(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: -)
منتخب من كتاب الشعراء لأبي نعيم الأصبهاني   (أبو نعيم الأصبهاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: منتخب من كتاب الشعراء

المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430 هـ)

المحقق: إبراهيم صالح [ت 1443 هـ]

الناشر: دار البشائر

الطبعة: الأولى 1994

عدد الصفحات: 48

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু নুআইম আল-আসফাহানি রচিত কিতাবুল শুআরা (কবিদের গ্রন্থ) থেকে নির্বাচিত অংশ   (আবু নুআইম আল-আসফাহানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: কিতাবুল শুআরা থেকে নির্বাচিত অংশ

লেখক: আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মিহরান আল-আসফাহানি (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি)

সম্পাদক: ইবরাহিম সালিহ [মৃত্যু ১৪৪৩ হিজরি]

প্রকাশক: দারুল বাশায়ের

সংস্করণ: প্রথম ১৯৯৪

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৮

[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের প্রত্যাশী, এগিয়ে আসো

শামলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: -)
نوادر الرسائل (8)

 

منتخب من كتاب الشعراء

 

تأليف

الحافظ أبي نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد الأصفهاني

المتوفى 430 هـ

 

عني بتحقيقه

إبراهيم صالح

 

دار البشائر

 

الطبعة الأولى

1994
নাওয়াদিরুর রাসায়েল (৮)

 

কিতাবুশ শু'আরা হতে নির্বাচিত অংশ

 

রচনা

আল-হাফিজ আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আল-আসফাহানি

মৃত্যু ৪৩০ হিজরি

 

সম্পাদনায়

ইব্রাহিম সালিহ

 

দারুল বাশাএর

 

প্রথম সংস্করণ

১৯৯৪
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৭)
حسبي الله ونعم الوكيل

الجزء فيه منتخب من كتاب الشعراء

تأليف أبي نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق الأصبهاني

رواه أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الحداد المقرئ عنه

وعنه أبو بكر إسماعيل بن أبي نصر، يعرف بدانكقاذ

سماع لعبد الغني بن عبد الواحد بن علي المقدسي، نفعه الله الكريم به وعفى عنه.

وقف الحافظ عبد الغني رحمه الله بالضيائية مقره
আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।

এই খণ্ডটিতে 'কিতাবুশ শুআরা' (কবিদের গ্রন্থ) থেকে নির্বাচিত অংশ রয়েছে

আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আল-আসবেহানী কর্তৃক রচিত

তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-মুকরি

তাঁর থেকে আবু বকর ইসমাঈল বিন আবি নাসর, যিনি দানিককায নামে পরিচিত

আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী আল-মাকদিসীর শ্রবণকৃত (সামা’), মহান আল্লাহ তাঁকে এর দ্বারা উপকৃত করুন এবং তাঁকে ক্ষমা করুন।

হাফেজ আব্দুল গনি (রহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক যিয়াঈয়্যাহ মাদরাসায় ওয়াকফকৃত, এটি এর স্থায়ী নিবাস।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ১৯)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ

‌‌[1] [حَسَّانُ بْنُ ثَابِتٍ]

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي نَصْرٍ، يُعْرَفُ بِدَانْكَقَاذَ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي شَوَّالٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ وخمسمئة، أَنْبَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حاضرٌ، فِي شوال من سنة أربع وخمسمئة، قال: أنبا أحمد بن عبد الله، ثنا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَبَلَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ يَمَانِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ سويد،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আর সুউচ্চ মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই।

‌‌[১] [হাসসান ইবনে সাবিত]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি নাসর, যিনি দানকাকায নামে পরিচিত, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে পাঁচশত পঁচাত্তর হিজরীর শাওয়াল মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আর আমি উপস্থিত ছিলাম পাঁচশত চার হিজরীর শাওয়াল মাসে; তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাবালাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাকাফী, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি তালিব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, ইয়ামান ইবনুল মুগীরাহ থেকে, ইসহাক ইবনে সুওয়াইদ থেকে।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২০)
حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ حَسَّانَ بْنَ ثَابِتٍ يَقُولُ:

مَنْ سَرَّهُ الْمَوْتُ صِرْفًا لا مِزَاجَ لَهُ … فَلْيَأْتِ مَأْدُبَةً فِي دَارِ عُثْمَانَا

مُسْتَشْعِرِي حَلَقَ الماذيِّ قَدْ سُبِغَتْ … عَلَى الْمَعَافِرِ بيضٌ زِنَّ أَبْدَانَا

بَلْ قَدْ رَضِيتُ بِأَهْلِ الشَّامِ زَافِرَةً … وَبِالأَمِيرِ وَبِالإِخْوَانِ إِخْوَانَا

إِنِّي لَمِنْهُمْ إِنْ غَابُوا وَإِنْ شَهِدُوا … مَا دُمْتُ حَيًّا وَمَا سُمِّيتُ حَسَّانَا

صَبْرًا فِدًى لَكُمُ أُمِّي وَمَا ولدتْ … قَدْ يَنْفَعُ الصَّبْرُ فِي الْمَكْرُوهِ أَحْيَانَا

يَا لَيْتَ شِعْرِي وَلَيْتَ الطَّيْرَ تُخْبِرُنِي … مَا كَانَ شَأْنُ عَلِيٍّ وَابْنِ عَفَّانَا

لَتُسْمَعَنَّ وَشِيكًا فِي دِيَارِكُمُ … اللَّهُ أَكْبَرُ، يَا ثَارَاتِ عُثْمَانَا

حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَبَلَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا أَبُو بَكْرٍ [يَحْيَى] بْنُ أَبِي طَالِبٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا الْيَمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنْ حَسَّانٍ رضي الله عنه:

إِنْ تُمْسِ دُورُ بَنِي عَفَّانَ خَاوِيَةً … نابٌ صريعٌ وبابٌ محرقٌ خَرِبُ

فَقَدْ يُصَادِفُ بَاغِي الْخَيْرِ حَاجَتُهُ … فِيهَا وَيَهْوِي إِلَيْهِ الْمَجْدُ وَالْحَسَبُ

يا أيها الناس أبدو ذَاتَ أَنْفُسِكُمْ … لا يَسْتَوِي الصِّدْقُ عِنْدَ اللَّهِ والكذب

إلا تبوؤا بحق الله تعترف … بغارةٍ عُصَبٍ مِنْ بَعْدِهَا عُصَب

فِيهِمْ شهابٌ حَبِيبُ الْمَوْتِ يَقْدُمُهُمْ … مستبسلٌ قَدْ بَدَا فِي وجه الغضب
আমাকে এমন একজন বর্ণনা করেছেন যিনি হাসসান বিন সাবিতকে বলতে শুনেছেন:

যাকে নির্ভেজাল মৃত্যু আনন্দিত করে, যাতে জীবনের কোনো সংমিশ্রণ নেই … সে যেন উসমানের গৃহের ভোজসভায় উপস্থিত হয়।

শুভ্র লৌহবর্মের কড়া পরিহিত এক দল, যা সুপ্রশস্ত করা হয়েছে … মা’আফিরি বস্ত্রের ওপর সেই শুভ্র বর্মগুলো দেহসমূহকে সুশোভিত করেছে।

বরং আমি শামের অধিবাসীদের সাহায্যকারী দল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি … এবং আমীর ও ভাইদেরকে প্রকৃত ভাই হিসেবে পেয়ে।

আমি নিশ্চয়ই তাদেরই অন্তর্ভুক্ত, তারা অনুপস্থিত থাকুক কিংবা উপস্থিত … যতদিন আমি জীবিত থাকি এবং যতদিন আমার নাম হাসসান থাকে।

ধৈর্য ধরো, তোমাদের জন্য আমার মা এবং তাঁর গর্ভজাত সন্তানরা উৎসর্গ হোক … নিশ্চয়ই ধৈর্য কখনো কখনো বিপদে ফলপ্রসূ হয়।

হায় যদি আমি জানতাম! আর হায় যদি পাখিরা আমাকে সংবাদ দিত … আলী এবং ইবনে আফফানের (উসমান) বিষয়টি আসলে কী ছিল!

শীঘ্রই তোমাদের জনপদে ধ্বনিত হবে … আল্লাহু আকবার, হে উসমানের রক্তের প্রতিশোধ গ্রহণকারীরা!

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জাবাল্লাহ, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আবু বকর [ইয়াহইয়া] বিন আবি তালিব থেকে, তিনি ইয়াযীদ বিন হারুন থেকে, তিনি ইয়ামান বিন মুগীরাহ থেকে, তিনি ইসহাক বিন সুওয়ায়দ থেকে, তিনি এমন এক ব্যক্তি থেকে যিনি তাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হাসসান (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন:

যদি বনু আফফানের ঘরবাড়ি জনশূন্য হয়ে যায় … যেমনটি কোনো বৃদ্ধ উট লুটিয়ে পড়ে থাকে এবং যেমনটি অগ্নিদগ্ধ ধ্বংসপ্রাপ্ত দরজা।

অথচ ইতিপূর্বে কল্যাণকামী ব্যক্তি সেখানে তার প্রয়োজন খুঁজে পেত … সেখানে মর্যাদা ও বংশীয় গৌরব তার দিকে ঝুঁকে পড়ত।

হে লোকসকল! তোমাদের মনের গভীরে যা আছে তা প্রকাশ করো … আল্লাহর নিকট সত্য এবং মিথ্যা কখনো সমান নয়।

যদি তোমরা আল্লাহর সেই হকের দিকে ফিরে না আসো যা তোমরা স্বীকার করো … তবে এক দলের পর অন্য দলের ঝটিকা আক্রমণের অপেক্ষা করো।

তাদের মধ্যে এক উজ্জ্বল অগ্নিশিখা সদৃশ বীর রয়েছে যে মৃত্যুকে ভালোবাসে এবং তাদের নেতৃত্ব দেয় … এমন এক জানবাজ বীর যার চেহারায় ক্রোধের চিহ্ন ফুটে উঠেছে।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌[2] [كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ]

حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بن محمد بن أيوب، ثنا إبراهيم سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ:

وَمِمَّا قَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ السُّلَمِيُّ فِي يَوْمِ بدر:

أَلا هَلْ أَتَى غَسَّانَ فِي نَأْيِ دَارِهَا … وأَخبرُ شيء بالأمور عليمُها

بِأَنْ قَدْ رَمَتْنَا عَنْ قِسِيٍّ عَدَاوَةً … معدٌ مَعًا جهالُها وحليمُها

بِأَنَّا عَبَدْنَا اللَّهَ لَمْ نَرْجُ غَيْرَهُ … رَجَاءَ جِنَانٍ حِينَ جَانَا زَعِيمُهَا

نبيٌ لَهُ فِي قَوْمِهِ إِرْثُ عِزَّةٍ … وَأَعْرَاقُ صِدْقٍ هَذَّبَتْهَا أَرُومُهَا

فَسَارُوا وَسِرْنَا فَالْتَقَيْنَا كَأَنَّنَا … أُسُودُ عَرِينٍ لا يُرَجَّى كَلِيمُهَا

ضَرَبْنَاْهُمُ حَتَّى هَوَى فِي مِكَرِّنَا … لِمِنْخَرِ سُوءٍ مِنْ لُؤَيٍّ عَظِيمُهَا

فَوَلَّوْا وَدُسْنَاهُمْ بِبِيضٍ صَوَارِمٍ … سواءٌ عَلَيْنَا حِلْفُهَا وَصَمِيمُهَا

