(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
حديث أبي عبد الرحمن المقرئ - الضياء المقدسي القسم: كتب السنة
الكتاب: من حديث أبي عبد الرحمن عبد الله بن يزيد المقرئ مما وافق رواية الإمام أحمد بن حنبل في المسند
المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)
المحقق: عامر حسن صبري
الناشر: دار البشائر الإسلامية [ضمن سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية (6) ]
الطبعة: الأولى 1418 هـ - 1998 م
عدد الصفحات: 101
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আবদুর রহমান আল-মুকরির হাদিস - আদ-দিয়া আল-মাকদিসি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু আবদুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুকরির বর্ণিত হাদিসসমূহ থেকে, যা মুসনাদে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
লেখক: জিয়াউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত ৬৪৩ হিজরি)
সম্পাদক: আমির হাসান সাবরি
প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ [হাদিস বিষয়ক পুস্তিকা ও গ্রন্থ সিরিজের অন্তর্ভুক্ত (৬) ]
সংস্করণ: প্রথম ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০১
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية (6)
من حديث
أبي عبد الرحمن عبد الله بن يزيد المقرئ
مما وافق رواية
الإمام أحمد بن حنبل في المسند
تأليف
الإمام الحافظ ضياء الدين أبي عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي الحنبلي
569 - 643
وهو كالمستخرج علي بعض أحاديث أبي عبد الرحمن المقرئ في المسند
تقديم وتحقيق وتخريج
الدكتور عامر حسن صبري
دار البشائر الإسلامية
الطبعة الأولى
1418 هـ - 1998 م
হাদীস বিষয়ক খণ্ড ও গ্রন্থ সিরিজ (৬)
আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ আল-মুকরির হাদীস থেকে
যা মুসনাদ গ্রন্থে
ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
সংকলন
আল-ইমাম আল-হাফিয যিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী আল-হাম্বলী
৫৬৯ - ৬৪৩
এটি মুসনাদে বর্ণিত আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরির কিছু হাদীসের ওপর মুস্তাখরাজ স্বরূপ
উপস্থাপনা, তাহকীক ও তাখরীজ
ডক্টর আমের হাসান সাবরি
দার আল-বাশাঈর আল-ইসলামিয়্যাহ
প্রথম সংস্করণ
১৪১৮ হিজরী - ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
جزء فيه من حديث أبي عبد الرحمن عبد الله بن يزيد المقرئ مما وافق رواية الإمام أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني رحمه الله
جمع شيخنا الإمام العالم الحافظ ضياء الدين أبي عبد الله محمد بن عبد الواحد بن أحمد ابن عبد الرحمن المقدسي
আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ আল-মুকরীর বর্ণিত হাদীসসমূহের একটি অংশ যা ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এটি সংগ্রহ করেছেন আমাদের শায়খ, ইমাম, আলিম, হাফিয যিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-মাকদিসী।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
عبد الله بن يزيد أبو عبد الرحمن المقرئ القرشي مولاهم، سكن مكة، مات في رجب سنة ثلاث عشرة ومائتين.
1-أخبرنا أبو طاهر المبارك بن أبي المعالي -ببغداد-، أن هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين، أخبرهم قراءة عليه.
ح: وأخبرنا أبو حفص عمر بن محمد بن معمر المؤدب -بالجانب الغربي من بغداد-، أن القاضي أبا بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري أخبرهم قراءةً عليه، قالا: أخبرنا الحسن بن علي الجوهري، أخبرنا أحمد بن جعفر، حدثنا بشر بن موسى
⦗ص: 48⦘ الأسدي، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب.
ح: وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر بن أبي الفتح -بأصبهان- وفاطمة بنت سعدٍ الخير -بالقاهرة- أن فاطمة بنت عبد الله الجوزدانية، أخبرتهم قراءةً عليها، أخبرنا محمد بن عبد الله بن ريذة، أخبرنا أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني، حدثنا بشر بن موسى، ثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني أبو الأسود، عن عكرمة:
عن عبد الله بن عمرو قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من قتل دون
⦗ص: 49⦘ ماله مظلوماً فله الجنة. اللفظ واحدٌ.
رواه الإمام أحمد والبخاري عن أبي عبد الرحمن المقرئ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি আল-কুরাশি, তাদের মুক্তদাস, মক্কায় বসবাস করতেন, তিনি দুইশত তের হিজরি সনের রজব মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
১-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আল-মুবারক ইবন আবুল মাআলি—বাগদাদে—যে হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহিদ ইবন আল-হুসাইন তাকে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে তাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(অন্য সূত্রে): এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন মুয়াম্মার আল-মুয়াদ্দিব—বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে—যে কাযী আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল বাকি আল-আনসারি তাকে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে তাদের সংবাদ দিয়েছেন; তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবন আলী আল-জাওহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবন জাফর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর ইবন মুসা
⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ আল-আসাদি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন আবি আইয়ুব।
(অন্য সূত্রে): এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন নাসর ইবন আবুল ফাতহ—ইসফাহানে—এবং ফাতেমা বিনতে সাদ আল-খাইর—কায়রোতে—যে ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ আল-জুযদানিয়া তাকে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে তাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রিযাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব আত-তাবারানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর ইবন মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি, সাঈদ ইবন আবি আইয়ুব থেকে, তিনি বলেন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আসওয়াদ, ইকরিমাহ থেকে:
আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যাকে তার
⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ সম্পদের রক্ষার্থে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার জন্য জান্নাত রয়েছে। শব্দাবলি অভিন্ন।
ইমাম আহমদ এবং বুখারি এটি আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
2- وأخبرنا محمد بن أحمد الصيدلاني -بأصبهان- وفاطمة بنت سعد الخير -بالقاهرة- أن أم إبراهيم فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم قراءةً عليها، أخبرنا محمد بن عبد الله، أخبرنا سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح، عن يزيد بن عبد الله بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن بسر بن سعيد، عن أبي قيس مولى عمرو بن العاص:
عن عمرو بن العاص، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إذا حكم الحاكم ثم اجتهد ثم أصاب فله أجران، وإذا حكم فاجتهد ثم أخطأ فله أجرٌ.
⦗ص: 50⦘ فحدثنه أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزمٍ، فقال: هكذا حدثني أبو سلمة عن أبي هريرة. والقائل فحدثته هو ابن الهاد، والله أعلم.
رواه الإمام أحمد والبخاري عن المقرئ.
২- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সাইদালানি -আসবাহানে- এবং ফাতিমা বিনতে সাদ আল-খাইর -কায়রোতে- যে উম্মু ইব্রাহিম ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ তাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হারুন বিন মালুল আল-মিসরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুকরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাইওয়া বিন শুরাইহ, ইয়াজিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাদ থেকে, মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম থেকে, বুসর বিন সাঈদ থেকে, আমর বিন আল-আসের মুক্তদাস আবু কাইস থেকে:
আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণিত যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: যখন কোনো বিচারক বিচার করেন এবং ইজতিহাদ করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছান, তবে তার জন্য রয়েছে দুটি প্রতিদান। আর যখন তিনি বিচার করেন এবং ইজতিহাদ করেন, অতঃপর ভুল করেন, তবে তার জন্য রয়েছে একটি প্রতিদান।
⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ অতঃপর আমি এটি আবু বকর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হাজমের নিকট বর্ণনা করলাম, তখন তিনি বললেন: এভাবেই আবু সালামাহ আবু হুরায়রা থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। আর ‘অতঃপর আমি তাকে বর্ণনা করলাম’ উক্তিটি ইবনুল হাদ-এর, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
ইমাম আহমাদ ও বুখারি এটি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
3- وبه: حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، أن يزيد بن أبي حبيب أخبره قال: سمعت أبا الخير يقول:
رأيت أبا تميم الجيشاني ركع ركعتين حين سمع أذان المغرب قبل الصلاة، فجئت وأنا أريد أن أمنعه، فقال عقبة بن عامرٍ: إنا قد كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم.
