(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: -)
الترغيب والترهيب - إسماعيل الأصفهاني - ت شعبان القسم: كتب السنة
الكتاب: الترغيب والترهيب
المؤلف: أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل الجوزي الأصبهاني، المعروف بـ قوام السنة
اعتنى به: أيمن بن صالح بن شعبان
(الطبعة الأولى، على أوثق نسخة خطية)
الناشر: دار الحديث - القاهرة
الطبعة: الأولى، 1414 هـ - 1993 م
عدد الأجزاء: 3
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব - ইসমাইল আল-আসবাহানি - সম্পাদনায় শা'বান বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব
লেখক: আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল আল-জাওজি আল-আসবাহানি, যিনি কাওয়ামুস সুন্নাহ নামে পরিচিত
সম্পাদনায়: আয়মান ইবনে সালেহ ইবনে শা'বান
(প্রথম সংস্করণ, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে)
প্রকাশক: দার আল-হাদিস - কায়রো
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৩
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খায়র আকবিল
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
مقدمة المؤلفقال الشيخ الإمام الحافظ، قوام السنة، موفق الإسلام، الأستاذ: أبو القاسم إسماعيل بن محمد بن الفضل الأصبهاني:
الحمد لله
عالم الغيوب، وسائر العيوب، وغافر الذنوب، والمطل على ضمائر القلوب. ويجزل الثواب فضلاً، ويكثر العقاب عدلاً.
{لا يسأل عما يفعل وهم يسألون}.
خصنا بدين الإسلام، وجعلنا من أمة محمد عليه السلام، صلى الله عليه أفضل صلاة وأزكاها، وأطيبها وأنماها، وصلى على آله وأصحابه
ثم .. إنكم معشر طلبة العلم -أحسن الله توفيقكم- أكثرتم مسألتكم إياي أن أجمع لكم كتاباً، يشتمل على الترغيب في الأعمال الصالحة، والأقوال الحسنة والنيات الخالصة.
وعلى الترهيب من الأعمال السيئة، والأقوال القبيحة، والنيات الفاسدة، ويتضمن ما ورد في ذلك من الثواب والعقاب.
وذكرتم أن الكتب المصنفة في هذا الباب مطولة بكثرة الأسانيد والتكرار، أو مختصرة غاية الاختصار، لا يظفر طالب العلم منها بالمراد ولا يشفي بها غليل الفؤاد.
লেখকের ভূমিকাশাইখ, ইমাম, হাফিজ, কাওয়ামুস সুন্নাহ, মুওয়াফফাকুল ইসলাম, উস্তাদ আবু কাসিম ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ফাদল আল-আসবাহানী বলেন:
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
যিনি অদৃশ্য বিষয়সমূহ এবং সকল দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে পরিজ্ঞাত, গুনাহ ক্ষমাশীল এবং হৃদয়ের গোপন রহস্যসমূহের পর্যবেক্ষক। তিনি স্বীয় অনুগ্রহে বিপুল সওয়াব দান করেন এবং স্বীয় ইনসাফ অনুযায়ী কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।
“তিনি যা করেন সে বিষয়ে তাঁকে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না, বরং তাদেরকেই (সৃষ্টিজগতকে) প্রশ্ন করা হবে।”
তিনি আমাদের ইসলাম ধর্মের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন এবং আমাদের মুহাম্মদ আলাইহিস সালামের উম্মতভুক্ত করেছেন। আল্লাহ তাঁর ওপর সর্বোত্তম, পবিত্রতম, উৎকৃষ্টতম ও ক্রমবর্ধমান দরুদ ও রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপরও।
অতঃপর... হে তালিবে ইলম বা জ্ঞানান্বেষীগণ—আল্লাহ আপনাদের তাওফিককে সুন্দর করুন—আপনারা আমার কাছে বারবার আবেদন করেছেন যেন আমি আপনাদের জন্য এমন একটি কিতাব সংকলন করি, যা নেক আমল, উত্তম কথা এবং বিশুদ্ধ নিয়তের প্রতি উৎসাহ প্রদানের (তারগীব) বিষয়সমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
একই সাথে যা মন্দ কাজ, কদর্য কথা ও কলুষিত নিয়ত থেকে ভীতি প্রদর্শন (তারহীব) এবং এই সংক্রান্ত বর্ণিত সওয়াব ও আজাবকে শামিল করবে।
আপনারা আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই বিষয়ে রচিত কিতাবগুলো হয় অনেক বেশি সনদ ও পুনরাবৃত্তির কারণে অত্যন্ত দীর্ঘ, অথবা অতিমাত্রায় সংক্ষিপ্ত; ফলে একজন তালিবে ইলম তা থেকে তার কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না এবং তা অন্তরের তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
فترددت في ذلك زماناً، ليتقرر لي ترتيب أبواب الكتاب، ثم وقع الاختيار على أن أجمعه على حروف:
أ، ب، ت، ث
ليسهل على الطالب الاهتداء إليه، وأقدم في كل باب ما ورد فيه من الترغيب، ثم أتبعه ما ورد فيه من الترهيب. ولا أراعي في الحروف: أزائدة هي -أم- من الكلمة؟
نحو:
باب «الإخلاص» وباب «الحسبان» أذكرهما في باب الألف لا في باب الخاء والحاء.
فإن لم يقع في باب الترغيب والترهيب معاً. اقتصرت على واحد منهما وأسأل الله تعالى أن ينفعني والمستفيدين بذلك،
إنه لنعم المفضل.
আমি এ বিষয়ে দীর্ঘকাল দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম, যাতে কিতাবের অধ্যায়গুলোর বিন্যাস আমার নিকট সুনির্ধারিত হয়। অতঃপর বর্ণানুক্রমে এটি সংকলন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো:
আলিফ, বা, তা, ছা
যাতে শিক্ষার্থীর পক্ষে এটি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। আমি প্রতিটি অধ্যায়ে প্রথমে তারগিব (উৎসাহব্যঞ্জক) সংক্রান্ত বর্ণিত বিষয়সমূহ উপস্থাপন করব, অতঃপর তারহিব (ভীতিপ্রদর্শনমূলক) সংক্রান্ত বর্ণিত বিষয়সমূহ উল্লেখ করব। আর আমি অক্ষরের ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করব না যে, অক্ষরটি অতিরিক্ত নাকি শব্দের মূল অংশ?
যেমন:
‘ইখলাস’ অধ্যায় এবং ‘হিসবান’ অধ্যায়; আমি এ দুটিকে আলিফ অধ্যায়ে উল্লেখ করব, খা বা হা অধ্যায়ে নয়।
যদি কোনো অধ্যায়ে তারগিব ও তারহিব উভয়টি একত্রে পাওয়া না যায়, তবে আমি কেবল একটির ওপরই সীমাবদ্ধ থাকব। আর আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে আমাকে এবং উপকারপ্রার্থীদের উপকৃত করেন,
নিশ্চয়ই তিনি শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহকারী।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
باب الألف
باب في الترغيب في الإيمان وفضله
1 - أخبرنا الشريف أبو نصر الزينبي رحمه الله ببغداد، أنا أبو طاهر المخلص قال: أنا عبد الله بن محمد البغوي قال: أنا أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن خالد الشيباني رضي الله عنه ثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة قال: أخبرني أبو جمرة قال: سمعت ابن عباس يقول:
«قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرهم بالإيمان بالله عز وجل قال: أتدرون ما الإيمان بالله؟ قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: شهادة أن لا إله إلا الله، وأن محمداً رسول الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة وصوم رمضان، وأعطوا الخمس من المغنم».
আলিফ অধ্যায়ঈমানের প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর ফযীলত বিষয়ক অধ্যায়১ - বাগদাদে শরীফ আবু নাসর আল-যায়নাবী (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আল-মুখলিস আমাদের বলেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাবী আমাদের বলেছেন, আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন খালিদ আশ-শাইবানী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের বলেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বা থেকে, তিনি বলেন: আবু জামরাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি:
«আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলে তিনি তাদেরকে মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেন: তোমরা কি জানো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কী? তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, আর সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, রমযানের সিয়াম পালন করা এবং গনীমতের মালের এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করা।»
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
2 - أنا أحمد بن علي بن خلف بنيسابور، أنا الحاكم أبو عبد الله الحافظ، ثنا أبو العباس محمد بن يعقوب، ثنا محمد بن إسحاق الصغاني، ثنا أبو النضر، ثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس قال:
«كنا نهينا أن نسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن شيء، فكان يعجبنا أن يأتيه الرجل من أهل البادية فيسأله ونحن نسمع، فأتى رجل منهم فقال: يا محمد، أتانا رسولك فزعم أنك تزعم أن الله أرسلك. قال: صدق. قال: فمن خلق السماء؟ قال: الله. قال: فمن خلق الأرض؟ قال: الله. قال: فمن نصب هذه الجبال؟ قال: الله. قال: فمن جعل فيها هذه المنافع؟ قال: الله. قال: فبالذي خلق السماء والأرض ونصب الجبال وجعل فيها هذه المنافع آلله أرسلك؟ قال: نعم.
قال: وزعم رسولك أن علينا خمس صلوات في يومنا وليلتنا؟ قال: صدق. قال: فبالذي أرسلك، آلله أمرك بهذا؟ قال: نعم، قال: وزعم رسولك أن علينا صدقة في أموالنا؟ قال: صدق. قال: فبالذي أرسلك، آلله أمرك بهذا؟ قال: نعم. قال: وزعم رسولك أن علينا صوم شهر في سنتنا؟ قال: صدق. قال: فبالذي أرسلك، آلله أمرك بهذا؟ قال: نعم. قال: وزعم رسولك أن علينا حج البيت من استطاع إليه سبيلاً. قال: صدق. قال: فبالذي أرسلك، آلله أمرك بهذا؟ قال: نعم. قال:
والذي بعثك بالحق لا أزيد عليهن ولا أنقص منهن: -فلما مضى- قال: لئن صدق ليدخلن الجنة.
3 - أنا محمد بن أبي طاهر الخرقي، أنا الفضل بن عبيد الله، ثنا
২ - আমি আহমদ বিন আলী বিন খালাফ নিশাপুরী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকিম আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাগানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নাদর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন মুগিরা, সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«আমাদের আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তাই আমাদের নিকট এটি পছন্দনীয় ছিল যে, মরুভূমি থেকে কোনো ব্যক্তি আসুক এবং তাঁকে প্রশ্ন করুক আর আমরা তা শুনি। অতঃপর তাঁদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি এসে বললেন: হে মুহাম্মদ! আপনার দূত আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং তিনি দাবি করেছেন যে আপনি নাকি দাবি করেন আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: সে সত্য বলেছে। সেই ব্যক্তি বললেন: তবে আসমান কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: আল্লাহ। তিনি বললেন: তবে জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: আল্লাহ। তিনি বললেন: তবে এই পাহাড়গুলোকে কে স্থাপন করেছেন? তিনি বললেন: আল্লাহ। তিনি বললেন: তবে এতে এই সকল উপকারিতা কে রেখেছেন? তিনি বললেন: আল্লাহ। তিনি বললেন: তবে যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, পাহাড়গুলো স্থাপন করেছেন এবং এতে এসব উপকারিতা দান করেছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
তিনি বললেন: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের ওপর দিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত রয়েছে? তিনি বললেন: সে সত্য বলেছে। তিনি বললেন: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের সম্পদে সাদাকাহ (যাকাত) রয়েছে? তিনি বললেন: সে সত্য বলেছে। তিনি বললেন: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আপনার দূত দাবি করেছেন যে বছরে আমাদের ওপর এক মাস সিয়াম (রোজা) রয়েছে? তিনি বললেন: সে সত্য বলেছে। তিনি বললেন: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের মধ্যে যার বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছানোর সামর্থ্য আছে তার ওপর হজ রয়েছে। তিনি বললেন: সে সত্য বলেছে। তিনি বললেন: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন:
সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি এগুলোর ওপর কোনো কিছু বৃদ্ধি করব না এবং তা থেকে কিছু কমাবও না। অতঃপর যখন তিনি চলে গেলেন, তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: সে যদি সত্য বলে থাকে তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
৩ - আমি মুহাম্মদ বিন আবি তাহের আল-খারকি, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল বিন উবাইদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
عبد الله بن جعفر، ثنا محمد بن محمد بن صخر، ثنا عبد الله بن يزيد، ثنا الليث، حدثني سعيد عن شريك بن عبد الله بن نمر أنه سمع أنس بن مالك رضي الله عنه يقول:
«بينا نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم جلوس في المسجد، دخل رجل على جمل، فأناخه في المسجد، ثم عقله، ثم قال لهم: أيكم محمد؟ -ورسول الله صلى الله عليه وسلم يتكئ بين أظهرهم- فقلنا: هذا الرجل الأبيض المتكئ. فقال له الرجل: يا ابن عبد المطلب. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: قد أجبتك! فقال الرجل: إني يا محمد سائلك، فمشدد عليك في المسألة، فلا تجدن عليك في نفسك. فقال: سل عن ما بدا لك. فقال الرجل: نشدتك بربك ورب من قبلك، الله أرسلك إلى الناس كلهم؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اللهم نعم. قال: نشدتك بالله، الله أمرك أن نصلي الصلوات الخمس في اليوم والليلة؟ قال: اللهم نعم. قال: فنشدتك بالله؛ الله أمرك أن تأخذ هذه الصدقة من أغنيائنا فتقسمها على فقرائنا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اللهم نعم. فقال الرجل: آمنت بما جئت به، وأنا رسول من ورائي من قومي، وأنا: ضمام بن ثعلبة أخو بني سعد بن بكر».
4 - أنا علي بن أحمد بن فورجة قال: أنا محمد بن عبد الله بن
আবদুল্লাহ বিন জাফর, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাখর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ শারিক বিন আবদুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কে বলতে শুনেছেন:
«আমরা যখন মসজিদে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বসা ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি উটে চড়ে প্রবেশ করল। সে মসজিদে উটটিকে বসাল এবং সেটিকে বাঁধল। এরপর সে তাদের জিজ্ঞাসা করল: তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ কে? —তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মাঝে হেলান দিয়ে বসা ছিলেন— আমরা বললাম: এই যে হেলান দিয়ে থাকা ফর্সা ব্যক্তিটি। সে ব্যক্তি তাঁকে বলল: হে আবদুল মুত্তালিবের পুত্র! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: আমি তোমার ডাকে সাড়া দিচ্ছি! ব্যক্তিটি বলল: হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করব এবং প্রশ্নের ক্ষেত্রে আপনার প্রতি কঠোর হব, তাই আপনি মনে কিছু নেবেন না। তিনি বললেন: তোমার যা মনে আসে জিজ্ঞাসা করো। ব্যক্তিটি বলল: আমি আপনাকে আপনার রবের এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের দোহাই দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে সকল মানুষের নিকট পাঠিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে আল্লাহ! হ্যাঁ। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: হে আল্লাহ! হ্যাঁ। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি; আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের ধনীদের কাছ থেকে এই সদকা গ্রহণ করে আমাদের দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করার নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে আল্লাহ! হ্যাঁ। তখন ব্যক্তিটি বলল: আপনি যা নিয়ে এসেছেন আমি তার ওপর ঈমান আনলাম এবং আমি আমার গোত্রের যারা পেছনে রয়েছে তাদের প্রতিনিধি। আমি হলাম দ্বিমাম বিন সা’লাবা, বনু সা’দ বিন বকর গোত্রের ভাই।»
৪ - আলী বিন আহমাদ বিন ফুরজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬০)
الصالح، ثنا أبو الشيخ، ثنا الوليد، حدثني أبو نعيم، ثنا النضر بن زرارة، ثنا أبو الخناب، عن زاذان، عن جرير بن عبد الله رضي الله عنه قال:
«خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مررنا إلى الصحراء، فإذا راكب يوضع مقبلاً، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أين أقبل الراكب؟ قال: أقبلت من مالي وولدي وعشيرتي. قال: وأين تريد؟ قال: أردت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: قد أصبت. قال: يا رسول الله، علمني الإسلام. فلما أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمه، أطفنا ببعيره -فقال: تشهد أن لا إله إلا الله، وأن محمداً رسول الله. قال: أقررت. قال: وتقيم الصلاة المكتوبة. قال: أقررت. قال: وتؤتي الزكاة المفروضة. قال: أقررت. قال: وتحج البيت. قال: أقررت. قال: هذا الإسلام. وتقع يد بعيره في شبكة جرذان، فأهوى الجمل، ووقع الرجل على رأسه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بالرجل، فوثب عمار وحذيفة رضي الله عنهما فأقعداه، فقالا: قبض الرجل يا رسول الله، فأعرض رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يعرض، ثم أقبل عليهم، فقال: أما رأيتم إعراضي عن الرجل؟ قالوا: بلى! والله لقد رأينا إعراضك عنه. قال: فإني قد رأيت ملكين يدسان في فيه من ثمار الجنة، فعرفت أن الرجل مات جائعاً، هذا والله من الذين قال: {ولم يلبسوا إيمانهم بظلمٍ أولئك لهم الأمن وهو مهتدون}».
قال الإمام: قوله (يوضع) أي يسير ناقته بسرعة، (وشبكة جرذان) جحر الفأر. وقوله: (يدسان في فيه) أي يدخلان فيه بجهد.
5 - أنا محمد بن أبي الطاهر الخرقي، أنا الفضل بن عبيد الله، ثنا
আস-সালিহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুশ শাইখ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আন-নদর বিন যুরারাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল খাননাব, যাদান থেকে বর্ণিত, তিনি জারির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
«আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বের হলাম এবং এক মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখা গেল একজন আরোহী দ্রুতবেগে এগিয়ে আসছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: আরোহী কোথা থেকে আসছে? সে বলল: আমি আমার সম্পদ, সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে এসেছি। তিনি বললেন: তুমি কোথায় যাওয়ার সংকল্প করেছ? সে বলল: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে খুঁজছিলাম। তিনি বললেন: তুমি তোমার গন্তব্যে পৌঁছে গেছ। সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে ইসলাম শিক্ষা দিন। যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এগিয়ে এলেন, তখন আমরা তার উটের চারপাশ ঘিরে দাঁড়ালাম। তিনি বললেন: তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। সে বলল: আমি তা স্বীকার করলাম। তিনি বললেন: তুমি ফরয সালাত কায়েম করবে। সে বলল: আমি তা স্বীকার করলাম। তিনি বললেন: তুমি নির্ধারিত যাকাত প্রদান করবে। সে বলল: আমি তা স্বীকার করলাম। তিনি বললেন: তুমি বায়তুল্লাহর হজ করবে। সে বলল: আমি তা স্বীকার করলাম। তিনি বললেন: এটাই ইসলাম। এরপর হঠাৎ তার উটের পা ইঁদুরের গর্তে পড়ে গেল, ফলে উটটি হুমড়ি খেয়ে পড়ল এবং লোকটি তার মাথার ওপর পড়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: লোকটিকে ধরো। তখন আম্মার ও হুযাইফা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) দ্রুত গিয়ে তাকে বসিয়ে দিলেন। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, লোকটি মারা গেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এরপর তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন: তোমরা কি লোকটির দিক থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে নেয়া দেখেছ? তারা বললেন: হ্যাঁ! আল্লাহর কসম, আমরা আপনার বিমুখ হওয়া দেখেছি। তিনি বললেন: আমি দেখেছি দুইজন ফেরেশতা তার মুখে জান্নাতের ফল পুরে দিচ্ছেন, তখন আমি বুঝতে পারলাম যে লোকটি ক্ষুধার্ত অবস্থায় মারা গেছেন। আল্লাহর কসম, ইনি তাদেরই একজন যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন: {যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে যুলুমের সাথে মিশ্রিত করেনি, তাদের জন্যই নিরাপত্তা এবং তারাই সঠিক পথপ্রাপ্ত}।»
ইমাম বলেন: তাঁর উক্তি (ইউদা') অর্থ সে তার উষ্ট্রীকে দ্রুতগতিতে চালনা করছিল। আর (শাবাকাতু জুরদান) অর্থ ইঁদুরের গর্ত। আর তাঁর উক্তি (ইউদাসসানি ফি ফিহি) অর্থ তারা সজোরে তার মুখে প্রবেশ করাচ্ছিলেন।
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবিত তাহির আল-খারকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল বিন উবাইদুল্লাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬১)
عبد الله بن جعفر، ثنا محمد بن محمد بن صخر، ثنا عبد الله بن يزيد، ثنا سعيد -هو ابن أبي أيوب- حدثني عبد الله بن الوليد عن أبي الربيع -رجل من أهل المدينة- عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما:
«أن أعرابياً أقبل على راحلته، ورسول الله صلى الله عليه وسلم في مسير له، فقال: يا رسول الله، إن الله الذي له ملك السموات والأرض أرسلك إلى عباده، تبشرهم بحياة لا موت فيها، وشباب لا كبر فيه، وفرحٍ لا حزن فيه، وأمانٍ لا خوف فيه، وبمطاعم ومشارب، ولباسهم فيها حرير.
وتنذرهم ناراً موقدة. يصب من فوق رؤوسهم الحميم، ويقطع لهم ثياب من نار، فأخبرني بأعمال أعمل بهن تبلغني هذا، وتنجيني من هذا؟ قال: «تعبد الله وحده ولا تشرك به شيئاً، وإقام الصلاة المكتوبة، وإيتاء الزكاة المفروضة، وصيام رمضان، كما كتبه الله على الأمم من قبلكم، وتحج البيت، وتمامهن ما كرهت أن يأتيه إليك الناس فلا تأته إليهم».
فقال الأعرابي: إني إذن أرفض ما بين المشرق والمغرب وراء ظهري، وأعمل بما يبلغني هذا، وينجيني من هذا».
আবদুল্লাহ বিন জাফর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সাখর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ -তিনি হলেন ইবনে আবি আইয়ুব- আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-ওয়ালিদ, আবু আল-রবি -যিনি মদিনাবাসীদের একজন- থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন:
«একজন গ্রাম্য আরব তার সওয়ারিতে চড়ে এগিয়ে এলেন, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি সফরে ছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই আল্লাহ—যাঁর জন্য আসমান ও জমিনের রাজত্ব—তিনি আপনাকে তাঁর বান্দাদের নিকট পাঠিয়েছেন, আপনি যেন তাদের এমন এক জীবনের সুসংবাদ প্রদান করেন যাতে কোনো মৃত্যু নেই, এমন এক যৌবনের সুসংবাদ দেন যাতে কোনো বার্ধক্য নেই, এমন এক আনন্দের যাতে কোনো দুঃখ নেই, এমন এক নিরাপত্তার যাতে কোনো ভয় নেই, এবং বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়ের, আর সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের।
আর আপনি তাদের সতর্ক করেন এক প্রজ্বলিত আগুন সম্পর্কে। তাদের মাথার উপর দিয়ে ফুটন্ত পানি ঢালা হবে এবং তাদের জন্য আগুনের পোশাক কেটে তৈরি করা হবে। অতএব আমাকে এমন আমল সম্পর্কে বলুন যা করলে আমি এটি অর্জন করতে পারব এবং ওটি থেকে মুক্তি পাব? তিনি বললেন: «তুমি কেবল আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছু শরিক করবে না, ফরজ নামাজ কায়েম করবে, নির্ধারিত জাকাত প্রদান করবে, রমজানের রোজা রাখবে—যেভাবে আল্লাহ তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ওপর তা লিখেছিলেন—এবং বায়তুল্লাহর হজ করবে। আর এগুলোর পূর্ণতা হলো: মানুষের পক্ষ থেকে যা তোমার কাছে আসা তুমি অপছন্দ করো, তুমিও তাদের প্রতি তেমনটি করবে না»।
তখন সেই গ্রাম্য লোক বলল: «তবে আমি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে সব পেছনে ফেলে দেব এবং কেবল সেই আমলই করব যা আমাকে এটি এনে দেবে এবং ওটি থেকে মুক্তি দেবে»।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬২)
فصل آخر في فضائل الإيمان والمؤمنين
6 - أنا أبو محمد الحسن بن أحمد السمرقندي، أنا عبد الصمد بن نصر العاصمي، ثنا أبو العباس أحمد بن محمد بن البجيري، ثنا عمر بن محمد البجيري، ثنا هارون بن سعيد الأيلي، ثنا عبد الله بن وهب، قال: أخبرني مالك بن أنس عن صفوان بن سليم، عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:
«إن أهل الجنة ليتراءون أهل الغرف من فوقهم، كما تتراءون الكوكب الدري الغابر من الأفق من المشرق -أو- من المغرب لتفاضل ما بينهم. قالوا: يا رسول الله، تلك منازل الأنبياء لا يبلغها غيرهم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: بلى، والذي نفسي بيده، رجال آمنوا بالله وصدقوا المرسلين».
7 - أنا أبو محمد، أنا عبد الصمد، ثنا أحمد بن محمد
ঈমান ও মুমিনদের ফযীলত সম্পর্কিত আরেকটি পরিচ্ছেদ৬ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আহমাদ আস-সামারকান্দি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুস সামাদ ইবনে নাসর আল-আসিমী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল বুজাইরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-বুজাইরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে সাঈদ আল-আইলি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি সফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«নিশ্চয় জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের কক্ষবাসীদের এমনভাবে দেখবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব বা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল অস্তগামী নক্ষত্র দেখতে পাও। এটি তাদের মর্যাদার পার্থক্যের কারণে হবে। তাঁরা (সাহাবায়ে কিরাম) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ওগুলো তো নবীদের মর্যাদা, অন্য কেউ সেখানে পৌঁছাতে পারবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: অবশ্যই, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! তাঁরা হলেন সেই সব লোক যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং রাসূলদের সত্য বলে বিশ্বাস করেছে।»
৭ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুস সামাদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
البجيري، ثنا عمر بن محمد البجيري، ثنا محمد بن عبادة، ثنا يزيد بن هارون، ثنا سليم بن حيان -أثنى عليه- ثنا سعيد بن مينا، قال: ثنا -أو- سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنه يقول:
«جاءت ملائكة إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو نائم، فقال بعضهم: هو نائم، وقال بعضهم: إن العين نائمة والقلب يقظان. فقالوا: إن لصاحبكم هذا مثلاً، فاضربوا له مثلاً. فقالوا: مثله كمثل رجل بنى داراً، وجعل فيها مأدبة، وبعث داعياً؛ فمن أجاب الداعي دخل الدار وأكل من المأدبة، ومن لم يجب الداعي لم يدخل الدار ولم يأكل من المأدبة. فقالوا: أولوها يفقهها. قال بعضهم: إنه نائم، وقال بعضهم: إن العين نائمة والقلب يقظان. قالوا:
فالدار: الجنة، والداعي: محمد صلى الله عليه وسلم فمن أطاع محمداً فقد أطاع الله، ومن عصى محمداً فقد عصى الله، ومحمد فرق بين الناس».
আল-বুজাইরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবন মুহাম্মদ আল-বুজাইরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন উবাদাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইম ইবন হাইয়ান—তিনি তাঁর প্রশংসা করেছেন—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন মীনা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন—অথবা—আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি:
«ফেরেশতাগণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন যখন তিনি ঘুমাচ্ছিলেন। তখন তাঁদের কেউ কেউ বললেন: তিনি ঘুমাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বললেন: নিশ্চয়ই চোখ ঘুমাচ্ছে কিন্তু অন্তর জাগ্রত। তখন তাঁরা বললেন: তোমাদের এই সঙ্গীর জন্য একটি উদাহরণ রয়েছে, সুতরাং তোমরা তাঁর জন্য একটি উদাহরণ পেশ করো। তাঁরা বললেন: তাঁর উদাহরণ হলো এমন এক ব্যক্তির মতো যে একটি ঘর নির্মাণ করেছে এবং তাতে ভোজের আয়োজন করেছে, আর একজন আহ্বানকারীকে পাঠিয়েছে। অতঃপর যে ব্যক্তি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিল, সে ঘরে প্রবেশ করল এবং ভোজ গ্রহণ করল। আর যে ব্যক্তি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, সে ঘরে প্রবেশ করল না এবং ভোজও গ্রহণ করল না। অতঃপর তাঁরা বললেন: তোমরা এর ব্যাখ্যা করো যাতে তিনি তা বুঝতে পারেন। তাঁদের কেউ কেউ বললেন: তিনি তো ঘুমাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বললেন: নিশ্চয়ই চোখ ঘুমাচ্ছে কিন্তু অন্তর জাগ্রত। তাঁরা বললেন:
ঘরটি হলো জান্নাত, আর আহ্বানকারী হলেন মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। সুতরাং যে ব্যক্তি মুহাম্মদের আনুগত্য করল, সে মূলত আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি মুহাম্মদের অবাধ্য হলো, সে মূলত আল্লাহরই অবাধ্য হলো। আর মুহাম্মদ হলেন মানুষের মাঝে পার্থক্যকারী (সত্য ও মিথ্যার মাঝে)»।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
فصل في ذكر شعب الإيمان
8 - أنا محمد بن أحمد بن موسى الحافظ، أنا أحمد بن محمد بن زياد، ثنا الحسين بن مكرم، ثنا علي بن عاصم، ثنا سهيل، عن عبد الله بن دينار قال: وحدثني أبو صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«الإيمان بضع وستون -أو- بضع وسبعون -يعني شعبة- أعلاها شهادة أن لا إله إلا الله، وأدناها إماطة الأذى عن الطريق، والحياء شعبة من الإيمان».
9 - أنا أبو عمرو عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق، أنا والدي
ঈমানের শাখাসমূহ বর্ণনার পরিচ্ছেদ
৮ - মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুসা আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন ইবনে মুকরাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুহাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি বলেন: এবং আবু সালেহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«ঈমান ষাটের কিছু অধিক অথবা সত্তরের কিছু অধিক—অর্থাৎ শাখা—বিশিষ্ট। এর মধ্যে সর্বোত্তম হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আর এর সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।»
৯ - আবু আমর আবদুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
أنا محمد بن يعقوب بن يوسف، ثنا محمد بن عوف، ثنا المغيرة، ثنا عبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي رضي الله عنه قال:
«قلت: يا رسول الله، اطلعت غنيمة لي ترعاها جارية لي في ناحية أحد، فوجدت الذئب قد أصاب منها شاة؛ وأنا رجل من بني آدم آسف كما يأسفون، فصككتها صكة، ثم انصرفت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته، فعظم على ذلك. فقلت: يا رسول الله، ألا أعتقها؟ قال: ائتني بها؛ فأتيته بها، فقال لها: أين الله؟ قالت: في السماء. قال: من أنا؟ قالت: أنت رسول الله. قال: إنها مؤمنة، أعتقها، فإنها مؤمنة».
10 - أنا عبد الرحمن بن أحمد الواحدي، أنا أبو طاهر الزيادي أنا أبو العباس عبد الله بن يعقوب، ثنا محمد بن يعقوب الكرماني، حدثنا
আমি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আউফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুগিরাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আমর আল-আওজাঈ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির, হিলাল ইবনে আবি মাইমুনাহ থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে আল-হাকাম আস-সুলামি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! ওহুদ পাহাড়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় আমার কিছু বকরি ছিল যা আমার এক দাসী চরাচ্ছিল। একদা আমি দেখলাম যে নেকড়ে বাঘ সেখান থেকে একটি বকরি নিয়ে গেছে। আমি তো আদম সন্তানদেরই একজন মানুষ, তারা যেভাবে ব্যথিত ও রাগান্বিত হয় আমিও সেভাবেই ব্যথিত হই, তাই আমি তাকে একটি চড় মারলাম। তারপর আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তিনি আমার কাছে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে তুলে ধরলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাকে মুক্ত করে দেব না? তিনি বললেন: তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তখন আমি তাকে তাঁর কাছে নিয়ে আসলাম। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: আল্লাহ কোথায়? সে বলল: আকাশে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আমি কে? সে বলল: আপনি আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: সে মুমিনাহ, তাকে মুক্ত করে দাও, কারণ সে একজন মুমিনাহ।»
১০ - আমি আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ আল-ওয়াহিদি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আজ-জিয়াদি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল- Abbas আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-কিরমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
يحيى بن سعيد القطان، ثنا حسين المعلم، ثنا قتادة، عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«والذي نفسي بيده؛ لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه -أو لجاره- ما يحب لنفسه».
11 - أنا عبد الرحمن بن أحمد الواحدي، أنا أبو طاهر الزيادي، ثنا عبد الله بن يعقوب، ثنا محمد بن أبي يعقوب الكرماني، قال: أخبرنا يحيى بن بحر الكرماني، ثنا حماد بن زيد، عن مجالد بن سعيد، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:
«ألا إن مثل المؤمنين، ومثل توادهم وتحابهم وتراحمهم، كمثل الجسد إذا اشتكى بعضه تداعى سائره بالسهر والحمى».
12 - أنا عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق، أنا والدي، أنا سعيد بن أحمد بن جعفر بن سعيد الفهري، ثنا عبد الله بن محمد بن سعيد بن أبي مريم، ثنا عمرو بن أبي سلمة، ثنا صدقة بن عبد الله، عن إبراهيم بن مرة، عن أيوب بن سليمان، عن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال:
ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুসাইন আল-মুআল্লিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ; তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য—অথবা বলেছেন তার প্রতিবেশীর জন্য—তা-ই পছন্দ করে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ আল-ওয়াহিদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আজ-যিয়াদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াকুব আল-কিরমানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে বাহর আল-কিরমানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, মুজালিদ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি শাবী থেকে, তিনি নুমান ইবনে বশীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
«জেনে রেখো, মুমিনদের উদাহরণ এবং তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, হৃদ্যতা ও দয়ার উদাহরণ একটি শরীরের মতো; যখন তার কোনো একটি অঙ্গ ব্যথিত হয়, তখন শরীরের অবশিষ্টাংশ অনিদ্রা ও জ্বরের মাধ্যমে তার ডাকে সাড়া দেয়।»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে সাঈদ আল-ফিহরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারয়াম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবি সালামা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাদাকা ইবনে আবদুল্লাহ, ইবরাহিম ইবনে মুররাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আইয়ুব ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
«أغبط الناس عندي: مؤمن؛ خفيف الحاذ؛ ذو حظ من الصلاة؛ غامص في الناس؛ وكان رزقه كفافاً وصبر عليه؛ عجلت منيته؛ وقل تراثه؛ وقلت بواكيه».
قال الإمام رحمه الله قوله: (خفيف الحاذ) أي خفيف الحال، أي قليل الأهل والمال، وقوله: (غامص في الناس) أي خفي غير مشهور.
13 - أنا أبو عمرو عبد الوهاب، أنا والدي، أنا عبد الرحمن بن يحيى، ثنا أبو مسعود، ثنا أبو حذيفة، ثنا زهير بن محمد عن صالح بن كيسان، عن عبد الله بن أبي أمامة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال:
«البذاذة من الإيمان».
قال الإمام: قال أهل اللغة: البذاذة: التواضع في اللباس والرضا بالدون من الثياب.
14 - أنا أبو عمرو عبد الوهاب، أنا والدي، أنا أبو يحيى علي بن سليمان الخرقي، ثنا أبو قلابة، ثنا عمرو بن خليفة، ثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«الحياء من الإيمان؛ والإيمان: في الجنة، والبذاء من الجفاء؛ والجفاء في النار».
قال الإمام: البذاء: الفحش في المنطق وقلة الحياء. والجفاء: سوء الأدب، وترك الأخذ بأدب الله وأدب الرسول.
«আমার নিকট সবচেয়ে ঈর্ষণীয় ব্যক্তি হলো সেই মুমিন; যার পার্থিব বোঝা হালকা; সালাতে যার বিশেষ অংশ রয়েছে; মানুষের নিকট যে অখ্যাত; তার রিযিক ছিল জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম এবং সে তাতে ধৈর্য ধারণ করেছে; যার মৃত্যু দ্রুত হয়েছে; যার পরিত্যক্ত সম্পদ কম এবং যার জন্য বিলাপকারী বা ক্রন্দনকারীর সংখ্যাও কম ছিল।»
ইমাম (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, তাঁর বাণী: (পার্থিব বোঝা হালকা) এর অর্থ হলো অবস্থার দিক থেকে হালকা হওয়া, অর্থাৎ পরিবার ও সম্পদ কম হওয়া। আর তাঁর বাণী: (মানুষের নিকট অখ্যাত) এর অর্থ হলো অপ্রকাশিত ও প্রসিদ্ধ না হওয়া।
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাসউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর বিন মুহাম্মদ, সালিহ বিন কাইসান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি উমামা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«সাদাসিধা বা সাধারণ বেশভূষা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।»
ইমাম বলেছেন: ভাষাবিদগণ বলেছেন: 'আল-বাযাযাহ' হলো পোশাকে বিনয় অবলম্বন করা এবং সাধারণ মানের পোশাকে সন্তুষ্ট থাকা।
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াহইয়া আলী বিন সুলাইমান আল-খারকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন খলিফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর, আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«লজ্জাশীলতা ঈমানের অংশ; আর ঈমানের ঠিকানা জান্নাত। কটু কথা বা অশ্লীলতা হলো রূঢ়তার অংশ; আর রূঢ়তার ঠিকানা হলো জাহান্নাম।»
ইমাম বলেছেন: 'আল-বাযা' হলো কথাবার্তায় অশ্লীলতা এবং লজ্জার অভাব। আর 'আল-জাফা' হলো শিষ্টাচারের অভাব এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদব বা শিষ্টাচার গ্রহণ বর্জন করা।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
15 - أنا محمد بن أحمد بن علي الفقيه، أنا أبو بكر بن مردويه، ثنا محمد بن علي بن دحيم، ثنا أحمد بن حازم، ثنا أبو بكر، ثنا عبد الله بن نمير (ح).
قال ابن مردويه: وحدثني محمد بن عبد الله بن الحسين، ثنا عبد الله بن أحمد بن موسى، ثنا عثمان بن محمد، ثنا محمد بن بشر، قالا: أخبرنا زكريا بن أبي زائدة، عن سعد بن إبراهيم حدثني ابن كعب بن مالك عن أبيه رضي الله عنه قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم:
«مثل المؤمن كمثل الخامة من الزرع تفيئها الريح مرة، وتصرعها مرة، وتعدلها أخرى متى تهيج؛ ومثل المنافق كمثل الأرزة المجذبة على أصلها؛ لا يقصفها شيء حتى يكون انجعافها مرة واحدة».
قال الإمام: الخامة: الغضة. تفيئها: تميلها. وهاج النبت، إذا يبس. والأرزة: شجرة الصنوبر. والمجذبة: الثابتة. والانجعاف: الانقلاع.
16 - أنا محمد بن أحمد بن علي الفقيه وإبراهيم بن محمد بن الطيان قالا: أنا إبراهيم بن خرشيذ «قولة»، قال: ثنا أبو بكر
১৫ - আমি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-ফকীহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন মারদুওয়াহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন দুহাইম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হাযিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন নুমায়র (হ)।
ইবনে মারদুওয়াহ বলেন: এবং আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন বিশর, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাকারিয়া বিন আবি যাইদাহ, তিনি সা'দ বিন ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে কাব বিন মালিক তাঁর পিতা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«মুমিনের উদাহরণ হলো শস্যের কচি চারাগাছের মতো, যাকে বাতাস কখনো হেলিয়ে দেয়, কখনো শুইয়ে দেয় এবং কখনো সোজা করে দেয় যতক্ষণ না তা শুকিয়ে যায়; আর মুনাফিকের উদাহরণ হলো তার মূলের ওপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা দেবদারু গাছের মতো; কোনো কিছুই তাকে ভাঙতে পারে না যতক্ষণ না তা একবারে সমূলে উপড়ে পড়ে যায়»।
ইমাম বলেন: 'খামাহ' অর্থ: কোমল ও সজীব। 'তুফীউহা' অর্থ: তাকে হেলিয়ে দেয়। চারাগাছ 'হাজা' হওয়া মানে শুকিয়ে যাওয়া। 'আরজাহ' হলো: পাইন বা দেবদারু জাতীয় গাছ। 'মুজযিবাহ' অর্থ: সুদৃঢ় বা স্থির। 'ইনজি'আফ' অর্থ: সমূলে উপড়ে পড়া।
১৬ - আমি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-ফকীহ এবং ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আত-তাইয়ান, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন খুরশীদ «কাওলাহ», তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
النيسابوري، ثنا أحمد بن منصور «زاج»، ثنا علي بن الحسن، ثنا الحسين بن واقد، ثنا عبد الملك بن عمير قال: سمعت ابن الزبير يخطب يقول: سمعت عمر بن الخطاب يخطب يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب فقال:
«أكرموا أصحابي؛ ثم -الذين يلونهم؛ ثم -الذين يلونهم؛ ثم: يظهر الكذب حتى يشهد الرجل ولا يستشهد، ويحلف الرجل ولا يستحلف، فمن أحب منكم بحبوحة الجنة فليلزم الجماعة؛ فإن الشيطان مع الواحد: وهو مع الاثنين أبعد.
ولا يخلون رجل بامرأة فإن الشيطان ثالثهما؛ ومن سرته حسنته وساءته سيئته فهو المؤمن».
17 - أنا عبد الوهاب بن محمد بن إسحاق، أنا والدي، أنا محمد بن محمد بن الأزهر، ثنا الحارث، ثنا يونس بن محمد، ثنا
নাইসাবুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মনসুর 'জাজ', আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ওয়াকিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর, তিনি বলেন: আমি ইবনে যুবায়েরকে খুতবা দিতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি উমর বিন খাত্তাবকে খুতবা দিতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুতবা দিতে শুনেছি, এমতাবস্থায় তিনি বললেন:
«তোমরা আমার সাহাবীদের সম্মান করো; অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী; অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী। এরপর মিথ্যার প্রাদুর্ভাব ঘটবে, এমনকি একজন ব্যক্তি সাক্ষ্য দেবে অথচ তাকে সাক্ষ্য দিতে বলা হবে না, এবং একজন ব্যক্তি শপথ করবে অথচ তাকে শপথ করতে বলা হবে না। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জান্নাতের সুপ্রশস্ত মধ্যভাগ কামনা করে, সে যেন জামাআতকে (মুসলিম দল) আঁকড়ে ধরে; কেননা শয়তান একাকী ব্যক্তির সাথে থাকে, আর সে দুই ব্যক্তি থেকে অধিক দূরে থাকে।
আর কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান না করে, কারণ শয়তান তাদের তৃতীয়জন হিসেবে থাকে। আর যাকে তার সৎকাজ আনন্দিত করে এবং তার মন্দকাজ ব্যথিত করে, সেই হচ্ছে মুমিন।»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহাব বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-আযহার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭০)
الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن مرثد أبي الخير -أنه سمعه- أن رجلاً حدثه: أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:
«حين سأله: ما الإيمان يا رسول الله؟ قال: الإيمان: أن تؤمن بالله عز وجل ورسوله. ثم سأله الثانية. فقال: مثل ذلك؛ ثم سأله الثالثة، فقال: أتحب أن أخبرك ما صريح الإيمان؟ قال: ذاك والله ما أردت. فقال: إن صريح الإيمان إذا ظلمت أحداً -عبدك أو أمتك أو أحداً من الناس- صمت أو تصدقت».
18 - أنا أبو عمرو عبد الوهاب، أنا والدي، أنا أحمد بن إبراهيم بن جامع بمصر، ثنا يحيى بن عثمان، ثنا نعيم بن حماد، ثنا عثمان بن كثير بن دينار، عن محمد بن المهاجر، عن حميد بن ميمون، عن حمزة بن الزبير، عن عبادة بن الصامت –رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال:
«إن أفضل إيمان المرء: أن يعلم أن الله معه حيث كان».
19 - أنا محمد بن أحمد بن علي وإبراهيم بن محمد قالا: حدثنا إبراهيم بن عبد الله، ثنا الحسين بن إسماعيل، ثنا علي بن أحمد، ثنا
লাইস ইবনে সাদ বর্ণনা করেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি মারসাদ আবি আল-খাইর থেকে—তিনি তা শুনেছেন—জনৈক ব্যক্তি তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
«যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, ঈমান কী? তিনি বললেন: ঈমান হলো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ও তাঁর রাসূলের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা। এরপর তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি একই উত্তর দিলেন; এরপর তিনি তাঁকে তৃতীয়বার জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি বললেন: তুমি কি চাও আমি তোমাকে প্রকৃত ঈমান কী তা জানাই? তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, আমি সেটাই চেয়েছি। তিনি বললেন: প্রকৃত ঈমান হলো যখন তুমি কারও ওপর জুলুম করবে—তোমার গোলাম হোক বা বাঁদী হোক অথবা মানুষের মধ্যে কেউ হোক—তখন তুমি রোজা রাখবে অথবা দান-সদকাহ করবে।»
১৮ - আমাদের অবহিত করেছেন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের অবহিত করেছেন আমার পিতা, আমাদের অবহিত করেছেন মিশরের আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে জামি', আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে উসমান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন নুআইম ইবনে হাম্মাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে কাসির ইবনে দিনার, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আল-মুহাজির থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি হামজা ইবনে আল-জুবায়ের থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে আস-সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
«নিশ্চয়ই ব্যক্তির শ্রেষ্ঠ ঈমান হলো এটি জানা যে, সে যেখানেই থাকুক আল্লাহ তার সাথেই আছেন।»
১৯ - আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী এবং ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আহমদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭১)
محمد بن إسماعيل، حدثني عبد الله بن سلمة، عن محمد بن عبد الله بن عبد الرحمن بن صعصعة، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن جابر بن عبد الله –رضي الله عنه أن أبا مالك الأشعري كان يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع في أوسط أيام التشريق:
«أليس هذا اليوم بحرم؟ قالوا: بلى؛ يا رسول الله. قال: فإن حرمتكم بينكم إلى يوم القيامة كحرمة هذا اليوم؛ وكحرمة هذا الشهر. وأنبئكم من المسلم:
من سلم المسلمون من يده ولسانه؛ وأنبئكم من المؤمن: من أمنه المؤمنون على أموالهم ودمائهم؛ وأنبئكم من المهاجر: من هجر السيئات مما حرم الله –عز وجل
والمؤمن حرام على المؤمن كحرمة هذا اليوم؛ لحمه: عليه حرام؛ وأن يأكله بالغيب ويغتابه؛ وعرضه عليه حرام أن يحرقه؛ وأذاه عليه حرام أن يؤذيه؛ ووجهه عليه حرام أن يلطمه؛ وحرام عليه أن يدفعه دفعة تعنته».
মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন সা’সা’আ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন কাব বিন মালিক থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ -রাদিয়াল্লাহু আনহু- থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু মালিক আল-আশআরি বলতেন: আমি বিদায় হজের সময় তাশরিকের দিনসমূহের মাঝামাঝি সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«এই দিনটি কি পবিত্র নয়? তারা বললেন: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের পরস্পরের মাঝে তোমাদের জান-মাল ও সম্মান তেমনি পবিত্র, যেমন আজকের এই দিনের পবিত্রতা এবং যেমন এই মাসের পবিত্রতা। আর আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করব না যে প্রকৃত মুসলিম কে?
যার হাত ও জিহ্বা থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে; আর আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করব না যে মুমিন কে: যার নিকট মুমিনগণ তাদের সম্পদ ও প্রাণের ব্যাপারে নিরাপদ থাকে; আর আমি কি তোমাদেরকে অবহিত করব না যে মুহাজির কে: যে পাপাচার তথা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল যা হারাম করেছেন তা বর্জন করে।
আর মুমিনের নিকট অপর মুমিন এই দিনের পবিত্রতার ন্যায় পবিত্র; তার গোশত (খাওয়া) তার জন্য হারাম, অর্থাৎ তার অনুপস্থিতিতে তার গীবত করা; তার সম্মানহানি করা তার জন্য হারাম; তাকে কষ্ট দেওয়া তার জন্য হারাম; তার মুখমন্ডলে চড় মারা তার জন্য হারাম; এবং তাকে এমনভাবে ধাক্কা দেওয়া যা তাকে ক্লিষ্ট বা সংকটাপন্ন করে তা তার জন্য হারাম।»
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭২)
فصل في صفة الإيمان والمؤمنين
20 - أنا إسماعيل بن علي الخطيب بالري، ثنا أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد السراج، أنا أبو الحسن بن عبدوس الطرائفي، ثنا عثمان بن سعيد، ثنا موسى بن إسماعيل، ثنا سويد أبو حاتم، ثنا عبد الله بن عبيد بن عمير، عن أبيه، عن جده –رضي الله عنه قال:
«كنت قاعداً عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاءه رجل فقال: يا رسول الله؛ ما الإيمان؟ قال: الصبر والسماحة. قال: فأي المؤمنين أكمل إيماناً؟ قال: أحسنهم خلقاً».
21 - وأخبرنا إسماعيل بن علي الخطيب، أنا أبو بكر محمد بن محمد بن أحمد أبي رجاء، ثنا أبو العباس الأصم، ثنا محمد بن إسحاق الصغاني، ثنا عبد الله بن بكر، ثنا هشام –يعني الدستوائي- عن يحيى،
ঈমান ও মুমিনদের বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ২০ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন রাই শহরের খতিব ইসমাইল ইবনে আলী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সাররাজ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে আবদুস আত-তারাইফি, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাইদ, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ইসমাইল, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ আবু হাতিম, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদ ইবনে উমাইর, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা—রাদিয়াল্লাহু আনহু—থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
«আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল; ঈমান কী? তিনি বললেন: ধৈর্য ও উদারতা। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন: মুমিনদের মধ্যে ঈমানের দিক থেকে কে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ? তিনি বললেন: যাদের চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।»
২১ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে আলী আল-খতিব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আবু রাজা, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-আসাম্ম, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে বকর, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম—অর্থাৎ আদ-দাস্তুওয়ায়ি—ইয়াহইয়া থেকে,
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
عن زيد بن سلام، عن جده ممطور؛ عن أبي أمامة –رضي الله عنه:
«أن رجلاً سأل النبي صلى الله عليه وسلم: ما الإيمان؟ قال: إذا سرتك حسنتك؛ وساءتك سيئتك فأنت مؤمن. قال: يا رسول الله، ما الإثم؟ قال: إذا حاك في صدرك شيء فدعه».
قال الإمام: قوله (حاك في صدرك) أي لم يطمئن به صدرك، أي اترك ما يريبك، وافعل ما لا يريبك.
22 - أنا أبو الغنائم بن أبي عثمان ببغداد، ثنا أبو الحسن بن رزقويه، ثنا عثمان بن أحمد الدقاق، ثنا محمد بن أحمد بن البراء؛ ثنا المفضل بن حازم، حدثني عيسى بن عبد الله، ثنا ضمرة عن عبد الله بن شوذب، عن رجاء بن جميل الأيلي، عن الحسن قال:
«دخل حارثة الأنصاري صلاة الغداة على النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم: كيف أصبحت يا حارثة؟ قال: أصبحت يا رسول الله مؤمناً حقاً؛ قال النبي صلى الله عليه وسلم: إن لكل حق حقيقة؛ فما حقيقة إيمانك؟ قال:
عزفت نفسي عن الدنيا. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: بدأ بالداء فحسمه. قال: وصرت كأني أنظر إلى عرش ربي؛ وإلى أهل الجنة يتزاورون؛ وإلى أهل النار يتعاوون فيها؛ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: مؤمن، نور الله قلبه؛ عرفت فالزم».
যায়েদ বিন সালাম থেকে, তাঁর দাদা মামতুর এর সূত্রে, তিনি আবু উমামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন:
«এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: ঈমান কী? তিনি বললেন: যখন তোমার নেক আমল তোমাকে আনন্দিত করে এবং তোমার মন্দ কাজ তোমাকে ব্যথিত করে, তবেই তুমি মুমিন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, গুনাহ কী? তিনি বললেন: যখন তোমার অন্তরে কোনো কিছু খটকা সৃষ্টি করে, তখন তা বর্জন করো।»
ইমাম বলেন: তাঁর বাণী (তোমার অন্তরে খটকা সৃষ্টি করে) এর অর্থ হলো তোমার অন্তর যা নিয়ে প্রশান্তি লাভ করে না। অর্থাৎ, যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে তা বর্জন করো এবং যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে না তা করো।
২২ - বাগদাদে আবুল গানায়েম বিন আবি উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান বিন রিজকোওয়াইহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন আহমদ আদ-দাক্কাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-বাররা আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-মুফাদ্দাল বিন হাযেম আমাদের বর্ণনা করেছেন, ঈসা বিন আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরা আমাদের আব্দুল্লাহ বিন শাউযাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি রাজা বিন জামিল আল-আইলি থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
«হারিসা আল-আনসারী ফজরের নামাজের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: হে হারিসা, তুমি কেমন অবস্থায় সকাল করেছ? তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি প্রকৃত মুমিন অবস্থায় সকাল করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: প্রত্যেক সত্যের একটি হাকিকত বা বাস্তবতা থাকে; সুতরাং তোমার ঈমানের হাকিকত কী? তিনি বললেন:
আমার নফস দুনিয়া থেকে বিমুখ হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: তিনি ব্যাধি দিয়ে শুরু করেছেন এবং তা উপশম করেছেন। হারিসা বললেন: আর আমি যেন আমার রবের আরশের দিকে তাকিয়ে আছি; এবং জান্নাতবাসীদের দেখছি তারা একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ করছে; আর জাহান্নামীদের দেখছি তারা সেখানে আর্তনাদ করছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: সে একজন মুমিন, যার অন্তরকে আল্লাহ আলোকিত করেছেন; তুমি সত্য চিনেছ, সুতরাং এর ওপর অটল থাকো।»
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
قال الإمام: (عزفت نفسي) أي صرفتها، فكأن العزوف النظر إلى الشيء تقززاً.
23 - أنا عبد الرحمن بن محمد بن زياد ومحمد بن أحمد الأبهري، قالا: حدثنا أحمد بن محمد بن المرزبان، ثنا محمد بن إبراهيم بن الحكم، ثنا محمد بن سليمان «لوين»؛ ثنا عيسى بن يونس، عن مصعب بن ثابت: من ولد الزبير، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«المؤمن بين أهل الإيمان بمنزلة الرأس من الجسد؛ يألم المؤمن لما يصيب أهل الإيمان كما يألم الرأس لما يصيب الجسد».
24 - أنا أبو بكر السمسار، أنا أبو ذر الطبراني، ثنا
ইমাম বলেন: (আমি বিমুখ হয়েছি) অর্থাৎ আমি মনকে সরিয়ে নিয়েছি। যেন বিমুখ হওয়া হলো কোনো জিনিসের দিকে ঘৃণার সাথে তাকানো।
২৩ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আবেহারি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মারযুবান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হাকাম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ‘লুইন’; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, মুসআব ইবনে সাবিত থেকে—যিনি যুবায়েরের বংশধর—তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা’দ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«ঈমানদারদের মাঝে একজন মুমিনের মর্যাদা হলো দেহের সাপেক্ষে মাথার মর্যাদার মতো; মুমিন ঈমানদারদের কোনো বিপদে বা কষ্টে সেভাবে ব্যথিত হয় যেভাবে দেহের কোনো কষ্টের কারণে মাথা ব্যথিত হয়।»
২৪ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আস-সামসার, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু যার আত-তাবারানি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
عبد الله بن جعفر، ثنا أحمد بن يونس، ثنا محمد بن جعفر، ثنا حمزة الزيات عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«علم الإيمان الصلاة، فمن فرغ لها قلبه، وحاذ عليها بحدها، ووقتها، وسننها: فهو المؤمن».
قال الإمام: قوله: (حاذ عليها) أي حافظ عليها. يقال: حاذ عليه واستحوذ عليه، أي غلبه عليه؛ وأصل الكلمة من قولهم: حاذ الإبل إذا حسن سوقها؛ والأحوذي: الحاذق في الأمر المتعهد له. قالت عائشة –رضي الله عنها: في وصف عمر –رضي الله عنه: (كان أحوذياً نسيج وحده).
25 - أخبرنا عبد الرزاق بن عبد الكريم الحسناباذي، أنا أحمد بن موسى، ثنا دعلج علي بن عبد العزيز، ثنا أبو عبيد قال: بلغني عن ابن المبارك عن سعيد بن أبي أيوب، عن عبد الله بن الوليد، عن أبي سليمان الليثي، عن أبي سعيد الخدري –رض الله عنه- يرفعه:
«مثل المؤمن والإيمان كمثل الفرس في أخيته؛ يجول ثم يرجع إلى أخيته؛ وإن المؤمن يسهو ثم يرجع إلى الإيمان».
قال الإمام: الأخية: الحبل تشد به الدواب، ويرخى له الحبل
عبدالله ইবনে জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে ইউনুস আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি হামজা আল-জায়্যাত থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু নাদরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«ঈমানের নিদর্শন হলো সালাত; সুতরাং যে ব্যক্তি এর জন্য স্বীয় অন্তরকে একাগ্র করে এবং এর সীমা, সময় ও সুন্নাহসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে, সেই হলো মুমিন।»
ইমাম বলেন: তাঁর উক্তি: (হাজা আলাইহা) অর্থাৎ এর প্রতি যত্নবান হওয়া বা তা সংরক্ষণ করা। বলা হয়ে থাকে: 'হাজা আলাইহি' এবং 'ইস্তাহওয়াজা আলাইহি', যার অর্থ হলো কোনো কিছুর ওপর প্রবল হওয়া বা তা আয়ত্ত করা; আর শব্দটির মূল উৎস হলো তাদের কথা: 'হাজাল ইবিল' যখন কেউ নিপুণভাবে উট পরিচালনা করে; আর 'আহওয়াযি' বলা হয় তাকে যে কোনো বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ এবং সেটির যথাযথ তদারকি করে। আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন: (তিনি ছিলেন অত্যন্ত কর্মদক্ষ ও অতুলনীয়)।
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক ইবনে আব্দুল কারিম আল-হাসনাবাদহি, তিনি বলেন আহমদ ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন দালাজ আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু উবাইদ আমাদের বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন ইবনুল মুবারক থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ওয়ালিদ থেকে, তিনি আবু সুলাইমান আল-লাইসি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন:
«মুমিন ও ঈমানের উদাহরণ হলো খুঁটিতে বাঁধা ঘোড়ার মতো; সে চারদিকে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু পুনরায় নিজ খুঁটির কাছেই ফিরে আসে; আর মুমিন ব্যক্তিও মাঝে মাঝে ভুল করে, কিন্তু পুনরায় ঈমানের দিকেই প্রত্যাবর্তন করে।»
ইমাম বলেন: 'আখিয়্যাহ' হলো সেই রশি যা দিয়ে পশুদের বেঁধে রাখা হয় এবং তার চলাফেরার জন্য রশিটি ঢিলে করে দেওয়া হয়।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
ليجيء ويذهب؛ يمنعه الحبل عن مجاوزة قدر ذلك؛ فإذا بلغ نهاية ذلك رجع إلى ابتداء الأخية.
26 - أنا محمد بن الحسن الحاكم؛ أنا علي بن أحمد الخطيب، ثنا محمد بن أحمد بن إبراهيم، ثنا محمد بن علي بن مهدي، ثنا محمد بن سليمان بن بزيع، ثنا مصعب بن المقدام، عن أبي معاذ، عن جعفر بن إياس عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس –رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«ما من مؤمن إلا وله ذنب لا يفارقه الفينة بعد الفينة حتى يفارق الدنيا؛ إن المؤمن نساء إذا ذكر ذكر».
قال الإمام: الفينة بعد الفينة؛ أي الوقت بعد الوقت، والساعة بعد الساعة.
فصل
27 - أنا محمد بن أحمد بن علي وإبراهيم بن محمد «الطيان»؛
যাতে সে আসা-যাওয়া করতে পারে; রশিটি তাকে সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ সীমা অতিক্রম করতে বাধা দেয়; যখন সে তার শেষ সীমায় পৌঁছায়, তখন সে রশি বাঁধার খুঁটির গোড়ায় ফিরে আসে।
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-হাকিম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আহমদ আল-খতিব; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মাহদী; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে সুলায়মান ইবনে বাজি; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবনুল মিকদাম; আবু মুয়ায থেকে; জাফর ইবনে ইয়াস থেকে; সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে; ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«এমন কোনো মুমিন নেই যার কোনো পাপ নেই যা তাকে মাঝেমধ্যে পেয়ে বসে না, যতক্ষণ না সে দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়। নিশ্চয়ই মুমিন বিস্মৃতিপ্রবণ; যখন তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তখন সে স্মরণ করে (উপদেশ গ্রহণ করে)»।
ইমাম বলেন: 'আল-ফাইনা বা’দাল ফাইনা' (মাঝেমধ্যে) অর্থ হলো: এক সময়ের পর অন্য সময় এবং এক মুহূর্তের পর অন্য মুহূর্ত।
পরিচ্ছেদ
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী এবং ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ 'আত-তৈয়ান';
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
قالا: ثنا إبراهيم بن عبد الله بن خرشيذ «قولة»، ثنا الحسين بن إسماعيل المحاملي، ثنا أبو بكر بن صالح، ثنا أبو معمر، ثنا عبد الوارث، ثنا رجل يقال له: عطاء بن دينار، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يدخل الحمام إلا بمئزر؛ ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يدخل حليلته الحمام».
28 - أنا سليمان بن إبراهيم وأحمد بن عبد الرحمن، قالا: ثنا أبو بكر بن مردويه، ثنا محمد بن أحمد بن علي، وعبد الله بن محمد بن إسحاق المكي؛ قالا: ثنا أبو يحيى عبد الله بن أحمد بن أبي ميسرة، ثنا أبي؛ ثنا هشام بن سليمان عن ابن جريج، حدثني زياد بن سعيد، عن محمد بن عجلان، عن سعيد المقبري أنه سمع أباه يقول: سمعت أبا هريرة يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره؛ ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه؛ ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيراً أو ليسكت».
তারা উভয়েই বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন খুরশীজ ‘কাওলাহ’, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন সালেহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াম্মার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়ারিস, আমাদের কাছে এমন এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যাকে আতা বিন দিনার বলা হয়, তিনি আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন লুঙ্গি (তহবন্দ) পরিহিত অবস্থা ছাড়া গোসলখানায় প্রবেশ না করে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার স্ত্রীকে গোসলখানায় প্রবেশ না করায়।”
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন ইব্রাহিম এবং আহমদ বিন আব্দুর রহমান, তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন মারদুইয়াহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-মাক্কি; তাঁরা উভয়েই বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবু মাইসারা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন সুলাইমান, ইবনে জুরাইজ থেকে, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন জিয়াদ বিন সাঈদ, মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়; আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।”
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
29 - أخبرنا عبد الغفار بن محمد بن الحسين النيسابوري، أنا محمد بن موسى، ثنا محمد بن يعقوب، ثنا عبد الحكم، ثنا إسحاق –هو ابن بكر عن أبيه، عن جعفر بن ربيعة، عن أبي مرزوق، عن حنش، عن رويفع بن ثابت الأنصاري –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«لا يحل لأحد يؤمن بالله واليوم الآخر –أو: من كان يؤمن بالله واليوم الآخر- فلا يسق ماءه ولد غيره».
قال الإمام: المراد من الحديث: النهي عن وطء الحامل إذا سبيت، حتى تضع حملها.
২৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আন-নিশাপুরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হাকাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক—তিনি বকরের পুত্র—তাঁর পিতার সূত্রে, জাফর ইবনে রাবিআহ থেকে, তিনি আবু মারজুক থেকে, তিনি হানশ থেকে, তিনি রুয়াইফি ইবনে সাবিত আল-আনসারী—আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন—থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল—তাঁর ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—বলেছেন:
«যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে—অথবা: যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে—তার জন্য এটি বৈধ নয় যে, সে অন্যের সন্তানকে নিজের পানি দ্বারা সেচন করবে (অর্থাৎ গর্ভবতী যুদ্ধবন্দিনীর সাথে সহবাস করবে)»।
ইমাম বলেন: এই হাদীসের উদ্দেশ্য হলো: যুদ্ধবন্দী হিসেবে প্রাপ্ত কোনো গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসব না করা পর্যন্ত তার সাথে সহবাস করা নিষিদ্ধ।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
فصل في استكمال الإيمان
30 - أنا أبو القاسم الفضل بن محمد بن كثريه المعلم، وغيره، قالا: حدثنا علي بن محمد بن ماشاذة، ثنا عبد الله بن محمد بن عيسى، ثنا أحمد بن مهدي، ثنا نعيم بن حماد، أنا بعض مشايخنا: هشام أو غيره، عن محمد بن سيرين، عن عقبة بن أوس، عن عبد الله بن عمر –رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«لن يستكمل مؤمن إيمانه حتى يكون هواه تبعاً لما جئتكم به».
31 - أنا أحمد بن عبد الغفار بن أشتة، أنا أبو بكر بن أبي نصر، أنا أبو الشيخ، ثنا أبو الحريش، أنا ابن المقري، أنا مروان بن معاوية، عن عطاء بن عجلان، ثنا محمد بن سيرين، عن أنس -
ঈমান পূর্ণতা প্রাপ্তি বিষয়ক পরিচ্ছেদ
৩০ - আমি সংবাদ পেয়েছি আবুল কাসেম আল-ফজল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাসরিয়াহ আল-মুয়াল্লিম ও অন্যদের নিকট থেকে, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাশাজাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মাহদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুয়াইম ইবনে হাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আমাদের জনৈক শায়খ: হিশাম অথবা অন্য কেউ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি উকবাহ ইবনে আউস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন:
«কোনো মুমিন ততক্ষণ পর্যন্ত তার ঈমান পূর্ণ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তি আমি যা নিয়ে এসেছি তার অনুসারী হয়।»
৩১ - আমি সংবাদ পেয়েছি আহমদ ইবনে আব্দুল গাফফার ইবনে আশতাহ-এর নিকট থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবি নাসর, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুশ শাইখ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হারিশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া, আতা ইবনে আজলান থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সিরীন, আনাস - এর নিকট থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৮০)
رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«لا يستكمل رجل حقيقة الإيمان حتى يخزن لسانه».
32 - أنا محمد بن عمر الطهراني سنة سبع وستين وأربعمائة، أنا أبو عبد الله بن منده أنا سعيد بن أحمد بن جعفر الفهري، أنا عبد الله بن محمد بن سعيد الجمحي، أنا عمرو بن أبي سلمة، ثنا صدقة بن عبد الله، عن يحيى بن الحارث الزماري، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبي أمامة –رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:
«من أحب لله وأبغض لله، وأعطى لله، ومنع لله؛ فقد استكمل الإيمان».
33 - أنا محمد بن أحمد بن علي، أنا إبراهيم بن عبد الله بن خرشيذ «قولة»، ثنا عبد الله بن محمد بن زياد، ثنا أبو زرعة، ثنا عمر بن علي، ثنا صباح –يعني ابن محارب- عن سالم المرادي، عن حميد الحمصي، عن أبي عمرو الشيباني عن أبي هريرة –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«ثلاث من كن فيه يستكمل إيمانه:
رجل لا يخاف في الله لومة لائم؛ ولا يرائي بشيء منه عمل؛ ومن إذا عرض عليه أمران: أحدهما للدنيا، والآخر للآخرة، آثر أمر الآخرة على الدنيا».
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন:
«কোনো ব্যক্তি ঈমানের প্রকৃত হাকীকত ততক্ষণ পূর্ণ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার জিহ্বাকে সংযত রাখে।»
৩২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন উমর আত-তিহরানী চারশত সাতষট্টি হিজরী সনে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন আহমাদ বিন জাফর আল-ফিহরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-জুমাহি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর বিন আবি সালামা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকা বিন আব্দুল্লাহ, ইয়াহইয়া বিন আল-হারিস আয-যিমারি থেকে, আল-কাসিম বিন আব্দুর রহমান থেকে, আবু উমামাহ —আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন— থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন:
«যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসল, আল্লাহর জন্য ঘৃণা করল, আল্লাহর জন্য দান করল এবং আল্লাহর জন্য দান থেকে বিরত থাকল; সে অবশ্যই ঈমান পূর্ণ করল।»
৩৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন খুরশীদ ‘কাওলাহ’, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবাহ —অর্থাৎ ইবনুল মুহারিব— সালিম আল-মুরাদি থেকে, হুমাইদ আল-হিমসি থেকে, আবু আমর আশ-শাইবানি থেকে, আবু হুরাইরা —আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন— থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন:
«তিনটি বিষয় যার মধ্যে বিদ্যমান থাকবে, সে তার ঈমান পূর্ণ করবে:
এমন ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় করে না; তার আমলের মাধ্যমে কোনো কিছু লোকদেখানো করে না; এবং যখন তার সামনে দুটি বিষয় উপস্থিত হয়—যার একটি দুনিয়ার এবং অন্যটি আখিরাতের—তখন সে দুনিয়ার ওপর আখিরাতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়।»
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৮১)
فصل في ضعف الإيمان
34 - أنا محمد بن إبراهيم الكرخي بقزوين؛ أنا عبد الله بن عمر بن زاذان، أنا أبو بكر أحمد بن محمد بن إسحاق؛ أنا أبو عبد الرحمن النسائي، أنا عبد الحميد بن محمد، ثنا مخلد، ثنا مالك، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال أبو سعيد الخدري –رضي الله عنه: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:
«من رأى منكراً فغيره بيده فقد برئ؛ ومن لم يستطع أن يغيره بيده فغيره بلسانه فقد برئ؛ ومن لم يستطع أن يغيره بلسانه فغيره بقلبه فقد برئ؛ وذلك أضعف الإيمان.
পরিচ্ছেদ: ঈমানের দুর্বলতা প্রসঙ্গে৩৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-কারখি কাজভিনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে জাযান; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল হামিদ ইবনে মুহাম্মদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক; তিনি কাইস ইবনে মুসলিম হতে, তিনি তারিক ইবনে শিহাব হতে; আবু সাঈদ আল-খুদরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেন: আমি আল্লাহর রসূলকে (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি:
«যে ব্যক্তি কোনো অন্যায় দেখবে, অতঃপর সে তা নিজ হাত দিয়ে পরিবর্তন করবে, সে দায়মুক্ত হলো; আর যে ব্যক্তি হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে না, তবে সে যেন নিজ জিহ্বা দিয়ে তা পরিবর্তন করে, তবে সে দায়মুক্ত হলো; আর যে ব্যক্তি জিহ্বা দিয়ে তা পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে না, তবে সে যেন নিজ অন্তর দিয়ে তা পরিবর্তন করে, তবে সে দায়মুক্ত হলো; আর এটিই ঈমানের দুর্বলতম স্তর।
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৮২)
فصل في علامة الإيمان
35 - أنا حكيم بن أحمد الإسفراييني؛ أنا جدي: أبو الحسن علي بن محمد الإسفراييني أنا أبو سعيد عمرو بن محمد بن منصور الضرير بنيسابور؛ ثنا أبو جعفر محمد بن عبيد بن هارون المقرئ الكوفي؛ ثنا محمد بن عبد الرحمن بن بشمين –أخو عبد الحميد، ثنا أبو إسحاق الخميسى؛ عن مالك بن دينار، عن أنس بن مالك –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«حب أبي بكر وعمر إيمان؛ وبغضهما كفر».
36 - أنا أحمد بن علي بن خلف؛ أنا الحاكم أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحافظ قال: سمعت أبا العباس محمد بن يعقوب، ثنا محمد بن عوف الطائي، ثنا عبد الله بن موسى، ثنا الأعمش، عن عدي بن ثابت
ঈমানের নিদর্শন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ৩৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকীম ইবনে আহমাদ আল-ইসফারায়িনী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা: আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-ইসফারায়িনী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর আদ-দারীর নিশাপুরে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে হারুন আল-মুকরী আল-কুফী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে বাশমীন – যিনি আব্দুল হামীদের ভাই; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-খুমায়সী; মালিক ইবনে দীনার থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক –রাদিয়াল্লাহু আনহু– থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«আবু বকর ও উমরকে ভালোবাসা ঈমান; এবং তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরি।»
৩৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনে খালাফ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমি শুনেছি আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুবকে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আউফ আত-তায়ী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মূসা; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আ'মাশ; আদী ইবনে সাবিত থেকে...
(খণ্ড: ১)
আত তারগীব ওয়াত তারহীব - ইসমাইল আল আসফাহানি - ত শাবান
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
عن زر بن حبيش قال: سمعت علياً –رضي الله عنه يقول:
«والذي فلق الحبة؛ وبرأ النسمة؛ لعهد إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم: أنه لا يحبك إلا مؤمن؛ ولا يبغضك إلا منافق».
37 - أنا عبد الكريم بن عبد الواحد الصحاف؛ أنا أبو بكر بن مردويه، ثنا عبد الله بن محمد بن عيسى، ثنا الحسين بن معاذ بن حرب، ثنا أبو الوليد، ثنا شعبة؛ عن عبد الله بن عبيد الله بن جبر قال: سمعت أنساً –رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«آية الإيمان حب الأنصار؛ وآية النفاق بغض الأنصار».
فصل
38 - أنا أحمد بن عبد الرحمن الذكواني؛ ثنا علي بن محمد بن ميلة، ثنا محمد بن علي بن أسيد، ثنا محمد بن غالب بن حرب؛ حدثني إسحاق بن عبد الواحد، ثنا هشيم، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن محارب بن دثار، عن صلة بن زفر، عن حذيفة –رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
«النظرة سهمٌ من سهام إبليس، فمن تركها من خوف الله: أثابه الله –عز وجل إيماناً يجد حلاوته في قلبه».
যির ইবনে হুবাইশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আলীকে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলতে শুনেছি:
«সেই সত্তার কসম, যিনি বীজ বিদীর্ণ করেছেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেছেন; নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট অঙ্গীকার করেছেন যে: মুমিন ব্যতীত কেউ তোমাকে ভালোবাসবে না এবং মুনাফিক ব্যতীত কেউ তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না।»
৩৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল কারীম ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আস-সাহাফ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে মারদুওয়াইহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুসাইন ইবনে মুয়ায ইবনে হারব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল ওয়ালীদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ; আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে জাবর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আনাসকে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«আনসারদের প্রতি ভালোবাসা হলো ঈমানের নিদর্শন; আর আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা হলো নিফাকের নিদর্শন।»
পরিচ্ছেদ৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান আয-যাকওয়ানি; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মিলাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আসিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে গালিব ইবনে হারব; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আবদুল ওয়াহিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুশাইম, আবদুর রহমান ইবনে ইসহাক হতে, তিনি মুহারিব ইবনে দিসার হতে, তিনি সিলাহ ইবনে যুফার হতে, তিনি হুযাইফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«দৃষ্টিপাত হলো ইবলিসের তীরসমূহের মধ্য হতে একটি তীর। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে তা বর্জন করবে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল তাকে এমন এক ঈমান দান করবেন যার মিষ্টতা সে তার অন্তরে অনুভব করবে।»