(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: -)
المعجم الأوسط للطبراني القسم: كتب السنة
الكتاب: المعجم الأوسط
المؤلف: أبو القاسم سليمان بن أحمد الطبراني (260 - 360 هـ)
المحقق: أبو معاذ طارق بن عوض الله بن محمد - أبو الفضل عبد المحسن بن إبراهيم الحسيني
الناشر: دار الحرمين - القاهرة
عام النشر: 1415 هـ - 1995 م
عدد الأجزاء: 10 (الأخير فهارس)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আত-তাবারানির আল-মু'জামুল আওসাত বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মু'জামুল আওসাত
লেখক: আবু কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি (২৬০ - ৩৬০ হিজরি)
সম্পাদক (মুহাক্কিক): আবু মুয়াজ তারিক বিন আওয়াদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ - আবুল ফাদল আব্দুল মুহসিন বিন ইব্রাহিম আল-হুসাইনি
প্রকাশক: দারুল হারামাইন - কায়রো
প্রকাশের বছর: ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১০ (শেষ খণ্ডটি সূচিপত্র)
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
بَابُ الْأَلِفِ
আলিফ অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
مَنِ اسْمُهُ أَحْمَدُ
যাদের নাম আহমদ
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
1 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ الْحَوْطِيُّ قَالَ: نا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ الْوُحَاظِيُّ قَالَ: نا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ ذِي عَصْوَانَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أُمَّتِي أَمَةٌ مَرْحُومَةٌ، لَا عَذَابَ عَلَيْهَا فِي الْآخِرَةِ، فَإِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ، دُفِعَ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابَيْنِ، فَيُقَالَ: يَا مُسْلِمُ، هَذَا فِدَاؤُكَ مِنَ النَّارِ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ إِلَّا سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ، وَلَا عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ إِلَّا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ الْوُحَاظِيُّ
১ - আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আল-হাওতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ আল-উহাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে যী আসওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার উম্মত রহমতপ্রাপ্ত উম্মত, পরকালে তাদের ওপর কোনো আযাব নেই। যখন কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে, তখন প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তিকে দুই কিতাবধারীদের (আহলে কিতাব) মধ্য হতে একজন লোক প্রদান করা হবে এবং বলা হবে: হে মুসলিম, এ হচ্ছে জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তিপণ»
আব্দুল মালিক থেকে সাঈদ ইবনে ইয়াযীদ ব্যতীত আর কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি, এবং সাঈদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ আল-উহাযী ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ الْحَوْطِيُّ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا الضَّحَّاكُ بْنُ حُمْرَةَ قَالَ: نا قَتَادَةُ، أَنَّ أَبَا مِجْلَزٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِي مُوسَى، «أَنَّ رَجُلَيْنِ، اخْتَصَمَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي بَعِيرٍ، ادَّعَاهُ كِلَاهُمَا أَنَّهُ لَهُ، فَجَاءَ مَعَ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا شَاهِدَانِ يَشْهَدَانِ أَنَّ الْبَعِيرَ لَهُ، فَقَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ»
⦗ص: 6⦘لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ إِلَّا الضَّحَّاكُ، تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আল-হাওতি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-মুগীরাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আদ-দাহহাক ইবনে হুমরাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, যে আবু মিজলায তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বুরদাহ ইবনে আবু মুসা থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, «দুইজন লোক একটি উট নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বিবাদে লিপ্ত হলো, তাদের উভয়েই দাবি করছিল যে সেটি তারই। তাদের প্রত্যেকের সাথে দুইজন করে সাক্ষী আসলো যারা সাক্ষ্য দিচ্ছিল যে উটটি তারই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা দিলেন যে, উটটি তাদের উভয়ের মধ্যে অর্ধেক অর্ধেক (বণ্টন হবে)»
⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘কাতাদাহ থেকে, আবু মিজলাযের সূত্রে আদ-দাহহাক ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি; এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আবু আল-মুগীরাহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا مُبَشِّرُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ عَطَاءٍ، وَعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَا تُنْكِحُوا النِّسَاءَ إِلَّا الْأَكْفَاءَ، وَلَا يُزَوِّجُهُنَّ إِلَّا الْأَوْلِيَاءُ، وَلَا مَهْرَ دُونَ عَشَرَةِ دَرَاهِمَ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَمْرٍو إِلَّا الْحَجَّاجُ، تَفَرَّدَ بِهِ: مُبَشِّرُ بْنُ عُبَيْدٍ
৩ - আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু আল-মুগীরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুবাশশির ইবনে উবায়েদ বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকে, তিনি আতা এবং আমর ইবনে দীনার থেকে, আর তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা নারীদের সমমর্যাদাসম্পন্ন (কুফু) পাত্র ছাড়া বিবাহ দিও না, এবং অভিভাবকগণ ছাড়া অন্য কেউ যেন তাদের বিবাহ না দেয়; আর দশ দিরহামের কম কোনো মোহর নেই।"
আমর থেকে হাজ্জাজ ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, আর এটি বর্ণনায় মুবাশশির ইবনে উবায়েদ একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ خُمَيْرٍ الرَّحَبِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُسْرٍ الْمَازِنِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «مَا مِنْ أَحَدٍ إِلَّا وَأَنَا أَعْرِفُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» . قَالَ: وَكَيْفَ تَعْرِفُهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فِي كَثْرَةِ الْخَلَائِقِ؟ فَقَالَ: «أَرَأَيْتَ لَوْ دَخَلْتَ صِيرَةً وَفِيهَا خَيْلٌ دُهْمٌ بُهْمٌ، وَفِيهَا فَرَسٌ أَغَرُّ مُحَجَّلٌ، مَا كُنْتَ تَعْرِفُهُ مِنْهَا؟» . قَالَ: بَلَى. قَالَ: «فَإِنَّ أُمَّتِي يَوْمَئِذٍ غُرٌّ مُحَجَّلُونَ مِنَ الْوُضُوءِ»
৪ - আহমাদ ইবন আবদিল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাফওয়ান ইবন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযীদ ইবন খুমায়র আর-রাহাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন বুসর আল-মাযানী থেকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "কিয়ামতের দিন এমন কেউ থাকবে না যাকে আমি চিনব না।" তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! বিপুল সংখ্যক সৃষ্টির মাঝে আপনি তাদের কীভাবে চিনবেন? তিনি বললেন: "তুমি কি মনে করো, যদি তুমি এমন এক আস্তাবলে প্রবেশ করো যেখানে অনেকগুলো নিরেট কালো ঘোড়া রয়েছে এবং তার মধ্যে একটি উজ্জ্বল ললাট ও শুভ্র পদদ্বয় বিশিষ্ট ঘোড়া থাকে, তবে কি তুমি তাদের মধ্য থেকে তাকে চিনতে পারবে না?" তিনি বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই সেদিন আমার উম্মত ওযুর প্রভাবে উজ্জ্বল মুখমণ্ডল ও হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় উপস্থিত হবে।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا عُفَيْرُ بْنُ مَعْدَانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ عَلَى الْمَدِينَةِ مَرَّتَيْنِ، وَكَانَ أَعْمَى يُصَلِّي بِالنَّاسِ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ قَتَادَةَ إِلَّا عُفَيْرٌ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
৫ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-মুগীরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উফাইর ইবনে মা’দান বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইবনে উম্মে মাকতুমকে দুইবার মদিনার স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করেছিলেন, আর তিনি অন্ধ ছিলেন, লোকেদের সালাত পড়াতেন।
কাতাদাহ থেকে উফাইর ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। আবু আল-মুগীরাহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا عُفَيْرُ بْنُ مَعْدَانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: «صُرِفَتِ الْجِنُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّتَيْنِ، وَكَانَ أَشْرَافُ الْجِنِّ بِنَصِيبِينَ» . ⦗ص: 7⦘ لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ قَتَادَةَ إِلَّا عُفَيْرٌ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
