(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون من رواية مالك عن نافع للسيوطي   (الجلال السيوطي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأربعون من رواية مالك عن نافع للسيوطي

المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911هـ)

الناشر: الصحابة للتراث - طنطا

الطبعة: الثانية، 1412هـ1991م

عدد الصفحات: 82

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সুয়ূতী বর্ণিত নাফে'র সূত্রে মালিকের রেওয়ায়েতে চল্লিশ হাদিস   (জালাল আল-সুয়ূতী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: সুয়ূতী বর্ণিত নাফে'র সূত্রে মালিকের রেওয়ায়েতে চল্লিশ হাদিস

লেখক: আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর، জালালুদ্দিন সুয়ূতী (মৃত্যু ৯১১ হিজরী)

প্রকাশক: আস-সাহাবাহ লিত-তুরাস - তান্তা

সংস্করণ: দ্বিতীয়، ১৪১২ হিজরী - ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮২

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১)
الأربعون حديثًا من رواية مالك، عن نافع، عن ابن عمر
ইবনে উমর হতে নাফে‘র মাধ্যমে ইমাম মালিকের বর্ণিত চল্লিশটি হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২)
‌‌الحديث الأول
প্রথম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৩)
1 - قرأت على أبي الفضل محمد بن عمر بن عمر الفاوي، قلت: أخبرني أبو العباس أحمد بن حسن السويدائي، أنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن خالد الفارقي سماعًا، أنا أبو القاسم عبد الصمد بن محمد الحرستاني، سماعًا، والمؤيد الطوسي إجازة، قالا: أنا أبو محمد عبد الله بن سهل بن عمر السيديّ، قَالَ الأول: إجازة، والثاني سماعًا، أنا أبو عثمان سعيد بن محمد بن أحمد النجيرمي، أنا أبو علي زاهر بن أحمد السرخسي، أنا أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الصمد الهاشمي، ثنا أبو مصعب أحمد بن أبي بكر الزهري، ثنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ كَأَنَّما وُتِرَ أَهْلَهُ، وَمَالَهُ»
১ - আমি আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন উমর বিন উমর আল-ফাভী-এর নিকট পাঠ করেছি। আমি বললাম: আমাকে আবুল আব্বাস আহমদ বিন হাসান আস-সুওয়াইদায়ী সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন খালিদ আল-ফারিকী শ্রবণের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ আল-হারিস্তানী শ্রবণের মাধ্যমে এবং আল-মুয়াইয়্যাদ আত-তূসী ইজাযাহর মাধ্যমে। তারা উভয়েই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন সাহল বিন উমর আস-সাইদী। প্রথমজন বলেছেন ইজাযাহর মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়জন শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আন-নাজীরামী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী জাহির বিন আহমদ আস-সারখাসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আবদুস সামাদ আল-হাশিমী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব আহমদ বিন আবি বকর আজ-জুহরী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যার আসরের নামাজ ছুটে গেল, তার অবস্থা যেন এমন যে তার পরিবার ও ধন-সম্পদ হরণ করা হয়েছে।’
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৪)
‌‌الحديث الثاني
দ্বিতীয় হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৫)
2 - وَبِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لا يَتَحَرّى أَحَدُكُمْ، فَيُصَلّي عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَلَا عِنْدَ غُرُوبها»
২ - এবং উক্ত সনদে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্যাস্তের সময় সালাত আদায়ের সংকল্প না করে (বা সময়টি বেছে না নেয়)»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৬)
‌‌الحديث الثالث
তৃতীয় হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৭)
3 - وَبِهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ، يَقُولُ: «إِنَّ الرّجالَ وَالنّساءَ كَانُوا يَتَوَضَّئُونَ فِي زَمانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِناءٍ وَاحدٍ»
৩ - এবং উক্ত সনদে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর বলতেন: «নিশ্চয়ই পুরুষ ও মহিলারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে একই পাত্র থেকে ওযু করতেন»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌الحديث الرابع
চতুর্থ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ৯)
4 - وَبِهِ، أَنَّ عَبْدَ الله بْنَ عُمَرَ أَذّنَ بِالصّلاةِ في لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ، فَقَالَ: «ألا صَلّوا في الرّحَالِ» ، ثم قَالَ: إِنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يأمُرُ المؤذّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ مَطَرٍ، يَقُولُ: «أَلا صَلُّوا فِي الرِّحَالِ»
৪ - এবং তাঁর মাধ্যমেই বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর এক প্রচণ্ড শীত ও প্রবল বায়ুপ্রবাহের রাতে সালাতের আজান দিলেন। এরপর তিনি ঘোষণা করলেন: "শোনো, তোমরা নিজ নিজ আবাসস্থলেই সালাত আদায় করো।" অতঃপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত শীতল ও বৃষ্টিবহুল রাতে মুয়াজ্জিনকে এই নির্দেশ দিতেন যে, সে যেন ঘোষণা করে: "শোনো, তোমরা নিজ নিজ আবাসস্থলেই সালাত আদায় করো।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌الحديث الخامس
পঞ্চম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১১)
5 - وبِه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنّما مَثلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ، كمثلِ صَاحِبِ الإِبِلِ المُعَقَّلَةِ، إنْ عَاهَدَ عَلَيْهَا أَمْسَكَهَا، وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ»
৫ - এবং তাঁর মাধ্যমে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই কুরআন ধারণকারীর উদাহরণ হলো কেবল রশি দিয়ে বাঁধা উটের মালিকের উদাহরণের ন্যায়; যদি সে সেটির নিয়মিত তদারকি করে তবে তাকে আটকে রাখতে সক্ষম হয়, আর যদি সে তাকে ছেড়ে দেয় তবে তা চলে যায়।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌الحديث السادس
ষষ্ঠ হাদীস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৩)
6 - وَبِهِ، " أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَلَاةِ اللّيْلِ، فَقَال رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ اللّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى، فَإذَا خَشِيَ أحَدُكُمُ الصُّبْحَ، صَلّى رَكْعَةً واحِدةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى»
৬ - এবং উক্ত সনদে বর্ণিত হয়েছে যে, "এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «রাতের সালাত দুই দুই রাকাত করে; অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সুবহে সাদিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করবে, তখন সে যেন এক রাকাত সালাত আদায় করে নেয়, যা তার ইতিপূর্বে আদায়কৃত সালাতকে বিতর (বিজোড়) করে দিবে»"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌الحديث السابع
সপ্তম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৫)
7 - وَبِهِ، أنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «صَلَاةُ الْجَماعَةِ أَفْضَلُ مِن صَلَاةِ الفَذِّ بِسَبْعٍ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً»
7 - এবং এই একই সূত্রে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «জামায়াতের সালাত একাকী সালাত অপেক্ষা সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদাপূর্ণ।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌الحديث الثامن
অষ্টম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৭)
8 - بِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَال: «إِذَا جَاءَ أَحَدُكُم الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ»
৮ - উক্ত সনদে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন জুমার সালাতে আসে, সে যেন অবশ্যই গোসল করে।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌الحديث التاسع
নবম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ১৯)
9 - وَبِهِ، " أنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى بُصَاقًا في جِدَارِ الْقِبْلَةِ فَحَكّهُ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلى النَّاسِ، فَقَالَ: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي، فَلَا يَبْصُقْ قِبَلَ وَجْهِهِ، فَإِنّ الله تبارك وتعالى قِبَلَ وَجْهِهِ إِذَا صَلَّى»
৯ - এবং এই সনদেই বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিবলার দেয়ালে থুতু দেখতে পেলেন এবং তা ঘষে পরিষ্কার করলেন। অতঃপর তিনি মানুষের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: «তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করে, সে যেন তার সামনের দিকে থুতু না ফেলে; কারণ সে যখন সালাত আদায় করে, তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তার সামনের দিকে থাকেন।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌الحديث العاشر
দশম হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২১)
10 - وَبِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كَانَ يُصَلّي قَبْلَ الظُّهْرِ رَكْعَتَيْنِ، وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ، وَبَعْدَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ، وَبَعْدَ صَلِاةِ الْعِشَاءِ رَكْعَتَيْنِ، وَكَانَ لَا يُصَلِّي بَعْدَ الجُمَعَةِ حَتَّى يَنْصَرِفَ فَيُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ»
১০ - এবং এই একই সনদে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের আগে দুই রাকাত এবং যোহরের পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পর নিজ ঘরে দুই রাকাত এবং এশার সালাতের পর দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। আর তিনি জুমার সালাতের পর (মসজিদ থেকে) ফিরে না আসা পর্যন্ত কোনো সালাত আদায় করতেন না, অতঃপর তিনি নিজ ঘরে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌الحديث الحادي عشر
একাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৩)
11 - بِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فَرضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ عَلى النّاسِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ عَلى كُلِّ حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ ذَكرٍ أو أُنْثَى مِنَ الْمُسْلِمِينَ»
১১ - তাঁর মাধ্যমে (বর্ণিত), নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের ওপর রমজানের জাকাতুল ফিতর এক সা‘ খেজুর অথবা এক সা‘ যব ফরজ করেছেন; প্রত্যেক স্বাধীন বা দাস, পুরুষ বা নারীর ওপর যারা মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌الحديث الثاني عشر
দ্বাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৫)
12 - وَبِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَمَضَانَ، فَقَالَ: «لَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلالَ، وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ»
১২ - এবং তাঁর সূত্রে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজান সম্পর্কে আলোচনা করলেন এবং বললেন: «তোমরা চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রেখো না এবং তা না দেখা পর্যন্ত রোজা ভঙ্গ করো না; আর যদি তোমাদের ওপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে তার হিসাব সম্পন্ন করো।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌الحديث الثالث عشر
ত্রয়োদশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৭)
13 - وَبِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَهى عَنِ الْوِصَالِ» ، قَالُوا: إِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «إِنّي لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ، إِنّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى»
১৩ - এবং উক্ত সনদে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিরবচ্ছিন্ন রোজা পালন করতে নিষেধ করেছেন। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি তো নিরবচ্ছিন্ন রোজা পালন করেন! তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মতো নই; আমাকে আহার করানো হয় এবং পান করানো হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌الحديث الرابع عشر
চতুর্দশ হাদিস
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা মিন রিওয়ায়াতি মালিক আন নাফি লি-সুয়ূতী (পৃষ্ঠা: ২৯)
14 - وَبِهِ، " أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْمَنَامِ فِي السَّبْعِ الْأَوَاخِرِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنِّي أَرَى رُؤْيَاكُمْ قَدْ تَوَاطَأَتْ فِي السَّبْعِ الْأَوَاخِرِ، فَمَنْ كَانَ مُتَحََرِّيَهَا فَلْيَتَحَرَّهَا فِي السَّبْعِ الْأَوَاخِرِ»
১৪ - এবং উক্ত সনদে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি স্বপ্নে শেষ সাত রাতের মধ্যে লাইলাতুল কদর দেখতে পান। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আমি দেখছি যে তোমাদের স্বপ্নগুলো শেষ সাত রাতের ব্যাপারে মিলে যাচ্ছে। সুতরাং যে ব্যক্তি এটি অনুসন্ধান করতে চায়, সে যেন শেষ সাত রাতে তা অনুসন্ধান করে।"