(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن الصلت وأبي أحمد الفرضي   (أحمد بن محمد بن الصلت)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد منتقاة من رواية الشيخين أبي الحسن أحمد بن محمد بن الصلت وأبي أحمد عبيد الله بن محمد بن أبي مسلم الفرضي

المؤلف: أبو الحسن أحمد بن محمد بن الصلت (405 هـ) - وأبو أحمد عبيد الله بن محمد بن أبي مسلم الفرضي (406 هـ)

المحقق: نبيل سعد الدين جرار

الناشر: دار البشائر الإسلامية [ضمن سلسلة الأجزاء المنسوخة (1 - 3) ]

الطبعة: الأولى 1429 هـ - 2008 م

عدد الصفحات: 81

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আস-সলত ও আবু আহমদ আল-ফারাদীর ফাওয়াইদ   (আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সলত)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: দুই শায়খ—আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সলত এবং আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি মুসলিম আল-ফারাদীর বর্ণনা থেকে সংকলিত ফাওয়াইদ

লেখক: আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সলত (৪০৫ হিজরি) - এবং আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি মুসলিম আল-ফারাদী (৪০৬ হিজরি)

মুহাক্কিক: নাবিল সাদউদ্দীন জাররার

প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ [অনুলিখিত অংশসমূহের সিলসিলা (১ - ৩) এর অন্তর্ভুক্ত ]

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৯ হিজরি - ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১

[বইটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের প্রত্যাশী, এগিয়ে এসো

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: -)
سلسلة الأجزاء المنسوخة (1 - 3)

 

(1) فوائد أحمد بن عبد الله بن نصر بن بجير

(322 هـ)

 

-[ (2) فوائد منتقاة من رواية الشيخين]-

أبي الحسن أحمد بن محمد بن الصلت

(405 هـ)

وأبي أحمد عبيد الله بن محمد بن أبي مسلم الفرضي

(406 هـ)

 

(3) جزء يشتمل على ثمانية وخمسين حديثا

تخريج عثمان بن بلبان المقاتلي

(717 هـ)

رواية أبي علي الحسن بن عمر بن عيسى بن خليل الكردي

(720 هـ)

 

تحقيق

نبيل سعد الدين جرار

 

دار البشائر الإسلامية

 

الطبعة الأولى

1429 هـ - 2008 م
অনুলিখিত খণ্ডসমূহের সিলসিলা (১ - ৩)

 

(১) আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে বুজাইর-এর ফাওয়াইদ

(৩২২ হিজরি)

 

-[ (২) দুই শায়খের বর্ণনা হতে নির্বাচিত ফাওয়াইদ]-

আবুল হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনাস সালত

(৪০৫ হিজরি)

এবং আবু আহমদ উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি মুসলিম আল-ফারদি

(৪০৬ হিজরি)

 

(৩) আটান্নটি হাদিস সম্বলিত একটি খণ্ড

উসমান ইবনে বালবান আল-মুকাতিলির তাখরিজ

(৭১৭ হিজরি)

আবু আলি আল-হাসান ইবনে উমর ইবনে ঈসা ইবনে খলিল আল-কুর্দির বর্ণনা

(৭২০ হিজরি)

 

তাহকিক

নাবিল সাদউদ্দীন জাররার

 

দারুল বাশায়েঁ আল-ইসলামিয়্যাহ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৯ হিজরি - ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪১)
فوائد ابن الصلت وأبي أحمد الفرضي

الجزء فيه فوائد منتقاة من رواية الشيخين

أبي الحسن أحمد بن محمد بن الصلت

وأبي أحمد عبيد الله بن محمد بن أبي مسلم الفرضي عن شيوخهما

رواية القاضي أبي الحسين أحمد بن محمد السمناني عنهما

رواية الشيخ أبي محمد يحيى بن علي بن محمد بن الطراح المدير عنه

رواية الإمام العلامة تاج الدين حجة العرب علامة الزمان فريد الدهر

أوحد العصر أبي اليمن زيد بن حسن بن زيد الكندي

أبقاه الله

سماع صاحبه المولى الأجل الكبير العالم العامل الزاهد

الورع الفاضل الملك المحسن الجامع لأشتات الفضائل

يمين الدين فخر الإسلام سيد الملوك ملك العلماء

أبي العباس أحمد بن المولى الأجل الملك الناصر

صلاح الدنيا والدين سلطان الإسلام والمسلمين فاتح بيت الله المقدس

أبي المظفر يوسف بن أيوب (ناصر؟) أمير المؤمنين

أدام الله دولته وسعده ورحم أباه وجده

هذا صحيح

وكتب أبواليمن الكندي بخطه
ইবনে আস-সলত এবং আবু আহমদ আল-ফারাদীর ফাওয়ায়েদ (উপকারী শিক্ষা)

এই খণ্ডে দুই শাইখের বর্ণনা থেকে নির্বাচিত ফাওয়ায়েদ রয়েছে

আবু আল-হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সলত

এবং আবু আহমদ উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি মুসলিম আল-ফারাদী, তাঁদের শাইখদের সূত্রে

তাঁদের থেকে কাযী আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সিমনানীর বর্ণনা

তাঁর থেকে শাইখ আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আত-তাররাহ আল-মুদায়িরের বর্ণনা

ইমাম, আল্লামা, তাজউদ্দীন, আরবদের প্রমাণ, জামানার শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত, যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তি

কালের অনন্য সত্তা আবু আল-ইয়ামান যাইদ ইবনে হাসান ইবনে যাইদ আল-কিন্ডীর বর্ণনা

আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন

এটি শ্রবণ করেছেন তাঁর সুহবতপ্রাপ্ত মহান মাওলা, শ্রেষ্ঠ আলেম, আমলকারী, যাহিদ

পরহেজগার, ফাযেল, পরোপকারী বাদশাহ, বিবিধ গুণের সমাহারকারী

ইয়ামীনুদ্দীন, ইসলামের গৌরব, রাজন্যবর্গের নেতা, আলেমদের সুলতান

আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আল-মাওলা আল-আজাল আল-মালিক আন-নাসির

সালাহ উদ্দুনিয়া ওয়াদ দীন, ইসলাম ও মুসলিমদের সুলতান, বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়ী

আবু আল-মুযাফফর ইউসুফ ইবনে আইয়ুব, আমীরুল মুমিনীনের (সাহায্যকারী?)

আল্লাহ তাঁর রাষ্ট্র ও সৌভাগ্য চিরস্থায়ী করুন এবং তাঁর পিতা ও দাদার প্রতি রহম করুন

এটি সঠিক

আবু আল-ইয়ামান আল-কিন্ডী নিজ হাতে এটি লিখেছেন
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

أخبرنا الشيخ الأجل العلامة تاج الدين حجة العرب أوحد العصر فريد الدهر أبواليمن زيد بن الحسن بن زيد الكندي أحسن الله إليه وأجزل أجره يوم الوفود عليه قراءة عليه ونحن نسمع في يوم الثلاثاء رابع عشر شهر رمضان سنة تسع وتسعين وخمسمئة بمنزلنا بمدينة دمشق فأقر به قال: أخبرنا الشيخ الجليل أبومحمد يحيى بن علي بن الطراح المدير قراءة عليه مع العرض بأصل سماعه ونحن نسمع في جمادى الأول سنة أربع وثلاثين وخمسمئة: أخبرنا أبوالحسين أحمد بن محمد السمناني بقرءاة والدي عليه وأنا أسمع في سنة أربع وستين وأربعمئة قال: أخبرنا أبوالحسن أحمد بن محمد بن موسى بن القاسم بن الصلت قال:

1- حدثنا أبوإسحاق إبراهيم بن عبد الصمد بن موسى بن محمد بن إبراهيم بن محمد بن علي بن عبد الله بن العباس سنة أربع وعشرين وثلاثمئة قال: حدثنا الحسين بن الحسن المروزي قال: حدثنا هشيم بن بشير قال: أخبرنا يونس ومنصور، عن الحسن، أن سعد بن عبادة قال: يا رسول الله، إني كنت أبر أمي وإنها ماتت، فإن تصدقت عنها بصدقة أو أعتقت عنها أينفعها ذلك؟ قال: «نعم» ، قال: فمرني بصدقة، قال: «اسق الماء» ، قال: فنصب سعد سقايتين بالمدينة. قال الحسن: فربما سعيت بينهما وأنا غلام.
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অতি সম্মানিত শায়খ, আল্লামা, তাজউদ্দীন, আরবদের প্রমাণ, যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, সময়ের অনন্য প্রতিভা, আবু আল-ইয়ামান জাইদ বিন আল-হাসান বিন জাইদ আল-কিন্দি—আল্লাহ তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করুন এবং তাঁর সাথে সাক্ষাতের দিনে তাঁকে সর্বোত্তম পুরস্কার দান করুন—তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম, ৫৯৯ হিজরি সালের রমজান মাসের চৌদ্দ তারিখ মঙ্গলবার, দামেস্ক শহরে আমাদের বাসভবনে। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহিমান্বিত শায়খ আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আল-তাররাহ আল-মুদির, তাঁর মূল শ্রবণ কপির সাথে মিলিয়ে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম, ৫৩৪ হিজরি সালের জমাদিউল আউয়াল মাসে। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-সামনানি, আমার পিতার তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম ৪৬৪ হিজরি সালে। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-কাসিম বিন আল-সালত। তিনি বলেছেন:

১- ৩২৪ হিজরি সালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আব্দুস সামাদ বিন মুসা বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আব্বাস। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-মারওয়াজি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম বিন বাশির। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ও মানসুর, হাসান থেকে বর্ণিত যে, সাদ বিন উবাদাহ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আমার মায়ের প্রতি সদাচারী ছিলাম এবং তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এখন আমি যদি তাঁর পক্ষ থেকে দান-সদকা করি কিংবা দাস মুক্ত করি, তবে কি তা তাঁর উপকারে আসবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। তিনি বললেন: তবে আমাকে একটি সাদকার নির্দেশ দিন। তিনি বললেন: «পানির ব্যবস্থা করো»। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সাদ মদিনায় দুটি পানির আধার স্থাপন করলেন। হাসান বলেন: আমি যখন বালক ছিলাম, তখন প্রায়শই এই দুই আধারের মাঝে দৌড়াদৌড়ি করতাম।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
2- حدثنا أحمد بن محمد بن الصلت قال: حدثنا إبراهيم قال: حدثنا خلاد بن أسلم قال: حدثنا محمد بن الزبرقان قال: حدثنا سليمان التيمي، ⦗ص: 45⦘ عن أبي عثمان، عن سلمان قال: سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن الجراد فقال: «أكثر جنود الله، لا آكله ولاأحرمه» .
২- আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল সালত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খাল্লাদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল জিবরিকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ আবু উসমান থেকে, তিনি সালমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পঙ্গপাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «এটি আল্লাহর বাহিনীর একটি বড় অংশ; আমি এটি খাই না, আবার একে হারামও (নিষিদ্ধ) করি না»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
3- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا إبراهيم: حدثنا الحسين بن الحسن: حدثنا علي بن غراب: حدثنا إبراهيم بن يزيد: حدثنا عطاء، عن جابر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «كل معروف صدقة، وكل معروف صنعته إلى غني أوفقير فهو لك صدقة» .
৩- আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হুসাইন ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনে গুরাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আতা জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «প্রত্যেকটি ভালো কাজ সদকা, এবং তুমি কোনো ধনী বা দরিদ্রের প্রতি যে ভালো কাজই করো না কেন, তা তোমার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
4- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا إبراهيم قال: حدثنا الحسين بن الحسن المروزي: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن وهب بن جابر قال: أتى رجل عبد الله بن عمرو بن العاص فقال: إني أريد أن أقيم هذا الشهر ها هنا عند بيت المقدس، فقال: أتركت لأهلك ما يقوتهم؟ قال: لا، قال: فارجع فاترك لهم ما يقوتهم، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «كفى بالمرء إثما أن يضيع من يقوت» .
৪- আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহমান বিন মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস-এর নিকট এসে বললেন: "আমি এই মাসটি এখানে বাইতুল মাকদিসের নিকট অবস্থান করতে চাই।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি তোমার পরিবারের জন্য তাদের জীবনধারণের প্রয়োজনীয় সামগ্রী রেখে এসেছ?" সে বলল: "না।" তিনি বললেন: "তবে ফিরে যাও এবং তাদের জন্য জীবনধারণের প্রয়োজনীয় সামগ্রী রেখে আসো; কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: 'কোনো ব্যক্তির পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যাদের লালন-পালন (ভরণপোষণ) করে তাদের অবহেলা বা নষ্ট করে'।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
5- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا إبراهيم قال: حدثنا الحسين بن الحسن: حدثنا ابن المبارك: أخبرنا يحيى بن عبيد الله قال: سمعت أبي قال: سمعت أبا هريرة يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن أحدكم مرآة أخيه، فإن رأى به شيئا فليمطه عنه» .
৫- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন উবাইদুল্লাহ, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেকেই তার ভাইয়ের আয়না; সুতরাং সে যদি তার মধ্যে (আপত্তিকর) কিছু দেখে, তবে সে যেন তা তার থেকে দূর করে দেয়»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
6- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا إبراهيم: حدثنا أبويحيى محمد بن عبد الله بن يزيد بن أبي عبد الرحمن المقرئ بمكة ⦗ص: 47⦘ قال: حدثنا أبي قال: حدثنا الربيع بن صبيح، عن يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك،

أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من كانت نيته طلب الآخرة جعل الله عز وجل غناه في قلبه، وجمع له شمله، وأتته الدنيا وهي راغمة، ومن كانت نيته طلب الدنيا جعل الله عز وجل الفقر بين عينيه، وشتت عليه أمره، ولا يأته منها إلا ما كتب له» .
৬- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম: মক্কায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরী ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন রাবী ইবনে সাবিহ, ইয়াযীদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন,

যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার নিয়ত হবে পরকাল অন্বেষণ করা, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা তার অন্তরে সচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলো গুছিয়ে দেন এবং দুনিয়া তার নিকট লাঞ্ছিত অবস্থায় (অনিচ্ছা সত্ত্বেও) আসে। আর যার নিয়ত হবে দুনিয়া অন্বেষণ করা, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা দারিদ্র্যকে তার দুই চোখের সামনে স্থাপন করেন, তার বিষয়সমূহকে এলোমেলো করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তার কাছে ততটুকুই আসে যা তার জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
7- حدثنا أحمد بن محمد قال: حدثنا القاضي أبوعبد الله المحاملي قال: حدثنا يوسف بن موسى قال: حدثنا محمد بن بشر قال: حدثنا الجنيد بن العلاء بن أبي دهرة، عن محمد بن سعيد، عن إسماعيل بن عبيد الله، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء قال:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «تفرغوا من الدنيا ما استطعتم، فإنه من كانت الدنيا أكبر همه أفشى الله ضيعته، وجعل فقره بين عينيه، ومن كانت الآخرة أكبر همه جمع الله له أموره، وجعل غناه في قلبه، وما أقبل عبد بقلبه إلى الله عز وجل إلا جعل الله قلوب المؤمنين تفر إليه بالود والرحمة، وكان الله عز وجل إليه بكل خير أسرع» .
৭- আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাযী আবু আবদুল্লাহ আল-মুহামিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জুনাইদ ইবনুল আলা ইবনে আবি দাহরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা সাধ্যমতো দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে নিজেদের মুক্ত করো, কেননা দুনিয়া যার সর্বপ্রধান চিন্তার বিষয় হয়, আল্লাহ তার কাজসমূহকে বিক্ষিপ্ত করে দেন এবং তার দারিদ্র্যকে তার দুই চোখের সামনে স্থাপন করেন। আর আখিরাত যার সর্বপ্রধান চিন্তার বিষয় হয়, আল্লাহ তার সকল কাজকে গুছিয়ে দেন এবং তার অন্তরে অমুখাপেক্ষিতা দান করেন। কোনো বান্দা যখন আপন অন্তর দিয়ে মহান আল্লাহর অভিমুখী হয়, আল্লাহ মুমিনদের অন্তরসমূহকে ভালোবাসা ও দয়ার সাথে তার দিকে ধাবিত করেন এবং মহান আল্লাহ তার প্রতি সকল কল্যাণের ক্ষেত্রে অধিক দ্রুত হন»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
8- حدثنا أحمد بن محمد قال: حدثنا القاضي أبوعبد الله الحسين بن إسماعيل المحاملي: حدثنا محمد بن عبد الملك ⦗ص: 49⦘ بن زنجويه: حدثنا أبوعبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، عن يحيى بن أبي سليمان، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة قال:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:» من رمانا بالليل فليس منا» .
৮- আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক ⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ ইবনে যানজুয়াইহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি সুলাইমান থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রাতে আমাদের লক্ষ্য করে (তীর বা অস্ত্র) নিক্ষেপ করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৯)
9- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا الحسين بن إسماعيل: حدثنا أبوحاتم الرازي: حدثنا أبوصالح كاتب الليث: حدثنا ابن لهيعة، عن الحارث بن يزيد، عن المحرر بن أبي هريرة، عن أبي هريرة،

عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا قضى القاضي فأصاب كان له عشر أجور، وإن أخطأ كان له أجر» .
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসমাঈল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাতিম আর-রাযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইসের লেখক আবু সালিহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু লাহীআহ, হারিস বিন ইয়াযীদ থেকে, তিনি মুহাররির বিন আবি হুরায়রা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যখন কোনো বিচারক বিচার করেন এবং তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হন, তবে তার জন্য দশটি প্রতিদান রয়েছে; আর যদি তিনি ভুল করেন, তবে তার জন্য একটি প্রতিদান রয়েছে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৪৯)
10- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا الحسين بن إسماعيل: حدثنا حمدان بن عمر: حدثنا عبد الوهاب بن عطاء: حدثنا عبد الملك بن عبد العزيز بن جريج: حدثنا يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار قال: تفرق الناس عن أبي هريرة فقام إليه رجل من أهل الشام فقال: أيها الشيخ، حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم،

فقال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «أول الناس يقضى فيه يوم القيامة ثلاثة: رجل استشهد فأتي به فعرفه نعمه فعرفها، فقال: ما عملت فيها؟ قال: قاتلت فيك حتى استشهدت، قال: فيقول الله عز وجل: كذبت، ولكنك قاتلت ليقال: إنك جريء، فأمر به يسحب على وجهه حتى ألقي ⦗ص: 51⦘ في النار، ورجل تعلم العلم وقرأ القرآن فأتى به الله عز وجل فعرفه نعمته فعرفها فقال: ما عملت فيها؟ قال: تعلمت العلم فيك وقرأت القرآن فيك، قال: كذبت، ولكنك تعلمت العلم ليقال: هو عالم فقد قيل، وقرأت القرآن ليقال: هو قارئ فقد قيل، فيسحب على وجهه حتى يلقى في النار، ورجل وسع الله عليه وأعطاه من أنواع المال كله، فأتي به فعرفه نعمته فعرفها، فقال: ما عملت فيها؟ قال: ما تركت من سبيل تحب أن ينفق فيها إلا أنفقت منها لك، قال: فيقال: كذبت، ولكنك فعلت ذلك ليقال: هو جواد، فقد قيل، ثم أمر به فسحب على وجهه إلى النار» .
১০- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসমাঈল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামদান বিন উমর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ বিন জুরায়জ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন ইউসুফ, সুলাইমান বিন ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা থেকে লোকজন পৃথক হয়ে গেলে শামের অধিবাসীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি তাঁর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন: হে শাইখ, আমাদের এমন একটি হাদিস শোনান যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন।

তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাদের বিচার করা হবে তারা হলো তিনজন: এক ব্যক্তি যে শহীদ হয়েছে। তাকে নিয়ে আসা হবে এবং আল্লাহ তাকে তাঁর নেয়ামতসমূহ স্মরণ করিয়ে দেবেন, সে তা চিনতে পারবে। আল্লাহ বলবেন: তুমি এই নেয়ামতগুলো দিয়ে কী আমল করেছ? সে বলবে: আমি আপনার সন্তুষ্টির জন্য লড়াই করেছি এমনকি শহীদ হয়েছি। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলবেন: তুমি মিথ্যা বলেছ, বরং তুমি লড়াই করেছ যাতে বলা হয় যে তুমি সাহসী; আর তা বলা হয়েছে। এরপর তার ব্যাপারে আদেশ দেওয়া হবে, ফলে তাকে তার মুখের ওপর হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এমনকি তাকে নিক্ষেপ করা হবে ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ জাহান্নামে। এবং এক ব্যক্তি যে ইলম শিক্ষা করেছে ও কুরআন পাঠ করেছে। তাকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নিকট নিয়ে আসা হবে এবং তিনি তাকে তাঁর নেয়ামতসমূহ চিনিয়ে দেবেন, সে তা চিনতে পারবে। আল্লাহ বলবেন: তুমি এই নেয়ামতগুলো দিয়ে কী আমল করেছ? সে বলবে: আমি আপনার সন্তুষ্টির জন্য ইলম শিক্ষা করেছি এবং আপনার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। আল্লাহ বলবেন: তুমি মিথ্যা বলেছ, বরং তুমি ইলম শিক্ষা করেছ যাতে বলা হয় যে সে একজন আলেম, আর তা বলা হয়েছে; এবং কুরআন পাঠ করেছ যাতে বলা হয় যে সে একজন ক্বারী, আর তা বলা হয়েছে। এরপর তাকে তার মুখের ওপর হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এমনকি জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। এবং এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ সচ্ছলতা দান করেছিলেন এবং সব ধরণের সম্পদ দান করেছিলেন। তাকে নিয়ে আসা হবে এবং তিনি তাকে তাঁর নেয়ামতসমূহ চিনিয়ে দেবেন, সে তা চিনতে পারবে। আল্লাহ বলবেন: তুমি এই নেয়ামতগুলো দিয়ে কী আমল করেছ? সে বলবে: এমন কোনো পথ নেই যেখানে ব্যয় করা আপনি পছন্দ করেন আর আমি তাতে আপনার জন্য ব্যয় করিনি। আল্লাহ বলবেন: তুমি মিথ্যা বলেছ, বরং তুমি তা করেছ যাতে বলা হয় যে সে একজন দানশীল, আর তা বলা হয়েছে। এরপর তার ব্যাপারে আদেশ দেওয়া হবে এবং তাকে তার মুখের ওপর হেঁচড়িয়ে নিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫১)
11- أخبرنا أحمد بن محمد: حدثنا الحسين بن إسماعيل: حدثنا محمد بن إسماعيل البخاري: حدثنا عبد العزيز بن عبد الله: حدثنا ابن أبي الزناد، عن أبيه، عن موسى بن أبي عثمان، عن أبيه، عن أبي هريرة،

أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «سيد الأيام يوم الجمعة، فيه خلق الله آدم، وفيه أدخل الجنة، وفيه أخرج منها، ولا تقوم الساعة إلا يوم الجمعة» .
১১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন মুহাম্মদ: আমাদের বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবন ইসমাঈল: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আল-বুখারী: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবন আবুয যিনাদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুসা ইবন আবু উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে,

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দিনসমূহের শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন; এই দিনে আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি করেছেন, এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনেই তাঁকে সেখান থেকে বের করা হয়েছে। আর জুমার দিন ব্যতীত কিয়ামত সংঘটিত হবে না»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫১)
12- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا محمد بن عبيد الله بن العلاء الكاتب: حدثنا عمي أحمد بن محمد بن العلاء الكاتب: حدثنا عمر بن إبراهيم: حدثنا إبراهيم بن أبي سلمة بن المنبه بن الحجاج السهمي، عن أبيه قال: قال ⦗ص: 53⦘ رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من شتم أبا بكر وعمر أو ذكرهما بسوء فاقتلوه، فإنما يريدني به (وسب؟) الإسلام» .
১২- আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনুল আলা আল-কাতিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আমার চাচা আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আল-কাতিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: উমর ইবনে ইবরাহিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইবরাহিম ইবনে আবি সালামাহ ইবনুল মুনাব্বিহ ইবনুল হাজ্জাজ আস-সাহমি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আবু বকর এবং উমরকে গালি দেয় অথবা তাঁদেরকে মন্দভাবে স্মরণ করে, তাকে হত্যা করো; কারণ এর মাধ্যমে সে আসলে আমাকেই এবং ইসলামকে (গালি দিতে?) চায়।»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৩)
13- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا محمد بن عبيد الله: حدثنا عمي: حدثنا عمر بن إبراهيم: حدثنا زائدة بن قدامة، عن إسماعيل بن عبد الرحمن الهاشمي، عن عبد الخيواني صاحب راية علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال: سمعت عليا عليه السلام قال: إن الله عز وجل جعل أبا بكر وعمر حجة على من بعدهما من الولاة إلى يوم القيامة، سبقا والله سبقا بعيدا، وأتعبا من بعدهما إتعابا شديدا، فذكرهما حرب السلامة وطعنا على الأئمة.
১৩- আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমার চাচা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: উমর ইবনে ইবরাহীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: জাইদা ইবনে কুদামা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আব্দুর রহমান আল-হাশিমী থেকে বর্ণিত, আলী ইবনে আবী তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পতাকাবাহী আব্দুল খাইওয়ানি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আলী (আলাইহিস সালাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আবু বকর ও উমরকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাঁদের পরবর্তী শাসনকর্তাদের জন্য হুজ্জত (প্রমাণ) সাব্যস্ত করেছেন। আল্লাহর কসম, তাঁরা বহুদূর অগ্রগামী হয়ে গেছেন এবং তাঁদের পরবর্তী লোকদের জন্য (তাঁদের মানে পৌঁছানো) অত্যন্ত কষ্টসাধ্য করে দিয়েছেন।" অতঃপর তিনি তাঁদের উত্তমভাবে স্মরণ করলেন এবং যারা ইমামদের সমালোচনা বা নিন্দা করে তাদের প্রতিবাদ জানালেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৩)
14- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا أحمد بن جعفر المنادي: حدثنا جدي قال: حدثنا ابن هدبة، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن مع مشيعي الجنازة ملك قد وكل بهم وهم مهمون محزونون كثير بكاؤهم، حتى إذا أسلموه إلى ذلك القبر وعادوا راجعين أخذ كفا من تراب فرمى به خلفهم وهو يقول: ارجعوا إلى دنياكم أنساكم الله موتاكم، فنسوا ميتهم وأخذوا في شرائهم وبيعهم، لكأنه لم يكن منهم ولم يكونوا منه» .
১৪- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে জাফর আল-মুনাদি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার দাদা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনুল হুদবাহ, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই জানাযার অনুগমনকারীদের সাথে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত থাকেন, এমতাবস্থায় তারা চিন্তিত ও শোকাতুর থাকে এবং তাদের কান্নাকাটি অনেক বেশি হয়। পরিশেষে যখন তারা তাকে সেই কবরে সঁপে দেয় এবং ফিরে আসতে শুরু করে, তখন তিনি এক মুষ্টি মাটি গ্রহণ করেন এবং তাদের পেছনে তা নিক্ষেপ করেন। আর তিনি বলতে থাকেন: তোমরা তোমাদের দুনিয়ার দিকে ফিরে যাও, আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মৃতদের কথা ভুলিয়ে দিন। ফলে তারা তাদের মৃত ব্যক্তিকে ভুলে যায় এবং তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে লিপ্ত হয়, যেন মনে হয় সে তাদের কেউ ছিল না এবং তারাও তার কেউ ছিল না»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৩)
15- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا أحمد بن جعفر المنادي: حدثنا جدي: حدثنا أبوهدبة، عن أنس، أن رجلا أتى رسول الله ⦗ص: 55⦘ صلى الله عليه وسلم وهو يقول: بأبي وأمي يا رسول الله، علمني ثلاث كلمات، فقال له: «احفظ لسانك تسلم، ولا تبذلن عرضك فتشتم، ولا تغتب جارك فتندم، ألا من اغتاب جاره المسلم فحول الله قلبه إلى دبره يوم القيامة» .
১৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন জাফর আল-মুনাদী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাদবাহ, আনাস থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং তিনি বলছিলেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গিত হোক, আমাকে তিনটি কথা শিক্ষা দিন। তখন তিনি তাকে বললেন: «তোমার জিহ্বা হেফাজত করো, তুমি নিরাপদ থাকবে; তোমার সম্মানকে বিলিয়ে দিও না নতুবা তুমি গালমন্দ খাবে; এবং তোমার প্রতিবেশীর গিবত করো না নতুবা তুমি লজ্জিত হবে। জেনে রেখো, যে ব্যক্তি তার মুসলিম প্রতিবেশীর গিবত করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার অন্তরকে তার পশ্চাৎদেশের দিকে ঘুরিয়ে দেবেন»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৫)
16- أخبرنا أحمد بن محمد: حدثنا أبوهارون موسى بن محمد بن هارون الأنصاري ثم الزرقي: أخبرنا الحسين بن إسحاق التستري: حدثنا يحيى بن سليمان الجعفي: حدثنا عمرو بن عثمان الجعفي: حدثنا عمي أبومسلم وهو عبيد الله بن سعيد قائد الأعمش، عن الأعمش، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري،

عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن الرجل ليتبعه أمثال الجبال من الخير، فيقول: أنى هذا ولم أعمله؟ فيقال: استغفار ولدك من بعدك» .
১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হারুন মুসা ইবন মুহাম্মদ ইবন হারুন আল-আনসারী অতঃপর আল-জুরকি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবন ইসহাক আত-তুস্তারি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সুলাইমান আল-জু'ফি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবন উসমান আল-জু'ফি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আবু মুসলিম, আর তিনি হলেন উবাইদুল্লাহ ইবন সাঈদ আল-আ'মাশ-এর সহচর, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ আল-আউফি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তির পেছনে পাহাড়ের ন্যায় নেকি বা সওয়াব অনুগামী হয়, তখন সে বলে: এটি কোথা থেকে এলো অথচ আমি তো এই আমল করিনি? তখন বলা হয়: তোমার মৃত্যুর পর তোমার সন্তানের তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করার কারণে (এটি অর্জিত হয়েছে)।»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৫)
17- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا محمد بن مخلد بن حفص: حدثنا سيف بن أيوب: حدثنا مصعب بن المقدام: حدثنا شعبة، عن جابر، عن طارق، عن جرير،

أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بنسوة فسلم عليهن.
১৭- আহমদ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: সাইফ বিন আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুসআব বিন আল-মিকদাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির থেকে, তিনি তারিক থেকে এবং তিনি জারীর থেকে বর্ণনা করেছেন যে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল নারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাদেরকে সালাম দিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৫)
18- حدثنا أحمد بن محمد: حدثنا أبوحفص محمد بن العلاء الكاتب: حدثنا عمي: حدثنا عمر بن إبراهيم: حدثنا أبوبكر بن عبد الله النهشلي، عن فضيل بن عمرو قال: قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه: افتقدوا ⦗ص: 57⦘ إخوانكم في الصلاة، فإن كانوا مرضى فعودوهم، وإلا فعاتبوهم.
১৮- আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু হাফস মুহাম্মদ বিন আল-আলা আল-কাতিব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আমার চাচা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উমর বিন ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু বকর বিন আবদুল্লাহ আন-নাহশালি বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুদাইল বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: তোমরা ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ সালাতে তোমাদের ভাইদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করো; যদি তারা অসুস্থ থাকে তবে তাদের দেখতে যাও, অন্যথায় তাদের ভর্ৎসনা করো।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৭)
19- حدثنا أحمد: حدثنا محمد بن العلاء: حدثنا عمي: حدثنا عمر بن إبراهيم: حدثنا سفيان الثوري، عن جامع بن شداد أسنده قال:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من رأى من أخيه في صلاته شيئا يكرهه فلم ينصحه فهو شريكه في الوزر والعار» .

آخر المنتقى من الجزء الأول والثاني من أصل القاضي أبي الحسين السمناني، عن ابن الصلت، عن شيوخه رحمهم الله
১৯- আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার চাচা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমর বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জামি' বিন শাদ্দাদ থেকে, তিনি মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সালাতে অপছন্দনীয় কিছু দেখেও তাকে উপদেশ দেয় না, সে তার পাপ ও লজ্জার অংশীদার হবে»।

ক্বাযী আবু আল-হুসাইন আস-সিমনানির মূল পাণ্ডুলিপির প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড হতে সংগৃহীত ‘আল-মুনতাকা’র সমাপ্তি, ইবনুল সালত থেকে, তাঁর উস্তাদগণের সূত্রে (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন)।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৭)
[ومن حديث أبي أحمد الفرضي عن شيوخه برواية السمناني عنه]

20- وأخبرنا الإمام العلامة أبواليمن الكندي: أخبرنا أبومحمد بن الطراح قال: وأخبرنا القاضي أبوالحسين أحمد بن محمد السمناني: حدثنا أبوأحمد عبيد الله بن محمد بن أبي مسلم الفرضي: حدثنا أبوالحسين عبد الصمد بن علي الطستي: حدثنا أحمد بن عبيد الله بن إدريس بن زيد بن الصباح الضبي صاحب النرسي أبوبكر: حدثنا عبيد الله بن موسى: حدثنا شيبان، عن إبراهيم بن طهمان، عن هشام الدستوائي، عن يحيى بن أبي كثير، عن ضمضم بن جوس، عن أبي هريرة،

أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر بقتل الأسودين. قيل: وما الأسودين؟ قال: الحية والعقرب.
[এবং আস-সামনানির বর্ণনায় তাঁর শাইখদের নিকট থেকে আবু আহমাদ আল-ফারাজির হাদীস হতে]

২০- এবং ইমাম আল্লামা আবু ইয়ামান আল-কিন্দী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু মুহাম্মদ ইবনুত তাররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এবং কাযী আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আস-সামনানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি মুসলিম আল-ফারাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবুল হুসাইন আব্দুস সামাদ বিন আলী আত-তসতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আন-নারসির সঙ্গী আবু বকর আহমাদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইদ্রিস বিন যাইদ বিন আস-সাব্বাহ আদ-দাব্বি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শাইবান ইব্রাহিম বিন তাহমান থেকে, তিনি হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে, তিনি দামদাম বিন জাওস থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন,

নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি কালো প্রাণী হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। জিজ্ঞেস করা হলো: কালো দুটি কী? তিনি বললেন: সাপ এবং বিচ্ছু।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৭)
21- أخبرنا أبوأحمد عبيد الله: حدثنا أبوالحسين عبد الصمد: أخبرنا أحمد بن ⦗ص: 59⦘ الحسن بن أبان المضري الأبلي أبوالحسن قراءة عليه: حدثنا عبد الصمد بن حسان: أخبرنا سفيان، عن أسامة بن زيد، عن موسى بن علي بن رباح، عن أبيه، عن أبي قيس، عن عمرو بن العاص قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فرق ما بين صومنا وصوم أهل الكتاب أكلة السحر» .
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ উবায়দুল্লাহ: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল হোসেন আব্দুস সামাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ আল-হাসান ইবনে আবান আল-মুদরি আল-উবুল্লি আবুল হাসান তাঁর নিকট কিরাত পাঠ করার সময়: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ ইবনে হাসসান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, উসামা ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি মুসা ইবনে আলি ইবনে রাবাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু কাইস থেকে, তিনি আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমাদের সিয়াম এবং আহলে কিতাবদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৯)
22- أخبرنا عبيد الله: أخبرنا عبد الله: حدثنا أحمد بن زياد السمسار المعدل: حدثنا سريج بن النعمان: حدثنا فليح، عن هلال بن علي، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الشيخ يكبر ويضعف جسمه وقلبه شاب على حب الدنيا وحب المال» .
২২- উবায়দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবনে যিয়াদ আস-সিমসার আল-মুআদ্দাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুরাইজ ইবনে নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ফুলায়হ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিলাল ইবনে আলী থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «বৃদ্ধ মানুষ বয়সে বড় হয় এবং তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, কিন্তু দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা এবং সম্পদের প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে তার অন্তর চিরযুবকই থাকে»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৯)
23- أخبرنا عبيد الله: أخبرنا عبد الصمد: حدثنا أحمد بن علي الخزاز أبوجعفر: حدثنا سعد بن عبد الحميد الأنصاري: حدثنا أبومعشر، عن مصعب بن ثابت، عن محمد بن المنكدر، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مؤمن إلا يأتي يوم القيامة بيهودي أو نصراني فيقول: هذا فدائي من النار» .
২৩- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সামাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবনে আলী আল-খাজ্জাজ আবু জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাদ ইবনে আব্দুল হামিদ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মাশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব ইবনে সাবিত থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি আবু বুরদাহ ইবনে আবু মুসা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «এমন কোনো মুমিন নেই যে কিয়ামতের দিন একজন ইহুদি বা নাসারাকে নিয়ে আসবে না, অতঃপর তিনি বলবেন: এটি জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তিপণ»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৫৯)
24- أخبرنا عبيد الله: أخبرنا عبد الصمد: حدثنا أحمد بن إبراهيم بن ملحان أبوعبد الله: حدثنا أبونصر التمار: حدثنا حماد بن سلمة، عن أبي سنان قال: دفنت ابني سنان فقعدت على شفير القبر فأخذ بيدي أبوطلحة الخولاني ⦗ص: 61⦘ فقال: ألا أبشرك! حدثني الضحاك بن عبد الرحمن بن عرزم، أن أبا موسى الأشعري حدثه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن الله عز وجل إذا قبض ولد العبد قال لملائكته: قبضتم ولد عبدي وثمرة فؤاده، فماذا قال؟ قالوا: حمدك وقال خيرا، قال: فابنوا له بيتا في الجنة وسموه بيت الحمد» .
২৪- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সামাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে মালহান আবু আবদুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু নাসর আত-তাম্মার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সিনান থেকে, তিনি বলেন: আমি আমার পুত্র সিনানকে দাফন করলাম এবং কবরের কিনারায় বসলাম। তখন আবু তালহা আল-খাওলানী আমার হাত ধরলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬১⦘ এবং বললেন: আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দেব না! আদ-দাহহাক ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আরজাম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবু মুসা আল-আশআরী তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল যখন কোনো বান্দার সন্তানকে কবজ করেন, তখন তিনি তাঁর ফেরেশতাদের বলেন: তোমরা কি আমার বান্দার সন্তান এবং তার অন্তরের ফলকে কবজ করেছ? তখন সে কী বলেছে? তারা বলে: সে আপনার প্রশংসা করেছে এবং ভালো কথা বলেছে। তিনি বলেন: তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করো এবং তার নাম দাও বায়তুল হামদ (প্রশংসার ঘর)»।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৬১)
25- أخبرنا عبيد الله: أخبرنا عبد الصمد: حدثنا أحمد بن إبراهيم بن عنبر أبوالفضل: حدثنا علي بن عبد الله: حدثنا حسين بن علي الجعفي، عن زائدة بن قدامة، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك قال:

قال رسول صلى الله عليه وسلم: «ما صدق نبي ما صدقت، إن من الأنبياء لمن لم يصدقه من أمته إلا رجل واحد» .
২৫- উবায়দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সামাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আনবার আবুল ফজল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আলী ইবন আবদুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: হুসাইন ইবন আলী আল-জুফী যায়িদাহ ইবন কুদামাহ থেকে, তিনি মুখতার ইবন ফুলফুল থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো নবীকে সেভাবে সত্যায়ন করা হয়নি (তথা অধিক অনুসারী দেওয়া হয়নি) যেভাবে আমাকে সত্যায়ন করা হয়েছে; নিশ্চয়ই নবীদের মধ্যে এমনও নবী রয়েছেন যাঁকে তাঁর উম্মতের মধ্য থেকে মাত্র একজন ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ সত্যায়ন করেনি (অর্থাৎ মাত্র একজন ঈমান এনেছে)।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৬১)
26- أخبرنا عبيد الله: حدثنا عبد الصمد: حدثنا أحمد بن زيد بن الحريش بن زيد الأهوازي بالأهواز أبوعبد الله: حدثنا أبي: حدثنا عمران بن عيينة، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الشعبي، عن عروة بن المضرس،

عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «المرء مع من أحب» .
২৬- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহওয়াযে আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবনে যাইদ ইবনুল হারিশ ইবনে যাইদ আল-আহওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইমরান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ থেকে, আশ-শা’বী থেকে, উরওয়াহ ইবনুল মুদাররিস থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "ব্যক্তি তার সাথেই থাকবে যাকে সে ভালোবাসে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু ইবনিস সলত ওয়া আবী আহমাদ আল-ফারদী (পৃষ্ঠা: ৬১)
27- أخبرنا عبيد الله: حدثنا عبد الصمد قال: حدثنا أحمد بن سلام العسكري بعسكر مكرم: حدثنا محمد بن قطين ابن أخت أبي عامر الأنصاري: حدثنا عمر بن أبي عثمان، عن عمرو، عن القاسم بن محمد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن الله عز وجل يقبل الصدقة ولا ⦗ص: 63⦘ يقبل منها إلا طيبا، وإنه يقبلها بيمينه، وإنه ليربيها لصاحبها كما يربي أحدكم فصيله أو مهره، حتى يربي اللقمة فتكون عند الله عز وجل أعظم من أحد» .
২৭- উবাইদুল্লাহ আমাদের অবহিত করেছেন: আবদুস সামাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন সালাম আল-আসকারি আসকার মুকরামে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আমির আল-আনসারির ভাগ্নে মুহাম্মদ বিন কুতাইন আমাদের বর্ণনা করেছেন: উমর বিন আবি উসমান আমাদের বর্ণনা করেছেন আমর থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সদকা কবুল করেন এবং তিনি ⦗পৃ: ৬৩⦘ পবিত্র বস্তু ছাড়া অন্য কিছু কবুল করেন না। আর তিনি তা তাঁর ডান হাত দিয়ে গ্রহণ করেন এবং তিনি তা এর দাতার জন্য লালন-পালন করে বৃদ্ধি করতে থাকেন, যেমন তোমাদের কেউ তার উটের বাচ্চা বা ঘোড়ার বাচ্চাকে লালন-পালন করে; এমনকি তিনি একটি লোকমাকেও (খাবারের গ্রাস) এমনভাবে লালন-পালন করেন যে, তা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা-র নিকট উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে যায়»।