(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: -)
من أحاديث سفيان الثوري - رواية السري بن يحيى - جوامع الكلم   (سفيان الثوري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث السري بن يحيى [عن شيوخه عن سفيان الثوري]

المؤلف: السرى بن يحيى بن إياس بن حرملة بن إياس الشيبانى المحلمى، أبو الهيثم، ويقال أبو يحيى، البصرى (ت 167 هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط، وقد طبعه بنفس العام د. عامر حسن صبري، ضمن سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية 31 لدى دار البشائر]

عدد الصفحات: 200

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সুফিয়ান আস-সাওরীর হাদিসসমূহ থেকে - আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়ার বর্ণনা - জাওয়ামেউল কালিম   (সুফিয়ান আস-সাওরী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়ার হাদিসসমূহ [তার শায়খগণের সূত্রে সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে]

লেখক: আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াস ইবনে হারমালা ইবনে ইয়াস আশ-শায়বানী আল-মুহাল্লামী, আবু হাইসাম, এবং বলা হয় আবু ইয়াহইয়া, আল-বাসরী (মৃত্যু ১৬৭ হি.)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি যা ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনস্থ ফ্রি জাওয়ামেউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি, যা একই বছর ড. আমির হাসান সাবরি, দারুল বাশায়িরে আল-আজজা ওয়াল কুতুব আল-হাদিসিয়্যাহ সিরিজের ৩১ নম্বর কিতাব হিসেবে মুদ্রণ করেছেন]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০০

