(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث التساعية لابن جماعة   (البدر ابن جماعة)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأحاديث التساعية لابن جماعة

المؤلف: أبو عبد الله، محمد بن إبراهيم بن سعد الله بن جماعة الكناني الحموي الشافعي، بدر الدين (ت 733هـ)

تحقيق: عبد الجواد خلف

الناشر: البيان

[الكتاب مرقم آليا، وترقيم أوائل الصفحات موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 328

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে জামাআহর আল-আহাদিস আত-তুসাইয়্যাহ   (আল-বদর ইবনে জামাআহ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইবনে জামাআহর আল-আহাদিস আত-তুসাইয়্যাহ

লেখক: আবু আবদুল্লাহ, মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন সাদুল্লাহ বিন জামাআহ আল-কিনানি আল-হামাউয়ি আশ-শাফিয়ি, বদরুদ্দীন (মৃত্যু ৭৩৩ হিজরি)

সম্পাদনা: আবদুল জাওয়াদ খালাফ

প্রকাশক: আল-বায়ান

[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে, এবং পৃষ্ঠাগুলোর শুরুতে প্রদত্ত সংখ্যা মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২৮

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الأَوْلُ
প্রথম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৩)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الرَّئِيسُ نَجِيبُ الدِّينِ أَبُو الفَرجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ المُنْعِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ الصَّيْقَلِ الْحَرَّانِيُّ، بِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَوْزِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ الْفَقِيهُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ الْبَزَّازُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْن مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا» ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنْصُرُهُ مَظْلُومًا، فَكَيْفَ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا؟ ، قَالَ: «تَمْنَعُهُ مِنَ الظُّلْمِ، فَذَاكَ نَصْرُكَ إِيَّاهُ»

শায়খ, মুসনিদ, প্রধান নজীবুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে আলী ইবনে নাসর ইবনে আস-সাইকাল আল-হাররানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি তাঁর নিকট একাধিকবার পাঠ করেছি—তিনি বলেছেন: হাফেজ আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী আমাদের জানিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি বাগদাদে তা শুনছিলাম—তিনি বলেছেন: কাযী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারী আমাদের জানিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেছেন: ফকীহ আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-বারমাকী আমাদের জানিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম—তিনি বলেছেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসী আল-বায্যায আমাদের জানিয়েছেন—তিনি বলেছেন: আবু মুসলিম ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-কাজ্জী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন—তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন—তিনি বলেছেন: হুমাইদ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «তোমার ভাইকে সাহায্য করো, চাই সে অত্যাচারী হোক বা অত্যাচারিত»। তিনি (আনাস) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি তাকে সাহায্য করি যখন সে অত্যাচারিত হয়, কিন্তু সে যখন অত্যাচারী হয় তখন তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: «তুমি তাকে অত্যাচার থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই হলো তাকে তোমার সাহায্য করা»।

