ক্ষেত্রে যেমন: 'وسن' (ওয়াসান) ও 'أسن' (আসান), এবং 'وبد' (ওয়াবাদা) ও 'أبد' (আবাদা) যখন সে রাগান্বিত হয়, এবং 'وله' (ওয়ালিহা) ও 'أله' (আলিহা) যখন সে বিভ্রান্ত হয়; আর 'ما وبه له' (মা ওবাহা লাহু) এবং 'ما أبه' (মা আবাহা) শব্দগুলো সর্বসম্মতভাবে (إجماع) শ্রুত (سماع) বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত।

দ্বিতীয়টি হলো— যেমন 'عضه' (আদহ) এবং 'سنه' (সানাহ); এখানে 'عضه' (আদহ), 'عضاه' (ইদাহ), 'بعير عاضه' (বি'ইরুন আদিহ) এবং 'عضه' (আদহ) অর্থাৎ যে উট 'ইদাহ' বৃক্ষ ভক্ষণ করে—এই শব্দগুলোতে হা (هاء) বর্ণটি রয়েছে; এবং 'عضهه' (আদাহাহু) যখন সে তাকে গালি দেয়; এবং খেজুর গাছ 'نخلة سنهاء' (নাখলাতুন সানহা) ও 'سانهت الأجير' (সানাহতুল আজীর)—এর মধ্যে রয়েছে; আর 'عضوات' (আদাওয়াত) ও 'سنوات' (সানাওয়াত) এর মধ্যে এটি ওয়াও (واو) বর্ণ।

আমাকে এমন সম্বন্ধ (نسب) সম্পর্কে বলুন যা তার ইয়া (ياء) ছাড়াই সম্পন্ন হয়— এবং এমন স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) সম্পর্কে বলুন যা এমন তা (تاء) দ্বারা গঠিত যা তার মূল তা (تاء) নয়।

প্রথমটি হলো: যা গঠনের (صيغة) মাধ্যমে নির্দেশিত হয়, যেমন: 'عواج' (আওয়াজ), 'بتار' (বাত্তার), 'دراع' (দিরার) এবং 'لابن' (লাবিন)। চিহ্ন (علامة) এবং গঠনের (صيغة) মাধ্যমে নির্দেশের উদাহরণ হলো আপনার কথা 'لتضرب' (লিতাদরিব) এবং 'اضرب' (ইদরিব)।

এই দুই গঠনের মধ্যে পার্থক্য হলো এই যে, 'فعال' (ফায়্যাল) শব্দটি সেই রূপ (صيغة) যা কোনো কাজের অভ্যাস বা প্রাবল্য বুঝায় এবং 'فاعل' (ফায়িল) শব্দটি সরাসরি কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

দ্বিতীয়টি হলো: 'بنت' (কন্যা) এবং 'أخت' (বোন); কারণ এই শব্দ দুটির তা (تاء) বর্ণটি ওয়াও (واو)-এর পরিবর্তে এসেছে যা শব্দটির লাম (لام) বর্ণ। তবে পুরুষলিঙ্গের বিপরীতে স্ত্রীলিঙ্গকে (تأنيث) এই পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করায় এটি স্ত্রীলিঙ্গত্বের চিহ্নে পরিণত হয়েছে। ফলে এই তা (تاء) বর্ণটি তার বিশেষত্বের কারণে স্ত্রীলিঙ্গবাচক তা (تاء التأنيث)-এর মতো হয়ে গিয়েছে। এর অনুরূপ হলো 'مسلمات' (মুসলিমাত) শব্দের তা (تاء) যা...
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৫)
علامة لجمع المؤنث فلاختصاصها بجمع المؤنث كأنها للتأنيث ومن ثَمَّ لم يجمعوا بينها وبين تاء التأنيث فلم يقولوا مسلمتات.

فإن قلت: ما أدراك أنها ليست تاء تأنيث؟

قلت: لو كانت كذلك لقلبها الواقف هاء في اللغة الشائعة.

فإن قلت: فلم قلبها من قلبها هاء في الوقف فقال البنون والبناه؟

قلت: رآها تعطى ما تعطيه تاء التأنيث فتوهمها مثلها.

* أخبرني: عن نعت مجرور ومنعوته مرفوع، وعن منعوت موحد ونعته مجموع.

الأول نحو هذا جحر ضب خرب.

والثاني قول القطامى:

كأن قيودَ رجلى حين ضمتْ … حَوالب غزرا وَمِعًا جياعا

جعل المعا لفرط جوعه بمنزلة أمعاء جائعة فجمع النعت مع توحيد المنعوت.

* أخبرني عن فصل ليس بين المعرفتين فاصلاً وعن ربَّ على المعرفة داخلاً.

الأول: نحو كان زيد هو خيرًا منك، و {إِن تَرَنِ أَنَا أَقَلَّ مِنكَ مَالاً} [الكهف: 39].
এটি স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচনের (جمع المؤنث) একটি চিহ্ন; যেহেতু এটি কেবল স্ত্রীলিঙ্গ বহুবচনের (جمع المؤنث) জন্যই নির্দিষ্ট, তাই এটি যেন স্ত্রীলিঙ্গ হওয়ারই (تأنيث) পরিচায়ক। এ কারণে তারা এটি এবং স্ত্রীলিঙ্গসূচক তা (تاء التأنيث)-এর মাঝে সমন্বয় করত না, ফলে তারা 'মুসলিমাতাত' বলত না।

আপনি যদি বলেন: আপনি কীভাবে জানলেন যে এটি স্ত্রীলিঙ্গসূচক তা (تاء التأنيث) নয়?

আমি উত্তরে বলব: যদি এটি তেমনই হতো, তবে প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী ওয়াকফকারী (থামলে) একে 'হা' (هاء)-তে রূপান্তরিত করত।

যদি আপনি বলেন: তবে যারা ওয়াকফ করার সময় একে 'হা' (هاء)-তে রূপান্তরিত করে 'আল-বানুন ওয়াল-বানাহ' বলেছে, তাদের বিষয়টি কী?

আমি উত্তরে বলব: সে দেখেছে যে এটি সেই অর্থই প্রদান করে যা স্ত্রীলিঙ্গসূচক তা (تاء التأنيث) প্রদান করে, ফলে সে ভুলবশত একে তারই অনুরূপ মনে করেছে।

* আমাকে সংবাদ দিন: এমন এক গুণ (نعت) সম্পর্কে যা জেরযুক্ত (مجرور) অথচ তার গুণান্বিত পদটি (منعوته) পেশযুক্ত (مرفوع), এবং এমন এক একবচন (موحد) গুণান্বিত পদ (منعوت) সম্পর্কে যার গুণটি (نعته) বহুবচন (مجموع)।

প্রথমটি যেমন: 'হাযা জুহরু দ্বব্বিন খারিবিন' (এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত গুঁইসাপের গর্ত)।

দ্বিতীয়টি আল-কুতামির উক্তি:

যেন আমার দুই পায়ের বেড়ি যখন একত্রিত হয়... … তা প্রচুর দুগ্ধবতী উষ্ট্রী এবং ক্ষুধার্ত অন্ত্রের ন্যায়।

তিনি অত্যধিক ক্ষুধার কারণে একটি অন্ত্রকে ক্ষুধার্ত অন্ত্রসমূহের স্থলাভিষিক্ত করেছেন, ফলে গুণান্বিত পদটি একবচন (توحيد المنعوت) হওয়া সত্ত্বেও গুণটিকে (النعت) বহুবচন (مجموع) হিসেবে এনেছেন।

* আমাকে এমন এক ব্যবধানকারী (فصل) সম্পর্কে বলুন যা দুটি নির্দিষ্ট বিশেষ্যের (المعرفتين) মাঝে ব্যবধানকারী (فاصلاً) হিসেবে নেই এবং এমন এক 'রুব্বা' (ربَّ) সম্পর্কে যা নির্দিষ্ট বিশেষ্যের (المعرفة) ওপর দাখিল হয়েছে।

প্রথমটি: যেমন 'কানা যাইদুন হুয়া খাইরান মিনকা' (যাইদ আপনার চেয়ে উত্তম ছিল), এবং {যদি আপনি আমাকে সম্পদে আপনার চেয়ে কম দেখেন} [সূরা আল-কাহাফ: ৩৯]।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৬)
وإنما ساغ ذلك في أفعل من لامتناعه من دخول لام التعريف عليه امتناع ما فيه التعريف فشبه به وأجرى حكمه عليه.

والثاني: نحو قولهم ربَّ رجل وأخيه، قال سيبويه ولا يجوز حتى تذكر قبله نكرة.

* أخبرني عما ينصب ويجر وهو رفع وعما تدخله التثنية وهو جمع.

الأول: المحكى.

والثاني: قولهم "عندي لقان سوداوان"، وقوله:

بين رِمَاحى مالكٍ ونهشلِ

وقوله:

لا صبَّح الحى أوبادا ولم يجدوا. . . عندَ التفوقِ في الهيْجَا جَمالين

في أخبرني كيف يكون متحرك يلزمه السكون؟

هو عين حى وهى وضف، في قولهم ضَفَّ الحال، وزنها فعل لأنه من باب فرح وبطر وأشر.

* أخبرني عن واحد وجمع لا يفرق بينهما ناطق، إلا أن الضمير بينهما فارق؟

هما فلك وفلك للواحد والجمع ومثله جمل هجان وإبل هجان ودرع دلاص ودروع دلاص.

* أخبرني عن فاعل خفى فما بدا، وآخر لا يخفى أبدًا.
এবং এটি 'আফআলু মিন' এর ক্ষেত্রে জায়েজ হয়েছে কারণ এতে আলিফ-লাম এর প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়াটি ঠিক তেমনই যেমনটা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক শব্দের ক্ষেত্রে আলিফ-লামের প্রবেশ নিষিদ্ধ; ফলে তার সাথে একে সাদৃশ্যপূর্ণ করা হয়েছে এবং এর ওপর সেই বিধান (حكم) প্রয়োগ করা হয়েছে।

দ্বিতীয়টি: যেমন তাদের উক্তি 'রুব্বা' একজন পুরুষ ও তার ভাই, সিবওয়াইহ বলেন, এটি ততক্ষণ পর্যন্ত বৈধ নয় যতক্ষণ না এর পূর্বে কোনো অনির্দিষ্ট (نكرة) বিশেষ্য উল্লেখ করা হয়।

* আমাকে এমন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করুন যা নসব (نصب) ও জর (جر) হয় অথচ তা রফ (رفع) অবস্থায় থাকে, এবং এমন বিষয় সম্পর্কে যাতে দ্বিবচন (تثنية) এর রূপ প্রবেশ করে অথচ তা মূলত বহুবচন (جمع)।

প্রথমটি: অনুকৃত (محكى)।

দ্বিতীয়টি: তাদের উক্তি "আমার নিকট দুটি কালো উট রয়েছে", এবং কবির উক্তি:

মালিক ও নাহশালের বর্শাদ্বয়ের মাঝে

এবং কবির উক্তি:

গোত্রটি যেন দুর্ভাগ্যজনক প্রভাতের সম্মুখীন না হয় এবং তারা যেন যুদ্ধের শ্রেষ্ঠত্বের সময় দুটি উটও খুঁজে না পায়।

আমাকে বলুন, এমন হরকতযুক্ত শব্দ কেমন যার জন্য সাকিন (سكون) হওয়া আবশ্যক?

এটি হলো 'হাই', 'হি' এবং 'দাফ' এর আইন বর্ণ; যেমন তাদের উক্তি 'অবস্থার প্রাচুর্য হয়েছে', এর ওজন হলো ফা'ইলা (فعل), কারণ এটি ফারিহা, বাতিরা এবং আশিরা এর পরিচ্ছেদ (باب) থেকে আগত।

* আমাকে এমন একবচন (واحد) ও বহুবচন (جمع) সম্পর্কে অবহিত করুন যার উচ্চারণে কোনো বক্তা পার্থক্য করতে পারে না, কেবল সর্বনাম (ضمير) তাদের মাঝে পার্থক্যকারী?

তা হলো 'নৌযান' এবং 'নৌযান' যা একবচন (واحد) ও বহুবচন (جمع) উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়। অনুরূপভাবে একবচন ও বহুবচনে 'উন্নত জাতের উট' এবং একবচন ও বহুবচনে 'উজ্জ্বল বর্ম'।

* আমাকে এমন কর্তা (فاعل) সম্পর্কে অবহিত করুন যা গোপন (خفى) থাকে ফলে প্রকাশিত হয় না, এবং অন্যটি যা কখনো গোপন থাকে না।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৭)
الأول فاعل أفعل وتفعل ونحوهما.

والثاني: الواقع بعد إلا، نحو ما قام إلا زيدًا وإلا أنا.

* أخبرني عن حرف يزاد ثم يزال، وأثره باق ماله انتقال.

هو نون التثنية والجمع تزال وأثرها باق في نحو - هما الضاربا زيد والضاربو زيد.

* أخبرني عن حرف يوحد ثم يكثر، ويؤنث ثم يذكر.

الأول: باب تمرة وتمر.

والثاني: باب العدد ثلاثة إلى عشرة.

* أخبرني عن معرف في حكم التنكير، ومؤنث في معنى التذكير.

الأول مررت بالرجل مثلك، أو برجل مثلك، لا يكاد في نحو هذا الموضع يتبين الفرق بين النكرة والمعرفة. ومثله:

ولقد أمرُّ على اللئيم يَسبُّنى

والثاني باب علَّامة ونسَّابة.

* أخبرني عن واحد يوزن بأربعة، وعن عشرة عند بعضهم متسعة.

الأول هو باب (ق) "فعل أمر من وقى" و (ع) و (ش) ونحوها توزن بأفعل ولا يقال في وزنه ع.