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١)
. . . . . . مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ
. . . . . . সুফইয়ানের বর্ণিত হাদীস হতে, আবু যুবায়ের মুহাম্মদ বিন মুসলিম থেকে।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى ابْنِ أَخِي هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، أنا يَعْلَى، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ: نَحَرْنَا يَوْمَ الْحُدَيْبِيَّةِ تِسْعِينَ بَدَنَةً، الْبَدَنَةُ عَنْ سَبْعَةٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«اشْتَرِكُوا فِي الْهَدْيِ»
১ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া—যিনি হান্নাদ ইবন আস-সারীর ভ্রাতুষ্পুত্র—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, ইয়ালা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফইয়ান থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হুদাইবিয়ার দিন নব্বইটি উট কুরবানী করেছি, একটি উট সাতজনের পক্ষ থেকে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা হাদির মধ্যে অংশীদার হও»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، وَقَبِيصَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «نُهِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ أَنْ‌‌ يُشْرَبَ مِنْ فَمِ السِّقَاءِ»
২ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম এবং কাবীসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফইয়ান থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন যেন মশকের মুখ থেকে পান করা না হয়।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ، أنا يَعْلَى، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ:‌‌ جَاءَ أَبُو حُمَيْدٍ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ بِالْبَقِيعِ نَهَارًا، فَقَالَ: «أَلا خَمَّرْتَهُ، وَلَوْ بِعُودٍ تَعْرِضُهُ عَلَيْهِ»
৩ - আমাদের নিকট আবু উবাইদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়ালা সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুবাইর থেকে, জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু হুমাইদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট দিনের বেলায় বাকী নামক স্থানে এক পাত্র দুধ নিয়ে আসলেন। তখন তিনি বললেন: "তুমি কেন এটি ঢেকে রাখলে না? এমনকি যদি একটি কাঠও এর ওপর আড়াআড়িভাবে রেখে দিতে।"
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ: مَرُّوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِحِمَارٍ قَدْ وُسِمَ فِي وَجْهِهِ تُدَخِّنُ مَنْخِرَاهُ، فَقَالَ: ‌‌«لَعَنَ اللَّهُ مَنْ فَعَلَ هَذَا، أَلَسْتُ قَدْ نَهَيْتُ عَنْ هَذَا؟ أَلا تَسِمُوا وَجْهَ حِمَارٍ، وَلا تَضْرِبُوا وَجْهَهُ»
৪ - আস-সারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাবীসাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুবায়র থেকে বর্ণিত, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে এমন একটি গাধা নিয়ে অতিক্রম করল যার মুখে (গরম লোহার) দাগ দেওয়া হয়েছিল এবং যার নাসিকারন্ধ্র দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি এ কাজ করেছে আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিন। আমি কি এ কাজ থেকে নিষেধ করিনি? সাবধান, তোমরা গাধার মুখে দাগ দিও না এবং তার মুখে আঘাত করো না»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«أَيُّمَا رَجُلٍ كَانَ لَهُ شِرْكٌ فِي أَرْضٍ أَوْ رَبْعَةٍ، فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَبِيعَ حَتَّى يَسْتَأْذِنَ صَاحِبَهُ، فَإِنْ شَاءَ أَخَذَ وَإِنْ شَاءَ أَذِنَ لَهُ»
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাবিসাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, আবু যুবায়র থেকে, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে কোনো ব্যক্তির যদি কোনো ভূমি বা বাসস্থানে অংশীদারিত্ব থাকে, তবে তার অংশীদারের নিকট থেকে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত তার জন্য তা বিক্রি করা বৈধ নয়। অতঃপর সে (অংশীদার) চাইলে তা নিজে গ্রহণ করবে, আর যদি চায় তবে তাকে অনুমতি প্রদান করবে»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا يَعْلَى، وَقَبِيصَةُ، وَأَبُو نُعَيْمٍ، قَالُوا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«أَمْسِكُوا عَلَيْكُمْ أَمْوَالَكُمْ لا تُعْمِرُوهَا أَحَدًا، فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ»
৬ - আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; ইয়ালা, কাবিছাহ এবং আবু নুয়াইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা তোমাদের সম্পদ নিজেদের নিকট রেখে দাও, তা কাউকে উমরা (আজীবন ভোগের জন্য দান) করো না। কারণ যাকে কোনো কিছু উমরা হিসেবে প্রদান করা হয়, তা তারই হয়ে যায়।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، وَقَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ مِثْلَ حَدِيثٍ قَبْلَهُ: ‌‌«أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ»
৭ - আবু উবাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুয়াইম ও কাবিজাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: সুফইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বলেছেন: “আমি মানুষের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই।”
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «إِنَّ‌‌ عَرْشَ إِبْلِيسَ عَلَى الْبَحْرِ، فَيَبْعَثُ سَرَايَاهُ، فَأْغَبَطُهُمْ عِنْدَهُ مَنْزِلَةً أَعْظَمُهُمْ فِتْنَةً»
৮ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয় ইবলিসের আরশ সমুদ্রের উপরে, অতঃপর সে তার বাহিনীসমূহ প্রেরণ করে। তাদের মধ্যে তার নিকট মর্যাদার দিক দিয়ে সবচেয়ে ঈর্ষণীয় সেই ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফিতনা সৃষ্টিকারী।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «إِنَّ‌‌ إِبْلِيسَ قَدْ يَئِسَ أَنْ يَعْبُدَهُ الْمُصَلُّونَ، وَلَكِنْ فِي التَّحْرِيشِ بَيْنَهُمْ»
৯ - আবু উবাইদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুয যুবায়র থেকে, জাবির (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ ইবলিস নিরাশ হয়েছে যে নামাযীরা তার ইবাদত করবে, কিন্তু তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিভেদ সৃষ্টির ব্যাপারে (সে নিরাশ হয়নি)»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١١)
10 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ لا يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ الم تَنْزِيلُ وَتَبَارَكَ»
১০ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু যুবাইর হতে, তিনি জাবির হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম‌‌ আলিফ লাম মীম তানজীল এবং তাবারাকা পাঠ না করা পর্যন্ত নিদ্রা যেতেন না।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: ‌‌«كَوَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ سَعْدًا فِي أَكْحَلِهِ»

مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ.
১১ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম ও কাবিছাহ, তারা সুফিয়ান থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‌«নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ-এর হাতের শিরায় (আকহাল) আগুনের দাগ দিয়েছিলেন»

এটি সুফিয়ানের হাদিস থেকে, যা আবদুল্লাহ ইবন উসমান ইবন খুছাইম-এর সূত্রে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، قَالَتْ: ‌‌«إِنَّمَا الْوَجَلُ فِي قَلْبِ ابْنِ آدَمَ كَاحْتِرَاقِ السَّفَعَةِ بِأَسْهُمٍ، أَمَا تَجِدُ الْقَشْعَرِيرَةَ، أَمَا تَجِدُ؟» قُلْتُ: بَلَى، قَالَتْ: «فَادْعُ؛ فَإِنَّ الدُّعَاءَ عِنْدَ ذَلِكَ يُسْتَجَابُ»
১২ - আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম ও কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আদম সন্তানের অন্তরে আল্লাহভীতি হলো আগুনের শিখায় খেজুর পাতার অগ্রভাগ দগ্ধ হওয়ার মতো। তুমি কি শরীরে শিহরণ অনুভব করো না? তুমি কি অনুভব করো না?» আমি বললাম: «হ্যাঁ», তিনি বললেন: «তাহলে তখন দুআ করো; কেননা সেই সময়ে দুআ কবুল করা হয়।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بَهْمَانَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَّانِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: ‌‌«لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ زَوَّارَاتِ الْقُبُورِ»
১৩ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবীসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, আবদুর রহমান ইবন বাহমান থেকে বর্ণিত, আবদুর রহমান ইবন হাসসান ইবন সাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর জিয়ারতকারী নারীদের অভিসম্পাত করেছেন»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ الدَّرَقِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «إِنَّ‌‌ قُرَيْشًا أَهْلُ أَمَانَةٍ، مَنْ بَغَاهَا الْعَوَاثِرَ أَكَبَّهُ اللَّهُ لِمِنْخَرَيْهِ ، مَنْ بَغَاهَا الْعَوَاثِرَ أَكَبَّهُ اللَّهُ لِمِنْخَرَيْهِ، مَنْ بَغَاهَا الْعَوَاثِرَ أَكَبَّهُ اللَّهُ لِمَنْخِرَيْهِ»
১৪ - সারী ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইসমাঈল ইবনে উবাইদ ইবনে রিফাআ আদ-দারাকি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ কুরাইশরা আমানতদার জাতি; যে ব্যক্তি তাদের অমঙ্গল ও পদস্খলন কামনা করবে, আল্লাহ তাকে নাকের ওপর উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন। যে ব্যক্তি তাদের অমঙ্গল ও পদস্খলন কামনা করবে, আল্লাহ তাকে নাকের ওপর উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন, যে ব্যক্তি তাদের অমঙ্গল ও পদস্খলন কামনা করবে, আল্লাহ তাকে নাকের ওপর উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ تَزَوَّجَ وَهُوَ مُحْرِمٌ، وَاحْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ»
১৫ - আমাদের নিকট আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফইয়ান, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উসমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করেছেন এবং ইহরাম অবস্থায় সিঙা (হিজামা) লাগিয়েছেন।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ، وَقَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبْيَرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«خَيْرُ أَكْحَالِكُمُ الإِثْمِدُ، يَجْلُو الْبَصَرَ وَيُنْبِتُ الشَّعَرَ»
১৬ - আস-সারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম ও কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: সুফইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের সর্বোত্তম সুরমা হলো ইসমীদ; এটি দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে এবং চোখের পাপড়ি গজায়»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا يَعْلَى، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ إِلَى الْبَقِيعِ ، فَقَالَ: «يَا مَعْشَرَ التُّجَّارِ» .

حَتَّى إِذَا اشْرَأَبُّوا، قَالَ: «إِنَّ‌‌ التُّجَّارَ يُحْشَرُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فُجَّارًا، إِلا مَنِ اتَّقَى وَبَرَّ وَصَدَقَ»
১৭ - আস-সারিয়্য ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়া’লা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উবায়েদ ইবনে রিফা’আ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাক্বী’র দিকে বের হলেন এবং বললেন: "হে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়!"

অতঃপর যখন তারা মাথা উঁচু করে তাকাল, তিনি বললেন: "নিশ্চয় ব্যবসায়ীরা কিয়ামতের দিন পাপাচারী হিসেবে পুনরুত্থিত হবে, তবে সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে আল্লাহকে ভয় করেছে, নেক কাজ করেছে এবং সত্য বলেছে।"
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنِ ابْنِ سَابِطٍ، عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: "‌‌ لَمَّا قَدِمَ الْمُهَاجِرُونَ الْمَدِينَةَ تَزَوَّجُوا فِي الأَنْصَارِ، فَكَانُوا يَجُبُّونَهُنَّ، وَكَانَتِ الأَنْصَارُ لا تَفْعَلُ ذَلِكَ، فَقَالَتِ امْرَأَةُ رَجُلٍ مِنْهُمْ لِزَوْجِهَا: حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ، فَاسْتَحْيَتْ أَنْ تَسْأَلَهُ، فَسَأَلْتُهُ أَنَا، فَدَعَاهَا فَقَرَأَ عَلَيْهَا {نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ} [البقرة: 223] .

صِمَامٌ وَاحِدٌ، صِمَامٌ وَاحِدٌ، صِمَامٌ وَاحِدٌ "
১৮ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কাবিসাহ্ আমাদের জানিয়েছেন, সুফইয়ান আমাদের জানিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন উসমান ইবন খুসায়ম থেকে, তিনি ইবন সাবিত থেকে, তিনি হাফসাহ্ বিনতে আবদুর রহমান ইবন আবি বকর থেকে, তিনি উম্মু সালামাহ্ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌‌মুহাজিরগণ যখন মদীনায় আসলেন, তারা আনসারদের মধ্যে বিবাহ করলেন। তারা স্ত্রীদের সাথে পেছন দিক থেকে (যোনিপথে) সঙ্গম করতেন, কিন্তু আনসাররা তা করত না, তখন তাদের একজনের স্ত্রী তার স্বামীকে বলল: 'যতক্ষণ না আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করি (ততক্ষণ অপেক্ষা করো)'। অতঃপর তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পেলেন, তাই আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি তাকে ডাকলেন এবং তার সামনে তিলাওয়াত করলেন: {তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র; অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো} [আল-বাকারাহ্: ২২৩]।

এক পথে, এক পথে, এক পথে।"
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: "‌‌ لا يَصْلُحُ الْكَذِبُ إِلا فِي ثَلاثٍ: الرَّجُلُ يَكْذِبُ عَلَى امْرَأَتِهِ لِتَرْضَى عَنْهُ، وَالْكَذِبُ لِيُصْلِحَ بَيْنَ النَّاسِ، وَالْكَذِبُ فِي الْحَرْبِ "

مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ
১৯ - আমাদের নিকট আস-সারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাবীসাহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়: কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য তার সাথে মিথ্যা বলা এবং মানুষের মাঝে মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলা, আর যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।”

এটি সুফিয়ানের হাদীস হতে বর্ণিত, যা তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى ، أنا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، وَأَبُو نُعَيْمٍ، وَقَبِيصَةُ، قَالُوا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلٍ، أنا ابْنُ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: أَرَاهُ قَدْ رَفَعَهُ، قَالَ: "‌‌ مِفْتَاحُ الصَّلاةِ الطُّهُورُ، وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ، وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ
২০ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়ালা ইবন উবাইদ, আবু নুআইম এবং কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: সুফইয়ান ইবন সাঈদ আস-সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন উকাইল থেকে, ইবনুল হানাফিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি (রা.) থেকে। তিনি বলেন: আমার মনে হয় তিনি (আলি) এটিকে মারফু করেছেন (অর্থাৎ রাসুলুল্লাহর বাণী হিসেবে বর্ণনা করেছেন), তিনি বলেছেন: সালাতের চাবিকাঠি হলো পবিত্রতা, এর তাহরীম (নামাযের বাইরের কাজ হারাম হওয়া) হলো তাকবির এবং এর তাহলিল (নামাযের বাইরের কাজ পুনরায় হালাল হওয়া) হলো সালাম।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا يَعْلَى، وَأَبُو نُعَيْمٍ، وَقَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ‌‌«كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ الْمَغْرِبَ وَمَنَازِلُنِا مِيلٌ، ثُمَّ نَرْجِعُ إِلَى مَنَازِلِنَا وَنَحْنُ نُبْصِرُ مَوَاقِعَ النَّبْلِ»
২১ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়ালা, আবু নুআইম ও কাবীসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম এবং আমাদের ঘরবাড়ি ছিল এক মাইল দূরে, অতঃপর আমরা আমাদের ঘরবাড়িতে ফিরে যেতাম এমতাবস্থায় যে আমরা দেখতে পেতাম তীরের পতনের স্থানসমূহ।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«خَيْرُ صُفُوفِ الرِّجَالِ الْمُقَدَّمُ وَشَرُّهَا الْمُؤَخَّرُ، وَخَيْرُ صُفُوفِ النِّسَاءِ الْمُؤَخَّرُ وَشَرُّهَا الْمُقَدَّمُ»
২২ - আমাদের নিকট আস-সারী ইবনু ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাবীসাহ, তিনি সুফিয়ান হতে, তিনি আবদুল্লাহ হতে, তিনি জাবির হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «পুরুষদের কাতারগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো সামনেরটি এবং নিকৃষ্টতম হলো পেছনেরটি; আর নারীদের কাতারগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো পেছনেরটি এবং নিকৃষ্টতম হলো সামনেরটি।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ فِي صُورٍ بِالْمَدِينَةِ فَقَالَ: ‌‌«يَطْلُعُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» .

قَالَ: فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ فَهَنَّأْنَاهُ، ثُمَّ قَالَ: «يَطْلُعُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ
الْجَنَّةِ» .

فَجَاءَ عُمَرُ فَهَنَّأْنَاهُ ، ثُمَّ قَالَ: «يَطْلُعُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» .

قَالَ: فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يُصْغِي رَأْسَهُ مِنْ تَحْتِ السَّعْفِ، وَيَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنْ شِئْتَ جَعَلْتَهُ عَلِيًّا» .

فَجَاءَ عَلِيٌّ فَهَنَّأْنَاهُ
২৩ - আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিছাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকীল থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা মদিনার একটি প্রাচীরবেষ্টিত বাগানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তখন তিনি বললেন: «তোমাদের সামনে এখন জান্নাতবাসীদের একজন ব্যক্তি উপস্থিত হবেন।»

তিনি বলেন: অতঃপর আবু বকর আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম। এরপর তিনি পুনরায় বললেন: «তোমাদের সামনে জান্নাতবাসীদের একজন ব্যক্তি
উপস্থিত হবেন।»

অতঃপর উমর আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম। এরপর তিনি পুনরায় বললেন: «তোমাদের সামনে জান্নাতবাসীদের একজন ব্যক্তি উপস্থিত হবেন।»

তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলাম তিনি খেজুর পাতার নিচ দিয়ে মাথা নিচু করে উঁকি দিচ্ছেন এবং বলছেন: «হে আল্লাহ! আপনি চাইলে একে আলী করুন।»

অতঃপর আলী আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، وَأَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ‌‌ إِنِّي أُكْثِرُ الصَّلاةَ عَلَيْكَ، فَكَمْ أَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلاتِي؟ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «مَا شِئْتَ» .

قُلْتُ: الرُّبُعَ.

قَالَ:
«مَا شِئْتَ، وَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» .

قُلْتُ: الثُّلُثَ.

قَالَ: «مَا شِئْتَ، وَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» .

قُلْتُ: النِّصْفَ.

قَالَ: «مَا شِئْتَ، وَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» .

قُلْتُ: الثُّلُثَيْنِ.

قَالَ: «مَا شِئْتَ، وَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» .

قُلْتُ: أَجْعَلُ صَلاتِي كُلَّهَا.

قَالَ: «تُكْفَى هَمَّكَ، وَيُغْفَرُ ذَنْبُكَ»
২৪ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিসাহ ও আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তুফাইল ইবন উবাই ইবন কাব থেকে, তিনি উবাই ইবন কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই আমি আপনার ওপর অধিক মাত্রায় দরুদ পাঠ করি। সুতরাং আমি আমার দোয়ার কতটুকু অংশ আপনার জন্য নির্ধারণ করব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি যতটুকু চাও»।