رواه الإمام أحمد والبخاري عن المقرئ بنحوه.
৩- এবং তাঁর মাধ্যমেই: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-মুক্রি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল খায়েরকে বলতে শুনেছি:
আমি আবু তামিম আল-জায়শানিকে মাগরিবের আজান শোনার পর নামাজের পূর্বে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে দেখেছি। আমি তাঁকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এগিয়ে গেলাম, তখন উকবাহ বিন আমির বললেন: আমরা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে এটি করতাম।
ইমাম আহমাদ ও বুখারি আল-মুক্রি থেকে অনুরূপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
4- وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر الصيدلاني
⦗ص: 51⦘ -بقراءتي عليه بأصبهان- قلت له: أخبرتكم فاطمة بنت عبد الله الجوزدانية -قراءةً عليها وأنت تسمع فأقرت به- أخبرنا محمد بن عبد الله بن ريذة، أخبرنا أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح، يعني عن ربيعة بن يزيد، قال: سمعت أبا إدريس الخولاني يحدث:
أنه سمع أبا ثعلبة يقول: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، إنا بأرضٍ من أهل كتابٍ، نواكلهم في آنيتهم، وإن أرضنا أرض صيدٍ، نصيد بالقوس والكلب المكلب، والكلب الذي ليس بمكلبٍ، فأخبرني ماذا يحل لي مما يحرم علي؟ قال: أما ما ذكرت أنكم بأرض أهل الكتاب تأكلون في آنيتهم، فإن وجدتم غير آنيتهم فلا تأكلوا فيها، وإن لم تجدوا غيرها فاغسلوها وكلوا فيها، وأما ما ذكرت من أمر الصيد، فما صدت بقوسك وذكرت اسم الله عليه فكل، وأما ما صاد كلبك الذي ليس بمكلبٍ فما أدركت ذكاته فكل، وما لم تدرك ذكاته فلا تأكل منه، وأما ما صاد كلبك المكلب فكل مما أمسك عليك، واذكر اسم الله عليه.
رواه الإمام أحمد والبخاري عن المقرئ.
৪- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি
⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ -ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে- আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জুজদানিয়া আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন -তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন এমতাবস্থায় তিনি তা স্বীকার করেছেন- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রিযা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হারুন ইবনে মালুল আল-মিসরি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-মুকরি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাইওয়াহ ইবনে শুরায়হ, অর্থাৎ রাবিআ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু ইদ্রিস আল-খাওলানিকে বর্ণনা করতে শুনেছি:
তিনি আবু সা'লাবাকে বলতে শুনেছেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আহলে কিতাবদের (ইহুদি ও খ্রিস্টানদের) এলাকায় বসবাস করি, আমরা তাদের পাত্রে খাবার খাই। আমাদের এলাকা শিকারের এলাকা, আমরা ধনুক, প্রশিক্ষিত শিকারি কুকুর এবং অপ্রশিক্ষিত কুকুরের মাধ্যমে শিকার করি। সুতরাং আমাকে জানান, আমার জন্য কোনটি হালাল আর কোনটি হারাম? তিনি বললেন: তুমি যে আহলে কিতাবদের এলাকায় তাদের পাত্রে খাওয়ার কথা উল্লেখ করেছ, তার বিধান হলো- যদি তোমরা তাদের পাত্র ছাড়া অন্য পাত্র পাও তবে তাদের পাত্রে খেয়ো না, আর যদি অন্য পাত্র না পাও তবে সেগুলো ধুয়ে নিয়ে তাতে আহার করো। আর শিকারের বিষয়ে তুমি যা উল্লেখ করেছ, তার বিধান হলো- তুমি তোমার ধনুক দিয়ে যা শিকার করেছ এবং তার ওপর আল্লাহর নাম নিয়েছ, তা খাও। আর তোমার অপ্রশিক্ষিত কুকুর যা শিকার করেছে, তা যদি তুমি জীবিত অবস্থায় জবাই করার সুযোগ পাও তবে তা খাও, আর যদি জবাই করার সুযোগ না পাও তবে তা খেয়ো না। আর তোমার প্রশিক্ষিত শিকারি কুকুর তোমার জন্য যা ধরেছে তা খাও এবং তার ওপর আল্লাহর নাম নাও।
ইমাম আহমদ এবং বুখারি আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫২)
5- وأخبرنا أبو حامد عبد الله بن مسلم بن ثابت يعرف بابن جوالق النخاس -قراءة عليه ونحن نسمع ببغداد- قيل له: أخبركم القاضي أبو بكر محمد بن عبد الباقي بن محمد الأنصاري -قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به- أخبرنا أبو محمد الحسن بن علي بن محمد الجوهري، أخبرنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان بن مالك القطيعي، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد قال: حدثني جعفر بن ربيعة، عن عراك بن مالك، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن:
عن عائشة رضي الله عنها قالت: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء، ثم صلى ثمان ركعاتٍ قائماً، وركعتين جالساً، وركعتين بين النداءين، ولم يكن يدعهما أبداً.
رواه الإمامان أحمد والبخاري عن المقرئ، وليس في رواية الإمام أحمد قوله: أبداً.
⦗ص: 53⦘ وأخبرنا به أبو حفص عمر بن محمد بن معمر المؤدب -بدار القز من بغداد- أن أبا غالبٍ أحمد بن الحسن بن البنا -أخبرهم قراءة عليه- أخبرنا الحسن بن علي الجوهري، أخبرنا أحمد بن جعفر القطيعي حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني جعفر بن ربيعة، عن عراك بن مالك عن أبي سلمة، عن عائشة، بمثله، وعنده: ولم يدعهما رسول الله صلى الله عليه وسلم أبداً.
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে সাবিত, যিনি ইবনে জাওয়ালক আল-নাখখাস নামে পরিচিত - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা বাগদাদে শ্রবণ করছিলাম - তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মাদ আল-আনসারি - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি শ্রবণ করছিলেন, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ আল-জাওহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে রাবিয়াহ, ইরাক ইবনে মালিক থেকে, আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে:
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এশার সালাত আদায় করলেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে আট রাকাত এবং বসে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং দুই আজানের (আজান ও ইকামতের) মধ্যবর্তী সময়ে দুই রাকাত আদায় করলেন, আর তিনি কখনোই তা ছাড়তেন না।
ইমাম আহমাদ ও ইমাম বুখারি আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে ইমাম আহমাদের বর্ণনায় "কখনোই" শব্দটি নেই।
⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ এবং আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুয়াম্মার আল-মুয়াদ্দিব - বাগদাদের দারুল কাজ্জ-এ - যে আবু গালিব আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আল-বান্না - তাঁদের নিকট পাঠের মাধ্যমে তিনি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলি আল-জাওহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব থেকে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে রাবিয়াহ, ইরাক ইবনে মালিক থেকে, আবু সালামাহ থেকে, আয়েশা থেকে, অনুরূপ হাদিস। আর তাঁর বর্ণনায় রয়েছে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনোই তা ছাড়তেন না।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
6- وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر بن أبي الفتح سبط حسين بن عبد الملك بن عبد الوهاب بن أبي عبد الله بن مندة الأصبهاني -بقراءتي عليه بأصبهان- قلت له: أخبركم محمود بن إسماعيل الصيرفي - قراءة عليه وأنت حاضر، أخبرنا أحمد بن محمد بن فاذشاه.
ح: وقلت له: أخبرتكم فاطمة بنت عبد الله الجوزدانية -قراءةً عليها وأنت تسمع- أخبرنا محمد بن عبد الله بن ريذة، قالا: أخبرنا
⦗ص: 54⦘ أبو القاسم سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، حدثنا أبو الأسود محمد بن عبد الرحمن، عن النعمان بن أبي عياش الزرقي:
عن خولة بنت ثامرٍ الأنصارية قالت: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: إن الدنيا حلوةٌ خضرةٌ، وإن رجالاً سيخوضون في مال الله ورسوله بغير حق، لهم النار يوم القيامة.
رواه الإمام أحمد بن حبل ومحمد بن إسماعيل البخاري عن أبي عبد الرحمن عبد الله بن يزيد المقرئ.
৬- এবং আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন নাসর বিন আবিল ফাতহ, যিনি হুসাইন বিন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ আল-আসবাহানীর দৌহিত্র - আসবাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে - আমি তাঁকে বলেছি: মাহমুদ বিন ইসমাইল আস-সাইরাফি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠকালে আপনি উপস্থিত ছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ফাযশাহ।
হা (সূত্রান্তর): এবং আমি তাঁকে বলেছি: ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জাওযদানিয়্যাহ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠকালে আপনি তা শুনছিলেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন রিযাহ। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আসওয়াদ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান, নুমান বিন আবি আইয়াশ আয-যুরাকি থেকে বর্ণিত:
খাওলাহ বিনতে সামের আল-আনসারিয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই দুনিয়া মিষ্ট ও সবুজ (আকর্ষণীয়), এবং নিশ্চয়ই কিছু মানুষ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সম্পদে অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করবে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম।
এটি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল এবং মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
7- أخبرنا أسعد بن سعيد بن روحٍ -قراءةً عليه بأصبهان- أن فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم قراءةً عليها وهم يسمعون، أخبرنا محمد بن ريذة، أخبرنا سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا أبو عبد الرحمن، حدثنا سعيد بن أبي أيوب قال: حدثني يزيد بن أبي حبيب، أن كليب بن ذهلٍ حدثه أن عمرو بن جبير قال:
⦗ص: 55⦘ ركبت مع أبي بصرة صاحب النبي صلى الله عليه وسلم سفينةً من الفسطاط، ثم قرب غداءه، ثم قال لي: اقترب، فقلت: أليس نحن في البيوت، فقال أبو بصرة: أرغبت عن سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم.
رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن، غير أن عنده: عبيد بن جبر.
৭- আসআদ ইবনে সাঈদ ইবনে রূহ—ইসফাহানে তাঁর নিকট পঠনকালে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পঠনকালে এমতাবস্থায় যে তাঁরা তা শুনছিলেন—মুহাম্মাদ ইবনে রিযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলায়মান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন ইবনে মালুল আল-মিসরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আবদুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, কুলাইব ইবনে যুহাল তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, আমর ইবনে জুবায়ের বলেছেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী আবু বাসরাহ-এর সাথে ফুসতাত থেকে একটি নৌযানে আরোহণ করলাম। অতঃপর তিনি তাঁর দুপুরের আহার কাছে আনলেন এবং আমাকে বললেন: কাছে এসো। আমি বললাম: আমরা কি এখনো ঘরবাড়ির (জনবসতির) মধ্যে নেই? তখন আবু বাসরাহ বললেন: তুমি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ থেকে বিমুখ হতে চাও?
ইমাম আহমাদ এটি আবু আবদুর রহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর বর্ণনায় (নামটি) উবাইদ ইবনে জাবর রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
8- وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر الصيدلاني -بقراءتي عليه بأصبهان- قلت له: أخبرتكم فاطمة بنت عبد الله الجوزدانية -قراءةً عليها وأنت تسمع- أخبرنا محمد بن عبد الله، أخبرنا سليمان بن أحمد، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح وابن لهيعة قالا: حدثنا حسان مولى محمد بن سهل، عن سعيد بن أبي هلال، عن عبد الله بن علي بن السائب، عن هرمي بن عبد الله:
⦗ص: 56⦘ عن خزيمة بن ثابتٍ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إن الله لا يستحيي من الحق، لا تأتوا النساء في أدبارهن.
رواه الإمام أحمد عن عبد الله بن يزيد.
৮- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আল-সাইদালানি —আসবাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে— আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জাওজদানিয়া আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন —তাঁর নিকট পাঠকালে আপনি তা শুনছিলেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে মালুল আল-মিসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হায়ওয়াহ ইবনে শুরাইহ এবং ইবনে লাহিয়াহ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসসান, যিনি মুহাম্মদ ইবনে সাহলের মুক্তদাস, সাঈদ ইবনে আবু হিলাল থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে আল-সাইব থেকে বর্ণিত, হারামি ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত:
⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ খুজাইমাহ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্য প্রকাশে লজ্জাবোধ করেন না; তোমরা স্ত্রীদের মলদ্বারে সঙ্গম করো না।
ইমাম আহমদ এটি আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
9- وبه: أخبرنا سليمان بن أحمد، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، قال: حدثنا سعيد بن أبي أيوب، حدثنا أبو الأسود، عن بكير بن عبد الله، عن بسر بن سعيد:
عن خالد بن عدي الجهني قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من بلغه معروفٌ من أخيه من غير مسألةٍ ولا إشرافٍ، فليقبله ولا يرده، فإنما هو رزقٌ ساقه الله إليه.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
৯- এবং তাঁর মাধ্যমেই: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আসওয়াদ, বুকাইর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি বুসর বিন সাঈদ থেকে:
খালিদ বিন আদি আল-জুহানি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যার কাছে তার কোনো ভাইয়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার যাচনা (চাওয়া) বা মনে আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা ছাড়াই কোনো কল্যাণ বা দান পৌঁছে, সে যেন তা গ্রহণ করে এবং তা প্রত্যাখ্যান না করে। কেননা এটি এমন রিযিক যা আল্লাহ তাআলা তার দিকে পরিচালিত করেছেন বা পাঠিয়েছেন।
ইমাম আহমাদ আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
10- وبه: أخبرنا سليمان بن أحمد، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح، حدثنا
⦗ص: 57⦘ أبو صخرٍ، عن عبد الله بن عبد الرحمن مولى سالم بن عبد الله، عن سالم بن عبد الله بن عمر:
حدثني أبو أيوب قال، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ليلة أسري بي، مررت بإبراهيم صلى الله عليه وسلم فقال: يا جبريل، من هذا معك؟ قال: محمدٌ، فسلم علي ورحب بي، وقال: مر أمتك أن يكثروا من غرس الجنة، فإن تربتها طيبةٌ، واسعةٌ، قلت: وما غرس الجنة؟ قال: لا حول ولا قوة إلا بالله.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
وأخبرنا به أبو حفص عمر بن محمد بن الحسن بن عبد الله القطان -قراءةً عليه ببغداد- أن هبة الله بن محمد بن الحصين أخبرهم قراءةً عليه، أخبرنا محمد بن محمد بن إبراهيم بن غيلان، أخبرنا أبو بكر
⦗ص: 58⦘ محمد بن عبد الله بن إبراهيم، حدثنا محمد بن مسلمة، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح، عن أبي صخرٍ، أن عبد الله بن عبد الرحمن، أخبره عن سالم بن عبد الله بن عمر بن الخطاب قال:
أخبرني أبو أيوب الأنصاري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به، مر على إبراهيم خليل الرحمن، فقال إبراهيم عليه السلام: يا جبريل من هذا الذي معك؟ فقال جبريل: هذا محمدٌ، فقال إبراهيم لمحمد صلى الله عليه وسلم: مر أمتك فلتكثر من غراس الجنة، فإن تربتها طيبةٌ وأرضها واسعةٌ، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: وما غراس الجنة؟ فقال إبراهيم عليه السلام: لا حول ولا قوة إلا بالله.
১০- এবং উক্ত সনদে: সুলাইমান ইবন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন ইবন মালুল আল-মিসরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাইওয়াহ ইবন শুরাইহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ আবু সাখর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান থেকে, যিনি সালিম ইবন আবদুল্লাহর মুক্তদাস, তিনি সালিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন:
আবু আইয়ুব আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: যেদিন রাতে আমাকে ইসরা (নৈশ ভ্রমণ) করানো হয়েছিল, আমি ইবরাহিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন তিনি বললেন: হে জিবরাইল, তোমার সাথে উনি কে? তিনি বললেন: মুহাম্মদ। তখন তিনি আমাকে সালাম দিলেন ও স্বাগত জানালেন এবং বললেন: আপনার উম্মতকে আদেশ দিন যেন তারা জান্নাতের চারাগাছ রোপণ বৃদ্ধি করে, কারণ এর মাটি অত্যন্ত উৎকৃষ্ট এবং এর ভূমি প্রশস্ত। আমি বললাম: জান্নাতের চারাগাছ কী? তিনি বললেন: লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই)।
ইমাম আহমদ এটি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আবু হাফস উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন হাসান ইবন আবদুল্লাহ আল-কাত্তান আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন—বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—যে হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম ইবন গাইলান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর
⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন মাসলামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন ইয়াজিদ আল-মুকরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাইওয়াহ ইবন শুরাইহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সাখর থেকে, যে আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান তাঁকে সালিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:
আবু আইয়ুব আল-আনসারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেদিন রাতে ইসরা করানো হয়েছিল, তিনি খলিলুর রহমান ইবরাহিমের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন ইবরাহিম আলাইহিস সালাম বললেন: হে জিবরাইল, তোমার সাথে এই ব্যক্তিটি কে? জিবরাইল বললেন: ইনি মুহাম্মদ। অতঃপর ইবরাহিম মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন: আপনার উম্মতকে নির্দেশ দিন যেন তারা জান্নাতের চারাগাছ রোপণ বাড়িয়ে দেয়, কারণ এর মাটি উৎকৃষ্ট এবং এর ভূমি প্রশস্ত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: জান্নাতের চারাগাছ কী? ইবরাহিম আলাইহিস সালাম বললেন: লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
11- وأخبرنا محمد بن أحمد بن نصر الأصبهاني بها، أن فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم قراءة عليها، أخبرنا محمد بن ريذة، أخبرنا سليمان بن أحمد، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني شرحبيل بن شريك المعافري، عن أبي عبد الرحمن الحبلي قال:
⦗ص: 59⦘ سمعت أبا أيوب الأنصاري رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: غدوةٌ في سبيل الله أو روحةٌ خيرٌ مما طلعت عليه الشمس وغربت.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
ورواه مسلم عن إسحاق بن راهويه وزهير بن حرب وأبي بكر بن أبي شيبة ثلاثتهم عن المقرئ.
ورواه مسلم أيضاً عن محمد بن عبد الله بن قهزاذ عن علي بن الحسن، عن ابن المبارك، عن سعيد بن أبي أيوب وحيوة، كلاهما عن شرحبيل بن شريك، عن الحبلي، عن أبي أيوب.
فروايتنا تعلوا على هذه بثلاثة أنفس، ولله الحمد.
১১- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন নাসর আল-আসবাহানি সেখানে (আসবাহানে), ফাতেমা বিনতে আব্দুল্লাহ তাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন রিযা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হারুন বিন মালুল আল-মিসরি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, সাঈদ বিন আবি আইয়ুব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন শুরাহবিল বিন শারিক আল-মুআফিরি, আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ আমি আবু আইয়ুব আল-আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর পথে এক সকাল বা এক বিকাল অতিবাহিত করা সেই সমস্ত কিছু থেকে উত্তম যার ওপর সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়।
ইমাম আহমাদ এটি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং মুসলিম এটি ইসহাক বিন রাহওয়াইহি, জুহাইর বিন হারব এবং আবু বকর বিন আবি শায়বা—এই তিনজনের সূত্রে আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং মুসলিম আরও বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন কাহযায থেকে, তিনি আলি বিন হাসান থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি আইয়ুব ও হাইওয়াহ থেকে, তারা উভয়ই শুরাহবিল বিন শারিক থেকে, তিনি আল-হুবুলি থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে।
সুতরাং আমাদের বর্ণনাটি এই বর্ণনার ওপর তিন স্তরের উচ্চতা (আলি সনদ) লাভ করেছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
12- أخبرنا أبو جعفر الصيدلاني، أن فاطمة أخبرتهم قراءةً عليها، أخبرنا محمد بن ريذة، أخبرنا سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا عياش بن عقبة الحضرمي، قال: سمعت يحيى بن ميمون الحضرمي يقول:
وقف علينا سهل بن سعد الساعدي ونحن في المسجد، فقال سهلٌ: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من جلس في المسجد ينتظر الصلاة فهو في صلاةٍ.
⦗ص: 60⦘ رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن.
১২- আবু জাফর আস-সায়দালানি আমাদের অবহিত করেছেন যে, ফাতিমা তাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন রিযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আয়্যাশ বিন উকবাহ আল-হাদরামি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাইমুন আল-হাদরামিকে বলতে শুনেছি:
আমরা যখন মসজিদে ছিলাম তখন সাহল বিন সাদ আস-সা'ঈদি আমাদের নিকট এসে দাঁড়ালেন, অতঃপর সাহল বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি সালাতের অপেক্ষায় মসজিদে বসে থাকে, সে সালাতেই থাকে।
⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ ইমাম আহমাদ এটি আবু আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
13- وبه: حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن حيوة بن شريح، عن مالك بن خير الزيادي، أن مالك بن سعدٍ التجيبي حدثه:
أنه سمع ابن عباس يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أتاني جبريل –عليه السلام فقال: يا محمد، إن الله لعن الخمر، وعاصرها، ومعتصرها، وشاربها، وحاملها، والمحمولة إليه، وبائعها، ومبتاعها، وساقيها، ومستقيها.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
১৩- এবং তার মাধ্যমে: আমাদের নিকট আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি মালিক বিন খাইর আয-যিয়াদী থেকে, যে মালিক বিন সাদ আত-তুজীবী তাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন:
যে তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: জিবরাঈল -আলাইহিস সালাম- আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ, নিশ্চয়ই আল্লাহ মদকে অভিশপ্ত করেছেন, আর যে ব্যক্তি তা নিংড়ায়, যার জন্য তা নিংড়ানো হয়, যে তা পান করে, যে তা বহন করে, যার নিকট তা বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়, যে তা বিক্রি করে, যে তা ক্রয় করে, যে তা পরিবেশন করে এবং যাকে তা পরিবেশন করা হয়।
ইমাম আহমাদ আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
14- وبه: حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني كعب بن علقمة، عن بلال بن عبد الله بن عمر بن الخطاب:
عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تمنعوا النساء حظوظهن من المساجد إذا استأذنوكم، فقال بلالٌ: والله لنمنعهن، فقال عبد الله:
⦗ص: 61⦘ يا عدو الله، أقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، وتقول: لنمنعهن.
رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن.
ورواه مسلم عن هارون الحمال عن المقرئ.
১৪- এবং একই সূত্রে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব থেকে, তিনি কাব ইবনে আলকামা থেকে, তিনি বিলাল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে:
তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নারীরা যখন তোমাদের নিকট অনুমতি প্রার্থনা করে, তখন তোমরা তাদেরকে মসজিদের প্রাপ্য অংশ থেকে বাধা দিও না। তখন বিলাল বললেন: আল্লাহর কসম, আমরা অবশ্যই তাদের বাধা দেব। তখন আবদুল্লাহ বললেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৬১⦘ ওহে আল্লাহর শত্রু, আমি বলছি: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আর তুমি বলছ: আমরা অবশ্যই তাদের বাধা দেব।
ইমাম আহমাদ এটি আবু আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং মুসলিম এটি হারুন আল-হাম্মাল থেকে, তিনি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬১)
15- أخبرنا أبو القاسم عبد الواحد بن القاسم بن الفضل الأصبهاني بها، أن أبا طاهر عبد الواحد بن محمد بن أحمد الصباغ أخبرهم وهو حاضر، أخبرنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله وأنا حاضر، أخبرنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسين بن الصواف، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة، حدثنا عياش بن عباسٍ.
وأخبرنا أبو حفص عمر بن محمد بن معمر المؤدب –بالجانب الغربي من بغداد- قلت له: أخبركم أبو غالب أحمد بن الحسن بن البنا -قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به- أخبرنا الحسن بن علي الجوهري،
⦗ص: 62⦘ أخبرنا أحمد بن جعفر القطيعي، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن حيوة، قال: حدثني عياش بن عباس، أن أبا النضر حدثه عن عامر بن سعد بن أبي وقاص:
أن أسامة بن زيدٍ أخبر والده سعد بن أبي وقاصٍ، فقال له: أن رجلاً جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إني أعزل عن امرأتي، فقال: لم؟ فقال: شفقاً على ولدها، فقال: إن كان ذلك فلا، ما ضر ذلك فارس ولا الروم.
لفظهما واحد غير أن في رواية الصواف: إن كان كذلك.
رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن.
ورواه مسلم عن محمد بن نمير وزهير بن حرب كلاهما عن أبي عبد الرحمن المقرئ.
১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-কাসেম বিন আল-ফাদল আল-আসবাহানি সেখানে, যে আবু তাহের আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আস-সাব্বাগ তাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি উপস্থিত ছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ এবং আমি উপস্থিত ছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আস-সাওয়াফ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আইয়াশ বিন আব্বাস।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুআম্মার আল-মুয়াদ্দিব —বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে— আমি তাকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আল-বান্না —তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শুনছিলেন অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারি,
⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জাফর আল-কাতিয়ি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, হাইওয়াহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়াশ বিন আব্বাস, যে আবুল নাদর তাকে বর্ণনা করেছেন আমির বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস থেকে:
যে উসামাহ বিন যায়েদ তার পিতা সাদ বিন আবি ওয়াক্কাসকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাকে বললেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: আমি আমার স্ত্রীর সাথে আযল করি (সহবাসের সময় বীর্য বাইরে ফেলি), তিনি বললেন: কেন? সে বলল: তার সন্তানের প্রতি মমত্ববোধ থেকে, তিনি বললেন: যদি বিষয়টি এমন হয় তবে না (অসুবিধা নেই), এটি পারস্য ও রোমকদের কোনো ক্ষতি করেনি।
উভয়ের শব্দ একই, তবে আস-সাওয়াফ এর বর্ণনায় রয়েছে: "যদি বিষয়টি তদ্রূপ হয়।"
ইমাম আহমাদ এটি আবু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং মুসলিম এটি মুহাম্মদ বিন নুমাইর ও যুহাইর বিন হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি থেকে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬২)
16- وبهما: حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي أيوب، قال: حدثني يزيد بن عبد الله بن الهاد، عن نافع:
عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن النار عدو، فاحذروها، قال: فكان ابن عمر يتبع نيران أهله، فيطفئها قبل أن يبيت.
لفظهما واحدٌ، وفي رواية الصواب: حدثنا أبو عبد الرحمن، حدثنا سعيد، بغير نسبه.
⦗ص: 63⦘ رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن.
১৬- এবং তাঁদের উভয়ের সূত্রে: আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব থেকে, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে থেকে:
ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই এই আগুন শত্রু, সুতরাং তোমরা এ থেকে সতর্ক থাকো। বর্ণনাকারী বলেন: ইবনে উমর তাঁর পরিবারের আগুনগুলোর খোঁজ নিতেন এবং রাতে ঘুমানোর আগে সেগুলো নিভিয়ে দিতেন।
উভয়ের শব্দবিন্যাস একই, এবং আস-সাওয়াব-এর বর্ণনায় রয়েছে: আবু আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—বংশ পরিচয় উল্লেখ না করে।
⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ ইমাম আহমাদ এটি আবু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
17- وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر الأصبهاني بها، أن أبا علي الحداد أخبرهم قراءة وهو حاضر، أخبرنا أبو نعيم، حدثنا أحمد بن يوسف، حدثنا الحارث بن أبي أسامة، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا ابن لهيعة وحيوة قالا: حدثنا شرحبيل بن شريك، أنه سمع أبا عبد الرحمن يحدث:
عن عبد الله بن عمرو عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: خير.
وأخبرنا أبو جعفر أيضاً، أن فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم قراءةً عليها وهم يسمعون، أخبرنا محمد بن ريذة، قال: أخبرنا سليمان بن أحمد.
ح: وأخبرنا أبو حامد عبد الله بن مسلم بن ثابت يعرف بابن جوالق
⦗ص: 64⦘ ببغداد، أن أبا بكر محمد بن عبد [الباقي] الأنصاري أخبرهم قراءةً عليه، أخبرنا أبو محمد الحسن بن علي بن محمد بن الحسن الجوهري، أخبرنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان القطيعي، قالا: حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة وابن لهيعة قالا: حدثنا شرحبيل بن شريك المعافري، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يحدث:
عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: خير الأصحاب عند الله جل وعز خيرهم لصاحبه، وخير الجيران عند الله جل وعز خيرهم لجاره.
لفظهم واحد غير أن في رواية الحارث قدم الجيران.
رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن.
১৭- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন নাসর আল-আসবাহানি সেখানে, যে আবু আলি আল-হাদ্দাদ তাদের সংবাদ দিয়েছেন পাঠের মাধ্যমে যখন তিনি উপস্থিত ছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন ইউসুফ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হারিস বিন আবি উসামাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে লাহিয়া ও হাইওয়াহ, তাঁরা দুজনেই বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শুরাহবিল বিন শারিক, তিনি আবু আব্দুর রহমানকে বর্ণনা করতে শুনেছেন:
আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: উত্তম...
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আরও, যে ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ তাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন তাঁরা শুনছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন রীযাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ।
হা: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন সাবিত যিনি ইবনে জাওয়ালিক নামে পরিচিত
⦗পৃষ্ঠা: ৬৪⦘ বাগদাদে, যে আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল [বাকি] আল-আনসারি তাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-জাওহারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান আল-কাতিয়ী, তাঁরা দুজনে বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাইওয়াহ ও ইবনে লাহিয়া, তাঁরা দুজনেই বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শুরাহবিল বিন শারিক আল-মাআফিরি, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবালিকে বর্ণনা করতে শুনেছেন:
আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর নিকট সঙ্গীদের মাঝে সর্বোত্তম হলো সেই ব্যক্তি যে তার সঙ্গীর নিকট উত্তম, এবং আল্লাহর নিকট প্রতিবেশীদের মাঝে সর্বোত্তম হলো সেই ব্যক্তি যে তার প্রতিবেশীর নিকট উত্তম।
তাঁদের বর্ণিত শব্দাবলি একই, তবে আল-হারিসের বর্ণনায় প্রতিবেশীর আলোচনা আগে আনা হয়েছে।
ইমাম আহমাদ এটি আবু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
18- وأخبرنا أبو جعفر الصيدلاني بأصبهان، أن فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم، أخبرنا محمد بن ريذة، أخبرنا أبو القاسم الطبراني، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا المقرئ، عن حيوة بن شريح، حدثني أبو هانئ، أنه سمع أبا عبد الرحمن، أنه سمع عبد الله بن عمرو.
ح: وأخبرنا أبو حامد عبد الله بن مسلم بن ثابت ببغداد، أن محمد بن عبد الباقي أخبرهم قراءةً عليه، أخبرنا الحسن بن علي
⦗ص: 65⦘ الجوهري، أخبرنا أحمد بن جعفر، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة، حدثني أبو هانئ، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يقول:
أنه سمع عبد الله بن عمرو يقول: أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن قلوب بني آدم كلها بين أصبعين من أصابع الرحمن كقلب واحدٍ، يصرفه حيث يشاء، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اللهم مصرف القلوب اصرف قلوبنا إلى طاعتك.
لفظ القطيعي أحمد، وفي رواية الطبراني: يصرف بها حيث شاء، وعنده: صرف قلوبنا.
رواه الإمام أحمد بمعناه عن أبي عبد الرحمن المقرئ.
ورواه مسلم عن زهير بن حربٍ، عن المقرئ.
১৮- আসবাহানে আবু জাফর আস-সাইদালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ তাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে রিযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-মুকরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ থেকে বর্ণিত, আবু হানি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুর রহমানকে বলতে শুনেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছেন।
হ (সনদ পরিবর্তন): এবং বাগদাদে আবু হামিদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বকি তাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে আলী
⦗পৃষ্ঠা: ৬৫⦘ আল-জাওহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাইওয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু হানি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবলিকে বলতে শুনেছেন:
তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই বনী আদমের সমস্ত অন্তর দয়াময় রহমানের আঙুলসমূহের মধ্য থেকে দুটি আঙুলের মাঝে একটি হৃদয়ের ন্যায় রয়েছে; তিনি যেভাবে ইচ্ছা তা পরিবর্তন করেন।" অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার আনুগত্যের দিকে ফিরিয়ে দিন।"
শব্দগুলো আহমাদ আল-কাতিয়ির; আর তাবারানির বর্ণনায় রয়েছে: "তিনি এর মাধ্যমে যেভাবে ইচ্ছা তা পরিবর্তন করেন", এবং তাঁর নিকট শব্দগুলো হলো: "আমাদের অন্তরসমূহকে পরিবর্তন করুন"।
ইমাম আহমাদ এটি একই অর্থে আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি যুহাইর ইবনে হারব থেকে, তিনি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
19- وأخبرنا أبو جعفر محمد بن أحمد بن نصر بن أبي الفتح الصيدلاني –بقراءتي عليه بأصبهان- قلت له: أخبرتكم فاطمة بنت عبد الله قراءةً عليها وأنت تسمع، أخبرنا محمد بن عبد الله بن ريذة، أخبرنا أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني، حدثنا هارون بن ملول، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن ربيعة بن سيف، عن أبي عبد الرحمن:
عن عبد الله بن عمرو قال: قال رجلٌ: يا رسول الله، تمر بنا جنازة
⦗ص: 66⦘ الكافر فنقوم لها، فقال: نعم، قوموا لها، فإنكم لستم تقومون لها، إنما تقومون لمن معها من الملائكة.
رواه الإمام أحمد عن عبد الله بن يزيد المقرئ.
১৯- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নাসর বিন আবিল ফাতহ আস-সাইদালানি —আসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে— আমি তাঁকে বললাম: ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আপনাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আপনি শ্রবণ করছিলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন রিযাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলায়মান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন বিন মালুল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, রাবিয়াহ বিন সাইফ থেকে, আবু আব্দুর রহমান থেকে:
আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের সামনে দিয়ে কাফিরের জানাজা
⦗পৃ: ৬৬⦘ অতিক্রম করে, তখন কি আমরা দাঁড়াব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তোমরা তার জন্য দাঁড়াও। কেননা তোমরা তো তার জন্য দাঁড়াচ্ছ না, বরং তোমরা দাঁড়াচ্ছ তার সাথে থাকা ফেরেশতাদের সম্মানে।
ইমাম আহমদ এটি আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
20- وبه: أخبرنا سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا يحيى بن أيوب العلاف، حدثنا سعيد بن أبي مريم، أخبرنا نافع بن يزيد، حدثني ربيعة بن سيف، حدثني أبو عبد الرحمن الحبلي:
عن عبد الله بن عمرو قال: قبرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلاً، فلما رجعنا وحاذينا بابه، إذا هو بامرأةٍ مقبلةٍ لا تظنه عرفها، فقال: يا فاطمة، من أين جئت؟ قالت: جئت من عند أهل هذا الميت، رحمت إليهم ميتهم وعزيتهم، قال: فلعلك بلغت معهم الكدى، قالت: معاذ الله أن أبلغ معهم الكدى، وقد سمعتك تذكر فيه ما تذكر، فقال: لو بلغت معهم الكدى ما رأيت الجنة حتى يراها جد أبيك. والكدى المقابر.
وبه: أخبرنا الطبراني، حدثنا هارون بن ملول، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثنا حيوة بن شريح، عن ربيعة بن سيف، عن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم، مثله.
⦗ص: 67⦘ رواه الإمام أحمد عن عبد الله بن يزيد.
২০- এবং তাঁর সূত্রে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবন আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব আল-আল্লাফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন আবি মারয়াম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে ইবন ইয়াযিদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন রাবিআ ইবন সাইফ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি:
আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক ব্যক্তিকে দাফন করলাম। যখন আমরা ফিরে এলাম এবং তাঁর দরজার কাছাকাছি পৌঁছলাম, তখন হঠাৎ এক মহিলাকে এগিয়ে আসতে দেখা গেল, বর্ণনাকারী বলেন—আমার মনে হয়নি যে তিনি তাকে চিনতে পেরেছেন। তখন তিনি বললেন: হে ফাতিমা, তুমি কোথা থেকে এলে? তিনি বললেন: আমি এই মৃত ব্যক্তির পরিবার থেকে এসেছি, তাদের মৃত ব্যক্তির প্রতি সমবেদনা জানাতে এবং তাদের সান্ত্বনা দিতে। তিনি বললেন: সম্ভবত তুমি তাদের সাথে কুদা পর্যন্ত গিয়েছিলে? তিনি বললেন: আল্লাহর পানাহ যে আমি তাদের সাথে কুদা পর্যন্ত যাব, অথচ আমি আপনাকে এ বিষয়ে যা বলার তা বলতে শুনেছি। তিনি বললেন: যদি তুমি তাদের সাথে কুদা পর্যন্ত যেতে, তবে তোমার পিতার দাদাও জান্নাত দেখার আগে তুমি জান্নাত দেখতে পেতে না। আর কুদা হলো কবরস্থান।
এবং তাঁর সূত্রে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবন মালুল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ ইবন শুরাইহ, রাবিআ ইবন সাইফ থেকে, আল-হুবুলি থেকে, আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
⦗পৃষ্ঠা: ৬৭⦘ ইমাম আহমাদ এটি আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
21- أخبرنا الطبراني، حدثنا بشر بن موسى.
ح: وأخبرنا أبو محمد بن أبي بكر بن أبي القاسم يعرف بابن الطويلة ببغداد، أن أبا بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري أخبرهم قراءةً عليه، أخبرنا علي بن إبراهيم بن عيسى، أخبرنا أحمد بن جعفر، حدثنا أبو علي بشر بن موسى الأسدي، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن حيوة بن شريح وابن لهيعة، قالا: أخبرنا أبو هاني حميد بن هاني الخولاني، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يقول:
سمعت عبد الله بن عمرو يقول: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: ما من غازيةٍ تغزوا في سبيل الله، فيصيبون غنيمةً، إلا تعجلوا ثلثي أجرهم، ويبقى لهم الثلث، وإن لم يصيبوا غنيمةً، تم لهم أجرهم.
لفظ الطبراني، وفي رواية القطيعي: تعجلوا ثلثي أجرهم من الآخرة، وعنده: فإن.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
⦗ص: 68⦘ ورواه مسلم عن عبد بن حميد عن المقرئ.
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বিশর বিন মুসা।
হাদীসের রূপান্তর: এবং বাগদাদে ইবনুত তাবিলা নামে পরিচিত আবু মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন আবিল কাসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি তাদের নিকট পাঠ করে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন ইব্রাহিম বিন ঈসা, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন জাফর, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলি বিশর বিন মুসা আল-আসাদি, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি, তিনি হাইওয়াহ বিন শুরাইহ এবং ইবনে লাহিয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হানি হামিদ বিন হানি আল-খাওলানি, তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-হুবলিকে বলতে শুনেছেন:
আমি আব্দুল্লাহ বিন আমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর পথে জিহাদকারী এমন কোনো দল নেই যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং গনীমত (রণলব্ধ সম্পদ) লাভ করে, তারা তাদের পুরস্কারের দুই-তৃতীয়াংশ দ্রুত পেয়ে যায় এবং তাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে। আর যদি তারা গনীমত লাভ না করে, তবে তাদের পুরস্কার পূর্ণরূপে রয়ে যায়।
এটি তাবারানির শব্দচয়ন, আর কাতিঈর বর্ণনায় রয়েছে: "তারা পরকালের পুরস্কারের দুই-তৃতীয়াংশ দ্রুত পেয়ে যায়", এবং তার বর্ণনায় "ফা-ইন" (যদি তবে) শব্দ রয়েছে।
ইমাম আহমাদ এটি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৬৮⦘ এবং ইমাম মুসলিম এটি আব্দ বিন হুমাইদ থেকে, তিনি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
22- أخبرنا الصيدلاني، أن فاطمة أخبرتهم، حدثنا ابن ريذة، أخبرنا الطبراني، حدثنا هارون، حدثنا المقرئ، حدثنا حيوة بن شريح، عن أبي هانئ، عن الحبلي:
عن عبد الله بن عمرو قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن الله عز وجل:
ح: وأخبرنا أبو حامد عبد الله بن مسلم بن ثابت ببغداد، أن أبا بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري أخبرهم قراءةً عليه، أخبرنا الحسن بن علي الجوهري، حدثنا أحمد بن جعفر، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو عبد الرحمن المقري، حدثنا حيوة وابن لهيعة، عن أبي هاني حميد بن هاني الخولاني قال:
سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: قدر الله جل وعز المقادير قبل أن يخلق السماوات والأرض بخمسين ألف سنةٍ.
رواه الإمام أحمد عن المقري.
২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইদালানি, ফাতিমা তাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনু রিদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হারুন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুকরি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ বিন শুরাইহ, আবু হানি থেকে, তিনি হুবলি থেকে বর্ণনা করেন:
আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী:
হ (হাদিসের রূপান্তর): এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন সাবিত বাগদাদে, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আলি আল-জাওহারি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন জাফর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ ও ইবনু লাহিআহ, আবু হানি হুমাইদ বিন হানি আল-খাওলানি থেকে, তিনি বলেন:
আমি আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আসকে বলতে শুনেছি: আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে শুনেছি: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর আগে সমস্ত কিছুর ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন।
ইমাম আহমাদ এটি মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
ورواه مسلم عن ابن أبي عمر عن المقري.
23- وأخبرنا الصيدلاني، أن فاطمة أخبرتهم، أخبرنا ابن ريذة.
⦗ص: 69⦘ وأخبرنا أبو جعفر الصيدلاني، أن أبا علي الحداد أخبرهم وهو حاضر، أخبرنا أبو نعيم، قالا: أخبرنا سليمان بن أحمد الطبراني، حدثنا هارون بن ملول، حدثنا المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن شرحبيل بن شريك، عن عبد الرحمن بن رافعٍ:
عن عبد الله بن عمرو قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما أبالي ما أتيت، أو ما ركبت، إذا ما تعلقت تميمةً، أو شربت ترياقاً، أو قلت الشعر من قبل نفسي.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
ইমাম মুসলিম এটি ইবনে আবি ওমর থেকে, তিনি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
২৩- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইদালানি, ফাতিমা তাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে রিযা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর সাইদালানি, আবু আলি আল-হাদ্দাদ তাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তিনি উপস্থিত ছিলেন, আবু নুয়াইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তারা উভয়ে বলেছেন: সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন বিন মালুল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-মুকরি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবি আইয়ুব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শুরাহবিল বিন শারিক থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন রাফে থেকে বর্ণনা করেছেন:
আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি পরোয়া করি না আমি কী করলাম অথবা কিসের ওপর আরোহণ করলাম, যদি আমি তাবীজ ঝুলাই অথবা তিরইয়াক পান করি অথবা নিজের পক্ষ থেকে কবিতা রচনা করি।
ইমাম আহমদ এটি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
24- أخبرنا أبو جعفر الصيدلاني، أن فاطمة أخبرتهم، أخبرنا ابن ريذة، أخبرنا الطبراني، حدثنا هارون بن ملول، حدثنا المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، حدثني معروف بن سويد الجذامي، أن أبا عشانة المعافري حدثه:
أنه سمع عبد الله بن عمرو يقول: عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: هل تدرون أول من يدخل الجنة؟ قالوا: الله ورسوله أعلم، قال: فقراء المهاجرين الذين يتقى بهم المكاره، يموت أحدهم وحاجته في صدره،
⦗ص: 70⦘ لا يستطيع لها قضاءً، تقول الملائكة: ربنا نحن ملائكتك وخيرتك وسكان سماواتك لا تدخلهم الجنة قبلنا، فيقول: عبادي لا يشركوا بي شيئاً، يتقى بهم المكاره، يموت أحدهم وحاجته في صدره، لم يستطع لها قضاءً، فعند ذلك يدخل عليهم الملائكة من كل بابٍ: {سلامٌ عليكم بما صبرتم فنعم عقبى الدار} .
رواه الإمام أحمد عن المقرئ.
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আস-সাইদালানি যে, ফাতিমা তাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন রীজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন ইবন মালুল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ ইবন আবি আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মা'রুফ ইবন সুওয়াইদ আল-জুযামি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু আশানা আল-মা'আফিরি তাকে হাদিস শুনিয়েছেন:
তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: তোমরা কি জানো জান্নাতে প্রথম কে প্রবেশ করবে? তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন: দরিদ্র মুহাজিরগণ, যাদেরকে সামনে রেখে (ঢাল হিসেবে) বিপদ-আপদ প্রতিহত করা হয়; তাদের কেউ এমন অবস্থায় মারা যায় যে তার প্রয়োজন তার বুকেই রয়ে যায়,
⦗পৃষ্ঠা: ৭০⦘ সে তা পূরণ করতে সক্ষম হয় না। ফেরেশতারা বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা আপনার ফেরেশতা, আপনার মনোনীত সৃষ্টি এবং আপনার আসমানসমূহের অধিবাসী, আমাদের আগে আপনি তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। তখন তিনি বলবেন: এরা আমার ঐ সকল বান্দা যারা আমার সাথে কোনো কিছু শরিক করত না, যাদের মাধ্যমে বিপদ-আপদ প্রতিহত করা হতো; তাদের কেউ এমন অবস্থায় মারা যায় যে তার প্রয়োজন তার বুকেই রয়ে যায়, সে তা পূরণ করতে সক্ষম হয়নি। সেই মুহূর্তে ফেরেশতারা তাদের নিকট প্রতিটি দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে (এবং বলবে): ‘তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক যেহেতু তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছিলে, তোমাদের এই পরিণাম ধাম কতই না চমৎকার!’
ইমাম আহমাদ আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৭০)
25- وبه: حدثنا هارون بن ملول، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثنا عبد الله بن عياش بن عباس، حدثني أبي قال: سمعت أبا عبد الرحمن وعيسى بن هلال الصدفي يحدثان:
عن عبد الله بن عمرو قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: سيكون في أمتي رجالٌ يركبون نساءهم على سروجٍ، كأشباه الرجال، كاسياتٍ عارياتٍ، على رؤوسهن كأسنمة البخت، فالعنوهم فإنهن ملعوناتٌ لو كانت وراءكم أمةٌ من الأمم خدمتهم، كما يخدمكم نساء الأمم قبلكم.
رواه الإمام أحمد عن عبد الله بن يزيد بنحوه، وعنده: فالعنوهن.
⦗ص: 71⦘ أخبرنا به الإمام أبو الفتوح أسعد بن محمود بن خلف العجلي بأصبهان، أن فاطمة بنت عبد الله أخبرتهم، أخبرنا محمد بن عبد الله، أخبرنا سليمان بن أحمد، حدثنا هارون بن ملول المصري، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا عبد الله بن عياش بن عباس القتباني، قال: حدثني أبي، قال: سمعت عيسى بن هلال الصدفي، وأبا عبد الرحمن عبد الله بن يزيد الحبلي يقولان:
سمعنا عبد الله بن عمرو يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: س سيكون آخر أمتي نساءٌ كاسياتٌ عارياتٌ، على رؤوسهن كأسنمة البخت، العنوهن، فأنهن ملعوناتٌ.
২৫- এবং তাঁর থেকে: আমাদের নিকট হারুন বিন মালুল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আইয়াশ বিন আব্বাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুর রহমান এবং ঈসা বিন হিলাল আস-সাদাফিকে বর্ণনা করতে শুনেছি:
আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমার উম্মতের মধ্যে অচিরেই এমন কিছু পুরুষ হবে যারা তাদের স্ত্রীদের জিনের (গদির) ওপর সওয়ার করাবে, তারা পুরুষের সদৃশ হবে, (তাদের নারীরা হবে) পোশাক পরিহিতা অথচ নগ্ন, তাদের মাথায় থাকবে খুরাসানি উটের কুঁজের মতো। তোমরা তাদের লানত করো, কারণ তারা অভিশপ্ত। যদি তোমাদের পরে অন্য কোনো উম্মত থাকত তবে তারা তাদের সেবা করত, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের নারীরা তোমাদের সেবা করে।"
ইমাম আহমাদ আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর নিকট রয়েছে: "তোমরা তাদের (নারীদের) লানত করো।"
⦗পৃষ্ঠা: ৭১⦘ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আবুল ফুতুহ আসআদ বিন মাহমুদ বিন খালাফ আল-ইজলি ইস্পাহানে; ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, আমাদের নিকট হারুন বিন মালুল আল-মিসরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আইয়াশ বিন আব্বাস আল-কুতবানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ঈসা বিন হিলাল আস-সাদাফি এবং আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আল-হুবলিকে বলতে শুনেছি:
আমরা আবদুল্লাহ বিন আমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমার উম্মতের শেষ যুগে এমন কিছু নারী হবে যারা পোশাক পরিহিতা অথচ নগ্ন, তাদের মাথায় থাকবে খুরাসানি উটের কুঁজের মতো; তোমরা তাদের লানত করো, কারণ তারা অভিশপ্ত।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৭১)
26- أخبرنا الصيدلاني، أن فاطمة أخبرتهم، أخبرنا ابن ريذة، أخبرنا الطبراني، حدثنا هارون بن ملول، حدثنا المقرئ، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن كعب بن علقمة وعيسى بن هلال:
عن عبد الله بن عمرو قال: ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة، فقال: من حافظ عليها كانت له نوراً وبرهاناً، ومن لم يحافظ عليها لم يكن له نورٌ ولا برهانٌ، وكان مع فرعون وهامان وأبي بن خلف.
رواه الإمام أحمد عن المقرئ، وزاد: مع قارون وفرعون. وعنده: كعب عن عيسى
২৬- আস-সাইদালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ফাতিমাহ তাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু রিযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন বিন মালুল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-মুকরি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবি আইয়ুব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, কাব বিন আলকামা এবং ঈসা বিন হিলাল থেকে বর্ণিত:
আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন: "যে ব্যক্তি সালাতের প্রতি যত্নবান হবে, তা তার জন্য নূর (জ্যোতি) ও দলিল (প্রমাণ) হবে; আর যে ব্যক্তি এর প্রতি যত্নবান হবে না, তার জন্য কোনো নূর বা দলিল থাকবে না এবং সে (কিয়ামতের দিন) ফিরআউন, হামান ও উবাই বিন খালাফের সাথে থাকবে।"
ইমাম আহমাদ আল-মুকরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন: "কারুন ও ফিরআউনের সাথে।" আর তার নিকট (বর্ণনাসূত্রটি হলো): কাব, ঈসা থেকে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী আবদির রহমান আল মুকরি - আদ যিয়া আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৭১)
27- وبه: أخبرنا الطبراني، حدثنا بشر بن موسى، حدثنا أبو
⦗ص: 72⦘ عبد الرحمن، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني عياش بن عباس.
وحدثنا بكر بن سهل، حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا ابن لهيعة، حدثني عياش بن عباس، عن عيسى بن هلال الصدفي:
عن عبد الله بن عمرو، أن رجلاً أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، أقرئني، قال: أقرؤك من ذوات الحواميم، قال: يا رسول الله، ثقل لساني وغلظ كبدي، قال: أقرؤك من ذوات {الر} ، فقال له مثل قوله، فقال: أقرؤك من ذوات المسبحات، فقال له مثل قوله الأول، فقال: عليك بالسورة الجامعة الفاذة، فأقرأه {إذا زلزلت الأرض زلزالها} فقال الأعرابي: حسبي، ثم أدبر، وناداه النبي صلى الله عليه وسلم فرجع، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: إني أمرت بالأضحية، فانسك نسيكة يوم الأضحى، فقال: يا رسول الله، أرأيت إن لم أجد إلا شاة أهلي؟ قال: لا، ولكن اقصص شاربك، وقلم أظفارك، فإنه من تمام أضحيتك.
زاد المقري في حديثه: وتحلق عانتك.
رواه الإمام أحمد عن أبي عبد الرحمن بنحوه، وعنده: ولكن تأخذ من شعرك، وتقلم أظفارك، وتقص شاربك، وتحلق عانتك.
২৭- এবং তাঁর সূত্রে: তাবারানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু
⦗পৃষ্ঠা: ৭২⦘ আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবি আইয়ুব থেকে, আইয়াশ বিন আব্বাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
এবং বকর বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন লাহিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়াশ বিন আব্বাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা বিন হিলাল আল-সাদাফি থেকে:
আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে (কুরআন) পড়িয়ে দিন। তিনি বললেন: আমি তোমাকে 'হা-মীম' বিশিষ্ট সূরাগুলো থেকে পড়াই। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার জিহ্বা ভারী হয়ে গেছে এবং আমার অন্তর শক্ত হয়ে গেছে। তিনি বললেন: আমি তোমাকে 'আলিফ-লাম-রা' বিশিষ্ট সূরাগুলো থেকে পড়াই। তিনি তাকে আগের মতই বললেন। তিনি বললেন: আমি তোমাকে 'মুসাব্বিহাত' (তাসবীহযুক্ত) সূরাগুলো থেকে পড়াই। তিনি তাকে আগের মতই বললেন। তখন তিনি বললেন: তুমি এই ব্যাপক অর্থবোধক ও অনন্য সূরাটি গ্রহণ করো। এরপর তিনি তাকে 'যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে' পড়ালেন। তখন সেই বেদুইন বললেন: আমার জন্য এটাই যথেষ্ট, এরপর সে ফিরে যেতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডাকলেন এবং সে ফিরে এল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: আমাকে কুরবানির আদেশ দেওয়া হয়েছে, সুতরাং তুমি কুরবানির দিন কুরবানি করো। সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার কি অভিমত যদি আমি আমার পরিবারের বকরি ছাড়া আর কিছু না পাই? তিনি বললেন: না, বরং তুমি তোমার গোঁফ ছেঁটে ফেলো এবং তোমার নখগুলো কাটো; কেননা এটাই তোমার কুরবানির পূর্ণতা।
আল-মুদরি তার বর্ণিত হাদিসে আরও যোগ করেছেন: এবং তোমার নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করো।
ইমাম আহমদ আবু আবদুর রহমান থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, আর তার নিকট পাঠ্যটি হলো: তবে তুমি তোমার চুল থেকে কিছু অংশ কাটবে, নখ কাটবে, গোঁফ ছাঁটবে এবং নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করবে।