(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: -)
الثامن من أجزاء أبي علي بن شاذان   (الحسن بن خلف بن شاذان)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثامن من أجزاء أبي علي بن شاذان

المؤلف: الحسن بن خلف بن شاذان بن زياد الواسطى، أبو على البزاز (ت 246هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 205

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আলী বিন শাযানের আজযা সমূহের অষ্টম খণ্ড   (আল-হাসান বিন খালাফ বিন শাযান)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আলী বিন শাযানের আজযা সমূহের অষ্টম খণ্ড

লেখক: আল-হাসান বিন খালাফ বিন শাযান বিন যিয়াদ আল-ওয়াসিতী, আবু আলী আল-বাযযার (মৃত্যু ২৪৬ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক (আশ-শাবাকাতুল ইসলামিয়াহ) ওয়েবসাইটের অধীনে 'জাওয়ামিউল কালিম' ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে আছে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৫

শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الثَّامِنُ مِنْ أَجْزَاءِ أَبِي عَلِيِّ بْنِ شَاذَانَ. . . . . . . . . . قَالَ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلصَّحَابَةِ ، وَلِمَنْ رَأَى ، وَلِمَنْ رَأَى» .

قَالَ: قُلْتُ: أَرَأَيْتَ قَوْلَهُ: وَلِمَنْ رَأَى وَلِمَنْ رَأَى؟ قَالَ: مَنْ رَأَى مَنْ رَآهُمْ.
আবু আলী ইবন শাযানের সংকলিত বর্ণনাসমূহের অষ্টম খণ্ড। . . . . . . . . . তিনি বললেন: "হে আল্লাহ, আপনি সাহাবীগণকে ক্ষমা করুন এবং যারা তাঁদের দেখেছেন এবং যারা তাঁদের দেখেছেন তাঁদেরও ক্ষমা করুন।"

তিনি বললেন: আমি বললাম: তাঁর এই উক্তি—"এবং যারা দেখেছেন এবং যারা দেখেছেন"—এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: যারা তাঁদের দেখেছেন তাঁদেরকে যারা দেখেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২)
1 - نا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ حَيَّانَ الْمَدَائِنِيُّ ، نا شُعَيْبُ بْنُ حَرْبٍ ، نا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ ، نا قَابُوسُ بْنُ ظَبْيَانَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«الْهَدْيُ الصَّالِحُ وَالسَّمْتُ الصَّالِحُ وَالاقْتِصَادُ جُزْءٌ مِنْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ»
১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে হাইয়ান আল-মাদায়িনি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট শুয়াইব ইবনে হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট জুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট কাবুস ইবনে জবিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «উত্তম পথনির্দেশনা, উত্তম স্বভাব এবং পরিমিতিবোধ নবুওয়াতের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ স্বরূপ»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، نا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَفْصَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ الأَقْرَعَ بْنَ حَابِسٍ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ:‌‌ الْحَجُّ كُلَّ عَامٍ؟ قَالَ: " لا ، بَلْ حِجَّةٌ وَاحِدَةٌ ، فَمَنْ حَجَّ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ تَطَوُّعٌ ، وَلَوْ قُلْتُ: نَعَمْ ، لَوَجَبَتْ ، وَلَوْ وَجَبَتْ لَمْ تَسْمَعُوا وَلَمْ تُطِيعُوا "
2 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রওহ ইবনে উবাদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি হাফসাহ, যুহরী থেকে, তিনি আবু সিনান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আকরা ইবনে হাবিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন: "হজ কি প্রতি বছর? তিনি বললেন: না, বরং হজ একবারই। সুতরাং এরপর যে ব্যক্তি হজ করবে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে। আর আমি যদি বলতাম: হ্যাঁ, তবে তা আবশ্যিক হয়ে যেত, এবং যদি তা আবশ্যিক হতো তবে তোমরা তা শুনতে না এবং মানতে না।"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ ، نا أَبُو غَسَّانَ مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ ، عَنْ عَامِرٍ ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ حُرَيْثٍ أَتَى عَدِيَّ بْنَ حَاتِمٍ يَخْطُبُ إِلَيْهِ ابْنَتَهُ ، فَقَال: لا أُزَوِّجُهَا إِلا عَلَى حُكْمِي ، قَالَ: فَرَجَعَ ثُمَّ عَادَ إِلَيْهِ ، فَقَالَ: مَا أُزَوِّجُكَهَا إِلا عَلَى حُكْمِي ، فَقَالَ: قَدْ رَضِيتُ بِحُكْمِكَ ، قَالَ: فَقَالَ: زَوَّجْتُكَهَا ، فَقَالَ النَّاسُ: مَا صَنَعْتَ؟ حَكَمْتُ رَجُلا مِنْ طَيِّئٍ فِي حَالِكَ ، فِي دَارِكَ ، وَذَكَرَ عَنْ ذَاكَ ابْنُ غَسَّانَ ، قَالَ: قَالَ: فَأَتَاهُ فَقَالَ: أَصْلَحَكَ اللَّهُ ارْحَمْنِي غَيْرَ الْحُكْمِ ، قَالَ: فَقَرَأَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ} [الأحزاب: 21] حَكَمْتُ عَلَيْهِ‌‌ بِمَهْرِ عَائِشَةَ ثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ.

قَالَ أَبُو الأَحْوَصِ: اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أُوقِيَّةً ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
৩ - মুহাম্মাদ ইবনুল হায়সাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান মালিক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সালাম ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাইল থেকে, তিনি আমির থেকে বর্ণনা করেন যে, আমর ইবনে হুরাইথ আদি ইবনে হাতিমের নিকট তাঁর মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলেন। তিনি বললেন: "আমি আমার সিদ্ধান্ত ব্যতীত তাকে বিয়ে দেব না।" বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং পুনরায় তাঁর নিকট আসলেন। তিনি (আদি) বললেন: "আমি আমার সিদ্ধান্ত ব্যতীত তোমার নিকট তাকে বিয়ে দেব না।" তিনি (আমর) বললেন: "আমি আপনার সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হয়েছি।" তিনি (আদি) বললেন: "আমি তাকে তোমার নিকট বিয়ে দিলাম।" তখন লোকজন বলল: "আপনি একি করলেন? আপনি নিজের অবস্থা ও নিজের ঘরের ব্যাপারে তায়্যি গোত্রের এক ব্যক্তিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে দিলেন।" ইবনে গাসসান এ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আমর) তাঁর নিকট এসে বললেন: "আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন, ফয়সালাটি পরিবর্তন করে আমার প্রতি সদয় হোন।" তখন তিনি (আদি) তিলাওয়াত করলেন: {নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ} [আল-আহযাব: ২১]। আমি তার জন্য ফয়সালা করেছি‌‌ আয়েশার মোহরানা অনুযায়ী, যা হলো চারশ আশি (দিরহাম).

আবুল আহওয়াস বলেন: বারো উকিয়াহ। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحُنَيْنِيِّ ، نا أَبُو غَسَّانَ ، نا زُهَيْرٌ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَرِّ ، قَالَ:. . . . . . . ، حَدَّثَهُ عَنْ رَجُلٍ ، أَنَّ عَلِيًّا عليه السلام يَقْرَأُ أَوْ كَانَ‌‌ يَقْرَأُ فِي صَلاةِ الْجُمُعَةِ بِسُورَةِ الْمُنَافِقِينَ وَسُورَةِ الْجُمُعَةِ ، وَأَنَّ أَبَا هُرْيَرَةَ كَانَ يُصَلِّي بِهِمَا كُلَّ جُمُعَةٍ ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِهِمَا
৪ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল হুনাইনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনুল হার্র থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: . . . . . . . , জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আলী আলাইহিস সালাম পাঠ করতেন অথবা তিনি জুমার সালাতে সূরা আল-মুনাফিকুন এবং সূরা আল-জুমা পাঠ করতেন, এবং আবু হুরায়রা প্রতি জুমায় এই দুটি সূরা দিয়ে সালাত আদায় করতেন , আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুটি সূরা দিয়ে সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ: أنا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، نا أَبُو الرَّبِيعِ السَّمَّانُ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: «مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ صَامَ يَوْمًا قَطُّ يَطْلُبُ فَضْلَهُ عَلَى سَائِرِ الأَيَّامِ إلَا يَوْمَ عَاشُورَاءَ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রাবি আস-সাম্মান, উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি ইয়াজিদ হতে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো কোনো দিন রোজা রাখার ব্যাপারে অন্য সব দিনের তুলনায় তার শ্রেষ্ঠত্ব অন্বেষণ করতে দেখিনি, কেবল আশুরার দিন ব্যতীত।”
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ ، نا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ الأَعْرَجِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، قَالَ: «إِنَّ‌‌ عَلَى كُلِّ ذِرْوَةٍ بَعِيرَ شَيْطَانٍ ، فَامْنَعُوهُنَّ بِالذِّكْرِ دَائِمًا بِحَمِد اللَّهِ تَعَالَى»
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে মাসআদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু আবীয যিনাদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই‌‌ প্রত্যেকটি উটের কুঁজের ওপর একজন শয়তান থাকে, সুতরাং তোমরা মহান আল্লাহর প্রশংসাসহ সর্বদা যিকিরের মাধ্যমে সেগুলোকে প্রতিহত করো।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - نا عَلِيُّ بْنُ. . . . . . . ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَوْ دُعِيتُ إِلَى كُرَاعٍ أَوْ ذِرَاعٍ لأَجَبْتُ ، وَلَوْ أُهْدَى إِلَيَّ كُرَاعٌ أَوْ ذِرَاعٌ لَقَبِلْتُ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে . . . . . . . , আমাশ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি আমাকে পশুর পায়ের নলি কিংবা বাহুর গোশত খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেওয়া হতো, তবে আমি অবশ্যই তাতে সাড়া দিতাম; আর যদি আমাকে পায়ের নলি কিংবা বাহুর গোশত উপহার দেওয়া হতো, তবে আমি তা অবশ্যই গ্রহণ করতাম।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - نا حَنْبَلُ بْنُ إِسْحَاقَ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ ، نا صَالِحُ بْنُ أَبِي الأَخْضَرِ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ‌‌ أَرَأَيْتُ أُمُورًا كُنْتُ أَحْنَثُ بِهَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ مِنْ صَدَقَةٍ أَوْ صِلَةٍ أَوْ عَتَاقَةٍ ، فَهَلْ لِي مِنْ أَجْرٍ؟ فَقَالَ: «أَسْلَمْتَ عَلَى مَا سَلَفَ لَكَ مِنْ خَيْرٍ»
8 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্বল বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন হুমাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ বিন আবিল আখদার, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি হাকিম বিন হিযাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি মনে করেন সেই সব নেক কাজ সম্পর্কে যা আমি জাহেলি যুগে পুণ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে করতাম; যেমন দান-সদকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা বা দাস মুক্তি, সেগুলোর জন্য কি আমি কোনো প্রতিদান পাব? তিনি বললেন: “তুমি তোমার ইতিপূর্বে কৃত সকল কল্যাণসহ ইসলাম গ্রহণ করেছ।”
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - نا أَحْمَدُ بْنُ الْوَلِيدِ الْفَحَّامُ ، نا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ ، قَالَ: أنا أَبِي عَبْدُ اللَّهِ الشُّقْرِيُّ ، عَنْ أَبِي الْقَعْقَاعِ الْجَرْمِيِّ ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، فَسَأَلَهُ رَجُلٌ ، فَقَالَ: آتِي امْرَأَتِي كَيْفَ شِئْتُ؟ قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ: وَمِنْ حَيْثُ شِئْتُ؟ قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ: وَمِنْ أَيْنَ شِئْتُ؟ قَالَ: نَعَمْ ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: إِنَّهُ يُرِيدُ السُّوءَ ، فَقَالَ: ‌‌«مَحَاشُّ النِّسَاءُ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ» .

نا أَحْمَدُ بْنُ الْوَلِيدِ ، ثنا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ ، أنبا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشُّقْرِيِّ ، عَنْ أَبِي الْقَعْقَاعِ الْجَرْمِيِّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، مِثْلَهُ
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আল-ফাহহাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসওয়াদ ইবনে আমির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-শুকরি, আবু আল-কাকা আল-জারমি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসা করল: "আমি কি আমার স্ত্রীর নিকট যেভাবে ইচ্ছা আসতে পারি?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" সে জিজ্ঞাসা করল: "এবং যেখান থেকে ইচ্ছা?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" সে পুনরায় জিজ্ঞাসা করল: "এবং যে কোনো দিক থেকে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তখন জনৈক ব্যক্তি তাকে বলল: "সে তো মন্দ কিছুর (পায়ুপথে মিলনের) ইচ্ছা করছে।" তখন তিনি বললেন: ‌‌«নারীদের পায়ুপথ তোমাদের জন্য হারাম» ।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আল-ওয়ালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসওয়াদ ইবনে আমির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান আল-সাওরি, আবু আব্দুল্লাহ আল-শুকরি থেকে, তিনি আবু আল-কাকা আল-জারমি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - ثنا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ ، عَنِ الْجَرَّاحِ بْنِ الضَّحَّاكِ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ» .

قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَذَاكَ الَّذِي أَقْعَدَنِي هَذَا الْمَقْعَدَ
.

قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: فَضْلُ الْقُرْآنِ عَلَى سَائِرِ الْكَلامِ كَفَضْلِ الرَّبِّ عَلَى خَلْقِهِ ، وَذَلِكَ أَنَّهُ مِنْهُ
১০ - ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে সুলায়মান আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি জাররাহ ইবনুল দাহহাক থেকে, তিনি আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি থেকে, তিনি উসমান ইবনে আফফান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।»

ইবনে আব্বাস বলেন: আর এই বিষয়টিই আমাকে এই আসনে উপবিষ্ট করিয়েছে।

আবু আবদুর রহমান বলেন: সমস্ত বাণীর ওপর কুরআনের শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, যেমন তাঁর সৃষ্টির ওপর রবের শ্রেষ্ঠত্ব; আর তা এই কারণে যে, এটি তাঁর থেকেই (নিঃসৃত)।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، قَالَ: أنبا سَعِيدٌ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: " إِنَّمَا‌‌ تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَى ثَلاثَةِ مَسَاجِدَ ، مَسْجِدِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ عَبْدُ الْوَهَّابِ: يَعْنِي الْكَعْبَةَ ، وَمَسْجِدِ الْمَدِينَةِ ، وَمَسْجِدِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ "
১১ - ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "কেবল তিনটি মসজিদের উদ্দেশ্যেই সফর করা যাবে: ইব্রাহীমের মসজিদ—আব্দুল ওয়াহহাব বলেন: অর্থাৎ কাবা—এবং মদীনার মসজিদ , এবং বায়তুল মাকদিসের মসজিদ।"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - نا أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ ، قَالَ: ثنا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ قَرْمٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ: ‌‌«بُعِثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يَوْمَ الاثْنَيْنِ ، وَأَسْلَمَ عَلِيٌّ عليه السلام يَوْمَ الثُّلاثَاءِ»
12 - আমাদের নিকট আহমদ ইবনুল খলীল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউনুস ইবনু মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনু ক্বর্ম বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সোমবার প্রেরিত হয়েছেন এবং আলী আলাইহিস সালাম মঙ্গলবার ইসলাম গ্রহণ করেছেন।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْن عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ ، نا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ: ‌‌«اسْتَغْفَرَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ لَيْلَةَ الْبَعِيرِ خَمْسًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً»
১৩ - মুহাম্মদ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন ইয়াজীদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবন মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন সালামাহ বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের রাতে আমার জন্য পঁচিশ বার ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - ثنا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، قَالَ: أنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ ، قَالَ: أنا الْحُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ ، قَالَ: ثنا يَزِيدُ النَّحْوِيُّ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ إِذَا رَجَعَ مِنْ مَغَازِيهِ قَبْلَ فَاطِمَةَ ، عليه السلام "
১৪ - ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল হাসান ইবনে শাকীক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে ওয়াকিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াযীদ আন-নাহবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইকরিমা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর যুদ্ধাভিযানসমূহ থেকে ফিরে আসতেন, তখন ফাতেমা (আলাইহাস সালাম)-কে চুম্বন করতেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى ، نا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نا وُهَيْبٌ ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ: " دَخَلْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ فَرَأَيْتُ فِيهِ الْمَوْتَ ، فَقُلْتُ: هَيِّجْ هَيِّجْ مَنْ لا يَزَالُ دَمْعُهُ مُقَنَّعًا فَإِنَّهُ يَكُونُ مَرَّةً مَدْفُوقًا ، فَقَالَ: لا تَقُولِي ذَلِكَ ، قُولِي: {وَجَاءَتْ سَكْرَةُ الْمَوْتِ بِالْحَقِّ ذَلِكَ مَا كُنْتَ مِنْهُ تَحِيدُ} [ق: 19] ، ثُمَّ قَالَ:‌‌ فِي كَمْ كَفَّنْتُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قُلْتُ: فِي ثَلاثَةِ أَثْوَابٍ بِيضٍ سُحُولِيَّةٍ ، لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلا عِمَامَةٌ ، قَالَتْ: فَنَظَرَ إِلَى ثَوْبٍ كَانَ مَرِضَ فِيهِ ، رَدْعٌ مِنْ زَعْفَرَانٍ أَوْ مِشْقٍ ، فَقَالَ: اغْسِلُوا هَذَا وَزِيدُوا عَلَيْهِ ثَوْبَيْنِ ، فَقُلْتُ: إِنَّ هَذَا خَلِقٌ ، فَقَالَ: الْحَيُّ أَحَقُّ بِالْجَدِيدِ مِنَ الْمَيِّتِ ، إِنَّمَا هُوَ لِلْمُهْلَةِ ، قَالَتْ: وَقدْ قَالَ قَبْلَ ذَلِكَ: فِي أَيِّ يَوْمٍ تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، قُلْتُ: يَوْمَ الاثْنَيْنِ ، فَقَالَ: إِنِّي لأَرْجُو فِيمَا بَيْنِي وَبَيْنَ اللَّيْلِ ، فَلَمْ يَمُتْ حَتَّى أَمْسَى مِنْ لَيْلَةِ الثُّلاثَاءِ ، فَدُفِنَ قَبْلَ أَنْ يُصْبِحَ فِي لَيْلَتِهِ ".

نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْبَرَاءِ ، ثنا الْمُعَافَى ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ مَعْنٍ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
১৫ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুসলিম ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উহাইব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আয়িশাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি আবু বকর (রা.)-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁর মধ্যে মৃত্যুর লক্ষণ দেখতে পেলাম। তখন আমি (কবিতা আবৃত্তি করে) বললাম: হায়! হায়! যার চোখের পানি সর্বদা গোপন থাকে, তা কোনো একদিন সজোরে উপচে পড়বেই। তখন তিনি বললেন: তুমি এমনটি বলো না, বরং বলো: {আর মৃত্যুযন্ত্রণা সত্যসহ উপস্থিত হবে; এটিই তা যা থেকে তুমি পলায়ন করতে} [সূরা ক্বাফ: ১৯]। অতঃপর তিনি বললেন:‌‌ তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কতটি কাপড়ে কাফন দিয়েছিলে? আমি বললাম: সুহুলিয়া নামক তিনটি সাদা কাপড়ে, যার মধ্যে কোনো জামা বা পাগড়ি ছিল না। তিনি (আয়িশাহ) বলেন: অতঃপর তিনি একটি কাপড়ের দিকে তাকালেন যা পরিহিত অবস্থায় তিনি অসুস্থ ছিলেন, যাতে জাফরান বা লালাভ মাটির দাগ ছিল। তিনি বললেন: তোমরা এটি ধুয়ে নাও এবং এর সাথে আরও দুটি কাপড় যোগ করো। তখন আমি বললাম: নিশ্চয়ই এটি জীর্ণ বা পুরানো। তিনি বললেন: মৃত ব্যক্তির চেয়ে জীবিত ব্যক্তিই নতুন কাপড়ের অধিক হকদার। এটি (কাফন) তো কেবল (শরীরের) নির্গত পচনশীল নির্যাসের জন্য। তিনি (আয়িশাহ) বলেন: এর আগে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন দিনে ইন্তেকাল করেছিলেন? আমি বললাম: সোমবার। তিনি বললেন: আমি আশা করছি আমি আজ দিন ও রাতের মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যেই ইন্তেকাল করব। অতঃপর তিনি মঙ্গলবার রাত না আসা পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেননি এবং সকাল হওয়ার পূর্বেই ওই রাতে তাঁকে দাফন করা হয়।"

আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল বাররা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-মুআফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কাসিম ইবনে মা'ন বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তাঁর সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَ: ثنا النَّمِرُ بْنُ هِلالٍ الْفِهْرِيُّ ، قَالَ: نا سَعِيدٌ الْجَرِيرِيُّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ ، قَالَ: قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ:‌‌ إِنْ قَتَلْنَا قَوْمًا نَفَقَهُمُ الْهُدَى ، الَّذِين قَدْ زَعَمُوا أَنَّهُ لا قَدَرَ ، فَقَالَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ: «إِذَا لَقِيتُمْ أُولَئِكَ فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بَرِئَ مِنْهُمْ ، وَهُمْ مِنْهُ بَرَاءٌ ، حَتَّى يُؤْمِنُوا بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ ، وَأَخْبَرَهُمْ أَنَّهُ لَوْ كَانَ لأَحَدٍ مِنْهُمْ مِثْلُ أُحُدٍ ذَهَبًا فَأَنْفَقَهُ مَا قَبِلَ اللَّهُ مِنْهُ ذَرَّةً ، حَتَّى يُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নামির ইবনে হিলাল আল-ফিহরি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ আল-জারিরি, আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামুর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে বললাম: নিশ্চয়ই আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের মুখোমুখি হয়েছি যাদের নিকট হতে হিদায়াত বিলুপ্ত হয়েছে, যারা দাবি করে যে তাকদির বলতে কিছু নেই। তখন ইবনে উমর তাকে বললেন: “যখন তোমরা তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তাদের জানিয়ে দিও যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাদের থেকে মুক্ত এবং তারাও তার থেকে মুক্ত, যতক্ষণ না তারা তাকদিরের ভালো ও মন্দের প্রতি ঈমান আনে। এবং তাদের জানিয়ে দিও যে, যদি তাদের কারো নিকট উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ থাকে এবং সে তা ব্যয় করে, তবে আল্লাহ তার নিকট থেকে সামান্যতমও কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তাকদিরের ভালো ও মন্দের প্রতি ঈমান আনে।”
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - نا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ الأَزْرَقُ ، نا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ ، قَالَ: أنا ابْنُ زَيْدٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«مَثَلُ أَهْلِ بَيْتِي مَثَلُ سَفِينَةِ نُوحٍ ، مَنْ رَكِبَ فِيهَا نَجَا ، وَمَنْ تَخَلَّفَ عَنْهَا غَرِقَ»
১৭ - মুহাম্মাদ ইবনুল ফারাজ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ইবনু ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনু আবি জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনু যায়িদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণিত, আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমার আহলে বায়তের উদাহরণ হলো নূহের নৌকার ন্যায়, যে তাতে আরোহণ করল সে মুক্তি পেল, আর যে তা থেকে পিছিয়ে থাকল সে ডুবে গেল»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ ، نا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ ، قَالَ: نا أَبُو الصَّهْبَاءِ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«مَثَلُ أَهْلِ بَيْتِي كَمَثَلِ سَفِينَةِ نُوحٍ ، مَنْ رَكِبَ فِيهَا نَجَا ، وَمَنْ تَخَلَّفَ عَنْهَا غَرِقَ»
১৮ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনুল ফারাজ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসলিম ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে আবি জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আস-সাহবা বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমার আহলে বাইতের (পরিবারবর্গ) উদাহরণ হলো নূহের নৌকার মতো, যে ব্যক্তি তাতে আরোহণ করবে সে মুক্তি পাবে, আর যে তা থেকে পিছিয়ে থাকবে সে ডুবে মরবে।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ: " إِنَّ‌‌ اللَّهَ تَعَالَى يَحْمِلُ الْخَلائِقَ عَلَى إِصْبَعٍ ، وَالسَّمَاوَاتِ عَلَى إِصْبَعٍ ، وَالثَّرَى عَلَى إِصْبَعٍ ، وَالأَرَضِينَ عَلَى إِصْبَعٍ ، وَالشَّجَرَ عَلَى إِصْبَعٍ.

فَضَحِكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذَهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ} [الأنعام: 91] "
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল জাব্বার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আহলে কিতাবদের এক ব্যক্তি বলল: "নিশ্চয়ই‌‌ আল্লাহ তাআলা সমস্ত সৃষ্টিকে একটি আঙুলের ওপর, আকাশমন্ডলীকে একটি আঙুলের ওপর, সিক্ত মাটিকে একটি আঙুলের ওপর, জমিনসমূহকে একটি আঙুলের ওপর এবং গাছপালাকে একটি আঙুলের ওপর বহন করবেন।

এতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ল। অতঃপর আল্লাহ তাআলা নাজিল করলেন: {তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি} [আল-আনআম: ৯১]"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - نا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُنَادَى ، نا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، ثنا أَبُو أُوَيْسٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، قَالَ: ‌‌«أَيُّمَا رَجُلٍ أَعْمَرَ رَجُلا عُمْرَى لَهُ وَلِعَقِبِهِ فَإِنَّهَا لِمَنْ أُعْطِيهَا ، وَإِنَّهَا لا تَرْجِعُ إِلَى صَاحِبِهَا أَبَدًا ، إِنَّهُ أَعْطَاهَا عَطَاءً وَقَعَتْ فِيهِ الْمَوَارِيثُ»
২০ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনু উবাইদিল্লাহ ইবনুল মুনাদা হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনু মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উওয়াইস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে এবং তিনি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে তার এবং তার বংশধরদের জন্য আজীবন ভোগাধিকারের দান (উমরা) প্রদান করে, তবে তা যাকে দান করা হয়েছে তারই হয়ে যাবে। আর তা কখনোই দাতার নিকট ফিরে আসবে না। কেননা সে তা এমন এক দান হিসেবে প্রদান করেছে যার ওপর উত্তরাধিকার আইন কার্যকর হয়ে গিয়েছে।’»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ ، نا عَمْرُو بْنُ حَمَّادِ بْنِ طَلْحَةَ ، حَدَّثَنِي حُسَيْنُ بْنُ عِيسَى بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ وَهْبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَزْدِيِّ الْهُنَائِيِّ ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ ، عَنِ ابْنِ أَخِي أَبِي ذَرٍّ ، قِيلَ إِنَّهُ عَنْ أَبِي ذَرٍّ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، قَدْ أَخْبَرَنِي أَنَّهُمْ‌‌ لَنْ يُسَلِّطُوا عَلَى قَتْلِي ، وَلَنْ يَفْتِنُونِي عَنْ دِينِي ، وَأَخْبَرَنِي أَنِّي أَسْلَمْتُ فَرْدًا وَأَمُوتُ فَرْدًا ، وَأُبْعَثُ فَرْدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ "
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আবুল হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন হাম্মাদ বিন তালহা, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ঈসা বিন যায়দ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন আব্দুল্লাহ আল-আজদি আল-হুনায়ি থেকে, তিনি আবু তুফাইল আমির বিন ওয়াছিলা থেকে, তিনি আবু যারের ভ্রাতুষ্পুত্র থেকে; বলা হয় যে এটি আবু যার থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তারা কখনোই আমাকে হত্যার ক্ষমতা পাবে না এবং তারা আমাকে আমার দ্বীন থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না; আর তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে আমি একাকী ইসলাম গ্রহণ করেছি, একাকী মৃত্যুবরণ করব এবং একাকী পুনরুত্থিত হব কিয়ামতের দিন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - نا هَيْذَامُ بْنُ قُتَيْبَةَ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ الْعِجْلِيُّ ، نا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ ، قَالَ: قَالَ أَبُو ذَرٍّ: "‌‌ يُوشِكُ أَنْ يَأْتِيَ زَمَانٌ عَلَى النَّاسِ يُغْبَطُ فِيهِ خَفِيفُ الْحَادِّ كَمَا يُغْبَطُ الْيَوْمَ أَبُو عُسْرَةٍ ، وَيُغْبَطُ الرَّجُلُ بِاجْتِنَابِهِ الشَّيْطَانِ وَخَفَاتِهِ عَنْهُ كَمَا يُغْبَطُ الرَّجُلُ لِمَعْرِفَتِهِ إِيَّاهُ وَكَرَامَتِهِ عَلَيْهِ ، حَتَّى تَمُرَّ الْجَنَازَةُ فِي السُّوقِ عَلَى الْجَمَاعَةِ فَيَنْظُرُ إِلَيْهَا الرَّجُلُ ثُمَّ يَهُزُّ رَأْسَهُ فَيَقُولُ: يَا لَيْتَنِي مَكَانَ هَذَا.

قَالَ: قُلْتُ يَا أَبَا ذَرٍّ إِنَّ ذَلِكَ لَمِنْ أَمْرٍ عَظِيمٍ ، قَالَ: أَجَلْ يَا ابْنَ أَخِي لَمِنْ أَمْرٍ عَظِيمٍ "
২২ - হাইজাম ইবনে কুতাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ইজলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ'মাশ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবু যার (রা.) বলেছেন: "‌‌মানুষের ওপর শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যখন হালকা দায়ভার ও অল্প পরিবার বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতি ঈর্ষা করা হবে, যেমন আজ অধিক সন্তান ও সম্পদশালী ব্যক্তির প্রতি ঈর্ষা করা হয়। আর সেই ব্যক্তিকে ঈর্ষা করা হবে শয়তান থেকে তার বেঁচে থাকা এবং শয়তানের নিকট থেকে তার সংগুপ্ত থাকার কারণে, যেমন আজ কোনো ব্যক্তিকে ঈর্ষা করা হয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সাথে তার জানাশোনা এবং তার নিকট তার মর্যাদার কারণে। এমনকি যখন কোনো জানাজা বাজারের কোনো জনসমাবেশের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন কোনো ব্যক্তি সেটির দিকে তাকাবে এবং মাথা নেড়ে বলবে: হায়, আমি যদি এই মৃত ব্যক্তির স্থানে হতাম!"

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি বললাম, হে আবু যার! এটি তো এক ভয়াবহ ব্যাপার। তিনি বললেন: হ্যাঁ হে আমার ভাতিজা! এটি অবশ্যই এক ভয়াবহ ব্যাপার।"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ ، قَالَ: ثنا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«أَيُّمَا رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ سَبَبْتُهُ أَوْ جَلَدْتُهُ أَوْ لَعَنْتَهُ فَاجْعَلْهَا لَهُ كَفَّارَةً وَأَجْرًا» .

نا مَرْوَانُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، ثنا يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ ، قَالَ: نا أَبِي ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ ، عَنْ أَنَسٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، مِثْلَهُ
২৩ - আমাদের নিকট আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে যদি আমি গালি দিয়ে থাকি, কিংবা বেত্রাঘাত করে থাকি, অথবা অভিশাপ দিয়ে থাকি, তবে আপনি সেটাকে তার জন্য কাফফারা (পাপমোচন) এবং প্রতিদানস্বরূপ সাব্যস্ত করুন»।

মারওয়ান বিন আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আল-হিমমানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি আনাস থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَاكِرٍ ، نا عَفَّانُ ، نا سُلَيْمُ بْنُ حَيَّانَ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ:‌‌ احْذَرِ الطَّاعُونَ؛ لأَنَّ الرَّسُولَ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: إِنَّهُ رِجْزٌ أُصِيبَ بِهِ قَوْمٌ كَانَ قَبْلَكُمْ قَالَ: «فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ وَلَسْتُمْ بِهَا فَلا تَدْخُلُوهَا ، وَإِذَا كَانَ بِهَا وَأَنْتُمْ بِهَا فَلا تَخْرُجُوا مِنْهَا»
২৪ - জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শাকির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়ম ইবনে হাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইকরিমাহ ইবনে খালিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: প্লেগ হতে সাবধান থেকো; কারণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই এটি একটি আজাব, যার দ্বারা তোমাদের পূর্ববর্তী এক সম্প্রদায় আক্রান্ত হয়েছিল। তিনি বলেছেন: «সুতরাং যখন কোনো ভূখণ্ডে এর প্রাদুর্ভাব ঘটে আর তোমরা সেখানে না থাকো, তবে তোমরা তাতে প্রবেশ করো না; আর যখন কোনো ভূখণ্ডে এর প্রাদুর্ভাব ঘটে এবং তোমরা সেখানে অবস্থান করছ, তবে সেখান থেকে বের হয়ো না।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُكْرَمٍ ، قَالَ: نا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ ، عَنْ عَيَّاشٍ ، عَنْ سَعِيدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، عَنْ أَبِي أَنَسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعِ بْنِ الْعَمْيَاءِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ الْمُطَّلِبِ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، قَالَ: "‌‌ صَلاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى ، تَشَهَّدْ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ وَتَبَاءَسْ وَتَمَسْكَنْ وَتُقْنِعْ يَدَيْكَ وَتَقُولُ: اللَّهُمَّ اللَّهُمَّ ، وَمَنْ لَمْ يَفْعَلْ ذَلِكَ فَهُوَ خِدَاجٌ "
২৫ - আল-হুসাইন বিন মুকরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়াশ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি আবু আনাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন নাফি বিন আল-আমইয়া থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে এবং তিনি আল-মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌রাতের সালাত দুই দুই রাকাত করে; তুমি প্রত্যেক দুই রাকাতে তাশাহহুদ পড়বে, অত্যন্ত বিনয় ও দীনতা প্রদর্শন করবে এবং তোমার হাত তুলবে ও বলবে: হে আল্লাহ, হে আল্লাহ; আর যে ব্যক্তি এরূপ করবে না, তার সেই সালাত ত্রুটিপূর্ণ বা অপূর্ণাঙ্গ।"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحُسَيْنِ ، نا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي ، قَالَ: نا الأَعْمَشُ ، ثنا أَبُو صَالِحٍ، نا أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ: وَأَرَاهُ قَدْ ذَكَرَ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ احْتَجَّ آدَمُ وَمُوسَى ، فَقَالَ مُوسَى: يَا آدَمُ أَنْتَ الَّذِي خَلَقَكَ اللَّهُ بِيَدِهِ ، وَنَفَخَ فِيكَ مِنْ رُوحِهِ ، وَأَسْكَنَكَ الْجَنَّةَ ، أَغْوَيْتَ النَّاسَ وَأَخْرَجْتَهُمْ مِنَ الْجَنَّةِ وَفَعَلْتَ وَفَعَلْتَ ، قَالَ آدَمُ: أَنْتَ مُوسَى الَّذِي اصْطَفَاهُ اللَّهُ بِكَلامِهِ ، تَلُومُنِي عَلَى شَيْءٍ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيَّ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ ، قَالَ: فَحَجَّ آدَمُ مُوسَى "
২৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আবি আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেন, এবং আমার মনে হয় তিনি উল্লেখ করেছেন যে আবু সাঈদ আল-খুদরিও বলেছেন—আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌আদম ও মূসা বিতর্কে লিপ্ত হলেন। মূসা বললেন: হে আদম! আপনিই সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তাঁর হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আপনার মধ্যে তাঁর রূহ ফুঁকে দিয়েছেন এবং আপনাকে জান্নাতে বসবাস করতে দিয়েছেন। অথচ আপনি মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং তাদের জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছেন আর আপনি এই এই করেছেন। আদম বললেন: আপনিই সেই মূসা যাকে আল্লাহ তাঁর বাণীর মাধ্যমে মনোনীত করেছেন। আপনি আমাকে এমন এক বিষয়ের জন্য তিরস্কার করছেন যা আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টির পূর্বেই আমার ভাগ্যে লিখে রেখেছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) বললেন: ফলে আদম মূসার ওপর তর্কে জয়ী হলেন।"
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زُهَيْرٍ ، نا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ ، نا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هَرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بِئْسَ الشِّعْبُ جِيَادٌ ، تَخْرُجُ مِنْهُ الدَّابَّةُ تَصْرُخُ صَرْخَةً أَوْ صَرْخَتَيْنِ تُسْمَعُ مِنْ بَيْنِ الْخَافِقَيْنِ»
২৭ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে জুহাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মায়ীন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হিশাম ইবনে ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, রাবাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «জিয়াদ উপত্যকাটি কতই না মন্দ, যেখান থেকে সেই প্রাণীটি (দাব্বাতুল আরদ) বের হয়ে এক বা দুটি এমন চিৎকার দেবে যা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তের মধ্যবর্তী সকল স্থান থেকে শোনা যাবে।»
(খণ্ড: ১) আস-সামিনু মিন আজযাই আবী আলী ইবনি শাযান (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ ، ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، قَالَ: نا يَحْيَى بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، أَنَّها قَالَتْ: ‌‌«أُمِرُوا أَنْ يَصُومُوا عَاشُورَاءَ ، قَبْلَ أَنْ يُفْرَضَ رَمَضَانُ ، فَلَمَّا فُرِضَ صَامُوهُ ، وَتَرَكُوا عَاشُورَاءَ»
২৮ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি উনাইসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, উরওয়াহ থেকে, আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «রমজান ফরজ করার আগে তাদেরকে আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অতঃপর যখন রমজান ফরজ করা হলো, তখন তারা তা পালন করলেন এবং বর্জন করলেন আশুরা।»