(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: -)
أخبار الثقلاء للخلال   (أبو محمد الحسن الخلال)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أخبار الثقلاء للخلال

المؤلف: أبو محمد الحسن بن محمد بن الحسن بن علي البغدادي الخَلَّال (ت 439 هـ)

المحقق: نظام محمد صاح يعقوبي

الناشر: دار البشائر الإسلامية [ضمن سلسلة لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (87)]

الطبعة: الأولى 1427 هـ - 2006 م

عدد الصفحات: 22

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-খাল্লালের আখবারুস সাকালাইন   (আবু মুহাম্মদ আল-হাসান আল-খাল্লাল)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-খাল্লালের আখবারুস সাকালাইন

লেখক: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী আল-বাগদাদী আল-খাল্লাল (মৃত্যু ৪৩৯ হিজরি)

মুহাক্কিক: নিযাম মুহাম্মদ সালেহ ইয়াকুবী

প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ [মাসজিদুল হারামে শেষ দশকের মজলিসসমূহের ধারাবাহিকতার অন্তর্ভুক্ত (৮৭)]

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: হে মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী, অগ্রসর হও

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: -)
لقاء العشر الأواخر بالمسجد الحرام (87)

 

أخبار الثقلاء

 

جمع

الإمام أبي محمد الحسن بن محمد بن الحسن الخلال

(352 - 439 هـ)

 

اعتنى به

نظام محمد صالح يعقوبي

 

دار البشائر الإسلامية

 

الطبعة الأولى

1427 هـ - 2006 م
মাসজিদুল হারামে শেষ দশকের মজলিস (৮৭)

 

ভারী কায়ার মানুষদের সংবাদ

 

সংকলন

ইমাম আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-খাল্লাল

(৩৫২ - ৪৩৯ হিজরি)

 

সম্পাদনায়

নিযাম মুহাম্মদ সালেহ ইয়াকুবি

 

দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

قال شيخ الإسلام شهاب الدين أبو الفضل أحمد بن علي بن حجر العسقلاني:

أخبرتنا فاطمة وعائشة بنتا محمد بن عبد الهادي قراءةً عليهما، بسماعهما له على أبي محمد عبد الله بن الحسين بن أبي الثابت، أخبرنا محمد بن أبي بكر البلخي، عن السلفي، أخبرنا جعفر بن أحمد السراج، أخبرنا الشيخ الصالح الحافظ أبو محمد الحسن بن محمد بن الحسن الخلال:

1- أخبرنا عبيد الله بن أحمد بن يعقوب، حدثنا محمد بن محمد يعني الباغندي، حدثنا محمد بن هشام بن أبي حيوة، حدثنا بشر بن المفضل، عن محمد صاحب السباح، عن إبراهيم بن أبي بكر، عن رجل من الأنصار قال: ((كان أبو هريرة إذا استثقل الرجل قال: اللهم اغفر لنا وله وأرحنا منه)) .
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

শায়খুল ইসলাম শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন হাজার আল-আসকালানী বলেছেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতেমা ও আয়েশা—মুহাম্মদ বিন আব্দুল হাদীর দুই কন্যা—তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তাঁরা এটি শ্রবণ করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আবুল সাবিত থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-বালখী, তিনি আস-সালাফী থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন আহমদ আস-সাররাজ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নেককার শায়খ ও হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-খাল্লাল:

১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইয়াকুব; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ—অর্থাৎ আল-বাগান্দী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন আবু হাইওয়াহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আল-মুফাদদাল; তিনি মুহাম্মাদ সাহিবুস সাবাহ থেকে; তিনি ইবরাহিম বিন আবু বকর থেকে; তিনি আনসারদের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ((আবু হুরায়রা যখন কোনো ব্যক্তিকে অসহ্য মনে করতেন, তখন বলতেন: হে আল্লাহ! আমাদের ও তাকে ক্ষমা করুন এবং তার থেকে আমাদের নিষ্কৃতি দিন।))
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৬)
2- أخبرنا عمر بن أحمد الواعظ، حدثنا عبدا لله بن سليمان بن الأشعث، حدثنا محمد بن هشام بن أبي حيوة، فذكر مثله.
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আহমদ আল-ওয়ায়িজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হিশাম ইবনে আবি হাইওয়াহ, অতঃপর তিনি এর অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৬)
3- حدثنا عمر بن أحمد، حدثنا أحمد بن نصر، ثنا محمد بن غالب بن حرب، ثنا يعلى بن مهدي، ثنا حماد بن زيد، حدثني رجل من الأعراب قال: ((كان عمي إذا رأى ثقيلاً، غشي عليه!)) .
৩- উমর ইবনে আহমদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে নাসর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে গালিব ইবনে হারব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়ালা ইবনে মাহদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মরুচারী আরবদের একজন ব্যক্তি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমার চাচা যখন কোনো বিরক্তি উৎপাদনকারী ব্যক্তিকে দেখতেন, তখন তিনি মূর্ছা যেতেন!"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৬)
4- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا أحمد بن نصر بن طالب، ثنا عبد الله بن الليث بن النضر، يعرف بخرولة، حدثنا عبد الله بن عمر، قال: ((قلت لأبي أسامة: أنت والله ثقيلٌ يا أبا أسامة! قال: زد فيها يا بني ووخم)) .
৪- ওমর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে নাসর ইবনে তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে লাইস ইবনে নাদর—যিনি খারওয়ালাহ নামে পরিচিত—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু উসামাকে বললাম, "আল্লাহর শপথ, হে আবু উসামা! আপনি তো বড়ই ভারী!" তিনি বললেন, "হে আমার পুত্র, এতে আরও বাড়িয়ে বলো এবং বলো যে অসহ্য।" .
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৬)
5- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا الحسين بن أحمد بن صدقة، حدثنا أحمد بن أبي خيثمة، ثنا خالد بن خراش، ثنا عمرو بن النضر، عن إسماعيل بن أبي خالد، قال: سمعت الشعبي يقول لداود الطائي: ((سألتك بوجه الله إلا قمت)) .
৫- ওমর বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন সাদাকা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন আবি খায়সামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন খিরাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আশ-শা’বীকে দাউদ আত-তাঈ-এর উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "আমি আপনাকে আল্লাহর চেহারার দোহাই দিয়ে বলছি যে, আপনি অবশ্যই দাঁড়িয়ে যান।"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৬)
6- حدثنا عمر، ثنا الحسن، ثنا أحمد، ثنا عبد الرحمن بن قيلج، ثنا أبو بشر بن بكير، عن إسماعيل بن حماد بن أبي سليمان، ⦗ص: 17⦘ عن أبيه، قال: ((من خاف أن يكون ثقيلاً فهو خفيفٌ)) .

وقال حماد بن أبي سليمان: ((من أمن أن يثقل، ثقل)) .
৬- উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে কাইলাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বিশর ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমান থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘ তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি ভারী হওয়ার ভয় রাখে, সে-ই মূলত হালকা।"

হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমান বলেন: "যে ব্যক্তি ভারী হওয়া থেকে নিরাপদ বোধ করে, সে ভারী হয়ে যায়।"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৭)
7- حدثنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن رزق، ثنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم الخراساني، ثنا الحسن بن خليل، حدثني معاوية بن سلمة بن خالد بن معاوية بن أبي عمرو بن العلاء، قال: ((كان جدي أبو عمرو بن العلاء يجلس إليه رجلٌ يستثقله؛ فكان إذا طلع، دخل وتركه. قال: وكتب إليه يستعطفه، قال: فكتب إليه أبو عمرو:

أنت يا صاحب الكتاب ثقيل … وقليلٌ من الثقيل كثير)) .
৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন রিযক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-খুরাসানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন খলিল, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া বিন সালামাহ বিন খালিদ বিন মুআবিয়া বিন আবি আমর বিন আল-আলা, তিনি বলেন: ((আমার দাদা আবু আমর বিন আল-আলা-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি বসতেন যাকে তিনি অত্যন্ত বিরক্তিকর মনে করতেন; ফলে সে যখনই দেখা দিতে আসত, তিনি ভেতরে চলে যেতেন এবং তাকে একা রেখে যেতেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: ঐ ব্যক্তি তাঁর সহানুভূতি প্রার্থনা করে একটি পত্র লিখল। তিনি বলেন: তখন আবু আমর তাকে প্রতিউত্তরে লিখলেন:

হে পত্র লেখক, আপনি অত্যন্ত বিরক্তিকর … আর বিরক্তিকর জিনিসের সামান্যটুকুও অনেক বেশি))।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৭)
8- حدثنا عمر بن أحمد الواعظ إملاءً، ثنا موسى بن عبيد الله بن يحيى بن خاقان الوزير، قال: حدثني عبد الله بن أبي سعد، حدثني عبد الله بن صالح بن مسلم، عن حماد الكاتب، قال: ((كنا نأتي سماك بن حرب، فنسأله عن الشعر، ويأتيه أصحاب الحديث؛ فيدعهم ويقبل علينا، ويقول: إن هؤلاء ثقلاء!)) .
৮- উমর ইবন আহমদ আল-ওয়ায়েজ আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন ইয়াহইয়া ইবন খাকান আল-ওয়াজির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন আবি সা'দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন সালিহ ইবন মুসলিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ আল-কাতিব থেকে, তিনি বলেন: “আমরা সিমাক ইবন হারবের নিকট আসতাম এবং তাকে কবিতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম; এমতাবস্থায় হাদিস অন্বেষণকারীরাও তাঁর নিকট আসতেন; তখন তিনি তাদেরকে ছেড়ে আমাদের দিকে মনোনিবেশ করতেন এবং বলতেন: ‘নিশ্চয়ই এরা অত্যন্ত বিরক্তিকর (ভারী স্বভাবের)!’”
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৭)
9- حدثنا محمد بن أحمد، حدثنا عبد الله بن إسحاق، ثنا حسن بن خليل، ثنا البرجمي، ثنا عثمان بن زفر، عن حبان ⦗ص: 18⦘ بن علي، قال: قال شبرمة:

ومن الناس من يخف ومنهم … كرحى البزر ركب فوق ظهري.
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান বিন খালিল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-বারজামি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান বিন যুফার, হিব্বান ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ বিন আলীর সূত্রে, তিনি বলেন: শুবরুমাহ বলেছেন:

মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে হালকা, আবার তাদের মধ্যে এমনও আছে যে... তৈলবীজ পেষার যাঁতার ন্যায় আমার পিঠের ওপর সওয়ার হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৮)
10- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا عبد الله بن محمد بن إسحاق المروزي، ثنا ابن أبي الدنيا، ثنا محمد بن قدامة، ثنا أبو علي الحسن بن علي الرمادي، قال: قال جبريل -متطبب كان بالشام-: ((نجد في كتبنا أن مجالسة الثقيل حمى الروح)) .
১০- উমর ইবনুল আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী আর-রামাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জিবরীল—যিনি শামে একজন চিকিৎসক ছিলেন—বলেছেন: "আমরা আমাদের কিতাবসমূহে দেখতে পাই যে, বিরক্তিকর লোকের সাহচর্য আত্মার জ্বরস্বরূপ।"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৮)
11- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا عبد الله بن محمد بن إسحاق، ثنا ابن أبي الدنيا، ثنا مسلمة بن شبيب، ثنا سفيان، قال: قال مساور الوراق: ((إنما تطيب المجالس بخفة الجلساء)) .
১১- উমর ইবন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবিদ দুনইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাসলামাহ ইবন শাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসাওয়ির আল-ওয়াররাক বলেছেন: ((বসার সাথীদের হালকা আচরণের মাধ্যমেই কেবল মজলিসগুলো আনন্দদায়ক হয়))।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৮)
12- حدثنا أبو محمد عبد الله بن عثمان الصفار، ثنا محمد بن الحسن بن علي الكوفي الدقاق، قال: سمعت أبا عبد الله يونس بن محمد الباهلي الصوفي، قال: بلغني أن مطرف بن مازنٍ ⦗ص: 19⦘ دخل على المأمون فقال: ((بلغني أن عندكم مصنفاً عالماً يقال له عبد الرزاق، وأنه عمل كتاباً سماه: ((كتاب الثقلاء)) ، وأنه سماك فيمن سمى؟ قال: قلت: نعم يا أمير المؤمنين. قال: فما الذي استثقل منك، وأنت لخفيف المجلس، حسن المحادثة؟ فقال: يا أمير المؤمنين! استثقل طول قلنسوتي ورقة عنق بغلتي!)) .
১২- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন উসমান আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী আল-কুফী আদ-দাক্কাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহ ইউনুস বিন মুহাম্মদ আল-বাহিলী আস-সূফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, মুতাররিফ বিন মাযিন ⦗পৃ: ১৯⦘ আল-মামুনের নিকট প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি (আল-মামুন) বললেন: “আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আপনাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক নামক একজন আলিম ও গ্রন্থকার রয়েছেন, এবং তিনি একটি কিতাব রচনা করেছেন যার নাম দিয়েছেন: ‘কিতাবুস সুকালা’ (বিরক্তিকর বা ভারী লোকদের কিতাব), আর তিনি যাদের নাম সেখানে উল্লেখ করেছেন তাদের মধ্যে আপনার নামও কি অন্তর্ভুক্ত করেছেন?” তিনি (মুতাররিফ) বললেন: আমি বললাম: “হ্যাঁ, হে আমিরুল মুমিনীন!” তিনি বললেন: “আপনার কোন বিষয়টি তাকে বিরক্তিকর বা ভারী মনে হয়েছে, অথচ আপনি তো মজলিসের জন্য অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং সুন্দর বাক্যালাপকারী?” তখন তিনি বললেন: “হে আমিরুল মুমিনীন! তিনি আমার টুপির দীর্ঘতা এবং আমার খচ্চরের ঘাড়ের চিকন হওয়াকে বিরক্তিকর মনে করেছেন!”
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৯)
13- وذكر عبيد الله بن عثمان بن يحيى أبو القاسم الدقاق، قال: حدثنا أحمد بن محمد المنادي، حدثنا إبراهيم بن مهدي الأبلي، قال: سمعت بشر بن آدم يقول: ((كنت عند أبي عاصمٍ النبيل، فجاء رجلٌ فنادى على بابه،: يا جارية! فقال لي أبو عاصم: انظر من هو؟ فنظرت؛ ثم قلت: فلانٌ، فوضع رأسه، ثم صبر قليلاً، وقال لي: انظر قد ذهب؟ فنظرت فإذا هو قد ذهب، فأنشأ يقول:

عدمت ثقيل الناس في كل مجلسٍ … فيا رب لا تغفر لكل ثقيل

إذا ما ثقيلٌ زارنا في رحالنا … فأفٍ له من زائرٍ وثقيل)) .
১৩- উবায়দুল্লাহ বিন উসমান বিন ইয়াহইয়া আবুল কাসেম আদ-দাক্কাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মুনাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন মাহদী আল-উবুল্লি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বিশর বিন আদমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি আবু আসিম আন-নাবিলের নিকট ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে তার দরজায় ডাক দিয়ে বলল: হে দাসী! তখন আবু আসিম আমাকে বললেন: দেখো সে কে? আমি দেখলাম এবং বললাম: অমুক ব্যক্তি। তখন তিনি মাথা নিচু করলেন এবং কিছুক্ষণ ধৈর্য ধরলেন। এরপর আমাকে বললেন: দেখো তো সে চলে গেছে কি না? আমি দেখলাম যে সে চলে গেছে। তখন তিনি এই কবিতা আবৃত্তি করতে লাগলেন:

আমি প্রতিটি মজলিসেই বিরক্তিকর লোকদের অনুপস্থিতি কামনা করি ... হে আমার প্রতিপালক! আপনি কোনো বিরক্তিকর ব্যক্তিকে ক্ষমা করবেন না।

যখন কোনো বিরক্তিকর ব্যক্তি আমাদের আবাসে আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে ... তখন ধিক্কার সেই সাক্ষাৎপ্রার্থী ও বিরক্তিকর ব্যক্তির প্রতি।"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ১৯)
14- حدثنا علي بن عمرو بن سهل الحريري، ثنا سليمان بن محمد الخزاعي بدمشق، ثنا قاسم بن عثمان الجرعي، ثنا حجاج بن محمد الأعور، ثنا شريك بن عبد الله، قال: ((دخلت على الأعمش أعوده؛ فدخل عليه أبو حنيفة؛ فقال: يا أبا محمد! لولا ما أعرف من تثاقلك بي، لأتيتك في كل وقتٍ، فقال: والله إنك لثقيلٌ علي وأنت في ⦗ص: 20⦘ بيتك؛ فكيف إذا جئتني؟!)) .
১৪- আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল আল-হারীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দামেস্কে সুলায়মান ইবনে মুহাম্মদ আল-খুযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাসিম ইবনে উসমান আল-জুরাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আল-আওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ((আমি আল-আ’মাশকে অসুস্থাবস্থায় দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম; এমতাবস্থায় আবু হানীফা তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন এবং বললেন: হে আবু মুহাম্মদ! আমার উপস্থিতি আপনার নিকট বোঝা স্বরূপ হওয়া সম্পর্কে যদি আমি অবগত না থাকতাম, তবে আমি প্রতিটি সময়েই আপনার নিকট আসতাম। তখন তিনি (আল-আ’মাশ) বললেন: আল্লাহর কসম, আপনি যখন আপনার ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ ঘরে থাকেন তখনও আপনি আমার নিকট বোঝা স্বরূপ; সুতরাং আপনি যখন আমার কাছে আসেন তখন অবস্থা কেমন হয়?!)) ।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২০)
15- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا الحسين بن أحمد بن صدقة، ثنا يحيى بن أيوب، قال: سمعت يزيد بن هارون يقول للإنسان إذا استثقله: ((اللهم لا تجعلنا ثقلاء)) .
১৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওমর বিন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন সাদাকা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, তিনি বলেন: আমি ইয়াজিদ বিন হারুনকে কোনো ব্যক্তির উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি যখন তিনি তাকে ভারী মনে করতেন: "হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ভারী করবেন না।"
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২০)
16- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا عبد الله بن محمد بن إسحاق المروزي، ثنا محمد بن قدامة، ثنا أبو أسامة، قال: سمعت هشام بن عروة يقول: ((أنت أثقل من الزقاقي! فسألت عنها الفراء فلم يعرفها؛ فقال رجلٌ من جلسائه: كانت العرب تسهر، فإذا زقا الديكة استثقلتها لمجيء الصبح؛ فأعجب الفراء)) .
১৬- উমর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হিশাম ইবনে উরওয়াহকে বলতে শুনেছি: "তুমি তো আয-যিকাক্বী-এর চেয়েও অধিক ভারী!" অতঃপর আমি আল-ফাররা-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, কিন্তু তিনি তা জানতেন না। তখন তাঁর মজলিসে উপবিষ্ট এক ব্যক্তি বললেন: "আরবরা রাত জেগে আড্ডা দিত, অতঃপর যখন মোরগ ডাকত (যাক্বা), তখন ভোরের আগমনের কারণে তারা মোরগের ডাককে অত্যন্ত ভারী ও অপ্রীতিকর মনে করত।" এতে আল-ফাররা বিস্মিত ও অভিভূত হলেন।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২০)
17- أنشدنا أبو عمر بن حيوية، أنشدنا أحمد بن القاسم بن مضر الشاعر، قال: أنشدنا أبو أيوب، قال: أنشدنا دعبل بن علي، قال:

إني أجالس معشراً … نوكى أخفهم ثقيل

لا يفهموني قولهم … ويدق عنهم ما أقول

قوم إذا جالستهم … صدئت لقلوبهم العقول

⦗ص: 21⦘

فهم كثيرٌ بي وأعلم … أنني بهم قليل.
১৭- আমাদের আবূ উমর বিন হাইউইয়াহ শুনিয়েছেন, আমাদের কবি আহমাদ বিন আল-কাসিম বিন মুদার শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের আবূ আইয়ুব শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের দি’বিল বিন আলী শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:

নিশ্চয়ই আমি এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে উঠাবসা করি … যারা নির্বোধ, যাদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা ব্যক্তিটিও অসহনীয় পর্যায়ের ভারী।

তারা আমাকে তাদের কথা বোঝাতে পারে না … আর আমি যা বলি তা তাদের বোধশক্তির তুলনায় অতি সূক্ষ্ম।

এমন এক কওম যে, যখন আমি তাদের সাথে বসি … তাদের হৃদয়ের প্রভাবে বুদ্ধি কলঙ্কিত হয়ে পড়ে।

⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘

আমার নিকট তারা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু আমি জানি … তাদের মাঝে আমি একান্তই নগণ্য।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২১)
18- حدثنا عمر بن أحمد، ثنا الحسين بن أحمد، ثنا ابن أبي خيثمة، قال: عن شعيب بن حرب، قال: قال الثوري: ((إنه ليكون في المجلس عشرةٌ كلهم يخفه علي، فيكون فيهم الرجل الذي أستثقله؛ فيثقلون علي)) .
১৮- উমর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুআইব ইবনে হারব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আস-সাওরি বলেছেন: ((নিশ্চয়ই মজলিসে দশজন লোক থাকে, যাদের সবাই আমার নিকট হালকা (সহজসাধ্য) মনে হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে এমন একজন ব্যক্তি থাকে যাকে আমি অত্যন্ত ভারী (অস্বস্তিকর) মনে করি; ফলে তারা সবাই আমার নিকট ভারী হয়ে যায়।))
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২১)
19- قال: وقال ابن المبارك: ((إنه ليكون في المجلس عشرةٌ، كلهم يثقل علي؛ فيكون الرجل منهم أستخفه، فيخفون علي)) .
১৯- তিনি বলেন: এবং ইবনুল মুবারক বলেন: “নিশ্চয়ই মজলিসে দশজন লোক থাকে, যাদের সকলেই আমার নিকট ভারী মনে হয়; অতঃপর তাদের মধ্যে এমন একজন লোক থাকে যাকে আমি হালকা (পছন্দনীয়) মনে করি, ফলে তার কারণে তারা সকলেই আমার নিকট হালকা হয়ে যায়।”
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২১)
20- أخبرنا أبو عمرو بن حيوية إجازة، قال: أنشدنا أبو بكر محمد بن القاسم فقال:

لقلع ضرسٍ وضنك حبس … ورد أمسٍ ويوم نحس

ونفخ نارٍ وحمل عارٍ … وبيع جارٍ بربع فلس

وضرب ألفٍ وأكل كفٍ … وضيق خفٍ ونزع نفس

وشرب سمٍ وألف قلس … أيسر من وقفةٍ ببابٍ

يلقاه حجّابه بعبس … .
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবন হাইয়্যাহ ইজাযাতান (অনুমতিক্রমে), তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন, অতঃপর তিনি বলেন:

দাঁত উপড়ানো এবং কারাবাসের সংকীর্ণতা … গতকালকে ফিরিয়ে আনা এবং অশুভ দিন

আগুনে ফুঁ দেওয়া এবং কলঙ্ক বহন করা … এবং সামান্য কপদর্কেও প্রতিবেশীকে বিক্রি করা

হাজার চাবুক খাওয়া এবং চড় খাওয়া … সংকীর্ণ জুতো পরিধান এবং প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়া (মৃত্যু যন্ত্রণা)

বিষ পান করা এবং হাজার বার বমি করা … এমন কোনো দরজায় দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে সহজ

যেখানে তার দ্বাররক্ষীরা ভ্রুকুটিপূর্ণ চেহারায় তার সাথে সাক্ষাৎ করে … ।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২২)
21- حدثنا علي بن عمر بن حفص المنقري، حدثنا إبراهيم بن أحمد القرمسيني، ثنا أحمد بن محمد، ثنا سعيد بن بحر القراطيسي، قال: سمعت أبا معاوية الضرير، قال: ((قيل للأعمش: بم عوضك الله من ذهاب بصرك؟ قال: أني لا أرى ثقيلاً!))
২১- আমাদের নিকট আলী বিন উমর বিন হাফস আল-মানকারি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম বিন আহমদ আল-কুরমিসিনি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ বিন বাহর আল-কারাতিসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু মুয়াবিয়া আদ-দারিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ((আল-আ’মাশকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনার দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে কী প্রতিদান দিয়েছেন? তিনি বললেন: এই যে, আমি কোনো বিরক্তিকর ব্যক্তিকে দেখি না!))
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২২)
22- أخبرنا أبو القاسم الحسن بن الحسن المعدل، ثنا أبو بكر محمد بن عبد الله البزار، قال: حدثني إسماعيل بن الفضل البلخي، قال: حدثني رجاء الوراق، ثنا عروة بن ثابت المديني، عن هشام بن سعد، عن إسماعيل بن عمرو القرشي، عن ابن شهاب، قال: ((إذا ثقل عليك الجليس، فاصبر؛ فإنها ربطةٌ في سبيل الله! فإذا أبرمك وملك بحديثه؛ فجاهد بقيامه عنك أو بقيامك عنه)) .
২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনুল হাসান আল-মুআদ্দিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজার, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনুল ফাযল আল-বালখি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন রাজা আল-ওয়াররাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ ইবনে সাবিত আল-মাদিনি, হিশাম ইবনে সাদ থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে আমর আল-কুরাশি থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ((যদি তোমার নিকট কোনো উপবেশনকারী (সঙ্গী) বিরক্তিকর মনে হয়, তবে ধৈর্য ধারণ করো; কেননা এটি আল্লাহর পথে একটি সুদৃঢ় অবস্থান (রিবাত)! অতঃপর সে যদি তোমাকে ত্যক্ত-বিরক্ত করে তোলে এবং তার কথাবার্তা দ্বারা তোমাকে ক্লান্ত করে ফেলে; তবে তার তোমার নিকট থেকে উঠে যাওয়ার অথবা তোমার তার নিকট থেকে উঠে যাওয়ার মাধ্যমে প্রচেষ্টা (জিহাদ) করো))।
(খণ্ড: ১) আখবারুস সুকালা লিল খাল্লাল (পৃষ্ঠা: ২২)
23- حدثني عبد الواحد بن علي أبو الطيب اللحياني، حدثنا إسماعيل بن محمد النحوي إملاءً، ثنا أحمد بن يحيى بن تغلب، ثنا زبير، أنا محمد بن يحيى بن عبد الحميد، عن ابن أبي يحيى، قال: ⦗ص: 23⦘ ((كنا نأتي ابن أبي عتيقٍ نعرض عليه، فربما غمض عينيه؛ فنقف، فيقول: ما لكم؟ فنقول: أنعست؟ فيقول: لا! ولكن مر بي إنسانٌ، فاستثقلته؛ فغمضت عيني)) .
২৩- আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আবু তাইয়্যেব আল-লিহইয়ানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আন-নাহবী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তাগলিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুবাইর, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ, ইবনে আবি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ ((আমরা ইবনে আবি আতিকের নিকট যেতাম তাঁকে (আমাদের পাঠ) শোনানোর জন্য, অনেক সময় তিনি তাঁর চক্ষুদ্বয় মুদিত করতেন; তখন আমরা থেমে যেতাম। তিনি বলতেন: তোমাদের কী হয়েছে? আমরা বলতাম: আপনি কি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন? তিনি বলতেন: না! বরং আমার নিকট দিয়ে এক ব্যক্তি অতিক্রম করল যাকে আমি অসহনীয় মনে করেছি; তাই আমি আমার চক্ষুদ্বয় মুদিত করে নিয়েছিলাম।))।