(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: -)
مسلسل العيدين للكتاني وللخطيب البغدادي   (الخطيب البغدادي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مسلسل العيدين

المؤلف: عبد العزيز بن أحمد بن محمد بن علي التميمي، أبو محمد الكتاني الدمشقي (ت 466هـ)

وأبو بكر أحمد بن علي بن ثابت بن أحمد بن مهدي الخطيب البغدادي (ت 463هـ)

المحقق: مجدي فتحي السيد

الناشر: مكتبة الفؤاد - توزيع مكتبة الرشد

الطبعة: الأولى، 1416 هـ - 1995 م

عدد الصفحات: 54

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433

আল-কাত্তানি ও আল-খতিব আল-বাগদাদি রচিত মুসালসালুল ঈদাইন   (আল-খতিব আল-বাগদাদি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুসালসালুল ঈদাইন

লেখক: আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তামিমি, আবু মুহাম্মদ আল-কাত্তানি আদ-দিমাশকি (ওফাত ৪৬৬ হিজরি)

এবং আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত বিন আহমদ বিন মাহদি আল-খতিব আল-বাগদাদি (ওফাত ৪৬৩ হিজরি)

সম্পাদক: মাজদি ফাতহি আস-সাইয়িদ

প্রকাশক: মাকতাবাতুল ফুয়াদ - পরিবেশনায় মাকতাবাতুর রুশদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৬ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৪

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: -)
مسلسل العيدين

للحافظ أبي محمد عبد العزيز بن أحمد الكتاني الدمشقي

(389 - 466 هـ)

وللحافظ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الخطيب البغدادي

(392 - 463 هـ)

 

دراسة وتحقيق

مجدي فتحي السبد

 

الناشر مكتبة الفؤاد

توزيع مكتبة الرشد

 

الطبعة الأولى

1416 هـ - 1995 م
দুই ঈদের মুসালসাল

হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আল-কাত্তানি আদ-দিমাশকি (৩৮৯ - ৪৬৬ হিজরি)

এবং হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খাতিব আল-বাগদাদি (৩৯২ - ৪৬৩ হিজরি)

 

অধ্যয়ন ও তাহকীক

মাজদি ফাতহি আস-সাইয়িদ

 

প্রকাশক মাকতাবাতুল ফুয়াদ

পরিবেশনায় মাকতাবাতুর রুশদ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪১৬ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২০)
هَذَا‌‌ جُزْءٌ فِيهِ مُسَلْسَلُ الْعِيدَيْنِ وَغَيْرُ ذَلِكَ

جَمْعُ الشَّيْخِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَتَّانِيِّ التَّمِيمِيِّ الصُّوفِيِّ رَحِمَهُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ.

رِوَايَةُ الْفَقِيهِ الإِمَامِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُسْلِمِ السُّلَمِيِّ الشَّافِعِيِّ عَنْهُ.

رِوَايَةُ الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ، الْقَاسِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ عَنْهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الأَجَلِّ أَبِي بَكْرِ بْنِ حِرْزِ اللَّهِ بْنِ حَجَّاجٍ التُّونُسِيِّ الْقَفَصِيِّ عَنْهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الأَجَلِّ جَمَالِ الدِّينِ يَعْقُوبَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيِّ رحمه الله عَنْهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الإِمَامِ رَضِيِّ الدِّينِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيِّ وَأَخِيهِ أَحْمَدَ عَنْهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ عَفِيفِ الدِّينِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشَّيْخِ شَمْسِ الدِّينِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ بن سليمان النيسابوري النشاوري إِجَازَةً.

رِوَايَةُ صَاحِبِ الْجُزْءِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْعَدَ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ الثَّقَفِيِّ النَّسَائِيِّ سَمَاعًا، وَحُضُورًا لِوَلَدِهِ عَبْدِ اللَّهِ فِي الثَّالِثَةِ مِنْ عُمْرِهِ.

تَمَّ
এটি একটি পুস্তিকা যাতে দুই ঈদের মুসালসাল হাদীস ও অন্যান্য বিষয় রয়েছে

শায়খ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাত্তানী আত-তামীমী আস-সুফী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর সংকলন।

তাঁর থেকে ফকীহ ইমাম আবু আল-হাসান আলী ইবনে আল-মুসলিম আস-সুলামী আশ-শাফেয়ী-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে ইমাম হাফেয আবু আল-কাসিম, আল-কাসিম ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে মহান শায়খ আবু বকর ইবনে হিরযুল্লাহ ইবনে হাজ্জাজ আত-তুনিসী আল-কাফাসী-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে মহান শায়খ জামালুদ্দীন ইয়াকুব ইবনে আবু বকর আত-তাবারী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে শায়খ ইমাম রাযীউদ্দীন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবু বকর আত-তাবারী এবং তাঁর ভাই আহমদ-এর বর্ণনা।

শায়খ আফীফুদ্দীন আব্দুল্লাহ ইবনে শায়খ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলায়মান আন-নাইসাবুরী আন-নাশাভুরী-এর বর্ণনা, ইজাযতসূত্রে।

পুস্তিকার স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসআদ ইবনে আব্দুল করীম আস-সাকাফী আন-নাসায়ী-এর বর্ণনা শ্রবণসূত্রে, এবং তাঁর তিন বছর বয়সী পুত্র আব্দুল্লাহর উপস্থিতিতে।

সমাপ্ত
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২১)
بسم الله الرحمن الرحيم

رَبِّ أَعِنْ.

وَصَلَّى الله وسلم عَلَى مُحَمَّدٍ الْمُصْطَفَى، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ.

1 - قَالَ الشَّيْخُ الإِمَامُ رَضِيُّ الدِّينِ إِبْرَاهِيمُ الطَّبَرِيُّ رحمه الله أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَجَلُّ الصَّالِحُ الْمُحَدِّثُ جَمَالُ الدِّينِ يَعْقُوبُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيُّ عَمُّ أَبِي رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ عِيدِ الْفِطْرِ بَعْدَ الصَّلاةِ سَنَةَ أربع وأربعين وستمائة بِالْحَرَمِ الشَّرِيفِ تِجَاهَ الْكَعْبَةِ الْمُعَظَّمَةِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ أَبُو بَكْرِ بْنُ حِرْزِ اللَّهِ بْنِ الْحَجَّاجِ التُّونُسِيُّ الْقَفَصِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، بِالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ يَوْمِ عِيدِ الْفِطْرِ بَعْدَ الصَّلاةِ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وستمائة، قَالَ: أَنْبَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ بَهَاءُ الدِّينِ شَمْسُ الْحُفَّاظِ نَاصِرُ السُّنَّةِ، مُحَدِّثُ الشَّامِ أَبُو القاسم بن الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الشَّافِعِيُّ رضي الله عنه وَقَدَّسَ رُوحَ وَالِدِهِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمَيْ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحًى بَعْدَ الصَّلاةِ بِجَامِعِ دِمَشْقَ سنة اثنين وثمانين وخمسمائة، قَالَ: ثنا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ السُّلَمِيُّ قَرَأَ عَلَيْنَا بِلَفْظِهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بَعْدَ صلاة عيد الفطر سنة ثلاث وثلاثين وخمسمائة ح.

2 - قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ حِرْزِ اللَّهِ الْقَفَصِيُّ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرٍ الْخُشُوعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ يوم عيد الفطر سنة تسعين وخمسمائة بَعْدَ صَلاةِ الْعِيدِ بِجَامِعِ دِمَشْقَ: قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الأَكْفَانِيِّ يَوْمَ عِيدٍ سَنَةَ عشرين وخمسمائة قَالا: ثنا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْحَافِظُ ⦗ص: 22⦘ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَتَّانِيِّ رضي الله عنه مِنْ لَفْظِهِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ وَأَضْحًى قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَلَبِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ، وَفِي يَوْمِ عِيدِ أَضْحًى فِيهِمَا جَمِيعًا بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ عِدَّةَ دَفَعَاتٍ أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى التَّمِيمِيُّ الْبَغْدَادِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعَلافِ بِحَلَبَ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ في يوم عيد أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو معمر في يوم عيد أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ فِي يَوْمِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ فِي يَوْمِ عيد أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ [عَنْ أَبِيهِ] قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم في يوم عيد أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ:

((كُلُّكُمْ قَدْ أَصَابَ خَيْرًا، فَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ، وَمَنْ أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ)).

هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لَمْ نَكْتُبْهُ إِلا عَنْ هَذَا الشَّيْخِ، وَقَدْ حَدَّثَ بِهِ أَبُو حَازِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْغَرَّاءِ الْبَغْدَادِيُّ بِمِصْرَ عَنِ ابْنِ أَبِي أُسَامَةَ الْحَلَبِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى التَّمِيمِيِّ هَذَا، فَسَقَطَ عَنْ شَيْخِنَا عُهْدَتُهُ.
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আমার প্রতিপালক, সাহায্য করুন।

আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ আল-মুস্তফা এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।

১ - শাইখ ইমাম রজিউদ্দীন ইব্রাহিম আত-তবারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, মহান নেককার মুহাদ্দিস শাইখ জামালুদ্দীন ইয়াকুব বিন আবি বকর আত-তবারী—যিনি আমার পিতার চাচা (রহিমাহুল্লাহ)—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ৬৪৪ হিজরীর ঈদুল ফিতরের দিনে নামাজের পর কা’বা শরীফের সামনে মাসজিদুল হারামে তাঁর নিকট পাঠ করা হয় এবং আমি তা শ্রবণ করি। তিনি বলেন: শাইখ ইমাম বিজ্ঞ আলেম আবু বকর বিন হিরজুল্লাহ বিন হাজ্জাজ আত-তুনিসি আল-কাফাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ৬০২ হিজরীর ঈদুল ফিতরের দিন বৃহস্পতিবার নামাজের পর মাসজিদুল হারামে তাঁর নিকট পাঠ করা হয় এবং আমি শ্রবণ করি। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন শাইখ ইমাম হাফেজ বাহাউদ্দীন শামসুল হুফফাজ নাসিরুস সুন্নাহ, সিরিয়ার মুহাদ্দিস আবু কাসিম বিন ইমাম হাফেজ আবুল কাসিম আলি বিন হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হুসাইন আশ-শাফেয়ি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। আল্লাহ তাঁর পিতার আত্মাকে পবিত্র করুন। ৫৮২ হিজরীর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন নামাজের পর দামেস্কের জামে মসজিদে তাঁর নিকট পাঠ করা হয় এবং আমি শ্রবণ করি। তিনি বলেন: শাইখ ফকিহ ইমাম আবুল হাসান আলি বিন মুসলিম বিন মুহাম্মদ বিন ফাতাহ আস-সুলামি আমাদের নিকট নিজ শব্দে পাঠ করেছেন এবং আমরা তা শ্রবণ করেছি ৫৩৩ হিজরীর ঈদুল ফিতরের নামাজের পর।

২ - আবু বকর বিন হিরজুল্লাহ আল-কাফাসি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বারাকাত বিন ইব্রাহিম বিন তাহির আল-খুশুয়ি। ৫৯০ হিজরীর ঈদুল ফিতরের দিন নামাজের পর দামেস্কের জামে মসজিদে তাঁর নিকট পাঠ করা হয় এবং আমি শ্রবণ করি। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আকফানি কি আপনাদের ৫২০ হিজরীর ঈদের দিন সংবাদ দিয়েছেন? তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মহান শাইখ হাফেজ ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-কাত্তানি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। তিনি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে নিজ শব্দে বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু কাসিম আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমাদ আল-হালাবি ঈদুল ফিতরের দিনে এবং ঈদুল আযহার দিনে। তিনি উভয়ের দিনেই নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে কয়েকবার এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তামিমি আল-বাগদাদী, যিনি হালাব শহরে ইবনুল আল্লাফ নামে পরিচিত, ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন গালিব ঈদের দিনে বা আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মাঝে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মামার ঈদের দিনে বা আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মাঝে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়ারিস ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মাঝে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জুহাদাহ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মাঝে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব বিন সাদ ঈদের দিনে বা আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মাঝে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ এবং খুতবার মাঝখানে আমাদের বলেন:

((তোমরা সকলেই কল্যাণ অর্জন করেছ; সুতরাং যে ব্যক্তি খুতবা শুনতে চায় সে বসুক, আর যে চলে যেতে চায় সে যেতে পারে।))

এটি একটি গরিব হাদিস, আমরা এটি এই শাইখ ব্যতীত অন্য কারো থেকে লিপিবদ্ধ করিনি। আবু হাজেম মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল গাররা আল-বাগদাদী মিশরে ইবনে আবি উসামা আল-হালাবি থেকে, তিনি এই মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তামিমি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে আমাদের শাইখের উপর থেকে এর একক বর্ণনার দায়ভার অপসারিত হলো।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৩)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ زِيَادٍ الْمَيْدَانِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَرَجِ الْحَلَبِيُّ الصُّوفِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْحَبَّالِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ الْوَرَّاقُ بِحَلَبَ فِي يَوْمِ عِيدِ أَضْحًى، حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ الْقَصِيرُ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ أُخْتِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ فِي يَوْمِ عِيدِ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْكُوفِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا وَكِيعٌ يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ ⦗ص: 24⦘ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ:

شَهِدْنَا مَعَ رسول الله صلى الله عليه وسلم فطر أَوْ أَضْحًى فَلَمَّا صَلَّى قَالَ:

((قَدْ أَصَبْتُمْ خيراً، فمن أحب أن يقعد فليقد، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ)).
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফর বিন আহমদ বিন জিয়াদ আল-মায়দানী ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন আল-ফারাজ আল-হালাবী আস-সূফী যিনি আল-হাব্বাল নামে পরিচিত ঈদুল ফিতরের দিনে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন আহমদ আল-ওয়াররাক হালাব শহরে ঈদুল আযহার দিনে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-কাসীর ঈদুল ফিতরের দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন হারবের ভাগ্নে ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-কুফী ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন অকী ঈদুল ফিতরের দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আতা বিন আবি রাবাহ ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, তিনি বলেন:

আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি যখন নামাজ শেষ করলেন তখন বললেন:

((তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ; কাজেই যে ব্যক্তি বসে থাকতে পছন্দ করে সে যেন বসে থাকে, আর যে চলে যাওয়া পছন্দ করে সে যেন চলে যায়।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّيْسَابُورِيُّ الْوَاعِظُ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ بَعْدَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا الشَّيْبَانِيُّ الْجَوْزَقِيُّ يَوْمَ عِيدِ الأَضْحَى بَعْدَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ يَوْمَ عِيدِ الأضحى بعد الصلاة والخطبة، ثنا أبو عبد الله البصري الفارسي بالبصرة في يَوْمَ عِيدِ الأَضْحَى بَعْدَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ مَوْلَى بَنِي أُمَيَّةَ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا ابْنُ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا عَطَاءٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ:

شَهِدْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِطْرًا أَوْ أَضْحًى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الصلاة أقبل علينا بوجهه فقال:

((يا أَيُّهَا النَّاسُ، قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أن ينصرف فلينصرف، ومن أحب أن يقم حَتَّى يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ)).
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান ইসমাইল বিন আব্দুর রহমান আন-নাইসাবুরী আল-ওয়াইজ ঈদুল ফিতরের দিনে সালাত ও খুতবার পর; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাকারিয়া আশ-শায়বানী আল-জাওযাকী ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার পর; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আহমাদ বিন ইয়াকুব আস-সাকাফী ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার পর; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-বাসরী আল-ফারিসী বসরা নগরীতে ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার পর; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আব্দুল ওয়াহহাব—যিনি বনু উমাইয়ার মুক্তদাস—ঈদুল ফিতর অথবা আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী ঈদুল ফিতর অথবা আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ ঈদুল ফিতর অথবা আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আতা ঈদুল ফিতর অথবা আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) ঈদুল ফিতর অথবা আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, তিনি বলেন:

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ঈদুল ফিতর অথবা আযহার সালাতে উপস্থিত ছিলাম। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন:

((হে লোকসকল! তোমরা কল্যাণ অর্জন করেছ। সুতরাং যে ফিরে যেতে চায় সে যেন ফিরে যায়, আর যে খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে চায় সে যেন অবস্থান করে।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৭)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ فِي يَوْمَيْ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، أَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّيِّبِ طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الطَّبَرِيُّ فِي يَوْمَيْ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ وَأَجَازَهُ لِي الْقَاضِي أَبُو الطَّيِّبِ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْغِطْرِيفِ بِجُرْجَانَ فِي يَوْمَيْ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بن محمد بن أُخْتِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ فِي يَوْمَيْ عِيدٍ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا عَطَاءٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ: ⦗ص: 28⦘ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى، فلما فرغ قال:

((يا أَيُّهَا النَّاسُ، قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أن ينصرف فلينصرف، ومن أحب أن يقم حَتَّى يَشْهَدَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ)).
৫ - আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, কাজী আবু তাইয়্যিব তাহির বিন আবদুল্লাহ আত-তাবারী ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং কাজী আবু তাইয়্যিব আমাকে এর অনুমতি প্রদান করেছেন; আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-গিতরীফ জুরজানে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন হারবের ভাগ্নে দুই ঈদের দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; ওয়াকী বিন আল-জাররাহ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; সুফিয়ান আস-সাওরী ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; ইবনে জুরাইজ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; আতা ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; ইবনে আব্বাস ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর যখন তিনি শেষ করলেন, তখন বললেন:

((হে লোকসকল, তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ। সুতরাং যে চলে যেতে পছন্দ করে সে যেন চলে যায়, আর যে খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে পছন্দ করে সে যেন অবস্থান করে।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৮)
6 - وَبِإِسْنَادِهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَكَأَنَّمَا شَافَهْتُهُ به)) ثم قرأ: {وأوحي إلي هذا القرآن لأنذركم به ومن بلغ}.
৬ - এবং তাঁর সনদে তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করল, তবে যেন আমি তাকে সরাসরি এর মাধ্যমে সম্বোধন করলাম)) অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {আর আমার প্রতি এই কুরআন ওহী করা হয়েছে যেন আমি এর দ্বারা তোমাদের এবং যার নিকট এটি পৌঁছায় তাদের সতর্ক করি}।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৯)
7 - وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ أَيْضًا فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ بَيْنَ الأَضْحَى وَالْفِطْرِ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عِمْرَانَ بْنِ مُوسَى الأُشْنَانِيُّ بِالْبَصْرَةِ يوم الأَضْحَى وَالْفِطْرِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فِرَاسٍ الْفِرَاسِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي وَكِيعٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ:

شَهِدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِيدَ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الصَّلاةِ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ فَقَالَ: ((يا أَيُّهَا النَّاسُ، قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ حَتَّى يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ)).
৭ - এবং আমাদের কাছে আহমদ ইবনে আলীও ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আযহা ও ফিতরের মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাসান আহমদ ইবনে ইমরান ইবনে মুসা আল-উশনানি বসরার মাটিতে আযহা ও ফিতরের দিনে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ফিরাস আল-ফিরাসি ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ওয়াকি' ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে সুফিয়ান আস-সাওরী ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইবনু জুরাইজ ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আতা ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে আব্বাস ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিনে সালাত ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহায় উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর যখন তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন, তখন তিনি আমাদের দিকে তাঁর মুখ ফিরালেন এবং বললেন: "হে লোকসকল! তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ। অতএব, যে চলে যেতে পছন্দ করে সে যেন চলে যায়, আর যে খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে পছন্দ করে সে যেন অবস্থান করে।"
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ২৯)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عِمْرَانَ الأُشْنَانِيُّ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرَاسِيُّ، حَدَّثَنِي بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثنا وَكِيعٌ، حَدَّثَنِي ⦗ص: 30⦘ الثَّوْرِيُّ، حَدَّثَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ [قَالَ]: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَنْ بَلَغَهُ الْقُرْآنُ فَكَأَنَّمَا شَافَهْتُهُ))، قَالَ اللَّهُ عز وجل: {لأنذركم به ومن بلغ}.
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইমরান আল-উশনানী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-ফিরাসী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ আস-সাওরী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আতা, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস [তিনি বলেন]: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((যার নিকট কুরআন পৌঁছেছে, তবে যেন আমিই তার সাথে সরাসরি কথা বলেছি)), আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল্লা বলেছেন: {যাতে আমি তোমাদেরকে এর দ্বারা সতর্ক করি এবং তাকেও যার নিকট এটি পৌঁছায়}।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩০)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ أَيْضًا فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَصْبَهَانِيُّ الْحَافِظُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَلَوِيُّ الْحَسَنِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ السُّنِّيُّ الدِّينَوَرِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ الْمَكِّيِّ الْهَمْدَانِيُّ الْمَعْرُوفُ بِقلوسه بِبُخَارَى فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالُوا: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدٍ الْقَاضِي فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ النَّرْسِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ:

صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاةَ الْعِيدِ فِطْرًا أَوْ أَضْحًى فَلَمَّا انْفَتَلَ مِنْ صَلاتِهِ، قال: ((يا أَيُّهَا النَّاسُ، قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ لِيَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ)).
৯ - আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে আলীও ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হাফিজ আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী আল-আসবাহানি নিসাপুরে আমার পাঠকালে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আলাভি আল-হাসানি, আলী ইবনে আহমাদ আস-সুন্নি আদ-দিনাওয়ারি এবং বুখারায় কালুসাহ নামে পরিচিত আলী ইবনে আল-মাক্কি আল-হামদানি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে উবাইদ আল-কাদি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে আহমাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আন-নারসি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে বিশর ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে ওয়াকি ইবনে আল-জাররাহ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে সুফিয়ান আস-সাওরি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে ইবনে জুরায়জ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে আতা ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে ইবনে আব্বাস ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনে নামাজ ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করলেন। অতঃপর যখন তিনি তাঁর নামাজ শেষ করলেন, তিনি বললেন: ((হে লোকসকল, নিশ্চয়ই তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ। সুতরাং যে চলে যেতে চায় সে যেন চলে যায়, আর যে খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে চায় সে যেন অবস্থান করে।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حفص الحمامي المقريء إِجَازَةً، نا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَكَمِ الْوَاسِطِيُّ مِنْ لَفْظِهِ فِي جَامِعِ دَارِ الْخَلِيفَةِ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْقُرَشِيُّ الْقَزْوِينِيُّ بِالْمُصَلَّى فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فِرَاسِ بْنِ الْهَيْثَمِ الْخَطِيبُ فِي الْمُصَلَّى فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الأُمَوِيُّ مَوْلَى بِشْرِ بْنِ مَرْوَانَ بِدِمَشْقَ قَالَ وَكَانَ ابْنُهُ أَبُو طَاهِرٍ الْقَاضِي، وَكَانَ عَلَى قِرَاءَةِ هِشَامِ بْنِ عَمَّارٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، نا سُفْيَانُ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أضحى، ثنا عَطَاءٌ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ، ثنا ابْنُ عَبَّاسٍ فِي يَوْمِ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى بَيْنَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ قَالَ:

شَهِدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عِيدِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحًى، فَلَمَّا فَرَغَ مِنَ الصَّلاةِ أَقْبَلَ علينا، فقال: ((يا أَيُّهَا النَّاسُ، قَدْ أَصَبْتُمْ خَيْرًا، فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْصَرِفَ فَلْيَنْصَرِفْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ حَتَّى يَسْمَعَ الْخُطْبَةَ فَلْيُقِمْ)).
১০ - আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন হাফস আল-হামামী আল-মুক্বরি ইজাজাতান (অনুমতিক্রমে), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাকাম আল-ওয়াসিতি তাঁর নিজস্ব শব্দে জামে দারুল খলিফাতে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ আল-কুরেশী আল-ক্বাযভীনী ঈদগাহে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ফিরাাস বিন আল-হাইসাম আল-খতীব ঈদগাহে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশ্র বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-উমাবী, যিনি দামেস্কে বিশ্র বিন মারওয়ানের আযাদকৃত দাস ছিলেন—তিনি বলেন: তাঁর পুত্র ছিলেন আবু তাহের আল-ক্বাজী, আর তিনি হিশাম বিন আম্মারের কিরাআত অনুযায়ী ছিলেন—ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে নামায ও খুতবার মধ্যবর্তী সময়ে, তিনি বলেন:

আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দিনে উপস্থিত ছিলাম। যখন তিনি নামায শেষ করলেন, তখন আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন: "হে লোকসকল! তোমরা কল্যাণ লাভ করেছ। সুতরাং যে ব্যক্তি চলে যেতে পছন্দ করে সে যেন চলে যায়, আর যে ব্যক্তি খুতবা শোনার জন্য অবস্থান করতে পছন্দ করে সে যেন অবস্থান করে।"
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩২)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ أَبِي الْعَقِبِ، ثنا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو النَّصْرِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّينَانِيُّ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ قَالَ:

شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا قَضَيْنَا الصَّلاةَ قَالَ:

((قَدْ قَضَيْنَا الصَّلاةَ، فَمَنْ شَاءَ أَنْ يَشْهَدَ الْخُطْبَةَ فَلْيَشْهَدْ، وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ ينصرف فلينصرف)).
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন উবাইদিল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আলী বিন ইয়াকুব বিন আবুল আকিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ আবদুর রহমান বিন আমর আন-নাসরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল বিন মুসা আস-সিনানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, আতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আস-সাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর সাথে ঈদে উপস্থিত ছিলাম। যখন আমরা সালাত শেষ করলাম, তখন তিনি বললেন:

((আমরা সালাত সম্পন্ন করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি খুতবা শোনার জন্য উপস্থিত থাকতে চায় সে যেন উপস্থিত থাকে, আর যে চলে যেতে চায় সে যেন চলে যায়))।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ الْمَعْرُوفُ بابن الطوسي بالموصل، ثنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَاجِيَةَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الشَّامِيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ ح.

13 - وثنا أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْمُرِّيُّ الْحَافِظُ، نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ الأَنْطَاكِيُّ بِأَنْطَاكِيَةَ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُعَاوِيَةَ أَبُو خَالِدٍ الْقُرَشِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ قَالَ:

لَقِيتُ وَاثِلَةَ بْنَ الأَسْقَعِ يَوْمَ عِيدٍ فَقُلْتُ لَهُ: تَقَبَّلَ اللَّهُ عز وجل مِنَّا وَمِنْكَ. قَالَ: نَعَمْ، تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكَ.

قَالَ وَاثِلَةُ: لَقِيتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ عِيدِ فَقُلْتُ لَهُ: تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكَ. قَالَ: ((نَعَمْ، تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكَ)).
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবনুল মুজাফফর, যিনি মুসলে ইবনে তুসি নামে পরিচিত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাযী আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন হাইয়ান; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন নাজিয়াহ; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম শামি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ...

১৩ - এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিয আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-মুররি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিয আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব; তিনি বলেন, আমার নিকট আনতাকিয়ায় বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম আল-আনতাকি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খালিদ আব্দুল আজিজ বিন মুয়াবিয়া আল-কুরাশি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আদ-দিমাশকি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ, তিনি সাওর বিন ইয়াজিদ হতে, তিনি খালিদ বিন মাদান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি এক ঈদের দিনে ওয়াসিলা বিন আল-আসকার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে বললাম: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমাদের ও আপনার পক্ষ থেকে কবুল করুন। তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহ আমাদের ও আপনার পক্ষ থেকে কবুল করুন।

ওয়াসিলা বলেন: আমি এক ঈদের দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে বললাম: আল্লাহ আমাদের ও আপনার পক্ষ থেকে কবুল করুন। তিনি বললেন: "হ্যাঁ, আল্লাহ আমাদের ও আপনার পক্ষ থেকে কবুল করুন।"
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৪)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ، ثنا عَمِّي أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، ثنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ:

((كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى يَوْمَ الْعِيدِ أَوْ غَيْرَهُ نُصِبَ لَهُ حَرْبَةٌ فَصَلَّى إِلَيْهَا، وَالنَّاسُ مِنْ خَلْفِهِ)).

قَالَ نَافِعٌ: فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ.
১৪ - আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উসমান ইবনুল কাসিম ইবনে আবু নাসর বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমার চাচা আবু আলী মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আল-কাজী আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাঈদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আলী ইবনে মুসহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, আর তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঈদের দিনে কিংবা অন্য কোনো দিনে সালাত আদায় করতেন, তখন তাঁর সামনে একটি ছোট বর্শা গেড়ে দেওয়া হতো। অতঃপর তিনি সেটির দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন এবং মানুষ তাঁর পেছনে থাকতেন।))

নাফে বলেন: সেখান থেকেই শাসকরা এটি গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৫)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفِ بْنِ أحمد المزني، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُنِيرٍ التَّنُوخِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرِ بْنِ جَوْصَا، نا أَبُو عَامِرٍ مُوسَى بْنُ عَامِرٍ، نا أَبُو الْعَبَّاسِ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ:

أَنَّهُ كَانَ يُظْهِرُ التَّكْبِيرَ فِي يَوْمِ الْفِطْرِ فِي مَخْرَجِهِ حَتَّى يَخْرُجَ الإِمَامُ.
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আউফ বিন আহমাদ আল-মুজানি, আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আলী বিন মুনির আত-তানুখি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন উমাইর বিন জাওসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আমির মুসা বিন আমির, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল আব্বাস আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম, তিনি বলেন, উবাইদুল্লাহ বিন উমর আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন:

নিশ্চয়ই তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে তাঁর বের হওয়ার পথ থেকে শুরু করে ইমামের বের হওয়া পর্যন্ত উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৬)
16 - وَبِهِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي عَاتِكَةَ قَالَ:

أَوَّلُ مَنْ خَرَجَ بِالسِّلاحِ فِي يَوْمِ الْعِيدِ: يَزِيدُ بْنُ الْوَلِيدِ خَرَجَ يَوْمَئِذٍ بَيْنَ صَفَّيْنِ مِنَ الْخَيْلِ عَلَيْهِمُ السِّلاحُ مِنْ بَابِ الْحِصْنِ إِلَى الْمُصَلَّى، وَوَقَف حَتَّى انْصَرَفَ، ورجع فيهم.
১৬ - এবং এর মাধ্যমেই আমাদের নিকট আল-ওয়ালীদ বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি আতিকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

ঈদের দিনে সর্বপ্রথম যিনি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি হলেন ইয়াজিদ ইবনে আল-ওয়ালীদ। সেদিন তিনি দুর্গের ফটক থেকে ঈদগাহ পর্যন্ত অস্ত্রধারী ঘোড়সওয়ারদের দুই সারির মাঝখান দিয়ে বের হয়েছিলেন। তিনি সেখানে (নামাজ) শেষ হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং তাদের সাথেই ফিরে আসেন।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৭)
17 - وَبِهِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي عَاتِكَةَ:

إِنَّ الْمُسْلِمِينَ بِدِمَشْقَ لَمْ يَكُونُوا يَحْمِلُونَ السِّلاحَ فِي يَوْمِ عيدٍ، إِلا أَنَّهُ يُؤْمَرُ صَاحِبُ كُلِّ بَابٍ مِنْ أَبْوَابِ دِمَشْقَ يَجْلِسُ عَلَى بَابِهِ الَّذِي يَلِيهِ، بِمَنْ مَعَهُ مِنْ شُرَطِهِ وَحَرَسِهِ بِالسُّيُوفِ، وَالرِّمَاحِ، وَالتِّرَسَةِ حَتَّى يَنْصَرِفَ الناس.
১৭ - এবং এর মাধ্যমে আমাদের নিকট আল-ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট উসমান ইবনে আবি আতিকাহ বর্ণনা করেছেন:

নিশ্চয়ই দামেস্কের মুসলিমগণ ঈদের দিনে অস্ত্র বহন করতেন না; তবে দামেস্কের প্রতিটি ফটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করা হতো যেন তিনি তাঁর সংলগ্ন ফটকে তাঁর সাথে থাকা পুলিশ ও রক্ষীবাহিনীসহ তলোয়ার, বল্লম ও ঢাল নিয়ে অবস্থান করেন, যতক্ষণ না মানুষজন প্রস্থান করত।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৭)
18 - وَبِهِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ قَالَ: وَأَنْبَا شَيْبَانُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ: رَأَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَمْشِي فِي يَوْمِ الْعِيدِ حَافِيًا، شَيْخًا، أَصْلَعَ، أعَسْرَ يَسَرَ طُولا مُشْرِفًا، قَدْ عَلا النَّاسَ كَأَنَّهُ على راية متلبياً ببرد قطوني، يَقُولُ:

يَا عِبَادَ اللَّهِ هَاجِرُوا وَلا تَهْجُرُوا.
১৮ - এবং এর মাধ্যমেই আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শায়বান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আসিম ইবনে আবিন নাজুদ থেকে, তিনি যির ইবনে হুবায়শ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে ঈদের দিনে খালি পায়ে হাঁটতে দেখেছি; তিনি ছিলেন একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি, মস্তক মুণ্ডিত (টেকো), উভয় হাত সমানভাবে ব্যবহারকারী এবং দীর্ঘকায় ও সুউচ্চ। তিনি মানুষের ভিড়ে এমন উচ্চতায় ছিলেন যেন তিনি কোনো পতাকার ওপর অবস্থান করছেন। তিনি একটি সুতি চাদর পরিহিত অবস্থায় বলছিলেন:

হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা হিজরত করো এবং হিজরত পরিত্যাগ করো না।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
19 - وَبِهِ حَدَّثَنا الْوَلِيدُ قَالَ: وَقَالَ دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، أَخْبَرَنِي عِيَاضُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي السَّرْحِ قَالَ:

رَأَيْتُ مَرْوَانَ مَاشِيًا إِلَى الْمُصَلَّى بَيْنَ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ فِي إِمْرَتِهِ عَلَى الْمَدِينَةِ.
১৯ - এবং এর মাধ্যমেই আল-ওয়ালিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে কায়স বলেছেন, ইয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে আবি সারাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

আমি মারওয়ানকে মদীনায় তার শাসনকাল চলাকালে আবু মাসউদ আল-আনসারী এবং আবু সাঈদ আল-খুদরী-এর মাঝখানে হেঁটে ঈদগাহের দিকে যেতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৮)
20 - وَبِهِ ثنا الْوَلِيدُ قَالَ: وَأَنْبَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ جُوَيْبِرٍ عَنِ الضَّحَّاكِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ⦗ص: 39⦘ ((لا يُحْمَلُ السِّلاحُ يَوْمَئِذٍ إِلا أَنْ يَخَافُوا عَدُوًّا)).
২০ - এবং এর মাধ্যমেই আল-ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জুয়াইবির হতে, তিনি দাহহাক হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ ((সেদিন কোনো অস্ত্র বহন করা হবে না, তবে যদি তারা শত্রুর আশঙ্কা করে))।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ، أَنَا عَمِّي أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْقَاضِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، نا شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ، نا زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ عَنْ بِلالِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ:

((يَوْمُ الفطر يوم الجوائز، إذ خَرَجُوا إِلَى الْمُصَلَّى أُعْطَوْا جَوَائِزَهُمْ)).
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উসমান ইবনে আল-কাসিম ইবনে আবি নাসর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার চাচা আবু আলী মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাঈদ আল-কাজি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হারব, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শুজা ইবনুল ওয়ালিদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন জিয়াদ ইবনে খাইসামা, তিনি বিলাল ইবনে কায়স থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

((ঈদুল ফিতরের দিন হলো পুরস্কারের দিন; যখন তারা ঈদগাহের অভিমুখে বের হয়, তখন তাদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪০)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزْدَادَ الْفَارِسِيُّ، ثنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سَلْمُونَ الأَنْطَرْسُوسِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الذَّيَّالِ الأَصْبَهَانِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْجَوَازِلِيِّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الشَّعَّارُ، نا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، نا الْقَاسِمُ بْنُ الْحَكَمِ، نا هِشَامُ بْنُ الْوَلِيدِ، نا حَمَّادُ بْنُ سُلَيْمَانَ السَّدُوسِيُّ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي حَدِيثٍ ذَكَرَهُ فِي فَضْلِ شَهْرِ رَمَضَانَ، فَقَالَ:

((إِذَا كَانَ فِي لَيْلَةِ الْفِطْرِ سُمِّيَتْ تِلْكَ اللَّيْلَةُ: لَيْلَةَ الْجَائِزَةِ، فَإِذَا كَانَ غَدَاةَ الْفِطْرِ بَعَثَ اللَّهُ عز وجل الْمَلائِكَةَ فِي كُلِّ الْبِلادِ، فَيَهْبِطُونَ إِلَى الأَرْضِ، وَيَقُومُونَ عَلَى أَفْوَاهِ السِّكَكِ فَيُنَادُونَ بصوتٍ يَسْمَعُهُ جَمِيعُ مَنْ خَلَقَ اللَّهُ عز وجل إِلا الْجِنَّ وَالإِنْسَ فَيَقُولُونَ: يَا أُمَّةَ أَحْمَدَ، اخْرُجُوا إِلَى ربٍ كريمٍ يُعْطِي الْجَزِيلَ، وَيَغْفِرُ الْعَظِيمَ، فَإِذَا بَرَزُوا فِي مُصَلاهُمْ يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: يَا مَلائِكَتِي، مَا جَزَاءُ الأَجِيرِ إِذَا عَمِلَ عَمَلَهُ؟ قَالَ: يَقُولُ الْمَلائِكَةُ: إِلَهَنَا وَسَيِّدَنَا، جَزَاؤُهُ أَنْ تُوَفِّيَهُ. قَالَ: فَيَقُولُ: فَإِنِّي أُشْهِدُكُمْ يَا مَلائِكَتِي أَنِّي قَدْ جَعَلْتُ ثَوَابَهُمْ مِنْ صِيَامِهِمْ شَهْرَ رَمَضَانَ وَقِيَامِهِمْ رِضَائِي وَمَغْفِرَتِي، وَيَقُولُ: يَا عِبَادِي، سَلُونِي فَوَعِزَّتِي وَجَلالِي ⦗ص: 41⦘ لا تَسْأَلُونِي الْيَوْمَ شَيْئًا فِي جَمْعِكُمْ لآخِرَتِكُمْ أَعْطَيْتُكُمُوهُ، وَلا لِدُنْيَاكُمْ إِلا نَظَرْتُ لَكُمْ، وَعِزَّتِي لأَسْتُرَنَّ عَلَيْكُمْ، وَلا أَفْضَحُكُمْ بَيْنَ يَدَيْ أَصْحَابِ الْحُدُودِ، انْصَرِفُوا مَغْفُورًا لَكُمْ قَدْ أَرْضَيْتُمُونِي، وَرَضِيتُ عَنْكُمْ. قَالَ: فَتَفْرَحُ الْمَلائِكَةُ وَتَسْتَبْشِرُ بِمَا يُعْطِي اللَّهُ عز وجل هَذِهِ الأُمَّةَ، إِذَا أَفْطَرُوا مِنْ شهر رمضان)).
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আলী ইবন ইব্রাহিম ইবন ইয়াজদাদ আল-ফারিসি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবন দাউদ ইবন সালমুন আল-আনতারসুসি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আল-হুসাইন ইবন আবিদ দাইয়াল আল-আসফাহানি, যিনি আল-জাওয়াজিলি নামে পরিচিত, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আশ-শাআ'র, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালামাহ ইবন শাবিব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনুল হাকাম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনুল ওয়ালিদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সুলাইমান আস-সাদুসি, তিনি আদ-দাহহাক ইবন মুজাহিম থেকে, তিনি ইবন আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমজান মাসের ফযিলত সম্পর্কে বর্ণিত একটি হাদিসে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন:

((যখন ঈদুল ফিতরের রাত আসে, তখন সেই রাতকে ‘পুরস্কারের রাত’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। অতপর যখন ঈদুল ফিতরের সকাল হয়, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সকল জনপদে ফেরেশতাদের প্রেরণ করেন। তারা জমিনে অবতরণ করেন এবং রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে যান। তারা এমন উচ্চস্বরে ডাকতে থাকেন যা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সৃষ্টি জগতের জিন ও মানুষ ব্যতীত সবাই শুনতে পায়। তারা বলে: হে আহমাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মত! তোমরা সেই পরম দয়ালু রবের দিকে বের হয়ে এসো, যিনি প্রচুর দান করেন এবং বড় বড় গুনাহ ক্ষমা করেন। যখন তারা তাদের ঈদগাহে উপস্থিত হয়, তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: হে আমার ফেরেশতারা! শ্রমিকের পারিশ্রমিক কী হওয়া উচিত যখন সে তার কাজ সম্পন্ন করে? ফেরেশতারা বলে: হে আমাদের ইলাহ ও আমাদের প্রভু! তার পারিশ্রমিক হলো আপনি তাকে তা পূর্ণভাবে প্রদান করবেন। তখন তিনি বলেন: হে আমার ফেরেশতারা! আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি তাদের রমজান মাসের রোজা এবং তাদের কিয়ামের প্রতিদান হিসেবে আমার সন্তুষ্টি ও ক্ষমা নির্ধারণ করেছি। এবং তিনি বলেন: হে আমার বান্দারা! তোমরা আমার কাছে চাও। আমার মর্যাদা ও মহত্ত্বের শপথ! ⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ আজকের এই সমাবেশে তোমরা তোমাদের আখিরাতের জন্য যা কিছুই চাইবে, আমি তোমাদের তা দান করব। আর তোমাদের দুনিয়ার বিষয়ের যা চাইবে, আমি তাতে তোমাদের কল্যাণের প্রতি দৃষ্টি রাখব। আমার মর্যাদার শপথ! আমি অবশ্যই তোমাদের দোষত্রুটি গোপন রাখব এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সামনে তোমাদের লাঞ্ছিত করব না। তোমরা ক্ষমাপ্রাপ্ত অবস্থায় ফিরে যাও, তোমরা আমাকে সন্তুষ্ট করেছ এবং আমিও তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন: রমজান মাস শেষে যখন তারা ঈদ পালন করে, তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই উম্মতকে যা দান করেন, তাতে ফেরেশতারা আনন্দিত ও উল্লসিত হয়।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪২)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو تَغْلِبَ مُحَمَّدُ بْنُ الأَغْلَبِ بْنِ تَغْلِبَ الْخَطِيبُ الْعُكْبَرِيُّ بِهَا، أَنَا أَبُو عَبْدِ الله عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَطَّةَ، نا أَبُو الْقَاسِمِ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، نا أَبُو حَاتِمٍ، نا دُحَيْمٌ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا سَعِيدٌ وَأَبُو حَفْصٍ الْقَاصُّ يَعْنِي عُثْمَانَ بْنَ أَبِي عَاتِكَةَ:

أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ خَرَجَ بِالنَّاسِ فِي يَوْمِ الْفِطْرِ، قَالَ: تَدْرُونَ مَا مَخْرَجُكُمْ هَذَا؟ صُمْتُمْ ثَلاثِينَ يَوْمًا، وَقُمْتُمْ ثَلاثِينَ لَيْلَةً فَخَرَجْتُمْ تَسْأَلُونَ اللَّهَ عز وجل أَنْ يَتَقَبَّلَ مِنْكُمْ.
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাগলিব মুহাম্মাদ ইবনে আল-আগল্যাব ইবনে তাগলিব আল-খতিব আল-উকবারি সেখানে, আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাত্তাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-কাসিম হাফস ইবনে উমর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু হাতিম, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন দুহাইম আদ-দিমাশকি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ এবং আবু হাফস আল-কাস—অর্থাৎ উসমান ইবনে আবি আতিকাহ:

নিশ্চয়ই উমর ইবনে আব্দুল আজিজ ঈদুল ফিতরের দিন লোকজনকে নিয়ে বের হলেন। তিনি বললেন: তোমরা কি জানো তোমাদের এই বের হওয়া কীসের জন্য? তোমরা ত্রিশ দিন সিয়াম পালন করেছ এবং ত্রিশ রাত (ইবাদতে) দাঁড়িয়েছ, অতঃপর তোমরা বের হয়েছ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করতে যেন তিনি তোমাদের পক্ষ থেকে তা কবুল করেন।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
24 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْفَرَجِ الْحُسَيْنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الصَّابُونِيُّ الْمَوْصِلِيُّ بِهَا، ثنا الْقَاضِي أَبُو عَلِيٍّ خَلَفُ بْنُ مَسْلَمَةَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا الْهَيْثَمُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَأَةَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ:

((كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لا يَكَادُ يَدَعُ أَحَدًا مِنْ أَهْلِهِ فِي يَوْمِ عِيدٍ إِلا أَخْرَجَهُ)).
২৪ - কাজী আবুল ফরাজ আল-হুসাইন ইবনে উবায়দুল্লাহ আস-সাবুনী আল-মাওসিলি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাজী আবু আলী খালাফ ইবনে মাসলামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনুল আওয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে তাঁর পরিবারের কাউকেই (ঘর থেকে) বের না করে প্রায় ছাড়তেন না।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৪)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو تَغْلِبَ مُحَمَّدُ بْنُ الأَغْلَبِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَطَّةَ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودٍ السَّرَّاجُ، أَنْبَا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

((كَانَ يَلْبَسُ بُرْدَهُ الأَحْمَرَ وَعِمَامَتَهُ السَّوْدَاءَ فِي العيدين والجمعة)).
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাগলিব মুহাম্মাদ ইবনুল আগলাব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু বাত্তাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনু মাহমুদ আস-সাররাজ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু হিশাম আর-রিফায়ি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনু গিয়াস, তিনি হাজ্জাজ থেকে, তিনি আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনু আলী থেকে, তিনি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম):

((তিনি দুই ঈদ ও জুমার দিনে তাঁর লাল চাদর এবং কালো পাগড়ি পরিধান করতেন))।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
26 - حَدَّثَنَا أَبُو تَغْلِبَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ دَاوُدَ الْقَنْطَرِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ بَزُرْجَ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ:

((أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ الْعِيدِ أَنْ نَلْبَسَ أَجْوَدَ مَا نَجِدُ، وَأَنْ نَطَّيَّبَ بِأَجْوَدِ مَا نَجِدُ، وَأَنْ نُضَحِّيَ بِأَجْوَدَ مَا نَجِدُ، الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ، وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ، وَأَمَرَنا أَنْ نُظْهِرَ التَّكْبِيرَ فِي الطَّرِيقِ، وَأَنْ نَمْشِيَ وَعَلَيْنَا السَّكِينَةُ والوقار)).
২৬ - আমাদের নিকট আবু তাগলিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আলী ইবনে দাউদ আল-কান্তারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আল-লাইস ইবনে সাদ ইসহাক ইবনে বাজুরজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হাসান ইবনে আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঈদের দিনে আমাদের কাছে থাকা সবচেয়ে উত্তম পোশাক পরিধান করতে, সবচেয়ে উত্তম সুগন্ধি ব্যবহার করতে এবং আমাদের সামর্থ্যে থাকা সবচেয়ে উত্তম পশু কুরবানী করার নির্দেশ দিয়েছেন; গাভী সাতজনের পক্ষ থেকে এবং উট সাতজনের পক্ষ থেকে। আর তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমরা পথে উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করি এবং ধীরস্থিরতা ও গাম্ভীর্যের সাথে হেঁটে যাই।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৬)
27 - أَنَا أَبُو تَغْلِبَ مُحَمَّدُ بْنُ الأَغْلَبِ الْعُكْبَرِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ بَطَّةَ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَسْرُوقٍ الطُّوسِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، ثنا أَبِي، ثنا يَاسِينُ الزَّيَّاتُ عَنِ الْحَسَنِ قَالَ:

((إِذَا قَالَ الرَّجُلُ لِلرَّجُلِ فِي الْعِيدِ: حَيَّاكَ اللَّهُ بِالسَّلامِ، حَيَّاهُ مِنَ كُلِّ سَمَاءٍ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ حتى تنتهي التحية إلى العرش)).
২৭ - আমি আবু তাগলিব মুহাম্মাদ ইবনুল আগলাব আল-উকবারী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে বাত্তাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আল-হারবী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মাসরূক আত-তূসী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে ওয়াকী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াসীন আয-যাইয়্যাত; হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

((যখন কোনো ব্যক্তি ঈদের দিন অপর কোনো ব্যক্তিকে বলে: ‘আল্লাহ আপনাকে শান্তির সাথে অভিবাদন জানান (বা দীর্ঘজীবী করুন)’, তখন প্রতিটি আসমান থেকে সত্তর হাজার ফেরেশতা তাকে অভিবাদন জানায়, যতক্ষণ না সেই অভিবাদন আরশ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছে।))
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو تَغْلِبَ مُحَمَّدُ بْنُ الأَغْلَبِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ سَهْلٍ الرَّمْلِيُّ، ثنا ضَمْرَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَوْذَبٍ قَالَ: كُنَّا عِنْدَ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ فَسَمِعَ رَجُلا يَقُولُ عِنْدَ الْعِيدِ، فَقَالَ الْحَسَنُ:

((كُلُّ يَوْمٍ لا يَعْصِي اللَّهَ عز وجل الْعَبْدُ فِيهِ فَهُوَ عِيدٌ)).

آخِرُ الْجُزْءِ

وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَحْدَهُ، وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وسلم
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাগলিব মুহাম্মাদ ইবনুল আগলাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ হাসান ইবনে আলী ইবনে যাইদ আল-আসকারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে সাহল আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামরাহ, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাওজাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হাসান বসরীর নিকট ছিলাম, তখন তিনি ঈদের সময় এক ব্যক্তিকে কিছু বলতে শুনলেন। অতঃপর হাসান বললেন:

((প্রতিটি দিন যাতে বান্দা মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর অবাধ্যতা করে না, সেটিই ঈদ।))

খণ্ডের সমাপ্তি

এবং সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, আর আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর।
(খণ্ড: ১) মুসালসালুল ঈদাইন লিল কাত্তানী ওয়া লিল খাতিবিল বাগদাদী (পৃষ্ঠা: ৪৮)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ

 

29 -‌‌ قَالَ الشَّيْخُ إِبْرَاهِيمُ الطَّبَرِيُّ: أَخْبَرَنَا عَمُّ أَبِي يَعْقُوبَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الطَّبَرِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الأَجَلَّ الْعَالِمُ أَبُو بَكْرِ بْنُ حِرْزِ اللَّهِ بْنِ حَجَّاجٍ التُّونُسِيُّ الْقَفَصِيُّ بِالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فِي يَوْمِ عِيدِ الْفِطْرِ بَعْدَ الصَّلاةِ وَالْخُطْبَةِ سَنَةَ اثنتين وستمائة سَمَاعًا عَلَيْهِ قَالَ: أَنَا شَيْخُنَا الْعَالِمُ الإِمَامُ الحافظ بهاء الدين أبو محمد القاسم بن الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ رضي الله عنه قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي التَّارِيخِ الْمُتَقَدِّمِ قِيلَ لَهُ: حَدَّثَكُمُ الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ السُّلَمِيُّ مِنْ لَفْظِهِ فِي يَوْمِ عِيدِ الْفِطْرِ بَعْدَ الصَّلاةِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وخمسمائة فَأَقَرَّ بِهِ قَالَ: أَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْحَدِيدِ السُّلَمِيُّ رحمه الله، أَنَا جَدِّي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ السُّلَمِيُّ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الإِمَامُ، نا سَعِيدُ بْنُ عَبْدُوسِ بْنِ أَبِي زَيْدُونَ الْقَيْسَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، نا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ:

((أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في العيدين في الركعة الأولى بسبح اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى، وَفِي الثَّانِيَةِ: هَلْ أَتَاكَ حديث الغاشية)).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। এবং আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারের ওপর।

 

২৯ -‌‌ শাইখ ইব্রাহিম তাবারী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতার চাচা ইয়াকুব ইবনে আবি বকর তাবারী, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুমহান শাইখ আলিম আবু বকর ইবনে হিরজুল্লাহ ইবনে হাজ্জাজ তিউনিসি কাফাসি, মাসজিদুল হারামে ঈদুল ফিতরের দিনে সালাত ও খুতবার পর ৬০২ হিজরি সালে, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাদের শাইখ আলিম ইমাম হাফিজ বাহাউদ্দিন আবু মুহাম্মাদ কাসিম বিন ইমাম হাফিজ আবুল কাসিম আলি ইবনে হাসান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম উল্লিখিত তারিখে, তাঁকে বলা হয়েছিল: আপনাকে কি শাইখ ফকিহ ইমাম আবুল হাসান আলি ইবনে মুসলিম ইবনে মুহাম্মাদ সুলামি তাঁর নিজ কণ্ঠে ৫৩৩ হিজরি সালের ঈদুল ফিতরের দিন সালাতের পর বর্ণনা করেছেন? তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে আবুল হাদিদ সুলামি (রহ.), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান সুলামি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি হাসান ইবনে আলি আল-ইমাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন সাইদ ইবনে আবদুস ইবনে আবু জাইদুন কাইসারানি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ ফিরইয়াবি, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি মুসা ইবনে উবাইদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন:

((নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদের প্রথম রাকাতে 'সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা' এবং দ্বিতীয় রাকাতে 'হাল আতাকা হাদিসুল গাশিয়াহ' পাঠ করতেন।))