(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة شرف الدين اليونيني   (اليونيني، شرف الدين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مشيخة شرف الدين اليونيني

المؤلف: علي بن محمد بن أبي الحسين أحمد بن عبد الله بن عيسى بن أحمد بن محمد بن محمد الحافظ شرف الدين أبي الحسين اليونيني البعلي (ت 701هـ)

المحقق: عمر عبد السلام تدمري

الناشر: المكتبة العصرية

الطبعة: الأولى 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 144

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

শরফ উদ্দিন আল-ইউনিনির মাশয়াখাহ   (আল-ইউনিনি, শরফ উদ্দিন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: শরফ উদ্দিন আল-ইউনিনির মাশয়াখাহ

লেখক: আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবিল হুসাইন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ঈসা বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ শরফ উদ্দিন আবুল হুসাইন আল-ইউনিনি আল-বালি (মৃত্যু ৭০১ হিজরি)

তাহকীক: উমর আব্দুস সালাম তাদমুরি

প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল আসরিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة

شرف الدين اليونيني

 

تأليف

الإمام العلامة شرف الدين أبو الحسين

علي بن محمد بن أحمد بن عبد الله اليونيني

(621-701 هـ)

 

تخريج

محمد بن أبي الفضل البعلبكي

(709 هـ)

 

مع ملحق من عوالي المؤلف

برواية مؤرخ الإسلام الحافظ الذهبي

 

تحقيق

أستاذ دكتور

عمر عبد السلام تدمري

 

المكتبة العصرية

 

الطبعة الأولى

1423 هـ - 2002 م
মাশয়াখাহ

শরাফ উদ্দিন আল-ইউনিনি

 

রচনা

আল-ইমাম আল-আল্লামাহ শরাফ উদ্দিন আবু আল-হুসাইন

আলি বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ইউনিনি

(৬২১-৭০১ হিজরি)

 

তাখরিজ

মুহাম্মাদ বিন আবি আল-ফজল আল-বা’লাবাক্কি

(৭০৯ হিজরি)

 

লেখকের উচ্চসনদ বিশিষ্ট হাদিসসমূহের পরিশিষ্টসহ

ইসলামের ইতিহাসবিদ হাফেজ আয-যাহাবির বর্ণনা সূত্রে

 

সম্পাদনা ও তাহকিক

অধ্যাপক ডক্টর

উমর আব্দুস সালাম তাদমুরি

 

আল-মাকতাবাতুল আসরিয়্যাহ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٤٧)
‌‌الجزء الثامن

من مشيخة الشيخ الإمام، العالم، الأوحد، العلامة، القدوة، شرف الدين أبي الحسين علي ابن الشيخ الإمام، الفقيه، العالم، الرباني، تقي الدين، أبي عبد الله، محمد بن أبي الحسين بن عبد الله بن عيسى بن أحمد اليونيني، أمتع الله بطول بقائه.

تخريج العبد الفقير

محمد بن أبي الفتح بن أبي الفضل البعلبكي، عفا الله عنه.

فيه من الشيوخ

زين الدين بن عبد الدايم وفراس العسقلاني

والشيخ شمس الدين بن أبي عمر والشيخ عزا لدين بن عبد السلام

والزين خالد النابلسي وابن علان
অষ্টম খণ্ড

শায়খ, ইমাম, প্রাজ্ঞ পণ্ডিত, অনন্য, মহাজ্ঞানী ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব শরাফুদ্দীন আবি আল-হুসাইন আলী-এর মাশয়াখা (শিক্ষকবৃন্দের তালিকা) হতে; যিনি শায়খ, ইমাম, ফকিহ, প্রাজ্ঞ পণ্ডিত ও রাব্বানী তাকিউদ্দীন আবি আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবি আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন ঈসা বিন আহমাদ আল-ইউনিনী’র পুত্র, আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ হায়াত দান করে ধন্য করুন।

নিঃস্ব বান্দার সংকলন

মুহাম্মাদ বিন আবি আল-ফাতহ বিন আবি আল-ফাদল আল-বালাবাক্কি, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন।

এতে অন্তর্ভুক্ত শায়খগণ হলেন

যাইনুদ্দীন বিন আব্দুল দায়িম এবং ফিরাস আল-আসকালানি

এবং শায়খ শামসুদ্দীন বিন আবি উমার এবং শায়খ ইযযুদ্দীন বিন আব্দুস সালাম

এবং যাইন খালিদ আন-নাবুলসি ও ইবনে আল্লান
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
بسم الله الرحمن الرحيم، اللهم يسره

الشيخ الخامس والثلاثون

أخبرنا الشيخ الإمام العالم المسند، أبو العباس أحمد بن عبد الدائم بن نعمة بن أحمد المقدسي، بقراءتي عليه، يوم السبت مستهل شعبان سنة ثمانٍ وأربعين وستماية، بسفح جبل قاسيون، قلت له: أخبرك الإمام أبو الفرج، عبد الرحمن بن علي بن محمد بن الجوزي، والقاضي الإمام أبو الفتح، أحمد بن محمد بن عبد الله ابن المندائي، وأبو طاهر المبارك بن المبارك بن هبة الله الحريمي، المعروف بابن المعطوش، قراءةً على كل واحدٍ منهم، قالوا: أخبرنا
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ এটি সহজ করে দিন।

পঁয়ত্রিশতম শায়খ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, আলেম, মুসনিদ, আবু আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম বিন নিমা বিন আহমদ আল-মাকদিসি—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—ছয়শত আটচল্লিশ হিজরী সনের শাবান মাসের শুরুতে শনিবার দিনে, কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-জাওজি, এবং কাজী ইমাম আবুল ফাতহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনুল মানদায়ী, এবং আবু তাহের আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন হিবাতুল্লাহ আল-হারিমি, যিনি ইবনুল মাতুশ নামে পরিচিত—তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পাঠের মাধ্যমে—তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٠)
أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين، أخبرنا أبو علي، الحسن بن علي بن الحسن بن المذهب، أخبرنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان بن مالك القطيعي، أخبرنا أبو عبد الرحمن، عبد الله بن أحمد بن محمد بن حنبل، حدثني أبي، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا المختار بن فلفل.