৬ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মুগীরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উফায়ের ইবনে মা'দান বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "জিনদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দুইবার পাঠানো হয়েছিল এবং জিনদের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা ছিল নাসিবিন শহরের।" । ⦗পৃষ্ঠা: ৭⦘ উফায়ের ব্যতীত আর কেউ কাতাদাহ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি। আবুল মুগীরাহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا عُفَيْرٌ قَالَ: حَدَّثَنِي قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ: «يَأْتِينِي جِبْرِيلُ عَلَى صُورَةِ دِحْيَةَ الْكَلْبِيِّ» قَالَ أَنَسٌ: ودِحْيَةُ كَانَ رَجُلًا جَسِيمًا جَمِيلًا أَبْيَضَ لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ قَتَادَةَ، إِلَّا عُفَيْرٌ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
৭ - আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উফায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ্ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: «জিবরীল আমার নিকট দিহইয়া আল-কালবীর আকৃতিতে আসতেন।» আনাস (রা.) বলেন: আর দিহইয়া ছিলেন সুঠামদেহী, সুদর্শন ও ফর্সা একজন মানুষ। উফায়র ব্যতীত আর কেউ কাতাদাহ্ থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। আবুল মুগীরা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَمَّا عُرِجَ بِي، مَرَرْتُ بِقَوْمٍ لَهُمْ أَظْفَارٌ مِنْ نُحَاسٍ يَخْمُشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ، فَقُلْتُ: مَنْ هَؤُلَاءِ يَا جِبْرِيلُ؟ قَالَ: هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَأْكُلُونُ لَحْمَ النَّاسِ، وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ»
لَمْ يَرْوِهِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ إِلَّا صَفْوَانُ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
৮ - আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাফওয়ান ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে জুবাইর ইবনে নুফাইর থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে, আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন আমাকে ঊর্ধ্বাকাশে নিয়ে যাওয়া হলো, তখন আমি এমন এক সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যাদের নখগুলো ছিল তামার, তারা সেগুলো দিয়ে নিজেদের মুখমণ্ডল ও বক্ষ আঁচড়াচ্ছিল। আমি বললাম: হে জিবরাঈল, এরা কারা? তিনি বললেন: এরা তারাই যারা মানুষের গোশত ভক্ষণ করে এবং তাদের মান-সম্মানে আঘাত হানে।»
আব্দুর রহমান ইবনে জুবাইর ইবনে নুফাইর থেকে এটি সাফওয়ান ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি। আবুল মুগীরাহ এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ قَالَ: نا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ،
⦗ص: 8⦘ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
لَمْ يَرْوِهِ عَنْ مُحَمَّدٍ إِلَّا كَثِيرٌ، وَلَا عَنْ كَثِيرٍ إِلَّا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ
৯ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে আইয়াশ আল-হিমসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাফস ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন কাসীর ইবনে শিনজীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে,
⦗পৃষ্ঠা: ৮⦘ আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ»
মুহাম্মদ থেকে কাসীর ব্যতীত এটি কেউ বর্ণনা করেননি, এবং কাসীর থেকে হাফস ইবনে সুলাইমান ব্যতীত এটি কেউ বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৮)
10 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ الْحَوْطِيُّ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: عَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِهِ، بِهِ وَجِعٌ، وَأَنَا مَعَهُ، فَقَبَضَ عَلَى يَدِهِ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى جَبْهَتِهِ، وَكَانَ يَرَى ذَلِكَ مِنْ تَمَامِ عِيَادَةِ الْمَرِيضِ، وَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ قَالَ: نَارِي أُسَلِّطُهَا عَلَى عَبْدِي الْمُؤْمِنِ لِتَكُونَ حَظَّهُ مِنَ النَّارِ فِي الْآخِرَةِ» . لَمْ يَرْوِهِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ وَهُوَ الْأَشْعَرِيُّ إِلَّا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ. تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন নাজদাহ আল-হাওতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল মুগীরাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন তামিম, ইসমাঈল বিন উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর একজন সাহাবীকে দেখতে গেলেন যিনি ব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন, আর আমি তাঁর সাথে ছিলাম। অতঃপর তিনি তাঁর হাত ধরলেন এবং নিজের হাত তাঁর কপালে রাখলেন; তিনি একে রোগী দেখার পূর্ণতার অংশ মনে করতেন। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ বলেছেন: আমার আগুন, আমি তা আমার মুমিন বান্দার ওপর চাপিয়ে দিই যাতে তা আখেরাতে জাহান্নামের আগুনের পরিবর্তে তার প্রাপ্য অংশ হয়ে যায়।» আবু সালিহ—যিনি আল-আশআরী—তাঁর থেকে ইসমাঈল বিন উবাইদুল্লাহ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি। আব্দুর রহমান এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৮)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ قَالَ: نا أَبِي قَالَ: نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَوْسَطَ الْبَجَلِيِّ، عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ اثْنَتَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ: أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ، وَرَكْعَتَانِ بَعْدَهَا، وَرَكْعَتَانِ قَبْلَ الْعَصْرِ، وَرَكْعَتَانِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ، وَرَكْعَتَانِ بَعْدَ الْعِشَاءِ، وَرَكْعَتَانِ قَبْلَ الْفَجْرِ» . لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَوْسَطَ الْبَجَلِيِّ إِلَّا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ " وَرَوَاهُ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَوْسٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ
১১ - আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আওসাত আল-বাজালি থেকে, তিনি আনবাসা ইবনে আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি দিনে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন: জোহরের পূর্বে চার রাকাত এবং এর পরে দুই রাকাত, আসরের পূর্বে দুই রাকাত, মাগরিবের পরে দুই রাকাত, এশার পরে দুই রাকাত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাত।" ইবনে আজলান থেকে, আবু ইসহাক থেকে এবং আওসাত আল-বাজালি থেকে এই হাদিসটি ইসমাইল ইবনে আইয়াশ ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। আর লাইস ইবনে সাদ এটি মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, আবু ইসহাক থেকে, আমর ইবনে আওস থেকে এবং আনবাসা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا مُبَشِّرُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَدَعْنَا فِي لَبْسٍ مِنْ دِينِنَا، «نَهَانَا عَنِ النَّفْخِ فِي الشَّرَابِ»
১২ - আহমাদ ইবন আবদিল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুবাশশির ইবন উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাজ্জাজ ইবন আরতাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের দ্বীনের কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতার মধ্যে রেখে যাননি; তিনি আমাদের পানীয় দ্রব্যে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ الْحَوْطِيُّ قَالَ: نا أبي قَالَ: نا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْقَسْرِيُّ، عَنْ وَائِلِ بْنِ دَاوُدَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا حَلَفْتَ عَلَى يَمِينٍ، فَرَأَيْتَ مَا هُوَ خَيْرٌ فَأتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ، وَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكَ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ وَائِلِ بْنِ دَاوُدَ إِلَّا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ. تَفَرَّدَ بِهِ: الْحَوْطِيُّ
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আল-হাওতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে ইয়ায়ীদ আল-কাসরী, ওয়াইল ইবনে দাউদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তুমি যখন কোনো শপথ করো, অতঃপর অন্য কিছুকে তার চেয়ে উত্তম মনে করো, তবে যা উত্তম তুমি তা-ই করো এবং তোমার শপথের কাফফারা আদায় করো»
ওয়াইল ইবনে দাউদ থেকে খালিদ ইবনে ইয়ায়ীদ ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন: আল-হাওতী।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى اللَّاحُونِيُّ قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ، لَا تَسْأَلِ الْإِمَارَةَ، فَإِنَّكَ إِنْ أُعْطِيتَهَا عَنْ غَيْرِ مَسْأَلَةٍ أُعِنْتَ عَلَيْهَا، وَإِنْ أُعْطِيتَهَا عَنْ مَسْأَلَةٍ وُكِلْتَ إِلَيْهَا، وَإِنْ حَلَفْتَ عَلَى يَمِينٍ، فَرَأَيْتَ غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا، فَأْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ، وَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكُ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ خَالِدٍ إِلَّا يَزِيدُ. تَفَرَّدَ بِهِ: عَبْدُ الْعَزِيزِ
