(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة أبي بكر المراغي   (المراغي، أبو بكر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مشيخة أبي بكر المراغي

المؤلف: أبو بكر بن الحسين بن عمر، القرشي العبشمي الأموي العثماني، زين الدين، وكنيته أبو محمد ويقال اسمه (عبد الله) والمشهور (أبو بكر) المصري الشافعي المراغي (ت 816هـ)

تخريج: جمال الدين أبي البركات محمد بن موسى بن علي المراكشي المكي 789 - 823 هـ

المحقق: محمد صالح بن عبد العزيز المراد

الناشر: جامعة أم القرى

الطبعة: الأولى 1422 هـ - 2001 م

عدد الصفحات: 468

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু বকর আল-মারাগির মাশইয়াখা   (আল-মারাগি, আবু বকর)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আবু বকর আল-মারাগির মাশইয়াখা

লেখক: আবু বকর বিন আল-হুসাইন বিন উমর, আল-কুরাশি আল-আবশামি আল-উমাউয়ি আল-উসমানি, জয়নুদ্দিন, তার উপনাম আবু মুহাম্মদ এবং বলা হয় তার নাম (আবদুল্লাহ) তবে (আবু বকর) নামেই তিনি প্রসিদ্ধ, আল-মিসরি আশ-শাফিয়ি আল-মারাগি (মৃত্যু: ৮১৬ হিজরি)

তাখরিজ: জামালুদ্দিন আবু আল-বারাকাত মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আলি আল-মাররাকুশি আল-মাক্কি ৭৮৯ - ৮২৩ হিজরি

মুহাক্কিক: মুহাম্মদ সালিহ বিন আবদুল আজিজ আল-মুরাদ

প্রকাশক: উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

সংস্করণ: প্রথম ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৬৮

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

শামলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٢)
المملكة العربية السعودية - وزارة التعليم العالي

جامعة أم القرى - معهد البحوث العلمية

مركز إحياء التراث الإسلامي - مكة المكرمة

 

مشيخة

الإمام أبي بكر بن الحسين بن عمر القرشي

الشهير بالمراغي

727 - 816 هـ

 

تخريج

جمال الدين أبي البركات محمد بن موسى بن علي المراكشي المكي

789 - 823 هـ

 

تحقيق الأستاذ

محمد صالح بن عبد العزيز المراد

 

الطبعة الأولى

1422 هـ - 2001 م
সৌদি আরব বাদশাহি - উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়

উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় - বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউট

ইসলামী ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবন কেন্দ্র - মক্কা আল-মুকাররামা

 

মাশয়াখা

ইমাম আবু বকর বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-কুরাশী

আল-মারাগী নামে পরিচিত

৭২৭ - ৮১৬ হিজরি

 

তাখরিজ

জামালুদ্দিন আবুল বারাকাত মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আলী আল-মাররাকুশি আল-মাক্কি

৭৮৯ - ৮২৩ হিজরি

 

তাহকিক: উস্তাদ

মুহাম্মদ সালিহ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুরাদ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم وبه ثقتي

الحمد لله المتفرد بالعلو والقدم، المنزه عن الحدوث والعدم. الذي هدانا بنبيه إلى الملة الحنيفية، وأوضح به طرقها، فتركها كالشمس بيضاء نقية، أحمده على التوفيق لاتباع السنة، وأشكره على إفضاله المتواتر منه بعد منةٍ، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له شهادة تروي قائلها يوم العطش الأكبر من الماء المعين. وتسمعه منادي: {ادخلوها بسلامٍ آمنين} .

وأشهد أن محمداً عبده ورسوله العالي رتبةً سنية، النازل في برج الكمال كل درجةٍ علية، صلى الله عليه وعلى آله الطيبين الطاهرين وسلم، ورضي عن خلفائه الراشدين، وأبو بكر المقدم، وسائر الصحابة والتابعين، ما أضاء صبح وأظلم ليل. أما بعد:

فإن علم السنن من أجل العلوم الزاهرة، والاعتناء به شرف لصاحبه في الدنيا والآخرة، وقد حث النبي صلى الله عليه وسلم على التبليغ عنه بالطلب الحثيث، وحض على ذلك بقوله: ((نضر الله امرأً سمع)) الحديث.

ولم يزل أئمة هذا الشأن ولا يزالون يرحلون فيه إلى أقاصي البلدان، لا يملون، خصوصاً لطلب أعلاه وروينا عن بعضهم أنه قال:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং তাঁর উপরেই আমার ভরসা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সুউচ্চতা ও অনাদিত্বে অদ্বিতীয়, সৃষ্টি ও অনস্তিত্ব থেকে পবিত্র। যিনি তাঁর নবীর মাধ্যমে আমাদের মিল্লাতে হানিফীর দিকে পথপ্রদর্শন করেছেন এবং নবীর মাধ্যমে এর পথসমূহ সুস্পষ্ট করেছেন, অতঃপর একে শুভ্র ও স্বচ্ছ সূর্যের মতো রেখে গেছেন। আমি তাঁর প্রশংসা করি সুন্নাহর অনুসরণে তাওফীক প্রদানের জন্য, এবং তাঁর অবিরত ও ধারাবাহিক অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই—এমন সাক্ষ্য যা মহান তৃষ্ণার দিনে তা ঘোষণাকারীকে স্বচ্ছ পানির মাধ্যমে তৃপ্ত করবে; এবং তাকে আহ্বানকারীর এই বাণী শোনাবে: {তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে এতে প্রবেশ করো}।

আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যাঁর মর্যাদা সুউচ্চ এবং যিনি পূর্ণতার সুউচ্চ শিখরে প্রতিটি স্তরে আরোহণ করেছেন। তাঁর ওপর এবং তাঁর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন তাঁর খুলাফায়ে রাশেদীনের প্রতি—যাঁদের মাঝে আবু বকর অগ্রগণ্য—এবং সকল সাহাবী ও তাবেয়ীদের প্রতি, যতক্ষণ সকাল আলোকিত হবে ও রাত অন্ধকার হবে। অতঃপর:

নিশ্চয়ই সুন্নাহর জ্ঞান অত্যন্ত উজ্জ্বল ও মহত্তম একটি জ্ঞান, এবং এর চর্চা দুনিয়া ও আখিরাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য সম্মানের বিষয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পক্ষ থেকে দ্বীন পৌঁছানোর ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নির্দেশ দিয়েছেন এবং এই বলে উৎসাহিত করেছেন: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির মুখমন্ডল সজীব ও উজ্জ্বল করুন যে (আমার কথা) শুনেছে” হাদীসটি শেষ পর্যন্ত।

এই শাস্ত্রের ইমামগণ সর্বদা এর অন্বেষণে ক্লান্তিহীনভাবে দূর-দূরান্তের দেশসমূহে সফর করেছেন এবং এখনও করছেন, বিশেষ করে উচ্চতর সনদ অন্বেষণের জন্য। তাঁদের কারো সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٤)
((قرب الإسناد قرب إلى الله)) فأحببت مرافقتهم وآثرت موافقتهم، إذ هم الأبدال والأوتاد، وكيف لا، وهم الذين حفظ بهم الدين حتى استقر وشاد.

وكان شيخنا الشيخ الإمام العالم العلامة مفتي المسلمين، بقية السلف الصالحين، قاضي القضاة مسند الدنيا زين الدين أبو المناقب العلية، أبو بكر ابن الشيخ بدر الدين (عبد الله الحسين) بن عمر بن محمد بن يونس بن أبي الفخر بن عبد الرحمن بن نجم بن طولون القرشي العثماني المراغي أصلاً المصري ثم المدني الشافعي -أدام النفع به وبلغه من الخيرات نهاية مطلبه- ممن علا في الحديث سنده وقل رواته، لكن كثر عدده، وقد سمع من قديمٍ صغيراً من مدة ثمانين عاماً إلا يسيراً، وسمع بنفسه كبيراً، حديثاً كثيراً، وأجاز له من مدة ثلاثٍ وثمانين من السنين عدد من المسندين، منهم: أبو العباس الحجار، وناهيك بها رتبةٌ عليا لا تجد رجلاً يشاركه في ذلك في جميع الأمصار بل في
((সনদ বা সূত্র পরম্পরার নৈকট্য আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার একটি মাধ্যম)) তাই আমি তাদের সাহচর্য পছন্দ করেছি এবং তাদের অনুকরণের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছি, যেহেতু তারা হলেন আবদাল এবং আওতাদ (উচ্চ পর্যায়ের ওলী)। আর কেনই বা তা হবে না, অথচ তারা হলেন সেই সব ব্যক্তি যাদের মাধ্যমে দ্বীন সংরক্ষিত হয়েছে, যতক্ষণ না তা সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় হয়েছে।

আমাদের শাইখ, ইমাম, আলিম, সুপণ্ডিত, মুসলিমদের মুফতি, নেককার পূর্বসূরিদের (সালাফ) অবশিষ্ট নিদর্শন, প্রধান বিচারপতি, বিশ্বের সর্বোচ্চ সনদধারী, উচ্চমর্যাদার অধিকারী এবং দ্বীনের অলঙ্কার আবু বকর ইবন আশ-শাইখ বদরুদ্দীন (আবদুল্লাহ আল-হুসাইন) ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন ইউনুস ইবন আবিল ফাখর ইবন আবদুর রহমান ইবন নাজম ইবন তুলুন আল-কুরাশী আল-উসমানী—মূলত মারাকী বংশোদ্ভূত, অতঃপর মিসরীয় এবং পরবর্তীতে মাদানী শাফিঈ; আল্লাহ তার মাধ্যমে মানুষের উপকারকে দীর্ঘস্থায়ী করুন এবং তাকে সকল কল্যাণের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে দিন—ছিলেন এমন ব্যক্তিদের একজন হাদীস শাস্ত্রে যাদের সনদ অত্যন্ত উঁচু এবং যাদের মধ্যবর্তী বর্ণনাকারী সংখ্যা কম, কিন্তু তার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা অনেক। তিনি প্রায় আশি বছর পূর্বে শৈশব থেকেই হাদীস শ্রবণ করেছেন এবং পরিণত বয়সে নিজেও প্রচুর হাদীস শ্রবণ করেছেন। দীর্ঘ তিরাশি বছর যাবত বহু সনদধারী আলেম তাকে হাদীস বর্ণনার অনুমতি (ইজাযত) দিয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: আবুল আব্বাস আল-হাজ্জার। এই উচ্চ মর্যাদা অর্জনের জন্য আপনার কাছে এতটুকুই যথেষ্ট যে, আপনি সমস্ত জনপদে এমন কোনো ব্যক্তি পাবেন না যে এই বিষয়ে তার সমকক্ষ হতে পারে, বরং...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٥)
جميع الدنيا، وكم له أسانيد.

للمخرج عفا الله عنه:

في زي ذي قصرٍ بدت … لكنه عين السمو

فاعجب لها فهي القصيرة كيف تنسب للعلو …

فجمعت له هذه المشيخة عمن ظفرت به من المشايخ الذين سمع منهم دون غيرهم ممن أجازوا له الرواية عنهم، إلا أنني لم أخلها من حديثٍ كثيرٍ منهم في التعليقات، ورتبتهم في الغالب على قدم الوفيات، وبدأت قبل ذلك بالمسلسل بالأولية، والله أسأل في جميع أموري حسن النية، وهو حسبي ونعم الوكيل.

حدثنا مسند مصر صدر الدين أبو الفتح محمد بن محمد بن إبراهيم ابن أبي القاسم الميدومي، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا الرئيس أبو الفرج عبد اللطيف بن عبد المنعم بن علي الحراني، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا الإمام أبو الفرج عبد الرحمن بن علي الجوزي، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا الإمام أبو سعد إسماعيل بن أبي صالح أحمد بن عبد الملك المؤذن، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا والدي أبو صالح، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا الأستاذ أبو طاهر محمد بن محمد بن محمش الزيادي، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا أبو حامد أحمد بن محمد بن يحيى بن بلال البزاز، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم العبدي،
সমগ্র দুনিয়া, এবং তাঁর কতই না সনদ রয়েছে।

গ্রন্থকারের পক্ষ থেকে—আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন:

সংক্ষিপ্ত পোশাকে আবির্ভূত হয়েছে … কিন্তু তা শ্রেষ্ঠত্বের সারবস্তু

এতে আশ্চর্য হও, কেননা যা সংক্ষিপ্ত তা কীভাবে উচ্চতার সাথে সম্পর্কিত হয় …

অতঃপর আমি তাঁর জন্য এই মাশায়িখ-গ্রন্থটি (মাশইয়াখা) সংকলন করেছি সেইসব শাইখদের থেকে যাঁদের আমি পেয়েছি এবং যাঁদের কাছ থেকে তিনি সরাসরি শুনেছেন; তাঁদের ব্যতীত নয় যাঁদের থেকে তিনি কেবল বর্ণনা করার অনুমতি (ইজাযাহ) পেয়েছেন। তবে আমি টীকাগুলোতে তাঁদের অনেকের প্রচুর হাদিস অন্তর্ভুক্ত করতে ছাড়িনি। আর আমি তাঁদেরকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুতারিখের অগ্রগণ্যতা অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি এবং তার পূর্বে 'মুসালসাল বিল আওয়ালিয়্যাহ' দিয়ে শুরু করেছি। আমি আমার সকল বিষয়ে আল্লাহর কাছে নিয়তের শুভ্রতা প্রার্থনা করছি, আর তিনি আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্মবিধায়ক।

মিসরের মুসনিদ সদরুদ্দিন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবুল কাসেম আল-মাইদুমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: প্রধান আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে আলি আল-হাররানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: ইমাম আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আলি আল-জাওজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: ইমাম আবু সা’দ ইসমাইল ইবনে আবু সালেহ আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-মুয়াযযিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: আমার পিতা আবু সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: উস্তাদ আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহমিশ আয-যিয়াদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনে আল-হাকাম আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٦)
وهو أول حديث سمعناه منه، قال: ثنا سفيان بن عيينة، وهو أول حديث سمعته من سفيان، عن عمرو بن دينار، عن أبي قابوس مولى عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:

((الراحمون يرحمهم الرحمن ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء)) .

وأخبرناه الرئيس المعمر أبو العباس أحمد بن إدريس بن مزيز الحموي في كتابه إلي منها، وهو أول حديث رويته عنه، قال: ثنا الحافظ أبو علي الحسن بن محمد بن محمد بن محمد البكري، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا الإمام أبو الفضل عبد الرحمن بن عبد الوهاب بن صالح بن المعزم إمام جامع همدان بها، وهو أول حديث سمعته منه، قال: ثنا أبو منصور عبد الكريم بن محمد ابن الخيام من لفظه، وهو أول حديث سمعته منه.

ح قال البكري: وحدثني أبو الفتوح محمد بن محمد بن الجنيد الصوفي
এটি প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি সুফিয়ানের নিকট থেকে শুনেছি; তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((দয়াকারীদের ওপর পরম দয়াময় আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।)) .

এবং দীর্ঘজীবী প্রধান ব্যক্তিত্ব আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ইদ্রিস ইবনে মাজিজ আল-হামাউয়ি তাঁর লিখিত পত্রে আমাকে এটি অবহিত করেছেন, এবং এটি প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর সূত্রে বর্ণনা করছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাফেজ আবু আলী হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাকরি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইমাম আবুল ফজল আবদুর রহমান ইবনে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে সালেহ ইবনুল মুয়াজ্জাম, যিনি হামদানের জামে মসজিদের ইমাম, হাদিস বর্ণনা করেছেন, আর এটি প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মনসুর আবদুল করিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল খাইয়াম সরাসরি শব্দোচ্চারণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আর এটি প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি।

সনদ পরিবর্তন করে আল-বাকরি বলেন: এবং আমার নিকট আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল জুনাইদ আস-সুফি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٧)
بأصبهان، وهو أول حديث سمعته منه. قال: ثنا أبو القاسم -وهو ابن طاهر الشحامي- وهو أول حديث سمعته منه. قالا: ثنا أبو صالح أحمد بن عبد الملك المؤذن، وهو أول حديث سمعناه منه، قال: حدثني أبو طاهر الزيادي، وهو أول حديث سمعته منه، قال: حدثني أبو حامد بن بلال، وهو أول حديث سمعته منه، عن سفيان وهو أول حديث سمعته منه، عن عمرو بن دينار، عن أبي قابوس مولى عبد الله بن عمرو، عن عبد الله رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((الراحمون يرحمهم الرحمن ارحموا أهل الأرض يرحمكم أهل السماء)) .

وقال ابن المعز: من في الأرض. هذا حديث حسن.

أخرجه أبو داود السجستاني في ((سننه)) ، عن مسدد، وأبي بكر بن أبي شيبة. ورواه الترمذي في ((جامعه)) وقال: حسن صحيح، عن محمد بن يحيى بن عمر العدني، ثلاثتهم عن ابن عيينة من غير تسلسل فوقع لنا بدلاً لهما عالياً.

والله المحمود سبحانه.
ইস্পাহানে, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম—যিনি ইবনে তাহের আশ-শাহামি—এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালেহ আহমদ বিন আব্দুল মালিক আল-মুয়াজ্জিন, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহের আজ-জিয়াদি, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ বিন বিলাল, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, সুফিয়ান থেকে—আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি—তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমরের মুক্তদাস আবু কাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "দয়াবানদের ওপর পরম করুণাময় দয়া করেন। তোমরা জমিনের অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে আসমানের অধিবাসী তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

এবং ইবনুল মুয়াজ্জ বলেছেন: "যারা জমিনে আছে"। এটি একটি হাসান হাদিস।

এটি আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি তাঁর "সুনান"-এ মুসাদ্দাদ এবং আবু বকর বিন আবি শাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি এটি তাঁর "জামে"-তে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাসান সহিহ; যা মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন ওমর আল-আদনি থেকে বর্ণিত। তাঁরা তিনজনই ইবনে উইয়াইনাহ থেকে ধারাবাহিকতা (তাসালসুল) ছাড়াই এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট তাঁদের উভয়ের জন্য উচ্চমানের একটি স্থলাভিষিক্ত (বদল) সনদ হিসেবে পৌঁছেছে।

আর সমস্ত প্রশংসা পবিত্র আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٨)
الشيخ الأول

أخبرنا الشيخ المسند شهاب الدين أبو العباس أحمد بن محمد بن أبي بكر بن علان الدمشقي الحريري المدير، قراءة عليه وأنا أسمع في شهر شعبان من سنة اثنتين وثلاثين وسبعمائة، بالقاهرة، وأجاز لي جميع مروياته، وهذا أقدم سماعٍ وجد لي، ولم يبق أحد سمع من هذا الشيخ غيري، قال: أنا أبو الفرج عبد اللطيف بن عبد المنعم الحراني قراءة عليه وأنا أسمع، قال: أنا أبو الفرج عبد المنعم بن عبد الوهاب بن سعد الحراني سماعاً قال: أنا أبو الخير المبارك بن الحسين بن أحمد المقرئ الشافعي المعروف بالغسال قال: ثنا أبو محمد الحسن بن محمد الخلال الحافظ إملاءً سنة ثمانٍ وثلاثين وأربعمائة قال: ثنا أحمد بن جعفر بن حمدان القطيعي إملاءً قال: ثنا إبراهيم بن شريك بن الفضل الأسدي، ثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، ثنا زهير بن معاوية.

ح وأخبرني الأمير أبو سعيد غلبك بن عبد الله البدري الخازنداري، والمسندة أم عبد الله عائشة بنت علي بن عمر بن شبل الصنهاجي، قراءة عليهما وأنا أسمع قالا: أنا أبو الفرج ابن الصيقل الحراني سماعاً، قال: أنا عبد المنعم بن كليب، قال: أنا إسماعيل بن ملة الأصبهاني، قدم علينا بغداد، أنا الشيخ أبو عمر المطهر بن أبي نزار بأصبهان، ثنا أبو بكر بن المقرئ محمد بن إبراهيم، قال ثنا أبو يعلى الموصلي، ثنا عبيد الله بن عمر القواريري، قال: حدثنا حماد
প্রথম শাইখ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখুল মুসনিদ শিহাবুদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন আল্লান আদ-দিমাশকি আল-হারিরি আল-মুদির; কায়রোতে সাতশ বত্রিশ হিজরি সনের শাবান মাসে তাঁর সম্মুখে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণরত ছিলাম। তিনি আমাকে তাঁর বর্ণিত সকল রেওয়ায়েতের ইজাযত দিয়েছেন। এটি আমার নিকট সংরক্ষিত সবচেয়ে প্রাচীনতম শ্রবণ (সামা), এবং বর্তমানে আমি ছাড়া এই শাইখের নিকট থেকে শ্রবণকারী আর কেউ অবশিষ্ট নেই। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম আল-হাররানি; তাঁর সম্মুখে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণরত ছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সা'দ আল-হাররানি শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের আল-মুবারক বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ আল-মুকরি আশ-শাফিঈ, যিনি আল-গাসসাল নামে পরিচিত। তিনি বলেন: হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল চারশ আটত্রিশ হিজরি সনে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান আল-কাতিঈ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন শারিক বিন আল-ফাদল আল-আসাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহাইর বিন মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

তদ্রূপ (সূত্রের বিবর্তনসহ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমির আবু সাঈদ গালবাক বিন আব্দুল্লাহ আল-বদরি আল-খাজানদারি এবং মুসনিদাহ উম্মু আব্দুল্লাহ আয়েশা বিনতে আলি বিন উমর বিন শিবল আস-সনহাজি; তাঁদের উভয়ের সম্মুখে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণরত ছিলাম। তাঁরা বলেন: আবুল ফারাজ ইবনুস সাইকাল আল-হাররানি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আব্দুল মুনইম বিন কুলাইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মিল্লাহ আল-আসফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বাগদাদে আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন। শাইখ আবু উমর আল-মুতাহহার বিন আবি নিযার আস-ফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু বকর বিন আল-মুকরি মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-কাওয়ারিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٥٩)
ابن زيد قالا: ثنا يحيى بن سعيد.

ح وأخبرني أبو محمد عبد القادر بن عبد العزيز الأيوبي، قراءة عليه وأنا أسمع، قال: أنا محمد بن إسماعيل بن أحمد المقدسي، سماعاً، قال: أنا يحيى بن محمود الثقفي، سماعاً، قال: أنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، قال: أنا أبو نعيم الحافظ، قال: ثنا أبو بكر الآجري، قال: ثنا أبو جعفر أحمد بن يحيى الحلواني، ثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، ثنا زهير يعني ابن معاوية.

وفي حديث الخلال عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن علقمة بن وقاص الليثي قال: سمعت عمر بن الخطاب رضي الله عنه يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

((إنما الأعمال بالنيات وإنما لامرىءٍ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله -وفي حديث ابن ملة ((وإلى رسوله)) في الموضوعين -ومن كانت هجرته إلى دنيا- وفي حديث الخلال ((لدنيا)) - يصيبها أو امرأةٍ يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه)) .
ইবনে যায়েদ; তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন।

হ (তাহবিল) এবং আমাকে আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আইয়ুবী সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আহমাদ আল-মাকদিসি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-হাদ্দাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাফিজ আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আল-আজুরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট যুহাইর অর্থাৎ ইবনে মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন।

আর আল-খাল্লালের বর্ণিত হাদিসে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লায়সি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

((নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করে তাই সে পায়। অতএব যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে —এবং ইবনে মাল্লাহর বর্ণনায় উভয় স্থানে "এবং তাঁর রাসূলের দিকে" কথাটি রয়েছে— আর যার হিজরত দুনিয়া লাভের উদ্দেশ্যে হয় —এবং আল-খাল্লালের বর্ণনায় "দুনিয়ার জন্য" রয়েছে— যা সে অর্জন করতে চায়, অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।))
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٠)
هذا حديث جليل صحيح مشهور غريب، اتفق الإمامان أبو عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، وأبو الحسين مسلم بن الحجاج القشيري على إخراجه في صحيحيهما من حديث حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد.

فرواه البخاري عن أبي النعمان محمد بن الفضل، ومسدد بن مسرهد، ورواه مسلم عن أبي الربيع سليمان بن داود الزهراني، وأخرجه النسائي في ((سننه)) ، عن يحيى بن حبيب بن عربي، أربعتهم عن حماد بن زيد فوقع لنا بدلاً لهم وعالياً، وأخرجه مسلم أيضاً، عن محمد بن عبد الله بن نمير، ورواه أبو عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه القزويني، عن أبي بكر بن أبي شيبة، كلاهما عن يزيد بن هارون، فوقع لنا بدلاً لهما عالياً والحمد لله.

ولم يصح عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا من حديث عمر، تفرد به يحيى بن سعيد فمن فوقه.

وأخبرناه بهذا العلو أيضاً مع السماع الخطيب أبو الفتح محمد بن محمد بن إبراهيم البكري قراءة عليه وأنا أسمع قال: أنا أبو إسحاق إبراهيم بن إبراهيم ابن محمد بن عبد الوهاب بن مناقب الحسيني، وأبو الفضل عبد الرحيم بن يوسف بن يحيى الموصلي سماعاً قالا: أنا أبو حفص عمر بن محمد بن طبرزذ، قراءة عليه، قال الثاني
এটি একটি মহান, সহীহ, প্রসিদ্ধ ও গরীব হাদীস। ইমামদ্বয় আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী এবং আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আল-কুশায়রী ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে হাম্মাদ বিন যায়েদের সূত্রে তাদের নিজ নিজ সহীহ গ্রন্থে এটি সংকলন করার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।

ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন আবু নুমান মুহাম্মদ বিন আল-ফজল এবং মুসাদ্দাদ বিন মুসারহাদ থেকে। ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আবু রাবী সুলায়মান বিন দাউদ আজ-জাহরানী থেকে। ইমাম নাসাঈ এটি তার 'সুনান' গ্রন্থে ইয়াহইয়া বিন হাবীব বিন আরবী থেকে সংকলন করেছেন। তারা চারজনই হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তাদের বদল এবং উচ্চ সনদ (আলী) হিসেবে পৌঁছেছে। ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমায়ের থেকেও সংকলন করেছেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াযীদ বিন মাজাহ আল-কাযভিনী এটি আবু বকর বিন আবু শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ই ইয়াযীদ বিন হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তাদের বদল এবং উচ্চ সনদ (আলী) হিসেবে পৌঁছেছে, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি উমরের হাদীস ব্যতীত অন্য কোনোভাবে বিশুদ্ধ প্রমাণিত নয়। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ এবং তার পরবর্তী বর্ণনাকারীগণ এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।

খতীব আবু ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-বাকরী আমাদের নিকট এই উচ্চ সনদ এবং শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যখন তাকে পড়ে শোনানো হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন মানাকিব আল-হুসাইনী এবং আবু আল-ফজল আব্দুর রহীম বিন ইউসুফ বিন ইয়াহইয়া আল-মাওসিলী শ্রবণের মাধ্যমে। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন তাবারযাদ তাকে পড়ে শোনানোর সময়, দ্বিতীয়জন বললেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦١)
وأنا حاضر، قال: أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين الشيباني قال: أنا أبو طالب محمد بن محمد بن إبراهيم بن غيلان البزاز قال: أنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي قال: ثنا عبد الله بن روح المدائني ومحمد بن ربحٍ البزاز قالا: ثنا يزيد بن هارون قال: ثنا يحيى بن سعيد الأنصاري، عن محمد بن إبراهيم التيمي أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول: سمعت عمر بن الخطاب رضي الله عنه على المنبر يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

((إنما الأعمال بالنيات وإنما لكل امرىءٍ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله، ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو امرأةٍ يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه)) .

وأخبرناه أعلى من جميع ما تقدم بدرجة أبو العباس أحمد بن أبي طالب الحجار إذناً قال: أنا أبو المنجى بن اللتي سماعاً، أنا مسعود بن محمد بن شنيف الوراق قال: أنا أبو محمد الحسين
আমি উপস্থিত ছিলাম, তিনি বলেন: আমাকে আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন আশ-শাইবানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন গাইলান আল-বাজ্জায সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম আশ-শাফিয়ি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে আব্দুল্লাহ বিন রুহ আল-মাদায়িনি এবং মুহাম্মদ বিন রিবহ আল-বাজ্জায হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা দুজনে বলেন: আমাদেরকে ইয়াযিদ বিন হারুন হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারি মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আলকামাহ বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসিকে বলতে শুনেছেন: আমি উমর বিন আল-খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুকে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

((নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।)) .

এবং আমাদের নিকট এটি পূর্বোক্ত সকল সনদের চেয়ে এক স্তর উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবি তালিব আল-হাজ্জার অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন: আমাকে আবুল মুঞ্জা বিন আল-লাতি শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আমাকে মাসউদ বিন মুহাম্মদ বিন শানিফ আল-ওয়াররাক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٢)
ابن محمد بن السراج، وأبو غالب محمد بن محمد بن عبد الله العطار قالا: أنا أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان قال: أنا أبو الحسن علي بن محمد بن الزبير القرشي الكوفي قال: ثنا أبو محمد الحسن بن علي بن عفان العامري قال: ثنا جعفر بن عونٍ قال: ثنا يحيى بن سعيد فذكره بلفظ حديث أبي ملة السابق.

أخبرنا أحمد بن محمد بن أبي بكر المدير سماعاً قال: أنا عبد اللطيف بن أبي محمد الحريري قال: أنا أبو الفرج بن عبد الوهاب قال: أنا أبو الخير الغسال قال: ثنا الحسن بن محمد الحافظ قال: ثنا أحمد بن إبراهيم بن شاذان البزاز قال: ثنا عبد الغافر بن سلامة الحمصي قال: ثنا مزداد بن جميل قال: ثنا عبد الملك بن إبراهيم الجدي، ثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال:

((نهينا في القرآن أن نسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان يعجبنا أن يجئ الرجل العاقل من العرب يسأل ونسمع فجاء رجل فقال يا محمد أتانا رسولك فزعم أن الله عز وجل أرسلك قال: صدق، قال: فمن خلق السماء قال: ((الله)) عز وجل قال: فمن خلق الأرض قال: ((الله)) عز وجل، قال: فمن نصب الجبال وجعل فيها ما جعل قال: ((الله)) عز وجل قال: فبالذي خلق السموات والأرض وجعل فيها ما جعل آلله أرسلك إلينا قال: ((نعم)) قال: زعم رسولك أن علينا صوم شهرٍ في
ইবনে মুহাম্মদ বিন আস-সাররাজ এবং আবু গালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আত্তার বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আয-যুবাইর আল-কুরাশি আল-কুফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর বিন আউন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ। অতঃপর তিনি আবু মিল্লা-এর পূর্ববর্তী হাদীসের শব্দে এটি উল্লেখ করেছেন।

আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-মুদির আমাদের শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আবু মুহাম্মদ আল-হারীরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ বিন আব্দুল ওয়াহহাব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খায়ের আল-গাসসাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান আল-বাযযার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল গাফির বিন সালামাহ আল-হিমসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মিযদাদ বিন জামিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন ইবরাহিম আল-জুদ্দি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন আল-মুগীরাহ, সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

((কুরআনে আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করতে নিষেধ করা হয়েছিল, তাই আমরা পছন্দ করতাম যে আরবদের মধ্য থেকে কোনো বুদ্ধিমান লোক আসুক এবং প্রশ্ন করুক আর আমরা তা শুনি। অতঃপর একজন লোক এল এবং বলল: হে মুহাম্মদ, আপনার প্রেরিত ব্যক্তি আমাদের নিকট এসেছিল এবং দাবি করেছে যে মহামহিম আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন। তিনি (রাসূল) বললেন: সে সত্য বলেছে। সে (লোকটি) বলল: তবে কে আকাশ সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: ((আল্লাহ)) মহামহিম। সে বলল: তবে কে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: ((আল্লাহ)) মহামহিম। সে বলল: তবে কে পাহাড়গুলো স্থাপন করেছেন এবং তাতে যা করার তা করেছেন? তিনি বললেন: ((আল্লাহ)) মহামহিম। সে বলল: তবে সেই সত্তার কসম, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে যা করার তা করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের নিকট পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: ((হ্যাঁ))। সে বলল: আপনার প্রেরিত ব্যক্তি দাবি করেছে যে আমাদের ওপর এক মাস রোজা রাখা...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٣)
سنتنا قال: ((صدق)) قال: وزعم لنا رسولك أن علينا الحج من استطاع إليه سبيلاً قال: ((صدق)) قال: فبالذي خلق السموات والأرض ونصب الجبال وجعل فيها ما جعل آلله أمرك بهذا قال: ((نعم)) ثم ولى الرجل فقال: والذي بعثك بالحق لا أزيد عليهن شيئاً ولا أنقص منهن شيئاً فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن صدق ليدخلن الجنة)) .

وأخبرناه أعلى من هذا بدرجة أبو العباس بن أبي النعم الدمشقي كتابةً قال: أنا عبد الله بن عمر البغدادي قال: أنا عبد الأول بن عيسى قال: أنا عبد الرحمن بن محمد قال: أنا عبد الله بن أحمد قال: أنا عيسى بن عمر قال: أنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي قال: ثنا علي بن عبد الحميد، عن سليمان بن [المغيرة] به، نحو ما تقدم.

هذا حديث صحيح أخرجه مسلم في صحيحه، عن عمر بن محمد الناقد، عن أبي النضر هاشم بن القاسم، وعن عبد الله بن هاشم، عن بهز بن أسد، وقال البخاري في صحيحه: ورواه موسى، وعلي بن عبد الحميد، عن سليمان، ورواه أبو عيسى الترمذي، عن البخاري، عن علي بن عبد الحميد به،
আমাদের সুন্নাত। তিনি বললেন: ((সত্য বলেছ)) সে বলল: আপনার রাসূল আমাদের কাছে দাবি করেছেন যে, আমাদের মধ্য থেকে যার সামর্থ্য আছে তার ওপর হজ পালন করা আবশ্যক। তিনি বললেন: ((সত্য বলেছ)) সে বলল: সেই সত্তার শপথ, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন এবং তাতে যা কিছু সৃষ্টি করার করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: ((হ্যাঁ)) অতঃপর লোকটি ফিরে গেল এবং বলল: সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি এগুলোর ওপর কোনো কিছু বৃদ্ধি করব না এবং এগুলোর থেকে কোনো কিছু হ্রাস করব না। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((যদি সে সত্য বলে থাকে, তবে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে))।

এবং আমাদের নিকট এর চেয়ে এক স্তর উচ্চতর সনদে আবুল আব্বাস ইবন আবি আন-নিয়াম আদ-দিমাশকি লিখিতভাবে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন উমর আল-বাগদাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল আওয়াল ইবন ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ঈসা ইবন উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান আদ-দারিমি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আলী ইবন আবদুল হামিদ সুলাইমান ইবন [আল-মুগিরা] থেকে বর্ণনা করেছেন, যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তারই অনুরূপ।

এটি একটি সহিহ হাদিস যা মুসলিম তার সহিহ গ্রন্থে উমর ইবন মুহাম্মদ আন-নাক্বিদ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর হাশিম ইবন আল-কাসিম থেকে, এবং আবদুল্লাহ ইবন হাশিম থেকে, তিনি বাহজ ইবন আসাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। বুখারি তার সহিহ গ্রন্থে বলেন: এটি মুসা এবং আলী ইবন আবদুল হামিদ সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু ঈসা আত-তিরমিজি এটি বুখারি থেকে, তিনি আলী ইবন আবদুল হামিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٤)
وأبو عبد الرحمن النسائي، عن محمد بن معمر، عن أبي عامر العقدي، كلهم عن سليمان بن المغيرة، فوقع لنا بدلاً للترمذي عالياً ولله الحمد.

وبه إلى الحسن بن محمد الحافظ قال: ثنا محمد بن إسماعيل الوراق، وأحمد بن إبراهيم بن شاذان قالا: ثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد البغوي.

ح وأخبرناه أنزل من هذا بدرجة أبو سعيد غلبك بن عبد الله، وأم الخير عائشة بنت علي سماعاً عليهما قالا: أنا النجيب الحراني قال: أنا عبد الله بن عبد الرحمن البقلي، أنا أبو العز بن كادش قال: أنا أبو طالب العشاري قال: أنا أبو إسحاق الطبري قال: ثنا عمر بن الحسن الأشناني قال: ثنا عبد الله بن أبي الدنيا.
এবং আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী, মুহাম্মাদ বিন মা'মার থেকে, তিনি আবু আমির আল-আকাদি থেকে, তারা সবাই সুলাইমান বিন আল-মুগিরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের নিকট ইমাম তিরমিযীর একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ (বাদাল) হিসেবে পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।

এবং একই সনদে আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিয পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-ওয়াররাক এবং আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আমাদের নিকট আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাবী বর্ণনা করেছেন।

(হ) এবং এর চেয়ে এক স্তর নিম্নমানের সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ গালিবাক বিন আব্দুল্লাহ এবং উম্মুল খায়ের আয়েশা বিনতে আলী, তাদের উভয়ের নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে; তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাজীব আল-হাররানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-বাকলি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ইযয বিন কাদিশ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আল-উশারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক আত-তাবারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমার বিন আল-হাসান আল-উশনানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আবিদ দুনিয়া বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٥)
ح وأخبرناه، أعلى من هذا بدرجتين، ومن الأول بواحدة أبو العباس الحجار في كتابه، عن محمد بن أحمد بن خلف القطيعي قال: أنا أبو بكر الزاغوني، قال: أنا أبو نصر الزينبي قال: أنا محمد بن عبد الرحمن المخلص قال: ثنا عبد الله بن محمد البغوي قالا: ثنا أبو نصر التمار، ثنا القاسم بن الفضل الحداني، عن النضر -يعني ابن شيبان- قال: قلت لأبي سلمة: حدثني بشيءٍ سمعته من أبيك يحدث به عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ثنا أبي -يعني عبد الرحمن بن عوف
এবং তিনি আমাদের তা সংবাদ দিয়েছেন, যা এটির চেয়ে দুই স্তর উচ্চে এবং প্রথমটির চেয়ে এক স্তর উচ্চে; আবু আল-আব্বাস আল-হাজ্জার তাঁর কিতাবে মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন খালাফ আল-কাতিয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-জাগুনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আল-জায়নাবি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাউয়ি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আত-তাম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল আল-হাদ্দানি, আন-নাদর থেকে—অর্থাৎ ইবনে শায়বান—তিনি বলেন: আমি আবু সালামাকে বললাম: আমাকে এমন কিছু বর্ণনা করুন যা আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে শুনেছেন এবং তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তা বর্ণনা করতেন। তিনি বললেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ আব্দুর রহমান বিন আওফ...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٦)
رضي الله عنه- زاد المخلص في شهر رمضان، ثم اتفقوا، قال:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

((إن الله فرض عليكم صيام رمضان -وقال المخلص: فرض الله عليكم شهر رمضان- وسننت لكم قيامه فمن صامه وقامه إيماناً واحتساباً أخرج -وقال المخلص: خرج- من الذنوب كيوم ولدته أمه)) .

وحديث ابن أبي الدنيا نحو حديث المخلص.

أخرجه النسائي، عن إسحاق بن إبراهيم، عن النضر بن شميل، وعن محمد بن عبد الله بن المبارك المخرمي، عن أبي هشام المخزومي، كلاهما عن القاسم بن الفضل، ورواه ابن ماجه، عن يحيى بن حكيم، عن أبي داود، عن نصرٍ بن علي، والقاسم بن الفضل، كلاهما عن النضر به، فوقع لنا عالياً جداً.

وقال النسائي بعد إخراجه: وهذا خطأ والصواب حديث أبي سلمة، عن أبي هريرة. انتهى.

وقد حسن حديث النضر هذا، الحافظ أبو موسى المديني، والحديث
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—আল-মুখলিস রমজান মাস সম্পর্কে বর্ধিত করেছেন, অতঃপর তারা একমত হয়েছেন, তিনি বলেছেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

((নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর রমজানের সিয়াম ফরজ করেছেন—এবং আল-মুখলিস বলেছেন: আল্লাহ তোমাদের উপর রমজান মাস ফরজ করেছেন—এবং আমি তোমাদের জন্য এর কিয়াম (রাতের সালাত) সুন্নাত করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় সিয়াম পালন করবে এবং কিয়াম করবে, সে গুনাহসমূহ থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে—এবং আল-মুখলিস বলেছেন: বের হবে—যেমনিভাবে তার মা তাকে প্রসব করেছিলেন।))।

ইবনে আবিদ দুনিয়ার হাদিসটি আল-মুখলিসের হাদিসের অনুরূপ।

এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি নজর ইবনে শুমাইল থেকে, এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক আল-মাখরামি থেকে, তিনি আবু হিশাম আল-মাখজুমি থেকে; তারা উভয়েই কাসিম ইবনুল ফজল থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে হাকিম থেকে, তিনি আবু দাউদ থেকে, তিনি নাসর ইবনে আলী ও কাসিম ইবনুল ফজল থেকে; তারা উভয়েই নজরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট অতি উচ্চ স্তরের (সনদপ্রাপ্ত) হিসেবে পৌঁছেছে।

নাসাঈ এটি বর্ণনা করার পর বলেছেন: এটি ভুল, বরং সঠিক হলো আবু সালামার হাদিস, যা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত। সমাপ্ত।

হাফেজ আবু মুসা আল-মাদিনী নজরের এই হাদিসটিকে হাসান বলেছেন, আর হাদিসটি...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
معروف بالنضر بن شيبان، وقد تكلم فيه، وذكره ابن حبان في الثقات وقال: كان ممن يخطئ. وذكر صحفا للحافظ أبي الحجاج المزي في ((الأطراف)) أن شيبان بن فروخ رواه عن القاسم بن الفضل عن النضر بن شيبان عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، انتهى.

قلت: وأحسب هذا خطأ، وإلا فهو اضطراب ابن شيبان، فقد رويناه في الجزء الثاني من ((الغيلانيات)) ، عن شيبان بن أبي شيبة -وهو ابن فروخ- عن القاسم، عن النضر، عن أبي سلمة، عن أبيه، هكذا رواه أبو بكر الشافعي، عن عبد الله بن أحمد بن حنبل عن شيبان، لكن ليس فيه إلا ((من صام رمضان)) إلى آخره، وليس فيه تلك الزيادة. وقد تابع النضر على حديثه محمد بن الفرات أبو علي الكوفي، قدم بغداد وحدث بها، لكنه أضعف من النضر.

أخبرنا بحديثه عالياً أبو العباس بن الحجار إذناً عن ابن اللتي قال: أنا ابن اللحاس قال: أنا الحسين بن السراج قال: أنا أبو علي بن شاذان قال: ثنا ابن السماك، ثنا عيسى بن محمد بن منصور
তিনি নযর বিন শায়বান হিসেবে পরিচিত, তাঁর সমালোচনা করা হয়েছে এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ভুল করতেন। হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ আল-মিযযি 'আল-আতরাফ' গ্রন্থে একটি লিপিবিভ্রাট উল্লেখ করেছেন যে, শায়বান বিন ফাররূখ এটি কাসেম বিন আল-ফাদল থেকে, তিনি নযর বিন শায়বান থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন; সমাপ্ত।

আমি বলি: আমি এটিকে ভুল মনে করি, অন্যথায় এটি ইবনে শায়বানের বর্ণনার অস্থিরতা (ইযতিরাব)। আমরা এটি 'আল-গায়লানিয়্যাত'-এর দ্বিতীয় খণ্ডে শায়বান বিন আবি শায়বাহ—যিনি ইবনে ফাররূখ—তাঁর সূত্রে কাসেম থেকে, তিনি নযর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছি। এভাবেই আবু বকর আশ-শাফিয়ি এটি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল থেকে, তিনি শায়বান থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে কেবল "যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখবে..." শেষ পর্যন্ত অংশটুকু আছে, সেই অতিরিক্ত অংশটি নেই। নযরের সমর্থক হিসেবে মুহাম্মাদ বিন আল-ফুরাত আবু আলী আল-কুফি এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন; তিনি বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছিলেন, তবে তিনি নযর অপেক্ষা অধিক দুর্বল।

আবু আল-আব্বাস বিন আল-হাজ্জার আমাদের উচ্চ সনদে তাঁর হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে আল-লাত্তির অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন: ইবনে আল-লাহহাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন বিন আস-সিরাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী বিন শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে আস-সাম্মাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা বিন মুহাম্মাদ বিন মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٨)
أبو موسى الإشكابي، ثنا أمية بن خالد، عن محمد بن الفرات، عن أبي سلمة، عن أبيه قال: قال [رسول الله صلى الله عليه وسلم] .

((فرض الله عليكم شهر رمضان وسننت لكم قيامه)) .

وبه إلى الحسن بن محمد الحافظ قال: ثنا أبو عمر بن حيويه الخزاز قال: ثنا أبو حامد الحضرمي إملاءً قال: ثنا علي بن مسلم الطوسي قال: ثنا زافر بن سليمان قال: ثنا عبد الله بن المبارك، عن عبد الله بن مسلم -رجل من أهل مرو- قال: ((كنت أجالس ابن سيرين فتركت مجالسته
আবু মূসা আল-ইশকাবী, আমাদের নিকট উমাইয়া বিন খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-ফুরাত থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: [আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)] বলেছেন।

((আল্লাহ তোমাদের ওপর রমজান মাসের রোজা ফরজ করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য এর কিয়ামকে (রাতের ইবাদত) সুন্নাত করেছি।))

এবং একই সূত্রে আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিজ পর্যন্ত বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উমর বিন হাইয়ুওয়াহ আল-খাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু হামিদ আল-হাদরামি শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন মুসলিম আত-তুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাফির বিন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন মুসলিম—যিনি মার্ভের অধিবাসী এক ব্যক্তি—তার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ((আমি ইবনে সিরিনের মজলিসে বসতাম, এরপর আমি তাঁর মজলিসে বসা ছেড়ে দিই...))
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٦٩)
وجلست مع المعتزلة فرأيت في المنام أني مع قومٍ يحملون جنازة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: مالك من جالست إنك مع قومٍ يدفنون ما جاء به رسول الله صلى الله عليه وسلم) .

ولد هذا الشيخ في حدود الستين وستمائة. وسمع من النجيب الحراني ((مشيخته الكبرى)) ، والثالث والرابع من ((أبداله)) ، ((ومجالس الخلال العشرة)) ، وسمع أيضاً من الشيخ شمس الدين المقدسي، وإبراهيم بن مناقب وغيرهم.

وحدث، سمعت منه الأربعة المجالس الأول من ((مجالس الخلال)) .

ومات رحمه الله في ليلة التاسع والعشرين من ربيع الآخر سنة خمس وثلاثين وسبعمائة.
(আমি মুতাযিলাদের সাথে বসতাম, অতঃপর স্বপ্নে দেখলাম যে আমি এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে আছি যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জানাজা বহন করছে। তখন তিনি বললেন: তোমার কী হয়েছে, তুমি কাদের সাথে বসছো? নিশ্চয়ই তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে আছো যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিয়ে এসেছেন তা দাফন করছে।) .

এই শায়খ ৬৬০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নাজীব আল-হাররানি থেকে তাঁর ‘মাশয়াখাহ আল-কুবরা’, তাঁর ‘আবদাল’ গ্রন্থের তৃতীয় ও চতুর্থ অংশ এবং ‘খল্লালের দশটি মজলিস’ শ্রবণ করেছেন। এছাড়াও তিনি শায়খ শামসুদ্দিন আল-মাকদিসি, ইবরাহিম ইবনে মানাকিব এবং অন্যদের থেকেও শ্রবণ করেছেন।

তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁর নিকট থেকে ‘খল্লালের মজলিস’ সমূহের প্রথম চারটি মজলিস শ্রবণ করেছি।

তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) ৭৩৫ হিজরির রবিউস সানি মাসের ঊনত্রিশ তারিখ দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٠)
الشيخ الثاني

أخبرنا الشيخ المسند الأصيل العدل الخير شمس الدين أبو البركات محمد ابن الإمام فخر الدين [أبو] عمرو عثمان بن أحمد بن عثمان ابن أبي بكر بن محمد بن داود التوزري الأصل، المصري المولد والدار قراءة عليه وأنا أسمع بالقاهرة إن شاء الله. وإلا فإجازة. وأجاز لي جميع مروياته، وليس على وجه الأرض أحد سمع منه غيري، قال: أنا النجيب أبو عبد الله محمد بن أحمد بن محمد بن المويد الأبرقوهي سماعاً قال: أنبأنا أبو روح عبد المعز بن محمد بن أبي الفضل الهروي قال: أنا أبو القاسم تميم بن أبي سعيد بن أبي العباس الجرجاني نزيل هراة قال:
দ্বিতীয় শায়খ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শক্তিশালী সনদধারী, আভিজাত্যপূর্ণ, ন্যায়পরায়ণ ও কল্যাণময় শায়খ শামসুদ্দিন আবু আল-বারাকাত মুহাম্মাদ ইবনে ইমাম ফাখরুদ্দিন [আবু] আমর উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান ইবনে আবি বকর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ, যার আদি নিবাস তুজার এবং জন্ম ও আবাস মিসরে; কায়রোতে তাঁর সম্মুখে পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণরত অবস্থায় (ইনশাআল্লাহ), অন্যথায় ইজাজাহর মাধ্যমে। তিনি আমাকে তাঁর বর্ণিত সকল বিষয়ের ইজাজাহ দিয়েছেন, আর বর্তমান ভূপৃষ্ঠে আমি ব্যতীত এমন কেউ নেই যে তাঁর থেকে সরাসরি শ্রবণ করেছে। তিনি বলেন: আমাকে শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন আন-নাজিব আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুয়াইয়িদ আল-আবারকুহি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রুহ আব্দুল মুয়িজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল ফাদল আল-হারাবি। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হারাতের অধিবাসী আবুল কাসিম তামিম ইবনে আবি সাঈদ ইবনে আবিল আব্বাস আল-জোরজানি, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧١)
أنا الحاكم أبو الحسن علي بن محمد البحاثي قال: أنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن هارون الزوزني قال: أنا أبو حاتم محمد ابن حبان بن أحمد بن حبان التميمي البستي رحمه الله قال: أنا محمد بن إسحاق بن إبراهيم مولى ثقيف، وعدة.

ح وأخبرنيه أعلى من هذا بدرجة مع اتصال السماع أبو سعيد غلبك بن عبد الله الظاهري، وعائشة بنت علي الصنهاجي سماعاً قالا: أنا عبد اللطيف ابن [عبد المنعم الحراني] قال: أنا أبو محمد عبد الله ابن أبي الفضل نصر ابن أحمد ابن الثلاجي، قراءة عليه وأنا أسمع، والإمام أبو الفرج عبد الرحمن بن علي التيمي الحافظ، اللفظ له، قالا: أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد الكاتب قال: أنا أبو طالب محمد بن محمد بن إبراهيم بن الغيلان البزاز قال: أنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن يحيى المزكي.
আল-হাকিম আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-বাহাসি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হারুন আল-জুজানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাতিম মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান ইবনে আহমদ ইবনে হিব্বান আত-তামিমি আল-বুস্তি (রাহিমাহুল্লাহ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম—সাকিফ গোত্রের মুক্তদাস—এবং আরো কয়েকজন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।

(হা) এবং আমাকে এর চেয়ে এক স্তর উচ্চতর সনদে নিরবচ্ছিন্ন শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ গালাবাক ইবনে আবদুল্লাহ আজ-জহিরি এবং আয়েশা বিনতে আলী আস-সানহাজি; তারা উভয়ে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল লতিফ ইবনে [আবদুল মুনইম আল-হাররানি]। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবিল ফজল নাসর ইবনে আহমদ ইবনে আস-সালাজি—তার সামনে পাঠকালে আমি শ্রবণরত ছিলাম—এবং ইমাম আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবনে আলী আত-তাইমি আল-হাফিজ; আর শব্দবিন্যাস তার। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসেম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-কাতিব। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনুল গাইলান আল-বাজ্জাজ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুজাক্কি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٢)
ح وأخبرني أبو العباس أحمد بن إدريس بن مزيز الحموي في كتابه وإذنه قال: أنا الحافظ أبو علي الحسن بن محمد بن محمد ابن البكري سماعاً.

ح وأباح لي القاضي شرف الدين عبد الله بن الحسن بن عبد الله ابن الحافظ عبد الغني المقدسي عن أروي عنه ما أخبر به أبو الحسن علي بن يوسف الصوري قالا: أخبرتنا زينب بنت عبد الرحمن الشعري قالت: أنا وجيه بن الطاهر الشحامي قال: أنا أحمد بن الحسن الأزهري.

ح وكتب إلي أحمد أبي العلاء، عن أبي علي التيمي سماعاً قال: أنا أبو روح عبد المعز بن محمد، وداود بن معمر بن الفاخر، قال الأول: أنا زاهر بن طاهر، وقال الثاني: أخبرتنا فاطمة بنت محمد بن أحمد البغدادية قالا: أنا سعيد بن أبي سعيد العيار قال هو والأزهري:
এবং আবু আব্বাস আহমাদ ইবনে ইদরিস ইবনে মাজিয আল-হামাউয়ি তাঁর কিতাবে এবং তাঁর অনুমতিক্রমে আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ আবু আলি আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল বাকরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং কাজি শারাফ উদ্দিন আবদুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হাফেজ আবদুল গনি আল-মাকদিসি আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে তা বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন যা আবু হাসান আলি ইবনে ইউসুফ আস-সুরি সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: জয়নাব বিনতে আবদুর রহমান আশ-শারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ওয়াজিহ ইবনেুত তাহির আশ-শাহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ ইবনুল হাসান আল-আযহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আহমাদ আবিল আলা আমার নিকট লিখেছেন, আবু আলি আত-তাইমি থেকে শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আবু রুহ আবদুল মুয়িয ইবনে মুহাম্মদ এবং দাউদ ইবনে মামার ইবনুল ফাখির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। প্রথমজন বলেছেন: যাহির ইবনে তাহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং দ্বিতীয়জন বলেছেন: ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-আইয়ার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি এবং আল-আযহারি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٣)
أخبرنا أبو محمد الحسن بن أحمد قال هو والمزكي: أخبرنا أبو العباس محمد بن إسحاق بن إبراهيم السراج قال: ثنا قتيبة بن سعيد قال: ثنا جعفر بن سليمان، عن ثابت، عن أنسٍ:

((أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يدخر شيئاً لغدٍ)) .

وأنبأنية أعلى من هذا كله أحمد بن أبي طالب الحجار قال: أنبأنا داود ابن معمر عموماً فذكره.

وأخبرنيه كذلك أحمد بن بيان الدمشقي كتابة، عن محمد بن أحمد بن الحسين السلامي قال: أنبأنا أبو الكرم الشهرزوري، عن أحمد بن محمد الكرخي، أنا أبو الحسن علي بن عمر الحربي قال: ثنا الحسن بن الطيب الشجاعي قال: ثنا قتيبة بن سعيد قال: ثنا جعفر الضبعي، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه قال:
আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি এবং আল-মুজাক্কি বলেছেন: আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কুতাইবাহ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন:

((নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগামীর জন্য কোনো কিছু সঞ্চয় করে রাখতেন না))।

আহমদ বিন আবি তালিব আল-হাজ্জার আমাকে এই সবকিছুর চেয়ে উচ্চতর সনদে এটি অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে মামার আমাদের সাধারণভাবে অবহিত করেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

আহমদ বিন বায়ান আদ-দিমাশকিও একইভাবে আমাকে লিখিতভাবে এটি অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন আস-সালামি থেকে, তিনি বলেন: আবু আল-কারাম আশ-শাহরাজুরি আমাদের অবহিত করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কারখি থেকে, আবু আল-হাসান আলী বিন উমর আল-হারবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আত-তাইয়িব আশ-শুজাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কুতাইবাহ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর আদ-দুবাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٤)
((كان رسول الله [صلى الله] عليه وسلم لا يدخر شيئاً لغدٍ)) .

أخرجه أبو عيسى الترمذي في ((جامعه)) عن قتيبة على الموافقة العالية وقال: غريب، قال: وقد روي عن جعفرٍ، عن ثابتٍ، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلٌ وكأني في الطريقين الأخيريين، رويته عن أبي روح الهروي شيخ شيخ شيخي، ولله الحمد سبحانه.

وبه إلى ابن حبان قال: ثنا محمد بن عبد الله بن الجنيد قال: ثنا قتيبة بن سعيدٍ قال: ثنا أبو الأحوص، عن سماكٍ، عن النعمان بن بشير رضي الله عنهما قال:

((ألستم في طعامٍ وشرابٍ ما شئتم؟ لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يجد من الدقل ما يملأ بطنه)) .
((আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগামীকালের জন্য কোনো কিছু সঞ্চয় করে রাখতেন না।))।

আবু ঈসা আত-তিরমিযী তাঁর ‘জামে’ গ্রন্থে কুতাইবা থেকে উচ্চতর স্তরের সামঞ্জস্যতা (মুওয়াফাকাহ আলিয়াহ) সহকারে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি গরীব। তিনি আরও বলেন: এটি জাফর থেকে, তিনি সাবিত থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে। আর যেন আমি শেষোক্ত দুটি সূত্রে এটি আমার শায়খের শায়খের শায়খ আবু রূহ আল-হারাউয়ীর কাছ থেকে বর্ণনা করেছি। সমস্ত প্রশংসা ও পবিত্রতা একমাত্র সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য।

আর উক্ত সনদে ইবনে হিব্বান পর্যন্ত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল জুনাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কুতাইবা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল আহওয়াস বর্ণনা করেছেন সিমাক থেকে, তিনি নুমান ইবনে বাশির (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

((তোমরা কি তোমাদের পছন্দমতো পানাহারের মধ্যে নেই? অথচ আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি যে, তিনি নিজের পেট ভরার মতো সাধারণ মানের খেজুরও পেতেন না।))।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٥)
أخبرناه أعلى من هذا بدرجة مع اتصال السماع أبو العباس أحمد بن كشتغدي بن عبد الله المعزي سماعاً قال: أنا أبو الفرج بن منصور الجزري قال: أنا أبو الثناء حماد بن هبة الله الحراني.

ح وكتب إلى عالياً بدرجة أخرى أحمد بن أبي طالب، عن ابن اللتي قالا: أنا سعيد بن أحمد البنا، قال الثاني إجازة، قال: أنا أبو نصر محمد بن محمد ابن علي الزينبي قال: أنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن المخلص قال: ثنا عبد الله -يعني البغوي- قال: ثنا عثمان -وهو ابن أبي شيبة- ثنا: أبو الأحوص سلام بن سليم، عن سماك، عن النعمان بن بشيرٍ سمعته يقول:

((ألستم في طعامٍ وشرابٍ ما شئتم لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يجد من الدقل ما يملأ بطنه)) .

هذا حديث صحيح أخرجه مسلم والترمذي في كتابيهما، عن قتيبة.

وأخرجه مسلم أيضاً في الصحيح عن ابن راهويه، عن الملائي
এটি আমাদের নিকট এর চেয়ে এক ধাপ উচ্চ স্তরে নিরবচ্ছিন্ন শ্রবণের সাথে আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে কুশতাগদি ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুইজ্জি সরাসরি শ্রবণপূর্বক বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবুল ফারাজ ইবনে মনসুর আল-জাজারি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবুস সানা হাম্মাদ ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন।

এবং আমার নিকট এর চেয়ে আরও এক ধাপ উচ্চ পর্যায়ে আহমদ ইবনে আবু তালিব লিখেছেন, ইবনুল লাত্তি থেকে; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আহমদ আল-বান্না বর্ণনা করেছেন। দ্বিতীয়জন (আহমদ ইবনে আবু তালিব) ইজাজতসূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আয-যায়নাবি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মুখলিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ—অর্থাৎ আল-বাগাউয়ি—বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট উসমান—যিনি ইবনে আবু শায়বাহ—বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু আহওয়াস সালাম ইবনে সুলাইম বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি নুমান ইবনে বশির থেকে; আমি তাঁকে বলতে শুনেছি:

((তোমরা কি তোমাদের পছন্দমতো পানাহার করছ না? অথচ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি নিম্নমানের খেজুরও পেট ভরে খাওয়ার মতো পেতেন না।))।

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম ও ইমাম তিরমিজি তাঁদের গ্রন্থদ্বয়ে কুতাইবাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে ইবনে রাহওয়াইহ থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-মুলায়ি থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٦)
-وهو أبو نعيم-. عن إسرائيل، وعن محمد بن رافعٍ، عن يحيى بن آدم، عن زهير بن معاوية كلاهما عن أبي الأحوص،

فوقع لنا موافقة لهما في الطريق الأولى، وبدلاً عالياً عالياً فيما بعدها لاسيما في الرواية الأخيرة، وكان شيخ شيخي باعتبار رواية مسلم النازلة، رواه عن صاحبه والحمد لله على جميع نعمه وأفضاله.

وبه إلى ابن حبان قال: أنا أبو خليفة، قال: ثنا سليمان بن حربٍ قال: ثنا حماد بن زيدٍ، عن ثابتٍ، عن أنس قال:

((ما مسست حريراً ولا ديباجاً ألين من كف رسول الله صلى الله عليه وسلم، وما شممت ريحاً قط ولا عرقاً أطيب من ريح عرق رسول الله صلى الله عليه وسلم) .
—তিনি হলেন আবু নুয়াইম—। ইসরাইল থেকে, এবং মুহাম্মদ ইবনে রাফি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আদম থেকে, তিনি জুহাইর ইবনে মুআবিয়া থেকে, তারা উভয়ই আবুল আহওয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এভাবে প্রথম সূত্রে আমাদের নিকট তাদের উভয়ের (সনদের) সাথে সামঞ্জস্যতা (মুওয়াফাকাহ) অর্জিত হয়েছে, এবং পরবর্তীগুলোতে অত্যন্ত উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প (বাদাল আলি) সনদ লাভ হয়েছে, বিশেষ করে সর্বশেষ বর্ণনার ক্ষেত্রে। আর মুসলিমের নিম্ন পর্যায়ের বর্ণনার বিবেচনায় তিনি আমার শাইখের শাইখ ছিলেন, তিনি এটি তার সাথী থেকে বর্ণনা করেছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য তাঁর সকল নেয়ামত ও অনুগ্রহের উপর।

একই সনদে ইবনে হিব্বান পর্যন্ত, তিনি বলেন: আবু খলিফা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন:

((আমি কোনো রেশম কিংবা কোনো দিবায (মোটা রেশমি কাপড়) স্পর্শ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর চেয়ে অধিক নরম ছিল। আর আমি কোনো সুগন্ধি কিংবা কোনো ঘাম কখনো ঘ্রাণ নেইনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘামের ঘ্রাণের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিল)।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٧)
وأخبرناه أعلى من هذا بدرجة أحمد بن أبي طالب الحجار إذناً قال: أنا الحسين ابن الزبيدي قال: أنا أبو الوقت، أنا الداوودي، أنا ابن حمويه قال: أنا محمد بن يوسف قال: ثنا محمد بن إسماعيل، ثنا سليمان بن حرب فذكره.

وأخبرناه أعلى من هذا بدرجة، ومن الأول بدرجتين أبو العباس أحمد ابن إدريس بن مزيز الحموي مكاتبةً، عن أبي محمد إبراهيم بن محمود بن الخير قال: أخبرتنا تجني [بنت] عبد الله الوهبانية قالت: أنا طراد بن محمد بن علي الزينبي قال: أنا أبو الفتح هلال بن محمد بن جعفر قال: أنا الحسين بن يحيى بن عباس القطان قال: ثنا
এবং আমাদের কাছে এটি এর চেয়ে এক স্তর উচ্চে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবি তালিব আল-হাজ্জার অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনুল জুবাইদী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াক্ত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আদ-দাউদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে হামুইয়াহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুলাইমান ইবনে হারব, এরপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।

এবং আমাদের কাছে এটি এর চেয়ে এক স্তর উচ্চে এবং প্রথমটি থেকে দুই স্তর উচ্চে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে ইদরীস ইবনে মাজীজ আল-হামাভী পত্রযোগের মাধ্যমে, আবু মুহাম্মাদ ইব্রাহীম ইবনে মাহমুদ ইবনুল খাইর থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাজনি [বিনতে] আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়্যাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তুরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আজ-জাইনবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জা’ফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাস আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٨)
أبو الأشعث، ثنا حماد بن زيدٍ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ رضي الله عنه قال:

((ما مسست ديباجاً ولا حريراً ولا شيئاً ألين من كف رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا شممت رائحةٌ قط أطيب من ريح رسول الله صلى الله عليه وسلم ولقد خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم عشر سنين فو الله ما قال لي أفٍ قط ولا قال لشيءٍ فعلته لم فعلت كذا ولا لشيءٍ لم أفعله ألا فعلت كذا)) .

هذا حديث صحيح صحيح أخرجه البخاري عن سليمان بن حرب كما قدمنا فوافقناه بنزول، لكن وقع لنا بدلاً عالياً في هذه الطريق الأخيرة، وليس في حديثه كما سبق هذه الزيادة من قوله: ((ولقد خدمت)) إلى آخره. وقد أخرجها مسلم في صحيحه عن سعيد بن منصور وأبي الربيع الزهراني كلاهما عن حماد بن زيد، فوقع لنا عشارياً، وبدلاً لمسلم أيضاً، وقد وقع لنا موافقة لمسلم.

أنبأناه ابن أبي النعم، عن عبد الله بن عمر، عن ابن اللحاس قال: أنبأنا علي بن البسري قال أنا نصر بن أحمد بن الخليل إجازة، أنا أبو يعلى الموصلي، ثنا أبو الربيع، ثنا حماد، فذكر من قوله: ((ولقد خدمت)) إلى آخره.
আবু আল-আশআস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

((আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে নরম কোনো দিবায (রেশমি বস্ত্র), রেশম বা অন্য কোনো কিছুই স্পর্শ করিনি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘ্রাণের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত কোনো ঘ্রাণ আমি কখনো পাইনি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দশ বছর খিদমত করেছি; আল্লাহর কসম, তিনি আমাকে কখনো 'উফ' শব্দটুকুও বলেননি। আমি কোনো কাজ করলে তিনি কখনো বলেননি যে, 'কেন তুমি এটি করলে?' আর আমি কোনো কাজ না করলে তিনি কখনো বলেননি যে, 'কেন তুমি এটি করলে না?'))।

এটি একটি সহীহ হাদীস যা ইমাম বুখারী সুলাইমান ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা আগে উল্লেখ করেছি, ফলে আমরা সনদের নিম্নস্তরে (নুযুল) তাঁর সাথে একমত হয়েছি। তবে এই সর্বশেষ সনদে আমাদের নিকট একটি উচ্চতর বিকল্প (বাদাল আলিন) পৌঁছেছে। কিন্তু তাঁর (বুখারীর) বর্ণিত হাদীসে "আমি খিদমত করেছি" থেকে শেষ পর্যন্ত—এই অতিরিক্ত অংশটুকু নেই যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে এটি সাঈদ ইবনে মনসুর এবং আবু রাবী' আল-যাহরানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য দশ স্তরের সনদ (উশারি) এবং ইমাম মুসলিমের জন্য একটি বিকল্প (বাদাল) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর এটি আমাদের জন্য ইমাম মুসলিমের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।

ইবনে আবি আন-নু'আম আমাদের তা অবহিত করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনুল লাহহাস থেকে, তিনি বলেন: আলী ইবনুল বিসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: নাসর ইবনে আহমদ ইবনুল খলীল আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু ইয়া'লা আল-মাওসিলি আমাদের বলেছেন, আবু রাবী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি "আমি খিদমত করেছি" থেকে শেষ পর্যন্ত অংশটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٧٩)
وبه إلى ابن حبان قال: أنا أبو خليفة، ثنا محمد بن كثير، أنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي حازمٍ، عن أبي هريرة رضي الله عنه قال:

((ما عاب رسول الله صلى الله عليه وسلم طعاماً قط، إن اشتهاه أكله وإلا تركه)) .

أخبرناه عالياً بدرجة مع اتصال السماع أبو الفتح محمد بن محمد الميدومي، قال: أنا إبراهيم بن مناقب وأبو الفضل بن المعلم قالا: أنا عمر بن معمر قال: أنا هبة الله بن محمد قال: أنا أبو طالب بن غيلان قال:
এবং তাঁর মাধ্যমেই ইবনে হিব্বান পর্যন্ত সনদ পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু খলিফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন কাসীর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:

((রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ বর্ণনা করেননি; যদি তাঁর পছন্দ হতো তবে তিনি তা আহার করতেন, আর না হলে তা ছেড়ে দিতেন।))।

আমাদের নিকট নিরবচ্ছিন্ন শ্রবণ পরম্পরায় এক স্তর উচ্চ সনদে এটি বর্ণনা করেছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-মাইদুমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবন মানাকিব এবং আবুল ফজল ইবনুল মুআল্লিম, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবন মুয়াম্মার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব ইবন গায়লান, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু আবী বকরিন আল মারাগী (পৃষ্ঠা: ٨٠)
ثنا أبو بكر الشافعي، ثنا أحمد بن بشر المرثدي.

ح وأخبرنيه أعلى من هذه بدرجة ومن الأول باثنتين أحمد بن نعمة البياني إذناً، عن محمد بن أحمد بن الحسين المؤرخ قال: أنبأنا المبارك بن فتحان، عن عبد الله بن محمد الخطيب قال: أنا عبيد الله بن محمد قال: ثنا أبو القاسم المنيعي قالا: ثنا علي بن الجعد، أنا شعبة.

وفي حديث المنيعي، ثنا شعبة، عن الأعمش به حرفاً بحرفٍ.

هذا حديث صحيح متفق عليه أخرجه البخاري، وأبو داود، عن محمد بن كثير فوافقناهما في الرواية الأولى، والبخاري أيضاً عن علي بن الجعد فوافقناه أيضاً بعلو جداً في الرواية الأخيرة، وهو عند مسلم في الصحيح عن طرقٍ، منها عن عبد بن حميد، عن عبد الرزاق، عن سفيان بروايتنا الأخيرة بعلو عنه بثلاث درجات ولله الحمد والمنة.
আবু বকর আশ-শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে বিশর আল-মারসাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন: এটি আমাকে এর চেয়ে এক স্তর উচ্চতর এবং প্রথমটির চেয়ে দুই স্তর উচ্চতর সনদে আহমাদ ইবনে নিমাহ আল-বায়ানি অনুমতিক্রমে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-মুয়াররিখ থেকে, তিনি বলেন: আল-মুবারক ইবনে ফাতহান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-খাতিব থেকে, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আল-মুনিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আল-মুনিঈর বর্ণিত হাদিসে রয়েছে: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে হুবহু অক্ষরে অক্ষরে।

এটি একটি সহিহ হাদিস যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারি ও আবু দাউদ এটি মুহাম্মাদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে প্রথম বর্ণনার ক্ষেত্রে আমরা তাঁদের সনদের সাথে মিলিত হয়েছি। ইমাম বুখারি এটি আলী ইবনুল জাদ থেকেও বর্ণনা করেছেন, ফলে শেষ বর্ণনার ক্ষেত্রেও আমরা অত্যন্ত উচ্চতর সনদে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি। এটি সহিহ মুসলিমেও একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যার একটি হলো আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে; যা আমাদের শেষ বর্ণনার সূত্রে তাঁর চেয়ে তিন স্তর উচ্চতর। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।