والثاني حروف العطف عند النحويين عشرة وقد تسعها أبو على الفارسي حيث عزل عنها إما.
প্রথমটি হলো ‘আফআলা’ এবং ‘তাফাআলা’ ও এই জাতীয় ক্রিয়ার কর্তা (ফায়েল)।

এবং দ্বিতীয়টি হলো: যা ‘ইল্লা’-এর পরে অবস্থিত হয়; যেমন- ‘মা ক্বামা ইল্লা জাইদান’ (যায়েদ ব্যতীত কেউ দাঁড়ায়নি) এবং ‘ইল্লা আনা’ (আমি ব্যতীত)।

* আমাকে এমন একটি বর্ণ সম্পর্কে বলুন যা যুক্ত করা হয় এবং পরে বিলুপ্ত করা হয়, কিন্তু তার প্রভাব অপরিবর্তিত থাকে।

সেটি হলো দ্বিবচন এবং বহুবচনের ‘নুন’, যা বিলুপ্ত করা হয় কিন্তু তার প্রভাব অবশিষ্ট থাকে; যেমন- ‘হুমা আদ-দারিবা জাইদ’ এবং ‘আদ-দারিবাউ জাইদ’।

* আমাকে এমন একটি বর্ণ সম্পর্কে বলুন যা একবচন নির্দেশ করে পরে বহুবচন হয়ে যায়, এবং স্ত্রীলিঙ্গ হয়ে পরে পুংলিঙ্গ হয়ে যায়।

প্রথমটি হলো: ‘তামরাহ’ (একটি খেজুর) এবং ‘তামর’ (খেজুরসমূহ) এর অধ্যায়।

এবং দ্বিতীয়টি হলো: তিন থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যার অধ্যায়।

* আমাকে এমন একটি নির্দিষ্ট (মারেফাহ) বিশেষ্য সম্পর্কে বলুন যা অনির্দিষ্টের (নাকেরা) বিধানে থাকে, এবং এমন একটি স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ যা পুংলিঙ্গের অর্থ প্রদান করে।

প্রথমটি হলো- ‘মারারতু বির্-রাজুলি মিসলিকা’ (আমি তোমার মতো এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গেলাম), অথবা ‘বি-রাজুলিন মিসলিকা’। এই জাতীয় স্থানে নির্দিষ্ট এবং অনির্দিষ্টের মধ্যে পার্থক্য সাধারণত স্পষ্ট হয় না। এর অনুরূপ উদাহরণ হলো:

“এবং অবশ্যই আমি নীচ ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করি যে আমাকে গালি দেয়...”

আর দ্বিতীয়টি হলো ‘আল্লামাহ’ এবং ‘নাসসাবাহ’ এর পরিচ্ছেদ।

* আমাকে এমন একটি বর্ণ সম্পর্কে বলুন যার ওজন চারের সমান ধরা হয়, এবং এমন দশ সম্পর্কে যা কারো কারো মতে নয়টি।

প্রথমটি হলো ‘ক্বাফ’ (এটি ‘ওয়াক্বা’ ধাতু থেকে গঠিত আদেশসূচক ক্রিয়া), ‘আইন’, ‘শিন’ এবং এই জাতীয় বর্ণগুলোর পরিচ্ছেদ; এগুলোর ওজন ‘আফআলা’ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এর ওজনে কেবল ‘আইন’ বলা হয় না।

এবং দ্বিতীয়টি হলো ব্যাকরণবিদদের নিকট সংযোজক অব্যয় দশটি, তবে আবু আলী আল-ফারিসি এগুলোকে নয়টি গণ্য করেছেন যেহেতু তিনি এর মধ্য থেকে ‘ইম্মা’ শব্দটিকে বাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৮)
* أخبرني عن زائد يمنع الإضافة ويؤكدها، ويفك تركيبها ويؤيدها.

هو اللام في قولهم لا أبا لك، هي مانعة للإضافة فاكة لتركيبها بفصلها بين ركنيها وهما المضاف والمضاف إليه.

وهي مع ذلك مؤكدة لمعناها مؤيدة لفائدتها من حيث إنها موضوعة لإعطاء معنى الاختصاص.

ونظيرتها تيم الثانية في (ياتيم تيم عدي) أقحمت بين المضاف والمضاف إليه وتوسطت بينهما، كما قيل بين العصا ولحائها وهي بما حصل بتوسطها من التكرير معطية معنى التوكيد والتشديد.

وهذه اللام لها وجه اعتداد ووجه اطراح، فوجه اعتدادها استصلاحها الأب لدخول لا الطالبة للنكرات عليه.

ووجه اطراحها أن لم تسقط لام الأب الواجبة الثبوت عند الإضافة. ونحوه قولهم "لا يدىْ لك" سقوط النون مع اللام دليل الاطراح، وتنكير المضاف وتهيؤه لدخول (لا) دليل على الاعتداد.

فإن قلت: فكيف صح قولهم لا أباك؟

قلت: اللام مقدرة منوية وإن حذفت من اللفظ، والذي شجعهم على حذفها شهرة مكانها وأنه صار مَعْلَما لاستفاضة استعمالها فيه، وهو نوع من دلالة الحال التي لسانها انطلق من لسان المقال.

ومنه حذف لا في: {تَاللَّهِ تَفْتَأُ} [يوسف: 85].
আমাকে এমন একটি অতিরিক্ত (زائد) বর্ণ সম্পর্কে বলুন যা সম্বন্ধকে (إضافة) বাধা দেয় আবার সেটিকে জোরালো (تأكيد) করে, এবং এর গঠনকে (تركيب) বিশ্লিষ্ট করে আবার তাকে শক্তিশালী (تأييد) করে।

এটি হলো তাদের ব্যবহৃত বাক্য 'লা আবা লাকা'-এর 'লাম' (اللام) বর্ণটি; এটি সম্বন্ধকে (إضافة) বাধা দানকারী এবং এর রুকন বা উপাদানদ্বয় অর্থাৎ মুদাফ (مضاف) ও মুদাফ ইলাইহি (مضاف إليه)-র মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে এর গঠনকে (تركيب) বিশ্লিষ্টকারী।

তা সত্ত্বেও, এটি এর অর্থের তাকিদ (تأكيد) প্রদানকারী এবং এর উপযোগিতাকে সুসংহতকারী; যেহেতু এটি বিশেষত্ব বা নির্দিষ্টকরণের (اختصاص) অর্থ প্রদানের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

এর সদৃশ উদাহরণ হলো 'ইয়া তায়মা তায়মা আদিয়্যিন' বাক্যে দ্বিতীয় 'তায়ম' শব্দটি, যা মুদাফ (مضاف) ও মুদাফ ইলাইহি-র (مضاف إليه) মাঝখানে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান নিয়েছে, যেমনটি বলা হয়ে থাকে 'লাঠি ও তার ছালের মাঝখানে'। আর এর এই মধ্যবর্তী অবস্থানের ফলে যে পুনরাবৃত্তি (تكرار) ঘটেছে, তা বিষয়টি জোরালো (توكيد) ও সুদৃঢ় (تشديد) করার অর্থ প্রদান করে।

এই 'লাম' (اللام) বর্ণটির একটি গ্রহণযোগ্যতার (اعتداد) দিক এবং একটি বর্জনযোগ্যতার (اطراح) দিক রয়েছে। এর গ্রহণযোগ্যতার (اعتداد) দিকটি হলো, এটি 'আবা' (পিতা) শব্দটিকে এমনভাবে প্রস্তুত করে যাতে অনির্দিষ্টবাচক (نكرة) শব্দ তলবকারী 'লা' (لا) অব্যয়টি তার ওপর প্রবেশ করতে পারে।

আর এর বর্জনযোগ্যতার (اطراح) দিকটি হলো, সম্বন্ধের (إضافة) সময় 'আবা' শব্দের শেষে যে 'লাম' (আলিফ) থাকা আবশ্যক ছিল, তা বিলুপ্ত হয়নি। অনুরূপ একটি উদাহরণ হলো তাদের উক্তি 'লা ইয়াদাই লাকা'; এখানে 'লাম' (اللام) থাকা সত্ত্বেও 'নুন' (نون) বিলুপ্ত হওয়া বর্জনযোগ্যতার (اطراح) প্রমাণ, আর মুদাফকে (مضاف) অনির্দিষ্টবাচক (نكرة) করা এবং 'লা' (لا) প্রবেশের উপযোগিতা সৃষ্টি করা গ্রহণযোগ্যতার (اعتدাদ) প্রমাণ।

আপনি যদি প্রশ্ন করেন: তাহলে তাদের উক্তি 'লা আবাকা' কীভাবে শুদ্ধ হলো?

আমি উত্তরে বলব: এখানে 'লাম' (اللام) বর্ণটি উহ্য বা মনে মনে নির্ধারিত (مقدر) রয়েছে, যদিও তা উচ্চারণ থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। যা তাদের এটি বিলুপ্ত করতে উৎসাহিত করেছে তা হলো—এর ব্যবহারের ব্যাপক প্রসিদ্ধি এবং এটি একটি সুপরিচিত চিহ্নে পরিণত হওয়া। এটি এক ধরনের পরিস্থিতির নির্দেশনা (دلالة الحال), যার ভাষা মৌখিক বা বাচনিক অভিব্যক্তির চেয়েও অধিক প্রভাবশালী।

আর এরই অন্তর্ভুক্ত হলো সুরা ইউসুফের ৮৫ নম্বর আয়াতে 'লা' (لا) অব্যয়টি বিলুপ্ত হওয়া।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ১৯)
وحذف الجار في قول رؤبة " خير" إذا صبح عندما قيل له كيف أصبحت؟

ومجمل قراءة حمزة {تَسَاءَلُونَ به وَالأَرْحَامِ} [النساء: 1] عليه سديد، لأن هذا المكان قد شهر بتكرير الجار فقامت الشهرة مقام الذكر.

* أخبرني عن ميمات هن بدل وعوض وزيادة، وعن واحدة هي موصوفة بالجلادة.

البدل نحو إبدال طيىء الميم من لام التعريف، والعوض في اللهم عوضت من حرف النداء، والزيادة في نحو مقتل ومضرب.

والموصوفة بالجلادة هي ميم فم بدل من عين فوه.

قال سيبويه: أبدلوا منها حرفًا أجلد منها وفى مقامة النحوي من النصائح "وتجلد في المضي على عزمك وتصميمه ولا تقصر عما في الفم من جلادة ميمه".

* أخبرني عن اسم بلد فيه أربعة من الحروف الزوائد وكلها أصول غير واحد.

هو يستعور من بلاد الحجاز فيه الياء والسين والتاء والواو من جملة
রূবাহ-র উক্তি "খাইর"-এ অব্যয় (الجار) বিলোপ করা হয়েছে, যখন তাকে সকালে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, "আপনি কেমন আছেন?"

হামযাহ-র কিরাত {তাসাআলুনা বিহি ওয়াল আরহামি} [নিসা: ১]-এর সারমর্ম সঠিক, কারণ এই স্থানটি অব্যয় (الجار) পুনরাবৃত্তির জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেছে; ফলে এই প্রসিদ্ধিই উহ্য উচ্চারণের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।

* আমাকে এমন সব 'মীম' সম্পর্কে বলুন যা স্থলাভিষিক্ত (بدل), বিকল্প (عوض) এবং অতিরিক্ত (زيادة) হিসেবে আসে, এবং এমন একটি 'মীম' সম্পর্কে যা দৃঢ়তা (الجلادة) গুলে গুণান্বিত।

'স্থলাভিষিক্ত' (بدل) হলো তায়ি গোত্রের 'লামে তারিফ'-এর পরিবর্তে 'মীম'-এর ব্যবহার। 'বিকল্প' (عوض) হলো 'আল্লাহুম্মা' শব্দে যা আহ্বানের অব্যয়-এর পরিবর্তে এসেছে। আর 'অতিরিক্ত' (زيادة) হলো 'মাকতাল' এবং 'মাদরাব'-এর মতো শব্দের ক্ষেত্রে।

আর 'দৃঢ়তা' গুণে গুণান্বিত হলো 'ফাম' (মুখ) শব্দের 'মীম', যা 'ফুহ' শব্দের মূলবর্ণ 'আইন'-এর স্থলাভিষিক্ত (بدل)।

সিবওয়াইহি বলেছেন: "তারা এর পরিবর্তে এমন একটি বর্ণ স্থলাভিষিক্ত করেছে যা তার চেয়েও অধিক শক্তিশালী।" আর নাহুবিদের নসিহতপূর্ণ মাকামাতে বলা হয়েছে: "তোমার সংকল্প ও দৃঢ়তায় অটল থাকার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করো এবং মুখের 'মীম'-এর মতো দৃঢ়তা প্রদর্শনে কোনো ত্রুটি করো না।"

* আমাকে এমন একটি শহরের নাম বলুন যাতে চারটি অতিরিক্ত বর্ণ (الحروف الزوائد) রয়েছে, অথচ একটি বাদে যার সবগুলোই মূল বর্ণ (أصول)।

সেটি হলো হিজায অঞ্চলের 'ইয়াস্তাউর', যাতে ইয়া, সীন, তা এবং ওয়াও বর্ণগুলো রয়েছে...
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২০)
الزوائد العشرة وكلها أصول في هذا الاسم إلا الواو.

* أخبرني عن مائة في معنى مئات وكلمة في معنى كلمات.

المائة في ثلثمائة في معنى المئات لأن حق مميز الثلاثة إلى العشرة أن يكون جمعًا. والكلمة في معنى كلمات قولهم كلمة الشهادة وكلمة الحويدرة، وقوله تعالى: {إِلَى كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَلَّا نَعْبُدَ إِلَّا اللَّهَ} [آل عمران: 64].

* أخبرني عن حرف من حروف الاستثناء، لم يستثن شيئًا قط من الأسماء.

وهو (لما) بمعنى إلا لا يستثنى به الأسماء كما يستثنى بإلا وأخواتها وإنما يقال نشدتك الله لما فعلت وأقسمت عليك لما فعلت.

* أخبرني عن مكبر يحسب مصغرًا، وعن مصغر يحسب مكبرًا.

الأول: سكَّيت بالتشديد يحسبه من ليس بنحوي مصغرًا وهو خطأ ظاهر لأن ياء التصغير لا تقع إلا ثالثة، بل سكيت مكبر كسكيت، وسكيت بالتخفيف مصغرة تصغير الترخيم.

