(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: -)
معجم أصحاب القاضي أبي علي الصدفي   (ابن الأبار)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: معجم أصحاب القاضي أبي علي الصدفي

المؤلف: ابن الأبار، محمد بن عبد الله بن أبي بكر القضاعي البلنسي (ت 658هـ)

الناشر: مكتبة الثقافة الدينية - مصر

الطبعة: الأولى، 1420 هـ - 2000 م

عدد الصفحات: 324

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুজাম আসহাব আল-কাদি আবি আলি আস-সাদাফি   (ইবনুল আব্বার)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: মুজাম আসহাব আল-কাদি আবি আলি আস-সাদাফি

লেখক: ইবনুল আব্বার, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর আল-কুদায়ি আল-বালানসি (মৃত্যু ৬৫৮ হিজরি)

প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাকাফাহ আদ-দিনিইয়াহ - মিশর

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২৪

[বইটির নম্বরকরণ মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم

‌‌اللهم صلي على محمد وعلى آل محمد رب يسر برحمتك

قال الفقيه المتحدث الْحَافِلُ الضَّابِطُ النَّاقِدُ الْبَارِعُ الْفَاضِلُ الْكَامِلُ أَبُو عبد الله محمد بن عبد الله ابن أَبِي بَكْرٍ الْقُضَاعِيُّ شُهِرَ بِابْنِ الأَبَّارِ رحمه الله الحمد لله ولي الإيجاد والإنجاد وصلواته على محمد رسوله الذي خصت أمته بالإسناد وعمت دعوته التمايم إلى النجاد وعلى آله وأصحابه أمجاد الصفوة وصفوة الأمجاد وبعد فهو لا الرواة عن القاضي أبي علي بن سكرة الصدفي السرقسطي ويعرف بابن الدّراج سموت إلى جمع اسمايهم وأبيات عن مكانهم بما أمكن ذكره من أبنايهم سباهياً بهم وبعصرهم ومناغياً أبا الفضل بن عياض في جمع شيوخه وحصرهم ولا غرو نحوه في المعجم الذي صنع نحوت وفوز قدحي بإخلاص كرّحى رجوت ليكون هذا لذلك تتمه وليهون الوقوف منها عليهم موتمين وأيمّة وهم بين صاحب في الأخذ عنه راغب وتلميذ على السماع منه راتب ومن شيوخه من شذ واعتقده في وقته الفذ فكتب من روايته وخصّه بحظ من عنايته ذلك لاختصاصه بقربة هي ما هي ورتبة في العدالة بلغت التناهي وقد ذكره أبو القاسم بن عساكر في تاريخه لدخوله الشام ونص عليه في بابه علماً يناصي الأعلام وبعد أن
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন; হে রব, আপনার রহমতের উসিলায় সহজ করে দিন।

ফকিহ, মুহাদ্দিস, বহুদর্শী সংগ্রাহক, সূক্ষ্ম ধারক, দক্ষ সমালোচক, মহৎ ও পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর আল-কুদায়ি—যিনি ইবনুল আব্বার নামে পরিচিত, আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—বলেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি অস্তিত্ব দান ও সাহায্যের মালিক। তাঁর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর রাসুল মুহাম্মাদের ওপর, যাঁর উম্মতকে বিশেষায়িত করা হয়েছে ইসনাদ (বর্ণনা পরম্পরা) দ্বারা এবং যাঁর দাওয়াত সমুদ্রের কবচ থেকে পাহাড়ের উচ্চতা পর্যন্ত সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয়েছে; আর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর বংশধর ও সাহাবীদের ওপর, যাঁরা মনোনীতদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং শ্রেষ্ঠদের মধ্যে মনোনীত। অতঃপর, এটি হলো কাজি আবু আলী বিন সুকরা আস-সালাফি আস-সারাগোস্তি—যিনি ইবনুদ্ দাররাজ নামে পরিচিত—তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের একটি তালিকা। আমি তাঁদের নাম, তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে কিছু পঙক্তি এবং তাঁদের সন্তানদের মধ্য হতে যাদের কথা উল্লেখ করা সম্ভব হয়েছে, তা একত্রিত করার সংকল্প করেছি। আমি তাঁদের ও তাঁদের যুগের প্রতি গর্ব প্রকাশ করছি এবং আবুল ফজল বিন আয়াজ যেভাবে তাঁর উস্তাদদের তালিকা সুসংহত করেছেন, সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করছি। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই যে, তিনি যে 'মু'জাম' (সংকলন) তৈরি করেছেন, আমি সেই পথই অনুসরণ করেছি এবং ইখলাসের সাথে আমার এই প্রচেষ্টায় সফল হওয়ার আশা রাখি; যেন এটি তাঁর সেই কাজের একটি পরিশিষ্ট হয় এবং এর মাধ্যমে সেই সব অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব ও ইমামদের সম্পর্কে অবগত হওয়া সহজ হয়। তাঁদের মধ্যে কেউ তাঁর থেকে ইলম গ্রহণে আগ্রহী সঙ্গী ছিলেন, আবার কেউ তাঁর নিকট হতে শ্রবণকারী নিয়মিত ছাত্র ছিলেন। তাঁর উস্তাদদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন যিনি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন এবং নিজ সময়ে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হতেন; তাই তিনি (ইবনুদ্ দাররাজ) তাঁর বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এর কারণ ছিল তাঁর এমন এক বিশেষ নৈকট্য এবং বিশ্বস্ততার (আদালাত) এমন এক মর্যাদা, যা চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছিল। আবুল কাসিম বিন আসাকির শাম (সিরিয়া) দেশে তাঁর প্রবেশের কারণে তাঁর ইতিহাসে (তারিখে) তাঁকে উল্লেখ করেছেন এবং স্বীয় অধ্যায়ে তাঁকে এমন একজন দিকপাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন যিনি সমসাময়িক শ্রেষ্ঠদের সমতুল্য। এরপর...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٦)
استقرت به النوى واستمرت أفادته بما قيد وروى رقعته ملوك أوانه وشفعته في مطالب أخوانه فأوسعته رعياً وحسنت فيه رأياً ومن أبنائهم من جعل يقصده لسماع ما يسنده وعلى وقاره الذي به كان يعرف ندر له مع بعضهم ما يستطرف وهو أن فتى منهم يسمى يوسف لازم مجلسه معطراً رايحته ومنظفاً ملبسه ثم غاب لمرض قطعه أو شغل منعه ولما فرغ أو أبل عاود ذلك النادي المبارك والمحل وقبل أفضايه إليه دل طيبه عليه فقال الشيخ على تراهته عن المجون وسلامته من الفتون أني لا أجد ريح يوسف لولا أن تفندون ثم ختمت مساعيه الصالحة بالشهادة فسعدت وفاته سعادة الولادة وجمعت له حدسة السنن بين الحسني وزيادة وهال ما اعتمدته على الحروف منسوقاً وبحسب التقدم في الممات والتأخر مسوقاً والله يسعدنا بالتواب ويرشدنا للصواب أنه المنان الكريم وأنه الرحمن الرحيم.

 

‌‌حَرْفُ الأَلِفِ

‌‌مَنِ اسْمُهُ أَحْمَدُ

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نُمَارَةَ الْحَجَرِيُّ بِفَتْحِ الْجِيمِ مِنْ وَلَدِ أَوْسِ بْنِ حَجَرٍ الشَّاعِرِ أَبُو الْعَبَّاسِ مِنْ أَهْلِ بَلَنْسِيَةَ يَرْوِي
তাঁর গন্তব্য স্থির হলো এবং তাঁর লিপিবদ্ধ ও বর্ণিত বিষয়ের মাধ্যমে তিনি অন্যদের উপকৃত করা অব্যাহত রাখলেন। তাঁর সমসাময়িক রাজন্যবর্গ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন এবং তাঁর ভাইদের বিভিন্ন প্রয়োজনে তাঁর সুপারিশ গ্রহণ করতেন। তাঁরা তাঁকে যথেষ্ট সমাদর করতেন এবং তাঁর সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করতেন। তাঁদের সন্তানদের মধ্যে এমন অনেকে ছিল যারা তাঁর বর্ণিত হাদীস ও জ্ঞান শ্রবণ করার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছে আসত। তাঁর যে সুপরিচিত গাম্ভীর্য ছিল, তা সত্ত্বেও তাঁদের কারো কারো সাথে তাঁর একটি চমৎকার কৌতুকপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল; আর তা হলো, ইউসুফ নামে তাঁদের এক যুবক সুগন্ধি মেখে ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে নিয়মিত তাঁর মজলিসে উপস্থিত হতো। অতঃপর কোনো অসুস্থতা বা কোনো ব্যস্ততার কারণে সে কিছুকাল অনুপস্থিত থাকে। যখন সে অবসর হলো অথবা রোগমুক্ত হলো, তখন সে পুনরায় সেই বরকতময় মজলিস ও স্থানে ফিরে এল। সে তাঁর কাছে পৌঁছানোর আগেই তার সুগন্ধি তার আগমনের জানান দিল। তখন শাইখ—অসারতা ও চপলতা থেকে তাঁর পবিত্রতা এবং ফিতনা থেকে বিমুক্ত থাকা সত্ত্বেও—বললেন: "আমি তো ইউসুফের ঘ্রাণ পাচ্ছি, যদি তোমরা আমাকে অপ্রকৃতিস্থ না ভাবো।" অতঃপর শাহাদাতের মাধ্যমে তাঁর নেক আমলসমূহ সমাপ্ত হলো, ফলে তাঁর মৃত্যু জন্মের মতোই সৌভাগ্যমণ্ডিত হলো এবং তাঁর জন্য সুন্নাতের অনুসরণে সর্বোত্তম প্রতিদান ও অতিরিক্ত নেয়ামত একত্রিত হলো। আর আমি বর্ণানুক্রমিকভাবে যা বিন্যস্ত করেছি এবং মৃত্যুর অগ্র-পশ্চাৎ সময় অনুযায়ী যা সাজিয়েছি তা অত্যন্ত চমৎকার। আল্লাহ যেন আমাদের সওয়াবের মাধ্যমে ধন্য করেন এবং সঠিক পথের দিশা দেন; নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা ও মহানুভব, এবং তিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।

 

‌‌আলিফ বর্ণ

‌‌যাঁদের নাম আহমাদ

আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে নুমারা আল-হাজারী (জিম অক্ষরে জবর সহ), তিনি কবি আওস ইবনে হাজারের বংশধর, উপনাম আবুল আব্বাস, তিনি বালানসিয়ার অধিবাসী ছিলেন; তিনি বর্ণনা করেন—
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٧)
عَنْ أَبِي عَلِيٍّ وَلَهُ أَيْضًا رِوَايَةٌ عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ الْوَقَّشِيِّ وَأَبِي بَكْرِ بْنُ الْقدرَةِ وَرَحَلَ حَاجًّا فَأَدَّى الْفَرِيضَةَ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى بَلَدِهِ فَأُخِذَ عَنْهُ وَقَدْ وَقَفْتُ عَلَى السَّمَاعِ مِنْهُ فِي سَنَةِ 503.

أَحْمَدُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ مِنْ أَهْلِ بَلَنْسِيَةَ وَالْخَطِيبُ بِجَامِعِهَا أَبُو بَكْرٍ رَحَلَ هُوَ وَأَخُوهُ لأَبِيهِ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ اللَّهِ إِلَى مُرْسِيَةَ فَسَمِعَ بِهَا مِنْ أَبِي عَلِيٍّ صَدْرَ سَنَةِ 502 وَعَاجَلَتْ أَبَا بَكْرٍ هَذَا مَنِيَّتُهُ فَهَلَكَ فِي سَنَةِ 511 قَبْلَ أَبِي عَلِيٍّ وَقَدْ سَاوَاهُ فِي رِوَايَتِهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدُونَ الْقَرَوِيِّ وَأَبِي مَرْوَانَ بْنِ سِرَاجٍ وَغَيْرِهِمَا وَزَادَ عَلَيْهِ بِإِجَازَةِ أَبِي عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْبَرِّ لَهُ وَلأَخِيهِ مُحَمَّدٍ وَلأَبِيهِمَا مَرْوَانَ فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ 460.

أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَلَفِ بْنِ أَبِي لَيْلَى الأَنْصَارِيُّ أَبُو الْقَاسِمِ أَصْلُهُ مِنْ غَرْنَاطَةَ وَسَكَنَ مُرْسِيَةَ وَاسْتَقْضَى بِشِلْبَ وَلَهُ سَمَاعٌ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ وَيَرْوِي مِنْ شُيُوخِهِ عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ الْبَاجِيِّ وَأَبِي الْعَبَّاسِ الْعُذْرِيِّ وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ فَرَجٍ حَدَّثَ عَنْهُ ابْنُهُ أَبُو بَكْرٍ عبد الرحمن ابن أحمد وأبو الوليد ابن الدَّبَّاغِ وَأَبُو مَرْوَانَ بْنُ الصَّيْقَلِ وَأَبُو الْقَاسِمِ ابن بَشْكُوَالَ وَغَيْرُهُمْ وَتُوُفِّيَ سَنَةَ 514 وَفِي هَذِهِ السَّنَةِ فُقِدَ أَبُو عَلِيٍّ فِي وَقِيعَةِ كُتُنْدَةَ وَتُقَالُ بِالْقَافِ وَهِيَ فِي حَيْزِ دَرَوْقَةَ عَمَلِ سَرَقُسْطَةَ وَاخْتَلَفَ أَصْحَابُهُ فِيهَا فَجَعَلَهَا أَبُو جَعْفَرِ بْنُ الْبَاذِشِ بَعْدَ الْعَصْرِ مِنْ يَوْمِ الأَرْبِعَاءِ السَّابِعِ عَشَرَ مِنْ رَبِيعٍ الآخِرِ وَتَابَعَهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ وَذَكَرَ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ عِيَاضٍ فِي بَرْنَامِجِهِ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ خَرَجَ إِلَى الْغَزْوِ سَنَةَ
আবু আলীর নিকট থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে এবং আবু আল-ওয়ালিদ আল-ওয়াক্কাশি ও আবু বকর ইবনুল কাদরাহ থেকেও তাঁর বর্ণনা রয়েছে। তিনি হজ পালনের উদ্দেশ্যে সফর করেন এবং ফরজ আদায় করেন, অতঃপর নিজ দেশে ফিরে আসেন। তাঁর থেকে ইলম গ্রহণ করা হয়েছে এবং আমি ৫০৩ হিজরি সালে তাঁর নিকট থেকে শ্রবণের প্রমাণ পেয়েছি।

আহমদ বিন মারওয়ান বিন মুহাম্মদ বিন মারওয়ান বিন আব্দুল আজিজ, বালেন্সিয়ার অধিবাসী এবং সেখানকার জামে মসজিদের খতিব, উপনাম আবু বকর। তিনি এবং তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই আবু আল-হাসান আব্দুল্লাহ মুরসিয়ায় সফর করেন এবং সেখানে ৫০২ হিজরি সালের শুরুর দিকে আবু আলীর নিকট থেকে শ্রবণ করেন। এই আবু বকরের মৃত্যু দ্রুত উপস্থিত হয় এবং তিনি আবু আলীর পূর্বেই ৫১১ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি আবু আব্দুল্লাহ বিন সাদুন আল-কায়রাওয়ানি ও আবু মারওয়ান বিন সিরাজ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁর (আবু আলীর) সমপর্যায়ের ছিলেন। তবে তিনি তাঁর চেয়ে অতিরিক্ত অর্জন করেছিলেন আবু উমর বিন আব্দুল বার-এর পক্ষ থেকে তাঁর জন্য, তাঁর ভাই মুহাম্মদ এবং তাঁদের পিতা মারওয়ানের জন্য ৪৬০ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসে প্রদত্ত ইজাজতের মাধ্যমে।

আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন আবু লায়লা আল-আনসারি, উপনাম আবু আল-কাসিম। তাঁর আদি নিবাস গ্রানাডা, তিনি মুরসিয়ায় বসবাস করতেন এবং শিলবে বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। আবু আলীর নিকট থেকে তাঁর শ্রবণের বর্ণনা রয়েছে এবং তিনি তাঁর শিক্ষকদের মাধ্যমে আবু আল-ওয়ালিদ আল-বাজি, আবু আল-আব্বাস আল-উজরি এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন ফারাজ থেকে বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁর পুত্র আবু বকর আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ, আবু আল-ওয়ালিদ ইবনুল দাব্বাগ, আবু মারওয়ান ইবনুল সাইকাল, আবু আল-কাসিম ইবনে বাশকুওয়াল এবং অন্যান্যরা। তিনি ৫১৪ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন। আর এই বছরই কুতুন্দাহর যুদ্ধে (কাফ দিয়েও উচ্চারিত হয়, যা সারাগোসার দারুকা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত) আবু আলীকে হারিয়ে ফেলা হয়। এ বিষয়ে তাঁর সাথীদের মাঝে মতভেদ রয়েছে; আবু জাফর ইবনুল বাবিশ এটিকে রবিউস সানি মাসের ১৭ তারিখ বুধবার আছরের পরের ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহিম তাঁর অনুসরণ করেছেন। আবু আল-ফজল বিন ইয়াদ তাঁর 'বারনামাজ'-এ উল্লেখ করেছেন যে, আবু আলী যুদ্ধে বের হয়েছিলেন...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٨)
14 مع الأمير إبراهيم ابْنَ يُوسُفَ بْنِ تَاشَفِينَ اللَّمْتُونِيَّ هُوَ وَقَرِينُهُ فِي الْفَضْلِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْفَرَّاءِ وَحَضَرَا يَوْمَ قُتُنْدَةَ الْمَشْهُورَ بِالثَّغْرِ الأَعْلَى يَوْمَ الْخَمِيسِ لِسِتٍّ بَقِينَ مِنْ رَبِيعٍ الآخِرِ مِنَ السَّنَةِ وَحُقَّتْ عَلَى الْمُسْلِمِينَ الْهَزِيمَةُ وَكَانَا فِي مَنْ فُقِدَ رَحِمَهُمَا اللَّهُ وَقَالَ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ بَشْكُوَالَ فِي الصِّلَةِ اسْتَشْهَدَ الْقَاضِي أَبُو عَلِيٍّ رحمه الله فِي وَقْعَةِ كُتُنْدَةَ بِثَغْرِ الأَنْدَلُسِ يَوْمَ الْخَمِيسِ وَوَافَقَ عِيَاضًا إِلا فِي الشَّهْرِ فَإِنَّهُ قَالَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ وَهُوَ الأَصَحُّ وَقَالَ أَبُو عَمْرٍو الْخَضِرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ تُوُفِّيَ فِي الْكَايِنَةِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ بِكُتُنْدَةَ عَشْرٌ يَوْمَ الْخَمِيسِ الثَّامِنَ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ فَتَابَعَ ابْنَ بَشْكُوَالَ عَلَى الشَّهْرِ وَقَرَأْتُ بِخَطِّ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُدْرِكٍ الْغَسَّانِيِّ الْمَالِقِيِّ اسْتَشْهَدَ الْفَقِيهُ أَبُو عَلِيٍّ رحمه الله فِي وَقْعَةِ كُتُنْدَةَ يَوْمَ الْخَمِيسِ التَّاسِعَ عَشَرَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ وَذَكَرَ السَّنَةَ قَالَ وَكَانَتْ عَلَى الْمُسْلِمِينَ جَبَرَهُمُ اللَّهُ قُتِلَ فِيهَا مِنَ الْمُطَّوِّعَةِ نَحْوٌ مِنْ عِشْرِينَ أَلْفًا وَلَمْ يُقْتَلْ فِيهَا مِنَ الْعَسْكَرِ يَعْنِي الْجُنْدَ أَحَدٌ وحكى غيرهم أن العسكر انصرف مفلولاً إِلَى بَلَنْسِيَةَ فِي الْمُوَفِّي عِشْرِينَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ أَيْضًا وَأَنَّ الْقَاضِي أَبَا بَكْرِ بْنَ العربي حضرها قال وسيل فَخَلَّصَهُ مِنْهَا عَنْ حَالِهِ فَقَالَ حَالُ مَنْ ترك الخبا والعبا ولم يذكرعياض فِي الْمُعْجَمِ وَفَاةَ أَبِي عَلِيٍّ فَلَزَمَ الإِتْيَانُ بِهَا وَالتِّبْيَانُ لِسَبَبِهَا حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو الْخَطَّابِ أحمد بن محمد القيسي الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ نا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بن أبي
14 আমীর ইব্রাহিম ইবনে ইউসুফ ইবনে তাশফিন আল-লামতুনি এবং শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষেত্রে তাঁর সহচর আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাররার সাথে। তাঁরা উভয়ে উক্ত বছরের রবিউল আখির মাসের ছয় দিন বাকি থাকতে বৃহস্পতিবার দিন থাগরে আ’লা (উচ্চ সীমান্ত)-এর বিখ্যাত কুতুনদাহ যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। সেদিন মুসলমানদের ওপর পরাজয় অবধারিত হয় এবং যাঁরা নিখোঁজ হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে তাঁরাও ছিলেন, আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন। আবু আল-কাসিম ইবনে বাশকুওয়াল 'আস-সিলাহ' গ্রন্থে বলেছেন: কাজী আবু আলী (রাহিমাহুল্লাহ) আন্দালুসের সীমান্ত অঞ্চলের কুতুনদাহ যুদ্ধে বৃহস্পতিবার শাহাদাত বরণ করেন। এ বিষয়ে তিনি ইয়াযের সাথে একমত পোষণ করেছেন, তবে মাসের ব্যাপারে ভিন্নমত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে এটি রবিউল আউয়াল মাসে ছিল এবং এটিই অধিক সঠিক। আবু আমর আল-খাযির ইবনে আব্দুর রহমান বলেছেন: কুতুনদাহতে মুসলমানদের ওপর আপতিত সেই বিপর্যয়ে রবিউল আউয়াল মাসের আঠারো তারিখ বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়; এভাবে তিনি মাসের ব্যাপারে ইবনে বাশকুওয়ালের অনুসরণ করেছেন। আমি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মুদরিক আল-গাসসানি আল-মালিকির হস্তলিপিতে পড়েছি যে: ফকিহ আবু আলী (রাহিমাহুল্লাহ) রবিউল আউয়াল মাসের উনিশ তারিখ বৃহস্পতিবার কুতুনদাহ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন এবং তিনি বছরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: এটি মুসলমানদের প্রতিকূলে ছিল—আল্লাহ তাদের অবস্থা সংশোধন করে দিন—তাতে স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্য থেকে প্রায় বিশ হাজার লোক নিহত হয়, কিন্তু নিয়মিত সৈন্যবাহিনী অর্থাৎ জুত থেকে কেউ নিহত হয়নি। অন্যরা বর্ণনা করেছেন যে, সৈন্যবাহিনী রবিউল আউয়াল মাসের বিশ তারিখ পূর্ণ হওয়ার দিনে পরাজিত অবস্থায় বালানসিয়ার দিকে ফিরে যায়। এবং কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন; বলা হয় যে, তাঁকে যখন উদ্ধার করা হলো তখন তাঁর অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "সেই ব্যক্তির অবস্থা যে তাবু ও চাদর সবকিছু ছেড়ে এসেছে।" ইয়ায তাঁর 'আল-মু'জাম' গ্রন্থে আবু আলীর ইন্তেকালের কথা উল্লেখ করেননি, তাই এটি উল্লেখ করা এবং এর কারণ বর্ণনা করা আবশ্যক হয়ে পড়েছিল। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবুল খাত্তাব আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কায়সি, হাফিজ আবুল কাসিম খালাফ ইবনে আব্দুল মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, কাজী আবুল কাসিম আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবি...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٩)
ليلى قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي عَلِيٍّ حُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ 508 بِمُرْسِيَةَ قَالَ ابْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ وَأَجَازَهُ لَنَا أَبُو عَلِيٍّ قَالَ أَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بن علي بن فهد العلاف نا الْعَلافُ نا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن أبي الفوارس أملاً أَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ نا الْحَسَنُ ابن سفين نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ نا حسين بن علي عن زايدة. عَنْ مَيْسَرَةَ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يُؤْذِ جَارَهُ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُحْسِنْ قِرَى ضَيْفِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا قِرَى الضَّيْفِ قَالَ ثَلاثٌ فَمَا فَوْقَهُنَّ صَدَقَةٌ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ واليوم الآخر فإذا شهدا مراً فليتكلم بخيراً وليسكت اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلْعٍ وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلْعِ أَعْلاهُ فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي كُرَيْبٍ وَمُوسَى بْنِ حِزَامٍ وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ كُلُّهُمْ عَنْ حُسَيْنٍ الْجُعْفِيِّ وَبِالإِسْنَادِ إِلَى ابْنِ أَبِي الْفَوَارِسِ قَالَ أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ أنا أبو بكر محمد بن جعفر الخرايطي أَنَا أَبُو جَعْفَرٍ ابْنُ بِنْتِ أَبِي سَعِيدٍ التَّغْلِبِيُّ الدِّمَشْقِيُّ قَالَ سَمِعْتُ عُبَيْدَ بْنَ صُرَدَ أَخَا ضِرَارِ بْنِ صُرَدَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَجُلا مِنْ وَلَدِ الرَّبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ يَقُولُ كَتَبَ الرَّبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ إِلَى أَخٍ لَهُ أَمَّا بَعْدُ فَزُمَّ جِهَازَكَ وَأَفْرِغْ مِنْ زَادِكَ وَكُنْ وَصِيَّ نَفْسِكَ وَلا تَجْعَلِ النَّاسَ أَوْصِيَاءَكَ وَلا تَجْعَلِ الدُّنْيَا مِنْ أَكْبَرِ هَمِّكَ فَإِنَّهُ لا عِوَضَ مِنْ تَقْوَى اللَّهِ وَلا خَلَفَ مِنَ الله.

