(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: -)
الأول من حديث ابن حذلم القسم: كتب السنة
الكتاب: الأول من حديث ابن حذلم
المؤلف: أبو الحسن القاضي أحمد بن سليمان بن أيوب بن داود بن عبد الله بن حَذْلَم الأسدي الدمشقي الأوزاعي (ت 347هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 59
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে হাজলামের হাদীস থেকে প্রথম অংশ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
বই: ইবনে হাজলামের হাদীস থেকে প্রথম অংশ
লেখক: আবু আল-হাসান আল-কাজী আহমাদ বিন সুলায়মান বিন আইয়ুব বিন দাউদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাজলাম আল-আসাদী আদ-দিমাশকী আল-আওযায়ী (মৃত্যু ৩৪৭ হিজরী)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنْ حَدِيثِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَذْلَمٍ الْقَاضِي ، عَنْ شُيُوخِهِ.
رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ التَّمِيمِيِّ ، عَنْهُ.
رَوَاهُ عَنْهُ الشَّيْخَانِ: أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجُبَّائِيُّ، وَأَبُو الْفَضْلِ الْمُسْلِمُ بْنُ أَحْمَدَ الْكَعْكِيُّ ، كِلاهُمَا عَنْهُ.
أَخْبَرَنَا عَنْهُمَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ.
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ.
আহমদ বিন সুলাইমান বিন হাজলাম আল-কাদি তাঁর শায়খদের থেকে যে হাদীসসমূহ বর্ণনা করেছেন তার প্রথম অংশ।
এটি তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আল-কাসিম বিন আবু নাসর আত-তামিমীর বর্ণনা।
তাঁর থেকে এটি দুই শায়খ বর্ণনা করেছেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-জুব্বায়ী এবং আবু আল-ফজল মুসলিম বিন আহমদ আল-কাকি; তাঁরা উভয়েই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
আমাদের কাছে তাঁদের উদ্ধৃতিতে সংবাদ প্রদান করেছেন শায়খ, ফকিহ, ইমাম আবুল হাসান আলী বিন আল-মাদিনী।
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أنا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ مَعْرُوفِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ رحمه الله، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ حَذْلَمٍ الْقَاضِي، إِمْلاءً بِدِمَشْقَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي صَفَرٍ سَنَةَ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَوْفٍ الْمُزَنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نُفَيْلٍ النَّهْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلا يَجْلِسْ حَتَّى يُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ»
১ - আমি শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আল-কাসিম বিন মারুফ বিন আবি নাসর (রহিমাহুল্লাহ)—তাঁর সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাজী আবুল হাসান আহমদ বিন সুলায়মান বিন আইয়ুব বিন হাযলাম বর্ণনা করেছেন—দামেস্কে জুমুআর দিনে সফর মাসে তিনশত একচল্লিশ হিজরীতে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইমরান মুসা বিন মুহাম্মদ বিন আবি আওফ আল-মুযানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন নুফায়িল আন-নাহদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আজলান হতে, তিনি আমের বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-যুবাইর হতে, তিনি আমর বিন সুলাইম হতে, তিনি আবু কাতাদাহ হতে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে যেন দুই রাকাত সালাত আদায় করার আগে না বসে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: " امْتَرَأَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَالْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ فِي غُسْلِ الْمُحْرِمِ رَأْسَهُ ، فَأَرْسَلُونِي إِلَى أَبِي أَيُّوبَ: كَيْفَ رَأَيْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ؟ قَالَ: فَجِئْتُهُ وَهُوَ يَغْتَسِلُ بَيْنَ قَرْنَيِ الْبِئْرِ وَقَدِ اسْتَتَرَ ، فَقُلْتُ: كَيْفَ رَأَيْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ؟ قَالَ: " فَغَسَلَ رَأْسَهُ ، فَأَقْبَلَ بِيَدَيْهِ عَلَى مَقْدَمِ رَأْسِهِ وَمُؤَخَّرِهِ ، ثُمَّ قَالَ: هَكَذَا رَأَيْتُهُ يَفْعَلُ "
২ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মূসা ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আন-নুফাইলি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইবনে আব্বাস এবং মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ মুহরিম ব্যক্তির মাথা ধৌত করার বিষয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। তখন তাঁরা আমাকে আবু আইয়ুবের নিকট পাঠালেন (এই কথা জিজ্ঞাসা করতে যে): আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুহরিম অবস্থায় কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতে দেখেছেন? তিনি বলেন: আমি তাঁর নিকট আসলাম যখন তিনি কূয়ার দুই খুঁটির মাঝে গোসল করছিলেন এবং নিজেকে আড়াল করে রেখেছিলেন। আমি বললাম: আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুহরিম অবস্থায় কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতে দেখেছেন? তিনি বললেন: অতঃপর তিনি তাঁর মাথা ধৌত করলেন এবং তাঁর উভয় হাত মাথার সামনের দিকে ও পেছনের দিকে বুলিয়ে নিলেন, এরপর বললেন: আমি তাঁকে এভাবেই করতে দেখেছি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَيُّمَا إِهَابٍ دُبِغَ فَقَدْ طَهُرَ»
৩ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মূসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নুফাইলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ওয়ালা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যেকোনো চামড়া যখন পাকা করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ ، قَالَ: أَرْسَلُونِي إِلَى زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ أَسْأَلُهُ عَنِ
الَّذِي يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيِ الْمُصَلِّي؟ فَأَخْبَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ قَالَ: «لأَنْ يَقُومَ أَرْبَعِينَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ» .
قَالَ سُفْيَانُ: لا أَدْرِي أَرْبَعِينَ صَبَاحًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً
৪ - তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফাইলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি সালেম আবু আন-নাদর থেকে, তিনি বুসর ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাঁরা আমাকে যায়েদ ইবনে খালিদের নিকট পাঠালেন যেন আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি যে,
ব্যক্তি সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করে (তার বিধান কী)? অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সংবাদ দিলেন যে, তিনি বলেছেন: «তার জন্য চল্লিশ (সময়কাল) দাঁড়িয়ে থাকা অতিক্রম করার চেয়ে অধিক উত্তম»।সুফিয়ান বলেন: আমি জানি না (তিনি) চল্লিশ দিন, নাকি মাস, নাকি বছর (বুঝিয়েছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ ، فَقُلْتُ حَدِّثْنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، هَلْ سَمِعْتَهُ يَقُولُ فِي الإِزَارِ شَيْئًا؟ فَقَالَ: نَعَمْ ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِزْرَةُ الْمُؤْمِنِ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ، لا جُنَاحَ فِيمَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْكَعْبَيْنِ، وَمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ فَفِي النَّارِ، لا يَنْظُرُ اللَّهُ عز وجل إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ بَطَرًا»
৫ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মূসা ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আন-নুফাইলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীর নিকট আসলাম এবং বললাম, আমাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কিছু হাদিস শোনান; আপনি কি তাঁকে ইজার (পরিধেয় বস্ত্র) সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «মুমিনের ইজার হলো পায়ের নলার অর্ধেক পর্যন্ত, এর এবং টাখনুর মধ্যবর্তী স্থানে কোনো গুনাহ নেই, আর যা টাখনুর নিচে যাবে তা জাহান্নামে যাবে», আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সেই ব্যক্তির দিকে (করুণার দৃষ্টিতে) তাকাবেন না যে অহংকারবশত তার ইজার মাটিতে টেনে নিয়ে চলে।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ ، سَمِعَ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ ، يُخْبِرُ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ ، أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا الدَّرْدَاءِ ، عَنِ {الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا} [يونس: 63 - 64] ، قَالَ: " مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ مُنْذُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَيْرُكَ إِلا رَجُلا وَاحِدًا ، سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ مُنْذُ أُنْزِلَتْ إِلا رَجُلا وَاحِدًا، هِيَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُسْلِمُ وَتُرَى لَهُ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফাইলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, মুহাম্মদ বিন মুনকাদির হতে, তিনি আতা বিন ইয়াসার হতে শুনেছেন, তিনি মিশরের এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, সে আবু দারদা (রা.)-কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল: {যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য পার্থিব জীবনে রয়েছে সুসংবাদ} [ইউনুস: ৬৩-৬৪], তিনি বললেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার পর থেকে আপনি ছাড়া আর কেউ আমাকে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করেনি, কেবল একজন ব্যক্তি ছাড়া। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন: 'এটি অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে আপনি ছাড়া আর কেউ আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেনি, কেবল একজন ব্যক্তি ছাড়া। এটি হলো সেই নেক স্বপ্ন (সৎ স্বপ্ন), যা কোনো মুসলিম নিজে দেখে অথবা তার জন্য (অন্য কেউ) দেখে'।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، عَنْ خَلادِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَتَانِي جِبْرِيلُ فَأَمَرَنِي أَنْ آمُرَ أَصْحَابِي أَنْ يَرْفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ بِالإِهْلالِ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন নুফাইলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি বকর থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে আবি বকর থেকে, তিনি খাল্লাদ ইবনে সায়িব থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার নিকট জিবরাঈল এসেছেন এবং আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি আমার সাহাবীদের আদেশ করি তারা যেন তালবিয়া পাঠকালে তাদের আওয়াজ উচ্চ করে»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، سَمِعَ عَبَّادَ بْنَ تَمِيمٍ ، يَذْكُرُ عَنْ عَمِّهِ ، قَالَ: «خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْتَسْقِي، فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَقَلَبَ رِدَاءَهُ وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ»
৮ - তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফায়লী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর হতে বর্ণিত, তিনি আব্বাদ ইবনে তামীমকে তাঁর চাচার সূত্রে উল্লেখ করতে শুনেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন বৃষ্টির প্রার্থনার উদ্দেশ্যে, অতঃপর তিনি কিবলামুখী হলেন, তাঁর চাদরটি উল্টিয়ে নিলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: لَمَّا مَاتَ رَافِعُ بْنُ خُدَيْجٍ بَكَوْا عَلَيْهِ ، فَجَاءَ ابْنُ عُمَرَ فَأَخَذَ بِعِضَادَتَيِ الْبَابِ ، فَقَالَ: «أَلا تَخْرُجُونَ ، إِنَّ
بُكَاءَ الْحَيِّ عَلَى الْمَيِّتِ عَذَابٌ لِلْمَيِّتِ» .
قَالَ: فَحَدَّثَتْنَا عَمْرَةُ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ: إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمُرَّ عَلَيْهِ بِيَهُودِيَّةٍ وَهُمْ يَبْكُونَ عَلَيْهَا، فَقَالَ: «إِنَّهُمْ يَبْكُونَ عَلَيْهَا وَإِنَّهَا لَتُعَذَّبُ فِي قَبْرِهَا»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফাইলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাফে ইবনে খুদাইজ মৃত্যুবরণ করলেন, তারা তাঁর ওপর বিলাপ করে কাঁদতে লাগল। তখন ইবনে ওমর আসলেন এবং দরজার দুই পাশ ধরলেন, অতঃপর বললেন: "তোমরা কি বের হবে না? নিশ্চয়
মৃত ব্যক্তির ওপর জীবিতের রোদন মৃত ব্যক্তির জন্য আযাবের কারণ।"
তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমরাহ বর্ণনা করেছেন আয়েশা থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেবল তখনই এ কথা বলেছিলেন যখন তিনি এক ইহুদি নারীর জানাযার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তারা তার জন্য কাঁদছিল, তখন তিনি বললেন: "তারা তার জন্য কাঁদছে, অথচ তাকে তার কবরে আযাব দেওয়া হচ্ছে।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، قَالَ: كُنَّا فِي جِنَازَةِ أُمِّ أَبَانَ بنت عُثْمَانَ ، فَبَكَى النِّسَاءُ ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: لا تَبْكُوا؛ فَإِنَّ بُكَاءَ الْحَيِّ عَلَى الْمَيِّتِ عَذَابٌ لِلْمَيِّتِ.
فَقَال ابْنُ عَبَّاسٍ: صَدَرْنَا مَعَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرَ، فَلَمَّا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ إِذَا نَحْنُ بِرَكْبٍ نُزُولٍ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَقَالَ عُمَرُ: اذْهَبْ فَانْظُرْ مَنْ هَؤُلاءِ الرَّكْبُ ، فَجِئْتُ فَإِذَا صُهَيْبٌ مَوْلَى ابْنِ جُدْعَانَ قَالَ: مُرْهُ فَلْيَلْحَقْ بِنَا.
فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ طُعِنَ عُمَرُ ، فَقَالَ صُهَيْبٌ وَا أُخَيَّاهُ وَا صَاحِبَاهُ ، فَقَالَ عُمَرُ: مَهْ يَا صُهَيْبُ؛ إِنَّ بُكَاءَ الْحَيِّ عَلَى الْمَيِّتِ عَذَابٌ عَلَيْهِ.
فَأَتَيْتُ عَائِشَةَ ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهَا ، فَقَالَتْ: يَرْحَمُ اللَّهُ عُمَرَ ، إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ
الْكَافِرَ لَيُعَذَّبُ بِبَعْضِ بُكَاءِ الْحَيِّ عَلَيْهِ» .
لَقَدْ قَضَى اللَّهُ تبارك وتعالى: {وَلا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى} [الأنعام: 164]
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফাইলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা উসমান ইবনে আফফানের কন্যা উম্মে আবানের জানাযায় উপস্থিত ছিলাম, তখন মহিলারা কাঁদতে লাগলেন। তখন ইবনে উমর বললেন: তোমরা কেঁদো না; কারণ মৃতের ওপর জীবিত ব্যক্তির কান্না মৃতের জন্য শাস্তির কারণ হয়।
তখন ইবনে আব্বাস বললেন: আমরা আমিরুল মুমিনীন উমরের সাথে ফিরছিলাম। আমরা যখন বায়দা নামক স্থানে পৌঁছালাম, তখন আমরা একদল আরোহীকে একটি গাছের নিচে অবস্থানরত দেখতে পেলাম। উমর বললেন: যাও এবং দেখো ওই আরোহীরা কারা। আমি গিয়ে দেখলাম তারা ইবনে জুদআনের মুক্তদাস সুহাইব। উমর বললেন: তাকে আমাদের সাথে মিলিত হতে বলো।
অতঃপর যখন আমরা মদীনায় পৌঁছালাম, তখন উমর (রা.) আক্রান্ত (আহত) হলেন। তখন সুহাইব আক্ষেপ করে বলতে লাগলেন, হায় আমার ভাই! হায় আমার সাথী! উমর বললেন: থামো হে সুহাইব; নিশ্চয়ই মৃতের ওপর জীবিত ব্যক্তির কান্না তার জন্য আযাব বা শাস্তির কারণ হয়।
এরপর আমি আয়েশার নিকট আসলাম এবং তার কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: আল্লাহ উমরের ওপর রহম করুন। মূলত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: «নিশ্চয়ই
কাফির ব্যক্তিকে তার ওপর তার পরিজনদের কিছু কান্নাকাটির কারণে আযাব দেওয়া হয়।» .
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা ফয়সালা করে দিয়েছেন: {আর কোনো বহনকারী অন্য কারো বোঝা বহন করবে না} [আল-আনআম: ১৬৪]
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ ، يَقُولُ لابْنِ ابْنٍ لَهُ وَافِدٍ: لا تَجُرَّ إِزَارَكَ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «لا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ خُيَلاءَ»
১১ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মূসা ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আন-নুফাইলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে উমরকে তার জনৈক আগত নাতির উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছেন: তোমার লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরো না, কেননা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আল্লাহ সেই ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না, যে অহংকারবশত নিজের লুঙ্গি ঝুলিয়ে বা টেনে হিঁচড়ে চলে»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ: حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ نَوْفَلِ بْنِ مُسَاحِقٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ مُزَيْنَةَ يُقَالُ لَهُ: ابْنُ عِصَامٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، كَانَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً قَالَ: «إِنْ سَمِعْتُمْ مُؤَذِّنًا أَوْ رَأَيْتُمْ مَسْجِدًا فَلا تَقْتُلُنَّ أَحَدًا»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মূসা, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন নুফাইলী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আবদুল মালিক ইবনে নাওফাল ইবনে মুসাহিক থেকে, তিনি মুযাইনা গোত্রের ইবনে ইসাম নামক এক ব্যক্তি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোনো ক্ষুদ্র সেনাদল পাঠাতেন তখন বলতেন: «যদি তোমরা কোনো মুয়াজ্জিনকে (আযান দিতে) শোনো অথবা কোনো মসজিদ দেখো, তবে কাউকে হত্যা করো না।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: نا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ ، قَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي يَوْمًا وَأُمَامَةُ بِنْتُ أَبِي الْعَاصِ، وَأُمُّهَا زَيْنَبُ ابْنَةُ رَسُولِ اللَّهِ عليه الصلاة والسلام، وَاضِعُهَا عَلَى عُنُقِهِ ، فَإِذَا رَكَعَ وَضَعَهَا ، فَإِذَا فَرَغَ مِنْ سُجُودِهِ أَعَادَهَا»