আমি বললাম: এক চতুর্থাংশ।

তিনি বললেন:
«তুমি যতটুকু চাও, তবে তুমি যদি বৃদ্ধি করো তা তোমার জন্য উত্তম হবে»।

আমি বললাম: এক তৃতীয়াংশ।

তিনি বললেন: «তুমি যতটুকু চাও, তবে তুমি যদি বৃদ্ধি করো তা তোমার জন্য উত্তম হবে»।

আমি বললাম: অর্ধেক।

তিনি বললেন: «তুমি যতটুকু চাও, তবে তুমি যদি বৃদ্ধি করো তা তোমার জন্য উত্তম হবে»।

আমি বললাম: দুই তৃতীয়াংশ।

তিনি বললেন: «তুমি যতটুকু চাও, তবে তুমি যদি বৃদ্ধি করো তা তোমার জন্য উত্তম হবে»।

আমি বললাম: আমি আমার পুরো দোয়াই আপনার জন্য (দরুদ পাঠে) নিবেদন করব।

তিনি বললেন: «তাহলে তোমার সকল দুশ্চিন্তা লাঘবের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে»।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَوْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: ‌‌«لَصَوْتُ أَبِي طَلْحَةَ فِي الْجَيْشِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ رَجُلٍ»
২৫ - আস-সারিয়্য ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ অথবা আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই সেনাবাহিনীতে আবু তালহার কণ্ঠস্বর এক হাজার পুরুষ অপেক্ষা উত্তম»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٧)
26 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرْيَرَةَ، أَوْ عَائِشَةَ، قَالا: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُضَحِّيَ اشْتَرَى كَبْشَيْنِ عَظِيمَيْنِ سَمِينَيْنِ أَقْرَنَيْنِ أَمْلَحَيْنِ مَوْجُوءَيْنِ، فَذَبَحَ أَحَدَهُمَا عَنْ أُمَّتِهِ مَنْ شَهِدَ مِنْهُمْ بِالتَّوْحِيدِ وَشَهِدَ لَهُ بِالْبَلاغِ، وَيَذْبَحُ الآخَرَ عَنْ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِ مُحَمَّدٍ»
২৬ - আস-সারী ইবনু ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ক্বাবীসাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীল থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা অথবা আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরবানি করার ইচ্ছা করতেন, তখন বড়, মোটাতাজা, শিংবিশিষ্ট, সাদা-কালো বর্ণের এবং খাসি করা দুটি দুম্বা ক্রয় করতেন। অতঃপর তিনি তাদের একটিকে তাঁর উম্মতের ওই ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে জবেহ করতেন যারা তাওহীদের সাক্ষ্য দিত এবং তাঁর (রিসালাত) পৌঁছানোর সাক্ষ্য দিত; আর অন্যটি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জবেহ করতেন।»
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ‌‌ إِذَا ذَهَبَ رُبْعُ اللَّيْلِ قَامَ، فَقَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ اذْكُرُوا اللَّهَ، جَاءَتِ الرَّاجِفَةُ تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ، جَاءَ الْمَوْتُ بِمَا فِيهِ، جَاءَ الْمَوْتُ بِمَا فِيهِ»

سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ
২৭ - আস-সারী ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল থেকে, তিনি তুফাইল ইবনে উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতের এক-চতুর্থাংশ অতিবাহিত হতো তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং বলতেন: "হে লোকসকল! তোমরা আল্লাহর যিকির করো। প্রকম্পনকারী (প্রথম ফুৎকার) এসে গেছে, যার অনুগামী হবে পরবর্তীটি (দ্বিতীয় ফুৎকার)। মৃত্যু তার ভয়াবহতা নিয়ে হাজির হয়েছে, মৃত্যু তার ভয়াবহতা নিয়ে হাজির হয়েছে।"

সুফইয়ান ইবনে সাঈদ, আবু ইসহাক থেকে।
(খণ্ড: ১) মিন আহাদীছি সুফইয়ান আস-সাওরী - রিওয়ায়াতুস সারিয়ি ইবনি ইয়াহইয়া - জাওয়ামিউল কালিম (পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - حَدَّثَنَا السَّرِيُّ بْنُ يَحْيَى، أنا قَبِيصَةُ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ‌‌«لا تُقْبَلُ صَلاةٌ بِغَيْرِ طُهُورٍ وَلا صَدَقَةٌ مِنْ غُلُولٍ»
২৮ - আস-সারী ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবীসাহ আমাদের অবহিত করেছেন, সুফিয়ান আমাদের অবহিত করেছেন, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, আবু উবাইদাহ থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করা হয় না এবং আত্মসাৎকৃত সম্পদ থেকে কোনো সদকা কবুল করা হয় না।»