(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث صحيحة مما رواه مسلم بن الحجاج بين المصطفى وبينه تسعة نفر لضياء الدين المقدسي   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث صحيحة مما رواه مسلم بن الحجاج بين المصطفى وبينه تسعة نفر لضياء الدين المقدسي

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)

تحقيق: محمد مطيع الحافظ

الناشر: دار البشائر الإسلامية - بيروت

عدد الصفحات: 14

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

দিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি কর্তৃক সংকলিত মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ বর্ণিত সহীহ হাদীসসমূহ যার মধ্যে মুস্তফা এবং তাঁর মাঝে নয়জন ব্যক্তি রয়েছেন   (দিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: দিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি কর্তৃক সংকলিত মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ বর্ণিত সহীহ হাদীসসমূহ যার মধ্যে মুস্তফা এবং তাঁর মাঝে নয়জন ব্যক্তি রয়েছেন

লেখক: দিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৪৩ হি.)

সম্পাদনা: মুহাম্মদ মুতী আল-হাফিজ

প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ - বৈরুত

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪

[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌الْحَدِيثُ الأَوَّلُ: فَمِنْ ذَلِكَ حَدِيثٌ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه
প্রথম হাদিস: এর অন্তর্ভুক্ত হলো আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত একটি হাদিস
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَخْبَرَكُمْ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِيذَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ بْنِ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ فَضْلٍ الْخَطْمِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا كَانَ مِنْ نَبِيٍّ إِلا كَانَ لَهُ حَوَارِيُّونَ يَهْدُونَ بِهَدْيِهِ، وَيَسْتَنُّونَ بِسُنَّتِهِ، ثُمَّ يَكُونُ مِنْ بَعْدِهِمْ خُلُوفٌ يَقُولُونَ مَا لا يَفْعَلُونَ، وَيَعْمَلُونَ مَا تُنْكِرُونَ، مَنْ جَاهَدَهْمُ بِيَدِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِلِسَانِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِقَلْبِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، وَرَوَاهُ عَنْ عَمْرٍو النَّاقِدِ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ النَّضْرِ، وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحٍ ،عَنْ كَيْسَانَ، عَنِ الْحَارِثِ ،عَنْ جَعْفَرٍ بِإِسْنَادِهِ بِنَحْوٍ، وَفِيهِ «حَوَارِيُّونَ وَأَصْحَابٌ» ، وَفِيهِ: «يَقُولُونَ مَا لا يَفْعَلُونَ، وَيَفْعَلُونَ مَا لا يُؤْمَرُونَ» .

فَهُوَ فِي رِوَايَةِ يَعْقُوبَ عَنْ تِسْعَةِ نَفَرٍ، فَهُوَ يَعْلُو لَنَا عَلَى طَرِيقِ مُسْلِمٍ هَذِهِ بِثَلاثَةِ نَفَرٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ
১ - আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আসফাহানে তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রিযা আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে উসমান ইবনে সালিহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে ফাদল আল-খাতমি আমাদের বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হাকাম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস আবু রাফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এমন কোনো নবী অতিক্রান্ত হননি যার হাওয়ারী (একনিষ্ঠ সহচর) ছিল না, যারা তাঁর হেদায়েত অনুযায়ী চলতেন এবং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করতেন। তারপর তাদের পরে এমন অপদার্থ স্থলাভিষিক্তরা আসে যারা যা বলে তা করে না এবং এমন কাজ করে যা তোমরা অপছন্দ করো। সুতরাং যে ব্যক্তি তার হাত দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে সে মুমিন, যে ব্যক্তি তার জিহ্বা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে সে মুমিন এবং যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে সেও মুমিন। এর বাইরে সরিষা দানা পরিমাণও ঈমান নেই।»

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও তিনি আমর আন-নাকিদ, আবু বকর ইবনে আন-নাদর এবং আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে—তাঁরা তিনজনই ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ থেকে, তিনি কায়সান থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি জাফর থেকে তাঁর সনদসহ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছে: «হাওয়ারী ও সাথীবর্গ», এবং তাতে আরও রয়েছে: «তারা যা বলে তা করে না এবং তারা তা-ই করে যার নির্দেশ তাদের দেওয়া হয়নি।»

