(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: -)
المنظوم والمنثور من الحديث   (البوشنجي، أبو الحسين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه المنظوم والمنثور من الحديث النبوي

المؤلف: أبو الحسين عفيف بن محمد الخطيب البوشنجي (ت ق 5هـ)

المحقق: محمد صباح منصور

الناشر: دار البشائر الإسلامية

الطبعة: الأولى 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 85

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদিসের পদ্য ও গদ্য   (আল-বুশাঞ্জি, আবু আল-হুসাইন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নববী হাদিসের পদ্য ও গদ্য সম্বলিত একটি জুজ

লেখক: আবু আল-হুসাইন আফিফ বিন মুহাম্মদ আল-খাতিব আল-বুশাঞ্জি (মৃত্যু: ৫ম হিজরি শতাব্দী)

গবেষক: মুহাম্মদ সাবাহ মানসুর

প্রকাশক: দার আল-বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৫

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: -)
جزء فيه

المنظوم والمنثور

من الحديث النبوي

 

تصنيف

أَبِي الْحُسَيْنِ عَفِيفِ بْنِ مُحَمَّدٍ الخطيب البوشنجي

 

تحقيق وتخريج

محمد صباح منصور

 

دار البشائر الإسلامية

 

الطبعة الأولى

1423 هـ - 2002 م
একটি অংশ যাতে রয়েছে

পদ্য ও গদ্য

নববী হাদিস থেকে

 

গ্রন্থনায়

আবুল হুসাইন আফিফ ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আল-বুশাঞ্জী

 

তাহকিক ও তাখরিজ

মুহাম্মদ সাবাহ মানসুর

 

দারুল বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌جزء فيه المنظوم والمنثور

تصنيف أَبِي الْحُسَيْنِ عَفِيفِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبِ

رِوَايَةُ أَبِي الْقَاسِمِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَاصِمِيِّ عَنْهُ

رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الجليل بن أبي سعد بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْعَدْلِ عَنْهُ

رَوِايَةُ الشَّيْخِ الصَّالِحِ الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ عبد القادر ابن عبد الله الرهاوي عنه

سماع لصاحبه محمد بن إبراهيم بن أحمد المقدسي نفعه الله الكريم به وبكل خير وجميع المسلمين آمين

وقف مؤبد وحبس محرم لا يباع ولا يوهب ولا يورث مستقره بالضيائية بجبل قاسيون ظاهر دمشق حرسها الله
পদ্য ও গদ্য সম্বলিত একটি খণ্ড

আবু আল-হুসাইন আফিফ বিন মুহাম্মাদ আল-খাতিব-এর সংকলন

তাঁর সূত্রে আবু আল-কাসিম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আসিমি-এর বর্ণনা

তাঁর সূত্রে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল জলীল বিন আবি সা'দ বিন ইসমাঈল আল-আদল-এর বর্ণনা

তাঁর সূত্রে নেককার শায়খ, হাফিয আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কাদির ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রুহাওয়ি-এর বর্ণনা

এর স্বত্বাধিকারী মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন আহমাদ আল-মাকদিসী-এর শ্রুতলিপি; মহান আল্লাহ তাকে এর মাধ্যমে এবং সকল কল্যাণের মাধ্যমে উপকৃত করুন, আর সকল মুসলিমকেও। আমীন।

চিরস্থায়ী ওয়াকফ এবং পবিত্র উৎসর্গ; এটি বিক্রয় করা যাবে না, দান করা যাবে না এবং উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তর করা যাবে না। এর অবস্থান দামেস্কের বহির্ভাগস্থ কাসিয়ুন পাহাড়ের দ্বিয়াউইয়্যাহ মাদরাসায়, আল্লাহ একে রক্ষা করুন।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ২৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ العلي العظيم

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْحَافِظُ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرحمن الرهاوي، قلت له:

أَخْبَرَكَ الشَّيْخُ الْعَدْلُ أَبُو مُحَمَّدٍ عبد الجليل ابن أبي سعد بْنِ إِسْمَاعِيلَ بِقِرَاءَتِكَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وستين وخمسمائة، قُلْتُ لَهُ:

أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ الرَّئِيسُ أَبُو الْقَاسِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَاصِمِيُّ الْبُوشَنْجِيُّ بِهَا سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَفِيفُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبُ الْبُوشَنْجِيُّ بَهِا قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي صَفَرَ سَنَةَ أَرْبَعَ عشرة وأربع مائة:

1- أبنا أَبُو عَلِيٍّ حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذٍ الرفا الهروي، أبنا محمد بن أيوب الراوي، أبنا أَبُو الْوَلِيدِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَرِيكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَدِيٍّ، ⦗ص: 26⦘ عَنِ الأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((أَشْكَرُكُمْ لِلَّهِ أَشْكَرُكُمْ لِلنَّاسِ)) .

قَالَ أَبُو الْحُسَيْنِ عفيفٌ: جَعَلْتُ نَثْرَهُ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَوْلُ رَسُولِ اللَّهِ لا تَنْسَهُ … فَمَا أَرَى الذَّاكِرَ كَالنَّاسِي

أَشْكَرُكُمْ لِلَّهِ إِحْسَانَهُ … أَشْكَرُكُمْ فِي الأَرْضِ لِلنَّاسِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো ক্ষমতা ও কোনো শক্তি নেই।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ হাফিজ আবদুল কাদির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আর-রোহাওয়ি, আমি তাকে বললাম:

আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়নিষ্ঠ শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল জলীল ইবনে আবি সাদ ইবনে ইসমাইল ৫৬২ হিজরি সনে আপনার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাকে বললাম:

আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান শায়খ আবুল কাসিম আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আসিমী আল-বুশাঞ্জি সেখানে ৪৭৭ হিজরি সনে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আফিফ ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আল-বুশাঞ্জি সেখানে ৪১৪ হিজরি সনের সফর মাসে তার নিকট পাঠের মাধ্যমে:

১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াজ আর-রাফ্ফা আল-হারাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আর-রাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়ালিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে তালহা ইবনে মুসাররিফ, আবদুল্লাহ ইবনে শারিক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আদি থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ তিনি আশ'আস ইবনে কায়েস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((তোমাদের মধ্যে আল্লাহর প্রতি সর্বাধিক কৃতজ্ঞ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের প্রতি সর্বাধিক কৃতজ্ঞ।))

আবু আল-হুসাইন আফিফ বলেন: আমি এর গদ্যকে ছন্দে রূপান্তর করেছি এবং বলেছি:

রাসূলুল্লাহর বাণী ভুলে যেও না … কেননা আমি স্মরণকারীকে বিস্মৃত ব্যক্তির ন্যায় মনে করি না

আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক কৃতজ্ঞ সেই … যে যমীনে মানুষের প্রতি সর্বাধিক কৃতজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ২৮)
2- وبه أخبرنا أبو علي الرفا، أبنا نَصْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ -هُوَ ابْنُ الحارث بن نصر بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ زِيَادٍ- وَمُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الأَشَجُّ قَالا: ثنا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مَوسَى، عَنْ أَبِيهِ، عن جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((الإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ وإقرارٌ بِاللِّسَانِ وعملٌ بِالأَرْكَانِ)) ، وَاللَّفْظُ لِنَصْرٍ.

قَالَ: فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَوْلُ عَلِيٍّ أَوْضَحُ الُبْرهَانِ … وَأَفْضَلُ الْحُجَّةِ وَالْبَيَانِ

يَرْوِي عَنِ النَّبِيّ فِي الإِيمَانِ … بِأَنَّهُ مَعْرِفَةُ الجنان

والاعتراف بعد بِاللِّسَانِ … وَالْعَمَلُ الصَّالِحُ بِالأَرْكَانِ.
২- এবং এর মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসর ইবনে মুহাম্মদ -যিনি হলেন ইবনে হারিস ইবনে নাসর ইবনে নুমান ইবনে জিয়াদ- এবং মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আল-আশাজ্জ, তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ইবনে সালিহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((ঈমান হলো অন্তরের মাধ্যমে জানা, জিহ্বার মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল করা)), আর শব্দগুলো নাসর-এর বর্ণিত।

তিনি বললেন: অতঃপর আমি একে ছন্দবদ্ধ করেছি এবং বলেছি:

আলীর বক্তব্য স্পষ্টতম প্রমাণ … এবং শ্রেষ্ঠতম দলিল ও ব্যাখ্যা

তিনি নবী হতে ঈমান সম্পর্কে বর্ণনা করেন … যে তা হলো অন্তরের পরিচয়

এবং এরপর জিহ্বা দিয়ে স্বীকার করা … আর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে নেক আমল করা।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩০)
3- حدثنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو يَزِيدَ -هُوَ خَلادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ هَانِئٍ الأَسَدِيُّ- ثنا عُبَيْدُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عُلْوَانَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((ذُبُّوا بِأَمْوَالِكُمْ عَنْ أَعْرَاضِكُمْ)) .

فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَوْلُ النَّبِيِّ الْمُصْطَفَى لَكَ حجةٌ … فاقبله بالتقبيل لا الإِعْرَاضِ

إِذْ قَالَ فِي تَأْدِيبِهِ أَصْحَابَهُ … ذُبُّوا بِمَالِكُمْ عَنِ الأعراض.
৩- আবু আলী আল-রাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াজিদ —যিনি খাল্লাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হানি আল-আসাদি— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনুল হাইসাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে উলওয়ান আল-কুফি, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((তোমাদের সম্পদ দিয়ে তোমাদের সম্মান রক্ষা করো))।

অতঃপর আমি একে কাব্যাকারে সাজিয়েছি এবং বলেছি:

মনোনীত নবী (মুস্তাফা)-এর বাণী তোমার জন্য দলিল … সুতরাং তা বিমুখতা নয় বরং চুম্বনের সাথে (পরম শ্রদ্ধায়) গ্রহণ করো।

কেননা তিনি তাঁর সাহাবীদের শিষ্টাচার শিক্ষা দিতে গিয়ে বলেছেন … তোমাদের সম্পদ দিয়ে তোমাদের সম্মান রক্ষা করো।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩১)
4- حدثنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو خَطَّابٍ مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرِ بْنِ مَطَرٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا أَبُو عوانة، عن [ابن] أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((زُرْ غِبًّا تَزْدَدْ حُبًّا)) .

فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا فَقُلْتُ:

أَبُو ذَرٍّ الصَّدُوقُ رَوَى حَدِيثًا … عَنِ الْهَادِي عَلَيْهِ اللَّهُ صَلَّى

إِذَا زرت الصديق فزره غبا … تزد حُبًّا وَلا تَمْلُلْهُ وَصْلا.
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাত্তাব মুহাম্মাদ ইবনে বিশর ইবনে মাতার, তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি ইবনে আবি ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((মাঝে মাঝে সাক্ষাৎ করো, তবেই ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে))।

অতঃপর আমি বিষয়টিকে ছন্দবদ্ধ করলাম এবং বললাম:

সত্যবাদী আবু যার একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন … সেই হিদায়াতকারী (রাসূল) থেকে, যাঁর ওপর আল্লাহ রহমত বর্ষণ করেছেন।

যখন তুমি বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন বিরতি দিয়ে করো … এতে ভালোবাসা বাড়বে, নিরবচ্ছিন্ন সাক্ষাতের মাধ্যমে তাকে ক্লান্ত করো না।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৩)
5- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْقُرَشِيُّ، ثنا الْمُعَلَّى بْنُ الْفَضْلِ الأَزْدِيُّ، ثنا سُفَيْانُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عْنَ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((كَادَتِ النَّمِيمَةُ أَنْ تَكُونَ سِحْرًا، وَكَادَ الْفَقْرُ أَنْ يَكُونَ كُفْرًا)) .

فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

رَوَى أَنَسٌ عَنِ الْهَادِي حَدِيثًا … يُؤَدِّبُ قَوْمَهُ سِرًّا وَجَهْرًا

بِأَنْ كَادَ النَّمِيمُ يَكُونُ سِحْرًا … وَكَادَ الْفَقْرُ أَنْ تَلْقَاهُ كُفْرًا.
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ইউনুস আল-কুরাশী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআল্লা বিন ফাযল আল-আযদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান বিন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ'মাশ, তিনি ইয়াযিদ আর-রাকাশি থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((চোগলখুরি জাদুর সমতুল্য হওয়ার উপক্রম হয় এবং দারিদ্র্য কুফরিতে রূপ নেওয়ার উপক্রম হয়))।

অতঃপর আমি বিষয়টিকে কাব্যাকারে সাজিয়েছি এবং বলেছি:

আনাস পথপ্রদর্শক (নবী) থেকে এমন এক হাদিস বর্ণনা করেছেন ... যা তাঁর জাতিকে গোপনে ও প্রকাশ্যে শিষ্টাচার শেখায়।

তা হলো চোগলখুরি জাদুর সমতুল্য হতে চলেছে ... এবং দারিদ্র্যও কুফরি হিসেবে প্রকাশ পাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৫)
6- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الأَشَجُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِنَّ مِنْ كُنُوزِ الْبِرِّ كِتْمَانُ الأَمْرَاضَ)) .

فَجَعُلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَدْ رَوَيْنَا عَنِ النَّبِيِّ حَدِيثًا … فَرَضِينَا بِمَا بِهِ اللَّهِ قَاضٍ

مِنْ كُنُوزِ الْبِرِّ الَّذِي يَزْلُفُ الْعَبْدُ … إِلَيْهِ الْكِتْمُانُ لِلأَمْرَاضِ.
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-আশাজ্জু, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

((নিশ্চয়ই অসুস্থতা গোপন রাখা পুণ্যের ভাণ্ডারসমূহের অন্তর্ভুক্ত।))।

অতঃপর আমি সেটাকে কবিতার ছন্দে গেঁথেছি এবং বলেছি:

আমরা নবী থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছি … অতএব আল্লাহ যা ফয়সালা করেছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি।

পুণ্যের সেই ভাণ্ডারসমূহ থেকে—যা বান্দাকে তাঁর নিকটবর্তী করে— … তা হলো অসুস্থতা গোপন রাখা।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৭)
7- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، ثنا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((بين العبد والكفر ترك الصلاة)) .

فَجَعُلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَدْ رَوَيْنَا عَنِ النَّبِيِّ حَدِيثًا … خَصَّهُ اللَّهُ بِالتُّقَى وَالصَّلاةِ

لَيْسَ بَيْنَ الإنسان وَالْكُفْرِ شيءٌ … غَيْرُ تَرْكِ الْهُدَى بِتَرْكِ الصَّلاةِ.
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুগিরাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিছাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "বান্দা এবং কুফরের মাঝে (ব্যবধান) হলো সালাত বর্জন করা।"

অতঃপর আমি তা পদ্যে রূপান্তর করেছি এবং বলেছি:

আমরা নবী থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছি … আল্লাহ তাঁকে তাকওয়া ও সালাতের মাধ্যমে বিশেষিত করেছেন।

মানুষ এবং কুফরের মাঝে কোনো কিছু নেই … সালাত ত্যাগের মাধ্যমে হেদায়েত বর্জন করা ছাড়া।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৮)
8- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ زَيْدٍ الْعَمِيِّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((لا يُرَدُّ الدُعَاءُ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ)) .

فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَالَ الرَّسُولُ الْمُصْطَفَى المخصوص بالتسليم … والصلوات كُلَّ أوانٍ

مَهْمَا دَعَوْتَ اللَّهَ يَوْمًا دَعْوَةً … فَاجْعَلْهُ بَيْنَ إقامةٍ وأذانٍ.
৮- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজীজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, যায়িদ আল-আমী থেকে, তিনি মুয়াবিয়া বিন কুররাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।)) .

অতঃপর আমি সেটিকে পদ্যে রূপান্তর করে বললাম:

রাসূল আল-মুস্তাফা বলেছেন—যাঁর জন্য সকল সময়ের সালাম ও সালাত নির্দিষ্ট … প্রতিক্ষণে

যখনই তুমি কোনোদিন আল্লাহর নিকট কোনো প্রার্থনা করবে … তবে তা আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করো।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪০)
9- أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، ثنا أَبُو الْمُثَنَّى مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنِ الْعَلاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ:

((لَوْ يَعْلَمُ الْمُؤْمِنُ مَا عِنْدَ اللَّهِ مِنَ الْعُقُوبَةِ مَا طَمِعَ فِي الْجَنَّةِ أحدٌ، وَلَوْ عَلِمَ الْكَافِرُ مَا عِنْدَ اللَّهِ مِنَ الرَّحْمَةِ مَا قَنَطَ مِنَ الْجَنَّةِ أحدٌ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى عَلَيْهِ … اللَّهُ رَبُّ الْخَلْقِ فِي تُرْبَتِهِ

لَوْ يَعْلَمُ الْمُؤْمِنُ مَاذَا لَهُ … فِي الْغَدِ لَمْ يُطَمِّعْهُ فِي جَنَّتِهِ

لَوْ يَعْلَمُ الْكَافِرُ غُفْرَانَهُ الْوَاسِعَ … لَمْ يُقَنِّطْهُ مِنْ رَحْمَتِهِ
৯- আবু আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুসান্না মুয়ায ইবনুল মুসান্না আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-কা’নবী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল আযীয আ’লা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((যদি মুমিন জানত আল্লাহর নিকট কী শাস্তি রয়েছে, তবে কেউই জান্নাতের আশা করত না। আর যদি কাফের জানত আল্লাহর নিকট কী রহমত রয়েছে, তবে কেউই জান্নাত হতে নিরাশ হতো না।))।

অতঃপর আমি একে ছন্দবদ্ধ করেছি এবং বলেছি:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি … বলেছেন, আল্লাহ সৃষ্টির রব তাঁর ভূমিতে

মুমিন যদি জানত তার জন্য কী রয়েছে … আগামীকালের জন্য, তবে তা তাকে তাঁর জান্নাতের লোভ দেখাত না

কাফের যদি জানত তাঁর সুপ্রশস্ত ক্ষমা … তবে তা তাকে তাঁর রহমত হতে নিরাশ করত না
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪২)
10- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو مُسْلِمٍ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي قُرَّةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((قَالَ اللَّهُ عز وجل: أَحَبُّ عِبَادِي إِلَيَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

يَقُولُ رَسُولُ اللَّهِ فِيمَا رَوَى لَنَا الصَّحَابِيُّ … عَنْهُ وَهُوَ يَأْثِرُهُ أَثَرًا

أَحَبُّ عِبَادِ اللَّهِ يَوْمَ صِيَامِهِ … إِلَى رَبِّهِ مَنْ كَانَ أَعْجَلَهُمْ فِطْرًا.
10- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-রাফফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কুররা বিন আবদুর রহমান, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: আমার নিকট আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় তারা, যারা দ্রুত ইফতার করে।))

অতঃপর আমি একে কাব্যরূপ দান করেছি এবং বলেছি:

আল্লাহর রাসূল যা বলেছেন তা আমাদের নিকট সাহাবী বর্ণনা করেছেন … তাঁর থেকে, আর তিনি তা যথাযথভাবে বর্ণনা করছেন

আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে সিয়ামের দিনে তাঁর রবের নিকট সবচেয়ে প্রিয় … সেই ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে দ্রুত ইফতার করে।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪৩)
11- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا أَحْمَدُ بْنُ نَجْدَةَ، ثنا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((لا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاةٌ بِغَيْرِ طهورٍ، وَلا صَدَقَةٍ مِنْ غلولٍ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

يُرْوَى لَنَا عَنْ أَحْمَدَ الْمُصْطَفَى … وَأَفْضَلُ الْحُجَّةِ قَوْلُ الرَّسُولِ

لا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاةً بِلا … طهرٍ وَلا تَزْكِيَّةً مِنْ غلول.
১১- আমাদের নিকট আবু আলী আর-রাফ্ফা সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন নাজদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ বিন হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবুল মালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“পবিত্রতা ব্যতীত আল্লাহ কোনো সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাতের (অবৈধ) সম্পদ থেকে কোনো সদকা গ্রহণ করেন না।”

অতঃপর আমি তা পদ্যে সাজিয়ে বললাম:

আহমাদ আল-মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে ... আর রাসূলের বাণীই হলো সর্বোত্তম দলিল।

পবিত্রতা ছাড়া আল্লাহ কোনো সালাত কবুল করেন না ... আর আত্মসাতের সম্পদ থেকে কোনো পবিত্রতা (দান) গ্রহণ করেন না।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪৫)
12- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو الْفَضْلُ أَحْمَدُ بْنُ نَجْدَةَ، ثنا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أنسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((يهرم ابن آدم ويشب مِنْهُ اثْنَتَانِ: الْحِرْصُ عَلَى الْمَالِ، وَالْحِرْصُ عَلَى الْعُمْرِ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى عَلَيْهِ … اللَّهُ رَبُّ الْخَلْقِ وَالأَمْرُ

يَشِبُ إن شاب الفتى حبه … لِلْمَالِ وَالْحِرْصُ عَلَى الْعُمْرِ.
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফদল আহমদ বিন নাজদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন হিশাম আল-বাযযার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((আদম সন্তান বৃদ্ধ হয়ে যায় কিন্তু তার মাঝে দুটি বিষয় সতেজ বা যুবক থাকে: সম্পদের প্রতি লোভ এবং দীর্ঘ জীবনের প্রতি লালসা।))।

অতঃপর আমি তা পদ্যাকারে বিন্যস্ত করে বললাম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি … আল্লাহ বলেছেন, যিনি সৃষ্টি ও আদেশের রব—

যুবকটি বৃদ্ধ হয়ে গেলেও তার ভালোবাসা সতেজ থাকে … সম্পদের প্রতি এবং দীর্ঘ জীবনের লালসায়।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪৬)
13- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أبو نعيم، ثنا عمرة، عن أبي حازم قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ أَتَاهُ اللَّهُ أَرْبَعَ خلالٍ فَقَدْ أَتَاهُ اللَّهُ خَيْرَ الدُّنْيَا وَخَيْرَ الآخِرَةِ)) ، قِيلَ: وَمَا هِيَ يَا رَسُولُ اللَّهِ؟ قَالَ: ((مَنْ أَصْبَحَ مُعَافًى فِي دِينِهِ، مُعَافًى فِي جَسَدِهِ، آمِنًا فِي سِرْبِهِ، عِنْدَهُ مَا يَكْفِيهِ إِلَى اللَّيْلِ فَقَدْ أَتَاهُ اللَّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ خَيْرُ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ رَسُولُ الله سقياً لما … وُورِي من أعظمه الطاهره

أربعةٌ قَدْ خُصَّ مَنْ نَالَهَا … بِخَيْرِ دُنْيَاهُ وَبِالآخِرَهْ

عَافِيَةُ الإِنْسَانِ فِي دِينِهِ … وَنَفْسِهِ الْمُفْسِدَةِ الْفَاجِرَةْ

وَالأَمْنُ فِي السِّرْبِ وَمِقْدَارُ مَا … يَبْلُغُهُ فِي يَوْمِهِ آخِرَةْ.
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফফা, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উমরাহ, তিনি আবু হাজিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((যাকে আল্লাহ চারটি বৈশিষ্ট্য দান করেছেন, তাকে তিনি দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দান করেছেন।)) জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলো কী? তিনি বললেন: ((যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় সকাল করল যে সে তার দ্বীনের ব্যাপারে নিরাপদ, তার শরীরের দিক থেকে সুস্থ, তার পরিবার-পরিজনের মধ্যে নিরাপদ এবং তার নিকট রাত পর্যন্ত যথেষ্ট হওয়ার মতো খাদ্য রয়েছে, আল্লাহ তাকে সেই দিন দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দান করেছেন।))

অতঃপর আমি তা পদ্যে বিন্যস্ত করেছি এবং বলেছি:

আল্লাহর রাসূল বলেছেন—তাঁর সেই পবিত্র হাড়গুলোর ওপর রহমতের বারিধারা বর্ষিত হোক যা সমাহিত হয়েছে—…

চারটি বিষয়; যে ব্যক্তি তা লাভ করেছে সে তার দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে ধন্য হয়েছে।…

মানুষের দ্বীনের নিরাপত্তা এবং তার পাপাচারী ও অনিষ্টকারী নফসের নিরাপত্তা,…

আর পরিবার-পরিজনের মাঝে নিরাপত্তা এবং দিন শেষে রাত পর্যন্ত পৌঁছার মতো পর্যাপ্ত জীবিকা।…
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৪৮)
14- وحدثنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو الْمُثَنَّى، ثنا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ حَاسَبَهُ اللَّهُ حِسَابًا يَسِيرًا وَأَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ بِرَحْمَتِهِ، قَالُوا: لِمَنْ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: تُعْطِي مَنْ حَرَمَكَ، وَتَعْفُو عَمَّنْ ظَلَمَكَ، وَتَصِلُ مَنْ قَطَعَكَ. قَالَ: فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ. قَالَ: تُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا وَيُدْخِلُكَ الْجَنَّةَ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

رَوَى صحابيٌ عَنِ الْمُصْطَفَى … أَكْرَمِ مَوْلُودِ بَنِي آدَمَ

ثلاثةٌ مَنْ حَازَهَا فَازَ فِي الْعُقْبَى … بِسَعْيِ الْغَانِمِ الناعم

وصلك للصارم والبذل للحرام … وَالْعَفْوُ عَنِ الْجَارِمِ.
১৪- আমাদের নিকট আবু আলী আর-রাফ্ফা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান ইবনে দাউদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকবে, আল্লাহ তার হিসাব অত্যন্ত সহজ করে নেবেন এবং তাকে স্বীয় রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।” তারা জিজ্ঞেস করলেন: “হে আল্লাহর রাসূল! এটি কার জন্য?” তিনি বললেন: “যে তোমাকে বঞ্চিত করেছে তাকে তুমি দান করবে, যে তোমার প্রতি জুলুম করেছে তাকে তুমি ক্ষমা করবে এবং যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তুমি তার সাথে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করবে।” তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: “অতঃপর যদি আমি তা করি (তবে কী হবে)?” তিনি (রাসূল) বললেন: “তোমার হিসাব সহজ করা হবে এবং তিনি তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।”

তিনি বলেন: অতঃপর আমি একে ছন্দবদ্ধ করলাম এবং বললাম:

এক সাহাবী মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন … যিনি আদম সন্তানদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত সন্তান।

তিনটি গুণ, যে ব্যক্তি তা অর্জন করল সে পরকালে সফল হলো … এক নেয়ামতপ্রাপ্ত ও সফলকাম ব্যক্তির ন্যায়।

বিচ্ছিন্নকারীর সাথে তোমার সুসম্পর্ক রাখা, বঞ্চিতকারীকে দান করা … এবং অপরাধীকে ক্ষমা করে দেওয়া।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৫০)
15- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا حَفْصْ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِذَا قَالَ الرَّجُلُ لأَخِيهِ: جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا، فَقَدْ أَبْلَغَ فِي الثَّنَاءِ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَدْ جَاءَ فِي الْمَأْثُورِ يَرْوِي أَبُو … هُرَيْرَةَ عَنْ أَحْمَدَ الْمُصْطَفَى

مَنْ قَالَ يَوْمًا لأَخِيهِ جَزَاكَ … اللَّهُ خَيْرًا مبلغٌ فِي الثَّنَا.
১৫- আবু আলী আর-রাফ্ফা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস বিন গিয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা বিন উবাইদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((যখন কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে বলে: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন, তবে সে প্রশংসার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে গেল।)) .

তিনি বললেন: আমি এটিকে কাব্যাকারে বিন্যস্ত করেছি এবং বলেছি:

বর্ণিত রেওয়ায়েতে এসেছে যা আবু ... হুরায়রা বর্ণনা করেছেন আহমাদ আল-মুস্তফা থেকে—

যে ব্যক্তি কোনো একদিন তার ভাইকে বলল 'আল্লাহ আপনাকে ... উত্তম প্রতিদান দান করুন', সে প্রশংসার ক্ষেত্রে পূর্ণতা দান করল।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৫২)
16- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ -وَهُوَ الْمُقْرِي-، عَنْ سَعِيدٍ -وَهُوَ ابْنُ أَبِي أَيُّوبَ-، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ أَبِي زَيْنَبَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقُرَشِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِنَّهُ لا يُصِيبُ الْمُؤْمِنَ همٌ وَلا حزنٌ وَلا نصبٌ وَلا وصبٌ وَلا أَذًى إِلا كَفَّرَ عَنْهُ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ النَّبِيُّ رَسُولُ اللَّهِ سَيِّدُنَا … يُحْصِي عَلَيْنَا مِنَ الْبَارِي عَطَايَاهُ

مَا مؤمنٌ نَالَهُ فِي نَفْسِهِ نصبٌ … إِلا بِهِ كُفِّرَتْ عَنْهُ خَطَايَاهُ.
১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবন মূসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান —যিনি আল-মুকরি— সাঈদ থেকে —যিনি ইবন আবি আইয়ুব—, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন আবি যায়নাব, ইয়াযিদ ইবন মুহাম্মদ আল-কুরাশি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“নিশ্চয়ই কোনো মুমিন ব্যক্তি কোনো দুশ্চিন্তা, দুঃখ, ক্লান্তি, রোগ বা কোনো কষ্টের শিকার হয় না, তবে এর বিনিময়ে তার গুনাহসমূহ মোচন করে দেওয়া হয়।”

তিনি বলেন: অতঃপর আমি একে ছন্দে গেঁথেছি এবং বলেছি:

আল্লাহর রাসূল ও আমাদের সরদার নবী বলেছেন … তিনি আমাদের নিকট স্রষ্টার পক্ষ হতে প্রাপ্ত দানসমূহ গণনা করেন

এমন কোনো মুমিন নেই যে নিজ সত্তায় কোনো ক্লান্তির সম্মুখীন হয় … তবে এর বিনিময়ে তার পাপসমূহ মোচন করা হয়।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৫৪)
17- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْفَضْلِ الْعَطَّارُ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: كَانَتْ تَأْتِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم امْرَأَةً فَيُكْرِمُهَا، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ هَذِهِ؟ قَالَ: ((هَذِهِ كَانَتْ تَأْتِينَا أَزْمَانَ خَدِيجَةَ وَإِنَّ حُسْنَ الْعَهْدِ مِنَ الإِيمَانِ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

رَوَتْ لَنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ عائشةٌ … قَالَتْ جَزَاهَا إِلَهُ الْخَلْقِ غُفْرَانًا

كَانَتْ تَزُورُ رَسُولَ اللَّهِ إمرأةٌ … يَبَرُّهَا جَهْدَهُ فَضْلا وَإِحْسَانًا

فَقُلْتُ مَنْ هَذِهِ؟ قَالَ النَّبِيُّ لَهَا … هَاتِيكَ كَانَتْ تَزُورُ الْبَيْتَ أَحْيَانًا

تَأْتِي خَدِيجَةَ تَرْعَى حَقَّ جَارَتِهَا … وَتِلْكَ تَعْرِفُ حُسْنَ الْعَهْدِ إِيمَانًا.
১৭- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন ইসহাক ইবন ইব্রাহিম ইবনুল ফাদল আল-আত্তার আল-মারওয়াযী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সালম ইবন জুনাবাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাফস ইবন গিয়াস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হিশাম ইবন উরওয়াহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এক মহিলা আসতেন এবং তিনি তাঁকে সম্মান করতেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, ইনি কে? তিনি বললেন: "ইনি খাদিজার সময়কালে আমাদের নিকট আসতেন; আর সুসম্পর্ক বজায় রাখা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।"

তিনি (গ্রন্থকার) বলেন: অতঃপর আমি একে কাব্যে রূপদান করে বললাম:

আয়িশাহ আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল থেকে বর্ণনা করেছেন … তিনি বলেছেন—সৃষ্টির ইলাহ তাঁকে ক্ষমা দ্বারা প্রতিদান দিন—

এক মহিলা আল্লাহর রাসূলের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসতেন … তিনি তাঁর প্রতি সাধ্যমতো অনুগ্রহ ও ইহসান প্রদর্শন করতেন

আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? নবী তাঁকে বললেন … ইনি মাঝে মাঝে এই ঘরে আসতেন

তিনি খাদিজার নিকট আসতেন তাঁর প্রতিবেশিনীর হক রক্ষা করতে … আর তিনি সুসম্পর্ক বজায় রাখাকে ঈমান হিসেবে গণ্য করতেন।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৫৬)
18- أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، ثنا أَبُو بكر محمد بن بشر أَخُو خَطَّابٍ، ثنا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((لا نِكَاحَ إِلا بوليٍ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

يَقُولُ الْمُصْطَفَى الْهَادِي عَلَيْهِ … صَلاةُ اللَّهِ سَيِّدُنَا الْعَلِيُّ

وَلَمَّا يأل تبياناً ونصحاً … وَرشدَا: لا نِكَاحَ بِلا وَلِيٍّ.
১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাত্তাবের ভাই আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে বিশর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কামিল আল-জাহদারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মানসুর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে সাঈদ, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি আবু বুরদাহ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই))।

অতঃপর আমি তা কাব্যে বিন্যস্ত করেছি এবং বলেছি:

আমাদের সুউচ্চ মর্যাদাবান নেতা পথপ্রদর্শক মুস্তাফা বলছেন, যাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক …

তিনি বর্ণনা, উপদেশ ও সঠিক পথ প্রদর্শনে কোনো ত্রুটি করেননি যে: অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৫৮)
19- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَرْوَزِيُّ بِنَيْسَابُورَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ زِيَادٍ الْقُرَشِيُّ، ثنا شريح بن النعمان، أبنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أنسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْهُومَانِ لا يَشْبَعَانِ، منهومٌ فِي علمٍ لا يَشْبَعُ، ومنهومٌ فِي دُنْيَا لا يَشْبَعُ)) .

قَالَ: فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَالَ الرَّسُولُ الْمُصْطَفَى زَاخِرًا … مِنْ بَحْرِ عِلْمٍ مَاؤُهُ يَنْبُعُ

لا يَشْبَعُ الْمَنْهُومُ فِي الْعِلْمِ وَالْمَنْهُومُ … فِي دُنْيَاهُ لا يشبع.
১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-রাফফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নিসাপুরে ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে নাসর ইবনে যিয়াদ আল-কুরাশী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুরাইহ ইবনুন নুমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((দুজন লোভী ব্যক্তি রয়েছে যারা কখনও তৃপ্ত হয় না; ইলমের প্রতি লোভী ব্যক্তি যে কখনও তৃপ্ত হয় না এবং দুনিয়ার প্রতি লোভী ব্যক্তি যে কখনও তৃপ্ত হয় না।))

তিনি বলেন: অতঃপর আমি বিষয়টিকে কাব্যরূপ দান করেছি এবং বলেছি:

নির্বাচিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্ণতা নিয়ে বলেছেন ... ইলমের এমন এক সমুদ্র থেকে যার পানি সদা উৎসারিত হয়

ইলমের প্রতি লোভী ব্যক্তি তৃপ্ত হয় না এবং যে দুনিয়ার প্রতি লোভী ... সে কখনও তৃপ্ত হয় না।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬০)
20- أخبرنا أبو علي الرفا، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ، ثنا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُجَمِّعٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا صَلاةَ إِلا الْمَكْتُوبَةُ)) .

فَنَظَمْتُ ذَلِكَ وَقُلْتُ:

قَالَ النَّبِيُّ الرَّضِيُّ فِيمَا رَوَاهُ لَنَا … أَبُو هُرَيْرَةَ لا مَيْنًا وَلا كَذِبًا

إِذَا أُقِيمَتْ صلاةٌ فِي مَسَاجِدِكُمْ … فَلا تُصَلُّوا سِوَى الْفَرْضِ الَّذِي وَجَبَا.
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সালিহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বাহর বিন নাসর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন মুজাম্মি আল-আনসারী, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((যখন সালাত কায়েম করা হয়, তখন ফরজ সালাত ব্যতীত অন্য কোনো সালাত নেই।))।

অতঃপর আমি তা পদ্যে সাজিয়ে বললাম:

সন্তোষভাজন নবী তা-ই বলেছেন যা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন … আবু হুরায়রা, যাতে কোনো সংশয় বা মিথ্যা নেই

যখন তোমাদের মসজিদগুলোতে সালাত কায়েম করা হয় … তখন সেই ফরজ ব্যতীত অন্য কোনো সালাত আদায় করো না যা ওয়াজিব করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬১)
21- وأخبرنا أبو علي الرفا، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا يُوسُفُ، حَدَّثَنِي زَيْدٌ الْعَمِيُّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ كَانَ مِنْكُمْ يُحِبُّ أَنْ تُسْتَجَابَ دَعْوَتُهُ وَتُكْشَفُ كُرْبَتَهُ فَلْيُيَسِّرْ عَنِ الْمُعْسِرِ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَوْلَ النَّبِيِّ المصطفى … نورٌ يبين ضياؤه

مَنْ كَانَ مِنْكُمْ رَاجِيًا … أَنْ يُسْتَجَابَ دُعَاؤُهُ

أَوْ كَانَ فِي كرب فيكشف … كربه وبلاؤه

فَلْيُؤْثِرَنَّ ذَا عسرةٍ … بِالْيُسْرِ فَهُوَ عَطَاؤُهُ.
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রাফ্ফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআয়ম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যায়দ আল-আমী, ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে তার দোয়া কবুল করা হোক এবং তার বিপদ দূর করা হোক, সে যেন ঋণগ্রস্ত অভাবীর জন্য (ঋণ পরিশোধ বা অন্য কোনোভাবে) সহজ করে দেয়।)) .

অতঃপর আমি তা পদ্যাকারে সাজিয়েছি এবং বলেছি:

মনোনীত নবীর বাণী … এক নূর যার জ্যোতি প্রকাশমান

তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রত্যাশী … তার দোয়া কবুল হওয়ার

কিংবা কোনো সংকটে আছে যাতে মোচন হয় … তার দুঃখ ও মুসিবত

সে যেন অভাবগ্রস্তকে অগ্রাধিকার দেয় … সহজীকরণের মাধ্যমে, আর এটিই তার দান।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬২)
22- وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أسد مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ منصور بمكة.. ..، ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ:

((يَا عَلِيُّ، ثلاثٌ لا تُؤَخِّرْهَا: الصَّلاةُ إِذَا حَانَتْ، والجنازة إذا حضرت، والأيم إذا وَجَدْتَ لَهَا كُفُؤًا)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ النَّبِيُّ وَخَيْرُ الْقَوْلِ أَصْدَقُهُ … وَالنُّورُ مَا قَالَهُ مَا مثله نور

ثلاثةٌ لا تُؤَخِّرْهَا الصَّلاةُ إِذَا … حَانَتْ فإنك في التأخير مأزور

وميتاً قد قضى نحباً تجهزه … معجلاً فهو بالتعجيل مقبور

وأيمٌ جَاءَ كفوٌ وَهُوَ يَخْطُبُهَا … وعضلها عن كفي الروح مَحْظُورٌ.
২২- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আসাদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মানসুর মক্কায়... .. আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব, সাঈদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুমাহী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((হে আলী! তিনটি বিষয়ে বিলম্ব করবে না: সালাত যখন তার সময় হবে, জানাজা যখন উপস্থিত হবে, এবং অবিবাহিতা নারী যখন তুমি তার জন্য উপযুক্ত পাত্র পাবে))।

তিনি বলেন: অতঃপর আমি তা পদ্যে সাজিয়েছি এবং বলেছি:

নবী বলেছেন—আর সর্বোত্তম কথা হলো সত্য কথা … এবং আলো হলো তাঁর বাণী, যার সমতুল্য কোনো আলো নেই—

তিনটি বিষয় তুমি বিলম্ব করো না; সালাত যখন … সময় হবে, কেননা বিলম্বে তুমি গুনাহগার হবে।

এবং মৃত ব্যক্তি যে প্রাণ ত্যাগ করেছে, তাকে দ্রুত প্রস্তুত করো … কেননা দ্রুত করার মাধ্যমেই তাকে কবরস্থ করা হয়।

আর অবিবাহিতা নারী, যার কাছে উপযুক্ত পাত্র এসেছে এবং সে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছে … এমতাবস্থায় যোগ্য পাত্র থেকে তাকে বাধা দান করা নিষিদ্ধ।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬৪)
23- وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، ثنا عَبَّاسُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الْوَلِيدِ الضَّبِّيُّ، ثنا خَالِدٌ الطَّحَّانُ، عَنْ بَيَانٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ عَلِيٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ نَادَى منادٍ مِنَ الْحُجُبِ: يَا أَهْلَ الْجَمْعِ، غُضُّوا أَبْصَارَكُمْ وَنَكِّسُوا رُؤُوسَكُمْ فَهَذِهِ فَاطِمَةُ رضي الله عنها بِنْتُ محمدٍ صلى الله عليه وسلم تريد تجوز عَلَى الصِّرَاطِ)) .

فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ النَّبِيُّ الْمُصْطَفَى فِيمَا رَوَى … عَنْهُ عليٌ وَهُوَ نورٌ يَقْبِسُوا

نَادَى منادٍ مِنْ وَرَاءِ الْحُجُبِ فِي … يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَالْخَلائِقِ أَرْكِسُوا

هَاتِيكَ فاطمةٌ سَلِيلَةُ أحمدٍ … مِمَّنْ تَجُوزُ عَلَى الصِّرَاطِ فَنَكِّسُوا.
২৩- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে বাক্কার ইবনুল ওয়ালিদ আদ-দাব্বি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ আত-তাহহান, তিনি বায়্যান থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি আবু জুহাইফা থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((“যখন কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে, তখন পর্দার আড়াল থেকে এক ঘোষণাকারী আহ্বান করবেন: হে সমবেত জনতা! তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত করো এবং তোমাদের মাথা নিচু করো; কারণ এই হলেন ফাতিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহা), মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা, তিনি সিরাত পার হতে চাচ্ছেন।”)) .

অতঃপর আমি একে ছন্দবদ্ধ করেছি এবং বলেছি:

মুস্তফা নবী যা বলেছেন তা বর্ণনা করেছেন … তাঁর পক্ষ থেকে আলী, আর তিনি এমন এক নূর যা হতে সকলে আলো গ্রহণ করে

পর্দার আড়াল থেকে এক আহ্বানকারী ঘোষণা করবেন … কিয়ামতের দিনে, এবং সকল সৃষ্টি তাদের মাথা অবনত করবে

এই তো ফাতিমা, আহমাদ (সা.)-এর পবিত্র বংশধর … যিনি সিরাত পার হবেন, অতএব তোমরা মাথা নিচু করো।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬৬)
24- أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ -وَهُوَ ابن أبي بكر-، عن عبد اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها تَقُولُ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ وَلِيَ مِنْكُمْ عَمَلا أَوْ شَيْئًا فَأَرَادَ اللَّهُ بِهِ خيراً، جعل الله لَهُ وَزِيرُ صدقٍ إِنْ نَسَى ذَكَّرَهُ، وَإِنْ ذَكَرَ أَعَانَهُ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ النَّبِيُّ رَسُولُ اللَّهِ سَيِّدُنَا … صَلَّى عَلَيْهِ إِلَهُ الْخَلْقِ مَوْلاهُ

مَنْ كَانَ مِنْكُمْ يَلِي مِنْ أُمَّتِي عَمَلا … وَقَدْ تَوَلاهُ رَبِّي حِينَ وَلاهُ

يَجْعَلُ وَزِيرًا لَهُ إِنْ يَنْسَ ذَكَّرَهُ … أَوْ يَبْغِ مِنْهُ جَمِيلَ الْعَوْنِ ولاه.
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু নুআইম, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান—যিনি ইবনে আবি বকর—, আব্দুল্লাহ বিন আবি মুলাইকাহ থেকে, কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোনো দায়িত্ব বা কোনো বিষয়ের কর্তৃত্ব লাভ করে এবং আল্লাহ তার মঙ্গল চান, তবে আল্লাহ তার জন্য একজন সত্যনিষ্ঠ সহযোগী (উজির) নিযুক্ত করে দেন; যদি সে ভুলে যায় তবে সে তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, আর যদি সে স্মরণে রাখে তবে সে তাকে সাহায্য করে।))

তিনি বলেন: অতঃপর আমি তা ছন্দবদ্ধ করেছি এবং বলেছি:

আল্লাহর নবী ও রাসুল, আমাদের নেতা বলেছেন … সৃষ্টির ইলাহ ও তাঁর মাওলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন

তোমাদের মধ্যে যে আমার উম্মতের কোনো কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করবে … যখন আমার রব তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তখনই তিনি তার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন

তিনি তার জন্য একজন সহযোগী নির্ধারণ করেন, যদি সে ভুলে যায় তবে তাকে স্মরণ করিয়ে দেয় … আর যদি সে তাঁর নিকট উত্তম সাহায্য চায়, তবে তিনি তাকে তা দান করেন।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৬৮)
25- وأخبرنا أَبُو عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ رضي الله عنها تَقُولُ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقُ فَقَدْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنْ خَيْرِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، وَمَنْ حُرِمَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ حُرِمَ حَظَّهُ مِنَ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ)) .

قَالَ: فَنَظَمْتُهُ وَقُلْتُ:

قَالَ الرَّسُولُ الْهَاشِمِيُّ الَّذِي … قَدْ أَكْرَمَ اللَّهُ بِهِ الأُمَّهْ

مَنْ أُعْطِيَ الرِّفْقَ فَقَدْ نَالَ من … داريه أسنى الحظ والسهمه

والأخرق المحروم من رِفْقِهِ … قَدْ بُخِسَ الْحَظَّ مِنَ النِّعْمَةْ.
২৫- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান, কাসিম ইবন মুহাম্মদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((যাকে নম্রতার অংশ দান করা হয়েছে, তাকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের অংশ দান করা হয়েছে। আর যে নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।))

তিনি বলেন: অতঃপর আমি তা ছন্দবদ্ধ করলাম এবং বললাম:

সেই হাশেমী রাসূল বলেছেন, যাঁর দ্বারা … আল্লাহ এই উম্মতকে সম্মানিত করেছেন

যাকে নম্রতা দান করা হয়েছে, সে উভয় জাহানে লাভ করেছে … সর্বোচ্চ ভাগ্য ও অংশ

আর নম্রতা থেকে বঞ্চিত স্থূলবুদ্ধি ব্যক্তি … নিআমতের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৭০)
26- وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ مُوسَى بْنُ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى، عْنِ نَصْرِ بْنِ عَلِيّ، أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَخْبَرَنِي أَخِي مُوسَى بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ بِيَدِ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ فَقَالَ:

((مَنْ أَحَبَّنِي وَأَحَبَّ هَذَيْنِ وَأَبَاهُمَا وَأُمَّهُمَا كَانَ مَعِيَ فِي دَرَجَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ)) .

قَالَ: فَجَعَلْتُ ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

أَخَذَ النَّبِيُّ يَدَ الْحُسَيْنِ وَصِنْوَهُ … يَوْمًا وَقَالَ وَصَحْبُهُ فِي مَجْمَعِ

مَنْ وَدَّنِي يَا قَوْمُ أَوْ هَذَيْنِ أَوْ … أَبَوَيْهِمَا فَالْخُلْدُ مَسْكَنُهُ مَعِي.
২৬- আবু আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ মুসা বিন ইউসুফ বিন মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাসর বিন আলী থেকে বর্ণিত, আলী বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাসান বিন আলী বিন আবি তালিব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার ভাই মুসা বিন জাফর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা জাফর বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা আলী বিন হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইনের হাত ধরলেন এবং বললেন:

“যে আমাকে ভালোবাসলো এবং এই দুইজনকে এবং তাদের পিতা ও তাদের মাতাকে ভালোবাসলো, সে কিয়ামতের দিন আমার সাথে আমার স্তরে থাকবে।”

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর আমি বিষয়টিকে কাব্যাকারে সাজালাম এবং বললাম:

নবী একদিন হুসাইন ও তাঁর ভাইয়ের হাত ধরলেন … এবং বললেন এমতাবস্থায় যখন তাঁর সাহাবীগণ এক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

হে লোকসকল! যে আমাকে ভালোবাসলো অথবা এই দুইজনকে অথবা … তাদের পিতামাতাকে, জান্নাতুল খুলদে চিরকাল তার আবাস হবে আমার সাথে।
(খণ্ড: ১) আল মানযুম ওয়াল মানসুর মিনাল হাদিস (পৃষ্ঠা: ৭২)
27- أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ رَبِيعَةَ الْجَرَشِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَحَرَّى صَوْمَ يوم الإثنين والخميس.

قال: فنظمت ذَلِكَ نَظْمًا وَقُلْتُ:

قَدْ رَوَيْنَا عَنِ النَّبِيِّ حَدِيثًا … قَدْ صَفَا مِنْ شَوَائِبِ التَّدْلِيسِ

أَنَّهُ كَانَ صومه يتحرى … يوم إثنينه ويوم خميس.
২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে দাউদ, তিনি সওর ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মা'দান থেকে, তিনি রাবিআ আল-জারাশি থেকে, আর তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন।

তিনি বলেন: অতঃপর আমি বিষয়টি ছন্দবদ্ধ করেছি এবং বলেছি:

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করেছি … যা তাদলিসের (বর্ণনার অস্পষ্টতা) কলুষতা থেকে মুক্ত ও স্বচ্ছ।

নিশ্চয়ই তিনি রোজা রাখার সংকল্প ও চেষ্টা করতেন … সোমবার এবং বৃহস্পতিবারের দিনে।