(খণ্ড: ১) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: -)
أخبار مكة - الفاكهي - ط 4   (أبو عبد الله الفاكهي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أخبار مكة في قديم الدهر وحديثه

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن إسحاق بن العباس الفاكهي المكي (من علماء القرن الثالث الهجري)

دراسة وتحقيق: عبد الملك بن عبد الله بن دهيش

توزيع: مكتبة الاسدي، مكة المكرمة

الطبعة: الرابعة، 1424 هـ - 2003 م

عدد الأجزاء: 6 (الأخير فهارس)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وفي الهامش كثير من كلام المحقق]

تاريخ النشر بالشاملة: 21 ربيع الآخر 1443

মক্কার ইতিহাস - আল-ফাকিহি - ৪র্থ সংস্করণ   (আবু আবদুল্লাহ আল-ফাকিহি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: প্রাচীন ও আধুনিক কালের মক্কার ইতিহাস

লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনুল আব্বাস আল-ফাকিহি আল-মাক্কি (হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর আলেমগণের অন্তর্ভুক্ত)

গবেষণা ও সম্পাদনা: আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দাহিশ

পরিবেশনা: মাকতাবাতুল আসাদি, মক্কা আল-মুকাররামা

সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪২৪ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৬ (শেষ খণ্ডটি নির্ঘণ্টসমূহ)

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ, এবং পাদটীকায় সম্পাদকের অনেক বক্তব্য রয়েছে]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌ذكر

إخراج جبريل عليه الصلاة والسلام زمزم

لاسماعيل بن ابراهيم وأمه

عليهم الصلاة والسلام وتفسير ذلك

1048 - حدّثنا حسين بن حسن بن حرب بن هانئ السلمي، عن يحيى بن سعيد القطان، عن ابن حرملة، قال: سمعت سعيد بن المسيّب، يقول: قدم ابراهيم واسماعيل وأمّ اسماعيل إلى مكة، فقال ابراهيم: كلا من الشجر واشربا من الشعاب، فلما ضاقت الأرض وتقطعت المياه عطشا، فقالت امه: اصعد وانصبّ في هذا الوادي حتى لا أرى موتك ولا ترى موتي، ففعلت، فأنزل الله تبارك وتعالى-على أم اسماعيل ملكا من السماء، فأمرها فصرخت به، فاستجاب لها، فطار الملك، وضرب بجناحه مكان زمزم، وقال: اشربا، فكان سيحا، لو تركته ما زال كذلك، ولكنها فرقت من العطش فقرت في السقاء، وحفرت له في البطحاء، فنضب الماء، فطفقا كلما نضب الماء طوياه، ثم هلك ودفنته السيول.

--------------------------------------------

1048 - إسناده حسن.

ابن حرملة، هو: عبد الرحمن، صدوق ربما أخطأ، كما في التقريب 477/ 1.

رواه الحربي في المناسك ص:484 عن أحمد بن محمد بن يحيى بن سعيد القطان، عن جدّه به. وذكره ابن رستة في الأعلاق النفيسة ص:40.
জিবরাঈল আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম কর্তৃক

ইবরাহীমের পুত্র ইসমাঈল ও তাঁর মাতার জন্য যমযম বের করার বর্ণনা

এবং এর ব্যাখ্যা

১০৪৮ - হুসাইন ইবন হাসান ইবন হারব ইবন হানি আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান থেকে, তিনি ইবন হারমালাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবরাহীম, ইসমাঈল এবং ইসমাঈলের মা মক্কায় আগমন করলেন। তখন ইবরাহীম বললেন: তোমরা বৃক্ষ থেকে আহার করো এবং গিরিপথগুলো থেকে পান করো। অতঃপর যখন ভূমি সংকীর্ণ হয়ে এল এবং তৃষ্ণায় পানি নিঃশেষ হয়ে গেল, তখন তাঁর মা বললেন: তুমি উপরে উঠে যাও এবং এই উপত্যকায় পড়ে থাকো, যেন আমি তোমার মৃত্যু না দেখি এবং তুমিও আমার মৃত্যু না দেখো। তিনি তাই করলেন। অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা ইসমাঈলের মায়ের নিকট আসমান থেকে একজন ফেরেশতা অবতরণ করালেন এবং তাকে আদেশ করলেন, আর তিনি (মা) তাঁকে (আল্লাহকে) ডাকলেন, অতঃপর তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দিলেন। তখন ফেরেশতা উড়ে এলেন এবং যমযমের স্থানে তাঁর ডানা দিয়ে আঘাত করলেন এবং বললেন: তোমরা পান করো। তখন তা একটি প্রবাহমান ধারায় পরিণত হলো; যদি তিনি তা (প্রবাহমান অবস্থায়) ছেড়ে দিতেন তবে তা সর্বদা এমনই থাকত। কিন্তু তিনি তৃষ্ণার কারণে ভীত হয়ে তা মশকে ভরতে লাগলেন এবং কঙ্করাময় উপত্যকায় এর জন্য গর্ত খুঁড়লেন, ফলে পানি শোষিত হতে লাগল। অতঃপর পানি শোষিত হওয়ার সাথে সাথে তারা তা ভরাট করতে লাগলেন। পরবর্তীতে এটি বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্লাবন একে ঢেকে দেয়।

--------------------------------------------

১০৪৮ - এর সনদ হাসান।

ইবন হারমালাহ হলেন: আবদুর রহমান, তিনি সত্যবাদী তবে কখনো কখনো ভুল করতেন, যেমনটি 'আত-তাকরীব' ১/৪৭৭-এ বর্ণিত হয়েছে।

হারবী এটি 'আল-মানাসিক' পৃষ্ঠা: ৪৮৪-এ আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং ইবন রুস্তাহ এটি 'আল-আ'লাক আন-নাফিসাহ' পৃষ্ঠা: ৪০-এ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٦)
1049 - حدّثني محمد بن أبي عمر، وسلمة بن شبيب، قالا: ثنا عبد الرزاق، قال: أنا معمر، عن أيوب وكثير بن كثير، عن سعيد بن جبير، قال: قال ابن عباس-رضي الله عنهما:قال النبى صلى الله عليه وسلم: يرحم الله أم اسماعيل لو تركت زمزم، أو قال: لو لم تغرف من الماء لكانت زمزم عينا معينا.

1050 - حدّثنا عبد الله بن أبي سلمة، قال: حدّثني محمد بن يونس، قال: ثنا جرير بن حازم، عن أيوب، عن ابن سعيد بن جبير، عن أبيه سعيد بن جبير، عن ابن عباس-رضي الله عنهما-قال: حدّثني أبيّ بن كعب-رضي الله عنه-قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: رحمة الله على هاجر لو تركت زمزم لكانت عينا معينا.

1051 - حدّثنا عبد الله بن عمران المخزومي، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: قال عثمان: وأخبرني علي بن عبيد الله بن الوازع، عن أيوب، عن سعيد ابن جبير، عن ابن عباس-رضي الله عنهما-قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر نحو الحديث الأول، وزاد فيه: قال: وقال لها الملك: لا تخافي على أهل هذا الوادي ظمأ فإنها عين يشرب بها ضيفان الله.

--------------------------------------------

1049 - إسناده صحيح.

1050 - شيخ المصنّف لم أقف عليه، وبقية رجاله موثقون.

محمد بن يونس، لعلّه الكديمي، وأيوب: هو السختياني. وابن سعيد بن جبير، هو: عبد الله.

رواه ابن حبّان (ص:254 موارد الظمآن) من طريق: وهب بن جرير بن حازم، عن أبيه، به.

1051 - إسناده ضعيف.

علي بن عبيد الله بن الوازع، مجهول.

ذكره الحافظ في الفتح 402/ 6،وعزاه للفاكهي.
১০৪৯ - মুহাম্মদ বিন আবি উমর এবং সালামাহ বিন শাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে মা'মার আইয়ুব এবং কাসির বিন কাসির থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তারা সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ ইসমাইলের মায়ের ওপর রহম করুন, যদি তিনি যমযমকে ছেড়ে দিতেন, অথবা তিনি বলেছেন: যদি তিনি পানি আজলা করে তুলে না নিতেন, তবে যমযম একটি প্রবহমান প্রস্রবণ হতো।

১০৫০ - আব্দুল্লাহ বিন আবি সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারির বিন হাযিম আমাদের নিকট আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি তার পিতা সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে উবাই ইবনে কাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: হাজেরার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, যদি তিনি যমযমকে ছেড়ে দিতেন তবে তা একটি প্রবহমান প্রস্রবণ হতো।

১০৫১ - আব্দুল্লাহ বিন ইমরান আল-মাখযুমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান বলেন: এবং আমাকে আলি বিন উবাইদুল্লাহ বিন আল-ওয়াজি' আইয়ুব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—অতঃপর তিনি প্রথম হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং তাতে আরও বাড়িয়ে বলেন: তিনি (রাসূল) বলেন: এবং ফেরেশতা তাকে বলেছিলেন: এই উপত্যকার অধিবাসীদের জন্য তৃষ্ণার ভয় করবেন না, কেননা এটি এমন এক প্রস্রবণ যা থেকে আল্লাহর মেহমানরা পান করবে।

--------------------------------------------

১০৪৯ - এর সনদ সহিহ।

১০৫০ - গ্রন্থকারের শায়খের (শিক্ষক) ব্যাপারে আমি অবগত হতে পারিনি, তবে অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

মুহাম্মদ বিন ইউনুস সম্ভবত আল-কুদাইমি, এবং আইয়ুব হলেন আস-সাখতিয়ানি। আর ইবনে সাঈদ বিন জুবাইর হলেন আব্দুল্লাহ।

ইবনে হিব্বান এটি বর্ণনা করেছেন (পৃষ্ঠা: ২৫৪, মাওয়ারিদুজ জামআন) ওয়াহাব বিন জারির বিন হাযিমের সূত্রে, তিনি তার পিতা থেকে, এই সনদে।

১০৫১ - এর সনদ যয়িফ (দুর্বল)।

আলি বিন উবাইদুল্লাহ বিন আল-ওয়াজি' মাজহুল (অপরিচিত)।

হাফেজ (ইবনে হাজার) আল-ফাতহ গ্রন্থে (৬/৪০২) এটি উল্লেখ করেছেন এবং আল-ফাকিহির দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٧)
1052 - حدّثنا عبد الله بن عمران المخزومي، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: ثنا عثمان بن ساج، قال: أخبرني محمد بن أبان، عن أبي إسحاق السبيعي، عن حارثة بن مضرب، عن علي بن أبي طالب-رضي الله عنه أنه قال: استأذن ابراهيم-عليه السلام-امرأته سارة في جاريتها هاجر، فقالت: نعم على أن لا تسوءني، قال: نعم، فأطاف عليها، فولدت اسماعيل، فبينما هو يوما من الأيام جالس، استبق اسماعيل وإسحاق إليه فسبق اسماعيل، فأخذه أبوه، فأجلسه في حجره، فلما جاء إسحاق أخذه فأجلسه على يمينه وعن يساره اسماعيل، وسارة تطلع من فوق البيت قد رأت ما صنع ابراهيم، فلما دخل ابراهيم قالت: قد ساءني فاخرجهما عني، فانطلق بهما حتى نزل بهما مكة، وترك عندها شيئا/من طعام وشراب قليل، قال: أرجع فآتيكما بطعام وشراب أيضا، قال: فأخذت هاجر بثوبه، فقالت: يا ابراهيم إلى من تكلنا هاهنا؟ قال: أكلكم إلى الله-تعالى-فانطلق وتركها. فنفد طعامهم وشرابهم، وقالت: يا بني توار عني حتى تموت، فتوارى كل واحد منهما عن صاحبه، وقد أيقن كل واحد منهما بالموت إذ نزل جبريل-عليه الصلاة والسلام-في صورة رجل، فقال لهاجر: من أنت؟ قالت: أنا أم ولد ابراهيم. قال: من هذا معك؟ قالت: ابنه اسماعيل. قال لها جبريل-عليه السلام:إلى من وكلكم ابراهيم حين ذهب؟ قالت: أما والله لقد أخذت بثوبه، فقلت: إلى من تكلنا؟ قال: اوكلكما إلى الله. قال: وكلكما إلى كاف. قال: ثم خط باصبعه في الأرض ثم طولها فإذا الماء ينبع وهي زمزم. ثم

--------------------------------------------

1052 - إسناده ضعيف.

محمد بن أبان، هو: ابن صالح القرشي الكوفي، ضعّفه ابن معين. وقال أبو حاتم: ليس بقوي الحديث، يكتب حديثه على المجاز. الجرح والتعديل 199/ 7.

رواه الطبري في تاريخه 129/ 1 بإسناده إلى مؤمّل، عن سفيان، عن أبي اسحاق.
১০৫২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইমরান আল-মাখজুমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন সালিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন সাজ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবান, আবু ইসহাক আস-সুবাইয়ি থেকে, তিনি হারিসাহ বিন মুদাররিব থেকে, তিনি আলী বিন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) তাঁর স্ত্রী সারাহর নিকট তাঁর দাসী হাজেরার ব্যাপারে অনুমতি চাইলেন। তখন সারাহ বললেন: হ্যাঁ, তবে শর্ত হলো আপনি আমাকে মনে কষ্ট দেবেন না। তিনি বললেন: ঠিক আছে। অতঃপর তিনি হাজেরার নিকট গমন করলেন এবং ইসমাইল জন্মগ্রহণ করলেন। একদিন তিনি বসে থাকাকালীন ইসমাইল ও ইসহাক দৌড়ে তাঁর দিকে আসলেন। ইসমাইল আগে পৌঁছালেন, তাই তাঁর পিতা তাঁকে ধরে নিজের কোলে বসালেন। এরপর যখন ইসহাক আসলেন, তিনি তাঁকে ধরে নিজের ডান পাশে এবং ইসমাইলকে তাঁর বাম পাশে বসালেন। সারাহ ঘরের ওপর থেকে তাকিয়ে ইব্রাহিম যা করছিলেন তা দেখছিলেন। যখন ইব্রাহিম ভেতরে প্রবেশ করলেন, তখন সারাহ বললেন: আপনি আমাকে কষ্ট দিয়েছেন, তাই এই দুজনকে আমার নিকট থেকে সরিয়ে দিন। এরপর তিনি তাঁদের নিয়ে বের হলেন এবং মক্কায় তাঁদের নামিয়ে দিলেন। তিনি তাঁদের নিকট সামান্য কিছু খাবার ও পানীয় রেখে গেলেন এবং বললেন: আমি ফিরে গিয়ে তোমাদের জন্য আরও খাবার ও পানীয় নিয়ে আসব। হাজেরা তাঁর পরিধেয় বস্ত্র আঁকড়ে ধরলেন এবং বললেন: হে ইব্রাহিম! আপনি আমাদের এখানে কার জিম্মায় রেখে যাচ্ছেন? তিনি বললেন: আমি তোমাদের মহান আল্লাহর জিম্মায় রেখে যাচ্ছি। অতঃপর তিনি তাঁদের রেখে চলে গেলেন। একসময় তাঁদের খাবার ও পানীয় ফুরিয়ে গেল। তখন হাজেরা বললেন: হে বৎস! আমার দৃষ্টির আড়ালে যাও যাতে তোমার মৃত্যু আমাকে দেখতে না হয়। ফলে তাঁরা একে অপরের থেকে আড়ালে চলে গেলেন। যখন তাঁদের উভয়েই মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হলেন, তখন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) একজন মানুষের বেশে অবতীর্ণ হলেন। তিনি হাজেরাকে বললেন: আপনি কে? তিনি বললেন: আমি ইব্রাহিমের সন্তানের মা। তিনি বললেন: আপনার সাথে এটি কে? তিনি বললেন: তাঁর পুত্র ইসমাইল। জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) তাঁকে বললেন: ইব্রাহিম যাওয়ার সময় আপনাদের কার জিম্মায় রেখে গিয়েছিলেন? তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, আমি তাঁর কাপড় ধরে বলেছিলাম যে, আপনি আমাদের কার কাছে সঁপে দিচ্ছেন? তিনি বললেন: আমি তোমাদের আল্লাহর নিকট সঁপে দিচ্ছি। জিবরাঈল বললেন: তবে তিনি আপনাদের এক যথেষ্ট সত্তার (কাফী) নিকট সঁপে দিয়েছেন। এরপর তিনি নিজ আঙুল দিয়ে মাটিতে একটি রেখা টানলেন এবং সেটি দীর্ঘ করলেন, অমনি সেখান থেকে পানি উপচে পড়তে লাগল—আর সেটিই হলো জমজম। এরপর...

--------------------------------------------

১০৫২ - এর সনদ দুর্বল।

মুহাম্মদ বিন আবান হলেন: ইবনে সালিহ আল-কুরাশি আল-কুফি, ইবনে মাইন তাঁকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তাঁর বর্ণিত হাদিস শক্তিশালী নয়, তাঁর হাদিস কেবল রূপক অর্থে লিপিবদ্ধ করা হয়। আল-জারহ ওয়াত তাদিল ৭/১৯৯।

তাবারী তাঁর তারিখে (ইতিহাস গ্রন্থে) ১/১২৯ পৃষ্ঠায় মুআম্মাল থেকে, সুফিয়ান থেকে এবং তিনি আবু ইসহাক থেকে প্রাপ্ত সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٨)
قال: ادعي ابنك. قال: فجعلت تدعوه بالعبرانية، فجاء وهو ينجه(1) وقد كاد أن يموت، وأخذت قوتة(2) عندها يابسة فجعلت ترش عليها الماء تبلها.

قال لها جبريل-عليه السلام:إنّها ريّ، ثم صعد جبريل-عليه الصلاة والسلام-وجاء ابراهيم، فقال: جاءكم أحد بعدي؟ قالت: نعم جاءنا خير رجل في الناس، فحدثته، فقال: إن ذلك جبريل-عليه الصلاة والسلام.

1053 - حدّثنا أحمد بن عبد الجبار العطاردي-ببغداد-قال: ثنا يونس ابن بكير، عن سعيد بن ميسرة، عن أنس بن مالك-رضي الله عنه-قال:

إنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: لما طردت هاجر أمّ اسماعيل سارة وضعها ابراهيم عليه السلام-بمكة، عطشت هاجر، فنزل عليها جبريل-عليه السلام فقال: من أنت؟ قالت: هذا ولد ابراهيم، قال: أعطشى أنت؟ قالت: نعم، فبحث الأرض بجناحه، فخرج الماء، فاكبت عليه هاجر تشربه، فلولا ذاك كانت عينا جارية.

1054 - حدّثنا عبد الله بن عمران، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: قال عثمان: أخبرت أن عمر بن الخطاب-رضي الله عنه-سأل كعبا عن أشياء،

--------------------------------------------

1053 - إسناده ضعيف.

سعيد بن ميسرة، هو: البكري. قال عنه أبو حاتم: منكر الحديث، ضعيف الحديث، يروى عن أنس مناكير. الجرح والتعديل 63/ 4.

ذكره في مغازي ابن اسحاق ص:26،من طريق: أحمد بن عبد الجبار به.

1054 - إسناده منقطع.

(1) كذا في الأصل، ولعلّها (ينجو) اي: يسرع، من النّجاء، وهو: السرعة. أنظر النهاية 25/ 5.

(2) أي: كسرة خبز.
তিনি বললেন: আপনার সন্তানকে ডাকুন। তিনি বলেন: এরপর তিনি তাকে হিব্রু ভাষায় ডাকতে লাগলেন, তখন সে দ্রুতপদে(১) এল যখন সে প্রায় মৃতপ্রায় ছিল, আর তার কাছে একটি শুকনো রুটির টুকরো(২) ছিল যা তিনি ভেজানোর জন্য তাতে পানি ছিটাচ্ছিলেন।

জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) তাকে বললেন: এটি তৃষ্ণা নিবারণকারী। এরপর জিবরাঈল (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) উপরে উঠে গেলেন এবং ইব্রাহিম এলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আমার পর তোমাদের কাছে কেউ কি এসেছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ, মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম এক ব্যক্তি আমাদের কাছে এসেছিলেন। এরপর তিনি তাকে বিষয়টি জানালেন। তিনি (ইব্রাহিম) বললেন: তিনি ছিলেন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)।

১০৫৩ - বাগদাদে আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-আতারিদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইউনুস ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে মাইসারাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন ইসমাইলের মা হাজেরাকে সারা বহিষ্কার করলেন, তখন ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) তাকে মক্কায় রেখে আসলেন। হাজেরা তৃষ্ণার্ত হলেন, তখন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) তার নিকট অবতরণ করে বললেন: আপনি কে? তিনি বললেন: এটি ইব্রাহিমের সন্তান। তিনি বললেন: আপনি কি তৃষ্ণার্ত? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি (জিবরাঈল) তার ডানা দিয়ে মাটি খুঁড়লেন, ফলে পানি বেরিয়ে এল। হাজেরা সেটির ওপর ঝুঁকে পড়লেন এবং তা পান করতে লাগলেন। যদি তা না হতো, তবে সেটি একটি প্রবহমান ঝর্ণা হতো।

১০৫৪ - আব্দুল্লাহ ইবনে ইমরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উসমান বলেছেন: আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কা’বকে কিছু বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,

--------------------------------------------

১০৫৩ - এর সনদ দুর্বল।

সাঈদ ইবনে মাইসারাহ হলেন আল-বাকরি। আবু হাতিম তার সম্পর্কে বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদিস (প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী), যয়িফুল হাদিস (দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী), তিনি আনাস থেকে অগ্রহণযোগ্য বিষয়াদি বর্ণনা করেন। আল-জারহ ওয়াত-তাদিল ৪/৬৩।

ইবনে ইসহাকের আল-মাগাজি, পৃষ্ঠা: ২৬-এ আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বার-এর সূত্রে এটি উল্লেখ করা হয়েছে।

১০৫৪ - এর সনদ বিচ্ছিন্ন।

(১) মূল নথিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি ‘ইয়ানজু’ হবে যার অর্থ: দ্রুত চলা; ‘আন-নাজা’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ: গতি। আন-নিহায়া ৫/২৫ দেখুন।

(২) অর্থাৎ: রুটির টুকরো।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٩)
فقال: حدّثني عن زمزم، قال: وطأة جبريل-عليه السلام،خفقة من جناحه، حين خشيت هاجر على ابنها العطش.

1055 - حدّثنا عبد الله بن عمران المخزومي، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: ثنا عثمان بن ساج، قال: بلغنا في الحديث المأثور عن وهب بن منبّه، قال: كان بطن مكة ليس فيه ماء، وليس لأحد فيه قرار حتى أنبط الله -تعالى-لاسماعيل-عليه السلام-زمزم، فعمرت مكة يومئذ وسكنها من أجل الماء قبيلة من اليمن يقال لهم: جرهم، وليست من عاد كما يقال، ولولا الماء الذي أنبطه الله-تعالى-لاسماعيل-عليه السلام-لما أراد من عمارة بيته، لم يكن لأحد بها يومئذ مقام. قال عثمان وذكر غيره: أن زمزم تدعى سابق، وكانت وطأة من جبريل وكان سقياها لاسماعيل يوم فرج له عنها جبريل-عليه السلام-وهو يومئذ وأمه عطشانان، فحفر ابراهيم-عليه السلام-بعد ذلك البئر ثم غلبه عليها ذو القرنين [وأظن أن ذا القرنين كان سأل ابراهيم أن يدعو الله له، فقال: كيف وقد أفسدتم بئري، فقال ذو القرنين](1):ليس عن أمري كان، ولم يخبرني أحد أن البئر بئر ابراهيم، فوضع السلاح، وأهدى ابراهيم إلى ذي القرنين بقرا وغنما فأخذ ابراهيم-عليه السلام-سبعة أكبش فأقرنهم وحدهم، فقال ذو القرنين: ما شأن/هذه الأكبش يا ابراهيم؟ فقال ابراهيم: هؤلاء يشهدون لي يوم القيامة أن البئر بئر ابراهيم-عليه السلام(2).

--------------------------------------------

1055 - إسناده منقطع.

(1) سقطت من الأصل، وألحقناها من شفاء الغرام.

(2) ذكره الفاسي في شفاء الغرام 247/ 1، نقلا عن الفاكهي.
তিনি বললেন: আমাকে যমযম সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন: এটি জিবরাঈল আলাইহিস সালামের পায়ের আঘাত এবং তাঁর ডানার ঝাপটা, যখন হাজেরা তাঁর পুত্রের তৃষ্ণার ব্যাপারে শঙ্কিত হয়েছিলেন।

১০৫৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-মাখজুমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে সালিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাজ, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণিত হাদীসে আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন: মক্কার উপত্যকায় কোনো পানি ছিল না এবং আল্লাহ তাআলা ইসমাইল আলাইহিস সালামের জন্য যমযম প্রস্ফুটিত করার আগ পর্যন্ত সেখানে কারো বসবাসের উপায় ছিল না। ফলে সেদিন মক্কা আবাদ হয় এবং পানির কারণে সেখানে ইয়ামানের একটি গোত্র বসবাস শুরু করে যাদের জুরহুম বলা হতো; তারা আদ বংশীয় ছিল না যেমনটি বলা হয়ে থাকে। আর আল্লাহ তাআলা ইসমাইল আলাইহিস সালামের জন্য যে পানি প্রস্ফুটিত করেছিলেন তা যদি না হতো—যেহেতু তিনি তাঁর ঘর আবাদ করতে চেয়েছিলেন—তবে সেদিন সেখানে কারো অবস্থানের সুযোগ হতো না। উসমান বলেন এবং অন্যরাও উল্লেখ করেছেন যে: যমযমকে 'সাবিক' বলা হতো এবং এটি ছিল জিবরাঈলের পদস্পর্শ। এটি ইসমাইলের জন্য পানীয়র ব্যবস্থা ছিল সেদিন যখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তাঁর জন্য এটি উন্মোচন করেছিলেন, তখন তিনি ও তাঁর মা তৃষ্ণার্ত ছিলেন। এরপর ইবরাহিম আলাইহিস সালাম কূপটি খনন করেন, অতঃপর যুল-কারনাইন তাঁর ওপর জয়ী হন। [আমার ধারণা যুল-কারনাইন ইবরাহিমের নিকট তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার আবেদন করেছিলেন, তখন তিনি (ইবরাহিম) বললেন: কিভাবে দোয়া করব অথচ আপনারা আমার কূপটি নষ্ট করে ফেলেছেন? তখন যুল-কারনাইন বললেন](১): এটি আমার নির্দেশে হয়নি এবং আমাকে কেউ জানায়নি যে এই কূপটি ইবরাহিমের। এরপর তিনি অস্ত্র নামিয়ে রাখলেন এবং ইবরাহিম যুল-কারনাইনকে গরু ও ছাগল উপহার দিলেন। ইবরাহিম আলাইহিস সালাম সাতটি দুম্বা নিলেন এবং তাদের আলাদা করে একত্রে বাঁধলেন। যুল-কারনাইন বললেন: হে ইবরাহিম, এই দুম্বাগুলোর রহস্য কী? ইবরাহিম বললেন: এগুলো কিয়ামতের দিন আমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে যে, এই কূপটি ইবরাহিম আলাইহিস সালামের(২)।

--------------------------------------------

১০৫৫ - এর সনদ বিচ্ছিন্ন।

(১) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছিল, আমরা শিফাউল গ্রাম থেকে এটি সংযোজন করেছি।

(২) আল-ফাসি এটি শিফাউল গ্রাম ১/২৪৭-এ আল-ফাকিহির বরাতে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٠)
1056 - حدّثنا محمد بن أبي عمر، قال: ثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال: ماء زمزم لما شرب له، إن شربته تريد شفاء شفاك الله، وان شربته لظمأ أرواك الله، وربما قال: ان شربته يقطع عنك الظمأ قطعه الله، وان شربته لجوع أشبعك الله. قال: وهي برة، وهي هزمة جبريل عليه السلام-بعقبه، وسقيا الله اسماعيل، وإنما سميت زمزم لأنها مشتقة من الهزمة، والهزمة: الغمزة بالعقب في الأرض.

1057 - حدّثنا الزبير بن أبي بكر، قال: حدّثني حمزة بن عتبة اللهي، قال: قال سعيد مولى أبي لهب في زمزم وهو يذكر هذه الخصال:

زمزم بئر لكم مباركة … تمثالها في الكتاب ذى العلم

طعام طعم لمن اراد وإن … تبغي شفا أشفته من سقم

1058 - حدّثنا عبد الله بن عمران المخزومي، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: ثنا عثمان بن ساج، قال: أخبرني محمد بن إسحاق، قال: حدّثني

--------------------------------------------

1056 - إسناده صحيح.

رواه عبد الرزاق 118/ 5،والأزرقي 50/ 2، كلاهما من طريق: ابن عيينة به. وذكره ابن حجر في الفتح 493/ 3،والصالحي في سبل الهدى والرشاد 210/ 1 مختصرا، وعزاه للفاكهي وقال: سنده صحيح.

1057 - إسناده ضعيف.

حمزة بن عتبة اللهبي، هو: ابن ابراهيم بن أبي خداش بن عتبة بن أبي لهب. ذكره ابن حجر في اللسان 360/ 2،وقال: لا يعرف.

1058 - إسناده ليّن.

عثمان بن ساج، فيه ضعف.

رواه ابن اسحاق في المغازي ص:26،عن ابن أبي نجيح به.
১০৫৬ - মুহাম্মাদ বিন আবি উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা তারই জন্য। যদি আপনি এটি আরোগ্য লাভের কামনায় পান করেন, তবে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করবেন। আর যদি আপনি এটি তৃষ্ণা মেটানোর জন্য পান করেন, তবে আল্লাহ আপনাকে পরিতৃপ্ত করবেন। সম্ভবত তিনি বলেছেন: যদি আপনি এটি পান করেন যেন তা আপনার তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়, তবে আল্লাহ তা মিটিয়ে দেবেন। আর যদি আপনি এটি ক্ষুধার কারণে পান করেন, তবে আল্লাহ আপনাকে তৃপ্ত করবেন। তিনি বলেন: এটি হলো ‘বাররাহ’ (উত্তম), এবং এটি জিবরাঈল আলাইহিস সালামের পায়ের গোড়ালি দিয়ে তৈরি করা গর্ত, এবং ইসমাইলের জন্য আল্লাহর দেওয়া পানীয়। এর নাম যমযম রাখা হয়েছে কারণ এটি ‘হাযমা’ থেকে উদ্ভূত, আর ‘হাযমা’ হলো মাটিতে পায়ের গোড়ালি দিয়ে দেওয়া আঘাত বা চাপ।

১০৫৭ - আয-যুবাইর বিন আবি বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হামযাহ বিন উতবাহ আল-লাহাবি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু লাহাবের মুক্তদাস সাঈদ যমযম সম্পর্কে এর বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করে বলেছেন:

যমযম তোমাদের জন্য এক বরকতময় কূপ … জ্ঞানময় কিতাবে এর বর্ণনা রয়েছে

যে চায় তার জন্য এটি উত্তম খাদ্য এবং যদি … তুমি রোগ থেকে আরোগ্য চাও, তবে এটি তোমাকে আরোগ্য দেবে

১০৫৮ - আবদুল্লাহ বিন ইমরান আল-মাখযুমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান বিন সাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন

--------------------------------------------

১০৫৬ - এর সনদ সহীহ।

আবদুর রাজ্জাক ৫/১১৮ এবং আল-আযরাকী ২/৫০ এটি বর্ণনা করেছেন, উভয়েই ইবনে উয়াইনাহ-এর সূত্রে। ইবনে হাজার ‘আল-ফাতহ’ ৩/৪৯৩ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং আস-সালিহী ‘সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ’ ১/২১০ গ্রন্থে সংক্ষেপে এটি উল্লেখ করেছেন এবং আল-ফাকিহী’র দিকে এর সম্বন্ধ করেছেন এবং বলেছেন: এর সনদ সহীহ।

১০৫৭ - এর সনদ যঈফ বা দুর্বল।

হামযাহ বিন উতবাহ আল-লাহাবি হলেন: ইবনে ইব্রাহিম বিন আবি খাদাশ বিন উতবাহ বিন আবু লাহাব। ইবনে হাজার ‘আল-লিসান’ ২/৩৬০ গ্রন্থে তাকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি পরিচিত নন।

১০৫৮ - এর সনদ শিথিল (লায়্যিন)।

উসমান বিন সাজ-এর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে।

ইবনে ইসহাক ‘আল-মাগাযী’ ২৬ পৃষ্ঠায় ইবনে আবি নাজিহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١١)
عبد الله بن أبي نجيح، عن مجاهد(1) أبي الحجاج انه قال: لم نزل نسمع ان زمزم هزمة جبريل بعقبه وسقيا الله اسماعيل.

1059 - وحدّثنا عبد الله بن عمران، قال: ثنا سعيد بن سالم، عن عثمان، قال: أخبرني محمد بن إسحاق، قال: وقد قالت صفية بنت عبد المطلب عمة رسول الله صلى الله عليه وسلم-ورضي الله عنها-:

نحن حفرنا للحجيج زمزما … شفاء سقم وطعام مطعما

ركضة جبريل ولمّا تعظما … سقيا نبيّ الله في المحرما

ابن خليل ربّنا المكرّما

 

‌‌ذكر

حفر عبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف زمزم

وتفسير أمره

1060 - حدّثنا عبد الله بن أبي سلمة، قال: ثنا حسان بن عباد، عن عبد الأعلى بن أبي المساور، قال: حدثنا عكرمة، عن ابن عباس-رضي الله

--------------------------------------------

1059 - إسناده منقطع.

1060 - إسناده متروك.

حسان بن عباد، قال ابن حجر في اللسان 190/ 2:يروى عن عبد الأعلى، وهو مجهول. وعبد الأعلى بن أبي المساور الكوفي، متروك، وكذّبه ابن معين. التقريب 465/ 1.

(1) في الأصل (عن مجاهد، قال: أبي الحجاج) ولفظة (قال) زائدة، لأن أبا الحجاج هو: مجاهد نفسه.
আবদুল্লাহ ইবনে আবি নাজিহ, মুজাহিদ(১) আবুল হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা সর্বদা এই কথাই শুনে আসছি যে, যমযম জিবরাঈলের গোড়ালি দ্বারা সৃষ্ট একটি গর্ত এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে ইসমাঈলকে প্রদত্ত পানীয়।

১০৫৯ - এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে সালিম, উসমান থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফুফু সাফিয়া বিনতে আবদুল মুত্তালিব—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—বলেছেন:

আমরা হাজীদের জন্য যমযম খনন করেছি … যা রোগের নিরাময় এবং আহারের খাদ্য

এটি জিবরাঈলের পদাঘাত এবং যখন এর মর্যাদা বৃদ্ধি পেল … এটি সম্মানিত পবিত্র স্থানে আল্লাহর নবীর পানীয়

আমাদের মহিমান্বিত রবের খলিলের পুত্র

 

‌‌বিবরণ

হাশিম ইবনে আবদে মানাফের পুত্র আবদুল মুত্তালিব কর্তৃক যমযম খনন

এবং এর ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

১০৬০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবি সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসসান ইবনে আব্বাদ, আবদিল আ’লা ইবনে আবিল মাসাওয়ার থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ, ইবনে আব্বাস—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—থেকে...

--------------------------------------------

১০৫৯ - এর সনদ বিচ্ছিন্ন।

১০৬০ - এর সনদ পরিত্যক্ত।

হাসসান ইবনে আব্বাদ, ইবনে হাজার 'আল-লিসান' (২/১৯০) গ্রন্থে বলেন: তিনি আবদিল আ’লা থেকে বর্ণনা করেন, আর তিনি অপরিচিত। এবং আবদিল আ’লা ইবনে আবিল মাসাওয়ার আল-কুফি পরিত্যক্ত, ইবনে মাঈন তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। আত-তাকরিব (১/৪৬৫)।

(১) মূলে আছে (মুজাহিদ থেকে, তিনি বলেন: আবুল হাজ্জাজ) এবং "তিনি বলেন" শব্দটি অতিরিক্ত, কারণ আবুল হাজ্জাজ স্বয়ং মুজাহিদ।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٢)
عنهما-قال: أتي عبد المطلب في المنام، فقيل له: احتفر؟ قال: ما احتفر؟ قال: برّة. قال: وما برّة؟ قال: مضنونة ضنّ بها عن الناس واعطيتموها. قال: وأتاه بنو عمه، فقال: إني رأيت في المنام، قيل لي:

احتفر، قلت: ما احتفر؟ قال: برّة. قلت: وما برّة؟ قال: مضنونة ضنّ بها عن الناس واعطيتموها. قالوا: أولا سألته؟ قال: فنام فأتي في المنام، فقيل:

احتفر. فقال: وما احتفر؟ قال احتفر زمزم. قال: وما زمزم؟ قال: لا تنزف(1) ولا تذم(2)،تسقي الحجيج الأعظم. قال: فانتبه فأخبرهم برؤياه.

قالوا: أفلا سألته أين موضعها؟ قال: فنام فأتي في المنام فقيل له: احتفر.

قال: وأين؟ قال: مسلك الذرّ(3)،وموضع الغراب، بين الفرث والدم.

قال: فاستيقظ فأخبرهم. قالوا: هذا موضع خزاعة ولا يدعونكم تحتفرون في موضع نصبهم. قال: وقد قالوا له في المنام: إنّ قومك يكونون عليك أول النهار ويكونون معك آخر النهار، قال: ولم يكن من ولده إلا الحارث بن عبد المطلب. قال: فأقبل هو والحارث يحفران، فحفرا، فاستخرجا غزالا من ذهب في أذنيه قرطان، ثم حفرا فاستخرجا/حلية ذهب وفضة. فقال بنو عمه: يا عبد المطلب أحد(4) قومك. قال: ثم حفرا فاستخرجا سيوفا ملفوفة في عباءة ثم حفرا فاستخرجا الماء، فقالوا لعبد المطلب: [إن لنا معك من هذا شركا وحقا](5) قال: نعم، ائتوني بثلاثة قداح أسود وأبيض وأحمر، فأتوه

--------------------------------------------

(1) أي: لا يفنى ماؤها.

(2) أي: لا تعاب. قال ابن الأثير في النهاية 169/ 2: أي، لا تعاب، أو لا تلفى مذمومة … وقيل: لا يوجد ماؤها قليلا، من قولهم: بئر ذمّة، إذا كانت قليلة الماء.

(3) أي: النمل.

(4) كذا في الأصل.

(5) سقطت من الأصل، وألحقناها من مغازي ابن اسحاق ص:27،وتهذيب السيرة لابن هشام 155/ 1.
তাদের (ইবনে আব্বাস) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন: আবদুল মুত্তালিবকে স্বপ্নে এসে বলা হলো: খনন করুন? তিনি বললেন: কী খনন করব? উত্তর দেওয়া হলো: বাররাহ (কল্যাণময়ী)। তিনি বললেন: বাররাহ কী? উত্তর দেওয়া হলো: এটি অত্যন্ত মূল্যবান ও সংরক্ষিত, যা মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং আপনাদের তা দান করা হয়েছে। তিনি বলেন: এরপর তাঁর চাচাতো ভাইয়েরা তাঁর কাছে এলে তিনি বললেন: আমি স্বপ্নে দেখেছি যে আমাকে বলা হয়েছে:

খনন করুন। আমি বললাম: কী খনন করব? উত্তর দেওয়া হলো: বাররাহ। আমি বললাম: বাররাহ কী? উত্তর দেওয়া হলো: এটি অত্যন্ত মূল্যবান ও সংরক্ষিত, যা মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং আপনাদের তা দান করা হয়েছে। তাঁরা বললেন: আপনি কি তাঁকে জিজ্ঞেস করেননি (তা কী)? তিনি বলেন: এরপর তিনি ঘুমালেন এবং স্বপ্নে পুনরায় তাঁর কাছে আসা হলো এবং বলা হলো:

খনন করুন। তিনি বললেন: কী খনন করব? উত্তর দেওয়া হলো: জমজম খনন করুন। তিনি বললেন: জমজম কী? উত্তর দেওয়া হলো: এর পানি কখনও ফুরিয়ে যাবে না(১) এবং এর নিন্দা করা যাবে না(২), এটি মহান হাজীদের পানি পান করাবে। তিনি বলেন: এরপর তিনি জাগ্রত হয়ে তাঁদেরকে নিজের স্বপ্নের কথা জানালেন।

তাঁরা বললেন: আপনি কি তাঁকে জিজ্ঞেস করেননি এর স্থান কোথায়? তিনি বলেন: এরপর তিনি ঘুমালেন এবং স্বপ্নে তাঁর কাছে আসা হলো এবং তাঁকে বলা হলো: খনন করুন।

তিনি বললেন: আর কোথায় (খনন করব)? উত্তর দেওয়া হলো: পিঁপড়াদের চলাচলের পথে(৩) এবং কাকের অবস্থানের স্থানে, গোবর ও রক্তের মাঝখানে।

তিনি বলেন: এরপর তিনি জাগ্রত হয়ে তাঁদেরকে বিষয়টি জানালেন। তাঁরা বললেন: এটি তো খুযাআহ গোত্রের এলাকা, তাঁরা আপনাদের তাঁদের মূর্তির জায়গায় খনন করতে দেবে না। তিনি বলেন: তাঁকে স্বপ্নে এও বলা হয়েছিল: দিনের শুরুতে আপনার কওম আপনার বিরুদ্ধে থাকবে এবং দিনের শেষে তারা আপনার সাথে থাকবে। তিনি বলেন: তখন তাঁর সন্তান বলতে কেবল হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিব ছাড়া আর কেউ ছিল না। তিনি বলেন: এরপর তিনি ও হারিস খনন করতে শুরু করলেন। তাঁরা খনন করার পর কানের দুল পরিহিত সোনার একটি হরিণ বের করে আনলেন। এরপর তাঁরা আরও খনন করলেন এবং সোনা ও রূপার অলঙ্কার বের করে আনলেন। তখন তাঁর চাচাতো ভাইয়েরা বললেন: হে আবদুল মুত্তালিব, আপনার কওমের মধ্য থেকে কেউ একজন(৪)। তিনি বলেন: এরপর তাঁরা আরও খনন করে একটি চাদরে মোড়ানো তলোয়ারসমূহ বের করে আনলেন। এরপর তাঁরা খনন করে পানি বের করে আনলেন। তখন তাঁরা আবদুল মুত্তালিবকে বললেন: [নিশ্চয়ই এতে আমাদেরও আপনার সাথে অংশ ও অধিকার রয়েছে](৫)। তিনি বললেন: হ্যাঁ, তোমরা আমার কাছে তিনটি তীরের বাণ নিয়ে এসো—কালো, সাদা এবং লাল। তাঁরা তাঁর কাছে তা নিয়ে এলেন।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: এর পানি নিঃশেষ হবে না।

(২) অর্থাৎ: এর দোষ ধরা যাবে না। ইবনুল আসির 'আন-নিহায়া' ২/১৬৯-এ বলেছেন: অর্থাৎ, একে নিন্দিত করা যাবে না, অথবা একে নিন্দনীয় পাওয়া যাবে না... এবং বলা হয়েছে: এর পানি কম পাওয়া যাবে না, যা তাদের কথা 'বি'রুন জিম্মাহ' (অল্প পানির কূপ) থেকে এসেছে, যখন কূপের পানি কম থাকে।

(৩) অর্থাৎ: পিঁপড়া।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এমনই রয়েছে।

(৫) এটি মূল পাঠে ছিল না, আমরা এটি ইবনে ইসহাকের 'মাগাজি' পৃষ্ঠা: ২৭ এবং ইবনে হিশামের 'তাহজিবুস সিরাহ' ১/১৫৫ থেকে যুক্ত করেছি।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٣)
بثلاثة قداح فجعل لهم الأسود، وجعل الأحمر للبيت، والأبيض له، ثم اقرع بينهم، فأصاب الحلية البيت، وأصابته السيوف، وأصاب قومه الغزال، فنذر يومئذ نذرا: لئن ولد لي عشرة لانحرن أحدهم، فولد له عشرة فاقرع بينهم، فوقع على عبد الله أبي محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم اقرع ثانية، فوقع على عبد الله، ثم اقرع الثالثة، فوقع على عبد الله، فأراد أن ينحره، فأتاه بنو محزوم-أخواله-فقالوا: تعمد إلى ابن اختنا فتنحره من بين ولدك؟ فقال:

قد اقرعت بينه وبين اخوته فوقع السهم عليه ثلاث مرات، قالوا: فافده.

قال: ففداه بمائة من الإبل. قال عكرمة: فمن ثم دية الناس اليوم مائة من الإبل.

1061 - حدّثنا ابن أبي سلمة، قال: ثنا يعقوب بن إبراهيم، وعبد العزيز، عن ابراهيم بن سعد، عن الزهري، عن قبيصة بن ذؤيب، عن ابن عباس-رضي الله عنهما-قال: نذر عبد المطلب أن ينحر ابنه، ففداه بمائة من الإبل.

1062 - حدّثنا حسين بن حسن، عن يحيى بن سعيد القطان، عن ابن حرملة، عن سعيد بن المسيّب قال: ثم ان عبد المطلب أرى في المنام احفر زمزم لا تنزف ولا تذم تروى الحجيج الأعظم، ثم أرى مرّة: احفر الروا، اعطيتها على رغم أنف العدا. ثم أرى مرة أخرى: احفر المضنونة ضنّ بها عن

--------------------------------------------

1061 - شيخ المصنّف لم أقف عليه، وبقية رجاله ثقات.

وعبد العزيز، هو: ابن أبي سلمة بن عبيد الله العمري.

1062 - إسناده حسن إلى سعيد بن المسيّب.

أورده الحربي في المناسك ص:485 بألفاظ مقاربة.
তিনটি তীরের মাধ্যমে; তিনি কালোটি তাদের জন্য, লালটি বাইতুল্লাহর জন্য এবং সাদাটি নিজের জন্য নির্ধারণ করলেন। এরপর তিনি তাদের মাঝে লটারি করলেন, তখন অলঙ্কারাদি বাইতুল্লাহর ভাগে পড়ল, তলোয়ারগুলো তার ভাগে পড়ল এবং তার কওম হরিণটি পেল। সেদিন তিনি মানত করলেন: যদি আমার দশটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়, তবে আমি তাদের একজনকে কোরবানি করব। অতঃপর তার দশটি সন্তান জন্ম নিল এবং তিনি তাদের মাঝে লটারি করলেন। লটারির তীরটি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিতা আবদুল্লাহর নামে উঠল। এরপর তিনি দ্বিতীয়বার লটারি করলেন, আবারও আবদুল্লাহর নামে উঠল। এরপর তিনি তৃতীয়বার লটারি করলেন, আবারও আবদুল্লাহর নামেই উঠল। তখন তিনি তাকে কোরবানি করার ইচ্ছা করলেন। তখন তার মামার বংশ বনু মাখজুম তার নিকট এসে বলল: আপনি কি আপনার সন্তানদের মধ্য থেকে আমাদের ভাগিনাকে নির্দিষ্ট করে কোরবানি করবেন? তিনি বললেন:

আমি তার এবং তার ভাইদের মাঝে লটারি করেছি এবং তিনবারই তীর তার নামেই উঠেছে। তারা বলল: তাহলে তার পক্ষ থেকে মুক্তিপণ দিন।

তিনি বললেন: অতঃপর তিনি একশত উট দিয়ে তার মুক্তিপণ দিলেন। ইকরামা বলেন: তখন থেকেই মানুষের রক্তপণ (দিয়ত) একশত উট ধার্য হয়েছে।

১০৬১ - ইবনে আবি সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ও আবদুল আজিজ আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে সাদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি কাবিদাহ ইবনে জুয়াইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল মুত্তালিব তার পুত্রকে কোরবানি করার মানত করেছিলেন, অতঃপর তিনি একশত উট দিয়ে তার মুক্তিপণ প্রদান করেন।

১০৬২ - হুসাইন ইবনে হাসান আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান থেকে, তিনি ইবনে হারমালাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: অতঃপর আবদুল মুত্তালিবকে স্বপ্নে দেখানো হলো যে, তুমি জমজম খনন করো, যার পানি কখনও শেষ হবে না এবং যা নিন্দিত হবে না, যা মহান হাজীদের তৃষ্ণা মেটাবে। এরপর তাকে পুনরায় দেখানো হলো: তুমি আরওয়া খনন করো, যা শত্রুদের নাসিকা ধূলিসাৎ করে তোমাকে দান করা হয়েছে। এরপর তাকে পুনরায় দেখানো হলো: তুমি মাদনুনা খনন করো, যা অন্যদের থেকে কৃপণতাবশত গোপন রাখা হয়েছে...

--------------------------------------------

১০৬১ - গ্রন্থকারের উস্তাদ সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি, তবে অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

আর আবদুল আজিজ হলেন: ইবনে আবি সালামাহ ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-উমারি।

১০৬২ - এর সনদ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব পর্যন্ত হাসান।

আল-হারবি এটি 'আল-মানাসিক' গ্রন্থের ৪৮৫ পৃষ্ঠায় কাছাকাছি শব্দাবলীতে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٤)
الناس إلا عنك، ثم أرى مرة أخرى: احفر تكتم(1)،بين فرث ودم، عند الأنصاب الحمر، في قرية النمل. قال: فاصبح فحفر حيث أرى فاستهترت به قريش، فلما نزل عن الطي جاءت قريش ليحفروا معه، فمنعهم فلما أنبط وجد غزالا من ذهب، وسيفا وحلية، فضرب عليها بالسهام ألي أم للبيت؟ فخرج سهم البيت، فكان أول حلي حليته الكعبة، فجعل حوضا للشراب، وحوضا للوضوء، وقال: اللهم اني لا أحلها لمغتسل، وهي لشاربها حل وبل(2)، فروى الناس، فحسدته قريش، فطفقوا يحفرون الحوض ويغتسلون فيها، فما يغتسل منه أحد إلا حصب أو جدر، ولا يكسر حوضه أحد إلا ألقى في يده أو رجله حتى تركوه فرقا.

1063 - حدّثنا حسين بن حسن، قال: أنا عمرو بن عثمان الكلابي، قال: ثنا زهير أبو خيثمة، قال: ثنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس-رضي الله عنهما-قال: إنّ عبد المطلب رأى في المنام أن أحفر برة، فأصبح مهموما برؤياه، حتى إذا كانت الليلة الثانية قيل له:

احفر برة، شراب الأبرار، فأصبح مهموما بما رأى، فلما كانت الليلة الثالثة أتى فقيل له: احفر زمزم لا تنزف ولا تذّم، بين الفرث والدم، اغد بكرة فسترى على الآلهة-يعني أصنام كفار قريش-فرثا يبحثه غراب. قال: فغدا فإذا هو بغراب يبحث فرثا/فحفر فإذا هو بالحسى، فنثلها، فوجد فيها أسيافا

--------------------------------------------

1063 - إسناده ضعيف.

عمر بن عثمان الكلابي: ضعيف. كما في التقريب 74/ 2.وزهير، هو: ابن معاوية الجعفي.

(1) تكتم-بضم أوله-قال الزبيدي في التاج 139/ 9:سميت بذلك لأنها كانت اندفنت بعد جرهم، فصارت مكتومة حتى أظهرها عبد المطلب.

(2) حلّ، أي: حلال، وبلّ، أي: مباح، وقيل: شفاء من قولهم: بلّ من مرضه، وأبلّ. أنظر النهاية 154/ 1.
মানুষের কাছে গোপন, কিন্তু তোমার কাছে নয়। এরপর পুনরায় দেখলাম: ‘তুমি তুকতুম(১) খনন করো, যা গোবর ও রক্তের মধ্যবর্তী স্থানে, লাল মূর্তিসমূহের নিকটে, পিঁপড়াদের জনপদে অবস্থিত।’ তিনি বললেন: অতঃপর ভোর হলে তিনি সেই স্থানেই খনন করলেন যা স্বপ্নে দেখেছিলেন। এতে কুরাইশরা তাকে উপহাস করতে লাগল। যখন তিনি কূপের প্রাচীর পর্যন্ত পৌঁছালেন, তখন কুরাইশরা তার সাথে খননকাজে অংশ নিতে চাইল। কিন্তু তিনি তাদের বাধা দিলেন। যখন তিনি পানি বের করলেন, তখন স্বর্ণের হরিণ, তরবারি এবং অলঙ্কারাদি খুঁজে পেলেন। এরপর তিনি তীরের মাধ্যমে লটারি করলেন যে, এগুলো কি আমার প্রাপ্য হবে নাকি কাবার? লটারিতে কাবার তীরটি বের হয়ে এল। ফলে এটাই ছিল কাবার প্রথম অলঙ্কার যা দিয়ে কাবাকে সজ্জিত করা হয়েছিল। এরপর তিনি পান করার জন্য একটি চৌবাচ্চা এবং ওযুর জন্য একটি চৌবাচ্চা তৈরি করলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহ! আমি গোসলকারীর জন্য একে বৈধ করছি না, তবে এটি পানকারীর জন্য হালাল এবং রোগমুক্তির কারণ(২)। ফলে লোকজন তৃষ্ণা মেটাল। এতে কুরাইশরা তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ল এবং তারা চৌবাচ্চাটি নষ্ট করতে ও সেখানে গোসল করতে শুরু করল। কিন্তু যে কেউ সেখানে গোসল করত, সে-ই চর্মরোগ বা বসন্ত রোগে আক্রান্ত হতো। আর যে কেউ তার চৌবাচ্চাটি ভাঙত, সে-ই তার হাতে বা পায়ে আঘাত পেত। শেষ পর্যন্ত তারা আতঙ্কে তা বর্জন করল।

১০৬৩ - আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে উসমান আল-কিলাবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট জুহাইর আবু খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আব্দুল মুত্তালিব স্বপ্নে আদিষ্ট হলেন যে, ‘বাররাহ খনন করো’। সকালে তিনি তার স্বপ্ন নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যখন দ্বিতীয় রাত এলো, তাকে বলা হলো: ‘বাররাহ খনন করো, যা পুণ্যবানদের পানীয়’। সকালে তিনি যা দেখেছিলেন তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যখন তৃতীয় রাত এল, তখন তার কাছে এক আগন্তুক এসে বলল: ‘যমযম খনন করো, যার পানি কখনো ফুরাবে না এবং যার নিন্দা করা হবে না। এটি গোবর ও রক্তের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ভোরে তুমি মূর্তিসমূহের (অর্থাৎ কুরাইশ কাফিরদের মূর্তিসমূহ) কাছে যাবে এবং সেখানে গোবর দেখতে পাবে যা একটি কাক খুঁড়ছে।’ তিনি বললেন: অতঃপর তিনি ভোরে গেলেন এবং দেখলেন একটি কাক গোবর খুঁড়ছে। তখন তিনি খনন করলেন এবং পানির স্তর খুঁজে পেলেন। তিনি মাটি সরিয়ে ফেললেন এবং সেখানে কিছু তরবারি পেলেন।

--------------------------------------------

১০৬৩ - এর সনদ দুর্বল।

আমর ইবনে উসমান আল-কিলাবি: দুর্বল। যেমনটি আত-তাকরীব ২/৭৪-এ রয়েছে। আর জুহাইর হলেন: ইবনে মুয়াবিয়া আল-জু’ফি।

(১) তুকতুম - প্রথম অক্ষরে পেশসহ। যুবাইদি ‘তাজ’ গ্রন্থে ৯/১৩৯-এ বলেছেন: একে এই নামে নামকরণ করা হয়েছে কারণ জুরহুম গোত্রের পর এটি চাপা পড়ে গিয়েছিল। ফলে এটি আব্দুল মুত্তালিব কর্তৃক পুনআবিষ্কৃত হওয়া পর্যন্ত গোপন (তুকতুম) ছিল।

(২) ‘হিল্লুন’ অর্থ হালাল, এবং ‘বিল্লুন’ অর্থ বৈধ। কেউ কেউ বলেছেন এর অর্থ আরোগ্য বা সুস্থতা; যেমনটি তাদের কথা থেকে পাওয়া যায়: সে তার রোগ থেকে সুস্থ হয়েছে। দেখুন: আন-নিহায়া ১/১৫৪।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٥)
وغزالا من ذهب، فأما الأسياف، فضربت على باب الكعبة، وعلق الغزال في بطنها.

1064 - حدّثني عبد الله بن عمرو بن أبي سعد، قال: ثنا أحمد بن القاسم، قال: ثنا محمد بن عيسى القطان، قال: حدّثني أبو محمد الأنصاري، قال: لما احتفر عبد المطلب زمزم أصاب فيها أحجارا في حجر منها (ويل للعرب من شر قد اقترب).وعلى الآخر:

لم تبق مكرمة يعتدّها أحد … إلاّ التّكاثر أذهاب وأوراق

وفي الثالث:

بالدّهر قد خلا عجبه … دهر يحوّل رأسه ذنبه

دهر تداوله الإماء فأصبحت … ترضى بملء بطونها عربه

قال: فرّقه ابن الزبعرى فقدّم قافية وأخرّ أخرى فقال:

لم تبق مكرمة يعتّدها أحد … إلا التكاثر أوراق واذهاب

1065 - حدّثني عبد الله بن عمران المخزومي، قال: ثنا سعيد بن سالم القدّاح، قال: قال عثمان-يعني ابن ساج-:أخبرني محمد بن إسحاق، قال: إنّ عبد المطلب بن هاشم بينما هو نائم في الحجر أتي فأمر بحفر زمزم وهي دفن بين صنمي قريش إساف ونائلة عند منحر قريش، وكانت جرهم دفنتها حين ظعنوا من مكة، وهي بئر اسماعيل التي سقاه الله حين ظمئ وهو صغير،

--------------------------------------------

1064 - شيخ المصنّف ثقة، ترجمه الخطيب في تاريخه 25/ 10،وبقية رجال السند لم أعرفهم.

1065 - في إسناده لين.

عثمان بن ساج فيه ضعف. أنظر التقريب 13/ 2.

ذكره ابن هشام في السيرة 158/ 1 بمعناه مختصرا.
এবং একটি স্বর্ণের হরিণ। আর তরবারিগুলোর কথা বলতে গেলে, সেগুলো কাবার দরজায় লাগানো হয়েছিল এবং হরিণটি তার পেটের (অভ্যন্তরের) দিকে ঝোলানো হয়েছিল।

১০৬৪ - আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আবি সাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আল-কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু মুহাম্মাদ আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মুত্তালিব যখন জমজম খনন করলেন, তখন সেখানে তিনি কিছু পাথর পেলেন। তার একটি পাথরে লেখা ছিল: (নিকটবর্তী এক অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য)। এবং অপরটিতে লেখা ছিল:

কোনো সম্মানজনক কাজ অবশিষ্ট নেই যা কেউ গণনা করবে … কেবল প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা, স্বর্ণ এবং রৌপ্য ব্যতীত

এবং তৃতীয়টিতে লেখা ছিল:

সময়ের বিস্ময় বিগত হয়েছে … এমন এক সময় যা তার মস্তককে পুচ্ছে পরিণত করে দেয়

এমন এক সময় যা দাসীরা ভোগ করছে, ফলে আরবরা … তাদের পেট পুরে আহার করেই সন্তুষ্ট থাকছে

তিনি বলেন: ইবনুয যিবায়রা এটিকে ভিন্নভাবে বিন্যস্ত করেছেন, তিনি একটি অন্ত্যমিল আগে দিয়েছেন এবং অন্যটি পরে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:

কোনো সম্মানজনক কাজ অবশিষ্ট নেই যা কেউ গণনা করবে … কেবল প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা, রৌপ্য এবং স্বর্ণ ব্যতীত

১০৬৫ - আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-মাখজুমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে সালিম আল-কাদ্দাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান—অর্থাৎ ইবনে সাজ—বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম যখন হিজর-এ ঘুমাচ্ছিলেন, তখন তাঁর নিকট এক আগন্তুক এলেন এবং তাঁকে জমজম খননের নির্দেশ দেওয়া হলো। এটি কুরাইশদের দুই মূর্তি ইসাফ ও নাইলার মাঝে কুরাইশদের পশু জবাই করার স্থানের নিকট চাপা পড়ে ছিল। জুরহুম গোত্র যখন মক্কা ত্যাগ করে চলে যায়, তখন তারা এটি মাটি চাপা দিয়ে দিয়েছিল। এটি সেই ইসমাইলের কূপ যা দিয়ে আল্লাহ তাকে পান করিয়েছিলেন যখন তিনি ছোট অবস্থায় পিপাসার্ত হয়েছিলেন।

--------------------------------------------

১০৬৪ - গ্রন্থকারের শাইখ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), আল-খাতিব তাঁর 'তারিখ' গ্রন্থে ১০/ ২৫-এ তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন। আর সনদের অবশিষ্ট ব্যক্তিদের আমি চিনি না।

১০৬৫ - এর সনদে দুর্বলতা রয়েছে।

উসমান ইবনে সাজ-এর মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। দেখুন: আত-তাকরিব ২/ ১৩।

ইবনে হিশাম তাঁর 'সিরাত' গ্রন্থে ১/ ১৫৮-এ সংক্ষেপে একই অর্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٦)
فلما حفرها عبد المطلب دلّه الإله عليها وخصّه بها، زاده الله بها شرفا وحظّا في قومه، وعطّلت كل سقاية كانت بمكة حين ظهرت، فأقبل الناس عليها التماس بركتها ومعرفة فضلها بمكانها من البيت وانها سقيا الله-عز وجل -لاسماعيل ابن خليله ابراهيم-عليهما الصلاة والسلام-.

وكان أول ما ابتدئ به عبد المطلب من أمرها وهو نائم في الحجر كما حدّثني يزيد بن أبي حبيب المصري، عن [مرثد](1) بن عبد الله اليزني، عن عبد الله بن زرير الغافقي، قال: إنّه سمع علي بن أبي طالب-رضي الله عنه يحدّث حديث زمزم حين أمر عبد المطلب بحفرها، قال: قال عبد المطلب:

إني لنائم في الحجر إذ أتاني آت، فقال: احفر طيبة. فقلت: وما طيبة؟ ثم ذهب عني، فرجعت إلى مضجعي، فنمت الغد، فجاءني، فقال: احفر برّة. قلت: وما برّة؟ ثم ذهب عني، فلما كان الغد رجعت إلى مضجعي، فنمت، فجاءني، فقال: احفر زمزم. قال: قلت: وما زمزم؟ قال: لا تنزف ولا تذمّ، تسقي الحجيج الأعظم، وهي بين الفرث والدم، عند نقرة الغراب الأعصم(2)،عند قرية النّمل. قال: فلما تبيّن له شأنها ودلّ على موضعها، وعرف أنه صدق، غدا بمعوله، ومعه الحارث بن عبد المطلب، ليس معه ولد غيره، فلما بدا لعبد المطلب الطّوي كبّر، فعرفت قريش أنه قد أدرك حاجته قاموا، وقالوا: يا عبد المطلب ميراثنا من أبينا اسماعيل، وإنّ لنا فيها شركا فأشركنا معك فيها. قال [ما أنا بفاعل](3) إنّ هذا أمر خصصت به دونكم وأعطيته من بينكم. قالوا: فأنصفنا فانّا غير تاركيك حتى نحاكمك

--------------------------------------------

(1) في الأصل (يزيد) وهو تصحيف.

(2) الأعصم من الغربان: الذي في جناحيه بياض، وقيل: غير ذلك أنظر الروض الأنف 114/ 2.

(3) في الأصل (قالوا: فأما نعالج)،والتصويب من سيرة ابن هشام، وغيره. وفي مغازي ابن اسحاق (فقال: ما هي لكم).
যখন আব্দুল মুত্তালিব এটি খনন করলেন, তখন ইলাহ তাঁকে এর সন্ধান দিলেন এবং তাঁকে এর মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করলেন। আল্লাহ এর দ্বারা তাঁর জাতির মধ্যে তাঁর মর্যাদা ও সৌভাগ্য বাড়িয়ে দিলেন। যখন এটি প্রকাশিত হলো, তখন মক্কায় প্রচলিত অন্যান্য সকল পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রহিত হয়ে গেল। মানুষ এর বরকত লাভের আশায় এবং বায়তুল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার কারণে এর শ্রেষ্ঠত্ব অনুধাবন করে এর দিকে ধাবিত হলো। আর এটি ছিল মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর খলীল ইবরাহীম ও তাঁর পুত্র ইসমাঈল—তাঁদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক—এর জন্য পানীয়ের ব্যবস্থা।

জমজমের খনন কার্যে আব্দুল মুত্তালিবের প্রথম যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল তা হলো, তিনি হিজর-এ ঘুমানো অবস্থায় ছিলেন। যেমনটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে আবি হাবীব আল-মিসরি, তিনি [মারসাদ](১) ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়াযানী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে যুরার আল-গাফেকী থেকে। তিনি বলেন: তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে জমজমের সেই বর্ণনা দিতে শুনেছেন যখন আব্দুল মুত্তালিবকে এটি খনন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন: আব্দুল মুত্তালিব বলেছিলেন:

আমি হিজর-এ ঘুমানো ছিলাম, এমন সময় একজন আগন্তুক আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: ‘তৈয়বা’ খনন করো। আমি বললাম: তৈয়বা কী? তারপর তিনি চলে গেলেন। পুনরায় আমি আমার বিছানায় ফিরে আসলাম এবং পরের দিন ঘুমালাম। তিনি আবার আসলেন এবং বললেন: ‘বাররাহ’ খনন করো। আমি বললাম: বাররাহ কী? তারপর তিনি চলে গেলেন। পরের দিন আবার আমি আমার বিছানায় ফিরে ঘুমালাম। তিনি আসলেন এবং বললেন: ‘জমজম’ খনন করো। তিনি বলেন: আমি বললাম: জমজম কী? তিনি বললেন: এর পানি কখনও ফুরাবে না এবং এর নিন্দা করা যাবে না। এটি মহান হাজীদের তৃষ্ণা নিবারণ করবে। এটি গোবর ও রক্তের মধ্যস্থলে, সাদা ডানাবিশিষ্ট কাকের(২) ঠোকর দেওয়ার স্থানে, পিঁপড়াদের আস্তানার নিকট অবস্থিত। তিনি বলেন: যখন তাঁর কাছে এর গুরুত্ব স্পষ্ট হলো এবং এর স্থানের সন্ধান দেওয়া হলো, আর তিনি নিশ্চিত হলেন যে এটি সত্য, তখন পরদিন সকালে তিনি তাঁর কোদাল নিয়ে বের হলেন। তাঁর সাথে তাঁর পুত্র হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ছিলেন, তখন তিনি ছাড়া তাঁর আর কোনো সন্তান ছিল না। যখন আব্দুল মুত্তালিবের সামনে কূপের চিহ্ন প্রকাশ পেল, তখন তিনি তাকবীর ধ্বনি দিলেন। কুরাইশরা বুঝতে পারল যে তিনি তাঁর কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়ে গেছেন। তারা উঠে দাঁড়াল এবং বলল: হে আব্দুল মুত্তালিব, এটি আমাদের পিতা ইসমাঈলের উত্তরাধিকার। এতে আমাদেরও অংশ রয়েছে, তাই আমাদেরও তোমার সাথে এতে শরিক করো। তিনি বললেন: [আমি তা করব না](৩)। এটি এমন এক বিষয় যা তোমাদের বাদ দিয়ে কেবল আমাকেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে এবং তোমাদের মধ্য থেকে আমাকেই এটি দান করা হয়েছে। তারা বলল: আমাদের সাথে ইনসাফ করো, আমরা তোমাকে ছেড়ে দেব না যতক্ষণ না এ বিষয়ে আমরা বিচার প্রার্থনা করি।

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে (ইয়াযীদ) রয়েছে যা একটি লিপিকর প্রমাদ।

(২) কাকের মধ্যে ‘আ’সাম’ বলা হয় যার দুই ডানায় শুভ্রতা বা সাদা চিহ্ন রয়েছে। অন্য মতও রয়েছে; দেখুন: আর-রওদুল উনুফ ২/১১৪।

(৩) মূল পাঠে রয়েছে (তারা বলল: তবে কি আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব), এবং সঠিক পাঠ ইবনে হিশামের সীরাত ও অন্যান্য গ্রন্থ অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে। আর ইবনে ইসহাকের ‘মাগাযী’ গ্রন্থে রয়েছে (তিনি বললেন: এটি তোমাদের জন্য নয়)।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٧)
فيها، قال: فاجعلوا بيني وبينكم من شئتم، اخاصمكم إلى كاهنة بني سعد ابن هذيم؟ قالوا: نعم/وكانت بأشراف الشام، فركب عبد المطلب في نفر من بني أبيه من بني عبد مناف، وركب من كل قبيلة نفر. قال: والأرض إذ ذاك مفاوز، فخرجوا حتى إذا كانوا ببعض المفاوز بين الحجاز والشام فني ماء عبد المطلب وأصحابه وظمئوا حتى أيقنوا بالهلكة، فاستسقوا من معهم من قبائل قريش فأبوا عليهم، وقالوا: إنا بمفاوز ونحن نخشى على أنفسنا مثل ما أصابكم، فلما رأى عبد المطلب ما صنع القوم تخوّف على نفسه وأصحابه، وقال: ماذا ترون؟ قالوا: ما رأينا الا تبع لرأيك، فمرنا بما شئت، قال:

فإني أرى أن يحفر كل رجل منكم حفرة لنفسه بما بكم الآن من القوة، فكلما مات رجل دفعه أصحابه في حفرته وواروه حتى يكون آخركم رجلا، فضيعة رجل واحد أيسر من ضيعة ركب جميعا. قالوا: نعم ما أمرتنا به. فقام كلّ رجل منهم فحفر حفرة له، ثم قعدوا ينتظرون الموت عطشا. ثم إن عبد المطلب قال لأصحابه: والله إنّ إلقاءنا بأيدينا هلكا(1) للموت لا نضرب في الأرض ونستبق أنفسنا لعجز، فعسى الله-تعالى-أن يرزقنا ماء ببعض البلاد، ارتحلوا، فارتحلوا حتى فرغوا، ومن معهم من قبائل قريش ينظرون إليهم ما هم فاعلون، تقدم عبد المطلب إلى راحلته فركبها فلما انبعثت به انفجر من تحت خفها عين من ماء عذب، فكبّر عبد المطلب، وكبّر أصحابه، ثم نزل فشرب وشرب أصحابه، واستقوا حتى ملأوا أسقيتهم، ثم دعا القبائل من قريش، فقال: هلم إلى الماء، فقد سقانا الله فاشربوا واسقوا، فشربوا، ثم قالوا: والله لقد قضي لك علينا يا عبد المطلب، والله لا نخاصمك في زمزم أبدا، إنّ الذي أسقاك هذا الماء بهذه الفلاة لهو سقاك زمزم، فارجع إلى سقايتك. وإنه بداله، فرجع ورجعوا، ولم يصلوا إلى الكاهنة، وخلّوا بينه وبينها.

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل، وعند ابن هشام (هكذا).
সে বিষয়ে তিনি বললেন: তোমরা চাইলে আমাদের মধ্যে ফয়সালার জন্য যাকে ইচ্ছা নির্ধারণ করো। আমি কি বনু সাদ ইবনে হুযাইমের নারী গণকের কাছে তোমাদের বিরুদ্ধে বিচার নিয়ে যাব? তারা বলল: হ্যাঁ। সেই নারী সিরিয়ার উচ্চভূমিতে বসবাস করতেন। ফলে আব্দুল মুত্তালিব তাঁর পিতার বংশ বনু আব্দে মানাফের একদল লোক নিয়ে সওয়ার হলেন এবং অন্যান্য প্রত্যেক গোত্র থেকেও একদল করে লোক সওয়ার হলো। বর্ণনাকারী বলেন: সে সময় ভূখণ্ডটি ছিল জনহীন মরুপ্রান্তর। তারা পথ চললেন যতক্ষণ না হিজাজ ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী কোনো এক মরুপ্রান্তরে পৌঁছালেন। সেখানে আব্দুল মুত্তালিব ও তাঁর সাথীদের পানি শেষ হয়ে গেল এবং তারা তৃষ্ণায় এমন কাতর হলেন যে নিজেদের ধ্বংস অনিবার্য মনে করলেন। তারা তাদের সাথে থাকা কুরাইশের অন্যান্য গোত্রগুলোর কাছে পানি চাইলেন, কিন্তু তারা তা দিতে অস্বীকার করল। তারা বলল: আমরা জনশূন্য প্রান্তরে আছি এবং আমরা আমাদের নিজেদের ব্যাপারে তেমন আশঙ্কাই করছি যা আপনাদের ওপর আপতিত হয়েছে। আব্দুল মুত্তালিব যখন দেখলেন যে তারা কী আচরণ করল, তখন তিনি নিজের ও তাঁর সাথীদের জন্য আশঙ্কিত হলেন। তিনি বললেন: তোমাদের অভিমত কী? তারা বলল: আমরা কেবল আপনার মতেরই অনুসারী, আপনি আমাদের যা ইচ্ছা নির্দেশ দিন। তিনি বললেন:

আমি মনে করি যে, তোমাদের প্রত্যেকের এখন যতটুকু শক্তি আছে তা দিয়ে নিজের জন্য একটি করে গর্ত খুঁড়ে নেওয়া উচিত। যখনই কোনো ব্যক্তি মারা যাবে, তার সাথীরা তাকে তার কবরে ঠেলে দেবে এবং তাকে ঢেকে দেবে, এভাবে সর্বশেষ ব্যক্তিটি অবশিষ্ট থাকবে। কারণ একজন ব্যক্তির বিলুপ্তি পুরো কাফেলার বিলুপ্তির চেয়ে সহজতর। তারা বলল: আপনি আমাদের যা নির্দেশ দিয়েছেন তা অতি উত্তম। তখন তাদের প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে নিজের জন্য গর্ত খনন করল, অতঃপর তারা তৃষ্ণায় মৃত্যুর প্রতীক্ষায় বসে রইল। এরপর আব্দুল মুত্তালিব তাঁর সাথীদের বললেন: আল্লাহর কসম, কোনো চেষ্টা না করে এভাবে অক্ষম হয়ে নিজেদের হাতে নিজেদের ধ্বংসের(১) মুখে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়। বরং আমরা জমিনে বিচরণ করি, হয়তো আল্লাহ তাআলা কোনো এক জনপদে আমাদের পানির রিজিক দান করবেন; চলো যাত্রা করি। অতঃপর তারা যাত্রা শুরু করলেন। কুরাইশের গোত্রসমূহ যারা তাদের সাথে ছিল, তারা লক্ষ্য করছিল তারা কী করে। আব্দুল মুত্তালিব তাঁর উটের দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সেটির ওপর সওয়ার হলেন। যখন উটটি তাঁকে নিয়ে উঠে দাঁড়াল, তখন সেটির পায়ের নিচ থেকে সুপেয় পানির একটি ঝরনা বিচ্ছুরিত হলো। তখন আব্দুল মুত্তালিব তাকবির ধ্বনি দিলেন এবং তাঁর সাথীরাও তাকবির ধ্বনি দিলেন। এরপর তিনি নিচে নামলেন এবং পানি পান করলেন, তাঁর সাথীরাও পান করল। তারা তাদের পানির পাত্রগুলো পূর্ণ করে পানি সংগ্রহ করল। এরপর তিনি কুরাইশের গোত্রগুলোকে ডাকলেন এবং বললেন: তোমরা পানির দিকে এসো, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের পানি পান করিয়েছেন, সুতরাং তোমরা পান করো এবং পানি সংগ্রহ করো। তারা পান করল। এরপর তারা বলল: আল্লাহর কসম, হে আব্দুল মুত্তালিব, আমাদের বিপক্ষে আপনার অনুকূলে ফয়সালা হয়ে গেছে। আল্লাহর কসম, আমরা জমজম নিয়ে আর কখনোই আপনার সাথে বিবাদ করব না। যিনি এই জনহীন প্রান্তরে আপনাকে এই পানি পান করিয়েছেন, তিনিই আপনাকে জমজম দান করেছেন। সুতরাং আপনি আপনার পানি সরবরাহের দায়িত্বে ফিরে যান। এরপর তাঁর নিকট বিষয়টি স্পষ্ট হলো, ফলে তিনি ফিরে এলেন এবং তারাও ফিরে এল। তারা আর সেই নারী গণকের কাছে পৌঁছাল না এবং তাঁর ও জমজমের মধ্যে তারা কোনো বাধা রাখল না।

--------------------------------------------

(১) মূলে এভাবেই আছে, আর ইবনে হিশামের বর্ণনায় (এভাবে) রয়েছে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٨)
فهذا بلغني عن حديث علي بن أبي طالب-رضي الله عنه-في زمزم(1).

قال عثمان في حديثه هذا: وسمعته من أبي القاسم، يقول: أخبرنا سعيد ابن سالم، عن عثمان بن ساج، قال: وسمعت من يحدّث عن عبد المطلب انه قيل له حين أمر بحفر زمزم:

ادع بالماء الرّوا غير الكدر … سقيا الحجيج في كلّ مبّر

ليس يخاف فيه شيء ما عمر

وخرج عبد المطلب حين قيل له ذلك إلى قريش، فقال: تعلمون أنّي قد أمرت أن أحفر زمزم؟ قالوا: هل بيّن لك أين هي؟ قال: لا. قالوا:

ارجع إلى مضجعك الذي رأيت فيه ما رأيت فإن يك حقا من الله بيّن لك، وإن يكن من الشيطان فلن يعود(2) لك، فرجع عبد المطلب إلى مضجعه، فنام فيه، فأتى فقيل له: احفر زمزم، إن حفرتها لم تندم، وهي تراث أبيك الأعظم، لا تنزف أبدا ولا تذمّ، تروى الحجيج الأعظم، مثل نعام جافل(3) لم يقسم، ينذر فيها ناذر ليغنم، تكون ميراثا وعقدا محكم، ليس كبعض ما قد تعلم، وهي بين الفرث والدم. زعموا لأنه حين قيل له ذلك، قال: وأين هي؟ قيل: عند قرية النمل، حيث ينقر الغراب غدا. فالله أعلم أيّ ذلك كان. وغدا عبد المطلب ومعه الحارث، وليس له يومئذ ولد غيره، فوجد قرية النمل، ووجد الغراب ينقر عندها/بين الوثنين إساف ونائلة اللذين

--------------------------------------------

(1) مغازي ابن اسحاق ص:24 - 25،وتهذيبها لابن هشام 150/ 1 - 154،والأزرقي 44/ 2 - 45،والبيهقي في الدلائل 93/ 1،والصالحي في سبل الهدى والرشاد 218/ 1،والهندي في كنز العمال 123/ 14.

(2) في الأصل (يعد).

(3) الجافل: الكثير.
এটি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে যমযম সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস যা আমার নিকট পৌঁছেছে।(১)

উসমান তার এই বর্ণনায় বলেন: আমি আবুল কাসিম থেকে শুনেছি, তিনি বলতেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে সালিম বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাজ থেকে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল মুত্তালিব সম্পর্কে এক বর্ণনাকারীকে বলতে শুনেছি যে, যখন তাকে যমযম খননের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তখন তাকে বলা হয়েছিল:

প্রচুর স্বচ্ছ পানির জন্য আহ্বান করো যা পঙ্কিল নয়... যা প্রতিটি নেক কাজে হাজীদের তৃষ্ণা নিবারণকারী

যতদিন এর অস্তিত্ব থাকবে ততদিন এতে কোনো কিছুর ভয় থাকবে না

যখন আব্দুল মুত্তালিবকে এটি বলা হলো, তখন তিনি কুরাইশদের কাছে গিয়ে বললেন: তোমরা কি জানো যে আমাকে যমযম খননের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? তারা বলল: এটি কোথায় তা কি আপনার নিকট স্পষ্ট করা হয়েছে? তিনি বললেন: না। তারা বলল:

আপনি আপনার সেই শয্যায় ফিরে যান যেখানে আপনি যা দেখার দেখেছেন। যদি তা আল্লাহর পক্ষ থেকে সত্য হয়ে থাকে তবে তা আপনার নিকট স্পষ্ট হয়ে যাবে, আর যদি তা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে তবে তা আপনার কাছে আর ফিরে আসবে না।(২) অতঃপর আব্দুল মুত্তালিব তার শয্যায় ফিরে গেলেন এবং সেখানে ঘুমালেন। তখন তার কাছে এসে বলা হলো: যমযম খনন করো, যদি তুমি তা খনন করো তবে লজ্জিত হবে না। এটি তোমার মহান পিতার উত্তরাধিকার। এর পানি কখনো ফুরিয়ে যাবে না এবং এটি নিন্দিতও হবে না। এটি বিপুল সংখ্যক হাজীদের তৃষ্ণা মেটাবে, যা পলায়নপর উটপাখির দলের মতো অগণিত।(৩) মানতকারী এতে মানত করবে যাতে সে কল্যাণ লাভ করতে পারে। এটি হবে এক উত্তরাধিকার এবং সুদৃঢ় অঙ্গীকার। এটি তোমার জানা অন্য সবকিছুর মতো নয়। আর এটি গোবর ও রক্তের মাঝখানে অবস্থিত। তারা মনে করেন যে, যখন তাকে এই কথা বলা হলো তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: সেটি কোথায়? বলা হলো: পিপীলিকার বাসার নিকট, যেখানে আগামীকাল কাক ঠোকর দেবে। আল্লাহই ভালো জানেন আসলে বিষয়টি কেমন ছিল। পরদিন ভোরে আব্দুল মুত্তালিব তার পুত্র হারিসকে সাথে নিয়ে বের হলেন—সেদিন তিনি ব্যতীত আব্দুল মুত্তালিবের আর কোনো সন্তান ছিল না। অতঃপর তিনি পিপীলিকার বাসা খুঁজে পেলেন এবং সেখানে কাককে ঠোকর দিতে দেখলেন, যা ছিল ইসাফ ও নাইলা নামক মূর্তিদ্বয়ের মাঝখানে...

--------------------------------------------

(১) মাগাযী ইবনে ইসহাক, পৃষ্ঠা: ২৪-২৫; এবং ইবনে হিশাম কর্তৃক এর তাহযীব ১/১৫০-১৫৪; আল-আযরাকী ২/৪৪-৪৫; দালায়েল গ্রন্থে বাইহাকী ১/৯৩; সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ গ্রন্থে সালিহী ১/২১৮; এবং কানযুল উম্মাল গ্রন্থে আল-হিন্দী ১৪/১২৩।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'ইয়াউদ্দু' হিসেবে রয়েছে।

(৩) আল-জাফিল: অধিক বা প্রচুর।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ١٩)
كانت قريش تنحر عندهما، فجاء بالمعول، وقام ليحفر حيث أمر، فقالت قريش حين رأوه وحده(1):والله لا ندعك تحفر بين وثنينا اللذين ننحر عندهما.

فقال لابنه الحارث: دعني(2) حتى أحفر، فو الله لامضين لما أمرت. فلما عرفوا انه غير نازع خلّوا بينه وبين الحفر وكفّوا عنه، فلم يحفر إلا يسيرا حتى بدا له الطيّ، فكبّر، وعرف ان قد صدق(3).

فلما فرغ وبلغ ما أراد، أقام سقاية زمزم للحاج، وعفت على الآبار التي كانت قبلها يستقي عليها الحاج، وانصرف الناس إليها لمكانها من المسجد الحرام ولفضلها على ما سواها من المياه، ولأنها بئر اسماعيل بن ابراهيم-عليهما الصلاة والسلام-ففخرت بها يومئذ بنو عبد مناف على قريش لما ولوا عليهم من السقاية والرّفادة، وما أقاموا عليه للناس من ذلك، وبزمزم حين ظهرت، وإنما كانوا بني عبد مناف أهل بيت واحد شرف بعضهم لبعض شرف، وفضل بعضهم لبعض فضل(4).

ولما انتشرت قريش وكثر ساكن مكة قبل حفر عبد المطلب زمزم قلّت على الناس المياه، واشتدت عليهم فيه المؤنة.

1066 - حدّثنا عبد الملك بن محمد، عن زياد بن عبد الله، عن ابن اسحاق، عن يزيد بن أبي حبيب، عن مرثد اليزني، ثم الحميري، عن عبد الله بن

--------------------------------------------

1066 - في إسناده ابن اسحاق، وهو ثقة مدلّس، وقد عنعن.

رواه ابن اسحاق في المغازي ص:27 - 28،وذكره ابن هشام في تهذيبه 155/ 1، والأزرقي 46/ 2 - 47،وابن كثير في البداية والنهاية 246/ 2.

(1) في المراجع (رأوا جدّه).

(2) كذا في الأصل، ومغازي ابن اسحاق في إحدى الروايتين والأزرقي.

وعند ابن هشام وإحدى روايتي المغازي (ذد عنّي) وهي أقرب.

(3) تهذيب ابن هشام 158/ 1 - 159.

(4) تهذيب ابن هشام 153/ 1 - 154،والأزرقي 45/ 2 - 46.
কুরাইশরা তাদের নিকটে পশু জবেহ করত। অতঃপর তিনি কোদাল নিয়ে এলেন এবং যেখানে তাঁকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছিল সেখানে খনন করার জন্য দণ্ডায়মান হলেন। কুরাইশরা যখন তাঁকে একা দেখল(১) তখন তারা বলল: আল্লাহর কসম, আমরা আমাদের এই দুই মূর্তির মাঝে তোমাকে খনন করতে দেব না যাদের নিকটে আমরা পশু জবেহ করি।

অতঃপর তিনি তাঁর পুত্র আল-হারিসকে বললেন: আমাকে ছেড়ে দাও(২) যাতে আমি খনন করতে পারি। আল্লাহর কসম, আমাকে যা নির্দেশ করা হয়েছে আমি অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করব। অতঃপর যখন তারা বুঝতে পারল যে তিনি বিরত হওয়ার পাত্র নন, তখন তারা তাঁর এবং খননকার্যের মাঝখান থেকে সরে গেল এবং তাঁর থেকে নিবৃত্ত হলো। তিনি সামান্যই খনন করেছিলেন এমন সময় তাঁর কাছে (কূপের) গাঁথুনি প্রকাশ পেল, তখন তিনি তাকবীর দিলেন এবং বুঝতে পারলেন যে বিষয়টি সত্য ছিল(৩)।

অতঃপর যখন তিনি অবসর হলেন এবং যা চেয়েছিলেন তা লাভ করলেন, তখন তিনি হাজীদের জন্য যমযমের পানি পান করানোর ব্যবস্থা (সিকায়াহ) কায়েম করলেন। এর ফলে ইতিপূর্বেকার কূপগুলো অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেল যেখান থেকে হাজীরা পানি পান করত। মানুষ এই কূপের দিকেই ফিরে এলো মসজিদে হারামের সন্নিকটে এর অবস্থানের কারণে এবং অন্যান্য পানির ওপর এর শ্রেষ্ঠত্বের কারণে। তাছাড়া এটি ছিল ইব্রাহীম-পুত্র ইসমাঈল (তাদের উভয়ের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর কূপ। সেই দিন বনু আবদু মানাফ এর দ্বারা কুরাইশদের ওপর গৌরব প্রকাশ করেছিল যেহেতু তারা পানি পান করানো (সিকায়াহ) এবং আতিথেয়তার (রিফাদাহ) দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এবং মানুষের জন্য তারা যা সম্পাদন করত তার কারণে, আর যমযম প্রকাশিত হওয়ার কারণেও। মূলত বনু আবদু মানাফ ছিল একই গৃহের লোক, যাদের একজনের মর্যাদা অন্যজনের জন্য মর্যাদা এবং একজনের শ্রেষ্ঠত্ব অন্যজনের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব স্বরূপ ছিল(৪)।

আর যখন কুরাইশরা ছড়িয়ে পড়ল এবং আব্দুল মুত্তালিবের যমযম খননের পূর্বে মক্কার অধিবাসীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন মানুষের জন্য পানির স্বল্পতা দেখা দিল এবং এর সংস্থানে তাদের ওপর কষ্ট ও ব্যয়ভার বেড়ে গেল।

১০৬৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ, তিনি যিয়াদ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াযিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি মারসাদ আল-ইয়াযানী অতঃপর আল-হিময়ারী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন... থেকে।

--------------------------------------------

১০৬৬ - এর সনদে ইবনে ইসহাক রয়েছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য কিন্তু মুদাল্লিস (বর্ণনাকারীর নাম গোপনকারী), এবং তিনি ‘আন‘ (থেকে) শব্দযোগে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে ইসহাক এটি আল-মাগাযি পৃষ্ঠা: ২৭-২৮ এ বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিশাম তাঁর তাহযীব ১/১৫৫-এ এটি উল্লেখ করেছেন, আল-আযরাকী ২/৪৬-৪৭ এবং ইবনে কাসীর আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২/২৪৬-এ এটি উল্লেখ করেছেন।

(১) তথ্যসূত্রসমূহে রয়েছে (তারা তাঁর দাদাকে দেখেছিল)।

(২) মূলে এমনই রয়েছে, এবং ইবনে ইসহাকের মাগাযি-র একটি বর্ণনায় এবং আল-আযরাকীতেও অনুরূপ।

তবে ইবনে হিশাম এবং মাগাযি-র অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে (আমার পক্ষ থেকে প্রতিরোধ করো), আর এটিই অধিক নিকটবর্তী।

(৩) তাহযীব ইবনে হিশাম ১/১৫৮-১৫৯।

(৪) তাহযীব ইবনে হিশাম ১/১৫৩-১৫৪ এবং আল-আযরাকী ২/৪৫-৪৬।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
[أبي](1) رزين، عن علي بن أبي طالب-رضي الله عنه-بنحو خبر عليّ الأول. وعن ابن إسحاق من قوله نحو ذلك، قال ابن إسحاق: ويقال فيما يتحدث عن زمزم وزاد فيه: وجد فيها غزالين من ذهب، وهما الغزالان اللذان كانت جرهم دفنتهما حين أخرجت من مكة، ووجدوا أيضا أسيافا مع الغزالين، فقالت قريش: لنا معك يا عبد المطلب في هذا شرك وحق.! قال:

لا ولكن هلم إلى النصف بيني وبينكم، اضرب عليها القداح. قالوا: وكيف تصنع؟ قال: اجعل للكعبة قدحين، ولي قدحين، ولكم قدحين، ثم اضرب فمن خرج له شيء كان له. فقالوا: انصفت قد رضينا، فجعل قدحين أصفرين للكعبة، وقدحين أسودين لعبد المطلب، وقدحين أبيضين لقريش، ثم أعطوهما رجلا يضرب بها، فقام عبد المطلب يدعو ويقول:

الّلهم انت الملك المحمود … وأنت ربي المبدي المعيد

وممسك الراسية الجلمود … من عندك الطارف والتليد

ان شئت ألهمت لما تريد(2) … بموضع الحلية والحديد

إني نذرت عاهد العهود … فاجعله يا رب فلا أعود

قال: وضرب صاحب القداح، فخرج الأصفران على الغزالين للكعبة فضربهما عبد المطلب في باب الكعبة، فكان أوّل ذهب حلّيته الكعبة، وخرج الأسودان على السيوف لعبد المطلب فأخذها، وكانت قريش ومن سواهم إذا اجتهدوا في الدعاء [سجعوا وألّفوا](3) الكلام، وكانت فيما يزعمون لا يردها

--------------------------------------------

(1) سقطت من الأصل. أنظر التقريب 415/ 1.

(2) كذا في الأصل، وفي المغازي: ما تريد، وعند ابن كثير: كما تريد.

(3) في الأصل (سمعوا ولقوا) وهو تصحيف، والتصويب من مغازي ابن اسحاق.
[আবি](১) রাজিন বর্ণনা করেন আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, যা আলীর প্রথম বর্ণনার অনুরূপ। ইবনে ইসহাক থেকেও অনুরূপ বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে। ইবনে ইসহাক বলেন: যমযম সম্পর্কে যা আলোচনা করা হয় তাতে বলা হয় এবং এতে আরও যোগ করা হয়েছে যে: তাতে স্বর্ণের দুটি হরিণ পাওয়া গিয়েছিল। এগুলো সেই দুটি হরিণ যা জুরহুম গোত্র মক্কা থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার সময় পুঁতে রেখেছিল। হরিণ দুটির সাথে তারা কিছু তলোয়ারও পেয়েছিল। তখন কুরাইশরা বলল: হে আবদুল মুত্তালিব! এতে আমাদেরও অংশ ও অধিকার রয়েছে। তিনি বললেন:

না, বরং এসো আমার ও তোমাদের মাঝে ইনসাফের ভিত্তিতে ফয়সালা করি, আমি এর ওপর ভাগ্যনির্ধারক তীর নিক্ষেপ করব। তারা বলল: আপনি কীভাবে তা করবেন? তিনি বললেন: আমি কাবার জন্য দুটি তীর, আমার জন্য দুটি তীর এবং তোমাদের জন্য দুটি তীর নির্ধারণ করব। এরপর আমি তীর ছুড়ব, যার নামে যা বের হবে তা তারই হবে। তারা বলল: আপনি ইনসাফ করেছেন, আমরা সন্তুষ্ট। অতঃপর তিনি কাবার জন্য দুটি হলুদ তীর, আবদুল মুত্তালিবের জন্য দুটি কালো তীর এবং কুরাইশদের জন্য দুটি সাদা তীর নির্ধারণ করলেন। তারপর তারা তীর নিক্ষেপকারী এক ব্যক্তির হাতে সেগুলো দিল। তখন আবদুল মুত্তালিব দাঁড়িয়ে দোয়া করতে লাগলেন এবং বললেন:

হে আল্লাহ! আপনিই প্রশংসিত বাদশাহ … এবং আপনিই আমার রব, যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন ও পুনরায় সৃষ্টি করবেন।

এবং আপনিই সুদৃঢ় বিশাল পাহাড়সমূহকে ধরে রাখছেন … আপনার পক্ষ থেকেই আসে নতুন ও পুরাতন সব সম্পদ।

আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছানুযায়ী ইলহাম প্রদান করেন(২) … অলঙ্কার ও লোহার (অস্ত্রের) স্থানের ব্যাপারে।

নিশ্চয়ই আমি মানত করেছি, প্রতিশ্রুতি পূরণকারী … হে আমার রব! একে সফল করুন যেন আমি বিফল না হই।

বর্ণনাকারী বলেন: তীর নিক্ষেপকারী ব্যক্তি তীর ছুড়ল, তখন কাবার জন্য নির্ধারিত হলুদ তীর দুটি স্বর্ণের হরিণের ভাগে বের হলো। আবদুল মুত্তালিব সেই স্বর্ণ দিয়ে কাবার দরজা অলঙ্কৃত করলেন। এটিই ছিল প্রথম স্বর্ণ যা দিয়ে কাবা সজ্জিত করা হয়েছিল। আর তলোয়ারগুলোর জন্য আবদুল মুত্তালিবের কালো তীর দুটি বের হলো, ফলে তিনি সেগুলো গ্রহণ করলেন। কুরাইশ ও অন্য যারা ছিল তারা যখন দোয়ার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হতো তখন তারা বাক্যকে ছন্দবদ্ধ ও সুসংগঠিত করত এবং তাদের ধারণা অনুযায়ী এই দোয়া বিফল হতো না।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি বাদ পড়েছে। দেখুন: আত-তাকরিব ১/৪১৫।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে আল-মাগাযি গ্রন্থে আছে: "যা আপনি চান", এবং ইবনে কাসীরের বর্ণনায় আছে: "যেমন আপনি চান"।

(৩) মূল পাঠে এটি 'সামিউ ওয়া লাকু' হিসেবে আছে যা একটি লিপিকর প্রমাদ, এর সঠিক রূপটি ইবনে ইসহাকের 'মাগাযি' থেকে নেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢١)
داع. ثم إن عبد المطلب أقام سقاية زمزم للحاج.

وقال مسافر بن أبي عمرو بن أمية بن عبد شمس(1)،وهو يذكر فضل بني عبد مناف وما أقاموا عليه من سقاية الحاج والرفادة، ويفخر بزمزم حين أظهرها الله عز وجل لبني عبد مناف:

/ورثنا المجد عن آبا … ئنا فرقا بنا صعدا

وأي مناقب الخير … لم تشدد بنا عضدا

ألم نسق الحجيج ونن … حر الدّلاّفة الرّفدا(2)

ونلقى عند تصريف ال … منايا سادة سددا

وزمزم من ارومتنا … وبرغم أنف من حسدا(3)

وخير النّاس أوّلنا … وخير النّاس إن بعدا

فإن نهلك فلن نملك … وهل من خالد خلدا

وأيّ النّاس لم نملك … ونمجده وان مجدا

وقد كان عبد المطلب قال حين لقي من قريش ما لقي عند حفر زمزم، نذر لئن ولد له عشرة ذكور ثم بلغوا حتى ينفعوه أن ينحر أحدهم عند الكعبة،

--------------------------------------------

(1) كان سيّدا جوادا، وهو أحد شعراء قريش المقلّين. له شعر في هند بنت عتبة بن ربيعة، وكان يهواها. فخطبها إلى أبيها، فلم ترض ثروته وماله، وتزوجها أبو سفيان، فحزن مسافر، وانتهى به، الحزن إلى أن مات بهبالة-موضع لبني نمير-ودفن بها. أنظر الأغاني 49/ 9،ومعجم البلدان 390/ 5.

والأبيات في سيرة ابن هشام 159/ 1،والأزرقي 47/ 2،والأغاني 55/ 9، لكنهم ذكروها بتقديم وتأخير، وكلّهم لم يذكر البيت الأخير.

(2) الدّلاّفة: يريد بها هنا الأبل التي تمشي متمهّلة لكثرة سمنها.

والرفّد، جمع رفود، وهي التي تملا الرفد، وهو قدح يحلب فيه، ووقع في الأغاني: (المذلاقة).أنظر اللسان مادة (ذلف).

(3) وقع عند ابن هشام والأغاني (ونفقا عين من حسدا).
অতঃপর আব্দুল মুত্তালিব হাজীদের জন্য যমযমের পানি পান করানোর ব্যবস্থা কায়েম করেন।

মুসাফির ইবনে আবি আমর ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদ শামস (১) বর্ণনা করেন, যখন তিনি বনু আবদ মানাফের মর্যাদা এবং হাজীদের পানি পান করানো ও মেহমানদারির ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথা উল্লেখ করছিলেন, এবং আল্লাহ যখন বনু আবদ মানাফের জন্য যমযম কূপকে প্রকাশ করে দিলেন তখন তিনি যমযম নিয়ে গর্ব করে বলেছিলেন:

আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে গৌরব উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি যা আমাদের ধাপে ধাপে উন্নতির শিখরে নিয়ে গেছে।

আর কল্যাণের এমন কোনো চারিত্রিক গুণাবলী আছে কি যা আমাদের বাহুকে শক্তিশালী করেনি?

আমরা কি হাজীদের পানি পান করাইনি এবং যবেহ করিনি হৃষ্টপুষ্ট উটসমূহকে? (২)

আর মৃত্যুর পরিবর্তনের সময়েও আমরা সবসময় সঠিক পথপ্রদর্শক ও সুদৃঢ় নেতাদের সাক্ষাত পাই।

যমযম আমাদের বংশের মূল থেকে উৎসারিত, যদিও হিংসুকদের নাসিকা ধূলিমলিন হয় (অর্থাৎ তারা ঈর্ষান্বিত হয়)। (৩)

মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে আমাদের পূর্বসূরিরা এবং মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তারা যারা পরবর্তী সময়ে আসবে।

যদি আমরা ধ্বংস হয়ে যাই তবে আমাদের করার কিছু থাকবে না, আর পৃথিবীতে কি কেউ চিরস্থায়ী হতে পেরেছে?

এমন কোন মানুষ আছে যার উপর আমাদের আধিপত্য নেই এবং আমরা তাকে সম্মানিত করি না যদিও সে মর্যাদাশালী হয়?

যমযম খননকালে কুরাইশদের পক্ষ থেকে আব্দুল মুত্তালিব যে বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন, তখন তিনি মানত করেছিলেন যে, যদি তার দশটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং তারা তাকে সাহায্য করার মতো বড় হয়ে ওঠে, তবে তিনি তাদের একজনকে কাবার নিকট যবেহ করবেন।

--------------------------------------------

(১) তিনি একজন দানশীল নেতা ছিলেন এবং কুরাইশদের সেই সব কবিদের একজন ছিলেন যারা অল্প কবিতা রচনা করেছেন। হিন্দ বিনতে উতবাহ ইবনে রাবিয়াহ সম্পর্কে তার কিছু কবিতা রয়েছে, যাকে তিনি ভালোবাসতেন। তিনি তার পিতার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তার ধন-সম্পদ ও প্রাচুর্য তার পিতার কাছে সন্তোষজনক ছিল না। পরে আবু সুফিয়ান তাকে বিবাহ করেন, যার ফলে মুসাফির ব্যথিত হন এবং সেই শোকেই তিনি হাবালাহ নামক স্থানে ইন্তেকাল করেন—যা বনু নুমাইরের একটি এলাকা—সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। দেখুন আল-আগানি ৯/৪৯, এবং মুজামুল বুলদান ৫/৩৯০।

এই পঙক্তিগুলো ইবনে হিশামের সীরাত ১/১৫৯, আল-আযরাকি ২/৪৭ এবং আল-আগানি ৯/৫৫-এ উদ্ধৃত হয়েছে, তবে তারা পঙক্তিগুলো আগে-পিছে করে উল্লেখ করেছেন এবং তাদের কেউই শেষ পঙক্তিটি উল্লেখ করেননি।

(২) আদ-দাল্লাফাহ: এখানে এর দ্বারা এমন উটকে বুঝানো হয়েছে যা অত্যধিক স্থূলতার কারণে ধীরগতিতে চলে।

আর আর-রিফাদ হলো রিফুদ-এর বহুবচন, যা দ্বারা সেই পাত্রকে বোঝায় যা পূর্ণ করে দুধ দোহন করা হয়। আর আল-আগানিতে ‘আল-মিযলাকাহ’ শব্দটি এসেছে। দেখুন আল-লিসান, ‘যালফ’ পরিচ্ছেদ।

(৩) ইবনে হিশাম এবং আল-আগানির বর্ণনায় এটি ‘ওয়া নাফাকা আইন মান হাসাদা’ হিসেবে এসেছে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
فلما توافى بنوه عشرة جمعهم ثم أخبرهم بنذره، منهم الحارث وحجل، وهما لأم، وعباس وضرار وهما لأم، وحمزة والمقوّم، وهما لأم، وأبو طالب واسمه عبد مناف، والزبير وعبد الله، وهم لأم، وأبو لهب لأم، واسمه عبد العزى(1).

1067 - حدّثنا الزبير بن أبي بكر، قال: حدّثني ابراهيم بن المنذر، عن عبد العزيز بن عمران، قال: حدّثني عبد الله بن عثمان ابن أبي سليمان، قال:

سمعت أبي يقول: لما حفرت زمزم وأدرك فيها عبد المطلب ما أدرك، وجدت قريش في أنفسها بما أعطي عبد المطلب، فلقيه خويلد(2) بن أسد بن عبد العزّى، فقال: يا ابن سلمى لقد سقيت ماء رغدا، ونثلت عاديّة حتدا(3)، قال: يا ابن أسد أما انك تشرك في فضلها، والله لا يساعفني أحد عليها ببر، ولا يقوم معي بأزر إلا بذلت له خير الصهر، فقال خويلد بن أسد:

أقول وما قولي عليهم بسبّة … إليك ابن سلمى أنت حافر زمزم

حفيرة ابراهيم يوم ابن آجر … وركضة جبريل على عهد آدم(4)

--------------------------------------------

1067 - إسناده ضعيف جدا.

عبد العزيز بن عمران، هو: الزهري المدني، يعرف ب (ابن أبي ثابت) متروك. احترقت كتبه فحدّث من حفظه فاشتدّ غلطه. التقريب 511/ 1.

(1) أنظر سيرة ابن هشام 160/ 1 - 161،والأزرقي 47/ 2،والبداية والنهاية 248/ 2.

(2) هو: والد خديجة أم المؤمنين. كان من الفرسان.

(3) نثلت، أي: استخرجت. والعاديّة: القديمة، كأنها نسبت إلى عاد قوم هود، وكلّ قديم ينسبونه إلى عاد وإن لم يدركهم. النهاية 195/ 3. وحتد: بضمتين: تقول: عين حتد، أي: لا ينقطع ماؤها. التاج 330/ 2.

(4) ذكرهما الشامي في سبل الهدى 221/ 1،وذكر محققه أن القصّة ذكرها الكلاعي في الاكتفاء 161/ 1، عن الزبير بن بكار.
যখন তাঁর দশজন পুত্র পূর্ণ হলো, তিনি তাদেরকে একত্রিত করলেন এবং তাঁর মানত সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করলেন। তাদের মধ্যে ছিল আল-হারিস এবং হাজল, তারা একই মায়ের সন্তান; আব্বাস এবং দ্বিরার, তারা একই মায়ের সন্তান; হামযা এবং আল-মুক্বাউউইম, তারা একই মায়ের সন্তান; আবু তালিব যার নাম আবদ মানাফ, আয-যুবাইর এবং আবদুল্লাহ, তারা একই মায়ের সন্তান; আর আবু লাহাব ভিন্ন মায়ের সন্তান, যার নাম আবদিল উযযা(১)।

১০৬৭ - যুবাইর ইবনে আবি বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে ইমরান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে আবি সুলায়মান থেকে, তিনি বলেন:

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: যখন যমযম খনন করা হলো এবং আব্দুল মুত্তালিব সেখানে যা পাওয়ার পেলেন, আব্দুল মুত্তালিবকে যা দান করা হয়েছে তাতে কুরাইশরা মনে মনে ঈর্ষা অনুভব করল। তখন খুয়াইলিদ(২) ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে বলল: হে সালমার পুত্র! নিশ্চয়ই আপনাকে প্রচুর পানি পান করানো হয়েছে এবং আপনি একটি প্রাচীন ও চিরস্থায়ী পানির উৎস খনন করেছেন(৩)। তিনি বললেন: হে আসাদের পুত্র! জেনে রাখুন যে, আপনিও এর ফযীলতে অংশীদার হবেন। আল্লাহর কসম, যদি কেউ অনুগ্রহের মাধ্যমে এই কাজে আমাকে সাহায্য না করে এবং যদি কেউ শক্তির মাধ্যমে আমার সাথে না দাঁড়ায়, তবে আমি তার জন্য শ্রেষ্ঠ বৈবাহিক সম্বন্ধ প্রদান করব না। তখন খুয়াইলিদ ইবনে আসাদ বললেন:

আমি বলি, আর তাদের ওপর আমার কথা কোনো গালি নয় … আপনার প্রতি হে সালমার পুত্র, আপনিই যমযমের খননকারী

হাজেরের পুত্রের সেই দিনে ইব্রাহিমের খননকৃত কূপ … আর আদমের যুগে জিবরাঈলের পদাঘাত(৪)

--------------------------------------------

১০৬৭ - এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।

আব্দুল আজিজ ইবনে ইমরান হলেন: আয-যুহরি আল-মাদানি, তিনি (ইবনে আবি সাবিত) নামে পরিচিত, তিনি পরিত্যক্ত (মাতরূক)। তাঁর কিতাবসমূহ পুড়ে গিয়েছিল, ফলে তিনি তাঁর স্মৃতি থেকে বর্ণনা করতেন এবং তাঁর ভুল অত্যন্ত প্রকট হয়ে পড়েছিল। আত-তাক্বরীব ৫১১/১।

(১) দেখুন: সিরাতে ইবনে হিশাম ১৬০/১ - ১৬১, আল-আযরাক্বি ৪৭/২, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া ২৪৮/২।

(২) তিনি হলেন: উম্মুল মুমিনীন খাদিজার পিতা। তিনি অশ্বারোহী বীরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

(৩) 'নাথালতা' অর্থাৎ: বের করে আনা। 'আদিয়্যাহ' অর্থ: প্রাচীন, যেন একে হূদ (আ.)-এর কওম 'আদ'-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে; আর আরবরা প্রতিটি প্রাচীন বস্তুকে আদ-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করে যদিও তা তাদের সময়কাল না পায়। আন-নিহায়া ১৯৫/৩। 'হাতাদ' (দুই পেশ দিয়ে): বলা হয় 'আইনুন হাতাদ', অর্থাৎ: এমন ঝর্ণা যার পানি কখনো ফুরায় না। আত-তাজ ৩৩০/২।

(৪) আশ-শামি 'সুবুলুল হুদা' ২২১/১-এ এই দুই পঙক্তি উল্লেখ করেছেন এবং এর মুহাক্কিক উল্লেখ করেছেন যে, আল-কালাঈ 'আল-ইকতিফা' ১৬১/১-এ যুবাইর ইবনে বাক্কার থেকে এই ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
فقال عبد المطلب: ما وجدت أحدا أوزن في العلم ولا ورقة غير خويلد ابن أسد.

1068 - حدّثنا محمد بن أبي عمر، قال: ثنا سفيان، عن الكلبي، قال:

إنّ عبد المطلب أعطى مطعم بن عدي حوضا من وراء زمزم يسقي فيه الحاج.

1069 - حدّثنا الزبير بن أبي بكر، عن بعض القرشيين، قال: كان بين بديل بن أم صرم الخزاعي وبين القرشيين شيء، فقال ابن أم صرم:

إن يك ضيّقا داركم وفناؤكم … فإنّي لآت قبلكم آل زمزم

هم دمّروا امواهكم فتهدّمت … وعزّكم أن تهدموه فيهدم

فلا الجفر يسقى حالم منه قطرة … وزمزم حوضاها بمزان تردم

1070 - وحدّثنا الزبير بن أبي بكر قال: قال الأعشى، أعشى بن قيس بن ثعلبة في زمزم أيضا:

ولا أنت من أهل الحجون ولا الصّفا … ولا لك حقّ الشّرب من ماء زمزم

--------------------------------------------

1068 - إسناده متروك.

الكلبي، هو: محمد بن السائب. متّهم بالكذب، ورمي بالرفض.

والمطعم بن عديّ، هو: ابن نوفل بن عبد مناف النوفلي، من أشراف قريش وساداتهم. كان أحد الذين مزّقوا الصحيفة التي كتبتها قريش على بني هاشم، وهو الذي أجار النبي صلى الله عليه وسلم عند رجوعه من الطائف. ومات كافرا قبل بدر بنحو سبعة أشهر.

أنظر نسب قريش ص:200،والمحبّر ص:165،والتبيين في أنساب القرشيين ص:210.

1069 - بديل، هو: ابن سلمة بن خلف بن عمرو الخزاعي. وأمّه: أم صرم بنت الأحجم بن دندنة الخزاعية. صحابي ذكره ابن حجر في الاصابة 144/ 1.

1070 - البيت في ديوانه ص:182،في قصيدة له يهجو بها عمير بن عبد الله بن المنذر.
আব্দুল মুত্তালিব বললেন: "আমি ইলম বা জ্ঞানের ক্ষেত্রে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ এবং ওরাকা ব্যতীত অধিক পরিপক্ক আর কাউকে পাইনি।"

১০৬৮ - মুহাম্মদ বিন আবু উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট কালবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আব্দুল মুত্তালিব মুতয়িম বিন আদি-কে যমযমের পেছনে একটি পানির কুণ্ড প্রদান করেছিলেন যাতে তিনি হাজীদের পানি পান করাতে পারেন।

১০৬৯ - যুবায়ের বিন আবু বকর জনৈক কুরায়শীর বরাতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বুদাইল বিন উম্মে চরম আল-খুযাঈ এবং কুরায়শদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। তখন ইবনে উম্মে চরম বললেন:

যদি তোমাদের ঘর এবং আঙিনা সংকীর্ণ হয়ে থাকে … তবে আমি তোমাদের পূর্বেই যমযমওয়ালাদের (বংশধরদের) নিকট আসব

তারাই তোমাদের জলাধারগুলো ধ্বংস করেছে ফলে সেগুলো বিলীন হয়েছে … আর তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব হলো তা ধ্বংস করা যা ধ্বংস হয়ে যায়

জাফর (কূপ) থেকে কোনো তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি এক ফোঁটা পানিও পান করতে পারে না … আর যমযমের দুই কুণ্ডই প্রশস্ত বালুরাশি দ্বারা পূর্ণ

১০৭০ - যুবায়ের বিন আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আশা, অর্থাৎ কায়েস বিন সালাবার পুত্র আশা-ও যমযম সম্পর্কে বলেছেন:

তুমি হাজুন বা সাফার অধিবাসী নও … এবং যমযমের পানি পান করার কোনো অধিকারও তোমার নেই

--------------------------------------------

১০৬৮ - এর সনদটি পরিত্যক্ত।

কালবী হলেন: মুহাম্মদ বিন আস-সাইব। তিনি মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত এবং শিয়া মতবাদের (রাফয) দোষে দুষ্ট।

আর মুতয়িম বিন আদি হলেন: নওফেল বিন আব্দু মানাফ আন-নওফেলীর পুত্র, তিনি কুরায়শদের অন্যতম অভিজাত ও নেতা ছিলেন। কুরায়শরা বনু হাশেমের বিরুদ্ধে যে চুক্তিনামা লিখেছিল, তা ছিন্নকারীদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। আর তিনিই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তায়েফ থেকে ফেরার পথে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধের প্রায় সাত মাস পূর্বে কাফের অবস্থায় মারা যান।

দেখুন: নাসাব কুরায়শ, পৃষ্ঠা: ২০০; আল-মুহাব্বার, পৃষ্ঠা: ১৬৫; আত-তাবয়ীন ফি আনসাবিল কুরায়শিয়্যীন, পৃষ্ঠা: ২১০।

১০৬৯ - বুদাইল হলেন: সালামাহ বিন খালাফ বিন আমর আল-খুযাঈর পুত্র। তাঁর মা হলেন: উম্মে চরম বিনতে আহজাম বিন দানদানাহ আল-খুযাঈয়্যাহ। তিনি একজন সাহাবী, ইবনে হাজার আল-ইসাবাহ (১/১৪৪) গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।

১০৭০ - এই পঙ্ক্তিটি তাঁর দিওয়ানে (কাব্যগ্রন্থ) ১৮২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে, যা তাঁর এমন একটি কবিতায় রয়েছে যেখানে তিনি উমায়ের বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুনযিরকে তিরস্কার করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
‌‌باب ما جاء

في فضل زمزم وتفسيره

1071 - حدّثنا محمد بن عزيز الأيلي، قال: ثنا سلامة بن روح، قال:

حدّثني عقيل [عن](1) ابن شهاب، قال: حدّثني أنس بن مالك الأنصاري رضي الله عنه-قال: حدّثني أبو ذر الغفاري-رضي الله عنه-قال: ان رسول الله/صلى الله عليه وسلم قال: فرج سقف بيتي وأنا بمكة، فنزل جبريل-عليه الصلاة والسلام-ففرج صدري، ثم غسله من ماء زمزم، ثم جاء بطست من ذهب مملوءا حكمة وإيمانا فأفرغهما في صدري، ثم اطبقه، ثم أخذ بيدي فعرج بي إلى السماء.

--------------------------------------------

1071 - تقدم اسناده برقم (260) وشيخ المصنّف لم أقف عليه.

رواه البخاري في الحج 492/ 3،ومسلم في الأسراء 217/ 2 كلاهما من طريق: يونس عن الزهري به. ورواه النسائي في الكبرى، في الصلاة (أنظر تحفة الأشراف 156/ 9).

(1) سقطت من الأصل.
যমযমের ফযীলত এবং এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার অধ্যায়

১০৭১ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আযীয আল-আইলী, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালামাহ ইবনে রূহ, তিনি বলেন:

আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আকীল [থেকে](১) ইবনে শিহাব, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)—তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু যার আল-গিফারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)—তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি মক্কায় থাকাকালীন আমার ঘরের ছাদ উন্মুক্ত করা হলো, অতঃপর জিবরীল (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) অবতরণ করলেন এবং আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন, তারপর তিনি তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করলেন। এরপর তিনি হিকমত (প্রজ্ঞা) ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি স্বর্ণের পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বক্ষে ঢেলে দিলেন, এরপর তা বন্ধ করে দিলেন। তারপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে নিয়ে আসমানের দিকে আরোহণ করলেন।"

--------------------------------------------

১০৭১ - এর সনদ ইতিপূর্বে ২৬০ নম্বরে অতিক্রান্ত হয়েছে এবং গ্রন্থকারের উস্তাদ সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি।

একে বুখারী হজ্জ অধ্যায়ে ৩/৪৯২ এবং মুসলিম ইসরা অধ্যায়ে ২/২১৭ বর্ণনা করেছেন; উভয়েই যুহরী থেকে ইউনুসের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। একে নাসাঈ আল-কুবরা-এর সালাত অধ্যায়েও বর্ণনা করেছেন (দেখুন তুহফাতুল আশরাফ ৯/১৫৬)।

(১) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
1072 - حدّثنا محمد بن صالح، قال: حدّثني مكي بن ابراهيم، قال:

ثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك-رضي الله عنه عن مالك بن صعصعة-رضي الله عنه-قال: إنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: بينا أنا عند البيت بين النائم واليقظان إذ سمعت قائلا يقول: أحد الثلاثة بين الرجلين، فأتيت فانطلق بي، ثم أتيت بطست من ذهب فيه من ماء زمزم، فشرح صدري إلى كذا وكذا، قال قتادة: فقلت للذي معي: ما يعني إلى كذا وكذا؟ قال: إلى أسفل بطني. فاستخرج قلبي فغسل بماء زمزم، ثم أعيد مكانه، فكبّرا وقالا: حشى إيمانا وحكمة.

1073 - حدّثني عيسى بن عفان بن مسلم قال: ثنا أبي، قال: ثنا حمّاد ابن سلمة، عن ثابت، عن أنس بن مالك-رضي الله عنه-قال: إنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أتاه جبريل-عليه السلام-وهو يلعب مع الصبيان، فأخذه فصرعه، فاستخرج القلب، ثم شق القلب، فاستخرج منه علقة فقال: هذا حظ الشيطان منك، ثم غسله بماء زمزم، ثم لأمه، ثم أعاده في مكانه،

--------------------------------------------

1072 - إسناده صحيح.

رواه البخاري 302/ 6،ومسلم 223/ 2،والترمذي 248/ 12 والنسائي في الكبرى (تحفة الأشراف 346/ 8) وابن خزيمة 153/ 1 والبيهقي 360/ 1، كلّهم من طريق: سعيد ابن أبي عروبة به.

ورواه أحمد 207/ 4،والنسائي 217/ 1 كلاهما من طريق: هشام الدستوائي، عن قتادة به.

1073 - شيخ المصنّف ذكره الخطيب في تاريخ بغداد 166/ 11 ولم يذكر فيه تضعيفا ولا توثيقا. وبقيّة رجال الأسناد ثقات.

رواه أحمد 288/ 3 من طريق: عفان بن مسلم به. ومسلم 209/ 2 من طريق: شيبان بن فرّوخ، عن حمّاد بن سلمة به، والنسائي 224/ 1، من طريق: عبد ربه بن سعيد، عن ثابت به.
১০৭২ - মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মক্কী ইবনে ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের কাছে কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে এবং তিনি মালিক ইবনে সা'সাআ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি যখন কাবার নিকট নিদ্রা ও জাগরণের মাঝামাঝি অবস্থায় ছিলাম, তখন আমি একজনকে বলতে শুনলাম: তিনজনের মধ্যে একজন, দুই ব্যক্তির মাঝে। এরপর আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো। তারপর আমার কাছে যমযম ভর্তি একটি স্বর্ণের পাত্র আনা হলো। এরপর আমার বুক এখান থেকে ঐ পর্যন্ত বিদীর্ণ করা হলো।" কাতাদাহ বলেন: আমি আমার সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করলাম, এখান থেকে ঐ পর্যন্ত বলতে কী বুঝানো হয়েছে? তিনি বললেন: পেটের নিচ পর্যন্ত। "অতঃপর আমার হৃদয় বের করা হলো এবং যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করা হলো। এরপর তা যথাস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হলো। এরপর তাঁরা তাকবীর দিলেন এবং বললেন: এটি ঈমান ও প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ হয়েছে।"

১০৭৩ - ঈসা ইবনে আফফান ইবনে মুসলিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বালকদের সাথে খেলছিলেন, তখন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) তাঁর নিকট আসলেন। তিনি তাঁকে ধরে শুইয়ে দিলেন এবং তাঁর হৃদয় বের করলেন। এরপর হৃদয় বিদীর্ণ করে তা থেকে একটি জমাট রক্তপিণ্ড বের করলেন এবং বললেন: এটি তোমার মাঝে শয়তানের অংশ। তারপর তিনি তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করলেন, এরপর তা জোড়া লাগিয়ে পূর্বের স্থানে ফিরিয়ে দিলেন।

--------------------------------------------

১০৭২ - এর সনদ সহীহ।

বুখারী ৬/৩০২, মুসলিম ২/২২৩, তিরমিযী ১২/২৪৮, নাসায়ী 'আল-কুবরা' গ্রন্থে (তুহফাতুল আশরাফ ৮/৩৪৬), ইবনে খুযাইমাহ ১/১৫৩ এবং বায়হাকী ১/৩৬০; তাঁরা সবাই সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমাদ ৪/২০৭ এবং নাসায়ী ১/২১৭; তাঁরা উভয়েই হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী-এর সূত্রে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

১০৭৩ - গ্রন্থকারের উস্তাদ সম্পর্কে আল-খাতীব 'তারীখে বাগদাদ' (১১/১৬৬) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং এতে তার কোনো দুর্বলতা বা নির্ভরযোগ্যতা উল্লেখ করেননি। সনদের বাকি বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য।

আহমাদ ৩/২৮৮ গ্রন্থে আফফান ইবনে মুসলিম-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। মুসলিম ২/২০৯ গ্রন্থে শায়বান ইবনে ফাররুখ-এর সূত্রে হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে এবং নাসায়ী ১/২২৪ গ্রন্থে আবদে রাব্বিহি ইবনে সাঈদ-এর সূত্রে সাবিত থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
وجاء الغلمان يسعون إلى أمه-يعني ظئره-فقالوا: إنّ محمدا قد قتل، فاستقبلوه وهو منتقع لونه. قال أنس-رضي الله عنه:لقد كنت أرى أثر المخيط في صدره صلى الله عليه وسلم.

1074 - حدّثني محمد بن صالح، قال: ثنا أبو صالح، قال: ثنا الليث، قال: حدّثني يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك-رضي الله عنه-قال: إنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فرج سقف بيتي بمكة، ثم أتيت بطست فيه من ماء زمزم، فشق بطني فغسل جوفي، وحشي إيمانا وحكمة.

1075 - حدّثنا هارون الفروي، قال: ثنا داود بن أبي [الكرم](1)،عن عبد العزيز بن محمد، عن شريك بن عبد الله بن أبي نمر، أنه سمع أنس بن مالك-رضي الله عنه-يحدّث عن ليلة أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم من مسجد الكعبة قال: أتاه صلى الله عليه وسلم ثلاثة نفر، فاحتملوه فوضعوه عند بئر زمزم، فتولاه منهم جبريل-عليه الصلاة والسلام،فشق جبريل ما بين نحره إلى لبته. حتى فرج عن صدره وجوفه، فغسله من ماء زمزم بيده حتى انقى جوفه، ثم أتي

--------------------------------------------

1074 - إسناده حسن بالمتابعة.

أبو صالح، هو: عبد الله بن صالح، كاتب الليث بن سعد صدوق كثير الغلط. التقريب 423/ 1.

رواه البخاري 458/ 1 من طريق: يحيى بن كثير، عن الليث به. والنسائي 221/ 1،وابن ماجة 448/ 1،كلاهما من طريق: ابن وهب، عن يونس به.

1075 - إسناده حسن.

هارون الفروى، هو: ابن موسى. وداود بن أبي الكرم، أبوه: عبد الله. صدوق ربما وهم. كما في التقريب 332/ 1.

رواه البخاري 478/ 13،579/ 6،ومسلم 217/ 2،والبيهقي 360/ 1، كلّهم من طريق: سليمان بن بلال، عن شريك به.

(1) في الأصل (الكرام).
বালকগণ দৌড়ে তাঁর মায়ের নিকট আসলো—অর্থাৎ তাঁর স্তন্যদাত্রী মায়ের নিকট—এবং তারা বলল: নিশ্চয়ই মুহাম্মদকে হত্যা করা হয়েছে। তখন তারা তাঁর অভিমুখে অগ্রসর হলো এবং দেখল যে তাঁর গায়ের রং বিবর্ণ হয়ে গেছে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্ষে সেলাইয়ের চিহ্ন দেখতে পেতাম।

১০৭৪ - মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সালিহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাকে ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: মক্কায় আমার ঘরের ছাদ বিদীর্ণ করা হলো, এরপর আমার নিকট একটি পাত্র আনা হলো যাতে যমযমের পানি ছিল। অতঃপর আমার পেট বিদীর্ণ করা হলো এবং আমার শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশ ধৌত করা হলো, এরপর তা ঈমান ও হিকমত (প্রজ্ঞা) দিয়ে পূর্ণ করা হলো।

১০৭৫ - হারুন আল-ফারভি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে আবি [আল-কারাম](১) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আবদুল আযীয ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি শারীক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি নামির থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কা'বা মসজিদ থেকে যে রাতে নৈশভ্রমণ (ইসরা) করানো হয়েছিল সেই রাত সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট তিনজন ব্যক্তি আসলেন, তারা তাঁকে বহন করে যমযম কূপের নিকটে রাখলেন। তাঁদের মধ্য থেকে জিবরাঈল আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। জিবরাঈল তাঁর কণ্ঠনালীর উপরিভাগ থেকে বুকের নিচের অংশ পর্যন্ত বিদীর্ণ করলেন। এমনকি তিনি তাঁর বক্ষ ও শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশ উন্মুক্ত করলেন এবং নিজের হাত দিয়ে যমযমের পানি দ্বারা তা ধৌত করলেন যতক্ষণ না তাঁর শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশ পরিষ্কার হলো, এরপর আনা হলো...

--------------------------------------------

১০৭৪ - অন্যান্য বর্ণনার সমর্থনে এর সনদ হাসান।

আবু সালিহ হলেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ, যিনি লাইস ইবনে সা'দের লেখক, তিনি সত্যবাদী তবে প্রচুর ভুল করতেন। আত-তাকরীব ১/৪২৩।

বুখারী ১/৪৫৮-এ ইয়াহইয়া ইবনে কাসীরের সূত্র ধরে লাইস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী ১/২২১ এবং ইবনে মাজাহ ১/৪৪৮ উভয়ে ইবনে ওয়াহাব-এর সূত্র ধরে ইউনুস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

১০৭৫ - এর সনদ হাসান।

হারুন আল-ফারভি হলেন: ইবনে মূসা। আর দাউদ ইবনে আবি আল-কারামের পিতা হলেন: আবদুল্লাহ। তিনি সত্যবাদী, সম্ভবত কখনও ভ্রান্তিতে পড়তেন। যেমনটি আত-তাকরীব ১/৩৩২-এ বর্ণিত হয়েছে।

বুখারী ১৩/৪৭৮, ৬/৫৭৯, মুসলিম ২/২১৭ এবং বায়হাকী ১/৩৬০; তাঁরা সবাই সুলাইমান ইবনে বিলালের সূত্র ধরে শারীক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে (আল-কিরাম) রয়েছে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
بطست فيه تور(1) محشو إيمانا وحكمة فحشا به صدره وجوفه ولغاديده(2) ثم أطبقه.

1076 - حدّثنا محمد بن سليمان، قال: حدّثني زيد بن حباب.

وحدّثنا ابن أبي بزة، قال: ثنا محمد بن حبيب مولى آل باذان وغيره -جميعا-عن عبد الله بن المؤمّل، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما-قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ماء زمزم لما شرب له. قال ابن أبي بزة في حديثه: أو منه.

1077 - وحدّثنا عبدة بن عبد الله الصفّار: قال: أنا أبو عامر العقدي، قال: ثنا همّام، عن أبي جمرة.

--------------------------------------------

1076 - إسنادهما ضعيف.

ابن أبي بزّة، هو: أحمد بن محمد بن أبي بزّة. وعبد الله بن المؤمّل، هو: ابن هبة المخزومي. ضعيف. وأبو الزبير، هو: محمد بن مسلم بن تدرس.

رواه ابن أبي شيبة 180/ 1 ب،95/ 8،وأحمد 372،357/ 3،وابن ماجه 1018/ 2،والأزرقي 52/ 2،والعقيلي 303/ 2،وابن عديّ 1455/ 4،والبيهقي 148/ 5 كلّهم من طريق: عبد الله بن المؤمّل به.

وذكره السيوطي في الجامع الكبير 688/ 1 وفي الدر المنثور 220/ 3 - 221 وزاد نسبته للحكيم الترمذي وسمّويه في فوائده، وعمر بن شبّه، والطبراني في الأوسط،والفاكهي في تاريخ مكة.

1077 - إسناده صحيح.

أبو عامر العقدي، هو: عبد الملك بن عمرو. وأبو جمرة: هو: نصر بن عمران الضبعي.

رواه البخاري 330/ 6، من طريق: أبي عامر به. والنسائي في الكبرى من طريق: عفان به (أنظر تحفة الأشراف 263/ 5).

(1) التّور: اناء من صفر، أو حجارة، كالاجّانة، وقد يتوضأ منه. النهاية 199/ 1.

(2) اللغاديد: هي اللحمات عند اللهوات. النهاية 256/ 4.
একটি বড় পাত্র যাতে একটি ছোট পাত্র(১) ছিল, যা ঈমান ও প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ ছিল। অতঃপর তিনি তা দ্বারা তাঁর বক্ষ, উদর এবং কণ্ঠনালীর পাশের মাংসপেশিগুলো পূর্ণ করলেন, এরপর তা বন্ধ করে দিলেন।

১০৭৬ - মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যাইদ বিন হুবাব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবন আবি বাযযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলে বাযানের মুক্তদাস মুহাম্মাদ বিন হাবিব এবং অন্যান্যরা—তারা সকলেই—আবদুল্লাহ বিন মুআম্মিল থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তা সে উদ্দেশ্যেই সফল হয়।" ইবন আবি বাযযাহ তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন: "অথবা তা হতে।"

১০৭৭ - এবং আবদাহ বিন আবদুল্লাহ আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন: আবু আমির আল-আকাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু জামরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১০৭৬ - এ দুটির সনদ দুর্বল।

ইবন আবি বাযযাহ হলেন: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বাযযাহ। এবং আবদুল্লাহ বিন মুআম্মিল হলেন: ইবন হিব্বাহ আল-মাখযুমি; তিনি দুর্বল। এবং আবুয যুবাইর হলেন: মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন তাদরাস।

এটি বর্ণনা করেছেন ইবন আবি শাইবাহ ১৮০/১ ব, ৯৫/৮; আহমাদ ৩৭২, ৩৫৭/৩; ইবন মাজাহ ১০১৮/২; আল-আযরাকি ৫২/২; আল-উকাইলি ৩০৩/২; ইবন আদি ১৪৫৫/৪; এবং আল-বাইহাকি ১৪৮/৫; তাঁদের সকলেই আবদুল্লাহ বিন মুআম্মিলের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং সুয়ুতি এটি 'আল-জামি আল-কাবীর' ৬৮৮/১ এবং 'আদ-দুররুল মানসুর' ২২০/৩ - ২২১ এ উল্লেখ করেছেন এবং অতিরিক্ত হিসেবে এর সম্বন্ধ করেছেন হাকিম তিরমিযী, সাম্মুওয়াইহ তাঁর 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থে, উমর বিন শাব্বাহ, তাবারানি 'আল-আওসাত' গ্রন্থে এবং ফাকিহি 'তারিখে মক্কা' গ্রন্থে।

১০৭৭ - এর সনদ সহীহ।

আবু আমির আল-আকাদি হলেন: আবদুল মালিক বিন আমর। এবং আবু জামরাহ হলেন: নাসর বিন ইমরান আদ-দাবায়ি।

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী ৩৩০/৬, আবু আমিরের সূত্রে। এবং নাসায়ি 'আল-কুবরা' গ্রন্থে আফফানের সূত্রে (দ্রষ্টব্য: তুহফাতুল আশরাফ ২৬৩/৫)।

(১) আত-তাওর: তামা বা পাথরের তৈরি একটি পাত্র, যা গামলার মতো, কখনো তা দিয়ে ওযুও করা হয়। (আন-নিহায়াহ ১৯৯/১)।

(২) আল-লাগারীদ: এগুলো হচ্ছে আলজিহ্বার নিকটবর্তী মাংসপিণ্ড। (আন-নিহায়াহ ২৫৬/৪)।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
1078 - وحدّثنا علي بن سهل بن المغيرة، وعبد الله بن مهران الضرير، قالوا: ثنا عفّان بن مسلم، قال: ثنا همّام، عن أبي جمرة، قال: كنت أدفع الزحام عن ابن عباس-رضي الله عنهما-بمكة. وقال عبدة في حديثه: كنت أجلس إلى/ابن عباس-رضي الله عنهما-بمكة ففقدني أياما. وقال علي وابن مهران: فاحتبست عليه أياما، قال: ما حبسك؟ قلت الحمّى. وقال عبدة:

وعكت أو حممت. قال: ابردها عنك بماء زمزم، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:

الحمّى من فحيح جهنم، فابردوها بماء زمزم. وقال عبدة: فابردوها بالماء، أو قال: بماء زمزم-شك همام-.

1079 - وحدّثنا حسين بن حسن، قال: أنا الفضل بن موسى، قال:

حدّثنا عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن ابن عباس-رضي الله عنهما-قال: إنّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: آية ما بيننا وبين المنافقين أنهم لا يتضلعون من ماء زمزم.

--------------------------------------------

1078 - إسناده صحيح.

رواه أحمد 291/ 1 من طريق: عفان، عن همّام به.

1079 - إسناده حسن.

رواه عبد الرزاق 112/ 5 - 113،والدارقطني 288/ 2،والبيهقي 147/ 5 كلّهم من طريق: عثمان بن الأسود به.

ورواه ابن ماجه 1017/ 2 من طريق: عثمان بن الأسود، عن محمد بن عبد الرحمن، عن ابن عباس به. ورواه الحاكم 472/ 1 من طريق: عثمان بن الأسود عن ابن عباس به. وقال: هذا حديث صحيح على شرط الشيخين ولم يخرجاه، ان كان عثمان بن الأسود سمع من ابن عباس. وتعقّبه الذهبي في تلخيص المستدرك، فقال: لا والله ما لحقه، توفي عام خمسين ومائة، وأكبر مشيخته سعيد بن جبير. أهـ.

والحديث رواه الأزرقي 52/ 2 من طريق: خالد بن كيسان، عن ابن عباس به.

وذكره السيوطي في الكبير 3/ 1 وعزاه للبخاري في التاريخ، وابن ماجه، وأبي نعيم في الحلية، والطبراني في الكبير.
১০৭৮ - এবং আমাদের নিকট আলী ইবন সাহল ইবনুল মুগীরা এবং আব্দুল্লাহ ইবন মিহরান আদ-দারীর বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট আফফান ইবন মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাম্মাম বর্ণনা করেছেন আবু জামরাহ থেকে, তিনি বলেছেন: আমি মক্কায় ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট থেকে ভিড় সরিয়ে দিতাম। এবং আবদাহ তার হাদীসে বলেছেন: আমি মক্কায় ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে বসতাম, তারপর তিনি আমাকে কিছু দিন অনুপস্থিত পেলেন (খোঁজ করলেন)। আর আলী ও ইবন মিহরান বলেছেন: ফলে আমি কিছু দিন তাঁর থেকে অনুপস্থিত থাকলাম। তিনি বললেন: কিসে তোমাকে আটকে রেখেছিল? আমি বললাম: জ্বর। এবং আবদাহ বলেছেন:

আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম বা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলাম। তিনি বললেন: যমযমের পানি দিয়ে তা তোমার থেকে শীতল করো, কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

জ্বর হলো জাহান্নামের নিঃশ্বাসের উত্তাপ থেকে, সুতরাং তোমরা তা যমযমের পানি দিয়ে শীতল করো। এবং আবদাহ বলেছেন: তোমরা তা পানি দিয়ে শীতল করো, অথবা তিনি বলেছেন: যমযমের পানি দিয়ে —এটি হাম্মামের সন্দেহ—।

১০৭৯ - এবং আমাদের নিকট হুসাইন ইবন হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাযল ইবন মূসা, তিনি বলেছেন:

আমাদের নিকট উসমান ইবনুল আসওয়াদ বর্ণনা করেছেন ইবন আবী মুলাইকা থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আমাদের ও মুনাফিকদের মধ্যে নিদর্শন হলো যে, তারা তৃপ্তিভরে যমযমের পানি পান করে না।

--------------------------------------------

১০৭৮ - এর সানাদ সহীহ।

আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন ১/২৯১ পৃষ্ঠায় আফফানের সূত্রে, তিনি হাম্মাম থেকে।

১০৭৯ - এর সানাদ হাসান।

এটি বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক ৫/১১২-১১৩, দারাকুতনী ২/২৮৮ এবং বায়হাকী ৫/১৪৭; তাঁরা সকলেই উসমান ইবনুল আসওয়াদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন ২/১০১৭ পৃষ্ঠায় উসমান ইবনুল আসওয়াদের সূত্রে, তিনি মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে। এবং হাকীম এটি বর্ণনা করেছেন ১/৪৭২ পৃষ্ঠায় উসমান ইবনুল আসওয়াদের সূত্রে ইবন আব্বাস থেকে। এবং তিনি বলেছেন: এটি শায়খাইনের (বুখারী ও মুসলিম) শর্তানুযায়ী সহীহ হাদীস কিন্তু তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি, যদি উসমান ইবনুল আসওয়াদ ইবন আব্বাস থেকে শুনে থাকেন। এবং যাহাবী তালখীসুল মুস্তাদরাকে এর সমালোচনা করে বলেছেন: না আল্লাহর কসম, তিনি তাঁর সাক্ষাৎ পাননি, তিনি ১৫০ হিজরীতে মারা গেছেন এবং তাঁর সবচেয়ে প্রবীণ উস্তাদ হলেন সাঈদ ইবন জুবায়র। (সমাপ্ত)।

এবং হাদীসটি আজরাকী ২/৫২ পৃষ্ঠায় খালিদ ইবন কাইসানের সূত্রে ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং সুয়ূতী এটি আল-জামি আল-কবীর-এ ৩/১ উল্লেখ করেছেন এবং এর সম্বন্ধ করেছেন বুখারীর আত-তারীখ, ইবনে মাজাহ, আবু নুয়াইমের আল-হিলইয়াহ এবং তাবারানীর আল-কাবীর-এর দিকে।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
1080 - حدّثني الحسين بن عبد المؤمن، قال: أنا علي بن عاصم، عن خالد الحذّاء، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر رضي الله عنه-قال: لمّا خرجت إلى النبي صلى الله عليه وسلم تلك الليلة من تحت أستار الكعبة فسلّمت عليه، قال: من أنت؟ فقلت: من بني غفار، فوضع يده على رأسه، وقال: مذ كم أنت ها هنا؟ قلت: من بضعة عشر يوما. قال صلى الله عليه وسلم: فما كان طعامك؟ قلت له: ما كان لي طعام إلا ماء زمزم، وقد تعكم أو تعكن بطني كما ترى، قال صلى الله عليه وسلم: إنها طعام طعم وشفاء سقم، قال:

فالتفت صلى الله عليه وسلم فقال: يا أبا بكر اذهب به إلى منزلك، فأطعمه فذهب، فأطعمني زبيبا طائفيا، قال أبو ذر-رضي الله عنه:فإنه أوّل طعام أكلته بمكة.

1081 - وحدّثنا عبد الله بن أحمد، قال: ثنا عبد الله بن يزيد، قال: ثنا سليمان بن المغيرة، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر-رضي الله عنه-قال: قال أبو ذر-رضي الله عنه:خرجنا من قومنا غفار، وكانوا يحلّون الشهر الحرام، وصليت يا ابن أخي قبل أن ألقى رسول الله صلى الله عليه وسلم بثلاث سنين. قلت: فأين تتوجّه؟ قال: حيث يوجهني الله.

قال: فأتيت زمزم، فغسلت عني الدماء، وشربت من مائها، فلبثت يا ابن

--------------------------------------------

1080 - شيخ المصنّف لم أقف عليه. وبقيّة رجاله موثقون.

ذكره الهيثمي في مجمع الزوائد 286/ 3،وعزاه للبّزار والطبراني في الصغير، وقال: ورجال البّزار رجال الصحيح. وذكره ابن حجر في المطالب العالية 368/ 1،وعزاه لابن أبي شيبة في مسنده.

1081 - إسناده صحيح.

رواه أحمد 174/ 5،والطيالسي 203/ 2،وابن سعد في الطبقات 219/ 4،ومسلم 27/ 16،والبيهقي 147/ 5، كلّهم من طريق سليمان بن المغيرة به.
১০৮০ - হুসাইন বিন আবদুল মুমিন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আলী বিন আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি হুমাইদ বিন হিলাল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আস-সামিত থেকে, তিনি আবু যার রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেছেন: যখন আমি সেই রাতে কাবার পর্দার নিচ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বের হলাম এবং তাঁকে সালাম দিলাম, তখন তিনি বললেন: তুমি কে? আমি বললাম: গিফার গোত্রের একজন লোক। তখন তিনি তাঁর হাত আমার মাথার ওপর রাখলেন এবং বললেন: তুমি কতদিন ধরে এখানে আছ? আমি বললাম: দশ দিনেরও বেশি সময় ধরে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমার খাদ্য কী ছিল? আমি তাঁকে বললাম: যমযমের পানি ছাড়া আমার কোনো খাদ্য ছিল না, আর আমার পেটের চামড়া ভাঁজ হয়ে গেছে (বা আমি স্থূলকায় হয়েছি) যেমনটি আপনি দেখছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: নিশ্চয়ই এটি তৃপ্তিদায়ক খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্য। তিনি বললেন:

অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মনোনিবেশ করলেন এবং বললেন: হে আবু বকর, একে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাও এবং তাকে খাবার খাওয়াও। অতঃপর তিনি নিয়ে গেলেন এবং আমাকে তায়েফের কিসমিস খাওয়ালেন। আবু যার রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন: এটিই ছিল প্রথম খাদ্য যা আমি মক্কায় খেয়েছিলাম।

১০৮১ - আর আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুলাইমান বিন আল-মুগীরা আমাদের বর্ণনা করেছেন হুমাইদ বিন হিলাল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আস-সামিত থেকে, তিনি আবু যার রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন—আবু যার রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: আমরা আমাদের গিফার গোত্র থেকে বের হলাম, তারা নিষিদ্ধ মাসকে হালাল সাব্যস্ত করত। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাতের তিন বছর পূর্ব থেকেই সালাত আদায় করতাম। আমি (বর্ণনাকারী) জিজ্ঞেস করলাম: আপনি কোন দিকে অভিমুখী হতেন? তিনি বললেন: আল্লাহ আমাকে যেদিকে অভিমুখী করতেন।

তিনি বললেন: অতঃপর আমি যমযমে আসলাম এবং আমার গায়ের রক্ত ধুয়ে ফেললাম এবং এর পানি পান করলাম। হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র, আমি অবস্থান করলাম...

--------------------------------------------

১০৮০ - গ্রন্থকারের শাইখ (শিক্ষক) সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি। তবে তাঁর অবশিষ্ট রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

আল-হাইতামী এটি মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/২৮৬-তে উল্লেখ করেছেন এবং একে আল-বাযযার ও আত-তাবারানী ফিল সাগীর-এর দিকে নিসবত করেছেন। তিনি বলেছেন: বাযযারের রাবীগণ সহীহ-এর রাবী। ইবনে হাজার এটি আল-মাতালিবুল আলিয়া ১/৩৬৮-তে উল্লেখ করেছেন এবং একে ইবনে আবি শাইবাহর দিকে তাঁর মুসনাদে নিসবত করেছেন।

১০৮১ - এর সনদ সহীহ।

এটি আহমাদ ৫/১৭৪, আত-তায়ালিসি ২/২০৩, ইবনে সাদ আত-তাবাকাত ৪/২১৯, মুসলিম ১৬/২৭ এবং আল-বায়হাকী ৫/১৪৭ বর্ণনা করেছেন; তারা সকলেই সুলাইমান বিন আল-মুগীরার সূত্র থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
أخي ثلاثين من بين يوم وليلة ما لي طعام إلا ماء زمزم، حتى تكسرت عكن بطني، وما وجدت على كبدي سخفة جوع. قال: فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم وصاحبه-رضي الله عنه-حتى أتيا الحجر فاستلمه، ثم طاف، ثم صلى، فأتيته حين قضى صلاته فكنت أوّل من حيّاه بتحية الإسلام، فقال: وعليك رحمة الله، من أنت؟ قلت: من بني غفار. فذكر نحوا من بعض حديث علي ابن عاصم وزاد فيه: إنها مباركة، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: غفار غفر الله لها، وأسلم سالمها الله.

1082 - وحدّثنا عبد الله بن عمران، قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: ثنا عثمان بن ساج، قال: أخبرني الكلبي، أظنه عن ابن عون، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، ابن أخي أبي ذر-رضي الله عنه-قال:

قال عمي فذكر نحوه.

1083 - حدّثنا محمد بن اسماعيل، قال: ثنا عفّان، قال: ثنا حمّاد بن سلمة، قال: أنا علي بن زيد، عن سعيد بن المسيّب، قال: بينا العباس بن عبد المطلب-رضي الله عنه-في زمزم وهم ينزعون ويخافون ان تنزح، فجاء كعب، فقال: انزعوا ولا تهابوا، فو الذي نفسي بيده إني أجدها في كتاب الله عز وجل -الرّواء. فقال العباس-رضي الله عنه/فأي عيونها أغزر؟

--------------------------------------------

1082 - إسناده متروك.

الكلبي، هو: محمد بن السائب الكلبي. وصحّ من غير هذه الطريق.

رواه الأزرقي 53/ 2، من طريق: سعيد بن سالم به.

ومسلم 31/ 16 - 32 من طريق: ابن أبي عديّ، عن ابن عون به.

1083 - إسناده ضعيف.

محمد بن اسماعيل، هو: الصائغ. وعلي بن زيد، هو: ابن جدعان. ضعيف كما في التقريب.
হে আমার ভাই, ত্রিশ দিন ও রাতব্যাপী যমযমের পানি ছাড়া আমার আর কোনো খাদ্য ছিল না, এমনকি আমার পেটের ভাঁজগুলো মেদপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল এবং আমি আমার কলিজায় ক্ষুধার কোনো কষ্ট অনুভব করিনি। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাথী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এগিয়ে এলেন এবং হাজরে আসওয়াদের নিকট পৌঁছে তা স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি তাওয়াফ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন, তখন আমি তাঁর নিকট আসলাম এবং আমিই প্রথম ব্যক্তি যে তাঁকে ইসলামের সম্ভাষণে অভিবাদন জানালাম। তিনি বললেন: তোমার ওপরও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, তুমি কে? আমি বললাম: বনু গিফার গোত্রের। এরপর তিনি আলি ইবনে আসিমের হাদীসের কিছু অংশের মতো উল্লেখ করলেন এবং তাতে অতিরিক্ত বর্ণনা করলেন: "নিশ্চয়ই এটি বরকতময়।" অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "গিফার গোত্রকে আল্লাহ ক্ষমা করুন এবং আসলাম গোত্রকে আল্লাহ নিরাপদ রাখুন।"

১০৮২ - এবং আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে ইমরান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে সালিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উসমান ইবনে সাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কালবি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমার ধারণা তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে হিলাল থেকে, তিনি আবু যর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র আব্দুল্লাহ ইবনে সামিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমার চাচা বলেছেন—অতঃপর তিনি এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

১০৮৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলি ইবনে যায়দ বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদা আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যমযমের নিকট ছিলেন এবং লোকজন পানি তুলছিল আর তারা ভয় পাচ্ছিল যে পানি শেষ হয়ে যাবে। তখন কাব আসলেন এবং বললেন: তোমরা পানি তোলো এবং ভয় পেয়ো না। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই আমি মহান আল্লাহর কিতাবে একে 'আর-রাওয়া' (তৃষ্ণা নিবারণকারী) হিসেবে পাই। তখন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: এর কোন ঝরনাটি সবচেয়ে বেশি প্রবাহমান?

--------------------------------------------

১০৮২ - এর সনদ পরিত্যক্ত।

কালবি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে সাইব আল-কালবি। তবে এটি অন্য সূত্রে সহীহ সাব্যস্ত হয়েছে।

এটি আল-আযরাকি ২/৫৩ তে সাঈদ ইবনে সালিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুসলিম ১৬/৩১-৩২ এ ইবনে আবি আদি-এর সূত্রে ইবনে আউন থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

১০৮৩ - এর সনদ যঈফ (দুর্বল)।

মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল হলেন আস-সাইগ। এবং আলি ইবনে যায়দ হলেন ইবনে জুদআন। তিনি 'তাকরীব' গ্রন্থ অনুযায়ী যঈফ।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٣١)
قال: العين التي تجري من قبل الحجر. قال صدقت(1).فقال له العباس رضي الله عنه:من أنت؟ قال: أنا كعب. قال: ما منعك أن تسلم على عهد النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر-رضي الله عنه-حتى أسلمت على عهد عمر رضي الله عنه؟ قال: إنّ أبي كتب لي كتابا من التوراة ودفعه إليّ، وقال: اعمل بهذا، وختم على سائر كتبه، وأخذ عليّ بحق الوالد على ولده الا افضّ الخاتم، قال فلما كان [الآن](2) فرأيت الإسلام يظهر، قالت لي نفسي: لعل أباك غيّب عنك علما كتمك فلو قرأته، ففضضت الخاتم فقرأته فوجدت فيه صفة محمد النبي صلى الله عليه وسلم وأمته فجئت الآن مسلما(3).

1084 - وأخبرني الحسن بن عثمان، عن الواقدي، قال: حدّثني شرحبيل ابن أبي عون، عن أبيه، قال: كان الجوع يبلغ بنا حتى ما يحمل الرجل سلاحه، فأغدو إلى زمزم ويغدو معي أصحابي، فنشرب فنجدها عصمة.

قال الواقدي: وحدّثني عبد الملك بن وهب، عن عطاء بن أبي مروان قال:

رأيت الرجل من أصحاب ابن الزبير-رضي الله عنهما،وما يستطيع أن يحمل السلاح(4).

--------------------------------------------

1084 - إسناده ضعيف جدا.

الواقدي متروك على سعة علمه على ما قال الحافظ،وأبو عون، هو: ابن أبي حازم، مولى المسور بن مخرمة. قال أبو زرعة الرازي: مديني لا نعرفه. الجرح 414/ 9.

(1) نقله الفاسي في شفاء الغرام 248/ 1 عن الفاكهي.

(2) سقطت من الأصل، وألحقناها من ابن سعد.

(3) رواه ابن سعد في الطبقات 445/ 7 - 446 من طريق: عفان به. وذكره ابن حجر في الاصابة 298/ 3،وعزاه لابن سعد.

(4) سيأتي هذا الأثر بعد الأثر رقم (1673) وتكملته هناك (كما يريد وما كانوا يستغيثون إلاّ بزمزم).وقد ذكره بنحوه ابن عساكر في تاريخه. (421/ 7 من تهذيبه).
তিনি (কাব) বললেন: সেই ঝরনা যা পাথরটির দিক থেকে প্রবাহিত হয়। তিনি (আব্বাস) বললেন: আপনি সত্য বলেছেন(১)। তখন আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন: আপনি কে? তিনি বললেন: আমি কাব। তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর যুগে ইসলাম গ্রহণ করতে আপনাকে কিসে বাধা দিয়েছিল যে, আপনি উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর যুগে ইসলাম গ্রহণ করলেন? তিনি বললেন: আমার পিতা আমার জন্য তাওরাত থেকে একটি কিতাব লিখেছিলেন এবং তা আমাকে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন: "এর ওপর আমল করো", আর তাঁর অবশিষ্ট কিতাবগুলো তিনি সীলগালা করে দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ওপর সন্তানের হকের কসম দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন যে, আমি যেন সীলগালা না খুলি। তিনি বললেন: অতঃপর যখন [এখন] আমি ইসলামকে বিজয়ী হতে দেখলাম, তখন আমার মন আমাকে বলল: হয়তো তোমার পিতা তোমার কাছে এমন কোনো জ্ঞান গোপন করেছেন যা তিনি তোমার থেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন, তাই তুমি যদি তা পড়তে! ফলে আমি সীলগালা খুললাম এবং তা পাঠ করলাম। সেখানে আমি নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর উম্মতের বিবরণ পেলাম, তাই আমি এখন মুসলিম হয়ে এসেছি(৩)।

১০৮৪ - এবং হাসান বিন উসমান আমাকে ওয়াকিদী থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শুরাহবিল ইবনে আবি আউন তাঁর পিতা থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ক্ষুধা আমাদের এমন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছিল যে, কোনো ব্যক্তি তার অস্ত্র বহন করতে পারত না। তখন আমি যমযমের কাছে যেতাম এবং আমার সঙ্গীরাও আমার সাথে যেত; আমরা পান করতাম এবং এটিকে ক্ষুধা নিবারণের উপায় হিসেবে পেতাম।

ওয়াকিদী বলেন: এবং আব্দুল মালিক বিন ওয়াহাব আতা বিন আবি মারওয়ান থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি ইবনে যুবায়ের রাযিয়াল্লাহু আনহুমা-এর সঙ্গীদের মধ্যে এমন ব্যক্তিকে দেখেছি, যে অস্ত্র বহন করার সামর্থ্য রাখত না(৪)।

--------------------------------------------

১০৮৪ - এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।

হাফেয (ইবনে হাজার) এর বক্তব্য অনুযায়ী, ওয়াকিদী তাঁর অগাধ জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও পরিত্যাজ্য (মাতরুক)। আর আবু আউন হলেন: ইবনে আবি হাযিম, মিসওয়ার বিন মাখরামার মুক্তদাস। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেছেন: তিনি মদিনার অধিবাসী, আমরা তাঁকে চিনি না। আল-জারহ ৯/৪১৪।

(১) আল-ফাসী এটি 'শিফাউল ঘারাম' ১/২৪৮-এ আল-ফাকিহী থেকে উদ্ধৃত করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এটি বাদ পড়েছিল, আমরা ইবনে সা'দ থেকে এটি যুক্ত করেছি।

(৩) এটি ইবনে সা'দ 'আত-তাবাকাত' ৭/৪৪৫-৪৪৬-এ আফফানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হাজার 'আল-ইসাবাহ' ৩/২৯৮-এ এটি উল্লেখ করেছেন এবং ইবনে সা'দ-এর উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

(৪) এই বর্ণনাটি ১৬৭৩ নম্বর বর্ণনার পরে পুনরায় আসবে এবং এর পরিশিষ্ট সেখানে রয়েছে (যেমনটি তিনি চান এবং তারা যমযম ব্যতীত অন্য কিছুর মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করত না)। ইবনে আসাকির তাঁর ইতিহাসে (তাঁর তাহযীবের ৭/৪২১) অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٣٢)
1085 - وحدّثني عبد الله بن عبد الرحمن العنبري من أهل مصر، قال:

حدّثني ابراهيم بن يعقوب الفارسي، قال: ثنا عمران بن موسى، عن أبي الجارود المكي، عن رجل من أهل مكة، قال: دخلت إلى زمزم، فإذا فيها رجل يستقي، فقال لي: ما تصنع بهذا الماء؟ فقلت له: أشرب لما جاء فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم، فقال لي: اشرب لظمأ يوم القيامة، فإن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ماء زمزم لما شرب له. قال: فالتفتّ فلم أره.

1086 - حدّثنا حسين بن عبد المؤمن، قال: ثنا علي بن عاصم، عن يزيد ابن أبي زياد، عن مقسم، قال: قال ابن عباس-رضي الله عنهما-قال:

كان أهل الجاهلية يسمّون زمزم شبعة(1).قال يزيد: وأخبرني رجل من أهل الشام، عن كعب، قال: زمزم مكتوبة في بعض الكتب: طعام طعم وشفاء سقم(2).

1087 - حدّثنا عبد الله بن عمران قال: ثنا سعيد بن سالم، قال: ثنا عثمان

--------------------------------------------

1085 - شيخ المصنّف، وأبو الجارود المكي، لم نقف لهما على ترجمة.

1086 - إسناده ضعيف.

يزيد بن أبي زياد، هو: الكوفي، ضعيف، كبر فتغيّر. التقريب 365/ 2.

1087 - إسناده ضعيف.

رواه الأزرقي 53/ 2 من طريق: سعيد بن سالم به.

(1) كذا في الأصل. وفي النهاية لابن الأثير 441/ 2 (إنّ زمزم كان يقال لها في الجاهليّة: شبّاعة).وأنظر الأثر (1094).

(2) رواه ابن أبي شيبة 180/ 1 ب من طريق: ابن فضيل، عن يزيد بن أبي زياد به. والأزرقي 50/ 2 من طريق: عبيد بن عمير، عن كعب بنحوه.

وذكره السيوطي في الدر المنثور 222/ 3،وعزاه لابن أبي شيبة، والأزرقي والفاكهي.
১০৮৫ - আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল-আনবারি মিসরবাসী থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

ইবরাহিম বিন ইয়াকুব আল-ফারসি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইমরান বিন মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল জারুদ আল-মাক্কি থেকে, তিনি মক্কার জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জমজমে প্রবেশ করলাম, সেখানে একজন লোককে পানি তুলতে দেখলাম। তিনি আমাকে বললেন: আপনি এই পানি দিয়ে কী করবেন? আমি তাকে বললাম: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার উদ্দেশ্যে আমি এটি পান করি। তখন তিনি আমাকে বললেন: কিয়ামতের দিনের তৃষ্ণার জন্য এটি পান করুন, কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জমজমের পানি যে নিয়তে পান করা হয়, তা তারই জন্য। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর আমি তাকালাম কিন্তু তাকে আর দেখতে পেলাম না।

১০৮৬ - হুসাইন বিন আব্দুল মুমিন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলি বিন আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন আবি জিয়াদ থেকে, তিনি মিকসাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন:

জাহেলি যুগের লোকেরা জমজমকে 'শিবআহ' (তৃপ্তিদায়ক) বলত। ইয়াজিদ বলেন: সিরিয়ার জনৈক ব্যক্তি আমাকে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জমজম সম্পর্কে কোনো কোনো কিতাবে লেখা আছে: এটি ক্ষুধার খাদ্য এবং রোগের নিরাময়।

১০৮৭ - আবদুল্লাহ বিন ইমরান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন সালিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান

--------------------------------------------

১০৮৫ - গ্রন্থকারের শায়খ এবং আবু জারুদ আল-মাক্কি; আমরা তাদের কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি।

১০৮৬ - এর সনদ দুর্বল।

ইয়াজিদ বিন আবি জিয়াদ হলেন কুফি; তিনি দুর্বল, বার্ধক্যে উপনীত হওয়ায় তার স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল। (তাকরিব ৩৬৫/২)।

১০৮৭ - এর সনদ দুর্বল।

আল-আযরাকি (৫৩/২) সাঈদ বিন সালিমের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। আর ইবনুল আসিরের 'আন-নিহায়াহ' গ্রন্থে (৪৪১/২) আছে: (জাহেলি যুগে জমজমকে 'শাব্বাআহ' বলা হতো)। আরও দেখুন বর্ণনা নং ১০৯৪।

(২) ইবনে আবি শায়বাহ (১৮০/১ খ) ইবনে ফুদাইল ও ইয়াজিদ বিন আবি জিয়াদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আল-আযরাকি (৫০/২) উবাইদ বিন উমাইর ও কাবের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আস-সুয়ুতি 'আদ-দুররুল মানসুর' (২২২/৩) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং একে ইবনে আবি শায়বাহ, আল-আযরাকি ও আল-ফাকিহির দিকে সম্বন্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ٤٢) আখবারু মাক্কাহ - আল-ফাকিহী - ত ৪ (পৃষ্ঠা: ٣٣)
ابن ساج، قال: أخبرني يزيد بن أبي زياد، عن شيخ من أهل العلم، قال:

سمعت كعبا يقول نحو الكلام الآخر.

1088 - حدّثنا ميمون بن الحكم الصنعاني، قال: ثنا محمد بن جعشم، قال: أنا إبن جريج، قال: اخبرني [عبيد الله](1) بن أبي يزيد، عن عبد الله بن ابراهيم بن قارظ [أن](2) زييد بن الصلت أخبره، أنّ كعبا، قال لزمزم: برّة مضنونة، ضنّ بها لكم، أول من أخرجت له اسماعيل-عليه السلام-قال: وقال كعب في هذا الحديث: تجدها طعام طعم وشفاء سقم.

*قال ابن جريج: وحدّثني ابن أبي(3) حسين، أنّ النبي صلى الله عليه وسلم كان كتب إلى سهيل بن عمرو: إن جاءك كتابي ليلا فلا تصبحن، أو نهارا فلا تمسين حتى تبعث إليّ من ماء زمزم. قال فاستعانت امرأة سهيل أثيلة الخزاعية جدة أيوب بن عبد الله بن زهير، فادلجتاهما وجواريهما، فلم يصبحا حتى قرنتا مزادتين، وفرغتا منهما فجعلهما في كرّين(4) غوطيين ثم ملأهما ماء فبعث بهما على بعير(5).

--------------------------------------------

1088 - شيخ المصنّف لم أقف على ترجمته، وبقيّة رجاله ثقات.

رواه عبد الرزاق 115/ 5 من طريق: ابن جريج به. والأزرقي 53/ 2 من طريق: سعيد بن سالم، عن عثمان بن ساج، عن ابن جريج به.

(1) في الأصل (عبد الله) وهو تصحيف.

(2) في الأصل (ابن).

(3) هو: عبد الله بن عبد الرحمن.

(4) الكرّ: جنس من الثياب الغلاظ.أفاده المحبّ الطبري في القرى.

(5) رواه عبد الرزاق 119/ 5،والأزرقي 51/ 2، كلاهما من طريق: ابن جريج به. وذكره المحب في القرى ص:491،وعزاه لأبي موسى المديني، والأزرقي.

وذكره ابن حجر في الاصابة 221/ 4 في ترجمة: أثيلة الخزاعيّة، وعزاه للفاكهي، وعمر بن شبّة.
ইবনে সাজ বলেন: ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ আমাকে একজন আলেম ব্যক্তির সূত্রে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন:

আমি কাবকে পূর্বের কথার ন্যায় বলতে শুনেছি।

১০৮৮ - মায়মুন ইবনুল হাকাম আস-সানআনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে জাআশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুরাইজ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ [উবায়দুল্লাহ](১) ইবনে আবি ইয়াজিদ আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে কারিজের সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন যে, [যে](২) জুয়াইদ ইবনুল সালত তাকে জানিয়েছেন যে, কাব জমজম সম্পর্কে বলেছেন: এটি একটি পরম কল্যাণকর ও সংরক্ষিত সম্পদ, যা তোমাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। যার জন্য এটি প্রথম বের করা হয়েছিল তিনি হলেন ইসমাইল আলাইহিস সালাম। তিনি বলেন: কাব এই হাদিসে আরও বলেছেন: তুমি এটিকে খাদ্যের ন্যায় তৃপ্তিদায়ক এবং রোগের নিরাময়কারী হিসেবে পাবে।

*ইবনে জুরাইজ বলেন: ইবনে আবি(৩) হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুহাইল ইবনে আমরের নিকট লিখেছিলেন: "যদি আমার পত্র তোমার কাছে রাতে পৌঁছে তবে সকাল হওয়ার আগেই, অথবা দিনে পৌঁছলে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই আমার কাছে জমজমের পানি পাঠাবে।" তিনি বলেন, তখন সুহাইলের স্ত্রী উসাইলা আল-খুজাইয়্যাহ—যিনি আইয়ুব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জুহাইরের দাদী—সাহায্য চাইলেন। অতঃপর তিনি এবং তার দাসীরা রাতের শেষাংশে যাত্রা করলেন এবং সকাল হওয়ার আগেই দুটি বড় মশক প্রস্তুত করলেন। তারা সেগুলো থেকে অবসর হয়ে দুটি মোটা কাপড়ের(৪) আবরণে রাখলেন এবং উটের পিঠে(৫) করে পাঠিয়ে দিলেন।

--------------------------------------------

১০৮৮ - গ্রন্থকারের উস্তাদের জীবনী আমি খুঁজে পাইনি, তবে বর্ণনাকারীদের বাকি সবাই নির্ভরযোগ্য।

এটি আব্দুর রাজ্জাক ৫/১১৫ এ ইবনে জুরাইজের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আল-আজরাকি ২/৫৩ এ সাঈদ ইবনে সালেম—উসমান ইবনে সাজ—ইবনে জুরাইজের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(১) মূলে (আব্দুল্লাহ) রয়েছে, যা একটি লিখনগত ত্রুটি।

(২) মূলে (ইবনে) রয়েছে।

(৩) তিনি হলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান।

(৪) আল-কুর: এক প্রকার মোটা কাপড়। মুহিব্বুত তাবারি 'আল-কুরা' গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।

(৫) এটি আব্দুর রাজ্জাক ৫/১১৯ এবং আল-আজরাকি ২/৫১ বর্ণনা করেছেন, উভয়েই ইবনে জুরাইজের সূত্রে। মুহিব এটি আল-কুরা এর ৪৯১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন এবং আবু মুসা আল-মাদিনি ও আল-আজরাকির দিকে নিসবত করেছেন।

ইবনে হাজার 'আল-ইসাবাহ' ৪/২২১ এ উসাইলা আল-খুজাইয়্যাহর জীবনীতে এটি উল্লেখ করেছেন এবং আল-ফাকিহি ও উমর ইবনে শাব্বার দিকে নিসবত করেছেন।