عن أنس بن مالك، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، ذات يوم وقد انصرف من الصلاة، فأقبل إلينا فقال: ((أيها الناس إني إمامكم، فلا تسبقوني بالركوع ولا بالسجود ولا بالقيام ولا بالقعود ولا بالانصراف، فإني أراكم من أمامي ومن
আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনুল মুজাহহিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুখতার ইবনে ফুলফুল।

আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সালাত শেষ করার পর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: "হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ইমাম। সুতরাং তোমরা রুকুতে, সিজদায়, কিয়ামে (দাঁড়ানোতে), বৈঠকে এবং সালাত শেষে প্রস্থানের ক্ষেত্রে আমাকে ছাড়িয়ে অগ্রগামী হয়ো না। কারণ আমি তোমাদেরকে আমার সম্মুখ হতে এবং আমার..."
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥١)
خلفي، وأيم الذي نفسي بيده، لو رأيتم ما رأيت لضحكتم قليلاً ولبكيتم كثيراً. قالوا: يا رسول الله وما رأيت؟ قال: رأيت الجنة والنار)) .

أخرجه مسلم، عن أبي بكر بن أبي شيبة، وعلي بن حجر، عن علي بن مسهر.

وعن قتيبة، عن جرير.

وعن محمد بن عبد الله بن نمير، وإسحاق بن راهويه، عن محمد بن فضيل، ثلاثتهم عن مختار، فوقع بدلاً.
আমার পেছনে; এবং সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমি যা দেখেছি তা যদি তোমরা দেখতে, তবে তোমরা হাসতে কম এবং কাঁদতে বেশি। তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আপনি কী দেখেছেন? তিনি বললেন: আমি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখেছি।

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন আবি শাইবা এবং আলী ইবন হুজর থেকে, তাঁরা আলী ইবন মুশহির থেকে।

এবং কুতাইবা থেকে, তিনি জারির থেকে।

এবং মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন নুমাইর ও ইসহাক ইবন রাহওয়াইহ থেকে, তাঁরা মুহাম্মাদ ইবন ফুদাইল থেকে; তাঁরা তিনজনেই মুখতার থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি ‘বাদল’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٢)
وأخبرنا أبو العباس أحمد المقدسي، بقراءتي عليه، أخبركم أبو عبد الله محمد بن علي بن محمد بن صدقة الحراني، قراءةً عليه وأنت تسمع. أخبرنا أبو عبد الله محمد بن الفضل الفراوي، أخبرنا عبد الغافر الفارسي. أخبرنا أبو أحمد، محمد بن عيسى بن عمرويه الجلودي، أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن سفيان الفقيه، حدثنا أبو الحسين مسلم بن الحجاج، حدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد، حدثني أبي، عن جدي، حدثني
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন সাদাকা আল-হাররানি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শুনছিলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-ফরাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফির আল-ফারিসি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আমরুওয়াইহি আল-জুলুদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সুফিয়ান আল-ফকিহ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব বিন আল-লাইস বিন সাদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তাঁর দাদা থেকে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
عقيل بن خالد، عن الزهري، عن سالم.

عن أبيه قال: سمعت عمر بن الخطاب رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم)) قال عمر: ((فوالله ما حلفت بها منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنها ولا تكلمت بها)) .

ح وأخبرنا به أعلا من هذا بدرجتين أبو المنجا عبد الله بن عمر بن اللتي البغدادي، قراءةً عليه، أخبرنا عبد الأول عيسى بن شعيب السجزي، أخبرنا أبو الحسن عبد الرحمن بن محمد الداودي، أخبرنا أبو محمد عبد الله بن أحمد بن
আকীল বিন খালিদ, যুহরী থেকে, সালিম থেকে।

তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন))। উমর বলেন: ((আল্লাহর শপথ, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ থেকে নিষেধ করতে শোনার পর আর কখনো তাদের নামে শপথ করিনি এবং তা মুখেও উচ্চারণ করিনি))।

হা, এবং আমাদের নিকট এ হাদিসটি এর চেয়ে দুই স্তর উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছেন আবুল মুঞ্জা আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আল-লাত্তি আল-বাগদাদী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আউয়াল ঈসা বিন শুআইব আস-সিজযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আদ-দাউদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٤)
حمويه السرخسي، أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم بن خزيم الشاشي، حدثنا أبو محمد عبد بن حميد الكشي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم.

عن ابن عمر، عن عمر رضي الله عنه قال: ((سمعني رسول الله صلى الله عليه وسلم أحلف بأبي، فقال: إن الله عز وجل ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم)) . قال عمر: ((فوالله ما حلفت بها ذاكراً ولا آثراً)) .

