(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: -)
نسب قريش القسم: الأنساب
الكتاب: نسب قريش
المؤلف: أبو عبد الله المصعب بن عبد الله بن المصعب الزبيري (156 - 236 هـ)
عُن بنشره وتصحيحه والتعليق عليه: إ. ليفي بروفنسال
أستاذ اللغة والحضارة بالسوربون، مدير معهد الدروس الإسلامية بجامعة باريس - سابقا
الناشر: دار المعارف، القاهرة
الطبعة: الثالثة
عدد الصفحات: 445
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কুরাইশদের বংশপরিচয় বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: কুরাইশদের বংশপরিচয়
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-মুসআব বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুসআব আয-যুবায়রী (১৫৬ - ২৩৬ হিজরি)
প্রকাশনা, সংশোধন ও টীকা প্রদান করেছেন: ই. লেভি-প্রোভেনসাল
সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ও সভ্যতার অধ্যাপক, প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি শিক্ষা ইন্সটিটিউটের সাবেক পরিচালক
প্রকাশক: দারুল মা’আরিফ, কায়রো
সংস্করণ: তৃতীয়
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪৫
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
وصلى الله على سيدنا ومولانا محمد وعلى آله وصحبه وسلم
الجزء الأول
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আমাদের নেতা ও অভিভাবক মুহাম্মাদের ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
প্রথম খণ্ড
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৩)
أخبرنا محمد بن معاوية بن عبد الرحمن بن معاوية بن إسحاق بن عبد الله ابن معاوية بن هشام بن عبد الملك بن مروان رحمهم الله قال: حدثنا أبو إسحاق إبراهيم بن موسى بن جميل الأندلسي بمصر، قال: حدثنا أبو بكر أحمد بن زهير بن حرب بن شداد النسائي البغدادي المعروف بابن أبي خيثمة، قال: حدثنا أبو عبد الله المصعب بن عبد الله بن ثابت بن عبد الله ابن الزبير بن العوام بن خويلد بن أسد بن عبد العزى بن قصي بن كلاب، وقرأ علي: " قال أبو عبد الله: قال محمد بن شهاب ابن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله ابن شهاب بن عبد الله بن الحارث بن زهرة بن كلاب الزهري ":
نسب معد بن عدنانمعد بن عدنان بن أدد بن الميسع بن أشجب بن
… نابت بن قيدار ابن إسماعيل بن إبراهيم خليل الله صلى الله عليه وسلم. قال: وقال بعضهم: معد بن عدنان بن أدد بن أمين بن شاجب بن نبت بن ثعلبة بن عثر بن بريح ابن محلم بن العوام بن المحتمل بن ذائمة بن العقيان بن علة بن مجذر بن
…
মুহাম্মাদ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে হিশাম ইবনে আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মিশরে আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুসা ইবনে জামিল আল-আন্দালুসি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে জুহাইর ইবনে হারব ইবনে শাদ্দাদ আন-নাসায়ি আল-বাগদাদি, যিনি ইবনে আবি খায়সামা নামে পরিচিত, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ আল-মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সাবিত ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর ইবনে আওয়াম ইবনে খুয়াইলিদ ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযা ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি আমার কাছে পাঠ করেছেন: "আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে শিহাব ইবনে মুসলিম ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে শিহাব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে যুহরা ইবনে কিলাব আজ-যুহরি বলেছেন":
মা'আদ বিন আদনানের বংশপরিচয়মা'আদ বিন আদনান বিন আদাদ বিন আল-মাইসা বিন আশজাব বিন
… নাবিত বিন কাইদার বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম, আল্লাহর খলীল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেন: এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন: মা'আদ বিন আদনান বিন আদাদ বিন আমিন বিন শাজিব বিন নাবত বিন সা'লাবা বিন আসার বিন বারীহ বিন মুহাল্লিম বিন আল-আওয়াম বিন আল-মুহাতামিল বিন যাইমাহ বিন আল-আকিয়ান বিন ইল্লাহ বিন মুজাজ্জির বিন
…
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৪)
ابن عامر بن إبراهيم بن إسماعيل بن يزن ين أعوج بن المطعم بن الطمح ابن القسور بن عتود بن دعدع بن محمود بن الزائد بن ندوان بن أبابة بن دوس ابن حصن بن النزال بن القمير بن المجشر بن معذر بن صيفي بن نبت بن قيذر بن إسماعيل ذبيح الله بن إبراهيم خليل الله. قال أبو عبد الله الزبيري: وأجمع أهل النسب، لا اختلاف بينهم، أن إبراهيم بن آزر بن التاجر بن الشاجع بن الراعي بن القاسم، الذي قسم الأرض بين أهلها، ابن يعبر بن السائح بن الرافد بن السائم، وهو سام، ابن نوح نبي الله، ابن قنان بن الطاهر بن هبة الله بن شيث بن آدم أبي البشر، ويقال: ابن شاث ابن آدم أبي البشر صلى الله عليه وسلم. قال أبو عبد الله: وقال بعضهم: إبراهم بن تارح بن ناحور بن أسرع ابن أرغو بن فالغ بن عابر بن شالخ بن أرفخشد بن سام بن نوح - صلوات الله عليهم - ابن لامك ابن متوشالخ بن خنوخ، وهو إدريس عليه السلام ابن يادر بن هليل بن قنان بن أنش بن شاث بن آدم - صلوات لله عليه. قال أبو عبد الله الزبيري: ويقولون: نوح بن لامك؛ ويقولون قحطان … قحطان أبو من يدعى إليه من اليمن، غير أنهم يحرفون الأسماء ويأتون …
ইবনে আমির বিন ইবরাহিম বিন ইসমাঈল বিন ইয়াযান বিন আ'ওয়াজ বিন আল-মুতইম বিন আত-তামহ ইবনুল কাসওয়ার বিন আতুদ বিন দা'দা' বিন মাহমুদ বিন আয-যাইদ বিন নাদওয়ান বিন আবাবাহ বিন দাওস ইবনে হিসন বিন আন-নাযযাল বিন আল-কুমাইর বিন আল-মুজাশশির বিন মুআজ্জির বিন সাইফি বিন নাবত বিন কাইদার বিন ইসমাঈল—যিনি আল্লাহর জন্য উৎসর্গিত (যবিহুল্লাহ)—বিন ইবরাহিম—যিনি আল্লাহর বন্ধু (খলিলুল্লাহ)। আবু আবদুল্লাহ আল-জুবায়রি বলেন: বংশবিদগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন এবং তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই যে, ইবরাহিম বিন আজার বিন আত-তাজির বিন আশ-শাজি' বিন আর-রায়ি বিন আল-কাসিম—যিনি পৃথিবীকে এর অধিবাসীদের মাঝে বণ্টন করেছিলেন—বিন ই'বার বিন আস-সাইহ বিন আর-রাফিদ বিন আস-সায়িম—আর তিনি হলেন সাম—বিন নূহ (আল্লাহর নবী), বিন কানান বিন আত-তাহির বিন হিবাতুল্লাহ বিন শিথ বিন আদম (মানবজাতির পিতা)। আবার বলা হয়: বিন শাথ বিন আদম (মানবজাতির পিতা), তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আবু আবদুল্লাহ বলেন: তাদের কেউ কেউ বলেছেন, ইবরাহিম বিন তারাহ বিন নাহুর বিন আসরা' বিন আরগু বিন ফালিগ বিন আবির বিন শালিহ বিন আরফাখশাদ বিন সাম বিন নূহ—তাঁদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক—বিন লামিক বিন মাতুশালিহ বিন খানুখ—যিনি হলেন ইদ্রিস (আলাইহিস সালাম)—বিন ইয়াদির বিন হালিল বিন কানান বিন আনুশ বিন শাথ বিন আদম—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আবু আবদুল্লাহ আল-জুবায়রি বলেন: তারা বলেন নূহ বিন লামিক; এবং তারা বলেন কাহতান ... কাহতান হলেন তাদের আদিপিতা যাদের ইয়েমেনের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়, তবে তারা নামগুলো বিকৃত করে এবং নিয়ে আসে ...
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৫)
ولد عدنانقال أبو عبد الله الزبيري: فولد عدنان بن أدد: معدا، والحارث، وهو عك؛ وأمهما: منهاد بنت لهم بن جليد بن طسم؛ فكل من بالمشرق من عك ينتسبون إلى الأزد يقولون: عك بن عدنان بن عبد الله بن الأزد؛ وسائر عك في البلاد وفي اليمن ينتسبون إلى عدنان بن أدد، وقد قال العباس ابن مرداس، يتكثر بهم على اليمن:
وعك بن عدنان الذين تلعبوا
… بغسان حتى طردوا كل مطرد
ولد معد بن عدنانقال: فولد معد بن عدنان: نزاراً، وقضاعة، وأمهما: معانة بنت جوشم بن جلهمة بن عامر بن عوف بن عدي بن دب بن جرهم. وقد انتسب. قضاعة إلى حمير؛ فقالوا قضاعة بن مالك بن حمير بن سبأ، وأمه: عكبرة، امرأة من سبأ خلف عليها معد؛ فولدت قضاعة على فراش معد. وزوروا في ذلك شعراً، فقالوا:
يا أيها الداعي ادعنا وأبشر
… وكن قضاعيا ولا تنزر
قضاعة بن مالك بن حمير
… النسب المعروف غير المنكر
قال: وأشعار قضاعة في الجاهلية وبعد الجاهلية تدل على أن نسبهم في معد. قال جميل، وهو من بني الحارث بن سعد، إخوة عذرة، وهم من قضاعة:
وأي معد كان فيء رماحهم
… كما قد أفأنا والمفاخر منصف
আদনানের বংশধরআবু আব্দুল্লাহ আয-যুবাইরী বলেন: আদনান ইবনে আদাদ-এর সন্তানরা হলেন: মাআদ এবং আল-হারিস, আর তিনিই হলেন আক্ক; তাঁদের মাতা হলেন: মিনহাদ বিনতে লাহহাম ইবনে জুলিইদ ইবনে তাসাম। প্রাচ্যে অবস্থানরত আক্ক গোত্রের সকলেই আযদ গোত্রের সাথে নিজেদের বংশীয় সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং বলেন: আক্ক ইবনে আদনান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আযদ। অন্যদিকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এবং ইয়ামেনে অবস্থানরত আক্ক গোত্রের বাকিরা নিজেদেরকে আদনান ইবনে আদাদ-এর বংশধর হিসেবে পরিচয় দেন। আব্বাস ইবনে মিরদাস ইয়ামেনীদের মোকাবিলায় তাঁদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গর্ব করে বলেছেন:
এবং আদনানের পুত্র আক্ক, যারা গাসসানদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল
… যতক্ষণ না তারা প্রত্যেক বিতাড়িতকে বিতাড়িত করেছিল।
মাআদ ইবনে আদনানের বংশধরতিনি বলেন: মাআদ ইবনে আদনানের পুত্রগণ হলেন: নিযার এবং কুদাআ; তাঁদের মাতা হলেন: মুআনা বিনতে জওশাম ইবনে জুলহুমা ইবনে আমির ইবনে আউফ ইবনে আদি ইবনে দুব ইবনে জুরহুম। কুদাআ গোত্র নিজেদেরকে হিমইয়ারের সাথে সম্পৃক্ত করেছে; তারা বলে: কুদাআ ইবনে মালিক ইবনে হিমইয়ার ইবনে সাবা। তাঁর মাতা ছিলেন আকবারাহ, যিনি সাবা গোত্রের একজন নারী ছিলেন এবং মাআদ তাঁকে গ্রহণ করেছিলেন; ফলে মাআদের শয্যাতেই কুদাআর জন্ম হয়। আর তারা এই বিষয়ে বানোয়াট কবিতা তৈরি করে বলেছে:
হে আহ্বানকারী! আমাদের আহ্বান করো এবং সুসংবাদ গ্রহণ করো
… কুদাআ গোত্রীয় হও এবং নিযারের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
কুদাআ ইবনে মালিক ইবনে হিমইয়ার
… এই বংশ পরিচয় সুপরিচিত এবং অনস্বীকার্য।
তিনি বলেন: জাহিলিয়াত ও ইসলাম-পরবর্তী যুগের কুদাআ গোত্রের কবিতাসমূহ একথাই প্রমাণ করে যে, তাদের বংশ পরিচয় মাআদ-এর অন্তর্ভুক্ত। জামিল (যিনি বনু হারিস ইবনে সাদ গোত্রের লোক—যারা উজরা গোত্রের ভাই এবং কুদাআভুক্ত) বলেছেন:
মাআদ গোত্রের কোন দলটি তাদের বর্শার লব্ধ সম্পদে পরিণত হয়নি?
… যেমনটি আমরা লাভ করেছি, আর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় ইনসাফ করা বাঞ্ছনীয়।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৬)
وقال زيادة بن زيد، وهو منهم:
وإذا معد أوقدت نيرانها
… للمجد أغضت عامر وتقنعوا
وعامر هؤلاء رهط هدبة بن خشرم، وهم إخوة عذرة من بني الحارث ابن سعد بن قضاعة. قال: كان الوليد في سفر؛ فرجز به ابن العذرى، والوليد على نجيب؛ فقال:
يا بكر هل تعلم من علاكا
… خليفة الله على ذراكا
فقال الوليد لجميل: " انزل، فارجز! " فنزل فقال:
أنا جميل في السنام من سعد
… في الذروة العلياء والركن الأسد
فقال له: اركب لا حملك الله ولم يمدح جميل أحداً قط. والشعر في هذا كثير، والله أعلم. فولد نزار: مضر، وإياد، وأمهما: خبية بنت عك بن عدنان؛ وربيعة، وأنمار ابني نزار، وأمهما: حدالة بنت وعلان بن جوشم بن جلهمة بن عامر بن عوف بن عدي بن دب بن جرهم؛ وكان يقال: ربيعة ومضر الصريحان من ولد إسماعيل. فدخل من كان منهم بالعراق في النخع؛ وكان منهم بالشأم على نسبهم في نزار. وقد قال امرؤ القيس بن حجر:
ولقد رحلت العيس ثم زجرتها
… وهنا وقلت: عليك خير معد
জিয়াদাহ বিন যাইদ, যিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি বলেছেন:
যখন মা'আদ গৌরবের জন্য তাদের অগ্নি প্রজ্বলিত করেছিল
… তখন আমির (বংশীয়রা) চোখ নিচু করেছিল এবং নিজেদের আবৃত করেছিল।
এই আমির হলেন হুদবাহ বিন খাশরামের গোত্র, এবং তারা কুদা'আহর পুত্র সা'দ-এর পুত্র হারিসের বংশধর উযরাহর ভাই। তিনি বলেন: ওয়ালিদ এক সফরে ছিলেন; ইবনুল উযরি তার সম্মানে রাজায পাঠ করেন, তখন ওয়ালিদ একটি উন্নত জাতের উটের ওপর আরোহী ছিলেন; তিনি বললেন:
হে তরুণ উট! তুমি কি জানো কে তোমার ওপর আরোহণ করেছেন
… আল্লাহর খলিফা তোমার কুঁজের ওপর রয়েছেন।
তখন ওয়ালিদ জামিলকে বললেন: "নামো এবং রাজায আবৃত্তি করো!" সে নেমে বলল:
আমি সা'দ বংশের কুঁজের (উঁচু মর্যাদার) অন্তর্ভুক্ত জামিল
… আমি সুউচ্চ শিখরে এবং সুদৃঢ় স্তম্ভে অবস্থান করছি।
তখন তিনি তাকে বললেন: "আরোহণ করো, আল্লাহ তোমাকে বহন না করুন।" জামিল কখনও কারও প্রশংসা করেননি। এ বিষয়ে কবিতা প্রচুর রয়েছে, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। অতঃপর নিযারের সন্তানরা হলেন: মুদার ও ইয়াদ, তাদের মা হলেন আদনানের পুত্র আক-এর কন্যা খাবিয়্যাহ; এবং রাবি'আহ ও আনমার—নিযারের দুই পুত্র, তাদের মা হলেন জুরহুমের পুত্র দুব্ব-এর পুত্র আদী-র পুত্র আউফ-এর পুত্র আমির-এর পুত্র জুলহুমাহ-র পুত্র জাওশাম-এর পুত্র ওয়ালান-এর কন্যা হাদালাহ। বলা হতো: রাবি'আহ ও মুদার হলেন ইসমাইলের সন্তানদের মধ্যে বিশুদ্ধতম। তাদের মধ্যে যারা ইরাকে ছিল তারা নাখা' গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে; আর যারা সিরিয়ায় ছিল তারা নিযারের বংশ পরিচয়েই অবস্থান করছিল। ইমরুল কায়েস বিন হুজর বলেছেন:
