(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون على الطبقات لعلي بن المفضل المقدسي القسم: كتب السنة
الكتاب: كتاب الأربعين المرتبة على طبقات الأربعين
المؤلف: شَرَفُ الدِّيْنِ، عَلِيُّ بنُ المُفَضَّلِ بنِ عَلِيِّ بنِ مُفَرِّجِ بنِ حَاتِمِ بنِ حَسَنِ بنِ جَعْفَرٍ المَقْدِسِيُّ (ت 611هـ)
المحقق: محمد سالم بن محمد بن جمعان العبادي
الناشر: أضواء السلف
الطبعة: الأولى
عدد الصفحات: 539
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আলী বিন আল-মুফাদদাল আল-মাকদিসী কৃত স্তরবিন্যাস ভিত্তিক চল্লিশ হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: স্তরবিন্যাসের ভিত্তিতে বিন্যস্ত চল্লিশ হাদিসের কিতাব
লেখক: শরফুদ্দীন, আলী বিন আল-মুফাদদাল বিন আলী বিন মুফাররিজ বিন হাতেম বিন হাসান বিন জাফর আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৬১১ হি.)
সম্পাদক: মুহাম্মদ সালেম বিন মুহাম্মদ বিন জামআন আল-আব্বাদী
প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ
সংস্করণ: প্রথম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৩৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, এগিয়ে এসো
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
كتاب الأربعين
المرتبة على طبقات الأربعين
للإمام الحافظ شرف الدين أبي الحسن علي بن المفضل بن علي المقدسي ثم الإسكندراني المالكي
المتوفى سنة (611 هـ)
دراسة وتحقيق
محمد سالم بن محمد بن جمعان العبادي
أضواء السلف
الطبعة الأولى
أصل هذا الكتاب رسالة تقدم بها المحقق لنيل درجة الماجستير من جامعة أم القرى
بإشراف الدكتور موفق بن عبد الله بن عبد القادر
1413 هـ - 1414 هـ
কিতাবুল আরবাঈন (চল্লিশ হাদিসের গ্রন্থ)
যা চল্লিশ স্তরের ভিত্তিতে বিন্যস্ত
ইমাম হাফেজ শরফুদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন আল-মুফাজ্জল বিন আলী আল-মাকদিসি অতঃপর আল-ইস্কান্দারানি আল-মালিকী-এর
মৃত্যু সন (৬১১ হিজরি)
গবেষণা ও সম্পাদনা
মুহাম্মদ সালেম বিন মুহাম্মদ বিন জুমআন আল-আবাদি
আদওয়াউস সালাফ
প্রথম সংস্করণ
এই গ্রন্থের মূল উৎস হলো একটি গবেষণা পত্র যা সম্পাদক উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের জন্য পেশ করেছিলেন
ডক্টর মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কাদিরের তত্ত্বাবধানে
১৪১৩ হিজরি - ১৪১৪ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
أربعون حديثاً عن أربعين حافظاًكتاب الأربعين المرتبة على طبقات الأربعين
تأليف شيخنا وسيدنا الشيخ، الفقه الإمام، العالم، الحافظ، النبيه، شرف الدين، ناصر السنة، قامع البدعة، بقية السلف، عمدة الخلف، أبي الحسن علي بن القاضي الوجيه الأنجب أبي المكارم المفضل بن علي بن مفرج بن حاتم المقدسي المالكي أمده الله، ونفعنا به برحمته، ونفع المسلمين برحمة رب العالمين.
رواية شيخنا أبي العباس أحمد بن شجاع بن ضرغام القرشي عنه،
سماع عبد الغفار بن محمد بن عبد الكافي السعدي عفا الله عنه بمنه.
চল্লিশজন হাফিযের সূত্রে বর্ণিত চল্লিশটি হাদিসচল্লিশটি স্তরে বিন্যস্ত আরবাঈন বা চল্লিশ হাদিসের গ্রন্থ
আমাদের শাইখ ও সায়্যিদ, ফকিহ ইমাম, আলিম, হাফিয, ধীমান, শারফুদ্দীন, সুন্নাহর সাহায্যকারী, বিদআত দমনকারী, সালাফদের স্মৃতিচিহ্ন, খালাফদের স্তম্ভ, আবুল হাসান আলী বিন কাজি আল-ওয়াজিহ আল-আনজাব আবুল মাকারিম আল-মুফাজ্জাল বিন আলী বিন মুফাররাজ বিন হাতিম আল-মাকদিসি আল-মালিকির রচনা—আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন এবং তাঁর রহমতে আমাদের তাঁর দ্বারা উপকৃত করুন, আর রব্বুল আলামীনের রহমতে মুসলিমদেরও উপকৃত করুন।
তাঁর নিকট থেকে আমাদের শাইখ আবুল আব্বাস আহমদ বিন শুজা বিন দিরগাম আল-কুরাশির বর্ণনা,
আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাফি আস-সাদির শ্রবণকৃত অনুলিপি, আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে তাঁকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١١)
بسم الله الرحمن الرحيمرب يسر يا رب
أخبرنا شيخنا الشيخ الإمام العالم الحافظ، شيخ الإسلام، ناصر السنة، قامع البدعة، الفقيه، النبيه، شرف الدين، أبو الحسن علي بن القاضي الوجيه الأنجب، أبي المكارم، المفضل بن علي المقدسي أيده الله بقراءتي عليه بمحروسة القاهرة بالمدرسة الصاحبية عمرها الله تعالى.
قال: الحمد لله ذي الجلال والإكرام، والعزة التي لا ترام، المقدم حمده أمام كل كلام، الذي لا ينام، ولا ينبغي له أن ينام، والصلاة والسلام على سيدنا محمد رسوله وآله خير الأنام، وعلى آله وصحبه الكرام، وسائر أهل الإسلام، صلاةً متصلة الدوام، مدى الليالي والأيام.
أما بعد: فهذه أربعون حديثاً مخرجة من حديث أربعين حافظاً، من حفاظ الإسلام المتقدمين، وأئمة الشريعة الماضين، الذين انتدبوا للتحديث والرواية، واشتهروا بالعلم والدراية، وعنوا بالتعديل والتجريح، واشتغلوا بالتسقيم والتصحيح، مرتبة على عشر طبقات، من كل عصر أربعة من الحفاظ الثقات، يكون العصر الثاني قد تنزل في طبقة من أخذ عن العصر الأول، والعصر الثالث في طبقة من أخذ عن الثاني، ثم كذلك على التوالي والتداني.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।হে আমার প্রতিপালক, সহজ করে দিন।
আমাদের শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, সুন্নাহর সাহায্যকারী, বিদআতের দমনকারী, ফকিহ, প্রখর মেধাসম্পন্ন শরফুদ্দিন আবুল হাসান আলী ইবনুল কাজী আল-ওয়াজিহ আল-আনজাব আবুল মাকারিম আল-মুফাদ্দাল বিন আলী আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যখন আমি সংরক্ষিত কায়রো নগরীর আল-মাদরাসাতুস সাহিবিয়্যাহতে (আল্লাহ তাআলা এটিকে আবাদ রাখুন) তাঁর কাছে এটি পাঠ করেছিলাম।
তিনি বললেন: সমস্ত প্রশংসা মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী আল্লাহর জন্য, সেই সম্মানের অধিকারী যাঁর নাগাল পাওয়া অসম্ভব। প্রতিটি কথার পূর্বে যাঁর প্রশংসা অগ্রগণ্য। যিনি ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য সমীচীন নয়। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ তাঁর রাসূল আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর, তাঁর সম্মানিত বংশধর ও সাহাবীগণের ওপর এবং সকল মুসলিমের ওপর; এমন দরুদ যা দিবা-রাত্রির বিবর্তন পর্যন্ত চিরকাল অব্যাহত থাকবে।
অতঃপর: এটি হলো পূর্ববর্তী ইসলামের চল্লিশজন হাফেজ এবং শরীয়তের বিগত ইমামগণের বর্ণনা থেকে সংগৃহীত চল্লিশটি হাদিস, যাঁরা হাদিস বর্ণনা ও রিওয়ায়াতের জন্য আত্মনিয়োগ করেছিলেন, যাঁরা ইলম ও প্রজ্ঞার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন, বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই (জারাহ ও তা’দিল) নিয়ে কাজ করেছিলেন এবং হাদিসের বিশুদ্ধতা ও ত্রুটি (সহিহ ও জয়িফ) নির্ণয়ে সচেষ্ট ছিলেন। এটি দশটি স্তরে বিন্যস্ত, যেখানে প্রতি যুগের চারজন নির্ভরযোগ্য হাফেজকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এভাবে যে, দ্বিতীয় স্তরের হাফেজগণ প্রথম স্তরের হাফেজদের নিকট থেকে হাদিস গ্রহণ করেছেন এবং তৃতীয় স্তরের হাফেজগণ দ্বিতীয় স্তরের হাফেজদের নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন; এভাবেই ধারাবাহিকভাবে ও নিকটবর্তী স্তরের ভিত্তিতে এটি সাজানো হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
وابتدأت بعصر التابعين دون من تقدمهم من الصحابة رضوان الله عليهم أجمعين، لأنه لابد لكل تابعي إذا كان الحديث مسنداً أن يصله بصحابي إما بالسماع منه، أو بالأخذ عمن أخذ عنه، ولذلك لم أتعرض أيضاً لعصر شيوخي الذين رويت عنهم، لأنه لا يكون أيضاً متصلاً إلا بذكر واحدٍ منهم.
فالمعنى المشار إليه في الطبقة العليا موجود بعينه في الطبقة الدنيا، وهو أنهما من ضرورة اتصاله والسلامة من إرساله.
وانتهيت بالعصر العاشر إلى عصر الخطيب أبي بكر، وابن ماكولا أبي نصر، والبيهقي، وابن عبد البر، فإنني وإن لم أدرك أصحابهم، فقد أدركت بسني أضرابهم، واتصلت روايتي بمن يروي عن رجل عن رجالهم، فكأنه قد سمع منهم أو سمع من أمثالهم.
وجعلت تبويب الكتاب على حسب الطبقات، وترتيب الدرجات،
আমি তাবেঈদের যুগ থেকে শুরু করেছি, তাঁদের পূর্বেকার সাহাবীগণকে (আল্লাহ তাঁদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন) বাদ দিয়ে। কারণ প্রত্যেক তাবেঈর জন্য আবশ্যক হলো—যদি হাদীসটি মুসনাদ (সূত্রযুক্ত) হয়—তবে তাকে কোনো একজন সাহাবীর সাথে যুক্ত করা, হয় সরাসরি তাঁর থেকে শোনার মাধ্যমে, অথবা তাঁর থেকে গ্রহণকারী কারও নিকট থেকে গ্রহণের মাধ্যমে। এই কারণেই আমি আমার সেই উস্তাদদের যুগের বিষয়েও আলোচনা করিনি যাঁদের থেকে আমি বর্ণনা করেছি, কারণ সেটিও তাঁদের মধ্য হতে কোনো একজনের উল্লেখ ছাড়া নিরবচ্ছিন্ন (মুত্তাসিল) হয় না।
সুতরাং উচ্চতর স্তরে যে অর্থের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিম্নতর স্তরেও হুবহু বিদ্যমান; আর তা হলো, এই উভয় স্তরই হাদীসের সনদ নিরবচ্ছিন্ন হওয়া এবং ইরসাল (বিচ্ছিন্নতা) থেকে মুক্ত থাকার জন্য অপরিহার্য।
আর আমি দশম যুগের সমাপ্তি টেনেছি খতীব আবু বকর, ইবনে মাকূলা আবু নাসর, বায়হাকী এবং ইবনে আবদুল বার-এর যুগে এসে। আমি যদিও তাঁদের সাথীদের পাইনি, কিন্তু নিজের বয়সের কারণে তাঁদের সমসাময়িকদের পেয়েছি। আর আমার বর্ণনা তাঁদের বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনাকারী ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁদের সাথে যুক্ত হয়েছে; ফলে বিষয়টি এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন তিনি তাঁদের নিকট থেকে শুনেছেন অথবা তাঁদের ন্যায় ব্যক্তিদের নিকট থেকে শুনেছেন।
আর আমি কিতাবটির অধ্যায় বিন্যাস করেছি স্তরসমূহ এবং মর্যাদার ক্রমানুসারে।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
وذكرت عقيب حديث كل واحد منهم رحمهم الله ورضي عنهم ما تيسر ذكره من فضائله وآثاره، وحكاياته وأخباره، وعلى وجه الإيجاز والاختصار، دون التطويل والإكثار، والله تعالى ينفعنا به ومن سمعه ونظر فيه ويوفقنا لما يرضيه وجميع المسلمين بكرمه، آمين.
আমি তাদের প্রত্যেকের বর্ণনার পরপরই—আল্লাহ তাদের প্রতি দয়া করুন এবং তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—তাদের মর্যাদা, অবদান, ঘটনাবলি ও সংবাদসমূহ থেকে যা উল্লেখ করা সহজসাধ্য হয়েছে, তা অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সংক্ষিপ্তসারে বর্ণনা করেছি; কোনো প্রকার দীর্ঘায়ন ও বাহুল্য বর্জন করে। আল্লাহ তাআলা এর দ্বারা আমাদের এবং যারা এটি শ্রবণ করবে ও পাঠ করবে তাদের উপকৃত করুন; আর তিনি তাঁর মহানুভবতায় আমাদের ও সকল মুসলিমকে তাঁর সন্তোষজনক কাজের তাওফিক দান করুন, আমিন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
الطبقة الأولى
[1-الزهري]أبو بكر محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب ابن الحارث بن زهرة بن كلاب بن مرة، القرشي الزهري، المديني، يجتمع مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في كلاب بن مرة.
سمع من الصحابة رضي الله عنهم: أنس بن مالك، وسهل بن سعد، والسائب بن يزيد، وعبد الله بن ثعلبة، ومحمود بن الربيع، وسنينا أبا
প্রথম স্তর[১-আয-যুহরী]আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন শিহাব ইবনুল হারিস বিন যুহরাহ বিন কিলাব বিন মুররাহ, কুরাইশী যুহরী মাদিনী; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশধারার সাথে কিলাব বিন মুররাহ-তে মিলিত হন।
তিনি সাহাবীগণ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে শ্রবণ করেছেন: আনাস বিন মালিক, সাহল বিন সাদ, আস-সাইব বিন ইয়াযিদ, আব্দুল্লাহ বিন সালাবা, মাহমুদ বিন রাবী এবং সুনাইন আবু
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٥)
جميلة، وأبا الطفيل عامر بن وائلة، ورأى ابن عمر، وسمع من التابعين خلقاً يطول ذكرهم، منهم: عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وأبو سلمة، واسمه عبد الله بن عبد الرحمن بن عوف، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، وعطاء بن يزيد، وعبد الرحمن بن هرمز الأعرج وسالمٌ، وحمزة وعبد الله، وعبيد الله بنو عبد الله بن عمر، وغيرهم.
روى عنه: يحيى بن سعيد الأنصاري، وعمرو بن دينار، وصالح بن كيسان، ومنصور بن المعتمر، ومالك بن أنسٍ، ومعمر بن راشدٍ، وسفيان بن عيينة، وعقيل بن خالد، ويونس بن يزيد، وشعيب بن أبي حمزة، ومحمد ابن الوليد الزبيدي، والليث بن سعدٍ، ومحمد بن عبد الرحمن بن أبي ذئبٍ، وعبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي، وعبد الملك بن عبد العزيز بن جريج، وبكير بن الأشج، وعمرو بن شعيب بن محمد بن عبد الله بن عمرو بن العاص، وغيرهم.
توفي في السابع عشر من شهر رمضان سنة أربعٍ وعشرين ومائة بالشام.
জামিলা এবং আবু তুফায়েল আমির বিন ওয়াসিলাকে দেখেছেন; তিনি ইবনে উমরকেও দেখেছেন এবং বিপুল সংখ্যক তাবিঈর নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন যাদের নাম উল্লেখ করতে গেলে দীর্ঘ হবে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: উরওয়াহ বিন যুবাইর, সাঈদ বিন মুসায়্যিব, আবু সালামাহ—যাঁর নাম আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ, উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উতবাহ বিন মাসউদ, আতা বিন ইয়াজিদ, আব্দুর রহমান বিন হুরমুয আল-আ'রাজ, এবং সালিম, হামযাহ, আব্দুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহ—তাঁরা সকলে আব্দুল্লাহ বিন উমরের পুত্র এবং আরও অনেকে।
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আনসারী, আমর বিন দিনার, সালিহ বিন কায়সান, মানসুর বিন মুতামির, মালিক বিন আনাস, মা'মার বিন রাশিদ, সুফিয়ান বিন উয়ায়নাহ, উকাইল বিন খালিদ, ইউনুস বিন ইয়াজিদ, শুআইব বিন আবু হামযাহ, মুহাম্মদ ইবনুল ওয়ালিদ আয-যুবাইদী, আল-লাইস বিন সা'দ, মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবু যিব, আব্দুর রহমান বিন আমর আল-আওযাঈ, আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আযীয বিন জুরাইজ, বুকাইর বিন আশাজ্জ, আমর বিন শুআইব বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস এবং আরও অনেকে।
তিনি একশত চব্বিশ হিজরি সালের সতেরই রমজান মাসে শাম দেশে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٦)
قال الواقدي: وهو ابن سبعين سنة، وقال ابن بكير، وهو ابن اثنتين وسبعين سنة.
أخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن إبراهيم السلفي
আল-ওয়াকিদি বলেন: তাঁর বয়স ছিল সত্তর বছর, এবং ইবন বুকাইর বলেন: তাঁর বয়স ছিল বাহাত্তর বছর।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আস-সালাফি।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٧)
قال: أخبرنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن محمود الثقفي قال: أخبرنا أبو الحسين علي بن محمد بن بشران السكري قال: حدثنا إسماعيل بن محمد الصفار، قال: حدثنا سعدان بن نصر، قال: حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، سمع أنس
তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফাদল ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশরান আস-সুক্কারি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, যুহরি থেকে, তিনি আনাসকে (বলতে) শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٨)
ابن مالك يقول: قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وأنا ابن عشر، ومات وأنا ابن عشرين -وكن أمهاتي يحثثني على خدمته. فدخل علينا النبي صلى الله عليه وسلم دارنا، فحلبنا له من شاة لنا داجن، فشيب له من ماء بئر في الدار، وأبو بكر عن شماله وأعرابي عن يمينه، فشرب النبي صلى الله عليه وسلم وعمر ناحية، فقال له عمر: أعط أبا بكر. فناول الأعرابي، وقال: ((الأيمن فالأيمن)) .
ইবনে মালিক বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মদিনায় আগমন করেন তখন আমার বয়স ছিল দশ বছর, আর তিনি যখন ওফাত লাভ করেন তখন আমার বয়স ছিল বিশ বছর। আমার মাতাগণ আমাকে তাঁর খিদমত করার জন্য উৎসাহিত করতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের গৃহে প্রবেশ করলেন, তখন আমরা আমাদের একটি গৃহপালিত ছাগী থেকে তাঁর জন্য দুধ দোহন করলাম এবং তাতে গৃহস্থিত কূপের পানি মিশ্রিত করা হলো। আবু বকর তাঁর বাম পার্শ্বে এবং এক বেদুইন তাঁর ডান পার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পান করলেন, আর উমর একপার্শ্বে ছিলেন। উমর তাঁকে বললেন: আবু বকরকে প্রদান করুন। কিন্তু তিনি বেদুইনকেই দান করলেন এবং বললেন: "ডান দিকের ব্যক্তিই অগ্রগণ্য, অতঃপর তার ডান দিকের জন।"
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١١٩)
متفق عليه من حديث الزهري، أخرجه البخاري ومسلم جميعاً من حديث مالك عنه، فرواه البخاري عن إسماعيل بن أبي أويس عنه، ورواه مسلم عن يحيى بن يحيى عنه، وانفرد البخاري برواية شعيب عن الزهري فرواها عن أبي اليمان عنه، وبرواية يونس عن الزهري، فرواها عن عبدان عن ابن المبارك عنه، وانفرد مسلمٌ برواية ابن عيينة هذه التي أوردناه بها، فرواها عن أبي بكر بن أبي شيبة، وعمرو بن محمد الناقد، وزهير بن حرب، ومحمد بن عبد الله نميرٍ.. ....
এটি যুহরীর হাদীস থেকে বুখারী ও মুসলিম উভয় ইমাম কর্তৃক সংকলিত। তাঁরা উভয়েই এটি যুহরীর সূত্রে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে ইমাম বুখারী এটি মালিকের সূত্রে ইসমাঈল ইবনে আবি উওয়াইস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম এটি মালিকের সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহরীর সূত্রে শুয়াইবের বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম বুখারী একক ছিলেন এবং তিনি এটি শুয়াইবের সূত্রে আবুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেছেন; অনুরূপভাবে যুহরীর সূত্রে ইউনূসের বর্ণনার ক্ষেত্রেও তিনি একক ছিলেন এবং তিনি এটি ইবনুল মুবারকের সূত্রে আবদান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে উইয়াইনাহর যে বর্ণনাটি আমরা এখানে উল্লেখ করেছি, সেটির ক্ষেত্রে ইমাম মুসলিম একক ছিলেন; তিনি এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাকিদ, যুহাইর ইবনে হারব এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٠)
عن ابن عيينة، ووقع إلينا عالياً جداً كأن شيخنا سمعه من صاحب البخاري في رواية يونس، والله أعلم.
ইবনে উয়ায়না থেকে বর্ণিত, এবং এটি আমাদের নিকট অত্যন্ত উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, যেন মনে হয় আমাদের শায়খ এটি ইউনুসের বর্ণনায় বুখারীর বর্ণনাকারীর থেকে শুনেছেন, আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢١)
أخبرنا أحمد بن محمد الأصبهاني، أخبرنا المبارك بن عبد الجبار البغدادي الصيرفي قال: أخبرنا علي بن أحمد
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আসফাহানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার আল-বাগদাদি আস-সাইরাফি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন আহমদ।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٢)
الفالي، أخبرنا أحمد بن إسحاق النهاوندي، قال: حدثنا الحسن بن عبد الرحمن الرامهرمزي، قال: حدثنا إسحاق بن أبي حسان الأنماطي، قال: حدثنا هشام بن عمار، قال: أخبرنا الوليد،
ফালি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন ইসহাক আন-নাহাওয়ান্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন আবদুর রহমান আর-রামাহুরমুজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন আবি হাসান আল-আনমাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ালিদ,
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٣)
عن سعيد أن هشام بن عبد الملك سأل الزهري أن يملي على بعض ولده شيئاً من الحديث، فدعا بكاتب وأملى عليه أربع مائة حديث، فخرج الزهري من عند هشام، فقال: أين أنتم يا أصحاب الحديث؟ فحدثهم بتلك الأربع مائة (حديث) ، ثم لقي هشاماً بعد شهر أو نحوه، فقال للزهري: إن ذلك الكتاب قد ضاع. قال: لا عليك. فدعا بكاتبٍ فأملاها عليه، ثم قابل بالكتاب الأول فما غادر حرفاً واحداً.
قال الرامهرمزي: وحدثني عبد الرحمن بن محمد المازني، قال:
সাঈদ থেকে বর্ণিত যে, হিশাম বিন আব্দুল মালিক যুহরীকে অনুরোধ করেছিলেন যেন তিনি তাঁর কোনো এক সন্তানকে কিছু হাদীস লিখে দেন (ইমলা করেন)। অতঃপর তিনি একজন লেখককে ডাকলেন এবং তাঁকে চারশত হাদীস লিখে দিলেন। যুহরী হিশামের নিকট থেকে বের হয়ে এসে বললেন: হে হাদীসের ছাত্রগণ, তোমরা কোথায়? এরপর তিনি তাদের নিকট সেই চারশত হাদীস বর্ণনা করলেন। এরপর এক মাস বা এর কাছাকাছি সময় পর হিশামের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। হিশাম যুহরীকে বললেন: সেই কিতাবটি হারিয়ে গেছে। তিনি বললেন: কোনো সমস্যা নেই। অতঃপর তিনি একজন লেখককে ডাকলেন এবং তাঁকে পুনরায় সেই হাদীসগুলো লিখে দিলেন। এরপর যখন পূর্বের কিতাবের সাথে তা মেলানো হলো, দেখা গেল তিনি একটি অক্ষরও বাদ দেননি।
রামহুরমুযী বলেন: আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-মাযিনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٤)
حدثنا هارون الفروي. قال: حدثنا أبي (موسى بن عبد الله بن أبي علقمة) ، قال: ((سمعت مالكاً يقول: قد رويت عن ابن شهاب أربعين حديثاً في مجلس، ثم شككت في إسناد حديث فجئته أستثبته، فضجر علي وقال: ما هكذا كنا)) .
أخبرنا أبو محمد العثماني، أخبرنا محمد بن منصور الحضرمي
হারুন আল-ফারভি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা (মুসা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি আলকামা) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “আমি মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: ‘আমি এক মজলিসে ইবনে শিহাব থেকে চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করেছি, এরপর একটি হাদিসের সনদে আমার সন্দেহ হলে আমি তার কাছে তা নিশ্চিত হতে আসলাম। এতে তিনি আমার প্রতি বিরক্ত হলেন এবং বললেন: আমরা এমন ছিলাম না’।”
আবু মুহাম্মদ আল-উসমানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মনসুর আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٥)
وجعفر بن إسماعيل الأنصاري، قالا: أخبرنا أحمد بن سعيد بن نفيس، قال: حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله الغافقي، حدثنا أبو أحمد بن المفسر، حدثنا أحمد بن علي، حدثنا ابن عباد حدثنا سفيان، عن الهذلي، قال: ((جالسنا الحسن وابن سيرين، ما رأينا مثل الزهري)) .
এবং জাফর ইবনে ইসমাইল আল-আনসারী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে নাফিস, তিনি বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-গাফিকী, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ ইবনুল মুফাসসির, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আলী, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আল-হুযালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমরা হাসান এবং ইবনে সিরীনের মজলিসে বসেছি, কিন্তু যুহরীর মতো কাউকে দেখিনি।"
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٧)
[2- عمرو بن دينار]أبو محمد عمرو بن دينار الجمحي مولاهم المكي الأثرم مولى ابن باذان ويقال باذام، وكان من أبناء الفرس من اليمن.
سمع من الصحابة: ابن عباس، وابن عمر، وجابر بن عبد الله، وابن الزبير، وأبا شريح.
ومن التابعين: جابر بن زيد، وطاووساً، وسعيد بن جبير، والزهري.
روى عنه: أيوب، وشعبة، وسفيان الثوري، وسفيان بن عيينة، وحماد بن زيد وروى عنه مالك حديثاً وحكاية.
[২- আমর ইবনে দিনার]আবু মুহাম্মদ আমর ইবনে দিনার আল-জুমাহি তাদের মাওলা, আল-মাক্কি, আল-আছরাম। তিনি ইবনে বাযানের মাওলা ছিলেন, যাকে বাযামও বলা হয়; তিনি ইয়েমেনের পারসিক বংশোদ্ভূত ছিলেন।
তিনি সাহাবীগণের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন: ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ, ইবনে যুবাইর এবং আবু শুরাইহ।
এবং তাবেয়ীগণের মধ্য থেকে: জাবির ইবনে যায়েদ, তাউস, সাঈদ ইবনে জুবাইর এবং যুহরী।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আইয়ুব, শু'বা, সুফিয়ান আস-সাওরী, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা এবং হাম্মাদ ইবনে যায়েদ। ইমাম মালিক তাঁর থেকে একটি হাদিস ও একটি কাহিনী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٨)
توفي سنة خمس وعشرين ومائة، وقيل سنة ست وعشرين، وكان أسن من الزهري، وكان يقول: ((قد جاوزت السبعين)) .
وقال الذهلي: حدثنا علي بن عبد الله -يعني: ابن المديني- قال: سمعت سفيان قيل له: كم مات عمرو بن دينار؟ قال: في أول سنة خمس وعشرين ومائة، وهو ابن ثمانين سنة)) .
أخبرنا أبو طاهر أحمد بن محمد بن سلفة، أخبرنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن محمود، حدثنا علي بن محمد بن بشران، حدثنا إسماعيل بن
তিনি একশত পঁচিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, এবং বলা হয় একশত ছাব্বিশ হিজরিতে। তিনি যুহরীর চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন এবং তিনি বলতেন: ((আমি সত্তর বছর অতিক্রম করেছি))।
যুহলী বলেন: আলী ইবনে আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ ইবনুল মাদীনী—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ানকে বলতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: আমর ইবনে দীনার কত সালে ইন্তেকাল করেছেন? তিনি বললেন: একশত পঁচিশ হিজরির শুরুর দিকে, তখন তাঁর বয়স ছিল আশি বছর।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সিলাফাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে মাহমুদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশরান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٢٩)
محمد بن إسماعيل الصفار، حدثنا سعدان بن نصر بن منصور البزاز، حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو سمع جابر بن عبد الله رضي الله عنهما يقول: لما أنزل على النبي صلى الله عليه وسلم: {قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذاباً من فوقكم} ، قال: ((أعوذ بوجهك)) {أو من تحت أرجلكم} ، قال: ((أعوذ بوجهك)) ، {أو يلبسكم شيعاً ويذيق بعضكم بأس بعضٍ} قال: ((هاتان أهون أو أيسر)) .
انفرد البخاري بحديث ابن عيينة هذا عن عمرو. فرواه عن علي بن المديني عنه.
وانفرد به أيضاً من حديث حماد بن زيد، فرواه عن أبي النعمان عنه،
মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান বিন নাসর বিন মানসুর আল-বাযযায, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ, আমর থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর নাযিল হলো: {বলুন, তিনি তোমাদের ওপর তোমাদের ওপরের দিক থেকে আযাব পাঠাতে সক্ষম}, তিনি বললেন: "আমি আপনার মুখমণ্ডলের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" {অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে}, তিনি বললেন: "আমি আপনার মুখমণ্ডলের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" {অথবা তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত করে দেবেন এবং একে অপরের সহিংসতার স্বাদ আস্বাদন করাবেন}, তিনি বললেন: "এই দু'টি অধিক সহনীয় বা সহজতর।"
ইমাম বুখারী এককভাবে আমর থেকে ইবনে উইয়াইনাহর এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আলী বিন আল-মাদীনীর সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি হাম্মাদ বিন যায়েদের হাদীস থেকেও এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আবু আল-নুমানের সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٠)
وعن قتيبة عنه، ووقع لنا عالياً بإسناد الحديث الذي قبله.
أنبأنا أحمد بن أبي أحمد الحافظ، قال: كتب إلي عيسى بن أبي ذر الهروي عن أبيه، قال: أنبأنا حمد بن عبد الله الأصبهاني، عن عبد الرحمن بن أبي حاتم الرازي، حدثنا أبو هارون الخراز محمد بن خالد، حدثنا علي بن سليمان البلخي، قال: قال ابن عيينة: قلت لمسعر: من أثبت من
এবং কুতায়বা হতে তাঁর সূত্রে বর্ণিত, আর এটি আমাদের নিকট এর আগের হাদিসটির সনদের মাধ্যমে উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আবি আহমাদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে আবি যর আল-হারাউই তাঁর পিতার সূত্রে আমার কাছে লিখেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানি, আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিম আর-রাজি থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হারুন আল-খাররাজ মুহাম্মদ ইবনে খালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে সুলাইমান আল-বালখি, তিনি বলেন: ইবনে উয়ায়না বলেছেন: আমি মিসআরকে বললাম: কে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য...
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣١)
أدركت؟ قال: ما رأيت أثبت من عمرو بن دينار، والقاسم بن عبد الرحمن.
قال ابن أبي حاتم: وحدثنا صالح بن أحمد بن حنبل قال: حدثنا علي ابن المديني قال: سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول: قال لي شعبة: لم أر مثل عمرو بن دينار، ولا الحكم ولا قتادة يعني في التثبت)) .
قال ابن أبي حاتم: وحدثنا محمد بن سعيد المقري الرازي. قال: سمعت عبد الرحمن بن الحكم يذكره عن ابن عيينة، حدثنا عمرو بن دينار ((وكان ثقة، ثقة، ثقة، وحديثٌ أسمعه من عمرو أحب إلي من عشرين من غيره)) .
আপনি কি [কাউকে] পেয়েছেন? তিনি বললেন: আমি আমর ইবনে দীনার এবং কাসিম ইবনে আবদুর রহমানের চেয়ে অধিক সুদৃঢ় কাউকে দেখিনি।
ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আলি ইবনুল মাদিনি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: শুবা আমাকে বলেছেন: আমি আমর ইবনে দীনার, হাকাম এবং কাতাদার মতো কাউকে দেখিনি—অর্থাৎ সুদৃঢ়তার ক্ষেত্রে।
ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-মুকরি আর-রাজি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনুল হাকামকে ইবনে উইয়াইনাহ থেকে এটি উল্লেখ করতে শুনেছি, আমর ইবনে দীনার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: "আর তিনি ছিলেন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য, নির্ভরযোগ্য, নির্ভরযোগ্য; এবং আমরের কাছ থেকে শোনা একটি হাদীস আমার কাছে অন্যদের বিশটি হাদীসের চেয়েও বেশি প্রিয়।"
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٢)
قال: وحدثنا صالح بن أحمد بن حنبل، حدثنا علي -يعني ابن المديني-، سمعت يحيى بن سعيد القطان يقول: عمرو بن دينار أثبت عندي من قتادة، قال صالح: فذكرت ذلك لأبي فقال مثله.
তিনি বলেন: সালেহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী —অর্থাৎ ইবনুল মাদীনী— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তানকে বলতে শুনেছি: আমর বিন দীনার আমার নিকট ক্বাতাদাহর চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য। সালেহ বলেন: আমি বিষয়টি আমার পিতার নিকট উল্লেখ করলে তিনিও অনুরূপ কথাই বললেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٣)
[3- قتادة السدوسي]أبو الخطاب قتادة بن دعامة بن عزيز بن الحارث بن سدوس، وقيل: دعامة بن عكابة بن عزيز بن كريم بن الحارث بن سدوس بن شيبان بن ذهل بن ثعلبة السدوسي، البصري، وكان أعمى.
سمع من الصحابة: أنس بن مالك، وعبد الله بن سرجس، وأبا الطفيل.
ومن التابعين: أبا عثمان النهدي، وسعيد بن المسيب، والحسن بن أبي الحسن، وعكرمة وغيرهم.
[৩- কাতাদাহ আস-সাদূসী]আবুল খাত্তাব কাতাদাহ ইবনে দি'আমাহ ইবনে আযীয ইবনুল হারিস ইবনে সাদূস; এবং বলা হয়েছে: দি'আমাহ ইবনে উকাবাহ ইবনে আযীয ইবনে কারীম ইবনুল হারিস ইবনে সাদূস ইবনে শায়বান ইবনে যুহাল ইবনে সা'লাবাহ আস-সাদূসী, আল-বসরী, এবং তিনি অন্ধ ছিলেন।
তিনি সাহাবীদের মধ্য থেকে আনাস ইবনে মালিক, আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস এবং আবু তুফায়ল থেকে (হাদিস) শুনেছেন।
এবং তাবেঈদের মধ্য থেকে: আবু উসমান আন-নাহদী, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, আল-হাসান ইবনে আবিল হাসান, ইকরিমাহ এবং অন্যান্যদের থেকে (শুনেছেন)।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٤)
روى عنه: التيمي، ومسعر، وشعبة، وابن أبي عروبة والدستوائي وعمرو بن الحارث، وأبو عوانة.
مولده سنة إحدى وستين، ووفاته سنة سبع عشرة ومائة بواسط في الطاعون بعد موت الحسن بسبع سنين، وهو ابن ست وخمسين سنة.
أخبرنا أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن بن يحيى العثماني، وأبو القاسم عبد الرحمن بن خلف بن نصرون التميمي، وأبو محمد عبد الله بن عطاف ابن ثعبان الغساني، وغيرهم.
قالوا: أخبرنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم الرازي قال: أخبرنا
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আত-তাইমি, মিসআর, শু'বাহ, ইবনে আবি আরুবাহ, আদ-দাস্তাওয়ায়ি, আমর ইবনুল হারিস এবং আবু আওয়ানাহ।
তাঁর জন্ম একষট্টি হিজরি সনে, এবং তাঁর মৃত্যু একশ সতেরো হিজরি সনে ওয়াসিত শহরে মহামারীতে হাসান (আল-বাসরি)-এর মৃত্যুর সাত বছর পর; তখন তাঁর বয়স ছিল ছাপ্পান্ন বছর।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানি, আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন খালাফ বিন নাসরুন আত-তামিমি, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আতাফ ইবনে সু'বান আল-গাসসানি এবং অন্যান্যরা।
তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম আর-রাজি; তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٥)
أبو القاسم علي بن محمد بن علي الفارسي، حدثنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن المفسر الدمشقي إملاء، حدثنا أبو سليمان حويت بن أحمد بن أبي حكيم القرشي بدمشق، حدثنا أبو الجماهر محمد بن عثمان التنوخي، حدثنا سعيد بن بشير عن قتادة عن أنس بن مالك.
أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لأبي بن كعب: ((إني أمرت أن أقرأ عليك القرآن)) . قال: وسميت لك؟ قال: ((نعم)) ، قال: وذكرت هناك؟ قال: فجعل يبكي قال: فزعموا أنه قرأ عليه {لم يكن} .
আবুল কাসিম আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আলি আল-ফারসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-মুফাসসির আদ-দিমাশকি শ্রুতলিপির মাধ্যমে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সুলাইমান হুওয়াইত ইবন আহমাদ ইবন আবি হাকিম আল-কুরাশি দামেস্কে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-জামাহির মুহাম্মদ ইবন উসমান আত-তানুখি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন বাশির, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে।
নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবন কাবকে বললেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমার নিকট কুরআন তিলাওয়াত করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি।" তিনি বললেন: আমার নাম কি আপনার নিকট উল্লেখ করা হয়েছে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ"। তিনি বললেন: এবং সেখানে কি আমাকে স্মরণ করা হয়েছে? বর্ণনাকারী বলেন: এতে তিনি কাঁদতে লাগলেন। বর্ণনাকারী বলেন: তারা ধারণা করেন যে তিনি তাঁর নিকট {লাম ইয়াকুন} পাঠ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٦)
متفق عليه من حديث شعبة، عن قتادة، أخرجه البخاري ومسلمٌ جميعاً عن بندار عن غندر عنه.
وأخرجه مسلمٌ أيضاً عن أبي موسى عن غندر، وقد أخرجه البخاري
শু'বাহ থেকে বর্ণিত কাতাদাহ্-এর সূত্রে এটি সর্বসম্মত (মুত্তাফাকুন আলাইহি), যা ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম উভয়েই বুন্দার থেকে, তিনি গুন্দার থেকে এবং তিনি তার (শু'বাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি আবু মুসা থেকে, তিনি গুন্দার থেকেও বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারীও এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٧)
أيضاً من حديث سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، فرواه عن: ابن المنادي، عن روح بن عبادة، عن سعيد، ووقع إلينا حديث ابن المنادي عالياً جداً.
أخبرناه أبو طاهر السلفي، أخبرنا عبد الرحمن بن عمر التيمي، والحسين بن الحسين الهاشمي، ومحمد بن عبد الملك الأسدي، ومحمد بن عبد الكريم الخشيشي، والمبارك بن عبد الجبار الصيرفي، قالوا: أخبرنا أبو علي بن شاذان، أخبرنا أبو عمرو بن السماك،
সাঈদ ইবনে আবু আরুবাহ-এর হাদীস থেকেও, যা কাতাদাহ থেকে বর্ণিত; তিনি এটি বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুনাদী থেকে, তিনি রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে। আর ইবনুল মুনাদীর হাদীসটি আমাদের নিকট অত্যন্ত উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
আমাদেরকে এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আস-সিলাফি, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে উমর আত-তাইমি, আল-হুসাইন ইবনুল হুসাইন আল-হাশিমি, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-আসাদি, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কারিম আল-খুশায়শি এবং আল-মুবারাক ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফি; তাঁরা বললেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইবনে শাযান, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনুস সাম্মাক,
(খণ্ড: ১)
আল আরবাঊনা আলাত তবাকাত লি আলী বিন আল মুফায্যাল আল মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ١٣٨)
أخبرنا محمد بن عبيد الله المنادي، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا سعيد ابن أبي عروبة عن قتادة عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لأبي بن كعب: ((إن الله أمرني أن أقرئك القرآن - أو أقرا عليك القرآن)) . قال: آلله سماني لك؟ قال: ((وقد ذكرت عند رب العالمين)) فذرفت عيناه، فوافقنا البخاري في شيخه بعينه إلا أن البخاري سماه أحمد، والمعروف أن اسمه محمد، وقيل: إن البخاري وهم فيه، وقيل: هما أخوان، والله أعلم.
মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-মুনাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, রাউহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের নিকট কাতাদাহ হতে, তিনি আনাস বিন মালিক হতে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইবনে কাবকে বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন তোমাকে কুরআন পড়াতে - অথবা তোমার নিকট কুরআন পাঠ করতে।" তিনি (উবাই) বললেন: "আল্লাহ কি আপনার নিকট আমার নাম নিয়েছেন?" তিনি (নবী) বললেন: "হ্যাঁ, বিশ্বজগতের রবের নিকট তোমার আলোচনা করা হয়েছে।" তখন তাঁর দুই চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে গেল। ইমাম বুখারী তাঁর এই নির্দিষ্ট উস্তাদের ক্ষেত্রে আমাদের বর্ণনার সাথে একমত হয়েছেন, তবে ইমাম বুখারী তাঁর নাম আহমদ উল্লেখ করেছেন। অথচ প্রসিদ্ধ হলো তাঁর নাম মুহাম্মদ। বলা হয়ে থাকে যে, ইমাম বুখারী এক্ষেত্রে হয়তো বিভ্রান্ত হয়েছেন, আবার বলা হয় যে তাঁরা দুজন ভাই। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।