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ سُفْيَانَ، ثنا يُوسُفُ
[২] [কাব বিন মালিক]

হাবীব ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

বদরের যুদ্ধের দিন কাব বিন মালিক আস-সুলামী যা বলেছিলেন তার অন্তর্ভুক্ত হলো:

সাবধান! গাসসান গোত্রের নিকট তাদের দূরবর্তী আবাসে কি সংবাদ পৌঁছেছে? অথচ বিষয়াদি সম্পর্কে যিনি পূর্ণ অবগত তিনিই শ্রেষ্ঠ সংবাদদানকারী।

যে, মা'আদ গোত্র তাদের নির্বোধ ও বুদ্ধিমান সকলকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে শত্রুতার ধনুক থেকে (তীর) নিক্ষেপ করেছে।

এ কারণে যে আমরা আল্লাহর ইবাদত করেছি, তিনি ব্যতীত অন্য কারও আশা করিনি; যখন আমাদের নিকট জান্নাতের জিম্মাদার (রাসূল) এসেছেন, তখন আমরা জান্নাতেরই প্রত্যাশা করেছি।

তিনি এমন এক নবী যার স্বগোত্রে রয়েছে সম্মানের উত্তরাধিকার এবং সত্যের সুগভীর শিকড় যা তার বংশমর্যাদাকে সুশোভিত করেছে।

তারাও অগ্রসর হলো এবং আমরাও অগ্রসর হলাম, অতঃপর আমাদের মুখোমুখি লড়াই হলো যেন আমরা বনের সেই সিংহ যার দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির আর কোনো আশা থাকে না।

আমরা তাদের এমনভাবে আঘাত করলাম যে, আমাদের রণক্ষেত্রে লুওয়াই বংশের প্রধান ব্যক্তিটি তার লাঞ্ছনাকর নাসিকাসহ ধূলিসাৎ হয়ে লুটিয়ে পড়ল।

অতঃপর তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করল আর আমরা ধারালো সাদা তলোয়ার দিয়ে তাদের মাড়িয়ে দিলাম; আমাদের নিকট তাদের মিত্র আর মূল বংশীয় সবাই সমান ছিল।

আবু বকর আত-তালহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২২)
الْقَطَّانُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ عَامِرٍ، [قَالَ] : سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ:

لَمَّا كَانَ يَوْمُ الأَحْزَابِ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ يَحْمِي أَعْرَاضَ الْمُؤْمِنِينَ؟)) .

قَالَ كعبٌ: أَنَا، وَقَالَ [عَبْدُ اللَّهِ] بْنُ رَوَاحَةَ: أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ: ((إِنَّكَ لَحَسَنُ الشِّعْرِ)) .

‌‌[3] [لَبِيدُ بْنُ رَبِيعَةَ]

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، ثنا أَبُو الرَّيَّانِ مَسْلَمَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الرَّيَّانِ الثَّقَفِيُّ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ عُثْمَانَ،
আল-কাত্তান, মুহাম্মদ বিন ফুদায়েল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি আমির থেকে বর্ণনা করেছেন, [তিনি বলেন]: আমি জাবির বিন আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি:

যখন আহযাব (খন্দক) যুদ্ধের দিন উপস্থিত হলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "কে মুমিনদের সম্মান রক্ষা করবে?"

কাব বললেন: আমি, এবং [আবদুল্লাহ] বিন রাওয়াহা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি। তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তুমি চমৎকার কবিতা বলো।"

‌‌[৩] [লাবিদ বিন রাবিয়া]

মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হাসান বিন কুতায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রাইয়ান মাসলামা বিন মুহাম্মদ বিন রাইয়ান আস-সাকাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসিম বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৩)
عَنِ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الصّدَارِ بْنِ حُرَيْثٍ، قَالَ:

قُرِئَ عَلَيْنَا كِتَابُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ إِلَى سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ: أَمَّا بَعْدُ؛ فَاجْمَعْ مَنْ قِبَلَكَ مِنَ الشُّعَرَاءِ، فَسَلْهُمْ مَاذَا فَقَدُوا مِنْ شِعْرِهِمْ؟ وَمَا بَقِيَ مِنْهُ؟. فَجَمَعَهُمْ سعدٌ، فَسَأَلَهُمْ عَنْ ذَلِكَ فَكُلُّهُمْ زَعَمَ أَنَّهُ أَغْزَرُ مَا كَانَ شِعْرًا وَأَقْدَرُهُ عَلَيْهِ، إلا لبيدٌ فإنه حلف بالذي هذاه إِلَى الإِسْلامِ، مَا قَدَرْتُ عَلَى أَنْ أَقُولَ بَيْتًا وَاحِدًا مُنْذُ أَسْلَمْتُ.

فَكَتَبَ بِذَلِكَ إِلَى عُمَرَ؛ فَكَتَبَ إِلَيْهِ عُمَرُ: قَدْ فَهِمْتُ مَا ذَكَرْتَ، وَإِنَّهُ لَمْ يَدْخُلْ قَلْبَ رَجُلٍ مِنْهُمُ الإِيمَانُ كَدُخُولِهِ قَلْبَ لَبِيدٍ، فَاعْرِفُوا لَهُ حَقَّ الإِسْلامِ وَكَرَامَتَهُ، وَالسَّلامُ.

فَلَمَّا كَانَ بَعْدُ، لَقِيَهُ عمر فقال: يا لبيد، ما فعَلَت:

عَفَتِ الدِّيَارُ مَحَلُّهَا فَمُقَامُهَا … [بِمِنًى تَأَبَّدَ غَوْلُهَا فَرِجَامُهَا] ؟

قَالَ: أَبْدَلَنِي اللَّهُ بِهَا -يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ- خَيْرًا مِنْهَا. قَالَ: مَاذَا؟ قَالَ: سُورَةَ الْبَقَرَةِ. قَالَ: صدقت -وَاللَّهِ - بِهَا.

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْجَعْدِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا حِبَّانُ مَوْلَى بَنِي أُمَيَّةَ، حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدَةَ، قَالَ:
সারি ইবনে ইসমাঈল থেকে বর্ণিত, আস-সাদার ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি বলেন:

আমাদের সামনে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের প্রতি উমর ইবনুল খাত্তাবের পত্রটি পাঠ করা হলো: অতঃপর, আপনার নিকট যে সকল কবিগণ রয়েছেন তাদের একত্রিত করুন। এরপর তাদের জিজ্ঞাসা করুন যে, তারা তাদের কবিতার কী কী হারিয়ে ফেলেছে? আর তার কতটুকু অবশিষ্ট আছে? অতঃপর সাদ তাদের একত্রিত করলেন এবং তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। তাদের প্রত্যেকেই দাবি করলেন যে, তারা কাব্যচর্চায় পূর্বের মতোই অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং পারদর্শী; তবে লাবিদ ব্যতীত। কেননা তিনি সেই সত্তার শপথ করলেন যিনি তাকে ইসলামের দিকে হিদায়াত দিয়েছেন যে, আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে একটি পঙক্তিও রচনা করতে সক্ষম হইনি।

অতঃপর তিনি (সাদ) এ সংবাদ উমরের নিকট লিখে পাঠালেন। উমর তাকে প্রতিউত্তরে লিখলেন: আপনি যা উল্লেখ করেছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি। তাদের কারোরই অন্তরে ঈমান এমনভাবে প্রবেশ করেনি যেভাবে লাবিদের অন্তরে প্রবেশ করেছে। সুতরাং আপনারা তার জন্য ইসলামের হক ও তার মর্যাদাকে স্বীকার করুন। ওয়াসসালাম।

পরবর্তীতে উমরের সাথে তার দেখা হলে তিনি বললেন: হে লাবিদ, এই কবিতাটির কী হলো:

বাসস্থানসমূহ বিলীন হয়ে গেছে, তাদের অস্থায়ী ও স্থায়ী নিবাসগুলো … [মিনাতে তার ঘাউল ও রিজাম (স্থানসমূহ) জনশূন্য হয়ে পড়েছে]?

তিনি বললেন: হে আমীরুল মুমিনীন, আল্লাহ আমাকে এর পরিবর্তে এর থেকে উত্তম কিছু দান করেছেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তা কী? তিনি বললেন: সূরা আল-বাকারাহ। তিনি (উমর) বললেন: আল্লাহর কসম, আপনি সত্য বলেছেন।

মাখলাদ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনুল জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বনু উমাইয়ার মুক্তদাস হিব্বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবায়দাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৪)
لَمْ يَقُلْ لبيدٌ فِي الإِسْلامِ إِلا بَيْتًا:

الْحَمْدُ لِلَّهِ إِذْ لَمْ يَأْتِنِي أَجَلِي … حَتَّى كُسِيتَ مِنَ الإِسْلامِ سِرْبَالا

‌‌[4] [النَّابِغَةُ الْجَعْدِيُّ]
লবিদ ইসলাম গ্রহণের পর কেবল একটি পঙ্ক্তি ছাড়া আর কোনো কবিতা বলেননি:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যেহেতু আমার মৃত্যু উপস্থিত হয়নি … যতক্ষণ না আমাকে ইসলামের পোশাকে আবৃত করা হয়েছে।

[৪] [আন-নাবিগাহ আল-জা’দি]
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৫)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، وَأَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ؛ قَالا: ثنا أَبُو خَلِيفَةَ، عَنِ ابن سلام الجمجمي، قَالَ:

أَبُو لَيْلَى، نَابِغَةُ بَنِي جَعْدَةَ، وَهُوَ قَيْسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُدُسِ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ جَعْدَةَ بْنِ كَعْبِ بْنِ رَبِيعَةَ بن عامر بن صعصعة.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو الزِّئْبَقِيُّ، ثنا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى الْمِنْقَرِيُّ، ثنا الأَصْمَعِيُّ، ثنا هَانِئُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَفْوَانَ، قَالَ:

عَاشَ النابغة مئةً وَعِشْرِينَ سَنَةٍ، وَسَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم شِعْرَهُ فَاسْتَحْسَنَهُ، ثُمَّ مَاتَ بِأَصْبَهَانَ، وَدُفِنَ بها.
সুলায়মান ইবনে আহমাদ এবং আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে সালাম আল-জুমজুমী থেকে, তিনি বলেন:

আবু লায়লা, বনু জা'দার নাবিখাহ, আর তিনি হলেন কায়েস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উদুস ইবনে রাবিআ ইবনে জা'দা ইবনে কাব ইবনে রাবিআ ইবনে আমির ইবনে সা'সা'আ।

আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আত-তামিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আমর আয-যিবাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-মিনকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আসমায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হানি ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সাফওয়ান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নাবিখাহ একশ বিশ বছর জীবিত ছিলেন, এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কবিতা শুনেছিলেন ও তা পছন্দ করেছিলেন, অতঃপর তিনি ইসফাহানে মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৬)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ أَبُو خَالِدٍ الْبَصْرِيُّ بِمِصْرَ، ثنا خَلادُ بْنُ يَزِيدَ الْبَاهِلِيُّ:

أَنَّ نَاِبغَةَ بَنِي جَعْدَةَ سَمِعَ كَلامَ إِنْسَانٍ وَهُوَ شيخٌ كبيرٌ، فَقَالَ: ادْعُوا لِي هَذَا؛ فَدَعَوْهُ، فَقَالَ: أَنْتَ فلانٌ؟ قَالَ: لا، أَنَا ابْنُهُ. قَالَ: مَا فَعَلَ فلانٌ؟ قَالَ: مَاتَ. فَسَأَلَهُ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ، فَقَالَ: مات.

فأطرق ساعةً ثم قال:

الْمَرْءُ يَهْوَى أَنْ يَعِيشَ … وَطُولُ عَيْشٍ مَا يضره

تتابعا الأَيَّامُ حَتَّى … مَا يَرَى شَيْئًا يَسُرُّهْ

تَفْنَى بَشَاشَتُهُ وَيَبْقَى … بَعْدَ حُلْوِ الْعَيْشِ مُرُّهْ

ثُمَّ دَخَلَ بَيْتَهُ، فَلَمْ يَخْرُجْ حَتَّى مَاتَ.

‌‌[5] وَمِنْهُمْ [أَبُو ذُؤَيْبٍ الْهُذَلِيُّ] ، وَقِيلَ: إِنَّ اسْمَهُ خُوَيْلِدٌ.

حَدَّثَنِي أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَبُو خَلِيفَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ الْجُمَحِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ:
আবু বকর আত-তালহি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে সুফিয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে সিনান আবু খালিদ আল-বসরি মিসরে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, খাল্লাদ ইবনে ইয়াজিদ আল-বাহিলি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন:

বনু জা’দাহর নাবিগাহ্ যখন অত্যন্ত বৃদ্ধ ছিলেন, তখন তিনি একজন মানুষের কথা শুনতে পেলেন। তিনি বললেন: তাকে আমার কাছে ডাকো; তারা তাকে ডাকল, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কি অমুক? সে বলল: না, আমি তার পুত্র। তিনি বললেন: অমুক ব্যক্তি কী করছে? সে বলল: সে মারা গেছে। তিনি আরও অনেকের কথা জিজ্ঞেস করলেন, সে উত্তরে বলল: মারা গেছেন।

তিনি কিছুক্ষণ মাথা নত করে থাকলেন তারপর বললেন:

মানুষ বেঁচে থাকতে পছন্দ করে … অথচ দীর্ঘ জীবন তার কেবল ক্ষতিই বয়ে আনে

দিনের পর দিন অতিবাহিত হতে থাকে অবশেষে … সে এমন কিছুই দেখে না যা তাকে আনন্দ দেয়

তার প্রফুল্লতা বিলীন হয়ে যায় এবং অবশিষ্ট থাকে … জীবনের মাধুর্যের পর তার তিক্ততা

এরপর তিনি তার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত আর বের হননি।

‌‌[৫] এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন [আবু জুওয়াইব আল-হুযালি], এবং বলা হয়েছে: তার নাম খুওয়াইলিদ।

আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু খলিফা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে সালাম আল-জুমাহি ইউনুস ইবনে হাবিব থেকে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৭)
اسْمُ أَبِي ذُؤَيْبٍ الْهُذَلِيُّ خُوَيْلِدٌ.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى الْمُعَافِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَلْوِيُّ، ثنا عُمَارَةُ بْنُ زَيْدٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلاءِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُجْتَبَى الْعُدْوَانِيُّ، عَنِ الأَخْنَسِ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي ذُؤَيْبٍ الْهُذَلِيِّ، قَالَ:

رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ، وَقَدْ نَصَبَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ لِلنَّاسِ، وَهُوَ يَقُولُ: ((مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فعليٌ مَوْلاهُ، اللَّهُمَّ وَالِ مَنْ وَالاهُ وَعَادِ مَنْ عَادَاهُ)) .

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ كَثِيرٍ الْعَنْبَرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْحَسَنِ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَلْوِيُّ، ثنا عُمَارَةُ بْنُ زَيْدٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلاءِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُجْتَبًى، عَنِ الأَخْنَسِ بْنِ زُهَيْرٍ الْفَهْمِيُّ، عَنْ أَبِي ذُؤَيْبٍ الْهُذَلِيِّ الشَّاعِرِ:

أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَأَنْشَدَهُ شَيْئًا مِنْ شِعْرِهِ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ((إِنَّمَا الشِّعْرُ كلامٌ، فَمَا وَافَقَ مِنْهُ الْحَقَّ فَهُوَ حسنٌ، وَمَا لَمْ يُوَافِقِ الْحَقَّ فَلا خَيْرَ فِيهِ)) .

أُخْبِرْتُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْمَكِّيِّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَلْوِيُّ، ثنا عُمَارَةُ بْنُ زَيْدٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، ثنا أَبُو الأَكَارِمِ الْهُذَلِيُّ، عَنِ الْهِرْمَاسِ بْنِ صَعْصَعَةَ الْهُذَلِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَنِي أَبُو ذُؤَيْبٍ الشَّاعِرُ، قَالَ:
আবু জুয়াইব আল-হুযালীর নাম হলো খুওয়ায়লিদ।

আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসা আল-মুআফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সাহল আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বালভী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারা বিন যায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুজতাবা আল-উদওয়ানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আখনাশ বিন যুহাইর থেকে, তিনি আবু জুয়াইব আল-হুযালী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি গাদীরে খুমের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি আলী বিন আবি তালিবকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছেন এবং বলছিলেন: "আমি যার মাওলা, আলীও তার মাওলা। হে আল্লাহ, যে তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে আপনিও তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করুন এবং যে তার সাথে শত্রুতা করে আপনিও তার সাথে শত্রুতা করুন।"

আবু বকর আহমাদ বিন খালিদ বিন কাসীর আল-আনবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সাহল বিন আল-হাসান আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বালভী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারা বিন যায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুজতাবা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আখনাশ বিন যুহাইর আল-ফাহমী থেকে, তিনি কবি আবু জুয়াইব আল-হুযালী থেকে বর্ণনা করেছেন:

তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং তাকে তার কবিতার কিছু অংশ শোনালেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "কবিতা তো কেবল এক প্রকার কথা; এর যে অংশ সত্যের অনুকূল হয় তা উত্তম, আর যা সত্যের অনুকূল হয় না তাতে কোনো কল্যাণ নেই।"

আমাকে মুহাম্মাদ বিন আমর আল-মাক্কী থেকে অবহিত করা হয়েছে, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বালভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমারা বিন যায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আকারিম আল-হুযালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিরমাস বিন সা'সা'আ আল-হুযালী থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, কবি আবু জুয়াইব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৮)
قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ وَلأَهْلِهَا ضجيجٌ كَضَجِيجِ الْحَجِيجِ أَهَلُّوا جَمِيعًا بِالإِحْرَامِ، فَقُلْتُ: مَهْ؟ فَقَالُوا: هَلَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

‌‌[6] [الْفَرَزْدَقُ]

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حِمَّانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ بْنِ مُوسَى، ثنا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، ثنا أَبِي، سَمِعْتُ قَتَادَةَ يَقُولُ:

سَمِعْتُ الْفَرَزْدَقَ يَقُولُ: شُعَرَاءُ الإِسْلامِ أربعةٌ؛ أَنَا وَجَرِيرٌ وَالأَخْطَلُ وَكَعْبٌ الأَشْقَرِيُّ.

حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَبَلَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا ابْنُ أَبِي عُمَرَ.

ح وثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَسَنٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عِلانَ، قَالا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، ثنا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبَانِ بْنِ تَغْلِبَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ لبَطَةَ بْنِ الْفَرَزْدَقِ: قَالَ سُفْيَانُ: ثُمَّ لَقِيتُ لَبَطَةَ فِي الطَّوَافِ فَقُلْتُ: سَمِعْتَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِيكَ؟ قَالَ: وَأَيُّ حَدِيثٍ هُوَ؟ قُلْتُ: لُقِيُّهُ الْحُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ. قَالَ: إِيهًا لِلَّهِ، إِذًا سَمِعْتُ أَبِي يقول:
আমি মদীনায় আসলাম, তখন তার অধিবাসীদের মাঝে হজ্জ পালনকারীদের শোরগোলের ন্যায় এক প্রচণ্ড শোরগোল ছিল, তারা সকলেই উচ্চস্বরে বিলাপ করছিল। আমি বললাম: কী হয়েছে? তারা বলল: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন।

‌‌[৬] [আল-ফারাজদাক]

আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হিম্মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব ইবনে জারির ইবনে হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি:

আমি আল-ফারাজদাককে বলতে শুনেছি: ইসলামের কবি চারজন; আমি, জারির, আল-আখতাল এবং কাব আল-আশকারিয়্যি।

আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাবালাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

এবং (অন্য সনদে) মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হাসান ও হাসান ইবনে ইলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবান ইবনে তাগলিব থেকে, তিনি খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি লাবাতা ইবনে আল-ফারাজদাক থেকে: সুফিয়ান বলেন: অতঃপর আমি তাওয়াফের সময় লাবাতার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম: আপনি কি এই হাদীসটি আপনার পিতার নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: সেটি কোন হাদীস? আমি বললাম: হুসাইন ইবনে আলীর সাথে তাঁর সাক্ষাতের বিষয়টি। তিনি বললেন: হ্যাঁ আল্লাহর শপথ, তখন আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ২৯)
خَرَجْنَا إِلَى الْحَجِّ، حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِالصِّفَاحِ إِذَا أَنَا بِقَوْمٍ عَلَيْهِمُ الدَّرَقُ وَالْيَلامِقُ، فَقُلْتُ: مَا هَذَا؟ قَالُوا: الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، فَخَرَجْتُ أَشْتَدُّ حَتَّى أَخَذْتُ بِزِمَامِهِ، وَكَانَ قَدْ عَرَفَنِي قَبْلَ ذَاكَ، فَقُلْتُ: أَيْنَ تُرِيدُ؟ قَالَ: الْعِرَاقَ.

قَالَ: فَمَاذَا عِنْدَكَ؟ قُلْتُ: أَنْتَ أَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ، وَالْقَضَاءُ فِي السَّمَاءِ، وَالسُّيُوفُ مَعَ بَنِي أُمَيَّةَ.

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَبُو حَنِيفَةَ مُحَمَّدُ بْنُ حَنِيفَةَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَرَاءِ الْغَنَوِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، قَالَ:

كَانَ عليٌ بْنُ الْحُسَيْنِ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ، فَأَرَادَ أَنْ يَسْتَلِمَ الْحَجَرَ، فَأَوْسَعَ النَّاسُ لَهُ، وَالْفَرَزْدَقُ بْنُ غَالِبٍ يَنْظُرُ إِلَيْهِ، فَقَالَ لَهُ رجلٌ: يَا أَبَا فِرَاسٍ، مَنْ هذا؟ فقال الفرزدق:
আমরা হজের উদ্দেশ্যে বের হলাম, যতক্ষণ না আমি সিফাহ নামক স্থানে পৌঁছালাম। সেখানে আমি একদল লোকের দেখা পেলাম যাদের গায়ে ছিল ঢাল এবং যুদ্ধপোশাক। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, "এটি কী?" তারা বলল, "(ইনি) হুসাইন ইবনে আলী।" তখন আমি দ্রুতবেগে এগিয়ে গিয়ে তাঁর (বাহনের) লাগাম ধরলাম। তিনি আমাকে পূর্ব থেকেই চিনতেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, "আপনি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করছেন?" তিনি বললেন, "ইরাক।"

তিনি বললেন, "তোমার নিকট কী সংবাদ আছে?" আমি বললাম, "আপনি আমার নিকট মানুষের মধ্যে সর্বাধিক প্রিয়, তবে ফয়সালা আসমানে, আর তলোয়ারগুলো বনু উমাইয়ার সাথে।"

সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হানিফা মুহাম্মদ ইবনে হানিফা আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আমর ইবনে আল-বারা আল-গানাউয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আলী ইবনুল হুসাইন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। এরপর তিনি যখন হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার ইচ্ছা করলেন, তখন লোকজন তাঁর জন্য পথ প্রশস্ত করে দিল। ফারাজদাক ইবনে গালিব তাঁর দিকে লক্ষ্য করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, "হে আবু ফিরাস! ইনি কে?" তখন ফারাজদাক বললেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩০)
هَذَا الَّذِي تَعْرِفُ الْبَطْحَاءُ وَطْأَتَهُ … وَالْبَيْتُ يَعْرِفُهُ وَالْحِلُّ وَالْحَرَمُ

هَذَا ابْنُ خَيْرِ عِبَادِ اللَّهِ كُلِّهِمُ … هَذَا التَّقِيُّ النَّقِيُّ الطَّاهِرُ الْعَلَمُ

يَكَادُ يُمْسِكُهُ عِرْفَانُ رَاحَتِهِ … رُكْنُ الْحَطِيمِ لَدَيْهِ حِينَ يَسْتَلِمُ

إِذَا رَأَتْهُ قريشٌ قَالَ قَائِلُهَا … إِلَى مَكَارِمِ هَذَا يَنْتَمِي الْكَرَمُ

يُغْضِي حَيَاءً وَيُغْضَى مِنْ مَهَابَتِهِ … فَمَا يُكَلَّمُ إِلا حِينَ يَبْتَسِمُ

فِي كَفِّهِ خيزرانٌ رِيحُهُ عبقٌ … بِكَفِّ أَرْوَعَ فِي عِرْنِينِهِ شَمَمُ

مشتقةٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ نَبْعَتُهُ … طَابَتْ عَنَاصِرُهُ وَالْخَيْمُ وَالشِّيَمُ

لا يَسْتَطِيعُ جوادٌ بَعْدَ غَايَتِهِمْ … وَلا يُدَانِيهِمُ قومٌ وَإِنْ كَرُمُوا

أَيُّ الْعَشَائِرِ لَيْسَتْ فِي رِقَابِهِمُ … لأوَّليَّة هَذَا أَوْ لَهُ نِعم؟

حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَبَلَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ لَبَطَةَ بْنِ الْفَرَزْدَقِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

لَقِيتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، فَقَالَ: مَنْ أَنْتَ؟ قُلْتُ: أَنَا الْفَرَزْدَقُ. قَالَ: إِنَّ قَدَمَيْكَ صَغِيرَتَانِ، وَكَمْ مِنْ مُحْصَنَةٍ قَدْ قَذَفْتَهَا، وَإِنَّ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَوْضًا مَا بَيْنَ أَيْلَةَ إِلَى كَذَا وَكَذَا، وَهُوَ قائمٌ بِذَنَابَاهِ يَقُولُ: ((إِلَيَّ إِلَيَّ)) ؛ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ فَلا تُحْرَمْهُ. قَالَ: فَلَمَّا قُمْتُ، قَالَ: مَا صَنَعْتَ مِنْ سَيِّءٍ فَلا تَقْنَطَنَّ.

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مُسَاوِرٍ، ثنا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثنا صَاِلحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ حَبِيبٍ أَبِي محمد، قال:
ইনিই তিনি, যাঁর পদচিহ্ন বাতহা (মক্কা) চেনে … কাবাগৃহ তাঁকে চেনে এবং হিল ও হারামও তাঁকে চেনে।

ইনি আল্লাহর সকল বান্দার মধ্যে শ্রেষ্ঠতমের সন্তান … ইনিই সেই মুত্তাকী, পরিচ্ছন্ন, পবিত্র ও সুপ্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব।

যখন তিনি হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেন, হাতিমের রুকন (কোণ) তাঁর হাতের তালুর পরিচিতির কারণে যেন তাঁকে ধরে রাখতে চায় … তাঁর নিকট স্পর্শ করার সময়ে।

যখন কুরাইশরা তাঁকে দেখে, তখন তাদের বক্তা বলে ওঠে … এই মহান ব্যক্তির উচ্চমর্যাদার সাথেই মহত্ত্ব সম্পৃক্ত।

তিনি লজ্জায় দৃষ্টি অবনত রাখেন এবং তাঁর গাম্ভীর্যের কারণে অন্যদের দৃষ্টি অবনত থাকে … তাঁর সাথে কথা বলা যায় না তিনি যখন হাসেন সেই সময় ব্যতীত।

তাঁর হাতে রয়েছে একটি সুগন্ধি বাঁশের কাঠি যার ঘ্রাণ সুবাসিত … এক অনিন্দ্যসুন্দর ব্যক্তির হাতে যাঁর নাসিকা সুউচ্চ ও সুশ্রী।

রাসুলুল্লাহর মূলধারা থেকে তাঁর উৎস উৎসারিত … তাঁর মূল উপাদান, প্রকৃতি ও স্বভাব অত্যন্ত পবিত্র।

কোনো দানবীরই তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম নয় … এবং কোনো জাতিই তাঁদের নিকটবর্তী হতে পারে না, তারা যতই সম্মানিত হোক না কেন।

এমন কোন গোত্র আছে যাদের ঘাড়ে … এই মহান ব্যক্তির পূর্বসূরীদের অথবা তাঁর নিজের কোনো অনুগ্রহ নেই?

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন জাবালাহ, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সাকাফী, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবু শায়বাহ, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন ইবরাহীম, লাবাতা বিন ফারাযদাক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি আবু হুরায়রার সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কে? আমি বললাম: আমি ফারাযদাক। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আপনার পা দুটি ছোট, অথচ কত সচ্চরিত্রা নারীর প্রতিই না আপনি অপবাদ দিয়েছেন! আর নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি হাউজ রয়েছে যা আয়লা থেকে অমুক অমুক স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত, তিনি এর কিনারায় দাঁড়িয়ে বলবেন: ((আমার দিকে এসো, আমার দিকে এসো)); অতএব যদি আপনি সমর্থ হন তবে তা থেকে বঞ্চিত হবেন না। তিনি বলেন: যখন আমি উঠে দাঁড়ালাম, তিনি বললেন: আপনি যে মন্দ কাজই করে থাকুন না কেন, নিরাশ হবেন না।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন আহমাদ, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন কাসিম বিন মুসাউয়ির, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন খিদাশ, তিনি বলেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালিহ আল-মুররী, হাবীব আবু মুহাম্মাদ থেকে, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩১)
سَمِعْتُ الْفَرَزْدَقَ بْنَ غَالِبٍ يَقُولُ:

لَقِيتُ أَبَا هُرَيْرَةَ بِالشَّامِ، فَقَالَ لِي: أَنْتَ الْفَرَزْدَقُ؟ فَقُلْتُ: نَعَمْ. فَقَالَ: أَنْتَ الشَّاعِرُ؟ قُلْتُ: نَعَمْ. قَالَ: أَمَا إِنَّكَ إِنْ بَقِيتَ لَقِيتَ قَوْمًا يَقُولُونَ: لا تَوْبَةَ لَكَ، فَأَيًّا كَانَ [فَلا] تَقْطَعْ رَجَاءَكَ مِنَ اللَّهِ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَخْلَدٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيلٍ الْعَنْزِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ مُوسَى الصَّفَّارُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ فَضَالَةَ الصَّيْرَفِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ الْكِلابِيُّ، حَدَّثَنِي بَشَّارُ بْنُ بُرْدٍ الشَّاعِرُ، حَدَّثَنِي الْفَرَزْدَقُ، قَالَ:

قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ، فَقُلْتُ: لا أُفَارِقُ ابْنَ عُمَرَ، حَيْثُ مَا مَضَى اتَّبَعْتُهُ؛ وَأَنَا مَعَهُ يَوْمًا فِي بَعْضِ طُرُقِ الْمَدِينَةِ إِذْ لَقِيَهُ رجلٌ، فَلَمَّا رَآهُ تَفِلَ فِي وَجْهِهِ. فَلَمَّا رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ فَعَلَ ذَلِكَ تَنَخَّعْتُ مِثْلَ الضِّفْدِعَةِ فَرَمَيْتُ بِهَا بَيْنَ عَيْنَيْهِ. فَقَالَ لِي رجلٌ مِنْ خَلْفِي: ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ، تَدْرِي مَنْ هَذَا؟ هَذَا ابْنُ صَائِدِ الدَّجَّالِ، إِنْ تَفِلَ عَلَيْكَ أَحْرَقَ بَنِي تَمِيمٍ. فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ، فَمَسَحْتُ عَيْنَيْهِ، وَاعْتَذَرْتُ إِلَيْهِ، فَمَضَى بِي إِلَى مَنْزِلِهِ، فَأَقَمْتُ عِنْدَهُ، فَلَمْ أَزَلْ آكُلُ وَأَشْرَبُ حَتَّى خَرَجْتُ مِنَ الْمَدِينَةِ.
আমি ফরাজদাক ইবনে গালিবকে বলতে শুনেছি:

আমি সিরিয়ায় আবু হুরায়রাহ-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তিনি আমাকে বললেন: তুমি কি ফরাজদাক? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তুমি কি সেই কবি? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: জেনে রেখো, তুমি যদি বেঁচে থাকো তবে এমন এক সম্প্রদায়ের দেখা পাবে যারা বলবে: তোমার জন্য কোনো তাওবাহ নেই; সুতরাং পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আল্লাহর প্রতি তোমার আশা ছিন্ন করো না।

মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে আলীল আল-আনযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে মুসা আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ফাদালাহ আস-সাইরাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আসিম আল-কিলাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কবি বাশার ইবনে বুরদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ফরাজদাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি মদিনায় আসলাম, তখন আমি মনে মনে বললাম: আমি ইবনে উমরকে ছেড়ে যাব না, তিনি যেখানেই যাবেন আমি তাঁকে অনুসরণ করব; আমি একদিন মদিনার কোনো এক পথে তাঁর সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। যখন সে তাঁকে দেখল, তাঁর চেহারায় থুতু নিক্ষেপ করল। যখন আমি দেখলাম যে ইবনে উমরের সাথে এমনটি করা হলো, তখন আমি ব্যাঙের মতো শব্দ করে কফ বের করলাম এবং তা তার দুই চোখের মাঝখানে নিক্ষেপ করলাম। তখন আমার পিছন থেকে এক ব্যক্তি আমাকে বলল: তোমার মা তোমাকে হারাক, তুমি কি জানো এই ব্যক্তি কে? এ হলো ইবনে সায়্যিদ দাজ্জাল, সে যদি তোমার ওপর থুতু দেয় তবে সে বনী তামীমকে জ্বালিয়ে দেবে। তখন আমি তার কাছে ফিরে গেলাম এবং তার দুই চোখ মুছে দিলাম ও তার কাছে ক্ষমা চাইলাম। এরপর সে আমাকে নিয়ে তার বাড়িতে গেল এবং আমি তার কাছে অবস্থান করলাম; সেখানে আমি পানাহার করতে থাকলাম যতক্ষণ না আমি মদিনা থেকে বের হলাম।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩২)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الْحُلْوَانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ.

ح وثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، ثنا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ الْهُنَائِيِّ، قَالَ:

كُنْتُ مَحْبُوسًا فِي السِّجْنِ أَنَا وَالْفَرَزْدَقُ فِي يَدَيْ مَالِكِ بْنِ الْمُنْذِرِ، فَقَالَ لِي الْفَرَزْدَقُ فِي السِّجْنِ: يَا يَحْيَى، إِنْ كُنْتُ كَاذِبًا فَلا أَخْرَجَنِي اللَّهُ مِنَ السِّجْنِ، وَلا أَنْجَانِي مِنْ يَدَيْ مَالِكِ بْنِ الْمُنْذِرِ -وَكَانَ يَخَافُهُ- إِنْ لَمْ أَكُنْ أَتَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ وَأَبَا سَعِيدٍ فَقُلْتُ: إِنِّي رجلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَشْرِقِ، وَإِنَّ قَوْمًا يَخْرُجُونَ عَلَيْنَا فَيَقْتُلُونَ مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَيَأْمَنُ مَنْ يَتَوَلاهُمْ مِنَ النَّاسِ، فَقَالَا: -وَإِلا فَلَا نَجَّانَا اللَّهُ مِنَ السِّجْنِ- سَمِعْنَا خَلِيلَنَا صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((مَنْ قَتَلَهُمْ فَلَهُ أجرٌ شَهِيدٍ، وَمَنْ قَتَلُوهُ فَلَهُ أَجْرُ شَهِيدَيْنِ)) .

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مَالِكٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا مَعْمَرُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: ثنا لَبَطَةُ بْنُ الْفَرَزْدَقِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

حَجَجْتُ فَمَرَرْتُ بِذَاتِ عِرْقٍ، فَإِذَا بِهَا قبابٌ منصوبةٌ. فَقُلْتُ: مَا هَذِهِ؟ قَالُوا: الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ. فَدَخَلْتُ، فَقَالَ: مَا الْخَبَرُ وَرَاءَكَ؟ قَالَ: قُلْتُ: الْقُلُوبُ مَعَكَ، وَالسُّيُوفُ مَعَ بَنِي أُمَيَّةَ.

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وثنا أَبُو رَوْقٍ، ثنا الرِّيَاشِيُّ،
সুলায়মান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আবি আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াজিদ আল-হুনায়ী থেকে, তিনি বলেন:

আমি এবং আল-ফারাজদাক মালিক ইবনে আল-মুনজিরের হাতে বন্দি অবস্থায় কারাগারে ছিলাম। তখন ফারাজদাক কারাগারে আমাকে বলল: হে ইয়াহইয়া, আমি যদি মিথ্যাবাদী হই তবে আল্লাহ যেন আমাকে কারাগার থেকে বের না করেন এবং মালিক ইবনে আল-মুনজিরের হাত থেকে আমাকে মুক্তি না দেন—আর সে তাকে ভয় পেত—যদি আমি আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদের কাছে না গিয়ে থাকি এবং (তাদের) না বলে থাকি যে: আমি প্রাচ্যের অধিবাসীদের একজন লোক, আর একদল লোক আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে যারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' পাঠকারীকে হত্যা করছে, আর মানুষের মধ্যে যারা তাদের আনুগত্য করছে তারা নিরাপদ থাকছে। তখন তারা (আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদ) বলেছিলেন: —অন্যথায় আল্লাহ যেন আমাদের এই কারাগার থেকে নাজাত না দেন—আমরা আমাদের বন্ধু (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ((যে ব্যক্তি তাদেরকে হত্যা করবে তার জন্য শহীদের সওয়াব রয়েছে, আর তারা যাকে হত্যা করবে তার জন্য দুই জন শহীদের সওয়াব রয়েছে))।

আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার ইবনে আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাবাতা ইবনে আল-ফারাজদাক তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি হজে যাচ্ছিলাম, পথে জাতু ইর্ক নামক স্থানে পৌঁছালে সেখানে কতগুলো তাবু খাটানো দেখতে পেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম: এগুলো কী? তারা বলল: হুসাইন ইবনে আলী। আমি সেখানে প্রবেশ করলাম, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার পেছনের খবর কী? তিনি বলেন: আমি বললাম: মানুষের অন্তর আপনার সাথে আছে, কিন্তু তলোয়ারগুলো বনু উমাইয়ার সাথে।

আল-হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং আবু রওক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর-রিয়াশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
ثنا أَبُو عُبَيْدَةَ، قَالَ:

شَهِدَ الْفَرَزْدَقُ جَنَازَةَ أَبِي رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيُّ، وَفِيهَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ، فَلَمَّا دُفِنَ أَبُو رَجَاءٍ -وَالْفَرَزْدَقُ جالسٌ عَلَى شَفِيرِ الْقَبْرِ- قَالَ الْحَسَنُ: مَا أَعْدَدْتَ لِهَذَا الْيَوْمِ؟ قَالَ: شَهَادَةُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ مُنْذُ سَبْعِينَ سَنَةً.

حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدِ بْنُ جَبَلَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَبِيبٍ الْعَدَوِيُّ، حَدَّثَنِي أَخِي مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ لَبَطَةَ بْنِ الْفَرَزْدَقِ، قَالَ:

رَأَيْتُ أَبِي فِي النَّوْمِ، فَقُلْتُ: مَا فَعَلَ اللَّهُ بِكَ؟ قَالَ: نَفَعَنِي يَوْمَ لاقَيْتُ الْحَسَنَ فِي الْجَنَازَةِ.

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ إِمْلاءً، ثنا أَبُو أَحْمَدَ الْجُلُودِيُّ، ثنا الْغَلابِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الضَّحَّاكِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

دَخَلَ الْفَرَزْدَقُ عَلَى مَرِيضٍ يَعُودُهُ، فَمَا كَلَّمَهُ إِلا بهذين البيتين -وكان سمعه يطلب طبيباً-:

يَا طَالِبَ الطِّبِّ مِنْ دَاءٍ تُخَوَّفُهُ … إِنَّ الطَّبِيبَ الَّذِي أَبْلاكَ بِالدَّاءِ

هُوَ الطَّبِيبُ الَّذِي يُرْجَى لِعَافِيَةٍ … لا مَنْ يَذُوفُ لَكَ التِّرْيَاقَ بِالْمَاءِ

‌‌[7] [رُؤْبَةُ بْنُ الْعَجَّاجِ]
আবু উবায়দাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

ফারাজদাক আবু রাজা আল-উতারিদির জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, সেখানে হাসান ইবন আবিল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। যখন আবু রাজাকে দাফন করা হলো এবং ফারাজদাক কবরের কিনারায় বসে ছিলেন, তখন হাসান বললেন: "এই দিনের জন্য আপনি কী প্রস্তুত করেছেন?" তিনি বললেন: "সত্তর বছর যাবত লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর সাক্ষ্য।"

আবু হামিদ ইবন জাবালাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন যাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবন উমর ইবন হাবিব আল-আদাউয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার ভাই মুহাম্মাদ ইবন উমর ইবন হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন উয়ায়নাহ থেকে, তিনি লাবাতাহ ইবনুল ফারাজদাক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি স্বপ্নে আমার পিতাকে দেখলাম। আমি বললাম: "আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন?" তিনি বললেন: "যেদিন জানাজায় হাসানের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল, সেই দিনটি আমার উপকারে এসেছে।"

হাসান ইবন আবদুল্লাহ ইবন সাঈদ শ্রুতলিপি হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আহমাদ আল-জুলুদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-গালাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন দাহহাক থেকে, তিনি হিশাম ইবন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

ফারাজদাক এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন। তিনি তাকে কেবল এই দুটি পঙক্তি ব্যতীত আর কোনো কথা বলেননি—তখন তিনি তাকে চিকিৎসক খুঁজতে শুনেছিলেন:

হে সেই রোগের চিকিৎসা অন্বেষণকারী যাকে আপনি ভয় পাচ্ছেন … নিশ্চয়ই সেই চিকিৎসক যিনি আপনাকে রোগে আক্রান্ত করেছেন

তিনিই সেই চিকিৎসক যাঁর নিকট সুস্থতার আশা করা যায় … তিনি নন, যিনি আপনার জন্য পানিতে প্রতিষেধক মিশ্রিত করেন

‌‌[৭] [রুবাহ ইবনুল আজজাজ]
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৪)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَبُو خَلِيفَةَ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ التَّوَّزِيُّ، عَنِ الأَصْمَعِيِّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ، قَالَ:

شَرِبَ أَبِي الإِذرطوسِ، فدخل عليه رؤبة بن العجاج فقال:

يَا مُوجِبَ اللَّعْنِ عَلَى إِبْلِيسِ

وَمُنْزِلَ الرَّحِمِ عَلَى إِدْرِيسِ

وَبَارِئِ الإِثْنَيْنِ وَالْخَمِيسِ

بَارِكْ لَهُ فِي شُرْبِ الإِذْرَطُوسِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هَارُونَ السِّمْسَارُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ خَلادٍ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ رُؤْبَةَ بْنِ الْعَجَّاجِ، عَنْ أَبِيهِ، قال:

أنشدت أبا هريرة:

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي اسْتَقَلَّتْ

بِأَمْرِهِ السَّمَاءُ وَاسْتَعَلَّتْ

بِأَمْرِهِ الأَرْضُ وَمَا تَعَنَّتْ
সুলাইমান ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মদ আত-তাওজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসমায়ি থেকে, তিনি জাফর ইবনে সুলাইমান ইবনে আলি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমার পিতা ইযরাতুস পান করলেন, তখন তাঁর নিকট রু'বাহ ইবনুল আজ্জাজ প্রবেশ করলেন এবং বললেন:

হে ইবলিসের ওপর অভিশাপ অবধারিতকারী!

এবং ইদ্রিসের ওপর রহমত বর্ষণকারী!

এবং সোমবার ও বৃহস্পতিবারের স্রষ্টা!

তাঁর ইযরাতুস পানে বরকত দান করুন।

আবুল হাসান আলী ইবনে হারুন আস-সিমসার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব ইবনে মুহাম্মদ আজ-জুহরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে হাবিব থেকে, তিনি রু'বাহ ইবনুল আজ্জাজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি আবু হুরায়রাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছি:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর আদেশে সুস্থিত হয়েছে

আসমান এবং তা সুউচ্চ হয়েছে,

তাঁরই আদেশে পৃথিবী এবং তা পরিশ্রান্ত হয়নি।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৫)
أَرْسَى عَلَيْهَا بِالْجِبَالِ الثُّبَّتْ

مُجَمِّعُ النَّاسِ لِيَوْمِ الْمَوْقِتْ

فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَشْهَدُ أَنَّكَ تُؤْمِنُ بِيَوْمِ الْحِسَابِ.

‌‌[8] وَمِنْهُمْ جَرِيرُ بْنُ عَطِيَّةَ بْنِ الْخَطَفِيِّ، أَبُو حَزْرَةَ

وَالْخَطَفِيُّ لقبٌ، وَاسْمُهُ: حُذَيْفَةُ بْنُ بَدْرِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ عَوْفِ بْنِ كُلَيْبِ بْنِ يَرْبُوعِ بْنِ حَنْظَلَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ زَيْدِ مَنَاةَ بْنِ تَمِيمٍ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُبَيْشٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، ثنا حَمْزَةُ بْنُ نُصَيْرٍ الْعَسَّالُ الْمِصْرِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ كَثِيرِ بْنِ عُفَيْرٍ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، قَالَ:

قَدِمْتُ الرَّصَافَةَ، فَرَأَيْتُ شَيْخًا، فَقَالَ لِي: مِمَّنْ أَنْتَ؟ فَقُلْتُ: مَوْلًى لِلزُّبَيْرِ. فَقَالَ لِي: أَيَقُولُ الْفَتَى الظَّرِيفُ مِثْلَكَ: مَوْلًى! أَلا قُلْتَ: مِنْ آلِ الزُّبَيْرِ؟ قَالَ: قُلْتُ: مِمَّنْ أَنْتَ؟ قَالَ: أَنَا جَرِيرُ بْنُ الْخَطَفِيِّ. قُلْتُ: إِنِّي أَرَى سَمْتًا وَهَيْئَةً، وَإِنَّهُ يَبْلُغُنَا أقذاعٌ مِنْ قَوْلٍ. فَقَالَ: إِنَّهُ يَنْزِلُ بِي الثَّلاثُونَ وَالأَرْبَعُونَ مِنْ قَوْمِي، يُرِيدُونَ الْقِرَى وَالْهِجَاءَ، أَفَأُضَيِّعُ قَوْمِي؟ قَالَ: فَقُلْتُ: أَيُّهُمَا أَشْعَرُ، كُثَيِّرُ عَزَّةَ أَوْ عَدِيُّ بْنُ الرِّقَاعِ؟ فَقَالَ: وَاللَّهِ لبيتٌ قَالَهُ كُثَيِّرٌ أَشْعَرُ مِنْ جَمِيعِ مَا قَالَتْ عَامِلَةُ. قُلْتُ: وما هو؟ قال:
তিনি সুদৃঢ় পাহাড়সমূহের দ্বারা এর উপর স্থিতি দান করেছেন

তিনি নির্ধারিত দিনের জন্য মানুষকে একত্রকারী

অতঃপর আবু হুরায়রা বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি বিচার দিবসের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করেন।

[৮] তাদের মধ্যে রয়েছেন জারীর বিন আতিয়্যাহ বিন আল-খাতাফী, আবু হাযরাহ

এবং আল-খাতাফী হলো একটি উপাধি, আর তার নাম হলো: হুযাইফা বিন বদর বিন সালামাহ বিন আউফ বিন কুলাইব বিন ইয়ারবু বিন হানযালা বিন মালিক বিন যাইদ মানাত বিন তামীম।

মুহাম্মদ বিন আলী বিন হুবাইশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আল-আশআস থেকে, হামযাহ বিন নুসায়র আল-আসসাল আল-মিসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন কাসীর বিন উফাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ আয-যুহরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা বিন উকবাহ থেকে, তিনি বলেন:

আমি রাসাফায় আসলাম এবং একজন বৃদ্ধ লোককে দেখতে পেলাম। তিনি আমাকে বললেন: আপনি কোন বংশের? আমি বললাম: যুবায়েরের একজন আযাদকৃত দাস (মাওলা)। তিনি আমাকে বললেন: তোমার মতো একজন মার্জিত যুবক কি ‘মাওলা’ বলে! কেন বললে না: যুবায়েরের পরিবারভুক্ত? তিনি (মূসা) বললেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কে? তিনি বললেন: আমি জারীর বিন আল-খাতাফী। আমি বললাম: আমি তো (আপনার মাঝে) গাম্ভীর্য ও সুন্দর অবয়ব দেখতে পাচ্ছি, অথচ আমাদের কাছে আপনার কটু বাক্যের সংবাদ পৌঁছায়। তিনি বললেন: আমার গোত্রের ত্রিশ-চল্লিশ জন লোক আমার নিকট আসে, তারা মেহমানদারি এবং ব্যঙ্গাত্মক কবিতা চায়; তবে কি আমি আমার গোত্রকে নষ্ট হতে দেব? তিনি (মূসা) বললেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম: কুসাইয়ির আজজাহ এবং আদী বিন আর-রিকা—এই দুইজনের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ কবি? তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! কুসাইয়ির যে একটি পঙক্তি বলেছে, তা আমিলার সকল লোকের বলা কবিতার চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আমি বললাম: সেটি কী? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৬)
أَإِنْ حَنَّ أجمالٌ وَفَارَقَ جيرةٌ … وَصَاحَ غُرَابُ الْبَيْنِ أَنْتَ حَزِينُ؟

‌‌[9] وَمِنْهُمُ الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الضَّبِّيُّ النَّحْوِيُّ الْكُوفِيُّ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعُمَرِيُّ، قَالا: ثنا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، ثنا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكُوفِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ

أَنَّهُ قَرَأَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَتَى عَلَى هَذِهِ الآيَةِ: {فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاءِ شهيداً} . قَالَ: فَبَكَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ: ((مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَقْرَأَ الْقُرْآنَ غَضًّا كَمَا أُنْزِلَ، فَلْيَقْرَأْهُ عَلَى
উটগুলো কি করুণ স্বরে ডাকছে এবং প্রতিবেশীরা কি বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে … আর বিরহের কাক কি ডেকে বলছে যে তুমি বিষণ্ণ?

‌‌[৯] এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মদ আদ-দব্বী আন-নাহবী আল-কুফী

সুলাইমান বিন আহমদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল এবং আল-হাসান বিন আলী আল-উমারী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু কামিল আল-জাহদারী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-মুফাদদাল বিন মুহাম্মদ আল-কুফী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহিম বিন মুহাজির থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি উবাইদাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন—

যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তিলাওয়াত করলেন যতক্ষণ না তিনি এই আয়াতে পৌঁছালেন: {অতএব কেমন হবে যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং আপনাকে এদের ওপর সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করব?}। তিনি বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদে ফেললেন।

এবং তিনি হাদিসের মধ্যে বলেন: ((যে ব্যক্তি কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময়ের মতো সজীব ও সতেজভাবে পাঠ করতে পছন্দ করে, সে যেন তা পাঠ করে...
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৭)
قِرَاءَةِ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ)) .

‌‌[10] [مَعْمَرُ بْنُ الْمُثَنَّى، أَبُو عُبَيْدَةَ]

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، ثنا أَبُو يَعْلَى الأَيْلِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ، ثنا مَعْمَرُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَخِي يَزِيدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي خِرَاشٌ رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ، قَالَ:

كُنْتُ فِي حَلَقَةِ الأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، فَمَرَّ الزُّبَيْرُ مُنْصَرِفًا يَوْمَ الْجَمَلِ، فَقَالَ الأَحْنَفُ: وَاعَجَبًا مِنْ شَيْخِ قُرَيْشٍ، جَاءَ وَأَلْقَى شَرًّا بَيْنَ فِئَتَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ؛ ثُمَّ خَرَجَ كَأَنَّهُ لَمْ يَصْنَعْ شَيْئًا؛ فَتَبِعَهُ ابْنُ جُرْمُوزٍ، فَلَحِقَهُ بِوَادِي
ইবনে উম্মে আবদ-এর কিরাত))।

‌‌[১০] [মা'মার ইবনুল মুসান্না, আবু উবাইদাহ]

আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রাহীম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়ালা আল-আইলি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সুলামি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মা'মার ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার ভাই ইয়াযিদ ইবনুল মুসান্না আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বনু তামীম গোত্রের খিরাশ নামক এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি আল-আহনাফ ইবনে কাইসের মজলিসে ছিলাম, তখন জাবাল যুদ্ধের দিন যুবাইর (রা.) যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করে ফিরে যাচ্ছিলেন। আল-আহনাফ বললেন: কুরাইশদের এই শায়খের (মুরব্বীর) বিষয়ে আশ্চর্য হতে হয়! তিনি আসলেন এবং মুসলমানদের দুটি দলের মধ্যে অনিষ্ট (বিবাদ) সৃষ্টি করে দিলেন; এরপর তিনি এমনভাবে বেরিয়ে গেলেন যেন তিনি কিছুই করেননি। অতঃপর ইবনে জুরমুয তার অনুসরণ করল এবং একটি উপত্যকায় তাঁর নাগাল পেল...
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
السِّبَاعِ فَوَجَدَهُ سَاجِدًا، فَقَتَلَهُ، وَجَاءَ بِرَأْسِهِ إِلَى عَلِيٍّ؛ فَقَالَ عَلِيٌّ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((بَشِّرْ قَاتِلَ الزُّبَيْرِ بِالنَّارِ)) . فَقَالَ ابْنُ جُرْمُوزٍ شِعْرًا. الْحَدِيثَ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي عِسْلُ بْنُ ذَكْوَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ الْمَازِنِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدَةَ مَعْمَرُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي مُسَمِّعُ كردين، حَدَّثَنِي الصَّادِقُ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي بَاقِرُ الْعِلْمِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنِي أَبِي زَيْنُ الْعَابِدِينَ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنِي أَبِي الشَّهِيدُ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنِي أَبِي عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((أَوَّلُ مَنْ تَكَلَّمَ بِالْعَرَبِيَّةِ الْمُبِينَةِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَهُوَ ابْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ سَنَةً)) .

قَالَ عِسْلٌ: كَانَ أَبُو عُثْمَانَ إِذَا رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ يَقُولُ: وَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ عَلَى أَبِي عُبَيْدَةَ؛ وَيَقُولُ: كَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ إِذَا رَوَى يَقُولُ: اكْتُبُوا هَذَا الْحَدِيثَ، فَوَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ عَلَى كُرْدِينَ؛ وَحَلَفَ كُرْدِينُ أَنَّهُ مَا كَذَبَ عَلَى جَعْفَرٍ الصَّادِقِ.

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرٍ الْهِزَّانِيُّ، ثنا أَبُو حَاتِمٍ السِّجِسْتَانِيُّ، ثنا أَبُو عُبَيْدَةَ مَعْمَرُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ:

سَأَلْتُ أَبَا عَمْرِو بْنَ الْعَلاءِ عَنْ تَلْخِيصِ الآيِ الْمَدَنِيِّ وَالْمَكِّيِّ مِنَ الْقُرْآنِ. فَقَالَ أَبُو عَمْرٍو: سَأَلْتُ مُجَاهِدًا عَمَّا سَأَلْتَنِي عَنْهُ، فَقَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ ذَلِكَ، فقال:
বন্যপ্রাণীদের উপত্যকায়; অতঃপর তিনি তাকে সিজদারত অবস্থায় পেলেন এবং তাকে হত্যা করলেন। এরপর তিনি তাঁর মস্তক নিয়ে আলীর নিকট আসলেন। তখন আলী বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "জুবায়েরের হত্যাকারীকে জাহান্নামের সুসংবাদ দাও।" অতঃপর ইবনে জুরমুজ একটি কবিতা আবৃত্তি করলেন। (হাদিসের শেষ পর্যন্ত)।

মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসল বিন জাকওয়ান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান আল-মাজিনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদাহ মা’মার বিন আল-মুসান্না আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসাম্মি' কুরদাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আস-সাদিক জাফর বিন মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিরুল ইলম মুহাম্মাদ বিন আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা জাইনুল আবিদীন আলী বিন আল-হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা শহীদ হুসাইন বিন আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী বিন আবি তালিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "স্পষ্ট আরবি ভাষায় সর্বপ্রথম কথা বলেছেন ইব্রাহিম-তনয় ইসমাইল, যখন তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর।"

ইসল বলেন: আবু উসমান যখন এই হাদিসটি বর্ণনা করতেন তখন বলতেন: আল্লাহর কসম, আমি আবু উবাইদাহর ওপর মিথ্যারোপ করিনি; এবং তিনি বলতেন: আবু উবাইদাহ যখন বর্ণনা করতেন তখন বলতেন: তোমরা এই হাদিসটি লিখে নাও, আল্লাহর কসম আমি কুরদাইনের ওপর মিথ্যারোপ করিনি; আর কুরদাইন শপথ করেছেন যে তিনি জাফর আস-সাদিকের ওপর কোনো মিথ্যারোপ করেননি।

হাসান বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বাকর আল-হিজজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উবাইদাহ মা’মার বিন আল-মুসান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউনুস বিন হাবিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

আমি আবু আমর বিন আল-আলা-কে কুরআনের মাদানি ও মক্কি আয়াতসমূহের সংক্ষিপ্তসার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন আবু আমর বললেন: তুমি আমাকে যা জিজ্ঞাসা করেছ, আমি সে বিষয়ে মুজাহিদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। মুজাহিদ বলেন: আমি এ বিষয়ে ইবনে আব্বাসকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
فَاتِحَةُ الْكِتَابِ، وَهِيَ أُمُّ الْكِتَابِ: نَزَلَتْ بِالْمَدِينَةِ؛ وسورة الْبَقَرَةِ مَدَنِيَّةٌ؛ وَ [سُورَةُ] آلِ عِمْرَانَ [مَدَنِيَّةٌ] ، وسورة النساء مدنية؛ وسورة الأَنْعَامِ مَكِّّيَّةٌ، نَزَلَتْ جُمْلَةً سِوَى ثَلاثِ آيَاتٍ منها فإنهن نزلن بالمدنية: {قُلْ تَعَالَوْا} إِلَى قَوْلِهِ: {وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مستقيماً} وَذَكَرَ السُّورَةَ كُلَّهَا إِلَى آخِرِهَا. ‌‌[11] وَمِنْهُمْ مُحَمَّدُ بْنُ مُنَاذِرٍ، الشَّاعِرُ الْمَكِّيُّ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ النَّضْرِ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا حَامِدُ بْنُ يَحْيَى الْبَلْخِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُنَاذِرٍ الشَّاعِرُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكُوفِيُّ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ:

لَمَّا نَظَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْقَتْلَى يَوْمَ بَدْرٍ، قَالَ لأَبِي بَكْرٍ: ((لَوْ أَنَّ أَبَا طَالِبٍ حيٌ لَعَلِمَ أَنَّ أَسْيَافَنَا قَدْ أَخَذَتْ بِالأَمَاثِلِ)) .

قَالَ: وَلِذَلِكَ قَالَ أَبُو طَالِبٍ:

كَذَبْتُمْ وَبَيْتَ اللَّهِ إِنْ جَدَّ مَا أَرَى … لَتَلْتَبِسَنْ أَسْيَافُنَا بِالأَمَاثِلِ

وَيَنْهَضُ قومٌ فِي الدُّرُوعِ إليكم … نهوض الروايا فِي طَرِيقِ حَلاحِلِ
ফাতিহাতুল কিতাব (সুরা ফাতিহা), আর তা হলো উম্মুল কিতাব: এটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে; এবং সুরা আল-বাকারাহ মাদানি; এবং [সুরা] আলে ইমরান [মাদানি]; এবং সুরা আন-নিসা মাদানি; এবং সুরা আল-আন'আম মক্কি, এটি একসাথে অবতীর্ণ হয়েছে কেবল তিনটি আয়াত ব্যতীত, কেননা সেগুলো মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে: {বলুন, তোমরা এসো} থেকে তাঁর বাণী: {এবং নিশ্চয়ই এটি আমার সরল পথ} পর্যন্ত এবং পুরো সুরা শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন। ‌‌[১১] আর তাদের মধ্যে রয়েছেন মক্কি কবি মুহাম্মদ বিন মুনাজির

সুলাইমান বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন নাজর আল-আসকারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হামিদ বিন ইয়াহইয়া আল-বালখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কবি মুহাম্মদ বিন মুনাজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ আল-কুফি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বদরের যুদ্ধের দিন নিহতদের দিকে তাকালেন, তখন আবু বকরকে বললেন: "যদি আবু তালিব জীবিত থাকত, তবে সে জানত যে আমাদের তলোয়ারগুলো শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের পাকড়াও করেছে।"

তিনি বলেন: আর সেই কারণেই আবু তালিব বলেছিলেন:

আল্লাহর ঘরের কসম, তোমরা মিথ্যা বলেছ; যদি আমি যা দেখছি তা বাস্তবে রূপ নেয় … তবে অবশ্যই আমাদের তলোয়ারগুলো শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের দেহে বিদ্ধ হবে

আর বর্ম পরিহিত এক দল তোমাদের দিকে এমন তেজে অগ্রসর হবে … যেমন শক্তিশালী নেতার পথে পানি বহনকারী উটগুলো দ্রুত ধাবিত হয়
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪০)
قَالَ ابْنُ مُنَاذِرٍ: وَهُمَا سواءٌ، يَقُولُونَ: حَلاحِلَ وَجَلاجِلَ.

‌‌[12] [أَبُو نُوَاسٍ، الْحَسَنُ بْنُ هَانِئٍ الْحَكَمِيُّ]

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مِقْسَمٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرَفَةَ، قَالَ: حُدِّثْتُ عَنِ ابْنِ عَائِشَةَ، قَالَ:

كُنَّا عِنْدَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادٍ، وَعِنْدَهُ أَصْحَابُ الْحَدِيثِ –وَأَبُو نُوَاسٍ فِي مَجْلِسِهِ- فَأَذِنَ عَبْدُ الْوَاحِدِ لأَصْحَابِ الْحَدِيثِ أَنْ يَسْأَلَ كُلُّ رَجُلٍ مِنْهُمْ عَنْ ثَلاثَةِ أَحَادِيثَ، فَسَأَلُوا جَمِيعًا حَتَّى بَقِيَ أَبُو نُوَاسٍ وَحْدَهُ، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الْوَاحِدِ: تَقَدَّمْ فَاسْأَلْ، فَدَنَا مِنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ فَجَثَا بَيْنَ يديه، فقال:

وَلَقَدْ كُنَّا رَوَيْنَا … عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَهْ

عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ … أَنَّ سَعْدَ بْنَ عبادة
ইবনে মুনাজির বলেছেন: এই দুটিই সমান; তারা বলে: হালাহিল এবং জালাজিল।

‌‌[১২] [আবু নুয়াস, আল-হাসান ইবনে হানি আল-হাকামি]

আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মিকসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আইশাহ থেকে আমার নিকট বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:

আমরা আবদুল ওয়াহিদ ইবনে জিয়াদের নিকট ছিলাম এবং তাঁর নিকট হাদিস বিশারদগণ উপস্থিত ছিলেন—আবু নুয়াসও তাঁর মজলিসে ছিলেন। এরপর আবদুল ওয়াহিদ হাদিস বিশারদদের অনুমতি দিলেন যেন তাঁদের প্রত্যেকে তিনটি করে হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। ফলে তাঁরা সকলে জিজ্ঞাসা করলেন এবং অবশেষে কেবল আবু নুয়াস একা বাকি রইলেন। তখন আবদুল ওয়াহিদ তাকে বললেন: সামনে এগিয়ে এসো এবং জিজ্ঞাসা করো। তখন সে আবদুল ওয়াহিদের নিকটবর্তী হলো এবং তাঁর সামনে হাঁটু গেড়ে বসল, অতঃপর বলল:

নিশ্চয়ই আমরা বর্ণনা করেছি ... সাঈদ থেকে, কাতাদাহ থেকে

সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে ... নিশ্চয়ই সাদ ইবনে উবাদাহ
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪১)
قَالَ مَنْ مَاتَ مُحِبًّا … فَلَهُ أَجْرُ شَهَادَهْ

فَحَصَبَهُ عَبْدُ الْوَاحِدِ، وَقَالَ: اغْرُبْ قَبَّحَكَ اللَّهُ.

‌‌[13] وَمِنْهُمْ أَبُو الْعَتَاهِيَةِ، إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْقَاسِمِ

يُكْنَى بأبي إسحاق، توفي سنة ثلاث عشرة ومئتين.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُفِيدُ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الأَخْبَارِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّلْحِيُّ، ثنا عَبْدُ الْكَرِيمِ الْعمدِيُّ، ثنا أَبُو الْعَتَاهِيَةِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ كَثُرَتْ صَلاتُهُ بِاللَّيْلِ حَسُنَ وَجْهُهُ بِالنَّهَارِ)) .

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُبَيْشٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْوَرَّاقُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكُوفِيُّ، ثنا ابْنُ أَبِي شَيْخٍ، قَالَ:

بَكَرْتُ إِلَى سِكَّةِ ابْنِ نِيبَخْتَ فِي حَاجَةٍ، فَرَأَيْتُ أَبَا نُوَاسٍ فِي السِّكَّةِ، فَجَلَسْتُ إِلَيْهِ، فَمَرَّ بِنَا أَبُو الْعَتَاهِيَةِ عَلَى حِمَارٍ، فَسَلَّمَ ثُمَّ أَوْمَى بِرَأْسِهِ إِلَى أَبِي نُوَاسٍ، ثم أنشأ يقول:

لا تَرْقُدَنَّ لِعَيْنِكَ السَّهَرُ … وَانْظُرْ إِلَى مَا تصنع الغير

انظر إلى غير مُصَرَّفَةٍ … إِنْ كَانَ يَنْفَعُ عَيْنَكَ النَّظَرُ
তিনি বললেন, যে ব্যক্তি প্রেমাসক্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল … তার জন্য শহীদের সওয়াব রয়েছে।

তখন আব্দুল ওয়াহিদ তাকে কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন: দূর হও, আল্লাহ তোমাকে কুৎসিত করুন।

[১৩] তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আবুল আতাহিইয়া, ইসমাইল ইবনুল কাসিম

তার উপনাম ছিল আবু ইসহাক, তিনি দুইশত তেরো হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-মুফিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-আখবারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ আত-তালহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল কারিম আল-উমদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আতাহিইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যার রাতের নামাজ অধিক হবে, দিনে তার চেহারা সুন্দর হবে।"

মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুবাইশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু আবি শাইখ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি কোনো এক প্রয়োজনে ভোরে ইবনে নিবাখতের গলিতে গেলাম। সেখানে আমি আবু নুওয়াসকে গলির মধ্যে দেখতে পেয়ে তার পাশে বসলাম। এমতাবস্থায় আবুল আতাহিইয়া একটি গাধার পিঠে চড়ে আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি সালাম দিলেন এবং আবু নুওয়াসের দিকে মাথা দিয়ে ইশারা করলেন, এরপর এই কবিতাটি আবৃত্তি করলেন:

তুমি নিদ্রা যেয়ো না, তোমার চোখের জন্য জাগরণই শ্রেয় … আর দেখ কালচক্র কী পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

তুমি দেখ এই নিরন্তর পরিবর্তনশীল অবস্থার দিকে … যদি তোমার দেখার দৃষ্টি তোমার কোনো উপকারে আসে।
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪২)
وَإِذَا سَأَلْتَ فَلَمْ تَجِدْ أَحَدًا … فَسَلِ الزَّمَانَ فَعِنْدَهُ الْخَبَرُ

أَنْتَ الَّذِي لا شَيْءَ تَمْلِكُهُ … وَأَحَقُّ مِنْكَ بِمَالِكَ الْقَدَرُ

قَالَ: فَنَظَرَ أَبُو نُوَاسٍ إِلَيَّ، ثُمَّ قَالَ: {أفسحرٌ هَذَا أَمْ أنتم لا تبصرون} .

‌‌[14] وَمِنْهُمْ دِعْبِلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ رُزَيْنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُدَيْلِ بْنِ وَرْقَاءَ الْخُزَاعِيُّ

أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ، حَدَّثَنِي أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ رُزَيْنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُدَيْلِ بْنِ وَرْقَاءَ الْخُزَاعِيُّ، ثنا أَبِي عَلِيُّ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَخِي دِعْبِلُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ:

سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ يُحَدِّثُ الرَّشِيدَ، فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، ثنا صَدَقَةُ بْنُ يَسَارٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَزَلْ يَتَخَتَّمُ فِي يَمِينِهِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عز وجل.

أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبِي عِمْرَانَ، ثنا إِسْمَاعِيلُ، ثنا أَبِي، ثنا أَخِي دِعْبِلٌ، ثنا الْمَأْمُونُ، عَنِ الرَّشِيدِ، عَنِ الْمَهْدِيِّ، عَنِ الْمَنْصُورِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ
যখন তুমি জিজ্ঞাসা করলে আর কাউকে পেলে না … তবে কালকে জিজ্ঞাসা করো, কেননা তার নিকট খবর রয়েছে।

তুমি তো সেই ব্যক্তি যার মালিকানায় কিছুই নেই … আর তোমার সম্পদের ওপর তোমার চেয়ে তাকদিরেরই অধিক অধিকার।

তিনি বললেন: অতঃপর আবু নুওয়াস আমার দিকে তাকালেন, তারপর বললেন: {এটা কি জাদু, নাকি তোমরা দেখতে পাচ্ছ না?}।

‌‌[১৪] তাদের মধ্যে রয়েছেন দি'বিল ইবন আলী ইবন রুযাইন ইবন উসমান ইবন আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ ইবন বুদাইল ইবন ওয়ারকা আল-খুজায়ি

আহমদ ইবনে আবু ইমরান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম ইসমাইল ইবন আলী ইবন আলী ইবন রুযাইন ইবন উসমান ইবন আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ ইবন বুদাইল ইবন ওয়ারকা আল-খুজায়ি আমাকে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আলী ইবনে আলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমার ভাই দি'বিল ইবনে আলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি মালিক ইবনে আনাসকে রশিদের নিকট বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন, সাদাকা ইবনে ইয়াসার আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সর্বদা তাঁর ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন যতক্ষণ না মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাঁর প্রাণ কবজ করেছেন।

আহমদ ইবনে ইবরাহিম আবু ইমরান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাইল আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমার ভাই দি'বিল আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-মামুন আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি রশিদ থেকে, তিনি মাহদি থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
جَدِّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ:

قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: ((يا ابن عَبَّاسٍ، مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْهُمْ، وَابْنُهُ مِنْ أَنْفُسِهِمْ، وَابْنُ ابْنِهِ بَعْدُ مِنْهُمْ؛ إِنَّمَا صَارَ مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْهُمْ لأَنَّ طِينَةَ الْمُعْتَقِ جُبِلَتْ مِنْ طِينَةِ الْمُعْتِقِ، فَلِذَلِكَ صَارَ مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْهُمْ)) .

‌‌[الإِسْلامُ وَالشِّعْرُ]

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو يَعْلَى، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ خَالِدٍ الأَقْطَعُ الرَّقِّيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الْكَلْبِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ:

قُرِئَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قرآنٌ وَأُنْشِدَ شعرٌ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أقرآنٌ وشعرٌ فِي مَجْلِسِكَ؟ قَالَ: ((نَعَمْ)) .

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ الأَزْرَقُ، ثنا الْهُذَيْلُ بْنُ مَسْعَدَةَ الْبَاهِلِيُّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ دُخَانٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ هُذَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ:

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((هَذَا الشِّعْرُ جزلٌ مِنْ كَلامِ الْعَرَبِ، يُعْطَى بِهِ السَّائِلُ، وَبِهِ يُكْظَمُ الْغَيْظُ، وَبِهِ يَتَبَلَّغُ الْقَوْمُ فِي نَادِيهِمْ)) .

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَحْمُودٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ هَانِئٍ الْعَدَوِيُّ بِمِصْرَ، ثنا أَبِي، ثنا مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ رَبَاحٍ اللَّخْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ،

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا وَدَمًا خيرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا، يَهْجُو بِهِ النَّاسَ وَيُؤْذِيهِمْ)) .
তাঁর দাদা থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "হে ইবনে আব্বাস, কোনো সম্প্রদায়ের আযাদকৃত দাস তাদেরই অন্তর্ভুক্ত, এবং তার পুত্র তাদের নিজেদেরই অন্তর্ভুক্ত, এবং এর পরবর্তী তার পৌত্রও তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। কোনো সম্প্রদায়ের আযাদকৃত দাস তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণ হলো এই যে, আযাদকৃত ব্যক্তির কাদা (উপাদান) আযাদকারীর কাদা থেকেই গঠিত হয়েছে। অতএব সে কারণেই কোনো সম্প্রদায়ের আযাদকৃত দাস তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।"

‌‌[ইসলাম ও কবিতা]

মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়ালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবনে উমর ইবনে খালিদ আল-আকতা আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কালবি থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কুরআন তিলাওয়াত করা হলো এবং কবিতা আবৃত্তি করা হলো। তখন জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার মজলিসে কুরআন এবং কবিতা উভয়ই? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

আবু বকর ইবনে খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আব্বাস ইবনে ফাদল আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুযায়ল ইবনে মাসআদা আল-বাহিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সাঈদ ইবনে দুখান থেকে, তিনি ইয়েমেনের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি হুযায়ল গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "এই কবিতা হলো আরবদের বক্তব্যের একটি বলিষ্ঠ অংশ; এর মাধ্যমে যাঞ্চাকারীকে প্রদান করা হয়, এর মাধ্যমে ক্রোধ দমন করা হয় এবং এর মাধ্যমে কোনো সম্প্রদায় তাদের মজলিসে ভাব আদান-প্রদান করে।"

আহমাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিশরে সাঈদ ইবনে কাসিম ইবনে হানি আল-আদাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে আলী ইবনে রাবাহ আল-লাখমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কারো পেট পুঁজ ও রক্ত দিয়ে পূর্ণ হওয়া তার জন্য কবিতা দিয়ে পূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম, যার মাধ্যমে সে মানুষের নিন্দা করে এবং তাদের কষ্ট দেয়।"
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪৪)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ، ثنا شَرِيكٌ وَأَبُو الأَحْوَصِ وَقَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ:

كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَتَنَاشَدُونَ الشِّعْرَ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يبتسم.

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْغِطْرِيفِيُّ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَالِكِيُّ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ إِيَاسٍ السُّلَمِيِّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

أَعَانَ جِبْرِيلُ حَسَّانَ بِسَبْعِينَ بَيْتًا عَلَى مَدِيحِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبْسِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عُتْبَةَ،

أَنَّ ابْنَ حَمَامَةَ السُّلَمِيَّ كَانَ شَاعِرًا؛ قَالَ: فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي امْتَدَحْتُ رَبِّي وَإِيَّاكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((رُوَيْدَكَ حَتَّى أَفْرُغَ مِنْ مَجْلِسِي)) . فَلَمَّا فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ فَخَرَجَ مِنَ الْمَسْجِدِ، فَاتَّكَأَ عَلَى جِدَارٍ، فَقَالَ:
আবু বকর বিন খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবী শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আল-হিমমানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক, আবুল আহওয়াস এবং কাইস বিন রাবী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি জাবির বিন সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসতেন।

আবু আহমাদ আল-গিতরীফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন বিন আহমাদ আল-মালিকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুসাইয়িব বিন ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান বিন মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াস আস-সুলামী থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

জিবরীল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রশংসামূলক রচনায় হাসসানকে সত্তরটি পঙ্ক্তি দিয়ে সহায়তা করেছিলেন।

মাখলাদ বিন জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আবসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াকুব বিন উতবাহ থেকে বর্ণনা করেন,

নিশ্চয়ই ইবনে হামামাহ আস-সুলামী একজন কবি ছিলেন; তিনি বলেন: অতঃপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আমার রব ও আপনার প্রশংসা করেছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "একটু অপেক্ষা করো যতক্ষণ না আমি আমার মজলিস শেষ করি।" অতঃপর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবসর হলেন, তিনি দাঁড়ালেন এবং মসজিদ থেকে বের হলেন, এরপর একটি দেয়ালের উপর হেলান দিলেন, অতঃপর বললেন:
(খণ্ড: ১) মুনতাখাব মিন কিতাবিশ শুয়ারা লি-আবী নুয়াইম আল-আসফাহানী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
((هَاتِ مَا امْتَدَحْتَ بِهِ رَبَّكَ، وَخَلِّ مَا مَدَحْتَنِي بِهِ)) . قَالَ: فَجَعَلَ يُنْشِدُهُ؛ فَلَمَّا فَرَغَ ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ إِلَى الْجِدَارِ، فَتَيَمَّمَ ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ الْوَرَّاقُ بِمَكَّةَ، ثنا أَبُو طَالِبٍ أَحْمَدُ بن محمد بن عَبْدِ الْكَرِيمِ الْوسَاوِسِيِّ، ثنا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ، ثنا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، ثنا أَبُو السَّكَنِ الْبَحْرِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ خطا سبع خطوات في شعركتب مِنَ الْغَاوِينَ)) .

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَضْلِ الأُسْفَاطِيُّ، ثنا عَوْفُ بْنُ الْمُنْذِرِ أَبُو غَسَّانَ الْمُرَادِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ الْكَلْبِيُّ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ فَرْوَةَ بْنِ عَفِيفِ بْنِ مَعْدِي كَرِبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ:
((তুমি তোমার প্রতিপালকের যে প্রশংসা করেছ তা নিয়ে আসো, আর আমার যে প্রশংসা করেছ তা বর্জন করো))। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি তা আবৃত্তি করতে শুরু করলেন; যখন তিনি শেষ করলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত দিয়ে দেওয়ালে আঘাত করলেন, অতঃপর তায়াম্মুম করলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন।

মক্কায় আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হারুন আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু তালিব আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম আল-ওয়াসাউয়িসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খুজায়ি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুস সামাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাদাকাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আস-সাকান আল-বাহরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি কবিতার পথে সাত কদম অগ্রসর হবে, তাকে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে লিখে রাখা হবে))।

সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আল-ফাদল আল-আসফাতি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আওফ ইবনে আল-মুনজির আবু গাসসান আল-মুরাদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সাইব আল-কালবি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে ফারওয়াহ ইবনে আফিফ ইবনে মা'দি কারিব আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: