(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
المزكيات القسم: كتب السنة
الكتاب: المزكيات وهي الفوائد المنتخبة الغرائب العوالي من حديث أبي إسحاق المزكي انتقاء وتخريج الدارقطني
المؤلف: أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيْمُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ يَحْيَى بنِ سَخْتَوَيْه النَّيْسَابُوْرِيُّ المُزَكِّي (ت 362هـ)
المحقق: أحمد بن فارس السلوم
الناشر: دار البشائر الإسلامية
الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 278
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
আল-মুযাক্কিয়াত বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মুযাক্কিয়াত; যা হলো আবু ইসহাক আল-মুযাক্কির হাদিস থেকে ইমাম আদ-দারাকুতনি কর্তৃক নির্বাচিত ও তাখরিজকৃত বিরল ও উচ্চ সনদবিশিষ্ট ফাওয়ায়েদসমূহ
লেখক: আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাখতাওয়াইহ আন-নিসাবুরি আল-মুযাক্কি (মৃত্যু: ৩৬২ হিজরি)
তাহকিক: আহমাদ বিন ফারিস আস-সাল্লুম
প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭৮
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খায়ের আকবিল
[কিতাবের নম্বর মুদ্রণ সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
من كتب العلل ومعرفة الغرائب
المزكيات
وهي الفوائد المنتخبة الغرائب العوالي
مِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بن يحيى المزكي النيسابوري
انتقاء وتخريج
علم الحفاظ علي بن عمر الدارقطني
عن نسخة عليها سماعات أئمةٍ كبار كابن الجوزي والمقدسي
وابن تيمية والمزي والبرزالي والذهبي وغيرهم
قابل أصوله وخرج أحاديثه
الدكتور أحمد بن فارس السلوم
دار البشائر الإسلامية
الطبعة الأولى
1425 هـ - 2004 م
ইল্লাত (ত্রুটি) ও বিরল বর্ণনা পরিচিতি বিষয়ক গ্রন্থসমূহ থেকে
আল-মুজাক্কিয়্যাত
যা হলো নির্বাচিত ফায়দাহসমূহ এবং বিরল ও উচ্চ সনদসম্পন্ন বর্ণনাসমূহ
আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া আল-মুজাক্কি আন-নাইসাবুরীর হাদিসসমূহ হতে
চয়ন ও তাখরীজ করেছেন
হাফিজগণের শিরোমণি আলী ইবন উমর আদ-দারাকুতনী
এমন একটি পাণ্ডুলিপি হতে যার ওপর ইবনুল জাওযী এবং আল-মাকদিসীর ন্যায় মহান ইমামগণের শ্রবণ-সনদ (সামা'আত) রয়েছে
এবং ইবনে তাইমিয়্যাহ, আল-মিযযী, আল-বিরযালী, আজ-জাহাবী ও অন্যান্যদের
এর মূল পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে তুলনা এবং হাদিসগুলোর তাখরীজ করেছেন
ডক্টর আহমাদ বিন ফারিস আস-সাললুম
দার আল-বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ
প্রথম সংস্করণ
১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٦١)
الجزء الأول من الفوائد المنتخبة العوالي من المزكيات انتقاء الحافظ الدارقطني⦗ص: 63⦘بسم الله الرحمن الرحيم
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السراج، ثنا قتيبة بن سعيد، ثنا جعفر بن سليمان، ثنا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ:
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لا يَدَّخِرُ شَيْئًا لغد.
হাফেজ আদ-দারাকুতনি কর্তৃক নির্বাচিত আল-মুযাক্কিয়াত থেকে বাছাইকৃত উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন হাদিসসমূহের প্রথম খণ্ড⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আস-সাররাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন:
নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগামীকালের জন্য কোনো কিছু সঞ্চয় করে রাখতেন না।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
2 - أخبرنا أبو العباس محمد بن إسحاق، ثنا قتيبة (بن سعيد)، ثنا جعفر بن سليمان، ثنا ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ:
مُطِرْنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَحَسَرَ عَنْ رَأْسِهِ حَتَّى أَصَابَهُ الْمَطَرُ، فَقُلْتُ لَهُ: لِمَ صَنَعْتَ هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: ((إنه حديث عهدٍ بربه عز وجل).
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ (ইবন সাঈদ), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে থাকাকালীন আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো। তখন তিনি তাঁর মাথা থেকে (কাপড়) সরিয়ে নিলেন যাতে তাঁর ওপর বৃষ্টির পানি পড়ে। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন এমন করলেন? তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এটি তার মহান ও পরাক্রমশালী রবের পক্ষ থেকে সদ্য আগত (অর্থাৎ বৃষ্টির পানি সৃষ্টির দিক থেকে নতুন)।”
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
3 - حدثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، ثنا عمران بن موسى، ثنا عبد الوارث، ثنا محمد بن جحادة، ثنا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَائِلٍ قَالَ: كُنْتُ غُلامًا لا أَعْقِلُ صَلاةَ أَبِي، فَحَدَّثَنِي وَائِلُ بْنُ عَلْقَمَةَ أَوْ عَلْقَمَةُ بْنُ وَائِلٍ، عَنْ أبي وائل ابن حُجْرٍ قَالَ:
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ فِي الصَّلاةِ رَفَعَ يَدَيْهِ
⦗ص: 66⦘ ثُمَّ كَبَّرَ ثُمَّ الْتَحَفَ، ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَيْهِ فِي ثَوْبِهِ، ثُمَّ أَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ أَخْرَجَ يَدَيْهِ مِنْ ثوبه فرفعهما وكبر، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَ يَدَيْهِ، ثم كبر فَسَجَدَ وَوَضَعَ وَجْهَهُ بَيْنَ كَفَّيْهِ، فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ رَفَعَ يَدَيْهِ، فَلَمْ يَزَلْ يَفْعَلُ ذَلِكَ حَتَّى فَرَغَ مِنْ صَلاتِهِ.
قَالَ مُحَمَّدٌ -يَعْنِي ابْنَ جُحَادَةَ-: فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ، فَقَالَ: هِيَ صَلاةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَعَلَهُ من فعله وتركه من تركه.
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ, তিনি ইমরান ইবনে মুসা থেকে, তিনি আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি আব্দুল জাব্বার ইবনে ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এমন এক বালক ছিলাম যে আমার পিতার সালাত বুঝতে পারতাম না। অতঃপর ওয়াইল ইবনে আলকামাহ অথবা আলকামাহ ইবনে ওয়াইল আমার নিকট আবু ওয়াইল ইবনে হুজর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে প্রবেশ করতেন, তখন তিনি তাঁর হাত উঠাতেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ অতঃপর তাকবীর বলতেন এবং চাদর আবৃত করতেন। এরপর তিনি তাঁর হাত দুটি কাপড়ের ভেতরে প্রবেশ করাতেন, অতঃপর ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরতেন। এরপর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন, তখন তাঁর হাত দুটি কাপড় থেকে বের করতেন এবং তা উঠাতেন ও তাকবীর বলতেন। যখন তিনি রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন, তখন তিনি হাত উঠাতেন। অতঃপর তাকবীর বলে সিজদা করতেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল দুই হাতের তালুর মাঝে রাখতেন। যখন তিনি সিজদা থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন, তখন হাত উঠাতেন। তিনি তাঁর সালাত শেষ না করা পর্যন্ত এভাবেই করতে থাকতেন।
মুহাম্মাদ—অর্থাৎ ইবনে জুহাদাহ—বলেন: আমি হাসান ইবনে আবিল হাসান আল-বসরীর নিকট এটি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: এটিই হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত; যে এটি পালন করার সে করেছে, আর যে বর্জন করার সে বর্জন করেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثقفي، ثنا قتيبة بن سعيد، ثنا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ:
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كان في غزاة تبوك إذا ارْتَحَلَ قَبْلَ أَنْ تَزِيغَ الشَّمْسُ أَخَّرَ الظُّهْرَ حَتَّى يَجْمَعَهَا إِلَى الْعَصْرِ، فَيُصَلِّيهِمَا جَمِيعًا، وَإِذَا ارْتَحَلَ بَعْدَ زَيْغِ الشَّمْسِ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ سَارَ.
وَكَانَ إِذَا ارْتَحَلَ قَبْلَ المغرب أخر المغرب حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الْعِشَاءِ، وَإِذَا ارْتَحَلَ بَعْدَ الْمَغْرِبِ عَجَّلَ الْعِشَاءَ فَصَلاهَا مَعَ الْمَغْرِبِ.
⦗ص: 69⦘قَالَ قُتَيْبَةُ: عَلَيْهِ سَبْعُ عَلامَاتٍ، عَلامَةِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، وَيَحْيَى بْنِ مَعِينٍ، وَأَبِي خَيْثَمَةَ، وَأَبِي بكر بن شيبة، والحميدي، حتى عد سبعة.
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহিম আস-সাকাফি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবন সাঈদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন লাইস, ইয়াজিদ ইবন আবি হাবিব থেকে, তিনি আবুল তুফাইল আমির ইবন ওয়াসিলা থেকে, তিনি মুয়াজ ইবন জাবাল থেকে বর্ণনা করেন যে:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক যুদ্ধে থাকাকালীন যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার আগে রওয়ানা হতেন, তখন জোহরের নামাজ বিলম্ব করতেন যতক্ষণ না তা আসরের সাথে জমা করতেন, অতঃপর উভয় নামাজ একত্রে আদায় করতেন। আর যদি সূর্য ঢলে পড়ার পর রওয়ানা হতেন, তবে জোহর ও আসর একত্রে আদায় করে নিতেন, তারপর যাত্রা শুরু করতেন।
আর যখন তিনি মাগরিবের আগে রওয়ানা হতেন, তবে মাগরিব বিলম্ব করতেন যাতে তা এশার সাথে আদায় করতে পারেন। আর যখন মাগরিবের পর রওয়ানা হতেন, তবে এশাকে এগিয়ে আনতেন এবং তা মাগরিবের সাথে আদায় করতেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘কুতাইবা বলেন: এর ওপর সাতটি চিহ্ন রয়েছে—আহমাদ ইবন হাম্বল, ইয়াহইয়া ইবন মাঈন, আবু খাইসামা, আবু বকর ইবন শাইবা এবং আল-হুমাইদির চিহ্ন; এভাবে তিনি সাতজন পর্যন্ত গণনা করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
5 - أخبرنا أحمد بن محمد بن الأزهر، ثنا علي بن حجر، ثنا فَرَجُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: سمعت رسول الله يَقُولُ:
((لَيَنْتَهِيَنَّ أقوامٌ عَنْ تَرْكِهِمُ الْجُمُعَاتِ، أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ، ثُمَّ لِيُكْتَبَنَّ مِنَ الغافلين)).
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আযহার, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে হুজর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ফারাজ বিন ফাদালাহ, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হতে, নাফে' হতে, ইবনে উমর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূলকে বলতে শুনেছি:
“লোকেরা যেন অবশ্যই তাদের জুমুআ ত্যাগ করা থেকে বিরত থাকে, নতুবা আল্লাহ অবশ্যই তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেবেন, এরপর তারা অবশ্যই গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।”
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧١)
6 - حدثنا محمد بن إسحاق السراج، ثنا أَبُو مَعْمَرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْهُذَلِيُّ، ثنا عَبْثَرٌ، عَنْ بُرْدٍ -أَخِي يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ-، عَنِ الْمُسَيِّبِ بْنِ رَافِعٍ قَالَ: سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((مَنْ صَلَّى عَلَى جَنَازَةٍ فَلَهُ قِيرَاطٌ، وَمَنْ شَهِدَ دَفْنَهَا فله قيراطان؛ أحدهما مثل أحد)).
৬ - মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু মা’মার ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম আল-হুযালী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবসার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বুরদ—যিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদের ভাই—থেকে, তিনি আল-মুসাইয়িব ইবনে রাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বারা ইবনে আযেবকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি জানাজার সালাত আদায় করবে তার জন্য রয়েছে এক কিরাত, আর যে ব্যক্তি তার দাফনে উপস্থিত থাকবে তার জন্য রয়েছে দুই কিরাত; যার একটি উহুদ পাহাড়ের সমতুল্য।”
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
7 - (حدثنا عبد الله بن أحمد بن عاصم أبو محمد، ثنا أحمد بن الأحجم المروزي، ثنا أبو معاذ النحوي، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عائشة قالت:
قلت يا رسول الله: ما لك إذا أقبلت فاطمة جعلت لسانك في فمها، كأنك تريد أن تلعقها عسلاً؟
قَالَ (رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((يا عائشة، إنه لما أسري بي إلى السماء، أدخلني جبريل إلى الجنة، فناولني تفاحةٌ فأكلتها، فصارت نطفةً في صلبي، فلما نزلت من السماء واقعت خديجة، ففاطمة من تلك النطفة، كلما اشتقت إلى الجنة قبلتها))).
৭ - (আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন আসিম আবু মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবন আল-আহজাম আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মুয়ায আন-নাহবী বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কী হয়েছে যে, যখন ফাতিমা আসে আপনি আপনার জিহ্বা তার মুখে দেন, যেন আপনি তাকে মধু চাকাতে চাচ্ছেন?
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((হে আয়েশা! যখন আমাকে আসমানে মিরাজে নিয়ে যাওয়া হলো, তখন জিবরীল আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন এবং আমাকে একটি আপেল প্রদান করলেন, যা আমি খেলাম। অতঃপর সেটি আমার পৃষ্ঠদেশে বীর্যবিন্দুতে পরিণত হলো। এরপর যখন আমি আসমান থেকে অবতরণ করলাম এবং খাদীজার সাথে মিলিত হলাম, তখন ফাতিমা সেই বীর্যবিন্দু থেকেই সৃষ্টি হলো। ফলে যখনই আমি জান্নাতের আকাঙ্ক্ষা করি, আমি তাকে চুম্বন করি।)))
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
8 - (أخبرنا محمد بن هارون الحضرمي، ثنا محمد بن يحيى القطعي، ثنا خالد بن يحيى، ثنا عمر بن عامر وسعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك قال:
كأني أنظر إلى وبيص خاتم رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده اليسرى وهو يخطبنا).
৮ - (মুহাম্মাদ বিন হারুন আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আল-কাতয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর বিন আমির ও সাঈদ বিন আবি আরুবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি যেন আল্লাহর রাসুল —তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক— যখন আমাদের নিকট খুতবা দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর বাম হাতে তাঁর আংটির উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি।)
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
9 - (أخبرنا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الماسرجسي، ثنا داود بن رشيد، ثنا بقية بن الوليد، عن مبشر بن عبيد، عن الحجاج بن أرطأة، عن الحكم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((لا يقاتل أحدكم الأخبثين في الصلاة؛ الغائط والبول)).
تفرد به مبشر بن عبيد، عن (حجاج)).
৯ - (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-মাসারজিসী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রাশিদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালীদ, তিনি মুবাশশির ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সা’দ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((তোমাদের কেউ যেন সালাতের মধ্যে দুই অপবিত্র বস্তুর বেগের সাথে লড়াই না করে; অর্থাৎ মল ও মূত্র।))
হাজ্জাজ থেকে এটি মুবাশশির ইবনে উবাইদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।)
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
10 - (حدثنا محمد بن إسحاق بن إبراهيم الثقفي، ثنا عبيد الله بن إدريس النرسي، ثنا عباد بن عباد عن عبيد الله وعبد الله بني عمر، عن نافع، عن ابن عمر قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((أحب الأسماء إلى الله عز وجل عبد الله وعبد الرحمن)).
غريب، عن عبيد الله، تفرد بن عباد بن عباد.
وقد روي عن أبي نعيم الحلبي، عن معتمر، عن عبيد الله، خالفه غيره عن معتمر، فقال: عن عبد الله أخي عبيد الله).
১০ - (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন ইদ্রিস আন-নারসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আব্বাদ, তিনি উবায়দুল্লাহ ও আবদুল্লাহ—উমরের দুই পুত্র থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নিকট সবচেয়ে প্রিয় নাম হলো আবদুল্লাহ এবং আবদুর রহমান))।
এটি উবায়দুল্লাহর সূত্রে গরীব, আব্বাদ বিন আব্বাদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
এটি আবু নুআইম আল-হালাবি সূত্রে মুতামির থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে মুতামিরের অন্যান্য ছাত্রগণ তার বিরোধিতা করেছেন এবং বলেছেন: এটি উবায়দুল্লাহর ভাই আবদুল্লাহর সূত্রে)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
11 - (أخبرنا عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري الفقيه أبو بكر، ثنا محمد بن غالب بأنطاكية، ثنا غصن بن إسماعيل، ثنا ابن ثوبان، عن أبيه، (عن الزهري ومكحول، عَنْ أَبِي) سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((تفضل صلاة الرجل في جماعة على صلاته وحده خمسةً وعشرين جزءاً)).
১১ - (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আন-নিশাপুরী আল-ফকিহ আবু বকর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে গালিব আন্তাকিয়ায়, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন গুসন ইবনে ইসমাঈল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে সাওবান, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, (যুহরী ও মাকহুলের সূত্রে, আবু) সালামাহর সূত্রে, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
((“জামাতের সাথে কোনো ব্যক্তির সালাত তাঁর একাকী আদায় করা সালাতের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি শ্রেষ্ঠত্ব রাখে”))।)
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
12 - (أخبرنا أبو بكر محمد بن غالب، ثنا غصن بن إسماعيل، ثنا ابن ثوبان، عن أبيه، عن الزهري ومكحول، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((من أدرك من صلاةٍ ركعة فقد أدركها)).
قال ابن ثوبان: يعني يدرك الفضيلة ويقضي ما بقي).
১২ - (আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে গালিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, গুসন ইবনে ইসমাঈল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে সাওবান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি যুহরি ও মাকহুল থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকাত পেল, সে অবশ্যই তা পেল।”
ইবনে সাওবান বলেন: অর্থাৎ সে ফজিলত লাভ করল এবং যা অবশিষ্ট আছে তা পূর্ণ করবে।)
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
13 - أخبرنا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ سليمان الجيزي بمكة، ثنا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بن هلال، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي يونس بن يزيد بن الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ⦗ص: 79⦘ ((الأَرْوَاحُ جنودٌ مُجَنَّدَةٌ، فَمَا تَعَارَفَ مِنْهَا ائْتَلَفَ، وَمَا تَنَاكَرَ منها اختلف)).
১৩ - মক্কায় আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আর-রবি বিন সুলাইমান আল-জিযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হিলাল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস বিন ইয়াজিদ বিন আয-যুহরি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৭৯⦘ "আত্মাসমূহ সুসংগঠিত বাহিনীর মতো; তাদের মধ্যে যাদের মাঝে চেনা-জানা হয় তাদের মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে ওঠে, আর যাদের মধ্যে পরিচয় হয় না তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন থাকে।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨١)
14 - أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم بن الحارث القطان، ثنا عثمان بن عبد الله القرشي، ثنا الزنجي مسلم بن خالد (بن مسلم) الْمَخْزُومِيُّ
⦗ص: 82⦘ الْقُرَشِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدٍ الطَّالِبِيُّ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيِّ بن أبي طالب قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((مَنْ مَشَى فِي عَوْنِ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ وَمَنْفَعَتِهِ فَلَهُ ثَوَابُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل).
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আল-হারিস আল-কাত্তান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান বিন আব্দুল্লাহ আল-কুরাশী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আয-যানজী মুসলিম বিন খালিদ (বিন মুসলিম) আল-মাখযুমী
⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ আল-কুরাশী; তিনি বলেন: আমি জাফর বিন মুহাম্মদ আত-তালিবীকে তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
((যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সাহায্য ও উপকারে পথ চলে, তার জন্য মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পথে জিহাদকারীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে))।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٢)
15 - أخبرنا أحمد بن (محمد بن) الحسين الماسرجسي، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ قَالَ: أنا المؤمل بن إسماعيل، وكان ثقة، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ:
مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أحدٌ أَحَبَّ إِلَى أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ رَسُولِ اللَّهِ، وَكَانُوا لا يَقُومُونَ لَهُ، لِمَا يَعْرِفُونَ من كراهيته لذلك.
১৫ - আহমাদ ইবনে (মুহাম্মাদ ইবনে) আল-হুসাইন আল-মাসারজিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআম্মাল ইবনে ইসমাঈল আমাদের খবর দিয়েছেন, আর তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
ভূপৃষ্ঠে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো ব্যক্তি আল্লাহর রাসূলের সাহাবীদের কাছে ছিল না। আর তারা তাঁর জন্য (সম্মান প্রদর্শনার্থে) উঠে দাঁড়াতেন না, কারণ তারা জানতেন যে তিনি এটি অপছন্দ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
16 - (أخبرنا أحمد بن محمد بن الأزهر، ثنا عثمان بن يحيى القرقساني، ثنا سفيان عن عمر بن ذر، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك:
أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث علياً، ثم بعث رجلاً خلفه، وقال: ((ادعه، ولا تدعه من ورائه)).
تفرد بن عثمان بن يحيى).
১৬ - (আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-আযহার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান বিন ইয়াহইয়া আল-কারকাসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন যারর থেকে, তিনি ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলীকে পাঠালেন, অতঃপর তার পেছনে এক ব্যক্তিকে পাঠালেন এবং বললেন: ((তাকে ডাকো, এবং তাকে তার পেছন থেকে ডেকো না))।
এটি এককভাবে উসমান বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٥)
17 - (حدثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ إملاءً، ثنا القاسم بن محمد بن عباد بن عباد المهلبي، حدثني أبي، عن جدي، ثنا شعبة، ثنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن عمر في خطبته الطويلة في موت النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
إِنَّ الله تعالى بعث محمداً بالحق، وأنزل عليه الكتاب، فكان في ما أنزل عليه الرجم، فرجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا بعده، وإني خائف أن يطول بالناس زمان فيقول قائل: والله ما نجد الرجم في كتاب الله، فيضلوا بترك فريضة أنزلها الله (تعالى).
وقد كنا نقرأ: لا ترغبوا عن آبائكم، فإنه كفرٌ بكم، أو إن كفراً بكم أن ترغبوا عن آبائكم، ثم إنه بلغني أن فلاناً منكم يقول: لو مات أمير المؤمنين ما بايعت فلاناً.
حديث غريب من حديث شعبة عن معمر، تفرد به القاسم بن محمد بن عباد، وحدث به بالبصرة عن أبيه، عن جده، عن شعبة، عن معمر هكذا، ثم حدث به بعد ذلك ببغداد عن أبيه، عن جده، عن معمر، ولم يذكر شعبة، وهو الصواب إن شاء الله لأن علي بن مسلم رواه عن عباد بن عباد، عن معمر كذلك).
১৭ - (আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমা শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-কাসেম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট আমার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মা’মার বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওফাত সম্পর্কে তাঁর দীর্ঘ খুতবায় তিনি বলেছেন:
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন এবং তাঁর প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। তাঁর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তার মধ্যে ‘রজম’ (ব্যভিচারীকে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড) এর বিধান ছিল। সুতরাং আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রজম কার্যকর করেছেন এবং তাঁর পরে আমরাও রজম কার্যকর করেছি। আমি আশঙ্কা করছি যে, মানুষের ওপর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোনো বক্তা বলবে: আল্লাহর কসম, আমরা আল্লাহর কিতাবে রজমের বিধান পাচ্ছি না। ফলে তারা আল্লাহ (তাআলা) কর্তৃক অবতীর্ণ একটি ফরজ বিধান বর্জনের মাধ্যমে পথভ্রষ্ট হবে।
আর আমরা (পূর্বে) তিলাওয়াত করতাম: তোমরা তোমাদের পিতৃপরিচয় থেকে বিমুখ হয়ো না, কেননা এটি তোমাদের জন্য কুফরি; অথবা তোমাদের জন্য কুফরি হলো তোমাদের পিতাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া। অতঃপর আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তোমাদের মধ্যে অমুক ব্যক্তি বলছে: যদি আমিরুল মুমিনিন মৃত্যুবরণ করেন, তবে আমি অমুকের কাছে বাইআত হব না।
মা’মার থেকে শু’বাহর বর্ণনায় এটি একটি ‘গারিব’ (একক) হাদিস, কাসেম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বসরায় এটি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে, তিনি মা’মার থেকে—এভাবে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বাগদাদে তিনি এটি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি মা’মার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে শু’বাহর নাম উল্লেখ করেননি; ইনশাআল্লাহ এটিই সঠিক, কারণ আলী ইবনে মুসলিম এটি আব্বাদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি মা’মার থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٦)
18 - (أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثقفي، ثنا سعيد بن يعقوب الطالقاني، ثنا يزيد بن زريع عن معمر، عن الزهري، عن أنس بن مالك:
أن النبي صلى الله عليه وسلم كوى أسعد بن زرارة من الشوكة.
الصحيح عن الزهري، عن أبي أمامة بن سهل).
১৮ - (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহীম আস-সাকাফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন ইয়াকূব আত-তালিকানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবন যুরাই, মা'মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন:
নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসআদ ইবন যুরারাকে শওকা (এক প্রকার চর্মরোগ) এর কারণে সেঁক দিয়েছিলেন।
যুহরী থেকে সঠিক বর্ণনাটি হলো আবু উমামা ইবন সাহল থেকে)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٧)
19 - (أخبرنا عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري، ثنا محمد بن عقيل، ثنا حفص بن عبد الله، ثنا إبراهيم بن طهمان عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((أيما إهاب دبغ فقد طهر)).
⦗ص: 88⦘ تفرد به ابن عقيل).
১৯ - (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আন-নিশাপুরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আকীল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম বিন তাহমান, আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“যে কোনো চামড়া যখন পাকা (দাবাগাত) করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়।”
⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘ এটি এককভাবে ইবনে আকীল বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٨٩)
20 - أخبرنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ الأَرْغِيَانِيُّ، ثنا إسحاق بن شاهين، ثنا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ قَالَ: كُنَّا نَأْتِي أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، فَيَقُولُ: مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قُلْنَا: وَمَا وَصِيَّةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((سيأتونكم قَوْمٌ مِنْ أَطْرَافِ الأَرَضِينَ يَسْأَلُونَكُمْ عَنِ الدِّينِ، فإذا جاؤوكم فَأَوْسِعُوا لَهُمْ، وَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا وَعَلِّمُوهُمْ)).
২০ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-মুসাইয়িব আল-আরগিয়ানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন শাহীন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম বিন বাশীর, আবু হারুন আল-আবদি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা আবু সাঈদ আল-খুদরির নিকট আসতাম, তখন তিনি বলতেন: আল্লাহর রাসুলের—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—অসিয়তকৃতদের (যাদের ব্যাপারে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন) স্বাগতম। আমরা বললাম: আল্লাহর রাসুলের—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—অসিয়তটি কী? আল্লাহর রাসুল—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—বলেছেন:
((পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একদল লোক তোমাদের নিকট আসবে, তারা তোমাদের কাছে দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। যখন তারা তোমাদের নিকট আসবে, তখন তাদের জন্য স্থান প্রশস্ত করে দিও, তাদের সাথে উত্তম আচরণের অসিয়ত গ্রহণ করো এবং তাদের শিক্ষা দান করো।))
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٠)
21 - أخبرنا محمد بن إسحاق السراج، ثنا يَحْيَى بْنُ مُوسَى خَتٌّ الْبَلْخِيُّ، وَكَانَ من ثقات الناس، ثنا محمد بن سليمان بن مسمول، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ وَهْرَامٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الشَّهَادَةِ فَقَالَ:
((هَلْ تَرَى الشَّمْسَ؟ على مثلها فاشهد، أو دع)).
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুসা খাত্ত আল-বালখি—এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন মাসমূল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন সালামাহ বিন ওয়াহরাম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সাক্ষ্য প্রদান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন:
((তুমি কি সূর্য দেখতে পাচ্ছো? এর ন্যায় স্পষ্ট বিষয়ের ওপরই সাক্ষ্য দাও, অন্যথায় ছেড়ে দাও))।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩١)
22 - (حدثنا محمد بن إسحاق، ثنا يحيى بن موسى، ثنا محمد بن سليمان، أخبرني عبيد الله بن سلمة عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((الناس معادن، والعرق دساس، وأدب السوء كعرق السوء))).
২২ - (আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে সালামাহ তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাউস থেকে বর্ণনা করে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((মানুষ খনিজ পদার্থের ন্যায়, আর বংশধারা প্রভাব বিস্তারকারী, এবং মন্দ শিষ্টাচার মন্দ বংশধারার মতো।)))
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩١)
23 - (حدثنا محمد بن إسحاق بن خزيمة، ثنا محمد بن أحمد بن زبداء -أملاه علينا بعبادان-، ثنا عمرو بن عاصم، ثنا الحسن بن رزين عن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس -قال: ولا أعلمه إلا مرفوعاً إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال-:
((يلتقي الخضر وإلياس كل عام في الموسم، فيحلق كل واحد منهما
⦗ص: 92⦘ رأس صاحبه، ويتفرقان، عن هؤلاء الكلمات: بسم الله، ما شاء الله، لا يسوق الخير إلا الله، ما شاء الله، لا يصرف السوء إلا الله، ما شاء الله، ما كان من نعمة فمن الله، ما شاء الله، لا حول ولا قوة إلا بالله)).
قال: وقال ابن عباس: من قالهن حين يصبح وحين يمسي ثلاث مرات أمنه الله تعالى من الغرق والحرق والشرق، وأحسبه قال: ((من الشيطان والسلطان ومن الحية والعقرب)).
حديث غريب من حديث ابن جريج، لم يحدث به غير هذا الشيخ، عنه).
২৩ - (মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন জুবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনি আবাদান নামক স্থানে এটি আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি করিয়েছিলেন—, আমর বিন আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন রাজিন ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন—তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু (রাসূলের বাণী) হিসেবেই জানি, তিনি বলেছেন—:
((খিজির এবং ইলিয়াস প্রতি বছর হজের মৌসুমে সাক্ষাৎ করেন, তখন তাদের প্রত্যেকে একে অপরের
⦗পৃষ্ঠা: ৯২⦘ মাথা মুণ্ডন করে দেন এবং তারা এই বাক্যগুলো পাঠ করে একে অপরের থেকে বিদায় নেন: আল্লাহর নামে, যা আল্লাহ চান (তা-ই হয়), আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কল্যাণ বয়ে আনে না; যা আল্লাহ চান, আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ অনিষ্ট দূর করে না; যা আল্লাহ চান, যে কোনো নেয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে; যা আল্লাহ চান, আল্লাহর শক্তি ও সাহায্য ছাড়া আর কোনো উপায় নেই))।
তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস বলেছেন: যে ব্যক্তি সকাল এবং সন্ধ্যায় তিনবার এই বাক্যগুলো পাঠ করবে, মহান আল্লাহ তাকে পানিতে ডুবে মরা, আগুনে পুড়ে মরা এবং শ্বাসরোধ হয়ে মরা থেকে নিরাপদ রাখবেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমার মনে হয় তিনি আরও বলেছেন: ((শয়তান, শাসক, সাপ এবং বিচ্ছু থেকে))।
এটি ইবনে জুরাইজের বর্ণনা থেকে একটি ‘গরীব’ (একক সূত্রীয়) হাদিস, এই শায়খ ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি।)
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٢)
24 - حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ الحسين الخسروجردي، ثنا أبي داود بن الحسين: ثنا أبو موسى محمد بن المثنى، ثنا أَحْمَدُ بْنُ
⦗ص: 93⦘ سَعِيدٍ الدَّارَمِيُّ أَبُو جَعْفَرٍ، ثنا قَتُيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ أَبُو رَجَاءٍ -الَّذِي يُقَالُ لَهُ الْبَغْلانِيُّ- عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ هارون أبي مُحَمَّدٍ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ قَلْبًا، وَقَلْبُ القرآن يس)).
২৪ - আমার নিকট আবু বকর মুহাম্মদ ইবন দাউদ ইবনুল হুসাইন আল-খুসরাওজিরদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা দাউদ ইবনুল হুসাইন বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবন
⦗পৃষ্ঠা: ৯৩⦘ সাঈদ আদ-দারিমি আবু জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কুতাইবা ইবন সাঈদ আবু রাজা —যাকে আল-বাগলানি বলা হয়— বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান আর-রুআসি হতে, আল-হাসান ইবন সালিহ হতে, হারুন আবু মুহাম্মদ হতে, মুকাতিল ইবন হাইয়্যান হতে, কাতাদাহ হতে, আনাস (রা.) হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:
((নিশ্চয়ই প্রতিটি জিনিসের একটি হৃদয় রয়েছে, আর কুরআনের হৃদয় হলো ইয়াসিন))।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٣)
25 - (حدثنا أبو العباس الفضل بن الفضل بن العباس الكندي الهمذاني، ثنا محمود بن محمد الواسطي، ثنا عثمان بن أبي شيبة، ثنا حميد بن عبد الرحمن الرؤاسي، بإسناده نحوه).
২৫ - (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আল-ফাদল বিন আল-ফাদল বিন আল-আব্বাস আল-কিন্দি আল-হামাযানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ বিন আবদুর রহমান আর-রুয়াসি, তাঁর সনদসহ অনুরূপ)।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٤)
26 - (حدثنا أبو بكر بن خزيمة، ثنا يحيى بن حبيب الحارثي، ثنا
⦗ص: 96⦘ المعتمر قال: قال أبي: عن منصور، عن أبي عثمان، عن أبي هريرة، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((لا تنزع الرحمة إلا من شقي))).
২৬ - (আবু বকর বিন খুজাইমাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন হাবিব আল-হারিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৯৬⦘ মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা মানসুর থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:
((হতভাগ্য ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো থেকে রহমত বা দয়া ছিনিয়ে নেওয়া হয় না)))।
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٧)
27 - حدثنا محمد بن المسيب، ثنا يوسف بن بحر بجبلة، ثنا مروان بن محمد، ثنا سعيد بن بَشِيرٌ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((خُلِقَ هَذَا الآدَمِيُّ على صورته، فمن قاتل فليجتنب الوجه)).
২৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুসাইয়িব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন বাহর জাবালাতে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুহাম্মদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন বাশির, আইয়ুব থেকে, মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে, আবু হুরাইরা থেকে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:
((এই আদম সন্তানকে তাঁর আকৃতিতে সৃষ্টি করা হয়েছে, সুতরাং কেউ যদি লড়াই করে তবে সে যেন মুখমণ্ডল পরিহার করে।))
(খণ্ড: ১)
আল-মুযাক্কিয়াত
(পৃষ্ঠা: ٩٧)
28 - حدثنا أحمد بن إبراهيم بن حاجب، ثنا سهل بن عمار، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ أَبُو جَعْفَرٍ الأَسَدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، عن زاذان، عن علي قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((إِنَّ لِلَّهِ (تَعَالَى) مَلائِكَةً يَسِيحُونَ فِي الأَرْضِ يُبَلِّغُونِي صَلاةَ مَنْ صَلَّى عَلَيَّ مِنْ أُمَّتِي، صلى الله عليه وسلم).
قَالَ سَهْلُ بن عمار: كذا وجدته، عن علي.
الْمَحْفُوظُ عَنْ زَاذَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مسعود: ((يبلغوني عن أمتي السلام)).
২৮ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবন ইবরাহিম ইবন হাজিব বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আবু জাফর আল-আসাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে, তিনি যাদান থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((নিশ্চয়ই আল্লাহর (তাআলার) এমন কিছু ফেরেশতা রয়েছেন যারা যমীনে বিচরণ করেন, তারা আমার নিকট আমার উম্মতের মধ্যে যারা আমার প্রতি দরূদ পাঠ করে তাদের দরূদ পৌঁছে দেন, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
সাহল ইবন আম্মার বলেন: আমি এটি আলীর সূত্রে এভাবেই পেয়েছি।
যাদান থেকে সংরক্ষিত বর্ণনাটি হলো আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে: ((তারা আমার নিকট আমার উম্মতের পক্ষ থেকে সালাম পৌঁছে দেন))।