(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: -)
السبيكة الذهبية على المنظومة الرحبية - ضمن رسالتان في الفرائض القسم: الفرائض والوصايا
الكتاب: السبيكة الذهبية على المنظومة الرحبية [مطبوع ضمن: رسالتان في علم الفرائض]
المؤلف: فيصل بن عبد العزيز آل مبارك (ت 1376 هـ)
اعتنى به: محمد بن حسن بن عبد الله آل مبارك
الناشر: دار كنوز إشبيليا للنشر والتوزيع، المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1427 هـ - 2006 م
عدد الصفحات: 56
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 شعبان 1438
আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ আলাল মানজুমাতুর রাহবিয়্যাহ - ফারায়েজ সংক্রান্ত দুটি পুস্তিকার অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: ফারায়েজ (উত্তরাধিকার) ও অসিয়ত
গ্রন্থ: আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ আলাল মানজুমাতুর রাহবিয়্যাহ [মুদ্রিত হয়েছে: ইলমুল ফারায়েজ বিষয়ক দুটি পুস্তিকার মাঝে]
লেখক: ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ আল-মুবারক (মৃ. ১৩৭৬ হিজরি)
তত্ত্বাবধানে: মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন আব্দুল্লাহ আল-মুবারক
প্রকাশক: দার কুনুজে ইশবিলিয়া প্রকাশনা ও বিতরণ, সৌদি আরব রাজত্ব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৬
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৪ শাবান ১৪৩৮
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১)
رسالتان في علم الفرائض
الحجج القاطعة في المواريث الواقعة
السبيكة الذهبية على المنظومة الرحبية
تأليف
العلامة الشيخ/ فيصل بن عبد العزيز المبارك
رحمه الله
المتوفى عام 1376 هـ
اعتنى بهما
محمد بن حسن بن عبد الله المبارك
كنوز إشبيليا
للنشر والتوزيع
ইলমুল ফারায়েজ বা উত্তরাধিকার শাস্ত্রের দুটি রিসালাহ
সংঘটিত উত্তরাধিকার বিষয়ে অকাট্য প্রমাণাদি
মানজুমাতুর রাহবিয়্যাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থ: আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ
রচনায়
আল্লামা শায়খ ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ আল-মুবারক
রাহিমাহুল্লাহ
মৃত্যু ১৩৭৬ হিজরি
সম্পাদনায়
মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আব্দুল্লাহ আল-মুবারক
কুনুজে ইশবিলিয়া
প্রকাশনা ও বিতরণের জন্য
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২)
بسم الله الرحمن الرحيم
دار كنوز إشبيليا للنشر والتوزيع، 1425 هـ
فهرسة مكتبة الملك فهد الوطنية أثناء النشر
آل مبارك، فيصل بن عبد العزيز
رسالتان في علم الفرائض/ فيصل بن عبد العزيز آل مبارك
محمد حسن المبارك - الرياض، 1426 هـ
73 ص؛ 17 × 24 سم
ردمك: 4 - 17 - 701 - 9960
1 - المواريث
2 - التركات
أ. المبارك، محمد حسن (محقق)
ديوى 901.253
4271/ 1426 هـ
رقم الإيداع: 4271/ 1426 هـ
ردمك: 4 - 17 - 701 - 9960
جميع حقوق الطبع محفوظة
الطبعة الأولى
1427 هـ - 2006 م
دار كنوز إشبيليا للنشر والتوزيع
المملكة العربية السعودية ص. ب 27261 الرياض 11417
هاتف: 4742458 - 4773959 - 4794354 فاكس: 4787140
E-mail: eshbelia@hotmail.com
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
দার কুনুজ ইশবিলিয়া প্রকাশনা ও পরিবেশনা, ১৪২৫ হিজরি
প্রকাশনাকালীন কিং ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগারের ক্যাটালগিং
আল মুবারক, ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ
উত্তরাধিকার শাস্ত্র বিষয়ক দুটি রিসালাহ/ ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ আল মুবারক
মুহাম্মদ হাসান আল মুবারক - রিয়াদ, ১৪২৬ হিজরি
৭৩ পৃষ্ঠা; ১৭ × ২৪ সেমি
আইএসবিএন: ৪ - ১৭ - ৭০১ - ৯৯৬০
১ - উত্তরাধিকার আইন
২ - মৃত ব্যক্তির ত্যজ্য সম্পত্তি
আ. মুবারক, মুহাম্মদ হাসান (সম্পাদক)
ডিউই ৯০১.২৫৩
৪২৭১/ ১৪২৬ হিজরি
রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৪২৭১/ ১৪২৬ হিজরি
আইএসবিএন: ৪ - ১৭ - ৭০১ - ৯৯৬০
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
দার কুনুজ ইশবিলিয়া প্রকাশনা ও পরিবেশনা
সৌদি আরব রাজ্য, পি.ও. বক্স: ২৭২৬১, রিয়াদ ১১৪১৭
ফোন: ৪৭৪২৪৫৮ - ৪৭৭৩৯৫৯ - ৪৭৯৪৩৫৪ ফ্যাক্স: ৪৭৮৭১৪০
ই-মেইল: eshbelia@hotmail.com
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৩)
ترجمة المؤلفهو الشيخ العالم الورع الزاهد فيصل بن عبد العزيز بن فيصل بن حمد آل مبارك العلَّامة المحدث الفقيه المفسِّر الأصولي النحوي الفرضي.
- وُلِدَ رحمه الله في حريملاء عام 1313 هـ، فحفظ القرآن صغيرًا، ثمَّ طلب العلم على علماء حريملاء في وقته، ومنهم:
1 - جدِّه لأُمِّه الشيخ العالم الورع ناصر بن محمد الراشد رحمه الله.
2 - وعمِّه العلَّامة الشيخ محمد بن فيصل المبارك رحمه الله.
- ثمَّ طلب العلم على علماء الرياض، فأخذ الفقه عن فقهاء عصره مثل:
3 - الشيخ العلَّامة عبد الله بن عبد اللطيف آل الشيخ رحمه الله مفتي الديار النجدية.
4 - والشيخ العلَّامة المفتي محمد بن ابراهيم آل الشيخ رحمه الله.
5 - والعلامة الفقيه محمد بن عبد العزيز بن مانع رحمه الله.
6 - وأخذ علم الحديث عن محدِّث الوقت العلَّامة الشيخ سعد بن حمد بن عتيق رحمه الله.
7 - وأخذ علم النحو عن سيبويه عصره الشيخ حمد بن فارس رحمه الله.
8 - وأخذ علمَ الفرائض عن أفرض أهل زمانه الشيخ عبد الله بن راشد الجلعود رحمه الله.
وأخذ عن كثيرٍ غيرهم من أفذاذ العلماء رحمهم الله أجمعين.
إجازاته العلميَّة:أجازَهُ الشيخُ سعدُ بنُ حَمَدٍ بنِ عَتِيقٍ محدث الديار النجدية بتدريس أمهات كتب الحديث، وكذلك أمهات كتب مذهب الإمام أحمد.
-وكذلك أجازه الشيخ سعد إجازة خاصَّة في علم التفسير.
লেখকের জীবনীতিনি হলেন শাইখ, প্রাজ্ঞ আলেম, পরম পরহেজগার ও দুনিয়াবিমুখ ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ বিন ফয়সাল বিন হামাদ আল মুবারক; প্রথিতযশা পণ্ডিত, মুহাদ্দিস, ফকিহ, মুফাসসির, উসুলবিদ, ব্যাকরণবিদ ও ফারায়েয শাস্ত্রবিদ।
- তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) ১৩১৩ হিজরি সনে হুরাইমিলাতে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবেই তিনি কুরআন মুখস্থ করেন, এরপর তৎকালীন হুরাইমিলার আলেমদের কাছে ইলম অর্জন করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - তাঁর মাতামহ, আলেম ও পরহেজগার শাইখ নাসির বিন মুহাম্মদ আল-রাশিদ (রাহিমাহুল্লাহ)।
২ - তাঁর চাচা প্রাজ্ঞ পণ্ডিত শাইখ মুহাম্মদ বিন ফয়সাল আল-মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ)।
- এরপর তিনি রিয়াদের আলেমদের কাছে ইলম অর্জন করেন। তিনি তাঁর সমকালীন ফকিহদের থেকে ফিকহ শাস্ত্র গ্রহণ করেন, যেমন:
৩ - আল্লামা শাইখ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল লতিফ আল-শেখ (রাহিমাহুল্লাহ), যিনি নজদ অঞ্চলের মুফতি ছিলেন।
৪ - আল্লামা মুফতি শাইখ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-শেখ (রাহিমাহুল্লাহ)।
৫ - আল্লামা ফকিহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন মানি’ (রাহিমাহুল্লাহ)।
৬ - তিনি সে সময়ের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা শাইখ সাদ বিন হামাদ বিন আতিক (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট থেকে হাদিস শাস্ত্র গ্রহণ করেন।
৭ - তিনি তাঁর যুগের ‘সিবওয়াইহি’ (শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ) শাইখ হামাদ বিন ফারিস (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট থেকে নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্র গ্রহণ করেন।
৮ - তিনি তাঁর সময়ের সবচেয়ে বড় ফারায়েযবিদ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন রাশিদ আল-জালউদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট থেকে ফারায়েয শাস্ত্র গ্রহণ করেন।
এছাড়াও তিনি আরও অনেক বরেণ্য আলেমদের নিকট থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন, আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর দয়া করুন।
তাঁর ইলমি ইজাজতসমূহ:নজদ অঞ্চলের মুহাদ্দিস শাইখ সাদ বিন হামাদ বিন আতিক তাঁকে হাদিসের মূল গ্রন্থসমূহ এবং ইমাম আহমদের মাযহাবের মূল কিতাবসমূহ পাঠদানের ইজাজত প্রদান করেন।
-একইভাবে শাইখ সাদ তাঁকে তাফসির শাস্ত্রে বিশেষ ইজাজত প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৪)
- وأجازه كذلك الشيخ عبد الله بن عبد العزيز العنقري بجميع مرويَّاته.
- وقد أجازه الشيخ عبد العزيز النمر إجازةَ الفتوى عام 1333 هـ، وكان إذ ذاك في العشرين من عمره.
وقد أجازَهُ الشيخُ عبدُ العزيز النمْر إجازةَ الفتوى وهو في العشرين من عمره، وذلك عام 1333 هـ.
تلاميذه:تخرَّج على يدي الشيخ رحمه الله أجيالٌ من طلبة العلم، وليَ كثيرٌ منهم القضاء في عدَّة جهاتٍ.
من أبرزهم:1 - الشيخ إبراهيم بن سليمان الراشد رحمه الله قاضي الرياض ووادي الدواسر.
2 - الشيخ عبد الرحمن بن سعد بن يحيى رحمه الله قاضي الرياض وحريملاء.
3 - ابنُ عمِّه الشيخ فيصل بن محمد بن فيصل المبارك رحمه الله رئيس هيئة الحسبة وعضو مجلس الشورى بجدة.
4 - ابنُ عمِّه الشيخ سعد بن محمد بن فيصل المبارك رحمه الله قاضي وادي الدواسر ثم الوشم.
5 - الشيخ محمد المهيزع رحمه الله قاضي الرياض.
1 - الشيخ ناصر بن حمد الراشد رحمه الله رئيس ديوان المظالم.
* * *
مؤلفاته:للشيخ فيصل رحمه الله عِدَّة مؤلفات في جميع العلوم الشرعيَّة - تصل إلى ثلاثين مؤلَّفًا، وبعضُها في عِدَّة مجلَّدات، فمن كتبه "المطبوعة":
- এবং একইভাবে শায়খ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল-আনকারিও তাকে তার সকল বর্ণিত বিষয়ের ইজাজাহ প্রদান করেন।
- এবং শায়খ আবদুল আজিজ আন-নামর তাকে ১৩৩৩ হিজরি সালে ফতোয়া প্রদানের ইজাজাহ প্রদান করেন, তখন তার বয়স ছিল বিশ বছর।
আর শায়খ আবদুল আজিজ আন-নামর তাকে ফতোয়া প্রদানের ইজাজাহ প্রদান করেন যখন তার বয়স ছিল বিশ বছর, যা ছিল ১৩৩৩ হিজরি সাল।
তার ছাত্রগণ:শায়খের (রহিমাহুল্লাহ) হাতে ইলম অন্বেষণকারীদের বেশ কয়েকটি প্রজন্ম শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন এবং তাদের অনেকে বিভিন্ন অঞ্চলে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:১ - শায়খ ইবরাহিম বিন সুলাইমান আর-রাশিদ (রহিমাহুল্লাহ), রিয়াদ ও ওয়াদি আদ-দাওয়াসিরের বিচারক।
২ - শায়খ আবদুর রহমান বিন সাদ বিন ইয়াহইয়া (রহিমাহুল্লাহ), রিয়াদ ও হুরাইমিলার বিচারক।
৩ - তার চাচাতো ভাই শায়খ ফয়সাল বিন মুহাম্মদ বিন ফয়সাল আল-মুবারক (রহিমাহুল্লাহ), হাইআতুল হিসবাহর প্রধান এবং জেদ্দার শুরা কাউন্সিলের সদস্য।
৪ - তার চাচাতো ভাই শায়খ সাদ বিন মুহাম্মদ বিন ফয়সাল আল-মুবারক (রহিমাহুল্লাহ), ওয়াদি আদ-দাওয়াসির এবং পরবর্তীতে আল-ওয়াশমের বিচারক।
৫ - শায়খ মুহাম্মদ আল-মুহাইযা' (রহিমাহুল্লাহ), রিয়াদের বিচারক।
১ - শায়খ নাসির বিন হামাদ আর-রাশিদ (রহিমাহুল্লাহ), দিওয়ানুল মাজালিমের প্রধান।
* * *
তার রচনাবলী:শায়খ ফয়সালের (রহিমাহুল্লাহ) সমস্ত শরয়ী বিজ্ঞানে বেশ কিছু রচনা রয়েছে - যার সংখ্যা ত্রিশটি গ্রন্থ পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং এর মধ্যে কিছু একাধিক খণ্ডে সমাপ্ত। তার "মুদ্রিত" গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৫)
1. (توفيق الرحمن في دروس القرآن) في (أربع مجلدات).
2. (بستان الأحبار باختصار نيل الأوطار) في (مجلدين).
3. (خلاصة الكلام شرح عمدة الأحكام) في علم الحديث.
4. (مختصر الكلام على بلوغ المرام) في علم الحديث.
5. (تطريز رياض الصالحين) في علم الحديث.
6. (مفاتيح العربية شرح الآجرُّوميَّة) في علم النحو.
ولهُ رحمه الله الكثيرُ من المؤلفات التي لم تطبع بعد.
الشيخ فيصل وجهوده الفقهيَّه:اعتنَى الشيخُ رحمه الله بالتصنيف في علم الفقه، -لا سيَّما في أُخريات حياته رحمه الله، فألف في ذلك:
1 - (كلمات السداد على متن زاد المستقنع) للحجاوي (مطبوع).
2 - (المرتع المشبع شرح مواضع من الروض المربع) مخطوط في أربع مجلدات كبيرة.
3 - (مختصر المرتع المشبع) مخطوط، في مجلد.
4 - (مجمع الجوادِّ (1) شرح الزاد) مخطوط.
5 - كما ألَّف الشيخ رحمه الله في علم أصول الفقه رسالة قيِّمة بعنوان: (مقام الرشاد بين التقليد والاجتهاد) -طُبِعَت مرارًا-.
6 - وكذلك ألَّفَ الشيخ رحمه الله في الفقه الحديثي: (شرح الدرر البهيَّة) وهو مخطوط.
--------------------------------------------
১. (তাওফিকুর রহমান ফি দুরুসিল কুরআন) - (চার খণ্ডে)।
২. (বুস্তানুল আহবার বি-ইখতিসার নাইলুল আওতার) - (দুই খণ্ডে)।
৩. (খুলাসাতুল কালাম শারহু উমদাতিল আহকাম) - হাদিস শাস্ত্রে।
৪. (মুখতাসারুল কালাম আলা বুলুগিল মারাম) - হাদিস শাস্ত্রে।
৫. (তাতরিজু রিয়াদুস সালিহীন) - হাদিস শাস্ত্রে।
৬. (মাফাতিহুল আরাবিয়্যাহ শারহুল আজুররুমিয়্যাহ) - নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রে।
আল্লাহ তাঁকে রহম করুন, তাঁর আরও অনেক গ্রন্থ রয়েছে যা এখনও মুদ্রিত হয়নি।
শায়খ ফয়সাল ও তাঁর ফিকহী প্রচেষ্টা:শায়খ (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) ফিকহ শাস্ত্রে গ্রন্থ রচনায় বিশেষ মনোনিবেশ করেছিলেন - বিশেষ করে তাঁর জীবনের শেষ সময়ে (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন), এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন:
১ - আল-হাজ্জাউয়ি রচিত (কালিমাতুস সাদাদ আলা মাতনি যাদিল মুসতাকনি) - (মুদ্রিত)।
২ - (আল-মারতাউল মুশবি শারহু মাওয়াদিয় মিনুর রওদিল মুরবি) - চার বিশাল খণ্ডে পাণ্ডুলিপি।
৩ - (মুখতাসারুল মারতাউল মুশবি) - পাণ্ডুলিপি, এক খণ্ডে।
৪ - (মাজমাউল জাওয়াদ্দ (১) শারহুজ যাদ) - পাণ্ডুলিপি।
৫ - এছাড়াও শায়খ (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে একটি মূল্যবান পুস্তিকা রচনা করেছেন যার শিরোনাম: (মাকামুর রাশাদ বাইনাত তাকলিদ ওয়াল ইজতিহাদ) - যা বহুবার মুদ্রিত হয়েছে।
৬ - অনুরূপভাবে শায়খ (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) হাদিস ভিত্তিক ফিকহ বিষয়ে রচনা করেছেন: (শারহুদ দুরারিল বাহিয়্যাহ) যা একটি পাণ্ডুলিপি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৬)
أمَّا في علم الفرائض:
فقد اشتُهِر عن الشيخ فيصل رحمه الله معرفتُهُ وإتقانُه التامُّ لعلم الفرائض، لا سيَّما وقد نخرَّج في هذا العلم على فرضيِّ عصره الشيخ عبد الله بن راشد الجلعود رحمه الله ولازَمَهُ ملازمةً تامَّة.
- وقد ألَّف الشيخ فيصل رحمه الله في هذا الباب من علم الفقه رسالتين، هُما:
7 - "السبيكة الذهبية على منظومة الرحبية
8 - (الحجج القاطعة في المواريث الواقعة)
وفاتُه:ولي الشيخ فيصل القضاء في عِدَّة بلدان، كان آخِرها منطقة الجوف، والتي توفي بها في السادس عشر من ذي القعدة من عام 1376 هـ، عن ثلاثةٍ وستين عامًا قضاها في الدعوة إلى الله وفي الجهاد، وفي العلم والتعليم والتصنيف رحمه الله (1).
--------------------------------------------
ইলমুল ফারায়েজ বা উত্তরাধিকার শাস্ত্র প্রসঙ্গে:
শায়খ ফয়সাল (রহিমাহুল্লাহ) ইলমুল ফারায়েজে তাঁর জ্ঞান ও পূর্ণ দক্ষতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে তিনি এই শাস্ত্রে তাঁর সমসাময়িক কালের শ্রেষ্ঠ ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ শায়খ আব্দুল্লাহ বিন রাশিদ আল-জালউদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ সময় তাঁর সান্নিধ্যে অতিবাহিত করেন।
- শায়খ ফয়সাল (রহিমাহুল্লাহ) ফিকহ শাস্ত্রের এই অধ্যায়ে দুটি পুস্তিকা রচনা করেছেন, সেগুলো হলো:
৭ - "আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ আলা মানজুমাতিল রাহবিয়্যাহ"
৮ - (আল-হুজাজুল কাতিয়াহ ফিল মাওয়ারিছিল ওয়াকি'য়াহ)
তাঁর মৃত্যু:শায়খ ফয়সাল বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন, যার শেষটি ছিল আল-জাওফ অঞ্চল। সেখানেই তিনি ১৩৭৬ হিজরির ১৬ই জিলকদ মাসে তেষট্টি বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তাঁর এই দীর্ঘ জীবন তিনি আল্লাহর পথে দাওয়াত, জিহাদ, জ্ঞান অর্জন, শিক্ষাদান এবং গ্রন্থ রচনার কাজে অতিবাহিত করেন। আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৭)
1 - التعريف بالرسالة الأولى:الرسالة الأولى هي: شرح لمنظومة "الرَّحبية" في الفرائض، و"الرَّحبية" هي نظمٌ مشهور ومتنٌ محبورٌ، ألَّفَهُ الفقيه العالم محمد بن علي بن محمد الرَّحبي الشافعي المتوفي عام 775 هـ رحمه الله تعالى، وقد اشتهرت هذه المنظومة حتى صارت كالمدخَلِ إلى علمِ الفرائض، لا يستغنِي عنها طالبٌ لهذا العلم، وذلك لحلاوةِ نظمِها، ومتانةِ عِباراتها واستيعابها لأصول علم الفرائض.
- وقد شرحَها الشيخُ فيصل آل مبارك شرحا ميسَّرًا مختصرًا في هذه الرسالة التي أسماها "السبيكة الذهبية على منظومة الرحبية"، إلا أنَّ هذا الشرحَ -مع اختصارِه- يحتوي على توضيحٍ لمهمَّاتِ هذا الفنِّ، وتحريرٍ لأهمَّ مباحثِه، مع التنبيه بأمثلة ومسائل مناسبة للمتعلِّم، باوضح إشارة وأدقِّ عبارة.
طبعات الرسالة
- صدرت هذه الرسالة في عام 1379 هـ عن "المكتبة الأهلية"، وفي عام 1406 هـ قامت "دار العليان" بالقصيم بإعادة طبعها، ثم في عام 1419 هـ قامت "دار الأرقم" بطباعتها بعنايةِ وتحقيقِ الأستاذ عبد الله الزاحم -أثابهُ الله-، والذي قام مشكورًا بتخريج الآيات والأحاديث، ووضْع بعض التعليقات القيِّمةِ والمناسبة، كما أنَّ الرسالة قد طُبِعت قديمًا ضمن مجموعة "الرسائل الكمالية".
عملي في الرسالة:
- لدى تحقيقي للرسالة وجَّهتُ اهتمامي إلى العنايةِ بضبط النص وتحريرِ عِباراتِه كما أنشأها المؤلف، وذلك قَدْرَ الإمكان.
- وقد اعتمدتُ -لدَى التحقيق- نسخةً خَطيَّةً للرسالةِ، مكتوبةَ في حياةِ المؤلف، تقَعُ في سبعِ ورقات، مكتوبةً بخط دقيق، إلَّا أنَّ هذه "المخطوطةَ" ناقصةٌ، حيث
১ - প্রথম রিসালাহ (পুস্তিকা)-র পরিচিতি:প্রথম রিসালাহটি হলো: ফারায়েয (উত্তরাধিকার আইন) বিষয়ক "আর-রাহবিয়্যাহ" কাব্যগ্রন্থের একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ। "আর-রাহবিয়্যাহ" একটি প্রসিদ্ধ কাব্য এবং একটি চমৎকার মূলপাঠ (মাতন), যা ফকীহ ও আলিম মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ আর-রাহবী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৭৭৫ হিজরি, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) রচনা করেছেন। এই কাব্যগ্রন্থটি এতটাই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে যে, এটি ফারায়েয শাস্ত্রের প্রবেশদ্বার হিসেবে গণ্য হয়। এই শাস্ত্রের কোনো শিক্ষার্থীই এটি ছাড়া চলতে পারে না, কারণ এর ছন্দের মাধুর্য, এর বাক্যগুলোর দৃঢ়তা এবং ফারায়েয শাস্ত্রের মূলনীতিগুলোকে এর অন্তর্ভুক্ত করার বিশেষ গুণ রয়েছে।
- শেখ ফয়সাল আল-মুবারক এই রিসালাহটিতে গ্রন্থটির একটি সহজ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, যার নাম তিনি দিয়েছেন "আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ আলা মানযুমাতিল রাহবিয়্যাহ"। তবে এই ব্যাখ্যাটি সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও এতে এই শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর স্পষ্টীকরণ এবং এর প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর নির্যাস রয়েছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত উদাহরণ ও মাসআলাসমূহের মাধ্যমে অত্যন্ত স্পষ্ট ইঙ্গিত ও সূক্ষ্ম অভিব্যক্তিতে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
রিসালাহটির মুদ্রণসমূহ
- এই রিসালাহটি ১৩৭৯ হিজরিতে "আল-মাকতাবাতুল আহলিয়্যাহ" থেকে প্রকাশিত হয়। ১৪০৬ হিজরিতে কাসিমের "দারুল উলায়ান" এটি পুনরায় মুদ্রণ করে। এরপর ১৪১৯ হিজরিতে উস্তাদ আবদুল্লাহ আয-যাহিম—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন—এর তত্ত্বাবধান ও সম্পাদনায় "দারুল আরকাম" এটি প্রকাশ করে। তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে আয়াত ও হাদিসগুলোর তাখরিজ (উৎস নির্দেশ) করেছেন এবং কিছু মূল্যবান ও উপযুক্ত টীকা যুক্ত করেছেন। এছাড়াও রিসালাহটি পূর্বে "আর-রাসাইলুল কামালিয়্যাহ" সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছিল।
রিসালাহটিতে আমার কাজ:
- রিসালাহটি সম্পাদনার সময় আমি মূল পাঠের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং লেখক যেভাবে বাক্যগুলো রচনা করেছিলেন, সেভাবেই তা পরিমার্জিত করার প্রতি সাধ্যমতো মনোনিবেশ করেছি।
- সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমি রিসালাহটির একটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, যা লেখকের জীবদ্দশায় লেখা হয়েছিল। এটি সাত পৃষ্ঠার এবং সূক্ষ্ম হস্তাক্ষরে লিখিত। তবে এই পাণ্ডুলিপিটি অসম্পূর্ণ, যেখানে...
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৮)
وصَلَ كاتبُها إلى آخر باب "الحجب"، أي أنَّه قد نسخَ ثلاثةَ أخماس الرسالة تقريبًا، وهي التي تحتوي لِحُسْنِ الحظِّ على أهمِّ المباحث الفرضيَّة، بينما يغلُبُ على الجُزءِ الباقي من الرسالة ضربُ المسائلِ والأمثلةِ الفَرَضِيَّة.
ويظهرُ أنَّ كاتبَ هذه النسخة هو أحدُ تلامذةِ المؤلِّف، إذ وُجدت ضِمنَ أوراقٍ للمؤلِّف رحمه الله، وبناءً على هذه النسخة الخطيَّة فقد صوَّبتُ -وللهِ الحَمدُ- بعضَ العباراتِ التي تحرَّفَت في الطبعات السابقة.
- ثمَّ اعتمدتُ في الجُزءِ المتبَّقِي من الرسالة طبعة "المكتبة الأهلية" لها، -وهي طبعةٌ قديمَةٌ نادِرَةٌ-، حيث أنَّها الأقدَمُ والأتقَن والأصلُ للطبعات اللاحقة.
2 - التعريف بالرسالة الثانية:الرسالة الثانية هي: رسالة (الحجج القاطعة في المواريث الواقعة)، ومنها مخطوطة في مكتبة الملك فهد - تصنيف رقم (252/ 3).
طبعات الرسالة:
- وهذه الرسالة قد طُبِعت ثلاث مرَّاتٍ تحت اسم (الدلائل القاطعة) - ضمن مجموع (المختصرات النافعة) للشيخ فيصل، أولاها عام 1369 هـ، وثانيها عام 1371 هـ، وآخرها عام 1405 هـ عن دار طيبة، ويحتوي هذا المجموع على أربع مختصرات، هي:
أ / (مفتاح العربية على متن الآجرومية) ومنهُ -مُفرَدًا- مخطوطةٌ في مكتبة الملك فهد بعنوان "مفاتيح العربية" بخط الشيخ رحمه الله.
ب/ (الدلائل القاطعة في المواريث الواقعة).
ج / (غذاء القلوب ومفرج الكروب).
د/ (تعليم الأحبّ أحاديث النووي وابن رجب).
এর লেখক 'আল-হাজব' (উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিতকরণ) অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছেন, যার অর্থ হলো তিনি পুস্তিকাটির প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ প্রতিলিপি করেছেন। সৌভাগ্যক্রমে, এই অংশটিই ফরায়েয শাস্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেখানে পুস্তিকাটির অবশিষ্ট অংশে মূলত ফরায়েযের গাণিতিক সমস্যা এবং উদাহরণগুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
প্রতীয়মান হয় যে, এই পাণ্ডুলিপির লেখক গ্রন্থকারের জনৈক ছাত্র ছিলেন, কারণ এটি মরহুম গ্রন্থকারের কাগজপত্রের মাঝেই পাওয়া গেছে। এই হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে আমি—সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য—পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোতে বিকৃত হয়ে যাওয়া কিছু বাক্য সংশোধন করেছি।
- এরপর পুস্তিকাটির অবশিষ্ট অংশের জন্য আমি এর 'আল-মাকতাবাতুল আহলিয়্যাহ' সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি—যা একটি বিরল প্রাচীন সংস্করণ—কেননা এটিই ছিল পরবর্তী সংস্করণগুলোর জন্য সবচেয়ে প্রাচীন, নির্ভুল এবং মূল উৎস।
২ - দ্বিতীয় পুস্তিকাটির পরিচয়:দ্বিতীয় পুস্তিকাটি হলো: 'আল-হুজাজুল কাতিআহ ফিল মাওয়ারিছিল ওয়াকিআহ' নামক পুস্তিকা। এর একটি পাণ্ডুলিপি কিং ফাহাদ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে - যার শ্রেণীবদ্ধকরণ নম্বর (২৫২/ ৩)।
পুস্তিকাটির মুদ্রণসমূহ:
- এই পুস্তিকাটি শেখ ফয়সালের সংকলন 'আল-মুখতাসারাতুন নাফিআহ'-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে 'আদ-দালাইলুল কাতিআহ' নামে তিনবার মুদ্রিত হয়েছে। এর প্রথম সংস্করণটি ১৩৬৯ হিজরিতে, দ্বিতীয়টি ১৩৭১ হিজরিতে এবং সর্বশেষটি ১৪০৫ হিজরিতে দার তাইয়্যেবা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এই সংকলনটিতে চারটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা রয়েছে, যা হলো:
ক / 'মিফতাহুল আরাবিয়্যাহ আলা মাতনিল আজরুমিয়্যাহ'। এর একটি স্বতন্ত্র হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি কিং ফাহাদ লাইব্রেরিতে 'মাফাতিহুল আরাবিয়্যাহ' শিরোনামে মরহুম শেখের নিজ হাতে লেখা অবস্থায় বিদ্যমান।
খ / 'আদ-দালাইলুল কাতিআহ ফিল মাওয়ারিছিল ওয়াকিআহ'।
গ / 'গিযাউল কুলুব ওয়া মুফাররিজুল কুরুব'।
ঘ / 'তালীমুল আহাব্ব আহাদীছান নাবাওয়ী ওয়াবনি রাজাব'।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৯)
عملي في الرسالة:
أ- اعتمدت لدى تحقيقي للرسالة تلك النسخة المخطوطة المشار إليها، فجعلتها الأصل، إذ فيها زياداتٌ كثيرةٌ على المطبوعة ضمن "مجموع المختصرات النافعة"، مع المقارنةِ بينَهُما.
ب- أوردتُ زياداتِ النسخةِ المطبوعةِ على المخطوطةِ، وجعلتُها بين معقوفتَين [
… ]، وذلك للتمييزِ بين النسختَين، إذ في كلِّ منهما زياداتٌ على الأخرَى.
ج- أدرجتُ عناوين فرعية لبعض المباحث الفرضية، وجعلتها بين قوسين (
… ). وعلى الله قَصْدُ السَّبيلِ، وبهِ المستَعان، وعليه التُّكلان، وصَلَّى الله وسلَّمَ وبارَكَ على نبيِّنا محمدٍ، وعلى آلِهِ وصحبهِ أجمعِين.
محمد بن حسن المبارك
الرياض
এই পুস্তিকায় আমার কাজ:
ক- এই পুস্তিকাটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমি উল্লিখিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি এবং সেটিকে মূল পাঠ হিসেবে নির্ধারণ করেছি; কারণ এতে "মাজমুউল মুখতাসারাতিন নাফিআহ"-এর অন্তর্ভুক্ত মুদ্রিত সংস্করণের তুলনায় অনেক পরিবর্ধন রয়েছে, পাশাপাশি আমি উভয় সংস্করণের মধ্যে তুলনাও করেছি।
খ- পাণ্ডুলিপির পাঠের বাইরে মুদ্রিত সংস্করণে থাকা অতিরিক্ত অংশগুলো আমি এতে সন্নিবেশিত করেছি এবং সেগুলোকে বর্গাকার বন্ধনী [
… ]-র ভেতরে রেখেছি যাতে দুই সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য করা যায়; কেননা উভয় সংস্করণের প্রত্যেকটিতেই অপরটির তুলনায় কিছু অতিরিক্ত পাঠ রয়েছে।
গ- আমি কিছু তাত্ত্বিক আলোচনার জন্য উপ-শিরোনাম যুক্ত করেছি এবং সেগুলো প্রথম বন্ধনী (
… )-র ভেতরে রেখেছি। আল্লাহর কাছেই সঠিক পথের প্রার্থনা করি, তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয় এবং তাঁর ওপরই ভরসা। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সহচরদের ওপর আল্লাহর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক।
মুহাম্মদ বিন হাসান আল-মুবারক
রিয়াদ
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১০)
صورة الورقة الأولى من مخطوطة السبيكة الذهبية
আস-সাবিকাতুজ জাহাবিয়্যাহ পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১১)
صورة الورقة الأخيرة من مخطوطة السبيكة الذهبية
আস-সাবিকাহ আদ-দাহাবিয়্যাহ পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠার ছবি।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১২)
صورة الورقة الأولى من مخطوطة الحجج القاطعة
'আল-হুজাজ আল-কাতিয়াহ' পাণ্ডুলিপির প্রথম পাতার চিত্র।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
صورة الورقة الأخيرة من مخطوطة الحجج القاطعة
আল-হুজাজুল কাতিয়াহ পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠার চিত্র।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
1 - الرسالة الأُولَى:
السبيكة الذهبيَّة على المنظومة الرحبية
تأليف:
العلَّامة الشيخ فيصل بن عبد العزيز آل مبارك
رحمه الله المتوفي عام 1376 هـ
(طبعَة مُنقّحة ومُحرَّرة ومُقابَلة على نسخةٍ خطِيَّة)
1 - প্রথম রিসালাহ:
মানজুমাতুর রাহবিয়্যাহর ওপর স্বর্ণখণ্ড
রচনা:
আল্লামা শায়খ ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ আল-মুবারক
আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন, ১৩৭৬ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন
(পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে সম্পাদিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ)
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وبه نستعين، ولا حول ولا قوَّة إلَاّ بالله العلي العظيم
1 - أَوَّلُ مَا نَسْتَفْتِحُ الْمَقالا
… بِذِكْرِ حَمْدِ رَبَّنَا تَعَالى
2 - فَالْحمْدُ للهِ عَلَى مَا أَنْعَمَا
… حَمْداً بِهِ يَجْلُو عَن الْقَلْبِ الْعَمَى
3 - ثُمَّ الصَّلَاةُ بَعْدُ وَالْسَّلَامُ
… عَلَى نَبيٍّ دِينُهُ الإِسْلامُ
4 - مُحَمَّدٍ خَاتِمِ رُسْلِ رَبِّه
… وَآلهِ مْنْ بَعْدِهِ وَصَحْبِهِ
5 - وَنَسْأَلُ اللهَ لَنَا الإِعَانَهْ
… فِيما تَوَخَّيْنَا مِنَ الإِبَانَهْ
6 - عَنْ مَذهَب الإِمَام زَيْدِ الفَرَضِي
… إذْ كانَ ذَاكَ مِنْ أَهَمِّ الْغَرَضِ
7 - عِلْماً بأَنَّ الْعِلْمَ خَيْرُ مَا سُعِي
… فِيهِ وَأَوْلَى مَا لَهُ الْعَبْدُ وُعِي
ابتدأَ المصنفُ رحِمه الله تعالى كتابَه بالبسملَة، اقتداءً بالكتاب العزيز، وعَملاً بحديثِ: «كلُّ أمرٍ ذي بالٍ لا يُبْدأُ فيه " بِبسم الله" فَهُوَ أَبْتَر»، أي: قليلُ البركة. وقد قال صلى الله عليه وسلم: «العلمُ ثلاث: آيةٌ محكمةٌ، أو سُنَّةٌ قائمة، أو فريضةٌ عادلة، وما سِوَى ذلك فهُو فضلٌ».
والفرائض: هي المواريثُ المذكورةُ في قولِ الِله تعالَى: {يُوصِيكُمُ اللهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الأُنثَيَيْنِ} [النساء: 11] الآيات، وفي قوله تعالَى: {يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ} [النساء: 176] إلى آخرِ السُّورَة، فلا بُدَّ للطالب من حفظِها (1)؛ لتكونَ لَهُ أصلاً يَرجِعُ إليه.
--------------------------------------------
আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি; আর সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো সামর্থ্য ও শক্তি নেই।
১ - আলোচনার প্রারম্ভেই আমরা যা দিয়ে শুরু করছি
… তা হলো আমাদের মহান প্রতিপালকের প্রশংসার স্মরণ।
২ - সুতরাং আল্লাহরই জন্য সকল প্রশংসা তাঁর সকল নিয়ামতের ওপর
… এমন প্রশংসা যার দ্বারা তিনি অন্তরের অন্ধত্ব দূর করে দেন।
৩ - অতঃপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক
… সেই নবীর ওপর যাঁর দ্বীন হলো ইসলাম।
৪ - মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), যিনি তাঁর প্রতিপালকের প্রেরিত রাসূলগণের সমাপ্তিকারী
… এবং তাঁর পরবর্তী তাঁর পরিবার-পরিজন ও সঙ্গীদের ওপর।
৫ - আর আমরা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি
… যা আমরা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করার সংকল্প করেছি সেই বিষয়ে।
৬ - ফারায়েজ বিশারদ ইমাম যায়েদের মাযহাব বর্ণনার ক্ষেত্রে
… যেহেতু এটিই আমাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
৭ - এই জ্ঞান সহকারে যে, জ্ঞানই হলো সর্বোত্তম বিষয় যার জন্য প্রচেষ্টা চালানো যায়
… এবং বান্দার জন্য যা অনুধাবন করা সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত।
গ্রন্থকার (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) সম্মানিত কিতাব (কুরআন)-এর অনুসরণ করে এবং এই হাদিসের ওপর আমল করে 'বিসমিল্লাহ'র মাধ্যমে তাঁর গ্রন্থ শুরু করেছেন: "প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা 'বিসমিল্লাহ' দ্বারা শুরু করা হয় না, তা লেজকাটা (বরকতহীন)।" অর্থাৎ, বরকত কম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন: "ইলম বা জ্ঞান হলো তিনটি: সুস্পষ্ট আয়াত, অথবা প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ, অথবা ইনসাফপূর্ণ ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন); এছাড়া যা আছে তা অতিরিক্ত বিষয়।"
আর ফারায়েজ হলো সেই উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান যা আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে উল্লিখিত হয়েছে: {আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান} [সূরা আন-নিসা: ১১] আয়াতসমূহ, এবং আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে: {লোকেরা আপনার কাছে সমাধান চায়; আপনি বলুন: আল্লাহ তোমাদের 'কালালাহ' (পিতামাতা ও সন্তানহীন মৃত ব্যক্তি) সম্পর্কে সমাধান দিচ্ছেন} [সূরা আন-নিসা: ১৭৬] সূরার শেষ পর্যন্ত। অতএব, শিক্ষার্থীর জন্য এগুলো মুখস্থ করা অপরিহার্য (১); যাতে এটি তার জন্য একটি মূলভিত্তি হিসেবে থাকে যার দিকে সে প্রত্যাবর্তন করতে পারে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
8 - وَأَنَّ هَذَا الْعِلْمَ مَخْصُوصٌ بِمَا
… قَدْ شَاعَ فيهِ عِنْدَ كُلِّ الْعُلَمَا
9 - بأَنَّهُ أَوَّلُ عِلْمٍ يُفْقَدُ
… في الأَرْضِ حَتَّى لَا يَكادُ يُوجَدُ
10 - وَأَنَّ زَيْداً خُصَّ لَا مَحَالَهْ
… بَمَا حَبَاهُ خَاتَمُ الرِّسَالَهْ
11 - مِنْ قَوْلِهِ في فَضْلَهِ مُنَبِّهاً
… أَفْرضُكُمْ زَيْدٌ وَنَاهِيكَ بِهَا
12 - فَكانَ أَوْلَى باتِّبَاعِ التَّابِعِ
… لَا سِيَّمَا وَقَدْ نَحَاهُ الشَّافِعِي
13 - فَهَاكَ فيهِ الْقَوْلَ عَنْ إِيجَازِ
… مُبَرَّأً عَنْ وَصْمَةِ الإلْغَازِ
قال النبي صلى الله عليه وسلم: «تَعَلَّمُوا القُرآن وعَلِّموه النَّاس، وتَعَلَّموا الفَرَائض وعَلِّموها النَّاس، فإِني امرؤٌ مَقْبوض، ويُوشِكُ أنْ يَخْتَلِفَ الرَجُلان في الفَرِيضَة فَلا يَجِدَان من يَفْصِلُ بَيْنَهُما».
- واعلم أنه يتعلَّقُ بتركةِ الميت خَمسةُ حقوقٍ مرتَّبةٍ:
الأول: الحقُّ المتعلقُ بعين التركة كالرهن ونحوه.
الثاني: مؤونة تجهيزه.
الثالث: الدَّيْن.
الرابع: الوصيَّةُ.
الخامس: الإرْثُ.
وقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: «اقْسِموا المَال بَيْن أهْلِ الفرائضِ على كتابِ اللهِ تعالَى، فَمَا أبْقَتْ الفرائضُ فهُوَ لأَوْلَى رَجُلٍ ذَكَرٍ».
৮ - আর নিশ্চয়ই এই ইলম এমন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী... যা সমস্ত আলেমদের নিকট প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।
৯ - যে এটিই প্রথম ইলম যা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে... এমনকি এটি পাওয়াই দুষ্কর হয়ে পড়বে।
১০ - আর জায়েদ (রা.) নিশ্চিতভাবেই সেই বৈশিষ্ট্যে ভূষিত হয়েছেন... যা রিসালাতের মোহর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দান করেছেন।
১১ - তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাণীর মাধ্যমে যা তাঁর মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন করে: "তোমাদের মধ্যে ফারায়েজ সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞানী হলো জায়েদ," আর তোমার জন্য এই প্রশংসাই যথেষ্ট।
১২ - তাই অনুসারীদের জন্য তাঁর অনুসরণ করাই অধিক শ্রেয়... বিশেষত যেহেতু ইমাম শাফেয়ীও এই পথ অবলম্বন করেছেন।
১৩ - সুতরাং এই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য গ্রহণ করো... যা অস্পষ্টতার কলঙ্ক থেকে মুক্ত।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা কুরআন শেখো এবং মানুষকে তা শেখাও, এবং ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) শেখো ও মানুষকে তা শেখাও। কেননা আমি এমন এক ব্যক্তি যার প্রাণ কবজ করা হবে। অচিরেই এমন সময় আসবে যখন দুইজন লোক কোনো একটি নির্দিষ্ট ফরয অংশ নিয়ে মতভেদ করবে, কিন্তু তারা এমন কাউকে খুঁজে পাবে না যে তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবে।"
- জেনে রেখো যে, মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তির সাথে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি অধিকার সম্পৃক্ত:
প্রথম: পরিত্যক্ত সম্পত্তির মূল বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকার, যেমন বন্ধক রাখা বস্তু বা এই জাতীয় কিছু।
দ্বিতীয়: তার দাফন-কাফনের খরচ।
তৃতীয়: ঋণ।
চতুর্থ: অসিয়ত।
পঞ্চম: উত্তরাধিকার।
আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী নির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মধ্যে সম্পদ বণ্টন করো। অতঃপর নির্দিষ্ট অংশ প্রদানের পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা নিকটতম পুরুষের জন্য।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
بَابُ أَسْبَاب المِيرَاث14 - أَسْبَابُ مِيرَاثِ الْوَرَى ثَلَاثهْ
… كلٌّ يُفِيدُ رَبَّهُ الْوِرَاثَهْ
15 - وَهْيَ نِكَاحٌ وَوَلَاءٌ وَنَسَبْ
… مَا بَعْدَهُنَّ لِلْمَوَارِيثِ سَبَبْ
أسباب الميراث ثلاثة:
الأول: النكاح: وهو عَقْدُ الزوجيَّةِ الصحيحُ، فيَتوارثُ بِه الزوجانِ، وإنْ لمْ يحصُلْ وطءٌ ولا خَلوةٌ.
الثاني: النسَبُ: وهو الَقرابةُ.
الثالث: الوَلاء: وهو عُصُوبةٌ سَببُها نِعمًةُ المعتِقِ على رقيقِهِ بالعِتقِ؛ قال صلى الله عليه وسلم: «إنَّما الوَلاء لِمَنْ أَعْتَق». وقال صلى الله عليه وسلم: «الوَلاء لُحمَةٌ كلُحمَةِ النسَب، لا يُباع ولا يُوهَب».
بَابُ مَوَانعِ الإِرْثِ16 - وَيَمْنَعُ الشَّخْصَ مِنْ الْمِيرَاثِ
… وَاحِدَةٌ مِنْ عِلَلٍ ثَلاثِ
17 - رِقٌّ وَقَتْلٌ وَاخْتِلَافُ دِينِ
… فَافْهَمْ فَلَيْسَ الشَّكُّ كالْيَقِينِ
- موانع الإرث ثلاثة:
الأول: الرِّقُّ: وهو عَجْزٌ حكميٌّ يقُومُ بالإنسانِ، سببُهُ الكُفْرُ. فلا يَرِثُ الرقيقُ ولا يُورَث ولا يَحجُبُ.
الثاني: القَتلُ: وهو ما أوجَبَ قَصاصاً أو دِيَةً أو كفارةً، قال النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «ليس للقاتلِ من الميراثِ شيءٌ».
الثالث: اختلافُ الدِّينِ، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «لا يرِثُ المسلمُ الكافرَ، ولا الكافرُ المسلمَ».
উত্তরাধিকারের কারণসমূহের অধ্যায়১৪ - সৃষ্টির উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি … প্রত্যেকটিই তার অধিকারীকে উত্তরাধিকার প্রদান করে।
১৫ - আর তা হলো বিবাহ, ওয়ালা এবং বংশীয় সম্পর্ক … এগুলোর পর উত্তরাধিকারের আর কোনো কারণ নেই।
উত্তরাধিকারের কারণ তিনটি:
প্রথম: বিবাহ: আর তা হলো সঠিক বৈবাহিক চুক্তি, যার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের উত্তরাধিকারী হয়, যদিও সহবাস বা নির্জনবাস সংঘটিত না হয়।
দ্বিতীয়: বংশীয় সম্পর্ক: আর তা হলো আত্মীয়তা।
তৃতীয়: ওয়ালা: এটি এমন একটি আসাবাত (উত্তরাধিকারের বিশেষ সম্পর্ক) যার কারণ হলো মনিব কর্তৃক তার দাসকে মুক্ত করার অনুগ্রহ; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ওয়ালা কেবল তারই জন্য যে মুক্ত করেছে।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন: "ওয়ালা হলো বংশীয় সম্পর্কের মতো একটি সম্পর্ক, যা বিক্রি করা যায় না এবং দানও করা যায় না।"
উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধকসমূহের অধ্যায়১৬ - আর ব্যক্তিকে উত্তরাধিকার থেকে বাধা প্রদান করে … তিনটি কারণের যেকোনো একটি।
১৭ - দাসত্ব, হত্যা এবং ধর্মের ভিন্নতা … সুতরাং বুঝে নিন, কারণ সন্দেহ নিশ্চিত জ্ঞানের মতো নয়।
- উত্তরাধিকারের প্রতিবন্ধক তিনটি:
প্রথম: দাসত্ব: এটি মানুষের ওপর আপতিত একটি আইনি অক্ষমতা, যার কারণ হলো কুফর। সুতরাং দাস উত্তরাধিকারী হয় না, তার থেকে উত্তরাধিকার পাওয়া যায় না এবং সে কাউকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিতও করে না।
দ্বিতীয়: হত্যা: আর তা হলো যা কিসাস (প্রতিশোধ), দিয়াত (রক্তপণ) অথবা কাফফারা ওয়াজিব করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "হত্যাকারীর জন্য মিরাসের কোনো অংশ নেই।"
তৃতীয়: ধর্মের ভিন্নতা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না এবং কাফিরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।"
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
بَابُ الوَارِثينَ مِنَ الرِّجَالِ18 - وَالْوَارِثُونَ مِنَ الرِّجَالِ عَشَرَهْ
… أَسْمَاؤُهُمْ مَعْرُوفَةٌ مُشْتَهَرهْ
19 - الابن وابْنُ الابْنِ مَهْمَا نَزَلَا
… والأَبُ والْجَدُّ لَهُ وَإِنْ عَلَا
20 - والأَخُ مِنْ أَيِّ الجِهَاتِ كَانَا
… قَدْ أَنْزَلَ اللهُ بِهِ الْقُرْآنَا
21 - وَابْنُ الأَخِ الْمُدْلِي إِلَيْهِ بالأَبِ
… فَاسْمَعْ مَقَالاً لَيْسَ باِلمُكَذَّبِ
22 - وَالْعَمُّ وَابْنُ الْعَمِّ مِنْ أَبِيهِ
… فَاشْكُرْ لِذي الإِيجَازِ وَالتَّنْبِيهِ
23 - وَالزَّوْجُ وَالْمُعْتِقُ ذُو الْوَلَاءِ
… فَجُمْلَةُ الذُّكُورِ هَؤُلاءِ
- الوارثون من الرجال: بالاختصار عشرة - وبالبسط خمسة عشر -، وهُم:
1 - الابن، 2 - وابن الابن وإن نزل، 3 - والأب، 4 - والجد من قبل الأب وإن علا [بمحض الذكور] (1)، 5 - والأخ الشقيق، 6 - والأخ لأب، 7 - والأخ لأم، 8 - وابن الأخ الشقيق، 9 - وابن الأخ لأب، 10 - والعم الشقيق، 11 - والعم لأب، 12 - وابن العم الشقيق، 13 - وابن العم لأب، 14 - والزوج، 15 - وصاحب الولاء.
--------------------------------------------
পুরুষ উত্তরাধিকারীদের অনুচ্ছেদ১৮ - পুরুষ উত্তরাধিকারীগণ হলেন দশ জন … তাঁদের নাম সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ।
১৯ - পুত্র এবং পুত্রের পুত্র (পৌত্র) যতই নিচে যাক না কেন … এবং পিতা ও পিতামহ (পিতার পিতা) যতই উপরে যাক না কেন।
২০ - এবং যে কোনো সম্পর্কের ভাই … যার সম্পর্কে আল্লাহ কুরআন অবতীর্ণ করেছেন।
২১ - এবং ভাইয়ের ছেলে যে পিতার দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত … সুতরাং এমন কথা শোনো যা মিথ্যা প্রতিপন্ন করার মতো নয়।
২২ - এবং চাচা ও চাচার ছেলে যে পিতার দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত … সুতরাং এই সংক্ষিপ্তকারী ও সতর্ককারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।
২৩ - এবং স্বামী ও আযাদকারী মুক্তিদাতা … পুরুষদের পূর্ণ তালিকা হলো এরাই।
- পুরুষ উত্তরাধিকারী: সংক্ষেপে দশ জন - এবং বিস্তারিতভাবে পনেরো জন - তারা হলেন:
১ - পুত্র, ২ - এবং পুত্রের পুত্র যতই নিচে যাক, ৩ - এবং পিতা, ৪ - এবং পিতার দিক থেকে পিতামহ যতই উপরে যাক [কেবল পুরুষের মাধ্যমে] (১), ৫ - এবং সহোদর ভাই, ৬ - এবং বৈমাত্রেয় ভাই, ৭ - এবং বৈপিত্রেয় ভাই, ৮ - এবং সহোদর ভাইয়ের ছেলে, ৯ - এবং বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে, ১০ - এবং সহোদর চাচা, ১১ - এবং বৈমাত্রেয় চাচা, ১২ - এবং সহোদর চাচার ছেলে, ১৩ - এবং বৈমাত্রেয় চাচার ছেলে, 14 - এবং স্বামী, ১৫ - এবং আযাদকারী মুক্তিদাতা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২০)
* فإذا هلَكَ هالكٌ عن جميعِهم لم يرِثْ منهم إلا ثلاثةٌ: الابنُ والأبُ والزوجُ، والمسألة من اثني عشر.
* وإذا هلك عن الباقين لمْ يَرِثْ منهم إلا اثنان: ابن الابنُ والجَدُّ، والمسألة من ستة.
* وإذا هلك عن الباقين ورث اثنان أيضاً، وهما: الأخ الشقيق والأخ لأم، والمسألة أيضاً من ستة.
* وإذا مات عن الباقين، وهم الأخ لأب وباقي العصبة فالمال كله للأخ من الأب، ثم كذلك، وآخِرُهُم المعتِقُ ثم عصبتُه.
* অত:পর যখন কোনো মৃত ব্যক্তি তাদের সকলকে রেখে মারা যায়, তখন তাদের মধ্য থেকে কেবল তিনজনই উত্তরাধিকারী হয়: পুত্র, পিতা এবং স্বামী; আর মাসআলা হবে বারো থেকে।
* এবং যখন সে অবশিষ্টদের রেখে মারা যায়, তখন তাদের মধ্য থেকে কেবল দুইজনই উত্তরাধিকার লাভ করে: পৌত্র এবং দাদা; আর মাসআলা হবে ছয় থেকে।
* এবং যখন সে অবশিষ্টদের রেখে মারা যায়, তখনও দুইজনই উত্তরাধিকারী হয়, তারা হলো: সহোদর ভাই এবং বৈপিত্রেয় ভাই; আর মাসআলা আবারও ছয় থেকেই হবে।
* এবং যখন সে অবশিষ্টদের রেখে মারা যায়, যারা হলো বৈমাত্রেয় ভাই এবং আসাবার অন্তর্ভুক্ত অন্যান্যরা, তখন সমস্ত সম্পদ বৈমাত্রেয় ভাইয়ের জন্য হবে; এরপর একইভাবে পর্যায়ক্রমে চলবে এবং তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি হবে মুক্তিদাতা মুনিব, অতঃপর তার আসাবাগণ।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২১)
بَابُ الْوَارِثَاتِ مِنَ النِّساءِ24 - وَالْوَارِثَاتُ مِنَ النِّسَاءِ سَبْعُ
… لَمْ يُعْطِ أُنْثى غَيْرَهُنَّ الْشَّرْعُ
25 - بِنْتٌ وَبِنْتُ ابْنٍ وَأُمٌ مُشْفِقَهْ
… وَزَوْجَةٌ وَجَدَّةٌ وَمُعْتِقَهْ
26 - وَالأُخْتُ منْ أَيِّ الْجِهَاتِ كَانتْ
… فَهَذِهِ عِدَّتُهُنَّ بَانَتْ
- الوارثات من النساء: بالاختصار سبعٌ - وبالبسط عشرٌ -، وهُنَّ:
1 - البنتُ، 2 - وبنتُ الابن وإن نزلَ أبوها، 3 - والأمُّ، 4 - والجدَّةُ من قِبَل الأُم، 5 - والجَدَّةُ من قِبَلِ الأبِ، 6 - والأختُ الشقيقةُ، 7 - والأختُ من الأبِ، 8 - والأختُ من الأُمِّ، 9 - والزوجةُ، 10 - والمعتِقةُ.
* فإذا هلَكَ هالكٌ عن جميعِهن، ورِثَ منهن خمسٌ: البنت، وبنت الابن، والأم، والزوجة، والأخت الشقيقة، والمسألة من أربعة وعشرين.
* فإن عُدِمْنَ ورِثَ الباقيات، والمسألة من ستة.
* وإذا اجتمع الرجالُ والنساءُ، لم يرِثْ منهم إلا الوَلَدان، والأبَوَان، وأحَدُ الزوجين، والمسألةُ من اثنَي عشَر، أو من أربعةٍ وعشرِين.
নারীদের মধ্য থেকে উত্তরাধিকারীগণের অধ্যায়২৪ - নারীদের মধ্যে উত্তরাধিকারী হলেন সাতজন
... শরিয়ত তাদের ব্যতীত অন্য কোনো নারীকে (উত্তরাধিকার) প্রদান করেনি
২৫ - কন্যা, পুত্রের কন্যা এবং মমতাময়ী মা
... স্ত্রী, দাদী ও নানী এবং মুক্তিদাত্রী নারী
২৬ - আর বোন, সে যেকোনো দিক থেকেই হোক না কেন
... এই হলো তাদের সংখ্যা যা সুস্পষ্ট হয়েছে
- নারীদের মধ্যে উত্তরাধিকারীগণ: সংক্ষেপে সাতজন - এবং বিস্তারিতভাবে দশজন - তারা হলেন:
১ - কন্যা, ২ - পুত্রের কন্যা যদিও তার পিতা যত নিচে যাক (অর্থাৎ প্রপৌত্রী ইত্যাদি), ৩ - মা, ৪ - মায়ের দিক থেকে নানী, ৫ - পিতার দিক থেকে দাদী, ৬ - সহোদরা বোন, ৭ - বৈমাত্রেয় বোন (পিতার দিক থেকে), ৮ - বৈপিত্রীয় বোন (মায়ের দিক থেকে), ৯ - স্ত্রী, ১০ - মুক্তিদাত্রী নারী।
* যদি কোনো ব্যক্তি এদের সবাইকে রেখে মারা যায়, তবে তাদের মধ্য থেকে পাঁচজন উত্তরাধিকার লাভ করবে: কন্যা, পুত্রের কন্যা, মা, স্ত্রী এবং সহোদরা বোন; এমতাবস্থায় মাসআলা হবে চব্বিশ থেকে।
* যদি তারা (উল্লিখিত পাঁচজন) না থাকে, তবে অবশিষ্টরা উত্তরাধিকার পাবে; এমতাবস্থায় মাসআলা হবে ছয় থেকে।
* যখন পুরুষ এবং নারী সকলে একত্রিত হয়, তখন তাদের মধ্য থেকে কেবল দুই সন্তান (ছেলে ও মেয়ে), দুই পিতা-মাতা (পিতা ও মাতা) এবং স্বামী-স্ত্রীর একজন ব্যতীত আর কেউ উত্তরাধিকার পায় না; এমতাবস্থায় মাসআলা হবে বারো অথবা চব্বিশ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২২)
بَابُ الْفُرُوضِ الْمُقَدَّرَةِ في كِتَابِ الله تعَالى27 - وَاعْلَمْ بِأَنَّ الإِرْثَ نَوْعَانِ هُما
… فَرْضٌ وَتَعْصِيبٌ عَلَى مَا قُسِّمَا
28 - فَالْفَرْضُ في نَصِّ الْكِتَابِ سِتَّهْ
… لَا فَرْضَ في الإِرْثِ سِوَاهَا الْبَتَّهْ
29 - نِصْفٌ وَرُبْعٌ ثَمَّ نِصْفُ الْرُّبْعِ
… وَالْثُّلْثُ وَالْسُّدْسُ بِنَصِّ الْشَّرْعِ
30 - وَالْثُّلُثَانِ وَهُمَا الْتَّمَامُ
… فَاحْفظْ فَكُلُّ حَافِطٍ إِمَامُ
الفرض: نصيبٌ مقدَّرٌ شَرعاً، لا يزِيدُ إلا بالرَّدِّ، ولا ينقُصُ إلا بالعَوْل (1).
- والفُروضُ سِتَّة:
1 - الثُّلُثان 2 - والثلُث، 3 - والسُدُس، 4 - والنِّصفُ، 5 - والرُّبْعُ، 6 - والثُّمْنُ.
قال صلى الله عليه وسلم: «أَلحِقُوا الفرائض بأهلِها، فما بَقيَ فهو لأوْلى رَجُلٍ ذَكَرْ».
--------------------------------------------
আল্লাহ তাআলার কিতাবে বর্ণিত নির্ধারিত অংশসমূহের অধ্যায়২৭ - জেনে রেখো যে, উত্তরাধিকার হলো দুই প্রকার... নির্ধারিত অংশ ও আসাবা, যেভাবে তা বণ্টন করা হয়েছে।
২৮ - কিতাবের বর্ণনা অনুযায়ী নির্ধারিত অংশ হলো ছয়টি... উত্তরাধিকার বিধানে এগুলো ছাড়া অন্য কোনো নির্ধারিত অংশ একেবারেই নেই।
২৯ - অর্ধেক, এক-চতুর্থাংশ, অতঃপর এক-চতুর্থাংশের অর্ধেক... এবং এক-তৃতীয়াংশ ও এক-ষষ্ঠাংশ, শরয়ি বিধান অনুযায়ী।
৩০ - আর দুই-তৃতীয়াংশ, যা এই তালিকার পূর্ণতা... সুতরাং মুখস্থ করো, কেননা প্রত্যেক মুখস্থকারীই একজন ইমাম।
ফরজ: শরয়িভাবে নির্ধারিত অংশ, যা 'রাদ' ব্যতীত বৃদ্ধি পায় না এবং 'আওল' ব্যতীত কমে না (১)।
- আর নির্ধারিত অংশগুলো হলো ছয়টি:
১ - দুই-তৃতীয়াংশ, ২ - এক-তৃতীয়াংশ, ৩ - এক-ষষ্ঠাংশ, ৪ - অর্ধেক, ৫ - এক-চতুর্থাংশ, ৬ - এক-অষ্টমাংশ।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নির্ধারিত অংশসমূহকে তার হকদারদের নিকট পৌঁছে দাও, অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষ ব্যক্তির জন্য।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
بابُ مَنْ يَرِثُ الْنِّصفَ31 - وَالْنِّصْفُ فَرْضُ خَمْسَةٍ أَفْرَادِ
… الْزَّوْجُ والأُنْثى مِنَ الأَوْلَادِ
32 - وَبْنْتُ الإِبْنِ عِنْدَ فَقْدِ الْبِنْتِ
… وَالأُخْتُ في مَذْهَبِ كلِّ مُفْتِي
33 - وَبَعْدَهَا الأُخْتُ الَّتِي مَنَ الأَبِ
… عْنْدَ انْفِرَادِهِنَّ عَنْ مُعَصِّبِ
- الذين يرِثون النصف خمسة، وهم:
1 - الزوج، 2 - والبنت، 3 - وبنت الابن، 4 - والأخت الشقيقة، 5 - والأخت من الأب.
1 - فالزوجُ: يستَحِقُّهُ عند عدم الفرع الوارث، وهم: الأولاد، وأولاد البنين - وإن نزلوا -.
لقول الله تعالى: {وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٌ} [النساء: 12].
2 - والبنت تستَحِقُّهُ بشرطين:
أ- عدم المُعَصِّب لها وهو أخوها.
ب- وعدم المُشَارِك وهي أختها.
3 - وبنت الابن تستَحِقُّهُ بثلاثة شروط:
أ - عدم الفرع الذي أعلا منها.
ب - وعدم المُعَصِّب لها.
ج ـ وعدم المُشَارِك، لقوله تعالى: {وَإِن كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ} [النساء: 11].
4 - والأخت الشقيقة تستَحِقُّهُ بأربعة شروط:
أ - عدمِ الفرع الوارث.
অর্ধেক অংশ যারা পায় তাদের পরিচ্ছেদ৩১ - অর্ধেক হলো পাঁচ প্রকার ব্যক্তির জন্য নির্ধারিত অংশ... স্বামী এবং সন্তানদের মধ্য থেকে কন্যা।
৩২ - এবং পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) কন্যার অনুপস্থিতিতে... আর বোন—প্রত্যেক মুফতির মাযহাব (মত) অনুযায়ী।
৩৩ - আর এরপর ঐ বোন যে পিতার পক্ষ থেকে (বৈমাত্রেয় বোন)... যখন তারা কোনো মুআসসিব (আসাবা প্রদানকারী ভাই) থেকে পৃথক থাকে।
- যারা অর্ধেক অংশ পায় তারা পাঁচজন, তাঁরা হলেন:
১ - স্বামী, ২ - কন্যা, ৩ - পৌত্রী (ছেলের মেয়ে), ৪ - সহোদরা বোন, ৫ - বৈমাত্রেয় বোন।
১ - স্বামী: তিনি অর্ধেকের অধিকারী হন যখন কোনো উত্তরাধিকারী সন্তান (ফারউ ওয়ারিস) না থাকে, তারা হলো: সন্তানাদি এবং পুত্রের সন্তানাদি—তারা যত নিচস্তরেরই হোক না কেন।
মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {তোমাদের স্ত্রীদের ত্যাজ্য সম্পদের অর্ধেক তোমাদের জন্য, যদি তাদের কোনো সন্তান না থাকে} [আন-নিসা: ১২]।
২ - কন্যা এটি পাওয়ার অধিকারী হয় দুটি শর্তে:
ক- তার সাথে কোনো মুআসসিব (আসাবা প্রদানকারী) না থাকা, আর সে হলো তার ভাই।
খ- এবং কোনো মুশারিক (অংশীদার) না থাকা, আর সে হলো তার বোন।
৩ - পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) এটি পাওয়ার অধিকারী হয় তিনটি শর্তে:
ক - তার চেয়ে উচ্চস্তরের কোনো উত্তরাধিকারী সন্তান না থাকা।
খ - এবং তার সাথে কোনো মুআসসিব না থাকা।
গ - এবং কোনো মুশারিক না থাকা; মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {আর যদি সে (কন্যা) একাকী হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক} [আন-নিসা: ১১]।
৪ - সহোদরা বোন এটি পাওয়ার অধিকারী হয় চারটি শর্তে:
ক - কোনো উত্তরাধিকারী বংশধর (ফারউ ওয়ারিস) না থাকা।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ب - وعدمِ الأصلِ الوارث من الذكور.
ج - وعدم المُعَصِّب لها.
د - وعدم المشارك.
5 - والأختُ من الأب تستَحِقُّهُ بخمسة شروط:
أ - عدمِ الفَرْعِ الوارِثِ.
ب - وعدمِ الأصْلِ من الذُّكُورِ.
ج - وعدمِ الأشِقَّاءِ والشقائقِ.
د - وعدمِ المُعَصِّب لها.
هـ - وعدمِ المُشارِكِ.
لقوله تعالى: {يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ إِنِ امْرُؤٌ هَلَكَ لَيْسَ لَهُ وَلَدٌ وَلَهُ أُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ} [النساء: 176].
والكَلالَةُ: مَنْ لا وَلَدَ له ولا وَالِدَ، أي: لا ولَدَ له ولا أبَ ولا جَدَّ، لا ذَكَرَ ولا أُنْثَى (1)
--------------------------------------------
খ - এবং পুরুষ উত্তরাধিকারী মূলের অনুপস্থিতি।
গ - এবং তাকে আসাবাহ করার মতো কেউ না থাকা।
ঘ - এবং কোনো অংশীদার না থাকা।
৫ - আর বৈমাত্রেয় বোন পাঁচটি শর্তে এটি পাওয়ার হকদার হয়:
ক - উত্তরাধিকারী শাখার অনুপস্থিতি।
খ - পুরুষ উত্তরাধিকারী মূলের অনুপস্থিতি।
গ - সহোদর ভাই ও বোনদের অনুপস্থিতি।
ঘ - এবং তাকে আসাবাহ করার মতো কেউ না থাকা।
ঙ - এবং কোনো অংশীদার না থাকা।
মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {তারা আপনার কাছে ফতোয়া চায়; আপনি বলুন: আল্লাহ তোমাদেরকে ‘কালালাহ’ সম্পর্কে ফতোয়া দিচ্ছেন; যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় যার কোনো সন্তান নেই এবং তার এক বোন থাকে, তবে সে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক পাবে} [আন-নিসা: ১৭৬]।
আর ‘কালালাহ’ হলো: যার কোনো সন্তান নেই এবং পিতা নেই, অর্থাৎ: যার কোনো সন্তান নেই, পিতা নেই এবং দাদাও নেই; না পুরুষ না নারী (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بَابُ مَنْ يَرِثُ الْرُّبُعَ34 - وَالرُّبْعُ فَرْضُ الزَّوْجِ إِنْ كَانَ مَعَهْ
… مِنْ وَلَدِ الزَّوْجَةِ مَنْ قَدْ مَنَعَهْ
35 - وَهْوَ لِكُلِّ زَوْجَةٍ أَوْ أَكْثَرَا
… مَعَ عَدَمِ الأَوْلَادِ فِيمَا قُدِّرَا
36 - وَذِكْرُ أَوْلَادِ الْبَنِينَ يُعْتَمَدْ
… حَيْثُ اعْتمَدْنَا القَوْلَ في ذِكْرِ الْوَلَد
1 - الزوج يستحق الربع مع وجود الفرع الوارث، لقوله تعالى: {فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ} [النساء: 12].
2 - والزوجَةُ فأَكثَر تستَحِقُّهُ عند عدمِ الفرعِ الوارِثِ، لقولهِ تعالَى: {وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدٌ} [النساء: 12].
بَابُ مَنْ يَرِثُ الثُّمُنَ37 - وَالْثُّمْنُ لِلزَّوْجَةِ والزَّوْجَات
… مَعَ البَنِينَ أَوْ مَعَ الْبَنَاتِ
38 - أَوْ مَعَ أَوْلَادِ الْبَنِينَ فَاعلمِ
… وَلَا تَظُنَّ الْجَمْعَ شَرْطاً فَافْهَمِ
- الزوجةُ فأكثر تستحِقُّ الثمنَ مع وجودِ الفرعِ الوارثِ، لقوله تعالى: {فَإِن كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُم} [النساء: 12].
এক-চতুর্থাংশ যারা ওয়ারিশ হয় তাদের অধ্যায়৩৪ - আর এক-চতুর্থাংশ হলো স্বামীর নির্ধারিত অংশ, যদি তার সাথে থাকে
… স্ত্রীর এমন কোনো সন্তান যে তাকে (অর্ধেক পাওয়া থেকে) বিরত রাখে।
৩৫ - আর তা এক বা একাধিক প্রত্যেক স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত
… যখন (স্বামীর) কোনো সন্তান না থাকে।
৩৬ - আর নাতি-নাতনিদের (পুত্রের সন্তানদের) বিষয়টিও নির্ভরযোগ্য
… যেখানে আমরা সন্তানের বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য মত গ্রহণ করেছি।
১ - ওয়ারিশ হওয়ার যোগ্য বংশধরের উপস্থিতিতে স্বামী এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {অতঃপর তাদের যদি সন্তান থাকে, তবে তারা যা রেখে গেছে তা থেকে তোমাদের জন্য এক-চতুর্থাংশ} [আন-নিসা: ১২]।
২ - আর ওয়ারিশ হওয়ার যোগ্য বংশধর না থাকলে এক বা একাধিক স্ত্রী এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {আর তোমাদের যদি কোনো সন্তান না থাকে, তবে তোমরা যা রেখে গেছ তা থেকে তাদের জন্য এক-চতুর্থাংশ} [আন-নিসা: ১২]।
এক-অষ্টমাংশ যারা ওয়ারিশ হয় তাদের অধ্যায়৩৭ - আর এক-অষ্টমাংশ হলো স্ত্রী বা স্ত্রীদের জন্য
… পুত্রদের অথবা কন্যাদের উপস্থিতিতে।
৩৮ - অথবা নাতি-নাতনিদের (পুত্রের সন্তানদের) উপস্থিতিতে, তা জেনে রেখো
… আর (সন্তানের) বহুবচন হওয়াকে শর্ত মনে করো না, বিষয়টি বুঝে নাও।
- ওয়ারিশ হওয়ার যোগ্য বংশধরের উপস্থিতিতে এক বা একাধিক স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {অতঃপর তোমাদের যদি সন্তান থাকে, তবে তোমরা যা রেখে গেছ তা থেকে তাদের জন্য এক-অষ্টমাংশ} [আন-নিসা: ১২]।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
بَابُ مَنْ يَرِثُ الْثُّلُثَيْنِ39 - وَالثُّلُثَانِ لِلْبَنَاتِ جَمْعَا
… مَا زَادَ عَنْ وَاحِدَةٍ فَسَمْعَا
40 - وَهْوَ كَذَاكَ لِبَنَاتِ الابْنِ
… فَافْهَمْ مَقَالِي فَهْمَ صَافِي الذِّهْنِ
41 - وَهْوَ لأُخْتَيْنِ فَمَا يَزِيدُ
… قَضَى بِهِ الأَحْرَارُ وَالْعَبِيدُ
42 - هَذَا إِذَا كُنَّ لأُمٍّ وَأَبِ
… أَوْ لأَبٍ فَاحْكُمْ بِهَذَا تُصِبِ
- الثلثان فرض اثنتين متساويتين فأكثر مِمَّن يرِثُ النصف، لقول الله تعالى: {فَإِن كَانُوَا أَكْثَرَ مِن ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاء فِي الثُّلُثِ} [النساء: 12]، وقوله تعالى: {فَإِن كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا الثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَ} [النساء: 176].
দুই-তৃতীয়াংশ যারা উত্তরাধিকারী হয় তাদের অধ্যায়৩৯ - আর দুই-তৃতীয়াংশ হলো কন্যাদের জন্য সমষ্টিগতভাবে
… একের অধিক হলে, সুতরাং মনোযোগ দিয়ে শোনো
৪০ - আর এটি পুত্রের কন্যাদের (পৌত্রীদের) জন্যও অনুরূপ
… সুতরাং স্বচ্ছ মেধার সাথে আমার কথাগুলো অনুধাবন করো
৪১ - আর এটি দুই বোন বা তার অধিক হলে তাদের জন্য
… স্বাধীন এবং ক্রীতদাস সকলেই এই ফয়সালা প্রদান করেছেন
৪২ - এটি তখন প্রযোজ্য যখন তারা সহোদরা হবে
… অথবা বৈমাত্রেয় হবে, সুতরাং এই অনুযায়ী ফয়সালা করো, তবেই তুমি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাবে
- দুই-তৃতীয়াংশ হলো অর্ধেকের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে দুই বা ততোধিক সমান ব্যক্তির জন্য নির্ধারিত অংশ; মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {আর তারা যদি এর চেয়ে অধিক হয়, তবে তারা এক-তৃতীয়াংশের অংশীদার হবে} [আন-নিসা: ১২], এবং মহান আল্লাহর বাণী: {যদি তারা দুইজন হয়, তবে তারা যা রেখে গেছে তার দুই-তৃতীয়াংশ পাবে} [আন-নিসা: ১৭৬]।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
بَابُ مَنْ يَرِثُ الثُّلُثَ43 - وَالثُّلثُ فَرْضُ الأُمِّ حَيْثُ لَا وَلَدْ
… وَلَا مِنَ الإِخْوَةِ جَمْعٌ ذُو عَدَدْ
44 - كاثْنَيْنِ أَوْ ثِنْتَيْن أَوْ ثَلَاثِ
… حُكْمُ الذُّكُورِ فِيهِ كالإِنَاثِ
45 - وَلَا ابْنُ ابْنٍ مَعَهَا أَوْ بِنْتُهُ
… فَفَرْضُهَا الثُّلُثُ كَمَا بَيَّنْتهُ
46 - وَإِنْ يَكُنْ زَوْجٌ وَأُمٌّ وَأَبُ
… فَثُلثُ الْبَاقِي لَهَا مُرَتَّبُ
47 - وَهَكَذَا مَعَ زَوْجَةٍ فَصَاعِدا
… فَلَا تَكُنْ عَن الْعُلُومِ قَاعِدا
1 - الأُم تستحق الثلث بثلاثة شروط:
أ - عدم الفرع الوارث ..
ب - وعدم الجمع من الإِخوة.
ج - وأن لا تكون المسألة إحدى العُمَرِيَّتَيْنِ، لقولِه تعالى: {فَإِن لَّمْ يَكُن لَّهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلأُمِّهِ الثُّلُثُ} [النساء: 11].
48 - وَهْوَ لإثْنَيْنِ أَوِ اثِنْتَيْنِ
… مِنْ وَلدِ الأُمِّ بَغَيْرِ مَيْنِ
49 - وَهَكَذَا إِنْ كَثُرُوا أَوْ زَادُوا
… فَمَا لَهُمْ فَيمَا سِوَاهُ زَادُ
50 - وَيَسْتَوِي الإِنَاثُ وَالذُّكُورُ
… فيهِ كَمَا قَدْ أَوْضَحَ الْمَسْطُورُ
2 - والإِخوة من الأُم يستحقون الثلث بثلاثة شروط:
أ - أن يكونوا اثنين فأكثر.
ب- وعدم الفرع الوارث.
ج- وعدم الأصل الوارث من الذكور؛ لقوله تعالى: {فَإِن كَانُوَا أَكْثَرَ مِن ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاء فِي الثُّلُثِ} [النساء: 12].
পরিচ্ছেদ: যারা এক-তৃতীয়াংশ মিরাস পায়৪৩ - আর এক-তৃতীয়াংশ হলো মাতার নির্ধারিত অংশ যখন কোনো সন্তান না থাকে
… এবং ভাই-বোনদের মধ্য থেকে কোনো দল বা সংখ্যাধিক্য না থাকে।
৪৪ - যেমন দুইজন পুরুষ বা দুইজন নারী অথবা তিনজন
… এতে পুরুষদের বিধান নারীদের বিধানের মতোই।
৪৫ - আর তার সাথে কোনো নাতি বা নাতনি না থাকলে
… তার নির্ধারিত অংশ হবে এক-তৃতীয়াংশ, যেমনটি আমি বর্ণনা করেছি।
৪৬ - আর যদি স্বামী, মাতা এবং পিতা থাকে
… তবে তার জন্য অবশিষ্টাংশের এক-তৃতীয়াংশ ক্রমানুসারে নির্ধারিত হবে।
৪৭ - আর এভাবেই স্ত্রীর সাথে এবং তদূর্ধ্ব ক্ষেত্রে
… সুতরাং তুমি জ্ঞান অর্জন হতে বিরত থেকো না।
১ - মাতা তিনটি শর্তে এক-তৃতীয়াংশ পাওয়ার অধিকারী হন:
ক - কোনো ওয়ারিশ শাখা (সন্তানাদি) না থাকলে..
খ - এবং ভাই-বোনদের দল বা সংখ্যাধিক্য না থাকলে।
গ - এবং মাসআলাটি উমারিয়্যাহ দ্বয়ের কোনো একটি না হলে; মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {যদি তার কোনো সন্তান না থাকে এবং তার পিতা-মাতা তার উত্তরাধিকারী হয়, তবে তার মাতার জন্য এক-তৃতীয়াংশ।} [আন-নিসা: ১১]।
৪৮ - আর এটি (এক-তৃতীয়াংশ) দুইজন পুরুষ বা দুইজন নারীর জন্য
… যারা মায়ের দিক থেকে ভাই-বোন (বৈপিত্রীয়), কোনো সন্দেহ ব্যতিরেকে।
৪৯ - আর এভাবেই তারা যদি অনেক হয় বা সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়
… তবে এ ছাড়া তাদের জন্য অতিরিক্ত আর কোনো অংশ নেই।
৫০ - আর এতে নারী ও পুরুষ সমান গণ্য হবে
… যেমনটি লিখিত কিতাবে সুস্পষ্ট করা হয়েছে।
২ - আর বৈপিত্রীয় ভাই-বোনেরা তিনটি শর্তে এক-তৃতীয়াংশ পাওয়ার অধিকারী হয়:
ক - তারা দুইজন বা তার অধিক হলে।
খ- এবং কোনো ওয়ারিশ শাখা (সন্তানাদি) না থাকলে।
গ- এবং পুরুষদের মধ্য হতে কোনো ওয়ারিশ মূল (পিতা বা দাদা) না থাকলে; মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {অতঃপর তারা যদি তার চেয়ে অধিক হয়, তবে তারা এক-তৃতীয়াংশের অংশীদার হবে।} [আন-নিসা: ১২]।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
بَابُ مَنْ يَرِثُ السُّدس51 - وَالسُّدْسُ فَرْضُ سَبْعَةٍ مِن العَدَدْ
… أَبٌ وَأُمٌّ ثُمَّ بِنْتُ ابْنٍ وَجَدّ
52 - وَالأُخْتُ بِنْتُ الأَبِ ثُمَّ الْجَدَّةْ
… وَوَلَدُ الأُمِّ تَمَامُ الْعِدَّةْ
53 - فَالأَبُ يَسْتَحِقُّهُ مَعَ الْوَلَدْ
… وَهَكَذَا الأُمُّ بِتَنْزِيلِ الصَّمَدْ
54 - وَهَكَذَا مَعَ وَلَدِ الابْنِ الَّذِي
… مَا زَالَ يَقْفُو إِثْرَهُ وَيَحْتَذِي
55 - وَهْوَ لَهَا أَيْضاً مَعَ الاثنين
… مِنْ إِخْوَةِ الْمَيْتِ فَقِسْ هَذَيْنِ
1 - الأب يستحق السدس بوجود الفرع الوارث.
2 - والأُم تستحقه بوجود الفرع الوارث أو الجمع من الإخوة، لقول الله تعالى:
… {وَلأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُ وَلَدٌ} [النساء: 11]
… وقوله تعالى: {فَإِن كَانَ لَهُ إِخْوَةٌ فَلأُمِّهِ السُّدُسُ} [النساء: 11].
এক-ষষ্ঠাংশ যারা উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করবে তাদের অধ্যায়৫১ - এক-ষষ্ঠাংশ সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে সাতজন ব্যক্তির নির্ধারিত অংশ
… পিতা, মাতা, এরপর ছেলের কন্যা (নাতনি) এবং দাদা
৫২ - এবং বৈমাত্রেয় বোন, এরপর দাদী বা নানী
… আর মায়ের সন্তান (বৈপিত্রীয় ভাই/বোন) এই গণনার পূর্ণতাদানকারী
৫৩ - সুতরাং পিতা সন্তানের উপস্থিতিতে এর হকদার হন
… এবং একইভাবে মাতা-ও অবিনশ্বর সত্তার অবতীর্ণ বিধান অনুযায়ী
৫৪ - আর একইভাবে নাতির উপস্থিতিতেও
… যে সর্বদা তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবং তার স্থলাভিষিক্ত হয়
৫৫ - মৃত ব্যক্তির দুই বা ততোধিক ভাই-বোনের উপস্থিতিতেও
… মায়ের জন্য এটি প্রযোজ্য; সুতরাং এই দুই বিষয়কে তুলনা করো
১ - উত্তরাধিকারী বংশধরের উপস্থিতিতে পিতা এক-ষষ্ঠাংশ পাওয়ার অধিকারী হন।
২ - আর উত্তরাধিকারী বংশধর অথবা একাধিক ভাই-বোনের উপস্থিতিতে মা এর অধিকারী হন। মহান আল্লাহর বাণীর কারণে:
… {আর তার পিতামাতার প্রত্যেকের জন্য সে যা রেখে গেছে তা থেকে এক-ষষ্ঠাংশ, যদি তার সন্তান থাকে} [আন-নিসা: ১১]
… এবং মহান আল্লাহর বাণী: {যদি তার ভাই-বোন থাকে, তবে তার মায়ের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ} [আন-নিসা: ১১]।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
56 - وَالْجَدُّ مِثْلُ الأَبِ عِنْدَ فَقْدِهِ
… في حَوْزِ مَا يُصِيبُهُ وَمَدِّهِ
57 - إلَاّ إذَا كَانَ هُنَاكَ إِخْوَهْ
… لِكَوْنِهِمْ في القُرْبِ وَهْوَ أُسْوَهْ
58 - أَوْ أَبَوَانِ مَعَهُمَا زَوْجٌ وَرِثْ
… فَالأُمُّ لِلثُّلُثِ مَعَ الْجَدِّ تَرِثْ
59 - وَهَكَذَا لَيْسَ شَبِيهاً بالأَبِ
… في زَوْجَةِ الْمَيْتِ وَأُمِّ وَأَبِ
60 - وَحُكْمُهُ وَحُكْمُهُمْ سَيَاتِي
… مُكَمَّلَ الْبيَانِ في الحَالاتِ
3 - والجد مثل الأب إلا في العُمريَّتَيْن، فإن الأُم تأخُذ الثلُثَ كاملاً بالإجماع، وفي ميراث الإخوة مَعَهُ خِلاف (1).
قال الموفق في المغني:
(قال أبو بكر بن المنذر: أجمع أهل العلم من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم على أن الجد أبا الأب لا يحجبه عن الميراث غير الأَب، وأنزلوا الجد في الحَجب والميراث منزلةَ الأَب في جميع المواضع، إلا في ثلاثة أشياء:
أحدها: زوج وأبوان.
والثانية: زوجة وأبوان، للأُم ثلث الباقي فيهما مع الأَب، وثلث جميع المال لو كان مكان الأَب جَدٌّ.
والثالثة: اختلفوا في الجد مع الإخوة).
--------------------------------------------
৫৬ - এবং দাদা পিতার অনুপস্থিতিতে পিতার ন্যায়
… তার প্রাপ্য অংশ লাভ এবং তার পরিধির ক্ষেত্রে।
৫৭ - তবে যদি সেখানে ভাইয়েরা থাকে
… যেহেতু নৈকট্যের বিচারে তারা (দাদার) সমপর্যায়ের।
৫৮ - অথবা যদি মাতা-পিতার সাথে স্বামী উত্তরাধিকারী হয়
… তবে দাদার উপস্থিতিতে মা (সম্পূর্ণ সম্পদের) এক-তৃতীয়াংশ পাবেন।
৫৯ - আর এভাবেই তিনি (দাদা) পিতার সদৃশ নন
… মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, মাতা ও পিতার উপস্থিতিকালীন মাসআলায়।
৬০ - তার বিধান এবং তাদের বিধান অচিরেই আসবে
… সকল অবস্থার পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা সহকারে।
৩ - দাদা দুই ‘উমারিয়্যাহ’ মাসআলা ব্যতীত সকল ক্ষেত্রে পিতার ন্যায়; কেননা উক্ত মাসআলাদ্বয়ে মা সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ণ এক-তৃতীয়াংশ গ্রহণ করেন, আর দাদার সাথে ভাইদের উত্তরাধিকারের বিষয়ে মতভেদ রয়েছে (১)।
আল-মুয়াফফাক আল-মুগনী গ্রন্থে বলেছেন:
(আবু বকর ইবনুল মুনযির বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মধ্য হতে বিশেষজ্ঞগণ এই মর্মে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, দাদা তথা পিতার পিতাকে পিতা ব্যতীত অন্য কেউ উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। তারা মিরাস থেকে বঞ্চিত করা (হাজব) এবং উত্তরাধিকার প্রদানের সকল ক্ষেত্রে দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন, কেবল তিনটি বিষয় ব্যতীত:
প্রথমটি: স্বামী ও মাতা-পিতা।
দ্বিতীয়টি: স্ত্রী ও মাতা-পিতা; এই দুই মাসআলায় পিতার উপস্থিতিতে মায়ের জন্য অবশিষ্টের এক-তৃতীয়াংশ নির্ধারিত, কিন্তু পিতার স্থলে দাদা থাকলে মা মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পাবেন।
তৃতীয়টি: দাদার সাথে ভাইদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে তারা মতভেদ করেছেন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবীকাতুজ যাহাবিয়্যাহ আলাল মানযূমাতুর রাহাবিয়্যাহ - দিমন রিসালাতানি ফিল ফরাইজ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
61 - وَبِنْتُ الابْنِ تَأْخُذُ السُّدْسَ إِذَا
… كَانَتْ مَعَ الْبِنْتِ مِثَالاً يُحْتَذَى
62 - وَهَكَذَا الأُخْتُ مَعَ الأُخْتِ الَّتِي
… بالأَبَوْيْنِ يَا أُخَيَّ أَدْلَتِ
4 - وبنت الابن فأكثر تستحق السدس مع البنت، لقول ابن مسعود رضي الله عنه: (قضى النبي صلى الله عليه وسلم في بنتٍ، وبنت ابن، وأخت: للابنة النصف، ولابنة الابن السدس تكملة الثلثين، وما بقي فللأُخت). رواه البخاري.
5 - وكذلك الأُخت من الأب مع الشقيقة بالإجماع.
6 - والجدة تستحق السدس عند عدم الأُم.
7 - وولد الأُم يستحقه:
أ - عند انفراده.
ب - وعدم الفرع الوارث.
ج - وعدم الأصل الوارث في الذكور، لقول الله تعالى: {وَإِن كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَو امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ} [النساء: 12].
৬১ - আর নাতনি এক-ষষ্ঠাংশ পায় যখন... সে থাকে এক কন্যার সাথে, যা একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
৬২ - হে আমার ছোট ভাই! অনুরূপভাবে (বৈমাত্রেয়) বোন সেই (সহোদরা) বোনের সাথে, যে পিতা-মাতা উভয়ের মাধ্যমে সম্পর্কিত।
৪ - আর এক বা একাধিক নাতনি এক কন্যার সাথে এক-ষষ্ঠাংশ পাওয়ার অধিকারী হয়, ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উক্তির কারণে: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কন্যা, এক নাতনি এবং এক বোনের ব্যাপারে এই ফয়সালা দিয়েছেন যে: কন্যার জন্য অর্ধেক, নাতনির জন্য দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ এবং যা অবশিষ্ট থাকবে তা বোনের জন্য)। এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
৫ - অনুরূপভাবে সর্বসম্মতিক্রমে সহোদরা বোনের সাথে বৈমাত্রেয় বোন (এক-ষষ্ঠাংশ পাবে)।
৬ - আর মায়ের অনুপস্থিতিতে দাদি বা নানি এক-ষষ্ঠাংশ পাওয়ার অধিকারী হন।
৭ - আর মায়ের সন্তান (বৈপিত্রীয় ভাই বা বোন) এটি লাভ করবে:
ক - যখন সে একা থাকে।
খ - উত্তরাধিকারী কোনো বংশধর না থাকলে।
গ - পুরুষদের মধ্যে কোনো মূল উত্তরাধিকারী না থাকলে, মহান আল্লাহর বাণীর কারণে: {আর যদি এমন কোনো পুরুষ বা মহিলার উত্তরাধিকার বণ্টন করা হয় যার কোনো সন্তান বা পিতা নেই (কালালাহ), অথচ তার এক ভাই বা এক বোন থাকে, তবে তাদের প্রত্যেকের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ।} [আন-নিসা: ১২]।