(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: -)
حديث بشر بن مطر   (بشر بن مطر الدقاق)

القسم: كتب السنة


الكتاب: حديث بشر بن مطر

المؤلف: بشر بن مطر بن ثابت أبو أحمد الدقاق الواسطي (ت 262هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 47

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বিশর বিন মাতার-এর হাদিস   (বিশর বিন মাতার আদ-দাক্কাক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: বিশর বিন মাতার-এর হাদিস

লেখক: বিশর বিন মাতার বিন সাবিত আবু আহমদ আদ-দাক্কাক আল-ওয়াসিতি (মৃত্যু ২৬২ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অন্তর্ভুক্ত ‘জাওয়ামিউল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৭

শামেলার প্রকাশকাল: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الثَّالِثُ مِنْ حَدِيثِ بِشْرِ بْنِ مَطَرٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْهِلالِيِّ، وَعَنْ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي أَحْمَدَ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَرَضِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيِّ، عَنْ بِشْرٍ ، نا رَوْحٌ بِهِ ، عَنْ أَبِي أَحْمَدَ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَقْدِسِيُّ.

بسم الله الرحمن الرحيم
বিশর ইবনে মাতার বর্ণিত সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আবু আবদুল্লাহ আল-হিলালি এবং ওয়াকি ইবনে আল-জাররাহ-এর হাদীস সম্বলিত তৃতীয় অংশ।

শাইখ আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারাযীর বর্ণনা, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ আস-সাইরাফি থেকে, তিনি বিশর থেকে, আমাদের নিকট রাওহ এটি বর্ণনা করেছেন, আবু আহমদ থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আহমদ ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মাকদিসি।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২)
1 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْمُسَابِ الْمَقْدِسِيِّ، بِمَسْجِدِ رُوَيْمٍ الْكَبِيرِ نَهْرَ الْقَلايِّينَ غَرْبِيِّ مَدِينَةِ السَّلامِ، يَوْمَ الثُّلاثَاءِ الثَّالِثِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ سَبْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَقُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فِي جُمَادَى الأُولَى مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَسَبْعِينَ، قُلْتُ لَهُ وَقِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَضِيِّ الْمُقْرِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّهُ قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ الْمَطِيرِيُّ ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَطَرٍ أَبُو أَحْمَدَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ سُبَيْعَةَ‌‌ وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِعِشْرِينَ يَوْمًا أَوْ بِشَهْرٍ، فَقَالَ لَهَا أَبُو السَّنَابِلِ بْنُ بَعْكَكٍ: قَدْ تَصَنَّعْتِ لا حَتَّى تَنْقَضِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «كَذَبَ حَلَلْتِ فَانْكِحِي مَنْ شِئْتِ»
১ - আমি আবু মুহাম্মদ আহমাদ বিন আলী বিন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আমর বিন মুসাব আল-মাকদিসীর নিকট পাঠ করেছি, মদিনাতুস সালামের পশ্চিমে নাহরুল কাল্লায়্যিন নামক স্থানে অবস্থিত রুওয়াইম আল-কাবীর মসজিদে, চারশত সত্তর হিজরি সনের রমজান মাসের তিন তারিখ মঙ্গলবারে; এবং চারশত একাত্তর হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। আমি তাকে বলেছি এবং তাকে বলা হয়েছে যে, আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ফরাযী আল-মুকরি তাঁর নিকট পাঠকালে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আহমাদ আস-সাইরাফি আল-মাতীরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন মাতার আবু আহমাদ আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, সুবাইয়াহ তার স্বামীর মৃত্যুর বিশ দিন বা এক মাস পর সন্তান প্রসব করেন। অতঃপর আবু সানাবিল বিন বাককাক তাকে বললেন: তুমি তো সজ্জা গ্রহণ করেছ, না (তা হতে পারে না), যতক্ষণ না চার মাস দশ দিন অতিবাহিত হয়। তিনি বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন: "সে ভুল বলেছে; তুমি হালাল হয়ে গেছ, সুতরাং তুমি যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পারো।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«إِذَا رَأَيْتُمُ الْجَنَازَةَ فَقُومُوا حَتَّى تُخَلِّفَكُمْ أَوْ تُوضَعَ»
২ - যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমির ইবনে রাবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, যিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন: «যখন তোমরা জানাযা দেখবে তখন দাঁড়িয়ে যাবে যতক্ষণ না তা তোমাদের অতিক্রম করে যায় অথবা তা রাখা হয়»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا مَعَ عَلِيٍّ ،‌‌ فَمَرَّتْ بِنَا جَنَازَةٌ ، فَقَامُوا لَهَا ، فَقَالَ عَلِيٌّ: «مَا هَذَا؟» قُلْنَا: هَذَا أَمْرُ أَبِي مُوسَى، فَقَالَ: «إِنَّمَا قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَرَّةً ثُمَّ لَمْ يُعِدْ»
৩ - ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু মামার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আলীর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, অতঃপর আমাদের পাশ দিয়ে একটি জানাজা অতিক্রম করল এবং লোকজন সেটির জন্য দাঁড়িয়ে গেল। তখন আলী বললেন: «এটি কী?» আমরা বললাম: এটি আবু মুসার নির্দেশ। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল একবারই দাঁড়িয়েছিলেন অতঃপর তিনি আর তা পুনরায় করেননি»।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ وَهْبٍ أَرَاهُ ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنَ قَارِبٍ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ أَبِي عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ‌‌«يَرْحَمُ اللَّهُ الْمُحَلِّقِينَ» .

وَقَالَ بِيَدِهِ هَكَذَا وَبَسَطَهَا، قَالُوا: " يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالْمُقَصِّرِينَ ، قَالَ:
وَالْمُقَصِّرِينَ ".

وَقَالَ بِيَدِهِ هَكَذَا
৪ - ইবরাহীম ইবন মাইসারা থেকে বর্ণিত, ওয়াহাব থেকে বর্ণিত—যাকে তিনি আবদুল্লাহ ইবন কারিবের পুত্র বলে মনে করেন—তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি বললেন: «আল্লাহ মাথা মুণ্ডনকারীদের উপর রহম করুন»।

এবং তিনি তাঁর হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন এবং তা প্রসারিত করলেন। তারা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! এবং যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও (দোয়া করুন)?" তিনি বললেন:
এবং যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও"।

এবং তিনি তাঁর হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ " ‌‌{فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ} [الواقعة: 55] .

قَالَ: هِيَ هَيَامُ الأَرْضِ "
5 - সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমর ইবন দীনার থেকে, আর তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন: " ‌{অতঃপর তোমরা পান করবে পিপাসার্ত উটের পানের ন্যায়} [আল-ওয়াকিয়া: ৫৫] .

তিনি বলেন: "তা হলো যমীনের অত্যন্ত পিপাসার্ত বালু।" "
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَجُلا مِنَ الأَنْصَارِ يُحَدِّثُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَاكَ ، يَقُولُ:‌‌ إِذَا وَضَعَتْ الْمُتَوَفَّى عنها زوجها ما في بطنها وزوجها على السرير فقد حلت
৬ - যুহরী হতে বর্ণিত, সালিম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আনসারদের জনৈক ব্যক্তিকে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি তোমার পিতাকে বলতে শুনেছি: যদি বিধবা নারী তার গর্ভস্থ সন্তান প্রসব করে দেয় এমতাবস্থায় যে তার স্বামী খাটিয়ার উপরেই রয়েছে, তবে সে হালাল হয়ে গেল।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - عن عمرو، عَنْ يَحْيَى بْنِ جَعْدَةَ ، قَالَ: عَادَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَبَّابَ بْنَ الأَرَتِّ، فَقَالُوا لَهُ: أَبْشِرْ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ تَرِدُ عَلَى مُحَمَّدٍ الْحَوْضَ.

فَقَالَ: كَيْفَ بِهَذَا وَبِهَذَا.

وَأَشَارَ إِلَى أَسْفَلِ الْبَيْتِ وَأَعْلاهُ ، وَقَدْ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا‌‌ يَكْفِي أَحَدَكُمْ مِنَ الدُّنْيَا مِثْلُ زَادِ الرَّاكِبِ»
৭ - আমর থেকে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবনে জাদা বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একদল সাহাবী খাব্বাব ইবনুল আরাত-কে দেখতে গেলেন। তাঁরা তাঁকে বললেন: "হে আবু আব্দুল্লাহ, সুসংবাদ গ্রহণ করুন; আপনি হাওয-এ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হবেন।"

তিনি বললেন: "এই যে এটা এবং সেটার (সম্পদের) উপস্থিতিতে তা কীভাবে সম্ভব?"

একথা বলে তিনি তাঁর গৃহের নিম্নভাগ ও উচ্চভাগের দিকে ইঙ্গিত করলেন। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছিলেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেকের জন্য দুনিয়া থেকে কেবল একজন আরোহীর পাথেয় পরিমাণই যথেষ্ট।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ: عَادَ خَبَّابًا بَقَايَا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَكَانَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ، وَكَانَ مِمَّنْ يُعَذَّبُ فِي اللَّهِ، فَقَالُوا: أَبْشِرْ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ تَرِدُ عَلَى أَصْحَابِكَ.

فَقَالَ: ‌‌«ذَكَّرْتُمُونِي أَقْوَامًا وَسَمَّيْتُمُوهُمْ لِي إِخْوَانًا، مَضَوْا وَلَمْ يَأْكُلُوا مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا ، وَإِنَّا بَقِينَا بَعْدَهُمْ حَتَّى نِلْنَا مِنَ الدُّنْيَا ، وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يَكُونَ مَا نِلْنَا مِنْهَا ثَوَابَ الرَّائِي. . . . . عَمَّا رَآهُ»
8 - মিসআর হতে বর্ণিত, কায়িস ইবনে মুসলিম হতে, তিনি তারিক ইবনে শিহাব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবশিষ্ট সাহাবীগণ খাব্বাবকে দেখতে আসলেন। তিনি মুহাজিরগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং আল্লাহর পথে নির্যাতিত ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। তারা বললেন: "হে আবু আব্দুল্লাহ, সুসংবাদ গ্রহণ করুন, আপনি আপনার সঙ্গীদের সাথে মিলিত হতে যাচ্ছেন।"

তিনি বললেন: ‌‌"তোমরা আমাকে এমন এক সম্প্রদায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিলে এবং তাদের আমার ভাই হিসেবে অভিহিত করলে, যারা গত হয়ে গেছেন এবং তাদের প্রতিদান থেকে দুনিয়াতে কিছুই ভোগ করেননি। আর আমরা তাদের পরে অবশিষ্ট রয়ে গেছি এমনকি আমরা দুনিয়া থেকে অনেক কিছু লাভ করেছি। আর আমরা ভয় পাচ্ছি যে, দুনিয়া থেকে আমরা যা লাভ করেছি তা যেন (পরকালের পরিবর্তে) দ্রষ্টার তাৎক্ষণিক প্রতিদান না হয়ে যায়।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ ، قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى خَبَّابٍ نَعُودُهُ ، فَقَالَ: ‌‌«إِنَّا هَاجَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ نَبْتَغِي وَجْهَ اللَّهِ فَوَقَعَ أَجْرُنَا عَلَى اللَّهِ ، فَمِنَّا مَنْ مَضَى لَمْ يَأْكُلْ مِنْ حَسَنَاتِهِ شَيْئًا بَيْنَهُمْ مُصْعَبُ بْنُ عُمَيْرٍ، قُتِلَ يَوْمَ أُحُدٍ وَتَرَكَ بُرْدَهُ فَكُنَّا إِذَا جَعَلْنَاهَا عَلَى رِجْلَيْهِ بَدَا رَأْسُهُ وَإِذَا جَعَلْنَاهَا عَلَى رَأْسِهِ بَدَتْ رِجْلاهُ، فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ أَنْ نَجْعَلَهَا عَلَى رَأْسِهِ ، وَأَنْ نَجْعَلَ عَلَى رِجْلَيْهِ شَيْئًا مِنَ الإِذْخِرِ، وَمِنَّا مَنْ أَيْنَعَتْ لَهُ ثَمَرَتُهُ فَهُوَ يُهَذِّبُهَا»
9 - আমশ হতে, আবু ওয়ায়িল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা খাব্বাবকে দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি বললেন: «আমরা আল্লাহর চেহারা অন্বেষণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হিজরত করেছি, ফলে আমাদের পুরস্কার আল্লাহর জিম্মায় সাব্যস্ত হয়েছে। আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও ছিলেন যিনি গত হয়েছেন এবং (দুনিয়াতে নেক আমলের প্রতিদানের) কিছুই ভোগ করেননি। তাঁদের একজন মুসআব ইবন উমায়ের, তিনি উহুদ যুদ্ধের দিন শহীদ হন এবং কেবল একটি চাদর রেখে যান। আমরা যখন তা তাঁর দুই পায়ের ওপর ঢাকতাম তখন তাঁর মাথা বের হয়ে যেত, আর যখন তা তাঁর মাথার ওপর ঢাকতাম তখন তাঁর দুই পা বের হয়ে যেত। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিলেন যেন আমরা সেটি তাঁর মাথার ওপর দিই এবং তাঁর দুই পায়ের ওপর কিছু ইযখির ঘাস বিছিয়ে দিই। আর আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছেন যার ফল পরিপক্ক হয়েছে এবং সে তা আহরণ করছে।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى خَبَّابٍ نَعُودُهُ ، فَقَالَ لَنَا وَقَدِ اكْتَوَى فِي بَطْنِهِ سَبْعًا ، فَقَالَ: «لَوْلا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ نَهَانَا أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ لَدَعَوْتُ بِهِ»
১০ - ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে বর্ণিত, কায়েস ইবনে আবি হাযিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা খাব্বাবকে দেখতে তাঁর নিকট গেলাম। এমতাবস্থায় যে তাঁর পেটে সাতবার আগুনের সেঁক দেওয়া হয়েছিল, তিনি আমাদের বললেন: «যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‌‌ আমাদের মৃত্যুর জন্য দুআ করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি অবশ্যই মৃত্যুর দুআ করতাম।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - ثُمَّ ذَكَرَ مَنْ مَضَى مِنْ أَصْحَابِهِ ، «أَنَّهُمْ مَضَوْا وَلَمْ يَأْكُلُوا مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا ، وَإِنَّا بَقِينَا بَعْدَهُمْ حَتَّى نِلْنَا مِنَ الدُّنْيَا مَا لا يَدْرِي أَحَدُنَا مَا يَصْنَعُ بِهِ إِلا أَنْ يُنْفِقَهُ فِي التُّرَابِ» .

قَالَ: ‌‌«الْمُسْلِمُ لَيُؤْجَرُ فِي كُلِّ شَيْءٍ إِلا مَا أَنْفَقَهُ فِي التُّرَابِ»
১১ - অতঃপর তিনি তাঁর গত হওয়া সাথীদের কথা উল্লেখ করলেন যে, «তাঁরা চলে গিয়েছেন এবং তাঁদের প্রতিদানের কিছুই (দুনিয়াতে) ভোগ করেননি। আর আমরা তাঁদের পরে রয়ে গিয়েছি, এমনকি আমরা দুনিয়া থেকে এমন প্রাচুর্য লাভ করেছি যে আমাদের কেউ জানে না তা দিয়ে কী করবে, কেবল মাটি (নির্মাণকাজ) এর পিছনে ব্যয় করা ছাড়া।»

তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই মুসলিমকে প্রতিটি বিষয়ের জন্যই সওয়াব প্রদান করা হয়, কেবল যা সে মাটির (নির্মাণকাজ) পিছনে ব্যয় করে তা ব্যতীত।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - عَنْ إِدْرِيسَ الأَوْدِيِّ، عَنْ رَجُلٍ، قَالَ: عَادُوا خَبَّابًا، فَقَالَ: «إِنَّ‌‌ فِي هَذَا الصُّنْدُوقِ لَخَمْسِينَ أَلْفًا مَا رَبَطَهَا بِرِبَاطٍ فَلا مَنَعْتُهَا سَائِلا»

عَنْ رُزَيْقِ بْنِ حَكِيمٍ، قَالَ: كَتَبْتُ إِلَى
عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَسْأَلُهُ عَنْ عَبْدٍ أَبَقَ وَسَرَقَ ، فكتب إلي إن الله يَقُولُ: {وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا جَزَاءً بِمَا كَسَبَا} [المائدة: 38] .

وَإِنْ سَرَقَ سَرِقَةً تَبْلُغُ رُبْعَ دِينَارٍ وَقَامَتْ عَلَيْهِ الْبَيِّنَةُ الْعَادِلَةُ فَاقْطَعْهُ
১২ - ইদ্রিস আল-আউদি থেকে বর্ণিত, একজন ব্যক্তি হতে, তিনি বলেন: তারা খাব্বাবকে দেখতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এই সিন্দুকে পঞ্চাশ হাজার (মুদ্রা) রয়েছে যা আমি কোনো বন্ধনী দিয়ে বাঁধিনি এবং কোনো যাঞ্চাকারীকে তা থেকে ফিরিয়ে দিইনি।

রুজাইক ইবনে হাকিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি চিঠি লিখেছিলাম
উমর ইবনে আবদুল আজিজের নিকট, তাঁর কাছে এমন এক গোলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে যে পালিয়ে গিয়েছিল এবং চুরি করেছিল। তিনি আমাকে লিখে পাঠালেন যে, আল্লাহ তাআলা বলেন: {আর চোর ও চোরনী, তোমরা তাদের হাত কেটে দাও তাদের উপার্জনের প্রতিফল স্বরূপ} [আল-মায়িদা: ৩৮]।

আর যদি সে এমন কিছু চুরি করে যার মূল্য এক চতুর্থাংশ দিনার পর্যন্ত পৌঁছায় এবং তার বিরুদ্ধে ন্যায়নিষ্ঠ প্রমাণাদি উপস্থাপিত হয়, তবে তার হাত কেটে দাও।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ، قَالَ:‌‌ ثَلاثَةٌ لا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلا يُزَكِّيهِمْ وَلا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ: رَجُلٌ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ عَلَى مَالِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ بَعْدَ الْعَصْرِ فَاقْتَطَعَهُ، وَرَجُلٌ حَلَفَ لَقَدْ أَعْطَى بِسِلْعَةٍ أَكْثَرَ مِمَّا أَعْطَى بِهَا وَهُوَ كَاذِبٌ، وَرَجُلٌ مَنَعَ فَضْلَ مَاءٍ ، فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل يَقْولُ: «الْيَوْمَ أَمْنَعُكَ فَضْلِي كَمَا مَنَعْتَ فَضْلَ مَا لَمْ تَعْمَلْ يَدَاكَ»
১৩ - আমর ইবনে দীনার থেকে বর্ণিত, আবু সালিহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: তিন শ্রেণীর ব্যক্তি এমন রয়েছে কিয়ামতের দিন আল্লাহ যাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না: ওই ব্যক্তি যে আসরের পর কোনো মুসলিম ব্যক্তির সম্পদের ব্যাপারে মিথ্যা শপথ করে তা আত্মসাৎ করল, এবং ওই ব্যক্তি যে মিথ্যা শপথ করল যে সে কোনো পণ্যের জন্য যা প্রদান করেছে তার চেয়ে বেশি তাকে দেওয়া হয়েছে অথচ সে মিথ্যাবাদী, এবং ওই ব্যক্তি যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি আটকে রাখল। তখন আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলবেন: «আজ আমি তোমাকে আমার অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত করব ঠিক যেমন তুমি ওই জিনিসের অতিরিক্ত অংশ আটকে দিয়েছিলে যা তোমার দুই হাত তৈরি করেনি»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: ‌‌«إِنَّا قَافِلُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ» .

فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ ، فَقَالُوا: أَنَقْفِلُ وَلَمْ نَفْتَحْهَا.

وَكَانُوا
مُحَاصِرِينَ الطَّائِفَ ، فَقَالَ النَّبِيُّ: «اغْدُوا عَلَى الْقِتَالِ» .

فَغَدَوْا فَأَصَابَتْهُمْ جِرَاحَاتٌ ، فَقَالَ النَّبِيُّ: «إِنَّا قَافِلُونَ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ» .

فَأَعْجَبَهُمْ ذَلِكَ، فَضَحِكَ النَّبِيُّ
১৪ - আমর থেকে, ইবনুল আব্বাস থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «আল্লাহ চাইলে আগামীকাল আমরা প্রত্যাবর্তন করব»।

এটি মুসলিমদের নিকট কষ্টকর মনে হলো, তারা বললেন: আমরা কি ফিরে যাব অথচ আমরা তা জয় করতে পারিনি?

তারা
তায়েফ অবরোধ করে রেখেছিলেন। অতঃপর নবী বললেন: «সকালে যুদ্ধের জন্য বের হও»।

তারা সকালে যুদ্ধে গেলেন এবং তারা জখম হলেন। তখন নবী বললেন: «আল্লাহ চাইলে আগামীকাল আমরা প্রত্যাবর্তন করব»।

এটি তাদের আনন্দিত করল, তখন নবী হাসলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، أَنّ النَّبِيَّ كَانَ مُعْتَكِفًا فَأَتَتْهُ صَفِيَّةُ فَلَمَّا ذَهَبَتْ تَرْجِعُ مَشَى مَعَهَا فَأَبْصَرَهُ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَدَعَاهُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «إِنَّهَا صَفِيَّةُ، وَإِنَّ‌‌ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنَ الإِنْسَانِ مَجْرَى الدَّمِ»
১৫ - জুহরী থেকে বর্ণিত, আলী ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফরত ছিলেন। তখন সাফিয়্যাহ তাঁর নিকট আসলেন, অতঃপর তিনি যখন ফিরে যেতে চাইলেন, তখন তিনি তাঁর সাথে পথ চললেন। এমতাবস্থায় আনসারদের একজন লোক তাঁকে দেখে ফেললে তিনি তাঁকে ডাকলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তিনি সাফিয়্যাহ; আর নিশ্চয়ই‌‌ শয়তান মানুষের মধ্যে রক্তের ন্যায় প্রবাহিত হয়।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - عَنْ عَمَّارٍ الذَّهَبِيِّ، عَنْ أَبِي شُعْبَةَ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ ، أَنَّ الْحَسَنَ، وَالْحُسَيْنَ أحدهما أو كلاهما‌‌ طافا بعد العصر وصليا
১৬ - আম্মার আয-যাহাবী থেকে, আবু শু'বাহ থেকে বর্ণিত—ইনশাআল্লাহ—যে হাসান এবং হুসাইন, তাঁদের একজন অথবা তাঁরা উভয়ই আসরের পর তাওয়াফ করেছেন এবং সালাত আদায় করেছেন
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - عن إبراهيم بن عقبة، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، أَنَّ النَّبِيَّ‌‌ أَرْدَفَهُ مِنْ عَرَفَةَ فَلَمَّا أَتَيَا الشِّعْبَ نَزَلَ فَبَالَ ، وَلَمْ يَقُلْ: أَهْرَاقَ الْمَاءَ ، فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ مِنْ إِدَاوَةٍ فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا خَفِيفًا ، فَقُلْتُ لَهُ: الصَّلاةَ، فَقَالَ: «الصَّلاةُ أَمَامَكَ» .

فَلَمَّا أَتَى الْمُزْدَلِفَةَ صَلَّى الْمَغْرِبَ ، ثُمَّ حَلُّوا رِحَالَهُمْ ، ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ
১৭ - ইব্রাহিম বিন উকবাহ হতে বর্ণিত, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উসামা বিন যায়দ আমাকে অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আরাফাত থেকে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। যখন তাঁরা গিরিপথে পৌঁছালেন, তিনি সওয়ারি থেকে নামলেন এবং প্রস্রাব করলেন—আর বর্ণনাকারী 'তিনি পানি ঢাললেন' (রূপক শব্দ) বলেননি। তখন আমি একটি চামড়ার পাত্র থেকে তাঁর ওপর পানি ঢাললাম এবং তিনি অজু করলেন হালকাভাবে। আমি তাঁকে বললাম: সালাত (এর সময় হয়েছে)? তিনি বললেন: "সালাত তোমার সামনে।"

অতঃপর যখন তিনি মুজদালিফায় পৌঁছালেন, তখন মাগরিবের সালাত আদায় করলেন, এরপর তাঁরা তাঁদের সওয়ারির আসবাবপত্র নামালেন, তারপর তিনি এশার সালাত আদায় করলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ كَانَ‌‌ يَكْرَهُ أَنْ يَقُولَ الرَّجُلُ: أَهْرَقْتُ الْمَاءَ ، وَلَكِنْ يَقُولُ: بُلْتُ
১৮ - ইবনে জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি অপছন্দ করতেন যে কোনো ব্যক্তি বলবে: 'আমি পানি ঢেলেছি', বরং সে যেন বলে: 'আমি প্রস্রাব করেছি।'
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - عَنْ عَبَدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ شَقِيقَ بْنَ سَلَمَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الصَّبِيَّ بْنَ مَعْبَدٍ ، يَقُولُ: كُنْتُ رَجُلا نَصْرَانِيًّا فَأَسْلَمْتُ ، فَأَهْلَلْتُ بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَسَمِعَنِي سَلْمَانُ بْنُ رَبِيعَةَ ، وَزَيْدُ بْنُ صَوْحَانَ ،‌‌ وَأَنَا أُهِلُّ بِهِمَا بِالْفَارِسِيَّةِ ، فَقَالا: لَهَذَا أَضَلُّ مِنْ بَعِيرِ أَهْلِهِ.

فَكَأَنَّمَا حُمِلَ عَلَيَّ بِكَلِمَتِهِمَا جَبَلٌ ، حَتَّى لَقِيتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ ، فَقَالَ: «هُدِيتَ لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ»
১৯ - আবদাহ ইবন আবী লুবাবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু ওয়াইল শাকীক ইবন সালামাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সাবী ইবন মাবাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি একজন খ্রিস্টান ব্যক্তি ছিলাম, অতঃপর আমি ইসলাম গ্রহণ করি। এরপর আমি হজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ পাঠ করি। তখন সালমান ইবন রাবিআহ এবং যায়িদ ইবন সাওহান আমাকে শুনতে পেলেন, এমতাবস্থায় যে আমি পারস্য ভাষায় সেই দুটোর তালবিয়াহ পাঠ করছিলাম। তখন তারা উভয়ে বললেন: এ ব্যক্তি তো তার পরিবারের উটের চেয়েও বেশি পথভ্রষ্ট।

তাদের এই কথার কারণে আমার ওপর যেন একটি পাহাড় চাপিয়ে দেওয়া হলো। অবশেষে আমি উমর ইবনুল খাত্তাবের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর নিকট বিষয়টি ব্যক্ত করলাম। তিনি বললেন: “তুমি তোমার নবীর সুন্নাহর দিকেই পরিচালিত হয়েছ।”
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ الْعَبَّاسِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ: قَالَ رَسوُلُ اللَّهِ: ‌‌«أَلَمْ أُخْبِرْ أَنَّكَ تَقُومُ اللَّيْلَ وَتَصُومُ النَّهَارَ» .

قُلْتُ: إِنِّي أَفْعَلُ ذَلِكَ
.

فَقَالَ: «إِنَّكَ إِنْ فَعَلْتَ ذَلِكَ هَجَمَتْ عَيْنَاكَ وَنَفِهَتْ نَفْسُكُ ، إِنَّ لِعَيْنِكَ حَقًّا وَلأَهْلِكَ حَقًّا وَلِنَفْسِكَ حَقًّا ، فَقُمْ وَنَمْ وَصُمْ وَأَفْطِرْ»
২০ - আমর হতে, তিনি ইবনুল আব্বাস হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি কি সংবাদ পাইনি যে, তুমি রাতে সালাত আদায় করো এবং দিনে সিয়াম পালন করো?"

আমি বললাম: "আমি তা করি।"

তখন তিনি বললেন: "তুমি যদি এমনটি করো তবে তোমার চোখ বসে যাবে এবং তোমার নফস ক্লান্ত হয়ে পড়বে। নিশ্চয়ই তোমার চোখের হক রয়েছে, তোমার পরিবারের হক রয়েছে এবং তোমার নফসের হক রয়েছে। অতএব তুমি (রাতে) সালাত আদায় করো ও নিদ্রা যাও এবং সিয়াম পালন করো ও সিয়াম ভঙ্গ করো।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، قَالَ: صَحِبْتُ ابْنَ عُمَرَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَمَا سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا ، قَالَ: النَّبِيُّ فَأُتِيَ بُجَمَّارٍ ، فَقَالَ: "‌‌ مِنَ الشَّجَرِ شَجَرَةٌ مِثْلُهَا مِثْلُ الرَّجُلِ الْمُسْلِمِ.

فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُولَ: هِيَ النَّخْلَةُ ، فَنَظَرْتُ فَلَمْ أَرَ فِي الْقَوْمِ أَصْغَرَ مِنِّي فَسَكَتُّ ، وَقَالَ عُبَيْدَةُ: إِنَّ عُمَرَ قَالَ: لَوَدِدْتُ أَنَّكَ قُلْتَهَا فَأَنْ تَكُونَ قُلْتَهَا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ كَذَا وَكَذَا
২১ - ইবনে আবি নাজিহ থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ হতে, তিনি বলেন: আমি মদিনা পর্যন্ত ইবনে উমরের সফরসঙ্গী ছিলাম, কিন্তু আমি তাঁকে আল্লাহর রাসূল থেকে একটি মাত্র হাদিস ব্যতীত আর কোনো হাদিস বর্ণনা করতে শুনিনি। তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট খেজুর গাছের মজ্জা আনা হলো। তখন তিনি বললেন: "‌‌বৃক্ষরাজির মধ্যে এমন একটি বৃক্ষ রয়েছে যার উপমা একজন মুসলিম ব্যক্তির উপমার মতো।

আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, সেটি হলো খেজুর গাছ; কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে আমি উপস্থিত মজলিসে সবার চেয়ে ছোট, তাই আমি চুপ থাকলাম। উবাইদাহ বলেন: উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছিলেন: আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল যদি তুমি তা বলতে! তোমার সেটি বলা আমার কাছে অমুক অমুক বস্তুর চেয়েও অধিক প্রিয় হতো।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، قَالَ: كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَبِيعُ الثَّمَرَةَ مِنْ عَبْدِهِ ، وَيَقُولُ: ‌‌«لَيْسَ بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ سَيِّدِهِ رِبًا»
২২ - আমর হতে, তিনি আবু মাবাদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস তাঁর দাসের নিকট ফল বিক্রয় করতেন এবং বলতেন: «দাস ও তার মনিবের মাঝে কোনো সুদ নেই»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ، قَالَ: ‌‌«مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلا كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ»
২৩ - যুহরি থেকে বর্ণিত, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি শিকারি কুকুর অথবা গবাদি পশু পাহারার কুকুর ব্যতীত অন্য কোনো কুকুর লালন-পালন করে, প্রতিদিন তার আমলনামা থেকে দুই কিরাত পরিমাণ নেকি হ্রাস পায়।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: ذَهَبْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ إِلَى بَنِي مُعَاوِيَةَ ، حَيٍّ مِنَ الأَنْصَارِ، فَنَبَحَتْ عَلَيْنَا كِلابٌ ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، يَقُولُ: ‌‌«مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلا كَلْبَ ضَارِيَةٍ أَوْ كَلْبَ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ»
২৪ - আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরের সাথে আনসারদের একটি গোত্র বনী মুয়াবিয়ার নিকট যাচ্ছিলাম। তখন কতগুলো কুকুর আমাদের দেখে ঘেউ ঘেউ করতে লাগল। তখন তিনি (ইবনে উমর) বললেন: আমি আল্লাহর রাসুলকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি শিকারি কুকুর অথবা গবাদি পশুর রক্ষণাবেক্ষণের কুকুর ব্যতীত অন্য কোনো কুকুর পালন করে, প্রতিদিন তার আমল থেকে দুই কিরাত পরিমাণ নেকি হ্রাস পায়।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ‌‌ كَرِهَ أَنْ يُصَلِّيَ إِلَى أَمْيَالٍ صَنَعَهَا مَرْوَانُ
২৫ - আইয়ুব থেকে, নাফে থেকে বর্ণিত যে, ইবনে উমর মারওয়ানের তৈরি করা মাইলের চিহ্নগুলোর দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা অপছন্দ করতেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أنا سُفْيَانُ، قَالَ: عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: مَرَّ ابْنُ عُمَرَ بِالْجُحْفَةِ ،‌‌ فَأَرَادَ أَنْ يُصَلِّيَ فِي الْمَسْجِدِ ، قَالَ: «أَفِيهِ قَذَرٌ» .

فَكَرِهَ أَنْ يُصَلِّيَ فَخَرَجَ إِلَى الصَّعِيدِ.

قَالَ سُفْيَانُ: مَوْضِعُ
الْبَعْرِ وَالشَّعَرِ وَمَرَابِضُ الْغَنَمِ فَصَلَّى فِيهِ فَلَمَّا صَلَّى قَالَ لِصَاحِبِهِ: «إِنِّي لَوْ أَرَدْتُ أَنْ أُصَلِّيَ فِي مَسْجِدٍ كَهَذَا وَرَأَيْتُ فِي هَذَا الْقَذَرِ فَكَرِهْتُ أَلْعَابَ الْجَاهِلِيَّةِ فَاكْسِرْهَا» .

قَالَ: فَكَسَرَهَا
২৬ - আমি সুফিয়ান, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে ওমর (রা.) আল-জুহফাহ অতিক্রম করছিলেন,‌‌ অতঃপর তিনি মসজিদে সালাত আদায় করার ইচ্ছা করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এতে কি কোনো অপবিত্রতা আছে?"

অতঃপর তিনি সেখানে সালাত আদায় করা অপছন্দ করলেন এবং একটি উন্মুক্ত উঁচু প্রান্তরে বেরিয়ে গেলেন।

সুফিয়ান বলেন: (তা ছিল) পশুর বিষ্ঠা,
পশম এবং ছাগলের খোঁয়াড় বিশিষ্ট একটি স্থান, সেখানে তিনি সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি তাঁর সঙ্গীকে বললেন: "আমি যদি এই ধরণের মসজিদে সালাত আদায় করতে চাইতাম এবং এই অপবিত্রতা দেখতাম, আর আমি জাহেলিয়াতের এই খেলনাগুলোকে (পুতুল বা প্রতিমাসদৃশ বস্তু) অপছন্দ করতাম, তবে তুমি এগুলো ভেঙে ফেলো।"

তিনি বলেন: অতঃপর তিনি সেগুলো ভেঙে ফেললেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نُبَيْهِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُثْمَانَ حَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ: ‌‌«إِذَا اشْتَكَى أَحَدُكُمْ عَيْنَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَلْيُضَمِّدْهَا بِالصَّبْرِ»
২৭ - আইয়ুব থেকে, নুবাইহ ইবনে ওয়াহব থেকে, আবান ইবনে উসমান থেকে বর্ণিত; তিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে উসমান বর্ণনা করেছেন যে আল্লাহর রাসূল বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে কেউ যখন ইহরাম অবস্থায় চোখের সমস্যায় ভোগে, তখন সে যেন তাতে সবর (এক প্রকার ভেষজ) দিয়ে পট্টি বাঁধে।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু বিশর ইবনু মাতার (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ إِذَا جَدَّ بِهِ السَّيْرُ جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ»

قَالَ سُفْيَانُ: سَأَلْتُ ابْنَ طَاوُسٍ: مَا كَانَ أَبُوكَ يَقُولُ فِي طَهَارَةِ الْعَبْدِ؟ قَالَ: مِثْلَ طَهَارَةِ الْحُرِّ
২৮ - যুহরী হতে বর্ণিত, তিনি সালেম হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্রুত পথ চলতেন, তখন তিনি মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।"

সুফিয়ান বলেন: আমি ইবনে তাউসকে জিজ্ঞাসা করলাম, দাসের পবিত্রতার বিষয়ে আপনার পিতা কী বলতেন? তিনি বললেন: "স্বাধীন ব্যক্তির পবিত্রতার মতোই।"