সুতরাং ইয়াকুবের বর্ণনায় এটি নয়জন ব্যক্তির মাধ্যমে এসেছে। ফলে ইমাম মুসলিমের এই সূত্রের তুলনায় আমাদের নিকট এটি তিন স্তরের উপরে (উচ্চতর সনদে) পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي: وَمِنْ ذَلِكَ حَدِيثُ أَبِي بَصْرَةَ جَمِيلِ بْنِ بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ
দ্বিতীয় হাদিস: এবং এরই অন্তর্ভুক্ত হলো আবু বাসরা জামিল ইবনে বাসরা আল-গিফারী বর্ণিত হাদিস।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৪)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو النَّجِيبِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الأَسْوَدِ هِبَةُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْقُشَيْرِيُّ، وَأَنْتَ حَاضِرٌ تَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو الْقَاسِمِ الْقُشَيْرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْخَفَّافُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَيْرِ بْنِ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ ابْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ أَبِي تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيِّ، عَنْ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ، قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ بِالمخصصِ، فَقَالَ: «إِنَّ هَذِهِ الصَّلاةَ عُرِضَتْ عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَضَيَّعُوهَا، فَمَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا كَانَ لَهُ أَجْرُهُ مَرَّتَيْنِ، وَلا صَلاةَ بَعْدَهَا حَتَّى يَطْلُعَ الشَّاهِدُ، وَالشَّاهِدُ النَّجْمُ» .

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ قُتَيْبَةَ، وَأَخْرَجَهُ عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السَّيْبَانِيِّ، بِسِينٍ غَيْرِ مُعْجَمَةٍ وَبَعْدَهَا بَاءٌ مُعْجَمَةٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ خَيْرِ بْنِ نُعَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ السَّبَائِيِّ، عَنْ أَبِي تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيِّ، وَاسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَصْرَةَ جَمِيلِ بْنِ بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ.

وَقَّعَ لَنَا مُوَافَقَةً وَهُوَ يَعْلُو لَنَا عَلَى طَرِيقِ زُهَيْرٍ بِأَرْبَعَةِ رِجَالٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
২ - আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আন-নাজিব ইসমাইল ইবনে উসমান ইবনে ইসমাইল, তাঁর নিকট নিশাপুরে পাঠ করার মাধ্যমে; তাঁকে বলা হলো: আবু আল-আসওয়াদ হিবাতুর রহমান ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-কুশায়রী কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আপনি উপস্থিত থেকে শুনছিলেন? তিনি বললেন: আমার দাদা আবুল কাসিম আল-কুশায়রী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উমর আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-লায়স ইবনে সাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খায়র ইবনে নুআইম আল-হাদরামি থেকে, তিনি ইবনে হুবায়রা থেকে, তিনি আবু তামিম আল-জাইশানি থেকে, তিনি আবু বাসরা আল-গিফারি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-মুখাসসাস নামক স্থানে আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: "নিশ্চয় এই সালাত তোমাদের পূর্ববর্তীদের নিকট পেশ করা হয়েছিল কিন্তু তারা তা নষ্ট করে ফেলেছিল। সুতরাং যে ব্যক্তি এই সালাতের হেফাজত করবে, তার জন্য দ্বিগুণ প্রতিদান রয়েছে। আর এই সালাতের পর আর কোনো সালাত নেই যতক্ষণ না সাক্ষী উদিত হয়; আর সাক্ষী হলো নক্ষত্র।"

ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন কুতাইবা থেকে, এবং তিনি এটি বর্ণনা করেছেন যুহায়ের ইবনে হারব থেকে, তিনি ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম আস-সাইবানি থেকে—যেখানে 'সীন' বর্ণটি নুকতাহীন এবং তারপরে 'বা' বর্ণটি নুকতাযুক্ত—তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি খায়র ইবনে নুআইম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে হুবায়রা আস-সাবায়ি থেকে, তিনি আবু তামিম আল-জাইশানি থেকে—আর তাঁর নাম আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক—তিনি আবু বাসরা জামিল ইবনে বাসরা আল-গিফারি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এটি আমাদের নিকট 'মুওয়াফাকাহ' (রেওয়ায়েতের সামঞ্জস্য) হিসেবে পৌঁছেছে এবং এটি যুহায়েরের সূত্রের বিপরীতে চারজন রাবীর ব্যবধানে আমাদের জন্য 'আলু' (উচ্চতর সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثُ: مِنْ حَدِيثِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه
তৃতীয় হাদিস: উসমান ইবন আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণিত হাদিস হতে
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৬)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ. . . الإِخْوَة، بِأَصْبَهَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلالُ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنِي حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ حَدَّثَهُ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ، حَدَّثَهُ: أَنَّهُ سَأَلَ عُثْمَانَ: " عَنِ الرَّجُلِ يُجَامِعُ فَلا يُنْزِلُ؟ قَالَ: لَيْسَ عَلَيْهِ غُسْلٌ، ثُمَّ قَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ".

وَقَّعَ لَنَا مُوَافَقَةً فَرَوَى مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-মুয়াইয়্যাদ বিন আবদুর রহিম বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ... আল-ইখওয়াহ, ইসফাহানে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবদুল মালিক আল-খাল্লাল; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন মানসুর; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ বিন আবদুল ওয়ারিস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা; তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন আল-মুয়াল্লিম; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবু কাসির; তাকে আবু সালামাহ বর্ণনা করেছেন; তাকে আতা বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন; তাকে যায়েদ বিন খালিদ আল-জুহানি বর্ণনা করেছেন: যে তিনি উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে সহবাস করে কিন্তু বীর্যপাত করে না?" তিনি বললেন: "তার ওপর গোসল করা আবশ্যক নয়।" অতঃপর উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: "আমি এটি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছি।"

এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদ (মুওয়াফাকাত) হিসেবে উপনীত হয়েছে; ইমাম মুসলিম এটি আবু খাইসামাহ জুহাইর বিন হারব-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعُ: مِنْ حَدِيثِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ رضي الله عنه
চতুর্থ হাদিস: উবাই ইবনে কাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিস থেকে
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৮)
4 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْمَعْرُوفُ بِقفك الْخَبَّازُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْخَيْرِ مُحَمَّدُ بْنُ رَجَاءِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ يُونُسَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الذَّكْوَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ مَرْدُوَيْهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَزْرَةَ، عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، الآيَةَ: " {وَلَنُذِيقَنَّهُمْ مِنَ الْعَذَابِ الأَدْنَى دُونَ الْعَذَابِ الأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ} [السجدة: 21] .

قَالَ: مُصِيبَاتٌ فِي الدُّنْيَا وَاللِّزَامُ، وَالْبَطْشَةُ أَوِ الدُّخَانُ.

شَكَّ شُعْبَةُ فِي الْبَطْشَةِ أَوِ الدُّخَانِ " رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ 17، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ كَمَا أَخْرَجْنَاهُ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম ইবন আহমাদ ইবন আবিল কাসিম, যিনি কিফাক আল-খাব্বাজ নামে পরিচিত; আসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের মুহাম্মাদ ইবন রাজা ইবন ইবরাহিম ইবন উমার ইবনুল হাসান ইবন ইউনুস, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ ইবন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আবদুর রহমান আদ-যাকওয়ানি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন মুসা ইবন মারদুওয়াইহ আল-হাফিয; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবনুল হাসান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন হাম্বল; তিনি বলেন: আমার পিতা (আহমাদ ইবন হাম্বল) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন জা'ফর; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ; কাতাদাহ থেকে, তিনি আযরাহ থেকে, তিনি হাসান আল-উরানি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনুল জায্যার থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি উবাই ইবন কা'ব (রা.) থেকে এই আয়াত সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: "আমি অবশ্যই তাদেরকে গুরুতর শাস্তির পূর্বে লঘুতর শাস্তি আস্বাদন করাব, যাতে তারা ফিরে আসে।" [সূরা আস-সাজদাহ: ২১]

তিনি (উবাই ইবন কা'ব) বলেন: "(লঘুতর শাস্তি হলো) দুনিয়ার বিপদ-আপদসমূহ, আল-লিজাম (অনিবার্য শাস্তি), এবং আল-বাতশাহ (প্রবল পাকড়াও) অথবা আদ-দুখান (ধোঁয়া)।"

শু'বাহ 'প্রবল পাকড়াও' অথবা 'ধোঁয়া'-এর ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন। এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন আবি শায়বাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন জা'ফর থেকে, যেভাবে আমরা তা উদ্ধৃত করেছি।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسُ: مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه
পঞ্চম হাদিস: আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিস হতে
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১০)
5 - قُرِئَ عَلَى ابْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَرَّانِيِّ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْفُرَاوِيُّ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَارِسِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنِي حَيْوَةُ، حَدَّثَنِي أَبُو صَخْرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ دَاوُدَ بْنَ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ قَاعِدًا عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، إِذْ طَلَعَ خَبَّابٌ صَاحِبُ الْمَقْصُورَةِ، فَقَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ أَلا تَسْمَعُ مَا يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ خَرَجَ مَعَ جِنَازَةٍ مِنْ بَيْتِهَا وَصَلَّى عَلَيْهَا، ثُمَّ تَبِعَهَا حَتَّى تُدْفَنَ كَانَ لَهُ قِيرَاطَانِ مِنْ أَجْرٍ، كُلُّ قِيرَاطٍ مِثْلُ أُحُدٍ، وَمَنْ صَلَّى عَلَيْهَا ثُمَّ رَجَعَ، كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُحُدٍ» ، فَأَرْسَلَ ابْنُ عُمَرَ خَبَّابًا إِلَى عَائِشَةَ يَسْأَلُهَا عَنْ قَوْلِ أَبِي هُرَيْرَةَ، ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَيْهِ، فَيُخْبِرُهُ مَا قَالَتْ، وَأَخَذَ ابْنُ عُمَرَ قَبْضَةً مِنْ حَصَى الْمَسْجِدِ يُقَلِّبُهَا فِي يَدِهِ، حَتَّى رَجَعَ إِلَيْهِ الرَّسُولُ، فَقَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: صَدَقَ أَبُو هُرَيْرَةَ، فَضَرَبَ ابْنُ عُمَرَ بِالْحَصَى الَّذِي كَانَ فِي يَدِهِ الأَرْضَ، ثُمَّ قَالَ: لَقَدْ فَرَّطْنَا فِي قَرَارِيطَ كَثِيرَةٍ.

كَذَا أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي كِتَابِهِ
৫ - ইবন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-হাররানির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা দামেস্কে তা শুনছিলাম। আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফদল আল-ফুরাওয়ি আপনাদের জানিয়েছেন এবং আপনি শুনছিলেন। আবদুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসি আমাদের জানিয়েছেন। মুহাম্মদ বিন ঈসা আমাদের জানিয়েছেন। ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান আমাদের জানিয়েছেন। মুসলিম বিন হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। হাইওয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু সাখর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন আবদুল্লাহ বিন কুসাইত থেকে, যে তিনি তাকে বর্ণনা করেছেন যে দাউদ বিন আমির বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস তার পিতার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমরের কাছে বসা ছিলেন, এমন সময় মাকসুরার অধিপতি খাব্বাব উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন: হে আবদুল্লাহ, আবু হুরায়রা যা বলছেন আপনি কি তা শুনছেন না? তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «যে ব্যক্তি ঘর থেকে জানাজার সাথে বের হয় এবং তার ওপর নামাজ পড়ে, অতঃপর দাফন হওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকে, তার জন্য দুই কিরাত সওয়াব রয়েছে; প্রতিটি কিরাত উহুদ পাহাড়ের ন্যায়। আর যে ব্যক্তি তার ওপর জানাজা পড়ে ফিরে আসে, তার জন্য উহুদের ন্যায় সওয়াব রয়েছে»। তখন ইবন উমর খাব্বাবকে আইশার কাছে পাঠালেন আবু হুরায়রার বক্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এবং তিনি যা বলবেন তা যেন ফিরে এসে তাকে জানানো হয়। ইবন উমর মসজিদের এক মুষ্টি কঙ্কর নিলেন এবং বার্তাবাহক ফিরে না আসা পর্যন্ত তা নিজের হাতে উল্টাতে-পাল্টাতে থাকলেন। অতঃপর যখন বার্তাবাহক ফিরে এসে বললেন: আইশা বলেছেন, আবু হুরায়রা সত্য বলেছেন; তখন ইবন উমর তার হাতের কঙ্করগুলো জমিনে ছুড়ে মারলেন, অতঃপর বললেন: আমরা অনেক কিরাত হাতছাড়া করেছি।

এভাবেই মুসলিম এটি তার গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌الْحَدِيثُ السَّادِسُ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ رضي الله عنها
ষষ্ঠ হাদিস: আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত হাদিস থেকে
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১২)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِيذَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُطَّلِبُ بْنُ شُعَيْبٍ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اهْجُوا قُرَيْشًا فَإِنَّهُ أَشَدُّ عَلَيْهِمْ مِنْ رَشْقِ النَّبْلِ» ، فَأَرْسَلَ إِلَى ابْنِ رَوَاحَةَ، فَقَالَ: اهْجُهُمْ فَهَجَاهُمْ، فَلَمْ يَرْضَ، فَأَرْسَلَ إِلَى كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى حَسَّانِ بْنِ ثَابِتٍ، فَلَمَّا دَخَلَ حَسَّانٌ، قَالَ: قَدْ آنَ أَنْ تُرْسِلُوا إِلَى هَذَا الأَسَدِ الضَّارِبِ بِذَنَبِهِ، دَلَعَ لِسَانَهُ فَجَعَلَ يُحَرِّكُهُ، فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لأَفْرِيَنَّهُمْ فَرْيَ الأَدِيمِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَعْجَلْ فَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ أَعْلَمُ قُرَيْشٍ بِأَنْسَابِهَا، وَإِنَّ لِي فِيهِمْ نَسَبًا حَتَّى يَخْلُصَ لَكَ نَسَبِي» ، فَأَتَاهُ حَسَّانٌ ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ خَلَصَ لِي نَسَبُكَ، وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لأَسُلَّنَّكَ مِنْهُمْ كَمَا تُسَلُّ الشَّعْرَةُ مِنَ الْعَجِينِ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِحَسَّانٍ: «إِنَّ رُوحَ الْقُدْسِ لا يَزَالُ يُؤَيِّدُكَ مَا نَافَحْتَ عَنِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ» ، قَالَ: فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «هَجَاهُمْ حَسَّانٌ فَشَفَى وَاشْتَفَى» .

قَالَ حَسَّانٌ:

هَجَوْتَ مُحَمَّدًا فَأَجَبْتُ عَنْهُ … وَعِنْدَ اللَّهِ فِي ذَاكَ الْجَزَاءُ

هَجَوْتَ مُحَمَّدًا بَرًّا حَنِيفًا … رَسُولَ اللَّهِ شِيمَتُهُ الْوَفَاءُ

فَإِنَّ أَبِي وَوَالِدَهُ وَعِرْضِي … لِعْرِضْ مُحَمَّدٍ مِنْكُمْ وِقَاءُ

ثَكَلْتُ بُنَيَّتِي إِنْ لَمْ تَرَوْهَا … تُثِيرُ النَّقْعَ مِنْ كَنَفِي كَدَاءُ

تُنَازِعُنِي الأَعِنَّةَ مُصْعِدَاتٍ … عَلَى أَكْتَافِهَا الأَسَلُ الظِّمَاءُ

تَظَلُّ جِيَادُنَا مُتَمَطِّرَاتٍ … تُلَطِّمُهُنَّ بِالْخُمُرِ النِّسَاءُ

فَإِنْ أَعَرَضْتُمُ عَنَّا اعْتَمَرْنَا … وَكَانَ الْفَتْحُ وَانْكَشَفَ الْغِطَاءُ

وَإِلا فَاصْبِرُوا لِضِرَابِ يَوْمٌ … يُعِزُّ اللَّهُ فِيهِ مَنْ يَشَاءُ

وَقَالَ اللَّهُ قَدْ أَرْسَلْتُ عَبْدًا … يَقُولُ الْحَقَّ لَيْسَ بِهِ خَفَاءُ

وَقَالَ اللَّهُ قَدْ يَسَّرْتُ جُنْدًا … هُمُ الأَنْصَارُ عُرْضَتُهَا اللِّقَاءُ

تَلاقِي مِنْ مَعَدٍّ كُلَّ يَوْمٍ … سِبَابٌ أَوْ قِتَالٌ أَوْ هِجَاءُ

فَمَنْ يَهْجُو رَسُولَ اللَّهِ مِنْكُمْ … وَيَمْدَحُهُ وَيَنْصُرُهُ سَوَاءُ

وَجِبْرِيلُ رَسُولُ اللَّهِ فِينَا … وَرُوحُ الْقُدْسِ لَيْسَ لَهُ كِفَاءُ

رَوَاهُ مُسْلِمٌ بِنَحْوِهِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، بِإِسْنَادِهِ، وَفِي صَحِيحِ مُسْلِمٍ: يُبَارِينَ الأَعِنَّةَ
৬ - আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন নাসর আস-সাইদালানি আমাদের জানিয়েছেন—আসবাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে—আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আপনাদের জানিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠকালে—আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন রিযা আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম সুলায়মান ইবন আহমদ আত-তাবারানি আমাদের জানিয়েছেন, মুত্তালিব ইবন শুআইব আল-আযদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লায়স আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, খালিদ ইবন ইয়াযিদ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবন আবি হিলাল থেকে, তিনি উমারা ইবন গাজিয়্যাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম থেকে, তিনি আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা কুরাইশদের নিন্দা করো (কবিতার মাধ্যমে), কেননা এটি তাদের জন্য তীরের আঘাতের চেয়েও বেশি যন্ত্রণাদায়ক।» অতঃপর তিনি ইবন রাওয়াহাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন: «তাদের নিন্দা করো।» তিনি তাদের নিন্দা করলেন, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাতে সন্তুষ্ট হলেন না। অতঃপর তিনি কাব ইবন মালিককে ডেকে পাঠালেন, এরপর হাসান ইবন সাবিতকে ডেকে পাঠালেন। হাসান যখন প্রবেশ করলেন, তখন তিনি বললেন: এখন সময় হয়েছে যে আপনারা এই সিংহের কাছে পাঠান, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে। এরপর তিনি তার জিহ্বা বের করে তা নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন: সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি অবশ্যই তাদের চামড়া ছিঁড়ে ফেলার মতো (কবিতার মাধ্যমে) ছিন্নভিন্ন করে দেব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «তাড়াহুড়ো করো না, কেননা আবু বকর কুরাইশদের বংশলতিকা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানেন এবং তাদের মধ্যে আমারও বংশধারা রয়েছে; (তুমি তাঁর কাছে যাও) যাতে তিনি তোমার কাছে আমার বংশধারাটি পৃথক করে বুঝিয়ে দেন।» হাসান তাঁর কাছে গেলেন এবং ফিরে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার বংশধারা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি অবশ্যই আপনাকে তাদের মধ্য থেকে এমনভাবে বের করে আনব যেমন আটার খামির থেকে চুল বের করে আনা হয়। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হাসানের উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই রুহুল কুদুস (জিবরাঈল) তোমাকে ততক্ষণ সাহায্য করতে থাকবেন, যতক্ষণ তুমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হয়ে প্রতিরক্ষা করবে।» তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «হাসান তাদের নিন্দা করেছে, ফলে সে মুমিনদের অন্তরকে প্রশান্ত করেছে এবং নিজেও প্রশান্তি লাভ করেছে।»

হাসান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:

তুমি মুহাম্মাদের নিন্দা করেছ, আর আমি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তর দিয়েছি … আর আল্লাহর নিকটই রয়েছে এর উত্তম প্রতিদান।

তুমি মুহাম্মাদের নিন্দা করেছ, যিনি পুণ্যবান ও একনিষ্ঠ … আল্লাহর রাসূল, যাঁর স্বভাব হলো বিশ্বস্ততা।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, তাঁর পিতা এবং আমার সম্মান … তোমাদের পক্ষ থেকে মুহাম্মাদের সম্মানের জন্য ঢালস্বরূপ।

আমি আমার প্রিয় কন্যাকে হারাই যদি তোমরা তাদের না দেখো … কাদা-এর পার্শ্বদেশ থেকে ধূলি উড়িয়ে ধেয়ে আসতে।

তারা বল্গার সাথে লড়াই করে উপরে আরোহণ করছে … তাদের কাঁধের ওপর রয়েছে তৃষ্ণার্ত বর্শাসমূহ।

আমাদের দ্রুতগামী ঘোড়াগুলো ছুটতে থাকবে … আর মহিলারা তাদের ওড়না দিয়ে তাদের আঘাত করবে।

যদি তোমরা আমাদের দিক থেকে সরে দাঁড়াও তবে আমরা উমরাহ পালন করব … আর বিজয় অর্জিত হবে এবং সকল আবরণ উন্মোচিত হবে।

নতুবা সেই দিনের লড়াইয়ের জন্য ধৈর্য ধারণ করো … যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করবেন।

আর আল্লাহ বলেছেন: আমি এক বান্দাকে পাঠিয়েছি … যে সত্য কথা বলে, যাতে কোনো অস্পষ্টতা নেই।

আর আল্লাহ বলেছেন: আমি এক বাহিনী প্রস্তুত করেছি … তারা হলো আনসার, যাদের লক্ষ্যই হলো শত্রুর মোকাবিলা করা।

মায়াদ গোত্রের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মোকাবিলা হয় … গালিগালাজ, যুদ্ধ অথবা নিন্দার।

অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসূলের নিন্দা করে … আর যে তাঁর প্রশংসা করে ও সাহায্য করে, তারা সমান নয়।

আর জিবরাঈল—আল্লাহর প্রেরিত—আমাদের মাঝে রয়েছেন … এবং রুহুল কুদুস (পবিত্র আত্মা), যাঁর কোনো সমকক্ষ নেই।

ইমাম মুসলিম এটি অনুরূপভাবে আব্দুল মালিক ইবন শুআইব ইবনুল লায়স, তাঁর পিতা ও তাঁর দাদার সূত্রে একই সনদে বর্ণনা করেছেন। আর সহীহ মুসলিমে ‘তারা বল্গার সাথে পাল্লা দিচ্ছে’ শব্দে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌الْحَدِيثُ السَّابِعُ: مِنْ حَدِيثِ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ رضي الله عنها
সপ্তম হাদিস: জয়নব বিনতে জাহাশ (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) এর হাদিস হতে
(খণ্ড: ১) আহাদীসু সহীহাতুন মিম্মা রাওয়াহু মুসলিম বিন হাজ্জাজ বাইনাল মুস্তফা ওয়া বাইনাহু তিসআতু নাফার লি যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ১৪)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، بِأَصْبَهَانَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَلالُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ عَنِ سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اسْتَيْقَظَ مِنْ نَوْمٍ مُحْمَرًّا وَجْهُهُ وَهُوَ يَقُولُ: «لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ، فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مِثْلُ هَذَا» ، قَالَتْ زَيْنَبُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ: «نَعَمْ إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ» .

صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، مُخَرَّجٌ فِي الصَّحِيحَيْنِ: رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ مِنْ طُرُقٍ: أَحَدُهُمَا، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ ،عَنْ أَخِيهِ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ الْحَمِيدِ ،عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ أَبِي أَيُّوبَ ،عَنِ ،ابْنِ أَبِي عَتِيقٍ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا مِنْ طُرُقٍ: أَحَدُهَا هَذِهِ الَّتِي رَوَيْنَاهُ مِنْهَا، عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، وَأَخْرَجَهُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، وَعَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدِ، عَنْ يَعْقُوبَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، ثَلاثَتُهُمْ الزُّهْرِيِّ ، عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، لَمْ يَذْكُرُوا حَبِيبَةَ كَمَا ذَكَرُوا سُفْيَانَ، وَفِي هَذِهِ الرِّوَايَاتِ الثَّلاثَ بَيْنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَبَيْنَ الْبُخَارِيِّ وَمُسْلِمٍ تِسْعَةُ نَفَرٍ
৭ - আবু আল-মাজদ জহির ইবন আহমাদ ইবন হামিদ আস-সাকাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: হুসাইন ইবন আব্দুল মালিক আল-খাল্লাল কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে? তিনি বললেন: ইব্রাহিম ইবন মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি যয়নব থেকে, তিনি হাবিবা থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি যয়নব বিনতে জাহশ থেকে (বর্ণনা করেন): নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর চেহারা মুবারক লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি বলছিলেন: «আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, আরবের জন্য ধ্বংস সেই অনিষ্টের কারণে যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে»। যয়নব বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে»।

এটি যুহরির বর্ণিত হাদিস থেকে সহিহ, যা সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম) গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে: ইমাম বুখারি এটি একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন: তার একটি হলো আবু আব্দুল্লাহ ইসমাইল ইবন আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই আবু বকর আব্দুল হামিদ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন বিলাল আবু আইয়ুব থেকে, তিনি ইবন আবি আতিক থেকে।

ইমাম মুসলিমও এটি একাধিক সূত্রে সংকলিত করেছেন: তার একটি হলো সেই সূত্র যার মাধ্যমে আমরা এটি বর্ণনা করেছি—আবু খাইসামা যুহাইর ইবন হারব থেকে। এছাড়াও তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবন শুয়াইব ইবন লাইস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল ইবন খালিদ থেকে; এবং আমর ইবন মুহাম্মাদ আন-নাক্বিদ থেকে, তিনি ইয়াকুব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সালিহ ইবন কাইসান থেকে—তাঁরা তিনজনই যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি যয়নব বিনতে উম্মে সালামা থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি যয়নব বিনতে জাহশ থেকে। তাঁরা সুফইয়ানের বর্ণনার মতো হাবিবার নাম উল্লেখ করেননি। আর এই তিনটি বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং বুখারি ও মুসলিমের মধ্যে নয়জন ব্যক্তির ব্যবধান রয়েছে।