(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: -)
من حديث عبد الصمد الطستي (عبد الصمد الطستي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: من حديث عبد الصمد الطستي
المؤلف: أَبُو الحُسَيْنِ عَبْدُ الصَّمَدِ بنُ عَلِيِّ بنِ مُحَمَّدِ بنِ مُكْرمٍ البَغْدَادِيُّ، الطَّسْتِيُّ، الوَكِيْلُ (ت 346هـ)
[الكتاب مرقم آليا]
عدد الصفحات: 19
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আব্দুস সামাদ আল-তাস্তির হাদিস থেকে (আব্দুস সামাদ আল-তাস্তি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আব্দুস সামাদ আল-তাস্তির হাদিস থেকে
লেখক: আবুল হুসাইন আব্দুস সামাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন মুকরম আল-বাগদাদী, আল-তাস্তি, আল-ওয়াকিল (মৃত্যু ৩৪৬ হিজরি)
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বরকৃত]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১)
1 - عَنْ أَبَانَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جُبَيْرٍ بْنِ نُعَيْمٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: رَأَيْتُهُ فِي عُنُقِهِ مَخْلاةً يَتَّبِعُ الصُّوفَةَ، وَالشَّيْءَ يُخْرِجُهُ مِنَ الْمَسْجِدِ، وَيَقُولُ: يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، يَقُولُ: «إِخْرَاجُهَا حَسَنَةٌ، وَقَذْفُهَا خَطِيئَةٌ، وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا»
১ - আবান থেকে বর্ণিত, তিনি আশ-শা'বী থেকে, তিনি জুবাইর ইবনে নুআইম থেকে এবং তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাঁকে দেখলাম তাঁর গলায় একটি ঝুলি ঝুলছে, তিনি পশমের টুকরো বা এমন কিছু তালাশ করে তা মসজিদ থেকে বের করে দিচ্ছেন এবং বলছেন: হে মুসলিম সম্প্রদায়! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “তা (মসজিদ থেকে ময়লা) বের করা নেকি, তা (মসজিদে) নিক্ষেপ করা গুনাহ এবং এর কাফফারা হলো তা পুঁতে ফেলা।”
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ২)
2 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاةِ، فَلا يَتْفِلَنَّ أَمَامَهُ، وَلا عَنْ يَمِينِهِ، وَلَكِنْ عَنْ يَسَارِهِ، أَوْ تَحْتَ قدَمِهِ الْيُسْرَى، فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ عز وجل»
২ - কাতাদাহ হতে বর্ণিত, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাকে, তখন সে যেন তার সামনে কিংবা তার ডান দিকে থুতু না ফেলে; বরং তার বাম দিকে অথবা তার পায়ের বাম দিকের নিচে (ফেলবে)। কেননা সে তার মহান ও পরাক্রমশালী রবের সাথে সংগোপনে কথোপকথন করে।”
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৩)
3 - عَنْ أَبَانَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ مَوْلًى لأَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّ عُمَرَ بَعَثَ حَبِيبَ بْنَ مَسْلَمَةَ فِي بَعْضِ المَتَاعِبِ، فَأَتَى أَبَا الدَّرْدَاءِ لِيُسَلِّمَ عَلَيْهِ، فَانْطَلَقَ أَبُو الدَّرْدَاءِ يُشَيِّعُهُ، فَمَشَى مَعَهُ مَا شَاءَ اللَّهُ عز وجل، فَقِيلَ لَهُ: لَوْ رَجَعْتَ يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ، فَقَدْ أَبْلَغْتَ فِي التَّشْيِيعِ، فَقَالَ: أَوْصِنِي؟ فَقَالَ: أُوصِيكَ بِتَقْوَى اللَّهِ، وَالْمُحَافَظَةِ عَلَى الصَّلَوَاتِ، وَأَنْ تُصَلِّيهِنَّ لِمَوَاقِيتِهِنَّ، وَتُصَلِّي كُلَّ صَلاةٍ وَأَنْتَ تَرَى أَنَّهَا آَخِرُ صَلاةٍ تُصَلِّيهَا، وَإِيَّاكَ وَدَعْوَةَ الْمَظْلُومِ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: " إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا ظُلِمَ فَلَمْ يُنْصَرْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ مَنْ يُبَصِّرُهُ فَرَفَعَ طَرَفَهُ إِلَى السَّمَاءِ، فَدَعَا رَبَّهُ عز وجل لَبَّاهُ، فَقَالَ: لَبَّيْكَ عَبْدِي، أَنَا أَنْصُرُكَ عَاجِلا وَآجِلا "
৩ - আবান থেকে বর্ণিত, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.)-এর জনৈক আযাদকৃত দাসের সূত্রে বর্ণনা করেন যে, উমর (রা.) হাবীব ইবনে মাসলামাহ-কে কোনো এক অভিযানে প্রেরণ করলেন। এরপর তিনি (হাবীব) আবু দারদার কাছে আসলেন তাঁকে সালাম দেওয়ার জন্য। আবু দারদা তাঁকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য রওনা হলেন এবং মহান আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুক্ষণ তাঁর সাথে হাঁটলেন। তাঁকে বলা হলো, "হে আবু দারদা, আপনি যদি এখন ফিরে যেতেন, তবে আপনি এগিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট করেছেন।" তিনি (হাবীব) বললেন, "আমাকে কিছু উপদেশ দিন।" তিনি বললেন, "আমি তোমাকে আল্লাহভীতি (তাকওয়া) এবং সালাতসমূহের হিফাযত করার উপদেশ দিচ্ছি, আর তুমি যেন সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করো। এবং প্রতিটি সালাত এমনভাবে আদায় করো যেন তুমি মনে করো এটাই তোমার শেষ সালাত। আর মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থেকো, কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই বান্দা যখন জুলুমের শিকার হয় এবং তাকে সাহায্য করা হয় না, আর তার এমন কেউ থাকে না যে তাকে সঠিক পথ দেখাবে, তখন সে আকাশের দিকে তার দৃষ্টি উত্তোলন করে এবং তার মহান রবকে ডাকে; তখন তিনি (আল্লাহ) তার ডাকে সাড়া দেন এবং বলেন: 'হে আমার বান্দা, আমি তোমার ডাকে সাড়া দিচ্ছি; আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করব, এখনই হোক কিংবা ভবিষ্যতে'।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৪)
4 - عَنْ أَبَانَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكَ وَالالْتِفَاتَ فِي الصَّلاةِ، فَإِنَّ الالْتِفَاتَ فِي الصَّلاةِ هَلَكَةٌ، فَإِنْ كَانَ لا بُدَّ فَفِي التَّطَوُّعِ لا فِي الْفَرِيضَةِ»
৪ - আবান হতে বর্ণিত, আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সালাতে এদিক-ওদিক তাকানো হতে সাবধান থেকো, কেননা সালাতে এদিক-ওদিক তাকানো হলো ধ্বংসাত্মক। যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, তবে তা নফল সালাতে হতে পারে, ফরজ সালাতে নয়।»
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৫)
5 - عَنْ أَبَانَ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، كَانَ يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ: " رَبِّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، رَبِّ عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَفِي سُجُودِهِ: رَبِّ لَكَ سَجَدْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَأَنْتَ رَبِّي، عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ "
৫ - আবান থেকে, তিনি আবুল জাওযা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন তাঁর রুকুতে: "হে আমার প্রতিপালক, আপনার জন্যই আমি রুকু করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি, হে আমার প্রতিপালক, আপনার ওপরই আমি ভরসা করেছি।" এবং তাঁর সিজদায়: "হে আমার প্রতিপালক, আপনার জন্যই আমি সিজদা করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি এবং আপনিই আমার প্রতিপালক, আপনার ওপরই আমি ভরসা করেছি।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৬)
6 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، كَانَ يَقُولُ فِي سُجُودِهِ: «سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلائِكَةِ وَالرُّوحِ»
৬ - কাতাদা থেকে, মুতাররিফ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাজদাহ্তে বলতেন: "পুত-পবিত্র, অতিশয় মহিমান্বিত, ফেরেশতাকুল এবং রূহের প্রতিপালক।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৭)
7 - عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَمَّا فُرِضَتْ عَلَيَّ الصَّلاةُ الْفَرِيضَةُ، فُرِضَتْ عَلَيَّ خَمْسُونَ صَلاةً فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، فَأَتَيْتُ عَلَى مُوسَى» ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
৭ - আবু হারুন আল-আবদী থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন আমার ওপর ফরয সালাত অর্পণ করা হয়েছিল, তখন প্রতি দিন ও রাতে আমার ওপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছিল, অতঃপর আমি মূসার নিকট আসলাম», এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৮)
8 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ: كَانَ " إِذَا غَابَتِ الشَّمْسُ يُقْسِمُ بِاللَّهِ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ أَنَّ هَذِهِ السَّاعَةَ لَوَقْتُ هَذِهِ الصَّلاةِ، ثُمَّ يَقْرَأُ: {أَقِمِ الصَّلاةَ لِدُلُوكِ الشَّمْسِ} [الإسراء: 78] ، وَكَانَ يُفْطِرُ عِنْدَهَا إِذَا كَانَ صَائِمًا "
৮ - কাতাদাহ হতে বর্ণিত, তিনি উকবাহ ইবনে আবদিল গাফির হতে, তিনি আবু উবাইদাহ ইবনে আবদিল্লাহ ইবনে মাসউদ হতে বর্ণনা করেন যে, ইবনে মাসউদ: " যখন সূর্য অস্ত যেত, তখন তিনি সেই আল্লাহর নামে শপথ করতেন যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই যে, নিশ্চয়ই এই সময়টিই হলো এই নামাজের ওয়াক্ত, তারপর তিনি পাঠ করতেন: {কায়েম করো নামাজ সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে} [আল-ইসরা: ৭৮], আর তিনি রোজা রাখা অবস্থায় থাকলে তখন সেই সময়েই ইফতার করতেন।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ৯)
9 - أَخْبَرَنِي أَبُو سَهْلٍ السَّرِيُّ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ، قَالَ: كَانُوا «يُصَلُّونَ الْمَغْرِبَ، ثُمَّ يَنْتَضِلُونَ»
৯ - আবু সাহল আস-সারী ইবন সাহল আমাকে অবহিত করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তাঁরা মাগরিবের সালাত আদায় করতেন, অতঃপর তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা করতেন»
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১০)
10 - عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَنْ تَزَالَ أُمَّتِي عَلَى الْفِطْرَةِ مَا لَمْ يَنْتَظِرُوا بِالْمَغْرِبِ طُلُوعَ النَّجْمِ»
১০ - হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার উম্মত ততক্ষণ পর্যন্ত ফিতরাতের ওপর থাকবে, যতক্ষণ না তারা মাগরিবের নামাজের জন্য তারকা উদিত হওয়ার অপেক্ষা করবে»
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১১)
11 - عَنْ أَبَانَ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَنْ تَزَالَ هَذِهِ الأُمَّةُ عَلَى الْفِطْرَةِ مَا لَمْ تَكُنْ الخِلافَةُ مُلْكًا، وَالصَّدَقَةُ مَغْرمًا، وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا، وَلَمْ يَنْتَظِرُوا بِصَلاةِ الْمَغْرِبِ طُلُوعَ النَّجْمِ»
১১ - আবান হতে, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনী হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «এই উম্মত ততক্ষণ পর্যন্ত ফিতরাতের (স্বভাবজাত দ্বীনের) ওপর থাকবে, যতক্ষণ না খিলাফত রাজতন্ত্রে পরিণত হয়, সদকাকে জরিমানা গণ্য করা হয় এবং আমানতকে লুটের মাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়; আর তারা মাগরিবের সালাতের জন্য নক্ষত্র উদিত হওয়ার অপেক্ষা না করে।»
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১২)
12 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَقْتُ الظُّهْرِ إِلَى الْعَصْرِ، وَوَقْتُ الْعَصْرِ إِلَى الْمَغْرِبِ، وَوَقْتُ الْمَغْرِبِ إِلَى الْعِشَاءِ، وَوَقْتُ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ، وَوَقْتُ الْفَجْرِ إِلَى طُلُوعِ الشَّمْسِ»
১২ - কাতাদা থেকে, আবু আইয়ুব থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যোহরের ওয়াক্ত আসর পর্যন্ত, আসরের ওয়াক্ত মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের ওয়াক্ত এশা পর্যন্ত, এশার ওয়াক্ত মধ্যরাত পর্যন্ত এবং ফজরের ওয়াক্ত সূর্যোদয় পর্যন্ত।»
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
13 - عَنْ أَبَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ رَآهُمْ أَخَّرُوا الصَّلاةَ، فَقَالَ: قَدْ فَعَلُوهَا، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «سَيَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يُؤَخِّرُونَ الصَّلاةَ عَنْ وَقْتِهَا، فَإِذَا أَخَّرُوهَا عَنْ وَقْتِهَا فَصَلُّوا أَنْتُمْ لِوَقْتِهَا، وَاجْعَلُوا صَلاتَكُمْ مَعَهُمْ سُبْحَةً» ، ثُمَّ دَخَلَ يَعْنِي عَلَى أَهْلِهِ، فَدَخَلُوا عَلَيْهِ، فَقَالُوا: إِنَّكَ قَدْ قُلْتَ الْيَوْمَ كَذَا وَكَذَا؟ قَالَ: نَعَمْ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «سَيَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يَحِيفُونَ الصَّلاةَ، صَلاتُهُمْ صَلاةُ الْحَمِيرِ»
১৩ - আবান থেকে বর্ণিত, তিনি ইব্রাহীম আন-নাখায়ী থেকে, তিনি আলকামা ইবন কায়স থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনু মাসউদ তাদেরকে নামাজ বিলম্বিত করতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: তারা তা করে ফেলেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অচিরেই তোমাদের ওপর এমন সব শাসক আসবে যারা নামাজকে তার (সঠিক) সময় থেকে বিলম্বিত করবে। সুতরাং তারা যখন নামাজকে তার সময় থেকে বিলম্বিত করবে, তখন তোমরা সময়মতো তোমাদের নামাজ পড়ে নেবে এবং গণ্য করবে তাদের সাথে তোমাদের নামাজকে নফল হিসেবে।” এরপর তিনি প্রবেশ করলেন—অর্থাৎ তার পরিবারের নিকট। তখন তারা তার কাছে এসে বললেন: আপনি আজ এমন এমন কথা বলেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “অচিরেই তোমাদের ওপর এমন সব শাসক আসবে যারা নামাজের হক নষ্ট করবে, তাদের নামাজ হবে গাধাদের নামাজের মতো।”
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
14 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ «النَّوْمِ قَبْلَ الْعِشَاءِ، وَالْحَدِيثِ بَعْدَهَا»
১৪ - কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আবু বারযাহ আল-আসলামী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «এশার আগে ঘুমানো এবং এরপর কথাবার্তা বলা» থেকে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
15 - عَنْ أَبَانَ، قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فَقَالَتْ: إِنِّي أنَامُ قَبْلَ الْعِشَاءِ، فَقَالَ: " لا تَنَامِي، فَإِنَّ هَذِهِ الآَيَةَ نَزَلَتْ فِي الَّذِينَ لا يَنَامُونَ قَبْلَ الْعِشَاءِ الآَخِرَةِ: {تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ} [السجدة: 16] "
১৫ - আবান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক নারী আনাস বিন মালিকের নিকট আসলেন এবং বললেন: আমি এশার সালাতের পূর্বে ঘুমিয়ে পড়ি। তখন তিনি বললেন: "তুমি ঘুমাবে না, কারণ এই আয়াতটি তাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে যারা শেষ এশার সালাতের পূর্বে ঘুমায় না: {তাদের পার্শ্বদেশসমূহ শয্যা ত্যাগ করে} [আস-সাজদাহ: ১৬]"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
16 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، حَتَّى إِذَا كَانَ فِي وَجْهِ الصُّبْحِ، فَإِذَا هُوَ بِمُنَادٍ، يَقُولُ: اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَى الْفِطْرَةِ هَذَا» ، ثُمَّ قَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، قَالَ: «بَرِيءَ هَذَا مِنَ الشِّرْكِ» ، قَالَ: أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ: «خَرَجَ هَذَا مِنَ النَّارِ» ، قَالَ: حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ظَهَرَ الإِسْلامُ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ» ، ثُمَّ قَالَ: قَدْ قَامَتِ الصَّلاةُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ هَذَا لَصَاحِبُ صَيْدٍ أَوْ رَاعٍ مُبْتَدِئٌ بِأَهْلِهِ» ، قَالَ: فَانْطَلَقَ الْقَوْمُ يُوضَعُونَ، فَإِذَا هُمْ بِرَجُلٍ مُبْتَدِئٍ بِأَهْلِهِ، فَبَشَّرُوهُ بِمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৬ - কাতাদাহ থেকে, আবুল আহওয়াস থেকে, ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক সফরে ছিলেন; যখন ভোরের প্রাক্কাল হলো, তখন হঠাৎ তিনি এক আহ্বানকারীকে বলতে শুনলেন: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এ ব্যক্তি ফিতরাতের (স্বভাবজাত দ্বীনের) ওপর রয়েছে।" এরপর সে বলল: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি বললেন: "এ ব্যক্তি শিরক থেকে মুক্ত হলো।" সে বলল: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: "এ ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেল।" সে বলল: নামাযের দিকে এসো, সফলতার দিকে এসো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "কাবার রবের কসম, ইসলাম বিজয়ী হয়েছে।" এরপর সে বলল: নামায দাঁড়িয়ে গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি কোনো শিকারি অথবা এমন কোনো মেষপালক যে তার পরিবার নিয়ে নির্জনে অবস্থান করছে।" বর্ণনাকারী বলেন: এরপর লোকেরা দ্রুত অগ্রসর হলো। অতঃপর তারা এমন এক ব্যক্তিকে দেখতে পেল যে তার পরিবার নিয়ে নির্জনে অবস্থান করছে। তখন তারা তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন সেই সুসংবাদ প্রদান করল।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
17 - عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُسْتَقْبَلَ بِالْغَائِطِ القِبْلَةُ، وَقَالَ: «شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا» ، قَالَ: فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ، فَقَدِمْنَا الشَّامَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ قَدْ صُنِعَتْ لِلْقِبْلَةِ، فَكُنَّ نَنْحَرِفُ، وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ
১৭ - মা'মার থেকে, যুহরীর সূত্রে, তাঁর নিকট বর্ণনাকারীর বরাতে বর্ণিত যে, আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রা.) বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন যেন মলত্যাগের সময় কিবলার মুখোমুখি হওয়া না হয় এবং তিনি বলেছেন: "তোমরা পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে মুখ করো।" আবু আইয়ুব (রা.) বলেন: অতঃপর আমরা শাম দেশে আসলাম এবং এমন সব শৌচাগার দেখতে পেলাম যা কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে আমরা কিছুটা পাশ ফিরে থাকতাম এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
18 - عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآَيَةُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: {إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ} [البقرة: 222] ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا مَعْشَرَ الأَنْصَارِ، إِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ أَحْسَنَ عَلَيْكُمْ الثَّنَاءَ فِي الطُّهْرِ، فَمَا تَصْنَعُونَ؟» ، قَالُوا: نَغْسِلُ الْقُبُلَ وَالدُّبُرَ، قَالَ: " فَاثْبُتُوا، أَوْ قَالَ: عَلَيْكُمْ بِهِ "
১৮ - কাতাদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন} [আল-বাকারা: ২২২], তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আনসার সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ পবিত্রতার বিষয়ে তোমাদের অত্যন্ত সুন্দর প্রশংসা করেছেন, সুতরাং তোমরা কী করো?» তারা বললেন: "আমরা সম্মুখ ও পশ্চাৎপথ ধৌত করি।" তিনি বললেন: "তোমরা এর ওপর অবিচল থাকো," অথবা তিনি বললেন: "তোমাদের জন্য এটিই আবশ্যক।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবদিস সামাদ আত-তাসাতি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
19 - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ لِلنِّسَاءِ: «مُرْنَ أَزْوَاجَكُنَّ فَلْيَغْسِلُوا عَنْهُمْ أَثَرَ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ، فَإِنِّي أَسْتَحْيِيهِمْ، وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْعَلُهُ»
১৯ - কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি মুআযাহ আল-আদাবিয়্যাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মহিলাদের বলেছিলেন: «তোমরা তোমাদের স্বামীদের নির্দেশ দাও যাতে তারা নিজেদের থেকে প্রস্রাব ও পায়খানার চিহ্ন ধুয়ে ফেলে; কেননা আমি তাদের (এ কথা বলতে) লজ্জা বোধ করি। আর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা করতে দেখেছি।»