(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: -)
علة الحديث المسلسل في يوم العيدين لأبي محمد الجرجاني القسم: كتب السنة
الكتاب: :علة الحديث المسلسل في يوم العيدين الصلاة والخطبة
المؤلف: أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللهِ بنُ يُوْسُفَ الجُرْجَانِيُّ (ت 489هـ)
المحقق: د. محمد بن تركي التركي
تقديم: فضيلة الدكتور أحمد معبد
الناشر: دار الوطن للنشر [ضمن مجموع فيه الأحاديث العيدية المسلسة وغيره]
الطبعة: الأولى 1420 هـ - 1999 م
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
عدد الصفحات: 61
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু মুহাম্মদ আল-জুরজানী রচিত দুই ঈদের দিনে মুসালসাল হাদিসের ত্রুটি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: : দুই ঈদের নামাজ ও খুতবা বিষয়ক মুসালসাল হাদিসের ত্রুটি
লেখক: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-জুরজানী (মৃত্যু ৪৮৯ হিজরি)
গবেষক (তাহকিক): ড. মুহাম্মদ বিন তুর্কি আল-তুর্কি
উপস্থাপনা: মান্যবর ড. আহমদ মাবাদ
প্রকাশক: দারুল ওয়াতান প্রকাশনী [ঈদের মুসালসাল হাদিস ও অন্যান্য বিষয়ের একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত]
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের প্রত্যাশী, এগিয়ে এসো
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬১
[কিতাবের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: -)
مجموع فيه
الأحاديث العيدية المسلسلة
لأبي طاهر أحمد بن محمد السلفي
576 هـ
-[علة الحديث المسلسل في يوم العيدين]-
للحافظ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ الْقَاضِي الجرجاني
489 هـ
مسلسل العيدين
ليحيى بن أبي منصور الصيرفي الحراني
678 هـ
تحقيق
د. محمد بن تركي التركي
تقديم فضيلة الدكتور
أحمد معبد
دار الوطن للنشر
الطبعة الأولى
1420 هـ - 1999 م
সংকলন যাতে রয়েছে
দুই ঈদের মুসালসাল হাদীসসমূহ
আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আস-সিলাফী-এর
৫৭৬ হিজরি
-[দুই ঈদের দিনের মুসালসাল হাদীসের ত্রুটিসমূহ]-
হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-কাযী আল-জোরজানী-এর
৪৮৯ হিজরি
দুই ঈদের মুসালসাল
ইয়াহইয়া বিন আবু মানসুর আস-সাইরাফী আল-হাররানী-এর
৬৭৮ হিজরি
তাহকীক
ড. মুহাম্মাদ বিন তুর্কি আত-তুর্কি
উপস্থাপনায় শ্রদ্ধেয় ডক্টর
আহমাদ মা'বাদ
দারুল ওয়াতান পাবলিকেশন
প্রথম সংস্করণ
১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
عِلَّةُ الْحَدِيثِ الْمُسَلْسَلِ فِي يَوْمِ الْعِيدَيْنِ الصَّلاةُ وَالْخُطْبَةُ
تَخْرِيجُ الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ الْقَاضِي الْجُرْجَانِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
দুই ঈদের দিনের সালাত ও খুতবা সম্পর্কিত মুসালসাল হাদিসের ইল্লত (ত্রুটি)
হাফেজ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-কাদি আল-জুরজানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) কর্তৃক তাখরিজ।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
1- أَخْبَرَنَا الإِمَامُ ثِقَةُ الدِّينِ أَبُو شُجَاعٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَسْطَامِيُّ ثُمَّ الْبَلْخِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، يَوْمَ الْجُمُعَةِ، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ الْحَافِظُ الْجُرْجَانِيُّ، يَوْمَ الْعِيدِ، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّاجِرُ، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ السَّرَّاجُ الْحَلَبِيُّ بِدِمَشْقَ، فِي عِيدِ فطرٍ، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ إِسْحَاقَ التَّمِيمِيُّ الْبَغْدَادِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعَلافِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِحَلَبَ، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ والخطبة، حدثنا محمد بن غالب، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ والخطبة، حدثنا أبو معمر، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ والخطبة، [حدثنا عبد الوارث، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ والخطبة] ، حدثنا أبو بكر محمد ابن جُحَادَةَ، [فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ] ،
⦗ص: 56⦘ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا سَعْدٌ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ،، قَالَ: قَالَ لَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ: ((كُلُّكُمْ قَدْ أَصَابَ خَيْرًا، فَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ، وَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ)) .
هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ عَجِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ الأَزْدِيِّ، عَنْ أَبِي زُرَارَةَ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ أَبِي إِسْحَاقَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ الزُّهْرِيِّ الْقُرَشِيِّ مَرْفُوعًا، وَلا يَعْرِفُ حُفَّاظُ خُرَاسَانَ حَدِيثَ سَعْدٍ.
وَالْمَحْفُوظُ بَيْنَ أَهْلِ النَّقْدِ حَدِيثُ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، الَّذِي رَوَى عَنْهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ.
اخْتَلَفُوا فِيهِ؛ فَبَعْضُهُمْ رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَبَعْضُهُمْ وَقَفَهُ عَلَى عَطَاءٍ.
تَفَرَّدَ بِرَفْعِهِ وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، وَتَفَرَّدَ عَنْهُ بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْكُوفِيُّ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম সিকাতুদ্দীন আবু শুজা উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আল-বিস্তামি অতঃপর আল-বালখি, জুমার দিন নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম কাজী আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ আল-হাফিজ আল-জুরজানি, ঈদের দিন নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন মুহাম্মদ আত-তাজির, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসিম আবদুর রহমান ইবন আবদুল আজিজ ইবন আহমদ আস-সাররাজ আল-হালাবি দামেস্কে, ঈদুল ফিতরের দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ঈসা ইবন ইসহাক আত-তামিমি আল-বাগদাদি, যিনি ইবনুল আল্লাফ নামে পরিচিত, হালাব শহরে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন গালিব, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মা’মার, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; [আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে]; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জুহাদাহ, [ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে];
⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবন সা’দ, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দ, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের বলেছেন: ((তোমরা সবাই কল্যাণের অধিকারী হয়েছ, অতএব যে ব্যক্তি খুতবা শুনতে চায় সে যেন অবস্থান করে, আর যে চলে যেতে চায় সে যেন চলে যায়))।
এটি আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জুহাদাহ আল-আজদি থেকে বর্ণিত, আবু জুরারা মুসআব ইবন সা’দ-এর সূত্রে তাঁর পিতা আবু ইসহাক সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস আল-জুহরি আল-কুরাশি থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত একটি অভাবনীয় গরীব (একক) হাদিস। খোরাসানের হাফেজগণ সা’দ-এর এই হাদিসটি সম্পর্কে অবগত নন।
আর হাদিস বিশারদদের নিকট সংরক্ষিত (বিশুদ্ধ) বর্ণনাটি হলো ইবন জুরাইজ-এর হাদিস, যা আতা থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, যার বর্ণনাকারী হলেন সুফিয়ান আস-সাওরি।
এই হাদিসের বিষয়ে তাঁরা মতভেদ করেছেন; তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আবার কেউ কেউ একে আতা পর্যন্ত মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ওয়াকি ইবনুল জাররাহ একে মারফু হিসেবে বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন এবং তাঁর থেকে বিশর ইবন আবদুল ওয়াহহাব আল-কুফি এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
2- أَخْبَرَنَاهُ حَمْدُ بْنُ عَلِيٍّ التَّاجِرُ الرُّويَانِيُّ، قِرَاءَةً عليه، غير مرة، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ح.
وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ التَّاجِرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ وأضحى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ.
⦗ص: 57⦘قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ حَمْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَصْبَهَانِيُّ، بِالرَّيِّ، فِي يوم عيد فطرٍ وأضحى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بن داهر، في يوم عيد فطرٍ بين الصلاة والخطبة، حدثنا أبو عبيد لله الفراسي محمد بن أحمد بن أُخْتِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى.
وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ، فِي الْعِيدَيْنِ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، غَيْرَ مَرَّةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرٍ الْجُرْجَانِيُّ، فِي الْعِيدَيْنِ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى، بِالرَّيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مِهْرَانَ الثَّقَفِيُّ الْمُؤَذِّنُ السَّرَّاجُ بِنَيْسَابُورَ، فِي الْعِيدَيْنِ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى، حدثنا أبو عبيد لله مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْفِرَاسِيُّ الْبَصْرِيُّ بِالْبَصْرَةِ، فِي عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، مَوْلَى بَنِي أُمَيَّةَ، كُوفِيٌّ فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، فِي يَوْمِ عِيدِ فطرٍ أَوْ أَضْحَى، بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، قَالَ: شَهِدْنَا عِيدًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِطْرًا أَوْ أَضْحَى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الصَّلاةِ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ فَقَالَ: ((يا أيها النَّاسُ قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا كَثِيرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ فَلْيُقِمْ)) .
⦗ص: 58⦘لَمْ نَكْتُبْهُ مَوْصُولا إِلا مِنْ حَدِيثِ بِشْرِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ هَذَا، عَنْ وَكِيعٍ، تفرد به عنه أبو عبيد لله الْبَصْرِيُّ هَذَا فِيمَا أَعْلَمُ، وَالصَّحِيحُ رِوَايَةُ الْجَمَاعَةِ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالنَّاسِ الْعِيدَ، ثُمَّ قَالَ: ((مَنْ شَاءَ أَنْ يَذْهَبَ فَلْيَذْهَبْ، وَمَنْ شَاءَ أَنْ يَقْعُدَ فليقعد)) .
২- আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন রুয়ানীয় বণিক হামদ বিন আলী, তাঁর নিকট এটি একাধিকবার পাঠ করা হয়েছে, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে, সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে। ح (হাওলা)।
এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন রাযী বণিক আব্দুল আযীয বিন হাসান, তাঁর নিকট ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে পাঠ করা হয়েছে।
⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হামদ বিন আব্দুল্লাহ আসবাহানী, রায় নামক স্থানে, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন দাহের, ঈদুল ফিতরের দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ওবাইদুল্লাহ আল-ফিরাসী মুহাম্মদ বিন আহমদ, যিনি সুলাইমান বিন হারবের ভাগ্নে, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে।
এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আযীয বিন হাসান রাযী, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দুই ঈদের দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে একাধিকবার; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন বিন জাফর আল-জুরজানী, রায় নামক স্থানে দুই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন ইয়াকুব বিন আহমদ বিন মিহরান আস-সাক্বাফী আল-মুয়াজ্জিন আস-সাররাজ নিশাপুরে, দুই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ওবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ফিরাসী আল-বসরী বসরায়, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বনু উমাইয়ার আযাদকৃত দাস কুফাবাসী বিশ্র বিন আব্দুল ওয়াহহাব, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকী বিন আল-জাররাহ, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস, ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে। তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার ঈদ যাপন করেছি। যখন তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন, তখন আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন: ((হে লোকসকল, তোমরা প্রভূত কল্যাণ লাভ করেছ; সুতরাং যে ব্যক্তি ফিরে যেতে পছন্দ করে সে যেন ফিরে যায়, আর যে অবস্থান করতে পছন্দ করে সে যেন অবস্থান করে))।
⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ওয়াকী থেকে বিশ্র বিন আব্দুল ওয়াহহাবের এই বর্ণনাটি ব্যতীত অন্য কোনো সূত্রে আমরা এটিকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে লিপিবদ্ধ করিনি। আমার জানামতে, এই আবু ওবাইদুল্লাহ আল-বসরী তাঁর থেকে বর্ণনায় একক হয়েছেন। আর বিশুদ্ধ হলো একদল বর্ণনাকারীর বর্ণনা, যা সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি (আতা) বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের নিয়ে ঈদের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর বললেন: ((যে ব্যক্তি চলে যেতে চায় সে যেন চলে যায়, আর যে বসে থাকতে চায় সে যেন বসে থাকে))।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
3- أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الشَّامَكَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ زَيْدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَلَوِيُّ بِالْكُوفَةِ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، فَذَكَرَهُ مُرْسَلا.
৩- আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবি আলি আশ-শামকানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম যায়িদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ আল-আলাভি কুফায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আলি বিন দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন ইসহাক আল-কাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিসাহ, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি তা মুরসাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
وَرَوَاهُ الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، مَوْصُولا.
4- كَمَا أَخْبَرَنَاهُ سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَمْرٍو، أَخْبَرَنَا زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ، أَخْبَرَنَا أَبُو يَزِيدَ حَاتِمُ بْنُ مَحْبُوبٍ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا
⦗ص: 59⦘ الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ: حَضَرْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ عيدٍ فَقَالَ: ((قَدْ قُضِيَتِ الصَّلاةُ، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ لِلْخُطْبَةِ فَلْيَجْلِسْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَذْهَبَ فَلْيَذْهَبْ)) .
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، وَسَعِيدُ بْنُ حَمَّادٍ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، وَزَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى: زَحْمَوَيْهِ.
আল-ফাদল ইবনে মুসা আস-সিনানি এটি ইবনে জুরাইজ থেকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
৪- যেমনটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবু আমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহির ইবনে আহমাদ আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াজিদ হাতিম ইবনে মাহবূব আল-হারাউয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে হুমাইদ আর-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ আল-ফাদল ইবনে মুসা আস-সিনানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আস-সাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ঈদের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন তিনি বললেন: ((সালাত সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং যার খুতবা শোনার জন্য বসতে ভালো লাগে সে যেন বসে, আর যার চলে যেতে ভালো লাগে সে যেন চলে যায়।))।
এবং একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে সুলাইমান, মুহাম্মাদ ইবনে আস-সাব্বাহ, সাঈদ ইবনে হাম্মাদ, ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আল-হারাউয়ি এবং জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া—যিনি জাহমাওয়াইহ নামে পরিচিত।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
أَمَّا حَدِيثُ سَعِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ
5- أَخْبَرَنَاهُ أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْجُرْجَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سَعْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلُّوَيْهِ بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ قَيْسٍ السَّامَرِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى السِّينَانِيِّ، فَذَكَرَهُ.
সাঈদ বিন সুলায়মানের হাদিস সম্পর্কে:
৫- আবু সা’দ মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আল-জুরজানি আমাদের তা অবহিত করেছেন, আবু আল-কাসিম সা’দ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল্লুওয়াইহ বাগদাদে আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আল-হাসান আলী বিন কায়স আস-সামারি আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর বিন আবি আদ-দুনিয়া আল-কুরাশি আমাদের বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন সুলায়মান আমাদের বর্ণনা করেছেন ফাদল বিন মুসা আস-সিনানি থেকে, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
وَأَمَّا حَدِيثُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ
6- أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْعَدْلُ، حَدَّثَنَا الْمُؤَمَّلُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، نَحْوَهُ.
আর মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ-এর হাদিসের ক্ষেত্রে—
৬- আমাদেরকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনু আবিল কাসিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনু আহমাদ আল-আদল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-মুআম্মাল ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনু মুসা, এর অনুরূপ।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
وَأَمَّا حَدِيثُ سَعِيدِ بْنِ حَمَّادٍ، أَخُو نُعَيْمِ بْنِ حَمَّادٍ
7- أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرَانَ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ موسى، نحوه.
আর সাঈদ বিন হাম্মাদ, যিনি নুআইম বিন হাম্মাদের ভাই, তাঁর বর্ণিত হাদীস সম্পর্কে—
৭- আবু বকর বিন আবু আলী আমাদের তা জানিয়েছেন, বাগদাদে আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মদ বিন বিশরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদল বিন মুসা আমাদের নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
وَأَمَّا حَدِيثُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيِّ
8- أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رِيذَةَ، فِيمَا كَتَبَ إِلَيَّ مِنْ أَصْبَهَانَ -وَأَخْبَرَنَا عَنْهُ الْمُظَفَّرُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ الْقَبَّانِيُّ- أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، فَذَكَرَهُ.
আর ইব্রাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাভীর হাদীসের ব্যাপারে:
৮- আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে রীজাহ, আসবাহান থেকে আমার কাছে তিনি যা লিখেছেন তার মধ্যে—এবং আমাদের কাছে তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন আল-মুযাফফর ইবনে আবিল আব্বাস আল-কাব্বানী—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল আজীজ, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাভী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবনে মূসা আস-সিনানী, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইল্লাতুল হাদীসিল মুসালসাল ফী ইয়াওমিল ঈদাঈনি লি-আবী মুহাম্মাদ আল-জুরজানী
(পৃষ্ঠা: ৬১)
وَأَمَّا حَدِيثُ زَكَرِيَّا
9- وَبِهِ إِلَى الطَّبَرَانِيِّ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، نَحْوَهُ.
قَالَ الْقَاضِي الْحَافِظُ رحمه الله: وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى ثِقَةٌ، غَيْرَ أَنَّهُ غَلَطَ فِي إِسْنَادِهِ فِيمَا زَعَمَ الإِمَامُ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَغَيْرُهُ مِنَ الْحُفَّاظِ.
سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الدَّرَبَنْدِيَّ الْحَافِظَ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدٍ الإِسْفَرَايِينِيَّ الْحَافِظَ يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ يَعْقُوبَ الأَصَمَّ بِنَيْسَابُورَ يَقُولُ: سَمِعْتُ الْعَبَّاسَ بْنَ مُحَمَّدٍ الدُّورِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ يَقُولُ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ الَّذِي يَرْوِي أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِهِمُ الْعِيدَ خَطَأٌ؛ إِنَّما هُوَ عَنْ عَطَاءٍ فَقَطْ، وَإِنَّمَا غَلَطَ فِيهِ الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، يَقُولُ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ.
آخِرُهُ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ وَآلِهِ أجمعين.
আর জাকারিয়ার হাদিস প্রসঙ্গে
৯- এবং তার মাধ্যমে তাবারানি পর্যন্ত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফাদল বিন মুসা, অনুরূপ।
কাজী আল-হাফিয (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: ফাদল বিন মুসা নির্ভরযোগ্য, তবে তিনি এর সনদে ভুল করেছেন বলে ইমাম আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মাইন এবং অন্যান্য হাফিযগণ মনে করেন।
আমি হাফিয হাসান বিন মুহাম্মদ আদ-দারবান্দিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফিয আলী বিন মুহাম্মদ আল-ইসফারায়িনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নিশাপুরে মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্বাস বিন মুহাম্মদ আদ-দুরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাইনকে বলতে শুনেছি: আব্দুল্লাহ বিন আস-সাইব থেকে বর্ণিত যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিয়ে ঈদের সালাত আদায় করেছেন—এটি ভুল; মূলত এটি কেবল আতা থেকে বর্ণিত। আর এতে ফাদল বিন মুসা আস-সিনানি ভুল করেছেন, তিনি বলছেন: আব্দুল্লাহ বিন আস-সাইব থেকে।
এটিই সমাপ্তি, এবং আল্লাহ আমাদের নেতা নবী মুহাম্মদ ও তাঁর সকল পরিবারের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।