(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: -)
خمسة أحاديث مسلسلات - الضياء المقدسي   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: خمسة أحاديث مسلسلات لضياء الدين المقدسي

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)

تحقيق: محمد مطيع الحافظ

الناشر: دار البشائر الإسلامية - بيروت

عدد الصفحات: 10

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

পাঁচটি মুসালসাল হাদিস - জিয়া আল-মাকদিসি   (জিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: জিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি কর্তৃক সংকলিত পাঁচটি মুসালসাল হাদিস

লেখক: জিয়াউদ্দীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি)

তাহকিক: মুহাম্মাদ মুতি আল-হাফিজ

প্রকাশক: দারুল বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ - বৈরুত

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত কপির সাথে হুবহু মিল নেই]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌الْحَدِيثُ الْمُسَلْسَلُ بِالْأَوَّلِيَّةِ
প্রাথমিকতার পারম্পর্যপূর্ণ হাদীস
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَوْزِيِّ، مِنْ لَفْظِهِ بِبَغْدَادَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعْدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ النَّيْسَابُورِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْمُؤَذِّنِ، مِنْ لَفْظِهِ وَكِتَابِهِ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْنَاهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا وَالِدي أَبُو صَالِحٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْحَافِظُ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأُسْتَاذُ أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمَشٍ الزِّيَادِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بِلَالٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي قَابُوسَ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الرَّاحِمُونَ يَرْحَمُهُمُ الرَّحْمَنُ تبارك وتعالى، ارْحَمُوا مَنْ فِي الْأَرْضِ يَرْحَمْكُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ» .

قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ: هَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، وَقَالَ أَبُو حَامِدٍ: هَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بِشْرٍ، وَقَالَ أَبُو طَاهِرٍ: هَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي حَامِدٍ، وَقَالَ أَبُو صَالِحٍ: هَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي طَاهِرٍ، وَقَالَ أَبُو سَعْدٍ: هَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ وَالِدِي أَبِي صَالِحٍ، وَقَالَ لَنَا أَبُو الْفَرَجِ: وَهَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي سَعْدٍ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ: وَهَذَا أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي الْفَرَجِ.

قَالَ الْحَافِظُ الضِّيَاءُ: هَذَا حَدِيثٌ مَشْهُورٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ فِي سُنَنِهِ فِي الْأَدَبِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُسَدَّدِ بْنِ مُسَرْهَدٍ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي كِتَابِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيِّ، ثَلَاثَتُهُمْ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
১ - আমাদের নিকট শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জাওযী বাগদাদে তাঁর নিজ মুখে বর্ণনা করেছেন, এবং এটিই তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সা’দ ইসমাঈল ইবনে আবি সালেহ আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আলী ইবনে আব্দুস সামাদ আন-নিসাবুরী—যিনি মুআযযিন হিসেবে পরিচিত—তাঁর নিজ মুখে এবং কিতাব থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং এটিই তাঁর থেকে শোনা আমাদের প্রথম হাদিস। তিনি বলেন: আমার পিতা আবু সালেহ আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আর এটিই তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি বলেন: উস্তাদ আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমাশ আয-যিয়াদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু হামিদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাযযা্য আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দয়াশীলদের ওপর পরম করুণাময় (রহমান) তাবারাকা ওয়া তা'আলা দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।»।

আব্দুর রহমান ইবনে বিশর বলেন: এটিই সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। আবু হামিদ বলেন: এটিই আব্দুর রহমান ইবনে বিশর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। আবু তাহির বলেন: এটিই আবু হামিদ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। আবু সালেহ বলেন: এটিই আবু তাহির থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। আবু সা’দ বলেন: এটিই আমার পিতা আবু সালেহ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। আবুল ফারাজ আমাদের বলেন: আর এটিই আবু সা’দ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ বলেন: আর এটিই আবুল ফারাজ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস।

হাফিয দিয়া বলেন: এটি একটি প্রসিদ্ধ ও সহীহ হাদিস। আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি তাঁর সুনান গ্রন্থের আদব অধ্যায়ে এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ ও মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিজি তাঁর কিতাবে এটি মুহাম্মদ ইবনে আবি উমর আল-আদানি থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনই সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিজি বলেন: হাদিসটি হাসান সহীহ।
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌الْمُسَلْسَلُ بِالدِّمَشْقِيِّينَ
দামেস্কবাসীদের মাধ্যমে বর্ণিত মুসালসাল বর্ণনা
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৪)
2 - أَخْبَرَنَا الْعَدْلُ أَبُو الْمَجْدِ الْفَضْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَانِيَاسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيٌّ، وَأَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدٌ ابْنَا الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَوَازِينِيُّ.

ح وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو طَالِبٍ الْخَضِرُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ، فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ النَّسِيبُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحِنَّائِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ طَاهِرِ بْنِ جَعْفَرٍ السُّلَمِيُّ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَلْوَانَ الْمَازِنِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ التَّمِيمِيُّ الْمُؤَذِّنُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبْوُ بَكْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مُسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ الْغِفَارِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَنْ جِبْرِيلَ، عَنِ اللَّهِ تَعَالَى، أَنَّهُ قَالَ: «يَا عِبَادِي إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا، فَلَا تَظَالَمُوا، يَا عِبَادِي إِنَّكُمُ الَّذِينَ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا الَّذِي أَغْفِرُ الذُّنُوبَ وَلَا أُبَالِي، فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ، يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلَّا مَنْ أَطْعَمْتُهُ فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ، يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ عَارٍ إِلَّا مَنْ كَسَوْتُ فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ لَمْ يَزْدَدْ ذَلِكَ فِي مُلْكِي شَيْئًا، يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَسَأَلُونِي، فَأَعْطَيْتُ كُلَّ إِنْسَانٍ مِنْهُمْ مَا سَأَلَ لَمْ يَنْقُصْ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا إِلَّا كَمَا يَنْقُصُ الْبَحْرُ أَنْ يُغْمَسَ بِالْمِخْيَطِ غَمْسَةً وَاحِدَةً، يَا عِبَادِي إِنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أَحْفَظُهَا عَلَيْكُمْ، فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمِدِ اللَّهَ، وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلَا يَلُومَنَّ إِلَّا نَفْسَهُ» .

قَالَ أَبُو مُسْهِرٍ: قَالَ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: كَانَ أَبُو إِدْرِيسَ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ جَثَا عَلَى رُكْبَتَيْهِ.

قَالَ الْفَخْرُ بْنُ الْبُخَارِيِّ: هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، انْفَرَدَ مُسْلِمٌ بِإِخْرَاجِهِ فَرَوَاهُ فِي الْأَدَبِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيِّ، عَنْ أَبِي مُسْهِرٍ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়পরায়ণ আবু আল-মাজদ আল-ফাদল ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইবরাহিম ইবনে সুলাইমান আল-বানিয়ানি, তাকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—পাঁচশ সাতাত্তর হিজরি সনে দামেস্কে। তাকে বলা হলো: আপনাদের কি আবু আল-হাসান আলী এবং আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ—আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন আল-মাওয়াজিনির দুই পুত্র—সংবাদ দিয়েছেন?

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু তালিব আল-খাদির ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে তাউস, তাকে একাধিকবার পাঠ করে শোনানো হয়েছে—পাঁচশ সাতাত্তর হিজরি সনে দামেস্কে। তাকে বলা হলো: আপনাদের কি আশ-শরিফ আন-নাসিব আবু আল-কাসিম আলী ইবনে ইবরাহিম, আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-হিন্নায়ি এবং আবু আল-হাসান আলী ইবনে তাহির ইবনে জাফর আস-সুলামি সংবাদ দিয়েছেন? তারা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালওয়ান আল-মাজিনি। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আল-ফাদল ইবনে জাফর আত-তামিমি আল-মুয়াযযিন, তাকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে। তিনি বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আবদুর রহমান ইবনে আল-কাসিম ইবনে আল-ফারাজ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-হাশেমি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসগির আবদুল আ’লা ইবনে মুসগির আল-গাসসানি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ, রাবিআ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি থেকে, তিনি আবু যার আল-গিফারি থেকে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি জিবরাইল থেকে, তিনি মহান আল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «হে আমার বান্দারা, নিশ্চয়ই আমি জুলুমকে নিজের জন্য হারাম করেছি এবং তা তোমাদের মাঝেও হারাম করে দিয়েছি; সুতরাং তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম করো না। হে আমার বান্দারা, তোমরাই তো দিন-রাত পাপে লিপ্ত হও এবং আমিই সকল গুনাহ ক্ষমা করি ও এতে আমি পরোয়া করি না; সুতরাং তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দারা, তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, সে ব্যতীত যাকে আমি আহার করিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে আহার চাও, আমি তোমাদের আহার দেব। হে আমার বান্দারা, তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, সে ব্যতীত যাকে আমি পরিধান করিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে পোশাক চাও, আমি তোমাদের পরিধান করাব। হে আমার বান্দারা, যদি তোমাদের আদি-অন্ত সকল মানুষ ও জিন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে পাপিষ্ঠ হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তির মতো হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে বিন্দুমাত্র কমতি ঘটাবে না। হে আমার বান্দারা, যদি তোমাদের আদি-অন্ত সকল মানুষ ও জিন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মুত্তাকি হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তির মতো হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে বিন্দুমাত্র বৃদ্ধি ঘটাবে না। হে আমার বান্দারা, যদি তোমাদের আদি-অন্ত সকল মানুষ ও জিন এক ময়দানে দাঁড়িয়ে আমার কাছে প্রার্থনা করে আর আমি প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যা যা চাওয়ার তা দিয়ে দিই, তবে তা আমার মালিকানাধীন রাজত্বে কেবল ততটুকুই কমতি ঘটাবে যতটুকু একটি সূঁচকে সমুদ্রে একবার চুবিয়ে উঠালে সাগরের পানির কমতি হয়। হে আমার বান্দারা, এই তো তোমাদের কর্মসমূহ, যা আমি তোমাদের জন্য সংরক্ষণ করি; অতঃপর যে ব্যক্তি কল্যাণ লাভ করবে, সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে, আর যে ব্যক্তি এর ভিন্ন কিছু লাভ করবে, সে যেন কেবল নিজেকেই তিরস্কার করে»।

আবু মুসগির বলেন: সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ বলেছেন: আবু ইদ্রিস যখনই এই হাদিসটি বর্ণনা করতেন, তখনই তিনি নিজের দুই হাঁটুর ওপর ভর করে বসে পড়তেন।

ফাখর ইবনুল বুখারি বলেন: এটি একটি সহিহ হাদিস, ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি তার সহিহ গ্রন্থের আদব অধ্যায়ে এটি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি থেকে এবং তিনি আবু মুসগির থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌الْمُسَلْسَلُ بِإِجَابَةِ الدُّعَاءِ فِي الْمُلْتَزَمِ
মুলতাযামে দুআ কবুল হওয়া বিষয়ক মুসালসাল বর্ণনা
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৬)
3 - سَمِعْتُ الْإِمَامَ الْعَالِمَ الْحَافِظَ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْغَنِيِّ بْنَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سُرُورٍ الْمَقْدِسِيَّ، رحمه الله، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحَافِظَ أَبَا طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ سِلَفَةَ الْأَصْبَهَانِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْفَتْحِ إِيزِذِيَارَ بْنَ مَسْعُودِ بْنِ إِسْحَاقَ الْغَزْنَوِيَّ، قَدِمَ عَلَيْنَا أَصْبَهَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ اللَّبَّانَ الدَّيْنَوَرِيَّ، بِغَزْنَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ حَمْزَةَ بْنَ يُوسُفَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السَّهْمِيَّ، بِجُرْجَانَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ عُبَيْدَ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ خَلَفٍ الْبَزَّازَ، بِمِصْرَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ الْأَنْصَارِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ الْمَكِّيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ الْحُمَيْدِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ دِينَارٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الْمُلْتَزَمُ مَوْضِعٌ يُسْتَجَابُ فِيهِ الدُّعَاءُ، وَمَا دَعَا عَبْدٌ اللَّهَ تَعَالَى فِيهِ دَعْوَةً إِلَّا اسْتَجَابَهَا» .

أَوْ نَحْوَ هَذَا.

قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَوَاللَّهِ مَا دَعَوْتُ فِيهِ قَطُّ بِشَيْءٍ إِلَّا أَجَابَنِي، قَالَ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ: وَأَنَا وَاللَّهِ مَا أَهَمَّنِي أَمْرٌ، فَدَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل فِيهِ إِلَّا اسْتَجَابَ لِي مُنْذُ سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنَ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: وَأَنَا وَاللَّهِ مَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل فِيهِ قَطُّ بِشَيْءٍ إِلَّا اسْتَجَابَ لِي مُنْذُ سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ الْحُمَيْدِيُّ: وَأَنَا وَاللَّهِ مَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل قَطُّ بِشَيْءٍ إِلَّا اسْتَجَابَ لِي مُنْذُ سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ سُفْيَانَ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الْمَكِّيُّ: وَأَنَا وَاللَّهِ مَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل قَطُّ إِلَّا اسْتَجَابَ لِي مُنْذُ سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنَ الْحُمَيْدِيِّ، قَالَ أَبُو الْحَسَنِ: وَأنَا وَاللَّهِ مَا دَعَوْتُ اللَّهَ فِيهِ بِشَيْءٍ قَطُّ إِلَّا اسْتَجَابَ لِي مُنْذُ سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِدْرِيسَ، قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ: قَالَ لَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ: دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل مِرَارًا فَاسْتَجَابَ لِي، وَقَالَ لَنَا أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ: وَأَنَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل، فَاسْتَجَابَ، قَالَ إِيزِذِيَارُ: وَأَنَا دَعَوْتُ اللَّهَ فَاسْتَجَابَ، قَالَ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ: وَأَنَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل فَاسْتَجَابَ، قَالَ شَيْخُنَا الْحَافِظُ عَبْدُ الْغَنِيِّ: وَأَنَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل فَاسْتَجَابَ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ: وَأَنَا دَعَوْتُ اللَّهَ عز وجل فَاسْتَجَابَ
৩ - আমি ইমাম, আলিম, হাফিয আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলী ইবনে সুরূর আল-মাকদিসী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফিয আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিলাফাহ আল-আসবাহানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল ফাতহ ইজিদিয়ার ইবনে মাসউদ ইবনে ইসহাক আল-গজনভীকে বলতে শুনেছি—তিনি আমাদের কাছে আসবাহানে এসেছিলেন—তিনি বলেন: আমি গজনায় আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-লাব্বান আদ-দিনাওয়ারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জুরজানে আবু আল-কাসিম হামযাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইবরাহিম আস-সাহমীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মিশরে আবু আল-কাসিম উবায়দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-বাযযাযকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-আনসারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আল-মাক্কীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের আল-হুমাইদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমর ইবনে দীনারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "মুলতাযাম এমন একটি স্থান যেখানে দুআ কবুল করা হয়। আর আল্লাহর কোনো বান্দা সেখানে মহান আল্লাহর কাছে কোনো দুআ করলে তিনি অবশ্যই তা কবুল করবেন।"

অথবা এর অনুরূপ কোনো কথা।

ইবনে আব্বাস বলেন: "আল্লাহর কসম! আমি সেখানে কখনো কোনো দুআ করিনি যা আমার জন্য কবুল করা হয়নি।" আমর ইবনে দীনার বলেন: "আর আল্লাহর কসম! ইবনে আব্বাসের কাছ থেকে এই হাদীস শোনার পর থেকে আমার কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এলে যখনই আমি সেখানে মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে দুআ করেছি, তিনি আমার সেই দুআ কবুল করেছেন।" সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ বলেন: "আর আল্লাহর কসম! আমর ইবনে দীনারের কাছ থেকে এই হাদীস শোনার পর থেকে আমি সেখানে মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে যা-ই দুআ করেছি, তিনি তা কবুল করেছেন।" হুমাইদী বলেন: "আর আল্লাহর কসম! সুফিয়ান থেকে এই হাদীস শোনার পর থেকে আমি যা-ই প্রার্থনা করেছি, আল্লাহ তা কবুল করেছেন।" মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আল-মাক্কী বলেন: "আর আল্লাহর কসম! হুমাইদী থেকে এই হাদীস শোনার পর থেকে আমি যা-ই দুআ করেছি, আল্লাহ তা কবুল করেছেন।" আবুল হাসান বলেন: "আর আল্লাহর কসম! মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস থেকে এই হাদীস শোনার পর থেকে আমি সেখানে যা-ই প্রার্থনা করেছি, আল্লাহ তা কবুল করেছেন।" আবু আল-কাসিম হামযাহ ইবনে ইউসুফ বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বলেছেন, "আমি মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে বারবার দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।" আবু আল-কাসিম হামযাহ ইবনে ইউসুফ আমাদের বলেন, "আমিও মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।" ইজিদিয়ার বলেন, "আমিও আল্লাহর কাছে দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।" হাফিয আবু তাহির বলেন, "আমিও মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।" আমাদের শায়খ হাফিয আব্দুল গনি বলেন, "আমিও মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।" মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ বলেন, "আমিও মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে দুআ করেছি এবং তিনি তা কবুল করেছেন।"
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌الْمُسَلْسَلُ بِإِنِّي أُحِبُّكَ
‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বাক্য সংবলিত মুসালসাল
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৮)
4 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ عَلِيٍّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمَوَازِينِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَقَلْتُهُ مِنْ خَطِّهِ، قِيلَ لَهُ: قُرِئَ عَلَى الشَّيْخِ الْإِمَامِ أَبِي بَكْرٍ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْغَزَّالِ، بِبَغْدَادَ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ حَمْدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْأَصْفَهَانِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًّا، حَدَّثَنَا الْإِمَامُ أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْأَصْفَهَانِيُّ، إِمْلَاءً، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ مُسْلِمٍ التُّجِيبِيَّ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجِيلِيُّ، عَنِ الصُّنَابِحِيِّ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رضي الله عنه، قَالَ: أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا بِيَدِي، ثُمَّ قَالَ: «يَا مُعَاذُ، وَاللَّهِ إِنِّي لَأُحِبُّكَ» ، فَقَالَ لَهُ مُعَاذٌ: بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَأَنَا وَاللَّهِ أُحِبُّكَ، فَقَالَ: " أُوصِيكَ يَا مُعَاذُ: لَا تَدَعَنَّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ أَنْ تَقُولَ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ ".

وَأَوْصَى بِهِ مُعَاذٌ الصُّنَابِحِيَّ، وَأَوْصَى الصُّنَابِحِيُّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَوْصَى أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عُقْبَةَ، وَأَوْصَى عُقْبَةُ حَيْوَةَ، وَأَوْصَى حَيْوَةُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئَ، وَأَوْصَى أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِشْرَ بْنَ مُوسَى، وَأَوْصَى بِشْرٌ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، وَأَوْصَى مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ أَبَا نُعَيْمٍ، وَأَوْصَى أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظَ أَبَا الْفَضْلِ حَمْدًا، وَأَوْصَى أَبُو الْفَضْلِ حَمْدٌ أَبَا بَكْرٍ يَحْيَى الْغَزَّالَ، وَأَوْصَى يَحْيَى الْغَزَّالُ شَيْخَنَا أَبَا الْحُسَيْنِ أَحْمَدَ، وَأَوْصَانَا شَيْخُنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ حَمْزَةَ، رَحِمَهُ اللَّهُ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান শায়খ আবুল হুসাইন আহমাদ বিন হামযাহ বিন আলী, যিনি ইবনুল মাওয়াযিনী নামে পরিচিত; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এবং আমি এটি তাঁর স্বহস্তলিখন থেকে অনুলিপি করেছি। তাঁকে বলা হয়েছে: শায়খ ইমাম আবু বকর ইয়াহইয়া বিন আব্দুল বাকি বিন মুহাম্মাদ আল-গাযযালের নিকট বাগদাদে পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন; তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফযল হামদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-আসফাহানি, তিনি হাজ্জ পালনার্থে আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন; আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আল-আসফাহানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, হায়ওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে; তিনি বলেন: আমি উকবাহ বিন মুসলিম আত-তুজীবিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু আব্দুর রহমান আল-জীলি বর্ণনা করেছেন আস-সুনাবিহী থেকে, তিনি মুআয বিন জাবাল রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার হাত ধরলেন, অতঃপর বললেন: "হে মুআয! আল্লাহর শপথ, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি।" তখন মুআয তাঁকে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গিত হোক, আর আল্লাহর শপথ, আমিও আপনাকে ভালোবাসি।" অতঃপর তিনি বললেন: "হে মুআয, আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের শেষে এটি বলা পরিত্যাগ করবে না: হে আল্লাহ! আপনার যিকর, আপনার শোকর এবং আপনার উত্তম ইবাদত করার জন্য আমাকে সাহায্য করুন।"

আর মুআয এটি আস-সুনাবিহীকে অসিয়ত করেছেন, আস-সুনাবিহী আবু আব্দুর রহমানকে অসিয়ত করেছেন, আবু আব্দুর রহমান উকবাহকে অসিয়ত করেছেন, উকবাহ হায়ওয়াহকে অসিয়ত করেছেন, হায়ওয়াহ আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরিকে অসিয়ত করেছেন, আবু আব্দুর রহমান বিশর বিন মুসাকে অসিয়ত করেছেন, বিশর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসানকে অসিয়ত করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আবু নুয়াইমকে অসিয়ত করেছেন, আবু নুয়াইম হাফিয আবুল ফযল হামদকে অসিয়ত করেছেন, আবুল ফযল হামদ আবু বকর ইয়াহইয়া আল-গাযযালকে অসিয়ত করেছেন, ইয়াহইয়া আল-গাযযাল আমাদের শায়খ আবুল হুসাইন আহমাদকে অসিয়ত করেছেন এবং আমাদের শায়খ আবুল হাসান আহমাদ বিন হামযাহ—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—আমাদেরকে অসিয়ত করেছেন।
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌الْمُسَلْسَلُ بِيَوْمِ الْعِيدِ
ঈদের দিনে বর্ণিত মুসালসাল
(খণ্ড: ১) খামসাতু আহাদীস মুসালসালাত - আদ-দিয়া আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১০)
5 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ عَلِيٍّ، الْمَعْرُوفُ بِالْمَوَازِينِيِّ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ قَبْلَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قِيلَ: قَرَأْتُ عَلَى السَّيِّدِ الْإِمَامِ الْعَالِمِ الزَّاهِدِ الْعَارِفِ النَّقِيبِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ عَمِّ سَيِّدِنَا رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فِي دَارِهِ بِبَغْدَادَ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى، قُلْتُ لَهُ: حَدَّثَكُمُ الشَّيْخُ الْإِمَامُ الثِّقَةُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يَحْيَى بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّا، مِنْ لَفْظِهِ وَكِتَابِهِ فِي جَامِعِ الْقَصْرِ بِبَغْدَادَ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَالِدِي أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ، بِقِرَاءَتِهِ عَلَيْنَا فِي يَوْمِ الْعِيدِ بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ فِي يَوْمِ فِطْرٍ وَأَضْحَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ الْمُقْرِئُ، رضي الله عنه، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي جَامِعِ الرُّصَافَةِ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى، بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ.

قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْوَاسِطِيُّ الْمُؤَدِّبُ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا مِنْ لَفْظِهِ فِي يَوْمِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْقَزْوِينِيُّ الزَّاهِدُ، فِي الْمُصَلَّى يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فِرَاسِ بْنِ الْهَيْثَمِ الْخَطِيبُ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْأُمَوِيُّ مَوْلَى بِشْرِ بْنِ مَرْوَانَ، بِدِمَشْقَ فِي يَوْمِ عِيدِ الْفِطْرِ وَأَضْحَى، بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى، بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ فِي يَوْمِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، فِي يَوْمِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: شَهِدْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحَى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الصَّلَاةِ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، فَقَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ حَتَّى يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ»
৫ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ বিন হামজাহ বিন আলী, যিনি আল-মাওয়াজিনী নামে পরিচিত, ঈদুল ফিতরের দিনে সালাত ও খুতবার পূর্বে, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। বলা হয়েছে: আমি পাঠ করেছি সাইয়্যিদ, ইমাম, আলেম, যাহিদ, আরিফ, নাকীব আবু আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আযীয বিন আলী বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন সুলাইমান বিন ইয়াকুব বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস—যিনি আমাদের নেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা—তাঁর নিকট, বাগদাদে তাঁর ঘরে, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে। আমি তাঁকে বললাম: নির্ভরযোগ্য শাইখ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনুল বান্না কি আপনার নিকট তাঁর নিজ শব্দে ও কিতাব থেকে বাগদাদের কাসর জামে মসজিদে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমাদের নিকট আমার পিতা আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট তাঁর পাঠের মাধ্যমে। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন উমর বিন হাফস আল-মুকরি (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন), তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, রুসাফাহ জামে মসজিদে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে।

তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-ওয়াসিতী আল-মুয়াদ্দিব বর্ণনা করেছেন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে তাঁর নিজ শব্দে আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বললেন: আমার নিকট আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ আল-কাযভিনী আল-যাহিদ বর্ণনা করেছেন, ঈদগাহে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে। তিনি বললেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ফিরারাস বিন আল-হাইসাম আল-খাতীব বর্ণনা করেছেন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে। তিনি বললেন: আমাদের নিকট বিশর বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-উমাবী—বিশর বিন মারওয়ানের আযাদকৃত দাস—দামেস্কে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট ওয়াকি ইবনুল জাররাহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট ইবনে জুরাইজ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট আতা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আমরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে উপস্থিত ছিলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন: «হে লোকসকল! তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ। সুতরাং যে চলে যেতে চায় সে চলে যেতে পারে, আর যে খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে চায় সে যেন অবস্থান করে।»