(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: -)
اللطائف من دقائق المعارف في علوم الحفاظ الأعارف   (أبو موسى المديني)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: اللطائف من دقائق المعارف في علوم الحفاظ الأعارف

المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581 هـ)

المحقق: أبو عبد الله محمد علي سمك

الناشر: دار الكتب العلمية

الطبعة: الأولى 1420 هـ - 1999 م

عدد الصفحات: 481

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-লাতায়েফ মিন দাকায়িকিল মাআরিফ ফী উলূমিল হুফফাজ আল-আআরিফ   (আবু মুসা আল-মাদিনি)

বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র


বই: আল-লাতায়েফ মিন দাকায়িকিল মাআরিফ ফী উলূমিল হুফফাজ আল-আআরিফ

লেখক: মুহাম্মাদ ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসফাহানি আল-মাদিনি, আবু মুসা (মৃ. ৫৮১ হি.)

সম্পাদক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ আলী সামাক

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হি. - ১৯৯৯ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৮১

শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগী আল-খাইর আকবিল

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হি.

(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: -)
اللطائف من دقائق المعارف

في علوم الحفاظ الأعارف

 

تأليف

الإمام الحافظ أبي موسى محمد بن أبي بكر بن أبي عيسى المديني

المتوفى 581 هـ

 

حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه

أبو عبد الله محمد علي سمك

 

منشورات

محمد علي بيضون

دار الكتب العلمية

بيروت - لبنان

 

الطبعة الأولى

1420 هـ - 1999 م
আল-লাতাইফ মিন দাকাইকিল মাআরিফ

বিজ্ঞ হাফেজগণের (الحفاظ) শাস্ত্রীয় জ্ঞান প্রসঙ্গে

 

রচনায়

ইমাম, হাফেজ (الحافظ) আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনী

মৃত্যু: ৫৮১ হিজরি

 

সম্পাদনা, টীকা প্রদান এবং হাদিসের উৎস নিরূপণ (تخريج) করেছেন

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আলী সামাক

 

প্রকাশনায়

মুহাম্মদ আলী বায়দুন

দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ

বৈরুত - লেবানন

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌الجزء الأول من كتاب ((اللطائف من علوم المعارف))

مما أملاه الشيخ الإمام الحافظ أبو موسى محمد بن أبي بكر بن أبي عيسى المديني حفظه الله مما لم يسبق إليه نفعه الله تعالى والمسلمين به
‌'আল-লাতাইফ মিন উলুমিল মাআরিফ' কিতাবের প্রথম খণ্ড

শাইখ, ইমাম, হাফিজ (الحافظ) আবু মুসা মুহাম্মাদ ইবন আবি বকর ইবন আবি ঈসা আল-মাদিনি (আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন) কর্তৃক শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে সংকলিত বিষয়সমূহ, যার দৃষ্টান্ত ইতোপূর্বে আর দেখা যায়নি; আল্লাহ তাআলা এর মাধ্যমে তাঁকে এবং মুসলিম সমাজকে উপকৃত করুন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ১৭)
بسم الله الرحمن الرحيم (رب يسر وأعن واختم بخير وعافية)

حدثنا الشيخ الإمام الحافظ محيي السنة نور الأئمة شمس الحفاظ أبو موسى محمد بن أبي بكر بن أبي عيسى المديني حرسه الله، وأبقاه إملاءً من لفظه يوم السبت الثاني من رجب سنة سبع وأربعين وخمسمائة [قال] :

الحمد لله [رب العالمين] حمد الشاكرين حتى يرضى ربنا وبعد الرضى، وصلواته وسلامه على نبيه محمد كما ينبغي وعلى آله أما بعد:

فهذه أنواع لطاف من علم الحديث لا يهتدي إلى مثلها إلا النحرير من الحفاظ، جمعتها وسميتها ((كتاب اللطائف من دقائق المعارف في علوم الحفاظ الأعارف)) رجاء أن ينتفع به من يريد معرفة هذا الشأن وبالله عز وجل أستعين وعليه أتوكل فلا حول ولا قوة إلا به، فمن ذلك:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (হে প্রতিপালক! সহজ করে দিন, সাহায্য করুন এবং কল্যাণ ও সুস্থতার সাথে সমাপ্ত করুন)

শেখ, ইমাম, হাফিজ (الحافظ), সুন্নাহর পুনরুজ্জীবক, ইমামগণের জ্যোতি, হাফিজগণের (الحفاظ) সূর্য আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আবি ঈসা আল-মাদিনি—আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন ও দীর্ঘজীবী করুন—৫৪৭ হিজরি সনের ২রা রজব, শনিবার তার নিজ কণ্ঠের শ্রুতলিখন (إملاء) হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [তিনি বলেন] :

সকল প্রশংসা আল্লাহর [যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক], কৃতজ্ঞদের ন্যায় প্রশংসা যতক্ষণ না আমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন এবং সন্তুষ্টির পরেও। তাঁর নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের ওপর যথাযথ দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। অতঃপর:

এগুলো হাদিস বিজ্ঞানের কিছু সূক্ষ্ম প্রকারভেদ (أنواع), হাফিজগণের (الحفاظ) মধ্যে যারা অত্যন্ত প্রাজ্ঞ ও দক্ষ তারা ব্যতীত অন্য কেউ এগুলোর দিশা পায় না। আমি এগুলো সংকলন করেছি এবং এর নামকরণ করেছি 'কিতাবুল লাতাইফ মিন দাকাইকিল মাআরিফ ফি উলুমিল হুফফাজিল আআরিফ'। এই আশায় যে, যারা এই শাস্ত্র সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তারা এর দ্বারা উপকৃত হবে। আমি মহান আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং তাঁরই ওপর ভরসা করছি। আল্লাহর তৌফিক ছাড়া কোনো উপায় এবং কোনো শক্তি নেই। তার মধ্যে রয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌[1] باب رواية رجلين كل واحد منهما عن الآخر وشيخ المروي عنه في روايتهما واحد

نبدأ بالصحابة

‌‌رواية الفاروق الأزهر عن الصديق الأكبر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

1- أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين، وأبو المواهب أحمد بن محمد بن ملوك الوراق ببغداد جميعاً رحمهم الله قالا: أنا أبو الطيب طاهر بن عبد الله الطبري القاضي، ثنا أبو أحمد محمد بن أحمد بن الغطريف، ثنا أبو خليفة الجمحي، ثنا عبد الله بن محمد بن أسماء، عن جويرية عن مالك، عن الزهري، عن مالك بن أوس بن الحدثان، عن عمر بن الخطاب عن أبي بكر الصديق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((لا نورث ما تركنا صدقة)) .

قال الإمام: هذا حديث صحيح أخرجه مسلم بن الحجاج في صحيحه من رواية ⦗ص: 19⦘ جويرية في حديث طويل، ويعد في أفراده عن مالك، وقد روي عن عمر بن مرزوق أيضاً عن مالك.
‌‌[১] অধ্যায়: দুই ব্যক্তির একে অপরের থেকে বর্ণনা (رواية) করা এবং তাদের বর্ণনায় যাদের থেকে তারা বর্ণনা করেছেন তাদের শায়খ অভিন্ন হওয়া

আমরা সাহাবায়ে কিরামের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) মাধ্যমে শুরু করছি।

‌‌নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সিদ্দীকে আকবর রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর সূত্রে ফারুক আল-আযহার রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর বর্ণনা (رواية)

১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন এবং বাগদাদের আবু আল-মাওয়াহিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুলুক আল-ওয়াররাক—আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুন—তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আল-তাইয়িব তাহের বিন আবদুল্লাহ আল-তাবারী আল-কাদি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-গাতরিফ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু খলিফা আল-জুমাহি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা; জুওয়াইরিয়া থেকে; তিনি মালিক থেকে; তিনি জুহরি থেকে; তিনি মালিক বিন আওস বিন আল-হাদাসান থেকে; তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে; তিনি আবু বকর সিদ্দীক রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “আমাদের কোনো উত্তরাধিকারী সাব্যস্ত হয় না, আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকা।”

ইমাম বলেন: এটি একটি সহিহ (صحيح) হাদিস। মুসলিম বিন হাজ্জাজ তার সহিহ গ্রন্থে ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ জুওয়াইরিয়ার বর্ণনা (رواية) থেকে একটি দীর্ঘ হাদিসের অংশ হিসেবে এটি উদ্ধৃত (أخرجه) করেছেন। এটি মালিক থেকে বর্ণিত একক বর্ণনা (أفراد) হিসেবে গণ্য করা হয়; তবে এটি মালিকের সূত্রে উমর বিন মারযুক থেকেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ১৯)
2- أخبرنا أبو منصور محمد بن عبد الله بن مندويه سنة خمس وخمسمائة، ثنا أحمد بن عبد الله أبو نعيم، ثنا أبو بكر أحمد بن يوسف بن خلاد العطار، ثنا أبو محمد الحارث عن أبي أسامة، ثنا عبد الله بن عمرو بن أبي أمية، أنا أبو عوانة، ثنا عاصم بن كليب الجرمي، ثنا نفر من بني تيم أو تميم أنهم كانوا عند عبد الله بن الزبير فقال: حدثنا عمر بن الخطاب، قال: حدثني أبو بكر الصديق رضي الله عنهم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لم يمت نبي قط حتى يؤمه رجل من أمته)) .

هذا حديث غريب لم نكتبه إلا بهذا الإسناد.
2- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মানদুওয়াহ পাঁচশত পাঁচ হিজরি সনে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আহমদ বিন আবদুল্লাহ আবু নুআইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু মুহাম্মদ আল-হারিস, আবু উসামা হতে (عن), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আবি উমাইয়াহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আওয়ানাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আসিম বিন কুলাইব আল-জারমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) বনী তায়িম অথবা তামীম গোত্রের একদল লোক যে, তারা আবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইরের নিকট উপস্থিত ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) উমর বিন আল-খাত্তাব, তিনি বললেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু বকর আল-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহুম), তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কোনো নবীই ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন না, যতক্ষণ না তাঁর উম্মতের কোনো ব্যক্তি তাঁর ইমামতি করেন।"

এই হাদিসটি অপরিচিত (غريب), আমরা এটি এই সনদ (إسناد) ব্যতীত অন্য কোনোভাবে লিপিবদ্ধ করিনি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌رواية الصديق عن الفاروق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

3- أخبرنا أبو الفتح إسماعيل بن الفضل السراج، أنبأ أبو طاهر بن عبد الرحيم، أنبأ علي بن عمر الحافظ، ثنا أبو محمد الحسن بن أحمد بن سعيد الرهاوي، ثنا العباس بن عبيد الله بن يحيى، ثنا أبو محمد أنس بن أبي أنيسة الرهاوي، ثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن سعيد بن ذي عصوان، عن عبد الملك بن عمير، عن رافع ⦗ص: 20⦘ ابن عمرو الطائي عن أبي بكر الصديق رضي الله عنه أن عمر رضي الله عنه قال للأنصار يوم السقيفة: أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر أبا بكر أن يصلي بالناس قالوا: نعم، قال: فأيكم تطيب نفسه أن يؤم أبا بكر؟! قالوا: لا أينا.

رواه عن يزيد غير الوليد أيضاً.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ফারুক (রা.)-এর সূত্রে সিদ্দীক (রা.)-এর বর্ণনা

৩- আবুল ফাতহ ইসমাঈল ইবনুল ফজল আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا), আবু তাহির ইবনে আব্দুর রহিম আমাদের অবহিত করেছেন (أنبأ), আলী ইবনে উমর আল-হাফিজ (الحافظ) আমাদের অবহিত করেছেন (أنبأ), আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে সাঈদ আর-রুহাবি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (حدثنا), আব্বাস ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (حدثنا), আবু মুহাম্মদ আনাস ইবনে আবি আনিস আর-রুহাবি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (حدثنا), ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন (حدثنا), ইয়াজিদ ইবনে সাঈদ ইবনে যি আসওয়ান থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি রাফি ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ ইবনে আমর আত-তায়ি থেকে, তিনি আবু বকর সিদ্দীক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রা.) সাকিফার দিনে আনসারদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: "আপনারা কি জানেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকরকে লোকদের সালাত পড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন?" তারা বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তাহলে আপনাদের মধ্যে কার মন আবু বকরের ইমামতি করাকে সানন্দে গ্রহণ করবে?!" তারা বললেন: "আমাদের কারোরই নয়।"

ওয়ালিদ ছাড়াও অন্যান্যরাও ইয়াজিদ থেকে এটি বর্ণনা (رواه) করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌رواية ذي النورين عن الفاروق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

4- أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، وأبو منصور بن مندويه، قالا: ثنا أبو نعيم الحافظ ثنا أبو بكر بن خلاد، ثنا الحارث بن أبي أسامة، ثنا عبد الوهاب بن عطاء، ثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن مسلم بن يسار، عن حمران بن أبان عن عثمان بن عفان عن عمر بن الخطاب رضي الله عنهما قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((إني لأعلم كلمة لا يقولها عبد حقاً إلا (حرم على) النار لا إله إلا الله)) .

رواه يزيد بن زريع هكذا عن سعيد وذكر فيه قصة، وهو صحيح من حديث حمران، أخرجه مسلم في صحيحه من مسند عثمان لم يذكر فيه عمر، ولا يعلم أحد ذكر فيه مسلم بن يسار غير سعيد، ورواه أيوب أبو العلاء عن قتادة عن حمران، وقيل: إن قتادة لم يسمع من مسلم بن يسار شيئاً.
আল-ফারুক (উমর) হতে যিন-নুরাইন (উসমান) রাদিয়াল্লাহু আনহুমার বর্ণনা, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন

৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ এবং আবু মানসুর ইবনে মানদুওয়াহ; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-হাফিজ; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে খাল্লাদ; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আতা; আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ; কাতাদাহ হতে, তিনি মুসলিম ইবনে ইয়াসার হতে, তিনি হুমরান ইবনে আবান হতে, তিনি উসমান ইবনে আফফান হতে, তিনি উমর ইবনে আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি (উমর) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমি নিশ্চয়ই এমন একটি বাক্য জানি, কোনো বান্দা যদি তা যথাযথভাবে পাঠ করে তবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যায়; আর তা হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'।"

ইয়াজিদ ইবনে জুরাই সাঈদ হতে একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। হুমরানের হাদিস থেকে এটি বিশুদ্ধ (صحيح)। ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে উসমানের মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি উমরের উল্লেখ করেননি। সাঈদ ব্যতীত অন্য কেউ এই সূত্রে মুসলিম ইবনে ইয়াসারের কথা উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায় না। আইয়ুব আবুল আলা এটি কাতাদাহ হতে, তিনি হুমরান হতে বর্ণনা করেছেন। এবং বলা হয়েছে যে, কাতাদাহ মুসলিম ইবনে ইয়াসার হতে সরাসরি কোনো হাদিস শ্রবণ (سماع) করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌رواية الفاروق عن ذي النورين رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

5- أخبرنا إسماعيل السراج، أنا أبو طاهر بن عبد الرحيم، أنبأ أبو الحسن الدارقطني ثنا محمد بن أحمد بن إسحاق، ثنا محمد بن أبي الحسن العبسي، ثنا العلاء بن عمرو الحنفي، ثنا النضر بن منصور، ثنا عقبة بن علقمة اليشكري، قال: سمعت علي بن أبي ⦗ص: 21⦘ طالب –رضي الله عنه يقول: أخبرني عمر بن الخطاب –رضي الله عنه أنه مر بعثمان –رضي الله عنه وهو كئيب حزين حين أصيب بزوجته بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله فقال: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((كل سبب ونسب منقطع يوم القيامة إلا سببي ونسبي)) .

لم يروه بهذا الإسناد غير النضر.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যুন-নুরাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে আল-ফারূকের বর্ণনা (رواية)

৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল আস-সাররাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বিন আবদুর রহিম, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসহাক, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবিল হাসান আল-আবাসি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-আলা বিন আমর আল-হানাফি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আন-নাযর বিন মানসুর, আমাদের বর্ণনা করেছেন উকবা বিন আলকামা আল-ইয়াশকারী, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে আবি ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কন্যা তথা তাঁর স্ত্রীর বিয়োগের কারণে অত্যন্ত শোকাচ্ছন্ন ও বিষণ্ণ ছিলেন। অতঃপর তিনি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "কিয়ামতের দিন আমার বংশীয় ও বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যতীত সকল সম্পর্ক ও বংশসূত্র বিচ্ছিন্ন (منقطع) হয়ে যাবে।"

এই সনদ (إسناد) অনুযায়ী আন-নাযর ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা (رواية) করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌رواية أبي بكر الصديق رضي الله عنه عن بلال رضي الله عنه [عن النبي صلى الله عليه وسلم]

6- أخبرنا أبو الحسين علي بن هاشم بن طاهر العلوي، وأبو بكر محمد بن أبي القاسم القصار، وأبو غالب أحمد بن العباس –رحمهم الله قالوا: أنا أبو بكر بن ريذة، (ح) وأخبرنا أبو علي بن الحداد، ثنا أبو نعيم قالا: نا سليمان بن أحمد، ثنا عبد الرحمن بن محمد بن سلم الرازي، ثنا الهيثم بن اليمان، ثنا أيوب بن سيار عن ابن المنكدر عن جابر عن أبي بكر عن بلال –رضي الله عنهم قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: ((يا بلال أصبحوا بالصبح فإنه خير لكم)) .

غريب من حديث ابن المنكدر لم يروه عنه إلا أيوب.
বেলাল (রা.)-এর সূত্রে আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর বর্ণনা [নবী (সা.) থেকে]

৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে হাশিম ইবনে তাহের আল-আলাভি, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-কাসিম আল-কাসসার এবং আবু গালিব আহমদ ইবনুল আব্বাস—আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়া করুন—তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু বকর ইবনে রিদা; (ح) বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন (تحويل), এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আলী ইবনুল হাদ্দাদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু নুআইম, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (حدثنا) সুলায়মান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালম আল-রাজি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (حدثنا) হাইসাম ইবনুল ইয়ামান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আইয়ুব ইবনে সাইয়্যার, তিনি ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি আবু বকর থেকে, তিনি বেলাল (রা.) থেকে—আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হন—বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সা.) বলেছেন: "হে বেলাল! তোমরা পরিষ্কার আলোতে (ইসাফার করে) ফজর আদায় করো, কারণ এটি তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর।"

ইবনুল মুনকাদিরের বর্ণনা হিসেবে এটি সূত্রগতভাবে একক (غريب); আইয়ুব ব্যতীত আর কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌رواية بلال عن الصديق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

7- أخبرنا إسماعيل السراج، أنا أبو طاهر [بن] عبد الرحيم، أنا أبو الحسن الدارقطني، ثنا محمد بن مخلد بن حفص، ثنا إبراهيم بن إسحاق عن بشير الحربي، ثنا أسيد بن زيد الحمال، ثنا عمرو بن شمر، عن عمران بن مسلم، عن سويد بن غفلة، عن بلال، قال حدثني أبو بكر رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم [يقول] : ((لا يتوضأ من طعام أحل الله تعالى أكله)) .

غريب لم يروه غير عمرو بن شمر وليس بالقوي، رواه غير واحد عنه.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সিদ্দীক (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বিলালের বর্ণনা

7- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল আস-সাররাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের [ইবন] আবদুর রহীম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন ইসহাক বশির আল-হারবীর সূত্রে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসাইদ বিন যায়েদ আল-হাম্মাল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর বিন শিমর, তিনি ইমরান বিন মুসলিম থেকে, তিনি সুওয়াইদ বিন গাফালাহ থেকে, তিনি বিলাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে [বলতে] শুনেছেন: "আল্লাহ তাআলা যে খাদ্য ভক্ষণ হালাল করেছেন, তা খাওয়ার কারণে ওযু করতে হবে না।"

এটি বিরল (غريب), আমর বিন শিমর ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং তিনি শক্তিশালী (ليس بالقوي) নন; তবে তার থেকে একাধিক ব্যক্তি এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌رواية عبد الرحمن بن عوف عن الفاروق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

8- أخبرنا أبو علي الحداد سنة سبع، ثنا أبو عمر عبد الوهاب بن محمد بن علي بن مهرة، ثنا سليمان بن أحمد الطبراني، ثنا بكر بن أحمد بن مقبل البصري، نا محمد بن يزيد الأسفاطي، ثنا أبو داود الطيالسي. (ح) قال الطبراني: وحدثنا محمد بن عبدوس بن كامل ثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي، نا محمد بن جعفر، قالا: ثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس عن عبد الرحمن بن عوف عن عمر بن الخطاب –رضي الله عنهم قال: ((رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا بعده)) .

كذا رواه غير واحد عن شعبة، وكذلك رواه هشيم عن الزهري عن عبيد الله، وقال غيره من أصحاب الزهري: عن ابن عباس عن عمر لم يذكروا عبد الرحمن.
নবী (সা.) থেকে আল-ফারুক (রা.)-এর সূত্রে আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.)-এর বর্ণনা (رواية)

8- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আলী আল-হাদ্দাদ চারশ সাত সালে, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) আবু উমর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মাহরাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) বকর ইবনে আহমদ ইবনে মুকবিল আল-বাসরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ আল-আসফাতি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) আবু দাউদ আত-তায়ালিসি। (সূত্র পরিবর্তন (تحويل)) আত-তাবারানি বলেন: এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) মুহাম্মদ ইবনে আবদুস ইবনে কামিল, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম আদ-দাওরাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) মুহাম্মদ ইবনে জাফর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) শুবা, তিনি সাদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ((রাসূলুল্লাহ (সা.) রজম করেছেন এবং আমরাও তাঁর পরে রজম করেছি))।

শুবা থেকে একাধিক বর্ণনাকারী এভাবেই এটি বর্ণনা (رواية) করেছেন। একইভাবে হুশাইম এটি জুহরি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে জুহরির অন্যান্য সাথীগণ (أصحاب) এটি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি সরাসরি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন; তাঁরা আবদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌رواية الفاروق عن عبد الرحمن رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

9- أخبرنا سعيد بن أبي الرجاء الصيرفي، أنا أبو أحمد عبد الواحد بن أحمد المعلم، أنا عبيد الله بن يعقوب بن إسحاق، أنا جدي إسحاق بن إبراهيم بن جميل، ثنا أحمد بن منيع، ثنا أبو معاوية عن حجاج يعني ابن أرطاة عن عمرو بن دينار عن بجالة بن عبدة قال: كنت كاتباً لجزي بن معاوية على مناذر فجاءنا كتاب عمر بن الخطاب رضي الله عنه: ((انظر مجوس هجر من قبلك فخذ منهم الجزية)) فإن عبد الرحمن بن عوف- رضي الله عنه أخبرني ((أن النبي صلى الله عليه وسلم أخذ الجزية من مجوس أهل هجر)) .

لم يسنده عن عمر عن عبد الرحمن غير حجاج، ورواه ابن عيينة وابن جريج عن عمرو عن بجالة عن عبد الرحمن في قصة لعمر.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আব্দুর রহমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে আল-ফারুকের বর্ণনা

৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনুল আবি আর-রাযা আস-সাইরাফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আহমাদ আল-মুয়াল্লিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে জামিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানি', আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, হাজ্জাজ (অর্থাৎ ইবনে আরতাহ) থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি বাজলাহ ইবনে আবদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মানাজিরে জুজাই ইবনে মুয়াবিয়ার লেখক ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুর পত্র এলো যে: "তোমার নিকট হাজর অঞ্চলের যে সকল মজুসি (অগ্নিউপাসক) রয়েছে তাদের প্রতি লক্ষ্য করো এবং তাদের নিকট থেকে জিজিয়া গ্রহণ করো।" কেননা আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিয়াল্লাহু আনহু আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজর অধিবাসী মজুসিদের নিকট থেকে জিজিয়া গ্রহণ করেছিলেন।"

হাজ্জাজ ব্যতীত অন্য কেউ উমর থেকে আব্দুর রহমানের সূত্রে একে সূত্রবদ্ধ (مسند) করেননি। ইবনে উয়ায়নাহ ও ইবনে জুরাইজ একে আমর থেকে, তিনি বাজলাহ থেকে এবং তিনি আব্দুর রহমান থেকে উমরের একটি ঘটনায় বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৩)
10- أخبرنا أبو نصر عبد الحكيم بن المظفر الفحفحي الأديب بالكرخ، ثنا غانم بن محمد بن عبد الله بأصبهان، ثنا المفضل بن الحسين بن هارون، ثنا أحمد بن محمد بن بكر أنشدنا الرياشي لبعض الشعراء:

ما من روى أدباً فلم يعمل به … فكيف عن وقع الهوى بأديب

حتى يكون بما تعلم عاملاً … من صالح فيكون غير معيب

لقلما ولقلما تحدث إصابة … صائب أعماله أعمال غير مصيب

[آخر المجلس] .
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু নাসর আব্দুল হাকিম ইবনুল মুজাফফর আল-ফাহফাহি, যিনি কারখের একজন সাহিত্যিক ছিলেন; তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন (حدثنا) গানিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আসবাহানে; তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আল-মুফাদদাল ইবনুল হুসাইন ইবনে হারুন; তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বকর, তিনি রিয়াশি সূত্রে জনৈক কবির এই কবিতাটি আমাদের শুনিয়েছেন:

যে ব্যক্তি শিষ্টাচার বর্ণনা করল অথচ সে অনুযায়ী আমল করল না … কুপ্রবৃত্তির তাড়নায় সে কীভাবে একজন শিষ্টাচারী হতে পারে?

যতক্ষণ না সে যা শিখেছে তার মধ্য থেকে সৎ আমলকারী হবে … তবেই সে হবে ত্রুটিমুক্ত।

খুবই নগণ্য, অত্যন্ত বিরল যে কোনো সঠিক বিষয় প্রকাশ পাবে … এমন ব্যক্তির মাধ্যমে যার কর্মগুলো সঠিক নয়।

[মজলিসের সমাপ্তি] ।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৪)
مجلس آخر أملي يوم السبت العاشر من رجب سنة سبع وأربعين وخمسمائة قال:

‌‌رواية عائشة الصديقة عن الصديق رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

11- أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد بقراءة والدي عليه رحمهما الله سنة سبع وخمسمائة، ثنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ، ثنا أبو بكر محمد [بن أحمد بن] إبراهيم بن سختويه المعدل بتستر، ثنا الحسين بن إسماعيل، ثنا الفضل بن سهل، ثنا عبد العزيز بن أبان، ثنا عمرو الجعفي أبو عبد الله، ثنا جابر، عن عامر، عن مسروق عن عائشة، عن أبي بكر الصديق رضي الله عنهما قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((من رد الله به خيراً يفقهه في الدين)) .

قال أبو نعيم: غريب من حديث أبي بكر رضي الله عنه، تفرد به الجعفي عن جابر، وهو جابر بن يزيد الجعفي.
অন্য একটি মজলিস, যা ৫৪৭ হিজরি সনের ১০ই রজব, শনিবার শ্রুতিলিপি করা হয়েছে। তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সিদ্দীক (রা.)-এর সূত্রে আয়েশা সিদ্দীকা (রা.)-এর বর্ণনা

১১- আবু আলী হাসান বিন আহমদ আল-হাদ্দাদ আমাদের অবহিত করেছেন আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে—আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন—৫০৭ হিজরি সালে। তিনি বলেন, হাফিজ (الحافظ) আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তুস্তারের ন্যায়নিষ্ঠ (المعدل) আবু বকর মুহাম্মদ [বিন আহমদ বিন] ইব্রাহিম বিন সাখতাওয়াহ আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হুসাইন বিন ইসমাইল আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ফজল বিন সাহল আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আব্দুল আজিজ বিন আবান আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আমর আল-জুফী আমাদের বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, জাবির আমির থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে এবং তিনি আবু বকর সিদ্দীক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর প্রজ্ঞা দান করেন।"

আবু নুয়াইম বলেন: আবু বকর (রা.)-এর হাদিস হিসেবে এটি বিরল (غريب)। আল-জুফী এটি জাবিরের সূত্রে এককভাবে বর্ণনা (تفرد) করেছেন, আর তিনি হলেন জাবির বিন ইয়াজিদ আল-জুফী।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৪)
12- أخبرنا أبو منصور محمد بن عبد الله بن مندويه، ثنا أبو نعيم الحافظ، ثنا أبو بكر بن خلاد، نا الحارث بن [أبي] أسامة، ثنا عبد العزيز بن أبان، ثنا عمر وهو ابن شمر، ثنا جابر، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة قالت: قال أبو بكر –رضي الله عنهما: لقد رأيتني أتبع رسول الله صلى الله عليه وسلم وما خلق الله تعالى ذباباً [يمر] على أنفي إلا ظننت أنه عذاب من الله –عز وجل حتى أخبرني رسول الله صلى الله عليه وسلم الخبر)) .

وهذا أيضاً غريب في مسند الصديق لا أعلم أني كتبته إلا من هذا الوجه، ولم يورده أبو إسحاق بن حمزة في مسند الشعبي، وهذا أعلى من الحديث الأول.
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মান্দুওয়াইহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) আবু নুআইম হাফিজ (الحافظ), আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) আবু বকর বিন খাল্লাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (نا) আল-হারিস বিন [আবি] উসামাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) আব্দুল আজিজ বিন আবান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (حدثنا) উমর—যিনি ইবনে শামির—তিনি জাবির থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি মাসরুক থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর (রা.) বলেছেন, "আমি নিজেকে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অনুসরণ করতে দেখেছি। এমতাবস্থায় আল্লাহ তাআলা এমন কোনো মাছি সৃষ্টি করেননি যা আমার নাকের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়েছে অথচ আমি সেটাকে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা কোনো আজাব বলে মনে করিনি, যতক্ষণ না আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বিষয়টি অবহিত করলেন।"

আর এটিও আবু বকর সিদ্দিকের মুসনাদ-এ একটি বিরল (غريب) হাদিস। আমি এই একটি সূত্র (وجه) ব্যতীত এটি অন্য কোনোভাবে লিপিবদ্ধ করেছি বলে আমার জানা নেই। আবু ইসহাক বিন হামজাহ এটি মুসনাদুশ শা'বি-তে উল্লেখ করেননি। আর এই বর্ণনাটি প্রথম হাদিসের তুলনায় উচ্চতর সনদের (أعلى) অধিকারী।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌رواية الصديق عن عائشة رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

13- أخبرنا أبو علي الحداد، ثنا أبو نعيم الحافظ، نا سليمان بن أحمد، ثنا أحمد بن يحيى عن خالد بن حيان، ثنا إسحاق بن إبراهيم بن موسى أبو يعقوب المصري ثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن منصور، عن مجاهد، عن خالد بن سعيد، عن غالب بن أبجر، عن أبي بكر الصديق، عن عائشة رضي الله عنهما عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((في الحبة السوداء شفاء من كل داء إلا السام)) .

قال الطبراني: لا يروى هذا الحديث عن أبي بكر عن عائشة إلا بهذا الإسناد، تفرد به عبيد الله بن موسى. كذا ذكره الطبراني وفيه أوهام في مواضع أربعة:

منها: إدخال مجاهد في الإسناد وليس بمحفوظ فيه. ومنها: أنه قال: خالد بن سعيد وإنما هو ابن سعد. ومنها: قوله عن أبي بكر الصديق وإنما هو أبو بكر عبد الله بن أبي عتيق محمد بن عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق. والرابع: إدخال غالب بن أبجر في الإسناد، وإنما هو غالب مذكور في الحديث وليس في الإسناد.

رواه محمد بن يزيد أخو كرخويه والحسن بن علي بن عفان وأحمد بن حازم بن أبي غرزة وغير واحد عن عبيد الله على الصحة والصواب؛ أخرجه أبو عبد الله البخاري، وأبو عبد الله ابن ماجد القزويني عن أبي بكر بن أبي شيبة عن عبد الله بن موسى عن إسرائيل.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আয়েশা (রা.)-এর সূত্রে সিদ্দিকের বর্ণনা।

১৩- আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুয়াইম আল-হাফিজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে আহমদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া খালিদ ইবনে হাইয়ান থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুসা আবু ইয়াকুব আল-মিসরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি গালিব ইবনে আবজার থেকে, তিনি আবু বকর সিদ্দিক থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "কালোজিরায় মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের নিরাময় রয়েছে।"

তাবারানি বলেন: আবু বকর থেকে আয়েশার সূত্রে এই হাদিসটি এই সনদ (إسناد) ব্যতীত অন্য কোনোভাবে বর্ণিত হয়নি, যাতে ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা একক (تفرد) হয়ে গেছেন। তাবারানি এটি এভাবেই উল্লেখ করেছেন, তবে এতে চারটি স্থানে বিভ্রম (أوهام) রয়েছে:

তার মধ্যে একটি হলো: সনদ (الإسناد)-এর মধ্যে মুজাহিদকে অন্তর্ভুক্ত করা, অথচ এই বর্ণনায় তা সংরক্ষিত (محفوظ) নয়। দ্বিতীয়টি হলো: তিনি বলেছেন 'খালিদ ইবনে সাঈদ', অথচ তিনি হলেন 'ইবনে সাদ'। তৃতীয়টি হলো: তার উক্তি 'আবু বকর সিদ্দিক থেকে', অথচ তিনি হলেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে আবি আতিক মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর সিদ্দিক। চতুর্থটি হলো: সনদ (الإسناد)-এর মধ্যে গালিব ইবনে আবজারকে অন্তর্ভুক্ত করা, অথচ গালিবের নাম হাদিসের পাঠে উল্লিখিত হয়েছে, সনদ (الإسناد)-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে নয়।

কারখওয়াইহ-এর ভাই মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ, হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান, আহমদ ইবনে হাযিম ইবনে আবি গারযা এবং আরও অনেকে ওবায়দুল্লাহ থেকে এটি সঠিক ও নির্ভুলভাবে বর্ণনা করেছেন; যা আবু আবদুল্লাহ বুখারি এবং আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহ আল-কাযউইনি আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৫)
14- أخبرنا به عالياً صحيحاً أبو القاسم غانم بن أبي نصر المبرحي سنة سبع وأبو علي الحداد سنة أربع وسنة ست، أنا أبو نعيم، وأنا غانم أيضاً، أنا أبو عبد الله الجمال إجازة قالا: ثنا عبد الله بن جعفر، ثنا أبو مسعود الرازي، ثنا عبيد الله بن موسى، ذكر إن شاء الله عن إسرائيل، عن منصور، عن خالد بن سعد قال: خرجنا ومعنا غالب بن أبجر فمرض في الطريق، فقدمنا المدينة وهو مريض، فعاده ابن أبي عتيق أبو بكر فقال لنا: عليكم بهذه الحبيبة السوداء فخذوا منها سبعاً أو خمساً واسحقوها واقطروها في أنفه ⦗ص: 26⦘ بقطرات من زيت في هذا الجانب وهذا الجانب فإن عائشة –رضي الله عنها حدثتني أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: ((إن هذه الحبة شفاء من كل داء إلا أن يكون السام)) .

وخالد بن سعد رجل من أهل الكوفة من موالي ابن مسعود الأنصاري، وقد روي من وجه آخر ضعيف فذكر فيه أيضاً أبو بكر الصديق ولا يصح.

وهكذا أورده الدارقطني وأبو بكر الخطيب في ترجمة أبي بكر الصديق عن عائشة رضي الله عنهما ثم ذكر أن الصديق فيه غير محفوظ. وقد روي عن الصديق عن عائشة رضي الله عنهما حديث آخر اختلف في إسناده أيضاً.
14- আমাদের কাছে এই বর্ণনাটি উচ্চতর (عالي) এবং সহিহ (صحيح) সূত্রে আবুল কাসিম গানিম বিন আবি নাসর আল-মাবরাহি চারশো সাত হিজরি সালে এবং আবু আলি আল-হাদ্দাদ চারশো চার ও চারশো ছয় হিজরি সালে বর্ণনা করেছেন। তারা বলেন: আমাদের কাছে আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন। গানিম আমাকে আরও জানিয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-জাম্মাল আমাদের ইজাজত (إجازة) দিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মাসউদ আর-রাজি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুসা, তিনি ইনশাআল্লাহ ইসরাঈল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি খালিদ বিন সা'দ থেকে উল্লেখ করেছেন। খালিদ বিন সা'দ বলেন: আমরা সফরে বের হলাম এবং আমাদের সাথে গালিব বিন আবজার ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা যখন মদিনায় পৌঁছালাম, তখনও তিনি অসুস্থ। তখন ইবনে আবি আতিক আবু বকর তাকে দেখতে আসলেন এবং আমাদের বললেন: "তোমরা এই কালো দানাকে (কালিজিরা) গ্রহণ করো। এর থেকে সাতটি বা পাঁচটি দানা নাও এবং তা চূর্ণ করো। এরপর তার নাকের এই পাশে এবং ওই পাশে ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ কয়েক ফোঁটা জয়তুনের তেলের সাথে মিশিয়ে ফোঁটা ফোঁটা করে দাও। কেননা আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: 'নিশ্চয়ই এই কালো দানা প্রতিটি রোগের প্রতিষেধক, তবে 'সাম' (মৃত্যু) ব্যতীত'।"

আর খালিদ বিন সা'দ কুফার অধিবাসী এবং ইবনে মাসউদ আনসারির আযাদকৃত গোলামদের (موالي) অন্তর্ভুক্ত। এই হাদিসটি অন্য একটি দুর্বল (ضعيف) সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে যেখানে আবু বকর সিদ্দিকের নামও উল্লেখ করা হয়েছে, তবে তা বিশুদ্ধ (صحيح) নয়।

অনুরূপভাবে দারাকুতনি এবং আবু বকর আল-খাতিব এটি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বরাতে আবু বকর সিদ্দিকের জীবনীতে উল্লেখ করেছেন। এরপর তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এতে সিদ্দিকের নাম থাকা সংরক্ষিত (محفوظ) নয়। আবু বকর সিদ্দিক থেকে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে অন্য একটি হাদিসও বর্ণিত হয়েছে, যার সনদেও (إسناد) মতভেদ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌رواية ابن عمر عن ابن عباس رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

15- أخبرنا أبو علي الحداد، ثنا أبو نعيم الحافظ، ثنا سليمان بن أحمد، ثنا أحمد بن القاسم بن مساور، ثنا سعيد بن سليمان الواسطي، ثنا مبارك بن فضالة، ثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر –رضي الله عنهما قال: لما طعن أبو لؤلؤة عمر –رضي الله عنه طعنه طعنتين، فظن عمر أن له ذنباً إلى الناس لا يعلمه، فدعا ابن عباس –رضي الله عنهما وكان يحبه ويدنيه ويسمع منه فذكر حديثاً طويلاً فقال ابن عباس –يعني لعمر-: ((وإن قلت ذاك فجزاك الله خيراً، أليس قد دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يعز الله –عز وجل بك الدين والمسلمين إذ يخافون بمكة، فلما أسلمت كان إسلامك عزاً، وظهر بك الإسلام ورسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه وهاجرت إلى المدينة فكانت هجرتك فتحاً..)) وذكر الحديث.

⦗ص: 27⦘

قال الطبراني: لم يروه عن عبيد الله إلا مبارك، وعنى الطبراني بذلك إدخال ابن عباس في الحديث، ورواه غيره عن عبيد الله، فجعله من مسند ابن عمر رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم أعني الدعاء لعمر رضي الله عنه وهو عال من حديث مبارك بن فضالة، وعداده في التابعين.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণনা

১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাদ্দাদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-হাফিজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে কাসিম ইবনে মাসাওয়ার, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে সুলায়মান আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুবারক ইবনে ফাদালাহ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর, তিনি নাফে' থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: যখন আবু লুলু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে দুইবার আঘাত করল, তখন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ধারণা করলেন যে মানুষের প্রতি তাঁর এমন কোনো অপরাধ বা ভুল রয়েছে যা তিনি জানেন না। তাই তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ডাকলেন; উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে ভালোবাসতেন, নিজের কাছে রাখতেন এবং তাঁর কথা শুনতেন। অতঃপর তিনি একটি দীর্ঘ হাদিস উল্লেখ করলেন। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে উদ্দেশ্য করে বললেন: "যদি আপনি তা বলে থাকেন তবে আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি এই দুআ করেননি যে, আল্লাহ যেন আপনার মাধ্যমে দ্বীন এবং মুসলিমদের সম্মানিত করেন যখন তারা মক্কায় ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল? অতঃপর যখন আপনি ইসলাম গ্রহণ করলেন, আপনার ইসলাম গ্রহণ ছিল একটি বিশেষ সম্মান এবং আপনার মাধ্যমে ইসলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ জয়যুক্ত হলেন। এরপর আপনি মদিনায় হিজরত করলেন এবং আপনার হিজরত ছিল একটি বিজয়..." এরপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।

⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘

তাবারানি বলেছেন: মুবারক ব্যতীত আর কেউ উবাইদুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেননি। এর দ্বারা তাবারানি হাদিসটিতে ইবনে আব্বাসকে বর্ণনাকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বুঝিয়েছেন। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ এটি উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তারা এটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুসনাদ হিসেবে গণ্য করেছেন—অর্থাৎ উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর জন্য দুআ করার বিষয়টি। এটি মুবারক ইবনে ফাদালাহ-এর হাদিস থেকে বর্ণিত একটি উচ্চ পর্যায়ের (عالي) বর্ণনা এবং তিনি তাবেয়ী (التابعين) স্তরের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌رواية ابن عباس عن ابن عمر رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

16- أخبرنا إسماعيل بن الفضل السراج، ثنا أبو طاهر بن عبد الرحيم، أنا أبو الحسن الدارقطني الحافظ، ثنا محمد بن محمد بن أحمد بن مالك الإسكافي، نا جعفر بن محمد بن شاكر، ثنا خالد بن يزيد القرني (ح) قال الدارقطني: وثنا أبو القاسم إبراهيم بن أحمد بن أبي حصين القاضي بالكوفة، حدثني جدي أبو حصين محمد بن الحسن بن حبيب الوادعي واللفظ له، ثنا أحمد بن يونس قالا: ثنا أبو شهاب، عن ابن أبي ليلى يعني محمد بن عبد الرحمن، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس –رضي الله عنهما قال: كنت في جنازة ابنة عثمان ومعها ابن عمر رضي الله [عنهم] فسمع بكاءً فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((إن الميت ليعذب ببكاء الحي)) .

قال ابن عباس: فأفظعني ذلك، فدخلت على عائشة –رضي الله عنها فأخبرتها بذلك فقالت: لقد سمع وما حفظ، إنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن الكافر ليزداد عذاباً ببكاء أهله [عليه] )) .

قال الدارقطني: تفرد به ابن أبي ليلى عن الحكم والله تعالى أعلم.

وقد روي هذا عن ابن عمر [عن عمر] وعن عائشة عن أبي بكر رضي الله عنهم جميعاً عن النبي صلى الله عليه وسلم. ورواه مجاهد ومقسم عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.

وإسكاف، وقرن -بسكون الراء- قريتان قريبتان من بغداد.
ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে উমর (রা.)-এর সূত্রে নবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনুল ফাদল আস-সাররাজ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু তাহির বিন আবদুর রহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ (الحافظ) আবুল হাসান আদ-দারাকুতনি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মালিক আল-ইস্কাফি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন শাকির, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন ইয়াজিদ আল-কুরানি—হাদিসের সূত্র পরিবর্তন (ح)। আদ-দারাকুতনি বলেন: এবং আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুফার বিচারক (القاضي) আবুল কাসিম ইবরাহিম বিন আহমদ বিন আবু হাসিন, আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু হাসিন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন হাবিব আল-ওয়াদিয়ি—আর শব্দগুলো তারই—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইউনুস, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু শিহাব, ইবনে আবু লাইলা (অর্থাৎ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান) থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উসমান (রা.)-এর মেয়ের জানাজায় ছিলাম এবং সেখানে ইবনে উমর (রা.)-ও উপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি কান্নার আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন: আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই জীবিত ব্যক্তির কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া হয়।"

ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: বিষয়টি আমাকে বিচলিত করল। তাই আমি আয়েশা (রা.)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন: সে (ইবনে উমর) শুনেছে ঠিকই কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ (حفظ) করতে পারেনি। রাসুলুল্লাহ (সা.) কেবল বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই কাফিরের পরিবার তার জন্য কান্নাকাটি করলে তার আজাব বৃদ্ধি পায়।"

আদ-দারাকুতনি বলেন: হাকাম থেকে ইবনে আবু লাইলা এই হাদিসটি বর্ণনায় একক (تفرد) হয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলাই সর্বজ্ঞ।

এই হাদিসটি ইবনে উমর থেকে [উমরের সূত্রে], এবং আয়েশা থেকে আবু বকর (রা.)-এর সূত্রে নবী (সা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া মুজাহিদ ও মিকসামও ইবনে আব্বাসের সূত্রে নবী (সা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইস্কাফ এবং কারন—'রা' বর্ণের সুকুন (بسكون الراء) সহকারে—হলো বাগদাদের নিকটবর্তী দুটি গ্রাম।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌رواية عائشة عن ابن عباس رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

17- أخبرنا إسماعيل السراج، أنا أبو طاهر [أنا] الدارقطني، ثنا إسماعيل بن محمد الصفار، ثنا علي بن داود، ثنا سعيد بن عفير، ثنا ابن لهيعة عن أبي الأسود عن عروة عن عائشة عن ابن عباس رضي الله عنهم: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نسي صلاتي الظهر والعصر يوم الأحزاب فذكرهما بعد المغرب فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ((شغلونا عن الصلاة حتى ذهب النهار وأنسيت الصلاة، أدخل الله بيوتهم ناراً، فصلاها بعد المغرب حين ذكرها)) .

[روي ذلك عن عروة عن زيد بن ثابت عن النبي صلى الله عليه وسلم] .
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর বর্ণনা (رواية)

17- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) ইসমাইল আস-সাররাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أنا) আবু তাহের, [আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أنا)] আদ-দারাকুতনি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (ثنا) ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (ثنا) আলি ইবনে দাউদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (ثنا) সাইদ ইবনে উফাইর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন (ثنا) ইবনে লাহিয়া, তিনি আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেন যে: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আহযাবের (খন্দকের) যুদ্ধের দিন জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করতে ভুলে গিয়েছিলেন এবং মাগরিবের পর তা তাঁর স্মরণে এল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: ((তারা আমাদের নামাজ থেকে বিমুখ করে রেখেছিল এমনকি দিন শেষ হয়ে গেল এবং আমি নামাজের কথা ভুলে গেলাম; আল্লাহ তাদের ঘরগুলোকে আগুনে পূর্ণ করুন।)) অতঃপর যখন তাঁর স্মরণে এল, তিনি মাগরিবের পর তা আদায় করলেন।

[অনুরূপ বিষয় উরওয়াহ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত (روي) হয়েছে] ।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌رواية ابن عباس عن عائشة رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

ذكرناها في ترجمة ابن عباس عن ابن عمر.

18- أخبرنا أبو سعد محمد بن علي الكاتب وغيره قالا: أنا أبو نعيم الحافظ، أنشدنا عبد الله بن جعفر بن إسحاق الجابري، أنشدنا عبد الله بن المعتز:

ما عابني إلا الحسود … وتلك من خير المعايب

والخير والحساد مقرونان … إن ذهبوا فذاهب

وإذا ملكت المجد لم … تملك مذمات الأقارب

وإذا فقدت الحاسدين … فقدت في الدنيا الأطايب

[آخر المجلس] .
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) এর সূত্রে ইবনে আব্বাসের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) বর্ণনা (رواية)

আমরা এটি ইবনে ওমর থেকে ইবনে আব্বাসের জীবনীতে (ترجمة) উল্লেখ করেছি।

18- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ বিন আলী আল-কাতিব এবং অন্যান্যরা; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিজ (الحافظ) আবু নুআইম, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন ইসহাক আল-জাবেরি, আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুতাজ:

হিংসুক ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ আমার দোষ ধরেনি … আর এটি তো দোষসমূহের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দোষ

কল্যাণ ও হিংসুকেরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত … যদি তারা চলে যায়, তবে কল্যাণও প্রস্থান করে

আর যখন তুমি মর্যাদার অধিকারী হবে … তখন আত্মীয়-স্বজনের নিন্দা তোমাকে স্পর্শ করবে না

যদি তুমি হিংসুকদের হারিয়ে ফেলো … তবে তুমি পৃথিবীর নির্মল সুখগুলোকেও হারিয়ে ফেললে

[মজলিসের সমাপ্তি] .
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৯)
مجلس آخر أملي يوم السبت السابع عشر من رجب سنة سبع وأربعين وخمسمائة قال:

‌‌رواية جابر بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

19- أخبرنا أبو منصور محمد بن عبد الله بن مندويه، ثنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ، نا أبو بكر أحمد بن يوسف بن خلاد العطار، ثنا الحارث بن أبي أسامة التميمي، ثنا عفان، ثنا حفص بن غياث، ثنا الأعمش، عن أبي سفيان عن جابر عن أبي سعيد الخدري –رضي الله عنهما: ((أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى على حصير)) قيل للأعمش: أكان يسجد عليه؟ قال: فمه.

هذا حديث صحيح أخرجه مسلم في صحيحه من حديث الأعمش، وأبو سفيان اسمه طلحة بن نافع وهو من الشيوخ الذين لم يخرج البخاري عنهم.
৫৪৭ হিজরি সনের সতেরই রজব, শনিবার অন্য একটি মজলিসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:

‌‌নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে জাবির বিন আব্দুল্লাহর বর্ণনা

১৯- আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মান্দুওয়াইহ্ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন আবি উসামাহ আল-তামিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস বিন গিয়াছ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে: ((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাইয়ের ওপর সালাত আদায় করেছেন))। আল-আমাশকে জিজ্ঞাসা করা হলো: তিনি কি তার ওপর সিজদা করতেন? তিনি বললেন: অবশ্যই।

এটি একটি সহিহ (صحيح) হাদিস। ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে আল-আমাশের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আবু সুফিয়ানের নাম হলো তালহা বিন নাফি এবং তিনি এমন শায়খদের (الشيوخ) অন্তর্ভুক্ত যাদের থেকে ইমাম বুখারি হাদিস বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌رواية أبي سعيد عن جابر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

20- أخبرنا إسماعيل بن الفضل التاجر، أنا أبو طاهر بن عبد الرحيم، أنا أبو الحسن علي بن عمر، ثنا أبو بكر الآدمي أحمد بن محمد بن إسماعيل الشيخ الصالح، ثنا الحسن بن سعيد البستنبان، ثنا داود بن المحبر، ثنا عباد بن كثير، عن الجريري، عن أبي نضرة عن أبي سعيد عن جابر بن عبد الله –رضي الله عنهم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الغيبة أشد من الزنا)) . قال: وكيف ذلك يا رسول الله؟ قال: ((إن الزاني يتوب إلى الله –عز وجل ويستغفره فيغفر له، والغيبة لا تغفر حتى يكون صاحبها الذي يغفرها)) .

هذا حديث غريب لا أعرفه هكذا إلا من هذا الوجه، ورواه أبو رجاء عبد الله بن واقد الهروي عن عباد فقال عن جابر وأبي سعيد –رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আবু সাঈদ ও জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণনা

২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনুল ফাদল আত-তাজির, তিনি আবু তাহির ইবনে আবদুর রহিম থেকে, তিনি আবু হাসান আলী ইবনে উমর থেকে, তিনি সালেহ শায়খ আবু বকর আল-আদামি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল থেকে, তিনি হাসান ইবনে সাঈদ আল-বিস্তানবান থেকে, তিনি দাউদ ইবনুল মুহাব্বার থেকে, তিনি আব্বাদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি জুরারি থেকে, তিনি আবু নাদারা থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে এবং তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: "গীবত (পরনিন্দা) ব্যভিচারের চেয়েও গুরুতর।" সাহাবীগণ আরজ করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! তা কীভাবে? তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই ব্যভিচারী ব্যক্তি মহান আল্লাহর নিকট তওবা করে এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, ফলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন; কিন্তু গীবতকারীকে ততক্ষণ ক্ষমা করা হয় না, যতক্ষণ না যার গীবত করা হয়েছে সেই ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে।"

এটি একটি একক (غريب) হাদিস; আমি এটি এই সূত্র ব্যতীত অন্য কোনোভাবে জানি না। আবু রাজা আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ আল-হারাবি এটি আব্বাদ হতে বর্ণনা করেছেন; সেখানে তিনি জাবির ও আবু সাঈদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এবং তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌رواية أنس عن جابر رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

21- أخبرنا أبو علي الحداد، ثنا أبو نعيم الحافظ، ثنا عبد الله [بن] جعفر، أنا إسماعيل بن عبد الله، (ح) قال أبو نعيم: وثنا سليمان بن أحمد، ثنا معاذ بن المثنى، قالا: ثنا محمد بن كثير، (ح) قال أبو نعيم: وثنا القاضي أبو أحمد محمد بن محمد بن أحمد بن إبراهيم، ثنا أحمد بن سليمان بن أيوب، ثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب قالا: ثنا جعفر بن سليمان، عن الجعد أبي عثمان، عن أنس، عن جابر –رضي الله عنهما أن أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم شكوا إليه العطش فدعا بعس ودعا بماء فصبه فيه فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده في العس فقال: ((استقوا)) فرأيت الماء ينبع عيوناً من بين أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى استقى الناس.

رواه سيار بن حاتم عن جعفر مثله.
নবী (সা.) থেকে জাবির (রা.)-এর সূত্রে আনাস (রা.)-এর বর্ণনা (رواية)

২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) আবু আলী আল-হাদ্দাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু নুআইম আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবদুল্লাহ [বিন] জাফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا) ইসমাইল বিন আবদুল্লাহ। (সনদ পরিবর্তন (ح)) আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) সুলাইমান বিন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) মুয়াজ বিন আল-মুসান্না, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) মুহাম্মদ বিন কাসীর। (সনদ পরিবর্তন (ح)) আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) বিচারক আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহীম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আহমদ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন আবুশ শাওয়ারিব, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) জাফর বিন সুলাইমান, জাদ আবু উসমান থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে, তিনি জাবির (রা.)—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা.)-এর সাহাবীগণ তাঁর কাছে তৃষ্ণার অভিযোগ করলেন। তখন তিনি একটি বড় পাত্র ও পানি আনালেন এবং সেই পাত্রে পানি ঢাললেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা.) পাত্রটির মধ্যে তাঁর হাত রাখলেন এবং বললেন: "তোমরা পানি পান করো।" তখন আমি দেখলাম রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আঙুলসমূহের মাঝখান থেকে প্রস্রবণের মতো পানি প্রবাহিত হচ্ছে, এমনকি সমস্ত মানুষ পানি পান করল (বা সংগ্রহ করল)।

সাইয়ার বিন হাতিম জাফরের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা (رواه) করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌رواية جابر عن أنس رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم

22- أخبرنا إسماعيل السراج، أنا أبو طاهر الكاتب، أنا الدارقطني ثنا محمد بن مخلد ومحمد بن محمد بن مالك الإسكافي قالا: ثنا أبو الأحوص محمد بن الهيثم القاضي، حدثني ابن عفير، حدثني ابن لهيعة، عن أبي الزبير، عن جابر، عن أنس بن مالك –رضي الله عنهما أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ليلة القدر وقد خلت ثنتان وعشرون ليلة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((التمسوها في السبع الأواخر التي يبقين من الشهر)) .

وقال ابن مخلد: في هذه السبع الأواخر. قال الدارقطني: تفرد به ابن لهيعة عن أبي الزبير بهذا الإسناد.
আনাস (রা.) থেকে জাবিরের (রা.) বর্ণনা (رواية), যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে গ্রহণ করেছেন

২২- ইসমাইল আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আল-কাতিব আমাদের জানিয়েছেন, আদ-দারাকুতনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন মাখলাদ এবং মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মালিক আল-ইসকাফি আমাদের বলেছেন: আবু আল-আহওয়াস মুহাম্মদ বিন আল-হায়সাম আল-কাদি আমাদের বলেছেন, ইবন উফাইর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন লাহিয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আয-যুবাইর থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যখন (রমজানের) বাইশটি রাত অতিবাহিত হয়ে গিয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তোমরা একে মাসের অবশিষ্ট শেষ সাত রাতের মধ্যে অনুসন্ধান করো।"

ইবন মাখলাদ বলেছেন: "এই শেষ সাত রাতের মধ্যে।" আদ-দারাকুতni বলেন: ইবন লাহিয়া এই সনদ (إسناد) সহকারে আবু আয-যুবাইর থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা (تفرد) করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌رواية ابن عباس عن جابر رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

23- أخبرنا السيد أبو القاسم عباد بن محمد بن المحسن الجعفري –رحمه الله إذناً، أنا أبو أحمد محمد بن علي المعلم، ثنا أبو محمد بن حيان، ثنا إسحاق بن إبراهيم (ح) وأخبرنا إسماعيل بن الفضل، أنا أبو طاهر [بن] عبد الرحيم، أنا علي بن عمر، ثنا أبو عثمان سعيد بن محمد بن أحمد الحناط قالا: ثنا أبو هشام الرفاعي محمد بن يزيد، ثنا أبو بكر بن عياش، ثنا الكلبي عن أبي صالح، عن ابن عباس، حدثني جابر بن عبد الله رضي الله عنهم: أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ: {وإذا سألك عبادي عني فإني قريب أجيب دعوة الداع إذا دعان} الآية، فقال: ((اللهم أمرت بالدعاء وتكفلت بالإجابة لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك، أشهد أنك ربي واحد صمد، لم يلد ولم يولد، ولم يكن له كفواً أحد، وأشهد أن وعدك حق، ولقاءك حق والجنة حق، والنار حق، وأن الساعة آتية لا ريب فيها، وأن الله يبعث من في القبور)) .

