(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: -)
أمالي أبي بكر النجاد (أبو بكر النجاد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أمالي أبي بكر النجاد
المؤلف: أبو بكر النجاد، أحمد بن سلمان بن الحسن بن إسرائيل بن يونس البغدادي (ت 348هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 53
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ (আবু বকর আন-নাজ্জাদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
লেখক: আবু বকর আন-নাজ্জাদ, আহমাদ ইবনে সালমান ইবনে হাসান ইবনে ইসরাঈল ইবনে ইউনুস আল-বাগদাদি (মৃ. ৩৪৮ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; এটি ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৩
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ فِيهِ خَمْسَةُ مَجَالِسَ مِنْ أَمَالِي أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ الْفَقِيهِ النَّجَّادِ رِوَايَةُ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْوَاعِظِ.رِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ الْمُقْرِئِ الْحَاجِبِ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ الْكَاتِبَةِ شُهْدَةَ بِنْتِ أَبِي نَصْرٍ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ الإبَرِيِّ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ التَّاجِرِ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَلَفِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الدِّمْيَاطِيِّ ، عَنْهُ.وَرِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ ، عَنِ ابْنِ بِشْرَانَ.وَرِوَايَةُ أَبِي غَالِبٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْبَاقِلانِيِّ ، عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ بِشْرَانَ.رِوَايَةُ أَبِي الْفَتْحِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاتِيلَ الدَّبَّاسِ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَمِينِ الدِّينِ سَالِمِ بْنِ الْحَافِظِ أَبِي الْمَوَاهِبِ بْنِ صَصْرَى ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْخَلالِ الأَمِينِ ، عَنْهُ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدَنَا مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ وَآلِهِ وَسَلَّمَ.
এই খণ্ডে ফকিহ আবু বকর আহমদ বিন সালমান আল-নাজ্জাদের 'আমালি' (শ্রুতলিপি সংকলন) থেকে পাঁচটি মজলিস রয়েছে। এটি আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-ওয়ায়িজের বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে কারী ও হাজিব আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফের বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে লেখিকা শুহদাহ বিনতে আবু নাসর আহমদ বিন আল-ফারাজ আল-ইবারির বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে আবু আল-কাসিম ইয়াহইয়া বিন নাসর বিন আবু আল-কাসিম বিন আবু আল-হাসান আত-তাজিরের বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ বিন আবু আল-হাসান আদ-দিমইয়াতির বর্ণনা।এবং এটি ইবনে বিশরান থেকে আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফের বর্ণনা।এবং এটি আবু আল-কাসিম বিন বিশরান থেকে আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-বাকিল্লানির বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে আবু আল-ফাতহ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন শাতিল আদ-দাব্বাসের বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে আমিনুদ্দীন সালিম বিন হাফিজ আবু আল-মাওয়াহিব বিন সাসরার বর্ণনা।এটি তাঁর থেকে আবু আলী হাসান বিন আলী বিন আবু বকর বিন আল-খাল্লাল আল-আমিনের বর্ণনা।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা নবী মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ بَقِيَّةُ الْحُفَّاظِ أَبُو مُحمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الدِّمْيَاطِيُّ الشَّافِعِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ ، وَابْنِي أَبُو الْفَرَجِ يَسْمَعُ ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنِ أَبِي السُّعُودِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الْقُمَيْرَةِ الرِّيَاحِيِّ الأَزْجِيِّ ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكَ الْكَاتِبَةُ فَخْرُ النِّسَاءِ شُهْدَةُ بِنْتُ أَبِي نَصْرٍ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عُمَرَ الإبَرِيِّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، فِي غُرَّةِ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، فَأَقَرَّ بِهِ ، وَقَالَ: نَعَمْ ، قَالَتْ: أنا الْحَاجِبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ الْمُقْرِئُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ ، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ الْفَقِيهُ الْمَعْرُوفُ بِالنَّجَّادِ ، إِمْلاءً يَوْمِ الْجُمُعَةِ بَعْدَ الصَّلاةِ لِلَيْلَتَيْنِ بَقِيَتَا مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، قَالَ: قُرِئَ يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ ، عَنْ بَيَانِ بْنِ بِشْرٍ ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ ، عَنْ مِرْدَاسٍ الأَسْلَمِيِّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَذْهَبُ الصَّالِحُونَ أَسْلافًا الأَوَّلُ فَالأَوَّلُ حَتَّى يَبْقَى مِثْلُ حُثَالَةٍ أَوْ حُفَالَةِ التَّمْرِ وَالشَّعِيرِ لا يُبَالِي اللَّهُ عَنْهُمْ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, হাফিজ, হাফিজগণের অবশিষ্টাংশ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ বিন আবিল হাসান আদ-দিময়াতি আশ-শাফিয়ি—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং আমার পুত্র আবু আল-ফারাজ তা শুনছিল—তিনি বলেন: আমি আবু আল-কাসিম ইয়াহইয়া বিন আবিস সাউদ নাসর বিন আবিল কাসিম বিন আবিল হাসান আল-কুমাইরাহ আর-রিয়াহি আল-আজজির নিকট পাঠ করেছি। আমি তাকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন লেখিকা, নারীকুলের গৌরব শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমার আল-ইবারি—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আপনি তা শুনছিলেন—৫৭৩ হিজরি সালের মহরম মাসের শুরুতে। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন এবং বললেন: হ্যাঁ। তিনি (শুহদাহ) বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাজিব আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-আল্লাফ আল-মুকরি—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন সালমান বিন আল-হাসান আল-ফকিহ, যিনি আন-নাজ্জাদ নামে পরিচিত—৩৪৬ হিজরি সালের শাওয়াল মাসের দুই রাত অবশিষ্ট থাকতে জুমআর দিন নামাজের পর শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন আসিম, বয়ান বিন বিশর থেকে, তিনি কায়াস বিন আবি হাজিম থেকে, তিনি মিরদাস আল-আসলামি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “সৎকর্মশীল ব্যক্তিরা একের পর এক ধারাবাহিকভাবে চলে যাবেন, অবশেষে খেজুর বা যবের নিকৃষ্ট উচ্ছিষ্টাংশের মতো কিছু লোক অবশিষ্ট থাকবে, যাদের প্রতি আল্লাহ কোনোই ভ্রুক্ষেপ করবেন না।”
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ ، أنا التَّيْمِيُّ ، عَنْ أَنَسٍ ، فِي دُعَاءٍ ذَكَرَهُ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، «أَنَّهُ كَانَ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ»
২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আতা; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আত-তায়মি; আনাস (রা.) হতে বর্ণিত—একটি দোয়ার বিবরণে যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উল্লেখ করেছেন যে, «তিনি কবরের আযাব হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى ، ثنا أَبُو حُذَيْفَةَ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ لاحِقٍ ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: «ابْنَ آدَمَ ، قُمْ إِلَيَّ أَمْشِ إِلَيْكَ ، امْشِ إِلَيَّ أُهَرْوِلُ إِلَيْكَ ، ابْنَ آدَمَ إِنْ دَنَوْتَ مِنِّي شِبْرًا دَنَوْتُ مِنْكَ ذِرَاعًا ، وَإِنْ دَنَوْتَ مِنِّي ذِرَاعًا دَنَوْتُ مِنْكَ بَاعًا ، ابْنَ آدَمَ وَإِنْ حَدَّثَتْ نَفْسُكَ بِحَسَنَةٍ وَلَمْ تَعْمَلْهَا كَتَبْتُهَا لَكَ عَشَرَةً ، وَإِنْ هَمَمْتَ بِسَيِّئَةٍ فَحَجَزَكَ عَنْهَا هَيْبَتِي كَتَبْتُهَا لَكَ حَسَنَةً»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা থেকে, তিনি আবু হুযাইফা থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে তাহমান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি লাহিক থেকে, তিনি মা'রুর ইবনে সুওয়াইদ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন: «হে আদমসন্তান, তুমি আমার দিকে দাঁড়াও, আমি তোমার দিকে হেঁটে যাব; তুমি আমার দিকে হেঁটে আসো, আমি তোমার দিকে দৌড়ে যাব। হে আদমসন্তান, তুমি যদি আমার দিকে এক বিঘত নিকটবর্তী হও, তবে আমি তোমার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হব; আর যদি তুমি আমার দিকে এক হাত নিকটবর্তী হও, তবে আমি তোমার দিকে দুই প্রসারিত হাতের সমান (এক বা’) নিকটবর্তী হব। হে আদমসন্তান, যদি তোমার মনে কোনো ভালো কাজের চিন্তা জাগে এবং তুমি তা না-ও করো, তবে আমি তোমার জন্য তা দশগুণ হিসেবে লিখে দিই। আর যদি তুমি কোনো মন্দ কাজের সংকল্প করো এবং আমার ভয়ে তুমি তা থেকে বিরত থাকো, তবে আমি তোমার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লিখে দিই।»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى ، ثنا أَبُو هَمَّامٍ الدَّلالُ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ رِبْعِيٍّ ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ابْنَ آدَمَ إِنْ عَمِلْتَ قُرَابَ الأَرْضِ خَطِيئَةً لَمْ تُشْرِكْ بِي شَيْئًا جَعَلْتُ قُرَابَ الأَرْضِ مَغْفِرَةً»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাম আদ-দাল্লাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন তাহমান, তিনি মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি আল-মা'রুর বিন সুওয়াইদ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «হে আদমসন্তান! যদি তুমি পৃথিবী পূর্ণ পরিমাণ পাপ করো এবং আমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করো, তবে আমি তোমার জন্য পৃথিবী পূর্ণ পরিমাণ ক্ষমা প্রদান করব»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ السُّلَمِيُّ ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ الأُوَيْسِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ أَخِيهِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاةَ الْخَوْفُ فَصَفَّ طَائِفَةً مَعَهُ وَطَائِفَةً تِلْقَاءَ الْعَدُوِّ ، فَصَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ قَامَ الصَّفُّ ، وَقَامُوا فَدَعَوْا لأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ ذَهَبُوا مَكَانَ أَصْحَابِهِمْ ، فَجَاءَ الآخَرُونَ ، فَصَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ ، ثُمَّ أَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ " ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ: قَالَ الْقَاسِمُ: مَا سَمِعْتُ شَيْئًا فِي صَلاةِ الْخَوْفِ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ هَذَا
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আস-সুলামী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ আল-উওয়াইসী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, তাঁর ভাই উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি সালিহ ইবনে খাওয়াত থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভয়ের সালাত আদায় করলেন; তখন তিনি এক দলকে তাঁর সাথে সারিবদ্ধ করলেন এবং আরেক দলকে শত্রুর মুখোমুখি দাঁড় করালেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে থাকা দলটিকে নিয়ে এক রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর কাতারটি দাঁড়িয়ে থাকল এবং তারা নিজেরা নিজেদের জন্য (অবশিষ্টাংশ) পড়ে নিল, অতঃপর তারা তাদের সাথীদের জায়গায় চলে গেল এবং অন্য দলটি আসল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে নিয়ে অবশিষ্ট এক রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর তারা নিজেরা নিজেদের সালাত পূর্ণ করে নিল। উবাইদুল্লাহ বলেন: কাসিম বলেছেন, ভয়ের সালাত সম্পর্কে আমার কাছে এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আর কিছু আমি শুনিনি।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبُو عَامِرٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ رِبْعِيٍّ ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " ثَلاثَةٌ يُحِبُّهُمُ اللَّهُ عز وجل ، وَثَلاثَةٌ يَشْنُؤُهُمُ اللَّهُ عز وجل ، فَأَمَّا الَّذِينَ يُحِبُّهُمُ اللَّهُ عز وجل: فَرَجُلٌ كَانَ فِي سَرِيَّةٍ فَلَقَوُا الْعَدُوَّ فَلَمْ يَزَلْ يَحْمِيهِمْ حَتَّى ظَهَرُوا أَوْ كَلِمَةً نَحْوَهَا وَرَجُلٌ كَانَ قَلْبُهُ مُعَلَّقًا بِالْمَسَاجِدِ مِنْ حُبِّ الصَّلاةِ ، وَرَجُلٌ كَانَ فِي سَفَرٍ مَعَ قَوْمٍ فَنَزَلُوا فَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ هَمٌّ إِلا أَنْ يَنَامُوا فَقَامَ يَتْلُوا آيَاتِي وَيَتَمَلَّقُنِي ، وَأَمَّا الَّذِينَ يَشْنُؤُهُمُ اللَّهُ عز وجل: فَالشَّيْخُ الزَّانِي ، وَالْفَقِيرُ الْمُخْتَالُ " ، وَذِكْرُ ثَالِثِهِ ذَهَبَتْ عَلَى أَبِي قِلابَةَ
6 - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আমির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তিন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ ভালোবাসেন এবং তিন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ ঘৃণা করেন। যাদের আল্লাহ ভালোবাসেন তারা হলো: এমন ব্যক্তি যে কোনো এক ক্ষুদ্র সেনাদলে ছিল, অতঃপর তারা শত্রুর সম্মুখীন হলো এবং সে অবিরাম তাদের সুরক্ষা দিতে থাকল যতক্ষণ না তারা বিজয়ী হলো—অথবা অনুরূপ কোনো শব্দ। আর এমন ব্যক্তি যার অন্তর সালাতের প্রতি ভালোবাসার কারণে মসজিদের সাথে লেগে থাকত। আর এমন ব্যক্তি যে একদল লোকের সাথে সফরে ছিল, অতঃপর তারা বিশ্রাম নিতে অবতরণ করল এবং নিদ্রা যাওয়া ব্যতীত তাদের কাছে বড় কোনো চাওয়া ছিল না, এমতাবস্থায় সে দাঁড়িয়ে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করতে লাগল এবং আমার নিকট বিনতি করতে লাগল। আর যাদের মহান আল্লাহ ঘৃণা করেন তারা হলো: ব্যভিচারী বৃদ্ধ এবং অহংকারী দরিদ্র।" আর তৃতীয় ব্যক্তির কথা আবু কিলাবা ভুলে গিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا: " عُرِضَتْ عَلَيَّ الأَنْبِيَاءُ ، فَكَانَ النَّبِيُّ يَجِئُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا الرَّجُلُ ، وَيَجِئُ الآخَرُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا الرَّجُلانِ ، وَيَجِئُ الآخَرُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا النَّفَرُ الْيَسِيرُ كَذَلِكَ قَالَ فَنَظَرْتُ فَرَأَيْتُ سَوَادًا كَبِيرًا فَظَنَنْتُ أَنَّهُمْ أُمَّتِي ، فَلَمَّا دَنَوْا إِذَا هُمْ قَوْمُ مُوسَى ، قَالَ: ثُمَّ رَأَيْتُ سَوَادًا قَدْ كَادُوا يَمْلَئُونَ أُفُقَ السَّمَاءِ ، فَقُلْتُ: مَنْ هَؤُلاءِ؟ فَقِيلَ: هَؤُلاءِ أُمَّتُكَ ، قَالَ: فَفَرِحْتُ بِذَلِكَ وَاسْتَبْشَرْتُ ، ثُمَّ قِيلَ لِي: انْظُرْ فَنَظَرْتُ ، فَإِذَا أَنَا بِسَوَادٍ كَبِيرٍ أَيْضًا ، فَقِيلَ لِي: هَؤُلاءِ مِنْ أُمَّتِكَ ، فَفَرِحْتُ بِذَلِكَ ، وَاسْتَبْشَرْتُ بِمَا قِيلَ لِي: إِنَّ مَعَ هَؤُلاءِ سَبْعِينَ أَلْفًا مِنْ أُمَّتِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ لا حِسَابَ عَلَيْهِمْ وَلا عَذَابَ ".ثُمَّ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ أَصْحَابُهُ: مَنْ هَؤُلاءِ السَّبْعُونَ أَلْفًا؟ فَأَجْمَعَ رَأْيُهُمْ عَلَى أَنَّهُمْ مَنْ وُلِدَ فِي الإِسْلامِ وَثَبَتَ فِيهِ لَمْ يُدْرِكْ شَيْئًا مِنَ الشِّرْكِ ، قَالَ: فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَسَأَلُوهُ ، فَقَالَ: «هُمُ الَّذِينَ لا يَكْتَوُونَ ، وَلا يَسْتَرْقُونَ ، وَلا يَتَطَيَّرُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ» .فَقَامَ عُكَاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ ، قَالَ: «أَنْتَ مِنْهُمْ» أَوْ قَالَ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ» .فَقَامَ رَجُلٌ آخَرُ ، فَقَالَ: ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَقَالَ: «سَبَقَكَ بِهَا عُكَاشَةُ» ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَرْبِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي كِتَابِ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ ، عَنْ أَبِي الصَّهْبَاءِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا: «عُرِضَتْ عَلَيَّ الأَنْبِيَاءُ» ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ ، فَقَالَ: «سَبَقَكَ بِهَا عُكَاشَةُ» .قَالَ: فَذَهَبَتْ مَثَلا
৭ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে জুহাইর ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাইদ ইবনে আবি উনাইসাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে হারিস থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "আমার সামনে নবীগণকে উপস্থাপন করা হলো। তখন কোনো নবী আসছিলেন যাঁর সাথে মাত্র একজন লোক ছিল, আবার কোনো নবী আসছিলেন যাঁর সাথে মাত্র দুইজন লোক ছিল, এবং কোনো নবী আসছিলেন যাঁর সাথে মাত্র একটি ছোট দল ছিল; এভাবেই তিনি বর্ণনা করলেন। অতঃপর আমি তাকালাম এবং একটি বিশাল জনসমষ্টি দেখতে পেলাম, আমি মনে করলাম তারা আমার উম্মত। কিন্তু যখন তারা নিকটবর্তী হলো, দেখা গেল তারা মূসার সম্প্রদায়। তিনি বলেন: এরপর আমি আরও একটি বিশাল জনসমষ্টি দেখতে পেলাম যা আকাশের দিগন্তকে পূর্ণ করার উপক্রম করেছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম: এরা কারা? বলা হলো: এরা আপনার উম্মত। তিনি বলেন: আমি এতে আনন্দিত ও উল্লসিত হলাম। এরপর আমাকে বলা হলো: দেখুন। আমি তাকালাম এবং আরও একটি বিশাল জনসমষ্টি দেখতে পেলাম। আমাকে বলা হলো: এরাও আপনার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত। আমি এতে অত্যন্ত আনন্দিত হলাম এবং আমাকে যা বলা হয়েছিল তাতে উল্লসিত হলাম যে: এই জনসমষ্টির সাথে আপনার উম্মতের আরও সত্তর হাজার লোক থাকবে যারা কোনো প্রকার হিসাব ও আযাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে।"অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভেতরে প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর সাহাবীগণ আলোচনা করতে লাগলেন: এই সত্তর হাজার লোক কারা হতে পারে? তাঁদের ঐক্যমত এই হলো যে, সম্ভবত তাঁরা ঐ সকল ব্যক্তি যাঁরা ইসলামে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তার ওপরই অটল ছিলেন এবং কখনো শিরকে লিপ্ত হননি। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাইরে বেরিয়ে আসলেন। তাঁরা তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: "তারা হলো ঐ সকল ব্যক্তি যারা আগুনের ছ্যাঁকা দিয়ে চিকিৎসা করায় না, ঝাড়ফুঁক কামনা করে না এবং কোনো কিছুকে অশুভ লক্ষণ মনে করে না, বরং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।"তখন উকাশাহ ইবনে মিহসান দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে দুআ করুন যেন তিনি আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন: "তুমি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত।" অথবা তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! তাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করুন।"অতঃপর অন্য একজন লোক দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে দুআ করুন যেন তিনি আমাকেও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তখন তিনি বললেন: "উকাশাহ তোমার অগ্রবর্তী হয়ে গেছে।" আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনে ইসহাক আল-হারবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি কারীমাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুর রহীমের কিতাবে পড়েছি, যাইদ ইবনে আবি উনাইসাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আল-জাযযার থেকে, তিনি আবুস সাহবা থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন বললেন: "আমার সামনে নবীগণকে উপস্থাপন করা হলো," এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করলেন এবং পরিশেষে বললেন: "উকাশাহ তোমার অগ্রবর্তী হয়ে গেছে।"বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর এটি একটি প্রবাদে পরিণত হলো।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى الْحُسَيْنِ بْنِ مُكْرِمٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ أنا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ: «لا صَلاةَ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تُشْرِقَ الشَّمْسُ ، وَلا صَلاةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ»
৮ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবন মুকরিমের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব ইবন আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আল-মুয়াল্লিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবন শুয়াইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বলেছেন: «ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই এবং আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، أنا سَعِيدٌ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِذَا لَمْ يَجِدْ أَحَدُكُمْ إِلا ثَوْبًا وَاحِدًا فَلْيَشْدُدْهُ عَلَى حِقْوَيْهِ»
৯ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব হতে, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «তোমাদের কেউ যখন একটি মাত্র কাপড় ছাড়া আর কিছু না পায়, তবে সে যেন তা তার কোমরে বেঁধে নেয়»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا ابْنُ مُلاعِبٍ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ النُّعْمَانِ، أنا يُوسُفُ بْنُ صُهَيْبٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: انْكَشَفَ النَّاسُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ حُنَيْنٍ ، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى بَغْلَتِهِ الشَّهْبَاءِ الَّتِي أَهْدَاهَا لَهُ النَّجَاشِيُّ ، وَزَيْدٌ آخِذٌ بِرِكَابِ بَغْلَتِهِ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِزَيْدٍ: «وَيْحَكَ ادْعُ النَّاسُ» .قَالَ زَيْدٌ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ ، هَذَا رَسُولُ اللَّهِ يَدْعُوكُمْ.فَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ ، فَقَالَ: «وَيْحَكَ ادْعُ النَّاسَ» .فَقَالَ: يَا مَعْشَرَ الأَنْصَارِ ، هَذَا رَسُولُ اللَّهِ.فَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ ، فَقَالَ: «وَيْحَكَ خُصَّ الأَوْسَ وَالْخَزْرَجَ» .قَالَ زَيْدٌ: يَا مَعْشَرَ الأَوْسِ وَالْخَزْرَجِ.فَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ ، فَقَالَ: «وَيْحَكَ نَادِ الْمُهَاجِرِينَ؛ فَإِنَّ لِلَّهِ فِي أَعْنَاقِهِمْ بَيْعَةً وَهَذَا الرَّسُولُ يَدْعُوكُمْ» .قَالَ بُرَيْدَةُ: فَأَقْبَلَ مِنْهُمْ طَائِفَةٌ قَدْ أَلْقُوا الْجُفُونَ أَوْ كَسَرُوهَا حَتَّى أَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، ثُمَّ مَشَوْا قُدُمًا فَفَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ
১০ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু মুলাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সামাদ ইবনুন নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনু সুহাইব আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনু বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুনাইনের দিন লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, এমতাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সেই সাদা-ধূসর খচ্চরের উপর ছিলেন যা নাজ্জাশী তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন এবং যায়িদ তাঁর খচ্চরের রেকাব ধরে ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যায়িদকে বললেন: "তোমার কল্যাণ হোক, লোকদের ডাকো।"যায়িদ বললেন: হে লোকসকল, ইনি আল্লাহর রাসূল, তোমাদের ডাকছেন।কিন্তু কেউ এল না, তখন তিনি বললেন: "তোমার কল্যাণ হোক, লোকদের ডাকো।"তিনি বললেন: হে আনসার সম্প্রদায়, ইনি আল্লাহর রাসূল।কিন্তু কেউ এল না, তখন তিনি বললেন: "তোমার কল্যাণ হোক, বিশেষভাবে আউস ও খাজরাজ গোত্রকে ডাকো।"যায়িদ বললেন: হে আউস ও খাজরাজ সম্প্রদায়!কিন্তু কেউ এল না, তখন তিনি বললেন: "তোমার কল্যাণ হোক, মুহাজিরদের ডাকো; কেননা আল্লাহর প্রতি তাদের ঘাড়ে বায়আত রয়েছে এবং এই রাসূল তোমাদের ডাকছেন।"বুরাইদাহ বলেন: অতঃপর তাদের মধ্য থেকে একটি দল এগিয়ে এল যারা (তলোয়ারের) খাপগুলো ফেলে দিয়েছিল অথবা সেগুলো ভেঙে ফেলেছিল, এমনকি তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পৌঁছাল। অতঃপর তারা সামনের দিকে অগ্রসর হলো এবং আল্লাহ তাদের বিজয় দান করলেন।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ النَّجَّادُ الْفَقِيهُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، أنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، قَالَ: أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِتَمْرٍ رَيَّانَ ، وَكَانَ تَمْرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْلا يَعْنِي فِيهِ يُبْسٌ ، فَقَالَ: «أَنَّى لَكُمْ هَذَا التَّمْرُ؟» قَالُوا: ابْتَعْنَاهُ بِصَاعَيْنِ مِنْ تَمْرِنَا ، فَقَالَ: «لا تَفْعَلْ ، وَلَكِنْ بِعْ تَمْرَكَ ثُمَّ اشْتَرِ مِنْ هَذَا حَاجَتَكَ»
১১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন সালমান আন-নাজ্জাদ আল-ফকিহ, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব বিন আতা, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আবু আরুবাহ, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সতেজ ও পুষ্ট খেজুর আনা হলো, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেজুর ছিল শুষ্ক প্রকৃতির, তিনি জিজ্ঞেস করলেন: “তোমাদের নিকট এই খেজুর কোথা থেকে এলো?” তারা বললেন: “আমরা আমাদের দুই সা খেজুরের বিনিময়ে এটি ক্রয় করেছি।” তিনি বললেন: “এমন করো না, বরং তোমার খেজুর বিক্রি করো, অতঃপর ক্রয় করো এই উন্নতমানের খেজুর থেকে তোমার প্রয়োজন অনুযায়ী।”
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، أنا سَعِيدُ بْنُ إِيَاسٍ الْجَرِيرِيُّ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُؤْكَلَ لَحْمُ الأَضَاحِي فَوْقَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ» ، قَالَ: فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لَنَا أَعْمَالا ، قَالَ: «كُلُوا وَادَّخِرُوا»
১২ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ ইবনে ইয়াস আল-জারীরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাদরাত থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোরবানির পশুর গোশত তিন দিনের বেশি খেতে নিষেধ করেছিলেন।» তিনি বলেন: অতঃপর তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের তো অনেক কাজ থাকে। তিনি বললেন: «তোমরা খাও এবং জমিয়ে রাখো।»`
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، أنا سَعِيدٌ الْجَرِيرِيُّ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَجَدَّ ثَوْبًا سَمَّاهُ بِاسْمِهِ قَمِيصًا ، أَوْ إِزَارًا ، أَوْ عِمَامَةً ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ ، أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرِ مَا صُنِعَ لَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ» ، قَالَ أَبُو نَضْرَةَ: وَكَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا رَأَوْا عَلَى أَحَدِهِمْ ثَوْبًا ، قَالُوا: تُبْلِي وَيُخْلِفُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
১৩ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ আল-জারিরা, আবু নাদরা থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সাঈদ (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো নতুন পোশাক পরিধান করতেন, তখন তিনি তার নাম ধরে বলতেন—জামা, অথবা লুঙ্গি, অথবা পাগড়ি—অতঃপর বলতেন: "হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা আপনারই, আপনি আমাকে এটি পরিধান করিয়েছেন, আমি আপনার নিকট এর কল্যাণ এবং এটি যে কল্যাণের জন্য তৈরি করা হয়েছে তা প্রার্থনা করছি; এবং আমি আপনার নিকট এর অনিষ্ট এবং এটি যে অনিষ্টের জন্য তৈরি করা হয়েছে তা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" আবু নাদরা বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ যখন তাদের কারো পরিধানে নতুন পোশাক দেখতেন, তখন বলতেন: "তুমি এটি জীর্ণ করো এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাকে এর স্থলাভিষিক্ত (নতুন পোশাক) দান করুন।"
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ أَبُو الأَحْوَصِ، ثنا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، ثنا زُهَيْرٌ ، حَدَّثَنِي الرَّحِيلُ ، عَنْ أَبِي عُمَيْسٍ ، عَنِ الْهَيْثَمِ بْنِ الأَسْوَدِ أَبِي الْعُرْيَانِ ، قَالَ: " أَتَيْتُ مُعَاوِيَةَ وَهُوَ عَلَى سَرِيرٍ وَمَعَهُ رَجُلٌ فِي وَجْهِهِ غُضُونٌ ، فَقَالَ: مِنْ أَيِّ بَلَدٍ أَنْتَ؟ قَالَ: قُلْتُ: مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ ، قَالَ: أَبِأَرْضِكَ أَرْضٌ يُقَالُ لَهَا: كُوتِي ذَاتُ نَخْلٍ وَسِبَاخٍ؟ قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ: مِنْهَا يَخْرُجُ الدَّجَّالُ " ، قَالَ زُهَيْرٌ: فَأَخْبَرَنِي الرَّحِيلُ فِي حَدِيثِنَا أَنَّ الَّذِي كَانَ مَعَهُ عَلَى سَرِيرِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাইসাম আবুল আহওয়াস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনে খালিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যুহায়র, আর-রাহীল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমাইস থেকে, হাইসাম ইবনুল আসওয়াদ আবুল উরইয়ান থেকে, তিনি বলেন: "আমি মুয়াবিয়ার নিকট আসলাম যখন তিনি একটি খাটিয়ার ওপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে এমন একজন লোক ছিলেন যার চেহারায় ভাঁজ ছিল, অতঃপর তিনি বললেন: তুমি কোন শহরের লোক? তিনি বললেন: আমি বললাম: কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বললেন: তোমার এলাকায় কি এমন কোনো ভূমি আছে যাকে 'কুতী' বলা হয়, যা খেজুর গাছ ও নোনা মাটির এলাকা? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি বললেন: সেখান থেকেই দাজ্জাল বের হবে।" যুহায়র বলেন: আর-রাহীল আমাদের হাদীস বর্ণনায় আমাকে জানিয়েছেন যে, তাঁর সাথে খাটিয়ার ওপর যিনি ছিলেন তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّقَاشِيُّ، ثنا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، ثنا أَبِي ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيَّ ، كَذَا قَالَ: يُحَدِّثُ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «مَنْ سَمِعَ بِالدَّجَّالِ فَلْيَنْأَ عَنْهُ»
১৫ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আর-রাকাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু রাজা আল-উতারিদীকে বলতে শুনেছি, তিনি এভাবেই বলেছেন: তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি দাজ্জাল সম্পর্কে শুনবে, সে যেন তার থেকে দূরে থাকে»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ أَبِي الْعَوَّامِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْجَوَّابِ ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ ، عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا سَمِعْتُمْ بِالدَّجَّالِ فَفِرُّوا مِنْهُ؛ فَإِنَّ الرَّجُلَ يَأْتِيهِ لِيَرُدَّ عَلَيْهِ فَيَتْبَعُهُ لِمَا يَرَى مَعَهُ مِنَ الشُّبُهَاتِ» ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاءِ ، ثنا قَبِيصَةُ ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ يُحَدِّثُ ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ ، عَنْ أَبِي الدَّهْمَاءِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، مِثْلَهُ
১৬ - আমাদের নিকট আহমাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবিল আওয়ামের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-জাওয়াব হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আস-সাওরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জারীর ইবন হাযিম থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি ইমরান ইবন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা যখন দাজ্জাল সম্পর্কে শুনবে, তখন তার থেকে দূরে পলায়ন করো; কারণ একজন লোক তার কাছে আসবে তাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য, কিন্তু সে তার সাথে থাকা সংশয়সমূহ দেখে তার অনুসারী হয়ে যাবে»। আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, কাবীসাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফইয়ানকে জারীর ইবন হাযিম থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু আদ-দাহমা থেকে, তিনি ইমরান ইবন হুসাইন থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ، ثنا أَبُو النُّعْمَانِ عَارِمٌ، ثنا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، أنا حُمَيْدُ بْنُ هِلالٍ ، عَنْ أَبِي الدَّهْمَاءِ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَمِعَ بِالدَّجَّالِ فَلْيَنْأَ عَنْهُ» ، قَالَ أَبُو النُّعْمَانِ: تَبَاعَدْ مِنْهُ «وَاللَّهِ إِنَّ الرَّجُلَ لَيَأْتِيهِ وَهُوَ يَحْسَبُ أَنَّهُ مُؤْمِنٌ فَيَتْبَعُهُ مِمَّا مَعَهُ مِنَ الشُّبُهَاتِ»
১৭ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু নুমান আরিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জারীর ইবনে হাযিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুমাইদ ইবনে হিলাল সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু আদ-দাহমা থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি দাজ্জাল সম্পর্কে শুনবে, সে যেন তার থেকে দূরে থাকে», আবু নুমান বলেন: অর্থাৎ তার থেকে দূরে সরে যাও, «আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই একজন মানুষ তার নিকট আসবে এমতাবস্থায় যে সে মনে করবে যে সে মুমিন, অতঃপর সে (দাজ্জালের) সাথে থাকা সংশয়গুলোর কারণে তার অনুসারী হয়ে যাবে।»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ أَبِي الْعَوَّامِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا أَبُو الْجَوَابِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ، عَنْ قَابُوسٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّهُ قَالَ: «السَّمْتُ الصَّالِحُ ، وَالْهُدَى الصَّالِحُ ، وَالاقْتِصَادُ جُزْءٌ مِنْ بِضْعٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ» ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ أَبِي الْعَوَّامِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا أَبُو الْجَوَابِ، ثنا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ ، عَنْ قَابُوسٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، مِثْلَهُ
১৮ - আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবু আল-আওয়ামের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের কাছে আবু আল-জাওয়াব বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সুফিয়ান আস-সাওরী বর্ণনা করেছেন, কাবুস থেকে, তিনি তার পিতার থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “উত্তম স্বভাব, উত্তম পথনির্দেশ এবং মিতব্যয়িতা হলো নবুওয়াতের বিশ-কয়েকটি ভাগের এক ভাগ।” আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবু আল-আওয়ামের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের কাছে আবু আল-জাওয়াব বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে যুহাইর ইবন মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, কাবুস থেকে, তিনি তার পিতার থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ ، ثنا أَبُو كُدَيْنَةَ ، عَنْ قَابُوسِ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْغُرْمِ ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ ، وَمِنْ فِتْنَةِ الصَّدْرِ»
১৯ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুস সালত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কুদাইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবুস ইবনু আবি যাবইয়ান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: «হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট অলসতা ও ঋণগ্রস্ততা থেকে, কবরের আযাব থেকে এবং বক্ষের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، ثنا أَبُو كُدَيْنَةَ ، عَنْ قَابُوسٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِقُبُورٍ بِالْمَدِينَةِ ، فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بِوَجْهِهِ ، فَقَالَ: " السَّلامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ ، يَغْفِرُ اللَّهُ لَنَا وَلَكُمْ ، أَنْتُمْ لَنَا سَلَفُنَا وَقَالَ مَرَّةً: فَرَطٌ وَنَحْنُ بِالأَثَرِ "
২০ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হায়সাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুস সালত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কুদায়নাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবুস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনার কবরসমূহের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন: "হে কবরের অধিবাসীগণ, তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুন। তোমরা আমাদের পূর্বসূরি এবং একবার বলেছেন: অগ্রগামী, আর আমরা তোমাদের পদাঙ্ক অনুসরণকারী।"
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، ثنا أَبُو كُدَيْنَةَ، ثنا قَابُوسٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إِلا لَهُ قَرِينٌ مِنَ الشَّيَاطِينَ» ، قَالُوا: وَلا أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ: «وَلا أَنَا ، إِلا أَنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمَ»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাইসাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুস সালত, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুদাইনাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবুস, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে শয়তানদের মধ্য হতে একজন সঙ্গী (কারীন) নেই», তারা বললেন: এমনকি আপনিও কি হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: «আমিও না, তবে আল্লাহ আমাকে তার বিরুদ্ধে সাহায্য করেছেন ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করেছে»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ ، ثنا عُمَرُ بْنُ أَبِي حُسَيْنٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، قَالَ: تُوُفِّيَتْ أُمُّ أَبَانَ ابْنَةُ عُثْمَانَ ، فَحَضَرَهَا ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ فِي جَنَازَتِهَا ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لأَبَانَ: أَلا تَنْهَى هَؤُلاءِ عَنِ الْبُكَاءِ؛ فَإِنِّي سَمِعْتُ عُمَرَ ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّي اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ» ، قَالَ: فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: إِنَّمَا مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقَوْمٍ مِنَ الْيَهُودِ يَبْكُونَ مَيِّتَهُمْ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهُمْ لَيَبْكُونَ ، وَإِنَّهُ لَيُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ» ، فَبَلَغَ عَائِشَةَ ، فَقَالَتْ: صَدَقَ ابْنُ عَبَّاسٍ
২২ - আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক ইবন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবন আবু হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবী মুলাইকা থেকে, তিনি বলেন: উসমানের কন্যা উম্মু আবান ইন্তেকাল করলেন। তখন ইবন উমর ও ইবন আব্বাস তাঁর জানাজায় উপস্থিত হলেন। তখন ইবন উমর আবানকে বললেন: আপনি কি এদেরকে কান্নাকাটি করতে নিষেধ করবেন না? কেননা আমি উমরকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের কান্নাকাটির কারণে আযাব দেওয়া হয়», তিনি বলেন: তখন ইবন আব্বাস বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহুদীদের এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা তাদের মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তারা কাঁদছে, অথচ তাকে তার কবরে আযাব দেওয়া হচ্ছে»। এ কথা আয়েশার নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: ইবন আব্বাস সত্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّائِغُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، ثنا وَرْقَاءُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَ عَائِشَةَ ، أَنَّ عُمَرَ ، قَالَ: إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ ، فَقَالَتْ: يَرْحَمُ اللَّهُ عُمَرَ؛ فَإِنَّهُ نَسِيَ الْحَدِيثَ ، ثُمّ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَيُعَذِّبُهُ بِبُكَاءِ بَعْضِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন মুহাম্মদ আস-সায়িগ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সাবিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, তিনি আমর ইবন দীনার থেকে, আর তিনি ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আয়েশা (রা.)-এর নিকট উল্লেখ করা হলো যে, উমর (রা.) বলেছেন: নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের কান্নাকাটির কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। তখন তিনি বললেন: আল্লাহ উমরের ওপর রহম করুন; তিনি হাদিসটি ভুলে গেছেন। অতঃপর তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার পরিবারের কিছু সদস্যের কান্নাকাটির কারণে তাকে শাস্তি দেন»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، ثنا أَبُو حُذَيْفَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ عَائِشَةَ ، قَالَتْ: يَرْحَمُ اللَّهُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بُكَاءُ أَهْلِ الْكَافِرِ عَذَابٌ عَلَيْهِ بَعْدَ مَوْتِهِ»
২৪ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু হুযায়ফা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবন দীনার থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আল্লাহ উমর ইবনুল খাত্তাবের ওপর দয়া করুন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কাফেরের পরিজনের কান্নাকাটি তার মৃত্যুর পর তার জন্য আযাব স্বরূপ।»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سَلامٍ السَّوَّاقُ، ثنا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي لَبِيدٍ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كَانَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ يَخُطُّ فَمَنْ صَادَفَ مِثْلَ خَطِّهِ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সালাম আস-সাউওয়াক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিসাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি লাবিদ থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নবীদের মধ্যে একজন নবী ছিলেন যিনি রেখা টানতেন; সুতরাং যার রেখা টানা তাঁর রেখা টানার অনুরূপ হবে (তা সঠিক)।»
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ ، إِمْلاءً يَوْمِ الْجُمُعَةِ ، لِسِتٍّ بَقِينَ مِن ذِي الْحِجَّةِ ، سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرِمٍ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ ، أنا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: " لَيْسَ عَنْ أَوْلادِ الْمُشْرِكِينَ قَالَ: اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا عَامِلِينَ "
২৬ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে সালমান আল-ফকিহ ৩৪৬ হিজরি সনের যিলহজ মাস সমাপ্ত হতে ছয় দিন বাকি থাকতে জুমার দিনে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে মুকরিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি যিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যুহরি থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: " মুশরিকদের সন্তানদের বিষয়ে তিনি বলেছেন: তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহই অধিক অবগত। "
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، ثنا أَبُو مَعْمَرٍ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ، ثنا أَيُّوبُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، أَنَّ رَجُلا مِنَ الأَنْصَارِ أَعْتَقَ عَبْدًا لَهُ عَنْ دُبُرٍ مِنْهُ ، لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ غَيْرُهُ ، قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَشْتَرِيهِ مِنِّي؟» فَاشْتَرَاهُ نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بِثَمَانِ مِائَةِ دِرْهَمٍ ، قَالَ: فَدَفَعَ ثَمَنَهُ إِلَيْهِ ، قَالَ عَمْرٌو: عَبْدًا قِبْطِيًّا مَاتَ عَامَ أَوَّلَ
২৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ঈসা, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মা'মার, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়ারিস, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আইয়ুব, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আনসারদের একজন ব্যক্তি তার এক দাসকে নিজের মৃত্যুর পর আযাদ হওয়ার শর্তে (মুদাব্বার হিসেবে) মুক্ত করে দিলেন, অথচ তার কাছে সেই দাসটি ছাড়া আর কোনো সম্পদ ছিল না। তিনি (জাবির) বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «কে আমার কাছ থেকে একে ক্রয় করবে?» অতঃপর নুয়াইম বিন আব্দুল্লাহ আটশত দিরহামের বিনিময়ে তাকে ক্রয় করলেন। তিনি (জাবির) বলেন: এরপর তিনি (রাসূলুল্লাহ) সেই বিক্রয়লব্ধ অর্থ তাকে (মালিককে) প্রদান করলেন। আমর বলেন: সে ছিল একজন কিবতী দাস, যে প্রথম বছরেই মারা গিয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
আমালি আবি বকর আন-নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - قَالَ أَيُّوبُ: وَثنا أَبُو الزُّبَيْرِ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، أَنَّ رَجُلا يُقَالُ لَهُ: أَبُو مَذْكُورٍ أَعْتَقَ غُلامًا لَهُ عَنْ دُبُرٍ مِنْهُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ يَشْتَرِيهِ مِنِّي» .فَاشْتَرَاهُ نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّخَّامُ بِثَمَانِ مِائَةِ دِرْهَمٍ ، قَالَ: فَدَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَمَنَهُ إِلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ فَقِيرًا فَلْيَبْدَأْ بِنَفْسِهِ ، فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ فَعَلَى عِيَالِهِ ، فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ فَعَلَى قَرَابَتِهِ ، فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ فَهَا هُنَا وَهَهُنَا» .وَبَسَطَ أَصَابِعَ كَفَّيْهِ ، فَطَابَقَ بَيْنَ كَفَّيْهِ ، وَقَالَ بِهِمَا عَنْ يَمِينِهِ ، وَعَنْ يَسَارِهِ ، وَتِلْقَاءَ وَجْهِهِ ، هَذِهِ الْقِصَّةُ صَنِيعُ أَبِي عُبَيْدَةَ يَحْكِيهِ
২৮ - আইয়ুব বলেন: আবু যুবাইর আমাদের নিকট জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু মাজকুর নামক এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত হওয়ার শর্তে আযাদ করে দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «কে আমার নিকট থেকে একে ক্রয় করবে?»।অতঃপর নুআইম ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাখখাম তাকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন। তিনি বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মূল্য তাকে (মালিককে) ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন: «তোমাদের কেউ যখন অভাবী হয়, তখন সে যেন নিজের মাধ্যমে শুরু করে। যদি অতিরিক্ত কিছু থাকে, তবে তা যেন তার পরিবার-পরিজনের জন্য হয়। যদি এরপরও অতিরিক্ত কিছু থাকে, তবে তা যেন তার আত্মীয়-স্বজনের জন্য হয়। আর যদি এরপরও অতিরিক্ত কিছু থাকে, তবে তা এখানে এবং সেখানে (অন্যান্যদের মাঝে) বিতরণ করবে»।অতঃপর তিনি তাঁর উভয় হাতের তালুর আঙ্গুলগুলো প্রসারিত করলেন, তারপর উভয় হাতের তালু মেলালেন এবং তা দিয়ে তাঁর ডানে, বামে এবং তাঁর চেহারার সম্মুখভাগে ইশারা করলেন। এই বিষয়টি আবু উবাইদাহর কাজ, যা তিনি বর্ণনা করছেন।