(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: -)
الجامع - ابن وهب - ت رفعت فوزي   (ابن وهب)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجامع

المؤلف: عبد الله بن وهب المصري (125 - 197 هـ)

حققه وخرج أحاديثه وعلق عليه: الدكتور رفعت فوزي عبد المطلب - الدكتور علي عبد الباسط مزيد

الناشر: دار الوفاء

الطبعة: الأولى 1425 هـ - 2005 م

عدد الأجزاء: 1

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تمت مقابلة الكتاب، وقوبل أيضا على طبعة مكتبة العلوم والحكم في مجلدين بتحقيق الدكتور محمد الأمين الحسين الشنقيطي وأثبت ترقيم الأحاديث فيها بين []، وعند الاختلاف بين الطبعتين تم الرجوع للمخطوط، وذلك إلى الحديث (467) حيث انتهت المخطوطة الموجودة عندي

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-জামি' - ইবন ওয়াহাব - তাহকীক: রিফআত ফাওজি   (ইবন ওয়াহাব)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-জামি'

লেখক: আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব আল-মিসরি (১২৫ - ১৯৭ হিজরি)

তাহকীক, হাদিসের তাখরীজ ও টীকা প্রদান করেছেন: ডক্টর রিফআত ফাওজি আবদুল মুত্তালিব - ডক্টর আলী আবদুল বাসিত মজিদ

প্রকাশক: দারুল ওয়াফা

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগী আল-খাইর আকবিল

কিতাবটি মূল পাঠের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম থেকে প্রকাশিত ডক্টর মুহাম্মদ আল-আমিন আল-হুসাইন আল-শানকিতির তাহকীককৃত দুই খণ্ডের সংস্করণের সাথেও তুলনা করা হয়েছে। উক্ত সংস্করণের হাদিস নম্বরগুলো ব্র্যাকেটের [] মাঝে রাখা হয়েছে। দুই সংস্করণের মধ্যে পার্থক্যের ক্ষেত্রে পাণ্ডুলিপির সহায়তা নেওয়া হয়েছে, আর তা হাদিস নম্বর (৪৬৭) পর্যন্ত; যেখানে আমার নিকট থাকা পাণ্ডুলিপিটি শেষ হয়েছে।

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٤)
الجامع لابن وهب

في الأحكام

 

للإمام الحافظ عبد الله بن وهب المصري

125 - 197 هـ

 

حققه وخرج أحاديثه وعلق عليه

الدكتور رفعت فوزي عبد المطلب

الدكتور علي عبد الباسط مزيد

 

دار الوفاء

 

الطبعة الأولى

1425 هـ - 2005 م

--------------------------------------------

[قوبلت أيضا على طبعة مكتبة العلوم والحكم في مجلدين بتحقيق الدكتور محمد الأمين الحسين الشنقيطي وأثبت ترقيم الأحاديث فيها بين []، وعند الاختلاف بين الطبعتين تم الرجوع للمخطوط، وذلك إلى الحديث (467) حيث انتهت المخطوطة الموجودة عندي]
ইবন ওয়াহাব সংকলিত আল-জামে

বিধানাবলি প্রসঙ্গে

 

ইমাম আল-হাফিজ আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহাব আল-মিসরি রচিত

১২৫ - ১৯৭ হিজরি

 

সম্পাদনা, হাদিসগুলোর যাচাই-বাছাই ও টীকা প্রদান করেছেন

ডক্টর রিফআত ফাওজি আব্দুল মুত্তালিব

ডক্টর আলি আব্দুল বাসিত মাজিদ

 

দারুল ওয়াফা

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৫ হিজরি - ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ

--------------------------------------------

[মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম থেকে দুই খণ্ডে প্রকাশিত ডক্টর মুহাম্মদ আল-আমিন আল-হুসাইন আশ-শানকিতি সম্পাদিত সংস্করণের সাথেও এটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং তাতে থাকা হাদিস নম্বরগুলো [] এর ভেতরে রাখা হয়েছে। যখন উভয় সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য দেখা গিয়েছে তখন মূল পাণ্ডুলিপি যাচাই করা হয়েছে, এটি ৪৬৭ নম্বর হাদিস পর্যন্ত করা হয়েছে যেখানে আমার কাছে থাকা পাণ্ডুলিপিটি সমাপ্ত হয়েছে।]
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢١)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم

1 - أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني يحيى بن أيوب، عن أبي صخر المدني، عن أبي معاوية البجلى، عن أبي الصهباء البكري قال: قام ابن الكواء إلى علي بن أبي طالب رضي الله عنه وهو على المنبر، فقال:

إني وطئت على دجاجة ميتة، فخرجت منها بيضة، آكلها؟ قال علي: لا. قال: فإني استحضنتها(1) تحت دجاجة، فخرج منها فرخ، آكله؟ قال: نعم. قال: كيف؟ قال: لأنه حي خرج من ميت.

--------------------------------------------

(1) [[من طبعة الشنقيطي، وفي المطبوع: أشخصتها]]
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

১ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওয়াহাব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব আবু সাখর আল-মাদানি থেকে আমাকে জানিয়েছেন, তিনি আবু মুয়াবিয়া আল-বাজালি থেকে, তিনি আবুস সাহবা আল-বাকরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনুল কাওয়া আলী ইবন আবু তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর দিকে এগিয়ে গেলেন যখন তিনি মিম্বরের ওপর ছিলেন, এরপর তিনি বললেন:

আমি একটি মৃত মুরগির ওপর পা দিয়েছিলাম, ফলে তা থেকে একটি ডিম বের হয়েছে; আমি কি তা খেতে পারব? আলী বললেন: না। তিনি বললেন: আমি যদি সেটি অন্য একটি মুরগির নিচে তা দিতে দিই, এবং তা থেকে একটি বাচ্চা বের হয়, তবে কি আমি তা খেতে পারব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কীভাবে? তিনি বললেন: কারণ এটি একটি জীবিত সত্তা যা মৃত থেকে নির্গত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) [[শানকিতী সংস্করণ থেকে; এবং মুদ্রিত সংস্করণে রয়েছে: আমি একে দৃশ্যমান করেছি/তুলে ধরেছি]]
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢١)
2- أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني أسامة بن زيد، عن عمرو بن ⦗ص: 22⦘ شعيب، عن أبيه، عن جده قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول عام الفتح - وهو بمكة:

((إن الله ورسوله حرم بيع الخمر والميتة والخنزير والأصنام)) .

فقيل له عند ذلك: يا رسول الله، أرأيت شحوم الميتة، فإنه يدهن به السقاء والجلود، ويستصبح به الناس؟

قال: ((لا، هي حرام)) ثم قال عند ذلك: ((قاتل الله يهوداً؛ إن الله لما حرم عليهم شحومها أجملوه، ثم باعوه، فأكلوا ثمنه)) .
২- মুহাম্মদ আমাদের অবহিত করেছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের বলেছেন: উসামা ইবনে যায়েদ আমাকে আমর ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কা বিজয়ের বছর—যখন তিনি মক্কায় ছিলেন—বলতে শুনেছি:

“নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর রাসূল মদ, মৃত প্রাণী, শূকর এবং মূর্তি বিক্রয় করা হারাম করেছেন।”

তখন তাঁকে বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! মৃত প্রাণীর চর্বি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? কারণ তা দিয়ে মশক ও চামড়ায় প্রলেপ দেওয়া হয় এবং মানুষ তা দিয়ে প্রদীপ জ্বালায়।

তিনি বললেন: “না, তা হারাম।” অতঃপর তিনি সেই সময় বললেন: “আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন; নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন তাদের ওপর সেগুলোর চর্বি হারাম করলেন, তখন তারা তা গলিয়ে ফেলল, তারপর তা বিক্রয় করল এবং তার মূল্য ভক্ষণ করল।”
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٢)
3- أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني يزيد بن عياض، عن عطاء بن ⦗ص: 23⦘ أبي رباح، عن جابر بن عبد الله قال: لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة أتاه أصحاب الصليب الذين كانوا يجمعون الودك بمنى.

فقالوا: إنا نجمع هذه الأوداك من الميتة وغيرها، فإنما هي للسفن والأديم؟

قال: ((قاتل الله يهوداً، حرم عليهم شحومها، ثم باعوها فأكلوا أثمانها)) . فنهاهم عن ذلك.
৩- মুহাম্মদ আমাদের জানিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ ইবনে আইয়াজ আমাকে আতা ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ আবি রাবাহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় আসলেন, তখন ক্রুশধারীরা (খ্রিস্টানরা) তাঁর কাছে আসল যারা মিনায় চর্বি সংগ্রহ করত।

তারা বলল: "আমরা মৃত প্রাণী এবং অন্যান্য উৎস থেকে এই চর্বিগুলো সংগ্রহ করি, এগুলো তো কেবল জাহাজ এবং চামড়ার কাজের জন্য?"

তিনি বললেন: "আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন; তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বিক্রি করল এবং তার মূল্য ভক্ষণ করল।" এরপর তিনি তাদের তা করতে নিষেধ করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٣)
4- أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: حدثني زمعة بن صالح المكي عن أبي ⦗ص: 24⦘ الزبير المكي، عن جابر بن عبد الله قال:

بينا أنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه ناس، فقالوا: يا رسول الله، إن سفينة لنا انكسرت، وإنا وجدنا ناقة سمينة ميتة، فأردنا أن ندهن بها سفينتنا، وإنما هي عود هي على الماء.

فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لا تنتفعوا بشيء من الميتة، ولا تنتفعوا بالميتة)) .
৪- মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়ে বলেছেন: যামআ ইবন সালিহ আল-মাক্কি আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ যুবায়র আল-মাক্কি হতে, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন কিছু লোক তাঁর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের একটি নৌকা ভেঙে গেছে এবং আমরা একটি হৃষ্টপুষ্ট মৃত উট পেয়েছি। আমরা এর (চর্বি) দ্বারা আমাদের নৌকাটিতে প্রলেপ দিতে চেয়েছি, যেহেতু এটি পানির ওপর ভাসমান একটি কাঠ মাত্র।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ((তোমরা মৃত প্রাণীর কোনো কিছু থেকেই কোনো প্রকার উপকার গ্রহণ করো না এবং মৃত প্রাণী ব্যবহার করো না))।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٤)
5- أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عبد الله بن عمر، ومالك بن أنس، وسفيان بن سعيد الثوري؛ أن حميداً الطويل حدثهم عن أنس بن مالك قال: ⦗ص: 25⦘ حجم أبو طيبة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأعطاه صاعين أو صاعاً من تمر، وأمر أهله أن يخففوا عنه من خراجه.
৫- মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর, মালিক ইবনে আনাস এবং সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হুমাইদ আত-তবিল তাঁদের নিকট আনাস ইবনে মালিক (রা.) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ আবু তাইবা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে শিঙা লাগিয়েছিলেন (হিজামা করেছিলেন), ফলে তিনি তাঁকে এক সা’ অথবা দুই সা’ খেজুর প্রদান করলেন এবং তাঁর (আবু তাইবার) মালিকদের নির্দেশ দিলেন যেন তারা তাঁর ওপর ধার্যকৃত করের বোঝা লাঘব করে দেয়।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٥)
6- أخبرنا محمد أنا ابن وهب قال: أخبرني عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبيه، أن عمرو بن عامر الأنصاري أخبره؛ أنه مشى مع جار له حجام إلى أنس يسألانه عن كسب الحجام، فقال لهما أنس بن مالك:

قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتجم، فلم يكن يظلم الحجام أجره.
৬- মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওহাব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান বিন আবিয যিনাদ তার পিতার সূত্রে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমর ইবন আমির আল-আনসারী তাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি তাঁর এক হাজ্জাম (শিঙ্গা লাগানো) প্রতিবেশীর সাথে আনাস (রা.)-এর নিকট গিয়েছিলেন যাতে তাঁরা উভয়ে তাঁকে হাজ্জামের উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। তখন আনাস ইবন মালিক (রা.) তাদের বললেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে শিঙ্গা লাগাতেন এবং তিনি হাজ্জামকে তার পারিশ্রমিক প্রদানে কোনো যুলুম করতেন না।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٥)
7- وقال أبو الزناد: أخبرني الثقة أن قريشاً كانت تتكرم في الجاهلية عن كسب الحجام، ولو كان حراماً لم يقل رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصاري: ((اجعله في علف ناضح اليتيم)) .
৭- এবং আবুয যিনাদ বলেন: জনৈক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, কুরাইশরা জাহেলিয়াত যুগে সিঙ্গা লাগানো ব্যক্তির উপার্জনকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট মনে করত; আর যদি তা হারাম হতো তবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই আনসারি ব্যক্তিকে বলতেন না: “তুমি এটি এতিমের পানি বহনকারী পশুর খাদ্যে ব্যয় করো।”
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٦)
8-[7] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني يحيى بن أيوب، عن المثنى ابن الصباح، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم احتجم وأعطى الحجام أجره.
৮-[৭] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওয়াহব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আল-মুসান্না ইবন আস-সাব্বাহ থেকে, তিনি আমর ইবন শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিঙা লাগিয়েছিলেন এবং সিঙা প্রদানকারীকে তাঁর পারিশ্রমিক প্রদান করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٦)
9-[8] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني مسلم بن خالد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة قال:

نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن كسب الأمة إلا أن يكون لها عمل واصب أو كسب يعرف وجهه.
৯-[৮] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুসলিম বিন খালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আলা বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাসীর উপার্জন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন, যদি না তার কোনো নির্দিষ্ট শ্রমসাধ্য কাজ থাকে অথবা এমন কোনো উপার্জন হয় যার উৎস সুপরিচিত।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٧)
10-[9] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: حدثني(1) عمر بن قيس، عن عطاء بن أبي رباح، عن أبي هريرة قال:

ثمن الكلب غير الصائد سحت.

--------------------------------------------

(1) [[من المخطوط وطبعة الشنقيطي، وفي المطبوع: أخبرني]]
১০-[৯] মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে কায়স আমার কাছে বর্ণনা করেছেন(১), আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

শিকারি কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুরের বিক্রয়মূল্য হারাম উপার্জিত সম্পদ।

--------------------------------------------

(১) [[পাণ্ডুলিপি এবং শিনকিতি সংস্করণ থেকে গৃহীত; আর মুদ্রিত সংস্করণে রয়েছে: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন]]
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٧)
11-[10] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني مالك بن أنس، ويونس بن يزيد، والليث بن سعد؛ أن ابن شهاب حدثهم، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أن أبا مسعود عقبة بن عمرو حدثهم؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهاهم عن ثمن الكلب، ومهر البغي، وحلوان الكاهن.

إلا أن يونس قال في الحديث: ((ثلاثة هن سحت)) .
১১-[১০] মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব বলেছেন: মালিক ইবনে আনাস, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ এবং লায়স ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; ইবনে শিহাব তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আবদুর রহমান থেকে, আবু মাসউদ উকবাহ ইবনে আমর তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে; আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং গণকের উপঢৌকন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।

তবে ইউনুস হাদীসে বলেছেন: ((তিনটি বস্তু হলো অবৈধ উপার্জন))।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
12-[11] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عبد الرحمن بن سلمان، عن عقيل بن خالد، عن ابن شهاب، عن أبي بكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال:

((ثلاث هن سحت: حلوان الكاهن، ومهر البغي، وثمن الكلب العقور)) .
১২-[১১] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান বিন সালমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উকাইল বিন খালিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু বকর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

((তিনটি বস্তু হারাম বা অবৈধ উপার্জন: গণকের পারিশ্রমিক, ব্যভিচারিণীর বিনিময় এবং আক্রমণকারী কুকুরের মূল্য)) ।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
13-[12] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب، ثنا شمر بن نمير، عن ابن ضميرة -وهو حسين بن عبد الله0 عن أبيه، عن جده، عن علي بن أبي طالب؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب العقور.
১৩-[১২] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শাম্মার বিন নুমায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে দামিরা থেকে—আর তিনি হলেন হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ—তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন যে; নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিংস্র কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
14-[13] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني معروف بن سويد الجذامي، أن ⦗ص: 29⦘ علي بن رباح اللخمي حدثهم؛ أنه سمع أبا هريرة يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

((لا يحل ثمن الكلب ولا حلوان الكاهن، ولا مهر البغي)) .
১৪-[১৩] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মা’রুফ ইবনে সুওয়াইদ আল-জুযামী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ আলী ইবনে রাবাহ আল-লাখমী তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((কুকুরের মূল্য, গণকের পারিশ্রমিক এবং ব্যভিচারিণীর উপার্জন হালাল নয়।))
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌من كتاب الأشربة

15-[14] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عبد الجبار بن عمر؛ أن محمد بن المنكدر حدثه، عن جابر بن عبد الله؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الخليطين أن يشربا. فقلنا: وما الخليطان يا رسول الله؟ قال: ((التمر والزبيب، وكل مسكر حرام)) .
পানীয় অধ্যায় থেকে

১৫-[১৪] মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের বলেছেন যে, আব্দুল জব্বার বিন উমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই প্রকারের মিশ্রিত পানীয় পান করতে নিষেধ করেছেন। আমরা আরজ করলাম: হে আল্লাহর রাসূল! মিশ্রিত পানীয় দুটি কী? তিনি বললেন: ((খেজুর ও কিশমিশ, আর প্রতিটি নেশাদ্রব্যই হারাম))।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
16-[15] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب، قال عبد الجبار: وحدثني إسحاق بن عبد الله؛ أن محمد بن يوسف حدثه؛ أن أم مغيث حدثته؛ أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك.
১৬-[১৫] মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের জানিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, আবদুল জাব্বার বলেন: ইসহাক বিন আবদুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন; উম্মে মুগীস তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা বলতে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٠)
17-[16] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عمرو بن الحارث؛ أن بكير بن عبد الله حدثه؛ أن عبد الرحمن بن الحارث السلمي حدثه، عن أبي قتادة الأنصاري، أنه قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينبذ التمر والزبيب جميعاً.
১৭-[১৬] আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস; যে তাকে বর্ণনা করেছেন বুকাইর ইবন আবদুল্লাহ; তাকে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনুল হারিস আস-সুলামী, আবু কাতাদা আল-আনসারী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর এবং কিশমিশ একত্রে ভিজিয়ে (নাবীজ তৈরি করতে) নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣١)
18-[17] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عمرو بن الحارث والليث بن سعد، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن ينبذ التمر والزبيب جميعاً، ونهى أن ينبذ التمر والرطب جميعاً.
১৮-[১৭] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমর ইবনুল হারিস এবং লাইস ইবন সাদ সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুবায়র থেকে, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে; নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুকনো খেজুর ও কিশমিশ একত্রে ভিজিয়ে রাখতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি শুকনো খেজুর ও তাজা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতেও নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣١)
19-[18] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: وحدثني الليث بن سعد وجرير بن حازم، أن عطاء بن أبي رباح حدثهما، عن جابر بن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله.
১৯-[১৮] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: এবং আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-লাইস বিন সাদ ও জারির বিন হাজিম, যে আতা বিন আবি রাবাহ তাঁদের উভয়ের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣١)
20-[19] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: وحدثني مالك بن أنس، عن زيد ⦗ص: 32⦘ ابن أسلم، عن عطاء بن يسار؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ذلك.
২০-[১৯] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: এবং আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, যায়েদ ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে; নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা থেকে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٢)
21-[20] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عبد الرحمن بن سلمان عن عقيل بن خالد، عن معبد بن كعب بن مالك، عن أخيه عبد الله بن كعب بن مالك، عن امرأة؛ أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

((لا تنتبذوا التمر والزبيب جميعاً، انبذوا كل واحد منهما وحده)) .
২১-[২০] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন সালমান আমাকে উকাইল বিন খালিদ থেকে অবহিত করেছেন, তিনি মাবাদ বিন কাব বিন মালিক থেকে, তিনি তার ভাই আব্দুল্লাহ বিন কাব বিন মালিক থেকে, তিনি জনৈক মহিলা থেকে বর্ণনা করেন যে; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:

“তোমরা খেজুর ও কিশমিশ একত্রে মিশিয়ে নাবিয তৈরি করো না, বরং এগুলোর প্রত্যেকটিকে পৃথকভাবে ভিজিয়ে রাখো।”
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٢)
22-[21] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني عمرو بن الحارث، أن قتادة ابن دعامة حدثه؛ أنه سمع أنس بن مالك يقول:

⦗ص: 33⦘

إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يخلط التمر والزهو، ثم يشرب وأن ذلك كان عامة خمورهم يوم حرمت الخمر.
২২-[২১] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন ওয়াহব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, কাতাদাহ ইবন দিআমাহ তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন; তিনি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছেন:

⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘

নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুকনো খেজুর ও আধপাকা খেজুর মিশ্রিত করতে এবং এরপর তা পান করতে নিষেধ করেছেন। আর যেদিন মদ হারাম করা হয়েছিল, সেদিন এটিই ছিল তাদের সাধারণ মদ্য।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٣)
23-[22] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: وأخبرني جرير بن حازم، عن أبان ابن أبي عياش؛ أن أنس بن مالك كان يقطع الرطب من البسر لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يخلط بين البسر والتمر والزبيب والتمر.
২৩-[২২] মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জারীর ইবনে হাযিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস ইবনে মালিক আধপাকা খেজুর থেকে পাকা খেজুর আলাদা করতেন; কেননা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আধপাকা খেজুর ও শুকনো খেজুর এবং কিশমিশ ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশ্রিত করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٣)
24-[23] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني الخليل بن مرة، عن أبان ⦗ص: 34⦘ ابن أبي عياش قال:

رأيت جواري أنس بن مالك يضعن البسر في المكاتل، ويأخذن السكاكين، ويتتبعن كل شيء أرطب منه، فيقطعنه حتى يقطعن مثل الشامة ومثل القمع، مما أرطب كراهية أن تكون بسراً وتمراً، فيكون فضيخاً.

قال أبان: وقال أنس بن مالك: هكذا كنا ننبذ على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم.
২৪-[২৩] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল ওয়াহাব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-খালিল ইবনে মুররাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবান ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ ইবনে আবি আইয়াশ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমি আনাস ইবনে মালিকের দাসীদের দেখেছি যে, তারা বড় ঝুড়িতে আধাপাকা খেজুর রাখত এবং ছুরি নিয়ে সেগুলো থেকে প্রতিটি পাকা অংশ খুঁজে বের করত। তারা সেগুলো কেটে ফেলত, এমনকি তিল বা বোঁটার মতো ছোট অংশও কেটে আলাদা করে ফেলত যা পাকতে শুরু করেছিল। তারা আধাপাকা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশ্রিত হওয়া অপছন্দ করত, যাতে তা ফাযীখ (মিশ্রিত পানীয়) না হয়ে যায়।

আবান বলেন: এবং আনাস ইবনে মালিক বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমরা এভাবেই নবীয তৈরি করতাম।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٤)
25-[24] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: حدثني عبد الجبار بن عمر؛ أن محمد بن المنكدر حدثه، عن جابر بن عبد الله؛ أنه قال: قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال:

((لا تشربوا في المزفت والنقير والحنتم والدباء، واشربوا وكل مسكر حرام)) .
২৫-[২৪] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের জানিয়েছেন যে, আব্দুল জাব্বার ইবনে উমর তাকে হাদিস শুনিয়েছেন; মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির তার নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন:

((তোমরা মুজাফফাত, নাকীর, হানতাম এবং দুব্বা নামক পাত্রে পান করো না; তোমরা পান করো, তবে প্রতিটি মাদকদ্রব্যই হারাম।))
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٥)
26-[25] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني ابن جريج، عن أيوب بن هانئ، عن مسروق الأجدع، عن عبد الله بن مسعود؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:

((إني كنت نهيتكم عن نبيذ الأوعية، ألا إن وعاء لا يحرم شيئاً، وكل مسكر حرام)) .
২৬-[২৫] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে জুরাইজ, আইয়ুব বিন হানি থেকে, তিনি মাসরূক আল-আজদা' থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে; রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((আমি তোমাদের নির্দিষ্ট কিছু পাত্রে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম; জেনে রেখো, কোনো পাত্র কোনো কিছুকে হারাম করে না, বরং প্রতিটি নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম।))।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٥)
27-[26] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني ابن لهيعة، أن عبد الرحمن بن ميمون حدثه؛ أنه سمع الحكم بن عتيبة يحدثه بمكة؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في حجة الوداع فقال:

((ألا إني كنت نهيتكم أن تنبذوا في الحنتم والدباء والنقير فانتبذوا، وكل مسكر حرام)) .

قال عبد الرحمن بن ميمون: فاستحييت أن أسأله عمن يحدثه، فسألت بعض جلسائه فأخبرني أنه يحدث عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن معاذ.
২৭-[২৬] মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে লাহিয়া আমাকে অবহিত করেছেন যে, আবদুর রহমান ইবনে মাইমুন তার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি মক্কায় হাকাম ইবনে উতাইবাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে; আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হজ্জের সময় দাঁড়িয়ে বললেন:

((সাবধান! আমি তোমাদেরকে সবুজ মাটির পাত্র, কদু বা লাউয়ের খোসা এবং খেজুর গাছের গুঁড়ি খুঁড়ে তৈরি পাত্রে নাবিজ (পানীয়) তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা (তাতে) নাবিজ তৈরি করতে পারো, আর প্রতিটি নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম।))

আবদুর রহমান ইবনে মাইমুন বলেন: তিনি (হাকাম ইবনে উতাইবা) কার থেকে এটি বর্ণনা করছেন তা জিজ্ঞাসা করতে আমি লজ্জা বোধ করলাম, তাই আমি তার মজলিসে বসা কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করলাম। তারা আমাকে জানালেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে এবং তিনি মুয়াজ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করছেন।
(খণ্ড: ১) আল-জামি - ইবনে ওয়াহাব - তাহকিক রিফাত ফাওযি (পৃষ্ঠা: ٣٦)
28-[27] أخبرنا محمد، أنا ابن وهب قال: أخبرني الحارث بن نبهان، عن حنظلة، عن أنس بن مالك قال:

نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نبيذ الجر، ثم قال: ((انتبذوا فيما شئتم؛ فإن الآنية لا تحل شيئاً ولا تحرمه)) .
২৮-[২৭] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-হারিস বিন নাবহান, হানজালা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির জারের নবীয থেকে নিষেধ করেছেন, অতঃপর তিনি বললেন: "তোমরা যা ইচ্ছা তাতে নবীয তৈরি করো; কারণ পাত্র কোনো কিছুকে হালাল বা হারাম করে না।"।