আমি সাদা উটে চড়ে যাত্রা করেছি এবং রাতের শেষ প্রহরে সেগুলোকে তাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছি
… আর বলেছি: তোমার ওপর মা'আদ বংশের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৭)
فعليك سعد بن الضباب فأسرعي
… سيراً إلى سعد عليك بسعد
قوم تفرع من إياد بيتها
… بين النبيت الأكرمين وبرد
سعد يجير الخائفين وكفه
… تندى نوالا من طريف وتلد
وأما نمار بن نزار، فمنهم: بجيلة، انتسبوا إلى اليمين، إلا من كان منهم بالشأم والمغرب؛ فإنهم على نسبهم إلى أنمار بن نزار. وقد قال جرير بن عبد الله، حين نافر الفرافصة الكلبي إلى الأقرع بن حابس:
يا أقرع بن حابس يا أقرع
… إن يصرع اليوم أخوك تصرع
وقال أيضا:
يا ابني نزار انصرا أخاكما
… إن أبي وجدته أباكما
لن يخذل اليوم أخ والاكما
فنفره الأقرع على الفرافصة بن الأحوص. ومنهم: خزيمة، وهم يشكر؛ وقد انتسبوا في الأزد. ومنهم: خثعم، وهو أقبل بن أنمار بن نزار؛ وإنما خثعم جبل تحالفوا عنده؛ فنسبوا إليه؛ وهم بالسراة على أنسابهم إلى أنمار بن نزار. وإذا كانت بين اليمن فيما هنالك وبين مضر حرب، كانت خثعم مع اليمن على مضر. قال أبو عبد الله الزبيري: فولد مضر بن نزار: إلياس، والناس، وهو عيلان؛ وأمهما: الحنفاء ابنة إياد بن معد. فولد إلياس بن مضر: مدركة، واسمه عامر، وطابخة، وإسمه عمرو، وقمعة، واسمه عمير؛ وأمهم خندف، واسمها ليلى بنت حلوان بن عمران بن الحاف بن قضاعة؛ ويقال لهم: خندف باسم أمهم، وينتسبون إليها. وأما قمعة، وهو عمير، فيزعمون أنه أبو خزاعة،
তোমার জন্য সাদ ইবনুল জাবাব বিদ্যমান, সুতরাং দ্রুত চলো
… সাদের কাছে ভ্রমণের জন্য তোমার প্রতি সাদেরই নির্দেশ।
এমন এক কওম যাদের বংশধারা ইয়াদ হতে বিস্তৃত
… সম্মানিত নাবিত এবং বারদের মাঝে।
সাদ ভীতদের আশ্রয় দান করেন এবং তার হাত
… নবীন ও প্রাচীন উভয় প্রকার দানে সিক্ত হয়।
আর আনমার ইবনে নিজার সম্পর্কে বলা যায়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হলো: বাজিলাহ, তারা নিজেদের ইয়েমেনের সাথে সম্পৃক্ত করেছে; তবে তাদের মধ্যে যারা শাম ও মাগরিবে ছিল তারা ব্যতীত। কেননা তারা আনমার ইবনে নিজারের সাথে তাদের বংশীয় সম্পর্কের ওপরই অটল রয়েছে। জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ যখন আল-ফুরাফিসাহ আল-কালবীর বিরুদ্ধে আল-আকরা ইবনে হাবিসের নিকট বিচারপ্রার্থী হলেন, তখন তিনি বলেছিলেন:
হে আকরা ইবনে হাবিস, হে আকরা
… আজ যদি তোমার ভাই আছাড় খায়, তবে তুমিও আছাড় খাবে।
তিনি আরও বলেছেন:
হে নিজারের দুই পুত্র, তোমরা তোমাদের ভাইকে সাহায্য করো
… নিশ্চয়ই আমার পিতাকে আমি তোমাদেরও পিতা হিসেবে পেয়েছি।
আজ এমন কোনো ভাই তোমাদের লাঞ্ছিত করবে না যে তোমাদের বন্ধু।
অতঃপর আল-আকরা তাকে আল-ফুরাফিসাহ ইবনুল আহওয়াসের ওপর প্রাধান্য দিলেন। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলো: খুজাইমাহ, যারা ইয়াশকুর নামে পরিচিত; তারা আল-আজদ গোত্রের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে আরও রয়েছে: খাসআম, আর তিনি হলেন আকবাল ইবনে আনমার ইবনে নিজার। প্রকৃতপক্ষে খাসআম একটি পাহাড়ের নাম যার নিকট তারা একে অপরের সাথে মিত্রতার শপথ করেছিল, ফলে তারা সেই পাহাড়ের নামেই পরিচিত হয়েছে। তারা আস-সারাতে আনমার ইবনে নিজারের বংশধর হিসেবেই বিদ্যমান। সেখানে যখনই ইয়েমেন এবং মুদার গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হতো, খাসআম মুদারের বিপক্ষে ইয়েমেনিদের পক্ষে থাকত। আবু আব্দুল্লাহ আয-যুবাইরী বলেন: মুদার ইবনে নিজারের দুই পুত্র জন্মলাভ করেন: ইলিয়াস এবং নাস, যিনি আয়লান নামে পরিচিত; তাদের মাতা হলেন আল-হানিফা বিনতে ইয়াদ ইবনে মাআদ। ইলিয়াস ইবনে মুদারের গর্ভে জন্মলাভ করেন: মুদরিকা—তার নাম আমির; তাবিখাহ—তার নাম আমর; এবং কামাআহ—তার নাম উমাইর। তাদের মাতা ছিলেন খিন্দিফ, যার নাম লায়লা বিনতে হুলওয়ান ইবনে ইমরান ইবনুল হাফ ইবনে কুদাআহ; তাদের মাতার নামানুসারে তাদের খিন্দিফ বলা হয় এবং তারা তার দিকেই নিজেদের সম্বন্ধ করে থাকে। আর কামাআহ, যিনি উমাইর নামে পরিচিত, তাদের দাবি অনুযায়ী তিনি হলেন খুজাআহ গোত্রের আদি পিতা।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৮)
يقولون: كعب بن عمرو بن لحى بن قمعة بن خندف. ويروى عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: " أول من سيب السائبة، وبحر البحيرة، وحمى الحامي، عمرو بن لحى بن قمعة أبو بني كعب هؤلاء؛ رأيته في النار يجر قصبه؛ وأشبه ولده به أكثم بن أبي الجون. " فقال أكثم: " أيضرني ذلك يا رسول الله؟ " قال: " أنت مؤمن، وهو كافر! " وخزاعة تقول: كعب بن عمرو بن ربيعة بن حارثة بن عمرو بن عامر بن غسان؛ ويأبون هذا النسب، والله أعلم. إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما روى؛ فرسول الله صلى الله عليه وسلم أعلم؛ وما قال، فهو الحق. وأما طابخة، وهو عمرو، فهو أبو مزينة ومر ابني أد بن طابخة، وهو أبو تميم وضبة وعكل. وتميم بنو أد بن طابخة أخي مزينة ومر. فولد مدركة، وهوعامر بن إلياس: خزيمة، وهذيلا؛ أمها: سلمى بنت أسد بن ربيعة بن نزار. فولد خزيمة بن مدركة: كنانة، وأمه: عوانة بنت قيس بن عيلان؛ وأسدا؛ وأسدة؛ والهون، بني خزيمة، وأمهم: برة بنت مر بن أد بن طابخة ابن إلياس بن مضر بن نزار، وهي أخت تميم بن مر. وقال جرير بن الخطفي:
فما الأم التي ولدت قريشا
… بمقرفة النجار ولا عقيم
فما ولد بأكرم من أبيكم
… ولا خال بأكرم من تميم
فأما أسدة، فيزعمون أنه جذام ولخم وعاملة؛ واسم جذام عامر. وقد
তারা বলেন: কা'ব ইবনে আমর ইবনে লুহাই ইবনে কামাআ ইবনে খিনদিফ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম সা-ইবা (দেবতার নামে মুক্ত পশু) প্রথার সূচনা করেছিল, বাহীরা (উৎসর্গীকৃত উটনী)-এর কান চিরেছিল এবং হামি (সংরক্ষিত ষাঁড় উট)-এর প্রথা তৈরি করেছিল, সে হলো আমর ইবনে লুহাই ইবনে কামাআ, যে এই বনু কা'বদের পূর্বপুরুষ; আমি তাকে জাহান্নামে তার নাড়িভুঁড়ি টেনে হিঁচড়ে নিতে দেখেছি; আর তার সন্তানদের মধ্যে আকসাম ইবনে আবিল জাওন তার সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।" তখন আকসাম বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, এটি কি আমার কোনো ক্ষতি করবে?" তিনি বললেন: "তুমি মুমিন, আর সে কাফির!" খুযাআ গোত্র বলে: কা'ব ইবনে আমর ইবনে রাবিআ ইবনে হারিসা ইবনে আমর ইবনে আমির ইবনে গাসসান; তবে তারা (অন্যদের দাবিকৃত) এই বংশপরিচয় অস্বীকার করে, আর আল্লাহই ভালো জানেন। যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বর্ণিত হয়েছে তা বলে থাকেন, তবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ই অধিক পরিজ্ঞাত; আর তিনি যা বলেছেন, তা-ই সত্য। আর তাবিখা, যার নাম আমর, তিনি হলেন মুযাইনা ও মুর—উদ্দ ইবনে তাবিখার এই দুই পুত্রের পিতা; এবং তিনি তামীম, দাব্বা ও উকল-এরও পিতা। আর তামীম হলো মুযাইনা ও মুরের ভাই তাবিখার পুত্র উদ্দ-এর সন্তান। অতঃপর মুদরিকা, যার নাম আমির ইবনে ইলিয়াস, তার দুই পুত্র জন্ম নেয়: খুযাইমা ও হুযাইল; তাদের মা হলেন সালমা বিনতে আসাদ ইবনে রাবিআ ইবনে নিযার। অতঃপর খুযাইমা ইবনে মুদরিকার সন্তানরা হলো: কিনানা, যার মা আওয়ানা বিনতে কায়স ইবনে আইলান; এবং আসাদ, আসাদা ও হুন—খুযাইমার এই সন্তানদের মা হলেন বাররা বিনতে মুর ইবনে উদ্দ ইবনে তাবিখা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার ইবনে নিযার, যিনি তামীম ইবনে মুরের বোন। জারীর ইবনে আল-খাতাফা বলেন:
সেই মা যিনি কুরাইশদের জন্ম দিয়েছেন তিনি হীন বংশজাত নন এবং বন্ধ্যাও নন
… তোমাদের পিতার চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো সন্তান জন্ম নেয়নি
… আর তামীমের চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো মামা নেই
আর আসাদার ব্যাপারে তারা দাবি করেন যে, তিনি হলেন জুযাম, লাখম ও আমিলা; আর জুযামের নাম হলো আমির। আর...
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৯)
انتسب بنو أسدة في اليمن؛ فقالوا: جذام بن عدي بن الحارث بن مرة بن أدد بن زيد بن يشجب بن عريب بن مالك بن زيد بن كهلان وقد قال أبو سمال الأسدي، واسمه سمعان بن هبيرة بن مساحق بن بجير بن عمير بن بن أسامة بن نصر بن قعين، وهو يذكر نسب جذام ولخم عاملة:
أبلغ جذاما ولخما إن عرضت بهم
… والقوم ينفعهم علماً إذا علموا
والقوم عاملة الأثرين قل لهم
… قولاً ستلغه الوساجة الرسم
لأنتم في صميم الحق إخوتنا
… إذ يخلق الماء في الأرحام والنسم
لم أر مثل الذي يأتون جاء به
… قوم يذر على مختومهم خمم
وقال بعض من يعلم: لما قدم خالد بن عبد الله القسري أميراً على العراق، ومعه قوم من جند الشأم، فيهم من لخم وجذام، فأهدت لهم بنو أسد بن خزيمة؛ فقالوا: " أنتم قومنا! " وأحدثوا هذا الشعر، إلا بيتاً منه: " لم أر مثل الذي يأتون جاء به "، فإنه قديم، لا يدري لمن هو، ولا من عني به. فأما الهون بن خزيمة، فهم عضل، وديش، والقارة، بنو ييثع بن الهون؛ وهم، وبطنان من خزاعة يقال لهما الحيا والمصطلق، حلفاء لبني الحارث بن عبد مناة بن كنانة، وهم كلهم يقال: لهم الأحابيش، أحابيش قريش، لأن قريشاً حالفت بني الحارث بن عبد مناة بن كنانة علي بكر بن عبد مناة؛ فهم وأحلافهم حلفاء قريش؛ وإياهم عني كعب بن مالك الأنصاري في قوله في وقعة أحد:
وجئنا إلى موج من البحر وسطه
… أحابيش منهم حاسر ومقنع
ইয়েমেনে বনু আসাদা নিজেদের বংশসূত্র বর্ণনা করেছে; তারা বলেছে: জুযাম বিন আদি বিন আল-হারিস বিন মুররা বিন আদাদ বিন যায়েদ বিন ইয়াশজুব বিন আরিব বিন মালিক বিন যায়েদ বিন কাহলান। আবু সাম্মাল আল-আসাদী—যার নাম সামআন বিন হুবায়রা বিন মুসাহিক বিন বুজায়র বিন উমাইর বিন উসামা বিন নাসর বিন কায়েন—জুযাম, লাখম ও আমিলা গোত্রের বংশমর্যাদা উল্লেখ করে বলেছেন:
যদি জুযাম ও লাখমের সাথে তোমার সাক্ষাৎ ঘটে তবে তাদের সংবাদ পৌঁছে দিও
… আর জাতির জন্য তাদের জ্ঞান তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন তারা তা জানে।
আর আমিলা গোত্রের সেই দুই অবশিষ্টাংশকে বলো
… এমন কথা যা দ্রুতগামী উটগুলো পৌঁছে দেবে।
অবশ্যই পরম সত্যের বিচারে তোমরা আমাদের ভাই
… যখন গর্ভাশয়ে পানি এবং প্রাণের সৃষ্টি হয়।
তারা যা নিয়ে এসেছে তার অনুরূপ কিছু আমি দেখিনি, যা নিয়ে এসেছে
… এমন এক জাতি যাদের মোহরকৃত পাত্রের ওপর কালি ছিটিয়ে দেওয়া হয়।
কিছু বিজ্ঞ ব্যক্তি বলেছেন: যখন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-কাসরি ইরাকের আমীর হিসেবে আসলেন, তখন তাঁর সাথে সিরীয় বাহিনীর একদল সৈন্য ছিল, যাদের মধ্যে লাখম ও জুযাম গোত্রের লোক ছিল। তখন বনু আসাদ বিন খুযায়মাহ তাদের প্রতি উপহার পাঠিয়েছিল এবং বলেছিল: "তোমরা আমাদেরই লোক!" আর তারা এই কবিতাটি নতুন করে তৈরি করেছিল, তবে এই একটি চরণ ব্যতীত: "তারা যা নিয়ে এসেছে তার অনুরূপ কিছু আমি দেখিনি", কারণ এটি প্রাচীন এবং এর রচয়িতা কে কিংবা কাকে উদ্দেশ্য করে এটি বলা হয়েছে তা জানা যায়নি। আর হুন বিন খুযায়মাহ হলো আযাল, দায়িশ এবং আল-কারাহ—তারা ইয়াইসা বিন আল-হুনের সন্তান। তারা এবং খুযাআহ গোত্রের দুটি শাখা যাদের আল-হায়া এবং আল-মুসতালিক বলা হয়, তারা বনু আল-হারিস বিন আব্দ মানাত বিন কিনানাহর মিত্র ছিল। তাদের সকলকে "আহাবীশ" বলা হয়, যা কুরাইশদের আহাবীশ নামে পরিচিত; কারণ কুরাইশরা বনু বকর বিন আব্দ মানাত-এর বিরুদ্ধে বনু আল-হারিস বিন আব্দ মানাত বিন কিনানাহর সাথে মৈত্রী চুক্তি করেছিল। ফলে তারা এবং তাদের মিত্ররা কুরাইশদের মিত্রে পরিণত হয়। ওহুদের যুদ্ধ সম্পর্কে কা'ব বিন মালিক আল-আনসারী তাঁর কবিতায় তাদের উদ্দেশ্য করেই বলেছেন:
আমরা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো এক বিশাল বাহিনীর সম্মুখীন হলাম যার মাঝে ছিল
… আহাবীশরা, যাদের মধ্যে কেউ ছিল শিরস্ত্রাণহীন আর কেউ ছিল বর্মাবৃত।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১০)
ولد كنانة بن خزيمةفولد كنانة بن خزيمة: النضر، وبه يكني؛ وملكاً؛ وملكان؛ ومليكاً؛ وغزوان، وهم فرسان؛ وعمراً: وعامراً؛ وأمهم: برة بنت مر أخت تميم بن مر؛ وإخوتهم لأمهم: أسد، وأسدة، والهون بنو خزيمة، خلف عليها كنانة بعد أبيه، وذلك نكاح كانت الجاهلية تنكحه: إذا مات الرجل، نكح أكبر بنيه زوجته، إذا لم تكن أمه، وورث خيار ماله؛ فأنزل الله - جل ثناؤه -: " ولا تنكحوا ما نكح أباؤكم من النساء إلا ما قد سلف، إنه كان فاحشة ومقتاً وساء سبيلا) ؛ وحدال بن كنانة؛ وسعداً؛ وعوفاً؛ ومجربة؛ وأمهم: هالة بنت سويد بن الغطريف: والغطريف حارثة، ابن امرئ القيس بن ثعلبة بن مازن بن الأزد بن الغوث بن النبت. أما مليك، فلا عقب له. وأما حدال، فدارهم بعدن أبين. وأما عمرو بن كنانة، فدارهم بفلسطين، وهم قليل. وأما مجربة، فيقولون: هم بنو ساعدة، رهط سعد ين عبادة؛ وعبد مناة بن كناة، وأمه: الذفراء، واسمها فكيهة، بنت هني ين بلي بن عمرو بن الحاف بن قضاعة؛ وأخوه لأمه: علي بن مسعود، تزوج امرأة أخيه عبد مناة، وهي هند بنت بكر بن وائل بن قاسط بن هنب بن أفصى بن دعمي بن جديلة بن أسد بن ربيعة بن نزار، ولها من عبد مناة: بكر، وعامر، ومرة؛ فضمهم إليه مع أمهم، وهم صغار؛ فربوا في حجره، فنسبوا إليه؛ فلذلك قال أمية بن أبي الصلت بن أبي ربيعة الثقفي الشاعر، وهو يحرض على رسول الله صلى الله عليه وسلم:
لله در بني علي
… أيم منهم وناكج
কেনানা ইবন খুযাইমার সন্তানগণকেনানা ইবন খুযাইমার যারা জন্মগ্রহণ করেছিলেন তারা হলেন: আন-নদর—তাঁর নামেই তিনি (কেনানা) উপনাম বা কুনিয়াত গ্রহণ করেছিলেন; মালিক; মিলকান; মালিক; গাযওয়ান—তাঁরা অশ্বারোহী যোদ্ধা ছিলেন; আমর; এবং আমির। তাঁদের মা ছিলেন রুররাহ বিন্ত মুরর, যিনি তামীম ইবন মুররের বোন। তাঁদের বৈমাত্রেয় ভাইরা ছিলেন আসাদ, আসাদাহ এবং আল-হাওন—যাঁরা খুযাইমার পুত্র ছিলেন। কেনানা তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তাঁদের মাতাকে বিবাহ করেছিলেন; এটি জাহিলিয়াত যুগের একটি প্রচলিত বিবাহ রীতি ছিল: যখন কোনো ব্যক্তি মারা যেত, তার জ্যেষ্ঠ পুত্র তার স্ত্রীকে বিবাহ করত যদি সে তার (পুত্রের) জন্মদাত্রী মা না হতো, এবং সে তার পিতার সর্বোত্তম সম্পদের উত্তরাধিকারী হতো। এরপর আল্লাহ—যাঁর প্রশংসা মহিমান্বিত—নাযিল করলেন: "আর তোমাদের পিতারা যে নারীদের বিবাহ করেছে, তোমরা তাদের বিবাহ করো না, তবে অতীতে যা হয়ে গেছে (তা স্বতন্ত্র)। নিশ্চয় এটা অশ্লীলতা, ঘৃণা ও নিকৃষ্ট পথ।" [সূরা আন-নিসা: ২২]; এবং হিদাল ইবন কেনানা; সা'দ; আউফ; এবং মুজাররাবাহ; তাঁদের মা ছিলেন হালাহ বিন্ত সুওয়াইদ ইবন আল-গতরীফ: আর আল-গতরীফ হলেন হারিসা ইবন ইমরাউল কায়েস ইবন সা'লাবাহ ইবন মাযিন ইবন আল-আযদ ইবন আল-গাওস ইবন আন-নাবত। মালিকের কোনো বংশধর নেই। হিদাল-এর বংশধরদের আবাসস্থল আদন আবইয়ান-এ। আমর ইবন কেনানার আবাসস্থল ফিলিস্তিনে, তাঁদের সংখ্যা খুবই কম। মুজাররাবাহ সম্পর্কে বলা হয়: তাঁরা বনূ সা'ইদাহ—যাঁরা সা'দ ইবন উবাদাহর গোত্র; এবং আবদ মানাত ইবন কেনানা, যার মা ছিলেন আয-যাফরা—তাঁর নাম ফাকীহাহ বিন্ত হুনাই ইবন বালী ইবন আমর ইবন আল-হাফ ইবন কুযাআহ; তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই আলী ইবন মাসউদ তাঁর ভাই আবদ মানাতের স্ত্রীকে বিবাহ করেছিলেন, যিনি ছিলেন হিন্দ বিন্ত বাকর ইবন ওয়ায়িল ইবন কাসিত ইবন হানাব ইবন আফসা ইবন দু'মী ইবন জাদীলাহ ইবন আসাদ ইবন রাবীআহ ইবন নিযার। আবদ মানাতের ঔরসে তাঁর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন: বাকর, আমির এবং মুররাহ; আলী তাঁদেরকে তাঁদের মাসহ নিজ তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করেন যখন তাঁরা শিশু ছিলেন; ফলে তাঁরা তাঁর কোলেই প্রতিপালিত হন এবং তাঁর দিকেই তাঁদের বংশের সম্বন্ধ করা হয়; একারণেই কবি উমাইয়া ইবন আবিস সালত ইবন আবি রাবীআহ আস-সাকাফী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধে উস্কানি দিতে গিয়ে বলেছিলেন:
আল্লাহর জন্য প্রশংসিত আলীর (আলী ইবন মাসউদ) সন্তানগণ
… তাঁদের কেউ অবিবাহিত (বিপত্নীক/বিধবা) আবার কেউ বিবাহিত।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১১)
إن لم يغيروا غارة
… شعواء تحجر كل نابح
بزهاء ألف أو بأل
… ف بيرذى بدن ورامح
وقال صفية بنت عبد المطلب:
فسائل في جموع بني علي
… إذا كثر التناسب والفخار
بأنا لا نقر الضيم فينا
… ونحن لمن توسمنا نضار
ولد النضر بن كنانةفولد النضر بن كنانة: مالكاً، ويخلد، والصلت؛ وأمهم: عكرشة بنت عدوان بن عمرو بن قيس بن عيلان. فأما الصلت بن المضر، فإن من بني مليح ابن خزاعة من يزعم أنه من ولده؛ وقد قال كثير بن عبد الرحمن الشاعر، يذكر ذلك وقال مصعب: " بئس الرجل كثيراً ":
أليس أبي الصلت أم ليس أسرني
… بكل هجان من بني النضر أزهرا
رأيت ثياب العصب مختلط السدى
… بنا وبهم والحضرمي المخصرا
إذا ما قطعنا من قريش قرابة
… بأي نجاد يحمل السيف ميسرا
فإن لم تكونوا من بني النضر فاتركوا
… أراكاً بأذناب الفائج أخضرا
والفوائج: عيون بأستار؛ حدثت: تسمى الفوائح. وقد أنكرت ذلك عليه خزاعة؛ فقال أبو علقمة البارقي، يرد عليه:
لعمري لقد زار العراق كثير
… بأحدوثة من وحيه المتكذب
أتزعم أني من كنانة والدي
… ومالي من أم هناك ولا أب
যদি তারা এমন এক সর্বাত্মক আক্রমণ না চালায়
… যা প্রত্যেক চিৎকারকারীকে স্তব্ধ করে দেয়।
প্রায় এক হাজার অথবা আরও
… বর্ম পরিহিত যোদ্ধা ও বর্শাধারী নিয়ে।
সাফিয়্যাহ বিনতে আবদুল মুত্তালিব বলেছেন:
বনী আলীর জনসমাবেশে জিজ্ঞেস করো
… যখন বংশমর্যাদা ও গৌরব বৃদ্ধি পায়।
যে, আমরা আমাদের মাঝে কোনো অবিচার বরদাশত করি না
… আর আমরা তাদের জন্য সজীবতা ও সৌন্দর্য যারা আমাদের অবলোকন করে।
নজর বিন কিনানার সন্তানাদিনজর বিন কিনানার সন্তানরা হলেন: মালিক, ইখলাদ এবং সালত; তাদের মা হলেন: ইকরাশাহ বিনতে আদওয়ান বিন আমর বিন কায়াস বিন আয়লান। তবে সালত বিন নজর এর ব্যাপারে বনু মালিহ ইবনে খুযাআর কেউ কেউ দাবি করে যে, তারা তার বংশধর। কবি কুসাইয়ির বিন আবদুর রহমান এটি উল্লেখ করেছেন এবং মুসআব বলেছেন: "কুসাইয়ির অত্যন্ত মন্দ লোক":
সালত কি আমার পিতা নন? আর তিনি কি আমাকে
… বনী নজরের প্রত্যেক শুভ্র ও অভিজাত ব্যক্তির সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করেননি?
আমি দেখেছি 'আসব' বস্ত্রের টানা ও পোড়েন সুতাগুলো মিশে গেছে
… আমাদের ও তাদের পোশাকে এবং কোমরবন্ধনীযুক্ত হাদরামি চটিজুতাতেও।
যদি আমরা কুরাইশদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করি,
… তবে কোন তলোয়ারের বেল্ট দিয়ে তলোয়ারটি সহজে বহন করা হবে?
যদি তোমরা বনী নজরের বংশোদ্ভূত না হও, তবে ছেড়ে দাও
… ফায়িজ উপত্যকার শেষপ্রান্তের সবুজ আরাক গাছগুলো।
আর 'ফাওয়াইজ' হলো আসতারের ঝর্ণাধারা; বর্ণিত আছে যে এগুলোকে 'ফাওয়াইহ' বলা হয়। খুযাআ গোত্র তার এই দাবি অস্বীকার করেছে। আবু আলকামা আল-বারেকী তার প্রতিবাদে বলেছেন:
আমার জীবনের শপথ! কুসাইয়ির ইরাকে এসেছে
… তার মিথ্যা অলীক কল্পনাপ্রসূত কাহিনী নিয়ে।
তুমি কি দাবি করছ যে কিনানা আমার পিতা,
… অথচ সেখানে আমার কোনো মা বা বাবা নেই।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১২)
وقال عبد العزيز بن وعب بن جبير، مولي خزاعة:
ستأتي بنو عمرو وعليك وينتهي
… بهم نسب في جذم غسان معرق
فإنك لو أعذرت أو قلت شبهة
… من الأمر فيها للمخاصم معلق
عذرناك أو قلنا: صدقت! وإنما
… يصدق بالأقوال من كان يصدق
فإنك لا عمراً أباك بررته
… ولا النضر إذ ضيعت شيخك تلحق
فأصبحت كالمهريق فضل سقائه
… لجاري سراب بالفلا يترقرق
فأما بنو يخلد، فهم في بني عمرو بن الحارث بن مالك بن كنانة. ومنهم: قريش ابن بدر بن يخلد بن النضر، وكان دليل بني كنانة في تجارتهم؛ فكان يقال: " قدمت عير قريش؛ " فسميت قريش بذلك. وأبوه بدر بن يخلد صاحب بدر، الموضع الذي لقى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشاً. وذكره الله في القرآن، فقال: " ولقد نصركم الله ببدر وأنتم أذلة فاتقوا الله لعلكم تشكرون ". وقال فيه كعب بن مالك:
ويوم بدر لقيناكم لنا مدد
… فيرفع النصر ميكال وجبريل
وقد قالوا: اسم فهر بن مالك: قريش، وأمه: جندلة بنت الحارث ابن جندل بن عامر بن سعد بن الحارث بن عضاض بن جرهم. فولد فهر بن مالك: غالباً؛ والحارث؛ ومحارباً؛ وجندلة، ولدت لحنظلة بن مالك ابن زيد مناة بن تميم، ولمالك بن عمرو بن تميم: يربوع بن حنظلة، وإخوة له، ومازناً وحده ابن مالك؛ ويقال ليربوع ومازن: الأنكران. قال يحيى بن عبد الله القشيري:
এবং খুজাআ’র মুক্তদাস আব্দুল আযীয বিন ওয়াআব বিন জুবাইর বলেছেন:
বনু আমর আপনার কাছে আসবে এবং তাদের বংশধারা
… গাসসানের মূল শিকড়ে গিয়ে মিলিত হবে
কেননা আপনি যদি ওজর পেশ করতেন অথবা কোনো সন্দেহের কথা বলতেন
… যা বিবাদকারীর জন্য ঝুলন্ত বিষয় হতো
তবে আমরা আপনাকে ক্ষমা করতাম অথবা বলতাম: আপনি সত্য বলেছেন! কিন্তু
… সেই ব্যক্তিই কথায় সত্যতা পায় যে সত্যবাদী হয়
নিশ্চয় আপনি আপনার পিতা আমরের প্রতি সদাচারী হননি
… আর না আপনি নযরের সাথে মিলিত হতে পেরেছেন যখন আপনি আপনার বৃদ্ধকে হারিয়েছেন
ফলে আপনি সেই ব্যক্তির মতো হয়ে গেলেন যে তার পাত্রের উদ্বৃত্ত পানি ঢেলে দেয়
… এমন এক মরীচিকার আশায় যা মরুভূমিতে চিকচিক করে
আর বনু ইখলাদ সম্পর্কে বলা যায়, তারা বনু আমর বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন কিনানার অন্তর্ভুক্ত। তাদের মধ্যে রয়েছেন: কুরাইশ ইবনে বদর বিন ইখলাদ বিন আন-নযর। তিনি বনু কিনানার ব্যবসায়িক কাফেলার পথপ্রদর্শক ছিলেন। তখন বলা হতো: "কুরাইশের উটের কাফেলা এসেছে;" এ কারণেই কুরাইশ নামকরণ করা হয়েছে। আর তার পিতা বদর বিন ইখলাদ ছিলেন বদরের অধিপতি—সেই স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের মোকাবিলা করেছিলেন। আল্লাহ কুরআনে এর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আর অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন যখন তোমরা হীনবল ছিলে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারো।" আর এ সম্পর্কে কা’ব বিন মালিক বলেছেন:
আর বদরের দিন আমরা তোমাদের মোকাবিলা করেছি যখন আমাদের সাহায্যকারী ছিল
… ফলে মিকাঈল ও জিবরাঈল বিজয়ের ঝাণ্ডা তুলে ধরছিলেন
আর তারা বলেছেন: ফিহর বিন মালিকের নাম ছিল কুরাইশ। তার মা ছিলেন জুন্দালা বিনতে আল-হারিস ইবনে জুন্দাল বিন আমির বিন সা’দ বিন আল-হারিস বিন আযায বিন জুরহুম। এরপর ফিহর বিন মালিকের সন্তানরা হলেন: গালিব, আল-হারিস, মুহারিব এবং জুন্দালা। জুন্দালা হানযালা বিন মালিক ইবনে যাইদ মানাত বিন তামীমের সন্তানদের জন্ম দেন। আর মালিক বিন আমর বিন তামীমের জন্য ইয়ারবু’ বিন হানযালা ও তার ভাইয়েরা এবং একা মাযিন বিন মালিক জন্মগ্রহণ করেন। ইয়ারবু’ এবং মাযিনকে আল-আনকারান বলা হয়। ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ আল-কুশাইরী বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
ها إن ذا اليوم لشر مجموع
… الأنكران: مازن وريوع
وأم بني فهر بن مالك: ليلى بنت الحارث بن تميم بن سعد بن هذيل ابن مدركة. فولد غالب بن فهر: لؤياً، وتيماً، وهو الأدرم، كان منقوص الذقن؛ وأمهما: عاتكة بنت يخلد بن النضر بن كنانة. فولد لؤي بن غالب: كعباً، وعامراً، وهما البطاح؛ وسامة، وهم بنو ناجية، نزلوا بعمان؛ وخزيمة، وهم عائذة، نزلوا في بني أبي ربيعة من شيبان؛ والحارث، وهم جشم، وهم في همدان؛ وأمهم: مارية بنت كعب بن القين بن جسر بن شيع الله بن أسد بن وبرة بن تغلب بن حلوان بن عمران بن الحاف بن قضاعة؛ وسعد بن لؤي، وهم بنانة، نزلوا في بني شيبان؛ وأمه: بسرة بنت غالب ابن الهون بن خزيمة. فولد كعب بن لؤي: مرة، وهصيص، وأمهما: وحشية بنت شيبان ابن محارب بن فهر بن مالك؛ وعدي بن كعب، وأمه: حبيبة بنت بجالة ابن سعد بن فهم بن عمرو بن قيس بن عيلان بن مضر بن نزار. فولد مرة: كلاباً، وأمه: هند بنت سرير بن ثعلبة بن الحارث بن مالك بن كنانة ابن خزيمة بن مدركة بن إلياس بن مضر؛ وسريراً، أول من نسأ الشهور؛ وقد انقرض سرير، ونسأ الشهور بعده ابن أخيه القلمس، واسمه عدي بن عامر ابن ثعلبة بن الحارث بن كنانة؛ ثم صار النسئ في ولده؛ وكان آخرهم جنادة ابن عوف بن أمية بن قلع بن عباد بن حذيفة بن عبد بن فقيم بن القلمس، وهو عدي، ابن عامر بن زنيم بن مرة؛ ويقظة؛ وأمهما: بنت سعد، وهو
নিশ্চয়ই আজ এক মন্দ সমাবেশ
… দুই ঘৃণ্য ব্যক্তি: মাজিন ও রাইউ।
ফিহর বিন মালিকের সন্তানদের মা ছিলেন: লায়লা বিনতে হারিস বিন তামিইম বিন সাদ বিন হুযাইল বিন মুদরিকা। গালিব বিন ফিহর জন্ম দেন: লুআই এবং তাইমকে, আর সে ছিল আদরাম (স্বল্প চিবুকবিশিষ্ট), তার চিবুক ছিল অপূর্ণ; এবং তাদের উভয়ের মা ছিলেন: আতিকা বিনতে ইখলাদ বিন নাযর বিন কিনানা। লুআই বিন গালিব জন্ম দেন: কাব এবং আমিরকে, আর তারা উভয়ই ছিল বিতা-হ; এবং সামাহকে, তারা হলো বনু নাজিয়াহ, যারা ওমানে বসতি স্থাপন করেছিল; এবং খুযায়মাকে, তারা হলো আয়িযাহ, যারা শায়বানের বনু আবি রাবিয়ার মাঝে বসতি স্থাপন করেছিল; এবং হারিসকে, তারা হলো জুশাম, যারা হামদানে রয়েছে; তাদের মা ছিলেন: মারিয়া বিনতে কাব বিন কাইন বিন জিসর বিন শিয়ুল্লাহ বিন আসাদ বিন ওয়াবারা বিন তাগলিব বিন হুলওয়ান বিন ইমরান বিন হাফ বিন কুযাআহ; এবং সাদ বিন লুআইকে, তারা হলো বানানা, তারা বনু শায়বানের মাঝে বসতি স্থাপন করেছিল; এবং তার মা ছিলেন: বুসরা বিনতে গালিব বিন হুন বিন খুযায়মাহ। কাব বিন লুআই জন্ম দেন: মুররাহ এবং হুসাইসকে, তাদের উভয়ের মা ছিলেন: ওয়াহশিয়া বিনতে শায়বান বিন মুহারিব বিন ফিহর বিন মালিক; এবং আদি বিন কাবকে, যার মা ছিলেন: হাবিবা বিনতে বাজাহ বিন সাদ বিন ফাহম বিন আমর বিন কাইস বিন আয়লান বিন মুযার বিন নিযার। মুররাহ জন্ম দেন: কিলাবকে, যার মা ছিলেন: হিন্দ বিনতে সারির বিন সালাবা বিন হারিস বিন মালিক বিন কিনানা বিন খুযায়মাহ বিন মুদরিকা বিন ইলিয়াস বিন মুযার; এবং সারিরকে, যিনি সর্বপ্রথম মাসসমূহ পিছিয়ে দেওয়ার (নাসি) প্রথা চালু করেন; সারিরের বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, এবং তার পরে তার ভ্রাতুষ্পুত্র আল-কালাম্মাস মাসসমূহ পিছিয়ে দিতেন, যার নাম আদি বিন আমির বিন সালাবা বিন হারিস বিন কিনানা; অতঃপর মাস পিছিয়ে দেওয়ার এই প্রথা তার সন্তানদের মধ্যে চলতে থাকে; তাদের মধ্যে সর্বশেষ ছিলেন জুনাদা বিন আউফ বিন উমাইয়া বিন কালা বিন ইবাদ বিন হুযাইফা বিন আবদ বিন ফুকাইম বিন আল-কালাম্মাস—যিনি হলেন আদি—বিন আমির বিন যানিইম বিন মুররাহ; এবং ইয়াকাযাহকে; তাদের উভয়ের মা ছিলেন: বিনতে সাদ, যিনি হলেন...
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
بارق، ابن عدي بن حارثة بن عمرو بن عامر، سموا ببارق لأنهم نزلوا جبلاً يقال له بارق. وولد كلاب بن مرة: قصاً؛ وزهرة؛ ونعم، ولدت سعداً وسعيداً ابني سهم بن عمرو بن هصيص؛ وأمها: فاطمة بن سعد بن سيل، وهو خير، ابن حمالة بن عوف بن غنم بن عامر الجادر، وكان أول من جدر الكعبة، وهو من الأزد، وهم حلفاء لبني نفاثة بن عدي بن الدئل بن بكر بن عبد مناة؛ وأخوهم لأمهم: رزاح بن ربيعة بن حرام بن ضنة بن عبد كبير بن عذرة ابن سعد. فولد قصي بن كلاب: عبد مناف؛ وعبد الدار؛ وعبد العزى؛ وعبداً؛ وبرة، ولدت عبد الله وعبد العزى ابني عمرو بن مخزوم؛ وتخمر بنت قصي، ولدت عائذاً وعبداً ابني عمران بن مخزوم. وأمهم: حبى بنت حليل بن حبشية ابن سلول بن كعب بن عمرو من خزاعة. فولد عبد مناف بن قصي: هاشماً، واسمه عمرو؛ وعبد شمس؛ وهما توأم؛ والمطلب؛ وتماضر؛ وقلابة؛ وحية؛ وأم الأخثم، واسمها هالة؛ وأم سفيان؛ سليم بن منصور؛ وأمها: مارية بنت حوزة بن عمرو بن سلول، واسمه مرة، ابن صعصعة بن معاوية بن بكر بن هوازن، وأمه: سلول بنت ذهل بن شيبان ابن ثعلبة، وأمها: حبيبة بنت عبد الله بن هلال بن عامر بن صعصة، وأخوهم لأمهم: الحارث بن حبش بن عامر بن رفاعة بن الحارث بن بهثة السلمى؛
বারেক: আদী বিন হারিসা বিন আমর বিন আমিরের বংশধর। তাদের বারেক বলা হয় কারণ তারা বারেক নামক একটি পাহাড়ে অবতরণ করেছিল। কিলাব বিন মুররার সন্তানগণ হলেন: কুসাই, জুহরাহ এবং নুআম। নুআম সাহম বিন আমর বিন হুসাইসের দুই পুত্র সাদ ও সাঈদকে জন্ম দেন। আর তার মা হলেন ফাতেমা বিনতে সাদ বিন সাইল। তিনি হলেন খায়র বিন হামালা বিন আউফ বিন গানাম বিন আমির আল-জাদির, যিনি সর্বপ্রথম কাবার দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আজদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তারা ছিল বনু নাফাছা বিন আদী বিন আদ-দুয়িল বিন বকর বিন আবদ মানাতের মিত্র। তাদের বৈমাত্রেয় ভাই হলেন রিজাহ বিন রাবিয়া বিন হারাম বিন দ্বিন্না বিন আবদ কাবীর বিন উধরা বিন সাদ। অতঃপর কুসাই বিন কিলাব জন্ম দেন: আবদ মানাফ, আবদ আদ-দার, আবদ আল-উযযা, আবদ এবং বাররাহ। বাররাহ আমর বিন মাখজুমের দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও আবদ আল-উযযাকে জন্ম দেন। আর কুসাইয়ের কন্যা তাখমুর ইমরান বিন মাখজুমের দুই পুত্র আইয ও আবদকে জন্ম দেন। তাদের মা হলেন খুজাআ গোত্রের হুব্বা বিনতে হুলাইল বিন হাবশিয়া বিন সুলুল বিন কাব বিন আমর। আবদ মানাফ বিন কুসাই জন্ম দেন: হাশিম (যার নাম ছিল আমর) এবং আবদ শামস—তারা দুজন যমজ ছিলেন; এবং মুত্তালিব, তামাদুর, কিলাবাহ, হাইয়াহ, উম্মুল আখছাম (যার নাম হালাহ), উম্মু সুফিয়ান এবং সুলাইম বিন মানসুর। তাদের মা ছিলেন মারিয়া বিনতে হাওযা বিন আমর বিন সুলুল (তার নাম মুররা) বিন সা'সা বিন মুয়াবিয়া বিন বকর বিন হাওয়াযিন। আর তার মা হলেন সুলুল বিনতে যুহাল বিন শায়বান বিন সা'লাবা। তার মা হলেন হাবিবা বিনতে আবদুল্লাহ বিন হিলাল বিন আমির বিন সা'সা। তাদের বৈমাত্রেয় ভাই হলেন আল-হারিস বিন হুবশ বিন আমির বিন রিফাআ বিন আল-হারিস বিন বাহসা আস-সুলামি।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ونوفلا؛ وأبا عمرو، انقرض إلا من بنت يقال لها تماضر، ولدت لأبي همهمة ابن عبد العزى، وأمها: واقدة بنت أبي عدي، واسمه عامر، ابن عبد نهم، واسمه الحارث بن نوفل بن عبادة بن زيد بن وائلة بن مازن بن صعصعة؛ من ثقيف. كانت تماضر بنت عبد مناف عند عبد مناف بن عبد الدار بن قصي؛ فولدت له هاشماً، وكلدة. وكانت قلابة عند عبد العزى بن عامرة بن عميرة بن وديعة بن الحارث بن فهر؛ فولدت له أبا همهمة، واسمه حبيب، وطريفاً، وجابراً، وسلامان. وكانت حية بنت عبد مناف عند ظويلم بن جعيل بن عمرو بن دهمان بن نصر ابن معاوية بن بكر بن هوازن؛ فولدت له عبد مناف وكانت أم الأخثم عند خالد بن عامر بن أمية بن ظرب بن الحارث بن فهر فولدت له الأخثم، وكانت أم سفيان بنت عبد مناف عند سبيع بن حبيب بن الحارث بن مالك بن حطيط بن جشم بن قسي؛ فولدت له. وكانت ريطة بنت عبد مناف عند معيط بن عامر بن عوف بن الحارث بن عبد مناة بن كنانة؛ فولدت له هلالاً؛ وهي الني جرت حلف الأحابيش. فولد هاشم بن عبد مناف: عبد المطلب؛ والشفاء، وأمهما: سلمى بنت عمرو ابن زيد بن لبيد بن خداش بن عامر بن غنم بن عدي بن النجار تيم الله لن ثعلبة ابن عمرو بن الخزرج، وأمهما: عميرة بنت ضحر بن حبيب بن الحارث بن ثعلبة ابن مازن بن النجار؛ ولذلك يقول عروة بن الزبير:
এবং নওফাল; আর আবু আমর—তামা্যির নামক এক কন্যা ব্যতীত তার বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, যে আবু হামহামাহ ইবনে আবদ আল-উযযার সন্তানদের জন্ম দিয়েছিল। এবং তার মা: ওয়াকিদাহ বিনতে আবি আদি—যার নাম আমের—ইবনে আবদ নাহম—যার নাম আল-হারিস—ইবনে নওফাল ইবনে উবাদাহ ইবনে যায়েদ ইবনে ওয়াইলাহ ইবনে মাযিন ইবনে সা'সাআ; সাকিফ গোত্রের। তামা্যির বিনতে আবদ মানাফ ছিলেন আবদ মানাফ ইবনে আবদ আদ-দার ইবনে কুসাই-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য হাশেম ও কালদাহকে জন্ম দেন। আর কুলাবাহ ছিলেন আবদ আল-উযযা ইবনে আমিরাহ ইবনে উমাইরাহ ইবনে ওয়াদিআহ ইবনে আল-হারিস ইবনে ফিহর-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য আবু হামহামাহ—যার নাম হাবিব—এবং তরিফ, জাবীর ও সালামাহ-কে জন্ম দেন। আর হাইয়্যাহ বিনতে আবদ মানাফ ছিলেন যুওয়াইলাম ইবনে জুআইল ইবনে আমর ইবনে দাহমান ইবনে নাসর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে বকর ইবনে হাওয়াজিন-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য আবদ মানাফকে জন্ম দেন। আর উম্মুল আখসাম ছিলেন খালিদ ইবনে আমের ইবনে উমাইয়া ইবনে যারব ইবনে আল-হারিস ইবনে ফিহর-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য আল-আখসামকে জন্ম দেন। আর উম্মু সুফিয়ান বিনতে আবদ মানাফ ছিলেন সুবাই ইবনে হাবিব ইবনে আল-হারিস ইবনে মালিক ইবনে হুতাইত ইবনে জুশাম ইবনে কাসি-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য সন্তান জন্ম দেন। আর রাইতাহ বিনতে আবদ মানাফ ছিলেন মুয়াইত ইবনে আমের ইবনে আউফ ইবনে আল-হারিস ইবনে আবদ মানাহ ইবনে কিনানাহ-এর স্ত্রী; তিনি তার জন্য হিলালকে জন্ম দেন; আর তিনিই সেই নারী যিনি আহাবীশ চুক্তির সূত্রপাত করেছিলেন। অতঃপর হাশেম ইবনে আবদ মানাফ জন্ম দেন: আবদ আল-মুত্তালিব এবং আশ-শিফা-কে; আর তাদের মা হলেন সালমা বিনতে আমর ইবনে যায়েদ ইবনে লাবিদ ইবনে খিদাশ ইবনে আমের ইবনে গানাম ইবনে আদি ইবনে আন-নাজ্জার—যিনি সা'লাবাহ ইবনে আমর ইবনে আল-খাজরাজ-এর বংশীয় তায়িমুল্লাহ। আর তাদের মা ছিলেন: উমাইরাহ বিনতে দাহার ইবনে হাবিব ইবনে আল-হারিস ইবনে সা'লাবাহ ইবনে মাযিন ইবনে আন-নাজ্জার; আর এই কারণেই উরওয়া ইবনে আয-যুবাইর বলেন:
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
مآثر آبائي عدي ومازن
… تنقدتها والله يعطي الرغائبا
وولد لأمهم: عمرو، ومعبد، وأنيسة، بنو أحيحة بن الجلاح بن الحريش ابن جحجبا بن كلفة بن عوق؛ ونضلة بن هاشم، انقرض، وأمه: أميمة بنت أد بن علي من بني سلامان بن سعد هذيم بن عبد العزى بن رياح بن عبد الله ابن قرط بن رزاح بن عدي بن كعب، وعمرو بن ربيعة بن الحارث بن حبيب ابن جذيمة، وهو شحام، ابن مالك بن حسل.
وقال حسان بن ثابت:
أخنى بنو خلف وأخنى قنفذ
… وأبو الربيع وطار ثوب هشام
من معشر لا يغدرون بجارهم
… الحارث بن حبيب بن شحام
وأسد بن هاشم، انقرض إلا من ابنته فاطمة ابنة أسد؛ وأمه: قيلة، ويقال لها " الجزور " لعظمها، بنت عامر بن مالك بن المصطلق، واسمه جذيمة، ابن سعد ابن عمرو بن ربيعة بن حارثة من خزاعة؛ وأبا صيفي، انقرض إلا من بنته رقية، هي أم مخرمة بن نوفل بن أهيب بن عبد مناف بن زهرة بن كلاب؛ وصيفياً، درج؛ أمهما: هند بنت عمرو بن ثعلبة بن الخزرج؛ وأخواهما لأمهما. مخرمة، وأبو رهم رهم، واسمه أنيس، ابنا المطلب بن عبد مناف بن قصي؛ وضعيفة؛ وخالدة، وكانت تسمى قبة الديباج؛ وأمهما: واقدة بنت أبي عدي؛ وأخواهما لأمهما نوفل، وأبو عمرو، ابنا عبد مناف، خلف عليها هاشم بعد أبيه؛ وحية بنت هاشم، وأمها: أم عدي بنت حبيب بن الحارث بن مالك بن حطيط بن جشم ابن قسي، وهو ثقيف، ابن منبه بن بكر بن هوازن. كانت الشفاء بنت هاشم عند هاشم
আমার পিতৃপুরুষ আদি ও মাজিনের কীর্তিসমূহ
… আমি সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখেছি, আর আল্লাহই তো কাঙ্ক্ষিত দান প্রদানকারী।
এবং তাদের মাতার গর্ভে জন্মলাভ করেছেন: আমর, মা’বাদ এবং আনিসা—যারা উহাইহা ইবনুল জুলাহ ইবনুল হারিশ ইবনে জুহজুবা ইবনে কুলফা ইবনে আউক-এর সন্তান। আর নাদলা ইবনে হাশিম, তার বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে; তার মা ছিলেন: উমাইমা বিনতে উদ্দ ইবনে আলী, যিনি বনু সালামাহ ইবনে সাদ হুযাইম ইবনে আবদিল উয্যা ইবনে রিয়াহ ইবনে আবদিল্লাহ ইবনে কুর্ত ইবনে রাযাহ ইবনে আদি ইবনে কাব বংশের লোক। এবং আমর ইবনে রাবিয়া ইবনুল হারিশ ইবনে হাবিব ইবনে জুযাইমা—যিনি ‘শাহহাম’ নামে পরিচিত—ইবনে মালিক ইবনে হুসল।
হাসসান ইবনে সাবিত বলেছেন:
বনু খালাফ ধ্বংস হয়েছে এবং কুনফুযও ধ্বংস হয়েছে
… আর আবুল রাবি এবং হিশামের পোশাক উড়ে গিয়েছে।
এমন এক গোষ্ঠী থেকে যারা তাদের প্রতিবেশীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে না
… হারিশ ইবনে হাবিব ইবনে শাহহাম।
আর আসাদ ইবনে হাশিম, তার কন্যা ফাতিমা বিনতে আসাদ ব্যতীত তার বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তার মা ছিলেন: কাইলা—তার বিশাল দেহের কারণে তাকে ‘আল-জাযুর’ বলা হতো—বিনতে আমির ইবনে মালিক ইবনুল মুস্তালিক, আর তার নাম ছিল জুযাইমা ইবনে সাদ ইবনে আমর ইবনে রাবিয়া ইবনে হারিসা, যিনি খুযাআ গোত্রের। এবং আবু সাইফি, তার কন্যা রুকাইয়া ব্যতীত তার বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, এই রুকাইয়া হলেন মাখরামা ইবনে নাওফাল ইবনে উহাইব ইবনে আবদে মানাফ ইবনে যুহরা ইবনে কিলাব-এর মা। আর সাইফি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গিয়েছেন; তাদের উভয়ের মা ছিলেন: হিন্দ বিনতে আমর ইবনে সা’লাবা ইবনুল খাযরাজ। আর তাদের দুই বৈমাত্রেয় ভাই হলেন: মাখরামা এবং আবু রুহম—যার নাম ছিল উনাইস—তারা আল-মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ ইবনে কুসাই-এর দুই পুত্র। এবং দায়িফা ও খালিদা—যাকে ‘কুব্বাতুদ দিবাজ’ বলা হতো; তাদের উভয়ের মা ছিলেন: ওয়াকিদা বিনতে আবি আদি। আর তাদের দুই বৈমাত্রেয় ভাই হলেন নাওফাল ও আবু আমর—তারা আবদে মানাফের দুই পুত্র; তার পিতার পর হাশিম তাকে বিবাহ করেছিলেন। এবং হাইয়্যা বিনতে হাশিম, তার মা ছিলেন: উম্মু আদি বিনতে হাবিব ইবনুল হারিশ ইবনে মালিক ইবনে হুতাইত ইবনে জাশম ইবনে কাসিয়্য—যিনি সাকিফ নামে পরিচিত—ইবনে মুনাব্বিহ ইবনে বকর ইবনে হাওয়াযিন। আশ-শিফা বিনতে হাশিম জনৈক হাশিমের বিবাহবন্ধনে ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
بن المطلب؛ فولدت له عبد يزيد بن هاشم، كان يقال له " المحض ". قال مصعب: المحض يكون من ابن عم وابنة عم، وعلى بن أبي طالب محض، يقال: إنه أول مولود ولد بين هاشميين. وكانت ضعيفة بنت هاشم عند عبد مناف بن زهرة بن كلاب؛ فولدت له عبد يغوث، وعبيد يغوث. وكانت خالدة عند أسد بن عبد العزى؛ فولدت له نوفلاً، وحبيباً، وصيفياً، قتل بالفجار، ورقيقة. وكانت حية عند هاشم بن الأجحم بن دندنة بن عمرو بن القن بن رزاح ابن عمرو بن سعد بن كعب بن عمرو من خزاعة؛ فولدت له أسيداً، وزرعةً، وهاشماً، ومرةً، وشبيباً، وورقة، وسلمى الكبرى، وليلى، وأم بديل، وسلمى الصغرى، وفاطمة.
ولد عبد المطلب بن هاشمفولد عبد المطلب بن هاشم: عبد الله، أبا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا طالب، واسمه عبد مناف؛ والزبير؛ وأم حكيم البيضاء، وهي التي يقال لها " الحصان "، وهي توأمة أبي رسول الله - صلى الله عله وسلم -؛ وعاتكة؛ ومرة؛ وأميمة؛ وأروى؛ أمهم: فاطمة بنت عمرو بن عائذ بن عمران بن مخزوم؛ وأمها: تخمر بنت عبد بن قصي؛ وأمها: سلمى بنت عامرة بن عميرة بن وديعة ابن الحارث بن فهر؛ وأمها: فاطمة بنت عبد الله بن الحارث بن مالك بن عدوان؛ وهم حلفاء في هذيل؛ وحمزة بن عبد المطلب؛ والمقوم؛ وحجل، واسمه المغيرة؛ وصفية، وأمهم: هالة بنت أهيب بن عبد مناف بن زهرة، وأمها: العبلة بنت المطلب بن عبد مناف بن قصي، وأمها: خديجة بنت سعيد بن سعد بن سهم، وأمها: أم الخير بنت سعيد بن سهم، وأمها: عاتكة بنت عبد العزى بن قصي، وأمها: ريطة بنت كعب بن سعد بن تيم بن مرة، وأمها: نائلة بنت حذاقة
বিন আল-মুত্তালিব; তিনি তার গর্ভে আবদ ইয়াযীদ বিন হাশিমকে জন্ম দেন, তাকে "আল-মাহদ" বলা হতো। মুসআব বলেন: মাহদ হলেন তিনি যার পিতা ও মাতা উভয়েই চাচাতো ভাই-বোন হন। আর আলী বিন আবি তালিব হলেন মাহদ, বলা হয় যে তিনি প্রথম সন্তান যিনি দুই হাশিমী দম্পতির ঘরে জন্মগ্রহণ করেছেন। আর হাশিমের কন্যা দাঈফাহ আবদ মানাফ বিন যুহরাহ বিন কিলাবের বিবাহাধীনে ছিলেন; তিনি তার গর্ভে আবদ ইয়াগুস ও উবাইদ ইয়াগুসকে জন্ম দেন। আর খালিদাহ ছিলেন আসাদ বিন আবদিল উযযার বিবাহাধীনে; তিনি তার গর্ভে নওফাল, হাবীব, সাইফী—যিনি ফিজার যুদ্ধে নিহত হন—এবং রাকীকাকে জন্ম দেন। আর হাইয়্যাহ ছিলেন হাশিম বিন আল-আজহাম বিন দানদানাহ বিন আমর বিন আল-কান বিন রাযাহ ইবনে আমর বিন সাদ বিন কাব বিন আমর আল-খুযায়ীর বিবাহাধীনে; তিনি তার গর্ভে উসাইদ, যুরআহ, হাশিম, মুররাহ, শাবীব, ওয়ারাকা, সালমা আল-কুবরা, লায়লা, উম্মু বাদীল, সালমা আস-সুগরা এবং ফাতিমাকে জন্ম দেন।
আবদুল মুত্তালিব বিন হাশিমের সন্তানসন্ততিঅতঃপর আবদুল মুত্তালিব বিন হাশিম জন্ম দেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিতা আবদুল্লাহকে; এবং আবু তালিবকে, যার নাম ছিল আবদ মানাফ; আর আয-যুবাইর; এবং উম্মু হাকীম আল-বায়দা, যাকে "আল-হিসান" (সতীসাধ্বী) বলা হতো, তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিতার যমজ বোন; এবং আতিকাহ; মুররাহ; উমাইমাহ; এবং আরওয়া। তাদের মাতা হলেন: ফাতিমা বিনতে আমর বিন আইয বিন ইমরান বিন মাখযুম; তার মাতা হলেন: তাখমুর বিনতে আবদ বিন কুসাই; তার মাতা হলেন: সালমা বিনতে আমিরাহ বিন উমাইরাহ বিন ওয়াদিয়া ইবনুল হারিস বিন ফিহর; তার মাতা হলেন: ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন আদওয়ান; তারা হুযাইল গোত্রে মিত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আর হামযা বিন আবদুল মুত্তালিব; আল-মুকাব্বিম; হাজল—যার নাম ছিল আল-মুগীরাহ; এবং সাফিয়্যাহ। তাদের মাতা হলেন: হালাহ বিনতে উহাইব বিন আবদ মানাফ বিন যুহরাহ; তার মাতা হলেন: আল-আবলাহ বিনতে আল-মুত্তালিব বিন আবদ মানাফ বিন কুসাই; তার মাতা হলেন: খাদীজাহ বিনতে সাঈদ বিন সাদ বিন সাহম; তার মাতা হলেন: উম্মুল খায়ের বিনতে সাঈদ বিন সাহম; তার মাতা হলেন: আতিকাহ বিনতে আবদিল উযযা বিন কুসাই; তার মাতা হলেন: রায়তাহ বিনতে কাব বিন সাদ বিন তাইম বিন মুররাহ; এবং তার মাতা হলেন: নায়িলা বিনতে হুযাকা।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ابن جمح بن عمرو بن هصيص بن كعب؛ والعباس بن عبد المطلب؛ وضرار ابن عبد المطلب، أمهما: نتيلة بنت جناب بن كليب بن مالك بن عمرو بن عامر ابن النمر بن قاسط، من بني القرية، والقرية أم بني عمرو بن عامر؛ والحارث ابن عبد المطلب، وهو أكبر ولده، وبه كان يكنى؛ وقثم، هلك صغيراً، وأمهما: صفية بنت جندب بن حير بن رئاب بن حبيب بن سواء بن عامر ابن صعصعة بن معاوية بن بكر بن هوازن، وأخوهما لأمهما: الأسود بن حذيفة ابن أقيش بن عامر بن بياضة بن سبيع بن جعثمة بن سعد بن مليح بن عمرو ابن ربيعة من خزاعة؛ وأبا لهب، واسمه عبد العزى، وأمه: لبنى بنت هاجر ابن عبد مناف بن ضاطر بن حبشية بن سلول من خزاعة، وأمها: هند بنت عمرو ابن كعب بن سعد بن تيم بن مرةن وأمها: السوداء بنت زهرة بن كلاب؛ والغيداق بن عبد المطلب، واسمه مصعب، وأمه خزاعية، وأخوه لأمه: عوف ابن عبد العوف بن عبد الحارث بن زهرة بن كلاب. كانت أم حكيم بنت عبد المطلب عند كريز بن ربيعة بن حبيب بن عبد شمس، فولدت له عامراً، وأم طلحة؛ ولدت أم طلحة، واسمها أرنب، خالدأً، وعمراً، وعامراً، بني الحضرمي، وعامر هو المقتول بوم نخلة، وبه كانت بدر، وهم حلفاء لبني عبد شمس؛ وأروى بنت كريز هي التي ولدت عثمان ابن عفان بن أبي العاصي، وولدت الوليد، وعمارة، وخالداً، وأم كلثوم، وهنداً، بني عقبة بن أبي معيط. وكانت عاتكة بنت عبد المطلب عند أبي أمية بن المغيرة بن عبد الله بن عمر ابن مخزوم؛ فولدت له عبد الله، وزهيراً، وقريبة. وكانت برة بنت عبد المطلب عند عبد الأسد بن هلال بن عبد الله بن عمرو
ইবনে জুমাহ ইবনে আমর ইবনে হাসিস ইবনে কাব-এর বংশধর; এবং আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব; ও দিরার ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, তাঁদের উভয়ের মাতা: নাতীলা বিনতে জানাব ইবনে কুলাইব ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে আমির ইবনে আন-নামির ইবনে কাসিত, যিনি বনু কারিয়্যাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কারিয়্যাহ হলো বনু আমর ইবনে আমিরের জননী; এবং হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, যিনি ছিলেন তাঁর সন্তানদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ এবং যাঁর নামানুসারে তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) রাখা হয়েছিল; এবং কুসাম, তিনি শৈশবে মৃত্যুবরণ করেন, তাঁদের উভয়ের মাতা: সাফিয়া বিনতে জুনদুব ইবনে হাইর ইবনে রিয়াব ইবনে হাবিব ইবনে সাওয়া ইবনে আমির ইবনে সা'সা' ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে বকর ইবনে হাওয়াযিন, এবং তাঁদের বৈপিত্রেয় ভাই: আসওয়াদ ইবনে হুযাইফা ইবনে আকীশ ইবনে আমির ইবনে বায়াদা ইবনে সুবাই ইবনে জুসামা ইবনে সাদ ইবনে মালিহ ইবনে আমর ইবনে রাবিয়াহ, যিনি খুযাআ গোত্রের ছিলেন; এবং আবু লাহব, যাঁর নাম ছিল আব্দুল উযযা এবং তাঁর মাতা: লুবনা বিনতে হাজার ইবনে আব্দ মানাফ ইবনে দাতীর ইবনে হাবশিয়া ইবনে সালুল, যিনি খুযাআ গোত্রের ছিলেন, আর লুবনার মাতা: হিন্দ বিনতে আমর ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে তাইম ইবনে মুররাহ এবং হিন্দের মাতা: সাওদা বিনতে যুহরা ইবনে কিলাব; এবং গাইদাক ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, যাঁর নাম ছিল মুসআব এবং তাঁর মাতা ছিলেন খুযাআ গোত্রের, আর তাঁর বৈপিত্রেয় ভাই: আউফ ইবনে আব্দিল আউফ ইবনে আব্দিল হারিস ইবনে যুহরা ইবনে কিলাব। উম্মে হাকিম বিনতে আব্দুল মুত্তালিব কুরাইয ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হাবিব ইবনে আব্দে শামসের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন, তিনি তাঁর জন্য আমির ও উম্মে তালহার জন্ম দেন; উম্মে তালহা, যাঁর নাম ছিল আরনাব, তিনি হাদরামীর পুত্র খালিদ, আমর ও আমিরকে জন্ম দেন। এই আমিরই হলেন সেই ব্যক্তি যাকে নাখলা দিবসে হত্যা করা হয়েছিল এবং যা ছিল বদর যুদ্ধের কারণ, আর তাঁরা বনু আব্দে শামসের মিত্র ছিলেন; আর আরওয়া বিনতে কুরাইয হলেন তিনি যিনি উসমান ইবনে আফফান ইবনে আবিল আসকে জন্ম দেন, এবং তিনি উকবা ইবনে আবি মুআইতের সন্তানদের যথা ওয়ালিদ, উমারা, খালিদ, উম্মে কুলসুম এবং হিন্দের জন্ম দেন। আতিকা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব আবু উমাইয়া ইবনে মুগীরা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মাখযুমের স্ত্রী ছিলেন; তিনি তাঁর জন্য আব্দুল্লাহ, যুহাইর এবং কারীবার জন্ম দেন। বাররা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব আব্দিল আসাদ ইবনে হিলাল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের স্ত্রী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
ابن مخزوم؛ فولدت له أبا سلمة؛ ثم خلف عليها أبو رهم بن عبد العزى بن أبي قيس ابن عبد ود بن نصر بن مالك بن حسل؛ فولدت له: أبا سبرة. وكانت أميمة بنت عبد المطلب عند جحش بن رئاب بن يعمر بن صبرة بن مرة بن كبير بن غنم بن دودان بن أسد بن خزيمة؛ فولدت له: عبد الله المجدع في الله، قتل يوم أحد، ومثل به المشركون، وأبا أحمد الأعمى الشاعر، واسمه عبد، هاجر إلى المدينة، وعبيد الله، تنصر بأرض الحبشة، وزينب بنت جحش، كانت عند زيد بن حارثة؛ ففارقها زوجها؛ فتزوجها رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ وفيها نزلت: " فلما قضى زيد منها وطراً زوجناكها "؛ فكانت تفخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول: " زوجني الله من رسول الله، وزوجكن أقاربكن! " وحبيبة بنت جحش، وهي المستحاضة، كانت عند عبد الرحمن بن عوق، وليس لها ولا لزينب ولد؛ وحمنة بنت جحش، كانت عند مصعب بن عمير بن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدار بن قصي، فولدت له: زينب بنت مصعب، تزوجها عبد الله بن عبد الله بن أبي أمية بن المغيرة بن عبد الله بن عمير بن مخزوم، فولدت له: مصعباً، ومحمداً، وقريبة؛ وقتل مصعب بن عمير يوم أحد شهيداً، وليس له عقب إلا من بنته زينب؛ فخلف على حمنة بنت جحش طلحة بن عبيد الله بن عثمان بن عمرو بن كعب بن سعد ابن تيم، فولدت له: عمران، ومحمداً السجاد، قتل يوم الجمل. وكانت أروى بنت عبد المطلب عند عمير بن وهب بن عبد بن قصي؛ فولدت له طليب بن عمير، من المهاجرين الأولين، قتل بأجنادين شهيداً، وليس له عقب؛ وله تقول أمه:
ইবনে মাখজুম; তিনি তাঁর গর্ভে আবু সালামাহকে জন্ম দেন; এরপর তাঁর পরবর্তী স্বামী হন আবু রুহম বিন আব্দুল উজ্জা বিন আবি কায়স বিন আব্দু উদ্দ বিন নাসর বিন মালিক বিন হিসল; তিনি তাঁর গর্ভে আবু সাবরাহকে জন্ম দেন। আর উমাইমাহ বিনতে আব্দুল মুত্তালিব জাহশ বিন রিয়াব বিন ইয়ামুর বিন সাবরাহ বিন মুররাহ বিন কাবীর বিন গানাম বিন দাউদান বিন আসাদ বিন খুজাইমাহর বিবাহাধীনে ছিলেন; তিনি তাঁর গর্ভে জন্ম দেন: আল্লাহর পথে অঙ্গহানিপ্রাপ্ত আব্দুল্লাহকে, যিনি উহুদের যুদ্ধে নিহত হন এবং মুশরিকরা তাঁর মরদেহের অঙ্গচ্ছেদ করেছিল; এবং অন্ধ কবি আবু আহমদকে, যাঁর নাম ছিল আব্দ, তিনি মদিনায় হিজরত করেছিলেন; এবং উবাইদুল্লাহকে, যিনি হাবাশা ভূমিতে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন; এবং জয়নব বিনতে জাহশকে, যিনি যায়েদ বিন হারিসার বিবাহাধীনে ছিলেন; এরপর তাঁর স্বামী তাঁকে তালাক দেন; অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বিবাহ করেন; এবং তাঁর ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছিল: "অতঃপর যায়েদ যখন তাঁর সাথে প্রয়োজন শেষ করল, তখন আমি তাঁকে তোমার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম"; ফলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অন্যান্য স্ত্রীদের সামনে গর্ব করে বলতেন: "আল্লাহ স্বয়ং আল্লাহর রাসূলের সাথে আমার বিবাহ দিয়েছেন, আর তোমাদের বিবাহ দিয়েছে তোমাদের নিকটাত্মীয়রা!" এবং হাবিবা বিনতে জাহশ, যিনি মুস্তাহাযা (দীর্ঘস্থায়ী রক্তস্রাবগ্রস্ত) ছিলেন, তিনি আব্দুর রহমান বিন আউফের বিবাহাধীনে ছিলেন; তাঁর এবং জয়নবের কোনো সন্তান ছিল না; এবং হামনাহ বিনতে জাহশ, যিনি মুসআব বিন উমাইর বিন হাশিম বিন আব্দু মানাফ বিন আব্দুদ দার বিন কুসাই-এর বিবাহাধীনে ছিলেন, তিনি তাঁর গর্ভে জয়নব বিনতে মুসআবকে জন্ম দেন, যাঁকে বিবাহ করেছিলেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি উমাইয়্যাহ বিন আল-মুগিরা বিন আব্দুল্লাহ বিন উমাইর বিন মাখজুম, তিনি তাঁর গর্ভে মুসআব, মুহাম্মদ এবং কারিবাহকে জন্ম দেন; আর মুসআব বিন উমাইর উহুদের যুদ্ধে শহীদ হন, এবং তাঁর কন্যা জয়নব ছাড়া তাঁর আর কোনো বংশধর ছিল না; অতঃপর হামনাহ বিনতে জাহশের পরবর্তী স্বামী হন তালহা বিন উবাইদুল্লাহ বিন উসমান বিন আমর বিন কাব বিন সাদ ইবনে তাইম, তিনি তাঁর গর্ভে ইমরান এবং মুহাম্মদ আস-সাজ্জাদকে জন্ম দেন, যিনি জঙ্গে জামালের দিনে নিহত হন। আর আরওয়া বিনতে আব্দুল মুত্তালিব উমাইর বিন ওয়াহাব বিন আব্দ বিন কুসাই-এর বিবাহাধীনে ছিলেন; তিনি তাঁর গর্ভে প্রথম যুগের মুহাজির তুলাইব বিন উমাইরকে জন্ম দেন, যিনি আজনাদাইনের যুদ্ধে শহীদ হন এবং তাঁর কোনো বংশধর ছিল না; তাঁর সম্পর্কে তাঁর মা বলতেন:
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২০)
إن طليباً نصر ابن خاله
… آساه في ذي دمه وماله
ثم خلف على أروى بنت عبد المطلب كلدة بن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدار بن قصي، فولدت له فاطمة؛ فولدت فاطمة: رينب بنت أرطاة بن عبد شرحبيل بن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدار قصى؛ فولدت زينب بنت أرطاة: كبشة بنت الحارث بن كريز بن ربيعة بن حبيب بن عبد شمس؛ تزوجت كبشة بنت الحارث مسيلمة الكذاب؛ ثم خلف عليها عبد الله بن عامر ابن كريز بن ربيعة بن حبيب بن عبد شمس: فولدت له عبد الله الأعمى، وعبد الملك، يقال له " قفيز "، وعبد الرحمن، وهو أكبرهم، قتل يوم الجمل، وزينب بنت عبد الله بن عامر. وكانت صفية بنت عبد المطلب عند العوام ن خويلد بن أسد بن عبد العزى؛ فولدت له الزبير، سماه رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحواري "، قال: " لكل نبي حواري، وحواريي الزبير! "؛ والسائب، قتل يوم اليمامة شهيداً؛ وأم حبيب، تزوجها خالد بن حزام. فولدت له أم حسن بنت خالد، ليس لها عقب قالت صفية:
يسبني السائب من خلف الجدر
لكن أبو الطاهر زيار أمر
مبذر لماله ر غفر
ولد عبد الله بن عبد المطلبفولد عبد الله بن عبد المطلب: رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ وأمه: آمنة بنت وهب بن عبد مناف بن عبد مناف بن زهرة بن كلاب؛ وأمها: برة بنت عبد العزى
নিশ্চয়ই তুলাইব তার মামাতো ভাইকে সাহায্য করেছে
… তার রক্ত এবং সম্পদের মাধ্যমে তাঁকে সান্ত্বনা দিয়েছে।
এরপর আরওয়া বিনতে আবদ আল-মুত্তালিবকে বিবাহ করেন কালদাহ ইবনে হাশিম ইবনে আবদ মানাফ ইবনে আবদ আদ-দার ইবনে কুসাই। তিনি তাঁর গর্ভে ফাতিমাকে জন্ম দেন। ফাতিমা জন্ম দেন: জয়নব বিনতে আরতাহ ইবনে আবদ শুরাহবিল ইবনে হাশিম ইবনে আবদ মানাফ ইবনে আবদ আদ-দার ইবনে কুসাইকে। জয়নব বিনতে আরতাহ জন্ম দেন: কাবশাহ বিনতে আল-হারিস ইবনে কুরাইজ ইবনে রাবিআহ ইবনে হাবিব ইবনে আবদ শামসকে। কাবশাহ বিনতে আল-হারিস মুসাইলামা আল-কাযযাবকে বিবাহ করেছিলেন। এরপর তাকে বিবাহ করেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে কুরাইজ ইবনে রাবিআহ ইবনে হাবিব ইবনে আবদ শামস। তিনি তাঁর গর্ভে আব্দুল্লাহ আল-আ’মা, আব্দুল মালিক—যাকে ‘কাফিজ’ বলা হতো—এবং আব্দুর রহমান—যিনি তাদের মধ্যে বড় ছিলেন এবং উষ্ট্রের যুদ্ধের দিন নিহত হন—এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমিরের কন্যা জয়নবকে জন্ম দেন। আর সাফিয়্যাহ বিনতে আবদ আল-মুত্তালিব আউওয়াম ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ ইবনে আবদ আল-উযযার বিবাহে ছিলেন। তিনি তাঁর গর্ভে যুবাইরকে জন্ম দেন, যাঁর নাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আল-হাওয়ারী’ রেখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারী থাকে, আর আমার হাওয়ারী হলো যুবাইর!” আরও জন্ম দেন আস-সাইবকে, যিনি ইয়ামামার যুদ্ধে শহীদ হিসেবে নিহত হন; এবং উম্মে হাবিবকে, যাঁকে খালিদ ইবনে হিযাম বিবাহ করেছিলেন। তিনি তাঁর গর্ভে উম্মে হাসান বিনতে খালিদকে জন্ম দেন, তাঁর কোনো উত্তরসূরি ছিল না। সাফিয়্যাহ বলেছিলেন:
সাইব প্রাচীরের আড়াল থেকে আমাকে গালি দেয়
কিন্তু আবু তাহের এক কর্তৃত্বপরায়ণ পরিভ্রমণকারী
নিজের সম্পদের অপব্যয়কারী, [আল্লাহ] তাকে ক্ষমা করুন
আব্দুল্লাহ ইবনে আবদ আল-মুত্তালিবের সন্তানগণআব্দুল্লাহ ইবনে আবদ আল-মুত্তালিবের সন্তান হলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; তাঁর মাতা হলেন: আমিনা বিনতে ওয়াহাব ইবনে আবদ মানাফ ইবনে যুহরাহ ইবনে কিলাব; আর তাঁর মাতা হলেন: বাররাহ বিনতে আবদ আল-উযযা।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২১)
ابن عثمان بن عبد الدار بن قصي؛ وأمها: أم حبيب بنت أسد بن عبد العزى بن قصي؛ وأمها: برة بنت عدي بن عبيد بن عويج بن عدي بن كعب؛ وأمها: أميمة بنت مالك بن غنم بن حنش بن عادية بن صعصعة بن كعب بن طانحة بن لحيان بن هذيل؛ وأمها: قلابة بنت الحارث، وهو أبو قلابة الشاعر، وهو أقدم من قال الشعر في هذيل؛ وهو الذي يقول:
إن الرشاد وإن الغي في قرن
… بكل ذلك يأتيك الجديدان
لا تأمنن وإن أصبحت في حرم
… إن المنايا بجنبي كل إنسان
واسم أبي قلابة: الحارث بن صعصعة بن كعب بن طابخة بن لحيان بن هذيل؛ وأمها؛ دبة بنت الحارث بن تميم؛ وأمها: لبنى بنت الحارث بن النمر بن جرءة بن أسيد بن عمرو بن تميم بن مر بن أد بن طابخة بن إلياس بن مضر ابن نزار. فولد رسول الله صلى الله عليه وسلم: القاسم، وهو أكبر ولده؛ ثم زينب؛ ثم عبد الله؛ ثم أم كلثوم، ثم فاطمة؛ ثم رقية؛ هم هكذا، الأول فالأول. ثم مات عبد الله. ثم ولدت له مارية بنت شمعون بن إبراهيم، وهي القبطية التي أهداها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم المقوقس صاحب الإسكندرية، وأهدى معها أختها سيرين، وخصيا يقال له مأبور؛ فوهب رسول الله صلى الله عليه وسلم سيرين لحسان بن ثابت الشاعر، فولدت له عبد الرحمن بن حسان، وقد انقرض ولد حسان بن ثابت، وأم بني رسول الله صلى الله عليه وسلم، غير إبراهيم: خديجة بنت خويلد ابن أسد بن عبد العزى بن قصي بن كلاب؛ وأمها: فاطمة بنت زائدة بن جندب،
ইবনে উসমান ইবনে আবদ আদ-দার ইবনে কুসাই; আর তাঁর মা হলেন: উম্মু হাবিব বিনতে আসাদ ইবনে আবদ আল-উযযা ইবনে কুসাই; আর তাঁর মা হলেন: বাররা বিনতে আদি ইবনে উবাইদ ইবনে উইজ ইবনে আদি ইবনে কাব; আর তাঁর মা হলেন: উমাইমা বিনতে মালিক ইবনে গানাম ইবনে হানাস ইবনে আদিয়া ইবনে সা'সা ইবনে কাব ইবনে তানিহা ইবনে লিহইয়ান ইবনে হুযাইল; আর তাঁর মা হলেন: কিলাবা বিনতে আল-হারিস, আর তিনি হলেন কবি আবু কিলাবার পিতা, আর তিনি (আবু কিলাবা) হুযাইল গোত্রের প্রাচীনতম কবিদের একজন; তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:
নিশ্চয়ই সুপথ এবং নিশ্চয়ই বিপথ একই সাথে অবিচ্ছেদ্য
... রাত ও দিনের আবর্তন তোমার কাছে সে সব কিছুই নিয়ে আসে
কখনো নিজেকে নিরাপদ মনে করো না যদিও তুমি পবিত্র হারামে অবস্থান করো
... নিশ্চয়ই মৃত্যু প্রতিটি মানুষের পার্শ্বদেশেই অবস্থান করছে
আর আবু কিলাবার নাম হলো: আল-হারিস ইবনে সা'সা ইবনে কাব ইবনে তাবিখা ইবনে লিহইয়ান ইবনে হুযাইল; আর তাঁর মা হলেন; দাব্বা বিনতে আল-হারিস ইবনে তামিম; আর তাঁর মা: লুবনা বিনতে আল-হারিস ইবনে আন-নামির ইবনে জুরআ ইবনে আসাদ ইবনে আমর ইবনে তামিম ইবনে মুর ইবনে আদ ইবনে তাবিখা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার ইবনে নিযার। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সন্তানরা জন্মগ্রহণ করেন: আল-কাসিম, তিনি তাঁর সন্তানদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ; তারপর যয়নব; তারপর আবদুল্লাহ; তারপর উম্মু কুলসুম, তারপর ফাতিমা; তারপর রুকাইয়া; তাঁরা এভাবেই ধারাবাহিকভাবে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। অতঃপর তাঁর জন্য মারিয়া বিনতে শামউন ইবনে ইব্রাহিম (ইব্রাহিমকে) জন্ম দেন, তিনি ছিলেন কিবতি (কপটিক) বংশীয়, যাঁকে আলেকজান্দ্রিয়ার অধিপতি মুকাউকিস আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। তিনি তাঁর সাথে তাঁর বোন সিরিন এবং মাবুর নামক একজন খোজাকেও উপহার দিয়েছিলেন; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিরিনকে কবি হাসসান ইবনে সাবিতকে দান করেন, যার গর্ভে তাঁর পুত্র আবদুর রহমান ইবনে হাসসান জন্মগ্রহণ করেন, হাসসান ইবনে সাবিতের বংশধররা বর্তমানে বিলুপ্ত হয়েছে। আর ইব্রাহিম ব্যতীত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সকল সন্তানের মাতা হলেন: খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ ইবনে আবদ আল-উযযা ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব; আর তাঁর (খাদিজার) মা: ফাতিমা বিনতে যায়িদা ইবনে জুনদুব,
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২২)
وهو الأصم، ابن هدم بن رواحة بن حجر بن عبد بن معيص؛ وأمها: هالة بنت عبد مناف بن الحارث بن منقذ بن عمرو بن معيص؛ وأمها: العرقة، واسمها قلابة بنت سعيد بن سهم بن عمرو بن هصيص بن كعب بن لؤي بن غالب بن فهر. وحبان بن عبد مناف، أخو هالة لأبيها وأمها، هو الذي رمى سعد بن معاذ يوم الخندق؛ فقال: " خذها! وأنا ابن العرقة! " فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " عرق الله وجهه في النار! " فأصاب أكحل سعد؛ فمات منها شهيداً. وكان مولد إبراهيم في ذي الحجة سنة ثمان من الهجرة؛ مات بالمدينة، وهو ابن ثمانية عشر شهراً. وإخوة ولد رسول الله صلى الله عليه وسلم لأمهم: هند بن عتيق بن عائذ بن عبد الله بن عمرو بن مخزوم؛ وهند بن أبي هالة نباش بن زرارة؛ وهالة بنت أبي هالة؛ وأبو هالة من بني أسيد بن عمرو بن تميم، حليق بني عبد الدار بن قصي.
وكانت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم عند أبي العاصي بن الربيع بن وائل؛ فولدت له علياً، انقرض، وكان غلاما، زعموا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أردفه خلفه يوم فتح مكة، وهو رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ وأمامة بنت أبي العاصي: أوصى بها أبو العاصي إلى الزبير بن العوام؛ فتزوجها علي بن أبي طالب؛ فقتل عنها؛ فتزوجها المغيرة بن نوفل؛ فهلكت عنده، ولم تلد: فليس لزينب عقب.
وكانت رقية عند عتبة بن أبي لهب؛ وكانت أم كلثوم عند أبي عتيبة ابن أبي لهب. فلما نزلت: " تبت يدا أبي لهب وتب "، أمرهما أبوهما وأمهما؛ ففارقاهما. فتزوج عثمان بن عفان رقية بمكة، وهاجرت معه إلى أرض الحبشة؛
তিনি হলেন আল-আসাম্ম, ইবনে হাদাম বিন রাওয়াহা বিন হাজার বিন আবদ বিন মুয়াইস; এবং তাঁর মা হলেন হালা বিনতে আবদ মানাফ বিন আল-হারিস বিন মুনকিজ বিন আমর বিন মুয়াইস; আর তাঁর মা হলেন আল-আরকা, যাঁর নাম কিলাবা বিনতে সাঈদ বিন সাহম বিন আমর বিন হাসিস বিন কাব বিন লুয়াই বিন গালিব বিন ফিহর। আর হিব্বান বিন আবদ মানাফ, যিনি হালার সহোদর ভাই, তিনি সেই ব্যক্তি যিনি খন্দকের যুদ্ধে সাদ বিন মুয়াজকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়েছিলেন এবং বলেছিলেন: "এটি নাও! আমি আল-আরকার পুত্র!" তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন: "আল্লাহ জাহান্নামের আগুনে তার মুখ ঘামিয়ে দিন!" সেই তীর সাদের হাতের প্রধান ধমনিতে (আকহাল) বিদ্ধ হয়েছিল এবং তার আঘাতেই তিনি শাহাদাতবরণ করেন। আর ইব্রাহিমের জন্ম হয়েছিল হিজরি অষ্টম সনের জিলহজ মাসে; তিনি মদিনায় ইন্তেকাল করেন এবং তখন তাঁর বয়স ছিল আঠারো মাস। আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্তানদের মাতৃকূলীয় ভাই-বোনরা হলেন: হিন্দ বিন আতিক বিন আইজ বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন মাখজুম; এবং হিন্দ বিন আবি হালা নাব্বাশ বিন জুরারা; এবং হালা বিনতে আবি হালা; আর আবু হালা ছিলেন বনু উসাইদ বিন আমর বিন তামিম গোত্রের লোক, যারা বনু আবদ আদ-দার বিন কুসাই-এর মিত্র ছিল।
আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কন্যা জয়নাব আবুল আস বিন আর-রাবি বিন ওয়াইল-এর বিবাহবন্ধনে ছিলেন; তিনি তাঁর জন্য আলীকে জন্ম দিয়েছিলেন, যাঁর বংশধারা বিলুপ্ত হয়েছে। তিনি একজন বালক ছিলেন, বর্ণনা করা হয় যে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন তাঁকে নিজের সওয়ারির পেছনে বসিয়েছিলেন এবং তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহযাত্রী। আর উমামা বিনতে আবিল আসের বিষয়ে আবুল আস জুবায়ের বিন আল-আওয়ামকে অসিয়ত করে গিয়েছিলেন; পরবর্তীতে আলী বিন আবি তালিব তাঁকে বিবাহ করেন এবং তাঁর শাহাদাতের পর আল-মুগিরা বিন নাওফাল তাঁকে বিবাহ করেন। তিনি তাঁর নিকট থাকাকালীনই মৃত্যুবরণ করেন এবং কোনো সন্তান জন্ম দেননি; ফলে জয়নাবের কোনো উত্তরসূরি অবশিষ্ট নেই।
রুকাইয়াহ উতবা বিন আবি লাহাবের পত্নী ছিলেন এবং উম্মু কুলসুম আবু উতাইবা ইবনে আবি লাহাবের পত্নী ছিলেন। যখন নাজিল হলো: "আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক", তখন তাদের পিতা ও মাতা তাদের (পুত্রদের) আদেশ দিলে তারা তাঁদের (রাসুল-কন্যাদের) ত্যাগ করেন। এরপর উসমান বিন আফফান মক্কায় থাকাকালীন রুকাইয়াহকে বিবাহ করেন এবং তিনি তাঁর সাথে হাবশা (আবিসিনিয়া) অভিমুখে হিজরত করেন;
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
فولدت له عبد الله، به كان يكنى؛ وقدمت المدينة معه؛ وتخلف عن بدر عليها بأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ وكانت مريضة؛ فهلكت عنده. فزوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم أم كلثوم؛ فهلكت عنده.
وكانت فاطمة عند علي بن أبي طالب؛ فولدت له الحسن بن علي في النصف من شهر رمضان سنة ثلاث من الهجرة: أخذه عن محمد بن سعد كاتب الواقدي، يعني مولد الحسن؛ وسماه رسول الله صلى الله عليه وسلم حسناً. وكان يشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم؛ مر به أبو بكر الصديق، ومعه علي يمشي إلى جانبه، والحسن يلعب مع الصبيان، وذلك بعد وفاة النبي صلى الله عليه وسلم؛ فاحتمله على رقبته، وهو يقول:
وا بأبي
… شبه بالنبي
ليس شبيهاً بعلي
وذكر لي عن عبد الله البهي مولى آل الزبير، قال: تذاكرنا من أشبه الناس بالنبي صلى الله عليه وسلم؛ فدخل علينا عبد الله بن الزبير؛ فقال: " أنا أحدثكم بأشبه أهله به، وأحبهم إليه: الحسن بن علي. رأيته وهو يجيء، وهو ساجد؛ فيركب رقبته - أو قال: ظهره -؛ فما ينزل حتى يكون هو الذي ينزل. ولقد رأيته، وهو راكع، فيفرج بين رجليه حتى يخرج من الجانب الآخر " وقال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إنه ريحانتي من الدنيا. وإن ابني هذا لسيد. وعسى أن يصلح الله به بين فئتين من المسلمين! " وقال: " اللهم! إني أحبه وأحب من يحبه! " وسئل الحسن: " ماذا سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ " قال: " سمعته يقول: " دع ما لا يريبك إلى ما يريبك؛ فإن الشر ريبة، وإن الخير طمأنينة! " وعقلت منه أني، بينما أنا أمشي معه إلى جنب جرين الصدقة، تناولت تمرة؛ فألقيتها في فمي؛ فأدخل إصبعه، فاستخرجها بلعابها؛ فألقاها، وقال: " إنا آل محمد، لا تحل
তিনি তাঁর জন্য আবদুল্লাহকে জন্ম দেন, যাঁর নামে তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) রাখা হয়েছিল; এবং তিনি তাঁর সাথে মদিনায় এসেছিলেন; এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকে তাঁর (রুকাইয়াহর) পাশে ছিলেন; কারণ তিনি অসুস্থ ছিলেন; অতঃপর তিনি তাঁর নিকট থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। এরপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাথে উম্মু কুলসুমের বিয়ে দেন; তিনিও তাঁর নিকট থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
ফাতিমা আলি বিন আবি তালিবের বিবাহবন্ধনে ছিলেন; তিনি তাঁর জন্য হিজরি তৃতীয় সনের রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে হাসান বিন আলিকে জন্ম দেন: তিনি এটি মুহাম্মাদ বিন সা’দ আল-ওয়াকিদির লেখক থেকে গ্রহণ করেছেন, অর্থাৎ হাসানের জন্ম সংক্রান্ত তথ্য; এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নাম রাখেন হাসান। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সদৃশ ছিলেন; আবু বকর সিদ্দিক তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং আলি তাঁর পাশে হাঁটছিলেন, এমতাবস্থায় হাসান বালকদের সাথে খেলছিলেন—আর এটি ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পরের ঘটনা; তখন তিনি তাঁকে নিজের ঘাড়ে তুলে নিলেন এবং বলছিলেন:
আমার পিতা উৎসর্গ হোক
… নবীর সদৃশ
আলির সদৃশ নয়
এবং আমার নিকট জুবায়ের পরিবারের আযাদকৃত দাস আবদুল্লাহ আল-বাহী থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমরা আলোচনা করছিলাম যে মানুষের মধ্যে কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সবচেয়ে বেশি সদৃশ; এমতাবস্থায় আবদুল্লাহ বিন আল-জুবায়ের আমাদের নিকট প্রবেশ করলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদের তাঁর পরিবারের এমন এক সদস্য সম্পর্কে বলব যিনি তাঁর সাথে সবচেয়ে বেশি সদৃশ এবং তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয়: তিনি হলেন হাসান বিন আলি। আমি তাঁকে দেখেছি যে, তিনি (রাসুল) যখন সিজদায় থাকতেন তখন হাসান আসতেন এবং তাঁর ঘাড়ে — অথবা তিনি বলেছেন: পিঠে — চড়ে বসতেন; অতঃপর তিনি ততক্ষণ নামতেন না যতক্ষণ না হাসান নিজেই নামতেন। এবং আমি তাঁকে দেখেছি যে, তিনি যখন রুকু করতেন তখন তিনি তাঁর দুই পায়ের মাঝে ফাঁকা করতেন যাতে হাসান অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন।" এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "নিশ্চয়ই সে দুনিয়াতে আমার সুগন্ধি ফুল। আর আমার এই পুত্র একজন নেতা। আশা করা যায় যে, আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলিমদের দুটি দলের মধ্যে মীমাংসা করে দেবেন!" এবং তিনি বলেছেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তাকে ভালোবাসি এবং যে তাকে ভালোবাসে তাকেও ভালোবাসি!" হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কী শুনেছেন?" তিনি বলেন: "আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: 'যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে তা ছেড়ে দিয়ে যাতে সন্দেহ নেই তার দিকে যাও; কারণ মন্দ হলো সংশয় আর কল্যাণ হলো প্রশান্তি'!" এবং আমি তাঁর থেকে এটুকু স্মরণে রেখেছি যে, একদা আমি তাঁর সাথে সদাকার খেজুর শুকানোর জায়গার পাশ দিয়ে হাঁটছিলাম, তখন আমি একটি খেজুর নিয়ে আমার মুখে পুরে দিলাম; তিনি তাঁর আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং লালাসহ সেটি বের করে ফেললেন; এরপর সেটি ফেলে দিয়ে বললেন: "নিশ্চয়ই আমরা মুহাম্মাদের পরিবার, আমাদের জন্য (সাদাকা) হালাল নয়..."
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
لنا الصدقة! " وعقلت منه الصلوات الخمس؛ وعلمني كلمات أقولهن عند انقضائهن: " اللهم اهدنا فيمن هديت، وعافنا فيمن عافيت، وتولنا فيمن توليت، وبارك لنا فيما أعطيت، وقنا شر ما قضيت! إنك تقضي ولا يقضى عليك! إنه لا يذل من واليت! تباركت ربنا وتعاليت! " قال: وروى ابن عون عن عمير بن إسحاق، قال: ما تكلم أحد عندي، كان أحب إلي إذا تكلم ألا يسكت، من الحسن بن علي. وما سمعت منه كلمة فحش قط، إلا مرة؛ فإنه كان بين حسين بن علي وعمرو بن عثمان خصومة في أرض؛ فعرض حسين، ولم يرضه عمرو؛ فقال الحسن: " ليس عندنا إلا ما يرغم أنفه! " فهذه أشر كلمة فحش سمعتها منه قط.
وذكر عن علي بن زيد بن جدعان التيمي، قال: حج الحسن بن علي خمس عشرة مرة ماشياً، وخرج من ماله لله مرتين، وقاسم الله ثلاث مرات، حتى إن كان ليعطى نعلاً، ويعطى خفاً ويمسك خفاً.
والحسين بن علي، يكنى أبا عبد الله، ولد لخمس ليال خلون من شعبان سنة أربع من الهجرة. ذكر أن أم الفضل، امرأة العباسن قالت: " يا رسول الله! رأيت فيما يرى النائم كأن عضواً من أعضائك في بيتي. " قال: " خيراً رأيت! تلد فاطمة غلاماً؛ فترضعيه بلبان ابنك قثم. " " فولدت حسيناً؛ فكفلته أم الفضل. قالت: " فأتيت به رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو ينزيه ويقبله، إذ بال على رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ فقال: " يا أم الفضل. أمسكي ابني؛ فقد بال علي. " فأخذته، فقرصته قرصة بكى منها، وقلت: " آذيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بلت عليه! " فلما بكى الصبي، قال: " يا أم الفضل! آذيتني في ابني، أبكيتيه! " ثم دعا بماء؛ فحدره عليه حدراً.
আমাদের জন্য সাদকা (বৈধ নয়)! আমি তাঁর (রাসূলুল্লাহর) কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত হৃদয়ঙ্গম করেছি এবং তিনি আমাকে কিছু বাক্য শিখিয়েছেন যা আমি সালাত (বিতর) শেষে বলি: "হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়েত করেছেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদেরকে আপনি নিরাপত্তা দান করেছেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদেরকে আপনি অভিভাবকত্ব দান করেছেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, আপনি আমাকে যা দান করেছেন তাতে বরকত দিন এবং আপনি যে ফয়সালা করেছেন তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন! নিশ্চয়ই আপনি ফয়সালা করেন কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে কোনো ফয়সালা করা হয় না! আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেন সে কখনো লাঞ্ছিত হয় না! হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময় ও সুউচ্চ!" তিনি বলেন: ইবনে আউন উমাইর ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: হাসান ইবনে আলীর চেয়ে প্রিয় আমার কাছে আর কেউ ছিল না যার কথা শুরু হলে আমি চাইতাম সে যেন থাম না যায়। আমি তাঁর থেকে কখনো কোনো কটু কথা শুনিনি, কেবল একবার ছাড়া; তখন হুসাইন ইবনে আলী ও আমর ইবনে উসমানের মধ্যে একখণ্ড জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। হুসাইন (একটি প্রস্তাব) পেশ করলেন, কিন্তু আমর তাতে সন্তুষ্ট হলেন না। তখন হাসান বললেন: "আমাদের কাছে তার জন্য কেবল তা-ই আছে যা তার নাক ধূলিমলিন করবে (অর্থাৎ তাকে তুচ্ছ করবে)!" এটিই ছিল তাঁর থেকে শোনা সবচেয়ে রূঢ় কথা।
আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জুদআন আত-তাইমি থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: হাসান ইবনে আলী পনের বার পায়ে হেঁটে হজ্জ পালন করেছেন। তিনি দুইবার আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাঁর সমস্ত সম্পদ দান করে দিয়েছেন এবং তিনবার আল্লাহর সাথে নিজের সম্পদ সমান ভাগে ভাগ করেছেন, এমনকি তিনি একটি জুতো দান করতেন ও একটি জুতো নিজে রাখতেন এবং একটি মোজা দান করতেন ও একটি মোজা নিজে রাখতেন।
এবং হুসাইন ইবনে আলী, তাঁর উপনাম হলো আবু আব্দুল্লাহ। তিনি হিজরি চতুর্থ সনের শাবান মাসের পাঁচ তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পর জন্মগ্রহণ করেন। বর্ণিত আছে যে, আব্বাসের স্ত্রী উম্মুল ফজল বলেছেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে দেখেছি যেন আপনার শরীরের একটি অঙ্গ আমার ঘরে রয়েছে।" তিনি বললেন: "তুমি উত্তম স্বপ্ন দেখেছ! ফাতিমা একটি পুত্র সন্তান প্রসব করবে; তুমি তাকে তোমার পুত্র কুসামের দুধ পান করাবে।" অতঃপর ফাতিমা হুসাইনকে প্রসব করলেন এবং উম্মুল ফজল তাঁর লালন-পালনের দায়িত্ব নিলেন। উম্মুল ফজল বলেন: "আমি তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম। তিনি তাকে কোলে নিয়ে আদর করছিলেন এবং চুমু খাচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গায়ের ওপর পেশাব করে দিল। তখন তিনি বললেন: 'হে উম্মুল ফজল! আমার ছেলেকে ধরো, সে আমার ওপর পেশাব করে দিয়েছে।' আমি তাকে নিয়ে এমন এক চিমটি দিলাম যাতে সে কেঁদে উঠল এবং আমি বললাম: 'তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গায়ে পেশাব করে তাঁকে কষ্ট দিলে!' যখন শিশুটি কেঁদে উঠল, তিনি বললেন: 'হে উম্মুল ফজল! তুমি আমার ছেলের ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দিলে, তাকে কাঁদিয়ে দিলে!' এরপর তিনি পানি চাইলেন এবং পেশাবের ওপর পানি প্রবাহিত করে দিলেন।"
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قال: وسأل ابن عمر رجل من أهل العراق عن دم البعوض يكون في ثوبه؟ فقال: " انظروا هذا! يسألني عن دم البعوض، وقد قتلوا ابن رسول الله صلى الله عليه وسلم! وقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " الحسن والحسين هما ريحانتي من الدنيا! " وحج الحسين خمساً وعشرين حجة ماشياً.
وأم كلثوم بنت علي، خطبها عمر بن الخطاب إلى علي بن أبي طالب، وقال: " زوجني، يا أبا الحسن! فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: كل سبب وصهر منقطع يوم القيامة، إلا سببي وصهري. " فزوجه إياها؛ فولدت لعمر زيداً ورقية؛ ثم قتل عنها؛ عمر فتزوجها محمد بن جعفر بن أبي طالب؛ فمات عنها؛ فتزوجها عون بن جعفر بن أبي طالب؛ فمات عنها؛ فتزوجها عبد الله بن جعفر؛ فمات عنها.
وزينب بنت علي، زوجها علي من عبد الله بن جعفر؛ فولدت له علي ابن عبد الله، وأم كلثوم.
ولد العباس بن عبد المطلبفولد العباس بن عبد المطلب: الفضل، به كان يكنى؛ وكان رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم حنى رمى جمرة العقبة، وحفظ عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، شهد غسل رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ ومات بطاعون عمواس زمن عمر بن الخطاب. ولم يترك ولداً إلا أم كلثوم،
তিনি বললেন: ইরাকের এক লোক ইবনে উমরকে তার কাপড়ে মশার রক্ত লেগে থাকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি বললেন: "তোমরা একে দেখ! সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে, অথচ তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাতিকে হত্যা করেছে! আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: 'হাসান ও হুসাইন হলো দুনিয়াতে আমার দুটি সুগন্ধি ফুল!' আর হুসাইন পঁচিশবার পায়ে হেঁটে হজ পালন করেছেন।"
আর আলীর কন্যা উম্মে কুলসুম; উমর ইবনুল খাত্তাব আলী ইবনে আবি তালিবের কাছে তাঁর বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং বলেন: "হে আবুল হাসান, আমার সাথে তাঁর বিয়ে দিন! কারণ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: কিয়ামতের দিন আমার বংশীয় ও বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যতীত সকল সম্পর্কই ছিন্ন হয়ে যাবে।" অতঃপর তিনি উম্মে কুলসুমকে তাঁর সাথে বিয়ে দিলেন; তিনি উমরের ঔরসে যায়িদ ও রুকাইয়াকে জন্ম দেন। অতঃপর উমর শহীদ হওয়ার পর তাঁকে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব বিয়ে করেন; তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁকে আউন ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব বিয়ে করেন; তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁকে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর বিয়ে করেন এবং তিনিও তাঁর আগে মৃত্যুবরণ করেন।
আর আলীর কন্যা যায়নাব; আলী তাঁকে আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের সাথে বিয়ে দেন; তিনি তাঁর ঔরসে আলী ইবনে আবদুল্লাহ এবং উম্মে কুলসুমকে জন্ম দেন।
আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানগণআব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানগণ হলেন: ফজল, তাঁর নামানুসারেই তিনি কুনিয়াত (উপনাম) গ্রহণ করেছিলেন; তিনি জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সওয়ারির পেছনে বসা ছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস মুখস্থ করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গোসল দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি উমর ইবনুল খাত্তাবের শাসনামলে আমওয়াসের মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি উম্মে কুলসুম ছাড়া আর কোনো সন্তান রেখে যাননি।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
تزوجها الحسن بن علي بن أبي طالب، كان أبا عذرها؛ ثم فارقها؛ فتزوجها بعد أبو موسى عبد الله بن قيس الأشعري؛ فولدت له موسى؛ ثم خلف عليها عمران ابن طلحة بن عبيد الله، حين مات عنها أبو موسى.
وعبد الله بن العباس، ويكنى أبا العباس، ولد في الشعب قبل خروج بني هاشم منه، وذلك قبل الهجرة بثلاث سنين. ودعا له رسول الله صلى الله عليه وسلم؛ فقال: " اللهم! أعطه الحكمة، وعلمه التأويل! " ورأى جبريل عليه السلام؛ وقال صلى الله عليه وسلم: " لعسى ألا يموت حتى يؤتى علماً ويذهب بصره! " وكان يأذن له مع المهاجرين ويسأله. وكان، إذا رآه مقبلاً، قال: " أتاكم فتى الكهول: له لسان سؤول، وقلب عقول! " وقال له أبوه العباس: " إني أرى هذا الرجل - يعني عمر - قد أدناك وأكرمك؛ فاحفظ عني ثلاثاً: لا يجربن عليك كذباً، ولا تفشين له سراً، ولا تغتابن عنده أحداً! " وقال مجاهد: كان عبد الله بن عباس أمدهم قامة، وأعظمهم جفنة، وأوسعهم علماً. وتوفى ابن عباس في سنة 68، وهو ابن إحدى وسبعين سنة. وقال ابن أبي الزناد: كانت بين حسان بن ثابت شاعر رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين بعض الناس منازعة عند عثمان بن عفان؛ فقضى عثمان على حسان؛ فجاء حسان إلى عبد الله بن عباس؛ فشكا ذلك إليه؛ فقال له ابن عباس: " الحق حقك؛ ولكن أخطأت حجتك. انطلق معي! " فخرج به حتى دخلا على عثمان؛ فاحتج له ابن عباس حتى تبين عثمان الحق؛ فقضى به لحسان بن ثابت؛ فخرج آخذاً بيد ابن عباس حتى دخلا المسجد؛ فجعل حسان بن ثابت ينشد الحلق، ويقول:
হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব তাঁকে বিবাহ করেন, তিনি ছিলেন তাঁর প্রথম স্বামী; অতঃপর তিনি তাঁকে তালাক দেন; এরপর আবু মুসা আবদুল্লাহ ইবনে কায়স আল-আশআরী তাঁকে বিবাহ করেন; তিনি তাঁর গর্ভে মুসাকে জন্ম দেন; অতঃপর যখন আবু মুসা মারা যান, তখন ইমরান ইবনে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন (তাঁকে বিবাহ করেন)।
আর আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, যাঁর উপনাম ছিল আবুল আব্বাস, তিনি বনু হাশিম শিয়াবে আবু তালিব থেকে বের হওয়ার পূর্বে সেখানে জন্মগ্রহণ করেন, যা ছিল হিজরতের তিন বছর পূর্বের ঘটনা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দোয়া করেন এবং বলেন: "হে আল্লাহ! তাঁকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং তাঁকে কুরআনের ব্যাখ্যা শিক্ষা দিন!" তিনি জিবরীল আলাইহিস সালামকে দেখেছিলেন; আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "সম্ভবত তিনি জ্ঞানপ্রাপ্ত হওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি হারানো পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করবেন না!" উমর (রা.) মুহাজিরদের সাথে তাঁকে বসার অনুমতি দিতেন এবং তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। তিনি যখনই তাঁকে আসতে দেখতেন, বলতেন: "তোমাদের কাছে প্রবীণদের গুণসম্পন্ন এক যুবক এসেছে, যার রয়েছে প্রশ্নকারী জিহ্বা এবং অনুধাবনকারী হৃদয়!" তাঁর পিতা আব্বাস তাঁকে বলেছিলেন: "আমি দেখছি এই ব্যক্তি—অর্থাৎ উমর—তোমাকে সান্নিধ্য দান করছেন এবং তোমাকে সম্মান করছেন; সুতরাং আমার পক্ষ থেকে তিনটি কথা মনে রেখো: তিনি যেন তোমার মাঝে কখনো কোনো মিথ্যার প্রমাণ না পান, তুমি কখনো তাঁর কোনো গোপন রহস্য ফাঁস করো না এবং তাঁর কাছে কারো গীবত (পরনিন্দা) করো না!" মুজাহিদ বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ছিলেন তাঁদের মধ্যে দীর্ঘতম অবয়বের অধিকারী, সবচেয়ে বড় দানশীল এবং জ্ঞানে সর্বাধিক প্রশস্ত। ইবনে আব্বাস ৬৮ হিজরি সনে একাত্তর বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ইবনে আবি যিনাদ বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবি হাসসান বিন সাবিত এবং কিছু লোকের মধ্যে উসমান ইবনে আফফানের সম্মুখে একটি বিবাদ উপস্থিত হয়; উসমান হাসসানের বিপক্ষে ফয়সালা দেন। তখন হাসসান আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের কাছে এসে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। ইবনে আব্বাস তাঁকে বললেন: "অধিকারটি তোমারই প্রাপ্য ছিল, কিন্তু তুমি তোমার যুক্তি উপস্থাপনে ভুল করেছ। আমার সাথে চলো!" তিনি তাঁকে নিয়ে বের হলেন এবং উসমানের কাছে প্রবেশ করলেন; অতঃপর ইবনে আব্বাস তাঁর পক্ষে এমন বলিষ্ঠ যুক্তি পেশ করলেন যে উসমানের কাছে সত্যটি স্পষ্ট হয়ে গেল। ফলে তিনি হাসসান বিন সাবিতের অনুকূলে ফয়সালা প্রদান করলেন। এরপর হাসসান ইবনে আব্বাসের হাত ধরে বের হলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন; অতঃপর হাসসান বিন সাবিত মানুষের মজলিসে মজলিসে কবিতা আবৃত্তি করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন:
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
إذا ما ابن عباس بدا لك وجهه
… رأيت له في كل مجمعة فضلا
إذا قال لم يترك مقالاً لقائل
… بمنتظمات لا ترى بينها فضلاً
كفى وشفى ما في النفوس فلم يدع
… لذي إربة في القوال جدا ولا هزلا
وذكر ابن أبي الزناد، عن موسى بن عقبة، عن القاسم بن محمد، أنه قال: " ما رأيت في مجلس ابن عباس باطلاً قط! " وعبيد الله بن عباس، كان أصغر سناً من عبد الله بسنة؛ وقد رأى النبي صلى الله عليه وسلم وكان سخياً، جواداً. قال بعض أهل العلم: كان عبد الله يوسعهم علماً، وكان عبيد الله يوسعهم طعاماً. واستعمله علي بن أبي طالب على اليمن، وأمره؛ فحج بالناس سنة 36 وسنة 37. ومات عبيد الله بالمدينة.
وقثم بن العباس، ليس له عقب، استشهد بسمرقند، كان خرج مع سعيد ابن عثمان زمن معاوية؛ ومر رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يلعب، فحمله.
ومعبد بن العباس، مات بإفريقية شهيداُ.
وأم حبيب بنت العباس، تزوجت الأسود بن سفيان بن عبد الأسد ابن هلال بن عبد الله بن عمرو بن مخزوم، وولدت له رزقاً، وعبد الله. أمهم: أم الفضل، واسمها لبابة، بنت الحارث بن حزن بن بجير ابن الهزم بن رويبة بن عبد الله بن هلال بن عامر.
والحارث بن العباس، أمه من هذيل وكثير بن العباس، كان فقيهاً فاضلاً، لا عقب له وتمام ابن العباس، كان من أشد الناس بطشاً. وأمهما: أم ولد. ليس لتمام عقب، وكان امرأ صدق.
যখন ইবনে আব্বাসের চেহারা তোমার সামনে প্রকাশিত হয়
… তখন প্রতিটি জনসমাবেশে তুমি তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব দেখতে পাও
যখন তিনি কথা বলেন, তখন কোনো বক্তার জন্য তিনি আর কোনো কথা অবশিষ্ট রাখেন না
… এমন সুবিন্যস্ত বাণীর মাধ্যমে যাতে তুমি কোনো অসংলগ্নতা দেখতে পাবে না
অন্তরের আকাঙ্ক্ষাকে তিনি যথেষ্ট ও পরিপূর্ণভাবে নিবৃত্ত করেন, ফলে কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য
… বক্তব্যের ক্ষেত্রে গম্ভীর বা কৌতুকপূর্ণ কোনো কিছুরই অবকাশ তিনি রাখেননি
ইবনে আবিয যিনাদ, মূসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "আমি ইবনে আব্বাসের মজলিসে কখনো কোনো অসার বিষয় দেখিনি!" আর উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ছিলেন আবদুল্লাহর চেয়ে এক বছরের ছোট; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছিলেন এবং তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানশীল ও মহানুভব। কোনো কোনো আলিম বলেন: আবদুল্লাহ তাঁদেরকে জ্ঞান দ্বারা ধন্য করতেন, আর উবাইদুল্লাহ তাঁদেরকে আহার্য দিয়ে আপ্যায়িত করতেন। আলী ইবনে আবি তালিব তাঁকে ইয়ামেনের গভর্নর নিযুক্ত করেন এবং তাঁকে নির্দেশ প্রদান করেন; ফলে তিনি ৩৬ হিজরী ও ৩৭ হিজরীতে মানুষের হজ্জের ইমামতি করেন। উবাইদুল্লাহ মদীনায় ইন্তেকাল করেন।
আর কুতহাম ইবনে আব্বাস, তাঁর কোনো উত্তরসূরি নেই, তিনি সমরকন্দে শাহাদাত বরণ করেন। তিনি মুয়াবিয়ার শাসনামলে সাঈদ ইবনে উসমানের সাথে অভিযানে গিয়েছিলেন; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তিনি খেলা করছিলেন, তখন তিনি তাঁকে বাহনে তুলে নিয়েছিলেন।
এবং মা’বাদ ইবনে আব্বাস আফ্রিকায় শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন।
আর উম্মে হাবীব বিনতে আব্বাস, তিনি আসওয়াদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবদিল আসাদ ইবনে হিলাল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে মাখযুমকে বিবাহ করেন এবং তাঁর গর্ভে রিযক ও আবদুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের মাতা হলেন উম্মুল ফাদল, তাঁর নাম লুবাবাহ, তিনি হারিস ইবনে হাযন ইবনে বুজাইর ইবনে আল-হাযম ইবনে রুয়াইবাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হিলাল ইবনে আমিরের কন্যা।
এবং হারিস ইবনে আব্বাস, তাঁর মাতা ছিলেন হুযাইল গোত্রের। আর কাসীর ইবনে আব্বাস ছিলেন একজন ফকীহ ও গুণী ব্যক্তি, তাঁর কোনো উত্তরসূরি নেই। এবং তাম্মাম ইবনে আব্বাস ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারকারীদের অন্যতম। তাঁদের মাতা ছিলেন একজন উম্মে ওয়ালাদ। তাম্মামের কোনো উত্তরসূরি ছিল না এবং তিনি ছিলেন একজন সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তি।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وآمنة بنت العباس، لأم ولد؛ الفضل الشاعر ابن عباس بن عتبة ابن أبي لهب.
وصفية بنت العباس، لأم ولد، ولدت محمد بن عبد الله بن أبي مسروح، من بني سعد بن بكر. فهؤلاء ولد العباس بن عبد المطلب لصلبه.
فولد الفضل بن العباس: أم كلثوم بنت الفضل؛ أمها: أم سلمة بنت محمية بن جزء الزبيدي؛ وأمها: جويرية بنت الحويرث بن العنبس بن أهبان بن حذافة بن جمح. ولدت أم كلثوم بنت الفضل لحسن بن علي ابن أبي طالب: محمداً، وجعفراً، وحمزة، وفاطمة، درجوا؛ ثم فارقها؛ فتزوجها أبو موسى الأشعري؛ فولدت له موسى؛ ومات عنها، وجعل لها من ماله شيئاً؛ فتزوجها عمران بن طلحة؛ ففارقها؛ فرجعت إلى دار أبي موسى؛ فماتت؛ فدفنت بظهر الكوفة.
ولد عبد الله بن العباسوولد عبد الله بن العباس: علي بن عبد الله، وكنيته: أبو محمد؛ ولد ليلة قتل علي بن أبي طالب، في شهر رمضان سنة 40؛ فسمي باسمه، وكان أصغر ولد عبد الله سناً؛ وكان أجمل قرشي وأوسمه؛ وتوفي سنة 118؛ والبقية من ولد عبد الله بن العباس في ولده؛ والعباس بن عبد الله، كان أكبر ولده، وبه كان يكنى؛ وكان يقال له " الأعنق "؛ وكان من أجمل ولده؛ وقد روي عنه؛ ولا عقب له؛ ومحمد بن عبد الله؛ وعبيد الله؛ والفضل؛ وعبد الرحمن؛ ولبابة؛ وأمهم: زرعة بنت مشرح بن معدي كرب بن وليعة بن شرحبيل بن معاوية بن حجر القود بن
এবং আমিনা বিনতে আব্বাস, উম্মে ওয়ালাদ থেকে; (তাঁর স্বামী) কবি ফজল ইবনে আব্বাস ইবনে উতবা ইবনে আবু লাহাব।
এবং সাফিয়্যা বিনতে আব্বাস, উম্মে ওয়ালাদ থেকে, তিনি বনু সাদ ইবনে বকর গোত্রের মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু মাসরুহকে জন্ম দেন। এঁরা হলেন আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের ঔরসজাত সন্তান।
অতঃপর ফজল ইবনে আব্বাসের সন্তান হলেন: উম্মে কুলসুম বিনতে ফজল; তাঁর মা হলেন: উম্মে সালামাহ বিনতে মাহমুইয়াহ ইবনে জুয আল-জুবায়দি; এবং তাঁর মা হলেন: জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হুওয়াইরিস ইবনে আল-আনবাস ইবনে আহবান ইবনে হুযাফাহ ইবনে জুমাহ। উম্মে কুলসুম বিনতে ফজল হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিবের ঔরসে মুহাম্মদ, জাফর, হামজা এবং ফাতেমাকে জন্ম দেন, যাঁরা শৈশবে ইন্তেকাল করেন; এরপর তিনি (হাসান) তাঁকে পৃথক করে দেন; অতঃপর আবু মুসা আল-আশআরি তাঁকে বিবাহ করেন এবং তাঁর পক্ষে মুসা জন্মগ্রহণ করেন; তিনি (আবু মুসা) তাঁকে বিধবা করে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর সম্পদের কিছু অংশ তাঁর জন্য অছিয়ত করে যান; এরপর ইমরান ইবনে তালহা তাঁকে বিবাহ করেন এবং পরে তাঁকে পৃথক করে দেন; ফলে তিনি পুনরায় আবু মুসার গৃহে ফিরে আসেন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন; অতঃপর তাঁকে কুফার উপকণ্ঠে দাফন করা হয়।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বংশধরএবং আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সন্তান হলেন: আলী ইবনে আবদুল্লাহ, তাঁর উপনাম (কুনিয়্যাত) আবু মুহাম্মদ; তিনি ৪০ হিজরি সালের রমজান মাসে আলী ইবনে আবি তালিবের শাহাদাতের রাতে জন্মগ্রহণ করেন; ফলে তাঁর নামানুসারেই তাঁর নামকরণ করা হয়, এবং তিনি ছিলেন আবদুল্লাহর সন্তানদের মধ্যে বয়সে সর্বকনিষ্ঠ; তিনি কুরাইশদের মধ্যে সর্বাধিক সুশ্রী ও কান্তিময় ছিলেন; তিনি ১১৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন; আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের অবশিষ্ট বংশধারা তাঁর সন্তানদের মাধ্যমেই প্রবহমান; এবং আব্বাস ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং তাঁর মাধ্যমেই তিনি কুনিয়্যাত (পিতা) গ্রহণ করেছিলেন; তাঁকে "আল-আনাক" বলা হতো; তিনি ছিলেন তাঁর সন্তানদের মধ্যে অন্যতম রূপবান; তাঁর থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তবে তাঁর কোনো উত্তরসূরি ছিল না; এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ; ওবায়দুল্লাহ; ফজল; আবদুর রহমান; এবং লুবাবাহ; তাঁদের মা হলেন: জুরআ বিনতে মিশরাহ ইবনে মাদি কারিব ইবনে ওয়ালিআ ইবনে শুরাহবিল ইবনে মুআবিয়া ইবনে হুজর আল-কাওয়াদ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الحارث الولادة بن عمر بن معاوية بن الحارث بن معاوية بن ثور بن مرتع بن معاوية بن ثور، وهو كندي، ومشرح بن معدي كرب أحد الملوك الأربعة، وهم إخوة: مخوس، وجمد، ومشرح، وأبضعة؛ وأسماء بنت عبد الله، وأمها: أم ولد.
كانت لبابة بنت عبد الله عند علي بن عبد الله بن جعفر، فولدت له؛ ثم خلف عليها إسماعيل بن طلحة بن عبيد الله؛ فولدت له يعقوب؛ ثم فارقها؛ فتزوجها محمد بن عبد الله بن العباس.
وكانت أسماء بنت عبد الله عند عبد الله بن عبيد الله بن العباس؛ فولدت له حسناً وحسيناً.
وولد علي بن عبد الله بن العباس: محمد بن علي أبا الخلائف؛ وأمه: العالية بنت عبيد الله بن العباس بن عبد المطلب، وأمها: عاثية بنت عبد الله، وهو عبد الحجر، ابن عبد المدان بن الديان، من بني الحارث بن كعب؛ وداوود بن علي؛ وعيسى بن علي، لام ولد؛ وسليمان بن علي؛ وصالح بن علي، وهما لأم ولد؛ وأحمد؛ وبشراً؛ ومبشراً، لا عقب لهم؛ وإسماعيل؛ وعبد الصمد، وهم جميعاً لأم ولد؛ وعبد الله الأكبر، لا عقب له، وأمه: أم أبيها بنت عبد الله بن جعفر بن أبي طالب؛ وعبد الله بن علي، لا عقب له، وأمه: امرأة من بني الحريش؛ وعبد الملك بن علي؛ وعثمان؛ وعبد الرحمن؛ وعبد العزيز؛ وإسماعيل الأصغر؛ وعبد الله الأوسط، وهو الأحنف، لا عقب له؛ وهم لأمهات أولاد شتى؛ وفاطمة بنت علي؛ وأم عيسى الكبرى؛ وأم عيسى الصغرى؛ وأميمة؛ ولبابة؛
আল-হারিস আল-বিলাদাহ ইবনে উমর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আল-হারিস ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে সাওর ইবনে মুরতি' ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে সাওর, তিনি কিন্দি গোত্রের; এবং মুশাররাহ ইবনে মা'দি কারিব যিনি চার রাজার একজন ছিলেন, তাঁরা চার ভাই: মাখুস, জামাদ, মুশাররাহ এবং আবদা'আহ; এবং আসমা বিনতে আবদুল্লাহ, যাঁর মা ছিলেন একজন উম্মু ওয়ালাদ।
লুবাবা বিনতে আবদুল্লাহ আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের বিবাহবন্ধনে ছিলেন এবং তিনি তাঁর সন্তানদের জন্ম দেন; অতঃপর ইসমাইল ইবনে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন (তাঁকে বিবাহ করেন) এবং তাঁর গর্ভে ইয়াকুব জন্মগ্রহণ করেন; এরপর তিনি তাঁর থেকে পৃথক হয়ে যান এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস তাঁকে বিবাহ করেন।
আর আসমা বিনতে আবদুল্লাহ ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বিবাহবন্ধনে; তিনি তাঁর গর্ভে হাসান ও হুসাইনকে জন্ম দেন।
আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সন্তানগণ হলেন: মুহাম্মদ ইবনে আলী, যিনি খলিফাদের পিতা; তাঁর মা আল-আলিয়া বিনতে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব, আর তাঁর (আল-আলিয়ার) মা আতিয়া বিনতে আবদুল্লাহ—যিনি আবদে হাজার—ইবনে আবদে মাদানি ইবনে দাইয়ান, তিনি বনু হারিস ইবনে কাব গোত্রের; এবং দাউদ ইবনে আলী; এবং ঈসা ইবনে আলী, যিনি একজন উম্মু ওয়ালাদের গর্ভজাত; এবং সুলাইমান ইবনে আলী ও সালিহ ইবনে আলী, তাঁরা উভয়েই উম্মু ওয়ালাদের সন্তান; এবং আহমদ, বিশর ও মুবাশশির, যাঁদের কোনো বংশধর নেই; এবং ইসমাইল ও আবদুস সামাদ, তাঁরা সকলেই উম্মু ওয়ালাদের সন্তান; এবং আবদুল্লাহ আল-আকবার, যাঁর কোনো বংশধর নেই এবং তাঁর মা হলেন উম্মু আবিহা বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব; এবং আবদুল্লাহ ইবনে আলী, যাঁর কোনো বংশধর নেই এবং তাঁর মা বনু হারিশ গোত্রের এক নারী; এবং আবদুল মালিক ইবনে আলী, উসমান, আবদুর রহমান, আবদুল আজিজ, ইসমাইল আল-আসগার এবং আবদুল্লাহ আল-আওসাত—যিনি আল-আহনাফ নামে পরিচিত, যাঁর কোনো বংশধর নেই; তাঁরা বিভিন্ন উম্মু ওয়ালাদগণের গর্ভজাত; এবং ফাতিমা বিনতে আলী, উম্মু ঈসা আল-কুবরা, উম্মু ঈসা আস-সুগরা, উমাইমা ও লুবাবা।
(খণ্ড: ১)
নাসাবু কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وبريهة الكبرى؛ وبريهة الصغرى؛ وميمونة؛ وأم علي والغالية، بنات علي، لأمهات أولاد شتى؛ وأم حبيب بنت علي، وأمها: أم أبيها بنت عبد الله ابن جعفر بن أبي طالب. كانت أم عيسى الصغرى بنت عل عند عبد الله بن الحسين بن عبد الله بن عبيد الله بن العباس فلم تلد له شيئاً؛ وهلك عنها؛ فورثته مع عصبته. وكانت أميمة بنت علي عند يحيى بن جعفر بن تمام بن العباس بن عبد المطلب؛ فلم تلد له شيئا. وكانت لبابة بنت علي عند عبيد الله بن قثم بن العباس بن عبيد الله بن العباس؛ فولدت له محمدا، درج، وبريهة؛ فتزوج بريهة بنت عبيد الله بن قثم جعفر بن أبي جعفر المنصور أمير المؤمنين، وهو جعفر الأصغر، الذي يدعى ابن الكردية.
وأما سائر بنات علي، فلم يتزوجن. وكانت فاطمة بنت علي أسنهن وأفضلهن وأجزلهن؛ وكان إخوتها أبو العباس وأبو جعفر وغيرهما يكرمونها ويعظمونها ويبجلونها لحزمها وعقلها ورأيها. فولد محمد بن علي: أبا العباس عبد الله بن محمد أمير المؤمنين؛ وأمه: ريطة بنت عبيد الله بن عبد الله، كان يقال له عبد الحجر، ابن عبد المدان بن الديان ابن قطن بن زياد بن الحارث بن مالك بن ربيعة بن كعب بن الحارث بن كعب ابن عمرو بن علة بن جلد؛ كانت، قبل أن يتزوجها محمد، عند عبد الله بن عبد الملك بن مروان؛ ويحيى بن محمد؛ والعالية، أمهما: أم الحكم بنت عبد الله ابن الحارث بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب وعبد الله بن الحارث الذي "
বড় বুরাইহা; ছোট বুরাইহা; মাইমুনা; উম্মে আলী এবং আল-গালিয়া; তারা আলীর কন্যা, যারা বিভিন্ন উম্মু ওয়ালাদ (দাসী মাতা) থেকে জন্মগ্রহণ করেছেন। এবং আলীর কন্যা উম্মে হাবীব, তার মা হলেন: উম্মে আবিহা বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব। ছোট উম্মে ঈসা বিনতে আলী, আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আল-আব্বাসের বিবাহবন্ধনে ছিলেন, তবে তার কোনো সন্তান হয়নি; স্বামী তাকে রেখে মারা যান; অতঃপর তিনি তার আসাবাদের (পিতার দিককার আত্মীয়) সাথে মীরাস লাভ করেন। এবং উমামা বিনতে আলী, ইয়াহইয়া ইবনে জাফর ইবনে তাম্মাম ইবনে আল-আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের বিবাহবন্ধনে ছিলেন; তার কোনো সন্তান হয়নি। এবং লুবাবা বিনতে আলী, উবাইদুল্লাহ ইবনে কুসাম ইবনে আল-আব্বাস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আল-আব্বাসের বিবাহবন্ধনে ছিলেন; তিনি তার গর্ভে মুহাম্মদ—যিনি অল্প বয়সে মারা যান—এবং বুরাইহাকে জন্ম দেন। অতঃপর উবাইদুল্লাহ ইবনে কুসামের কন্যা বুরাইহাকে আমীরুল মুমিনীন আবু জাফর আল-মনসুরের পুত্র জাফর বিবাহ করেন, তিনি হলেন ছোট জাফর, যাকে ইবনুল কুর্দিয়্যাহ বলা হতো।
আর আলীর অবশিষ্ট কন্যারা বিবাহ করেননি। আলীর কন্যা ফাতিমা ছিলেন তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ, সর্বোত্তম এবং সর্বাধিক মর্যাদাবান ও প্রজ্ঞাবান; তার ভাই আবু আব্বাস, আবু জাফর এবং অন্যরা তার দৃঢ়তা, বুদ্ধি ও সুচিন্তিত মতামতের কারণে তাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদা প্রদান করতেন। মুহাম্মদ ইবনে আলী জন্ম দেন: আবুল আব্বাস আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদকে, যিনি আমীরুল মুমিনীন; তার মা হলেন: রাইতা বিনতে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ—যাকে আব্দুল হাজার বলা হতো—ইবনে আব্দুল মাদান ইবনে আদ-দাইয়্যান ইবনে কাতান ইবনে যিয়াদ ইবনে আল-হারিস ইবনে মালিক ইবনে রাবিয়া ইবনে কাব ইবনে আল-হারিস ইবনে কাব ইবনে আমর ইবনে ইল্লাহ ইবনে জালদ; মুহাম্মদ তাকে বিবাহ করার পূর্বে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের বিবাহবন্ধনে ছিলেন; এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ; ও আল-আলিয়া, তাদের উভয়ের মা হলেন: উম্মুল হাকাম বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নাওফাল ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস যিনি