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الضَّحَّاكِ قَالَ: نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ عُرْفُطَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ. لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عُرْفُطَةَ إِلَّا الْوَلِيدُ بْنُ عَبَّادٍ، وَلَا عَنِ الْوَلِيدِ إِلَّا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ. تَفَرَّدَ بِهِ: عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الضَّحَّاكِ
১৪ - আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ ইবনে মুসা আল-লাহুনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ ইবনে জুরাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন: «হে আব্দুর রহমান, তুমি নেতৃত্ব প্রার্থনা করো না। কেননা, তোমাকে যদি না চাইতেই তা প্রদান করা হয়, তবে তোমাকে এতে সাহায্য করা হবে। আর যদি চাওয়ার কারণে তোমাকে তা প্রদান করা হয়, তবে তোমাকে তার ওপরই সোপর্দ করা হবে। আর তুমি যখন কোনো বিষয়ে শপথ করো, এরপর তার চেয়ে উত্তম অন্য কিছু দেখতে পাও, তবে যা উত্তম তাই করো এবং তোমার শপথের কাফফারা আদায় করে দাও।»
খালিদ থেকে ইয়াজিদ ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। আব্দুল আজিজ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
১৫ - আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আদ-দাহহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি উরফুতা থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুরূপ বলেছেন। উরফুতা থেকে ওয়ালিদ ইবনে আব্বাদ ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, আর ওয়ালিদ থেকে ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আদ-দাহহাক এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبِي قَالَ: نا الْجَرَّاحُ بْنُ
⦗ص: 10⦘ مَلِيحٍ، عَنْ أَرْطَاةَ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ «يَرْفَعُ يَدَيْهِ عِنْدَ التَّكْبِيرِ لِلرُّكُوعِ، وَعِنْدَ التَّكْبِيرِ حِينَ يَهْوِي سَاجِدًا»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَرْطَاةَ إِلَّا الْجَرَّاحُ
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-জাররাহ ইবন
⦗পৃষ্ঠা: ১০⦘ মালিহ, আরতাহ ইবনুল মুনযির থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «রুকুর তাকবীরের সময় এবং সিজদাহ করার জন্য অবনত হওয়ার সময় তাকবীর প্রদানের সময় তাঁর দুই হাত উঠাতেন»
আরতাহ থেকে আল-জাররাহ ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১০)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا أَبُو مَهْدِيٍّ سَعِيدُ بْنُ سِنَانٍ قَالَ: حَدَّثَتْنِي أُمُّ الشَّعْثَاءِ، عَنْ أُمِّ عِصْمَةَ الْعَوْصِيَةِ، امْرَأَةٌ مِنْ قَيْسٍ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَعْمَلُ ذَنْبًا، إِلَّا وَقَفَ الْمَلَكُ الْمُوَكَّلُ بإحْصَاءِ ذُنُوبِهِ ثَلَاثَ سَاعَاتٍ، فَإِنِ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ مِنْ ذَنْبِهِ ذَلِكَ فِي شَيْءٍ مِنْ تِلْكَ السَّاعَاتِ، لَمْ يُوقَفْ عَلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
لَا يُرْوَى هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أُمِّ عِصْمَةَ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنادِ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল মুগীরাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাহদী সাঈদ ইবনে সিনান, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উম্মুশ শা'সা, তিনি উম্মু ইসমাহ আল-আওসিয়াহ (কায়স গোত্রের এক মহিলা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুসলিম যখনই কোনো পাপ করে, তার পাপসমূহ গণনা করার জন্য নিয়োজিত ফেরেশতা তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেন; যদি সে ঐ সময়ের কোনো এক মুহূর্তে তার সেই পাপের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে কিয়ামতের দিন তার জন্য তাকে থামানো (জবাবদিহি করানো) হবে না।»
এই হাদীসটি উম্মু ইসমাহ থেকে কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে। আবুল মুগীরাহ এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১০)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ قَالَ: نا أبي قَالَ: نا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أبي وَهْبٍ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدٍ الْكَلَاعِيِّ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَسْنَدَ حَدِيثًا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «مَنْ أَتَى مِنْكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ مَكْحُولٍ إِلَّا أَبُو وَهْبٍ، وَلَا عَنْ أَبَي وَهْبٍ إِلَّا سُوَيْدٌ. تَفَرَّدَ بِهِ: الْحَوْطِيُّ
১৮ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুয়াইদ ইবনে আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন আবু ওয়াহাব উবাইদুল্লাহ ইবনে উবাইদ আল-কালাঈ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি হাদিসটি সম্বন্ধ করে বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে যে জুমার নামাজে আসবে, সে যেন গোসল করে।»
মাকহুল থেকে আবু ওয়াহাব ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি এবং আবু ওয়াহাব থেকে সুয়াইদ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি। আল-হাউতি এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১০)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ قَالَ: نا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنِي عَاصِمُ ابْنُ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ: غَدَوْتُ عَلَى صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ الْمُرَادِيِّ، فَقَالَ: مَا غَدَا بِكَ يَا زِرُّ؟ قُلْتُ: أَلْتَمِسُ الْعِلْمَ. فَقَالَ: اغْدُ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا، وَلَا تُعُدَّيَنَّ ذَلِكَ. ⦗ص: 11⦘ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَا مِنْ عَبْدٍ مُسْلِمٍ يَلْتَمِسُ عِلْمًا، إِلَّا وَضَعَتْ لَهُ الْمَلَائِكَةُ أَجْنِحَتَهَا مِنْ رِضَاهَا بِمَا يَفْعَلُ» ، قَالَ: فَسَأَلْتُهُ عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، وَقُلْتُ: إِنِّي أَجِدُ فِي نَفْسِي مِنْ ذَلِكَ. فَقَالَ: «كُنَّا إِذَا سَافَرْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أُمِرْنَا أَنْ لَا نَخْلَعَ خِفَافَنَا ثَلَاثَ لَيَالٍ وأَيَّامَهُنَّ، إِلَّا مِنْ جَنَابَةٍ، لَكِنْ مِنْ غَائِطٍ وَبَوْلٍ وَنَوْمٍ. وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ» لَمْ يَرَوِهِ عَنْ حَفْصِ بْنِ سُلَيْمَانَ إِلَّا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আইয়াশ আল-হিমসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে বাহদালাহ, তিনি যির ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেন, যির বলেন: আমি সকালে সাফওয়ান ইবনে আসসাল আল-মুরাদি-র নিকট গেলাম। তিনি বললেন: হে যির! কোন বিষয়টি তোমাকে সকালে নিয়ে এল? আমি বললাম: আমি ইলম বা জ্ঞান অন্বেষণ করছি। তিনি বললেন: তুমি আলেম (জ্ঞানী) হও অথবা তালিবে ইলম (শিক্ষার্থী) হও, এর বাইরে অন্য কিছু হয়ো না। ⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘ কারণ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «কোনো মুসলিম বান্দা যখনই ইলম অন্বেষণ করে, ফেরেশতারা তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে তার জন্য তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়»। তিনি (যির) বলেন: এরপর আমি তাঁকে চামড়ার মোজার (খুফ) উপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: এ বিষয়ে আমার মনে কিছুটা খটকা জাগছে। তিনি বললেন: «আমরা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে থাকতাম, তখন জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত মলমূত্র ত্যাগ, প্রস্রাব ও ঘুমের কারণে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত আমাদের মোজা না খোলার জন্য তিনি আমাদের নির্দেশ দিতেন। আর মুকিম বা অবস্থানকারীর জন্য এর সময়সীমা একদিন ও একরাত»। আলী ইবনে আইয়াশ ব্যতীত হাফস ইবনে সুলাইমান থেকে আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১১)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا مُبَشِّرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْإِحْصَانُ إحْصَانَانِ: إِحْصَانُ عَفَافٍ، وإحْصَانُ نِكَاحٍ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ إِلَّا مُبَشِّرُ بْنُ عُبَيْدٍ
২০ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মুগীরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুবাশশির ইবনে উবাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি যুহরীকে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিবের সূত্রে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ইহসান (সুরক্ষা) দুই প্রকার: সতীত্বের ইহসান এবং বিবাহের ইহসান»
মুবাশশির ইবনে উবাইদ ব্যতীত অন্য কেউ যুহরী থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১১)
21 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبِي قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ حِمْيَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أبي عَبْلَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ الْأَعْمَى، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ أَتَى ابْنَ عَبَّاسٍ، فَقَالَ: يَا ابْنَ عَبَّاسٍ، طَالَمَا أَضْلَلْتَ النَّاسَ. قَالَ: «وَمَا ذَاكَ يَا عُرَيَّةُ؟» قَالَ: الرَّجُلُ يَخْرُجُ مُحْرِمًا بِحَجٍّ أَوْ عَمْرَةٍ، فَإِذَا طَافَ، زَعَمْتَ أَنَّهُ قَدْ حَلَّ، فَقَدْ كَانَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ يَنْهَيَانِ عَنْ ذَلِكَ. فَقَالَ: «أَهُمَا، وَيْحَكَ، آثَرُ عِنْدَكَ أَمْ مَا فِي كِتَابِ اللَّهِ، وَمَا سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَصْحَابِهِ وَفِي أُمَّتِهِ؟» فَقَالَ عُرْوَةُ: هُمَا كَانَا أَعْلَمَ بِكِتَابِ اللَّهِ، وَمَا سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنِّي وَمِنْكَ. قَالَ ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ: فَخَصَمَهُ عُرْوَةُ. ⦗ص: 12⦘ هَذَا الْحَدِيثُ سَاقِطٌ عِنْدَ ابْنِ خَلِيلٍ
২১ - আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন হিমইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন আবি আবলাহ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ আল-আমা থেকে, তিনি উরওয়াহ বিন যুবাইর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসের নিকট আসলেন এবং বললেন: হে ইবনে আব্বাস, আপনি দীর্ঘকাল ধরে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তিনি বললেন: "হে উরাইয়াহ, সেটি কী বিষয়?" তিনি বললেন: কোনো ব্যক্তি হজ বা উমরার ইহরাম অবস্থায় বের হয়, অতঃপর যখন সে তওয়াফ করে, আপনি দাবি করেন যে সে হালাল হয়ে গেছে; অথচ আবু বকর এবং উমর এ থেকে নিষেধ করতেন। তখন তিনি বললেন: "তোমার জন্য আফসোস! তোমার কাছে কি তারা দুজন বেশি অগ্রাধিকারযোগ্য নাকি আল্লাহর কিতাবে যা আছে এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবী ও উম্মতের মাঝে যা সুন্নাত হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন তা?" তখন উরওয়াহ বললেন: তাঁরা আল্লাহর কিতাব এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা সুন্নাত হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন সে সম্পর্কে আমার এবং আপনার চেয়ে অধিক অবগত ছিলেন। ইবনে আবি মুলাইকাহ বলেন: অতঃপর উরওয়াহ তাকে তর্কে পরাস্ত করলেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘ ইবনে খলিলের সংস্করণে এই হাদিসটি নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১২)
22 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبِي قَالَ: نا الْجَرَّاحُ بْنُ مَلِيحٍ، عَنْ أبي عَذْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ أَتَى الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ» . لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي عَذْبَةَ إِلَّا الْجَرَّاحُ. تَفَرَّدَ بِهِ: الْحَوْطِيُّ
22 - আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-জাররাহ ইবনে মালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আযবাহ থেকে, তিনি নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি জুমু‘আয় আসবে সে যেন গোসল করে»। আবু আযবাহ থেকে আল-জাররাহ ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি। আল-হাউতী এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১২)
23 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبِي قَالَ: نا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ صَامَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ زَوْجِهَا، فَأَرَادَهَا عَلَى شَيْءٍ، فَامْتَنَعَتْ عَلَيْهِ، كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهَا ثَلَاثًا مِنَ الْكَبَائِرِ»
لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ إِلَّا بَقِيَّةُ، تَفَرَّدَ بِهِ: الْحَوْطِيُّ
২৩ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন আওযায়ী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে নারী তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত রোজা রাখে, অতঃপর স্বামী তার নিকট কোনো কিছু (সহবাস) কামনা করেন কিন্তু সে তাকে বাধা প্রদান করে, তবে আল্লাহ তার আমলনামায় তিনটি কবিরা গুনাহ লিপিবদ্ধ করেন।»
আওযায়ী থেকে বাকিয়্যাহ ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি, আল-হাওতী এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১২)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أبي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «ثَلَاثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٌ لَا شَكَّ فِيهِنَّ: دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ الْوَالِدِ عَلَى وَلَدِهِ، وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ إِلَّا الْأَوْزَاعِيُّ. تَفَرَّدَ بِهِ: أَبُو الْمُغِيرَةِ ، وَرِوَايَةُ النَّاسِ: عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ
২৪ - আহমাদ ইবনু আবদিল ওয়াহহাব ইবনু নাজদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনু আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "তিনটি দুআ কবুল হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই: মজলুমের দুআ, সন্তানের বিরুদ্ধে পিতার দুআ এবং মুসাফিরের দুআ।"
আল-আওযাঈ ব্যতীত অন্য কেউ ইয়াহইয়া ইবনু আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে—এই সূত্রে এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। আবুল মুগীরাহ এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। আর সাধারণ রাবীদের বর্ণনা হলো: ইয়াহইয়া ইবনু আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১২)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الطَّبَّاعُ قَالَ: نا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ الْخَبَرُ كَالْمُعَايَنَةِ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَخْبَرَ مُوسَى بْنَ عِمْرَانَ عَمَّا صَنَعَ قَوْمُهُ مِنْ بَعْدِهِ، فَلَمْ يُلْقِ الْأَلْوَاحَ، فَلَمَّا عَايَنَ ذَلِكَ أَلْقَى الْأَلْوَاحَ»
২৫ - আহমাদ ইবন আবদিল ওয়াহহাব ইবন নাজদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন ঈসা আত-তাব্বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সংবাদ চাক্ষুষ দেখার মতো নয়। কেননা মহান আল্লাহ মূসা ইবন ইমরানকে তাঁর প্রস্থানের পর তাঁর সম্প্রদায় যা করেছিল সে সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছিলেন, তখন তিনি ফলকগুলো ছুড়ে ফেলে দেননি। অতঃপর যখন তিনি তা চাক্ষুষ দেখলেন, তখন তিনি ফলকগুলো ছুড়ে ফেলে দিলেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا أَبُو الْمُغِيرَةِ قَالَ: نا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أبي كَثِيرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ إِلَّا أَبُو الْمُغِيرَةِ
২৬ - আহমদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আবি কাসীর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন জুমু'আয় আসবে, সে যেন অবশ্যই গোসল করে।»
আল-আওযাঈ থেকে আবুল মুগীরাহ ব্যতীত আর কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ قَالَ: نا الْعَبَّاسُ بْنُ عُثْمَانَ الدِّمَشْقِيُّ قَالَ: نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «اسْتَبْرَأَ صَفِيَّةَ بِحَيْضَةٍ» . لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ إِلَّا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ. تَفَرَّدَ بِهِ: إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ
২৭ - আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্বাস ইবনে উসমান আদ-দিমাশকী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর ইস্তিবরা (গর্ভমুক্ততা নিশ্চিত) করেছেন এক ঋতুস্রাবের মাধ্যমে। এই হাদীসটি যুহরী থেকে হাজ্জাজ ইবনে আরতাত ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুল আওসাত লিত-তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
28 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ: نا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ الْحِمْصِيُّ قَالَ: نا مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى الْأَطْرَابُلُسِيُّ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مَرْوَانَ، عَنْ يَزِيدَ أبي خَالِدٍ الدَّالِانِيِّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «قِيلُوا فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَقِيلُ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي خَالِدٍ الدَّالِانِيِّ إِلَّا كَثِيرٌ، وَلَا عَنْ كَثِيرٍ إِلَّا مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى، تَفَرَّدَ بِهِ: عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আইয়াশ আল-হিমসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-আত্রাবুলুসি, কাসীর ইবনে মারওয়ান থেকে, তিনি ইয়াজিদ আবু খালিদ আদ-দালানি থেকে, তিনি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা দুপুরে বিশ্রাম (কায়লুলা) করো, কেননা শয়তান দুপুরে বিশ্রাম করে না।”
আবু খালিদ আদ-দালানি থেকে কাসীর ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি এবং কাসীর থেকে মুআবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ব্যতীত কেউ বর্ণনা করেননি। আলী ইবনে আইয়াশ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।