قال الدارقطني: لا أعلم بهذا الإسناد غير هذا الحديث، ولم يروه إلا الكلبي وهو محمد بن السائب أبو النضر.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর সূত্রে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর বর্ণনা (رواية)

২৩- সাইয়্যেদ আবু আল-কাসিম আব্বাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুহসিন আল-জাফরি (রাহিমাহুল্লাহ) অনুমতি সাপেক্ষে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আলী আল-মুয়াল্লিম আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইবরাহিম আমাদের বর্ণনা করেছেন (হা)। এবং ইসমাইল বিন আল-ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির [বিন] আব্দুর রহিম আমাদের জানিয়েছেন, আলী বিন উমর আমাদের জানিয়েছেন, আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হান্নাত আমাদের বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু হিশাম আল-রিফাঈ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আইয়াশ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-কালবী আবু সালিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন: {আর যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন আমি তো নিকটেই। আমি আহ্বানকারীর আহ্বানে সাড়া দেই যখন সে আমাকে আহ্বান করে...} (আয়াত), অতঃপর তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! আপনি দোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং কবুল করার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত; আমি উপস্থিত, আপনার কোনো শরিক নেই, আমি উপস্থিত। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, নিআমত এবং রাজত্ব আপনারই; আপনার কোনো শরিক নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনিই আমার রব, একক, অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি, আর তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনার ওয়াদা সত্য, আপনার সাথে সাক্ষাৎ সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য এবং কিয়ামত অবশ্যই আসবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ কবরে শায়িতদের পুনরুত্থিত করবেন।"

দারা কুতনী বলেন: আমি এই সূত্র (إسناد)-এর মাধ্যমে এই হাদিসটি ব্যতীত অন্য কোনো হাদিস জানি না। আর এটি আল-কালবী—যিনি মুহাম্মদ বিন আল-সাইব আবু আল-নাদর—ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা (روى) করেননি।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌رواية جابر عن ابن عباس رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

24-أخبرنا إسماعيل بن الفضل، أنا أبو طاهر [بن] عبد الرحيم، أنا أبو الحسن الدارقطني، ثنا أبو علي إسماعيل بن العباس بن محمد [الوراق] ، ثنا أبو عبد الرحمن يحيى بن محمد بن أعين المروزي، ثنا أزهر بن سعيد السمان، عن سليمان التيمي، عن خداش، عن أبي الزبير، عن جابر، عن ابن عباس –رضي الله عنهم: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا استلقى أحدكم فلا يضع إحدى رجليه على الأخرى)) .
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর সূত্রে জাবিরের বর্ণনা (رواية)

২৪-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনুল ফজল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের [ইবনে] আবদুর রহিম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান আদ-দারাকুতনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী ইসমাঈল ইবনুল আব্বাস বিন মুহাম্মদ [আল-ওয়াররাক], তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন আয়ান আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আযহার বিন সাঈদ আস-সাম্মান, তিনি সুলাইমান আত-তাইমী থেকে, তিনি খিদাশ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন চিৎ হয়ে শুয়ে থাকে, সে যেন তার এক পা অন্য পায়ের ওপর না রাখে।"
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩২)
25- (ح) وبهذا الإسناد عن جابر عن ابن عباس رضي الله عنهم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((ليدخلن الجنة من بايع تحت الشجرة إلا صاحب الجمل الأحمر)) .

كذا رواهما هذا الشيخ عن أزهر، أسندهما عن ابن عباس، ويتابعه غيره عن أزهر، وعن سليمان أيضاً، ومنهم من يجعله من مسند جابر، وخداش هو ابن عياش العبدي، بصري لا أعرفه إلا برواية سليمان عنه. وحديث الاستلقاء ذكر الحافظ أبو عبد الله بن منده أنه منسوخ بفعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك.
২৫- (হ) এবং এই একই বর্ণনাসূত্র (الإسناد) দ্বারা জাবির থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যারা গাছের নিচে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছিল, তারা অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে; তবে লাল উটের মালিক ব্যতীত।"

এই শায়খ আযহার থেকে বর্ণনা দুটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন এবং সেগুলোকে ইবনে আব্বাস থেকে নিরবচ্ছিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন (أسند)। আযহার থেকে অন্যরাও তাঁর অনুরূপ সমর্থনমূলক বর্ণনা করেছেন (يتابع), এবং সুলাইমান থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ একে জাবিরের মুসনাদ হিসেবে গণ্য করেছেন। আর খিদাশ হলেন ইবনে আইয়াশ আল-আবদি, তিনি বসরার অধিবাসী; সুলাইমানের বর্ণনা ব্যতীত তাঁর সম্পর্কে আমি আর কিছু জানি না। আর চিত হয়ে শোয়া সংক্রান্ত হাদিসটি সম্পর্কে হাফিজ (الحافظ) আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ উল্লেখ করেছেন যে, তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কর্ম দ্বারা রহিত (منسوخ) হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) আল লাতায়িফু মিন দাকায়িকিল মাআরিফি ফি উলুমিল হুফফাযিল আআরিফ (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌رواية ابن عباس عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم

26- أخبرنا إسماعيل السراج، أنا أبو طاهر الكاتب، أنا الدارقطني، ثنا إسماعيل بن محمد الصفار، ثنا محمد بن عبد الملك الدقيقي، ثنا يزيد بن هارون، أنا سليمان بن علي الربعي، حدثني أبو الجوزاء غير مرة، قال: سألت ابن عباس عن الصرف؟ [فقال:] يداً بيد لا بأس به، ثم حججت مرة أخرى، والشيخ حي، فأتيته، فسألته عن الصرف؟ فقال: وزناً بوزن، قلت: إنك كنت أفتيتني اثنين بواحد، فلم أزل أفتي به [منذ] أفتيتني، قال ذاك كان عن رأي، وهذا أبو سعيد الخدري رضي الله عنه يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم فتركت رأيي لحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم.

قال الدارقطني: هذا حديث صحيح.
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর সূত্রে ইবনে আব্বাসের বর্ণনা

২৬- ইসমাইল আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের আল-কাতিব আমাদের জানিয়েছেন, আদ-দারাকুতনী আমাদের জানিয়েছেন, ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আলী আর-রাবিয়ি আমাদের জানিয়েছেন, আবুল জাওযা আমাকে একাধিকবার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে মুদ্রা বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। [তিনি বললেন:] হাতে হাতে (নগদ বিনিময়) হলে এতে কোনো অসুবিধা নেই। এরপর আমি পুনরায় হজ করলাম, তখন শায়খ জীবিত ছিলেন। আমি তাঁর নিকট আসলাম এবং তাঁকে মুদ্রা বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: ওজনে ওজনে সমান হতে হবে। আমি বললাম: আপনি তো আমাকে একের বদলে দুইয়ের ফতোয়া দিয়েছিলেন এবং আপনি ফতোয়া দেওয়ার পর থেকে আমি সর্বদা সে অনুযায়ীই ফতোয়া দিয়ে আসছি। তিনি বললেন: সেটি ছিল আমার ব্যক্তিগত অভিমত মাত্র, আর এই যে আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাই আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিসের কারণে আমার ব্যক্তিগত অভিমত বর্জন করেছি।

আদ-দারাকুতনী বলেন: এই হাদিসটি বিশুদ্ধ (صحيح)।