লায়লা বলেন, ৫০৮ হিজরীর শাবান মাসে মুরসিয়াতে কাজী আবু আলী হুসাইন বিন মুহাম্মাদের সামনে (এই কিতাবটি) পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। ইবনুল আবদুল মালিক বলেন, আবু আলী আমাদের এটি বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম আবদুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন ফাহদ আল-আল্লাফ। আল-আল্লাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবিল ফাওয়ারিস আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর বিন হামদান, তিনি বলেন, হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু বকর বিন আবি শায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হুসাইন বিন আলী থেকে, তিনি যায়েদাহ থেকে, তিনি মায়সারাহ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে,

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানের উত্তমরূপে আপ্যায়ন করে।" সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মেহমানের আপ্যায়ন কী? তিনি বললেন: "তিন দিন; আর এর অতিরিক্ত যা হবে তা সদকা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যখন কোনো বিষয়ের সম্মুখীন হয় তখন যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। তোমরা নারীদের ব্যাপারে কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ করো, কেননা নারীকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বাঁকা অংশ হলো এর উপরিভাগ। যদি তুমি তা সোজা করতে যাও তবে তা ভেঙে ফেলবে, আর যদি তা ছেড়ে দাও তবে তা চিরকাল বাঁকাই থেকে যাবে। অতএব তোমরা নারীদের সাথে সদ্ব্যবহারের উপদেশ গ্রহণ করো।"

এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম বুখারী এটি আবু কুরায়ব ও মুসা বিন হিযাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলে হুসাইন আল-জু’ফী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনুল ফাওয়ারিসের প্রতি একই সনদে তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হারাভী, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-খারাইতি, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর ইবনু বিনতি আবি সাঈদ আত-তাগলিবি আদ-দিমাশকি। তিনি বলেন, আমি যিরার বিন সুরাদের ভাই উবাইদ বিন সুরাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাবী বিন খুসাইমের বংশধরদের একজনকে বলতে শুনেছি যে, রাবী বিন খুসাইম তাঁর এক ভাইকে লিখেছিলেন:

"অতঃপর, তোমার সরঞ্জাম গুছিয়ে নাও, তোমার পাথেয় প্রস্তুত করো এবং তুমি নিজেই নিজের অসিয়তকারী হও; অন্য মানুষকে তোমার অসিয়তকারী বানিও না। দুনিয়াকে তোমার সবচাইতে বড় উদ্বেগের বিষয় বানিও না। কেননা আল্লাহর তাকওয়ার কোনো বিকল্প নেই এবং আল্লাহর কোনো স্থলাভিষিক্ত নেই।"

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٠)
أحمد بن محمد بن سعود أَبُو جَعْفَرٍ مِنْ أَهْلِ مُرْسِيَةَ صَحِبَ أَبَا علي طويلاً وأكثر عنه قديماً عَلَيْهِ الْمُوَطَّأَ وَالصَّحِيحَيْنِ وَجَامِعَ التِّرْمِذِيِّ وَمُسْنَدَ الْبَزَّارِ وَسُنَنَ الدَّارَقُطْنِيِّ وَغَيْرَ ذَلِكَ وَأَجَازَ لَهُ مَا تَضَمَّنَتْهُ فِهْرَسَتُهُ وَكَانَ قَدْ كَتَبَهَا عَنْهُ وَمِنْهَا وَقَفْتُ عَلَى هَذِهِ الأَسْمِعَةِ وَلَهُ رِوَايَةٌ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الدَّوْشِ أَخَذَ عَنْهُ بِشَاطِبَةَ وَلا أَعْلَمُهُ حَدَّثَ.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بن عبد المولى أَبُو جَعْفَرٍ لَقِيَ أَبَا عَلِيٍّ بِالْمَرِيَّةِ وَرَوَى عَنْهُ وَوَقَفْتُ عَلَى السَّمَاعِ مِنْهُ مُؤَرَّخًا بِشَعْبَانَ سَنَةَ 514.

أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ خَالِدٍ اللَّخْمِيُّ أَبُو جَعْفَرِ بْنُ بَشْتَغِيرَ مِنْ أَهْلِ لُورَقَةَ حَدَّثَ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ بِكَثِيرٍ مِنْ رِوَايَتِهِ وَهُوَ فِي عِدَادِ أَصْحَابِهِ لِرِوَايَتِهِ عَنِ الْبَاجِيِّ وَالْعُذْرِيِّ وَقَدْ عَادَلَ شُيُوخَهُ بِإِجَازَةِ أَبِي عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْبَرِّ لَهُ سَمِعَ مِنْهُ ابْنُ الدَّبَّاغِ وَذَكَرَ أَنَّهُ حَجَّ وَخَرَجَ عَنْهُ فِي مَشْيَخَتِهِ وَأَجَازَ لأَبِي الْحَسَنِ بْنِ النّعمَةِ وَابْنِ بَشْكُوَالَ وَتُوُفِّيَ سَنَةَ 516 حَدَّثَنَا الْفَقِيهُ الْمُشَاوَرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ نُوحٍ الْغَافِقِيُّ نا الْخَطِيبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ نا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ سعيد عن أبي علي ابن سُكَّرَةَ سَمَاعًا وَيَرْوِيهِ أَبُو الْحَسَنِ عَنْهُ إِجَازَةً قال أنا أبو الفضل أحمد ابن الحسن بن خيرون قراة مِنِّي عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ بِبَغْدَادَ أَنَا أَبُو عبد الله الحسين بن جعفر السلماسي قراة عَلَيْهِ وَكَتَبَ إِلَى الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي جَمْرَةَ الأُمَوِيُّ التَّدْمِيرِيُّ منها غير مرة يجيزني عن ابنه أبي العباس وأبي بحر سفين بْنِ الْعَاصِي الأَسَدِيِّ الْحَافِظِ
আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাউদ আবু জাফর মুরসিয়া অঞ্চলের অধিবাসী। তিনি দীর্ঘকাল আবু আলীর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং পূর্ব থেকেই তাঁর নিকট থেকে প্রচুর বর্ণনা গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর কাছে মুয়াত্তা, সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম), জামে আত-তিরমিযী, মুসনাদ আল-বাযযার, সুনান আদ-দারা কুতনী এবং অন্যান্য কিতাব পাঠ করেছেন। আবু আলী তাঁর সূচিপত্রে (ফিহরিস্ত) অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয়ের জন্য তাঁকে ইজাযত প্রদান করেছেন। তিনি নিজেই এটি তাঁর থেকে লিখেছিলেন। আমি তাঁর শ্রবণকৃত এই পাণ্ডুলিপিগুলো দেখেছি। আবু আল-হাসান বিন আদ-দাওশ থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে, যা তিনি শাতিবায় তাঁর থেকে গ্রহণ করেছেন। তবে তিনি অন্য কাউকে হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।

আহমদ বিন আব্দুল আযীয বিন আব্দুল মাওলা আবু জাফর আল-মারিয়্যায় আবু আলীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি ৫১৪ হিজরীর শাবান মাসে তাঁর থেকে শ্রবণকৃত শ্রুতিলিপি (সামা') দেখেছি।

আহমদ বিন সাঈদ বিন খালিদ আল-লাখমী আবু জাফর বিন বাশতাগীর লোরকা অঞ্চলের অধিবাসী। তিনি আবু আলীর অনেক বর্ণনা থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আল-বাজী এবং আল-উযরী থেকে তাঁর বর্ণনার কারণে তিনি তাঁর সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত। আবু উমর বিন আব্দুল বার কর্তৃক প্রদত্ত ইজাযতের কারণে তিনি তাঁর শিক্ষকদের সমপর্যায়ে পৌঁছেছেন। ইবনুল দাব্বাগ তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হজ্জ করেছেন এবং তিনি তাঁর মাশইয়াখায় (শিক্ষকদের তালিকায়) তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আবুল হাসান বিন আন-নিমাহ এবং ইবনে বাশকুওয়ালকে ইজাযত প্রদান করেছেন। ৫১৬ হিজরীতে তিনি ইন্তেকাল করেন। ফকীহ আল-মুশাওয়ার আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আইয়ুব বিন নূহ আল-গাফিকী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খতীব আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আহমদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট আবু আলী ইবনে সুক্কারাহ থেকে শ্রবণ সাপেক্ষে বর্ণনা করেছেন এবং আবুল হাসান তাঁর নিকট থেকে ইজাযত সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল ফজল আহমদ বিন হাসান বিন খাইরুন বাগদাদে তাঁর নিজ গৃহে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন জাফর আস-সিলমাসি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন। এবং কাযী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবু জামরা আল-উমাবী আত-তাদমীরী একাধিকবার সেখান থেকে আমাকে পত্র লিখেছেন, যাতে তিনি তাঁর পুত্র আবু আল-আব্বাস এবং হাফিয আবু বাহর সুফিয়ান বিন আল-আসী আল-আসাদীর পক্ষ থেকে আমাকে ইজাযত দান করেছেন।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١١)
جَمِيعًا عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ الْبَاجِيِّ عَنْ أَبِي ذَرٍّ الْهَرَوِيِّ قَالا أَنَا أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ نا مُحَمَّدُ بْنُ مَسْعَدَةَ نا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ أَخْبَرَنِي عُتْبَةُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ نَافِعٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو أَيُّوبَ وَجَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَأَنَسُ بْنُ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّونَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي هَذِهِ الآيَةِ فِيهِ رِجَالٌ يُحِبُّونَ أن يتطهروا والله يحب المطهرين فَقَالَ يَا مَعْشَرَ الأَنْصَارِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَثْنَى عَلَيْكُمْ خَيْرًا فِي الطُّهُورِ فَمَا طُهُورُكُمْ هَذَا فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ نَتَوَضَّأُ لِلصَّلاةِ وَنَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَهَلْ مَعَ ذَلِكَ مِنْ غير لي قَالُوا لا غَيْرَ إِنَّ أَحَدَنَا إِذَا خَرَجَ مِنَ الْغَائِطِ أَحَبَّ أَنْ يَسْتَنْجِيَ بِالْمَاءِ قَالَ هُوَ ذَلِكَ فَعَلَيْكُمُوهُ.

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي الْخَيْرِ بْنِ عَلِيٍّ الأنصاري أبو جعفر الْمَعْرُوفُ بِالْمَوْرُورِيِّ مِنْ أَهْلِ سَرَقُسْطَةَ وَسَكَنَ قُرْطُبَةَ صحب أبا علي هو وأخوه للقاضي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ أَقِفْ عَلَى مَا سمعا منه وقد استجاز لهما ولطايفة مِنْ أَهْلِ بَلَدِهِ مَعَهُمَا فِي رِحْلَتِهِ أَبَا الْفَوَارِسِ الزَّيْنَبِيِّ وَأَبَا الْمَعَالِي بْنَ بُنْدَارٍ وَأَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ عَبْدِ الْقَادِرِ وَأَبَا طَاهِرِ بْنَ سَوَّارٍ وَأَمْثَالَهُمْ وَتُوُفِّيَ أَبُو جَعْفَرٍ هَذَا سَنَةَ 519 بَعْدَ أَخِيهِ بِعَامٍ.

أَحْمَدُ بْنُ خَيْرَةَ أَبُو جَعْفَرٍ مِنْ أَهْلِ بَلَنْسِيَةَ لَهُ سَمَاعٌ مِنْ أبي داود المقري وَكَتَبَ إِلَيْهِ أَبُو عَلِيٍّ قَرَأْتُ ذَلِكَ بِخَطِّهِ.

أَحْمَدُ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ وَضَّاحٍ الْقَيْسِيُّ الشَّاعِرُ أَبُو جَعْفَرٍ مِنْ
সকলে আবু আল-ওয়ালিদ আল-বাজি থেকে, তিনি আবু যার আল-হারাবী থেকে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আদ-দারা কুতনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মাসআদাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে শুআইব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উতবাহ ইবনে আবি হাকিম, তিনি তালহা ইবনে নাফে' থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আইয়ুব, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ এবং আনাস ইবনে মালিক আল-আনসারী, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই আয়াতের বিষয়ে বর্ণনা করেন: "তাতে এমন লোক রয়েছে যারা পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে এবং আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।" অতঃপর তিনি বললেন: হে আনসার সম্প্রদায়! আল্লাহ পবিত্রতার বিষয়ে তোমাদের উত্তম প্রশংসা করেছেন, তোমাদের এই পবিত্রতা পদ্ধতিটি কী? তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা নামাজের জন্য অজু করি এবং জানাবাত থেকে গোসল করি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: এর সাথে কি অন্য কিছু আছে? তারা বললেন: অন্য কিছু নেই, তবে আমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করে বের হয়, তখন সে পানি দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করতে পছন্দ করে। তিনি বললেন: এটিই সেই কাজ, সুতরাং তোমরা এটিই আঁকড়ে ধরো।

আহমদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবিল খায়ের ইবনে আলী আল-আনসারী আবু জাফর, যিনি আল-মাওরোনি নামে পরিচিত; তিনি সারাগোসার অধিবাসী ছিলেন এবং কর্ডোভায় বসবাস করতেন। তিনি এবং তাঁর ভাই কাজী আবু আব্দুল্লাহ, আবু আলীর সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। তাঁরা তাঁর থেকে কী শ্রবণ করেছেন সে সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি। তিনি তাঁর সফরে নিজের জন্য এবং তাঁর সাথে থাকা তাঁর দেশের একদল লোকের জন্য আবুল ফাওয়ারিস আল-জাইনাবি, আবু আল-মাআলি ইবনে বুন্দার, আবু আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল কাদির, আবু তাহের ইবনে সাওয়ার এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের নিকট থেকে হাদিস বর্ণনার অনুমতি গ্রহণ করেছিলেন। এই আবু জাফর তাঁর ভাইয়ের এক বছর পর ৫১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

আহমদ ইবনে খাইরাহ আবু জাফর, ভ্যালেন্সিয়ার অধিবাসী। আবু দাউদ আল-মুকরি থেকে তাঁর শ্রুত বর্ণনা রয়েছে। আবু আলী তাঁর নিকট লিখেছিলেন এবং আমি তা তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে পাঠ করেছি।

আহমদ ইবনে মাসলামাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওয়াদদাহ আল-কাইসি, কবি, আবু জাফর...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٢)
أَهْلِ مُرْسِيَةَ سَمِعَ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ الشَّمَايِلَ للترمذي بقراة أبي عبد الله ابن عياض المقري في سنة 503 ورياضة المتعلمين لأبي نعيم بقراة أَبِي بَكْرِ بْنِ فَتْحُونَ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَكَثِيرًا مِنْ مُسْنَدِ الْبَزَّارِ وَغَيْرَ ذَلِكَ وَشَرِكَهُ فِي بَعْضِ سَمَاعِهِ ابْنُ عَمِّهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ وَضَّاحٍ وَابْنُ أُخْتِهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَبْقَى بْنِ عِصَامٍ وَوَقَفْتُ لأَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَضَّاحٍ وَأَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ بْنِ وَضَّاحٍ عَلَى سَمَاعٍ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ أَيْضًا وَلا أَعْلَمُ جَمِيعُهُمْ حَدَّثُوا فَتَرَكْتُ ذِكْرَهُمْ فِي هَذَا الْمَجْمُوعِ وَتُوُفِّيَ أَبُو جعفر منهم في حدود الثلاثين وخمسماية وكان من جلة الأدباء ومجودي الشعراء المعروفين بالتنقيح والتجبر وَلَهُ دِيوَانٌ صَغِيرٌ كَثِيرًا مَا يَكْتُبُهُ النَّاسُ وَقَدْ حَمَلَ عَنْهُ وَأَنْشَدَنِي الْحَافِظُ أَبُو الرَّبِيعِ بْنُ سَالِمٍ قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو رِجَالِ بْنُ غَلْبُونَ قَالَ أَنْشَدَنَا أَبُو جَعْفَرِ بْنُ وَضَّاحٍ يَصِفُ الْقَوْسَ

حَسْبِي مِنَ الأَعْلاقِ وَالأَخْدَانِ أَمْتَاعٌ مخطفة الحشا مرنحان

قد شاكمت هَيْفَ الْخُصُورِ وَأَشْبَهَتْ لَوْنَ الْمَشُوقِ وَرَنَّةَ الثَّكْلانِ

وَكَأَنَّمَا ضَرَبَتْ بِعِرْقٍ فِي النَّدَى فَغَدَتْ مُضَمَّنَةً قرى الضيفان

عجباً مِنَ الْقَوْسِ الْكَرِيمَةِ أَنَّهَا لَمْ تَرْعَ حَقَّ حمايم الأغصان

أضحت لها حتفاً وكانت مالفاً وكذلك حُكْمُ تَصَرُّفِ الأَزْمَانِ

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجُذَامِيُّ الْمُتَكَلِّمُ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَعْرُوفُ بِالزِّنَقِيِّ أَصْلُهُ مِنْ مُرْسِيَةَ وَاسْتَقَرَّ بِأُورِيُولَةَ سَمِعَ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ الموتلف وَالْمُخْتَلِفَ لِلدَّارَقُطْنِيِّ وَرِيَاضَةَ الْمُتَعَلِّمِينَ وَغَيْرَ ذَلِكَ وَسَمَّاهُ فِي رِجَالِهِ أَبُو جَعْفَرِ بْنُ الْبَاذِشِ وَأَبُو الْفَضْلِ بْنُ عِيَاضٍ وَقَالَ فِيهِ شَيْخُ الْمُتَكَلِّمِينَ على مذهب
মুরসিয়াবাসীদের মধ্যে তিনি ৫০৩ হিজরিতে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আয়াদ আল-মুকরির পাঠের মাধ্যমে আবু আলীর নিকট তিরমিযীর 'আশ-শামায়েল' শ্রবণ করেছেন। এছাড়াও ৫০৪ হিজরিতে আবু বকর ইবনে ফাতহুনের পাঠের মাধ্যমে আবু নুয়াইমের 'রিয়াদাতুল মুতাআল্লিমীন' এবং মুসনাদে বাযযার-এর অনেক অংশসহ আরও অনেক কিছু শ্রবণ করেছেন। তাঁর এই শ্রবণের কিছু অংশে তাঁর চাচাতো ভাই আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ওয়াদদাহ এবং তাঁর ভাগ্নে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াবকা বিন ইসাম তাঁর সাথে শরিক ছিলেন। আমি আবু বকর আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াদদাহ এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন মাসলামাহ বিন ওয়াদদাহর একটি শ্রবণলিপিও দেখেছি যা তাঁরা আবু আলীর নিকট শ্রবণ করেছিলেন। আমি জানি না যে তাঁরা সকলে হাদিস বর্ণনা করেছেন কি না, তাই আমি এই সংকলনে তাঁদের উল্লেখ বর্জন করেছি। তাঁদের মধ্যে আবু জাফর পাঁচশ ত্রিশ হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি উচ্চপদস্থ সাহিত্যিক এবং কাব্য পরিমার্জন ও অলংকরণে সুপরিচিত শ্রেষ্ঠ কবিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর একটি ছোট কাব্যগ্রন্থ রয়েছে যা মানুষ সচরাচর অনুলিপি করে থাকে এবং তাঁর থেকে তা গ্রহণ করা হয়েছে। হাফিজ আবু আল-রাবী ইবনে সালিম আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু রিজাল বিন গালবুন আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর বিন ওয়াদদাহ ধনুকের বর্ণনা দিয়ে আমাদের নিকট এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:

বহুমূল্য আসবাব ও বন্ধুদের মাঝে আমার জন্য সেই বস্তুটিই যথেষ্ট, যা মধ্যভাগে ক্ষীণ এবং যা চমৎকার ঝংকার তোলে।

এটি ক্ষীণ কটিদেশবিশিষ্টদের সদৃশ হয়েছে এবং বিচ্ছেদ-কাতরের বর্ণের ন্যায় বর্ণ ধারণ করেছে, আর এর টঙ্কার হলো শোকাতুর ব্যক্তির আর্তনাদের মতো।

যেন এর মূল দানশীলতার মাঝে প্রোথিত হয়েছে, ফলে এটি মেহমানদারির গুরুভার নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছে।

সেই অভিজাত ধনুকটির ব্যাপারে আশ্চর্য লাগে যে, সে বৃক্ষশাখার ঘুঘুগুলোর অধিকারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করল না।

এটি তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল, অথচ ইতিপূর্বে এটি তাদের আবাসস্থল ছিল; আর কালের পরিবর্তনের রীতি এমনই হয়ে থাকে।

আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-জুযামী আল-মুতাকাল্লিম আবু আল-আব্বাস, যিনি যিনাকী নামে পরিচিত। তাঁর আদি নিবাস মুরসিয়া এবং তিনি ওরিয়াওলাতে বসতি স্থাপন করেন। তিনি আবু আলীর নিকট দারা কুতনীর 'আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ', 'রিয়াদাতুল মুতাআল্লিমীন' এবং অন্যান্য কিতাব শ্রবণ করেছেন। আবু জাফর বিন আল-বাযিশ এবং আবু আল-ফাদল বিন আয়াদ নিজ নিজ জীবনীগ্রন্থে তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি মাযহাব অনুসারে কালাম শাস্ত্রবিদদের প্রধান...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٣)
أَهْلِ الْحَقِّ فِي وَقْتِهِ وَرَوَى عَنْهُ غَيْرُهُمَا حَدَّثَنَا الأُسْتَاذُ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَوْنِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ نا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْخَزْرَجِيُّ نا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجُذَامِيُّ الْمُتَكَلِّمُ وكان قد اختلف إليه وقرأ من مسايله عَلَيْهِ وَأَنْشَدَهُ مِنْ شِعْرِهِ وَأَجَازَ لَهُ مَا رواه قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي عَلِيٍّ الصَّدَفِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ بِمُرْسِيَةَ فِي سَنَةِ 503 قَالَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ وَأَجَازَهُ لِي أَبُو عَلِيٍّ قَالَ أَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الْمُحَسِّنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمَالِكِيُّ أَنَا أَبُو الْفَتْحُ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ محمد بن أحمد المحاسلي قَالَ أَبُو عَلِيٍّ وأنا أَبُو الْوَلِيدُ سُلَيْمَانُ بْنُ خَلَفٍ الْبَاجِيُّ وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ الْعُذْرِيُّ عَنْ أَبِي ذَرٍّ عَبْدِ بْنِ أَحْمَدَ الْهَرَوِيِّ قالا أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ قَالَ نا عُثْمَانُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَحْوَلُ نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو الْفَضْلِ السَّمَرْقَنْدِيُّ نُبَيْرَةُ نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجَعْدِيُّ نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سمعت معاوية بن خديج بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الطَّعَامِ الْحَارِّ حَتَّى يبرده وَبِهِ إِلَى الدَّارَقُطْنِيِّ قَالَ أَنْشَدَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزْدَادَ الْكَاتِبُ قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو حَازِمٍ الْقَاضِي يَعْنِي عَبْدَ الْحَمِيدِ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَاضِي مَدِينَةِ السَّلامِ وغيرها.

أدلّ فأكوم بِهِ مِنْ مُدِلٍّ وَمِنْ شَادِنٍ لِدَمِي مُسْتَحِلُّ

إِذَا مَا تَعَزَّزَ قَابَلْتُهُ بِذُلٍّ وَذَلِكَ جُهْدُ الْمُقِلِّ

قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ وَزَادَنِي فِيهِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الْكِسَائِيُّ الْفَقِيهُ

وَأَسْلَمْتُ خَدِّي لَهُ خَاضِعًا وَلَوْلا مَلاحَتُهُ لَمْ أَذِلِّ
তাঁর সময়ের সত্যপন্থীগণ এবং তাঁদের বাইরে অন্যরাও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উস্তায আবু জাফর আহমদ ইবনে আলী ইবনে আওনুল্লাহ আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহীম আল-খাজরাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-জুযামী আল-মুতাকাল্লিম—যিনি তাঁর (আবু জাফর) নিকট যাতায়াত করতেন এবং তাঁর কাছে তাঁর রচিত বিষয়াবলি পাঠ করতেন এবং তাঁকে তাঁর কবিতা আবৃত্তি করে শোনাতেন এবং যা তিনি বর্ণনা করেছেন সেটির অনুমতি প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: ৫০৩ হিজরি সালে মুরসিয়া শহরে কাজী আবু আলী আস-সাদাফীর নিকট পাঠ করা হয় এবং আমি তখন তা শ্রবণ করছিলাম। ইবনে আব্দুর রহীম বলেন: আবু আলী আমাকে এর অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আব্দুল মুহসিন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মালিকী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ আব্দুল করীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাহাসিলী। আবু আলী বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়ালীদ সুলাইমান ইবনে খালাফ আল-বাজী ও আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে উমর আল-উযরী, তাঁরা উভয়ই আবু যর আব্দ ইবনে আহমদ আল-হারাভী থেকে বর্ণনা করেন। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-আহওয়াল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আস-সামারকান্দী নুবায়রাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-জা'দী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালামা ইবনে আসলাম, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলেকজান্দ্রিয়ায় মুয়াবিয়া ইবনে খুদাইজকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরম খাবার তা ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। এবং উক্ত সনদেই আদ-দারাকুতনী পর্যন্ত পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছেন আবু মুহাম্মদ ইয়াজদাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াজদাদ আল-কাতিব, তিনি বলেন: আমার নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছেন কাজী আবু হাযিম—অর্থাৎ আব্দুল হামীদ ইবনে আব্দুল আজিজ, যিনি মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) ও অন্যান্য শহরের কাজী ছিলেন।

তিনি মান-অভিমান করেন, আর এমন কতই না মান-অভিমানকারী রয়েছে, আর যেন এক তরুণ হরিণশাবক, যে আমার রক্ত ঝরানোকে বৈধ মনে করে।

যখনই সে প্রতাপ দেখায়, আমি বিনম্রতা দিয়ে তার মোকাবিলা করি; আর এটাই হলো নিঃস্ব ব্যক্তির সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা।

আদ-দারাকুতনী বলেন: ফকীহ আহমদ ইবনে আবু তাহির আল-কিসায়ী আমার জন্য এতে আরও যোগ করেছেন:

আমি অনুগত হয়ে আমার গাল তার কাছে সঁপে দিয়েছি; যদি তার এই মাধুর্য না থাকত, তবে আমি কখনও এমন হীন হতাম না।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٤)
أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُهَلَّبٍ الأَسَدِيُّ مِنْ أَهْلِ مُرْسِيَةَ أَبُو بَكْرٍ وَرُبَّمَا كُنِّيَ فِي الأَسْمِعَةِ أَبَا جَعْفَرٍ لازَمَ أَبَا عَلِيٍّ طَوِيلا وَسَمِعَ مِنْهُ كَثِيرًا كالموتلف وَالْمُخْتَلِفِ لِلدَّارَقُطْنِيِّ وَمُشْتَبِهَ النِّسْبَةِ لِعَبْدِ الْغَنِيِّ وَحَدِيثَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ وَهُوَ عِنْدِي بِخَطِّهِ وَحَدِيثَ الْحَسَنِ بْنِ عَرَفَةَ وَأَمَالِيَ ابْنِ أَبِي الْفَوَارِسِ وَعَوَالِيَ ابْنِ خَيْرُونَ وَغَيْرَ ذَلِكَ مِمَّا لَمْ يَقَعْ إِلَيَّ وَأَجَازَ لَهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْخَوْلانِيُّ وَكَانَ شَدِيدَ الْعِنَايَةِ بِالرِّوَايَةِ وَسَمَاعِ الْعِلْمِ وَهُوَ وَأَخُوهُ عُبَيْدُ اللَّهِ مِنَ الْمُكْثِرِينَ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ وَيَلْحَقُ بِهِمَا أَبُو الْمُطَرِّفِ ابْنُ عَمِّهِمَا وَقَرَأْتُ بِخَطِّ أَبِي بَكْرٍ هَذَا أَنَا الشَّيْخُ الْحَافِظُ أَبُو عَلِيٍّ لَفْظًا مِنْ كِتَابِهِ فِي شَهْرِ رَجَبٍ سَنَةَ 508 قَالَ أَنَا الشَّيْخُ الْخَطِيبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْبَارِيُّ الأَقْطَعُ قَالَ أَنْشَدَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ التِّهَامِيُّ سَنَةَ 509 مِنْ قَصِيدَةٍ لَهُ.

حَازَكِ الْبَيْنُ حِينَ أَصْبَحْتِ بَدْرَا إِنَّ لِلْبَدْرِ فِي التَّنَقُّلِ عُذْرَا

لا تَقُولِي لِقَاؤُنَا بَعْدَ عَشْرٍ لَسْتُ مِمَّنْ يَعِيشُ بَعْدَكِ عَشْرَا

وَسِقَامُ الْجُفُونِ أَمْرَضَ قَلْبِي لَيْتَ أن الجفون تبرا فَأُبْرَا

فَارْحَلِي إِنْ أَرَدْتِ أَوْ فَأَقِيمِي أَخَذَ اللَّهُ لِلْهَوَى فيكِ أَجْرَا

وَحَدَّثَنِي جَمَاعَةٌ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعَادَةَ وَأَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي لَيْلَى وَغَيْرِهِمَا عَنْ أَبِي عَلِيٍّ بِجَمِيعِ رِوَايَتِهِ.

أَحْمَدُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى أَبُو الْعَبَّاسِ الأَنْصَارِيُّ الْخَزْرَجِيُّ مِنْ ولد قيس بن سعد بن عبادة صاحبي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَضِيَ عَنْهُمَا قَدْ نَسَبْتُهُمَا فِي كِتَابِي الْمُتَرْجِمِ بِالتَّكْمِلَةِ لكتاب
আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাল্লাব আল-আসাদী, মুরসিয়ার অধিবাসী, উপনাম আবু বকর। কখনো কখনো শ্রবণ-মজলিসসমূহে তাঁকে আবু জাফর উপনামেও ডাকা হতো। তিনি দীর্ঘকাল আবু আলীর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শ্রবণ করেছেন, যেমন দারাকুতনী-র 'আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ', আব্দুল গনী-র 'মুশতাবিহ আন-নিসবাহ', মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারীর হাদীস—যা আমার কাছে তাঁর স্বহস্তে লিখিত অনুলিপিতে রয়েছে—হাসান বিন আরাফার হাদীস, ইবনুল ফাওয়ারিসের 'আমালী', ইবনে খাইরুনের 'আওয়ালী' এবং এ ছাড়াও আরও অনেক কিছু যা আমার হস্তগত হয়নি। আবু আব্দুল্লাহ আল-খাওলানী তাঁকে ইজাজাহ প্রদান করেছেন। তিনি রেওয়ায়েত এবং ইলম শ্রবণের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। তিনি এবং তাঁর ভাই উবায়দুল্লাহ আবু আলী থেকে অধিক বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁদের সাথে তাঁদের চাচাতো ভাই আবু আল-মুতাররিফও গণ্য হতেন। আমি এই আবু বকরের স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপিতে পড়েছি যে: হাফেজ শায়খ আবু আলী ৫০৮ হিজরীর রজব মাসে মৌখিকভাবে তাঁর কিতাব থেকে আমাদের শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, খতীব শায়খ আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-আনবারী আল-আকতা আমাদের শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আত-তিহামী ৫০৯ হিজরীতে তাঁর একটি কাসিদা থেকে আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন।

বিচ্ছেদ তোমাকে গ্রাস করল যখন তুমি পূর্ণিমার চাঁদে পরিণত হয়েছ; নিশ্চয়ই স্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে চাঁদের ওজর থাকে।

তুমি বলো না যে আমাদের সাক্ষাৎ দশ দিন পর হবে; কারণ আমি এমন ব্যক্তি নই যে তোমার (বিচ্ছেদের) পর দশ দিন বেঁচে থাকবে।

নেত্রপল্লবের অসুস্থতা আমার অন্তরকে পীড়িত করেছে; আফসোস! যদি নেত্রপল্লব সুস্থ হতো, তবে আমিও আরোগ্য লাভ করতাম।

সুতরাং তুমি চাইলে চলে যাও অথবা অবস্থান করো; তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার প্রতিদান আল্লাহ গ্রহণ করেছেন।

আবু আব্দুল্লাহ বিন সাআদাহ এবং আবু বকর বিন আবু লাইলাসহ একদল বর্ণনাকারী আবু আলীর পক্ষ থেকে তাঁর সমস্ত রেওয়ায়েত আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।

আহমদ বিন তাহির বিন আলী বিন ঈসা আবু আল-আব্বাস আল-আনসারী আল-খাজরাজী; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী কায়েস বিন সা'দ বিন উবাদাহ (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর বংশধর। আমি আমার কিতাব 'আত-তাকমিলা'-তে তাঁদের বংশপরিচয় উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٥)
الصِّلَةِ صِلَةِ ابْنِ بَشْكُوَالَ وَاسْتَوْفَيْتُ هُنَالِكَ خِبْرَةَ أَصْلِ سَلَفِهِ مِنْ شَارِقَةَ عَمَلِ بَلَنْسِيَةَ وَهِيَ قَلْعَةُ الأَشْرَافِ الْمَذْكُورَةِ فِي التَّوَارِيخِ الأَنْدَلُسِيَّةِ وَانْتَقَلَ جَدُّهُ عَلِيُّ بْنُ عِيسَى إِلَى دَانِيَةَ وَبِهَا ولد أبو العباس هذا ونشأ وولي الثوري أَكْثَرَ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ وَهُوَ مِنْ كِبَارِ أَصْحَابِهِ وَجُلَّتِهِمْ وَسَمِعَ بِلَفْظِهِ صَحِيحَ مُسْلِمٍ وَعِنْدِي من أصوله سنن الدارقطني وأجزأ مِنْ حَدِيثِ الْمَحَامِلِيِّ وَهِيَ مِمَّا سَمِعَ مِنْهُ مَعَ مُسْنَدِ الْبَزَّارِ وَرِيَاضَةِ الْمُتَعَلِّمِينَ وَغَيْرِ ذَلِكَ وَتُوُفِّيَ سَنَةَ 532 حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو عَامِرِ بْنُ وهب بن أبي عيسى الفهري عليه قال أنا الْفَقِيهُ الْمُشَاوَرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَطِيَّةَ الْعَبْدَرِيُّ قَالَ نا أَبُو العباس أحمد بن طاهر الخزرجي نا القاضي أبو علي الصدفي نا أَبُو الْفَضْلِ بْنُ خَيْرُونَ وَأَبُو الْحُسَيْنِ الصَّيْرَفِيُّ قال أبو عامر وقرى عَلَى الْخَطِيبِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ حُبَيْشٍ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنِ الْقَاضِي أَبِي بَكْرِ بْنِ الْعَرَبِيِّ أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الصَّيْرَفِيُّ قَالَ هُوَ وَابْنُ خَيْرُونَ أَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ أَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ شُعْبَةَ السّنجيُّ نا أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَحْبُوبِيُّ نا أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ نا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ نا وَكِيعٌ عن اسرايل عن سمال بْنِ حَرْبٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لا تُقْبَلُ صَلاةٌ إِلا بِطُهُورٍ وَلا صَدَقَةٌ مِنْ غُلُولٍ حَدَّثَنَا الْحَافِظُ أَبُو عمر أحمد بن هرون النفري مُكَاتَبَةً مِنْ شَاطِبَةَ نا أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفِهْرِيُّ الْحَاكِمُ نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَيْسِيُّ المقري نا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ عِيسَى وَحُدِّثْتُ عَنْ أَبِي عُمَرَ بْنِ عَيَّادٍ وَأَبِي مُحَمَّدِ بْنِ سفين قَالا نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ طَاهِرٍ عَنْ أَبِيهِ أَبِي الْعَبَّاسِ قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي عَلِيٍّ حُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ بِالْمَرِيَّةِ فِي ذِي الْقَعْدَةِ
ইবন বাশকুওয়ালের 'আস-সিলা' গ্রন্থে আমি তাঁর পূর্বপুরুষদের আদি ইতিহাস বিস্তারিত বর্ণনা করেছি, যারা বালেন্সিয়া অঞ্চলের শারিকা নামক স্থানের বাসিন্দা ছিলেন। এটি আন্দালুসের ইতিহাস গ্রন্থসমূহে উল্লিখিত 'কালআত আল-আশরাফ' (অভিজাতদের দুর্গ)। তাঁর দাদা আলী ইবন ঈসা দানিয়া শহরে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানেই এই আবু আব্বাস জন্মগ্রহণ করেন ও লালিত-পালিত হন। তিনি আবু আলীর নিকট প্রচুর পাঠ গ্রহণ করেছেন এবং তিনি ছিলেন তাঁর প্রধান ও বিশিষ্ট সঙ্গীদের একজন। তিনি তাঁর মুখ নিঃসৃত উচ্চারণে 'সহীহ মুসলিম' শ্রবণ করেছেন। আমার নিকট তাঁর মূল পাণ্ডুলিপিসমূহের মধ্যে 'সুনান আদ-দারাকুতনী' এবং 'হাদীস আল-মাহামিলী'র কিছু অংশ রয়েছে যা তিনি তাঁর নিকট শ্রবণ করেছেন, সেই সাথে 'মুসনাদ আল-বাজার', 'রিয়াদাতুল মুতাআল্লিমীন' এবং আরও অন্যান্য গ্রন্থও রয়েছে। তিনি ৫৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। কাযী আবু আমির বিন ওয়াহাব বিন আবু ঈসা আল-ফিহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশেষজ্ঞ ফকীহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আতিয়্যাহ আল-আবদারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আব্বাস আহমদ বিন তাহির আল-খাযরাজী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কাযী আবু আলী আস-সাদাফী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-ফাদল বিন খাইরুন ও আবু আল-হুসাইন আস-সাইরাফী বর্ণনা করেছেন। আবু আমির বলেন: খতীব আবু আল-কাসিম বিন হুবাইশের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি কাযী আবু বকর ইবনুল আরাবীর সূত্রে বর্ণনা করেন: আমাদের নিকট আবু আল-হুসাইন আস-সাইরাফী বর্ণনা করেছেন। তিনি এবং ইবন খাইরুন বলেন: আমাদের নিকট আবু ইয়ালা আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আলী বিন শু'বা আস-সিনজী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-আব্বাস আল-মাহবুবী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু ঈসা আত-তিরমিযী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হান্নাদ বিন আস-সারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ওয়াকী' ইসরাঈল থেকে, তিনি সাম্মাক বিন হারব থেকে, তিনি মুসআব বিন সা'দ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল হয় না এবং আত্মসাৎকৃত মালের সদকা কবুল হয় না'। হাফেজ আবু উমর আহমদ বিন হারুন আল-নাফারি শাত্বিবা থেকে পত্রের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফিহরি আল-হাকিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-কায়সী আল-মুকরী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আব্বাস বিন ঈসা বর্ণনা করেছেন। আমি আবু উমর বিন আইয়াদ এবং আবু মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান থেকে বর্ণিত হয়েছি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন তাহির তাঁর পিতা আবু আব্বাসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যুলকাদা মাসে আল-মারিয়াহ শহরে কাযী আবু আলী হুসাইন বিন মুহাম্মদের নিকট পাঠ করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٦)
سَنَةَ 505 وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ أَنَا الْقَاضِي أَبُو محمد عبد الله مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ هُوَ ابْنُ فورتشَ سَمَاعًا عَلَيْهِ أَنَا أَبُو عُمَرَ الطَّلَمَنْكِيُّ إِجَازَةً أَنَا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مُفَرِّجٍ أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ الدُّقِّيُّ وَيُعْرَفُ بِالصَّمُوتِ نا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو الْبَزَّارُ نا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى أَبُو مُوسَى نا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ نا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ونا أَبُو مُوسَى نا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ونا أبو موسى نا الوليد ابن مُسْلِمٍ نا الأَوْزَاعِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ونا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ نا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَرْثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ العايد في هبته كالعايد في قيه قَالَ الْبَزَّارُ هَذَا الْحَدِيثُ قَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِنْ وُجُوهٍ وَهَذِهِ الأَسَانِيدُ أَحْسَنُ أَسَانِيدَ تُرْوَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَجَلُّ مَنْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ وَبِالإِسْنَادِ إلى أبي الْعَبَّاسِ بْنِ عِيسَى قَالَ أَنَا الْقَاضِي أَبُو علي قراة عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ غَيْرَ مَرَّةٍ فِي سَنَةِ 506 بالمرية قال قرأت على أبي الْغَنَايِمِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي عُثْمَانَ بِبَغْدَادَ أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْبَيِّعُ نا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ القاضي نا هرون بن اسحق نا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ حَدَّثَنِي جَدِّي يزيد بن سملك حَدَّثَنِي أَبُو الطُّفَيْلِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عَلَى رَاحِلَتِهِ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ بِمِحْجَنِهِ هذا الحديث من

৫০৫ হিজরি সালে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল—তিনি হলেন ইবনে ফুরতিশ—তার নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আত-তালামানকি ইজাজতসূত্রে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আবদুল্লাহ ইবনে মুফাররিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আদ-দুক্কি—যিনি আস-সামুত নামে পরিচিত। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আমর আল-বজ্জার। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আবু মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবু আদি, তিনি সাঈদ ইবনে আবু আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওজায়ি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনুল খাত্তাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে মুদার, তিনি আমর ইবনুল হারিস থেকে, তিনি বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে; তিনি বলেছেন: "দান করার পর তা ফিরিয়ে গ্রহণকারী ব্যক্তি নিজের বমির দিকে প্রত্যাবর্তনকারীর (বমি ভক্ষণকারীর) মতো।" আল-বজ্জার বলেন, "এই হাদিসটি ইবনে আব্বাস থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আর এই সনদগুলো সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের সূত্রে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত সনদগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম। আর ইবনে আব্বাসের নিকট থেকে এই হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব হলেন সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ।" এবং আবু আল-আব্বাস ইবনে ঈসা পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আলী—৫০৬ হিজরি সালে আল-মেরিয়াতে তার নিকট একাধিকবার পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন, আমি বাগদাদে আবু আল-গানায়িম মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবু উসমানের নিকট পাঠ করেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-বায়্যি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে আবু হাকিম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা ইয়াজিদ ইবনে সামলাক, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আত-তুফাইল, তিনি বলেন: "আমি বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর উটের পিঠে চড়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে দেখেছি, তিনি তাঁর বাঁকানো লাঠি দিয়ে রুকন স্পর্শ করছিলেন।" এই হাদিসটি...

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٧)
سبا عيات أَبِي عَلِيٍّ الَّتِي خَرَّجَهَا لَهُ شَيْخُنَا الْحَافِظُ أَبُو الرَّبِيعِ سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ سَالِمٍ الْكَلاعِيُّ فِي ثَلاثَةِ أَجْزَاءٍ هِيَ عِنْدِي بِخَطِّهِ وَقَدْ قَرَأْتُ جَمِيعَهَا عَلَيْهِ وَرَوَيْتُ حَدِيثَ الْمَحَامِلِيِّ بكماله وهو خمسة عشر جزأ عن أبي الخطاب بن واجب قرأة لأكثره وأجاز لسايره عَنِ الْقَاضِي أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ يوسف بن سعادة قرأه لَهُ عَلَيْهِ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ وَلِلْحَافِظِ أَبِي الْوَلِيدِ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ الدَّبَّاغِ تَخْرِيجٌ عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ هَذَا فِي مُعْجَمِ شُيُوخِهِ وَقَرَأْتُ بِخَطِّهِ أَنْشَدَنَا الْفَقِيهُ أَبُو علي قال أنشدني عاصم يعني أبو الْحَسَنِ الْعَاصِمِيَّ مِنْ قَوْلِهِ:

حَلَفْتُ وَيَشْهَدُ دَمْعِي بما أكابد من هجرك الزايد

فَإِنْ كُنْتَ تَجْحَدُ مَا أَدَّعِي وَحَاشَاكَ تُعْرَفُ بِالْجَاحِدِ

فَإِنَّ النَّبِيَّ عليه السلام قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ اللَّخْمِيُّ أَبُو جَعْفَرٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْموخي مِنْ أَهْلِ إِشْبِيلِيَّةَ وَسَكَنْ قُرْطُبَةَ وَأَصْلُ سَلَفِهِ مِنْ شرّانَةَ قَرْيَةٌ بِشَرِيشِ شَذُونَةَ وَكَانَ فَقِيهًا مشاوراً ينفرد في عصره بصناعة الْحَدِيثِ كَتَبَ إِلَيْهِ أَبُو عَلِيٍّ وَحَدَّثَ عَنْهُ بِالإِجَازَةِ وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الرَّبِيعِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أَبِي جَعْفَرِ بْنِ حَكَمٍ قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي الْفَضْلِ عِيَاضِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيَاضٍ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو العلا بن زهر قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي عَلِيٍّ الْجَيَّانِيِّ الْحَافِظِ عِنْدَ رِحْلَتِي إِلَيْهِ فَأَشَارَ عَلَيَّ بِصُحْبَةِ الْفَقِيهَيْنِ الْمُحَدِّثَيْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مَفَوِّزٍ وَأَبِي جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَالاسْتِفَادَةِ مِنْهُمَا وَقَالَ لِي لَيْسَ مِنْ هُنَا إِلَى مَكَّةَ مَنْ هُوَ فَوْقَهُمَا فِي هَذَا الْبَابِ أَوْ كَلامًا مَعْنَاهُ هَذَا وَتُوُفِّيَ فِي سَنَةِ 533 نَقَلْتُ
আবু আলীর সুবাইয়্যাত (সাত রাবীবিশিষ্ট হাদিসসমূহ), যা আমাদের শায়খ হাফেজ আবু আল-রাবি সুলায়মান ইবনে মুসা ইবনে সালিম আল-কালাঈ তাঁর জন্য তিনটি খণ্ডে সংকলন করেছেন; এটি তাঁর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপি হিসেবে আমার নিকট রয়েছে এবং আমি তাঁর নিকট এর সম্পূর্ণটি পাঠ করেছি। আমি আল-মাহামিলির হাদিস পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছি—যা পনেরো খণ্ডে সমাপ্ত—আবু আল-খাত্তাব ইবনে ওয়াজিবের সূত্রে; এর অধিকাংশ আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি এবং অবশিষ্ট অংশের জন্য তিনি আমাকে অনুমতি (ইজাযত) প্রদান করেছেন। তিনি এটি কাজী আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে সা’দাহর নিকট পাঠ করেছিলেন এবং তিনি এটি আবু আলীর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন। হাফেজ আবু আল-ওয়ালিদ ইউসুফ ইবনে আবদুল আজিজ, যিনি ইবনুল দাব্বাগ নামে পরিচিত, তাঁর ‘মু’জামু শুয়ুখ’ গ্রন্থে এই আবু আল-আব্বাসের সূত্রে কিছু বর্ণনা সংকলন করেছেন। আমি তাঁর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপিতে পাঠ করেছি যে, ফকীহ আবু আলী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আসিম অর্থাৎ আবু আল-হাসান আল-আসিমী আমাকে তাঁর স্বরচিত কবিতা থেকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

আমি শপথ করেছি এবং আমার অশ্রু সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, তোমার অত্যধিক বিচ্ছেদে আমি কী নিদারুণ যাতনা সহ্য করছি।

তুমি যদি আমার দাবি অস্বীকার করো—অথচ তুমি অস্বীকারকারী হিসেবে পরিচিত হওয়া থেকে পবিত্র—

তবে জেনে রেখো, নবী (আলাইহিস সালাম) একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে শপথের মাধ্যমেই বিচারকার্য সম্পন্ন করেছেন।

আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-লাখমী আবু জাফর, যিনি ইবনুল মুখী নামে পরিচিত; তিনি সেভিলের অধিবাসী ছিলেন এবং কর্ডোভাতে বসবাস করতেন। তাঁর পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল শাদুনা প্রদেশের শারিশ অঞ্চলের শাররানা নামক গ্রামে। তিনি একজন পরামর্শক ফকীহ ছিলেন এবং নিজ যুগে হাদিসশাস্ত্রে অনন্য মেধার অধিকারী ছিলেন। আবু আলী তাঁর নিকট পত্র লিখেছিলেন এবং তাঁর থেকে অনুমতিসূত্রে (ইজাযত) হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি আবু আল-রাবি ইবনে সালিমের নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর ইবনে হাকামের নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: কাজী আবু আল-ফজল ইয়াজ ইবনে মুসা ইবনে ইয়াজের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আবুল উলা ইবনে জুহর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার সফরকালে হাফেজ আবু আলী আল-জাইয়্যানীর সান্নিধ্যে ছিলাম, তখন তিনি আমাকে দুই ফকীহ ও মুহাদ্দিস আবু বকর ইবনে মাফওয়াজ এবং আবু জাফর ইবনে আবদুল আজিজের সোহবত গ্রহণ ও তাঁদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, ‘এখান থেকে মক্কা পর্যন্ত এই শাস্ত্রে তাঁদের ঊর্ধ্বে আর কেউ নেই’, অথবা এই অর্থবোধক কোনো কথা বলেছিলেন। তিনি ৫৩৩ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। (আমি তা নকল করেছি)।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٨)
مِنْ خَطِّ أَبِي عَلِيٍّ الصَّدَفِيِّ وَحَدَّثَنِي أَبُو الْخَطَّابِ عُمَرَ بْنُ حَسَنٍ الْكَلْبِيُّ نَزِيلُ الْقَاهِرَةِ فِي آخَرِينَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ خَيْرٍ قال نا أبو جعفر ابن عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنَّ أَبَا عَلِيِّ بْنِ سُكَّرَةَ كَتَبَ إِلَيْهِ وَحَدَّثَنِي جَمَاعَةٌ عَنِ ابْنِ سَعَادَةَ وَغَيْرِهِ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أبي العباس أحمد ابن إِبْرَاهِيمَ الرَّازِيِّ أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ بْنِ حَسَّانٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمَأْمُونِ أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمِسْوَرِ البزار نا مِقْدَامُ بْنُ دَاوُدَ نا أَسَدُ بْنُ مُوسَى نا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ الْجَزَرِيُّ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَاجٍ عَنْ حَدِيثِ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَكَلْتُ ثَرِيدَةً بِلَحْمٍ سَمِينٍ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أمجشاه فقال اكفف أو احبس عليك من حشايك أَبَا جُحَيْفَةَ فَإِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ شِبَعًا فِي الدُّنْيَا أَطْوَلَهُمْ جُوعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ فَمَا أَكَلَ أَبُو جُحَيْفَةَ بِمِلْءِ بَطْنِهِ حَتَّى فَارَقَ الدنيا كان إذا تغذى لا يَتَعَشَّى وَإِذَا تَعَشَّى لا يَتَغَدَّى.

؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟؟ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى بْنِ عَطَا اللَّهِ الصُّنْهَاجِيُّ أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ الْعَرِيفِ أَصْلُ أَبِيهِ مِنْ طَنْجَةَ وَكَانَ بِقَصَبَةِ الْمَرِيَّةِ فِي رِجَالِ ابْنِ صُمَادِحٍ وَنَشَأَ ابْنُهُ هَذَا وَقَدْ مَسَّتْهُ الحاجة فرفعه في صغره إلى حايل يعلمه وأبي هو لا تَعَلُّمَ الْقُرْآنِ وَتَعَلُّقَ الْكُتُبِ فَكَانَ يَنْهَاهُ وَيُخَوِّفُهُ وَدَارَ لَهُ مَعَهُ مَا كَادَ يُتْلِفُهُ إِلَى أن تركه لقصده فنجا نَسِيجَ وَحْدِهِ اقْتَضَبْتُ هَذَا مِمَّا حَكَى أَبُو عُمَرَ بْنِ عَيَّادٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ نُمَارَةَ فِي أَوَّلِيَّتِهِ وَأَخْبَرَ عَنْهُ
আবু আলী আস-সাদাফীর হস্তলিপি থেকে; কায়রো নিবাসী আবুল খাত্তাব উমর বিন হাসান আল-কালবী এবং অন্যান্যরা আবু বকর বিন খাইর থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের বর্ণনা করেছেন যে, আবু আলী বিন সুক্কারা তাকে লিখে জানিয়েছেন; এবং একদল বর্ণনাকারী ইবনে সা’আদাহ ও অন্যান্যদের সূত্রে আবু আলী থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ইবরাহিম আর-রাজির নিকট পাঠ করেছি যে, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ বিন হাসসান (যিনি ইবনুল মামুন নামে পরিচিত) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-মিসওয়ার আল-বাযযার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিকদাম বিন দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসাদ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন সাবিত আল-জাযারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়ালিদ বিন আমর বিন সাজ থেকে, তিনি আউন বিন আবু জুহাইফাহর বর্ণিত হাদীস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি চর্বিযুক্ত গোশতসহ থারিদ আহার করেছিলাম, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে আমি ঢেঁকুর তুলছিলাম। তখন তিনি বললেন: "হে আবু জুহাইফাহ, তোমার ঢেঁকুর আমাদের থেকে নিবৃত রাখো অথবা সংবরণ করো; কেননা দুনিয়াতে যারা সর্বাধিক তৃপ্তিসহকারে উদরপূর্তি করে, কিয়ামতের দিন তারাই হবে দীর্ঘতম সময়ের ক্ষুধার্ত।" বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে আবু জুহাইফাহ ইহকাল ত্যাগ করা পর্যন্ত আর কখনো পেট পূর্ণ করে আহার করেননি। তিনি যখন দুপুরের খাবার খেতেন তখন রাতের খাবার খেতেন না, আর যখন রাতের খাবার খেতেন তখন দুপুরের খাবার খেতেন না।

আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আতা উল্লাহ আস-সিনহাজি আবুল আব্বাস ইবনুল আরিফ। তার পিতার আদি নিবাস ছিল তাঞ্জা। তিনি আলমেরিয়ার দুর্গে ইবনে সুমাদিহ-এর অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তার এই পুত্র দারিদ্র্যের কশাঘাতে বড় হয়েছেন। শৈশবে তার পিতা তাকে কাজ শেখানোর জন্য এক কারিগরের কাছে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কুরআন শিক্ষা এবং কিতাবাদি পাঠের প্রতি আসক্তি ছাড়া অন্য সবকিছু প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে তার পিতা তাকে বাধা দিতেন এবং ভয় দেখাতেন। তাদের উভয়ের মধ্যে এমন তিক্ততা তৈরি হয়েছিল যা প্রায় তাকে বিনাশ করে দিচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত পিতা তাকে তার লক্ষ্য অনুযায়ী ছেড়ে দিলেন এবং তিনি একজন অনন্য ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্বে পরিণত হলেন। আবু উমর বিন আইয়াদ তার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে আবু বকর বিন নুমারা থেকে যা বর্ণনা করেছেন এবং সংবাদ দিয়েছেন, তা থেকে আমি এটি সংক্ষেপিত ও উদ্ধৃত করেছি।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ١٩)
أَنَّ أَبَاهُ كَانَ يَقُولُ فِي زِيَارَتِهِمْ إِيَّاهُ رأى أبي كان أرشد من رأى إِنِّي لأَعْلَمُ أَنِّي بِهِ أَكْرَمُ أَوْ مَا هَذَا مَعْنَاهُ قَالَ وَقَرَأَ الْقُرْآنَ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ الْبرجنِيِّ بِالْمَرِيَّةِ وَعَلَى أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ النحاس وَأَبِي جَعْفَرٍ الْخَزْرَجِيِّ بِقُرْطُبَةَ وَسَمِعَ الْحَدِيثَ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ الصَّدَفِيِّ وَلَهُ رِوَايَةٌ بِبَلَدِهِ عَنْ أَبِي خَالِدٍ يَزِيدَ مَوْلَى الْمُعْتَصِمِ وَأَبِي بَكْرٍ عُمَرَ بْنِ رِزْقٍ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ الْفَصِيحِ وَأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ الْحَنَّاطِ الْقَرَوِيِّ وَغَيْرِهِمْ وروى كتاب الفصوص لصاعد عن أبي مُحَمَّدٍ الرَّكَلِيِّ عَنْ أَبِي مَرْوَانَ بْنِ حَيَّانَ عَنْهُ وَيَرْوِيهِ أَيْضًا عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ النَّحَّاسِ عَنْ أَبِي مَرْوَانَ بْنِ سِرَاجٍ عَنِ ابْنِ حَيَّانَ سَمِعَهُ عَلَيْهِ مَعَ ابْنِهِ عُمَرَ بن حيان بقراة مُهَاجِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَزْمٍ فِي شَعْبَانَ سنة 444 عن صاعد وتصدر بالمرية للإقرأ وَقَدْ أَقْرَأَ بِسَرَقُسْطَةَ وَوَلِيَ الْحِسْبَةَ بِبَلَنْسِيَةَ وَكَانَ ينوع خطه فيحيد وبعد صيته في الزهادة العبادة وَكَثُرَ أَتْبَاعُهُ عَلَى طَرِيقَتِهِ الصُّوفِيَّةِ حَتَّى نُمِيَ ذَلِكَ إِلَى أَمِيرِ الْمُلَثَّمِينَ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ بن تاشفين ويقال أن فقيهاً بلده اتفقوا على إنكار مذاهبه فَسَعَوْا بِهِ إِلَى السُّلْطَانِ وَحَذَّرُوهُ مِنْ جَانِبِهِ فَأَمَرَ بِإِشْخَاصِهِ إِلَيْهِ مِنَ الْمَرِيَّةِ مَعَ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَيُورْقِيِّ مِنْ غَرْنَاطَةَ وأبي الْحَكَمِ بْنِ بَرَّجَانَ مِنْ إِشْبِيلِيَةَ وَكَانُوا نَمَطًا وَاحِدًا فِي الانْتِحَالِ وَالاتِّصَافِ بِصَلاحِيَةِ الْحَالِ وَلأَبِي الحكم الشفوق عليهم حتى قيل فيه غزّ إلى الأَنْدَلُسَ فَسُيِّرُوا جَمِيعًا إِلَى مَرَّاكُشَ وَلَمْ يَقُمْ بِهَا ابْنُ الْعَرِيفِ إِلا قَلِيلا وَتُوُفِّيَ فِي صَفَرٍ سَنَةَ 536 وَاحْتَفَلَ النَّاسُ بِجِنَازَتِهِ هَذَا مَا أَوْرَدَ ابْنُ بَشْكُوَالَ فِي تَارِيخِهِ مِنْ خَبَرِ وَفَاتِهِ قَالَ وَنَدِمَ السُّلْطَانُ عَلَى مَا كَانَ مِنْهُ فِي جَانِبِهِ وَظَهَرَتْ لَهُ كَرَامَاتٌ وَحَكَى ابْنُ عَيَّادٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْعَزَّالِ وَكَانَ مُخْتَصًّا بِابْنِ الْعَرِيفِ أَنَّ ابْنَ تَاشَفِينَ أنكر

তাঁর পিতা তাঁদের সাক্ষাতের সময় বলতেন যে, আমার পিতা যাঁদের দেখেছিলেন তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিলেন। আমি জানি যে, তাঁর কারণেই আমি অধিক সম্মানিত হয়েছি, অথবা এমন কোনো অর্থবোধক কথা। তিনি বলেন, তিনি আল-মেরিয়াতে আবুল হাসান আল-বুরজানি এবং কর্ডোভাতে আবুল কাসিম ইবনুন নাহহাস ও আবু জাফর আল-খাজরাজির নিকট কুরআন পাঠ করেছেন। তিনি আবু আলী আস-সাদাফির নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিজ শহরে মুতাসিম-এর মুক্তদাস আবু খালিদ ইয়াজিদ, ইবনুল ফাসিহ নামে পরিচিত আবু বকর উমর ইবনু রিজক এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির ইবনুল হান্নাত আল-কারাভি ও অন্যান্যদের থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে। তিনি সাঈদের লিখিত 'কিতাবুল ফুসুস' গ্রন্থটি আবু মুহাম্মদ আর-রাকালির মাধ্যমে আবু মারওয়ান ইবনু হাইয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবুল কাসিম ইবনুন নাহহাসের মাধ্যমে আবু মারওয়ান ইবনু সিরাজ থেকে এবং তিনি ইবনু হাইয়ানের মাধ্যমেও বর্ণনা করেন। তিনি এটি ইবনু হাইয়ানের ছেলে উমর ইবনু হাইয়ানের সাথে ৪৪৪ হিজরি সনের শাবান মাসে মুহাজির ইবনু মুহাম্মদ ইবনু হাজমের পাঠের মাধ্যমে সাঈদ থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি আল-মেরিয়াতে কুরআন পাঠদানের জন্য প্রধান আসনে আসীন হন এবং সারাগোসাতেও পাঠদান করেন। এছাড়া তিনি ভ্যালেন্সিয়াতে বাজার পরিদর্শকের (হিসবাহ) দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তাঁর হস্তলিপি বৈচিত্র্যময় করতেন এবং তাতে নৈপুণ্য দেখাতেন। যুহদ (সংসারবিরাগ) ও ইবাদতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তাঁর সুফি তরিকার অনুসারীর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছিল। এমনকি বিষয়টি মুলাসসামিনদের আমির আলী ইবনু ইউসুফ ইবনু তাশফিনের কর্ণগোচর হয়। বলা হয় যে, তাঁর শহরের ফকিহগণ তাঁর মতাদর্শের বিরোধিতায় একমত হয়েছিলেন। ফলে তারা সুলতানের নিকট তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন এবং তাঁর ব্যাপারে সুলতানকে সতর্ক করেন। অতঃপর সুলতান তাঁকে আল-মেরিয়া থেকে, গ্রানাডা থেকে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-মায়ুরকিকে এবং সেভিল থেকে আবুল হাকাম ইবনু বাররাজানকে তাঁর দরবারে উপস্থিত করার নির্দেশ দেন। তাঁরা আদর্শগতভাবে এবং চারিত্রিক গুণাবলীতে একই পথের পথিক ছিলেন। আবুল হাকাম তাঁদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ছিলেন, এমনকি তাঁর সম্পর্কে বলা হতো যে তিনি আন্দালুসের জন্য এক মহা নেয়ামত। অতঃপর তাঁদের সকলকে একত্রে মাররাকেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ইবনুল আরিফ সেখানে অল্প কিছুকাল অবস্থান করেন এবং ৫৩৬ হিজরি সনের সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জানাজায় মানুষের ব্যাপক সমাগম ঘটেছিল। ইবনু বাশকুয়াল তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে তাঁর মৃত্যুর এই খবরটি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সুলতান তাঁর প্রতি যে আচরণ করেছিলেন সে জন্য অনুতপ্ত হয়েছিলেন এবং তাঁর কিছু অলৌকিক ঘটনা (কারামত) প্রকাশিত হয়েছিল। ইবনু আইয়াদ আবু আব্দুল্লাহ আল-আজজালের সূত্রে বর্ণনা করেন—যিনি ইবনুল আরিফের ঘনিষ্ঠ ছিলেন—যে ইবনু তাশফিন অস্বীকার করেছিলেন...

