(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: -)
كنز العمال في سنن الأقوال والأفعال - ط الرسالة   (المتقي الهندي)

القسم: كتب السنة

الكتاب: كنز العمال في سنن الأقوال والأفعال

المؤلف: علاء الدين علي المتقي بن حسام الدين الهندي البرهان فوري (ت 975 هـ)

ضبطه وفسر غريبه: الشيخ بكري حياني

صححه ووضع فهارسه ومفتاحه: الشيخ صفوة السقا

الناشر: مؤسسة الرسالة

الطبعة: الخامسة، 1405 هـ - 1985 م

عدد الأجزاء: 18 (16 والفهارس)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল - আর-রিসালাহ সংস্করণ   (আল-মুত্তাকী আল-হিন্দী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল

লেখক: আলাউদ্দীন আলী আল-মুত্তাকী বিন হুসামুদ্দীন আল-হিন্দী আল-বুরহানপুরী (মৃত্যু: ৯৭৫ হিজরী)

বিন্যাস এবং কঠিন শব্দসমূহের ব্যাখ্যা: শায়খ বাকরী হাইয়্যানী

সম্পাদনা এবং সূচিপত্র ও নির্দেশিকা প্রণয়ন: শায়খ সাফওয়াত আস-সাক্কা

প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রিসালাহ

সংস্করণ: পঞ্চম, ১৪০৫ হিজরী - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১৮ (১৬ খণ্ড ও সূচিপত্র)

[কিতাবটির সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
المجلد الأول

‌‌مقدمة

 

كنز العمال في سنن الأقوال والأفعال

للعلامة: علاء الدين علي المتقي بن حسام الدين الهندي البرهان فوري

ضبطه وفسر غريبه: الشيخ بكري حياني

صححه ووضع فهارسه ومفتاحه: الشيخ صفوة السقا

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الكبير المتعال، والصلاة والسلام على سيدنا محمد المتبع في الأقوال والأفعال والأحوال، وعلى سائر الأنبياء، وآله وصحبه التابعين له في كل حال. (أما بعد) فيقول أحقر عباد الله علي بن حسام الدين الشهير عند الناس بالمتقي: لما رأيت كتابي الجامع الصغير وزوائده، تأليفي شيخ الإسلام جلال الدين السيوطي عامله الله بلطفه ملخصا من قسم الأقوال من جامعه الكبير وهو مرتب على الحروف، جمعت بينهما مبوبا ذلك على الأبواب الفقهية، مسميا الجمع المذكور (منهج العمال في سنن الأقوال) ثم عن لي أن أبوب مابقي من قسم الأقوال، فنجز بحمد الله وسميته (الإكمال لمنهج العمال) . ثم مزجت بين هذين التأليفين كتابا بعد كتاب وبابا بعد باب وفصلا بعد فصل، مميزا أحاديث الإكمال من منهج العمال. ومقصودي من هذا التمييز أن المؤلف رحمه الله ذكر أن الأحاديث
প্রথম খণ্ড

‌‌ভূমিকা

 

কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল

আল্লামা: আলাউদ্দিন আলী আল-মুত্তাকি বিন হুসামুদ্দিন আল-হিন্দি আল-বুরহানপুরী কর্তৃক

এর পাঠ বিন্যস্ত ও দুর্বোধ্য শব্দাবলির ব্যাখ্যা করেছেন: শায়খ বাকরি হাইয়ানি

এর পাঠ সংশোধন এবং এর নির্ঘণ্ট ও নির্দেশিকা তৈরি করেছেন: শায়খ সাফওয়াত আস-সাক্কা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সকল প্রশংসা মহান ও সুউচ্চ আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর, যাঁর অনুসরণ করা হয় কথা, কাজ ও অবস্থায়, এবং সকল নবী এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের ওপর, যারা সর্বাবস্থায় তাঁর অনুসরণকারী। (অতঃপর) আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে অতি নগণ্য আলী বিন হুসামুদ্দিন—যিনি মানুষের নিকট আল-মুত্তাকি নামে পরিচিত—বলছেন: যখন আমি শাইখুল ইসলাম জালালুদ্দিন আস-সুয়ুতী (আল্লাহ তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করুন) কর্তৃক সংকলিত ‘আল-জামি আস-সাগীর’ ও এর পরিশিষ্ট ‘যাওয়াইদ’ গ্রন্থ দুটি দেখলাম, যা তাঁর ‘আল-জামি আল-কাবীর’-এর বাণী (আকওয়াল) অংশ থেকে সংক্ষেপিত এবং বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত; তখন আমি সেই গ্রন্থদ্বয়কে একত্রে ফিকহি অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত করে সংকলন করলাম এবং উক্ত সংকলনের নাম দিলাম ‘মানহাজুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল’। এরপর আমার মনে হলো যে, বাণী অংশের অবশিষ্ট হাদীসগুলোকেও অধ্যায়ভিত্তিক সাজানো প্রয়োজন; আল্লাহর প্রশংসায় তা সম্পন্ন হলো এবং আমি এর নাম দিলাম ‘আল-ইকমাল লি-মানহাজিল উম্মাল’। এরপর আমি এই দুটি সংকলনকে কিতাবের পর কিতাব, অধ্যায়ের পর অধ্যায় এবং পরিচ্ছেদের পর পরিচ্ছেদ অনুযায়ী এমনভাবে সমন্বিত করলাম যাতে ‘মানহাজুল উম্মাল’ থেকে ‘ইকমাল’-এর হাদীসগুলোকে পৃথক করা যায়। আর এই পার্থক্যের উদ্দেশ্য হলো এই যে, লেখক (রহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেছেন যে হাদীসসমূহ...
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
التي في الجامع الصغير وزوائده أصح وأخصر وأبعد من التكرار، كما يعلم من ديباجة الجامع الصغير. فصارا كتابا سميته (غاية العمال) في سنن الأقوال. ثم عن لي أن أبوب قسم الأفعال أيضا فبوبته على المنهاج المذكور وجمعت بين أحاديث الأقوال والأفعال. وأذكر أولا أحاديث منهج العمال، ثم أذكر أحاديث الإكمال، ثم أحاديث قسم الأفعال، كتابا بعد كتاب، فصار ذلك كتابا واحدا مميزا فيه ماسبق بحيث أن من أراد تحصيل قسم الأقوال أو الأفعال منفردا أو تحصيلهما مجتمعين أمكنه ذلك، وسميته (كنز العمال في سنن الأقوال والأفعال) . فمن ظفر بهذا التأليف فقد ظفر بجمع الجوامع، مبوبا مع أحاديث كثيرة ليست في جمع الجوامع، لأن المؤلف رحمه الله زاد في الجامع الصغير وذيله أحاديث لم تكن في جمع الجوامع. وها أنا أذكر ديباجة المؤلف رحمه الله من الجامع الصغير وذيله (1) ومن الجامع الكبير، حتى لا أكون تاركا ولا مغيرا ألفاظه إن شاء الله تعالى (2)

--------------------------------------------

(1) ن- زوائده

‌‌(2) ن - الا بعض رموز وألفاظ يسيرة تركها الشيخ رحمه الله تعالى فيهما اقتصارا فتركت ذلك للضرورة فليعلم.
'জামি আস-সগির' এবং এর বর্ধিত অংশের বর্ণনাগুলো অধিক বিশুদ্ধ, সংক্ষিপ্ত এবং পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্ত, যা 'জামি আস-সগির'-এর ভূমিকা থেকে জানা যায়। ফলে এই উভয় অংশ মিলে একটি কিতাব হয়েছে যার নাম আমি রেখেছি 'গয়াতুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল'। এরপর আমার মনে হলো কর্ম বিষয়ক (আফ'আল) অংশগুলোকেও অধ্যায়ভিত্তিক বিন্যস্ত করা উচিত, তাই আমি তা উল্লিখিত পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করলাম এবং কথা ও কর্ম সম্পর্কিত হাদিসগুলোকে একত্রিত করলাম। আমি প্রথমে 'মানহাজুল উম্মাল'-এর হাদিসগুলো উল্লেখ করি, এরপর 'আল-ইকমাল'-এর হাদিসগুলো, তারপর কর্ম বিষয়ক হাদিসগুলো একের পর এক কিতাব আকারে বিন্যস্ত করি। ফলে এটি একটি স্বতন্ত্র কিতাবে পরিণত হলো যাতে পূর্বোক্ত বিষয়গুলো এমনভাবে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হয়েছে যে, কেউ যদি কেবল কথা বিষয়ক বা কর্ম বিষয়ক অংশ আলাদাভাবে অথবা উভয়টি একত্রে পেতে চায়, তবে তা তার পক্ষে সম্ভব হবে। আমি এর নাম দিয়েছি 'কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফ'আল'। সুতরাং যে ব্যক্তি এই সংকলনটি লাভ করল, সে মূলত 'জামউল জাওয়ামিই' কিতাবটিই বিন্যস্ত আকারে লাভ করল, সাথে এমন অনেক হাদিসও পেল যা 'জামউল জাওয়ামিই'-তে নেই। কারণ লেখক (রাহিমাহুল্লাহ) 'জামি আস-সগির' এবং এর পরিশিষ্টে এমন অনেক হাদিস সংযোজন করেছেন যা 'জামউল জাওয়ামিই'-তে ছিল না। এখন আমি লেখকের (রাহিমাহুল্লাহ) 'জামি আস-সগির' ও এর পরিশিষ্ট (১) এবং 'জামি আল-কাবির'-এর ভূমিকা উল্লেখ করছি, ইনশাআল্লাহু তাআলা, যাতে আমি তাঁর শব্দগুলো বর্জনকারী বা পরিবর্তনকারী না হই (২)।

--------------------------------------------

(১) ন - এর বর্ধিত অংশসমূহ

‌‌(২) ন - তবে সামান্য কিছু সংকেত ও শব্দ যা শাইখ (রাহিমাহুল্লাহ তাআলা) সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে উভয় কিতাবে বর্জন করেছেন, আমিও তা প্রয়োজনের তাগিদে বর্জন করেছি, তাই এটি জেনে রাখা উচিত।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
خطبة الجامع الصغير

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الذي بعث في (1) رأس كل مائة سنة من يجدد لهذه الأمة أمر دينها، وأقام في كل عصر من يحوط هذه الأمة (2) بتشييد أركانها وتأييد سننها وتبيينها، وأشهد أن لاإله إلا الله وحده لاشريك له شهادة يزيح ظلام الشكوك صبح يقينها، وأشهد أن سيدنا محمدا عبده ورسوله المبعوث لرفع كلمة الإسلام وتشييدها، وخفض كلمة الكفر وتهوينها وتوهينها، صلى الله وسلم عليه وعلى آله وصحبه ليوث الغابة وأسد عرينها. هذا الكتاب (3) أودعت فيه من الكلم النبوية الوفا، ومن الحكم المصطفوية صنوفا، اقتصرت فيه على الأحاديث الوجيزة،

--------------------------------------------

(1) على

‌‌(2) في شرح الجامع الصغير- الملة

‌‌(3) هذا كتاب
জামেউস সগীরের ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি প্রতি একশ বছরের শিরোভাগে (১) এমন কাউকে পাঠিয়েছেন যিনি এই উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনের বিষয়াবলিকে সংস্কার করবেন, এবং তিনি প্রতিটি যুগে এমন ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন যারা এই উম্মতকে (২) এর স্তম্ভসমূহ সুদৃঢ় করার মাধ্যমে, এর সুন্নাহসমূহকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে এবং তা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনার মাধ্যমে হেফাযত করবেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; এমন এক সাক্ষ্য যার দৃঢ় বিশ্বাসের প্রভাত সন্দেহের অন্ধকারকে দূরীভূত করে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের নেতা মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাকে ইসলামের বাণীকে সুউচ্চ ও সুদৃঢ় করতে এবং কুফরের বাণীকে অবদমিত, তুচ্ছ ও দুর্বল করতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক, যারা ছিলেন অরণ্যের সিংহ এবং তাদের আবাসের শার্দুল। এই গ্রন্থটিতে (৩) আমি হাজার হাজার নববী বাণী এবং বিভিন্ন প্রকারের মুস্তাফা (সা.)-এর হিকমত বা প্রজ্ঞা সঞ্চিত করেছি। এতে আমি কেবল সংক্ষিপ্ত হাদিসসমূহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি,

--------------------------------------------

(১) উপরে

‌‌(২) জামেউস সগীরের ব্যাখ্যায় - মিল্লাত বা জাতি

‌‌(৩) এটি একটি গ্রন্থ
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
ولخصت فيه من معادن الأثر أبريزه، وبالغت في تحرير التخريج فتركت القشر وأخذت اللباب، وصنته عما تفرد به وضاع أو كذاب ففاق بذلك الكتب المؤلفة في هذا النوع كالفائق والشهاب، وحوى من نفائس الصناعة الحديثية مالم يودع قبله في كتاب، ورتبته على حروف المعجم مراعيا أول الحديث فما بعده تسهيلا على الطلاب، وسميته (الجامع الصغير من حديث البشير النذير) لأنه مقتضب من الكتاب الكبير الذي سميته جمع الجوامع وقصدت فيه جمع الأحاديث النبوية بأسرها وهذه رموزه (خ) للبخاري (م) لمسلم (ق) لهما (د) لأبي داود (ت) للترمذي (ن) للنسائي (هـ) لابن ماجة (4) لهؤلاء الأربعة (3) لهم إلا ابن ماجه (حم) لأحمد في مسنده (عم) لابنه في زوائده (ك) للحاكم فإن كان في مستدركه اطلقت وإلا بينته (خد) للبخاري في الأدب (تخ) له في التاريخ (حب) لابن حبان في صحيحه (طب) للطبراني في الكبير (طس) له في الأوسط (طص) له في الصغير (ص) لسعيد ابن منصور في سننه (ش) لابن أبي شيبة "عب"لعبد الرزاق في الجامع "ع" لأبي يعلى في مسنده "قط" للدارقطني فإن كان في السنن أطلقت وإلا بينته "فر"للديلمي في مسند الفردوس "حل" لأبي نعيم في الحليه "هب" للبيهقي في شعب الإيمان "هق"

আমি এতে হাদিসের খনি থেকে এর খাঁটি নির্যাসটুকু সারসংক্ষেপ করেছি। এর তাহকীক ও সূত্র নির্দেশ (তাখরিজ) আমি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সম্পন্ন করেছি, ফলে এর অসার অংশটুকু বর্জন করে কেবল মূল সারবস্তুটুকুই গ্রহণ করেছি। একে আমি এমন সব বর্ণনা থেকে রক্ষা করেছি যা কেবল কোনো জালকারী বা মিথ্যাবাদী কর্তৃক এককভাবে বর্ণিত হয়েছে। ফলে গ্রন্থটি এই বিষয়ের ওপর রচিত অন্যান্য বই—যেমন আল-ফাইক এবং আশ-শিহাব-এর ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে। এতে হাদিস শাস্ত্রের এমন কিছু মূল্যবান ও সূক্ষ্ম বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা ইতিপূর্বে কোনো কিতাবে সন্নিবেশিত হয়নি। ছাত্রদের সুবিধার্থে হাদিসের প্রথম বর্ণ ও পরবর্তী বর্ণসমূহ বিবেচনা করে আমি একে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি। আমি এর নামকরণ করেছি (আল-জামি আস-সাগীর মিন হাদিসিল বাশিরিন নাযীর); কারণ এটি আমার বড় কিতাব যা আমি 'জামউল জাওয়ামি' নামে অভিহিত করেছি, তার একটি সংক্ষেপিত রূপ। এতে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমস্ত হাদিস একত্রিত করার সংকল্প করেছি। আর এগুলো হলো এর সংকেতসমূহ: (খ) বুখারীর জন্য, (ম) মুসলিমের জন্য, (ক্ব) তাঁদের উভয়ের জন্য, (দ) আবু দাউদের জন্য, (ত) তিরমিযীর জন্য, (ন) নাসাঈর জন্য, (হ) ইবনে মাজাহর জন্য, (৪) এই চারজনের জন্য, (৩) ইবনে মাজাহ ব্যতীত তাঁদের বাকি তিনজনের জন্য, (হম) মুসনাদে আহমদে ইমাম আহমদের জন্য, (অম) তাঁর পুত্রের অতিরিক্ত (যাওয়ায়েদ) বর্ণনার জন্য, (ক) হাকীমের জন্য; যদি তা তাঁর 'মুসতাদরাক' গ্রন্থে থাকে তবে আমি কেবল সংকেত ব্যবহার করেছি, অন্যথায় তা স্পষ্ট করে দিয়েছি। (খদ) আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে বুখারীর জন্য, (তখ) তাঁর তারিখ গ্রন্থে, (হব) সহীহ ইবনে হিব্বানে ইবনে হিব্বানের জন্য, (তব) তাবারানীর 'আল-মুজামুল কাবীর'-এর জন্য, (তস) তাঁর 'আল-আওসাত'-এর জন্য, (তস) তাঁর 'আস-সাগীর'-এর জন্য, (স) সাঈদ ইবনে মানসুরের 'সুনান'-এর জন্য, (শ) ইবনে আবু শায়বার জন্য, (অব) আবদুর রাজ্জাকের 'জামি'-এর জন্য, (অ) আবু ইয়া'লার মুসনাদ-এর জন্য, (ক্বত) দারাকুতনীর জন্য; যদি তা 'সুনান' গ্রন্থে থাকে তবে কেবল সংকেত উল্লেখ করেছি, অন্যথায় তা ব্যাখ্যা করেছি। (ফ) দায়লামীর 'মুসনাদুল ফিরদাউস'-এর জন্য, (হল) আবু নুয়াইমের 'আল-হিলইয়াহ' গ্রন্থের জন্য, (হব) বায়হাকীর 'শুআবুল ঈমান'-এর জন্য এবং (হক্ব) বায়হাকীর সুনানুল কুবরা-র জন্য।

(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
له في السنن "عد" لابن عدي في الكامل "عق" للعقيلي في الضعفاء "خط" للخطيب فإن كان في التاريخ أطلقت وإلا بينته وأسأل الله أن يمن بقبوله وأن يجعلنا عنده من حزبه المفلحين وحزب رسوله آمين.

انتهى ديباجة الجامع الصغير.
তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে; ইবনে আদীর 'আল-কামিল' গ্রন্থের জন্য "আদ"; উকাইলীর 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থের জন্য "আক"; খতীবের জন্য "খত", যদি তা 'তারীখ' গ্রন্থে হয় তবে আমি তা সাধারণভাবে উল্লেখ করেছি, অন্যথায় আমি তা স্পষ্ট করে দিয়েছি। আর আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এটি কবুল করার অনুগ্রহ দান করেন এবং আমাদের তাঁর নিকট তাঁর সফলকাম দল ও তাঁর রাসূলের দলের অন্তর্ভুক্ত করেন। আমীন।

আল-জামেউস সাগীর-এর ভূমিকা সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
ديباجة زوائد الجامع الصغير

بسم الله الرحمن الرحيم

وصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم

الحمد لله على أفضاله والصلاة والسلام على سيدنا محمد وصحبه وآله هذا ذيل على كتابي المسمى بالجامع الصغير من حديث البشير النذير سميته "زيادة الجامع" رموزه كرموزه والترتيب كالترتيب وما توفيقي إلا بالله عليه توكلت وإليه أنيب.

ديباجة قسم الأقوال من جمع الجوامع

بسم الله الرحمن الرحيم

وبه نستعين سبحان الله مبدي الكواكب اللوامع، ومنشي السحاب الهوامع، ومعلي السنة الشريفة وأربابها في مجامع الصدور وصدور المجامع، باعث النبي العربي بالكلم الجوامع، والحكم الرواتع (1)

--------------------------------------------

(1) كذا ولعله الروائع
যাওয়ায়েদুল জামিউস সগিরের ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও তাঁর সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

সকল প্রশংসা আল্লাহর তাঁর অনুগ্রহের ওপর এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর সকল সাহাবী ও তাঁর পরিবারের ওপর। এটি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী (নবী)-র হাদিসসমূহের সংকলন 'আল-জামিউস সগির' নামক আমার কিতাবের একটি পরিশিষ্ট। আমি এর নাম রেখেছি "যিয়াদাতুল জামে"; এর সংকেতসমূহ সেই কিতাবের সংকেতসমূহের মতো এবং বিন্যাসও তার বিন্যাসের অনুরূপ। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে; আমি তাঁর ওপরই ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি।

জামউল জাওয়ামে কিতাবের উক্তি (আকওয়াল) অংশের ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করছি। মহিমান্বিত সেই আল্লাহ, যিনি উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজির উদ্ভাসক, এবং বর্ষণমুখর মেঘমালার সৃষ্টিকারী, যিনি সুন্নাহে শরীফাহ এবং এর ধারক-বাহকদের মর্যাদা অন্তরসমূহের সমাবেশস্থলে এবং সমাবেশসমূহের অগ্রভাগে সমুন্নত করেছেন, যিনি আরবি নবীকে ব্যাপক অর্থবোধক বাণী এবং সুমিষ্ট প্রজ্ঞাসহ প্রেরণ করেছেন। (১)

--------------------------------------------

(১) মূলে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি হবে 'আর-রাওয়ায়ি' (চমৎকার)।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
ومؤيده بالدلائل القواطع والبراهين السواطع، فشنف بحديثه المسامع، وسيف من عانده في معارك المعامع، وقطع من أهل الشرك أعناق ومطايا المطامع، وعدهم في المآب، بالحميم والشراب، ولهم من الحديد مقاطع، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه ماانهلت المنابع، وانهلت عند ذكره المدامع وسلم تسليما.

(هذا) كتاب شريف حافل ولباب منيف رافل، بجمع الأحاديث الشريفة النبوية كامل، قصدت فيه إلى استيعاب الأحاديث النبوية ترصدت مفتاحا لأبواب المسانيد العلية

وقسمته قسمين (الأول) أسوق فيه لفظ المصطفى بنصه وأطوق كل خاتم بفصه واتبع متن الحديث بذكر من خرجه من الأئمة أصحاب الكتب المعتبره ومن رواه من الصحابة رضوان الله عليهم أجمعين من واحد إلى عشرة أو أكثر على عشرة وسالكا طريقة يعرف منها صحة الحديث وحسنه وضعفه مرتبا ترتيب اللغة على حروف المعجم مراعيا أول الكلمة فما بعده. ورمزت للبخاري (خ) ولمسلم (م) ولابن حبان (حب) وللحاكم في المستدرك (ك) وللضياء المقدسي في المختارة (ض) وجميع مافي هذه الكتب الخمسة صحيح فالعزو إليها معلم بالصحة
যিনি অকাট্য দলিল ও দেদীপ্যমান প্রমাণের মাধ্যমে সমর্থিত। তিনি তাঁর বাণীর মাধ্যমে কর্ণকুহরকে সুশোভিত করেছেন এবং ঘোরতর যুদ্ধের ময়দানে বিরোধীদের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত ছিলেন। তিনি শিরকপন্থীদের গ্রীবা ও তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার বাহনসমূহ ছিন্ন করেছেন। পরকালে তিনি তাদের ফুটন্ত তপ্ত পানি ও পানীয়ের সংবাদ দিয়েছেন এবং তাদের জন্য রয়েছে লৌহনির্মিত মুদগর। আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সঙ্গী-সাথীদের ওপর, যতক্ষণ ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে এবং তাঁর স্মরণে নেত্রপল্লব অশ্রুসিক্ত হবে।

(এটি একটি) মহিমান্বিত ও সমৃদ্ধ কিতাব এবং উন্নত ও অলংকৃত নির্যাস, যা শরিফ নববী হাদিসসমূহের পূর্ণাঙ্গ সংকলন। এতে আমি নববী হাদিসসমূহকে পূর্ণাঙ্গভাবে সংকলন করার সংকল্প করেছি এবং একে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন মুসনাদ গ্রন্থসমূহের দ্বারের চাবিকাঠি হিসেবে প্রস্তুত করেছি।

আমি একে দুই ভাগে বিভক্ত করেছি। (প্রথম ভাগে) আমি মুস্তফার মূল শব্দাবলি হুবহু উদ্ধৃত করেছি এবং প্রতিটি আংটিকে তার রত্ন দ্বারা শোভিত করেছি। হাদিসের মূল পাঠের পর আমি নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের রচয়িতা সেই ইমামগণের কথা উল্লেখ করেছি যারা হাদিসটি সংকলন করেছেন এবং সেই সাহাবিগণের (আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) নাম উল্লেখ করেছি যারা তা বর্ণনা করেছেন—তাঁদের সংখ্যা একজন থেকে দশজন বা তার বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে আমি এমন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করেছি যার মাধ্যমে হাদিসের বিশুদ্ধতা (সহিহ), শ্রেষ্ঠত্ব (হাসান) ও দুর্বলতা (জইফ) নিরূপণ করা যায়। এটি অভিধানের বর্ণানুক্রম অনুযায়ী সুবিন্যস্ত করা হয়েছে, যেখানে শব্দের প্রথম বর্ণ ও পরবর্তী বর্ণগুলোর ক্রম রক্ষা করা হয়েছে। আমি বুখারির জন্য (খ), মুসলিমের জন্য (ম), ইবনে হিব্বানের জন্য (হাব), মুস্তাদরাক গ্রন্থে হাকেমের জন্য (কা) এবং আল-মুখতারা গ্রন্থে জিয়া আল-মাকদিসির জন্য (দ) প্রতীক ব্যবহার করেছি। এই পাঁচটি কিতাবের অন্তর্ভুক্ত সকল হাদিসই বিশুদ্ধ, তাই এগুলোর প্রতি সম্পৃক্ত করা হাদিসটি সহিহ হওয়ারই প্রমাণ।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
سوى ما في المستدرك من المتعقب فأنبه عليه وكذا ما في موطأ مالك وصحيح ابن خزيمة وأبي عوانة وابن السكن والمنتقى لابن الجارود والمستخرجات فالعزو إليها معلم بالصحة أيضا ورمزت لأبي داود (د) [ورد "لابن داود" في مؤسسة دار الرسالة، وهو خطأ. دار الحديث] ولابن ماجه (هـ) ولأبي داود الطيالسي (ط) ولأحمد (حم) ولزيادات ابنه عبد الله (عم) ولعبد الرزاق (عب) ولسعيد بن منصور (ص) ولابن أبي شيبة (ش) ولأبي يعلى (ع) وللطبراني في الكبير (طب) وفي الأوسط (طس) وللدارقطني (قط) فإن كان في السنن أطلقت وإلا بينته ولأبي نعيم في الحلية (حل) وللبيهقي (ق) فإن كان في السنن أطلقت وإلا بينته وله في شعب الإيمان (هب) وهذه فيها الصحيح والحسن والضعيف فأبينه غالبا، وكل ما كان في مسند أحمد فهو مقبول فإن الضعيف الذي فيه يقرب من الحسن وللعقيلي في الضعفاء (عق) ولابن عدي في الكامل (عد) وللخطيب (خط) فإن كان في تاريخه أطلقت وإلا بينته ولابن عساكر (كر) وكل ماعزي لهؤلاء الأربعة وللحكيم الترمذي في نوادر الأصول أو للحاكم في تاريخه أو لابن الجارود في تاريخه أو للديلمي في مسند الفردوس فهو ضعيف فيستغنى بالعزو إليها أو إلى بعضها عن بيان ضعفه وإذا أطلقت العزو إلى ابن جرير فهو في تهذيب الآثار فإن كان في تفسيره أو تاريخه بينته وحيث

আল-মুস্তাদরাক-এর মধ্যকার সেই সমস্ত বর্ণনা ব্যতীত যেগুলোর ওপর সমালোচনা করা হয়েছে, যা আমি নির্দেশ করব। অনুরূপভাবে ইমাম মালিকের মুওয়াত্ত্বা, সহীহ ইবনে খুযাইমা, আবু আওয়ানা, ইবনেস সাকান, ইবনুল জারুদের আল-মুনতাক্বা এবং মুস্তাখরাজাতসমূহের যা কিছু আছে—এগুলোর দিকে কোনো হাদীসের সম্বন্ধ করা সেটি সহীহ হওয়ার পরিচায়ক। আমি আবু দাউদের জন্য (দ) চিহ্ন ব্যবহার করেছি [মুআসসাসাতু দারির রিসালাহ সংস্করণে ভুলবশত "ইবনে দাউদ" এসেছে, সঠিক হলো দারুল হাদীস], ইবনে মাজাহ-এর জন্য (হ), আবু দাউদ তায়ালাসীর জন্য (ত), আহমাদের জন্য (হম), তার পুত্র আব্দুল্লাহর অতিরিক্ত বর্ণনাগুলোর জন্য (অম), আব্দুর রায্যাকের জন্য (আব), সাঈদ ইবনে মানসুরের জন্য (স), ইবনে আবী শায়বার জন্য (শ), আবু ইয়া'লার জন্য (আ), ত্ববারানীর আল-কবীর-এর জন্য (ত্বব) ও আল-আওসাত-এর জন্য (ত্বস) এবং দারাকুতনীর জন্য (কুত) চিহ্ন ব্যবহার করেছি। যদি সেটি তাঁর সুনান গ্রন্থে হয় তবে আমি সাধারণভাবেই উল্লেখ করেছি, অন্যথায় তা স্পষ্ট করে দিয়েছি। আবু নুআইমের আল-হিলয়াহ-এর জন্য (হিল) এবং বায়হাকীর জন্য (ক) চিহ্ন ব্যবহার করেছি; যদি তাঁর সুনান গ্রন্থে হয় তবে আমি সাধারণভাবেই উল্লেখ করেছি, অন্যথায় স্পষ্ট করে দিয়েছি এবং তাঁর শুআবুল ঈমান-এর জন্য (হব) চিহ্ন ব্যবহার করেছি। এই গ্রন্থগুলোতে সহীহ, হাসান ও যঈফ হাদীস বিদ্যমান রয়েছে, তাই আমি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা স্পষ্ট করে দেই। আর মুসনাদে আহমাদে যা কিছু আছে তা গ্রহণযোগ্য; কারণ এতে যে যঈফ হাদীস রয়েছে তা হাসানের নিকটবর্তী। উকাইলীর আয-যুআফা-এর জন্য (উক), ইবনে আদীর আল-কামিল-এর জন্য (অদ), খতীবের জন্য (খত)—যদি তাঁর তারিখ গ্রন্থে হয় তবে সাধারণভাবেই উল্লেখ করেছি অন্যথায় স্পষ্ট করেছি—এবং ইবনে আসাকিরের জন্য (কর) চিহ্ন ব্যবহার করেছি। এই চারজন এবং হাকীম তিরমিযীর নাওয়াদিরুল উসুল, অথবা হাকীমের তারিখ, অথবা ইবনুল জারুদের তারিখ, কিংবা দাইলামীর মুসনাদুল ফিরদাউস-এর দিকে যা কিছু সম্বন্ধ করা হয়েছে তা যঈফ; সুতরাং এগুলোর দিকে বা এগুলোর কোনো একটির দিকে সম্বন্ধ করাটাই তার দুর্বলতা বর্ণনা থেকে অমুখাপেক্ষী করে দেয়। যখন আমি ইবনে জারীরের দিকে সম্বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোনো গ্রন্থের নাম উল্লেখ করব না, তখন বুঝতে হবে তা তাহযীবুল আসার গ্রন্থে রয়েছে; আর যদি তা তাঁর তাফসীর বা তারিখ গ্রন্থে হয় তবে আমি তা স্পষ্ট করে দিয়েছি। এবং যেখানেই

(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
أطلق في هذا القسم أبو بكر فهو الصديق أو عمر فابن الخطاب أو عثمان فابن عفان أو علي فابن أبي طالب أو سعد فابن أبي وقاص أو أنس فابن مالك أو البراء فابن عازب أو بلال فابن رباح أو جابر فابن عبد الله أو حذيفة فابن اليمان أو معاذ فابن جبل أو معاوية فابن أبي سفيان أو أبو أمامة فالباهلي أو أبو سعيد فالخدري أو العباس فابن عبد المطلب أو عبادة فابن الصامت أو عمار فابن ياسر.

(والثاني) الأحاديث الفعلية المحضة أو المشتملة على قول وفعل أو سبب أو مراجعة أو نحو ذلك مرتبا على مسانيد الصحابة على مايأتي في أول القسم الثاني. وقد سميته "جمع الجوامع" والله سبحانه أسأل المعونة على جمعه والمن بقبوله ونفعه فهو البر الرحيم والجواد الكريم.

روى ابن عساكر في تاريخه عن أبي العباس المرادي. قال رأيت أبا زرعة في النوم فقلت ما فعل الله بك قال لقيت ربي فقال لي يا أبا زرعة أني أوتي بالطفل فآمر به إلى الجنة فكيف بمن (1) ؟ حفظ السنن على عبادي تبوأ من الجنة حيث شئت، وروى أيضا عن حفص ابن عبد الله قال رأيت أبا زرعة في النوم بعد موته يصلي في سماء الدنيا بالملائكة قلت بما نلت هذا قال كتبت بيدي ألف ألف حديث أقول

--------------------------------------------

(1) ن لمن.
এই বিভাগে যদি আবু বকরকে নিঃশর্তভাবে উল্লেখ করা হয়, তবে তিনি হচ্ছেন সিদ্দিক; অথবা উমর বললে তিনি ইবনুল খাত্তাব; উসমান বললে ইবনে আফফান; আলী বললে ইবনে আবি তালিব; সাদ বললে ইবনে আবি ওয়াক্কাস; আনাস বললে ইবনে মালিক; বারা বললে ইবনে আজিব; বিলাল বললে ইবনে রাবাহ; জাবির বললে ইবনে আব্দুল্লাহ; হুযাইফা বললে ইবনুল ইয়ামান; মুআয বললে ইবনে জাবাল; মুআবিয়া বললে ইবনে আবি সুফিয়ান; আবু উমামা বললে আল-বাহিলি; আবু সাঈদ বললে আল-খুদরি; আব্বাস বললে ইবনুল আব্দুল মুত্তালিব; উবাদা বললে ইবনে সামিত; আম্মার বললে ইবনে ইয়াসির।

(দ্বিতীয়টি হলো) বিশুদ্ধ কর্মগত হাদিসসমূহ অথবা যেগুলো কথা ও কাজ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে অথবা কোনো কারণ বা পর্যালোচনা বা অনুরূপ বিষয়াদি রয়েছে, যা সাহাবায়ে কেরামের মুসনাদ অনুযায়ী সাজানো হয়েছে, যেভাবে দ্বিতীয় বিভাগের শুরুতে আসবে। আর আমি এর নাম দিয়েছি "জামউল জাওয়ামি"। আমি মহান আল্লাহর কাছে এটি সংকলনে সাহায্য এবং এর কবুলিয়াত ও উপকারের অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি, কেননা তিনি অত্যন্ত দয়ালু, পরম করুণাময় এবং মহান দাতা।

ইবনে আসাকির তাঁর ইতিহাসে আবু আব্বাস আল-মুরাদি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে আবু যুরআকে দেখেছি। আমি বললাম, আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন, আমি আমার রবের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তখন তিনি আমাকে বললেন: হে আবু যুরআ, আমার কাছে শিশুকে আনা হয় আর আমি তাকে জান্নাতের নির্দেশ দিই, তাহলে সেই ব্যক্তির ব্যাপারে কী ধারণা, যে আমার বান্দাদের জন্য সুন্নাহসমূহ সংরক্ষণ করেছে? জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা সেখানে তোমার স্থান গ্রহণ করো। তিনি হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু যুরআ-এর ইন্তেকালের পর আমি তাঁকে স্বপ্নে দেখলাম যে তিনি দুনিয়ার আকাশে ফেরেশতাদের সাথে সালাত আদায় করছেন। আমি বললাম, আপনি কীভাবে এই মর্যাদা লাভ করলেন? তিনি বললেন, আমি নিজ হাতে দশ লক্ষ হাদিস লিখেছি।

--------------------------------------------

(১) 'ন' বর্ণটি 'লিমান' (সেই ব্যক্তির জন্য) শব্দের প্রতীক।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
فيها عن النبي صلى الله عليه وآله وسلم وقد قال النبي صلى الله عليه وسلم: من صلى علي صلاة صلى الله عليه عشرا.

انتهى ديباجة قسم الأقوال للمؤلف رحمه الله تعالى.

ديباجة قسم الأفعال للمؤلف رحمه الله تعالى

بسم الله الرحمن الرحيم

وبه ثقتي، الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى، لما انتهى قسم الأقوال من كتاب جمع الجوامع مرتبا على حروف المعجم في أول اللفظ النبوي اتبعته ببقية الأحاديث الخارجة عن هذه الشريطة وهي الفعلية المحضه أو المشتملة على فعل وقول أو سبب أو مراجعة أو نحو ذلك ليكون الكتاب جامعا لجميع ما هو موجود من الأحاديث النبوية إن شاء الله، وهذا القسم مرتب على مسانيد الصحابة باديا (1) بالعشرة ثم الباقي على حروف المعجم في الأسماء ثم الكنى كذلك ثم المبهمات ثم بالنسب كذلك ثم بالمراسيل وبالله التوفيق، انتهى خطب المؤلف رحمه الله من الكتب المذكورة ونحن الآن نشرع في التبويب إن شاء تعالى مقدما قسم الأقوال على الأفعال.

--------------------------------------------

(1) ن-باد.
এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত রয়েছে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন।

গ্রন্থকারের (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) কথা সংক্রান্ত (কাউলি) অংশের ভূমিকা সমাপ্ত হলো।

গ্রন্থকারের (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) কর্ম সংক্রান্ত (ফেইলি) অংশের ভূমিকা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং তাঁর ওপরই আমার ভরসা। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাম তাঁর সেই বান্দাদের প্রতি যাদের তিনি মনোনীত করেছেন। যখন 'জামি’উল জাওয়ামি' গ্রন্থের কথা সংক্রান্ত (কাউলি) অংশটি নববি বাণীর প্রথম অক্ষর অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যাস করা শেষ হলো, তখন আমি এর সাথে অবশিষ্ট সেই হাদিসগুলো যুক্ত করেছি যা এই শর্তের বাইরে ছিল। আর সেগুলো হলো নিছক কর্ম সম্পর্কিত হাদিস অথবা এমন হাদিস যা কর্ম ও কথা উভয়টিকেই অন্তর্ভুক্ত করে, কিংবা কোনো প্রেক্ষাপট, পর্যালোচনা বা এই জাতীয় বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট; যাতে আল্লাহ চাহেন তো বইটি বিদ্যমান সকল নববি হাদিসের একটি সংকলন হতে পারে। এই অংশটি সাহাবীদের মুসনাদ অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। শুরুতে রয়েছে (১) দশজন (আশারায়ে মুবাশশারা), এরপর অবশিষ্টদের নাম বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়েছে, এরপর একইভাবে উপনামসমূহ (কুনিয়া), তারপর নাম অজ্ঞাত ব্যক্তিগণ (মুবহামাত), এরপর একইভাবে বংশ পরিচয় অনুযায়ী এবং সবশেষে মুরসাল হাদিসসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। আর আল্লাহর সাহায্যেই সফলতা অর্জিত হয়। উল্লেখিত গ্রন্থসমূহ থেকে গ্রন্থকারের (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) ভূমিকাগুলো এখানেই শেষ হলো। আর এখন আমরা ইনশাআল্লাহ অধ্যায়ভিত্তিক বিন্যাস শুরু করছি, যেখানে কথা সংক্রান্ত অংশটিকে কর্ম সংক্রান্ত অংশের আগে উপস্থাপন করা হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপি ‘নুন’-এ রয়েছে ‘বাদা’।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
واعلم أن المؤلف رحمه الله تعالى جعل رمز البيهقي في جمع الجوامع (ق) وفي الجامع الصغير وزوائده (ق) رمز الشيخين فأنت إذا رأيت رمز القاف في أحاديث الإكمال فاعلم أنها رمز البيهقي وإذا رأيت القاف في أحاديث الجامع الصغير أو زوائده فاعلم أنها رمز الشيخين فلا تغفل عن ذلك والله الموفق - لارب سواه.

ثم إن المؤلف رحمه الله تعالى قد يذكر في جمع الجوامع رمز (بز) وربما يكتب (ز) وما نبه في الخطبة أنهما لمن فلعله نسي ذلك أو هو سهو من الكاتب فالغالب أنهما لأبي حامد يحيى بن بلال البزاز فليعلم، ونحن الآن نشرع في المقصود فنذكر أولا فهرست الكتاب فإنه أفيد للطلاب وأنفع للإحاطة بجميع مافي الكتاب فنقول.

حرف الهمزه - كتاب الإيمان والإسلام باب في تعريفهما حقيقة ومجازا (فصل في حقيقتهما) فصل في المجاز والشعب (فصل في فضلهما) (فصل في أحكامهما وأحكام البيعة والإيمان بالقدر وصفات المؤمنين والمنافقين) - باب في الإعتصام بالكتاب والسنة (فصل في البدعة) باب في اللواحق المشتملة على فصول من صفات الله المتشابهات وقلة الإسلام وغربته وخطرات القلب وتقلبه ووسوسة الشيطان فيه وذم أخلاق الجاهلية وأحاديث متفرقة (كتاب الأذكار) باب الذكر وفضيلته

জেনে রাখুন যে, গ্রন্থকার (রহমাতুল্লাহি তা'আলা) 'জামউল জাওয়ামি' গ্রন্থে বায়হাকীর প্রতীক হিসেবে (ক্বাফ) ব্যবহার করেছেন এবং 'আল-জামি'উস সাগীর' ও এর পরিশিষ্টে (ক্বাফ) দ্বারা শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) বুঝিয়েছেন। সুতরাং আপনি যখন 'আল-ইকমাল'-এর হাদীসসমূহে 'ক্বাফ' প্রতীকটি দেখবেন, তখন জেনে নিন যে এটি বায়হাকীর প্রতীক; আর যখন 'আল-জামি'উস সাগীর' বা এর পরিশিষ্টের হাদীসসমূহে 'ক্বাফ' দেখবেন, তখন জানবেন যে এটি শায়খাইনের প্রতীক। সুতরাং এ বিষয়ে অমনোযোগী হবেন না। আল্লাহই তাওফীকদাতা - তিনি ছাড়া কোনো প্রতিপালক নেই।

অতঃপর গ্রন্থকার (রহমাতুল্লাহি তা'আলা) কখনো কখনো 'জামউল জাওয়ামি' গ্রন্থে (বা-যা) প্রতীক উল্লেখ করেন এবং সম্ভবত কখনও কখনও শুধু (যা) লিখেন; অথচ তিনি ভূমিকায় সতর্ক করেননি যে এই দুটি কার প্রতীক। সম্ভবত তিনি তা ভুলে গেছেন অথবা এটি অনুলিপিকারীর ভুল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই দুটি প্রতীক আবু হামিদ ইয়াহইয়া বিন বিলাল আল-বাজ্জায-এর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি জেনে রাখা উচিত। এখন আমরা মূল প্রসঙ্গের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। প্রথমে আমরা কিতাবের সূচিপত্র উল্লেখ করব, কারণ এটি শিক্ষার্থীদের জন্য অধিক ফলপ্রসূ এবং কিতাবের অন্তর্ভুক্ত সমস্ত বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের জন্য অধিক উপকারী। সুতরাং আমরা বলছি:

হামযাহ বর্ণ - ঈমান ও ইসলাম অধ্যায়: প্রকৃত ও রূপক অর্থে এ দুটির সংজ্ঞা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ (এ দুটির প্রকৃত অর্থ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ), রূপক অর্থ ও শাখা-প্রশাখা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ (এ দুটির মর্যাদা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ), (এ দুটির বিধান, আনুগত্যের শপথের বিধানসমূহ, তাকদীরের প্রতি ঈমান এবং মুমিন ও মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ) - কিতাব ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ (বিদআত সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ), অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ যা আল্লাহর সদৃশ গুণাবলি (সিফাতে মুতাশাবিহাত), ইসলামের সংখ্যাস্বল্পতা ও এর অসহায়ত্ব (গুরবাত), অন্তরের খেয়াল ও এর পরিবর্তনশীলতা, এতে শয়তানের কুমন্ত্রণা, জাহিলিয়াতের স্বভাব-চরিত্রের নিন্দা এবং বিবিধ হাদীস সম্বলিত অনুচ্ছেদসমূহ নিয়ে গঠিত। (যিকর অধ্যায়) যিকর ও এর ফযীলত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
باب في أسماء الله الحسنى واسمه الأعظم (باب في الحوقلة) باب في التسبيح باب في الاستغفار باب في الصلاة عليه صلى الله عليه وسلم (باب في تلاوة القرآن) وفيه فصول مشتملة على فضائل القرآن مطلقا ثم فضائل السور والآيات وآداب التلاوة وتفسير بعض الآيات ولواحق كتاب الأذكار (باب) في الدعاء وفضله وآدابه ومحظوراته وأوقات الإجابة والأدعية الموقتة وغير الموقتة (كتاب الأخلاق) وفيه بابان باب في الأخلاق والأفعال المحمودة وفيه فصلان وباب فن الاخلاق والافعال المذمومة أيضا وفيه فصلان (كتاب الاجازة (كتاب الايلاء) .

حرف الباء - كتاب البيع باب في الكسب وفضيلته وأنواعه وآدابه ومحظوراته وأحكامه باب في الاحتكار والتسعير (باب في الربا وأحكامه) وأحاديث بر الوالدين وبر الأولاد ذكرت في آواخر كتاب النكاح وأحاديث صلة الرحم وقطعه ذكرت في كتاب الأخلاق في حرف الصاد فتفطن.

حرف الجيم (كتاب الجهاد ويشتمل على أبواب من الترغيب فيه وآداب وأحكامه ومحظوراته وفضل الشهادة الحقيقية والحكمية ولواحق الكتاب) .
আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহ ও তাঁর মহান নাম সংক্রান্ত অধ্যায় (হাওকালা তথা 'লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' সংক্রান্ত অধ্যায়), তাসবীহ সংক্রান্ত অধ্যায়, ইস্তিগফার সংক্রান্ত অধ্যায়, তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওপর দরুদ পাঠ সংক্রান্ত অধ্যায়, (কুরআন তিলাওয়াত সংক্রান্ত অধ্যায়); এতে কুরআনের সাধারণ ফযিলত, অতঃপর বিভিন্ন সূরা ও আয়াতের ফযিলত, তিলাওয়াতের আদব, নির্দিষ্ট কিছু আয়াতের তাফসীর এবং যিকির অধ্যায়ের পরিশিষ্টসমূহ সম্বলিত বিভিন্ন অনুচ্ছেদ রয়েছে। দুআ, এর ফযিলত, আদব, নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ, কবুল হওয়ার সময়সমূহ এবং নির্ধারিত ও অনির্ধারিত সময়ের দুআসমূহ সংক্রান্ত (অধ্যায়)। (চরিত্র সংক্রান্ত কিতাব); এতে দুটি অধ্যায় রয়েছে: প্রশংসনীয় চরিত্র ও কার্যাবলি সংক্রান্ত অধ্যায় যাতে দুটি অনুচ্ছেদ বিদ্যমান, এবং নিন্দনীয় চরিত্র ও কার্যাবলি সংক্রান্ত অধ্যায় যাতে দুটি অনুচ্ছেদ বিদ্যমান। (ইজাযাহ সংক্রান্ত কিতাব), (ঈলা সংক্রান্ত কিতাব)।

বা বর্ণমালা - ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত কিতাব; উপার্জন, এর ফযিলত, প্রকারভেদ, আদব, নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ ও এর বিধানসমূহ সংক্রান্ত অধ্যায়; মজুদদারি ও মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত অধ্যায়; (সুদ ও এর বিধানসমূহ সংক্রান্ত অধ্যায়)। পিতামাতার প্রতি সদাচরণ এবং সন্তানদের প্রতি সদাচরণের হাদিসসমূহ বিবাহ অধ্যায়ের শেষাংশে উল্লেখ করা হয়েছে। আর আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা ছিন্ন করা সংক্রান্ত হাদিসসমূহ চরিত্র অধ্যায়ের 'সোয়াদ' বর্ণের অধীনে উল্লেখ করা হয়েছে, সুতরাং বিষয়টি স্মরণে রাখুন।

জীম বর্ণমালা (জিহাদ সংক্রান্ত কিতাব; এটি জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ, এর আদব, বিধানসমূহ, নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ, প্রকৃত ও হুকমি শাহাদাতের ফযিলত এবং এই কিতাবের পরিশিষ্টসমূহ সম্বলিত বিভিন্ন অধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করে)।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
حرف التاء - كتاب التوبة فيه أبواب مشتملة على فضله وأحكامه ولواحقه وبيان خفايا ألطافه تعالى وسبق رحمته غضبه (كتاب التفليس) .

حرف الحاء (كتاب الحج والعمرة) (كتاب الحدود) وهو مشتمل على أنواعها من حد الزنا واللواطة وشرب الخمر والسرقة ولواحق الكتاب وأحاديث البغاة بعضها ذكر في كتاب الأذكار في باب التفسير من قسم الأفعال تحت قوله تعالى {إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ} الآية وبعضها ذكر في كتاب الجهاد في باب اللواحق وقتال البغاة من قسم الأفعال (كتاب الحضانة) (كتاب الحواله) .

حرف الخاء (كتاب الخلافة والإمارة والقضاء) (كتاب خلق العالم) (كتاب الخلع) .

حرف الدال (كتاب الدعوى) (كتاب الدين والسلم) .

حرف الذال (كتاب الذبح) .

حرف الراء (كتاب الرضاع) (كتاب الرهن) .

حرف الزاء (كتاب الزكاة) (باب في الوجوب والترغيب فيها والترهيب عن منعها وبيان أحكامها) (باب في السخاء والصدقة وآدابها وأنواعها ومصرفها) (باب في فضل الفقر والفقراء ومايتعلق به وذم
‘তা’ বর্ণ - তওবা অধ্যায়: এতে এর মর্যাদা, বিধানাবলি, আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ এবং মহান আল্লাহর সূক্ষ্ম অনুগ্রহের রহস্য ও তাঁর ক্রোধের ওপর রহমতের অগ্রগণ্যতার বর্ণনা সংবলিত পরিচ্ছেদসমূহ রয়েছে। (দেউলিয়া হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়)।

‘হা’ বর্ণ - (হজ ও ওমরাহ অধ্যায়) (দণ্ডবিধি অধ্যায়): এটি যিনা, সমকামিতা, মদ্যপান ও চুরির দণ্ডসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন প্রকার ও এর আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে। বিদ্রোহীদের সংক্রান্ত হাদিসসমূহ; যার কিছু ‘যিকর’ অধ্যায়ের কার্যাবলি বিভাগের তাফসির পরিচ্ছেদে মহান আল্লাহর বাণী— {নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে} আয়াতের অধীনে বর্ণিত হয়েছে এবং কিছু ‘জিহাদ’ অধ্যায়ের আনুষঙ্গিক ও বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ সংক্রান্ত কার্যাবলি বিভাগে বর্ণিত হয়েছে। (শিশুপালন অধ্যায়) (ঋণ স্থানান্তর অধ্যায়)।

‘খা’ বর্ণ - (খিলাফত, নেতৃত্ব ও বিচার বিভাগীয় অধ্যায়) (সৃষ্টিজগত সৃজন অধ্যায়) (খুলা তালাক অধ্যায়)।

‘দাল’ বর্ণ - (দাবি-দাওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়) (ঋণ ও অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়)।

‘যাল’ বর্ণ - (যবেহ সংক্রান্ত অধ্যায়)।

‘রা’ বর্ণ - (দুগ্ধপান অধ্যায়) (বন্ধক অধ্যায়)।

‘যা’ বর্ণ - (যাকাত অধ্যায়) (যাকাতের আবশ্যকতা, এর প্রতি উৎসাহ প্রদান, এটি প্রদান না করার ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন এবং এর বিধানাবলি সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ) (দানশীলতা ও সদকা এবং এর আদব, প্রকারভেদ ও ব্যয়ের খাত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ) (দারিদ্র্য ও দরিদ্রদের মর্যাদা এবং এ সংশ্লিষ্ট বিষয় ও নিন্দা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ...
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
السؤال وآداب طلب الحاجة وقبول العطاء) (كتاب الزينة) والتجمل وهو مشتمل على أنواعها من الاكتحال والإدهان والحلق والتقصير والخضاب والتطيب.

حرف السين (كتاب السفر) (كتاب السحر والعين والكهانة والعرافة والسخاء والانفاق ذكرا في الزكاة.

حرف الشين (كتاب الشفعة) (كتاب الشهادات) (كتاب الشمائل) (باب في حليته صلى الله عليه وسلم (باب في شمائل تتعلق بالعبادات من الطهارة والصلاة والذكر والدعاء والصوم والإعتكاف والحج والجهاد ومايتعلق به من الآلات وآداب السفر) (باب في شمائل تتعلق بالعادات والمعيشة من الطعام والشراب واللباس والزينة والاكتحال والتختم والطلاء والحلق والتقصير والنكاح وآدابها والقسم والمباشرة) (باب في شمائل تتعلق بأخلاقه وأفعاله صلى الله عليه وسلم من الشكر والضحك والمزاح والغضب والسخاء والفقر وآداب خروجه من البيت وتكلمه وجلوسه وأخلاق تتعلق بحقوق الصحبة من السلام والاستئذان والمصافحة) .

حرف الصاد - (كتاب الصلاة ومايتعلق بها فيه ستة أبواب تشتمل على ستة عشر فصلا) (كتاب الصوم فيه بابان فيهما ثمانية فصول) (كتاب الصحبة) فيه ثلاثة أبواب (باب في الترغيب فيها
(সওয়াল বা যাঞ্চা করা এবং প্রয়োজন প্রার্থনা ও দান গ্রহণের আদবসমূহ) (সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য মণ্ডিত হওয়া বিষয়ক কিতাব) যা সুরমা লাগানো, তেল মাখা, মুণ্ডন ও চুল ছোট করা, খেজাব লাগানো এবং সুগন্ধি ব্যবহারের মতো এর বিভিন্ন প্রকারসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সিন বর্ণ (ভ্রমণ বিষয়ক কিতাব) (জাদু, নজর লাগা, গণকবিদ্যা ও জ্যোতিষশাস্ত্র বিষয়ক কিতাব; আর বদান্যতা ও ব্যয় করার বিষয়টি যাকাত অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

শীন বর্ণ (শুফআ বা প্রাক-ক্রয়াধিকার বিষয়ক কিতাব) (সাক্ষ্য প্রদান বিষয়ক কিতাব) (শামায়েল বা গুণাবলি বিষয়ক কিতাব) (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শারীরিক অবয়ব ও ভূষণ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ) (পবিত্রতা, সালাত, যিকর, দুআ, সিয়াম, ইতিকাফ, হজ, জিহাদ ও তৎসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম এবং সফরের আদব সংক্রান্ত ইবাদত সংশ্লিষ্ট শামায়েল বিষয়ক পরিচ্ছেদ) (খাদ্য, পানীয়, পোশাক, সাজসজ্জা, সুরমা লাগানো, আংটি পরা, প্রলেপ লাগানো, মুণ্ডন ও চুল ছোট করা, বিবাহ ও তার আদবসমূহ এবং পালাবণ্টন ও দাম্পত্য মিলন সংক্রান্ত অভ্যাস ও জীবনযাপন সংশ্লিষ্ট শামায়েল বিষয়ক পরিচ্ছেদ) (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চরিত্র ও কার্যাবলি সংশ্লিষ্ট শামায়েল বিষয়ক পরিচ্ছেদ; যার মধ্যে রয়েছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, হাসি, কৌতুক, রাগ, বদান্যতা, দারিদ্র্য এবং তাঁর ঘর থেকে বের হওয়ার আদবসমূহ, তাঁর কথা বলা, বসা এবং সালাম, অনুমতি গ্রহণ ও মুসাফাহা করার মতো সাহচর্যের অধিকার সংশ্লিষ্ট শিষ্টাচারসমূহ)।

সা'দ বর্ণ - (সালাত ও তৎসংশ্লিষ্ট কিতাব, এতে ছয়টি পরিচ্ছেদ রয়েছে যা ষোলটি অনুচ্ছেদকে অন্তর্ভুক্ত করে) (সিয়াম বা রোজা বিষয়ক কিতাব, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে যার মধ্যে আটটি অনুচ্ছেদ আছে) (সাহচর্য বা বন্ধুত্ব বিষয়ক কিতাব), এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে (এ বিষয়ে উৎসাহিত করার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
وآدابها) (باب في الترهيب عنها) و (باب في حقوق تترتب على الصحبة من حق الجار والمركوب وآداب الركوب وحق المملوك على السيد وبالعكس وعيادة المريض والاستئذان والسلام وفضائله وآدابه ومحظوراته والمصافحة وحق المجالس والجلوس والتعظيم والقيام والعطاس والتشميت والتثاؤب) (كتاب الصيد) .

حرف الضاد (كتاب الضيافة وآدابها) .

حرف الطاء ومايتعلق به من الطعام وآداب الأكل نذكره في كتاب المعيشة من حرف الميم (كتاب الطهارة) وفيه خمسة أبواب فيها أربعة عشر فصلا (كتاب الطلاق وفيه العدة والاستبراء والتحليل) (كتاب الطب والرقى والطاعون والوباء) ذكر أحاديث الطاعون من قسم الأقوال في ترجمة الشهادة من حرف الجيم (كتاب الطيرة والفال والعدوى) .

حرف الظاء (كتاب الظهار) حرف العين (كتاب العلم) (كتاب العارية) (كتاب العظمة والقدرة) .

حرف الغين (كتاب الغضب) (كتاب الغزوات) .

حرف الفاء - الفقر ومايتعلق به ذكر في كتاب الزكاة من حرف الزاء (كتاب الفرائض) (كتاب الفراسة) (كتاب الفضائل) وفيه أبواب تشتمل على أبواب من فضائل نبينا محمد صلى الله عليه وسلم وسائر
এবং এর শিষ্টাচারসমূহ) (তা হতে ভীতি প্রদর্শন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ) এবং (বন্ধুত্ব ও সাহচর্যের ফলে অর্পিত অধিকারসমূহ যেমন—প্রতিবেশীর অধিকার, আরোহণের বাহন ও আরোহণের শিষ্টাচার, মালিকের ওপর দাসের অধিকার এবং এর বিপরীত, অসুস্থ ব্যক্তির সেবা, অনুমতি গ্রহণ, সালাম এবং এর ফযীলত, শিষ্টাচার ও নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ, মুসাফাহা বা করমর্দন, মজলিসের অধিকার ও বসার নিয়ম, সম্মান প্রদর্শন ও দাঁড়ানো, হাঁচি দেওয়া ও হাঁচির জবাব দেওয়া এবং হাই তোলা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ) (শিকার বিষয়ক অধ্যায়)।

দদ বর্ণ (আতিথেয়তা ও এর শিষ্টাচার বিষয়ক অধ্যায়)।

ত্ব বর্ণ এবং খাদ্য ও আহারের শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিষয়াদি; আমরা তা মীম বর্ণের অধীনে জীবিকা নির্বাহ অধ্যায়ে উল্লেখ করব (পবিত্রতা বিষয়ক অধ্যায়), এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ ও চৌদ্দটি অনুচ্ছেদ রয়েছে (তালাক বিষয়ক অধ্যায়, এতে ইদ্দত, ইস্তিবরা ও তাহলীল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে) (চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, প্লেগ ও মহামারি বিষয়ক অধ্যায়), প্লেগ সংক্রান্ত হাদিসসমূহ জীম বর্ণের অধীনে শাহাদাত অধ্যায়ের মৌখিক বর্ণনা অংশে উল্লেখ করা হয়েছে (কুলক্ষণ, শুভক্ষণ ও সংক্রমণ বিষয়ক অধ্যায়)।

য বর্ণ (যিহার বিষয়ক অধ্যায়) আইন বর্ণ (জ্ঞান বা ইলম বিষয়ক অধ্যায়) (আরিআত বা ধার প্রদান বিষয়ক অধ্যায়) (মহিমা ও কুদরত বিষয়ক অধ্যায়)।

গাইন বর্ণ (ক্রোধ বিষয়ক অধ্যায়) (যুদ্ধাভিযান বিষয়ক অধ্যায়)।

ফা বর্ণ - দারিদ্র্য ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি যা বর্ণের অধীনে যাকাত অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে (ফারায়েয বা উত্তরাধিকার আইন বিষয়ক অধ্যায়) (অন্তর্দৃষ্টি বা ফিরাসাত বিষয়ক অধ্যায়) (ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক অধ্যায়), এতে এমন কিছু পরিচ্ছেদ রয়েছে যা আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং অন্যান্যদের ফযীলতসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
الأنبياء صلاة الله عليهم أجمعين وفضائل القبائل وأهل البيت وهذه الأمة الإسلامية والأمكنة والأزمنة والحيوانات والأشجار والثمار (كتاب الفتن) (باب في الوصية عند ظهور الفتن) (باب في الفتن والهرج والمرج) (باب في قتل الخوارج) .

حرف القاف - القضاء ومايتعلق به ذكر في الخلافة من حرف الخاء (كتاب القيامة) (باب في أمور تحدث قبلها من خروج الكذابين وأشراطها الصغرى وأشراطها الكبرى من خروج النار وطلوع الشمس من مغربها والخسف وخروج الدجال ونزول عيسى عليه السلام وخروج المهدي والدابة ويأجوج ومأجوج) . (باب في أمور تحدث بعدها من نفخ الصور والبعث والحشر والحساب والميزان والصراط والشفاعة وورود الحوض والجنة والنار وصفة أهلها وذبح الموت وصفة الحور ورؤية الله تعالى وأحوال أطفال المؤمنين والمشركين) (كتاب القرض والمضاربة) (كتاب القصاص والديات) (كتاب القصص) .

(حرف الكاف) (كتاب الكفالة) .

(حرف اللام) اللباس ومايتعلق به نذكره في المعيشة من حرف الميم (كتاب اللقطة) (كتاب اللقيط) (كتاب اللهو واللعب والتغني) (كتاب اللعان) .
নবীগণ (তাঁদের সকলের প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক), গোত্রসমূহের ফযিলত, আহলে বাইত, এই উম্মতে মুহাম্মদী, বিভিন্ন স্থান ও কাল এবং পশুপাখি, বৃক্ষ ও ফলসমূহ। (ফিতনা অধ্যায়) (ফিতনা প্রকাশ পাওয়ার সময় অসিয়ত করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ) (ফিতনা ও বিশৃঙ্খলা বিষয়ক পরিচ্ছেদ) (খারেজীদের হত্যা করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ)।

হরফ ক্বাফ - বিচারব্যবস্থা এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি, যা ‘খা’ হরফের অধীনে ‘খিলাফত’ শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে। (কিয়ামত অধ্যায়) (কিয়ামতের আগে সংঘটিতব্য বিষয়াবলি: মিথ্যুকদের আত্মপ্রকাশ, কিয়ামতের ছোট ও বড় আলামতসমূহ যথা- অগ্নি নির্গমন, পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্যোদয়, ভূমিধস, দাজ্জালের বহিপ্রকাশ, ঈসা আলাইহিস সালামের অবতরণ, মাহদীর আগমন, দাব্বাতুল আরদ এবং ইয়াজুজ ও মাজুজের আত্মপ্রকাশ বিষয়ক পরিচ্ছেদ)। (কিয়ামতের পরে সংঘটিতব্য বিষয়াবলি: সিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া, পুনরুত্থান, হাশর, হিসাব-নিকাশ, মিযান, সিরাত, সুপারিশ, হাউজে উপস্থিত হওয়া, জান্নাত ও জাহান্নাম এবং তাদের অধিবাসীদের বর্ণনা, মৃত্যুকে জবাই করা, হুরদের বর্ণনা, মহান আল্লাহকে দর্শন এবং মুমিন ও মুশরিকদের শিশুদের অবস্থা বিষয়ক পরিচ্ছেদ) (ঋণ ও মুদারাবা অধ্যায়) (কিসাস ও দিয়াত অধ্যায়) (কাহিনীসমূহ অধ্যায়)।

(হরফ কাফ) (জামিননামা অধ্যায়)।

(হরফ লাম) পোশাক-পরিচ্ছদ ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি যা আমরা ‘মিম’ হরফের অধীনে ‘জীবিকা’ অধ্যায়ে উল্লেখ করব, (কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু অধ্যায়) (কুড়িয়ে পাওয়া শিশু অধ্যায়) (আমোদ-প্রমোদ, খেলাধুলা ও গান-বাজনা অধ্যায়) (লিআন অধ্যায়)।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
حرف الميم - (كتاب المزارعة) (كتاب المعيشة والعادات فيه أبواب مشتملة على آداب الأكل والشراب واللباس ومحظوراتها وآداب النوم وتعبير الرؤيا وبناء البيت وآداب دخوله وخروجه وحكم السكنى والإقامة وآداب التنعل والمشي) (كتاب المواعظ والحكم) (كتاب الموت ومايتعلق به من أمور قبل الدفن من تلقين المحتضر والغسل والتكفين والتشييع والصلاة والدفن وذم النياحة ومن أمور بعد الدفن من سؤال القبر وعذابه وزيارة القبور والتعزية وفضيلة طول العمر ولواحق الكتاب.

حرف النون (كتاب النكاح) فيه أبواب مشتملة على الترغيب والترهيب والأداب والأحكام من الولاء والاستيذان والكفاءة والصداق وبليان نساء المحارم ومشتملة على حق الزوج على المرأة وبالعكس وعلى ترغيبات وترهيبات تختص بالنساء وعلى الأولاد وحقوقهم من التسمية والكنى والعقيقة والختان وغير ذلك وعلى بر الوالدين ولواحق الكتاب.

حرف الواو (كتاب الوصية) (كتاب الوديعة) (كتاب الوقف) .

حرف الهاء (كتاب الهبة) (كتاب الهجرتين) .

حرف الياء (كتاب اليمين والنذر) (خاتمة في المتفرقات) .
বর্ণ ‘মীম’ - (বর্গা চাষের অধ্যায়) (জীবনযাত্রা ও অভ্যাস সংক্রান্ত অধ্যায়: এতে পানাহার ও পোশাক-পরিচ্ছদের আদব এবং সেগুলোর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ, ঘুমের আদব, স্বপ্নের ব্যাখ্যা, ঘর নির্মাণ এবং ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার আদব, বসবাস ও অবস্থানের বিধান এবং জুতা পরিধান ও হাঁটার আদব সম্বলিত বিভিন্ন পরিচ্ছেদ রয়েছে) (উপদেশ ও প্রজ্ঞার অধ্যায়) (মৃত্যু এবং দাফনের পূর্ববর্তী বিষয়াদি যেমন—মুমূর্ষুকে তালকিন করা, গোসল, কাফন, জানাজা, সালাত, দাফন এবং উচ্চস্বরে বিলাপের নিন্দা, আর দাফনের পরবর্তী বিষয়াদি যেমন—কবরের সওয়াল-জওয়াব ও কবরের আজাব, কবর জিয়ারত, শোক প্রকাশ, দীর্ঘায়ুর ফযিলত এবং এই অধ্যায়ের পরিশিষ্টসমূহ)।

বর্ণ ‘নূন’ (বিবাহের অধ্যায়): এতে উৎসাহ প্রদান ও ভীতি প্রদর্শন এবং আদব ও বিধানসমূহ যেমন—আনুগত্য, অনুমতি গ্রহণ, সমতা, মোহর এবং মাহরাম নারীদের বর্ণনা সম্বলিত বিভিন্ন পরিচ্ছেদ রয়েছে; আরও রয়েছে স্ত্রীর ওপর স্বামীর অধিকার এবং এর বিপরীত, নারীদের জন্য বিশেষ উৎসাহ ও ভীতি প্রদর্শন, সন্তানাদি এবং তাদের নাম রাখা, উপনাম রাখা, আকিকা, খতনা ইত্যাদি অধিকার এবং পিতামাতার প্রতি সদাচার ও এই অধ্যায়ের পরিশিষ্টসমূহ।

বর্ণ ‘ওয়াও’ (অসিয়তের অধ্যায়) (আমানতের অধ্যায়) (ওয়াকফ সংক্রান্ত অধ্যায়)।

বর্ণ ‘হা’ (হেবা বা দান সংক্রান্ত অধ্যায়) (দুই হিজরতের অধ্যায়)।

বর্ণ ‘ইয়া’ (শপথ ও মানতের অধ্যায়) (বিবিধ বিষয়ের উপসংহার)।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله رب العالمين، وجد بخط الشيخ جلال الدين السيوطي رحمه الله تعالى ما صورته: الحمد لله وسلام على عباده الذين اصطفى. هذه تذكرة مباركة بأسماء الكتب التي أهنيت (1) مطالعتها على تأليف جمع الجوامع خشية أن تهجم المنية قبل تمامه على الوجه الذي قصدته فيقضي الله من يذيل عليه فإذا عرف ماانتهت مطالعته استغنى عن مراجعته ونظر ماسواه من الكتب الستة. الموطأ. مسند الشافعي. مسند الطيالسي. مسند أحمد. مسند عبد بن حميد. مسند الحميدي. مسند ابن عمران العدني. معجم البغوي. معجم ابن قانع. فوائد سموية. المختار للضياء المقدسي. طبقات ابن سعد. تاريخ دمشق لابن عساكر. معرفة الصحابة للبارودي. ولم أقف على سوى الجزء الأول منه وانتهى إلى أثناء حرف السين. المصاحف لابن البارودي.

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। শাইখ জালালুদ্দিন সুয়ূতী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর হস্তাক্ষরে যা পাওয়া গিয়েছে তার অনুলিপি নিম্নরূপ: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং তাঁর নির্বাচিত বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। এটি সেই কিতাবসমূহের নামের একটি বরকতময় স্মারক, যেগুলোর পাঠ আমি 'জামউল জাওয়ামি' সংকলনের উদ্দেশ্যে সম্পন্ন করেছি (১), এই আশঙ্কায় যে, আমার অভীষ্ট লক্ষ্য অনুযায়ী এটি পূর্ণ করার পূর্বেই হয়তো মৃত্যু উপস্থিত হতে পারে। ফলে আল্লাহ এমন কাউকে নির্ধারিত করবেন যিনি এর পরিশিষ্ট লিখবেন; সুতরাং যখন তিনি জানতে পারবেন কোন কিতাবগুলোর অধ্যয়ন সমাপ্ত হয়েছে, তখন তিনি সেগুলো পুনরায় দেখা থেকে অব্যাহতি পাবেন এবং তা ব্যতীত অন্যান্য কিতাবগুলোর দিকে দৃষ্টি দেবেন। সেগুলো হলো: কুতুবে সিত্তা। মুয়াত্তা। মুসনাদে শাফিয়ী। মুসনাদে তায়ালিসী। মুসনাদে আহমাদ। মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ। মুসনাদে হুমাইদী। মুসনাদে ইবনে ইমরান আল-আদানী। মু'জামুল বাগাওয়ী। মু'জাম ইবনে কানি। ফাওয়াইদে সামাওয়ীয়্যাহ। জিয়া আল-মাকদিসীর আল-মুখতার। তাবাকাতে ইবনে সাদ। ইবনে আসাকিরের তারিখু দামেশক। আল-বারুদীর মারিফাতুস সাহাবাহ—আমি এর কেবল প্রথম খণ্ডটিই পেয়েছি এবং এটি 'সিন' বর্ণের মাঝামাঝি পর্যন্ত পৌঁছে সমাপ্ত হয়েছে। ইবনে আল-বারুদীর আল-মাসাহিফ।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
الوقف والابتداء له. فضائل القرآن لابن الضريس. الزهد لابن المبارك. الزهد لهناد السري. المعجم الكبير للطبراني. المعجم الأوسط. المعجم الصغير له. مسند أبي يعلى. تاريخ بغداد للخطيب. الحلية لأبي نعيم. الطب النبوي له. فضائل الصحابة له. كتاب الهدى له. تاريخ بغداد لابن النجار. الألقاب للشيرازي. الكنى لأبي أحمد الحاكم. اعتلال القلوب للخرائطي. الإبانة لأبي نصر عبد الله بن سعيد ابن حاتم السجزي. الأفراد للدارقطني. عمل اليوم والليلة لابن السني. الطب النبوي له. العظمة لابن الشيخ. الصلاه لمحمد بن المرزوي. نوادر الأصول للحكيم الترمذي. الأمالي لأبي القاسم الحسين بن هبة الله ابن صهري. ذم الغيبة لابن أبي الدنيا. ذم الغضب له. مكائد الشيطان له. الأخوان له. قضاء الحوائج له. المستدرك لأبي عبد الله الحاكم. السنن الكبير للبيهقي. شعب الإيمان له. المعرفة له. البعث له. دلائل النبوة له. الأسماء والصفات له. مكارم الأخلاق للخراطي. مساوي الأخلاق له. مسند الحارث بن أبي أسامة. مسند أبي بكر ابن أبي شيبة. مسند مسدد. مسند أحمد بن منيع. مسند إسحاق ابن راهويه. صحيح ابن حبان. فوائد نمام الخليعات. الغيلانيات
ওয়াকফ ও ইবতিদা তাঁর রচিত। ইবনুয যুরাইসের ফাদায়িলুল কুরআন। ইবনুল মুবারকের আয-যুহদ। হান্নাদ আস-সারির আয-যুহদ। তাবারানির আল-মু'জামুল কাবীর। তাঁর আল-মু'জামুল আওসাত। তাঁর আল-মু'জামুস সাগীর। আবু ইয়া'লার মুসনাদ। খতীবের তারিখু বাগদাদ। আবু নুআইমের আল-হিলইয়াহ। তাঁর আত-তিব্বুন নববী। তাঁর ফাদায়িলুস সাহাবা। তাঁর কিতাবুল হুদা। ইবনুন নাজ্জারের তারিখু বাগদাদ। শিরাজির আল-আলকাব। আবু আহমাদ আল-হাকিমের আল-কুনা। খারাইতির ই'তিলালুল কুলুব। আবু নাসর আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে হাতিম আস-সিজযির আল-ইবানা। দারা কুতনির আল-আফরাদ। ইবনুস সুন্নির আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ। তাঁর আত-তিব্বুন নববী। ইবনুশ শাইখের আল-আযামাহ। মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়াযির আস-সালাত। হাকিম তিরমিযির নাওয়াদিরুল উসুল। আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে সহরির আল-আমালি। ইবনু আবিদ দুনিয়ার যাম্মুল গীবাহ। তাঁর যাম্মুল গাদাব। তাঁর মাকা’ইদুশ শাইতান। তাঁর আল-ইখওয়ান। তাঁর কাদাউল হাওয়ায়িজ। আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিমের আল-মুস্তাদরাক। বায়হাকির আস-সুনানুল কাবীর। তাঁর শুয়াবুল ঈমান। তাঁর আল-মা'রিফাহ। তাঁর আল-বাস। তাঁর দালাইলুন নুবুওয়াহ। তাঁর আল-আসমা ওয়াস সিফাত। খারাইতির মাকারিমুল আখলাক। তাঁর মাসা’উইল আখলাক। হারিস ইবনে আবি উসামার মুসনাদ। আবু বকর ইবনে আবি শায়বার মুসনাদ। মুসাদ্দাদের মুসনাদ। আহমাদ ইবনে মানি'র মুসনাদ। ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ-এর মুসনাদ। সহীহ ইবনে হিব্বান। ফাওয়াইদু তাম্মাম ও আল-খুলা'ইয়াত। আল-গাইলানিয়্যাত।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
المخلصيات. البجلاء (1) للخطيب. الجامع للخطيب. مسند الشهاب القضاعي. تفسير ابن جرير. مسند الفردوس للديلمي. مصنف عبد الرزاق. مصنف ابن أبي شيبة. الترغيب في الذكر لابن شاهين.

انتهى ما وجد بخط مؤلفه رحمه الله تعالى.

--------------------------------------------

(1) كذا - وفي تذكرة الحفاظ البخلاء - مجلد - ج 3 - 316
আল-মুখলিসিয়্যাত। খতীবের আল-বাজলা (১)। খতীবের আল-জামি। কুদাঈর মুসনাদুশ শিহাব। ইবনে জারীরের তাফসীর। দাইলামীর মুসনাদুল ফিরদাউস। মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক। মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ। ইবনে শাহীনের আত-তারগীব ফীয যিকর।

লেখকের হস্তাক্ষরে যা পাওয়া গিয়েছিল তা সমাপ্ত হলো, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন।

--------------------------------------------

(১) এভাবেই আছে - এবং তাযকিরাতুল হুফফায-এ রয়েছে 'আল-বুখলা' - খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩১৬
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌حرف الهمزة وفيه ستة كتب

‌‌الكتاب الأول من حرف الهمزة: في الإيمان والإسلام من قسم الأقوال

‌‌الباب الأول: في تعريفهما حقيقة ومجازا ومتعلقات أخر

‌‌الفصل الأول: في حقيقة الإيمان

‌‌في حقيقة الإيمان

…

حرف الهمزة وفيه ستة كتب:

الكتاب الأول في الإيمان والإسلام من قسم الأقوال

وفيه ثلاثة أبواب (الباب الأول في تعريفهما حقيقة ومجازا ومتعلقات أخر) وفيه سبعة فصول:

الفصل الأول: في حقيقة الإيمان

‌‌1- الإيمان: "أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله وتؤمن بالجنة والنار والميزان وتؤمن بالبعث بعد الموت وتؤمن بالقدر خيره وشره". (هب (1) عن عمر)

‌‌2- الإيمان " معرفة بالقلب وقول باللسان وعمل بالأركان ". (طب عن علي) .

‌‌3- الإيمان بالله: "الإقرار باللسان وتصديق بالقلب وعمل بالأركان" (الشيرازي في الألقاب عن عائشة) .

--------------------------------------------

(1) ن - طب
হামজা অক্ষর এবং এতে ছয়টি কিতাব রয়েছে

হামজা অক্ষরের প্রথম কিতাব: বাণী বিষয়ক বিভাগ থেকে ঈমান ও ইসলাম প্রসঙ্গে

প্রথম অধ্যায়: এ দুটির প্রকৃত ও রূপক সংজ্ঞা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে

প্রথম পরিচ্ছেদ: ঈমানের প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে

ঈমানের প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে

…

হামজা অক্ষর এবং এতে ছয়টি কিতাব রয়েছে:

প্রথম কিতাব: বাণী বিষয়ক বিভাগ থেকে ঈমান ও ইসলাম প্রসঙ্গে

এবং এতে তিনটি অধ্যায় রয়েছে (প্রথম অধ্যায়: এ দুটির প্রকৃত ও রূপক সংজ্ঞা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়) এবং এতে সাতটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ঈমানের প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে

১- ঈমান: "তা হলো আপনি আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন এবং জান্নাত, জাহান্নাম ও মিজানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন এবং ভাগ্যের ভালো ও মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন।" (বায়হাকি 'শুআবুল ঈমান' (১), ওমরের বরাতে)

২- ঈমান হলো: "অন্তর দিয়ে জানা, মুখ দিয়ে স্বীকার করা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে আমল করা।" (তাবারানি, আলীর বরাতে)।

৩- আল্লাহর প্রতি ঈমান হলো: "মুখ দিয়ে স্বীকারোক্তি, অন্তর দিয়ে সত্যয়ন এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে আমল করা।" (শিরাজি 'আল-আলকাব'-এ, আয়েশার বরাতে)।

--------------------------------------------

(১) নাসাঈ - তাবারানি
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
4 – "الإيمان بالقلب واللسان والهجرة بالنفس والمال" (عبد الخالق بن زاهر الشحابي (1) في الأربعين.

‌‌5 - الإيمان: " أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه وبلقائه وبرسله وتؤمن بالبعث" (حم ق هـ عن أبي هريرة) .

6 – "آمركم بأربع، وأنهاكم عن أربع، آمركم بالإيمان بالله وحده أتدرون ما الإيمان بالله؟ شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله، وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصيام رمضان وأن تؤدوا خمس ماغنمتم، وأنهاكم عن الدباء والنقير والحنتم والمزفت احفظوهن وأخبروا بهن من وراءكم" (ق 3 عن ابن عباس)

7 – "آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع اعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا وأقيموا الصلاة وآتوا الزكاة وصوموا رمضان وأعطوا الخمس من الغنائم، وأنهاكم عن أربع عن الدباء (2) والخنتم والمزفت والنقير".

(حم م عن أبي سعيد) .

--------------------------------------------

(1) ن السخاوي وفي الشذرات الشحامي.

‌‌(2) الحنتم: جرار مدهونة خضر كانت تحمل الخمر فيها إلى المدينة. والمزفت: هو الاناء الذي طلي بالزفت وهو نوع من القار ثم انتبذ فيه. كذا في النهاية لابن الأثير. انتهى. مصححه.
4 – "অন্তরে ও জিহ্বায় ঈমান আনা এবং জান ও মাল দিয়ে হিজরত করা" (আবদুল খালিক বিন জাহির আশ-শুহাবি (১) আল-আরবাঈন গ্রন্থে)।

‌‌৫ - ঈমান: "তুমি বিশ্বাস স্থাপন করবে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর সাথে সাক্ষাতের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি এবং বিশ্বাস করবে পুনরুত্থানের প্রতি" (আহমাদ, বুখারি, মুসলিম, ইবনে মাজাহ; আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত)।

৬ – "আমি তোমাদের চারটি বিষয়ের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। আমি তোমাদের এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার আদেশ দিচ্ছি। তোমরা কি জানো এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কী? তা হলো—এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজানের রোজা রাখা এবং তোমরা যা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে লাভ করবে তার এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করা। আর আমি তোমাদের দুব্বা, নাকিরা, হানতাম ও মুজাফফাত (মদ তৈরির বিভিন্ন পাত্র) ব্যবহার করতে নিষেধ করছি। তোমরা এগুলো সংরক্ষণ করো এবং তোমাদের পেছনে যারা আছে তাদের এ সম্পর্কে জানিয়ে দাও" (বুখারি ও সুনান গ্রন্থত্রয়; ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত)।

৭ – "আমি তোমাদের চারটি বিষয়ের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি: তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না, সালাত কায়েম করো, জাকাত প্রদান করো, রমজানের রোজা রাখো এবং গনিমত বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করো। আর আমি তোমাদের চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি: দুব্বা (২), হানতাম, মুজাফফাত ও নাকিরা থেকে।"

(আহমাদ ও মুসলিম; আবু সাঈদ থেকে বর্ণিত)।

--------------------------------------------

(১) সাখাবীর মতে এবং 'শাজরাত' গ্রন্থে এটি 'আশ-শুহামি' হিসেবে এসেছে।

‌‌(২) হানতাম: সবুজ রঙের প্রলেপযুক্ত মাটির কলস যাতে মদিনায় মদ বহন করা হতো। মুজাফফাত: এমন পাত্র যাতে আলকাতরা বা পিচ জাতীয় পদার্থের প্রলেপ দেওয়া হতো এবং যাতে মদ রাখা হতো। ইবনুল আসিরের 'আন-নিহায়া' গ্রন্থে এভাবেই উল্লেখ আছে। সমাপ্ত। সংশোধক।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌8- "بحسب امرئ من الإيمان أن يقول رضيت بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا" (طس عن ابن عباس) .

9 – "ذاق طعم الإيمان من رضي بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا" (حم م ت عن العباس بن عبد المطلب) .

10 – "ثلاث من فعلهن فقد طعم طعم الإيمان من عبد الله وحده وأنه لاإله إلا الله وأعطى زكاة ماله طيبة بها نفسه رافدة عليه كل عام ولايعطي الهرمة ولا الرديئة (1) ولا المريضة ولا الشرط اللئيمة (2) ولكن من أوسط أموالكم فإن الله لم يسألكم خيره ولا (3) يأمركم بشره وزكى نفسه" (د عن عبد الله بن معاوية العامري (4)

11 – "ليس الإيمان بالتمنى ولا بالتحلي، ولكن: هو ما وقر في القلب وصدقه العمل" (ابن النجار فرص عن أنس) .

12 – "إن لكل شيء حقيقة ومابلغ عبد حقيقة الإيمان حتى يعلم أن ما أصابه لم يكن ليخطئه وما أخطاه لم يكن ليصيبه" (حم طب عن أبي الدرداء) الإكمال.

--------------------------------------------

(1) ن الدرنة

‌‌(2) هي رذال المال وقيل صغاره وشراره - مجمع البحار.

‌‌(3) ن – لم.

‌‌(4) ن - الغاضري.
‌৮- "একজন ব্যক্তির ঈমানের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে বলবে, 'আমি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি'।" (তাবারানি আস-সাগীর-এ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন)।

৯ – "সেই ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করেছে, যে আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদকে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে।" (আহমদ, মুসলিম ও তিরমিযী আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন)।

১০ – "তিনটি কাজ যে ব্যক্তি করবে সে ঈমানের স্বাদ লাভ করবে: যে ব্যক্তি একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে এবং সাক্ষ্য দেবে যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই; যে ব্যক্তি প্রতি বছর সন্তুষ্টচিত্তে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তার সম্পদের জাকাত প্রদান করবে এবং জাকাত হিসেবে অতি বৃদ্ধ, নিকৃষ্ট (১), অসুস্থ বা মন্দ ও নিম্নমানের (২) পশু প্রদান করবে না; বরং তোমাদের মধ্যম মানের সম্পদ থেকে প্রদান করবে। কারণ আল্লাহ তোমাদের কাছে তোমাদের সর্বোত্তম মালটি চাননি এবং (৩) তোমাদের নিকৃষ্ট মাল দিতেও নির্দেশ দেননি; আর যে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করবে।" (আবু দাউদ আব্দুল্লাহ বিন মুয়াবিয়া আল-আমিরী (৪) থেকে বর্ণনা করেছেন)।

১১ – "ঈমান কেবল আকাঙ্ক্ষা কিংবা বাহ্যিক অলঙ্করণ নয়; বরং তা হলো যা অন্তরে বদ্ধমূল হয় এবং কর্ম যাকে সত্যয়ন করে।" (ইবনে নাজ্জার ও দাইলামি আল-ফিরদাউস-এ আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন)।

১২ – "নিশ্চয়ই প্রত্যেক জিনিসের একটি হাকিকত বা বাস্তবতা রয়েছে। কোনো বান্দা ঈমানের হাকিকতে পৌঁছাতে পারবে না যতক্ষণ না সে দৃঢ়ভাবে জানবে যে, যা তার ভাগ্যে জুটেছে তা তাকে এড়িয়ে যাওয়ার ছিল না এবং যা তাকে এড়িয়ে গেছে তা তার ভাগ্যে জোটার ছিল না।" (আহমদ ও তাবারানি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন) আল-ইকমাল।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আদ-দারানাহ।

‌‌(২) এটি হলো সম্পদের নিকৃষ্ট অংশ; বলা হয়েছে: ছোট ও মন্দ সম্পদ - মাজমাউল বিহার।

‌‌(৩) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'লাম' (না)।

‌‌(৪) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-গাদিরী।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
13 – "الإيمان أن تؤمن بالله وملائكته والكتاب والنبيين وتؤمن بالقدر" (ن عن أبي هريرة وأبي ذر معا) .

14 – "الإيمان أن تؤمن بالله واليوم الآخر والملائكة والكتاب والنبيين والموت والحياة بعد الموت وتؤمن بالجنة والنار والحساب والميزان وتؤمن بالقدر خيره وشره فإذا فعلت ذلك فقد آمنت" (حم عن أبي عامر وأبي مالك) (ن عن أنس) (ابن عساكر عن عبد الرحمن ابن غنم) .

15 – "أربع من كن فيه فهو مؤمن ومن جاء بثلاث وكتم واحدة فهو كافر شهادة أن لاإله إلا الله وأني رسول الله وأنه مبعوث من بعد الموت وإيمان بالقدر خيره وشره" (تمام وسمويه كر عن أبي سعيد) .

16 – " أربع لم يجد رجل طعم الإيمان حتى يؤمن بهن أن لا إله إلا الله وأني رسول الله بعثني بالحق وأنه ميت ثم مبعوث من بعد الموت ويؤمن بالقدر كله" (كر عن علي) .

‌‌17- " الإسلام أن تسلم قلبك ويسلم المسلمون من لسلنك ويدك قيل فأي الإسلام أفضل [قال؟؟] الإيمان. قيل وما الإيمان؟ قال أن تؤمنوا بالله وملائكته وكتبه ورسله والبعث بعد الموت. قيل فأي الإيمان أفضل؟ قال: الهجرة. قيل: وما الهجرة؟ قال: أن تهجر السوء. قيل: فأي
১৩ – "ঈমান হলো এই যে, আপনি আল্লাহকে, তাঁর ফেরেশতাদেরকে, কিতাবকে ও নবীদেরকে বিশ্বাস করবেন এবং তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন" (নাসায়ী আবু হুরায়রা ও আবু যর থেকে একত্রে বর্ণনা করেছেন) ।

১৪ – "ঈমান হলো এই যে, আপনি বিশ্বাস করবেন আল্লাহর প্রতি, পরকালের প্রতি, ফেরেশতাদের প্রতি, কিতাবের প্রতি, নবীদের প্রতি এবং মৃত্যু ও মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের প্রতি; আরও বিশ্বাস করবেন জান্নাত, জাহান্নাম, হিসাব ও মীযানের প্রতি, এবং বিশ্বাস করবেন তাকদীরের ভালো ও মন্দের প্রতি। যখন আপনি এগুলো করবেন, তখন আপনি মুমিন হলেন" (আহমাদ আবু আমির ও আবু মালিক থেকে; নাসায়ী আনাস থেকে; ইবনে আসাকির আবদুর রহমান ইবনে গানাম থেকে বর্ণনা করেছেন) ।

১৫ – "চারটি বৈশিষ্ট্য এমন যা কারো মধ্যে থাকলে সে মুমিন। আর যে তিনটি নিয়ে আসলো এবং একটি গোপন করলো সে কাফির: এই সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, আর এই যে তাকে মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত করা হবে, এবং তাকদীরের ভালো ও মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা" (তাম্মাম, সামুয়াই ও ইবনে আসাকির আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন) ।

১৬ – "চারটি বিষয় এমন যে, কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ পাবে না যতক্ষণ না সে সেগুলোর প্রতি ঈমান আনে: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি আল্লাহর রাসূল এবং তিনি আমাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আর সে নিশ্চিতভাবে মারা যাবে এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত হবে, আর সে তাকদীরের সবটুকুর প্রতি ঈমান আনবে" (ইবনে আসাকির আলী থেকে বর্ণনা করেছেন) ।

‌‌১৭- "ইসলাম হলো আপনার অন্তরকে সমর্পণ করা এবং আপনার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকা। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ইসলাম সর্বোত্তম? [তিনি বললেন:] ঈমান। জিজ্ঞেস করা হলো, ঈমান কী? তিনি বললেন: আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ঈমান সর্বোত্তম? তিনি বললেন: হিজরত। জিজ্ঞেস করা হলো, হিজরত কী? তিনি বললেন: মন্দ কাজ বর্জন করা। জিজ্ঞেস করা হলো, কোনটি..."
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
الهجرة أفضل؟ قال: الجهاد. قيل: وما الجهاد؟ قال: أن تقاتل الكفار إذا لقيتهم قيل فأي الجهاد أفضل؟ قال: من عقر جواده وأهريق دمه. ثم عملان أفضل الأعمال إلا من عمل بمثلهما: حجة مبرورة أو عمرة". (حم طب عن عمرو بن عبسه) ورجاله ثقات.

18 – "حقيقة الإسلام أن تشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله، وتقيم الصلاة، وتؤتي الزكاة وتصوم رمضان، وتحج البيت إن استطعت إليه سبيلا". (م 3 عن عمر) .

19 – "الإسلام علانية والإيمان في القلب" (ش عن أنس) .

20 – " إن للإسلام صنوا (1) ، ومنارا كمنار الطريق ورأسه، وجماعه شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبد ورسوله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، وتمام الصوم" (طب عن أبي الدرداء) .

21 – "بني الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وحج البيت وصوم رمضان" (حم ق ت ن عن ابن عمر)

22 – "رأس هذا الأمر الإسلام، ومن أسلم سلم، وعموده الصلاة، وذروة سنامه الجهاد، لا يناله إلا أفضلهم" (طب عن معاذ) .

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل المطبوع، والصواب "صوب" وهي الأعلام المنصوبة من الحجارة في مفازة مجهولة - مجمع البحار
"কোন হিজরত উত্তম? তিনি বললেন: জিহাদ। জিজ্ঞেস করা হলো: জিহাদ কী? তিনি বললেন: যখন তুমি কাফিরদের মুখোমুখি হবে তখন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। জিজ্ঞেস করা হলো: কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: যার ঘোড়াটি আহত (নিহত) হয় এবং যার রক্ত প্রবাহিত করা হয়। অতঃপর দুটি আমল সর্বোত্তম আমল, তবে যে ব্যক্তি এগুলোর অনুরূপ আমল করে সে ব্যতীত: একটি কবুল হজ অথবা একটি উমরা।" (আহমাদ, তাবারানি; আমর ইবনে আবাসা থেকে বর্ণিত) এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

১৮ – "ইসলামের প্রকৃত রূপ হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, আর সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজানের রোজা রাখা এবং সামর্থ্য থাকলে বায়তুল্লাহর হজ করা।" (মুসলিম ৩; উমর থেকে বর্ণিত)।

১৯ – "ইসলাম হলো প্রকাশ্য বিষয় এবং ঈমান হলো অন্তরের বিষয়।" (ইবনে আবি শায়বাহ; আনাস থেকে বর্ণিত)।

২০ – "নিশ্চয়ই ইসলামের রয়েছে নিদর্শন (১), এবং পথের আলোকবর্তিকার ন্যায় আলোকবর্তিকা; আর এর শীর্ষ ও সারবস্তু হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, আর সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা এবং পূর্ণরূপে রোজা পালন করা।" (তাবারানি; আবু দারদা থেকে বর্ণিত)।

২১ – "ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, বায়তুল্লাহর হজ করা এবং রমজানের রোজা রাখা।" (আহমাদ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ; ইবনে উমর থেকে বর্ণিত)।

২২ – "এই বিষয়ের (দ্বীনের) মূল হলো ইসলাম, আর যে ইসলাম গ্রহণ করে সে নিরাপদ থাকে; এর স্তম্ভ হলো সালাত এবং এর সর্বোচ্চ চূড়া হলো জিহাদ, যা কেবল তাদের মধ্যে যারা সর্বোত্তম তারাই লাভ করে।" (তাবারানি; মুয়াজ থেকে বর্ণিত)।

--------------------------------------------

(১) মুদ্রিত মূল কপিতে এভাবেই রয়েছে, তবে সঠিক শব্দ হলো ‘সওব’ যা হলো জনমানবহীন প্রান্তরে পথনির্দেশের জন্য স্থাপিত পাথরের চিহ্ন - মাজমাউল বিহার।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
23– "عرى الإسلام وقواعد الدين ثلاثة عليهن أسس الإسلام من ترك واحدة منهن فهو بها كافر حلال الدم: شهادة أن لا إله إلا الله والصلاة المكتوبة وصوم رمضان" (ع عن ابن عباس) .

24 – "يا عدي ابن حاتم أسلم تسلم أشهد (1) أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها، حلوها ومرها" (هـ عن عدي بن حاتم) .

25 – " الإسلام إقام الصلاة وإيتاء الزكاة وحج البيت وصوم شهر رمضان والاغتسال من الجنابة" (د عن عمر)

26 – "الإسلام أن تعبد الله ولا تشرك به شيئا وتقيم الصلاة وتؤتي الزكاة المفروضة وتصوم رمضان وتحج البيت" (حم ق هـ عن أبي هريرة وأبي ذر معا) الإكمال.

27 – "بني الإسلام على خمس شهادة أن لا إله إلا الله والصلاة وصيام رمضان فمن ترك واحدة منهن كان كافرا حلال الدم" (طب عن ابن عباس) .

28 – "بني الإسلام على خمس شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وحج البيت وصوم رمضان

--------------------------------------------

(1) ن - تشهد.
২৩– "ইসলামের বন্ধন এবং দ্বীনের মূলনীতিসমূহ তিনটি, যার ওপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত। যে ব্যক্তি এগুলোর একটিও ত্যাগ করবে, সে তার কারণে কাফির এবং তার রক্ত হালাল: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, ফরয সালাত এবং রমযানের রোযা।" (আবু ইয়ালা, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত)।

২৪ – "হে আদি ইবনে হাতিম! ইসলাম গ্রহণ করো, তবেই তুমি নিরাপদ থাকবে। সাক্ষ্য দাও (১) যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল; আর তুমি ভাগ্যের ভালো-মন্দ, মিষ্টি ও তেতো—সবকিছুর ওপর ঈমান আনবে।" (ইবনে মাজাহ, আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণিত)।

২৫ – "ইসলাম হলো সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, আল্লাহর ঘরের হজ করা, রমযান মাসের রোযা রাখা এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করা।" (আবু দাউদ, উমর থেকে বর্ণিত)।

২৬ – "ইসলাম হলো তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছু শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, ফরয যাকাত প্রদান করবে, রমযানের রোযা রাখবে এবং আল্লাহর ঘরের হজ করবে।" (আহমাদ, বুখারী ও মুসলিম এবং ইবনে মাজাহ; আবু হুরায়রা ও আবু যর উভয়ে থেকে বর্ণিত)। আল-ইকমাল।

২৭ – "ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, সালাত এবং রমযানের রোযা। সুতরাং যে ব্যক্তি এগুলোর কোনো একটি ছেড়ে দেবে, সে কাফির হবে এবং তার রক্ত হালাল হবে।" (তাবারানী, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত)।

২৮ – "ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, আল্লাহর ঘরের হজ করা এবং রমযানের রোযা রাখা।"

--------------------------------------------

(১) নাসায়ী - তুমি সাক্ষ্য দাও।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
والجهاد والصدقة من العمل الصالح" (طب عن ابن عمر) .

29 – "بني الإسلام على خمس خصال: شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، وحج البيت، وصوم رمضان. والجهاد والصدقة من العمل الصالح" (طب عن ابن عمر) .

30 – "بني الإسلام على خصال: شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله، والإقرار بما جاء من عند الله، والجهاد ماض منذ بعث رسله إلى آخر عصابة تكون من المسلمين يقاتلون الدجال لا ينقصهم جور من جار ولا عدل من عدل، وأهل لا إله إلا الله فلا تكفروهم بذنب ولا تشهدوا عليهم بشرك، والقدر خيره وشره من الله تعالى" (ابن النجار ابن عمر) .

31 – "أتاني جبريل فقال يا محمد الإسلام عشرة أسهم وخاب من لاسهم له. أولها شهادة أن لا إله إلا الله، والثاني الصلاة وهي الطهرة، والثالث الزكاة وهي الفطرة، والرابع الصوم وهو الجنة، والخامس الحج وهو الشريعة، والسادس الجهاد وهو الغزوة (1) ، والسابع الأمر بالمعروف وهو الوفاء، والثامن من؟؟ النهي عن المنكر وهو الحجة، والتاسع الجماعة وهي الألفة، والعاشر الطاعة وهي العصمة" (أبو نعيم محمد بن أحمد العجلي

--------------------------------------------

(1) ن - العروة
এবং জিহাদ ও দান-সদকা নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত।" (তাবারানি, ইবনে উমর থেকে বর্ণিত)।

২৯ – "ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, বাইতুল্লাহর হজ করা এবং রমজানের রোজা পালন করা। আর জিহাদ ও দান-সদকা নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত।" (তাবারানি, ইবনে উমর থেকে বর্ণিত)।

৩০ – "ইসলাম কয়েকটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর পক্ষ থেকে যা কিছু এসেছে তার স্বীকৃতি দেওয়া, আর জিহাদ সেই সময় থেকে অব্যাহত আছে যখন থেকে আল্লাহ তাঁর রাসূলগণকে পাঠিয়েছেন, যতক্ষণ না মুসলমানদের শেষ দলটি দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; কোনো জালেমের জুলুম বা কোনো ন্যায়পরায়ণের ইনসাফ একে স্থগিত করতে পারবে না। আর যারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর অনুসারী, কোনো গুনাহের কারণে তাদেরকে কাফির বলবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শিরকের সাক্ষ্য দেবে না। আর তাকদির—তার ভালো ও মন্দ উভয়ই আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে।" (ইবনে নাজ্জার, ইবনে উমর থেকে বর্ণিত)।

৩১ – "জিবরাঈল আমার কাছে আসলেন এবং বললেন, হে মুহাম্মদ! ইসলাম হলো দশটি অংশ (তীরের ন্যায়), যার কোনো অংশ নেই সে ব্যর্থ হয়েছে। তার প্রথমটি হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, দ্বিতীয়টি হলো সালাত আর তা হলো পবিত্রতা, তৃতীয়টি হলো জাকাত আর তা হলো ফিতরাত (প্রকৃতি), চতুর্থটি হলো রোজা আর তা হলো ঢাল, পঞ্চমটি হলো হজ আর তা হলো শরিয়ত, ষষ্ঠটি হলো জিহাদ আর তা হলো যুদ্ধ (১), সপ্তমটি হলো সৎ কাজের আদেশ আর তা হলো বিশ্বস্ততা, অষ্টমটি হলো অসৎ কাজ থেকে নিষেধ আর তা হলো প্রমাণ, নবমটি হলো জামায়াত আর তা হলো হৃদ্যতা, এবং দশমটি হলো আনুগত্য আর তা হলো সুরক্ষা।" (আবু নুআইম, মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ইজলি)

--------------------------------------------

(১) ন - মজবুত বন্ধন
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
في فوائده والرافعي في تاريخ قزوين من طريق إسحاق الدبري عن عبد الرزاق عن معمر عن قتادة عن أنس.

32 – " الإسلام ثمانية أسهم: الإسلام سهم والصلاة سهم والزكاة سهم وحج البيت سهم والجهاد في سبيل الله سهم وصوم رمضان سهم والأمر بالمعروف سهم والنهي عن المنكر سهم. وقد خاب من لاسهم له" (ط ن عن حذيفة وحسن ع قط في الأفراد والرافعي عن علي) ضعف.

33 – "أربع فرضهن الله عز وجل في الإسلام، من جاء بثلاث لم يغنين عنه شيئا حتى يأتي بهن جميعا: الصلاة والزكاة وصيام رمضان وحج البيت" (حم طب عن عمارة بن حزم وحسن، حم والبغوي عن زياد بن نعيم) .

34 – "إن للإسلام صنوا كمنار الطريق فمن ذلك أن يعبد الله ولا يشرك به شيئا، و؟؟ أقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، ويحج البيت، ويصوم رمضان، والأمر بالمعروف، والنهي عن المنكر، والتسليم على بني آدم فإن ردوا عليك ردت عليك وعليهم الملائكة وإن لم يردوا عليك ردت عليك الملائكة ولعنتهم أوسكتت عنهم، وتسليمك على أهل بيتك إذا دخلت، ومن انتقص منهن شيئا فهو سهم من سهام الإسلام ترك،

--------------------------------------------

(1) كذا وقد تقدم في رقم 20: صوى
তাঁর 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থে এবং রাফেয়ী তাঁর 'তারিখে কাজউইন' গ্রন্থে ইসহাক আদ-দাবারি-এর সূত্রে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

৩২ – "ইসলাম আটটি অংশ নিয়ে গঠিত: ইসলাম (কালিমা) একটি অংশ, সালাত একটি অংশ, জাকাত একটি অংশ, বাইতুল্লাহর হজ একটি অংশ, আল্লাহর পথে জিহাদ একটি অংশ, রমজানের রোজা একটি অংশ, সৎ কাজের আদেশ একটি অংশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ একটি অংশ। সেই ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যার কোনো অংশ নেই।" (তিয়ালিসি ও নাসায়ি হুজায়ফা থেকে এবং হাসান, আবু ইয়া’লা ও দারা কুতনি 'আল-আফরাদ' গ্রন্থে এবং রাফেয়ী আলী থেকে বর্ণনা করেছেন) দুর্বল।

৩৩ – "আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা ইসলামে চারটি বিষয় ফরজ করেছেন; যে ব্যক্তি তিনটি পালন করল তা তার কোনো উপকারে আসবে না যতক্ষণ না সে সবগুলোই পালন করে: সালাত, জাকাত, রমজানের রোজা এবং বাইতুল্লাহর হজ।" (আহমাদ ও তাবারানি উমারা ইবনে হাজম থেকে এবং হাদিসটি হাসান; আহমাদ ও বাগাউয়ি জিয়াদ ইবনে নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন)।

৩৪ – "নিশ্চয়ই ইসলামের জন্য রাস্তার নির্দেশক চিহ্নের ন্যায় কিছু নিদর্শন রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে— আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর সাথে কোনো কিছু শরিক না করা, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, বাইতুল্লাহর হজ করা, রমজানের রোজা রাখা, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া, অসৎ কাজের নিষেধ করা এবং বনি আদমকে সালাম দেওয়া; যদি তারা তোমার সালামের উত্তর দেয় তবে ফেরেশতারা তোমার ওপর এবং তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করে। আর যদি তারা উত্তর না দেয় তবে ফেরেশতারা তোমার ওপর রহমত বর্ষণ করে এবং তাদের অভিশাপ দেয় অথবা তাদের ব্যাপারে চুপ থাকে। আর যখন তুমি তোমার ঘরে প্রবেশ করবে তখন তোমার পরিবারের লোকদের সালাম দেওয়া। যে ব্যক্তি এর মধ্য থেকে কোনো কিছু কমিয়ে ফেলল, সে ইসলামের অংশসমূহের মধ্য হতে একটি অংশ বর্জন করল।"

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে এভাবেই আছে এবং ইতিপূর্বে ২০ নম্বর ক্রমিকে এটি 'সুওয়া' হিসেবে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়ালি ওয়াল আফআল - ত রিসালাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
ومن تركهن كلهن فقد ترك الإسلام" (ابن السني في عمل اليوم والليلة) (طب (1) عن أبي هريرة) .

35 – "لم آتكم إلا بخير، آتيتكم أن تعبدوا الله وحده لاشريك له وأن تدعوا اللات والعزى وأن تصلوا بالليل والنهار خمس صلوات وأن تصوموا من السنة شهرا وأن تحجوا البيت وأن تأخذوا من أموال أغنيائكم فتردوها على فقرائكم" (حم) عن رجل من بني عامر.

36 – "يا عدي بن حاتم أسلم تسلم قال وما الإسلام قال أشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها حلوها ومرها" (هـ) عن عدي بن حاتم.

37 – "يا عدي بن حاتم أسلم تسلم قال مالإسلام قال تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله وتؤمن بالقدر خيره وشره حلوه ومره يا عدي بن حاتم لا تقوم الساعة حتى تفتح خزائن كسرى وقيصر يا عدي بن حاتم تأتي الظعينة من الحيرة حتى تطوف بهذه الكعبة بغير خفير، يا عدي بن حاتم لا تقوم الساعة حتى يحمل الرجل جراب المال فيطوف به فلا يجد أحد يقبله فيضرب به الأرض فيقول ليتك لم تكن ليتك كنت ترابا " (طب) الخطيب وابن عساكر عن عدي ابن حاتم.

--------------------------------------------

(1) ن حل
"এবং যে ব্যক্তি এগুলোর সবকয়টি পরিত্যাগ করল, সে ইসলামকেই পরিত্যাগ করল।" (ইবনুল সুন্নি ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’ গ্রন্থে; তাবারানি (১) আবু হুরায়রা থেকে)।

৩৫ – "আমি তোমাদের কাছে কেবল কল্যাণ নিয়ে এসেছি। আমি তোমাদের নিকট এসেছি যাতে তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করো যাঁর কোনো শরিক নেই, এবং তোমরা লাত ও উযযাকে বর্জন করো, আর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো, বছরে এক মাস সিয়াম পালন করো, বাইতুল্লাহর হজ করো এবং তোমাদের ধনীদের সম্পদ থেকে (যাকাত) গ্রহণ করে তা তোমাদের দরিদ্রদের মাঝে ফিরিয়ে দাও।" (আহমাদ) বনু আমের গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত।

৩৬ – "হে আদি ইবনে হাতিম! ইসলাম গ্রহণ করো, নিরাপদ থাকবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ইসলাম কী? তিনি বললেন: তুমি সাক্ষ্য দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল; আর তুমি সমস্ত তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস রাখবে—তার ভালো ও মন্দ, মিষ্টি ও তিক্ত সবকিছুর ওপর।" (ইবনে মাজাহ) আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণিত।

৩৭ – "হে আদি ইবনে হাতিম! ইসলাম গ্রহণ করো, নিরাপদ থাকবে। তিনি বললেন: ইসলাম কী? তিনি বললেন: তুমি বিশ্বাস স্থাপন করবে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাকুলের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি; আর তাকদিরের প্রতি—তার ভালো ও মন্দ, মিষ্টি ও তিক্ত সবকিছুর ওপর। হে আদি ইবনে হাতিম! ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না কিসরা ও কায়সারের ধনভাণ্ডার বিজিত হবে। হে আদি ইবনে হাতিম! হীরা থেকে উষ্ট্রারোহী পর্দানশীন নারী আসবে এবং কোনো দেহরক্ষী ছাড়াই এই কাবা তওয়াফ করবে। হে আদি ইবনে হাতিম! ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না কোনো ব্যক্তি তার অর্থের থলে নিয়ে ঘুরবে কিন্তু তা গ্রহণ করার মতো কাউকে পাবে না; তখন সে তা মাটিতে আছাড় দিয়ে বলবে: হায়! তুমি যদি না থাকতে! হায়! তুমি যদি মাটি হতে!" (তাবারানি), খতিব এবং ইবনে আসাকির আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) নাসায়ি, হিলয়াতুল আউলিয়া