১৩ - আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফায়লী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি উসমান ইবনে আবু সুলাইমান থেকে, তিনি আমির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর থেকে, তিনি আমর ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একদিন সালাত আদায় করছিলেন এমতাবস্থায় যে, উমামা বিনতে আবু আল-আস—যার মাতা ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা যয়নাব—তাকে তিনি তাঁর ঘাড়ের উপর রেখেছিলেন। অতঃপর যখন তিনি রুকু করতেন, তখন তাকে নামিয়ে রাখতেন; আর যখন তাঁর সিজদাহ শেষ করতেন, তখন তাকে পুনরায় (ঘাড়ের ওপর) উঠিয়ে নিতেন।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ ، قَالَ: ثنا مُوسَى ، قَالَ: ثنا النُّفَيْلِيُّ ، ثنا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ ، سَمِعَ ذَرًّا ، يَقُولُ: سَأَلْتُ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ ، فَقُلْتُ: إِنَّ أَخَاكَ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ: «مَنْ يَقُمِ الْحَوْلَ يُصِبْ لَيْلَةَ الْقَدْرِ» .
فَقَالَ: «يَرْحَمُهُ اللَّهُ ، لَقَدْ عَلِمَ أَنَّهَا فِي رَمَضَانَ، وَ
أَنَّهَا لَيْلَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ» .
ثُمَّ حَلَفَ أَنَّهَا لَيْلَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ.
قَالَ: قُلْتُ لَهُ: فَبِأَيِّ شَيْءٍ يَا أَبَا الْمُنْذِرِ؟ قَالَ: «بِالْعَلامَةِ أَوْ بِالآيَةِ الَّتِي أَخْبَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهَا تَطْلُعُ مِنْ ذَاتِ الْيَوْمِ لا شُعَاعَ لَهَا»
১৪ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুফাইলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ বিন আবি লুবাবাহ থেকে, তিনি যারর-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি উবাই বিন কা’ব-কে জিজ্ঞেস করলাম এবং বললাম: আপনার ভাই ইবনে মাসউদ বলেন: «যে ব্যক্তি সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করবে, সে লাইলাতুল কদর লাভ করবে»।
তিনি বললেন: «আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন, তিনি অবশ্যই জানতেন যে এটি রমজান মাসে এবং
তা সাতাশ তারিখের রাত»।
অতঃপর তিনি কসম খেয়ে বললেন যে, তা সাতাশ তারিখের রাত।
বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাঁকে বললাম: হে আবুল মুনযির, আপনি কিসের ভিত্তিতে এটি বলছেন? তিনি বললেন: «সেই নিদর্শন বা চিহ্নের ভিত্তিতে যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানিয়েছেন যে, সেই দিন সূর্য এমনভাবে উদিত হবে যার কোনো উজ্জ্বল রশ্মি থাকবে না»।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ ، قَالَ: ثنا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، ثنا سُفْيَانُ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَاهْ ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ، لا تَمْنَعُوا أَحَدًا طَافَ بِهَذَا الْبَيْتِ أَيَّةَ سَاعَةٍ شَاءَ مِنْ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ»
১৫ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মূসা ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, নুফায়লী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বাবাহ থেকে, তিনি জুবায়ের ইবনে মুতয়িম থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে বনু আবদে মানাফ! তোমরা এই ঘরের (কাবা) তাওয়াফকারী কাউকেই বাধা দিও না, সে রাত বা দিনের যে কোনো সময়েই তা করতে চাক না কেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، قَالَ: نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ:
«رَأَيْتُ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ وَمَعَهُ لِوَاءُ الْمُسْلِمِينَ فِي بَعْضِ مَشَاهِدِهِمْ» .
قَالَ سُفْيَانُ: وَكَانَ مَحْجُوبَ الْبَصَرِ
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফায়লী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জুদ'আন থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«আমি ইবনে উম্মে মাকতূমকে দেখেছি, তাঁর সাথে মুসলমানদের কোনো এক যুদ্ধে তাদের ঝাণ্ডা ছিল»।
সুফিয়ান বলেন: আর তিনি ছিলেন দৃষ্টিহীন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، ثنا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاقَةَ ، سَمِعَ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ ، يَقُولُ: قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي حَتَّى تَوَرَّمَتْ قَدَمَاهُ ، فَقِيلَ لَهُ: أَلَيْسَ قَدْ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ؟ قَالَ: «أَفَلا أَكُونُ عَبْدًا شَكُورًا»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যিয়াদ বিন ইলাকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি মুগীরাহ বিন শু'বাহকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করতে দাঁড়িয়ে থাকতেন যতক্ষণ না তাঁর পা দুটি ফুলে যেত। অতঃপর তাঁকে বলা হলো: "আল্লাহ কি আপনার পূর্বের ও পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেননি?" তিনি বললেন: "তবে কি আমি একজন কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ، نا مُوسَى ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاقَةَ ، سَمِعَ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، يَقُولُ: «بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»
১৮ - আমি আব্দুর রহমান বলছি, আহমদ আমাদের অবহিত করেছেন, মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নুফাইলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে ইলাকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি জারীর ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: «আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রত্যেক মুসলিমের প্রতি কল্যাণ কামনার ওপর আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছি»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ ، عَنْ كُرَيْبٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: صَدَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا بَلَغَ بَطْنَ الرَّوْحَاءِ لَقِيَ قَوْمًا ، فَقَالَ:
«مَنْ أَنْتُمْ؟» قَالُوا: الْمُسْلِمُونَ.قَالُوا: وَمَنْ أَنْتَ؟ قَالَ: «رَسُولُ اللَّهِ» .قَالَ: فَأَخْرَجَتِ امْرَأَةٌ صَبِيًّا مِنَ الْمِحَفَّةِ ، فَقَالَتْ: أَلِهَذَا حَجٌّ؟ قَالَ: «نَعَمْ ، وَلَكِ أَجْرُهُ» .
قَالَ: فَحَدَّثْتُ بِهِ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْكَدِرِ ، فَحَجَّ بِأَهْلِهِ كُلِّهِمْ
১৯ - আমি আব্দুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ইব্রাহীম ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যাবর্তন করছিলেন, অতঃপর যখন তিনি বাতনে রাওহা নামক স্থানে পৌঁছালেন তখন এক কাফেলার সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তিনি বললেন:
«তোমরা কারা?» তারা বলল: মুসলিম।তারা বলল: আর আপনি কে? তিনি বললেন: «আল্লাহর রাসূল»।তিনি বলেন: অতঃপর এক নারী একটি শিশুকে বের করলেন হতে হাওদা, অতঃপর তিনি বললেন: «এর জন্যও কি হজ হবে?» তিনি বললেন: «হ্যাঁ, আর এর সওয়াব তোমার জন্য হবে»।
তিনি বলেন: অতঃপর আমি এটি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদিরকে শোনালাম, ফলে তিনি তাঁর পরিবারের সকলকে নিয়ে হজ পালন করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، سَمِعَ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، يَذْكُرُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «الْحَرْبُ خُدْعَةٌ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফায়লী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি জারীর ইবনে আবদুল্লাহকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উল্লেখ করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যুদ্ধ হলো কৌশল»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ ، عَنِ ابْنِ أَبِي سُوَيْدٍ ، سَمِعَ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ يُحَدِّثُ، قَالَ: زَعَمَتِ الْمَرْأَةُ الصَّالِحَةُ خَوْلَةُ بِنْتُ حَكِيمٍ امْرَأَةُ عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ وَقَدْ حَمَلَ أَحَدَ ابْنَيِ ابْنَتِهِ وَهُوَ يَقُولُ: «إِنَّكُمْ لَتُجَهِّلُونَ وَتُجَبِّنُونَ وَتُبَخِّلُونَ ، وَإِنَّكُمْ لَمِنْ رَيْحَانِ الْجَنَّةِ»
২১ - আমি আব্দুর রহমান, আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট নুফাইলি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহীম ইবনে মায়সারা থেকে বর্ণিত, ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে বর্ণিত, তিনি উমর ইবনে আব্দুল আজিজকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন: পুণ্যবতী নারী খাওলা বিনতে হাকিম—যিনি উসমান ইবনে মাজউনের স্ত্রী ছিলেন—বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যার দুই পুত্রের একজনকে কোলে নিয়ে বের হলেন এবং বলছিলেন: «নিশ্চয়ই তোমরা (পিতামাতাকে) অজ্ঞ করো, ভীরু করো ও কৃপণ করো; আর নিশ্চয়ই তোমরা জান্নাতের সুগন্ধি ফুলের অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، أنبا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ ، قَالَ: قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ وَهُمْ يُسْلِفُونَ فِي الثَّمَرِ الْعَامَ وَالْعَامَيْنِ ، فَقَالَ: «مَنْ سَلَفَ فِي ثَمَرٍ فَلْيُسْلِفْ فِي كَيْلٍ مَعْلُومٍ أَوْ وَزْنٍ مَعْلُومٍ»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ইবনে আবি নাজিহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন এমতাবস্থায় যে, তারা এক বছর বা দুই বছরের জন্য ফলের আগাম লেনদেন করত। তখন তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি ফলের আগাম লেনদেন করবে, সে যেন তা নির্দিষ্ট পরিমাপে অথবা নির্দিষ্ট ওজনে করে»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، قَالَ: قُلْتُ لِعَمْرٍو سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، يَقُولُ: إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ،
قَالَ لِرَجُلٍ دَخَلَ الْمَسْجِدَ بِسِهَامٍ: «أَمْسِكْ بِنِصَالِهَا» .
قَالَ: نَعَمْ
২৩ - আমি আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান। তিনি বলেন: আমি আমরকে বললাম, আপনি কি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
জনৈক ব্যক্তিকে, যে তীর নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেছিল, বলেছিলেন: «এগুলোর অগ্রভাগগুলো ধরে রাখো» ।
তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: «أَطْعَمَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لُحُومَ الْخَيْلِ، وَنَهَانَا عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ»
২৪ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মূসা ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নুফায়লী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমরের সূত্রে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের ঘোড়ার গোশত খাইয়েছেন এবং আমাদের গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ
عَنِ الْخَطِّ، قَالَ: «عِلْمٌ عَلَّمَهُ نَبِيٌّ، فَمَنْ وَافَقَ عِلْمَهُ عَلِمَ» .
قَالَ صَفْوَانُ: فَحَدَّثْتُهُ أَبَا سَلَمَةَ ، فَقَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: هِيَ أَثَرَةٌ مِنَ الْعِلْمِ
25 - আমি আব্দুর রহমান, আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আন-নুফায়লী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে
রেখা টেনে ভাগ্য গণনা করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: “এটি এমন একটি জ্ঞান যা জনৈক নবীকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল; সুতরাং যার (রেখা টানা) তাঁর সেই জ্ঞানের সাথে মিলে যায়, তবে সে সঠিকভাবে জানতে পারল।” .
সাফওয়ান বলেন: আমি এটি আবু সালামাহর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন: ইবনে আব্বাস বলেছেন: এটি হলো ইলম বা জ্ঞানের একটি অবশিষ্টাংশ।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، نا أَحْمَدُ ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا النُّفَيْلِيُّ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ وَرْدَانَ الرُّومِيِّ شَيْخٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ ، فَقُلْتُ: إِنِّي رَجُلٌ صَائِغٌ أَبِيعُ التِّبْرَ بِالْوَرِقِ ، فَقَالَ:
«ضَعِ التِّبْرَ فِي كِفَّةٍ وَالْوَرِقَ فِي كِفَّةٍ، فَإِذَا اعْتَدَلا فَخُذْ وَأَعْطِهِ» .كَذَلِكَ عَهِدَ إِلَيْنَا صَاحِبُنَا، وَكَذَلِكَ عَهِدْنَا إِلَيْكُمْ
وَمِنْ حَدِيثِ أَبِي زُرْعَةَ:
২৬ - আমি আব্দুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, মক্কার অধিবাসী জনৈক শায়খ ওয়ারদান আর-রুমি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: আমি একজন স্বর্ণকার, আমি রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে স্বর্ণের আকর বিক্রি করি। তখন তিনি বললেন:
«তুমি স্বর্ণের আকর এক পাল্লায় রাখো এবং রৌপ্য মুদ্রা অন্য পাল্লায় রাখো, অতঃপর যখন তা সমান হবে তখন তা গ্রহণ করো এবং তাকে প্রদান করো»।আমাদের সাথী আমাদের নিকট এভাবেই নির্দেশ দিয়ে গেছেন এবং আমরাও তোমাদের নিকট এভাবেই নির্দেশ প্রদান করছি তোমাদের প্রতি
এবং আবু যুরআর হাদিস থেকে বর্ণিত:
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، أنا أَحْمَدُ ، نا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ عَلِيٍّ الْهَاشِمِيُّ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بِهِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ ، قَالَ: نا صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ الْحَكَمِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ سَعْدٍ ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ يُرِدْ هَوَانَ قُرَيْشٍ أَهَانَهُ اللَّهُ»
২৭ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুরআ আব্দুর রহমান ইবনে আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান ইবনে দাউদ ইবনে আলী আল-হাশিমী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে সাদ আমাদের এই সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সালিহ ইবনে কাইসান আমাদের বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি ইউসুফ ইবনে হাকাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরাইশদের লাঞ্ছিত করতে চাইবে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করবেন»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়ালু মিন হাদিসি ইবনু হাজলাম
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، أنا أَحْمَدُ ، نا أَبُو زُرْعَةَ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ ، قَالَ: اسْتَأْذَنَ عُمَرُ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهُ مِنْ نِسَاءِ قُرَيْشٍ يُكَلِّمْنَهُ وَيَسْتَكْثِرْنَهُ عَالِيَةً أَصْوَاتُهُنَّ عَلَى صَوْتِهِ ، فَلَمَّا اسْتَأْذَنَ عُمَرُ رضي الله عنه تَبَادَرْنَ الْحِجَابَ ، فَأَذِنَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَدَخَلَ عُمَرُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَضْحَكُ ، فَقَالَ: أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ، بِأَبِي وَأُمِّي أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْهِنَّ فَقَالَ: أَيْ عَدُوَّاتِ أَنْفُسِهِنَّ، أَتَهَبْنَنِي وَلا تَهَبْنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قُلْنَ: نَعَمْ ، أَنْتَ أَفَظُّ وَأَغْلَظُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيهٍ ابْنَ الْخَطَّابِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا لَقِيَكَ الشَّيْطَانُ قَطُّ سَالِكًا فَجًّا إِلا سَلَكَ غَيْرَ فَجِّكَ»
28 - আমি আবদুর রহমান (থেকে বর্ণিত), আমি আহমদ (থেকে বর্ণিত), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন সালেহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন সাদ, সালেহ ইবন কায়সান থেকে, তিনি ইবন শিহাব থেকে, তিনি আবদুল হামিদ ইবন আবদুর রহমান ইবন যায়িদ ইবন আল-খাত্তাব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন সাদ থেকে, তিনি সাদ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ওমর (আল্লাহর রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর নিকট কুরাইশ বংশের কিছু নারী ছিলেন যারা তাঁর সাথে কথা বলছিলেন এবং তাঁর কাছে অধিক পার্থিব সামগ্রী দাবি করছিলেন, তাঁদের কণ্ঠস্বর তাঁর কণ্ঠস্বরের চেয়ে উঁচু হচ্ছিল। যখন ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) অনুমতি চাইলেন, তারা দ্রুত পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি দিলেন। ওমর প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসছিলেন। তিনি বললেন: আল্লাহ আপনার দাঁতকে সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল রাখুন, আমার পিতা ও মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক হে আল্লাহর রাসূল! অতঃপর তিনি (ওমর) নারীদের দিকে ফিরে বললেন: হে নিজেদের আত্মার শত্রুরা, তোমরা কি আমাকে ভয় পাচ্ছ অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ভয় পাচ্ছ না? তারা বলল: হ্যাঁ, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তুলনায় অধিক কঠোর ও রূঢ়। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «হে ইবনুল খাত্তাব, সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে— শয়তান যখনই তোমাকে কোনো পথে চলতে দেখেছে, সে তোমার পথ ছেড়ে অন্য পথ অবলম্বন করেছে।»