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
عليه تسرعه وَقَدْرَ فَضْلِهِ وَصَلاحِهِ لَدَيْهِ فَوَرَدَ أَمْرُهُ تَخْلِيَةُ سَبِيلِهِ وَقَدْ بَلَغَ الْمُوَكَّلُونَ بِهِ سَبْتَةَ فَمَرِضَ بِعَقِبِ ذَلِكَ وَتُوُفِّيَ هُنَالِكَ وَقِيلَ إِنَّهُ سُمَّ فِي طَرِيقِهِ بَعْدَ مَا أَجَازَ الْبَحْرَ وَالأَوَّلُ أَصَحُّ وَقَبْرُهُ وَقَبْرُ ابْنُ بَرَّجَانَ بِمَرَّاكُشَ مُتَلاصِقَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الأندرشِيُّ الْحَاكِمُ نا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلِيفَةَ المقري الإِشْبِيلِيُّ نا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن موسى الزاهد قال قرى عَلَى أَبِي عَلِيٍّ حُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الإِمَامِ الْحَافِظِ وَأَنَا أَسْمَعُ أَنَا الشَّيْخُ) الصَّالِحُ (أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بن فهد العلاف قراة مِنِّي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ نا الشَّيْخُ أَبُو الْفَتْحِ محمد بن أحمد بن أبي الفوارس أملأ بِجَامِعِ الرُّصَافَةِ أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الصَّوَّافِ نا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ هُوَ أَبُو شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنِي يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ عبد الله نا الأوزاعي قال حدثني هرون بْنُ رَيَّابٍ قَالَ دَخَلَ الأَحْنَفُ) بْنُ قَيْسٍ (مَسْجِدَ دِمَشْقَ فَإِذَا بِرَجُلٍ يُكْثِرُ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ فَقَالَ وَاللَّهِ لا أَبْرَحُ حَتَّى أَنْظُرَ عَلَى شَفْعٍ يَدْرِي يَنْصَرِفُ أَوْ عَلَى وِتْرٍ قَالَ فَلَمَّا انْصَرَفَ الرَّجُلُ قَالَ لَهُ الأَحْنَفُ يَا عَبْدَ اللَّهِ هَلْ تَدْرِي عَلَى شَفْعٍ انْصَرَفْتَ أو على وتر قال لا أَكُنْ أَدْرِي فَإِنَّ اللَّهَ يَدْرِي سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ بَكَى ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ بَكَى ثُمَّ قال سمعت خليي أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَا مِنْ عَبْدٍ سَجَدَ لِلَّهِ سَجْدَةً إِلا رَفَعَهُ اللَّهُ بِهَا دَرَجَةً وَحَطَّ عَنْهُ بِهَا حطية قُلْتُ مَنْ أَنْتَ يَا عَبْدَ اللَّهِ قَالَ أَنَا أَبُو ذَرٍّ قَالَ فَتَقَاصَرْتُ إِلَى نَفْسِي مِمَّا وَقَعَ فِي نَفْسِي عَلَيْهِ وَبِهِ إِلَى ابْنِ أَبِي الْفَوَارِسِ قَالَ نا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَرَّاقُ نا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ نا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ؟؟ الْمَرْوَزِيُّ أَنَا نُوحُ بْنُ الْهَيْثَمِ نا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ

তাঁর প্রতি তাঁর (কর্তৃপক্ষের) দ্রুত পদক্ষেপ এবং তাঁর নিকট তাঁর মর্যাদা ও যোগ্যতার পরিমাণ অনুযায়ী তাঁর মুক্তির আদেশ জারি হলো। যারা তাঁর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল তারা যখন সেউতা পৌঁছাল, তখন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করলেন। বলা হয় যে, সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার পর পথিমধ্যে তাঁকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল, তবে প্রথম বর্ণনাটিই অধিকতর সঠিক। তাঁর কবর এবং ইবনে বাররাজানের কবর মাররাকেশে একে অপরের সংলগ্ন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-আন্দারাশি আল-হাকিম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে খলিফা আল-মুকরি আল-ইশবেলি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আজ-জাহিদ, তিনি বলেন—ইমাম হাফেজ আবু আলি হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ-এর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম: (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন) সৎ শায়খ আবুল কাসিম আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ফাহদ আল-আল্লাফ, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার সরাসরি পাঠের মাধ্যমে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়খ আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবিল ফাওয়ারিস, রুশাফা জামে মসজিদে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আস-সাওয়াফ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসান, তিনি হলেন আবু শুয়াইব আল-হাররানি; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনে আব্দুল্লাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওজায়ি; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে রাইয়াব। তিনি বলেন—আহনাফ ইবনে কাইস দামেস্কের মসজিদে প্রবেশ করলেন। সেখানে তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন যিনি প্রচুর রুকু ও সিজদা করছেন। তিনি (আহনাফ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি এখান থেকে নড়ব না যতক্ষণ না দেখি যে তিনি জোড় রাকাতে সালাত শেষ করেন নাকি বেজোড় রাকাতে। রাবী বলেন—যখন লোকটি সালাত শেষ করলেন, তখন আহনাফ তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনি কি জানেন যে আপনি জোড় রাকাতে সালাত শেষ করেছেন নাকি বেজোড় রাকাতে? তিনি বললেন, আমি না জানলেও আল্লাহ তো জানেন। এরপর তিনি বললেন—আমি আমার বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—অতঃপর তিনি কাঁদলেন। পুনরায় বললেন, আমি আমার বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—অতঃপর তিনি কাঁদলেন। এরপর আবারও বললেন, আমি আমার বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "কোনো বান্দা যখনই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি সিজদা করে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তাঁর মর্যাদা এক স্তর বৃদ্ধি করে দেন এবং তাঁর একটি পাপ মোচন করে দেন।" আমি বললাম, হে আল্লাহর বান্দা, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি আবু যার। আহনাফ বলেন—তখন তাঁর প্রতি আমার মনে (তুচ্ছজ্ঞানের) যে ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণে আমি নিজের কাছে নিজে সংকুচিত হয়ে গেলাম। এবং উক্ত সনদে ইবনে আবিল ফাওয়ারিস পর্যন্ত; তিনি বলেন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আহমাদ আল-ওয়াররাক; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ আল-মাদানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে হাসান আল-মারওয়াজি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নূহ ইবনে হাইসাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে খলিফা।

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢١)
عَنْ سَلَمَةَ بْنِ نبيطٍ قَالَ كُنَّا بِخُرَاسَانَ جُلُوسًا عِنْدَ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَسَأَلَهُ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ عز وجل إِنَّا نراك من المحسنين مَا كَانَ إِحْسَانُ يُوسُفَ عليه السلام قَالَ كان إذا ضَاقَ عَلَى رَجُلٍ مَكَانَهُ وَسَّعَ لَهُ وَإِنِ احْتَاجَ جَمَعَ لَهُ أَوْ سَأَلَ لَهُ وَإِنْ مَرِضَ قَامَ عَلَيْهِ وَمِنْ شِعْرِ ابْنِ الْعَرِيفِ الَّذِي يَسْتَجْلِي بِهِ الْخَطْبَ الْبَهِيمِ وَيَسْتَجْفِي لَهُ رَطْبَ النَّسِيمِ مَا يَرْوِيهِ أَبُو الصَّبْرِ أَيُّوبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفِهْرِيُّ وَحَدَّثَنِي غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْهُ قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو الرَّبِيعِ سُلَيْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ يُوسُفَ الْكِنَانِيُّ الْمَالِقِيُّ بِمَنْزِلِهِ فِي مَنَازِلِ الْمُعِزِّ بِمِصْرَ

قَالَ أَنْشَدَنِي الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ الْعَرِيفِ لِنَفْسِهِ:

سَلُوا عَنِ الشَّوْقِ مَنْ أَهْوَى فَإِنَّهُمُ أَدْنَى إِلَى النَّفْسِ من نفسي ومن نفس

ما زلت مذ سكنوا قلبي أصون لهم بخطي وَسَمْعِي وَنُطْقِي إِذْ هُمُ أُنُسِي

فَمَنْ رَسُولِي إلى قلبي ليسلهم عَنْ مُشْكِلٍ مِنْ سُؤَالِ الصَّبِّ مُلْتَبِسِ

حَلُّوا فؤادي فما يندي ولو وطئوا صخر الجاد بها مِنْهُ مُنْبَجِسِ

وَفِي الْحَشَى نَزَلُوا وَالْوَهْمُ يَجْرَحُهُمْ فكيف قروا على أذكى من القبس

لا نهضن إلى حشري بحبهم لا بارك الله في من حانهم فنسى

وهده الأَبْيَاتُ أَنْشَدَ أَبُو بَكْرِ بْنُ خَيْرٍ فِي بَرْنَامَجِهِ أَرْبَعَةً مِنْهَا وَقَالَ
সালামাহ ইবন নুবাইত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা খোরাসানে দাহহাক ইবন মুজাহিমের নিকট বসা ছিলাম। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন: "নিশ্চয় আমরা আপনাকে অনুগ্রহকারীদের অন্তর্ভুক্ত দেখছি।" ইউসুফ আলাইহিস সালামের অনুগ্রহ কী ছিল? তিনি বললেন: যখন কোনো ব্যক্তির জায়গা সংকীর্ণ হতো, তিনি তার জন্য তা প্রশস্ত করে দিতেন; যখন কেউ অভাবগ্রস্ত হতো, তিনি তার জন্য সাহায্য সংগ্রহ করতেন অথবা কারো কাছে সাহায্য চাইতেন; এবং যখন কেউ অসুস্থ হতো, তিনি তার সেবা-শুশ্রূষা করতেন। আর ইবনুল আরিফের কবিতা থেকে, যার মাধ্যমে ঘোর বিপদ দূরীভূত হয় এবং যার জন্য স্নিগ্ধ সমীরণ বয়ে যায়, যা আবুস সাবর আইয়ুব ইবন আব্দুল্লাহ আল-ফিহরি বর্ণনা করেন এবং আমার নিকট একাধিক ব্যক্তি তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল রাবি সুলাইমান ইবন উমর ইবন ইউসুফ আল-কিনানি আল-মালিকি মিশরের মানাজিলুল মুয়িজ-এ অবস্থিত তাঁর নিজ বাসভবনে আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

তিনি বলেন, ফকিহ ও জাহেদ আবুল আব্বাস ইবনুল আরিফ আমাকে তাঁর স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

যাদের আমি ভালোবাসি তাদের কাছেই আমার ব্যাকুলতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো, কারণ তারা আমার প্রাণের নিকট আমার নিজের এবং অন্য যেকোনো প্রাণের চেয়েও অধিক নিকটবর্তী।

যবে থেকে তারা আমার হৃদয়ে বসতি গড়েছেন, তবে থেকেই আমি আমার দৃষ্টি, শ্রবণ এবং বাকশক্তির মাধ্যমে তাদের মর্যাদা রক্ষা করছি, কারণ তারাই আমার একান্ত আপন।

এখন আমার হৃদয়ের পানে আমার দূত কে হবে, যে তাদের কাছে কোনো প্রেমিকের অস্পষ্ট ও জটিল প্রশ্নগুলো নিবেদন করবে?

তারা আমার হৃদয়ে ঠাঁই নিয়েছেন যা কখনো আর্দ্র হয় না, অথচ তারা যদি কোনো পাথুরে ভূমিতে পদার্পণ করতেন, তবে তা থেকে ঝর্ণাধারা উৎসারিত হতো।

তারা পাঁজরের অভ্যন্তরে অবতরণ করেছেন যেখানে নিছক কল্পনাও তাদের ব্যথিত করে, তবে তারা আগুনের শিখার চেয়েও প্রখর উত্তাপের ওপর কীভাবে স্থির থাকলেন?

আমি যেন তাদের ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়েই হাশরের ময়দানে উঠতে পারি; আল্লাহ সেই ব্যক্তির ওপর কল্যাণ না দিন যে তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল এবং অতঃপর বিস্মৃত হলো।

আর এই কবিতাগুলো থেকে আবু বকর ইবন খাইর তাঁর 'বারনামাজ'-এ চারটি কবিতা আবৃত্তি করেছেন এবং বলেছেন:
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
سَأَلْتُهُ أَنْ يُجِيزَ لِي جَمِيعَ مَا رَوَاهُ وَأَلَّفَهُ وَأَجَابَ فِيهِ وَجَمِيعَ مَنْثُورِهِ وَمَنْظُومِهِ فَأَجَازَ لِي ذَلِكَ كُلَّهُ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ 534 وَحَدَّثَنَا عَنِ ابْنِ خَيْرٍ جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا قَدْ ذَكَرْتُ بَعْضَهُمْ وَأَنْشَدَنَاهَا بِجُمْلَتِهَا صَاحِبُنَا الْكَاتِبُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عُمَرَ الرَّبَعِيُّ بِحَضْرَةِ تُونُسَ كَلاهَا اللَّهُ قَالَ أَنْشَدَنِي أَبُو سهل يونس الْجُذَامِيُّ بِهَا قَالَ أَنْشَدَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَلِيحٍ الْحَضْرَمِيُّ قَالَ أَنْشَدَنَا الأُسْتَاذُ النَّحْوِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْمَدَرَةِ قَالَ أَنْشَدَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ الْعَرِيفِ لِنَفْسِهِ فَذَكَرَهَا وَقَالَ أَدْنَى إِلَى الْوَهْمِ فِي الْبَيْتِ الأَوَّلِ وَقَالَ فَمَنْ رَسُولِي إِلَيْهِمْ كَيْ يسايلهم فِي الْبَيْتِ الثَّالِثِ وَقَدْ حَدَّثَنَا مِنْ أَصْحَابِنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ ابْنُ فرتُونَ مُكَاتَبَةً مِنْ سَبْتَةَ وَأَبُو عَمْرٍو عَيْشُونُ بْنُ مُحَمَّدٍ اللَّخْمِيُّ لَفْظًا بِتُونُسَ وَغَيْرُهُمَا قَالُوا أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْخَزْرَجِيُّ الْقُرْطُبِيُّ نَزِيلُ مَدِينَةِ فَاسَ عَنِ ابْنِ الْعَرِيفِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْخَوْلانِيُّ أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أحمدوسَ وَيُعْرَفُ أَيْضًا بِالْقرباقِيِّ مِنْ أَهْلِ مُرْسِيَةَ لَهُ سَمَاعٌ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ وَلا يَتَّصِلُ لَنَا بِهِ إِسْنَادٌ وَأَمَّا ابْنُهُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ فمذكور في بابه وقد حرجت من حدمه هُنَالِكَ وَفِي السَّامِعِينَ مِنْ أَبِي عَلِيٍّ رِيَاضَةَ الْمُتَعَلِّمِينَ لأَبِي نُعَيْمٍ بِتَارِيخِ سَنَةِ 494 أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ مِنْ أَهْلِ مُرْسِيَةَ وَلا أَعْرِفُهُ وَوَالِدُ شَيْخِنَا أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي جَمْرَةَ هُوَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُوسَى وَلَمْ يَبْلُغْنِي أَنَّ لَهُ رِوَايَةً عن أبي علي ولا يبعد ذلك.

আমি তাঁকে অনুরোধ করেছিলাম যেন তিনি আমাকে তাঁর বর্ণিত সকল হাদিস, তাঁর সংকলিত ও উত্তর প্রদানকৃত সকল রচনা এবং তাঁর রচিত সমস্ত গদ্য ও পদ্যের ইজাজত প্রদান করেন। তিনি ৫৩৪ হিজরী সালের জিলকদ মাসে আমাকে সেই সবকিছুর ইজাজত দান করেন। আমাদের শায়খদের একদল ইবনে খাইর থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাঁদের কয়েকজনকে আমি ইতোমধ্যেই উল্লেখ করেছি। আমাদের সাথী লেখক আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহিদ বিন উমর আর-রাবায়ি তিউনিস শহরে অবস্থানকালে আমাদের নিকট তা পূর্ণাঙ্গভাবে আবৃত্তি করেছেন—আল্লাহ শহরটিকে হেফজ করুন। তিনি বলেন, আমাকে সেখানে আবু সাহল ইউনুস আল-জুযামি এটি আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মালিহ আল-হাদরামি আবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট নাহুবিদ উস্তাদ আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-মাদারাহ আবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আব্বাস বিন আল-আরিফ নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন এবং তিনি তা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, প্রথম পংক্তিতে 'আদনা ইলাল ওয়াহমি' এবং তৃতীয় পংক্তিতে 'ফামান রাসুলি ইলাইহিম কাই ইউসায়িলাহুম' পাঠ রয়েছে। আমাদের সাথীদের মধ্য হতে আবু আব্বাস আহমদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি ইবনে ফারতুন সেউতা থেকে পত্রের মাধ্যমে এবং আবু আমর আইশুন বিন মুহাম্মদ আল-লাখমি তিউনিসে মৌখিকভাবে এবং আরও অনেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসিম আহমদ বিন উমর বিন আহমদ আল-খাজরাজি আল-কুরতুবি, যিনি ফাস শহরের অধিবাসী ছিলেন, তিনি ইবনে আল-আরিফ থেকে। আহমদ বিন আব্দুল মালিক আল-খাওলানি আবু আব্বাস, যিনি ইবনে আহমদুস নামে পরিচিত এবং আল-কিরবাকি হিসেবেও পরিচিত, তিনি মুরসিয়া অধিবাসী ছিলেন। আবু আলি থেকে তাঁর শ্রবণের প্রমাণ রয়েছে, তবে তাঁর সাথে আমাদের কোনো সংযুক্ত সনদ নেই। আর তাঁর পুত্র আবু হাসান আলী বিন আহমদ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে এবং সেখানে আমি তাঁর জীবনী সংক্রান্ত আলোচনা থেকে অবসর হয়েছি। ৪৯৪ হিজরী সালে আবু আলির নিকট হতে আবু নুআইমের 'রিয়াদাতুল মুতাআল্লিমিন' শ্রবণকারীদের মধ্যে মুরসিয়া নিবাসী আহমদ বিন মুসা বিন আব্দুল মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে আমি তাঁকে চিনি না। আমাদের শায়খ আবু বকর বিন আবু জামরার পিতা হলেন আহমদ বিন আব্দুল মালিক বিন মুসা। আবু আলির নিকট হতে তাঁর কোনো বর্ণনা আছে বলে আমার নিকট পৌঁছেনি, তবে তা অসম্ভব নয়।

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ مِنْ أَهْلِ مُرْسِيَةَ أَبُو جَعْفَرٍ أَحَدُ أَصْحَابِ أَبِي عَلِيٍّ وَلَمْ أَقِفْ عَلَى مَا سَمِعَ مِنْهُ وَكَانَتْ لَهُ رِحْلَةٌ حَجَّ فِيهَا وَاضْطَلَعَ بِالآدَابِ يُعْدَى جَهَابِذَةَ الْكُتَّابِ وَوَقَفْتُ لأَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْخِصَالِ عَلَى مُخَاطَبَاتٍ إِلَيْهِ تَزِيدُ عَلَى السِّتِّينَ أَشْرَكَ فِي بَعْضِهَا مَعَهُ أَخَاهُ أَبَا يَحْيَى مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ وَمَعَهُمَا فِي بَعْضٍ أَبَا الْعَبَّاسِ الْقرباقِيَّ وَأَخَذَاهَا مُؤَرَّخَةً بالمحرم 538 وَلَهُ يَقُولُ:

يَا حِفْظَ اللَّهِ أَخَا حَافِظًا اذْكُرْنِي الْعَهْدَ وَلَمْ أَنْسَهْ

وَكَانَ كَالْعَذْبِ عَلَى غِلَّةٍ يَعْرِضُ لِي مِنْ كُثْبِ نَفْسَهْ

مَنَّ بِقِرْطَاسٍ حَبَانِي بِهِ أَتْعَبُ فِي تَجْبِرَةِ خُمُسَهْ

رَدَّ بِهِ النُّورَ إِلَى نَاظِرٍ مِنْهُ اسْتَمَدَّتْ يَدُهُ نَفْسَهْ

وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ هَذَا وَأَخِيهِ أَبِي يَحْيَى أَبُو الْحَكَمِ عُبَيْدُ الله ابن عَلِيِّ بْنِ غلسدَةَ.

أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ التَّمِيمِيُّ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ وَرْدٍ وَهُوَ خَالُهُ غَلَبَتْ عَلَيْهِ النِّسْبَةُ إِلَيْهِ وَكَانَ أَبُوهُ مِنْ أَهْلِ الْقَيْرَوَانِ وَرَدَ الْمَرِيَّةَ فَأَوْطَنَهَا إِلَى أَنْ مَاتَ بِهَا وَنَشَأَ ابْنُهُ هَذَا فَكَانَ عَالِمَهَا الْمَنْظُورُ إِلَيْهِ وَحَبْرَهَا الْمُجْمَعُ عَلَيْهِ مَعَ التعتيق ودقة النظر ولطف الإستنباط ويوقد الزَّمَنِ وَحَكَى أَبُو عُمَرَ بْنُ عَيَّادٍ أَنَّ أَبَا الْقَاسِمِ هَذَا وَأَخَاهُ أَبَا مَرْوَانَ عَبْدَ الْمَلِكِ يُعَلِّقَا فِي أَوَّلِ أَمْرِهِمَا بِالسُّوقِ ثُمَّ انتقلا إلى الطلب وقراة الْعِلْمِ وَذَكَرَ إِجَازَةَ أَبِي الْقَاسِمِ إِيَّاهُ لِجَمِيعِ ما ألفه ورواه قال وتلمذ للقاضي أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُرَابِطِ وَاخْتَلَفَ إِلَيْهِ قَدِيمًا وَسَمِعَ مِنْهُ وَأَجَازَ لَهُ جَمِيعَ رِوَايَتِهِ
আহমদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে জাফর, মুরসিয়ার অধিবাসী, আবু জাফর। তিনি আবু আলীর অন্যতম সহচর ছিলেন; তবে তাঁর নিকট থেকে তিনি কী শ্রবণ করেছেন সে সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি। তিনি হজ্জের উদ্দেশ্যে সফর করেছিলেন এবং সাহিত্যে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন, যার ফলে তাঁকে দক্ষ লেখকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আবু আবদুল্লাহ ইবনে আবি আল-খিসালের পক্ষ থেকে তাঁর উদ্দেশ্যে লেখা ষাটেরও বেশি পত্র আমি দেখেছি, যার কোনো কোনোটিতে তিনি তাঁর ভাই আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মদ ইবনে আলী এবং তাঁদের উভয়ের সাথে কোনোটিতে আবু আব্বাস আল-কুরবাকিকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এই পত্রগুলো ৫৩৮ হিজরির মহররম মাসে তারিখযুক্ত ছিল। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে:

হে আল্লাহর হিফাযতকারী, হিফাযতকারী ভাই হিসেবে আমাকে সেই অঙ্গীকারটি স্মরণ করিয়ে দিন, যা আমি বিস্মৃত হইনি।

তৃষ্ণার্ত ব্যক্তির কাছে সুপেয় পানির মতো ছিল তাঁর সান্নিধ্য, যা আমার অন্তরের তৃষ্ণা মিটিয়ে দিত।

তিনি এক কাগজের স্ক্রল দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন যা তিনি আমাকে প্রদান করেছেন, যার এক পঞ্চমাংশ সংশোধন করতে গিয়ে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।

এর মাধ্যমে তিনি দৃষ্টিতে জ্যোতি ফিরিয়ে এনেছেন, যার হাত তাঁর নিজের সত্তা থেকেই শক্তি সঞ্চয় করেছে।

এই আবু জাফর এবং তাঁর ভাই আবু ইয়াহইয়া থেকে আবু আল-হাকাম উবায়দুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে গালসাদা বর্ণনা করেছেন।

আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আত-তামিমি, আবু আল-কাসিম ইবনে ওয়ার্দ; ওয়ার্দ ছিলেন তাঁর মামা, যার মাধ্যমেই তাঁর পরিচিতি প্রবল হয়েছিল। তাঁর পিতা কায়রোয়ানের অধিবাসী ছিলেন, তিনি আল-মেরিয়ায় আসেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই বসবাস করেন। তাঁর এই পুত্র সেখানেই বেড়ে ওঠেন এবং সেখানকার শীর্ষস্থানীয় ও সর্বজনস্বীকৃত আলেম হিসেবে গণ্য হন। তিনি ছিলেন দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, গভীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সূক্ষ্ম উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী ও সমকালের উজ্জ্বল নক্ষত্র। আবু উমর ইবনে আইয়াদ উল্লেখ করেছেন যে, এই আবু আল-কাসিম এবং তাঁর ভাই আবু মারওয়ান আবদুল মালিক তাঁদের প্রাথমিক জীবনে বাজারের কেনাবেচায় লিপ্ত ছিলেন, অতঃপর তাঁরা জ্ঞান অন্বেষণ ও ইলম অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাঁর রচিত ও বর্ণিত সকল বিষয়ের জন্য আবু আল-কাসিম কর্তৃক প্রদত্ত অনুমতির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, তিনি কাজী আবু আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুরাবিত-এর নিকট ছাত্রত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং দীর্ঘকাল তাঁর সান্নিধ্যে যাতায়াত করেছিলেন, তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তিনি তাঁকে তাঁর সকল বর্ণনার অনুমতি প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
عن الطلمنكي وابن ميقل وأبي عمرو المقري وَالْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ وَصَحِبَ بِالْمَرِيَّةِ أَيْضًا أبا محمد بن العسال الزاهد الطلمطلي وَأَبَا مُحَمَّدِ بْنَ سَابِقٍ الصَّقَلِيَّ وَدَرَسَ عَلَيْهِ الأُصُولَ وَكَانَ يَرْوِي كُتُبَ الْقَاضِي أَبِي بَكْرِ بْنِ الطَّيِّبِ الْبَاقِلانِيِّ عَنْ كَرِيمَةَ الْمَرْوَزِيَّةِ عَنْهُ ودرس الفقه على صاحب المطالم أبي اسحق بْنِ أَسْوَدَ الْغَسَّانِيِّ وَأَجَازَ لَهُ جَمِيعُهُمْ وَرَحَلَ إلى قرطبة قديماً فلقي بها من فقهايها الْمُسَاوِرِينَ وَحُفَّاظِهَا الْمُدَرِّسِينَ أَبَا الْقَاسِمِ أَصْبَغَ بْنَ الْمُنَاصِفِ وَأَبَا الْوَلِيدِ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ رُشْدٍ وَأَبَا الْوَلِيدِ هِشَامَ بْنَ أَحْمَدَ الْمَعْرُوفَ بِابْنِ الْعَوَّادِ فَنَاظَرَ عِنْدَهُمْ وَدَأَبَ عَلَى التَّفَقُّهِ بِأَبِي الْقَاسِمِ مِنْهُمْ وَقَيَّدَ الآدَابَ وَالْعَرِيبَ فِي تلك المدة على أبي الحسين بن سراج عالم الأدبا بِالأَنْدَلُسِ الْمُتَّسِعِ الدِّرَايَةِ عَلَى ضِيقِ الْمَجَالِ فِي الرِّوَايَةِ وَرَحَلَ إِلَى سِجِلْمَاسَةَ فِي سَنَةِ 493 أَوْ نَحْوِهَا فَسَمِعَ بِهَا صَحِيحَ الْبُخَارِيِّ مِنْ أَبِي مُحَمَّدٍ وَيُكَنَّى أَيْضًا أَبَا الْقَاسِمِ بَكَّارُ بْنُ برْهُونَ بْنِ الْغرديسِ وَكَانَ قَدْ حَجَّ قَدِيمًا وَسَمِعَ الْكِتَابَ مِنْ أَبِي ذَرٍّ الْهَرَوِيِّ وَعَمَّرَ طويلاً حتى انفرد براويته يقال أنه بلغ الماية أَوْ أَرْسَى عَلَيْهَا وَبَيْتُهُ شَهِيرٌ بِمَدِينَةِ فَاسَ وَنَزَلَ هُوَ سِجِلْمَاسَةَ وَسَمِعَ أَيْضًا مِنْ أَبِي الْحَسَنِ الْمُبَارَكِ بْنِ سَعِيدٍ الأَسَدِيِّ الْبَغْدَادِيِّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْخَشَّابِ أَحَدِ الرُّوَاةِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الْخَطِيبِ وَأَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقُضَاعِيِّ وَغَيْرِهِمَا وَلَمَّا ورد المرية أبو علي الغساني للأستشفا بِهَا صَمتهَا مِنَ الشِّكَايَةِ الَّتِي عَطَّلَتْهُ أَوَّلَ سنة 96 لازمه إذ ذاك وهو كان القاري لأَكْثَرِ مَا سَمِعَ مِنْهُ بِهَا مَعَ أَبِي الربيع سليمان بن حزم مَنْزِلِهِ وَمِنْ ذَلِكَ مُصَنَّفُ أَبِي دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيِّ وَكِتَابُ الاسْتِيعَابِ لأَبِي عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْبَرِّ وَتَأْلِيفُ أَبِي عَلِيٍّ الْمُتَرْجِمُ بِتَقْيِيدِ الْمُهْمَلِ وَتَمْيِيزِ الْمُشْكَلِ ثُمَّ رَحَلَ إِلَيْهِ إِلَى قُرْطُبَةَ
তিনি আত-তলামনকি, ইবনে মিকাল, আবু আমর আল-মুকরি এবং মুহাল্লাব বিন আবি সুফরা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি আলমেরিয়াতে জাহিদ আবু মুহাম্মদ বিন আল-আসসাল আত-তালামতালি এবং আবু মুহাম্মদ বিন সাবিক আস-সাকলির সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁর কাছে উসুল (মূলনীতি) অধ্যয়ন করেন। তিনি কারিমা আল-মারওয়াজিয়ার মাধ্যমে কাজী আবু বকর বিন আত-তায়্যিব আল-বাকিলানির গ্রন্থসমূহ তাঁর থেকে বর্ণনা করতেন। তিনি 'আল-মাতালিম' গ্রন্থের রচয়িতা আবু ইসহাক বিন আসওয়াদ আল-গাস্সানির নিকট ফিকহ অধ্যয়ন করেন এবং তাঁরা সকলেই তাঁকে (বর্ণনার) অনুমতি প্রদান করেন। তিনি প্রাচীনকালেই কর্ডোভায় সফর করেন এবং সেখানে ফকিহ ও শিক্ষক হাফেজদের সাক্ষাৎ লাভ করেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন আবুল কাসিম আসবাগ বিন আল-মুনাসিফ, আবুল ওয়ালিদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন রুশদ এবং ইবনুল আউওয়াদ নামে পরিচিত আবুল ওয়ালিদ হিশাম বিন আহমদ। তিনি তাঁদের নিকট বিতর্ক (মুনাজারা) করেন এবং আবুল কাসিমের নিকট ফিকহ অর্জনে ব্রতী হন। সেই সময়ে তিনি আন্দালুসের সাহিত্যিকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ আলিম আবুল হুসাইন বিন সিরাজের নিকট সাহিত্য ও বিরল শব্দাবলি লিপিবদ্ধ করেন, যিনি বর্ণনার ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জ্ঞানের গভীরতায় অত্যন্ত প্রশস্ত ছিলেন। তিনি ৪৯৩ হিজরী বা তার কাছাকাছি সময়ে সিজিলমাসায় সফর করেন এবং সেখানে আবু মুহাম্মদ (যাঁর উপনাম আবুল কাসিমও ছিল) বাক্কার বিন বুরহুন বিন আল-গারদিস থেকে সহীহ আল-বুখারী শ্রবণ করেন। তিনি (বাক্কার) অনেক আগে হজ করেছিলেন এবং আবু যারর আল-হারাবি থেকে কিতাবটি শ্রবণ করেছিলেন। তিনি দীর্ঘজীবী হয়েছিলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত উক্ত কিতাব বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি একক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। বলা হয় যে, তিনি একশ বছর পূর্ণ করেছিলেন বা তারও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন। ফেজ শহরে তাঁর বংশ প্রসিদ্ধ ছিল এবং তিনি সিজিলমাসায় বসবাস শুরু করেন। তিনি আবুল হাসান আল-মুবারক বিন সাঈদ আল-আসাদি আল-বাগদাদি (যিনি ইবনুল খাশশাব নামে পরিচিত) থেকেও শ্রবণ করেন; তিনি আবু বকর আল-খতিব, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুদায়ী এবং অন্যদের বর্ণনাকারীদের একজন ছিলেন। যখন আবু আলী আল-গাস্সানি ৯৬ হিজরীর শুরুতে অসুস্থতার কারণে নিরাময় লাভের আশায় আলমেরিয়াতে আগমন করেন যা তাঁকে নিস্তব্ধ করে দিয়েছিল, তখন তিনি তাঁর সান্নিধ্যে লেগে থাকেন। তাঁর আবাসে থাকাকালীন আবু রাবি সুলায়মান বিন হাজমের সাথে মিলে তিনি অধিকাংশ বর্ণনাই পাঠ করে শোনাতেন। তার মধ্যে ছিল আবু দাউদ আস-সিজিস্তানির মুসান্নাফ, আবু ওমর বিন আব্দুল বাররের 'আল-ইস্তিয়াব' এবং আবু আলীর স্বীয় সংকলন 'তাকয়ীদুল মুহমাল ওয়া তাময়ীযুল মুশকিল'। এরপর তিনি তাঁর সাথে কর্ডোভায় সফর করেন।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
فَسَمِعَ مِنْهُ الْمُوَطَّأَ وَصَحِيحَ الْبُخَارِيِّ وَأَجَازَ لَهُ وَشَهِدَ مَوْتَهُ هُنَالِكَ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ 498 وَبِالْمَرِيَّةِ سَمِعَ أَيْضًا مِنْ أَبِي عَلِيٍّ الصَّدَفِيِّ وَمِمَّا أَخَذَ عَنْهُ رِيَاضَةَ الْمُتَعَلِّمِينَ لأَبِي نُعَيْمٍ وَأَدَبَ الصحبة للسلمى سمعهما بقراة أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيَاضٍ الْمَنْتِيشِيِّ وَحَدَّثَ أبو محمد بن عبيد الله بِالنَّاسِخِ وَالْمَنْسُوخِ لِهِبَةِ اللَّهِ عَنْهُ عَنْ أَبِي عَلِيٍّ وَلَهُ رِوَايَةٌ عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْوَلِيدِ الْبَاجِيِّ وَعَنْ أَبِي الْحَجَّاجِ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى الْكَلْبِيِّ الضَّرِيرِ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ جُلَّةٌ شَارَكُوهُ فِي بَعْضِ شُيُوخِهِ وَلَهُ وَضْعٌ عَلَى الْمُدَوَّنَةِ وَتَعْلِيقٌ عَلَى صَحِيحِ الْبُخَارِيِّ ومسايل وَأَجْوِبَةٌ مُدَوَّنَةٌ عَنْهُ وَحَكَى شَيْخُنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ عَاتٍ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ عُلَيْمِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْحَافِظِ قَالَ كَانَ أَبُو الْقَاسِمِ بن ورد لا يوتى بكتاب لا نظر أعلاه وأسفله فإن وجد فيه فايدة نَقَلَهَا فِي أَوْرَاقٍ عِنْدَهُ حَتَّى جَمَعَ مِنْ ذَلِكَ مَوْضُوعًا وَسَمِعْتُ شَيْخَنَا أَبَا الرَّبِيعِ بْنَ مُوسَى يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا الْخَطَّابِ عُمَرَ بْنَ الْحَسَنِ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا مُوسَى عِيسَى بْنَ عِمْرَانَ يَقُولُ لَمْ يَكُنْ بِالأَنْدَلُسِ مِثْلُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ وَرْدٍ وَلا أُحَاشِي مِنَ الأَقْوَامِ مِنْ أَحَدٍ وَذَكَرَ ابْنُ عَيَّادٍ أَنَّهُ وَلِيَ قضا قُرْطُبَةَ وَذَلِكَ لا شَكَّ مِنْ أَوْهَامِهِ وَإِنَّمَا ولي قضاء غرناطة ثم قضا إِشْبِيلِيَةَ وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ شَاوَرَ بِهَا الْحَافِظَ أبا بكر بن الجد وَامْتُحِنَ فِيهِ بِصَرْفِهِ مُزْعَجًا مِنْهَا وَتَوْكِيلِ رِجَالٍ بِهِ لَمْ يُفَارِقُوهُ إِلَى أَنْ بَعُدَ عَنْهَا وَذَلِكَ فِي سَنَةِ 544 فَلَحِقَ بِالْمَرِيَّةِ وَأَقَامَ بِهَا يُسْمِعُ وَيُدَرِّسُ وَيُفْتِي إِلَى أَنْ تُوُفِّيَ فِي رمضان سنة 540 ويذكر أنه كفر فِي بُرْدٍ حَبِرَةٍ وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ 465 وَفِيهَا ولد أبو عبد الله ابن أَبِي الْخِصَالِ وَقِيلَ قَبْلَهَا وَأَمَّا وَفَاتُهُمَا فَفِي سَنَةٍ وَاحِدَةٍ حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي جَمْرَةَ فِي كِتَابِهِ قَالَ نا الْقَاضِي أَبُو

তিনি তাঁর নিকট মুওয়াত্ত্বা এবং সহীহ আল-বুখারী শ্রবণ করেছেন এবং তিনি তাঁকে ইজাযত প্রদান করেছেন। তিনি সেখানে ৪৯৮ হিজরীর শাবান মাসে তাঁর মৃত্যু প্রত্যক্ষ করেছেন। আল-মারিয়াতে তিনি আবু আলী আস-সাদাফী থেকেও শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিকট থেকে তিনি যে বিষয়গুলো গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে রয়েছে আবু নুয়াইমের ‘রিয়াজাতুল মুতাআল্লিমীন’ এবং আস-সুলামীর ‘আদাবুস সুহবাহ’। এই দুটি কিতাব তিনি আবু আব্দুল্লাহ বিন ইয়াদ আল-মানতীশীর কিরাআত (পাঠ) অনুযায়ী শ্রবণ করেছেন। আবু মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ তাঁর সূত্রে আবু আলী থেকে হিবাতুল্লাহ রচিত ‘আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ’ বর্ণনা করেছেন। তাঁর আবু আল-কাসিম আহমাদ বিন আবি আল-ওয়ালিদ আল-বাজী এবং আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন মুসা আল-কালবী আদ-জারীর থেকেও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর নিকট থেকে একদল প্রথিতযশা আলেম বর্ণনা করেছেন যারা তাঁর কিছু উস্তাদদের ক্ষেত্রে তাঁর সাথে শরীক ছিলেন। ‘আল-মুদাওওয়ানাহ’ গ্রন্থের ওপর তাঁর কাজ এবং ‘সহীহ আল-বুখারী’র ওপর টীকা রয়েছে। এছাড়াও তাঁর বর্ণিত বিভিন্ন মাসয়ালা ও উত্তর লিপিবদ্ধ রয়েছে।

আমাদের শাইখ আবু উমর বিন আত হাফেজ আবু আল-হাসান উলাইম বিন আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম বিন ওয়ার্দ-এর কাছে কোনো কিতাব আনা হলে তিনি সেটির আদ্যোপান্ত না দেখে ছাড়তেন না; যদি তাতে কোনো ফায়দা (উপকারিতা) পেতেন, তবে তা নিজের কাছে থাকা কাগজে টুকে নিতেন, এভাবে তিনি সেই নোটগুলো দিয়ে একটি সংকলন তৈরি করেছিলেন। আমি আমাদের শাইখ আবু আর-রাবী বিন মুসাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-খাত্তাব উমর বিন আল-হাসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু মুসা ঈসা বিন ইমরানকে বলতে শুনেছি—আন্দালুসে আবু আল-কাসিম বিন ওয়ার্দ-এর মতো আর কেউ ছিল না, আর আমি এ ক্ষেত্রে কাউকে বাদ দিচ্ছি না।

ইবনে ইয়াদ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কুরতুবাহ (কর্ডোভা)-র বিচারক হিসেবে নিয়োজিত হয়েছিলেন, কিন্তু নিঃসন্দেহে এটি তাঁর ভুল ধারণা। মূলত তিনি প্রথমে গারনাতাহ (গ্রানাডা) এবং পরবর্তীতে ইশবিলিইয়াহ (সেভিল)-এর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি সেখানে থাকাকালীন হাফেজ আবু বকর বিন আল-জাদ্দ-এর সাথে পরামর্শ করতেন। সেখানে তিনি পরীক্ষার সম্মুখীন হন; তাঁকে সেখান থেকে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে অপসারণ করা হয় এবং কিছু লোককে তাঁর পাহারায় নিয়োজিত করা হয় যারা শহর থেকে দূরে চলে যাওয়া পর্যন্ত তাঁর সঙ্গ ছাড়েনি। এটি ছিল ৫৪৪ হিজরীর ঘটনা। এরপর তিনি আল-মারিয়াতে চলে যান এবং সেখানে মৃত্যু পর্যন্ত হাদীস বর্ণনা, অধ্যাপনা ও ফতোয়া প্রদানের কাজে নিয়োজিত থাকেন। তিনি ৫৪০ হিজরীর রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন। বর্ণিত আছে যে, তাঁকে একটি ‘বুরদে হাবিরা’ (কারুকার্যখচিত চাদর)-তে কাফন দেওয়া হয়েছিল। তাঁর জন্ম ছিল ৪৬৫ হিজরীতে, যে বছর আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল খিসাল জন্মগ্রহণ করেছিলেন; তবে কারো মতে তার পূর্বেই। আর তাঁদের উভয়ের মৃত্যু একই বছরে হয়েছিল। কাজী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবি জামরাহ তাঁর কিতাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাজী আবু...

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
القاسم بن ورد اجازة قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي عَلِيِّ بْنِ سُكَّرَةَ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ 506 أَنَا أَبُو الْفَضْلِ حَمْدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الإِصْبَهَانِيُّ أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ نا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ نا ابْنُ نُمَيْرٍ نا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ عَنْ حَمْزَةَ الزَّيَّاتِ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ عن سعد قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضْلُ الْعِلْمِ خَيْرٌ مِنْ

فَضْلِ الْعِبَادَةِ وَخَيْرُ دِينِكُمُ الْوَرَعُ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ نا أَبُو الْقَاسِمِ نا أَبُو عَلِيٍّ سَمَاعًا قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عبد الباقي الدقاق الدَّقَّاقِ الْحَافِظِ بِمَدِينَةِ السَّلامِ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْهَرِيُّ الْوَاعِظُ أَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ النَّيْسَابُورِيُّ هُوَ السُّلَمِيُّ أَنَا أَبُو عَلِيٍّ حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّفَّاءُ نا مُوسَى بْنُ الْحَسَنِ نا أَبُو نُعَيْمٍ نا سفين عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اتق الله حيث ما كنت واتبع السية الحسنة تمحها وخالق الناس خلق حَسَنٍ وَبِهِ إِلَى السُّلَمِيِّ قَالَ أَنْشَدَنِي يُوسُفُ بْنُ فَتْحٍ الدَّسْكَرَنِيُّ قَالَ أَنْشَدَنِي ابْنُ أَبِي النَّجْمِ

اصْنَعِ الْخَيْرَ مَا اسْتَطَعْتَ إِلَى … النَّاسِ وَإِنْ كُنْتَ لا تُحِيطُ بِكُلِّهِ

فَمَتَى تَصْنَعُ الكثير من … الخر إِذَا كُنْتَ تَارِكًا لأَقَلِّهِ

أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَارِي الْهوارِيُّ أَبُو جَعْفَرٍ الْبُطْرُوجِيُّ الْحَافِظُ مِنْ أَهْلِ قُرْطُبَةَ نَقَلْتُ نَسَبَهُ مِنْ خَطِّ ابْنِ حُبَيْشٍ وَيَقُولُ أَبُو بَكْرِ بْنُ رِزْقٍ فِيهِ النِّفَزِيُّ الْبَلُّوطِيُّ وَيَصِفُهُ بِالْخَضِيبِ لاسْتِعْمَالِهِ الْخِضَابَ حَتَّى لأَنْكَرَهُ الْقَاضِي أَبُو الْفَضْلِ بْنُ عِيَاضٍ مِنْ
আল-কাসিম ইবনে ওয়ারদ ইজাজতসূত্রে বলেছেন: ৫০৬ হিজরি সনে আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় কাজী আবু আলী ইবনে সুক্কারাহর সামনে পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফজল হামদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-ইসফাহানি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আত-তালহি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে নুমাইর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে মাখলাদ থেকে, তিনি হামজা আজ-জায়্যাত থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সাদ থেকে, তিনি সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব উত্তম

ইবাদতের শ্রেষ্ঠত্বের চেয়ে, আর তোমাদের দ্বীনের সর্বোত্তম বিষয় হলো তাকওয়া (পরহেজগারি)। এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী শ্রবণসূত্রে, তিনি বলেছেন: আমি মদিনাতুস সালামে (বাগদাদে) হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল বাকি আদ-দাক্কাকের নিকট পাঠ করেছি যে, আবু আল-ফাতহ আব্দুল জাব্বার ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জাওহারি আল-ওয়ায়েজ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আন-নাইসাবুরি (যিনি আস-সুলামি), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাফ্ফা, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে আল-হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন ইবনে আবি শাবিব থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তুমি যেখানেই থাকো না কেন আল্লাহকে ভয় করো, এবং মন্দের পর ভালো কাজ করো যা মন্দকে মিটিয়ে দেবে, আর মানুষের সাথে উত্তম আচরণের সাথে মেলামেশা করো। এবং উক্ত সানাদেই আস-সুলামি পর্যন্ত পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন: ইউসুফ ইবনে ফাতহ আদ-দাসকারানি আমাকে কবিতাটি শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে আবি আন-নাজম আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

মানুষের প্রতি সাধ্যমতো কল্যাণ করো ... যদিও তুমি তার সবটুকু করতে সক্ষম না হও।

তবে কল্যাণের ... অধিকটুকু কখন করবে, যদি তুমি তার সামান্যটুকুই বর্জন করো?

আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বারি আল-হাওয়ারি আবু জাফর আল-বুতরুজি আল-হাফিজ, কর্ডোভার (কুরতুবাহ) অধিবাসী। আমি ইবনে হুবাইশের হস্তলিপি থেকে তার বংশবৃত্তান্ত উদ্ধৃত করেছি। আবু বকর ইবনে রিজক তার ব্যাপারে বলেন যে তিনি ‘আন-নিফজি আল-বাল্লুতি’ এবং তিনি তাকে ‘আল-খাদিব’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন কারণ তিনি প্রচুর খিযাব ব্যবহার করতেন, এমনকি কাজী আবু আল-ফজল ইবনে ইয়াদ একে অপছন্দ করেছিলেন...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
أَجْلِ ذَلِكَ فِي إِحْدَى قَدْمَاتِهِ مِنْ غَرْنَاطَةَ وهو يومئذ على قضايها وبعض ستوجها لَهُ إِلَى قُرْطُبَةَ وَقَدْ زَارَهُ أَهْلُهَا مُسْلِمِينَ ومحتفين وأبو جعفر فيهم فم يُوَفِّهِ حَقَّ التَّعَارُفِ فَقَالَ أَتَعْرِفُنِي قَالَ أَبُو الْفَضْلِ وَلا أُنْكِرُكَ فَقَالَ أَنَا أَحْمَدُ الْبُطْرُوجِيُّ فَقَامَ إِلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ وَقَالَ كَالْمُعْتَذِرِ إِنَّمَا تَنَكَّرْتَ عَلَيَّ بِالْخِضَابِ الأَحْمَرِ فَانْبَعَثَ أَبُو جَعْفَرٍ يذكر من خضب من الانبيا قَبْلَ نَبِيِّنَا عليهم السلام وَوَصَلَ ذَلِكَ بِسَرْدِ الأحاديث الواردة في خضاب بنينا صلى الله عليه وسلم وَتَسْمِيَةِ مَنْ خَضَبَ مِنَ الصَّحَابَةِ بِمَوَالِدِهِمْ وَوَفَيَاتِهِمْ وَبِلْدَانِهِمْ ثُمَّ ذَكَرَ الْخَاضِبِينَ مِنَ التَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ مِنَ الْخَالِفِينَ وَعَيَّنَ مَنِ اسْتَحَبَّ ذَلِكَ مِنْهُمْ وَمَنْ كَرِهَهُ وَبَيَّنَ وُجُوهَ اسْتِحْبَابِهِ وَكَرَاهَتِهِ عِنْدَهُمْ فَأَنْصَتَ لَهُ الْقَوْمُ وَسَلَّمُوا وَاعْتَرَفُوا بِحِفْظِهِ وَالْمَجْلِسُ غَاصُّ بِأَعْلامِ الأندلس حكى ذلك بمحالفة في بعض الألفاظ أَبُو عُمَرَ بْنِ عَيَّادٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عِقَالٍ الْفَقِيهِ وَقَالَ غَيْرُهُ كَانَ إِذَا سيل عَنْ شَيْءٍ كَأَنَّمَا جَوَابَهُ فِي طَرَفِ لِسَانِهِ وَيُورِدُ النُّصُوصَ عَلَى مَا وَقَعَتْ فِي الدَّوَاوِينِ لِقُوَّةِ حِفْظِهِ وَجَوْدَةِ ذِكْرِهِ إِلا أَنَّهُ لَمْ يَكُنْ لَهُ طَبْعٌ فِي الْفَتْوَى وَلا مَعْرِفَةٌ بِلِسَانِ الْعَرَبِ وَحُدِّثْتُ عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ عِيسَى بْنِ الْمَلْجُومِ أَنَّهُ حَضَرَ جِنَازَةً بِخَارِجِ الرَّبَضِ الشَّرْقِيِّ مِنْ قُرْطُبَةَ حَيْثُ قُبُورِ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى وَعُبَيْدِ اللَّهِ وَأَبِي عِيسَى وَبِقُرْبٍ مِنْهَا قَبْرُ الْقَاضِي يُونُسَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَقَبْرُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الطَّلاءِ وَذَلِكَ فِي سَنَةِ 572 وَحَضَرَهَا مَعَهُ الْقَاضِي بِقُرْطُبَةَ إِذْ ذَاكَ أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ مُغِيثِ بْنِ الصَّفَّارِ وَأَبُو الْوَلِيدِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ رُشْدٍ وَأَمْثَالُهُمَا فَأَفْضَى بِهِمُ التَّفَاوُضُ إِلَى أَنْ قَالَ أَحَدُهُمْ إِنَّ الْفَقِيهَ أَبَا جَعْفَرٍ الْبُطْرُوجِيَّ حَضَرَ فِي هَذَا الْجَبَّانِ جِنَازَةً وَجَرَى ذكر مسلة احْتَجَّ فِيهَا بِأَنْ قَالَ حَدَّثَنِي

এ কারণে গ্রানাডা থেকে তাঁর আগমনের একটি সফরে—যখন তিনি সেখানকার বিচারিক দায়িত্ব ও আরও কিছু প্রশাসনিক কার্যে নিয়োজিত ছিলেন—তিনি কর্ডোভায় আসেন। সেখানকার অধিবাসীরা সম্মান ও অভ্যর্থনা জানাতে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং আবু জাফরও তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। তবে তিনি (কর্মকর্তা) তাঁর সাথে পরিচিত হওয়ার যথাযথ হক আদায় করতে পারেননি (অর্থাৎ চিনতে পারেননি)। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি কি আমাকে চেনেন?" আবু আল-ফাদল বললেন, "আমি আপনাকে অস্বীকার করছি না (অর্থাৎ আমি আপনাকে চিনি)।" তিনি বললেন, "আমি আহমদ আল-বুত্রুজি।" তখন তিনি তাঁর দিকে এগিয়ে গিয়ে তাঁকে সালাম করলেন এবং অনেকটা ক্ষমা প্রার্থনার সুরে বললেন, "মূলত লাল খেজাবের (রঞ্জক) কারণেই আপনার চেহারা আমার কাছে অপরিচিত ঠেকছিল।"

তখন আবু জাফর আমাদের নবীর (আলাইহিমুস সালাম) পূর্ববর্তী যে সকল নবী খেজাব ব্যবহার করতেন তাঁদের কথা উল্লেখ করতে শুরু করলেন। এরপর তিনি আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেজাব ব্যবহারের বিষয়ে বর্ণিত হাদিসসমূহ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করলেন এবং যে সকল সাহাবী খেজাব ব্যবহার করতেন তাঁদের নাম, জন্ম, মৃত্যু ও বাসস্থানের বিবরণ প্রদান করলেন। এরপর তিনি তাবেয়ীন এবং তাঁদের পরবর্তী উত্তরসূরিদের মধ্যে যাঁরা খেজাব ব্যবহার করতেন তাঁদের কথা উল্লেখ করলেন। তাঁদের মধ্যে কারা এটিকে মুস্তাহাব (উত্তম) মনে করতেন এবং কারা অপছন্দ করতেন তা সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরলেন এবং তাঁদের নিকট এর সপক্ষে ও বিপক্ষে থাকা কারণগুলো ব্যাখ্যা করলেন। উপস্থিত জনমণ্ডলী অত্যন্ত মনোযোগের সাথে তাঁর কথা শুনলেন, তা মেনে নিলেন এবং তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তির কথা স্বীকার করলেন। সেই মজলিসটি তখন আন্দালুসের প্রথিতযশা ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ ছিল।

আবু উমর বিন আইয়াদ এই ঘটনাটি কিছু শব্দের তারতম্যসহ ফকিহ আবু বকর বিন ইকাল থেকে বর্ণনা করেছেন। অন্য কেউ বলেছেন যে, তাঁকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরটি যেন তাঁর জিহ্বার ডগাতেই থাকত। তিনি তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তি ও চমৎকার স্মরণশক্তির কারণে কিতাবসমূহে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই মূল পাঠসমূহ (নস) উপস্থাপন করতেন। তবে ফতোয়া প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁর সহজাত পারদর্শিতা ছিল না এবং আরবি ভাষার (ভাষাতত্ত্বের) বিষয়েও গভীর জ্ঞান ছিল না।

আমি আবু আল-কাসিম আব্দুর রহিম বিন ঈসা বিন আল-মালজুম থেকে সংবাদ পেয়েছি যে, তিনি কর্ডোভার পূর্ব উপশহরের বাইরে একটি জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন, যেখানে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, উবায়দুল্লাহ এবং আবু ঈসার কবর অবস্থিত। এর সন্নিকটেই বিচারক ইউনুস বিন আব্দুল্লাহ এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন আত-তাল্লা-এর কবর রয়েছে। এটি ৫৭২ হিজরি সালের ঘটনা। সে সময় তাঁর সাথে কর্ডোভার তৎকালীন বিচারক আবু মুহাম্মদ বিন মুগিস বিন আস-সাফফার এবং আবু আল-ওয়ালিদ বিন আবি আল-কাসিম বিন রুশদ ও তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের পারস্পরিক আলোচনার একপর্যায়ে তাঁদের একজন বললেন যে, ফকিহ আবু জাফর আল-বুত্রুজি এই কবরস্থানে একটি জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন এবং সেখানে একটি মাসআলা নিয়ে আলোচনা উঠেছিল যাতে তিনি এই বলে দলিল পেশ করেছিলেন যে, 'আমাকে বর্ণনা করা হয়েছে...'

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
صَاحِبُ هَذَا الْقَبْرِ وَأَشَارَ إِلَى قَبْرِ ابْنِ الطَّلاءِ عَنْ صَاحِبِ هَذَا الْقَبْرِ وَأَشَارَ إِلَى قَبْرِ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ صَاحِبِ هَذَا الْقَبْرِ وَأَشَارَ إِلَى قَبْرِ أَبِي عِيسَى عَنْ صَاحِبِ هَذَا الْقَبْرِ وَأَشَارَ إِلَى قَبْرِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى عَنْ صَاحِبِ هَذَا الْقَبْرِ وَأَشَارَ إِلَى قَبْرِ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ رحمه الله فِي الْمُوَطَّإِ وَأَتَمَّ أَبُو جَعْفَرٍ حَجَّتَهُ بِالَّذِي أَرَادَ قَالَ ابْنُ الْمَلْجُومِ فَانْتَدَبْتُ أَنَا وَقُلْتُ لَهُمْ لَمْ يَغِبْ عَنْ هَذَا الْمَوْضِعِ مِنْ سَنَدِي فِي الْمُوَطَّإِ غَيْرُ وَالِدِي رحمه الله فَاسْتَحْسَنَ أَصْحَابُنَا ذَلِكَ فِي هَذِهِ الْحِكَايَةِ ابْنَ الطَّلاءِ وَيُقَالُ فِيهِ ابْنُ الطَّلاعِ وَهُوَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ ابن فرج الطلاء بالحمزة مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْبَكْرِيِّ الطَّلاعِ بِالْعَيْنِ وَكَانَ أَبُو مَرْوَانَ بْنُ سِرَاجٍ لى مَا حَكَى أَبُو الْحُسَيْنِ ابْنُهُ عَنْهُ يَقُولُ هُوَ مَوْلَى الطَّلاءِ كَانَ فَرَجٌ يُطْلِي مَعَ سَيِّدِهِ اللُّجْمَ فِي الرَّبَضِ الشَّرْقِيِّ عِنْدَ الْبَابِ الْجَدِيدِ يَعْنِي مِنْ قُرْطُبَةَ قَالَ وَمَنْ قَالَ الطَّلاعُ بِالْعَيْنِ فَقَدْ أَخْطَأَ وَقَالَ أَبُو الْوَلِيدِ بْنُ خَيْرَةَ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ بَلَدِنَا يَعْنِي قُرْطُبَةَ يَهِمُونَ فِي نَسَبِهِ فَيَقُولُونَ ابْنُ الطَّلاعِ وَإِنَّمَا هُوَ مَوْلاهُ وَكَانَ أَبُوهُ طَلاءً لِلرَّكْبِ سَمِعْتُ أَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ سِرَاجٍ يَقُولُ أَنَّ رَجُلا جَاءَ إِلَى أَبِيهِ أَبِي مَرْوَانَ يَتْشَكِي مِنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ جَفًا نَالَهُ مِنْهُ فَقَالَ أَبِي كُنْتَ تَنْشُدَهُ فَلَوْ كَانَ عَبْدُ الله مولى هجوته ولا كن عَبْدَ اللَّهِ مَوْلًى مُوَالِيًا لأَنَّ لِلطَّلاعِ مَوْلاهُ كَانَ أَيْضًا مَوْلًى وَقَالَ فِيهِ أَبُو بَكْرِ بْنُ بَرَّنْجَالَ الدَّانِيُّ وَسَمَّاهُ فِي شُيُوخِهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ فَرَجٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الطَّلاعِ كَانَ أَبُوهُ يَطْلُعُ فِي النَّخْلِ بِهَا لاجتنابها فَعُرِفَ بِذَلِكَ وَقَالَ عِيَاضٌ فِي الْمُعْجَمِ مُحَمَّدُ بْنُ فَرَجٍ مَوْلَى ابْنِ الطَّلاعِ الْقُرْطُبِيِّ لَمْ يزد لى هَذَا فِي نَسَبِهِ وَقَالَ ابْنُ بَشْكُوَالَ فِي الصِّلَةِ مُحَمَّدُ بْنُ فَرَجٍ مَوْلَى مُحَمَّدِ بْنِ يحيى البكري

এই কবরের অধিপতি—এবং তিনি ইবনুত তাল্লা-এর কবরের দিকে ইশারা করলেন—তিনি এই কবরের অধিপতি থেকে, আর তিনি ইউনুস ইবনে আবদুল্লাহর কবরের দিকে ইশারা করলেন, তিনি এই কবরের অধিপতি থেকে, আর তিনি আবু ঈসার কবরের দিকে ইশারা করলেন, তিনি এই কবরের অধিপতি থেকে, আর তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়ার কবরের দিকে ইশারা করলেন, তিনি এই কবরের অধিপতি থেকে, আর তিনি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়ার কবরের দিকে ইশারা করলেন, তিনি ইমাম মালিক (রহ.) থেকে ‘মুয়াত্তা’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এবং আবু জাফর যা চেয়েছিলেন তার মাধ্যমে তাঁর দলিল পূর্ণ করলেন। ইবনুল মালজুম বলেন, তখন আমি এগিয়ে এলাম এবং তাদের বললাম: ‘মুয়াত্তা’-এর সনদে এই স্থান থেকে কেবল আমার পিতা (রহ.) অনুপস্থিত আছেন। আমাদের সঙ্গীরা এই ঘটনার বর্ণনায় ইবনুত তাল্লা-এর বিষয়টি পছন্দ করলেন। তাঁকে ইবনুত তাল্লা-ও (আইন বর্ণ যোগে) বলা হয়। তিনি হলেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ আত-তাল্লা (হামজা বর্ণ যোগে), তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাকরি আত-তাল্লা-এর (আইন বর্ণ যোগে) মুক্তদাসী ছিলেন। আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ—তাঁর পুত্র আবু আল-হুসাইন তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন সে অনুযায়ী—বলতেন: তিনি আত-তাল্লা-এর মুক্তদাসী। ফারাজ তাঁর মনিবের সাথে পূর্ব দিকের শহরতলীতে জাদিদ দরজার কাছে (অর্থাৎ কর্ডোভার) জিনের প্রলেপ লাগাতেন (ইউতলি)। তিনি বলেন: যারা 'আত-তাল্লা' (আইন দিয়ে) বলে, তারা ভুল করেছে। আবু আল-ওয়ালিদ ইবনে খাইরাহ বলেন: আমাদের শহরের (অর্থাৎ কর্ডোভার) অনেক লোক তাঁর বংশপরম্পরার ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয় এবং তারা 'ইবনুত তাল্লা' (আইন দিয়ে) বলে থাকে, অথচ তিনি তাঁর (ইবনুত তাল্লা-এর) মুক্তদাসী ছিলেন। আর তাঁর পিতা ছিলেন আরোহীদের বাহনের প্রলেপনকারী (তাল্লা)। আমি আবু আল-হুসাইন ইবনে সিরাজকে বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি তাঁর পিতা আবু মারওয়ানের কাছে এসে আবু আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া কোনো রূঢ় আচরণের অভিযোগ করল। তখন আমার পিতা বললেন: তুমি কি তাঁর নিন্দা করতে চাও? যদি আবদুল্লাহ কেবল একজন সাধারণ মুক্তদাসী হতেন তবে আমি তাঁর নিন্দা করতাম, কিন্তু আবদুল্লাহ তো একজন সম্ভ্রান্ত মুক্তদাসী। কারণ তাল্লা—যিনি তাঁর মনিব ছিলেন—তিনিও একজন মুক্তদাসী ছিলেন। আবু বকর ইবনে বাররানজাল আদ-দানি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন এবং তাঁর শিক্ষকদের তালিকায় তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন এভাবে: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ, যিনি ইবনুত তাল্লা (আইন দিয়ে) নামে পরিচিত। তাঁর পিতা সেখানে খেজুর পাড়ার জন্য গাছে চড়তেন (ইয়াতলাউ), তাই তিনি এই নামে পরিচিত হন। কাযী ইয়াদ ‘আল-মুজাম’ গ্রন্থে বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ, কর্ডোভার ইবনুত তাল্লা-এর মুক্তদাসী। তিনি তাঁর বংশপরিচয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু যোগ করেননি। ইবনে বাশকুওয়াল ‘আস-সিলাহ’ গ্রন্থে বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাকরির মুক্তদাসী।

(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
يُعْرَفُ بِابْنِ الطَّلاعِ فَالأَكْثَرِ يَقُولُونَهُ بِالْعَيْنِ كَمَا تَرَى وَكَانَ ابْنُ فَرَجٍ يَحْفَظُ الْمُوَطَّأَ وَيَقُومُ عَلَى الْمُدَوَّنَةِ كَانَتْ عِنْدَهُ فِي وِعَاءٍ قَدْ أعد بازايه مثله ثم لا زال ينقل أجزاها أَثْنَاءَ مُطَالَعَتِهَا مِنْ أَحَدِهِمَا إِلَى الآخَرِ إِذَا فَرَغَ عَادَ وَمَتَى خَتَمَ بَدَا جَاعِلا ذَلِكَ يدنه إلى أن مات محنوعاً من الفتيا وموخراً عَنْ خُطَّةِ الشُّورَى بِأَمْرِ الْمُلَثَّمِينَ لِفَرْطِ عَصَبِيَّتِهِ لِبَنِي عَبَّادٍ مَخْلُوعِيهِمْ فَلَمْ يَعُدْ إِلَيْهَا حَتَّى هلك في رجب سنة 497 آخر دولة بوسف بْنِ تَاشَفِينَ وَكَانَ مَعَ حِفْظِهِ وَقِيَامِهِ عَلَى كُتُبِ الرَّأْيِ تَصْحَبُهُ غَفْلَةٌ وَبَلَهٌ بِأَمْرِ دُنْيَاهُ كتليذه أَبِي جَعْفَرٍ هَذَا سَمِعْتُ أَبَا الرَّبِيعِ بْنَ سَالِمٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ بْنَ حُبَيْشٍ يُفْرِطُ فِي وَصْفِهِ بِالْغَفْلَةِ يَعْنِي الْبُطْرُوجِيَّ وَذَكَرَ لِي أَنَّهُ كَانَ يَخْضِبُ وَكَانَ لِغَفْلَتِهِ يَغِبُّ تَعَهُّدَهُ فَلا يُعَاوِدُهُ حَتَّى يَتَبَيَّنَ نُصُولَهُ هَذَا وَهُوَ عَلَى مَا

حَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو الْحُسَيْنِ بْنُ أُبَيٍّ أَنَّهُ وَقَفَ على خط القاضي أبي الوليد ابن رُشْدٍ لَهُ يُخَطِّطُهُ بِحَافِظِ أَهْلِ زَمَانِهِ وَوَصَفَهُ ابن بشكوال الحفظ لِلْفِقْهِ وَالْحَدِيثِ وَالرِّجَالِ وَالتَّوَارِيخِ وَالْمَوْلِدِ وَالْوَفَاةِ وَالتَّقَدُّمِ في فِي مَعْرِفَةِ ذَلِكَ عَلَى أَهْلِ عَصْرِهِ وَذَكَرَ أَخْذَهُ عَنِ ابْنِ فَرَجٍ وَأَبِي عَلِيٍّ الْغَسَّانِيِّ وأبي الحسن العبسي لم يسم سوى هولا اختصار وَمِنْ شُيُوخِهِ أَيْضًا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَازِمٍ وَأَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الْمُنَاصِفِ وَأَبُو الْمُطَرِّفِ الشِّعْبِيُّ وأبو الاصبغ عيسى ابن خَيْرَةَ وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ وَأَبُو الْقَاسِمِ بْنُ مُدَيْرٍ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ خَلِيفَةَ وَأَبُو الْقَاسِمِ خَلَفُ بْنُ رِزْقٍ وَغَيْرُهُمْ وَتَقَدَّمَ ذِكْرُ ابْنُ رُشْدٍ وَأَخَذَ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ يَعْقُوبَ بْنِ أَبِي مُحَمَّدِ بن حزم كتاب نقط العروس من تواليف أبيه عنه وأجاز له أبو داود المقري وَأَبُو عَلِيٍّ الصَّدَفِيُّ وَتُوُفِّيَ فِي آخِرِ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ 542 وَصَلَّى عَلَيْهِ أَبُو مَرْوَانَ بْنُ
তিনি ইবনুত তাল্লা' নামে পরিচিত ছিলেন; অধিকাংশ মানুষ যেভাবে দেখছেন সেভাবেই এটি 'আইন' বর্ণযোগে উচ্চারণ করেন। ইবনে ফারাজ মুয়াত্তা মুখস্থ রাখতেন এবং মুদাওওয়ানাহ শাস্ত্রের ওপর তাঁর গভীর দখল ছিল। এটি তাঁর নিকট একটি পাত্রে সংরক্ষিত থাকত এবং তিনি এর পাশে এর অনুরূপ আরেকটি পাত্র প্রস্তুত করে রেখেছিলেন। তিনি যখন এটি অধ্যয়ন করতেন, তখন এর অংশগুলো একটি পাত্র থেকে অন্যটিতে স্থানান্তর করতেন। যখন পাঠ শেষ হতো, তখন তিনি পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরে যেতেন এবং যখন সম্পূর্ণ সমাপ্ত করতেন, তখন পুনরায় শুরু করতেন। আমৃত্যু এটিই ছিল তাঁর নিয়মিত অভ্যাস। ক্ষমতাচ্যুত বনু আব্বাদের প্রতি তাঁর চরম পক্ষপাতের কারণে মুলাত্থামিনদের (আলমোরাভিদ) আদেশে তাঁকে ফতোয়া প্রদান থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং শুরা কাউন্সিল থেকে অপসারণ করা হয়েছিল। এরপর তিনি আর সেই পদে ফিরে আসেননি, অবশেষে ৪৯৭ হিজরির রজব মাসে ইউসুফ ইবনে তাশফিনের শাসনামলের শেষ দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মাসআলা-মাসায়েলের কিতাবসমূহে তাঁর হিফজ ও ব্যুৎপত্তি থাকা সত্ত্বেও জাগতিক বিষয়ের ক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে এক প্রকার উদাসীনতা ও সারল্য ছিল, যেমনটি ছিল তাঁর এই ছাত্র আবু জাফরের ক্ষেত্রে। আমি আবুল রাবি ইবনে সালিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আবুল কাসিম ইবনে হুবাইশকে তাঁর—অর্থাৎ বুতরুজির—উদাসীনতার বর্ণনায় অতিরঞ্জন করতে শুনেছি। তিনি আমাকে আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি খেজাব ব্যবহার করতেন, কিন্তু তাঁর অসতর্কতার কারণে তিনি এর যত্নে অনিয়মিত ছিলেন। ফলে চুলের গোড়া থেকে রঙ উঠে যাওয়া স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি পুনরায় খেজাব লাগাতেন না। এটি এমন হওয়া সত্ত্বেও

