(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: -)
الإغراب للنسائي   (النسائي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الإغراب: الجزء الرابع من حديث شعبة بن الحجاج وسفيان بن سعيد الثوري مما أغرب بعضهم على بعض

المؤلف: أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب بن علي الخراساني، النسائي (ت 303هـ)

المحقق: أبو عبد الرحمن محمد الثاني بن عمر بن موسى

الناشر: دار المآثر - المدينة النبوية

الطبعة: الأولى 1421 هـ - 2000 م

عدد الصفحات: 316

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433

আল-ইগরাব লিন-নাসায়ী   (আন-নাসায়ী)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: আল-ইগরাব: শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ এবং সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরীর হাদিসসমূহের চতুর্থ খণ্ড, যার মাধ্যমে তারা একে অপরের ওপর একক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছেন

লেখক: আবু আবদির রহমান আহমাদ ইবনে শুআইব ইবনে আলী আল-খুরাসানী, আন-নাসায়ী (মৃত ৩০৩ হিজরি)

তাহকীক: আবু আবদির রহমান মুহাম্মাদ আস-সানী ইবনে উমর ইবনে মুসা

প্রকাশক: দারুল মাআসির - আল-মাদীনাতুন নববীয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম ১৪২১ হিজরি - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১৬

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগী আল-খাইর আকবিল

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: -)
كتاب الإغراب

 

الجزء الرابع

من حديث شعبة بن الحجاج وسفيان بن سعيد الثوري

مما أغرب بعضهم على بعض

 

تصنيف

أبي عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي

المتوفى سنة 303 هـ

 

تحقيق

أبي عبد الرحمن محمد الثاني بن عمر بن موسى

 

دار المآثر - المدينة النبوية

 

الطبعة الأولى

1421 هـ - 2000 م
কিতাবুল ইগরাব (বিরল ও একক বর্ণনাসমূহ)

 

চতুর্থ খণ্ড

শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ ও সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরীর হাদিস থেকে

যা তারা একে অপরের বিপরীতে বিরলভাবে বর্ণনা করেছেন

 

রচনায়

আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী

মৃত্যু: ৩০৩ হিজরী

 

সম্পাদনায়

আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মাদ আস-সানি ইবনে উমর ইবনে মুসা

 

দারুল মাআসির - মদিনাতুন নববী

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২১ হিজরী - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
‌‌كتاب الإغراب

الجزء الرابع من حديث شعبة بن الحجاج وسفيان بن سعيد الثوري مما أغرب بعضهم على بعض

تصنيف أبي عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي

- رواية أبي الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا بن حيوية النيسابوري، عنه.

- رواية أبي الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أحمد بن عيسى الفارسي، عنه.

- رواية أبي صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمُقْرِئُ المدني، عنه.

- رواية الشيخ العالم العلامة أبي محمد بن عبد الله بن بري، عنه.

- رواية أبي الْمَعَالِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُثْمَانَ المخزومي، عنه.

- رواية الشيخ الأمير ركن الدين أبي أحمد بيبرس بن السلحدار الظاهري القيمري عنه.
কিতাবুল ইগরাব

শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ এবং সুফিয়ান ইবনু সাঈদ আস-সাওরীর হাদীসসমূহ হতে তাদের একে অপরের বর্ণিত অনন্য হাদীসসমূহের চতুর্থ খণ্ড

আবু আবদুর রহমান আহমাদ ইবনু শুআইব আন-নাসায়ীর সংকলন

- তাঁর থেকে আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু জাকারিয়া ইবনু হাইওয়াইহ আন-নাইসাবুরীর বর্ণনা।

- তাঁর থেকে আবু আল-কাসিম আলী ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলী ইবনু আহমাদ ইবনু ঈসা আল-ফারিসীর বর্ণনা।

- তাঁর থেকে আবু সাদিক মুরশিদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু আল-কাসিম আল-মুকরি আল-মাদানির বর্ণনা।

- তাঁর থেকে শায়খ, আলিম, আল্লামা আবু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাররির বর্ণনা।

- তাঁর থেকে আবু আল-মাআলি আবদুর রহমান ইবনু আলী ইবনু উসমান আল-মাখজুমির বর্ণনা।

- তাঁর থেকে শায়খ, আমির, রুকনুদ্দিন আবু আহমাদ বাইবার্স ইবনুস সিলাহদার আজ-জাহিরি আল-কাইমারির বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٥٥)
‌‌بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا وَمَوْلانَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا

أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الأَمِيرُ الأَجَلُّ، رُكْنُ الدِّينِ أَبُو أَحْمَدَ بِيبَرْسُ السِّلِحْدَارُ الظَّاهِرِيُّ الْقَيْمُرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتُمْ تَسْمَعُونَ، بِالْمَدْرَسَةِ السَّيْفِيَّةِ الْمُنْكُوتمْرِيَّةِ مِنَ الْقَاهِرَةِ الْمُعِزِّيَّةِ، فِي الْعُشْرِ الآخِرِ مِنْ رجب الفرد، سنة تسع وتسعين وستمائة سَمَاعًا، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَمَالُ الْقُضَاةِ أَبُو الْمَعَالِي، عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُثْمَانَ الْمَخْزُومِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرِّيِّ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ بَرِّيٍّ الْمَقْدِسِيُّ رضي الله عنه، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي الْجَامِعِ الْعَتِيقِ. بِمِصْرَ فِي الرَّابِعِ مِنْ ذي الحجة، سنة ثمان وسبعين وخمسمائة، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمُقْرِئُ الْمَدِينِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي جمادى الأولى، سنة ست عشرة، وخمسمائة بِفُسْطَاطِ مِصْرَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بن محمد ابن عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عِيسَى الْفَارِسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيُّوَيْهِ النَّيْسَابُورِيُّ لَفْظًا فِي شَهْرَيِّ رَبِيعٍ الأول والآخر، سنة اثنتين وستين وثلاثمائة، قال: أخبرنا أبو عبد الرحمن أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسَائِيُّ:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের নেতা ও অভিভাবক মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও প্রচুর শান্তি বর্ষিত হোক।

আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, মুসনিদ (অবিচ্ছিন্ন সনদ বর্ণনাকারী), মহান আমীর, রুকন উদ্দীন আবু আহমদ বাইবারস আস-সিলাহদার আজ-জাহিরি আল-কায়মুরি; তাঁর সামনে পাঠকালে এবং আপনারা শ্রবণকালে, কায়রোর আল-মাদরাসা আস-সাইফিয়্যাহ আল-মুনকুতামুরিয়্যাহ-তে, ৬৯৯ হিজরী সনের একক রজব মাসের শেষ দশকে শ্রবণ করাকালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জামালুল কুদাত (বিচারপতিদের শ্রেষ্ঠ) আবু আল-মাআলি আবদুর রহমান বিন আলী বিন উসমান আল-মাখজুমি; তাঁর সামনে পাঠকালে এবং আমি শ্রবণকালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ পণ্ডিত আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন বাররি বিন আবদুল জাব্বার বিন বাররি আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন); মিশরের জামেউল আতিক-এ ৫৭৮ হিজরী সনের ৪ঠা জিলহজ তারিখে তাঁর সামনে পাঠকালে এবং আমি শ্রবণকালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মুকারি আল-মাদিনি; ৫১৬ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে মিশরের ফুসতাত-এ তাঁর সামনে পাঠকালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ বিন ঈসা আল-ফারিসি; তাঁর সামনে পাঠকালে এবং আমি শ্রবণকালে। তিনি বলেন: শায়খ আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন জাকারিয়া বিন হাইয়ুওয়াইহ আল-নিসাপুরি ৩৬২ হিজরী সনের রবিউল আউয়াল ও রবিউস সানি মাসে মৌখিকভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আহমদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি:
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٥٧)
‌‌سُفْيَانُ = جَعْفَرٌ

1 - أَخْبَرَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ: ((نَحْمَدُ اللَّهَ، وَنُثْنِي عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ))، ثُمَّ يَقُولُ: ((مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَلا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلا هَادِيَ لَهُ، إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ، وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ، وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلُّ محدثةٍ بدعةٌ، وَكُلُّ بدعةٍ ضلالةٌ، وَكُلُّ ضلالةٍ فِي النَّارِ)).

ثُمَّ يَقُولُ: ((بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ)). وَكَانَ إِذَا ذَكَرَ السَّاعَةَ احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ، وَعَلا صَوْتُهُ، وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ، كَأَنَّهُ نَذِيرُ جَيْشٍ، ((صَبَّحَكُمْ مَسَّاكُمْ)). ثُمَّ يَقُولُ: ((مَنْ تَرَكَ مَالا فَلأَهْلِهِ، وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضِيَاعًا فَإِلَيَّ وَعَلَيَّ، وَأَنَا وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ)).
সুফিয়ান = জাফর

১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উতবাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উতবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর খুতবায় বলতেন: ((আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং তাঁর সেই স্তুতি জ্ঞাপন করি যার তিনি যোগ্য))। অতঃপর তিনি বলতেন: ((আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। নিশ্চয়ই সবচেয়ে সত্য বাণী হলো আল্লাহর কিতাব, আর সর্বোত্তম পথনির্দেশনা হলো মুহাম্মাদের পথনির্দেশনা। সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো (দ্বীনের মধ্যে) নব-উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, প্রতিটি নব-উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, প্রতিটি বিদআত হলো ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতা জাহান্নামের আগুনের মধ্যে))।

অতঃপর তিনি বলতেন: ((আমি এবং কিয়ামত এই দুটির ন্যায় প্রেরিত হয়েছি))। আর যখন তিনি কিয়ামতের কথা উল্লেখ করতেন, তখন তাঁর গালদ্বয় লাল হয়ে যেত, তাঁর কণ্ঠস্বর উচ্চ হতো এবং তাঁর ক্রোধ তীব্র হতো, যেন তিনি কোনো এক সৈন্যবাহিনীর সতর্ককারী, যিনি বলছেন: ((শত্রু তোমাদের সকালে বা সন্ধ্যায় আক্রমণ করবে))। অতঃপর তিনি বলতেন: ((যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যায় তা তার পরিবারের জন্য, আর যে ব্যক্তি ঋণ বা অসহায় পরিবার রেখে যায় তবে তা আমার নিকট এবং তার দায়িত্ব আমার ওপর, আর আমিই মুমিনদের অভিভাবক))।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٥٨)
2 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، عَنْ مُعَاوِيَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 59⦘ يُقَصِّرُ بِمِشْقَصٍ.
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না এবং মুহাম্মদ ইবনু বাশশার, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, তিনি জা'ফর থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি মুআবিয়াহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ তিনি একটি প্রশস্ত তীরের ফলার ন্যায় কাঁচি দিয়ে চুল ছোট করছেন।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٥٩)
3 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ قَالَ: قَالَ لِي أَبُو هُرَيْرَةَ: أَيُّ شَيْءٍ كَانَ عَلِيٌّ رضي الله عنه يَقْرَأُ فِي الْجُمُعَةِ؟ قُلْتُ: بِسُورَةِ» الْجُمُعَةِ «، وَ» إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ «، قَالَ: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُ.

كَذَا قَالَ: عَنْ أَبِي رَافِعٍ، وَالنَّاسُ يَقُولُونَ: عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ.
৩ - আহমাদ ইবনে সুলায়মান আমাদের জানিয়েছেন, আবু দাউদ আল-হাফারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু রাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা আমাকে বললেন, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) জুমার নামাজে কী পাঠ করতেন? আমি বললাম: সূরা ‘আল-জুমুআ’ এবং ‘ইযা জাআকাল মুনাফিকুন’ (সূরা আল-মুনাফিকুন)। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই করতেন।

তিনি এভাবেই ‘আবু রাফে থেকে’ উল্লেখ করেছেন, তবে অন্যান্যরা বলেন: ‘উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে’।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦١)
‌‌شُعْبَةُ = جَعْفَرُ بْنُ مَعْبَدٍ

4 - حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، وَابْنُ حَرْبٍ -يَعْنِي: سُلَيْمَانَ بْنَ حَرْبٍ- قَالا: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ مَعْبَدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: كُنَّا إِذَا بَايَعْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُلَقِّنُنَا -أَوْ يَقُولُ لَنَا: - ((فِيمَا اسْتَطَعْتُمْ)).
শু'বাহ = জাফর বিন মা'বাদ

৪ - মাহমুদ ইবন গায়লান আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবুল ওয়ালীদ এবং ইবন হারব—অর্থাৎ সুলায়মান ইবন হারব—আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই বলেছেন: শু'বাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন; জাফর বিন মা'বাদ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছি: আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বায়আত (আনুগত্যের শপথ) গ্রহণ করতাম, তখন তিনি আমাদের শিখিয়ে দিতেন—অথবা আমাদের বলতেন: "তোমাদের সাধ্যানুযায়ী"।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٢)
‌‌سُفْيَانُ = جَعْفَرُ بْنُ مَيْمُونٍ

5 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ - وَهُوَ ابْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ جَعْفَرٍ -وَهُوَ ابْنُ مَيْمُونٍ- الْبَصْرِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَادَيْتُ أَنْ لا تُجْزِئُ صَلاةٌ إِلا بِقِرَاءَةٍ وَلَوْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ.
সুফইয়ান = জাফর বিন মায়মুন

৫ - আহমাদ বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুআবিয়াহ—যিনি ইবনু হিশাম—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর—যিনি ইবনু মায়মুন আল-বসরী—হতে, তিনি আবু উসমান হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আদেশ করলেন, ফলে আমি ঘোষণা করলাম যে, কিরাত ব্যতীত কোনো সালাত যথেষ্ট হবে না, যদিও তা কেবল ফাতিহাতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) হয়।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٤)
‌‌شُعْبَةُ = جَعْفَرُ بْنُ إِيَاسٍ أَبُو بِشْرٍ

6 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَبَّادَ بْنَ شُرَحْبِيلَ، يَقُولُ: أَصَابَنَا عَامُ سَنَةٍ -قَالَ: أَوْ وَجَعٌ- فَقَدِمْتُ الْمَدِينَةَ، فَمَرَرْتُ بِحَائِطٍ؛ فَأَصَبْتُ مِنْ سُنْبُلٍ، وَجَعَلْتُ فِي ثَوْبِي مِنْهُ، فجاء صاحب الحائط فضربني، وأخد ثَوْبِي، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ لَهُ: ((مَا أَطْعَمْتَ إِنْ كَانَ جَائِعًا، -أَوْ قَالَ: سَاغِبًا- وَلا عَلَّمْتَ إِنْ كَانَ جَاهِلا)). فَأَمَرَهُ فَرَدَّ عَلَيَّ ثَوْبِي، وَأَمَرَ لِي بِنِصْفِ وسقٍ مِنْ طَعَامٍ - أَوْ قَالَ: وسقٍ)).
শুবা = জাফর ইবনে ইয়াস আবু বিশর

৬ - মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আলা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শুবা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বিশর থেকে, তিনি বলেন: আমি আব্বাদ ইবনে শুরাহবীলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: একবার আমরা এক দুর্ভিক্ষের বছরের কবলে পড়লাম—বর্ণনাকারী বলেন: অথবা কোনো কষ্টের কবলে—অতঃপর আমি মদীনায় আসলাম এবং একটি বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু শস্যের শীষ সংগ্রহ করলাম এবং তা আমার কাপড়ে নিলাম। তখন বাগানের মালিক এসে আমাকে প্রহার করল এবং আমার কাপড়টি কেড়ে নিল। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তখন তিনি তাকে (মালিককে) বললেন: "সে যদি ক্ষুধার্ত থেকে থাকে তবে তুমি তাকে আহার করাওনি—অথবা তিনি বলেছিলেন: অনাহারি থাকলে—এবং সে যদি অজ্ঞ থেকে থাকে তবে তুমি তাকে শিক্ষা দাওনি।" অতঃপর তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন এবং সে আমার কাপড়টি আমাকে ফিরিয়ে দিল। আর তিনি আমার জন্য অর্ধেক ওসক খাদ্যদ্রব্য—অথবা বলেছিলেন: এক ওসক—প্রদানের আদেশ দিলেন।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٥)
7 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرٌ -وَهُوَ ابْنُ الْمُفَضَّلِ- حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ يُحَدِّثُ عَنْ عُمُومَتِهِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَكْبًا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرُوا أَنَّهُمْ رَأَوُا الْهِلالَ بِالأَمْسِ مِنْ آخِرِ النَّهَارِ، فَأَمَرَ النَّاسَ أَنْ يُفْطِرُوا، وَأَنْ يغدو إلى مصلاهم.
৭ - আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন মাসঊদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর বর্ণনা করেছেন—যিনি ইবনুল মুফাযযাল—তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু‘বা বর্ণনা করেছেন আবু বিশর হতে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবন আনাস ইবন মালিককে তাঁর পিতৃব্যদের সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি, যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তারা বর্ণনা করেন যে, একদল আরোহী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তারা উল্লেখ করলেন যে, তারা গতকাল দিনের শেষভাগে নতুন চাঁদ দেখেছেন। ফলে তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জনগণকে সিয়াম ভঙ্গ করার এবং পরদিন সকালে তাদের ঈদগাহে গমনের নির্দেশ প্রদান করলেন।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
8 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ أَبِي عُمَيْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عُمُومَتِهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي صَلاةِ الصُّبْحِ وَالْعِشَاءِ: ((مَا يَشْهَدُهُمَا منافقٌ)).
৮ - ইসমাইল ইবনে মাসউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা হতে, তিনি আবু বিশর হতে, তিনি আবু উমাইর ইবনে আনাস হতে, তিনি তাঁর চাচাদের হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজর ও এশার সালাত সম্পর্কে বলেছেন: "কোনো মুনাফিক এই দুই সালাতে উপস্থিত হয় না।"
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
9 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ شَقِيقٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه أَنَّ رَجُلا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْوِتْرِ؟ فَقَالَ: ((صَلاةُ اللَّيْلِ مَثْنًى مَثْنًى، ⦗ص: 68⦘ وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ)).
৯ - মুহাম্মদ ইবনে বাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে শাকিককে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিতর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: ((রাতের সালাত দুই দুই রাকাত করে, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৮⦘ আর বিতর হলো এক রাকাত।))
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٨)
10 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((خَيْرُكُمْ قَرْنِي، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ)) -فَلا أَدْرِي ذَكَرَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثَةً- ⦗ص: 69⦘ ((وَيَخْلُفُ بَعْدَهُمْ قومٌ يَشْهَدُونَ وَلا يُسْتَشْهَدُونَ)).
১০ - মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বিশর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ((তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম হলো আমার যুগের লোকসকল, অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী।)) —আমি জানি না তিনি এটি দুইবার নাকি তিনবার উল্লেখ করেছেন— ⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ ((এবং তাদের পরে এমন এক কওমের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষ্য দিবে অথচ তাদের নিকট সাক্ষ্য চাওয়া হবে না।))
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٦٩)
11 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ -وَهُوَ ابْنُ طَهْمَانَ-، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ أَبِي رَجَاءٍ، عَنْ مِحْجَنِ بْنِ أَبِي مِحْجَنٍ، قَالَ: ⦗ص: 70⦘ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي فَصَعِدْنَا أُحُدًا، فَأَشْرَفْنَا عَلَى الْمَدِينَةِ، فَقَالَ: ((وَيْلُ أُمِّكَ! قريةٌ يَدَعُهَا أَهْلُهَا خَيْرَ مَا تَكُونُ، فَيَأْتِيهَا الدَّجَّالُ فَيَجِدُ عَلَى كُلِّ بابٍ مِنْ أَبْوَابِهَا مَلَكًا مُصَلَّتًا، فَلا يَدْخُلْهَا)) ثُمَّ نَزَلَ وَهُوَ آخِذٌ بِيَدِي حَتَّى دَخَلَ الْمَسْجِدَ، فَإِذَا رَجُلٌ قَائِمٌ يُصَلِّي، قَالَ: ((مَنْ هَذَا؟)) قُلْتُ: هَذَا فُلانٌ، فَجَعَلْتُ أُثْنِي عَلَيْهِ، قَالَ: ((اسْكُتْ، لا تُسْمِعْهُ فَتُهْلِكَهُ)). فَلَمَّا دَنَا مِنَ الْحُجَرِ؛ حُجَرِ نِسَائِهِ قَالَ بِيَدِهِ يَنْفُضُهَا، ثُمَّ قَالَ: ((إِنَّ خَيْرَ دِينِكُمْ أَيْسَرُهُ)).
১১ - আহমদ ইবনে হাফস ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম—যিনি ইবনে তাহমান—আমার নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে, তিনি জাফর ইবনে ইয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক থেকে, তিনি রাজা ইবনে আবি রাজা থেকে, তিনি মিহজান ইবনে আবি মিহজান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৭০⦘ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরলেন এবং আমরা উহুদ পাহাড়ে আরোহণ করলাম। অতঃপর আমরা মদিনার ওপর দৃষ্টিপাত করলাম। তখন তিনি বললেন: "তোমার মায়ের দুর্ভোগ হোক! এটি এমন এক জনপদ যাকে এর অধিবাসীরা অত্যন্ত উত্তম অবস্থায় থাকাকালীন ছেড়ে চলে যাবে। অতঃপর দাজ্জাল সেখানে আসবে এবং সে এর প্রতিটি প্রবেশপথে একজন করে উন্মুক্ত তলোয়ারধারী ফেরেশতা পাবে, ফলে সে এতে প্রবেশ করতে পারবে না।" তারপর তিনি নেমে আসলেন এবং তখনও তিনি আমার হাত ধরেছিলেন, এমনকি তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন। সেখানে একজন ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে দেখে তিনি বললেন: "এ কে?" আমি বললাম: "এ হলো অমুক", এবং আমি তার প্রশংসা করতে শুরু করলাম। তিনি বললেন: "চুপ করো, তাকে শুনিয়ো না, অন্যথায় তুমি তাকে ধ্বংস করে দেবে।" যখন তিনি কক্ষগুলোর নিকটবর্তী হলেন—অর্থাৎ তাঁর স্ত্রীদের কক্ষগুলোর নিকট—তখন তিনি হাত নেড়ে ইশারা করলেন। অতঃপর বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের দ্বীনের শ্রেষ্ঠ অংশ হলো এর সহজতা।"
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧١)
12 - أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ -وَهُوَ ابْنُ أَبِي بَكْرَةَ- عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((أَسْلَمُ وَغِفَارٌ، وَجُهَيْنَةُ وَمُزَيْنَةُ خيرٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ وَبَنِي عَامِرِ بْنِ صَعْصَعَةَ وَأَسَدٍ وَغَطَفَانَ)).
১২ - নসর ইবন আলী ইবন নসর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু‘বা থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি আবদুর রহমান থেকে—আর তিনি হলেন ইবন আবু বাকরা—তিনি আবু বাকরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আসলাম, গিফার, জুহাইনা এবং মুযাইনা (গোত্রসমূহ) বনী তামীম, বনী আমের ইবন সা‘সা‘আ, আসাদ এবং গাতাফান অপেক্ষা উত্তম।”
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٢)
13 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه قَالَ: قُمْتُ عَنْ يَسَارِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخَذَنِي فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ.
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদিল আ’লা, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালিদ, শু’বাহ থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে, ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাম পাশে দাঁড়ালাম, তখন তিনি আমাকে ধরে তাঁর ডান পাশে নিয়ে আসলেন।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٣)
14 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، أَنَّ امْرَأَةً نَذَرَتْ أَنْ تَحُجَّ فَمَاتَتْ، فَأَتَى أَخُوهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: ((أَرَأَيْتَ لَوْ كَانَ عَلَى أُخْتِكَ دينٌ أَكُنْتَ قَاضِيَهُ؟)) قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: ((فَاقْضُوا اللَّهَ عز وجل، فَهُوَ أَحَقُّ بِالْوَفَاءِ)).
১৪ - মুহাম্মদ ইবনে বাশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বিশর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে জুবায়েরকে ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, এক নারী হজ করার মানত করেছিলেন এবং এরপর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তখন তাঁর ভাই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: ((তোমার কী অভিমত, যদি তোমার বোনের ওপর কোনো ঋণ থাকত, তবে কি তুমি তা পরিশোধ করতে?)) তিনি উত্তর দিলেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: ((তবে মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর ঋণ পরিশোধ করো, কেননা তিনি হক আদায়ের অধিক হকদার))।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٤)
15 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَجُلا مُحْرِمًا صُرِعَ عَنْ نَاقَتِهِ فَأُوقِصَ، فَذُكِرَ أَنَّهُ مَاتَ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ((اغْسِلُوهُ بِمَاءٍ وسدرٍ، وَكَفِّنُوهُ فِي ثَوْبَيْنِ)) ثُمَّ قَالَ: عَلَى إِثْرِهِ: ((خارجٌ رَأْسُهُ، وَلا تُمِسُّوهُ طِيبًا؛ فَإِنَّهُ يُبْعَثُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ملبداً)).
১৫ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়র থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ইহরামধারী ব্যক্তি তার উটনী থেকে পড়ে গিয়ে ঘাড় মটকে মারা যান। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((তোমরা তাকে পানি ও বরই পাতা দিয়ে গোসল করাও এবং তাকে দুই কাপড়ে কাফন দাও।)) অতঃপর তিনি এর পরপরই বললেন: ((তার মাথা অনাবৃত রাখো এবং তাকে সুগন্ধি স্পর্শ করো না; কেননা কিয়ামতের দিন সে তালবিয়াহ পাঠরত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে।))
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٤)
قَالَ شُعْبَةُ: فَسَأَلْتُهُ بَعْدَ عَشْرِ سِنِينَ، فَجَاءَ بِالْحَدِيثِ كَمَا كَانَ يَجِيءُ بِهِ إِلا أَنَّهُ قال: ((ولا تُخَمِّرُوا وَجْهَهُ وَرَأْسَهُ)).
শু'বা বলেন: আমি দশ বছর পর তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি হাদিসটি সেভাবেই বর্ণনা করলেন যেভাবে তিনি ইতিপূর্বে বর্ণনা করতেন; তবে তিনি (এবারে) বললেন: "এবং তোমরা তার চেহারা ও তার মাথা ঢেকে দিও না।"
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٥)
16 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالا: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابن عباس رضي الله عنه قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَالْيَهُودُ تَصُومُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ، فَسَأَلَهُمْ عَنْ ذَلِكَ؟ فَقَالُوا: هُوَ الْيَوْمُ الَّذِي ظَهَرَ مُوسَى عليه السلام عَلَى فِرْعَوْنَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ((أَنْتُمْ أَوْلَى بِمُوسَى مِنْهُمْ فَصُومُوا)). ⦗ص: 76⦘ قَالَ إِسْمَاعِيلُ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে মাসউদ এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আ'লা, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) [মদিনায়] আগমন করলেন, তখন ইহুদিরা আশুরার দিনে রোজা রাখছিল। তিনি তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন? তারা বলল: এটি সেই দিন যেদিন মুসা (আলাইহিস সালাম) ফেরাউনের ওপর বিজয় লাভ করেছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((তাদের তুলনায় মুসার ব্যাপারে তোমরাই অধিক হকদার, সুতরাং তোমরা রোজা রাখো।)) ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ ইসমাইল বলেন: আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٦)
17 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جبير، عن ابن عباس رضي الله عنه قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ: لا يُفْطِرُ، وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ: مَا يُرِيدُ أَنْ يَصُومَ، وَمَا صَامَ شَهْرًا مُتَتَابِعًا غَيْرَ رَمَضَانَ مُنْذُ قَدِمَ الْمَدِينَةَ.
১৭ - মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজা রাখতেন যতক্ষণ না আমরা বলতাম যে, তিনি আর রোজা ভঙ্গ করবেন না; আবার তিনি রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতেন যতক্ষণ না আমরা বলতাম যে, তিনি আর রোজা রাখার ইচ্ছা করছেন না। আর তিনি মদিনায় আসার পর থেকে রমজান ব্যতীত অন্য কোনো মাসে একাদিক্রমে পূর্ণ মাস রোজা রাখেননি।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٧)
18 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى قَالا: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابن عباس رضي الله عنه قَالَ: أَهْدَتْ خَالَتِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْطًا وَسَمْنًا، وَأَضُبًا، فَأَكَلَ مِنَ الأَقْطِ وَالسَّمْنِ، وَتَرَكَ الأَضُبَّ تَقَذُّرًا، فَأُكِلَ على مائدة رسول الله، وَلَوْ كَانَ حَرَامًا مَا أُكِلَ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে মাসউদ এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আ’লা, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ, তিনি শু’বাহ থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার খালা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু আকত (শুষ্ক দই), ঘি এবং সান্ডা উপহার দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি আকত ও ঘি থেকে আহার করলেন এবং অরুচিবশত সান্ডা খাওয়া ছেড়ে দিলেন। তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হয়েছিল। আর যদি তা হারাম হতো, তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হতো না।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٨)
19 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَوْلادِ الْمُشْرِكِينَ؟ قَالَ: ((اللَّهُ خَلَقَهُمْ حِينَ خَلَقَهُمْ، وَهُوَ يَعْلَمُ مَا كَانُوا عَامِلِينَ)).
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবায়র থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: “আল্লাহ যখন তাদের সৃষ্টি করেছেন, তখনই তাদের সৃষ্টি করেছেন; এবং তারা কী আমল করত, সে বিষয়ে তিনি সম্যক অবগত।”
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٧٩)
20 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((نُصِرْتُ بِالصَّبَا، وَأُهْلِكَتْ عادٌ بِالدَّبُورِ)).
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন বাশার, উসমান বিন উমর থেকে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আবু বিশর থেকে, সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: ((আমাকে পুবালী বাতাসের মাধ্যমে সাহায্য করা হয়েছে এবং আদ জাতিকে পশ্চিমা বাতাসের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।))
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٨٠)
21 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا ابْنُ عَشْرِ سِنِينَ، وَقَدْ قَرَأْتُ الْمُحْكَمَ. قُلْتُ: وَمَا الْمُحْكَمُ؟ قَالَ: الْمُفَصَّلُ
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে মাসউদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন খালিদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বা, আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ওফাত লাভ করেন তখন আমার বয়স ছিল দশ বছর, আর আমি ‘মুহকাম’ অংশ পড়ে ফেলেছিলাম। আমি (সাঈদ) জিজ্ঞাসা করলাম: ‘মুহকাম’ কী? তিনি বললেন: ‘মুফাসসাল’।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٨٢)
22 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ -وَهُوَ ابْنُ عَرْعَرَةَ- قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابن عباس رضي الله عنه، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ يُدْنِي ابْنَ عَبَّاسٍ، فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: إِنَّ لَنَا أَبْنَاءً مِثْلَهُ. فَقَالَ عُمَرُ: إِنَّهُ مَنْ حَيْثُ تَعْلَمُ. فَسَأَلَ عُمَرُ رضي الله عنه ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ هَذِهِ الآيَةِ {إِذَا جَاءَ نصر الله والفتح} ⦗ص: 83⦘ قَالَ: أَجَلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أعمله إِيَّاهُ. قَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: مَا أَعْلَمُ مِنْهَا إِلا مِثْلَ مَا تَعْلَمُ.
২২ - আল-হাসান ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ - যিনি ইবনে আরআরাহ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব ইবনে আব্বাসকে তাঁর নিকটবর্তী করতেন। তখন আবদুর রহমান ইবনে আউফ বললেন: আমাদেরও তো তার মতো পুত্র রয়েছে। উমর বললেন: তিনি কোন স্তরের তা তো আপনারা জানেন। অতঃপর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইবনে আব্বাসকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন: {যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে} ⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘ তিনি বললেন: এটি হলো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের সময়, যা তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: তুমি এ থেকে যা জানো, আমিও তা ছাড়া অন্য কিছু জানি না।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٨٣)
23 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، قَالا: ⦗ص: 84⦘ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أبي بشر، عن سعيد -هو ابْنُ جُبَيْرٍ-، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (إِذَا رَأَيْتَ سَهْمَكَ فِيهِ، لَمْ تَرَ فِيهِ أَثَرَ غَيْرِهِ، وَعَلِمْتَ أَنَّهُ قتله فكل)).
২৩ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল আ'লা এবং ইসমাঈল বিন মাসউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৮৪⦘ খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ—যিনি ইবনে জুবায়ের—থেকে, তিনি আদি বিন হাতিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (যখন তুমি তোমার তীরটি তার (শিকারের) দেহে দেখতে পাও এবং তাতে অন্য কোনো কিছুর চিহ্ন না পাও, আর তুমি নিশ্চিত হও যে সেটিই তাকে হত্যা করেছে, তবে তা ভক্ষণ করো)।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٨٤)
24 - أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى رضي الله عنه، ⦗ص: 85⦘ قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((لا يَسْمَعُ بِي مِنْ أُمَّتِي يَهُودِيٌّ أَوْ نَصْرَانِيٌّ ثُمَّ لا يُؤْمِنُ بِي إِلا دَخَلَ النار)).
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসর ইবনে আলী ইবনে নাসর এবং মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আ'লা, খালিদ হতে, তিনি শু'বাহ হতে, তিনি আবু বিশর হতে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে, তিনি আবু মুসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৮৫⦘ তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((আমার এই উম্মতের কোনো ইহুদি বা নাসরানি যদি আমার কথা শোনে, এরপর সে আমার প্রতি ঈমান না আনে, তবে সে অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে))।
(খণ্ড: ১) আল ইগরাব লিন নাসায়ী (পৃষ্ঠা: ٨٥)
25 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ فِي حَدِيثِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ ⦗ص: 86⦘ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ، وَمَاؤُهَا شفاءٌ لِلْعَيْنِ، وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهِيَ شفاءٌ مِنَ السُّمِّ)).
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে বাশশার তাঁর বর্ণিত হাদিসে মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবু বিশর থেকে, শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, ⦗পৃ: ৮৬⦘ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: ((কামআহ মান্ন-এর অন্তর্ভুক্ত এবং এর নির্যাস চোখের আরোগ্য, আর আজওয়া জান্নাতের অন্তর্ভুক্ত এবং তা বিষের আরোগ্য।))