والثاني: حبر ورهو في عداد المكبرات وفى قول الأعرابي الذي سئل عن تصغير الحبارى فقال حبرور.
দশটি অতিরিক্ত বর্ণ (الزوائد العشرة) এবং এই নামে 'ওয়াও' ব্যতীত সবগুলোই মূল (أصول) বর্ণ।

* আমাকে এমন একটি 'শত' সম্পর্কে বলুন যা 'শত শত' বা বহুবচন (جمع) অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এমন একটি 'শব্দ' সম্পর্কে বলুন যা 'অনেক কথা' বা 'বাক্য' অর্থে ব্যবহৃত হয়।

'তিনশত' এর মধ্যে 'শত' শব্দটি বহুবচন (جمع) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ তিন থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর বৈশিষ্ট্যসূচক বিশেষ্যের নিয়ম হলো সেটি বহুবচন (جمع) হওয়া। আর 'শব্দ' বলতে 'বাক্য' বা 'বক্তব্য' বোঝায় যেমন তাদের উক্তি: শাহাদাহর বাণী এবং আল-হুওয়াইদারার কবিতা; এবং মহান আল্লাহর বাণী: {আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একটি অভিন্ন বাণীর দিকে এসো যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করব না} [আলে ইমরান: ৬৪]।

* আমাকে ব্যতিক্রমসূচক (استثناء) অব্যয়গুলোর মধ্য থেকে এমন একটি বর্ণ সম্পর্কে বলুন, যা বিশেষ্যসমূহ থেকে কখনোই কোনো কিছুকে ব্যতিক্রম বা বাদ দেয় না।

এটি হলো 'লাম্মা', যা 'ব্যতীত' (إلا) অর্থে ব্যবহৃত হয়; এর মাধ্যমে বিশেষ্যসমূহকে ব্যতিক্রম (استثناء) করা হয় না যেভাবে 'ইল্লা' ও এর সমগোত্রীয় শব্দগুলো দ্বারা করা হয়। বরং বলা হয়ে থাকে—'আমি তোমাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি তুমি কেন করলে না' এবং 'তোমার ওপর শপথ দিচ্ছি তুমি কেন করলে না'।

* আমাকে এমন একটি মূল রূপের শব্দ (مكبر) সম্পর্কে বলুন যাকে ক্ষুদ্রার্থবোধক (مصغر) মনে করা হয়, এবং এমন একটি ক্ষুদ্রার্থবোধক (مصغر) শব্দ সম্পর্কে বলুন যাকে মূল রূপের শব্দ (مكبر) মনে করা হয়।

প্রথমটি হলো: তাসদিদযুক্ত 'সিক্কাইত', যাকে ব্যাকরণবিদ নন এমন ব্যক্তি ক্ষুদ্রার্থবোধক (مصغر) মনে করেন, যা একটি স্পষ্ট ভুল; কারণ ক্ষুদ্রার্থবোধক করার (تصغير) 'ইয়া' বর্ণটি কেবল তৃতীয় বর্ণ হিসেবেই আসে। বরং 'সিক্কাইত' হলো মূল রূপের শব্দ (مكبر), যেমন 'সিক্কীত'। আর হালকা উচ্চারণে 'সুকাইত' হলো সংক্ষিপ্ত ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير الترخيم) শব্দ।

দ্বিতীয়টি হলো: 'হিবার' এবং 'রাহওয়ু' শব্দগুলো মূল রূপের শব্দসমূহের (مكبرات) অন্তর্ভুক্ত। যেমন জনৈক বেদুইনের উক্তি, যাকে 'হুবারা' এর ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير) রূপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলেছিল 'হুবরূর'।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২১)
* أخبرني عن مصغر ليس له تكبير، وعن مكبر ليس له تصغير.

من الأسماء ما وضع على التصغير ليس له مكبر نحو كُمَيْت وكعيت.

ومنها ما ورد مكبرًا ولم يصغر كأين وكيف ومتى والضمائر ونحوها.

* أخبرني عن كلمة تكون اسمًا وحرفًا، وعن أخرى تكون غير ظرف وظرفا.

الأول: على وعن وكاف التشبيه ومذ ومنذ.

والثاني: نحو اليوم والليلة والساعة والحين والخلف والأمام.

* أخبرني عن اسم متى أضيفت أخواته وافقها ومتى أفردت فارقها.

هو ذو بمعنى صاحب وأخواته باقي الأسماء الستة.

* أخبرني عن سبب متى آذن بالذهاب تبعه سائر الأسباب.

هو التعريف في نحو آذربيجان ودرابجرد وخوارزم، إذا ذهب عنه بالتنكير لم يبق لسائر الأسباب أثر وهى التأنيث والعجمة والتركيب.

* أخبرني عن شىء من العلامات يشفع لأخيه في السقوط دون الثبات.
* আমাকে এমন ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) শব্দ সম্পর্কে বলুন যার কোনো বৃহত্তাবাচক (تكبير) রূপ নেই, এবং এমন বৃহত্তাবাচক (تكبير) শব্দ সম্পর্কে বলুন যার কোনো ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) রূপ নেই।

বিশেষ্যসমূহের (الأسماء) মধ্যে এমন কিছু শব্দ আছে যা মূলত ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) রূপেই গঠিত হয়েছে এবং সেগুলোর কোনো বৃহত্তাবাচক (تكبير) মূলরূপ নেই, যেমন: কুমাইত ও কুআইত।

আবার কিছু শব্দ কেবল বৃহত্তাবাচক (تكبير) রূপেই বর্ণিত হয়েছে এবং সেগুলোর ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) রূপ করা হয় না, যেমন: আইনা, কাইফা, মাতা, সর্বনামসমূহ (الضمائر) এবং এই জাতীয় শব্দাবলি।

* আমাকে এমন একটি শব্দ সম্পর্কে বলুন যা বিশেষ্য (اسم) এবং অব্যয় (حرف) উভয়ই হতে পারে, এবং অন্য এমন একটি শব্দ সম্পর্কে বলুন যা কাল বা স্থানবাচক (ظرف) এবং কাল বা স্থানবাচক নয়—উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।

প্রথমটি হলো: আলা, আন, উপমাবাচক কাফ (كاف التشبيه), মুয এবং মুনযু।

আর দ্বিতীয়টি হলো: আল-ইয়াওম (দিন), আল-লায়লাহ (রাত), আস-সাআহ (সময়), আল-হীন (কাল), আল-খালাফ (পেছন) এবং আল-আমাম (সামনে)।

* আমাকে এমন একটি বিশেষ্য (اسم) সম্পর্কে বলুন, যখন এর সমজাতীয় শব্দগুলোকে অন্যের সাথে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) করা হয় তখন সে তাদের সাথে একমত হয়, কিন্তু যখন সেগুলোকে এককভাবে (إفراد) ব্যবহার করা হয় তখন সে তাদের থেকে পৃথক হয়ে যায়।

সেটি হলো 'যু' (ذو), যা 'সাহিব' (মালিক) অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর সমজাতীয় শব্দগুলো হলো অবশিষ্ট পাঁচটি বিশেষ্য (الأسماء الستة)।

* আমাকে এমন একটি কারণ (سبب) সম্পর্কে বলুন যা চলে যাওয়ার ঘোষণা দিলে অবশিষ্ট অন্যান্য কারণগুলোও তাকে অনুসরণ করে চলে যায়।

তা হলো আজারবাইজান, দারাবজার্দ এবং খাওয়ারিজম-এর মতো শব্দগুলোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্টতা (التعريف)। যদি অনির্দিষ্টতা (التنكير) আসার কারণে সেই নির্দিষ্টতা চলে যায়, তবে অন্যান্য কারণগুলোর আর কোনো প্রভাব অবশিষ্ট থাকে না; আর সেই কারণগুলো হলো: স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া (التأنيث), অনারব হওয়া (العجمة) এবং মিশ্র গঠন (التركيب)।

* আমাকে চিহ্নের (العلامات) মধ্য থেকে এমন একটি বিষয় সম্পর্কে বলুন যা তার ভাইয়ের বিলুপ্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সুপারিশ করে, কিন্তু স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে নয়।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২২)
التنوين هو المقصود وحده بالإسقاط في باب ما لا ينصرف، وإنما سقط الجر لأخوة ثبتت بينه وبين التنوين، وذلك أنهما جميعًا لا يكونان في الأفعال ويختصان بالأسماء، فلهذه الأخوة لما سقط التنوين تبعه الجر في السقوط، فالتنوين أصل فيه والجر تبع، كما يسقط الرجل عن منزلته فتسقط أتباعه، وهذا معنى قول النحويين سقط الجر بشفاعة التنوين، فإذا عاد الجر عند الإضافة واللام لم يتصور عود التنوين.

* أخبرني عن حرف تلعب الحركات بما بعده ولا يعمل منها إلا الجر وحده.

هو (حتى) يقع الاسم بعدها مرفوعًا ومنصوبًا ومجرورًا والجر وحده عملها.

* أخبرني عن اسم صحيح أمكن هو فاعل وما هو مرفوع، وعن آخر دخل عليه حرف الجر وهو عن الجر ممنوع.

الأول (غير) وفى قول الشماخ:

لم يخرج الشرب منها غير أن نطقت (1)

والثاني (حين) في قوله:

على حين عاتبت المشيب على الصبا

* أخبرني عن شىء وراء خمسة أشياء يجزم جوابه في الجزاء.

هو الاسم أو الفعل الذي ينزل منزلة الأمر والنهي ويعطى حكمهما. لأن فيه معناهما ومرادهما فيجزم به كما يجزم بهما، وذلك

--------------------------------------------

(1) رواية بيت الشماخ كما حفظنا لم يمنع الشرب. . . إلخ.
অ-পরিবর্তনীয় (ما لا ينصرف) শব্দসমূহের পরিচ্ছেদে মূলত তানউইনকে (التنوين) বিলুপ্ত করাই উদ্দেশ্য। মূলত তানউইন এবং জারের (الجر) মধ্যে বিদ্যমান এক ভ্রাতৃত্বসুলভ সম্পর্কের কারণেই জার বিলুপ্ত হয়; আর তা এই যে, তারা উভয়েই ক্রিয়াতে (الأفعال) ব্যবহৃত হয় না এবং বিশেষ্যের (الأسماء) জন্য সুনির্ধারিত। এই ভ্রাতৃত্বের কারণেই যখন তানউইন বিলুপ্ত হয়, তখন জার-ও বিলুপ্তিতে তার অনুগামী হয়। সুতরাং তানউইন হলো এক্ষেত্রে মূল আর জার হলো অনুগামী; যেমন কোনো ব্যক্তি যখন তার পদমর্যাদা হারান, তখন তার অনুগামীরাও পদচ্যুত হয়। ব্যাকরণবিদদের উক্তি—'তানউইনের সুপারিশে জার বিলুপ্ত হয়েছে'—এর অর্থ এটাই। তবে যখন ইদাফাত (الإضافة) কিংবা 'লাম' (اللام) আসার কারণে জার ফিরে আসে, তখন তানউইনের পুনরাগমন আর কল্পনা করা যায় না।

* আমাকে এমন একটি অব্যয় (حرف) সম্পর্কে বলুন, যার পরবর্তী শব্দে বিভিন্ন হরকত (الحركات) আসার অবকাশ থাকে, কিন্তু সেটি কেবল জার (الجر) হিসেবেই আমল করে।

সেটি হলো (حتى); এর পরবর্তী বিশেষ্যটি মারফু (مرفوع), মানসুব (منصوب) এবং মাজরুর (مجرور) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু এর নিজস্ব আমল কেবল মাজরুর করা।

* আমাকে এমন একটি সহিহ আমকান (صحيح أمكن) বিশেষ্য সম্পর্কে বলুন যা কর্তা (فاعل) হওয়া সত্ত্বেও মারফু (مرفوع) নয়; এবং অন্য একটি বিশেষ্য সম্পর্কে বলুন যার ওপর অব্যয় (حرف الجر) আসা সত্ত্বেও তা মাজরুর (مجرور) হওয়া থেকে বিরত।

প্রথমটি হলো (غير), যা শাম্মাখের এই উক্তিতে রয়েছে:

পানীয় তাদের মুখ থেকে কোনো কথা বের করতে পারেনি, কেবল তাদের কথা বলা ছাড়া (১)

আর দ্বিতীয়টি হলো (حين), এই কাব্যাংশে:

সেই সময়ে যখন আমি বার্ধক্যকে যৌবনের চপলতার জন্য তিরস্কার করছিলাম

* আমাকে এমন বিষয় সম্পর্কে বলুন যা পাঁচটি বিষয়ের বাইরেও প্রতিদান (الجزاء) হিসেবে তার উত্তরকে জজম (جزم) প্রদান করে।

তা হলো সেই বিশেষ্য (الاسم) বা ক্রিয়া (الفعل) যা আদেশ (الأمر) ও নিষেধের (النهي) স্থলাভিষিক্ত হয় এবং তাদের বিধান প্রাপ্ত হয়। কারণ এর মধ্যে ঐ দুটির অর্থ ও উদ্দেশ্য নিহিত থাকে, ফলে এটিও জজম (جزم) প্রদান করে যেমনটি তারা উভয়ে প্রদান করে থাকে। আর তা হলো—

--------------------------------------------

(১) শাম্মাখের পংক্তিটির বর্ণনা (رواية) আমাদের হিফজ অনুযায়ী হলো 'লাম ইয়ামনাউশ শারবা' (لم يمنع الشرب)... শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৩)
قولك، حسبك ينم الناس، واتَّقَى الله امرؤ فعل خيرًا يثبْ عليه، بمعنى ليتق الله وليفعل.

* أخبرني عن ضمير ما اشتق من الفعل، أحق به من الفعل، وفى ذلك انحطاط الفرع عن الأصل.

هو الضمير في قولك هند زيد ضاربته هي، وزيد الفرس راكبه هو، وفى كل موضع جرت فيه الصفة على غير من هي له، فالمشتق من الفعل وهو الصفة أحق به من الفعل، لابد له منه، وللفعل منه بد، إذا قلت هند زيد تضربه وزيد الفرس يركبه، حتى إن جئت به فقلت تضربه هي ويركبه هو كان تأكيدًا للمستكن والسبب قوة الفعل وأصالته في احتمال الضمير، والمشتق منه فرع في ذلك، ففضل الفرع على الأصل.

* أخبرني عن زيادة أوثرت على الأصالة، وعن إمالة ولدت إمالة.

الأول- حذفهم الألف والياء الأصليتين للتنوين في هذه عصا وهذا قاض، وليائي النسب إلى المصطفى، وحذف اللام لألف التكسير وياء التصغير في فرازد وفريزد، وحذف العين في شاك ولاث وإبقاء ألف فاعل وحذف الفاء في يعد لحروف المضارعة، ومن ذلك قول الأخفش فى مقول وحذفه عين مفعول لواوه.

والثاني: قولهم رأيت عمادًا ولقيت عبادًا، أمالوا الألف الأولى لكسرة العين ثم أمالوا الثانية لإمالة الأولى، ونظير تسبب الإمالة
আপনার উক্তি, "মানুষের ঘুমানোর জন্য তোমার এটুকু যথেষ্ট", এবং "সেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করল যে কল্যাণকর কাজ করল, সে এর প্রতিদান পাবে"—এখানে অর্থ হলো যেন সে আল্লাহকে ভয় করে এবং সৎকর্ম করে।

* ক্রিয়া (فعل) থেকে উদ্ভূত শব্দের সর্বনাম (ضمير) সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন, যা ক্রিয়ার (فعل) তুলনায় সেই সর্বনামের অধিক হকদার; অথচ এতে মূলের (أصل) তুলনায় শাখার (فرع) নিম্নগামিতা পরিলক্ষিত হয়।

এটি হলো সেই সর্বনাম (ضمير) যা আপনার এই উক্তিতে বিদ্যমান—'হিন্দ, যায়েদ তাকে প্রহারকারী সে (নারী)' এবং 'যায়েদ, ঘোড়া সে তাতে আরোহনকারী'। এমন প্রতিটি স্থানে যেখানে গুণবাচক শব্দ (صفة) এমন কারো ওপর প্রযুক্ত হয় যার জন্য তা মূলত নয়, সেখানে ক্রিয়া (فعل) থেকে উদ্ভূত গুণবাচক শব্দটি (صفة) ক্রিয়ার (فعل) তুলনায় সেই সর্বনামের (ضمير) অধিক হকদার। গুণবাচক শব্দের জন্য এই সর্বনাম অপরিহার্য, কিন্তু ক্রিয়ার (فعل) জন্য তার বিকল্প রয়েছে। যখন আপনি বলেন 'হিন্দ, যায়েদ তাকে প্রহার করছে' এবং 'যায়েদ, ঘোড়া তাতে আরোহণ করছে', তখন যদি আপনি সর্বনামটি উল্লেখ করে বলেন 'সে প্রহার করছে' বা 'সে আরোহণ করছে', তবে তা উহ্য (مستكن) সর্বনামের জন্য তাকীদ (تأكيد) হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ হলো সর্বনাম ধারণ করার ক্ষেত্রে ক্রিয়ার (فعل) শক্তি ও মৌলিকতা (أصالة), আর যা তা থেকে উদ্ভূত তা এক্ষেত্রে একটি শাখা (فرع)। ফলে এখানে শাখাটি মূলের (أصل) ওপর প্রাধান্য লাভ করেছে।

* আমাকে এমন আধিক্য (زيادة) সম্পর্কে অবহিত করুন যা মৌলিকতার (أصالة) ওপর প্রাধান্য পেয়েছে এবং এমন ইমালাহ (إمالة) সম্পর্কে যা অন্য একটি ইমালাহর (إمالة) জন্ম দিয়েছে।

প্রথমটি হলো—তানউইনের (তنوين) কারণে তাদের মূল আলিফ ও ইয়া-কে বিলোপ (حذف) করা; যেমন ‘হাযিহি আসান’ এবং ‘হাযা কাদিন’ বাক্যদ্বয়ে। এছাড়া ‘আল-মুসতফা’ শব্দের নিসবতের (نسب) ক্ষেত্রে দুটি ইয়া-র ব্যবহার, এবং ‘ফারাজদ’ ও ‘ফুরায়জিদ’ শব্দে বহুবচনবোধক আলিফ (ألف التكسير) ও ক্ষুদ্রার্থবোধক ইয়া (ياء التصغير) যুক্ত করার সময় ‘লাম’ বর্ণটি বিলোপ (حذف) করা। তদ্রূপ ‘শাক’ ও ‘লাত’ শব্দে ‘আইন’ (عين) বর্ণ বিলোপ (حذف) করে ‘ফায়িল’ (فاعل)-এর আলিফ বহাল রাখা এবং মুদারে (مضارعة) চিহ্নের কারণে ‘ইয়া’ইদু’ শব্দে ‘ফা’ (فاء) বর্ণ বিলোপ (حذف) করা। এর অন্তর্ভুক্ত হলো ‘মাকুল’ শব্দ সম্পর্কে আখফাশের মতবাদ এবং ওয়াও-এর কারণে ‘মাফউল’ (مفعول)-এর ‘আইন’ (عين) বর্ণ বিলোপ (حذف) করা।

দ্বিতীয়টি হলো: তাদের উক্তি ‘আমি ইমাদকে দেখেছি’ এবং ‘আমি ইবাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি’। এখানে তারা ‘আইন’ (عين) বর্ণের কাসরাহর (كسرة) কারণে প্রথম আলিফটিকে ইমালাহ (إمالة) করেছে, অতঃপর প্রথমটির ইমালাহর (إمالة) কারণে দ্বিতীয়টিকেও ইমালাহ (إمالة) করেছে। আর ইমালাহর (إمالة) কারণ হওয়ার সদৃশ বিষয় হলো...
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৪)
للإمالة تسبب الإلحاق للإلحاق في نحو قولهم الندد، هو ملحق بسفرجل والألف والنون معًا زائدتان للإلحاق، ولولا النون المزيدة للإلحاق لما كانت الهمزة حرف إلحاق، ألا ترى أنها في المد ليست كذلك.

* أخبرني عن حلف ليس بحلف وعن إمالة في غير ألف.

الأول: قولهم بالله إلا زرتني، وبالله لما لقيتني، وبحق ما بيني وبينك لتفعلن، صورته صورة الحلف وليس به، لأن المراد الطلب والسؤال.

والثاني: إمالة للفتحة قبل راء مكسورة نحو الضرر.

أخبرني عن فعل يقع بعد منذ ومذ، وعن جملة يضاف إليها المشبه بإذ.

الأول: نحو ما رأيته مذ كان عندي ومذ جاءني.

والثاني: نحو كان ذاك زمن زيد أمير، وزمن تأمر الحجاج، حق هذه الجملة أن تكون على صفة الجملة التي تضاف إليها (إذ) وهى صفة المضي وتكون فعلية تارة وابتدائية أخرى.

* أخبرني عن لام تحسب للابتداء، والمحققة يأبون ذلك أشد الإباء.

هي اللام الفارقة الداخلة على خبر إن المخففة.

* أخبرني عن دخول أن الخفيفة على بعض الأخبار، غير معوضة واحدًا من جملة الإستار.
ইমালার কারণে ইলহাক (শব্দ-সংযুক্তি) সাধিত হয়, যেমন তাদের উক্তি 'আন-নাদাদ'; এটি 'সাফারজাল' শব্দের সাথে সংগতিপূর্ণ এবং এখানে আলিফ ও নুন উভয়ই ইলহাকের জন্য অতিরিক্ত হিসেবে এসেছে। যদি ইলহাকের জন্য নুন অতিরিক্ত না হতো, তবে হামজাহ এখানে ইলহাকের বর্ণ হিসেবে গণ্য হতো না। আপনি কি দেখেন না যে, মাদ্দ-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি এমন নয়?

* আমাকে এমন এক শপথ সম্পর্কে বলুন যা প্রকৃত শপথ নয় এবং আলিফ ব্যতীত অন্য বর্ণের ইমালা সম্পর্কে বলুন।

প্রথমটি হলো: তাদের বক্তব্য— "আল্লাহর কসম, আপনি যদি আমার সাথে দেখা করতেন", এবং "আল্লাহর কসম, আপনি যখন আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন", কিংবা "আমার ও আপনার মধ্যকার সম্পর্কের হকের কসম, আপনি অবশ্যই এটি করবেন"। এর রূপটি শপথের মতো হলেও এটি প্রকৃত শপথ নয়; কারণ এখানে উদ্দেশ্য হলো অনুরোধ এবং প্রার্থনা জানানো।

আর দ্বিতীয়টি হলো: কাসরাযুক্ত 'রা' বর্ণের পূর্ববর্তী ফাতহার ইমালা করা, যেমন 'আয-যারা'।

আমাকে এমন একটি ক্রিয়া সম্পর্কে বলুন যা 'মুনযু' ও 'মুয'-এর পরে আসে এবং এমন বাক্য সম্পর্কে বলুন যার সাথে 'ইয'-এর সদৃশ শব্দ সম্বন্ধযুক্ত হয়।

প্রথমটি হলো: যেমন— "আমি তাকে দেখিনি যখন থেকে সে আমার নিকট ছিল" এবং "যখন থেকে সে আমার নিকট এসেছে"।

দ্বিতীয়টি হলো: যেমন— "সেটি ছিল যায়েদের আমির হওয়ার সময়" এবং "হাজ্জাজের শাসনভার গ্রহণের সময়"। এই বাক্যটির নিয়ম হলো এটি সেই বাক্যের গুণসম্পন্ন হওয়া যার দিকে 'ইয' সম্বন্ধযুক্ত হয়, আর তা হলো অতীতকাল জ্ঞাপন করা। এই বাক্যগুলো কখনো ক্রিয়াভিত্তিক হয় আবার কখনো বিশেষ্যভিত্তিক হয়।

* আমাকে এমন এক 'লাম' সম্পর্কে বলুন যাকে প্রারম্ভিক লাম মনে করা হয়, কিন্তু বিজ্ঞ গবেষকগণ তা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে অস্বীকার করেন।

এটি হলো পার্থক্যকারী লাম, যা হালকা করা 'ইন্ন'-এর খবরের ওপর যুক্ত হয়।

* আমাকে কিছু খবরের ওপর হালকা 'আন'-এর প্রবেশ সম্পর্কে বলুন, যা গোপনীয়তার কোনো বিষয়ের স্থলাভিষিক্ত হওয়া ছাড়াই ঘটে থাকে।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৫)
أن المخففة إذا دخلت على الفعل وهو المراد بعض الأخبار عوض مما سقط منه أحد الأحرف الأربعة وهى قد وسوف والسين وحرف النفي وشذ تركه فيما حكاه سيبويه "أما أنْ جزاك الله خيرًا".

" أخبرني عن عينين ساكنة يفتحها الجامع ما لم يصف، ومكسور لا يفتحها المتكلم ما لم يضف.

الأولى: باب تمرة يحرك بالفتح في الجمع نحو تَمَرات إلا في الصفة فتقر على سكونها كضخْمات.

والثانية: باب نمر تفتح في النسب نحو نَمَري.

* أخبرني عن حرف يدغم في أخيه ولا يدغم أخوه فيه.

هو اللام تدغم في الراء ولا تدغم الراء فيها.

* أخبرني عن اسم من أسماء العقلاء لا يجمع إلا بالألف والتاء.

هو طلحة.

* أخبرني عن مكبر ومصغر هما في اللفظ مؤتلفان ولكنهما في النية والتقدير مختلفان.

مبيطر ومسيطر إن صغرتهما قلت مبيطر ومسيطر على لفظ التكبير سواء.

* أخبرني عن النسبة إلى نمرات وإلى اسم رجل مسمى بتمرات.

النسبة إلى نمرات جمع نمرة نَمْرى بسكون الميم، لأنك ترد الجمع فى النسبة إلى الواحد.
'আন' মুখাফ্ফাফাহ (أن المخففة) যখন কোনো ক্রিয়ার (فعل) ওপর প্রবেশ করে—যা এখানে কিছু বর্ণনার উদ্দেশ্য—তখন তা বিলুপ্ত হওয়া চারটি বর্ণের একটির স্থলাভিষিক্ত হয়। সেগুলো হলো: 'কাদ' (قد), 'সাওফা' (سوف), 'সিন' (س) এবং না-বোধক অব্যয় (حرف النفي)। সিবওয়াইহ কর্তৃক বর্ণিত একটি বাক্যে এটি পরিহার করা বিরল (شاذ): "আম্মা আন জাযাকাল্লাহু খাইরান" (أما أنْ جزاك الله خيرًا)।

আমাকে এমন দুটি 'আইন' (শব্দের দ্বিতীয় মূলবর্ণ) সম্পর্কে সংবাদ দিন যার স্থির (ساكنة) রূপকে সংগ্রাহক জবরযুক্ত (يفتح) করেন যতক্ষণ না তিনি বিশেষণ (صفة) বর্ণনা করেন, এবং জেরযুক্ত (مكسور) রূপকে বক্তা জবরযুক্ত করেন না যতক্ষণ না তিনি সম্বন্ধ (إضافة) করেন।

প্রথমটি: 'তামরাহ' (تمرة) এর পরিচ্ছেদ; বহুবচনে এটি জবর (فتح) যোগে উচ্চারিত হয়, যেমন 'তামারাত' (تَمَرات), তবে বিশেষণ (صفة) হওয়ার ক্ষেত্রে এটি তার স্থির (سكون) অবস্থায় বহাল থাকে, যেমন 'দাখমাত' (ضخْمات)।

দ্বিতীয়টি: 'নামির' (نمر) এর পরিচ্ছেদ; নিসবাহ বা সম্বন্ধের (نسبة) ক্ষেত্রে এটি জবরযুক্ত হয়, যেমন 'নামারি' (نَمَري)।

* আমাকে এমন একটি বর্ণ সম্পর্কে সংবাদ দিন যা তার সমজাতীয় বর্ণের মধ্যে একীভূত (يدغم) হয়, কিন্তু তার সমজাতীয় বর্ণটি তার মধ্যে একীভূত (يدغم) হয় না।

সেটি হলো 'লাম' (ل); যা 'রা' (ر) এর মধ্যে একীভূত (تدغم) হয়, কিন্তু 'রা' তার (লাম এর) মধ্যে একীভূত হয় না।

* আমাকে বিবেকসম্পন্নদের (عقلاء) নামসমূহের মধ্য থেকে এমন একটি নাম সম্পর্কে সংবাদ দিন যার বহুবচন কেবল আলিফ ও তা (ألف وتاء) দ্বারা গঠিত হয়।

সেটি হলো 'ত্বালহা' (طلحة)।

* আমাকে এমন একটি মূল রূপ (مكبر) ও ক্ষুদ্রার্থ রূপ (مصغر) সম্পর্কে সংবাদ দিন যা উচ্চারণের দিক থেকে অভিন্ন (مؤتلف), কিন্তু ব্যাকরণিক বিচারে ভিন্ন (مختلف)।

সেগুলো হলো 'মুবাইতির' (مبيطر) এবং 'মুসাইতির' (مسيطر); আপনি যদি সেগুলোকে ক্ষুদ্রার্থ রূপ (تصغير) প্রদান করেন, তবে উচ্চারণে আপনি মূল রূপের (تكبير) মতোই একইভাবে 'মুবাইতির' ও 'মুসাইতির' বলবেন।

* আমাকে 'নামারাত' (نمرات) এবং 'তামারাত' (تمرات) নামক কোনো ব্যক্তির দিকে নিসবাহ বা সম্বন্ধ (نسبة) করার নিয়ম সম্পর্কে সংবাদ দিন।

'নামরাহ' (نمرة) এর বহুবচন 'নামারাত' (نمرات) এর নিসবাহ বা সম্বন্ধ (نسبة) হবে মিম বর্ণকে স্থির (سكون) রেখে 'নামরি' (نَمْرى); কারণ সম্বন্ধের (نسبة) ক্ষেত্রে বহুবচনকে একবচনে ফিরিয়ে নিতে হয়।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৬)
وإلى تمرات اسم رجل تمرى بفتح الميم لأنك تحذف الألف والتاء عند النسب.

* أخبرني عن اسم ناقص له شتى أوصاف موصول ولازم للإضافة ومضاف إلى فعل وغير مضاف.

هو (ذو) يكون موصولا بمعنى الذي، ولازما للإضافة في نحو ذو مال ومضافًا إلى الفعل في قولهم اذهب بذى تسلم، وغير مضاف فى قولهم الأذواء لذى يزن وذى جدن وذى رعين وغيرهم.

* أخبرني عن اسم تكبيره يجعل ياءه هاء وتصغيره يقلب هاءه ياء.

هو (ذى) في إشارة المؤنث تبدل ياؤه هاء في المكبر منه خاصة.

نحو ذه أمة الله، فإذا صغرته رددته إلى أصلها ياء فتقول في امرأة سميتها بذه ذيبة لا ذهية.

* أخبرني عن الفرق بين ضمتي العليا والعليا وبين ضمتي أولى وأوليا.

الفرق بين الأولين أن الأولى ضمة بناء الفعل والثانية ضمة بناء المصغر.

وأما الأخريان فمتفقتان ضمة المصغر هي ضمة المكبر، لأن اسم الإشارة إذا صغر لم يضم أوله.

* أخبرني عن الفرق بين: لهي أمك، ولهي أبوك، وبين: له ابنك وله أخوك.
এবং 'তামরাত' হলো এক ব্যক্তির নাম, যার সম্বন্ধ (نسب) হলো 'তামারি' (تمرى) 'মিম' অক্ষরে জবর যোগে; কারণ সম্বন্ধ (نسب) করার সময় আপনি আলিফ ও তা বিলুপ্ত করবেন।

* আমাকে এমন একটি অপূর্ণ (ناقص) বিশেষ্য সম্পর্কে অবহিত করুন যার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে: এটি সংযুক্ত (موصول), অপরিহার্যভাবে সম্বন্ধযুক্ত (لازم للإضافة), ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف إلى فعل) এবং সম্বন্ধহীন (غير مضاف) হয়।

সেটি হলো 'জু' (ذو), যা 'আল্লাজি'-এর অর্থে সংযুক্ত (موصول) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আবার 'জু মাল'-এর ন্যায় উদাহরণে অপরিহার্যভাবে সম্বন্ধযুক্ত (لازم للإضافة) হয়। আবার তাদের বক্তব্য "ইজহাব বিজি তাসলাম"-এ এটি ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয়েছে, এবং তাদের কথা "আল-আযওয়া"-তে এটি সম্বন্ধহীন (غير مضاف) হয়েছে; যেমন: 'জি ইয়াজান' (ذى يزن), 'জি জাদান' (ذى جدن), 'জি রাইন' (ذى رعين) এবং অন্যান্য।

* আমাকে এমন একটি বিশেষ্য সম্পর্কে অবহিত করুন যার মূল রূপ (تكبير) তার 'ইয়া' (ياء) অক্ষরকে 'হা' (هاء) বানিয়ে দেয় এবং তার ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ (تصغير) 'হা' (هاء) অক্ষরকে 'ইয়া' (ياء)-তে রূপান্তরিত করে।

সেটি হলো স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশক শব্দ 'জি' (ذى), যার বিশেষভাবে মূল রূপে (المكبر) তার 'ইয়া' অক্ষরটি 'হা' দ্বারা পরিবর্তিত হয়।

যেমন: "জিহি আমাতুল্লাহ" (ذه أمة الله)। অতঃপর যখন আপনি একে ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير) করবেন, তখন একে তার মূল ভিত্তি 'ইয়া'-তে ফিরিয়ে আনবেন। সুতরাং আপনি যদি কোনো মহিলার নাম 'জিহি' (ذه) রাখেন, তবে ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপে আপনি বলবেন 'জাইয়্যাবা' (ذيبة), 'জিহিয়্যাহ' (ذهية) নয়।

* আমাকে 'উলইয়া' এবং 'উলইয়া'-এর মধ্যকার দুই পেশ (ضمة)-এর পার্থক্য এবং 'উলা' ও 'উলাইয়া'-এর দুই পেশ (ضمة)-এর পার্থক্য সম্পর্কে বলুন।

প্রথম দুটির মধ্যে পার্থক্য হলো, প্রথম পেশটি হলো ক্রিয়া গঠন (بناء الفعل)-এর পেশ এবং দ্বিতীয়টি হলো ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ গঠন (بناء المصغر)-এর পেশ।

আর পরবর্তী দুটির ক্ষেত্রে উভয়ই একরূপ; ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপের পেশ (ضمة المصغر) হলো মূল রূপের পেশ (ضمة المكبر), কারণ নির্দেশক বিশেষ্য (اسم الإشارة) যখন ক্ষুদ্রার্থবোধক (تصغير) করা হয়, তখন তার শুরুতে পেশ (ضم) যুক্ত হয় না।

* আমাকে "লা-হিয়া উম্মুকা" এবং "লা-হিয়া আবুকা" এবং "লাহু ইবনুকা" ও "লাহু আখুকা"-এর মধ্যকার পার্থক্য সম্পর্কে অবহিত করুন।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৭)
لما كان اسم الله سبحانه وتعالى لا شىء أدور منه على الألسنة خففوه ضروبًا من التخفيف، فقالوا لاه أبوك بحذف اللامين، وقلبوا فقالوا لهي أبوك، وحذفوا من المقلوب فقالوا له أبوك، وبنين لتضمين لام التعريف كأمس، وبني أحدهما على السكون لأنه الأصل ولا مانع.

والثاني على الكسر لأنه الملجأ [البناء على السكون] عند التقاء الساكنين.

والثالث على الفتح لاستثقال الكسرة على ما هو من جنسها.

* أخبرني عن مذكر لا يجمع إلا بالألف والتاء - وعن مؤنث يجمع بالواو والنون من غير العقلاء.

الأول: نحو سرادق وحمام.

والثاني: باب سنين وأرضين.

* أخبرني عن مجموع في معنى المثنى وعن واحد من واحد مستثنى.

الأول: نحو قوله تعالى: {فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا} [التحريم: 4].

والثاني: ما جاء في لغة بني تميم من قولهم ما أتاني زيد إلا عمرو بمعنى ما أتاني زيد لكن عمرو، ومنها قولهم ما أعانه إخوانكم إلا إخوانه.

هذا آخر أحاجي الزمخشري ونعقبها بأحاجي السخاوي.
যেহেতু মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার নাম জিহ্বায় অন্য যেকোনো শব্দের তুলনায় অধিক আবর্তিত হয়, তাই তারা (আরবগণ) একে বিভিন্নভাবে সংক্ষেপ করেছেন। তারা 'লা-হু আবুকা' (لاه أبوك) বলতেন দুটি 'লাম' বিলুপ্ত করে, আবার বর্ণ বিপর্যয় ঘটিয়ে বলতেন 'লাহী আবুকা' (لهي أبوك), এবং সেই বিপর্যয়কৃত শব্দ থেকেও বিলোপ ঘটিয়ে বলতেন 'লাহু আবুকা' (له أبوك)। 'লামে তারিফ' (নির্দিষ্টকরণ সূচক লাম) অন্তর্ভুক্ত করার কারণে 'আমসি' শব্দের ন্যায় এর শেষে কাসরা (যের) প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ একে সুকুন (স্থিরতা) এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত করেছেন, কারণ এটিই মূল ভিত্তি এবং এতে কোনো বাধা নেই।

দ্বিতীয়টি কাসরা (যের) ভিত্তিক, কারণ দুই সুকুন একত্রিত হওয়ার ক্ষেত্রে এটিই নিয়ম।

তৃতীয়টি ফাতহা (যবর) ভিত্তিক, কারণ সমজাতীয় হরকতের ক্ষেত্রে কাসরার ভার পরিহার করা হয়েছে।

* আমাকে এমন একটি পুরুষবাচক শব্দ সম্পর্কে বলুন যার বহুবচন কেবল আলিফ এবং তা যোগে গঠিত হয় - এবং এমন একটি স্ত্রীবাচক শব্দ সম্পর্কে বলুন যা বিবেকসম্পন্ন নয় এমন হওয়া সত্ত্বেও যার বহুবচন 'ওয়াও' এবং 'নূন' যোগে গঠিত হয়।

প্রথমটি: যেমন সুরাদিক এবং হাম্মাম।

দ্বিতীয়টি: সিনীন (বছরসমূহ) এবং আরদিন (ভূমিসমূহ) এর অধ্যায়।

* আমাকে এমন একটি বহুবচন সম্পর্কে বলুন যা দ্বিবচনের অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এমন একটি একবচন সম্পর্কে বলুন যা একবচন থেকেই ব্যতিক্রম করা হয়েছে।

প্রথমটি: যেমন আল্লাহ তায়ালার বাণী: {তোমাদের দুইজনের অন্তর তো ঝুঁকে পড়েছে} [সূরা আত-তাহরীম: ৪]।

দ্বিতীয়টি: বনু তামীম গোত্রের ভাষারীতিতে যা এসেছে, যেমন তাদের উক্তি— 'মা আতানি যাইদুন ইল্লা আমরুন', যার অর্থ হলো 'যাইদ আমার কাছে আসেনি, বরং আমর এসেছে'। এরই অন্তর্ভুক্ত তাদের অন্য উক্তি— 'মা আয়ানাহু ইখওয়ানুকুম ইল্লা ইখওয়ানুহু'।

এখানেই যামাখশারীর ধাঁধাগুলোর সমাপ্তি এবং এর পরপরই আমরা সাখাভীর ধাঁধাগুলো বর্ণনা করব।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌أحاجي السخاوي

* قال الشيخ علم الدين السخاوي:

وما اسم جمعُه كالفعلِ منه … وما اسمٌ فاعلٌ فيه كفعل

له وزنانِ يفترقانِ جَمْعًا … ويتحدانِ فِيه بغيرِ فصلِ

وقال:

ما اسمٌ ينونُ لكن … قد أوجبوا مَنعَ صرفه

وما الذي حَقُّه النو … ن حين جاءوا بحذفِه

الأول باب جوار وغواش.

الثاني (وبيض).

* وقال:

ماذا تقولُ أكاذبٌ أم صادقٌ … من قال وهو يجد فيما يُخبر

رجلانِ أختى منهمَا وكَذاكَ في … أخوى أَيضًا من تحيضُ وتطهرُ

وكذا غلاما زوجتى تناكحَا … حِلا وليسَ عليهما من يُنكِرُ

* وقال:

ما اسمٌ أنيب عن اسم … وكان لَا بُدَّ مِنْهُ

وأينَ شرطٌ أتى لا … جوابَ يلزمُ عَنْهُ

وأينَ ناب سكونٌ … عن السكونِ أَبِنهُ
আস-সাখাবীর ধাঁধাসমূহ

* শায়খ আলামুদ্দীন আস-সাখাবী বলেছেন:

এমন কোন বিশেষ্য যার বহুবচন তার ক্রিয়ার ন্যায় … আর কোন কর্তৃবাচক বিশেষ্য (اسم فاعل) তাতে ক্রিয়ার ন্যায়

তার দুটি ওজন রয়েছে যা বহুবচনের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয় … এবং তা বিচ্ছেদহীন অবস্থায় এক হয়ে যায়

তিনি বলেছেন:

এমন কোন বিশেষ্য যাতে তানউইন হয় কিন্তু … তারা তা রূপান্তরহীন (ممنوع من الصرف) করা আবশ্যক করেছেন

আর সেটি কোনটি যার প্রাপ্য ছিল তান … উইন, যখন তারা সেটি বিলোপ করে নিয়ে এসেছেন

প্রথমটি জাওয়ারিন এবং গাওয়াশিন এর পরিচ্ছেদ।

দ্বিতীয়টি (বাইদুন)।

* তিনি বলেছেন:

আপনি কি বলবেন, সে কি মিথ্যাবাদী (كاذب) নাকি সত্যবাদী (صادق) … যে ব্যক্তি তার সংবাদ প্রদানের ক্ষেত্রে ঐকান্তিকতা বজায় রেখে বলে:

দুইজন ব্যক্তি আমার বোন তাদের থেকে, এবং তদ্রূপ … আমার দুই ভাইয়ের ক্ষেত্রেও, যারা ঋতুবতী হয় এবং পবিত্র হয়

তদ্রূপ আমার স্ত্রীর দুই গোলাম পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে … যা বৈধ এবং তাদের ব্যাপারে কারো আপত্তি করার কিছু নেই

* তিনি বলেছেন:

কোন বিশেষ্যটি অন্য বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে … অথচ তা অপরিহার্য ছিল

এবং কোথায় এমন শর্ত (شرط) এসেছে যার … কোনো উত্তর (جواب) আবশ্যক হয় না

এবং কোথায় একটি সুকুন (سكون) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে … অন্য সুকুন (سكون) এর, তা স্পষ্ট করুন।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ২৯)
* وقال:

ما حروفٌ ذات وَجْهَين لها … مَنعوا الصرفَ وطَوْرًا صَرَفُوا

ثم ما اسم كيقوم احتمَل الصَّر … فَ والمنعَ وَفيه اختلفوا

* وقال:

وما فاءٌ تداوُلها … ثلاثةٌ أحرُفٍ عَدَدَا

وما عينٌ لها حَرفا … ن يَعتورانها أبدَا

ولا مَات لها حرفا … نِ أيضًا مِثلها وجدَا

وماعينانِ مَع لامين … لفظُهما قَدِ اتحدَا

هُما في كلمتين هما … لمعنى واحدٍ وَرَدَا

وما ضدانِ إِن وضعَا … ولَوْلَا الفاءُ مَا انفردَا

الأول: قولهم في دواء السم درياق وترياق وطرياق.

والثاني: نعق الغراب ونغق ومعافير ومغافير.

والثالث: جدث وجدف للقبر، ولازم ولازب.

والرابع: الجداد والجذاذ بالدال المهملة أو المعجمة اتحد في كل منهما لفظ العين واللام، والكلمتان لمعنى واحد وهو صرام النخل.

والخامس: الأرى والشرى فالأرى العسل والشرى الحنظل ولولا الفاء ما افترقا، إنما فرقت الفاء بين لفظيهما، يقال: له طعمان أرى وشرى.

* وقال:

وما اسمٌ غيرُ منسوبٍ إليه … أتى لفظُ العلامةِ ليس يَخفَى
* তিনি বলেন:

সেই অক্ষরগুলো কী যা দ্বিমুখী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী? তারা সেগুলোকে কখনো তানভীন ও কাসরা নিষিদ্ধ (منع الصرف) করেছেন … এবং কখনো তানভীন যুক্ত (صرف) করেছেন।

অতঃপর ‘ইয়াকুম’-এর ন্যায় এমন কোন বিশেষ্য (اسم) রয়েছে যা তানভীন গ্রহণ (صرف) … এবং বর্জন (منع الصرف) উভয়টির সম্ভাবনা রাখে এবং এ বিষয়ে তারা মতভেদ করেছেন?

* তিনি বলেন:

এবং সেই ‘ফা’ মূলবর্ণ (فاء) কোনটি যার আবর্তন … সংখ্যায় তিনটি অক্ষর?

এবং সেই ‘আইন’ মূলবর্ণ (عين) কোনটি যার স্থলে দুটি অক্ষর … সর্বদা পর্যায়ক্রমে আসে?

এবং সেই ‘লাম’ মূলবর্ণ (لام) গুলো কোনটি যাদের ক্ষেত্রেও অনুরূপ দুটি অক্ষর … পাওয়া যায়?

এবং সেই দুটি ‘আইন’ (عين) ও দুটি ‘লাম’ (لام) কী … যাদের উচ্চারণ অভিন্ন হয়েছে?

তারা দুটি ভিন্ন শব্দে বিদ্যমান … কিন্তু একই অর্থের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

এবং সেই বিপরীতার্থক শব্দ দুটি কী যেগুলোকে গঠন করা হয়েছে … অথচ ‘ফা’ মূলবর্ণ (فاء) না থাকলে তারা পৃথক হতো না?

প্রথমটি: বিষের ওষুধের ক্ষেত্রে তাদের উক্তি: দিরইয়াক, তিরইয়াক এবং ত্বিরইয়াক।

দ্বিতীয়টি: কাকের ডাকের ক্ষেত্রে ‘নাকা’ ও ‘নাগা’; এবং ‘মাআফির’ ও ‘মাগাফির’।

তৃতীয়টি: কবরের ক্ষেত্রে ‘জাদাস’ ও ‘জাদাফ’; এবং ‘লাজিম’ ও ‘লাজিব’।

চতুর্থটি: ‘আল-জাদাদ’ এবং ‘আল-জাযায’ নুকতাহীন দাল (دال مهملة) অথবা নুকতাযুক্ত (معجمة) বর্ণের মাধ্যমে; এগুলোর প্রতিটিতে ‘আইন’ (عين) এবং ‘লাম’ (لام) বর্ণের উচ্চারণ অভিন্ন হয়েছে। শব্দ দুটি একই অর্থের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর তা হলো খেজুর কাটা।

পঞ্চমটি: ‘আল-আরা’ এবং ‘আশ-শারা’; ‘আল-আরা’ হলো মধু এবং ‘আশ-শারা’ হলো তিতকুঁড়ো, আর যদি ‘ফা’ মূলবর্ণ (فاء) না থাকত তবে তারা পৃথক হতো না। মূলত ‘ফা’ বর্ণটিই তাদের উচ্চারণের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করেছে। বলা হয়: তার দুটি স্বাদ রয়েছে, মধু ও তিতকুঁড়ো।

* তিনি বলেন:

এবং এমন কোন বিশেষ্য (اسم) রয়েছে যা কারো প্রতি সম্বন্ধযুক্ত (منسوب إليه) নয়? … যার আলামত বা চিহ্নের শব্দটি প্রকাশ্য এবং তা অস্পষ্ট নয়।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩০)
وآخر لم تكنْ فيه فكانتْ … ولم يزدَدْ بها في اللفظِ حَرْفَا

وآخرُ فيه كانتْ ثُم عادتْ … إِليه فغيرتْ معناه وصفَا

وأين مؤنثٌ لا تاءَ فيه … يتقديرٍ ولا في اللفظِ تَلفَى

الأول: بخاتى جمع بختى إذا سميت به رجلاً.

والثاني: بخاتى المذكور إذا نسبت إليه أزلت الياء التي كانت فيه وجعلت مكانها ياء النسب ولم يزدد حرفًا، لأن التي أزلتها منه مثل التي ألحقتها به.

والثالث: بختى اسم رجل إذا نسبت إليه قلت بَخْتِيٌّ فاللفظ واحد والحكم مختلف، فإنه كان أولاً اسمًا فلما نسبت إليه صار صفة.

والرابع: المؤنث المسمى بمذكر نحو جعفر علم امرأة لا تاء فيه في لفظ ولا تقدير.

وما خبرٌ أتى فَرْدا … لمبتدإ أتى جَمْعا

ْوجاء عن المثنَّى وهـ … ـو فردٌ كَافيا قطعا

ويا من يَطلب النحوَ … وفى أبوابِه يَسْعَى

أتجمعُ نعت أفراد … أجِبْنا مُحْسنا صنعَا

وهل للنعتِ دونَ الوصـ … ـفِ معنى مفردٌ يرعى

الأول قول حيان المحاربى:

ألا إن جيراني العشية رائح
এবং অপরটি যাতে তা ছিল না, অতঃপর তা হলো … এবং উচ্চারণে তাতে একটি বর্ণও বৃদ্ধি পেল না।

এবং অন্য একটি যাতে তা ছিল, এরপর তা পুনরায় … এতে ফিরে এল, ফলে তার অর্থ এবং গুণ (صفة) পরিবর্তন করে দিল।

এবং সেই স্ত্রীলিঙ্গ কোথায় যাতে কোনো ‘তা’ নেই … না অনুমিতভাবে (تقدير), আর না উচ্চারণে তা পাওয়া যায়।

প্রথমটি: বখাতি, যা বখতি-এর বহুবচন, যখন আপনি এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির নামকরণ করবেন।

দ্বিতীয়টি: উল্লিখিত বখাতি, যখন আপনি এর দিকে সম্বন্ধ (نسبة) করবেন, তখন আপনি এতে থাকা ‘ইয়া’ বর্ণটি বিলুপ্ত করবেন এবং তার স্থলে সম্বন্ধসূচক ‘ইয়া’ (ياء النسب) স্থাপন করবেন। ফলে এতে কোনো বর্ণ বৃদ্ধি পাবে না, কারণ যা আপনি বিলুপ্ত করেছেন তা হুবহু তার মতোই যা আপনি যুক্ত করেছেন।

তৃতীয়টি: বখতি একজন ব্যক্তির নাম, যখন আপনি তার দিকে সম্বন্ধ (نسبة) করবেন তখন বলবেন ‘বখতিয়্যুন’। ফলে উচ্চারণ এক হলেও বিধান ভিন্ন হবে; কেননা এটি প্রথমে একটি নাম ছিল, কিন্তু যখন আপনি এর দিকে সম্বন্ধ (نسبة) করলেন তখন তা একটি গুণে (صفة) পরিণত হলো।

চতুর্থটি: এমন স্ত্রীলিঙ্গ যাকে পুরুষবাচক নামে নামকরণ করা হয়েছে, যেমন জাফর একজন মহিলার নাম; এর উচ্চারণে বা অনুমিতরূপে (تقدير) কোনো ‘তা’ নেই।

এবং সেই বিধেয় (خبر) কোনটি যা একক (فرد) হিসেবে এসেছে … এমন একটি উদ্দেশ্যের (مبتدأ) জন্য যা বহুবচন হিসেবে এসেছে।

এবং তা দ্বিবচন থেকেও এসেছে অথচ তা … একক (فرد) হিসেবেই নিশ্চিতভাবে যথেষ্ট।

হে ব্যাকরণ অন্বেষণকারী … এবং যে এর অধ্যায়গুলোতে প্রচেষ্টা চালায়।

আপনি কি এককদের (أفراد) বিশেষণকে (نعت) বহুবচন করবেন … আমাদের উত্তর দিন, সুন্দর কাজ সম্পাদনকারী হিসেবে।

এবং বিশেষণের (نعت) কি বর্ণনা (وصف) ব্যতীত … কোনো স্বতন্ত্র অর্থ আছে যা বিবেচনা করা হয়?

প্রথমটি হাইয়ান আল-মুহারিবীর উক্তি:

জেনে রেখো, আজ সন্ধ্যায় আমার প্রতিবেশীরা প্রস্থানকারী (একবচন)।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩১)
فقوله رائح مفرد أراد به الجمع.

والثاني قوله:

فإنى وقيار بها لغريب

والثالث: قولك مررت بقرشي وطائي وفارسي صالحين.

وأما النعت والصفة فلا فرق بينهما عند البصريين.

وقال قوم منهم ثعلب: النعت ما كان خاصا كالأعور والأعرج لأنهما يخصان موضعا من الجسد، والصفة للعموم كالعظيم والكريم، وعند هؤلاء (الله) تعالى يوصف ولا ينعت.

وقال:

لم لذا قلتَ إن زيدا هُو القا … ئم كان الضميرُ إن شئت فصلا

فإذا اللامُ أدخَلوها عَلَيْه … بطلَ الفصلُ عندَها واسْتقلَاّ

وهل الفصلُ واقعًا أوْ لَا أو … قبل حَال هَلْ قِيل ذَلِك أمْ لا

والَّذى بَعْدَ هؤلاءِ بناتي … أتراهُ فَصْلا مَعَ النصبِ يُتلى

ولم اختُصَّ رُبَّ بالصدر لم يُلـ … ـفَ له بينَ أحْرُفِ الجر مِثْلَا

ثم هل يَحْسُنُ اجتماعُ ضَمِيرين … وماذا رَأى الذي قَالَ كَلَاّ

إنما لم يكن فصلاً في نحو إن زيدا لهو القائم، لأنها لام ابتداء،
তাঁর উক্তি 'রয়িহ' একবচন হলেও তিনি এর দ্বারা বহুবচন উদ্দেশ্য করেছেন।

আর দ্বিতীয়টি হলো তাঁর উক্তি:

‘আমি এবং কায়্যার সেখানে অবশ্যই আগন্তুক’

আর তৃতীয়টি হলো তোমার এই কথা: ‘আমি একজন কুরাইশী, একজন ত্বয়ী এবং একজন সৎ (صالح) পারসিকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি’।

আর নাত (গুণবাচক শব্দ) এবং সিফাত (বিশেষণ)-এর মধ্যে বসরীয় ভাষাবিদদের নিকট কোনো পার্থক্য নেই।

তাদের মধ্যে ছা'লাবসহ একদল বলেছেন: নাত হলো যা সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য হয়, যেমন—একচক্ষুহীন এবং খোঁড়া; কারণ এই শব্দ দুটি শরীরের নির্দিষ্ট কোনো স্থানকে নির্দেশ করে। আর সিফাত হলো সাধারণ বা ব্যাপক (عام) গুণাবলির জন্য, যেমন—মহান এবং দয়ালু। তাদের মতে, আল্লাহ তাআলার গুণাবলি বর্ণনা করা যাবে, তবে তাঁকে নাত (শারীরিক গুণ) করা যাবে না।

এবং তিনি বলেছেন:

কেন তুমি বললে যে 'নিশ্চয়ই যয়েদ দণ্ডায়মান', তুমি চাইলে সেখানে সর্বনামটিকে ফাসল (বিভেদকারী) গণ্য করতে পারো

অতঃপর যখন তারা এর ওপর 'লাম' যুক্ত করল, তখন সেখানে ফাসল হওয়ার যোগ্যতা রহিত হয়ে গেল এবং তা স্বতন্ত্র হয়ে পড়ল

আর ফাসল কি বাস্তবিকই বিদ্যমান নাকি নেই? অথবা হালের (حال) পূর্বে কি এমন কথা বলা হয়েছে কি না

আর এদের পরে যারা রয়েছে তারা হলো আমার কন্যাগণ; তুমি কি নসব (نصب) অবস্থায় একে ফাসল হিসেবে পঠিত হতে দেখছ

আর কেন 'রুব্বা' শব্দটিকে বাক্যের শুরুতে আসার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে, অথচ হরফে জরের মধ্যে এর কোনো সমতুল্য পাওয়া যায় না

অতঃপর দুটি সর্বনামের একত্রে থাকা কি সংগত? আর যে ব্যক্তি একে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন তার অভিমত কী

মূলত 'ইন্ন যয়দান লা-হুওয়াল কায়িমু' এর মতো বাক্যের ক্ষেত্রে এটি ফাসল (বিভেদকারী) নয়, কারণ এটি হলো লামে ইবতিদা (প্রারম্ভিক লাম),
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩২)
فهو إذن مبتدأ مستقل.

وأجاز بعض الكوفيين وقوع الفصل في أول الكلام نحو {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ}، وبين المبتدأ والحال، وحملوا عليه قراءة {هَؤلاءِ بَنَاتِى هنَّ أَطْهَرُ لَكُمْ} بالنصب، وأبى ذلك البصريون، وإنما اختصت رُبَّ بالصدر من بين حروف الجر لأمرين:

أحدهما: أنها بمنزلة كم في بابها.

والثاني: أنها تشبه حرف النفي والنفي له صدر الكلام، وشبهها بالنفي أنها للتقليل، والتقليل عندهم نفي، ويؤكد الضمير بالضمير نحو "زيد قام هو" "ومررت به هو" "ومررتُ بك أنت".

وقال:

ما لهم استفهموا مخاطِبَهم … في النكرِ بالحرفِ عِنْدما وَقفوا

وأسقطوا الحرفَ في المعارِف والـ … وصْلِ ومن بعدِ ذا قَدِ اختَلفُوا

وواحدٌ خاطبوا بتثنيةٍ … وواحدٌ اثنين عَنه قد صَدفوا

إنما أتوا بالعلامة في النكرة ليفرقوا بينه وبين المعرفة، وذلك من أجل أن الاستفهام في المعرفة ليس معناه معنى الاستفهام في النكرة، لأن الاستفهام في المعرفة عن الصفة والاستفهام في النكرة عن العين، فلما اختلف المعنى خالفوا بينهما في اللفظ.

وإنما لحقت العلامة في الوقف دون الوصل لأن وصل الكلام يفيد المراد، فلم يحتج إلى العلامة فيه، ولأن الوقف موضع التغيير فكانت العلامة فيه من جملة تغييراته، وإنما لم تلحق هذه العلامات المعرفة
সুতরাং এটি একটি স্বতন্ত্র উদ্দেশ্য (مبتدأ مستقل)।

কূফাবাসীদের (الكوفيون) কেউ কেউ বাক্যের শুরুতে বিচ্ছিন্নকারী (فصل) হওয়া বৈধ বলেছেন, যেমন: {বলুন, তিনিই আল্লাহ এক}, এবং এটি উদ্দেশ্য (مبتدأ) ও অবস্থা (حال) এর মাঝেও হতে পারে। তারা {এরা আমার কন্যা, তারা তোমাদের জন্য অধিক পবিত্র} এই কিরাআতটিকে নসব (نصب) অবস্থায় এর ওপর ভিত্তি করেই গ্রহণ করেছেন। বসরবাসীরা (البصريون) তা অস্বীকার করেছেন। আর অব্যয়গুলোর (حروف الجر) মধ্যে 'রুব্বা' (رُبَّ) শব্দটি দুটি কারণে বাক্যের শুরুতে আসার জন্য বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে:

প্রথমটি হলো: এটি তার নিজস্ব অধ্যায়ে 'কাম' (كم) এর সমপর্যায়ের।

দ্বিতীয়টি হলো: এটি না-বোধক অব্যয়ের (حرف النفي) সদৃশ, আর না-বোধক অব্যয় বাক্যের শুরুতে আসার অধিকার রাখে। না-বোধক অব্যয়ের সাথে এর সাদৃশ্য হলো এটি স্বল্পতা (تقليل) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, আর তাদের নিকট স্বল্পতা হলো এক প্রকার না-বোধক অর্থ। আর সর্বনামকে (الضمير) সর্বনাম দ্বারা তাকিদ (تأكيد) বা জোর দেওয়া হয়, যেমন: "জায়েদ, সে দাঁড়িয়েছে", "আমি তার পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি, সে" এবং "আমি তোমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি, তুমি"।

এবং তিনি বলেছেন:

তাদের কী হলো যে তারা তাদের সম্বোধনকৃত ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন করে … অনির্দিষ্ট শব্দের (نكرة) ক্ষেত্রে অব্যয় (حرف) যোগ করে যখন তারা থামেন (وقف)।

তারা নির্দিষ্ট শব্দের (معرفة) ক্ষেত্রে এবং সংযোগের (وصل) … সময় অব্যয় বিলুপ্ত করে দেন, আর এর পরে তারা মতভেদ করেছেন।

তারা একজনকে দ্বিবচনের শব্দে সম্বোধন করেছেন … আর একজন ব্যক্তি দুইজন থেকে বিমুখ হয়েছেন।

তারা অনির্দিষ্ট শব্দের (نكرة) ক্ষেত্রে এই চিহ্নটি নিয়ে এসেছেন যাতে তা নির্দিষ্ট শব্দ (معرفة) থেকে পৃথক করা যায়। এর কারণ হলো, নির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসার (استفهام) অর্থ আর অনির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসার অর্থ এক নয়। কেননা নির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসা করা হয় গুণ বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে, আর অনির্দিষ্ট শব্দের ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসা করা হয় মূল সত্তা সম্পর্কে। যখন অর্থের ভিন্নতা দেখা দিল, তখন তারা শব্দের উচ্চারণেও ভিন্নতা তৈরি করলেন।

আর এই চিহ্নটি বিরতির (وقف) ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে, কিন্তু মেলানোর (وصل) ক্ষেত্রে নয়; কারণ বাক্যের সংযোগই কাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশ করে, তাই সেখানে চিহ্নের প্রয়োজন হয় না। এছাড়া বিরতি হলো পরিবর্তনের স্থান, তাই সেখানে চিহ্ন থাকাটা তার রূপান্তরেরই অন্তর্ভুক্ত। আর এই চিহ্নগুলো নির্দিষ্ট শব্দের (معرفة) সাথে যুক্ত হয় না।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩৩)
لأنهم استغنوا عن ذلك بالحركات التي يقبلها الاسم.

وأما الواحد المخاطب بلفظ التثنية فقولهم اضربا يريد اضرب ومنه:

{أَلْقِيَا فِى جَهَنَّمَ} [ق: 24].

* وواحد اثنين عنه قد صدفوا *

هو قولهم المقصان والكلبتان والجلمان. وقال أبو حاتم: ومن قال المقص فقد أخطأ.

* وقال:

ما ساكنٌ قد أوجبوا تحريكَه … ومحركٌ قدْ أوْجبوا تسكينَه

ومسكَّن قد أسْقَطوه وَحَذْفه … لو زالَ موجب حذفِه يبقونه

الأول: نحو اضرب القوم لالتقاء الساكنين والثاني [ … ] (1)

* وقال:

ما تاءُ مخبر إن تقلْ هي فاعلٌ … وتكونُ مفعولاً فأنت مُصَدَّقُ

واسمٌ لفاعل إن نطقْتَ بلفظِه … وعنيْتَ مَفعولاً فأنتَ مُحقّقُ

الأول: التاء في نحو بعتُ، تقول بعت الغلام فالتاء فاعل، ويقول الغلام بُعتَ فالتاء مفعول يريد باعني مولاي وبنى الفعل للمفعول وأصله بيِعت كضربت.

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين بياض بالأصل.
কারণ তারা সেই সব হরকতের (حركة) মাধ্যমে তা থেকে অমুখাপেক্ষী হয়েছেন যা ইসম (اسم) গ্রহণ করে থাকে।

আর দ্বিবচনের (تثنية) শব্দ দিয়ে সম্বোধনকৃত একবচনের (واحد) ক্ষেত্রে তাদের বক্তব্য হলো 'তোমরা দুইজন প্রহার করো' (اضربا), যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো 'তুমি প্রহার করো' (اضرب); আর এরই অন্তর্ভুক্ত হলো:

{তোমরা উভয়ে নিক্ষেপ করো জাহান্নামে} [সূরা ক্বাফ: ২৪]।

* এবং দুইয়ের একবচন থেকে তারা বিমুখ হয়েছে *

এটি হলো তাদের বক্তব্য: 'দুইটি কাঁচি' (المقصان), 'দুইটি চিমটা' (الكلبتان) এবং 'দুইটি বড় কাঁচি' (الجلمان)। আবু হাতিম বলেছেন: যে ব্যক্তি একবচনে 'কাঁচি' (المقص) বলবে, সে ভুল করবে।

* তিনি বলেছেন:

এমন সাকিন (ساكن) যা তারা হরকতযুক্ত (تحريك) করা আবশ্যক করেছে … এবং এমন হরকতযুক্ত (محرك) যা তারা সাকিন (تسكين) করা আবশ্যক করেছে।

এবং এমন সাকিনকৃত (مسكن) যা তারা ফেলে দিয়েছে এবং তার বিলোপ (حذف) … যদি তার বিলোপের কারণ দূর হয়ে যায় তবুও তারা তা বহাল রাখে।

প্রথমটি: যেমন দুই সাকিনের মিলনের (التقاء الساكنين) কারণে 'اضرب القوم' বলা এবং দ্বিতীয়টি [ … ] (১)

* তিনি বলেছেন:

সংবাদদাতার 'তা' (تاء) কোনটি, যদি তুমি বলো এটি কর্তা (فاعل) … আবার তা কর্ম (مفعول) হয়, তবে তুমি সত্যবাদী সাব্যস্ত হবে।

এবং কোনো কর্তার (فاعل) নাম যদি তুমি তার শব্দে উচ্চারণ করো … আর তার দ্বারা কর্ম (مفعول) উদ্দেশ্য নাও, তবে তুমি যথাযথ বিষয় সাব্যস্তকারী হবে।

প্রথমটি: 'বে'তু' (بعتُ) এর মতো শব্দের 'তা' (تاء); তুমি বলো 'আমি গোলামটিকে বিক্রি করেছি' (بعت الغلام), এখানে 'তা' হলো কর্তা (فاعل), আর গোলাম বলে 'আমি বিক্রিত হয়েছি' (بُعتَ), তখন 'তা' হলো কর্ম (مفعول); সে বুঝাতে চায় 'আমার মুনিব আমাকে বিক্রি করেছেন' এবং সে ক্রিয়াটিকে কর্মের (مفعول) জন্য গঠন করেছে; এর মূল রূপ ছিল 'বিয়ি'তু' (بيِعت) যেমন 'দুরিবেতু' (ضربت)।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু শূন্য ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩৪)
والثاني: نحو مختار، تقول اخترتُ فأنا مختار فيكون اسم فاعل وأصله مختير، واخترت المتاع فهو مختار فيكون اسم مفعول وأصله مختير.

* وقال:

وأشكل فاعلٌ في الجمع فيما … أطارحُ فيه ذَا لُبٍّ وُنبلِ

أهَلْ يأتى فواعيل وفعل … وفعلةٌ جمعه فانظر بعقلِ

وهل جَمعوا فعيلا أو فعولا … على فعلٍ فقل فيه بنقْلِ

الأول: نحو خاتم وخواتيم وصاحب وصحب وصحبة.

والثاني: نحو أديم وأدم.

والثالث نحو عمود وعمد.

* وقال:

وما جمعٌ على لفظ المثنَّى … إذا ما الوقفُ نابهما جَميعا

وعندَ الوَصل يختلفان لَفْظًا … ويفرُق فيه بينَهما مُذيعا

* وقال:

ما فاعلٌ أوجَب مفعوله … تَأخيره عن فِعله فانفصَلْ

وأيُّ فعلٍ معربٍ عَامل النصـ … ـب والجزْم به ما اتَّصَلْ

* وقال:

وأىُّ حرف زِيدَ للجمع قد … شَبهه بالأصلِ بَعْضُ العَربِ

وبعضُهم أجرَاهُ في وقفِه … مجرَى الذي للفردِ ياذا الأدَبِ

* وقال:

وَما كلمٌ بآخر بعضهنَّ … الخلفُ غيرَ خَفي
দ্বিতীয়টি: যেমন ‘মুখতার’ (مختار); আপনি বলেন ‘ইখতারতু’, ফলে আমি ‘মুখতার’ (مختار), এক্ষেত্রে এটি কর্তৃবাচক বিশেষ্য (اسم فاعل) এবং এর মূল রূপ ছিল ‘মুখতায়ির’ (مختير)। আমি পণ্যটি পছন্দ করেছি, সুতরাং সেটি পছন্দকৃত ‘মুখতার’ (مختار), এক্ষেত্রে এটি কর্মবাচক বিশেষ্য (اسم مفعول) এবং এর মূল রূপ ছিল ‘মুখতায়ার’ (مختير)।

* তিনি বলেছেন:

বহুবচনের (جمع) ক্ষেত্রে ‘ফায়িল’ (فاعل) ছন্দটি জটিলতা সৃষ্টি করেছে, যা নিয়ে আমি … একজন বুদ্ধিমান ও মহৎ ব্যক্তির সাথে আলোচনা করি।

এর বহুবচনের (جمع) ক্ষেত্রে কি ‘ফাওয়াঈল’, ‘ফু'আল’ … এবং ‘ফু'লাহ’ রূপ আসে? আপনি বিচারবুদ্ধি দিয়ে তা দেখুন।

তারা কি ‘ফায়ীল’ অথবা ‘ফাউল’-কে … ‘ফুউল’ ছন্দে বহুবচন (جمع) করেছে? এক্ষেত্রে যা বর্ণিত হয়েছে (نقل) তার ভিত্তিতে উত্তর দিন।

প্রথমটি: যেমন ‘খাতাম’ ও ‘খাওয়াতিম’, এবং ‘সাহিব’ ও ‘সাহব’ ও ‘সুহবাহ’।

দ্বিতীয়টি: যেমন ‘আদীম’ ও ‘আদুম’।

তৃতীয়টি: যেমন ‘আমূদ’ ও ‘উমুদ’।

* তিনি বলেছেন:

সেটি কোন বহুবচন (جمع) যা দ্বিবচনের (مثنى) শব্দের মতো শোনায় … যখন উভয়ের ওপরই ওয়াকফ (وقف) করা হয়?

কিন্তু মিলিয়ে পড়ার (وصل) সময় উচ্চারণে তারা ভিন্ন হয় … এবং একজন বর্ণনাকারী তাদের মধ্যবর্তী পার্থক্য বর্ণনা করেন।

* তিনি বলেছেন:

কোন্ কর্তা (فاعل) তার কর্মের (مفعول) জন্য … ক্রিয়া (فعل) থেকে বিলম্বে আসা এবং বিচ্ছিন্ন (منفصل) হওয়াকে আবশ্যিক করে তোলে?

আর কোন্ পরিবর্তনশীল (معرب) ক্রিয়া নসব (نصب) … ও জজম (جزم) প্রদানকারী আমিলের (عامل) সাথে যুক্ত নয়?

* তিনি বলেছেন:

বহুবচনের (جمع) জন্য অতিরিক্ত কোন অক্ষরটিকে … কিছু সংখ্যক আরব মূল (أصل) অক্ষরের সদৃশ মনে করে?

হে আদব অন্বেষী! তাদের মধ্যে কেউ কেউ থামার (وقف) সময় … তাকে একবচনের (مفرد) মতো গণ্য করে।

* তিনি বলেছেন:

আর সেই শব্দগুলো কী, যাদের শেষাংশে বিদ্যমান … মতভেদ (خلف) অস্পষ্ট নয়।
(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩৫)
فبعضٌ ظَنها عينًا … وقد نُقلت إلى الطرفِ

وبعضٌ لا يَرى هَذا … وخالفَ غَيْرَ منحرف

هى نحو جَاءٍ وشَاءٍ اسم فاعل من جَاءَ وشَاءَ، الأصل جَائي وشائي، لأن لام الفعل همزة، والهمزة الأولى هي لام الفعل عند الخليل، قدمت إلى موضع العين كما قدمت في شاكى السلاح وهارٍ، والأصل شائك وهائر.

وعند سيبويه هي عين الفعل في أصلها، استثقل اجتماع الهمزتين فقلبت الأخيرة ياء على حركة ما قبلها وهى لام الفعل عنده، ثم فعل به ما فعل بقاض، فوزنه على هذا فاعل، وعلى قول الخليل فالع لأنه مقلوب.

وقال:

ما اسمٌ على سِتَّةٍ كلِّها … سوى واحدٍ من هويتُ السِّمانا

وأربعةٌ من هويتُ السمانَ … أتتْ فيه أصلٌ فزَدْه بيانا

المراد سلسبيل وزنه فعلليل وحروفه كلها من حروف الزوائد إلا الياء.

وقال:

وما اسمٌ مفردٌ في حُكم جَمعٍ … وما هو باسم جمع واسم جنسِ

ومجموعٌ أتى صفةً لفرد … فبينْه لَنا مِنْ غيرِ لبْسِ

الأول: سراويل.

الثاني: قولهم برمة أعشار وبرد أسمال ونحوه.

وقال:

وإلا هل تجيءُ مَكَانَ إِمَّا … وما المعنى إِذا جَاءت كغيرِ

কেউ কেউ একে ‘আইন’ (শব্দের দ্বিতীয় মূলবর্ণ) মনে করেছেন … এবং তা প্রান্তসীমায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

আবার কেউ কেউ এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন … এবং সত্য বিচ্যুত না হয়েই বিরোধিতা করেছেন।

এটি ‘জায়িন’ ও ‘শায়িন’ এর মতো, যা ‘জাআ’ এবং ‘শাআ’ থেকে গঠিত কর্তাবাচক বিশেষ্য (اسم فاعل)। এর মূল রূপ ছিল ‘জায়িই’ ও ‘শায়িই’; কারণ এর ‘লাম’ বর্ণটি (لام الفعل) হলো হামজাহ। খলিলের মতে, প্রথম হামজাহটিই হলো শব্দের ‘লাম’ বর্ণ (لام الفعل), যা ‘আইন’ (عين) বর্ণের স্থানে চলে এসেছে, যেমনটি ‘শাকিস সিলাহ’ ও ‘হারিন’ শব্দদ্বয়ে ঘটেছে; অথচ এগুলোর মূল রূপ ছিল ‘শাইকুন’ ও ‘হাইরুন’।

সিবওয়াইহ-এর মতে, এটি মূলত শব্দের মূল ‘আইন’ বর্ণ (عين الفعل)। পরপর দুটি হামজাহ আসা কষ্টসাধ্য হওয়ায় শেষেরটিকে তার পূর্ববর্তী বর্ণের হরকত অনুযায়ী ‘ইয়া’ (ياء) দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে, আর এটিই তাঁর নিকট শব্দের ‘লাম’ বর্ণ (لام الفعل)। অতঃপর এর সাথে তাই করা হয়েছে যা ‘কাদিন’ শব্দের সাথে করা হয়। সুতরাং এই মতানুসারে এর ওজন বা ছন্দ হলো ‘ফাইলুন’ (فاعل), আর খলিলের মতে এটি ‘ফাউলুন’ (فالع); কারণ এটি একটি ওলটপালটকৃত (مقلوب) শব্দ।

তিনি বলেন:

এমন কোন নাম যা ছয়টি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত … এবং ‘হাওয়াইতুস সিমান’ এর মাত্র একটি বর্ণ ব্যতীত সব কটিই তাতে বিদ্যমান?

এবং ‘হাওয়াইতুস সিমান’ এর আরও চারটি বর্ণ … তাতে মূলে এসেছে, সুতরাং তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করুন।

এখানে ‘সালসাবিল’ উদ্দেশ্য, এর ছন্দ বা ওজন হলো ‘ফিলালীল’ এবং ‘ইয়া’ (ياء) ব্যতীত এর প্রতিটি বর্ণই অতিরিক্ত বর্ণ (حروف الزوائد) সমূহের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি বলেন:

কোন সেই একবচন শব্দ যা বহুবচনের বিধানে (حكم) গণ্য হয় … অথচ তা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (اسم جمع) কিংবা জাতিবাচক বিশেষ্য (اسم جنس) নয়?

এবং এমন বহুবচন যা একবচনের বিশেষণ (صفة) হিসেবে এসেছে … কোনো প্রকার অস্পষ্টতা ছাড়াই আমাদের নিকট তা বর্ণনা করুন।

প্রথমটি হলো: সারাওয়ীল।

দ্বিতীয়টি হলো: তাদের উক্তি ‘বুরমাতুন আ’শার’ (দশ খণ্ডে বিভক্ত হাঁড়ি) এবং ‘বুরদুন আসমাল’ (জীর্ণ চাদর) ও এই জাতীয় শব্দ।

তিনি বলেন:

‘ইল্লা’ (إلا) কি ‘ইম্মা’ (إما) এর স্থলাভিষিক্ত হতে পারে? … এবং এটি যখন ‘গাইরু’ (غير) এর ন্যায় অর্থ প্রদান করে তখন এর তাৎপর্য কী?

(খণ্ড: ১) আল-আলগাযুন নাহবিয়্যাহ = আত-তিরায ফিল আলগায (পৃষ্ঠা: ৩৬)
وهل عَطفت بمعْنَى الواوِ حينًا … فإنْ بينتَ جِئْتَ بكلِّ خَيْرِ

جاءت إلا بمعنى إما في قولهم "إما أن تكلمنى وإلا فاذهب" المعنى وإما أن تذهب، وإذا جاءت بمعنى غير فهي في معنى الصفة.

والفرق بين موضعها في الاستثناء والصفة أنك إذا قلت هذا درهم إلا قيراطًا بالنصب كان استثناء، فالمعنى إن الدرهم ينقص قيراطًا، وإذا قلت هذا درهم إلا قيراطٌ بالرفع كان صفة، فالدرهم على هذا تام غير ناقص، والمعنى أن الدرهم غير قيراط، وتجيء إلا عاطفة بمعنى الواو في نحو قوله تعالى: {لِئَلَاّ يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَيْكُمْ حُجَّةٌ إِلَاّ الَّذِين ظَلَمُوا} [البقرة: 150] قيل معناه والذين ظلموا.

* وقال:

يريدون بالتصغِير وَصْفًا وقِلَّةً … فهل ورَد التصغيرُ عنهم مُعَظِّما

وما اسمُ له إن صغروه ثلا … ثة وُجوه فكنْ لِلسائلين مُفَهِّما

ورد التصغير للتعظيم في قولهم جبيل ودويهية.

والمراد بالثاني نحو بيت وشيخ مما عينه ياء، ففى تصغيره ثلاثة أوجه، شَيخ على الأصل وشيخ بكسر الشين على الاتباع، وشويخ بقلب الياء واوا لأجل الضمة.

وقال:

ما اسم تُصغره فيشـ … ـبه لفظهُ لفظ المضارع

فإذا أتى عَلَما فما … في صَرْفه أحدٌ ينازع

هو أُبَيْض تصغير أباض وافق لفظ المضارع من بيضت، فلو سميت
এবং এটি কি কখনো 'ওয়াও' এর অর্থে অব্যয় (عاطفة) হিসেবে ব্যবহৃত হয় … যদি আপনি এটি ব্যাখ্যা করেন, তবে আপনি প্রভূত কল্যাণ নিয়ে আসবেন।

'ইল্লা' (إلا) শব্দটি 'ইম্মা' (إما) এর অর্থে এসেছে তাদের এই উক্তিতে— "হয় তুমি আমার সাথে কথা বলবে নতুবা (ইল্লা) চলে যাও", এর অর্থ হলো "অথবা তুমি চলে যাও"। আর যখন এটি 'গাইর' (غير) এর অর্থে আসে, তখন তা গুণবাচক (صفة) অর্থে ব্যবহৃত হয়।

ব্যতিক্রম (استثناء) এবং গুণবাচক (صفة) অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য হলো— যখন আপনি নসব (نصب) দিয়ে বলবেন "এটি একটি দিরহাম এক কিরাত বাদে", তখন তা হবে ব্যতিক্রম (استثناء); এর অর্থ হলো দিরহামটি থেকে এক কিরাত কম। আর যখন আপনি রাফা (رفع) দিয়ে বলবেন "এটি একটি দিরহাম এক কিরাত ছাড়া", তখন তা হবে গুণবাচক (صفة)। এমতাবস্থায় দিরহামটি পূর্ণাঙ্গ, অপূর্ণ নয়; এর অর্থ হলো দিরহামটি এক কিরাত থেকে ভিন্ন। আর 'ইল্লা' শব্দটি 'ওয়াও' এর অর্থে অব্যয় (عاطفة) হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী: {যাতে তোমাদের বিরুদ্ধে মানুষের কোনো দলিল না থাকে, তবে তাদের মধ্যে যারা জুলুম করেছে তারা ব্যতীত} [আল-বাকারা: ১৫০]। বলা হয়েছে যে, এর অর্থ হলো— "এবং যারা জুলুম করেছে"।

* তিনি বলেছেন:

তারা ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ (تصغير) দ্বারা গুণ বর্ণনা এবং অল্পতা বুঝাতে চান … তবে তাদের পক্ষ থেকে কি মহত্ত্ব (تعظيم) প্রকাশের জন্য ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ (تصغير) বর্ণিত হয়েছে?

এবং সেই বিশেষ্যটি কী, যাকে ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) রূপ দান করলে তিনটি রূপ বা পদ্ধতি পাওয়া যায়? সুতরাং আপনি প্রশ্নকারীদের জন্য একজন বিশদ ব্যাখ্যাকারী হোন।

তাদের উক্তি 'জুবাইল' এবং 'দুওয়াইহিয়া' এর ক্ষেত্রে মহত্ত্ব (تعظيم) প্রকাশের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ (تصغير) ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় প্রকার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো 'বাইত' এবং 'শাইখ' এর ন্যায় শব্দসমূহ যার 'আইন' বর্ণটি হলো 'ইয়া'। এর ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) রূপান্তরের তিনটি পদ্ধতি রয়েছে: মূল রূপ অনুযায়ী 'শাইখ', অনুকরণ (اتباع) হিসেবে শীন বর্ণে কাসরা প্রদানের মাধ্যমে 'শাইখ', এবং দ্বম্মার কারণে 'ইয়া' বর্ণকে 'ওয়াও' দ্বারা পরিবর্তন করে 'শুওয়াইখ'।

তিনি আরও বলেছেন:

এমন কোন্ বিশেষ্য যাকে আপনি ক্ষুদ্রতাবাচক (تصغير) করলে তার শব্দরূপটি মুযারি (مضارع) এর শব্দরূপের সদৃশ হয়ে যায়? …

অতঃপর যখন তা নামবাচক বিশেষ্য (علم) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তার শব্দরূপের পরিবর্তন (صرف) নিয়ে কেউ বিতর্ক করে না …

তা হলো 'উবাইদ' যা 'আবাদ' এর ক্ষুদ্রতাবাচক রূপ (تصغير); এটি 'বাইয়াদতু' থেকে আগত মুযারি (مضارع) এর শব্দরূপের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং আপনি যদি নাম রাখেন...