আবু রাবি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবুল হুসাইন ইবনে উবাই আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি কাজী আবুল ওয়ালিদ ইবনে রুশদের স্বহস্তে লেখা একটি পাণ্ডুলিপি দেখেছেন যেখানে তিনি তাঁকে তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ হাফেজ (স্মৃতিধর) হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবনে বাশকুওয়ালও তাঁকে ফিকহ, হাদিস, রাবী-পরিচিতি, ইতিহাস এবং জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ বর্ণনায় হাফেজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এই জ্ঞানসমূহে তাঁকে সমসাময়িকদের চেয়ে অগ্রগামী বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইবনে ফারাজ, আবু আলী আল-গাসসানি এবং আবু আল-হাসান আল-আবসি থেকে তাঁর শিক্ষা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন; সংক্ষেপ করার জন্য তিনি এই কজন ছাড়া আর কারো নাম উল্লেখ করেননি। তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে আরও ছিলেন আবু বকর ইবনে খাজিম, আবুল কাসিম ইবনে আল-মুনাসিফ, আবু আল-মুতরিফ আশ-শা'বি, আবুল আসবাগ ঈসা ইবনে খাইরাহ, আবু মুহাম্মদ আবদুস সামাদ ইবনে আবিল ফাতহ, আবুল কাসিম ইবনে উদাইর, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে খলিফা, আবুল কাসিম খালাফ ইবনে রিজক এবং আরও অনেকে। ইতিপূর্বে ইবনে রুশদের উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আবু উসামা ইয়াকুব ইবনে আবি মুহাম্মদ ইবনে হাজমের নিকট থেকে তাঁর পিতার রচিত কিতাব 'নুকাতুল আরুস' গ্রহণ করেছেন। আবু দাউদ আল-মুকরি এবং আবু আলী আস-সাদাফি তাঁকে ইজাজত প্রদান করেছেন। ৫৪২ হিজরির মহররম মাসের শেষ দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং আবু মারওয়ান ইবনে... তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
مَسَرَّةَ حَدَّثَنَا قَاضِي الْجَمَاعَةِ أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ بَقِيٍّ إِذْنًا قَالَ نا الْخَطِيبُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ حُبَيْشٍ وَالْقَاضِي أَبُو جَعْفَرِ بْنُ مَضَّاءٍ قَالا نا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبُطْرُوجِيُّ أَنَّ أَبَا عَلِيِّ بْنَ سُكَّرَةَ كَتَبَ إِلَيْهِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونَ الْمُعَدَّلُ لَفْظًا مِنَ الْكِتَابِ فِي جَامِعِ نَهْرِ معلى من مدينة السلام قال قرى عَلَى أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ وَأَنَا أَسْمَعُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو سَهْلٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ القطان نا أبو عمر أحمد ابن عبد الجبار العطاردي نا أبو معوية الضَّرِيرُ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ عَيْرٍ إِلَى ثَوْرٍ فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ قَالَ أَبُو عَلِيٍّ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ وَاخْتُلِفَ فِي اسْمِهِ فَقِيلَ عَبْدُ شَمْسٍ وَقِيلَ عَبْدُ عَمْرٍو وَقِيلَ عَبْدُ غَنْمٍ وَقِيلَ عَبْدُ اللَّهِ وَقِيلَ غَيْرُ ذَلِكَ وَهُوَ ثَابِتٌ مِنْ رِوَايَةِ الأَعْمَشِ واسمه سليمان بن سهران وَيُكَنَّى أَبَا مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ وَاسْمُهُ ذَكْوَانُ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بن أبي شيبة عن حسين عن زايدة عَنِ الأَعْمَشِ وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي النَّضْرِ عَنْ أَبِي النَّضْرِ عَنِ الاشجعني وَاسْمُهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سفين الثَّوْرِيِّ عَنِ الأَعْمَشِ فَكَأَنِّي فِي رِوَايَةِ الثَّوْرِيِّ عَنِ الأَعْمَشِ سَمِعْتُهُ مِنْ مُسْلِمٍ " رحمه الله "

أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ اللَّخْمِيُّ أبو العباس المعروف بالرشاطي من أهل أو ريولة عَمَلِ مُرْسِيَةَ وَسَكَنَ الْمَرِيَّةَ مَعَ أَخِيهِ أَبِي مُحَمَّدٍ النَّسَّابَةِ سَمِعَ
মাসাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জামাআতের কাজী আবুল কাসিম আহমাদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে বাকি অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খতিব আবুল কাসিম ইবনে হুবাইশ এবং কাজী আবু জাফর ইবনে মাদ্বা, তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমাদ ইবনে আবদুর রহমান আল-বুতরুজি যে, আবু আলী ইবনে সুক্কারাহ তার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফাদ্বল আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে খাইরুন আল-মুয়াদ্দাল মৌখিকভাবে কিতাব থেকে মদিনাতুস সালামের নাহরুল মুয়াল্লা জামে মসজিদে, তিনি বলেন, আবু আলী হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে শাযানের সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর আহমাদ ইবনে আবদুল জব্বার আল-উতারিদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মদিনা আইর থেকে সাওর (পাহাড়) পর্যন্ত হারাম (পবিত্র ও সংরক্ষিত)। সুতরাং যে ব্যক্তি এতে কোনো নতুন প্রথার উদ্ভব ঘটাবে অথবা কোনো উদ্ভাবককে আশ্রয় দেবে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের লানত।" আবু আলী বলেন, এটি আবু হুরায়রার বর্ণিত একটি সহীহ হাদিস। তার নাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে; বলা হয়েছে আবদু শামস, বলা হয়েছে আবদু আমর, বলা হয়েছে আবদু গানম, বলা হয়েছে আবদুল্লাহ এবং এ ছাড়াও অন্য কিছু বলা হয়েছে। এটি আমাশের বর্ণনায় সুপ্রতিষ্ঠিত, যার নাম সুলাইমান ইবনে সাহরান এবং কুনিয়াত আবু মুহাম্মাদ, তিনি আবু সালিহ আস-সাম্মান থেকে, যার নাম যাকওয়ান। এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে, তিনি হুসাইন থেকে, তিনি যায়িদা থেকে, তিনি আমাশ থেকে। এছাড়াও তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবিন নাদর থেকে, তিনি আবুন নাদর থেকে, তিনি আল-আশজায়ি থেকে (যার নাম উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান), তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি আমাশ থেকে। সুতরাং সাওরি থেকে আমাশের বর্ণনায় আমি যেন তা খোদ ইমাম মুসলিম (রাহিমাহুল্লাহ) থেকেই শুনেছি।

আহমাদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ আল-লাখমি আবুল আব্বাস, যিনি আর-রুশাতি নামে পরিচিত, তিনি মুরসিয়া অঞ্চলের আওরিউলাহ অধিবাসী এবং আল-মারিয়াহ-তে তার ভাই বংশবিদ্যাবিদ আবু মুহাম্মাদের সাথে বসবাস করতেন। তিনি শুনেছেন...
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٣١)
مِنْ أَبِي عَلِيٍّ كَثِيرًا وَمِنْ أَبِي عِمْرَانَ بْنِ أَبِي تَلِيدٍ وَوَقَفْتُ عَلَى ذَلِكَ مُقَيَّدًا بِخَطِّ ابْنِ أُخْتِهِ أَبِي عَمْرٍو زِيَادِ بْنِ الصَّفَّارِ وَكَانَتْ لَهُ رِحْلَةٌ حَجَّ فِيهَا وَكَانَ فَاضِلا مُعْتَنِيًا بِسَمَاعِ الْعِلْمِ وَرِوَايَتِهِ وَأَحْسَبُهُ تُوُفِّيَ قَبْلَ أَخِيهِ رَحِمَهُمَا اللَّهُ.

أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ خَلَفِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ النَّحْوِيُّ أَبُو جَعْفَرِ بْنُ الْبَاذِشِ مِنْ أَهْلِ غَرْنَاطَةَ وَأَصْلُهُ مِنْ جَيَّانَ كَانَتْ لأَبِيهِ أَبِي الْحَسَنِ الإِمَامَةُ بِالأَنْدَلُسِ فِي صَنْعَةِ الْعَرَبِيَّةِ وَأَقْرَأَ الْقُرْآنَ ثُمَّ وَرِثَهُ ذَلِكَ أَبُو جَعْفَرٍ هَذَا مَعَ الْحِفْظِ وَالإِتْقَانِ وَالضَّبْطِ وَالتَّقْيِيدِ وَالاسْتِقْلالِ بِالْجَرْحِ والتعديل يجمع إلى سعة الرواية سعة الدواية وَهُوَ وَأَبُوهُ مِنْ مَفَاخِرِ الأَنْدَلُسِ وَشُيُوخِهِ نَيِّفٌ وَثَمَانُونَ ذَكَرَ فِيهِمْ صَدْرًا أَبَا عَلِيٍّ وَحَكَى أَنَّهُ سَمِعَ مِنْهُ فِي رِحْلَتِهِ إِلَيْهِ مَعَ أَبِيهِ عَامَّةَ مَا كَانَ عِنْدَهُ وَأَجَازَ لَهُ جميع روايته وتوفي سنة 542 قاله ابن بشقوال في ذيل صلعه وقرات بخط أبي العباس ابن عَمْرَةَ الْوَرَّاقِ أَنَّهُ تُوُفِّيَ فِي سَنَةِ 540 وَكَذَلِكَ قَرَأْتُ بِخَطِّ شَيْخِنَا أَبِي الرَّبِيعِ بْنِ سَالِمٍ وَكَانَ لَهُ مُكْبِرًا وَلِشُفُوفِهِ عَلَى أَهْلِ عَصْرِهِ مُخْبِرًا حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو سُلَيْمَانَ دَاوُدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَوْطِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ ثُمَّ الْحَارِثِيُّ وَسَمِعْتُ مِنْهُ بِمَدِينَةِ بَلَنْسِيَةَ قَالَ نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحُجْرِيُّ الزَّاهِدُ نا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَنْصَارِيُّ أذنا وحضرت اقراه للقران قال قرى عَلَى الْقَاضِي أَبِي عَلِيٍّ بِمُرْسِيَةَ فِي مَنْزِلِهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ فِي رَجَبٍ سَنَةَ 503 قَالَ قَرَأْتُ عَلَى الْقَاضِي الإِمَامِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بن محمد ابن أَحْمَدَ الْجُرْجَانِيِّ الشَّافِعِيِّ بِالْبَصْرَةِ فِي الْمَدْرَسَةِ صَدْرَ سَنَةِ 482 قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السُّلَمِيُّ الْفَقِيهُ الْمَعْرُوفُ
আবু আলী থেকে অনেক এবং আবু ইমরান বিন আবু তালীদ থেকে। আমি এটি তাঁর ভাগ্নে আবু আমর যিয়াদ ইবনে আস-সাফফারের হাতে লেখা নথিতে নিবদ্ধ পেয়েছি। তাঁর একটি সফর ছিল যাতে তিনি হজ পালন করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত গুণী এবং ইলম শ্রবণ ও বর্ণনার প্রতি বিশেষ যত্নবান ছিলেন। আমার ধারণা তিনি তাঁর ভাইয়ের পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন।

আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন খালাফ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী আন-নাহবী আবু জাফর ইবনুল বাদিশ। তিনি গারনাতাহর অধিবাসী ছিলেন এবং তাঁর মূল নিবাস ছিল জায়্যান। আন্দালুসে আরবি ভাষার শিল্প ও কুরআন পাঠদানে তাঁর পিতা আবু হাসানের ইমামত ছিল। অতঃপর এই আবু জাফর তা উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেন, সেই সাথে তাঁর হিফজ, নিপুণতা, নির্ভুলতা, তথ্য সংরক্ষণ এবং জারহ ও তাদীল বিদ্যায় স্বকীয়তা ছিল। তিনি বর্ণনার ব্যাপকতার পাশাপাশি পাণ্ডিত্যের গভীরতার সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন। তিনি এবং তাঁর পিতা আন্দালুসের গৌরবদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর উস্তাদদের সংখ্যা আশি জনেরও বেশি, তাঁদের মধ্যে তিনি প্রধান হিসেবে আবু আলীর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতার সাথে তাঁর নিকট সফরের সময় তিনি তাঁর কাছে থাকা প্রায় সকল ইলমই শ্রবণ করেছেন এবং তিনি তাঁকে তাঁর সকল বর্ণনার ইজাযত দিয়েছিলেন। তিনি ৫৪২ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন—ইবনে বাশকুওয়াল তাঁর 'যাইলুস সিলাহ' গ্রন্থে এ কথা বলেছেন। তবে আমি আবু আব্বাস ইবনে আমরাহ আল-ওয়াররাকের হাতে লেখা নথিতে পড়েছি যে তিনি ৫৪০ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। একইভাবে আমি আমাদের শায়খ আবু রাবী বিন সালিমের হাতে লেখাতেও পড়েছি। তিনি তাঁর প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং তাঁর সমসাময়িকদের ওপর তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কথা জানাতেন। আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন কাযী আবু সুলাইমান দাউদ বিন সুলাইমান বিন হাতুল্লাহ আল-আনসারী আল-হারিছী। আমি তাঁর নিকট থেকে বালামসিয়াহ শহরে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-হুজরী আল-যাহিদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমাদ বিন আলী আল-আনসারী অনুমতি সাপেক্ষে। আমি তাঁর কুরআন পাঠদানের মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেন: মুরসিয়া শহরে কাযী আবু আলীর নিজ গৃহে তাঁর সামনে কিরাত পাঠ করা হয়েছিল আর আমি ৫০৩ হিজরীর রজব মাসে উপস্থিত থেকে তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমি ৪৮২ হিজরীর শুরুর দিকে বসরার এক মাদরাসায় কাযী ইমাম আবু আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-জুরজানী আশ-শাফিয়ীর নিকট পড়েছি। আমি তাঁকে বললাম: প্রসিদ্ধ ফকীহ আবু হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আস-সুলামী কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন?
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
بِالزَّعْفَرَانِيِّ بِبَغْدَادَ نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ سَاسِي الْبَزَّازُ أملا نا القاضي أبو بكر موسى بن اسحق الأَنْصَارِيُّ نا خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ الْعُمَرِيَّ نا سفين الثَّوْرِيُّ أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الثَّقَفِيُّ عَنْ علي بن ربيعة عن اسما بْنِ الْحَكَمِ الْفَزَارِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ قَالَ كُنْتُ إِذَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِلْمًا نفعني الله بما شا مِنْهُ وَكَانَ إِذَا حَدَّثَنِي غَيْرُهُ اسْتَحْلَفْتُهُ وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ وَصَدَقَ أَبُو بَكْرٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَا مِنْ عَبْدٍ مُسْلِمٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا ثُمَّ يتوضا فيحسن الوضو ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ إِلا غَفَرَ لَهُ هَذَا الْحَدِيثُ جَمَعَ طُرُقَهُ أَبُو علي رحمه الله في جز صَغِيرٍ قَدْ كَتَبْتُهُ عَنْ أَبِي الْخَطَّابِ بْنِ وَاجِبٍ بِمَدِينَةِ بَلَنْسِيَةَ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ 610 وَقَرَأْتُهُ عليه وحدثني به عن جماعة من أصحب أَبِي عَلِيٍّ عَنْهُ وَلا أَعْلَمُ لَهُ تَأْلِيفًا غَيْرَ هَذَا وَآخَرَ فِي شُيُوخِ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ الْجَارُودِ هُوَ عِنْدِي بِخَطِّهِ وَحَدَّثَنَا أَبُو سُلَيْمَانَ قَالَ نا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ ابن أَحْمَدَ بْنِ رَبِيعٍ الأَشَرِيُّ قَالَ كَتَبَ إِلَيَّ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَنْصَارِيُّ بِخَطِّهِ نا الْقَاضِي الإِمَامُ الْحَافِظُ الشَّهِيدُ أَبُو عَلِيٍّ حسين بن محمد الصدفي رحمه الله قراة عَلَيْهِ سَنَةَ 503 قَالَ نا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْبَانِيَاسِيُّ قراة مِنِّي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ أَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الصَّلْتِ الْقُرَشِيُّ نا أبو اسحق ابراهيم ابن عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ نا أَبُو مُصْعَبٍ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سر على رجل وهو يعظ أخاه في الحيا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الحيا مِنَ الإِيمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ بَقِيٍّ قَاضِي قُضَاةِ الْمَغْرِبِ فِي كِتَابِهِ
বাগদাদের যাফরানীতে আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আইয়ুব বিন সাসি আল-বাজ্জাজ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, বিচারক আবু বকর মুসা বিন ইসহাক আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, খালিদ—অর্থাৎ ইবনে ইয়াজিদ আল-উমারি—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সুফিয়ান আস-সাওরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, উসমান বিন আল-মুগীরা আস-সাকাফী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন রাবিআ থেকে, তিনি আসমা বিন আল-হাকাম আল-ফাজারী থেকে। তিনি বলেন, আমি আলী বিন আবু তালিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে কোনো জ্ঞান শুনতাম, আল্লাহ আমাকে তা থেকে তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী উপকৃত করতেন। আর যখন তাঁর ব্যতীত অন্য কেউ আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন আমি তাকে (সত্যতার) শপথ করাতাম। আর আবু বকর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন এবং আবু বকর সত্য বলেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: কোনো মুসলিম বান্দা যখনই কোনো পাপ করে, অতঃপর সুন্দরভাবে অজু করে এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করে, এরপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ অবশ্যই তাকে ক্ষমা করে দেন। এই হাদীসটির বর্ণনার সকল পথ আবু আলী (রাহিমাহুল্লাহ) একটি ছোট পুস্তিকায় একত্রিত করেছেন। আমি এটি ৬১০ হিজরীর মহররম মাসে বালেন্সিয়া শহরে আবুল খাত্তাব বিন ওয়াজিবের কাছ থেকে লিখে নিয়েছি এবং তাঁর কাছে পাঠ করেছি। তিনি আবু আলীর একদল ছাত্রের সূত্রে এটি তাঁর পক্ষ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তাঁর এই পুস্তিকা এবং আবু মুহাম্মাদ ইবনুল জারুদের উস্তাদগণের বিষয়ে আরেকটি সংকলন ব্যতীত তাঁর অন্য কোনো রচনার কথা আমার জানা নেই, যা আমার কাছে তাঁর স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে। আমাদের নিকট আবু সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবুল হুসাইন আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন রাবী আল-আশারি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবু জাফর আহমদ বিন আলী আল-আনসারী নিজ হাতে লিখে আমাকে জানিয়েছেন: বিচারক, ইমাম, হাফেজ, শহীদ আবু আলী হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আস-সাদাফী (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ৫০৩ হিজরীতে তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বাগদাদে আমার পাঠের মাধ্যমে শায়খ আবু আবদুল্লাহ মালিক বিন আহমদ বিন আলী আল-বানিয়াসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন আস-সালত আল-কুরাশি আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আবদুস সামাদ আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন সে তার ভাইকে লজ্জাশীলতা বিষয়ে নসিহত করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ‘লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ।’ মাগরিবের প্রধান বিচারক আবুল কাসিম বিন বাকি তাঁর কিতাবে আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মু'জামু আসহাবিল কাযী আবী আলী আস-সাদাফী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
مِنْ قُرْطُبَةَ قَالَ نا أَبُو خَالِدٍ يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ رَفَاعَةَ اللَّخْمِيُّ نا الأُسْتَاذُ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ نا أَبُو علي بن سكرة سماعا عليه بقراة أَبِي رحمه الله فِي ذِي الْقَعْدَةِ مِنْ سَنَةِ 503 قَالَ أَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ بَكْرَانَ الشَّافِعِيُّ الشَّامِيُّ قراة عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَدِينَةِ السَّلامِ نا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الباقي بن قانع نا أحمد بن اسحق بْنِ صَالِحٍ نا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْحَوْضِيُّ نا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ عَنْ مُحَمَّدِ ابن جُحَادَةَ عَنْ نُعَيْمِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ دَخَلْتُ على رسول الله صلى الله عليه وسلمفي الْيَوْمِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ فَقَالَ لِي يَا حذيفة من كنت لَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ بِشَهَادَةِ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ صَادِقًا دَخَلَ الْجَنَّةَ فَقُلْتُ يَا رسول الله أمر هَذَا أَوْ أُعْلِنُهُ قَالَ بَلْ أَعْلِنْهُ قَالَ فإنه لا خرشي سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَدَّثَنَا الْحَافِظُ أَبُو الرَّبِيعِ سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى الْكَلاعِيُّ قَالَ نا الْخَطِيبُ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَكَمٍ الْقَيْسِيُّ نا الاستاذ أبو جعفر أحمد ابن عل بن خلف قراة عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ نا أَبُو عَلِيٍّ بِمَنْزِلِهِ بِمُرْسِيَةَ أَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بن أحمد العكبري قراة مِنِّي عَلَيْهِ بِمَدِينَةِ السَّلامِ أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ نا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْهَيْثَمِ

نا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنِي شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ الْمُسَيِّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ
কর্ডোবা থেকে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু খালিদ ইয়াযিদ বিন মুহাম্মদ বিন রিফায়া আল-লাখমী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট উস্তাদ আবু জাফর আহমদ বিন আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আলী বিন সুক্কারাহ তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, যা আমার পিতার পাঠ অনুযায়ী ৫০৩ হিজরীর যিলকদ মাসে তাঁর নিকট পঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি প্রধান বিচারপতি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফফর বিন বাকরান আশ-শাফিঈ আশ-শামীকে মদিনাতুস সালামে (বাগদাদ) তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাকে আবু আল-হুসাইন আব্দুল বাকি বিন কানি' সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন ইসহাক বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাফস বিন উমর আল-হাওযী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আল-হাসান বিন আবি জাফর বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি নুয়াইম বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি রিবঈ বিন হিরাশ থেকে, তিনি হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দিন ইনতিকাল করেন, সে দিন আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, হে হুযাইফা! মৃত্যুর সময় যে ব্যক্তি সত্যান্তকরণে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’ এই সাক্ষ্য দিবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি বিষয়টি গোপন রাখব নাকি প্রকাশ করে দেব? তিনি বললেন, বরং তা প্রকাশ করে দাও। তিনি বলেন, এটিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার শোনা সর্বশেষ বিষয়। আমাদের নিকট হাফিয আবু আল-রাবি সুলায়মান বিন মুসা আল-কালাঈ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট খতিব আবু জাফর আহমদ বিন আলী বিন হাকাম আল-কাইসী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট উস্তাদ আবু জাফর আহমদ বিন আলী বিন খালাফ তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় বর্ণনা করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন, আবু আলী মুরসিয়ায় তাঁর নিজ আবাসে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমদ আল-উকবারী মদিনাতুস সালামে আমার পাঠের সময় আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে আবু আল-হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-মুয়াদ্দাল সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল কারীম বিন আল-হাইসাম বর্ণনা করেছেন।

আমাদের নিকট আবু আল-য়ামান আল-হাকাম বিন নাফি বর্ণনা করেছেন, আমাকে শুয়াইব বিন আবি হামযা আয-যুহরী থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাকে ইবনুল মুসায়্যিব সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি...