(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة أبي المنجى ابن اللتي   (ابن اللتي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مشيخة أبي المنجى ابن اللتي

المؤلف: أَبُو المُنَجَّى عَبْدُ اللهِ بنُ عُمَرَ بنِ عَلِيِّ بنِ زَيْدٍ، ابنُ اللَّتِّيِّ البَغْدَادِيُّ، الحَرِيْمِيُّ، الطَّاهِرِيُّ، القَزَّاز (ت 635هـ)

المحقق: عامر حسن صبري

الناشر: مؤسسة الريان [طبع ضمن مجموع فيه ثلاث من كتب المشيخات الحديثية]

الطبعة: الأولى 1425 هـ - 2004 م

عدد الصفحات: 524

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-মুনাজ্জা ইবনুল লাত্তি-এর মাশইয়াখাহ   (ইবনুল লাত্তি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আল-মুনাজ্জা ইবনুল লাত্তি-এর মাশইয়াখাহ

লেখক: আবু আল-মুনাজ্জা আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলী বিন যাইদ, ইবনুল লাত্তি আল-বাগদাদী, আল-হারিমী, আত-তাহিরী, আল-কাযযায (মৃত্যু ৬৩৫ হিজরী)

সম্পাদক: আমির হাসান সাবরী

প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রায়য়ান [হাদিসের মাশইয়াখাহ সংক্রান্ত তিনটি গ্রন্থের একটি সংকলনের মধ্যে এটি মুদ্রিত হয়েছে]

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৫ হিজরী - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫২৪

[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: -)
سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية (26 - 27 - 28)

 

مجموع فيه

ثلاث من كتب المشيخات الحديثية

 

مشيخة الإمام الزاهد شهاب الدين أبي حفص عمر بن محمد السهروردي

المتوفى سنة (632 هـ)

 

المشيخة البغدادية للإمام رشيد الدين أبي العباس أحمد بن المفرج ابن مسلمة الأموي

المتوفى سنة (650 هـ)

 

-[مشيخة أبي المنجى عبد الله بن عمر ابن اللتي البغدادي]-

المتوفى سنة (635 هـ)

 

حققها وقدم لها

الدكتور عامر حسن صبري

 

مؤسسة الريان

الطبعة الأولى

1425 هـ - 2004 م
হাদিস গ্রন্থ ও অংশসমূহের ধারাবাহিক (২৬ - ২৭ - ২৮)

 

এতে সংকলিত হয়েছে

হাদিস শাস্ত্রের মাশয়াখাত বিষয়ক তিনটি গ্রন্থ

 

ইমাম যাহেদ শিহাবুদ্দীন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ আস-সুহরাওয়ার্দীর মাশয়াখাত

মৃত্যু (৬৩২ হিজরি)

 

ইমাম রশীদুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল মুফাররাজ ইবনে মুসলিমাহ আল-উমাবীর আল-মাশয়াখাত আল-বাগদাদিয়্যাহ

মৃত্যু (৬৫০ হিজরি)

 

-[আবু আল-মুনজা আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল লাত্তি আল-বাগদাদীর মাশয়াখাত]-

মৃত্যু (৬৩৫ হিজরি)

 

তাহকীক ও ভূমিকা প্রদান করেছেন

ডক্টর আমের হাসান সাবরি

 

মুআসসাসাতুর রাইয়ান

প্রথম সংস্করণ

১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٧٩)
الجزء الأول من مشيخة أبي المنجى عبد الله بن عمر ابن علي بن زيد ابن اللتي البغدادي

تخريج: الحافظ أبي عبد الله محمد بن البرزالي، رحمهما الله تعالى.

رواية: الشيخ أبي علي الحسن بن علي ابن الخلال، عن ابن اللتي.

سماع: أحمد بن مظفر بن أبي محمد ابن النابلسي، عفا الله عنه.
আবু আল-মুঞ্জা আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আলি বিন যাইদ ইবনুল লাত্তি আল-বাগদাদির মাশইয়াখাহর প্রথম অংশ

সংকলন: আল-হাফিজ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-বিরজালি, আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন।

বর্ণনা: আশ-শায়খ আবু আলি আল-হাসান বিন আলি ইবনুল খাল্লাল, ইবনুল লাত্তি থেকে।

শ্রবণ: আহমাদ বিন মুজাফফর বিন আবি মুহাম্মদ ইবনুন নাবুলসি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨١)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، اللَّهُمَّ يَسِّرْ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الأَصِيلُ الْمُسْنِدُ بَدْرُ الدِّينِ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي بَكْرِ بن يوسف بن يونس ابن الْخَلالِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، فِي يَوْمِ الأَرْبَعَاءِ، خَامِسَ عشر ربيع الآخر، سنة اثنتين وتسعين وستمائة، بِدِمَشْقَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو الْمُنَجَّى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ اللَّتِّيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، فِي أَوَائِلِ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَثَلاثِينَ وستمائة.
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ, সহজ করে দিন।

মহান, সম্ভ্রান্ত ও মুসনিদ শাইখ বদরুদ্দীন আবু আলী হাসান ইবনে আলী ইবনে আবু বকর ইবনে ইউসুফ ইবনে ইউনুস ইবনুল খাল্লাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমি তাঁর সম্মুখে পাঠ করেছি বুধবার দিন, পনেরই রবিউস সানি, ছয়শ বিরানব্বই হিজরি সনে, দামেস্কে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল মুনজ্জা আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে যায়েদ ইবনুল লাত্তি, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আর আপনি তা শুনছিলেন দামেস্কে, ছয়শ চৌত্রিশ হিজরি সনের মুহাররম মাসের শুরুর দিকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٢)
[الشَّيْخُ الأَوَّلُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ، بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّجْزِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، بِمَدِينَةِ السَّلامِ بَغْدَادَ، حَرَسَهَا اللَّهُ تَعَالَى، في شعبان سنة ثلاث وخمسين وخمسمائة، قَالَ: حَدَّثَتْنَا أُمُّ الْفَضْل وَأُمُّ [عزى] بِنْتُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرْثَمِيَّةُِ، قراءةً عليها وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وستين وأربعمائة، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو محمدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَخْلَدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ ثابتٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ بِبَغْدَادَ، سنة سبع عشرة وثلاثمائة، وَفِيهَا تُوُفِّيَ رحمه الله، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ زُهَيْرُ بْنُ حربٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَنَس بنِ مالكٍ قَالَ:
[প্রথম শাইখ]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুআইব ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-সিজজি, তিনি আমাদের নিকট আগমন করেছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, শান্তির শহর বাগদাদে—আল্লাহ তায়ালা একে হিফাজত করুন—পাঁচশ তিপ্পান্ন হিজরির শাবান মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উম্মুল ফজল এবং উম্মু [উজ্জা] বিনতে আবদুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-হারসামিয়্যাহ, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, চারশ ঊনসত্তর হিজরির জিলকদ মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মাখলাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুগিরা ইবনে সাবিত আল-আনসারি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি বাগদাদে, তিনশ সতেরো হিজরি সনে, আর এই বছরই তিনি ইন্তেকাল করেছেন—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা জুহাইর ইবনে হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন রাওহ ইবনুল কাসিম, আতা ইবনে আবি মায়মুনা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٣)
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَبَرَّزُ لِحَاجَتِهِ، فَآتِيهِ بماءٍ، فَيَغْتَسِلُ بِهِ.

أَخْرَجَهُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ، فِي الطَّهَارَةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حربٍ، وَأَبِي كريبٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلاءِ الْهَمْدَانِيِّ، كِلَيْهِمَا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ -أَبُوهُ، وَعَلَيْهِ أُمُّهُ، عَلَى اختلافٍ فِيهَا- عَنْ روحٍ، كَمَا أَخْرَجْنَاهُ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، فِي الطَّهَارَةِ أَيْضًا مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ كَثِيرِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَفْلَحَ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ مُزَاحِمٍ أَبِي يُوسُفَ الْعَبْدِيِّ النُّكْرِيِّ الدَّوْرَقِيِّ، أَخِي أَحْمَدَ الْبَغْدَادِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ روحٍ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا.

شَيْخُنَا هَذَا كَانَ أَسْنَدَ أَهْلِ زَمَانِهِ، لِعَدَمِ مُشَارَكَةِ أحدٍ لَهُ مِنْ أَقْرَانِهِ، أَوْ ذَوِي أَسْنَانِهِ، مَعَ وَرَعِهِ، وَصَمْتِهِ، وَكَفِّ لِسَانِهِ، سَمِعَ وَهُوَ صغيرٌ مِنْ جماعةٍ، بِإِفَادَةِ أَبِيهِ، وَهُمْ: أَبُو عَاصِمٍ الْفُضَيْلُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْفُضَيْلِ الْفُضَيْلِيُّ، وَأَبُو صَاعِدٍ يَعْلَى بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْفُضَيْلِيُّ، وَأَبُو منصورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَفِيفٍ الْبُوشَنْجِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِكلار، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রয়োজনে (শৌচকার্যের জন্য) বের হতেন, তখন আমি তাঁর কাছে পানি নিয়ে আসতাম এবং তিনি তা দিয়ে ধৌত করতেন।

এটি আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আল-কুশায়রি তাঁর সহীহ্ গ্রন্থের পবিত্রতা অধ্যায়ে জুহাইর বিন হারব এবং আবু কুরাইব মুহাম্মদ বিন আল-আলা আল-হামদানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই ইসমাইল বিন ইব্রাহিম থেকে—যিনি তাঁর পিতা, এবং যাঁর বর্ণনায় তাঁর মাতা সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে—রূহ থেকে বর্ণনা করেছেন, যেভাবে আমরা এটি বর্ণনা করেছি; ফলে এটি আমাদের নিকট 'মুওয়াফাকাহ' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারিও এটি তাঁর সহীহ্ গ্রন্থের পবিত্রতা অধ্যায়ে ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন কাসীর বিন যাইদ বিন আফলাহ বিন মনসুর বিন মুজাহিম আবু ইউসুফ আল-আবদি আল-নুকরি আদ-দাওরাকি—যিনি আহমদ আল-বাগদাদির ভাই—তাঁর থেকে, তিনি ইসমাইল বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি রূহ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের নিকট 'বাদাল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

আমাদের এই শায়খ তাঁর সময়ের সবচেয়ে উচ্চ সনদধারী ব্যক্তি ছিলেন, কারণ তাঁর সমসাময়িক বা সমবয়সীদের কেউ এই ক্ষেত্রে তাঁর সমকক্ষ ছিলেন না। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন মুত্তাকী, স্বল্পভাষী এবং জিহ্বা সংযতকারী। তিনি শৈশবে তাঁর পিতার তত্ত্বাবধানে একদল মনীষীর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন, তাঁরা হলেন: আবু আসিম আল-ফুদাইল বিন ইয়াহইয়া বিন আল-ফুদাইল আল-ফুদাইলি, আবু সাঈদ ইয়া'লা বিন হিবাতুল্লাহ আল-ফুদাইলি এবং আবু মনসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আফিফ আল-বুশাঞ্জি, যিনি 'কালার' নামে পরিচিত এবং আবু আব্দুল্লাহ...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٤)
مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْفَارِسِيُّ -وَهُمْ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شُرَيْحٍ، وَابْنُ أَبِي شُرَيْحٍ مِنْ أَصْحَابِ أَبِي الْقَاسِمِ الْبَغَوِيِّ، وَأَبِي محمدٍ يَحْيَى بْنِ صَاعِدٍ- وَسَمِعَ أَبَا الْحَسَنِ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ داوود الدَّاوُدِيَّ، وَأَبَا بكرٍ أَحْمَدَ بْنَ أَبِي نصرٍ الْكوفَانِيَّ الصُّوفِيَّ، الْمَعْرُوفَ بِكَاكُو، وَأَبَا الْقَاسِمِ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْعَاصِمِيَّ، وَأَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبَّاسٍ الْفَضْلُوِيِّيَّ، وَأَبَا عَطَاءٍ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي عَاصِمٍ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيَّ، وَأَبَا سعدٍ حَكِيمَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الإِسْفَرَايِينِيَّ، وَالْقَاضِيَ أَبَا عامرٍ مَحْمُودَ بْنَ الْقَاسِمِ الأَزْدِيَّ، وَأَبَا مُظَفَّرٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَطَاءٍ الْبغَاوردَانِيَّ، وَأَبَا الْفَتْحِ

মুহাম্মদ বিন আবি মাসউদ আব্দুল আজিজ আল-ফারিসি—আর তাঁরা ছিলেন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শুরাইহর সাথীদের অন্তর্ভুক্ত, আর ইবন আবি শুরাইহ ছিলেন আবুল কাসিম আল-বাগাভি ও আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন সায়িদের সাথীদের অন্তর্ভুক্ত—এবং তিনি শ্রবণ করেছেন আবুল হাসান আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফ্ফর বিন দাউদ আদ-দাউদি, আবু বকর আহমাদ বিন আবি নাসর আল-কুফানি আস-সুফি—যিনি কাকু নামে পরিচিত—আবুল কাসিম আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-আসিমী, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্বাস আল-ফাদলুয়ি, আবু আতা আব্দুর রহমান বিন আবি আসিম মুহাম্মদ আল-জাওহারি, আবু সাদ হাকিম বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ইসফারায়িনি, কাজি আবু আমির মাহমুদ বিন আল-কাসিম আল-আজদি, আবু মুজাফ্ফর আব্দুল্লাহ বিন আতা আল-বাগাওয়ারদানি এবং আবুল ফাতহ থেকে।

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٥)
نَصْرَ بْنَ أَحْمَدَ الْحَنَفِيَّ، وَأَبَا عَدْنَانَ الْقَاسِمَ بْنَ عَلِيِّ بْنِ محمدٍ الْقُرَشِيَّ، وَأَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ [الْكَلْوَذَانِيَّ]-قَدِمَ عَلَيْهِمْ مُجْتَازًا- وَأَبَاهُ عِيسَى وَأَبَا إِسْمَاعِيلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيَّ، وَخَدَمَهُ عِشْرِينَ سَنَةً، وَلَحِقَتْهُ بَرَكَتُهُ، وَبَرَكَةُ أَبِيهِ، وَتَفَرَّسَ فِيهِ شَيْخُ الإِسْلامِ أَبُو إِسْمَاعِيلَ الأَنْصَارِيُّ، وَذَلِكَ أَنَّهُ قَيَّدَ أَنَّ أَبَاهُ سَمَّاهُ مُحَمَّدًا، فَغَيَّرَ [أَبُو] إِسْمَاعِيلَ وَسَمَّاهُ عَبْدَ الأَوَّلِ، وَكَنَّاهُ أَبَا الْوَقْتِ، وَقَالَ لَهُ: الصُّوفِيُّ ابْنَ وَقْتِهِ، وَبِدُعَائِهِ وَدُعَاءِ أَبِيهِ انْتَفَعَ، وَنَفَعَ اللَّهُ بِهِ خَلْقًا كَثِيرًا، وَسَافَرَ بِنَفْسِهِ فِي صِبَاهُ إِلَى أَصْبَهَانَ وَغَيْرِهَا، وَسَمِعَ أَبَا مطيعٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَطَافَ فِي الْعِرَاقِ، وَخُوزستَانَ، وَالْبَصْرَةِ، وَبَغْدَادَ، وَسَمِعَ عَلَيْهِ بِخُرَاسَانَ عِنْدَ خُرُوجِهِ إِلَى بِلادِ الْغُزِّ، بِهَرَاةَ، وَمَالِينَ، وَبُوشَنْجَ، وَفِي خروجه
নাসর ইবনে আহমদ আল-হানাফি, আবু আদনান আল-কাসিম ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-কুরাইশি, আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ [আল-কালওয়াযানি]—যিনি সফররত অবস্থায় তাদের নিকট এসেছিলেন—এবং তাঁর পিতা ঈসা এবং আবু ইসমাইল আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি; তিনি বিশ বছর তাঁর খিদমত করেছেন এবং তাঁর ও তাঁর পিতার বরকত লাভ করেছেন। শায়খুল ইসলাম আবু ইসমাইল আল-আনসারি তাঁর ব্যাপারে বিশেষ অন্তর্দৃষ্টি পোষণ করেছিলেন; আর তা এই কারণে যে, তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে তাঁর পিতা তাঁর নাম রেখেছিলেন মুহাম্মদ, অতঃপর [আবু] ইসমাইল তা পরিবর্তন করে তাঁর নাম রাখেন আবদুল আউয়াল এবং তাঁর উপনাম দেন আবু আল-ওয়াক্ত। তিনি তাঁকে বলেছিলেন: "সুফি হলো তাঁর সময়ের সন্তান।" তাঁর এবং তাঁর পিতার দোয়ার বরকতে তিনি উপকৃত হয়েছেন এবং আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে বহু সৃষ্টিকে উপকৃত করেছেন। তিনি কৈশোরে স্বয়ং ইসফাহান ও অন্যান্য অঞ্চলে সফর করেছেন এবং আবু মুতী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আবদুল আজিজের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি ইরাক, খুজিস্তান, বসরা ও বাগদাদ পরিভ্রমণ করেছেন। খুরাসানে তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন যখন তিনি গুয অঞ্চলের অভিমুখে বের হয়েছিলেন; হেরাত, মালিন ও বুশাঞ্জে এবং তাঁর বহির্গমনের সময়...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٦)
بِكِرْمَانَ، وَيَزْدَ، وَأَصْبَهَانَ، وَالْكَرْجِ، وَبِفَارِسَ، وَهَمَذَانَ، وَبَغْدَادَ، وَقَعَدَ بَيْنَ يَدَيْهِ الْحُفَّاظُ وَالْوُزَرَاءُ وَالْكُبَرَاءُ، وَانْتُقِيَ عَلَيْهِ، كَانَ عِنْدَهُ كتبٌ كبارٌ، وَأَجْزَاءٌ صغارٌ، وَحَصَلَ لَهُ مِنَ الْعِزِّ مَا لَمْ يَحْصُلْ لِغَيْرِهِ، وَلَوْلا خَشْيَةُ التَّطْوِيلِ لَذَكَرْتُ مَنْ قَرَأَ عَلَيْهِ فِي كُلِّ بلدٍ، فَإِنَّ مَنْ سَمِعَ منه لا يحصى ولا يحضر، وَأَصْحَابُهُ انْتَشَرُوا بِالْبِلادِ وَقَدِ انْقَرَضُوا، مَوْلِدُهُ سَنَةَ ثمانٍ وخمسين وأربعمائةٍ، وَتُوُفِّيَ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَخَمْسِينَ وخمسمائة، وَانْقَطَعَ الإِسْنَادُ بِمَوْتِهِ.

وَفِيهِ يَقُولُ بَعْضُ الْمُحَدِّثِينَ:

أَتَاكُمُ الشَّيْخُ أَبُو الْوَقْتِ … بِأَحْسَنِ الأَخْبَارِ عَنْ ثَبْتِ

طَوَى إِلَيْكُمْ عِلْمَهُ نَاشِرًا … مَرَاحِلَ الأَبْرَقِ وَالْخَبْتِ

أَلْحَقَ بِالأَطْفَالِ أَطْفَالَكُمْ … وَقَدْ رَمَى الْحَاسِدَ بِالْكَبْتِ

فَمِنَّةُ الشَّيْخِ فِيمَا قَدْ رَوَى … كَمِنَّةِ الْغَيْثِ عَلَى النَّبْتِ

بَارَكَ فِيهِ اللَّهُ مِنْ حاملٍ … خُلاصَةَ الْفِقْهِ إِلَى الْمُفْتِي

انْتَهِزُوا الْفُرْصَةَ يَا سَادَتِي … وَحَصِّلُوا الإِسْنَادَ فِي الْوَقْتِ

فَإِنَّ مَنْ فَوَّتَ مَا عِنْدَهُ … يَصِيرُ ذَا الْحَسْرَةِ والمقت
কিরমান, ইয়াজদ, আস্পাহান, কারাজ, পারস্য, হামাদান এবং বাগদাদে; তাঁর সামনে হাফেজগণ, উজিরগণ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপবেশন করতেন এবং তাঁর উপস্থিতিতে হাদিস নির্বাচন করা হত। তাঁর নিকট বড় বড় কিতাব এবং ছোট ছোট পাণ্ডুলিপি ছিল। তিনি এমন মর্যাদা লাভ করেছিলেন যা অন্য কেউ পায়নি। দীর্ঘ হওয়ার ভয় না থাকলে আমি প্রতিটি শহরে তাঁর নিকট পাঠ গ্রহণকারীদের নাম উল্লেখ করতাম; কেননা তাঁর নিকট থেকে শ্রবণকারীদের সংখ্যা গণনা বা আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। তাঁর ছাত্ররা দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁরা ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর জন্ম চারশত আটান্ন হিজরিতে এবং মৃত্যু পাঁচশত তিপ্পান্ন হিজরির জিলকদ মাসে। তাঁর ইন্তেকালের মাধ্যমেই উচ্চতর সনদধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

তাঁর সম্পর্কে জনৈক মুহাদ্দিস বলেন:

শাইখ আবু আল-ওয়াক্ত তোমাদের নিকট এসেছেন … নির্ভরযোগ্যদের সূত্রে সর্বোত্তম সংবাদসমূহ নিয়ে।

তিনি তোমাদের নিকট তাঁর ইলম প্রচারের উদ্দেশ্যে … বন্ধুর ভূমি ও সমতলের পথসমূহ অতিক্রম করেছেন।

তিনি তোমাদের শিশুদের উচ্চতর সনদের মাধ্যমে পূর্ববর্তী শিশুদের সাথে যুক্ত করেছেন … আর হিংসুককে লাঞ্ছনার সাথে প্রত্যাখ্যাত করেছেন।

শাইখ যা বর্ণনা করেছেন তার অনুগ্রহ … চারাগাছের ওপর বৃষ্টির অনুগ্রহের মতো।

আল্লাহ তাঁকে এমন একজন বাহক হিসেবে বরকত দিন … যিনি মুফতির নিকট ফিকহের নির্যাস পৌঁছে দিচ্ছেন।

হে আমার সুধীগণ! এই সুযোগ লুফে নিন … এবং সময়ের মধ্যেই এই উচ্চতর সনদ অর্জন করে নিন।

কেননা যে ব্যক্তি তাঁর নিকট যা আছে তা হাতছাড়া করবে … সে কেবল আফসোস ও ঘৃণার পাত্র হবে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٧)
شيخٌ آخَرُ [الثَّانِي]

أَخْبَرَنَا‌‌ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّا، أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي غالبٍ ابن أَبِي عَلِيٍّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي سَنَةِ تسعٍ وأربعين وخمسمائة، وَأَنَا حاضرٌ أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو نصرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ الْهَاشِمِيُّ الزَّيْنَبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتٍّ وَسَبْعِينَ، وَمَرَّةً أُخْرَى فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ سبعٍ وسبعين وأربعمائةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ خلفٍ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ زنبورٍ الْوَرَّاقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَنَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قال:
অপর একজন শাইখ [দ্বিতীয়]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন‌‌ সাঈদ ইবন আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনুল বান্না, আবুল কাসিম ইবনু আবি গালিব ইবনু আবি আলি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, ৫৪৯ হিজরি সনে, এমতাবস্থায় যে আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শারিফ আবু নাসর মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলি ইবনুল হাসান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল ওয়াহহাব ইবনু সুলাইমান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সুলাইমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলি ইবনু আবদুল্লাহ ইবনুল আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব আল-হাশিমী আজ-জাইনাবি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর আমি তা শুনছিলাম, ৪৭৬ হিজরি সনের মহররম মাসে এবং পুনরায় ৪৭৭ হিজরি সনের জিলহজ মাসে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনু উমর ইবনু আলি ইবনু খালাফ, যিনি ইবনু জানবুর আল-ওয়াররাক নামে পরিচিত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনু আবি দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশ’আস আস-সিজিস্তানি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার এবং নাসর ইবনু আলি; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুস সামাদ আল-আম্মি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান আল-জাওনি; আবু বকর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কাইস থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٨)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((جَنَّتَانِ مِنْ ذهبٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا، وَجَنَّتَانِ مِنْ فضةٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا، وَمَا بَيْنَ الْقَوْمِ وَبَيْنَ أَنْ يَنْظُرُوا إِلَى رَبِّهِمْ عز وجل إِلا رِدَاءُ الْكِبْرِيَاءِ عَلَى وَجْهِهِ فِي جَنَّةِ عدنٍ)) .

أَخْرَجَهُ أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ سَوْرَةَ التِّرْمِذِيُّ، فِي صِفَةِ الْجَنَّةِ، مِنْ جَامِعِهِ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيُّ، فِي النُّعُوتِ، من سنته.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مَاجَهِ الْقَزْوِينِيُّ، فِي السُّنَّةِ مِنْ سُنَنِهِ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ بُنْدَارٍ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ دَاوُدَ بْنِ كَيْسَانَ أَبِي بكرٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيِّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ -وَاسْمُهُ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ حَبِيبٍ- عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ بِهِ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً.

شَيْخُنَا هَذَا مِنْ سِنِّ الرِّوَايَةِ وَالتَّحْدِيثِ، وَالأَخْذِ وَالأَدَاءِ بِالْحَدِيثِ، سَمِعَ جَمَاعَةً: أَبَا الْقَاسِمِ عَلِيَّ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبُسْرِيِّ، وَأَبَا نَصْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الزَّيْنَبِيَّ، وَهُمَا مِنْ أَصْحَابِ أَبِي طَاهِرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((দুটি জান্নাত স্বর্ণের, তাদের পাত্রসমূহ এবং যা কিছু তাতে আছে সব স্বর্ণের; আর দুটি জান্নাত রূপার, তাদের পাত্রসমূহ এবং যা কিছু তাতে আছে সব রূপার। আদন জান্নাতে থাকা অবস্থায় লোকদের এবং তাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের দিকে তাকানোর মাঝে তাঁর চেহারার ওপর থাকা বড়ত্বের চাদর ছাড়া আর কোনো আড়াল থাকবে না।)) ।

এটি আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন সাওরাহ আত-তিরমিজি তাঁর জামি' গ্রন্থের জান্নাতের গুণাবলি অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।

এটি আবু আব্দুর রহমান আহমদ বিন শুআইব বিন আলী আন-নাসায়ী তাঁর সুনান গ্রন্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।

এটি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ বিন মাজাহ আল-কাযউইনি তাঁর সুনান গ্রন্থের সুন্নাহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই বুন্দার মুহাম্মদ বিন বাশার বিন উসমান বিন দাউদ বিন কাইসান আবু বকর আল-আবদি থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল সামাদ আল-আম্মি থেকে, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে—যাঁর নাম আব্দুল মালিক বিন হাবিব—তিনি আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ বিন কাইস থেকে এবং তিনি তাঁর পিতার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য মুওয়াফাকাত (উচ্চ সনদে হাদিস লাভ) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

আমাদের এই শাইখ হাদিস বর্ণনা, গ্রহণ ও তা পৌঁছে দেওয়ার উপযুক্ত বয়সের অধিকারী ছিলেন। তিনি একদল আলেম থেকে হাদিস শুনেছেন: আবুল কাসেম আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-বুসরি এবং আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আজ-জাইনাবি, তাঁরা উভয়েই আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমানের ছাত্র ছিলেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٨٩)
الْمُخَلِّصِ، وَأَبَا الْحُسَيْنِ عَاصِمَ بْنَ الْحَسَنِ بْنِ عَاصِمٍ الْكَرْخِيَّ، وَأَبَا الْفَوَارِسِ طِرَادَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيَّ، وَأَبَا الْفَضْلِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيٍّ الدَّقَّاقَ وَغَيْرَهُمْ، مَوْلِدُهُ فِي شَعْبَانَ، [سَنَةَ] سبعٍ وَسِتِّينَ وأربعمائةٍ، وتوفي في ذي الحجة، سنة خمسين وخمسمائةٍ.
আল-মুখাল্লিস, এবং আবু আল-হুসাইন আসিম বিন আল-হাসান বিন আসিম আল-কারখি, এবং আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আজ-জায়নাবি, এবং আবু আল-ফাদল আব্দুল্লাহ বিন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন জাকারিয়া আদ-দাক্কাক ও অন্যান্য; তাঁর জন্ম ৪৬৭ [সালের] শাবান মাসে এবং তিনি ৫৫০ হিজরির জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٠)
شيخٌ آخَرُ [الثَّالِثُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي طَاهِرٍ الْحَرْبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو غالبٍ مُحَمَّدُ بْنُ [الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ] الْعَطَّارُ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دُرَسْتُوَيْهِ الْفَارِسِيُّ النَّحْوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي مَنْزِلِهِ بِبَيْتِ الزَّعْفَرَانِ، فِي رجبٍ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وأربعين وثلاثمائة، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ الْفَسَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ خَلَفُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((نِعْمَتَانِ مغبونٌ فِيهِمَا كثيرٌ مِنَ النَّاسِ، الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ)) .

حديثٌ جليلٌ صحيحٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي هند
অন্য একজন শাইখ [তৃতীয়]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু তাহের আল-হারবি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে [আল-হাসান ইবনে আহমদ] আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শাযান আল-বায্যায, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে দুরুস্তাওয়াইহ আল-ফারিসি আন-নাহবি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, বাইতুয যা'ফরানে তাঁর নিজ বাসভবনে, ৩৪৪ হিজরীর রজব মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান আল-ফাসাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ওয়ালিদ খালাফ ইবনে আল-ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দুটি নিয়ামত এমন যাতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, সেগুলো হলো: সুস্থতা এবং অবসর।"

এটি একটি মহান ও সহীহ হাদীস, যা আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে আবু হিন্দের হাদীস থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩١)
الْمَدِينِيِّ، مِنْ مُحَدِّثِي أَهْلِ الْمَدِينَةِ وَفُضَلائِهِمْ، عَنْ أَبِيهِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، تَرْجُمَانِ الْقُرْآنِ.

رَوَاهُ عَنْهُ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَالْفَضْلُ بْنُ مُوسَى الْمَرْوَزِيَّانِ، وَمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَلْخِيُّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، وَصَفْوَانُ بْنُ عِيسَى وَغَيْرُهُمْ.

أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُغِيرَةِ الْجُعْفِيُّ الْبُخَارِيُّ، فِي كِتَابِ الرِّقَاقِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي السَّكَنِ مَكِّيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ بَشِيرِ بْنِ فرقدٍ التَّمِيمِيِّ الْحَنْظَلِيِّ الْبَلْخِيِّ، وَهُوَ مِنْ أَسْنَدِ شُيُوخِهِ الْخُرَاسَانِيِّينَ، وَلَمْ يُحَدِّثْ مِنَ الأَئِمَّةِ سِوَاهُ، وَكُلُّهُمْ حَدَّثَ عَنْ رجلٍ عَنْهُ: مسلمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَالْقَزْوِينِيُّ، وَذَلِكَ أَنَّهُ تُوُفِّيَ فِي يَوْمِ الأَرْبَعَاءِ، مُنْتَصَفَ شَعْبَانَ، سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ، وَيُقَالُ: سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَمِائَتَيْنِ، وَهُوَ أَحَدُ شُيُوخِهِ فِي الأَحَادِيثِ الثُّلاثِيَّاتِ، وَذَلِكَ أَنَّهُ يُحَدِّثُ عَنِ التَّابِعِينَ، وَهَذِهِ منزلةٌ رفيعةٌ، وهمةٌ عاليةٌ فِي تَحْصِيلِ عُلُومِ الشَّرِيعَةِ.

وَقَدْ أَخْرَجَهُ أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، فِي الزُّهْدِ، مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ سُوَيْدٍ أَبِي الْفَضْلِ الْمَرْوَزِيِّ، وَصَالِحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيِّ، نَزِيلِ بَغْدَادَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، الَّذِي سُقْنَاهُ مِنْ حَدِيثِهِ، فَوَقَعَ بَدَلا فِي رِوَايَتِهِ.
আল-মাদিনী, যিনি মদীনার অধিবাসী মুহাদ্দিসগণের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিলেন; তিনি তাঁর পিতা সাঈদ থেকে, তিনি কুরআনের তর্জমান (ব্যাখ্যাদাতা) আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, আল-ফাদল ইবনে মুসা আল-মারওয়াযীদ্বয়, মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম আল-বালখী, ইসমাইল ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর, সাফওয়ান ইবনে ঈসা এবং আরও অনেকে।

ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইব্রাহীম ইবনুল মুগীরা আল-জু’ফী আল-বুখারী এটি তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের ‘কিতাবুর রিকাক’-এ বর্ণনা করেছেন আবুস সাকান মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম ইবনে বশীর ইবনে ফারকাদ আত-তামীমী আল-হানজালী আল-বালখী থেকে। তিনি তাঁর খুরাসানী উস্তাদগণের মধ্যে উচ্চ সনদধারী উস্তাদ ছিলেন। ইমামগণের মধ্যে কেবল তিনি (বুখারী) ব্যতীত আর কেউ সরাসরি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি; বরং মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ এবং আল-কাযভীনী—তাঁরা সকলে তাঁর থেকে অন্য একজন ব্যক্তির মধ্যস্থতায় বর্ণনা করেছেন। আর তা এই কারণে যে, তিনি ২১৫ হিজরী (বলা হয়ে থাকে ২১৪ হিজরী) সনের শা’বান মাসের মাঝামাঝি বুধবার ইন্তেকাল করেন। তিনি (মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম) তাঁর ‘সুলাসিয়াত’ হাদীসসমূহের অন্যতম উস্তাদ ছিলেন; কারণ তিনি তাবিঈদের থেকে বর্ণনা করেন। শরীয়াহর ইলম হাসিলের ক্ষেত্রে এটি একটি উচ্চ মর্যাদা এবং সুউচ্চ হিম্মত।

আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযী এটি তাঁর ‘জামে’ গ্রন্থের ‘যুহদ’ অধ্যায়ে সুওয়াইদ ইবনে নাসর ইবনে সুওয়াইদ আবুল ফাদল আল-মারওয়াযী এবং বাগদাদে বসবাসকারী সালিহ ইবনে আবদুল্লাহ আবু আবদুল্লাহ আত-তিরমিযী থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে। আমরা ইবনুল মুবারকের যে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছি, এটি তাঁর বর্ণনায় ‘বদল’ হিসেবে এসেছে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٢)
وَفِي الْحَدِيثِ تنبيهٌ ودليلٌ بِالإِخْبَارِ الصَّحِيحِ عَلَى مَحَلِّ هَذَيْنِ الصِّفَتَيْنِ، وَعِظَمِ شَأْنِهِمَا، وَجَلالَةِ خطرِهِمَا، إِذْ لا يَتَوَصَّلُ إِلَى رِئَاسَةِ الدُّنْيَا وَسَعَادَةِ الآخِرَةِ إِلا بِهِمَا، لَكِنْ إِذَا صَرَفَا فِي الطَّاعَةِ، فَالْمَغْبُونُ مِنْ غُبِنَ صِحَّةَ جِسْمِهِ، وَفَرَاغَ قَلْبِهِ، وَأَكْثَرُ النَّاسِ يُغْبَنُ فِيهِمَا بِاغْتِرَارِهِمْ بِدَوَامِهَا، وَيَغْفُلُونَ عَنِ اغْتِنَامِهَا، وَلا تُسْتَطَاعُ مصلحةٌ مِنْ مَصَالِحِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ إِلا بِهِمَا، فَقَدْ أَبْلَغَ صلى الله عليه وسلم لأُمَّتِهِ فِي النَّصِيحَةِ، وَأَوْجَزَ فِي اللَّفْظِ بِلُغَتِهِ الْفَصِيحَةِ، وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ كفايةٌ لِمَنْ كَانَ لَهُ قلبٌ وفقهٌ، وَهِمَّتُهُ شريفةٌ، وَنِيَّتُهُ صادقةٌ صحيحةٌ.

هَذَا الشَّيْخُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النِّعَالِيَّ، وَأَبَا الْخَطَّابِ نَصْرَ بْنَ أَحْمَدَ بْنَ الْبَطِرِ الْقَارِئَ، وَأَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ أَيُّوبَ الْبَزَّارَ، وَأَبَا الْفَتْحِ عَبْدَ الْوَاحِدِ بْنَ عُلْوَانَ بْنِ قيس الشيباني، وغيرهم، مولده سنة سبعين وأربعمائة بِالْحَرْبِيَّةِ، غَرْبِيِّ مَدِينَةِ السَّلامِ بَغْدَادَ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ اثنتين وخمسين وخمسمائة.
এই হাদিসে সহিহ খবরের মাধ্যমে এই দুটি গুণের মাহাত্ম্য, গুরুত্ব এবং এ দুটির উচ্চ মর্যাদার ব্যাপারে সতর্কতা ও দলিল বিদ্যমান। কারণ, দুনিয়ার নেতৃত্ব এবং আখিরাতের সৌভাগ্য—এগুলোর কোনোটিই এই দুটি (সুস্থতা ও অবসর) ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়, যদি তা আনুগত্যের পথে ব্যয় করা হয়। সুতরাং সেই ব্যক্তিই ক্ষতিগ্রস্ত, যে তার শরীরের সুস্থতা এবং হৃদয়ের ফুরসত বা অবসরের বিষয়ে প্রতারিত হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ এই দুটির স্থায়িত্বের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়ে লোকসানের শিকার হয় এবং এ দুটির সদ্ব্যবহার করার ব্যাপারে গাফিলতি করে। দুনিয়া ও আখিরাতের কোনো কল্যাণই এই দুটি ছাড়া সম্ভব নয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উম্মতকে নসিহত করার ক্ষেত্রে পূর্ণতা দান করেছেন এবং তাঁর প্রাঞ্জল ভাষায় অত্যন্ত সংক্ষেপে তা ব্যক্ত করেছেন। যার হৃদয় ও সঠিক বুঝ রয়েছে এবং যার সংকল্প সুউচ্চ ও নিয়ত সত্য ও সঠিক, তার জন্য এই হাদিসটিই যথেষ্ট।

এই শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে তালহা আন-নিয়ালি, আবুল খাত্তাব নাসর ইবনে আহমাদ ইবনুল বাতির আল-কারি, আবুল হাসান আলি ইবনুল হুসাইন ইবনে আইয়ুব আল-বাযযার, আবুল ফাতহ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে উলওয়ান ইবনে কায়স আশ-শায়বানি এবং অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম ৪৭০ হিজরিতে শান্তির শহর বাগদাদের পশ্চিমে অবস্থিত হারবিয়া নামক স্থানে এবং তিনি ৫৫২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٣)
شيخٌ آخَرُ [الرَّابِعُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرِ بن عبد الصمد ابن الْمُتَوَكِّلِ عَلَى اللَّهِ الشَّرِيفُ، أَبُو عَلِيٍّ الْفَاضِلُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شَهْرِ رجبٍ، سنة إحدى وخمسين وخمسمائة، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو غالبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ، ثَانِي عَشَرَ، شَهْرِ رَمَضَانَ، سَنَةَ تسعٌ وتسعين وأربعمائة، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ محمدٍ الأَنْبَارِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي أَحْمَدَ الْبُنْدَارِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ الرِّيَاحِيُّ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ:

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْقُلُ مَعْهُمُ الْحِجَارَةَ لِلْكَعْبَةِ وَعَلَيْهِ إِزَارُهُ، فَقَالَ له العباس عمه: يا ابن أَخِي: لَوْ حَلَلْتَ إِزَارَكَ فَجَعَلْتَهُ عَلَى مَنْكِبِكَ دُونَ الْحِجَارَةِ، قَالَ: فَحَلَّهُ فَجَعَلَهُ عَلَى مَنْكِبِهِ، فَسَقَطَ مَغْشِيًّا عَلَيْهِ، فَمَا رُئِيَ بَعْدَ ذَلِكَ الْيَوْمَ عُرْيَانًا.

أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، فِي الصَّلاةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ مَطَرِ بْنِ الْفَضْلِ الْمَرْوَزِيِّ، وَلَمْ يُحَدِّثْ عَنْهُ مِنَ الأَئِمَّةِ أَصْحَابِ
অন্য একজন শাইখ [চতুর্থ]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন জাফর বিন আবদুস সামাদ ইবনুল মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ আশ-শারিফ, আবু আলী আল-ফাদিল, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, রজব মাসে, পাঁচশত একান্ন হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আল-বাকিলানি, তাঁর নিকট জুমআর দিনে পাঠ করা হয়েছিল, বারই রমজান, চারশত নিরানব্বই হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ আল-আনবারি, যিনি ইবনে আবি আহমাদ আল-বুন্দার নামে পরিচিত। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইয়াজিদ আর-রিয়াহি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাউহ বিন উবাদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন দিনার, তিনি বলেন: আমি জাবির বিন আবদুল্লাহকে বর্ণনা করতে শুনেছি:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে কাবার জন্য পাথর বহন করছিলেন এবং তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গি। তখন তাঁর চাচা আব্বাস তাঁকে বললেন: হে ভ্রাতুষ্পুত্র! আপনি যদি আপনার লুঙ্গিটি খুলে কাঁধের ওপর পাথরের নিচে রাখতেন (কাঁধকে রক্ষা করার জন্য)! বর্ণনাকারী বলেন: তখন তিনি তা খুললেন এবং তাঁর কাঁধের ওপর রাখলেন, অমনি তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গেলেন। এরপর আর কখনো তাঁকে অনাবৃত অবস্থায় দেখা যায়নি।

ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থের 'নামাজ' অধ্যায়ে মাতার বিন আল-ফাদল আল-মারওয়াজি থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। আর ইমামগণের মধ্য হতে হাদিসের মূল গ্রন্থসমূহের সংকলকগণ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٤)
الْكُتُبِ السِّتَّةِ الْمُجْمَعِ عَلَيْهَا سِوَاهُ، فَلَمْ يَقَعْ مُشَافَهَتُهُ بِاللِّقَاءِ، وَلا حَدَّثَ واحدٌ مِنْهُمْ عَنْهُ بواسطةٍ. وَأَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، فِي الطَّهَارَةِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبِ بْنِ شَدَّادٍ أَبِي خَيْثَمَةَ النَّسَائِيِّ الْحَافِظِ، كِلَيْهِمَا عَنْ روحٍ بِهِ، فَوَقَعَ بَدَلا.

هَذَا شيخٌ مِنْ بَيْتِ الشَّرَفِ، لَهُ حَظٌّ وافرٌ مِنَ الأَدَبِ، ونظمٌ فائقٌ مَعَ سَلْكِهِ بِمَنْثُورِ فَرَائِدِ الأدَبِ، وعبارةٌ تَعُمُّ لِمَا كَانَ مُنْسَدِلا عَلَى الْعُلُوِّ مِنَ الْحَجْبِ، سَمِعَ هَذَا الشَّيْخُ أَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقْرِئَ الْمَعْرُوفَ بِابْنِ الْعَلافِ، وَأَبَا غالبٍ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلانِيَّ، وَأَبَا الْقَاسِمِ هِبَةَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيَّ، مَوْلِدُهُ سَنَةَ سَبْعٍ وسبعين وأربعمائة، بِجِرَايَةِ ابْنِ جَرَادَةَ مِنْ بَغْدَادَ، وَتُوُفِّيَ فِي لَيْلَةِ الاثْنَيْنِ حَادِي عَشَرَ، مِنْ جُمَادَى الأُولَى سنة أربعٍ وخمسين وخمسمائة، بِمَدِينَةِ السَّلامِ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى.
তিনি ব্যতিরেকে ঐকমত্যপূর্ণ ছয়টি কিতাব; ফলে তাঁর সাথে সরাসরি সাক্ষাতের ঘটনা ঘটেনি এবং তাঁদের কেউ তাঁর পক্ষ থেকে কোনো মাধ্যম যোগে হাদীস বর্ণনাও করেননি। ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আল-কুশায়রী আন-নাইসাবুরী তাঁর সহীহ গ্রন্থের পবিত্রতা অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবনে হারব ইবনে শাদ্দাদ আবু খাইসামা আন-নাসায়ী আল-হাফিয থেকে, তাঁরা উভয়ে রাওহ থেকে তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চতর সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এই শায়খ এক সম্মানিত পরিবারের সন্তান, আদব বা সাহিত্যে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। সাহিত্যের গদ্য-মুক্তাগাঁথার ধারায় তাঁর কাব্যপ্রতিভাও চমৎকার। তাঁর প্রকাশভঙ্গি সেই সকল বিষয়কে পরিবেষ্টনকারী, যা উচ্চতা থেকে আবরণের ওপর ঝুলে থাকে। এই শায়খ শ্রবণ করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মুকরী—যিনি ইবনুল আল্লাফ নামে পরিচিত—থেকে, এবং আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ আল-বাকিল্লানী থেকে এবং আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শায়বানী থেকে। তাঁর জন্ম ৪৭৭ হিজরী সনে বাগদাদের জিরায়াত ইবনে জারাদাহ নামক স্থানে এবং তিনি ইন্তেকাল করেন ৫৫৪ হিজরী সনের ১১ই জুমাদাল উলা সোমবার দিবাগত রাতে মাদিনাতুস সালামে (বাগদাদ), আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٥)
شيخٌ آخَرُ [الْخَامِسُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْفُتُوحِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي جعفرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّائِيُّ الْهَمَذَانِيُّ الْوَاعِظُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أسمع، في شوال سنة إحدى وخمسين وخمسمائة، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبِ [بْنِ] مُحَمَّدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ الْعَبْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخُو سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، عَنْ مصعبٍ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((أَيُمْنَعُ أَحَدُكُمْ أَنْ يُكَبِّرَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ عَشْرًا، وَيُسَبِّحُ عَشْرًا، وَيَحْمَدُ اللَّهَ عَشْرًا، فَذَلِكَ فِي خَمْسِ صلوات خمسون ومائةٍ باللسان، وألفٍ وخمسمائةٍ فِي الْمِيزَانِ، وَإِذَا آوَى إِلَى فِرَاشِهِ كَبَّرَ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ، وَحَمِدَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَسَبَّحَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، فَتِلْكَ مِائَةٌ فِي اللِّسَانِ، وألفٌ فِي الْمِيزَانِ، ثُمَّ قَالَ: وَأَيُّكُمْ يَعْمَلُ فِي يومٍ وليلةٍ ألفين وخمسمائة سيئةٍ)) .
অপর একজন শায়খ [পঞ্চম]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ ইবনে আবি জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ আত-তায়ি আল-হামাদানি আল-ওয়ায়েজ, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, ৫৫১ হিজরি সালের শাওয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আলি ইবনে আবি তালিব [ইবনে] মুহাম্মদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে মাখলাদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আরাফাহ আল-আবদি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুবারক ইবনে সাঈদ, যিনি সুফিয়ান আস-সাওরির ভাই, তিনি মুসা আল-জুহানি থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ কি প্রতি সালাতের শেষে দশবার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলতে, দশবার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করতে এবং দশবার আল্লাহর প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) করতে অক্ষম? এটি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মুখে হবে একশত পঞ্চাশবার, আর মিজানের পাল্লায় হবে এক হাজার পাঁচশত। আর যখন সে তার বিছানায় আশ্রয় নিতে যাবে, তখন সে যেন চৌত্রিশবার তাকবির বলে, তেত্রিশবার প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) করে এবং তেত্রিশবার তাসবিহ পাঠ করে। এটি মুখে হবে একশতবার, আর মিজানের পাল্লায় হবে এক হাজার। অতঃপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে দিনে ও রাতে দুই হাজার পাঁচশত মন্দ কাজ (গুনাহ) করে?”
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٦)
أَخْرَجَهُ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَائِيُّ، فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ مِنْ جُمُعَةٍ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى بْنِ إياسٍ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السِّجْزِيِّ، الْمَعْرُوفِ بِخَيَّاطِ السُّنَّةِ، نَزِيلِ دِمَشْقَ - وَلَمْ يَرْوِ عَنْهُ مِنَ الأَئِمَّةِ سِوَاهُ- عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَرَفَةَ، عَنِ الْمُبَارَكِ كَمَا سُقْنَاهُ، فَيَكُونُ شَيْخُ شَيْخِي كَأَنَّهُ سَمِعَهُ من النسائي، وتوفي النسائي سنة ثلاثٍ وثلاثمائةٍ.

سَمِعَ شَيْخُنَا هَذَا بِبَلَدِهِ: فَيْدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّعْرَانِيَّ، وَأَبا بَكْرٍ هِبَةَ اللَّهِ بْنَ الْفَرَجِ ابْنَ أُخْتِ الطَّوِيلِ، وَأَبَا بكرٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ التُّوَيِّيَّ، وَبِمَرْوَ أَبَا بكرٍ مُحَمَّدَ بْنَ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السَّمْعَانِيَّ، وَأَبَا عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبَيْهَقِيَّ، وَبِسَرَخْسَ أَبَا الْفَتْحِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَحْمَدَ السَّعِيدِيَّ، وَأَبَا مَنْصُورٍ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدٍ
এটি বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আহমাদ ইবনে শুআইব ইবনে আলি আন-নাসায়ি, 'আল-ইয়াউমু ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থের জুমার অনুচ্ছেদে; তিনি যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াস আবু আবদুর রহমান আস-সিজজি থেকে বর্ণনা করেছেন—যিনি 'খাইয়্যাতুস সুন্নাহ' নামে পরিচিত এবং দামেস্কের অধিবাসী ছিলেন—আর ইমামদের মধ্যে তিনি (নাসায়ি) ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি—তিনি হাসান ইবনে আরাফাহ থেকে, তিনি মুবারাক থেকে বর্ণনা করেছেন, যেভাবে আমরা এটি (সনদটি) উল্লেখ করেছি। ফলে আমার শায়খের শায়খ যেন এটি নাসায়ি থেকে সরাসরি শুনেছেন বলে গণ্য হবে। নাসায়ি তিনশত তিন হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

আমাদের এই শায়খ নিজ শহরে শ্রবণ করেছেন: ফায়দ ইবনে আবদুর রহমান আশ-শা'রানি, আবু বকর হিবাতুল্লাহ ইবনুল ফারাজ ইবনে উখতিত তওয়িল, এবং আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর আত-তুওয়ায়য়ি থেকে। আর মার্ভ শহরে শ্রবণ করেছেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর ইবনে আবদুল জাব্বার আস-সামআনি এবং আবু আলি ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-বাইহাকি থেকে। এবং সারাখস শহরে শ্রবণ করেছেন: আবু আল-ফাতহ আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আস-সাঈদি এবং আবু মানসুর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٧)
الْحَارِثِيَّ، وَبِبَغْدَادَ أَبَا الْقَاسِمِ عَلِيَّ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ، وَأَبَا عَلِيٍّ مُحَمَّدَ بْنَ سَعِيدِ بْنِ نَبْهَانَ الْكَاتِبَ، وَآخَرِينَ ببلدانٍ شَتَّى، وَجَمَعَ أَرْبَعِينَ، وَأَكْثَرُ شُيُوخِهِ فِيهَا أَكْثَرُهَا نَقَلَهَا مِنْ أَمَالِي السَّمْعَانِيِّ، مَوْلِدُهُ فِي سَنَةَ ست وسبعين وأربعمائة بِهَمَذَانَ، وَتُوُفِّيَ فِي أَوَاخِرِ سَنَةَ خمسٍ وَخَمْسِينَ وخمسمائة بِهَمَذَانَ، رحمه الله عَلَيْهِ.
আল-হারিছি; এবং বাগদাদে আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বায়ান ও আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে নাবহান আল-কাতিব; এবং বিভিন্ন জনপদের আরও অন্যান্যদের নিকট থেকে। তিনি একটি ‘আরবাঈন’ সংকলন করেছেন, যার অধিকাংশ শাইখদের বিবরণ তিনি আস-সামআনির ‘আমালি’ থেকে গ্রহণ করেছেন। তাঁর জন্ম ৪৭৬ হিজরি সনে হামাদানে এবং মৃত্যু ৫৫৫ হিজরি সনের শেষ দিকে হামাদানেই ঘটে, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٨)
شيخٌ آخَرُ [السَّادِسُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَحْمَدُ بْنُ الْمُقَرَّبِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْفَقِيهُ، أَبُو بَكْرِ ابْنُ أَبِي مَنْصُورٍ الْعُقَيْلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي ذِي الْقَعْدَةِ، سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ وخمسمائة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ الصَّيْرَفِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أبو القاسم عبيد الله بْنُ عُمَرَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بحرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ كَوْثَرِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَرْبَهَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَرْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ التَّيْمِيِّ.

وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: حَدَّثَنِي بكرٍ، عَنْ أَبِي رافعٍ نفيعٍ الصَّايِغِ، قَالَ:

صَلَّيْتُ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَقَرَأَ: {إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ} فَسَجَدَ، فَقُلْتُ: مَا هَذِهِ؟ قَالَ: سَجَدْتُ بِهَا خَلْفَ أَبِي الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم، فَلا أَزَالُ أَسْجُدُهَا حَتَّى أَلْقَاهُ.
অন্য একজন শাইখ [ষষ্ঠ]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন‌‌ আহমাদ ইবনুল মুকাররাব ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-ফকিহ, আবু বকর ইবনে আবি মনসুর আল-উকাইলি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, যুল-কাদাহ মাসে, পাঁচশ একান্ন হিজরি সনে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-মুবারাক ইবনে আবদিল জাব্বার ইবনে আহমাদ ইবনুল কাসিম আস-সাইরাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে উসমান ইবনে শাহীন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বাহর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কাওসার ইবনে আলি আল-বারবাহারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আল-হারবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তায়মি থেকে।

এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন বাকর, আবু রাফি নুফাই আস-সায়িগ থেকে, তিনি বলেন:

আমি আবু হুরাইরার সাথে সালাত আদায় করলাম, তিনি পাঠ করলেন: {যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে}, অতঃপর তিনি সিজদাহ করলেন। আমি বললাম: এটি কী? তিনি বললেন: আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে এতে সিজদাহ করেছি। সুতরাং আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত এতে সিজদাহ করা অব্যাহত রাখব।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٣٩٩)
أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ، فِي الصَّلاةِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ مُسَدَّدِ بْنِ مُسَرْهَدٍ، عَنْ مُعْتَمِرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بَكْرٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ نُفَيْعٍ الصَّايِغِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِهِ، فَوَقَعَ مُوَافَقَةً.

سَمِعَ هَذَا الشَّيْخُ: أَبَا عَلِيٍّ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَرَدَانِيَّ، وَأَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النِّعَالِيَّ، وأبا الحسن علي بن محمد [ابن] الْعَلافِ، وَأَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ [أَحْمَدَ بْنِ] عمر ابن [الْخَلِّيِّ] ، وَأَبَا عَلِيٍّ الْحَسَنَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ التِّكَكِيَّ، وَأَبَا الْفَوَارِسِ طِرَادَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ النَّقِيبَ الزَّيْنَبِيَّ، وَأَبَا الْمَعَالِي ثَابِتَ بْنَ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَقَّالَ، وَأَبَا سعدٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ خشيشٍ، وَأَبَا محمدٍ رِزْقَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أسدٍ التَّمِيمِيَّ وَغَيْرَهُمْ، مَوْلِدُهُ لَيْلَةَ عَرَفَةَ سَنَةَ تسعٍ وسبعين وأربعمائة.
আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস আস-সিজিস্তানি এটি তাঁর 'সুনান' গ্রন্থের সালাত অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ থেকে, তিনি মুতামির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি বকর থেকে, তিনি আবু রাফে নুফাই আস-সায়িগ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি (উচ্চতর সনদের সাথে) সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।

এই শায়খ শ্রবণ করেছেন: আবু আলি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বারদানি, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন তালহা আন-নিআলি, আবু আল-হাসান আলি বিন মুহাম্মদ [ইবনুল] আল্লাফ, আবু আল-হাসান আলি বিন [আহমদ বিন] উমর ইবনুল [খাল্লি], আবু আলি আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন ইসমাইল আত-তিকাকি, আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আন-নাকিব আজ-জাইনাবি, আবু আল-মাআলি সাবিত বিন বুন্দার বিন ইব্রাহিম আল-বাক্কাল, আবু সা'দ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারিম বিন খুশাইশ এবং আবু মুহাম্মদ রিজকুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-হারিস বিন আসাদ আত-তামিমি ও অন্যদের থেকে। তাঁর জন্ম চারশ ঊনআশি হিজরি সনের আরাফাতের রাতে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٠)
شيخٌ آخَرُ [السَّابِعُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ محمد ابن الْجَبَّانِ الْعَطَّارُ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ اللَّحَّاسِ، مِنْ أَهْلِ الْحَرِيمِ الطَّاهِرِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شعبان سنة ثلاثٍ وخمسين وخمسمائةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بن علي ابن الْبُسْرِيِّ، إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طاهرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مسهرٍ قَاضِي الْمَوْصِلِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ طَارِقٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، وَهُوَ ابْنُ الْيَمَانِ قَالَ:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((إِنَّ حَوْضِي لأَبْعَدُ مِنْ أَيْلَةَ وعدنٍ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لآنِيَتُهُ أَكْثَرُ مِنْ عَدَدِ نُجُومِ السَّمَاءِ، وَلَهُوَ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ، وَأَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لأَذُودُ عَنْهُ الرِّجَالَ كَمَا يَذُودُ الرَّجُلُ الإِبِلَ الْغَرِيبَةَ عَنْ حَوْضِهِ)) ، قَالَ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تَعْرِفُنَا
অন্য একজন শাইখ [সপ্তম]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন‌‌ আবু আল-মাআলী মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ ইবনুল জাব্বান আল-আত্তার, যিনি ইবনুল লাহহাস নামে পরিচিত, তিনি হারীমে তাহিরীর অধিবাসী, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, ৫৫৩ হিজরি সালের শাবান মাসে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন আলী ইবনুল বুসরী, ইজাজত বা অনুমতিক্রমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখলিস, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাবী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবু শায়বাহ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মসুলের বিচারক আলী বিন মুশহির, তিনি সা’দ বিন তারিক থেকে, তিনি রিবঈ বিন হিরাশ থেকে, আর তিনি হুযায়ফাহ ইবনুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই আমার হাউয আয়লা ও আদনের মধ্যবর্তী দূরত্বের চেয়েও দীর্ঘ। যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ, এর পানপাত্রের সংখ্যা আকাশের নক্ষত্ররাজির সংখ্যার চেয়েও অধিক। আর এটি দুধের চেয়েও অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি। যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ, আমি অবশ্যই সেখান থেকে লোকদের হটিয়ে দেব যেভাবে কোনো ব্যক্তি তার হাউয থেকে অপরিচিত উটগুলোকে হটিয়ে দেয়।” তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি আমাদের চিনতে পারবেন?
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠١)
يومئذٍ؟ قَالَ: ((نَعَمْ تَرِدُونَهُ عَلَيَّ غُرًّا مُحَجَّلِينَ مِنْ آثَارِ الْوُضُوءِ، لَيْسَتْ لأحدٍ غَيْرَكُمْ)) .

أَخْرَجَهُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ فِي الطَّهَارَةِ.

وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مَاجَهِ الْقَزْوِينِيُّ فِي الزُّهْدِ فِي سُنَنِهِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَهُوَ عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ وَهُوَ أَبُو شَيْبَةَ -وَإِلَيْهِ نِسْبَتُهُمُ- ابْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُوَاسْتِيٍّ، أَبُو الْحَسَنِ الْعَبْسِيُّ الْكُوفِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مسهرٍ، كَمَا أَخْرَجْنَاهُ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً.

شَيْخُنَا هَذَا سَمِعَ جَدَّهُ أَبَا الْحَسَنِ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ، وَأَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَطَاءٍ الإِبْرَاهِيمِيَّ، وَأَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ مُحَمَّدِ بن الحسين بن عبيد الله ابن السَّرَّاجِ، وَغَيْرَهُمْ، وَكَانَتْ لَهُ إجازةٌ [مِنَ] ابْنِ الْبُسْرِيِّ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ، سَمِعَ بِهَا عَلَيْهِ مُدَّةَ سَنَتَيْنِ لَمْ يُشَارِكْهُ فِيهَا أحدٌ، وَكَتَبَ عَنْهُ الأَكَابِرُ، وَرُوِيَ عَنْهُ، مَوْلِدُهُ في سَنَةِ ثمانٍ وستين وأربعمائة، وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الأَحَدِ تَاسِعَ عَشَرَ رَبِيعٍ الآخِرِ، سنة اثنتين وستين وخمسمائةٍ.
সেদিন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তোমরা অজুর চিহ্নের কারণে উজ্জ্বল ললাট এবং শুভ্র হাত-পা বিশিষ্ট হয়ে আমার কাছে আসবে, যা তোমাদের ছাড়া আর কারো হবে না।"

এটি আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবনে আল-হাজ্জাজ আল-কুশায়রি আল-নিশাপুরি 'তাহারাত' (পবিত্রতা) অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মাজাহ আল-কাজভিনি তাঁর সুনান গ্রন্থের 'যুহদ' (সংযম) অধ্যায়ে উসমান ইবনে আবি শায়বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন—যিনি হলেন উসমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম, আর তিনি আবু শায়বাহ (তাঁর নামেই তাঁদের বংশ পরিচয় দেওয়া হয়) ইবনে উসমান ইবনে খুওয়াসতি, আবু আল-হাসান আল-আবসি আল-কুফি—তিনি আলী ইবনে মুসহির থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি; ফলে এটি আমাদের জন্য একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বর্ণনা (মুওয়াফাকাহ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

আমাদের এই শায়খ তাঁর দাদা আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ, আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে আতা আল-ইবরাহিমি, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আস-সাররাজ এবং অন্যান্যদের থেকে শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিকট ইবনুল বুসরি আলী ইবনে আহমাদের পক্ষ থেকে অনুমতি (ইজাজাহ) ছিল, যার মাধ্যমে তিনি তাঁর নিকট দুই বছর যাবৎ শ্রবণ করেছেন এবং তাতে কেউ তাঁর অংশীদার ছিল না। বড় বড় আলেমগণ তাঁর থেকে লিখেছেন এবং তাঁর থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তাঁর জন্ম হয়েছে চারশ আটষট্টি হিজরি সনে এবং তিনি পাঁচশ বাষট্টি হিজরি সনের উনিশে রবিউস সানি, রবিবার দিন মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٢)
شيخٌ آخَرُ [الثَّامِنُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْقَاسِمِ مُقْبِلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بَرَكَةَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الصَّدْرِ، يُعْرَفُ بِابْنِ الأَبْيَضِ، مِنْ أَهْلِ الحريم الطاهري، قراءةً عليه، في ذي القعة، سنة إحدى وخمسين وخمسمائة، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ ابن الْمَهْدِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ شَاهِينَ بْنِ حُمَيْدٍ، قَالَ: أنا أَبُو بحرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ كَوْثَرٍ الْبَرْبَهَارِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ [إِسْحَاقَ] الْحَرْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عطاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ:

سَجَدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي {إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ} .

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ، فِي الصَّلاةِ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ مُسَدَّدِ بْنِ مُسَرْهَدٍ الأَسَدِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عطاءٍ مَوْلَى ابْنِ مِينَاءَ الْمَدِينِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِهِ، فَوَقَعَ مُوَافَقَةً.
অন্য একজন শাইখ [অষ্টম]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন‌‌ আবুল কাসিম মুকবিল বিন আহমাদ বিন বারাকাহ বিন আব্দুল মালিক বিন আস-সদর, যিনি ইবনুল আবইয়ায নামে পরিচিত, হারিমুত তাহিরী অঞ্চলের অধিবাসী। তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, যিলকদ মাসে, ৫৫১ হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ ইবনুল মাহদী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন উমার বিন শাহীন বিন হুমাইদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বাহর মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন আলী বিন কাউসার আল-বারবাহারী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন [ইসহাক] আল-হারবী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আইয়ুব বিন মুসা থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে {যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে} (সূরা ইনশিক্বাক) পাঠকালে সিজদা করেছি।

এটি আবু দাউদ সুলাইমান বিন আশ’াস আস-সিজিস্তানি ‘সালাত’ অধ্যায়ে আবুল হাসান মুসাদ্দাদ বিন মুসারহাদ আল-আসাদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব বিন মুসা থেকে, তিনি মদিনাবাসী ইবনে মিনার মুক্তদাস আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি (আমার সনদের সাথে) সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٣)
سَمِعَ أَبَا أَسْعَدَ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ خُشَيْشٍ، وَالشَّرِيفَ أَبَا الْعِزِّ مُحَمَّدَ بْنَ مختار بن محمد بن عبد الواحد ابن المؤيد بالله، مولده سنة ست وثمانين وأربعمائة، وتوفي سنة ست وخمسين وخمسمائة، وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ بَابِ حربٍ، رحمه الله.
তিনি আবু আসআদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম বিন খুশাইশ এবং শরীফ আবুল ইযয মুহাম্মদ বিন মুখতার বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল মুআইয়াদ বিল্লাহর নিকট (হাদীস) শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম চারশত ছিয়াশি হিজরি সনে এবং তিনি পাঁচশত ছাপ্পান্ন হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে বাব হারব নামক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٤)
شيخٌ آخَرُ [التَّاسِعُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْحَاجِبُ، بِقِرَاءَةِ عَبْدِ الْمُغِيثِ بْنِ زُهَيْرٍ الْحَرْبِيِّ، في صفر سنة تسع وخمسين وخمسمائةٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ حَمْدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي صفرٍ، سنة خمسٍ وثمانين وأربعمائةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الأَصْبَهَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سعيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عقيلٍ، ح:

قَالَ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بن
অন্য একজন শাইখ [নবম]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন‌‌ আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবন আবদিল বাকি ইবন আহমদ ইবন সুলাইমান আল-হাজিব, আবদুল মুগিস ইবন জুহাইর আল-হারবির পাঠ অনুযায়ী, পাঁচশত উনষাট হিজরির সফর মাসে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল হামদ ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, চারশত পঁচাশি হিজরির সফর মাসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আহমদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন ইসহাক আল-আসফাহানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান ইবন সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কুতাইবা ইবন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন লাইস ইবন সাদ, উকাইল থেকে বর্ণিত, (হ):

তিনি বলেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٥)
أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا عليه السلام يَقُولُ:

أَتَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا نائمٌ وَفَاطِمَةُ، وَذَلِكَ مِنَ السَّحَرِ، حَتَّى قَامَ عَلَى بَابِ الْبَيْتِ، فَقَالَ: أَلا تُصَلُّونَ؟ فَقُلْتُ مُجِيبًا لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّمَا نُفُوسُنَا بِيَدِ اللَّهِ، فَإِذَا شَاءَ أَنْ يَبْعَثَنَا بَعَثَنَا، قَالَ: فَرَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَلَمْ يُرْجِعْ إِلَيَّ الْكَلامَ، قَالَ: فَسَمِعْتُهُ حِينَ وَلَّى يَقُولُ: وَضَرَبَ بِيَدِهِ عَلَى فَخِذِهِ: {وَكَانَ الإِنْسَانُ أَكْثَرَ شيءٍ جدلاً} .

أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّلاةِ، وَفِي كِتَابِ الاعْتِصَامِ، وَفِي التَّوْحِيدِ عَنْ أَبِي الْيَمَانِ الْحَكَمِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ شعيبٍ.

وَفِي التَّفْسِيرِ مِنْ صَحِيحِهِ عَنْ عَلِيٍّ، هُوَ ابْنُ الْمَدِينِيِّ، عَنْ يَعْقُوبَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحٍ.

وَفِي الاعْتِصَامِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سلامٍ، عَنْ عتابٍ، هُوَ ابْنُ بشيرٍ، عَنْ إِسْحَاقَ.

وَفِي التَّوْحِيدِ مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ أَخِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ.
আহমাদ ইবন হাম্বল বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবন আবী কারীমা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সালামা, আবু আব্দুর রাহীম থেকে, তিনি যায়িদ ইবন আবী উনাইসা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন ইবন আলী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আলীকে (আলাইহিস সালাম) বলতে শুনেছেন:

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার এবং ফাতিমার নিকট আসলেন যখন আমরা ঘুমন্ত ছিলাম, আর তা ছিল শেষ রাতের দিকে। এমনকি তিনি ঘরের দরজায় দাঁড়ালেন এবং বললেন: তোমরা কি সালাত আদায় করবে না? তখন আমি তাঁকে উত্তর দিয়ে বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের প্রাণ তো আল্লাহর হাতে, তিনি যখন আমাদের জাগাতে চাইবেন তখনই জাগাবেন। তিনি (আলী) বলেন: তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন এবং আমাকে কোনো উত্তর দিলেন না। তিনি বলেন: আমি তাঁকে প্রস্থানকালে নিজের ঊরুর ওপর হাত মেরে এই আয়াতটি পাঠ করতে শুনলাম: "আর মানুষ অধিকাংশ ব্যাপারেই বিতর্কপ্রিয়।"

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী এটি সালাত অধ্যায়ে, কিতাবুল ইতিসামে এবং তাওহীদ অধ্যায়ে আবুল ইয়ামান আল-হাকাম ইবন নাফি' থেকে, তিনি শুয়াইব থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তাঁর সহীহ গ্রন্থের তাফসীর অধ্যায়ে আলী থেকে—যিনি হলেন ইবনুল মাদীনী—তিনি ইয়াকুব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইতিসাম অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবন সালাম থেকে, তিনি আত্তাব থেকে—যিনি হলেন ইবন বাশীর—এবং তিনি ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তাঁর সহীহ গ্রন্থের তাওহীদ অধ্যায়ে ইসমাঈল ইবন আবী উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন বিলাল থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ ইবন আবী আতীক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٦)
وَرَوَاهُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ النَّسَائِيُّ، فِي كِتَابِ الطَّهَارَةِ مِنْ كِتَابَيْهِمَا، عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سعيدٍ بْنِ جَمِيلِ بْنِ طَرِيفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبِي رَجَاءٍ الْبَغْلانِيِّ الثَّقَفِيِّ الْبَلْخِيِّ، مَوْلَى الْحَجَّاجِ بْنِ يُوسُفَ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سعدٍ، عَنْ عقيلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ بِهِ، فَوَقَعَ مُوَافَقَةً لَهُمَا.

هَذَا الشَّيْخُ سَمِعَ الْكَثِيرَ بِنَفْسِهِ وَبِإِفَادَةِ أبي، سَمِعَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَالِكَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَالِكِيَّ الْبَانِيَاسِيَّ، وَالْخَطِيبَ أَبَا [مَنْصُورٍ] عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ [عَلِيٍّ] الأَنْبَارِيَّ، وَأَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النِّعَالِيَّ، وَأَبَا الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونٍ الأَمِينَ، وَأَبَا مُحَمَّدٍ رِزْقَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ التَّمِيمِيَّ، وَأَبَا الْفَضْلِ عَبْدَ الله بن علي بن زكري الدَّقَّاقَ، وَأَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ أيوب، وطبقتهم، مولده سنة سبعٍ وتسعين وأربعمائةٍ، وَكَانَ لَهُ إِجَازَةٌ مِنْ أَبِي نَصْرٍ الزَّيْنَبِيِّ، وتوفي سنة أربعٍ وستين وخمسمائةٍ.
এটি বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ এবং আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী তাঁদের নিজ নিজ কিতাবের পবিত্রতা অধ্যায়ে; কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ ইবনে জামিল ইবনে তারিফ ইবনে আবদুল্লাহ আবু রাজা আল-বাগলানি আস-সাকাফি আল-বালখি থেকে—যিনি হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের মুক্তদাস—তিনি লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরি থেকে এই সনদে। ফলে এটি তাঁদের সনদের সাথে মুওয়াফাকাহ (ঐকমত্য) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

এই শায়খ নিজে এবং আমার পিতার নির্দেশনায় অনেক হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি শুনেছেন আবু আবদুল্লাহ মালিক ইবনে আহমদ ইবনে আলি ইবনে ইবরাহিম আল-মালিকি আল-বানিয়াসি, খাতিব আবু মানসুর আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-আনবারি, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তালহা আন-নিআলি, আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে খাইরুন আল-আমিন, আবু মুহাম্মদ রিজকুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদিল ওয়াহহাব আত-তামিমি, আবু আল-ফজল আবদুল্লাহ ইবনে আলি ইবনে জকরি আদ-দাক্কাক, আবু আল-হাসান আলি ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আইয়ুব এবং তাঁদের সমসাময়িকদের থেকে। তাঁর জন্ম চারশত সাতানব্বই হিজরি সনে। আবু নাসর আজ-জয়নাবির নিকট থেকে তাঁর ইজাজত ছিল এবং তিনি পাঁচশত চৌষট্টি হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবিল মুনজি ইবনিল লাত্তি (পৃষ্ঠা: ٤٠٧)
شيخٌ آخَرُ [الْعَاشِرُ]

أَخْبَرَنَا‌‌ أَبُو الْمَعَالِي عُمَرُ بْنُ بُنَيْمَانَ بْنِ عُمَرَ بْنِ نصرٍ، قِرَاءَةً عليه، في رجبٍ سنة ستين وخمسمائةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَرَدَانِيُّ إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبِي أَبُو الْحَسَنِ محمدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْفَاكِهِيُّ، بِمَكَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى بْنُ أَبِي مَسَرَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها:

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اسْتَيْقَظَ مِنَ اللَّيْلِ، قَالَ: ((لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ سُبْحَانَكَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَغْفِرُكَ لِذَنْبِي، وَأَسْأَلُكَ رَحْمَتَكَ، اللَّهُمَّ زِدْنِي عِلْمًا،
অন্য একজন শাইখ [দশম]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি উমর বিন বুনাইমান বিন উমর বিন নাসর, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, পাঁচশত ষাট হিজরি সনের রজব মাসে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বারদানি ইজাজাহর মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবুল হাসান মুহাম্মদ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন বিশরান; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-ফাকিহি, মক্কায়; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া বিন আবু মাসাররাহ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবু আইয়ুব; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-ওয়ালিদ, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন:

আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) যখন রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হতেন, তখন বলতেন: ((আপনি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, আপনি পবিত্র। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট আপনার রহমত প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন,