(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: -)
مجلسان لأبي بكر العنبري (أبو بكر العنبري)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلسان لأبي بكر العنبري
المؤلف: أبو بكر أحمد بن محمد العنبري الملحمي (ت 324هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 42
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু বকর আল-আনবারীর দুটি মজলিস (আবু বকর আল-আনবারী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু বকর আল-আনবারীর দুটি মজলিস
লেখক: আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনবারী আল-মালহামি (মৃত্যু ৩২৪ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের বিনামূল্যে বিতরিত জাওয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪২
শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১)
فِيهِ مَجْلِسَانِ لأَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى بْنِ يَحْيَى بْنِ خَالِدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْعَنْبَرِيِّ الْمَعْرُوفِ بِالْمَلْحَمِيِّ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ.بسم الله الرحمن الرحيم
এতে আবু বকর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুসা ইবন ইয়াহইয়া ইবন খালিদ ইবন কাসীর ইবন ইবরাহিম আল-আনবারী, যিনি আল-মালহামি নামে সুপরিচিত, (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর দুটি মজলিস রয়েছে।পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِى سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
১ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক পানীয় যা মাদকতা সৃষ্টি করে তা হারাম»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا ضِرَارٌ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «لا تَشْرَبُوا مُسْكِرًا»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্বল, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ফুদাইল, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন দ্বিরার, মুহারিব বিন দিসার থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা কোনো নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করো না»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَصْبَهَانِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِى صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُدْمِنُ الْخَمْرِ كَعَابِدِ وَثَنٍ»
৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উবাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-আসবাহানি বর্ণনা করেছেন, সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মদপানে অভ্যস্ত ব্যক্তি মূর্তিপূজারির ন্যায়»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ زَيْرَكٍ الْفَارِسِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ نُعَيْمٍ أَبُو حَفْصٍ الطَّرْسُوسِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَنْبَسَةَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خِدْرُ الْوَجْهِ مِنَ النَّبِيذِ يَتَنَاثَرُ مِنْهُ الْحَسَنَاتُ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে যাইরাক আল-ফারিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওমর ইবনে নুআইম আবু হাফস আত-তারসুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আনবাসাহ আল-বাসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তবিল, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নাবীজ পানের কারণে চেহারার অসারতা থেকে নেকি ঝরে পড়ে»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ: " مَاتَ أُنَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُمْ يَشْرَبُونَ الْخَمْرَ، فَلَمَّا حُرِّمَتِ الْخَمْرُ، قَالَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: كَيْفَ لأَصْحَابِنَا مَاتُوا وَهُمْ يَشْرَبُونَهَا؟ فَنَزَلَتْ: {لَيْسَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوا} [المائدة: 93] " الآيَةَ
৫ - আমাদের নিকট আবু খলিফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবু ইসহাক সংবাদ দিয়েছেন বারা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: " রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন যখন তারা মদ পান করতেন। অতঃপর যখন মদ হারাম করা হলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোক বললেন: আমাদের সেই সব সাথীদের কী হবে যারা এটি পান করা অবস্থায় মারা গেছেন? তখন নাযিল হলো: {যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারা যা ভক্ষণ করেছে সে জন্য তাদের কোনো গুনাহ নেই} [আল-মায়েদাহ: ৯৩]" - আয়াতটি।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِى زُهَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «النَّفَقَةُ فِي الْحَجِّ كَالنَّفَقَةِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু খলিফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, আতা ইবনাস সায়িব হতে, তিনি আবু জুহাইর হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হজে ব্যয় করা আল্লাহর পথে ব্যয় করার ন্যায়»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ الْجَوَالِيقِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ ، وَعُثْمَانُ ابنا أبى شيبة، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى شَاةٍ مَيِّتَةٍ، وَقَالَ: «أَلَمْ تَرَ هَذِهِ، أَلْقَاهَا أَهْلُهَا؟» قُلْتُ: وَمَا يَصْنَعُونَ بِهَا وَقَدْ مَاتَتْ؟ قَالَ: «لَزَوَالُ الدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ عز وجل مِنْ هَذِهِ عَلَى أَهْلِهَا»
৭ - আবদান বিন আহমাদ আল-জাওয়ালিকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ও উসমান—আবু শায়বার দুই পুত্র—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু খালিদ আল-আহমার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি মৃত বকরির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং বললেন: «তুমি কি এটি দেখনি? এর মালিকরা একে ফেলে দিয়েছে?» আমি বললাম: এটি তো মরে গেছে, তারা এটি দিয়ে কী করবে? তিনি বললেন: «নিশ্চয় দুনিয়ার বিলুপ্তি আল্লাহর নিকট যিনি মহামহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী, এর মালিকদের নিকট এটি যেমন তুচ্ছ তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ (নগণ্য)»।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ الْجَوَالِيقِيُّ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنِ الْحَجَّاجِ ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ جَابِرٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَى شَاةٍ مَيِّتَةٍ، فَقَالَ: «تَرَوْنَ هَذِهِ هَيِّنَةً عَلَى أَهْلِهَا؟» قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «الدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ عَلَى أَهْلِهَا»
৮ - আমাদের নিকট আবদান আল-জাওয়ালিকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাহল ইবনে উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাফস বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি মৃত বকরির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমরা কি মনে করো এটি তার মালিকদের নিকট তুচ্ছ?» তারা বললেন: হ্যাঁ, তিনি বললেন: «আল্লাহর নিকট দুনিয়া এর চেয়েও বেশি তুচ্ছ, যেমনটি তার মালিকদের কাছে এটি।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ السُّلَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ أَبِي مَالِكٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خُذُوا الْعِلْمَ قَبْلَ أَنْ يَنْفَدَ» .قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يَنْفَدُ وَفِينَا كِتَابُ اللَّهِ عز وجل؟ فَغَضِبَ غَضَبًا لا يَغْضَبُهُ أَبَدًا، ثُمَّ قَالَ: «ثَكِلَتْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ، أَوَلَمْ تَكُنِ التَّوْرَاةُ وَالإِنْجِيلُ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ لَمْ يُغْنِيَا لَهُمْ شَيْئًا، إِنَّ ذَهَابَ الْعِلْمِ ذَهَابُ حَمَلَتِهِ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবদুস সালাম আস-সুলামী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল আলা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, হাজ্জাজ থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে আবি মালিক থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা ইলম অর্জন করো তা নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পূর্বে»।তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তা কীভাবে নিঃশেষ হবে অথচ আমাদের মাঝে মহান আল্লাহর কিতাব রয়েছে? এতে তিনি এমনভাবে রাগান্বিত হলেন যা তিনি কখনও হতেন না, অতঃপর তিনি বললেন: «তোমাদের মায়েরা তোমাদের হারাক! বনী ইসরাঈলের কাছে কি তাওরাত ও ইনজিল ছিল না? অথচ তা তাদের কোনো উপকারে আসেনি। নিশ্চয়ই ইলম চলে যাওয়া হলো ইলম বহনকারীদের চলে যাওয়া।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ الْجَوَالِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَمَلَ مِنْ أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فَهُوَ مِنَ الْعُلَمَاءِ»
১০ - আবদান ইবনে আহমাদ আল-জাওয়ালীকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণিত, আতা আমাকে জানিয়েছেন, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি চল্লিশটি হাদীস বহন করবে, সে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ سُلَيْمَانَ السُّلَمِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَفِظُ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فَهُوَ مِنَ الْعُلَمَاءِ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম বিন ইসমাঈল, শুয়াইব বিন সুলাইমান আস-সুলামী থেকে, তিনি ইসমাঈল বিন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: «যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, সে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হবে»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَخْلَدٍ الْفَرْقَدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ، حَدَّثَنَا سَلامٌ الطَّوِيلُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মাখলাদ আল-ফারকাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আমর আল-বাজালী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালাম আত-তবীল, যিয়াদ বিন মাইমুন থেকে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ইলম অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ الْمَاجِشُونِ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَلِيٍّ: «أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى»
১৩ - আমাদের নিকট আবু খলিফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনুল মাজিশুন বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আমির ইবনে সাদ থেকে এবং তিনি সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আলীকে বলেছেন: «আমার নিকট তোমার মর্যাদা ঠিক তেমন, যেমন মুসার নিকট হারুনের মর্যাদা ছিল»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّازِقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَلَسْتُ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ؟» قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «أَلَسْتُ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَزْوَاجِهِمْ؟» قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «أَلَسْتُ أَوْلَى بِهِمْ مِنْ أَوْلادِهِمْ؟» قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «أَلَسْتُ أَلَسْتُ؟» قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «فَهَذَا وَلِيُّكُمْ مِنْ بَعْدِي، اللَّهُمَّ وَالِ مَنْ وَالاهُ، وَعَادِ مَنْ عَادَاهُ» .فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: يَهْنُكَ يَا ابْنَ أَبِي طَالِبٍ، أَصْبَحْتَ الْيَوْمَ وَلِيَّ كُلِّ مُسْلِمٍ
১৪ - যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাজি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সালামা ইবনে শাবীব হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মা'মার হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি আদী ইবনে সাবিত থেকে, তিনি বারা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমি কি মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের চেয়েও অধিক ঘনিষ্ঠ নই?» তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: «আমি কি মুমিনদের নিকট তাদের স্ত্রীদের চেয়েও অধিক ঘনিষ্ঠ নই?» তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: «আমি কি তাদের নিকট তাদের সন্তানদের চেয়েও অধিক ঘনিষ্ঠ নই?» তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: «আমি কি নই? আমি কি নই?» তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: «তবে এই (আলী) আমার পরে তোমাদের অভিভাবক। হে আল্লাহ! যে তাকে বন্ধু বানায় আপনি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করুন, আর যে তার সাথে শত্রুতা করে আপনিও তার সাথে শত্রুতা পোষণ করুন।»অতঃপর ইবনে উমর বললেন: হে আবু তালিবের পুত্র, আপনার জন্য শুভ সংবাদ! আপনি আজ প্রত্যেক মুসলিমের অভিভাবক হলেন।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بِسْطَامٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ دَاوُدَ الأَوْدِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلاهُ»
১৫ - আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে বিসতাম আল-জাফরানি শ্রুতলিপির মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারিক দাউদ আল-আউদি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমি যার মাওলা, আলীও তার মাওলা»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْجُبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَمْعَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ بِهْرَامٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَامِلَ الْحُسْنِ عَلَى عَاتِقِهِ، فَقَالَ رَجُلٌ: نِعْمَ الْمَرْكِبُ رَكِبْتَ يَا غُلامُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَنِعْمَ الرَّاكِبُ»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জুবায়রী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জামআহ, সালামাহ ইবন বিরাম থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসানকে তাঁর কাঁধে বহন করছিলেন, তখন এক ব্যক্তি বলল: হে বৎস! তুমি কতই না চমৎকার সওয়ারীর উপর চড়েছ। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আর আরোহীটিও কতই না চমৎকার।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا بَابَوَيْهِ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ طَرِيفٍ، عَنِ الأَصْبَغِ بْنِ نُبَاتَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: " سِتَّةٌ لا يُسَلَّمُ عَلَيْهِمْ: الْيَهُودِيُّ، وَالنَّصْرَانِيُّ، وَالْمَجُوسِيُّ، وَالَّذِينَ بَيْنَ أَيْدِيهِمُ الْخَمْرُ وَالرَّيْحَانُ، وَالْمُتَفَكِّهُونَ بِالأُمَّهَاتِ، وَأَصْحَابُ الشِّطْرَنْجِ "
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাবওয়াইহ আল-আইলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর বিন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন সালিম, তিনি ইসরাঈল বিন ইউনুস থেকে, তিনি সাদ বিন তারিফ থেকে, তিনি আসবাগ বিন নুবাতা থেকে, আর তিনি আলী বিন আবি তালিব (রা.) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: " ছয় ব্যক্তিকে সালাম প্রদান করা হবে না: ইয়াহুদি, খ্রিষ্টান, অগ্নিউপাসক এবং যাদের সামনে মদ ও সুগন্ধি পুষ্প রয়েছে, মায়েদের নিয়ে বিদ্রুপকারী এবং দাবাড়ু।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ، وَابْنُ عَائِشَةَ، قَالُوا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه مَرَّ بِوَادِي ضَجْنَانَ، فَلَمَّا رَأَى كَثْرَةَ مَنْ مَعَهُ مِنَ النَّاسِ، قَالَ: " أَيُّهَا النَّاسُ عَلَى رَسْلِكُمْ، وَلَقَدْ رَأَيْتُنِي فِي هَذَا الْوَادِي وَأَنَا أَرْعَى إِبِلا لِلْخَطَّابِ، وَكَانَ مَا عَلِمْتُ فَظًّا غَلِيظًا، فَكَانَتْ أُمِّي تَكْسُونِي نَقْبَتَهَا ، وَتُزَوِّدُنِي بِمَيْنَتِهَا مِنَ الْهِيدِ، فَيَا خِصْبَاهُ، ثُمَّ أَصْبَحْتُ خَلِيفَةً عَلَى النَّاسِ، لَيْسَ فَوْقِي أَحَدٌ إِلا اللَّهَ عز وجل، وَلَقَدْ كُنْتُ أَحْمِلُ الْحَطَبَ عَلَى أَحْمِرَةٍ لِلْخَطَّابِ، فَأَسْنَدَهَا إِلَى صَدْرِي فَأَلْقَى مِنْ ذَلِكَ جَهْدًا، ثُمَّ أَنْشَأَ يَقُولُ:لا شَيْءَ فِيمَا تَرَى إِلا بَشَاشَتَهُ … يَبْقَى الإِلَهُ وَيَفْنَى الْمَالُ وَالْوَلَدُلَمْ تُغْنِ عَنْ هُرْمُزٍ يَوْمًا خَزَائِنُهُ … وَالْخُلْدُ قَدْ حَاوَلَتْ عَادٌ فَمَا خَلُدُواوُلا سُلَيْمَانُ إِذْ دَانَ الشُّعُوبُ لَهُ … وَالْجِنُّ وَالإِنْسُ يَجْرِي بَيْنَهَا الْبَرَدُلَقَدْ نَصَحْتُ لأَقْوَامٍ وَقُلْتُ لَهُمْ … أَنَا النَّذِيرُ فَلا يَغْرُرْكُمْ أَحَدُلا تَعْبُدُنَّ إِلَهًا غَيْرَ خَالِقِكُمْ … وَإِنْ دُعِيتُمْ فَقُولُوا بَيْنَنَا جُدَدُسُبْحَانَهُ ثُمَّ سُبْحَانًا يَعُودُ لَهُ … رَبُّ السَّمَاءِ إِلَهٌ وَاحِدٌ أَحَدُ"
১৮ - আমাদের নিকট আবু খলিফা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব, সুলায়মান ইবনে হারব এবং ইবনুল আইশাহ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে যাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হাযিম থেকে, তিনি সুলায়মান ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) যাজনান উপত্যকা অতিক্রম করছিলেন। যখন তিনি তাঁর সাথে থাকা মানুষের আধিক্য দেখলেন, তখন তিনি বললেন: "হে লোকসকল, তোমরা ধীরস্থির হও, আমি নিজেকে এই উপত্যকায় দেখেছি যখন আমি খাত্তাবের উট চরাতাম। সে যেমনটি আমি জানতাম, অত্যন্ত কঠোর ও রূঢ় ছিল। আমার মা আমাকে তাঁর পরনের কাপড়ের একাংশ পরিয়ে দিতেন এবং খাবার হিসেবে শুকনো চর্বি দিতেন। আহ, কী প্রাচুর্যের সময় ছিল! এরপর আমি মানুষের খলীফা হয়েছি, মহান আল্লাহ ব্যতীত আমার উপরে আর কেউ নেই। আমি খাত্তাবের গাধার পিঠে করে লাকড়ি বহন করতাম, সেগুলো আমার বুকের সাথে ঠেস দিয়ে রাখতাম এবং তাতে আমি প্রচণ্ড পরিশ্রম ও কষ্ট পেতাম।" এরপর তিনি কাব্য আবৃত্তি করতে শুরু করলেন:তুমি যা কিছু দেখছো তার বাহ্যিক সৌন্দর্য ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই … একমাত্র উপাস্যই চিরকাল থাকবেন, আর সম্পদ ও সন্তানাদি ধ্বংস হয়ে যাবে।হরমজকে তার ধনভাণ্ডার কোনো একদিন বাঁচাতে পারেনি … আর আদ জাতি অমর হতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা অমর হতে পারেনি।না সুলায়মান (অমর হতে পেরেছিলেন), যখন জাতিসমূহ তাঁর অনুগত ছিল … আর জিন ও ইনসান, যাদের মধ্যে দ্রুতগতিসম্পন্ন সংবাদবাহক চলাচল করত।আমি জাতিসমূহকে উপদেশ দিয়েছি এবং তাদের বলেছি … আমি একজন সতর্ককারী, সুতরাং কেউ যেন তোমাদের প্রবঞ্চিত না করে।তোমাদের স্রষ্টা ছাড়া অন্য কোনো উপাস্যের ইবাদত করো না … আর যদি তোমাদের (অন্য পথে) ডাকা হয়, তবে বলো আমাদের মাঝে ব্যবধান রয়েছে।তিনি পবিত্র, আবারও সকল পবিত্রতা তাঁরই তরে … আসমানের প্রতিপালক, অদ্বিতীয় একমাত্র উপাস্য।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا هَيْثَمُ بْنُ خَلَفٍ الدُّورِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ وَاصِلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَسَدِيُّ، عَنِ الْفَضْلِ بِنْ دَلْهَمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: " لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاثَةً: رَجُلا أَمَّ قَوْمًا وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ، وَامْرَأَةً بَاتَتْ وَزَوْجُهَا عَلَيْهَا سَاخِطٌ، وَرَجُلا سَمِعَ حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ فَلَمْ يُجِبْ "أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْخَطَّابِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ: كَانَ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ يَخْرُجُ بِاللَّيْلِ فَيَحْمِلُ جِرَابًا فِيهِ خُبْزٌ، فَيَتَصَدَّقُ بِهِ، وَيَقُولُ: إِنَّ الصَّدَقَةَ بِاللَّيْلِ تُطْفِئُ غَضَبَ اللَّهِ عز وجل.
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হায়সাম ইবনে খালাফ আদ-দুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আ’লা ইবনে ওয়াসিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে কাসিম আল-আসাদি, তিনি ফাদল ইবনে দালহাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হাসান (বসরি)-কে বলতে শুনেছি, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: " রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন: এমন এক ব্যক্তি যে কোনো সম্প্রদায়ের ইমামতি করে অথচ তারা তাকে অপছন্দ করে, এবং এমন এক নারী যে রাত অতিবাহিত করে অথচ তার স্বামী তার ওপর অসন্তুষ্ট থাকে, আর এমন এক ব্যক্তি যে ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ (সাফল্যের দিকে এসো) শুনেও তাতে সাড়া দেয় না।"আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-খাত্তাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল মালিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উয়াইনাহ, তিনি বলেন: আলী ইবনে হুসাইন রাতে বের হতেন এবং পিঠে রুটিভর্তি একটি থলে বহন করতেন ও তা সদকা করে দিতেন; আর তিনি বলতেন: নিশ্চয়ই রাতের সদকা মহান আল্লাহর ক্রোধ নির্বাপিত করে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ.فَقِيلَ: هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ»
২০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলীফা আল-ফাদল ইবনুল হুবাব আল-জুমাহী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল।অতঃপর বলা হলো: এই ইবনে খাতাল কাবার পর্দা আঁকড়ে ধরে আছে। তখন তিনি বললেন: "তাকে হত্যা করো।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ زَنْجَوَيْهِ بْنِ مُوسَى الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا»
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জানজাওয়াইহ ইবনে মুসা আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-উসমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমাদের সাথে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ الْمُقْرِئُ، فِي مَسْجِدِ الْحَرَامِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذُكِرَ عِنْدَهُ رَمَضَانُ، فَقَالَ: «لا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلالَ، وَلا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدِرُوا لَهُ»حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ، فلا تصوموا حتى تروه، ولا تفطروا حتى تروه ".
২২ - মুহাম্মদ বিন তাহির আল-মুকরি মাসজিদুল হারামে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুসআব আহমদ বিন আবু বকর আজ-জুহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রমজানের কথা উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন: “তোমরা নতুন চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রেখো না এবং তা (চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত রোজা ভঙ্গ করো না। আর যদি মেঘের কারণে তা তোমাদের নিকট আচ্ছন্ন থাকে, তবে তার হিসাব করো।”মুহাম্মদ বিন তাহির আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়, সুতরাং তোমরা তা না দেখা পর্যন্ত রোজা রেখো না এবং তা না দেখা পর্যন্ত রোজা ভঙ্গ করো না।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «نَهَى عَنِ النَّجْشِ»
২৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন তাহির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মুসআব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «নাজাশ (পণ্য ক্রয় ব্যতীত কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো) থেকে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «يَضْحَكُ اللَّهُ تبارك وتعالى إِلَى رَجُلَيْنِ يَقْتُلُ أَحَدُهُمَا الآخَرَ، كِلاهُمَا فِي الْجَنَّةِ، يُقَاتِلُ هَذَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلُ، ثُمَّ يَتُوبُ اللَّهُ عز وجل عَلَى الآخَرِ فَيُقْتَلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»
২৪ - মুহাম্মদ ইবনে তাহের আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুসআব আমাদের মালিক থেকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা এমন দুই ব্যক্তির প্রতি হাসেন যাদের একজন অন্যজনকে হত্যা করে, অথচ তারা উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই ব্যক্তি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে এবং নিহত হয়, অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা অপর ব্যক্তির তাওবা কবুল করেন এবং সেও আল্লাহর পথে নিহত হয়।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ الْجَوَالِيقِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ.أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِي مِكْيَالِهِمْ وَصَاعِهِمْ» .يَعْنِي الْمَدِينَةَ
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান বিন আহমদ আল-জাওয়ালিকী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আবী বকর আয-যুহরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «হে আল্লাহ! আপনি তাদের জন্য তাদের মিকয়াল (পরিমাপক) এবং সা’ (পরিমাপের পাত্র) -এ বরকত দান করুন»।অর্থাৎ মদীনা।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى ، وَمُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهَدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: أَذِنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِي، فَقَالَ: «يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّكَ غَرِيبٌ، وَكُنْ كَعَابِرِ سَبِيلٍ، وَاعْدُدْ نَفْسَكَ فِي الْقُبُورِ» .ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيَّ ابْنُ عُمَرَ، فَقَالَ: يَا مُجَاهِدُ إِذَا أَصْبَحْتَ فَلا تُحَدِّثْ بِالْمَسَاءِ، فَإِذَا أَمْسَيْتَ فَلا تُحَدِّثْ نَفْسَكَ بِالصَّبَاحِ، وَخُذْ مِنْ صِحَّتِكَ لِسَقَمِكَ، وَمِنْ حَيَاتِكَ قَبْلَ مَمَاتِكَ؛ فَإِنَّكَ لا تَدْرِي مَا اسْمُكَ
২৬ - যাকারিয়্যা ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুসা এবং মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন: «হে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, দুনিয়াতে এমনভাবে থাকো যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা একজন পথচারী, আর নিজেকে কবরের অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করো।» অতঃপর ইবনে উমর আমার দিকে মুখ করে বললেন: হে মুজাহিদ, যখন তুমি ভোরে উপনীত হবে তখন সন্ধ্যার প্রতীক্ষা করো না, আর যখন সন্ধ্যায় উপনীত হবে তখন ভোরের প্রতীক্ষা করো না; তোমার সুস্থতাকে তোমার অসুস্থতার জন্য এবং তোমার জীবনকে তোমার মৃত্যুর জন্য কাজে লাগাও; কেননা তুমি জানো না আগামীকাল তোমার নাম কী হবে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى احْتَجَزَ التَّوْبَةَ عَلَى صَاحِبِ كُلِّ بِدْعَةٍ»
২৭ - আমাদের নিকট জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হারুন ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু দামরাহ বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ প্রত্যেক বিদআতির জন্য তাওবাহর পথ রুদ্ধ করে রেখেছেন»
(খণ্ড: ১)
মজলিসানি লি-আবি বকর আল-আনবারি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ مَرْزُوقٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي حَسَّانٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَمَرَ الْمُؤْمِنِينَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِينَ، فَقَالَ: {يَأَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا} [المؤمنون: 51] .وَقَالَ: {كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ} [البقرة: 127] .ذَكَرَ الرَّجُلَ فَيُطِيلُ السَّفَرَ، يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ: يَا رَبِّ، يَا رَبِّ، يَا رَبِّ، أَشْعَثُ أَغْبَرُ، مَطْعَمُهُ حَرَامٌ، وَمَلْبَسُهُ حَرَامٌ، وَغُذِّيَ بِالْحَرَامِ، فَأَنَّى يُسْتَجَابُ لَهُ "
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল জাব্বার আস-সুফি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন আল-জাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ফুযাইল বিন মারযুক, আদি বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু হাসান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: " নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ মুমিনদের সেই বিষয়েরই আদেশ দিয়েছেন যা তিনি রাসূলগণকে আদেশ করেছিলেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: {হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তুসমূহ হতে আহার করো এবং সৎকর্ম করো} [আল-মুমিনুন: ৫১] ।এবং তিনি বলেছেন: {তোমরা সেই পবিত্র বস্তুসমূহ হতে আহার করো যা আমি তোমাদের রিযিক হিসেবে দিয়েছি} [আল-বাকারা: ১২৭] ।অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন যে দীর্ঘ সফর করে, যার চুল উস্কোখুস্কো ও ধূলিমলিন, সে আকাশের দিকে নিজের দুই হাত প্রসারিত করে ডাকছে: হে আমার রব, হে আমার রব, হে আমার রব; অথচ তার আহার হারাম, তার পোশাক হারাম এবং সে হারামে পুষ্ট হয়েছে, এমতাবস্থায় কীভাবে তার দোয়া কবুল করা হবে?"