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي
দ্বিতীয় হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ১২)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرحمنِ بْنُ الإِمَامِ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ قُدَامَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، وَبِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَيْلانَ الْهَمْدَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَاضِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ ابْنٌ لأْمٍ سُلَيْمٍ، يُقَالُ لَهُ: أَبُو عُمَيْرٍ، كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُمَازِحُهُ إِذَا دَخَلَ عَلَى أُمِّ سَلْيمٍ، فَدَخَلَ يَوْمًا فَوَجَدَهُ حَزِينًا، فَقَالَ: «مَا لأَبِي عُمَيْرٍ حَزْينًا» ؟ ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَاتَ نُغَيْرُهُ الَّذِي كَانَ يَلْعَبُ بِهِ، فَجَعَلَ يَقُولُ: «أَبَا عُمَيْرٍ، مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ»
শাইখ ইমাম কাযিউল কুযাত আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে ইমাম আবু উমার মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে কুদামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, এবং আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন: শাইখ আবু হাফস উমার ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মামার আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আশ-শায়বানি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মاد ইবনে গায়লান আল-হামদানি আমাদের অবহিত করেছেন—তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাযি ইসমাঈল ইবনে ইসহাক ইবনে ইসমাঈল ইবনে হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আত-তবিল আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উম্মে সুলাইমের এক পুত্র ছিল যাকে আবু উমায়ের বলা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মে সুলাইমের ঘরে প্রবেশ করতেন তখন তাঁর সাথে কৌতুক করতেন। একদা তিনি প্রবেশ করে তাকে বিষণ্ণ পেলেন, তখন তিনি বললেন: "আবু উমায়েরের কী হয়েছে যে সে বিষণ্ণ?" তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তার সেই নুগাইর (ছোট পাখি) মারা গেছে যেটি দিয়ে সে খেলত। তখন তিনি বলতে লাগলেন: "হে আবু উমায়ের! নুগাইর কী করেছে?"
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثُ
তৃতীয় হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نُعْمَةَ، فِي كِتَابِهِ، أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ بْنِ خَالِدٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، أَنَّ حَيًّا مَنَ الْعَرَبِ اجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ، فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ خَرَجْتُمْ إلَى إِبِلِنَا فَأَصَبْتُمُ مِنْ أَلْبَانِهَا» ، قَالَ حُمَيْدٌ: قَالَ قَتَادَةُ: وَأَبْوَالِهَا، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ

শায়খ আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে আবদুদ দাইম ইবনে নু’মাহ তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলি আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-হাদ্দাদ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন, আবু নুয়াইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু মাসউদ আহমাদ ইবনে আল-ফুরাত ইবনে খালিদ আর-রাজি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট হুমাইদ আত-তবিল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আরবের একটি গোত্রের লোকেরা মদিনার আবহাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেন: “তোমরা যদি আমাদের উটগুলোর কাছে যেতে এবং সেগুলোর দুধ পান করতে।” হুমাইদ বলেন: কাতাদাহ বলেছেন: “এবং সেগুলোর প্রস্রাবও।” এরপর তিনি পূর্ণ হাদিসটি বর্ণনা করেন।

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعُ
চতুর্থ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৩৯)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ، بِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ صَالِحِ بْنِ يَاسِينَ الشَّفِيقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الرَّازِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ الْبَغْدَادِيُّ، بِانْتِقَاءِ الدَّارَقُطْنِيِّ وَقِرَاءَتِهِ، حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ الْحَبَّابُ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ هِشَامٍ الْقَهْزَمِيُّ، حَدَّثَنَا حُرَيْزُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بُسْرٍ رضي الله عنه، أَشَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ إلَى عَنْفَقَتِهِ.

وَفِي رِوَايَةٍ: شَيْخًا كَانَ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى عَنْفَقَتِهِ، فَقَالَ: «كَانَ فِي عَنْفَقَتِهِ شَعَرَاتٌ بِيضٌ»
শায়খ আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আবু তাহের ইসমাঈল ইবনে সালিহ ইবনে ইয়াসীন আশ-শাফীকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আবুল কাসিম আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু হুসাইন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল ফজল আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—দারা কুতনির চয়ন ও পাঠের মাধ্যমে; আবু খলিফা আল-হাব্বাব আল-জুমাহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; ওয়ালিদ ইবনে হিশাম আল-কাহজামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; হুরাইজ ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কি বার্ধক্য এসেছিল (চুল পেকেছিল)? তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের নিচের ঠোঁটের নিচের লোমগুচ্ছের দিকে ইশারা করলেন।

এবং অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: তিনি একজন বৃদ্ধ লোক ছিলেন, তিনি তাঁর হাত নিচের ঠোঁটের নিচের লোমগুচ্ছের ওপর রাখলেন এবং বললেন: "তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের লোমগুচ্ছের মাঝে কিছু সাদা চুল ছিল।"
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسُ
পঞ্চম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيِ بْنِ الأَنْصَارِيِّ، بِقَرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ دَقِيقِ الْعِيدِ، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ سَعْدِ الْخَيْرِ الأَنْصَارِيَّةُ، أَنْبَأَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْزَدَانِيَّةُ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ الضَّبِّيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ صَالِحٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَهْدَمٍ الْغِفَارِيُّ، قَالَ: قَالَ لِي أُهْبَانُ بْنُ صَيْفِيِّ رضي الله عنه، قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا أُهْبَانُ، أَمَا إِنَّكَ إِنْ بَقَيْتَ بَعْدِي فَسَتَرَى فِي أَصْحَابِي اخْتِلافًا كَثِيرًا، فَإِنْ بَقَيْتَ إلَى ذَلِكَ الْيَوْمِ فَاجْعَلْ سَيْفَكَ مِنْ عَرَاجِينَ» ، قَالَ: فَجَعَلْتُ سَيْفِي مِنْ عَرَاجِينَ

শায়খ আল-মুসনিদ আবু আল-তাহের ইসমাঈল ইবন আব্দুল কাবি ইবন আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আল-হাফিয আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন দাক্বীক আল-ঈদের পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন, ফাতিমা বিনত সাদ আল-খায়ের আল-আনসারীয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আল-জাওযদানিয়া আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন রাইযাহ আদ-দাব্বী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন উসমান বিন সালিহ আল-বাসরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন যাহদাম আল-গিফারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহবান বিন সাইফি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) আমাকে বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: "হে উহবান, জেনে রাখো যে তুমি যদি আমার পরে জীবিত থাকো, তবে অচিরেই তুমি আমার সাহাবীদের মধ্যে অনেক মতপার্থক্য দেখতে পাবে। সুতরাং তুমি যদি সেই দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকো, তবে তোমার তলোয়ারকে খেজুরের শুকনো ডাল দিয়ে তৈরি করো।" তিনি বলেন: এরপর আমি আমার তলোয়ারটি খেজুরের শুকনো ডাল দিয়ে তৈরি করেছিলাম।

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ السَّادِسُ
ষষ্ঠ হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৫৮)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مُسَدِيُّ، نَزِيلُ مَكَّةَ فِي كِتَابِهِ بِهَا، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْكَرَمِ بْنُ فَتْحَانَ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ فَتْحَانَ، أَنْبَأَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ رضي الله عنه، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ حَلاوَةَ الإِيمَانِ: أَنَّ يَكُونَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبُّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبَّ الْعَبْدَ لا يُحِبُّهُ إِلا لِلَّهِ، وَأَنْ يَكْرَهُ أَنْ يَرْجِعَ فِي الْكُفْرِ بَعْدَ أَنَّ أَنْقَذَهُ اللَّهُ مِنْهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُلْقَى فِي النَّارِ "

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আল-হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুসাদি, যিনি মক্কায় অবস্থানকালে তাঁর কিতাবে এটি উল্লেখ করেছেন; আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান আল-বাগদাদী; আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-কারাম বিন ফাতহান, তিনি আবুল হাসান বিন ফাতহান থেকে; আমাদের জানিয়েছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক; আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন তালুত বিন আব্বাদ আস-সাইরাফি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ফুদাল বিন জুবাইর; তিনি বলেন: আমি আবু উমামা আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "তিনটি বিষয় এমন রয়েছে, যা যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের মিষ্টতা আস্বাদন করবে: আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তার নিকট অন্য সবকিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হওয়া, কেবল আল্লাহর জন্যই কোনো বান্দাকে ভালোবাসা, এবং আল্লাহ তাকে কুফর থেকে রক্ষা করার পর পুনরায় তাতে ফিরে যাওয়াকে তেমনি অপছন্দ করা যেমন সে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে।"

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ السَّابِعُ
সপ্তম হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৬৯)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّ، بِقَرَاءتِي عَلَيْهِ، وَقِرَاءَةٍ عَلَيْهِ أَيْضًا، أَنْبَأَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ الْمَكْتَبُ، أَنْبَأَنَا أَمِينُ الْحَضْرَةِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْهَمَدَانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازُ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنُ عَبْدَوَيْهِ الْخَزَّازُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَرِيقٍ وَمَعَهُ أُنَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ، فَعَرَضَتْ لَهُ امْرَأَةٌ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لِي إِلَيْكَ حَاجَةٍ، قَالَ: «يَا أُمَّ فُلانٍ اجْلِسِي فِي أَدْنَى نَوَاحِي السِّكَكِ حَتَّى أَجْلِسَ إِلَيْكِ» ، فَفَعَلَتْ، فَجَلَسَ إِلَيْهَا حَتَّى قَضَتْ حَاجَتَهَا
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আল-মুসনিদ আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং তাঁর নিকট পঠিত অন্য এক পাঠের মাধ্যমেও—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মাদ আল-মাকতাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমীনুল হাদরা হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-হামাদানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আবদাওয়াইহ আল-খাযযায, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন বকর আস-সাহমি, আমাদের বর্ণনা করেছেন হুমাইদ; আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পথে ছিলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে কিছু লোক ছিলেন। তখন এক মহিলা তাঁর সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কাছে আমার একটি প্রয়োজন আছে।’ তিনি বললেন, ‘হে অমুকের মা! তুমি গলিপথের যেকোনো এক প্রান্তে বসো যাতে আমি তোমার কাছে বসতে পারি।’ অতঃপর মহিলাটি তা-ই করলেন এবং তিনিও তাঁর নিকট বসলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّامِنِ
অষ্টম হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৭৭)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْقَسْطَلانِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنُ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، فِي كِتَابِهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ، أَنْبَأَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ جَعْفَرٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " دَخَلْتُ الْجَنَّةَ فَإذَا أَنَا بِنَهْرٍ يَجْرِي، حَافَّتَاهُ خِيَامُ اللُّؤْلُؤِ، فَضَرَبْتُ يَدِي إلَى مَا يَجْرِي فِيهِ مِنَ الْمَاءَ، فَإذَا بِمِسْكٍ أَذْفَرَ، فَقُلْتُ: لِمَنْ هَذَا يَا جِبْرِيلُ؟ ، قَالَ: هَذَا الْكَوْثَرُ الَّذِي أَعْطَاكَهُ اللَّهُ تَعَالَى "
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-কাসতালানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ জাফর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুমাইদ, আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম এবং হঠাৎ একটি প্রবহমান নদী দেখতে পেলাম, যার দুই তীরে মুক্তার তাবু রয়েছে। এরপর আমি সেই প্রবহমান পানির মধ্যে আমার হাত দিলাম, তখন দেখা গেল সেটি ছিল অত্যন্ত সুগন্ধিযুক্ত কস্তুরী। আমি বললাম: হে জিবরাঈল! এটি কার জন্য? তিনি বললেন: এটি সেই কাউসার যা মহান আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।"
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ التَّاسِعُ
নবম হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৮৩)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الَّرَحِيم بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا الشَّيْخُ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعِرَاقِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبُ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو الْهَذِيلُ الْعَلاءُ بْنُ الْفَضْلُ الْمَنْقَرِيُّ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَكْرَاشٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: بَعَثَنِي بَنُو مُرَّةَ بْنِ عُبَيْدٍ بِصَدَقَاتِ أَمْوَالِهِمْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَدِمْتُ عَلَيْهِ الْمَدِينَةَ فَوَجَدْتُهُ جَالِسًا بَيْنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارِ، فَأَتَيْتُهُ بِإِبِلٍ كَأَنَّهَا عُرُوقُ الأَرْطَاةِ، فَقَالَ: «مَنِ الرَّجَلِ» ؟ ، فَقُلْتُ: عِكْرَاشُ بْنُ ذُؤَيْبٍ، قَالَ: «ارْفَعْ فِي النَّسَبِ» ، فَقُلْتُ: ابْنُ حَرْقُوصِ بْنُ جُعْدَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ النَّزَّالِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَهَذِهِ صَدَقَاتُ قَوْمِي، فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قَالَ: «هَذِهِ إِبِلُ قَوْمِي، هَذِهِ صَدَقَاتُ قَوْمِي» ، ثُمَّ أَمَرَ أَنْ تُوسَمَ بَمَيْسَمِ إِبِلِ الصَّدَقَةِ، وَتُضَمَّ إِلَيْهَا، ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي فَانْطَلَقَ بِي إِلَى مَنْزِلِ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «هَلْ مِنْ طَعَامٍ» ؟ فَأَتَيْنَا بِجَفْنَةٍ كَثِيرَةِ الثَّرِيدِ وَالْوَذْرِ، فَأَقْبَلْنَا نَأْكُلُ مِنْهَا، فَأَكَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِمَّا بَيْنَ يَدَيْهِ، وَجَعَلْتُ أُخَبِّطُ فِي نَوَاحِيهَا، فَقَبَضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ الْيُسْرَى عَلَى يَدِي الْيُمْنَى، ثُمَّ قَالَ: «يَا عِكْرَاشُ، كُلْ مِنْ مَوْضِعْ وَاحِدٍ فَإِنَّهُ مِنْ طَعَامٍ وَاحِدٍ» ، ثُمَّ أَتَيْنَا بِطَبَقٍ فِيهِ أَلْوَانٍ مِنْ رُطَبٍ، أَوْ تَمْرٍ، شَكَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِكْرَاشٍ رُطَبًا كَانَ أَوْ تَمْرًا، فَجَعَلْتُ آَكُلُ مِنْ بَيْنَ يَدِي، وَجَالَتْ يَدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الطَّبَقِ، ثُمَّ قَالَ: " يَا عِكْرَاشُ، كُلْ مِنْ حَيْثُ شِئْتَ فَإِنَّهُ مِنْ غَيْرِ لَوْنٍ وَاحِدٍ، ثُمَّ أَتَيْنَا بِمَاءٍ فَغَسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَيْهِ، ثُمَّ مَسَحَ بِبَلَلِ كَفَّيْهِ وَجْهَهُ، وَذِرَاعَيْهِ، وَرَأْسَهُ، ثُمَّ قَالَ: «يَا عِكْرَاشُ، هَذَا الْوُضُوءُ مِمَّا غَيَّرَتِ النَّارُ»

শেখ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহীম বিন আব্দুল মালিক আল-মাকদিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: শেখ উমর বিন মুহাম্মদ আল-ইরাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল আল-কাযী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুজাইল আল-আলা বিন আল-ফজল আল-মানকারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ বিন ইকরাশ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন—

তিনি বলেন: বনু মুররাহ বিন উবাইদ তাদের সম্পদের যাকাত নিয়ে আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রেরণ করলেন। আমি মদীনায় তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে মুহাজির ও আনসারদের মাঝে উপবিষ্ট অবস্থায় পেলাম। আমি এমন কিছু উট নিয়ে তাঁর কাছে আসলাম যেগুলো দেখতে যেন আর্থা গাছের শিকড়ের মতো লাল ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এই লোকটি কে?" আমি বললাম: ইকরাশ বিন যুয়াইব। তিনি বললেন: "তোমার বংশপরিচয় আরও বিস্তারিত বর্ণনা করো।" আমি বললাম: হারকুস বিন জুদাহ বিন আমর বিন আন-নাযযাল বিন মুররাহ বিন উবাইদের পুত্র। আর এগুলো আমার কওমের যাকাত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসলেন এবং বললেন: "এগুলো আমার কওমের উট, এগুলো আমার কওমের যাকাত।" এরপর তিনি নির্দেশ দিলেন যেন সেগুলোকে যাকাতের উটের চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলোর সাথে অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হয়।

এরপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামার ঘরে নিয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "কোনো খাবার আছে কি?" তখন আমাদের সামনে প্রচুর সারিদ (ঝোলযুক্ত রুটি) ও গোশতের টুকরা ভর্তি একটি বড় পাত্র আনা হলো। আমরা তা থেকে খেতে শুরু করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সামনের অংশ থেকে খেতে লাগলেন, আর আমি পাত্রের চারপাশ থেকে হাতড়িয়ে খেতে লাগলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাম হাত দিয়ে আমার ডান হাতটি ধরলেন এবং বললেন: "হে ইকরাশ, এক স্থান থেকে খাও, কারণ এটি একই ধরণের খাবার।"

এরপর আমাদের সামনে একটি থালা আনা হলো যাতে বিভিন্ন প্রকারের তাজা খেজুর বা শুকনো খেজুর ছিল—বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ বিন ইকরাশ সন্দেহ করেছেন যে তা তাজা খেজুর ছিল নাকি শুকনো খেজুর ছিল—আমি আমার সামনের অংশ থেকে খেতে লাগলাম, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত থালার বিভিন্ন দিকে ঘুরতে লাগল। এরপর তিনি বললেন: "হে ইকরাশ, তোমার যেখান থেকে ইচ্ছা সেখান থেকে খাও, কারণ এটি ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের।"

এরপর আমাদের নিকট পানি আনা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দুই হাত ধৌত করলেন। এরপর তিনি তাঁর দুই হাতের তালুর আর্দ্রতা দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল, দুই বাহু এবং মাথা মুছলেন। এরপর তিনি বললেন: "হে ইকরাশ, এটি হলো সেই অযু যা আগুনের ছোঁয়ায় পরিবর্তিত (রান্না করা) খাবারের কারণে করতে হয়।"

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الْعَاشِرُ
দশম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৯২)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ الْمُسْنِدُ بْنُ عَبْد الْمُنْعِم النَّمِيرِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْفَرْضِيِّ، أَنْبَأَنَا الْفَقِيهُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ البْصَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: عَطَسَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلانِ فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ، أَوْ فَسَمَّتَهُ وَلَمْ يُسَمِّتِ الآَخَرَ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلانِ فَشَمَّتَّ أَحَدَهُمَا وَلَمْ تُشَمِّتَ الآَخَرَ، فَقَالَ: «إِنَّ هَذَا حَمدَ اللَّهَ عز وجل فَشَمَّتُّهُ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدَ اللَّهَ فَلَمْ أُشَمِّتْهُ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, প্রধান ব্যক্তিত্ব, মুসনিদ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-নামিরি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী আস-সুফি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-ফারদি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন উমর। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-বাজজাজ। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-বসরি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলায়মান আত-তায়মি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন। তখন তিনি তাদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের হাঁচির উত্তর দিলেন না। জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, আপনি একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন অথচ অন্যজনের দিলেন না? তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি মহান আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির উত্তর দিয়েছি; আর ওই ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির উত্তর দিইনি।”
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشْرَ
একাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ৯৯)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ الشَّافِعِي، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي التَّقِي صَالِحُ الْمَسْجِدِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الرَّازِيُّ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عِيسَى السَّعْدِيُّ، عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بَطَّةَ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنِي كَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا رَاعِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ لَقِيَ اللَّهَ تَعَالَى يَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، وَآَمَنَ بِالْبَعْثِ وَالْحِسَابِ دَخَلَ الْجَنَّةَ» ، قَالَ الْبَغَوِيُّ فِيمَا رُوِّينَا عَنْهُ: حَدَّثَنَا عَمِّي سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: زَعَمُوا أَنَّ اسْمَ أَبِي سَلْمَى رَاعِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: حُرَيْثٌ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আব্বাস আহমাদ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ আশ-শাফিঈ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে আবিত তাকী সালিহ আল-মাসজিদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আর-রাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ঈসা আস-সা'দী, উবায়দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে বাত্তাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাবী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল ইবনে তালহা আল-জাহদারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে আব্দুস সামাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর রাখাল, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, সে সাক্ষ্য দেয় আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, আর সে পুনরুত্থান ও হিসাব-নিকাশের ওপর ঈমান রাখে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।» আল-বাগাবী তাঁর থেকে আমাদের বর্ণিত রেওয়ায়েতে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা সুলায়মান ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: তারা ধারণা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর রাখাল আবু সালমার নাম ছিল: হুরায়স।

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشْرَ
দ্বাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ১০৮)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْفَهْمِ الْيَلْدَانِيُّ، فِي كِتَابِهِ، وَأَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِم، بِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالا: أَنْبَأَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ التَّاجِرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا الرَّئِيسُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ الْخُلَدِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَحْرَمْنَا بِالْحَجِّ، قَالَ: فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ، قَالَ: «اجْعَلُوهَا عُمْرَةً» ، قَالَ: فَقَالَ النَّاسُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ أَحْرَمْنَا بِالْحَجِّ، فَكَيْفَ نَجْعَلُهَا عُمْرَةً؟ ، قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «انْظُرُوا مَا آَمُرَكُمْ بِهِ فَافْعَلُوا» ، قَالَ: فَرَدُّوا عَلَيْهِ الْقَوْلَ، فَغَضِبَ، ثُمَّ انْطَلَقَ حَتَّى دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها غَضْبَانَ، فَرَأَتِ الْغَضَبَ فِي وَجْهِهِ، فَقَالَتْ: مَنْ أَغْضَبَكَ أَغْضَبَهُ اللَّهُ؟ ، قَالَ: «وَمَا لِي لا أَغْضَبُ، وَأَنَا آَمُرُ الأَمْرَ فَلا أُتَّبَعُ»
আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবন আবিল ফাহম আল-ইয়ালদানি তাঁর কিতাবে এবং আবুল ফারাজ ইবন আবদিল মুনইম—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: ব্যবসায়ী আবুল ফারাজ ইবন আবদিল মুনইম ইবন আবদিল ওয়াহহাব আমাদের অবহিত করেছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; রাইস আবুল কাসিম আলী ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন বায়ান আমাদের অবহিত করেছেন; আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-খুলদি আমাদের অবহিত করেছেন; আবু আলী ইসমাঈল ইবন মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের অবহিত করেছেন; হাসান ইবন আরাফা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; আবু বকর ইবন আইয়্যাশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক আস-সাবিঈ থেকে এবং তিনি বারা ইবন আযিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং আমরা হজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। তিনি বলেন: যখন আমরা মক্কায় পৌঁছলাম, তখন তিনি বললেন: “তোমরা একে উমরায় পরিণত করো।” তিনি বলেন: তখন লোকেরা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো হজ্জের ইহরাম বেঁধেছি, তবে কীভাবে আমরা একে উমরায় পরিণত করব? তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “আমি তোমাদের যা আদেশ করছি তা দেখো এবং তা পালন করো।” তিনি বলেন: তারা তাঁর কথার প্রতিবাদ করল, ফলে তিনি রাগান্বিত হলেন। এরপর তিনি চলে গেলেন এবং রাগান্বিত অবস্থায় আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলেন। আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাঁর চেহারায় রাগের চিহ্ন দেখে বললেন: কে আপনাকে রাগান্বিত করেছে? আল্লাহ তাকে রাগান্বিত করুন। তিনি বললেন: “আমার কেন রাগ হবে না, যখন আমি কোনো নির্দেশ দিচ্ছি অথচ তা অনুসরণ করা হচ্ছে না?”
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشْرَ
ত্রয়োদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ১১৮)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ دَاوُدَ بْنِ عِزُّونَ الْغَزِّيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ سَعْدِ الْخَيْرِ الأَنْصَارِيَّةُ، قَالَتْ: قَرَأَ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْيُونَارْتِيُّ، عَلَى الشَّيْخَةِ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَحْمَدَ الْجَوْزَدَانِيَّةِ، وَأَنَا حَاضِرَةٌ أَسْمَعُ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمَّارُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْهِرْمَاسُ بْنُ زِيَادٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، وَأَنَا رَدِيفُ أَبِي وَهُوَ عَلَى نَاقَتِهِ الْعَضْبَاءِ يَوْمَ الأَضْحَى وَالنَّاسُ حَوْلَهُ، فَقُلْتُ لأَبِي: مَا يَقُولُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ ، قَالَ: يَقُولُ: «ارْمُوا الْجِمَارَ بِمِثْلِ حَصَى الْخَذْفِ»

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-তাহির ইসমাঈল ইবন আবদ আল-কাউয়ি ইবন দাউদ ইবন ইজ্জুন আল-গাজ্জি, তাঁর নিকট পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনত সাদ আল-খায়ের আল-আনসারিয়্যাহ, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবন মুহাম্মাদ আল-ইউনারতি শায়খা ফাতিমা বিনত আহমাদ আল-জাওযদানিয়্যাহর নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রাইযাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলায়মান ইবন আহমাদ আল-তাবারানি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-তাম্মার; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-ওয়ালিদ আল-তায়ালিসি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইকরিমাহ ইবন আম্মার, তিনি বলেন: আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন আল-হিরমাস ইবন যিয়াদ আল-বাহিলি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তখন আমি আমার পিতার পেছনে সওয়ার ছিলাম এবং তিনি তাঁর 'আল-আযবা' নামক উটনীর পিঠে আরোহী ছিলেন কুরবানির দিনে এবং মানুষ তাঁর চারপাশে ছিল। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী বলছেন? তিনি বললেন: তিনি বলছেন: «তোমরা খাযফ (আঙুলের সাহায্যে নিক্ষেপযোগ্য ছোট কঙ্কর) এর মতো কঙ্কর দিয়ে জামারাতে পাথর নিক্ষেপ করো»।

(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشْرَ
চতুর্দশ হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: ১২৯)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّايمِ بْنِ نِعْمَةَ، فِي كِتَابِهِ بِدِمَشْقَ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَنْبَأَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ الْبَغْدَادِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُهْتَدِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ شَاهِينَ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَحْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ كَوْثَر، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْفَضْلِ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا مِسْعَرُ بْنُ حَبِيبٍ الْجَرْمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرُو بْنُ سَلَمَةَ الْجَرْمِيُّ، قَالَ: لَمَّا وَفَدَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ يُصَلِّي لَنَا أَوْ بِنَا؟ ، قَالَ: «أَكْثَرُكُمْ قُرْآَنًا، أَخْذًا أَوْ جَمْعًا لِلْقُرْآَنِ» ، قَالَ: فَقَدِمُوا، فَسَأَلُوا فِي قَوْمِهِمْ، فَلَمْ يَجِدُوا أَحَدًا عِنْدَهُ مِنَ الْقُرْآنِ أَكْثَرَ مِمَّا أَخَذْتُ، فَقَدَّمُونِي، فَكُنْتُ أَؤُمُّهُمْ.

قَالَ مِسْعَرٌ: كَانَ يَؤُمُّهُمْ فِي مَسْجِدِهِمْ، وَيُصَلِّي عَلَى جَنَائِزِهِمْ
শায়খ আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুল দাইম ইবনে নিমা ৬৪৬ হিজরি সনে দামেস্কে স্বীয় কিতাবে আমাদের অবহিত করেছেন যে, আল-মুবারক ইবনুল মুবারক আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহতাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে শাহীন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বাহর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কাওসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনুল ফাযল আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর ইবনে হাবীব আল-জারমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমর ইবনে সালামাহ আল-জারমিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন একটি প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, তখন তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জন্য বা আমাদের নিয়ে কে সালাত আদায় করবে? তিনি বললেন: “তোমাদের মধ্যে যার কাছে কুরআন সবচেয়ে বেশি আছে, যে কুরআন বেশি গ্রহণ করেছে বা সংগ্রহ করেছে।” তিনি বলেন: অতঃপর তারা ফিরে গিয়ে তাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে খোঁজ নিলেন, কিন্তু তারা এমন কাউকে পেলেন না যার নিকট আমি যতটুকু গ্রহণ করেছি তার চেয়ে বেশি কুরআন রয়েছে। ফলে তারা আমাকেই সামনে এগিয়ে দিলেন এবং আমি তাদের ইমামতি করতাম।

মিসআর বলেন: তিনি তাদের মসজিদে তাদের ইমামতি করতেন এবং তাদের জানাজার সালাত পড়াতেন।
(খণ্ড: ১) আল-আহাদীসুত তুসায়িয়া লি ইবনে জামায়াহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسَ عَشْرَ
পঞ্চদশ হাদিস