ح وأخبرنا به أعلا من الأول بست درجات أبو عبد الله الحسين بن المبارك بن محمد بن يحيى الزبيدي، أخبرنا أبو الوقت، أخبرنا أبو عبد الله محمد بن أبي مسعود الفارسي، أخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن أبي شريح
হামুওয়াহ আস-সারখাসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন খুযাইম আশ-শাশি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দ বিন হুমাইদ আল-কাশশি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে বর্ণনা করেন।

ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমার পিতার নামে কসম করতে শুনলেন, তখন তিনি বললেন: ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন’।” উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: “আল্লাহর কসম, এরপর থেকে আমি আর কখনও এভাবে কসম করিনি—নিজে থেকে উচ্চারণ করেও নয়, অন্য কারও থেকে বর্ণনা হিসেবেও নয়।”

তহবিল: এবং আমাদের কাছে এটি প্রথম সনদের তুলনায় ছয় স্তর উচ্চতর সনদে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আয-যুবাইদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াক্ত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবি মাসউদ আল-ফারিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন আবি শুরাইহ।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٥)
الأنصاري، أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، حدثنا أبو الجهم العلاء بن موسى، ثنا الليث، عن نافع.

عن عبد الله بن عمر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أدرك عمر بن الخطاب رضي الله عنه في ركبٍ، وعمر يحلف بأبويه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إن الله عز وجل ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم، فمن كان حالفاً فليحلف بالله عز وجل وإلا فليصمت)) .

أخرجه مسلم، عن عبد بن حميد، فوقع موافقةً، وأخرجه عن عبد الملك بن شعيب بن الليث بسنده، فباعتبار العدد كأني سمعته من مسلم وصافحته به، لأن بينه وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه ثمانية أنفس، وبيني وبينه صلى الله عليه وسلم تسعة، والله أعلم. وأخبرنا أبو العباس أحمد بن عبد الدائم المقدسي، بقراءتي عليه أخبرنا
আনসারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল জাহম আল-আলা ইবনে মুসা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস, নাফি থেকে।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একটি কাফেলার মধ্যে পেলেন, এমতাবস্থায় উমর তাঁর পিতার নামে কসম করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে ডেকে বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি কসম করতে চায় সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, অন্যথায় সে যেন চুপ থাকে।"

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, ফলে এটি মুওয়াফাকাত (একই সূত্রে আসা) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনুল লাইস থেকে তাঁর সনদে। সুতরাং বর্ণনাকারীর সংখ্যার বিচারে মনে হচ্ছে যেন আমি এটি ইমাম মুসলিমের কাছ থেকে শুনেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি; কারণ তাঁর এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে আটজন ব্যক্তি রয়েছেন, আর আমার ও তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মধ্যে নয়জন রয়েছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবদুদ দাইম আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٦)
محمد بن صدقة الحراني، أخبرنا أبو عبد الله الفراوي، أخبرنا عبد الغافر، أخبرنا محمد بن عيسى، أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم، حدثنا مسلم بن الحجاج، حدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل، عن أبي شهاب، عن محمد بن جبير بن مطعم.

عن أبيه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((إن لي أسماء، أنا محمد، وأنا أحمد، وأنا الماحي الذي يمحو الله بي الكفر، وأنا الحاشر الذي يحشر الناس على قدمي، وأنا العاقب الذي ليس بعده أحد)) .

ح وأخبرنا به أعلا من هذا بدرجتين أبو المنجا عبد الله بن اللتي، أخبرنا أبو الوقت، أخبرنا أبو الحسن الداودي، أخبرنا أبو محمد السرخسي، أخبرنا أبو عمران عيسى بن عمر السمرقندي، أخبرنا أبو محمد، عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، به.
মুহাম্মদ বিন সাদাকা আল-হাররানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাররাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ঈসা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুয়াইব বিন আল-লাইস, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি আমার দাদা থেকে, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উকাইল, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবাইর বিন মুতয়িম থেকে।

তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আমার কয়েকটি নাম রয়েছে; আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহি (বিদূরণকারী) যার মাধ্যমে আল্লাহ কুফরকে মিটিয়ে দেন, আমি আল-হাশির (একত্রকারী) যার পায়ের কাছে মানুষকে একত্রিত করা হবে, এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ) যার পরে আর কেউ নেই।"

(হা) এবং আমাদের নিকট এর চেয়ে দুই স্তর উচ্চ সনদে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আবুল মানজা আব্দুল্লাহ বিন আল-লাত্তি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াকত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আদ-দাউদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আস-সারাকসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইমরান ঈসা বিন উমর আস-সামারকান্দি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আদ-দারিমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ামান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুয়াইব, তিনি যুহরি থেকে, উক্ত সনদে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٧)
ح وأخبرنا به أعلا من الأول بأربع درجات: أبو صادق الحسن بن يحيى بن صباح، أخبرنا عبد الله بن رفاعة بن غدير السعدي، أخبرنا أبو الحسن علي بن الحسن الخلعي، أخبرنا عبد الرحمن بن عمر، أخبرنا أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد، حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم.
উক্ত সনদের রূপান্তর; এবং তিনি আমাদের নিকট এটি প্রথমটির তুলনায় চার স্তর উচ্চতর সনদে বর্ণনা করেছেন: আবু সাদিক আল-হাসান বিন ইয়াহইয়া বিন সাবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন রিফায়া বিন গাদীর আস-সাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হাসান আল-খালায়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন উমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-সাবাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবায়ের বিন মুতঈম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٨)
عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((لي أسماء، أنا محمد، وأنا أحمد، وأنا الماحي الذي يمحى بي الكفر، وأنا الحاشر الذي يحشر الناس على قدمي، وأنا العاقب الذي ليس بعده نبي)) .

أخرجه البخاري، عن إبراهيم بن المنذر، عن معن، عن مالك.

وعن أبي اليمان، عن شعيب.

وأخرجه (مسلم) كما أخرجناه أولاً.

وأخرجه أيضاً عن الدارمي كما أخرجناه.

وأخرجه أيضاً عن زهير، وابن أبي عمر، وابن راهويه، عن ابن عيينة.

وأخرجه الترمذي، عن سعيد بن عبد الرحمن، عن سفيان، فوقع (موافقة) لمسلم وبدلاً عالياً (له) وللترمذي. وكأن شيخنا ابن صباح سمعه من السرخسي، وبينه وبين البخاري واحد، ولله الحمد.

وأخبرنا الشيخ المسند أبو العباس، أحمد المقدسي، رحمه الله، بقراءتي عليه، أخبركم أبو الثناء حماد بن هبة الله بن حماد الحراني إجازةً إن لم يكن سماعاً، أخبرنا الحافظ أبو القاسم إسماعيل بن أحمد بن عمر
তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: ((আমার কয়েকটি নাম রয়েছে, আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহূ (বিদূরিতকারী), যাঁর মাধ্যমে কুফর বিদূরিত করা হয়, আমি আল-হাশির (একত্রকারী), যাঁর পায়ের নিকট মানুষকে একত্র করা হবে এবং আমি আল-আকিব, যাঁর পর আর কোনো নবী নেই।))

ইমাম বুখারী এটি ইবরাহীম ইবনুল মুনযির থেকে, তিনি মা’ন থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবুল ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা এটি প্রথমে বর্ণনা করেছি।

এবং তিনি এটি দারেমী থেকেও বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা বর্ণনা করেছি।

এবং তিনি এটি যুহাইর, ইবনে আবী উমর এবং ইবনে রাহাওয়াইহ থেকে, তাঁরা ইবনে উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিযী এটি সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে তা ইমাম মুসলিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (মুওয়াফাকাহ) এবং তাঁর ও তিরমিযীর জন্য উচ্চ পর্যায়ের বিকল্প (বাদাল আলী) হয়েছে। আর যেন আমাদের শাইখ ইবনে সাব্বাহ এটি সারাখসী থেকে শুনেছেন এবং তাঁর ও বুখারীর মাঝে মাত্র একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন, আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখুল মুসনাদ আবুল আব্বাস আহমাদ আল-মাকদিসী (রাহিমাহুল্লাহ), তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল সানা হাম্মাদ ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ আল-হাররানী—সরাসরি শ্রবণ না হলেও ইজাযাহর (অনুমতি) মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেয আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٥٩)
السمرقندي، قراءةً عليه، أخبرنا عبد العزيز بن علي بن أحمد بن الحسين الأنماطي، المعروف بابن بنت السكري، وأحمد بن محمد بن أحمد بن النقور، واللفظ له، قالا: أخبرنا محمد بن عبد الرحمن بن العباس، حدثنا عبد الله بن محمد وهو البغوي، حدثنا أبو عبد الرحمن الجعفي، ثنا عبد الله بن عمر بن أبان، حدثنا أسد بن عمرو البجلي، عن المجالد بن سعيد، عن عامر الشعبي، عن عبد الله بن جعفر.
আস-সামারকান্দি, তাঁর নিকট পাঠকালে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-আনমাতি, যিনি ইবনে বিনতুস সুক্কারি নামে পরিচিত, এবং আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাকুর—আর শব্দাবলী তাঁরই—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ—যিনি আল-বাগাওয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আল-জু'ফি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আবান, আমাদের বর্ণনা করেছেন আসাদ বিন আমর আল-বাজালি, মুজালিদ বিন সাঈদ থেকে, তিনি আমির আশ-শা'বি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٠)
عن أبيه رضي الله عنهما قال: ((بعثت قريش عمرو بن العاص وعمارة بن الوليد بهدية من أبي سفيان إلى النجاشي، فقالوا له ونحن عنده: قد صار إليك ناس من سفلتنا وسفهاتنا فادفعهم إلينا. قال: لا حتى أسمع كلامهم. قال: فبعث إلينا فقال: ما يقول هؤلاء؟ قال: قلنا: إن هؤلاء قومٌ يعبدون الأوثان، وإن الله عز وجل بعث إلينا رسولاً فآمنا به وصدقناه. فقال لهم النجاشي: أعبيدهم لكم؟ أفلكم عليهم دين؟ قالوا: لا. قال: فخلوا سبيلهم. وقال: فخرجنا من عنده، فقال عمرو بن العاص: إن هؤلاء يقولون في عيسى غير ما تقول. قال: إن لم يقولوا في عيسى مثل قولي لم أدعهم في أرضي ساعةً من نهار، فأرسل إلينا، فكانت الدعوة الثانية أشد علينا من الأولى. قال: ما يقول صاحبكم في عيسى بن مريم؟ قال: يقول: هو روح الله وكلمته ألقاها إلى عذراء بتول. قال: فأرسل فقال: ادعو لي فلاناً، القس، وفلاناً الراهب، فأتاه ناس منهم، فقال: ما تقولون في عيسى بن مريم. فقالوا: أنت أعلمنا فما تقول؟ قال النجاشي وآخذ شيئاً من الأرض، فقال: ما عدا عيسى ما قال هؤلاء مثل هذا. ثم قال لهم: أيؤذيكم أحد؟ قالوا: نعم. فأمر منادياً، فنادى: من آذى أحداً (منهم) فأغرموه أربعة دراهم. ثم قال: أتكفيكم؟ قلنا: لا. فأضعفها. قال: فلما هاجر رسول الله صلى الله عليه وسلم وخرج من المدينة وظهر بها قلنا له. إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد ظهر وهاجر إلى المدينة وقتل الذين كنا حدثناك عنهم، وقد أردنا الرحيل إليه فزودنا. فقال: نعم، فحملنا وزودنا، ثم قال: أخبر صاحبك بما صنعت إليكم وهذا صاحبي معك، وأنا أشهد أن لا إله إلا الله وأنه رسول الله، وقل له يستغفر لي. قال جعفر: فخرجنا حتى أتينا المدينة فتلقاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعتنقني، ثم قال: ما أدري أنا بفتح خيبر أفرح، أو قدوم جعفر، ووافق ذلك فتح خيبر. ثم جلس فقال رسول النجاشي: هذا جعفر فسله ما صنع به صاحبنا، فقال: نعم، فعل بنا كذا وحملنا وزودنا، وشهد أن لا إله إلا الله وأنك رسول الله وقال: قل له يستغفر لي. فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلم فتوضأ ثم دعا ثلاث مرات: اللهم اغفر للنجاشي، قال المسلمون: آمين. ثم قال جعفر: فقلت للرسول انطلق فأخبر صاحبك بما قد رأيت من رسول الله صلى الله عليه وسلم) .

তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: কুরাইশরা আবু সুফিয়ানের পক্ষ থেকে উপহারসহ আমর ইবনুল আস এবং উমারা ইবনুল ওয়ালিদকে নাজাশির কাছে পাঠাল। তারা তাকে বলল—তখন আমরা তাঁর কাছেই ছিলাম—: আমাদের নিচু শ্রেণির এবং নির্বোধ কিছু লোক আপনার কাছে এসেছে, তাই আপনি তাদের আমাদের কাছে সোপর্দ করুন। তিনি (নাজাশি) বললেন: না, যতক্ষণ না আমি তাদের কথা শুনি। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি আমাদের কাছে লোক পাঠালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন: এরা কী বলছে? তিনি (জাফর) বলেন: আমরা বললাম: এরা এমন এক জাতি যারা মূর্তিপূজা করে, আর মহান আল্লাহ আমাদের কাছে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, অতঃপর আমরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁকে সত্য বলে স্বীকার করেছি। অতঃপর নাজাশি তাদের জিজ্ঞেস করলেন: তারা কি তোমাদের ক্রীতদাস? তাদের কি তোমাদের কাছে কোনো ঋণ বা পাওনা আছে? তারা বলল: না। তিনি বললেন: তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। তিনি বলেন: অতঃপর আমরা তাঁর নিকট থেকে বেরিয়ে এলাম। তখন আমর ইবনুল আস বলল: তারা ঈসা সম্পর্কে এমন কথা বলে যা আপনি বলেন না। তিনি বললেন: তারা যদি ঈসা সম্পর্কে আমার কথার মতো না বলে, তবে আমি তাদের আমার জমিনে দিনের এক মুহূর্তের জন্যও থাকতে দেব না। এরপর তিনি আমাদের কাছে লোক পাঠালেন, আর দ্বিতীয়বারের সেই ডাকটি আমাদের জন্য প্রথমটির চেয়েও অধিক কঠিন ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমাদের সাথী মরিয়ম তনয় ঈসা সম্পর্কে কী বলেন? তিনি (জাফর) বললেন: তিনি বলেন: তিনি আল্লাহর রূহ এবং তাঁর বাণী (কালিমা), যা তিনি এক কুমারী সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অর্পণ করেছেন। তিনি লোক পাঠালেন এবং বললেন: অমুক পাদ্রী এবং অমুক সন্ন্যাসীকে আমার কাছে ডাকো। তখন তাদের কিছু লোক এল। তিনি বললেন: তোমরা মরিয়ম তনয় ঈসা সম্পর্কে কী বলো? তারা বলল: আপনি আমাদের মধ্যে অধিক জ্ঞানী, আপনি কী বলেন? নাজাশী মাটি থেকে কিছু একটা হাতে নিলেন এবং বললেন: ঈসা এই জিনিসের চেয়ে অধিক কিছু নন যা এরা বলেছে। অতঃপর তিনি তাদের বললেন: তোমাদের কি কেউ কষ্ট দেয়? তারা বলল: হ্যাঁ। তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন, সে ঘোষণা করল: যে ব্যক্তি তাদের কাউকে কষ্ট দেবে, তাকে চার দিরহাম জরিমানা করা হবে। এরপর তিনি বললেন: এটা কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট? আমরা বললাম: না। তখন তিনি তা দ্বিগুণ করে দিলেন। তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরত করলেন এবং মদিনায় আবির্ভূত হয়ে সেখানে বিজয় লাভ করলেন, তখন আমরা তাঁকে (নাজাশীকে) বললাম: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রকাশ পেয়েছেন এবং মদিনায় হিজরত করেছেন এবং যাদের সম্পর্কে আমরা আপনাকে বলেছিলাম তারা নিহত হয়েছে; আমরা এখন তাঁর কাছে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি, তাই আমাদের পাথেয় প্রদান করুন। তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি আমাদের আরোহণের ব্যবস্থা করলেন এবং পাথেয় দিলেন। তারপর বললেন: তোমাদের সাথীকে খবর দিও আমি তোমাদের সাথে কেমন আচরণ করেছি। আর এই যে আমার এই সাথী তোমাদের সাথে যাচ্ছে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং তিনি আল্লাহর রাসূল। আর তাঁকে বলো তিনি যেন আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জাফর (রা.) বলেন: অতঃপর আমরা রওনা হলাম এবং মদিনায় পৌঁছালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। এরপর তিনি বললেন: আমি জানি না আমি কি খায়বার বিজয়ে বেশি আনন্দিত, নাকি জাফরের আগমনে? আর সেই সময়টি খায়বার বিজয়ের সাথে মিলে গিয়েছিল। অতঃপর তিনি বসলেন। তখন নাজাশীর দূত বলল: এই তো জাফর, তাকে জিজ্ঞেস করুন আমাদের সাথী তার সাথে কেমন আচরণ করেছেন। জাফর (রা.) বললেন: হ্যাঁ, তিনি আমাদের সাথে এরূপ আচরণ করেছেন, আমাদের সওয়ারি দিয়েছেন, পাথেয় দিয়েছেন এবং তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আপনি আল্লাহর রাসূল। আর তিনি বলেছেন: তাকে বলো তিনি যেন আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং ওযু করলেন। অতঃপর তিনবার দোয়া করলেন: হে আল্লাহ, আপনি নাজাশীকে ক্ষমা করে দিন। মুসলমানরা বললেন: আমীন। জাফর (রা.) বলেন: অতঃপর আমি সেই দূতকে বললাম: আপনি যান এবং আপনার সাথীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা দেখলেন তা অবহিত করুন।

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦١)
ورواه جماعة عن محمد بن إسحاق بلفظٍ غير هذا، وأسندوه عن أم سلمة، عن جعفر رضي الله عنه.

مولد (شيخنا أبي العباس) سنة خمسٍ وسبعين وخمس مئة، وتوفي يوم الاثنين تاسع رجب سنة ثمانٍ وستين وستماية، رحمه الله، ودفن بجبل قاسيون (بمقبرة الشيخ أبي عمر، قدس الله روحه)) .

الشيخ السادس والثلاثون

أخبرنا الشيخ نجيب الدين فراس بن علي بن زيد العسقلاني، بقراءتي عليه بمصر، أخبرك أبو طاهر، بركات بن إبراهيم بن بركات بن طاهر القرشي، الخشوعي، قراءةً عليه وأنت تسمع يوم الأحد الثامن والعشرين من رجب سنة ست وتسعين وخمسماية بدمشق، أخبرنا أبو محمد، هبة الله بن أحمد بن محمد بن الأكفاني، أخبرنا الحافظ أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب البغدادي،
একদল বর্ণনাকারী এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে এই শব্দের ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা এটি উম্মে সালামাহ থেকে, জাফর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(আমাদের শাইখ আবুল আব্বাস)-এর জন্ম পাঁচশ পঁচাত্তর হিজরি সালে, এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন ছয়শ আটষট্টি হিজরি সালের নয়ই রজব সোমবার, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। তাঁকে কাসিউন পাহাড়ে (শাইখ আবু উমরের কবরস্থানে, আল্লাহ তাঁর রুহকে পবিত্র করুন) দাফন করা হয়েছে।

ছত্রিশতম শাইখ

শাইখ নাজিবুদ্দিন ফিরাস ইবনে আলী ইবনে যাইদ আল-আসকালানি মিশরে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; (তিনি বলেছেন) আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম ইবনে বারাকাত ইবনে তাহির আল-কুরাশি আল-খুশুয়ি পাঁচশ ছিয়ানব্বই হিজরি সালের আটাশশে রজব রবিবার দিমাশকে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আপনি শ্রবণ করছিলেন; (তিনি বলেছেন) আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আকফানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; (তিনি বলেছেন) হাফেজ আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খতিব আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٢)
من لفظه، في شوال سنة سبعٍ وخمسين وأربعماية، أخبرنا أبو الحسن، محمد بن أحمد بن رزق، أخبرنا أبو عمر الزاهد، محمد بن عبد الواحد، حدثنا أحمد بن زياد البزاز، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا فليح، يعني ابن سليمان، عن أبي طوالة، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة، رضي الله عنه قال:

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من تعلم علماً يبتغي به وجه الله لا يتعلمه إلا ليصيب به عرضاً من الدنيا لم يجد عرف الجنة يوم القيامة، يعني ريحها)) .

أخرجه أبو داود في ((سننه)) ، عن أبي بكر بن أبي شيبة، عن سريج بن
তাঁর নিজ মুখনিঃসৃত শব্দ থেকে, চারশত সাতান্ন হিজরী সনের শাওয়াল মাসে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিজক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আজ-জাহিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন জিয়াদ আল-বাজ্জাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুরাইজ বিন আন-নুমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুলইহ—অর্থাৎ ইবনে সুলাইমান—আবু তাওয়ালা থেকে, তিনি সাঈদ বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি এমন জ্ঞান অর্জন করল যার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা হয়, কিন্তু সে তা কেবল পার্থিব কোনো সম্পদ লাভের উদ্দেশ্যে শিক্ষা করল, সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না।" অর্থাৎ এর সুবাস।

ইমাম আবু দাউদ এটি তাঁর 'সুনান'-এ বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, তিনি সুরাইজ বিন... থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٣)
النعمان، فوقع بدلاً، وإسناده على شرط ((الصحيحين)) ، وإن كان قليج قد تكلم فيه يحيى بن سعيد، وأبو حاتم، والنسائي، فهو كلام غير مبين السبب. وقد أخرج حديثه البخاري، ومسلم محتجين به. فهذا الحديث حديث حسن.

وأبو طوالة: بفتح الطاء المهملة، وضمها: عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر الأنصاري، البخاري، المدني.

وأخبرنا فراس بقراءتي عليه، أخبركم أبو طاهر، أخبرنا أبو محمد، هبة الله، أخبرنا الحافظ أبو بكر البغدادي، أخبرني علي بن عبد الرحمن بن محمد بن أحمد بن محمد بن فضالة الحافظ النيسابوري، أخبرنا أبو أحمد الغطريفي، حدثنا أبو سعيد الحسن بن أحمد بن سعدويه العبدي، بالبصرة، قال:

قال سهل بن عبد الله: ((الدنيا جهل وموات إلا العلم، والعلم كله حجة إلا العمل به. والعمل كله هباء إلا الإخلاص، والإخلاص على خطرٍ عظيم حتى يختم به)) .
নুমান, ফলে এটি 'বদল' হিসেবে গণ্য হয়েছে। এর সনদ 'সহীহাইনের' শর্তানুযায়ী। যদিও কলীজ সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, আবু হাতিম এবং নাসায়ী সমালোচনা করেছেন, তবে সেই সমালোচনার কারণ সুস্পষ্ট নয়। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম তাদের দলীলে তাঁর হাদীস সংকলন করেছেন। অতএব, এই হাদীসটি একটি হাসান হাদীস।

আবু তাওয়ালাহ: 'ত্ব' বর্ণে ফাতহাহ অথবা দ্বম্মাহ যোগে: তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মা’মার আল-আনসারী, আল-বুখারী, আল-মাদানি।

এবং ফিরাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি, (তিনি বলেছেন) আবু তাহের আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেয আবু বকর আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ফাযালাহ আল-হাফেয আন-নাইসাবুরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আহমদ আল-গাতরীফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে সাদাওয়াইহ আল-আবদী বসরার বর্ণনায় আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

সহল ইবনে আবদুল্লাহ বলেছেন: "দুনিয়া হলো মূর্খতা ও প্রাণহীন বস্তু সদৃশ, তবে ইলম (জ্ঞান) ব্যতীত। আর সমস্ত ইলমই (বিচারের দিনে) বিপক্ষে প্রমাণ হবে, যদি না তার ওপর আমল করা হয়। আর সমস্ত আমলই ধূলিকণার ন্যায় মূল্যহীন হবে, ইখলাস (নিষ্ঠা) ব্যতীত। আর ইখলাসও মহা আশঙ্কার মধ্যে থাকে, যতক্ষণ না এর মাধ্যমেই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।"
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٤)
وأنشدني فراس بقراءتي عليه، أنشدنا بركات الخشوعي، أنشدنا أبو محمد، قال: أنشدني الحافظ أبو بكر الخطيب.

أنشدني أبو عبد الله محمد بن علي بن عبد الله الصوري لنفسه:

كم إلى كم أغدو إلى طلب العلم … مجداً في جمع ذاك حفيا

طالباً منه كل نوعٍ وفن … وغريبٍ ولست أعمل شيا

وإذا كان طالب العلم لا يعمل … بالعلم كان عبداً شقيا

إنما تنفع العلوم لمن كان … بها عاملاً وكان تقيا

وأخبرنا فراس، أخبرنا أبو طاهر، أخبرنا هبة الله، أخبرنا أبو بكر الحافظ، أخبرنا أبو القاسم عبيد الله بن محمد بن عبيد الله النجار، أخبرنا محمد بن عبيد الله بن الفضل الحبال، حدثنا محمد بن الهيثم المقري قال: أبو سعيد الجصاص، حدثنا ابن عبد المؤمن بمصر، حدثنا عبدان بن عثمان قال:

سمعت ابن المبارك رضي الله عنه يقول:

اغتنم ركعتين زلفى إلى الله … إذا كنت فارغاً مستريحا

وإذا ما هممت بالنطق بالباطل … فاجعل مكانه تسبيحا
ফিরাাস আমাকে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: বারাকাত আল-খুশুয়ী আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আমাদের আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফেজ আবু বকর আল-খাতিব আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন।

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ আস-সুরী নিজের রচিত কবিতা আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

কতকাল, আর কতকাল আমি ইলম অন্বেষণে ছুটে চলব … তা সংগ্রহে অত্যন্ত যত্নবান ও সচেষ্ট হয়ে?

আমি তার প্রতিটি প্রকার, শাখা ও বিরল বিষয়সমূহ অন্বেষণ করছি … অথচ আমি কিছুই আমল করছি না।

আর যখন ইলম অন্বেষণকারী তার ইলম অনুযায়ী আমল করে না … তখন সে এক হতভাগ্য বান্দায় পরিণত হয়।

নিশ্চয়ই ইলম কেবল তার জন্যই উপকারে আসে … যে সে অনুযায়ী আমলকারী এবং মুত্তাকী হয়।

এবং ফিরাাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিবাতুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসেম উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ আন-নাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনুল ফাযল আল-হাব্বাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হাইসাম আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আল-জাসসাস, ইবনে আবদিল মুমিন মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদান ইবনে উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি ইবনুল মুবারক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি:

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য দুই রাকাত নামাজকে গনীমত মনে করো … যখন তুমি অবসর ও ভারমুক্ত থাকো।

আর যখনই তুমি কোনো অসত্য বা অনর্থক কথা বলার সংকল্প করো … তখন তার স্থলে তাসবীহ পাঠ করো।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٥)
وأنشدنا فراس بقراءتي عليه، أنشدني بركات بن إبراهيم، أنشدني أبو محمد، أنشدنا أبو بكر الخطيب، أنشدني محمد بن سعيد بن مسعود بن ناصر السجزي، أنشدنا أبو أحمد منصور بن محمد بن عبد الله الأزدي بهراة لنفسه:

لا تحتقر ساعةً مساعدةً … تمد فيها يداً إلى طاعه

فالحي للموت والمنى خدعٌ … والأمر من ساعةٍ إلى ساعه

وأخبرنا فراس، أخبرنا أبو طاهر، أخبرنا ابن الأكفاني، أخبرنا أبو بكر الحافظ، أخبرنا أبو الحسين علي بن محمد بن عبد الله المعدل، أخبرنا الحسين بن صفوان، حدثنا عبد الله بن محمد بن أبي الدنيا.

أنشدني أبو عبد الله أحمد بن أيوب:

اغتنم في الفراغ فضل ركوع … فعسى أن يكون موتك بغته

كم صحيحٍ رأيت من غير سقمٍ … ذهبت نفسه الصحيحة فلته

الشيخ السابع والثلاثون

أخبرنا الشيخ الإمام، العالم، الأوحد، علامة زمانه، شمس الدين أبو الفرج، عبد الرحمن ابن الإمام الزاهد أبي عمر محمد بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي
ফিরাাস আমার পাঠের ভিত্তিতে তাঁর নিকট আমাদের নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছেন, বারাকাত বিন ইবরাহিম আমার নিকট পাঠ করেছেন, আবু মুহাম্মাদ আমার নিকট পাঠ করেছেন, আবু বকর আল-খাতিব আমাদের নিকট পাঠ করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন মাসউদ বিন নাসির আস-সিজজি আমার নিকট পাঠ করেছেন, আবু আহমাদ মানসুর বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আজদি হেরাতে নিজের রচিত কবিতা আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:

কোনো সাহায্যের মুহূর্তকে তুচ্ছজ্ঞান করো না … যাতে তুমি আনুগত্যের পানে হাত বাড়িয়ে দাও

কেননা জীবিতরা মৃত্যুরই যাত্রী এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো হলো মরীচিকা … আর সকল বিষয় এক মুহূর্ত হতে অন্য মুহূর্তে পরিবর্তিত হয়

এবং ফিরাাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল আকফানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফিজ আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুসাইন বিন সাফওয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ইবনে আবিদ দুনইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন আইয়ুব আমার নিকট পাঠ করেছেন:

অবসর সময়ে রুকুর ফজিলতকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করো … কারণ হতে পারে তোমার মৃত্যু আকস্মিক হবে

আমি কত সুস্থ ব্যক্তিকে দেখেছি কোনো রোগব্যাধি ছাড়াই … তার সুস্থ প্রাণটি সহসা চলে গিয়েছে

সাইত্রিশতম শাইখ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, আলিম, অনন্য ব্যক্তিত্ব, স্বীয় সময়ের আল্লামা, শামসুদ্দিন আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনুল ইমাম আয-যাহিদ আবু উমর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٦)
بقراءتي عليه، أخبركم أبو حفص، عمر بن محمد بن معمر بن طبرزد البغدادي، الدارقزي، قراءةً عليه، أخبرنا هبة الله بن محمد بن الحصين، أخبرنا أبو طالب، محمد بن محمد بن غيلان، أخبرنا أبو بكر (محمد بن) عبد الله بن محمد بن إبراهيم الشافعي، حدثنا محمد بن مسلمة الواسطي، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى.
আমার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুয়াম্মার ইবনে তাবারজাদ আল-বাগদাদী আদ-দারাকাজী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠকালে—তিনি বলেন: হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালিব মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে গাইলান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর (মুহাম্মাদ ইবনে) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ আল-ওয়াসিতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবী লায়লা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
عن صهيب رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((إذا دخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار نادى منادٍ: يا أهل الجنة إن لكم عند الله موعداً لم تروه. قالوا: وما هو؟ ألم يثقل موازيننا ويبيض وجوهنا ويدخلنا الجنة وينجينا من النار؟ قال: فيكشف الحجاب عز وجل. فينظرون إليه، فوالله ما أعطاهم شيئاً هو أحب إليهم من النظر إليه)) . ثم تلا هذه الآية: {الذين أحسنوا الحسنى وزيادةٌ} .

أخرجه الإمام أحمد، عن يزيد بن هارون، فوقع موافقةً.

وأخرجه مسلم، عن أبي بكر بن أبي شيبة، عن يزيد. فوقع بدلاً.

وبالإسناد إلى أبي بكر الشافعي، حدثنا أحمد بن عبيد الله النرسي، حدثنا يزيد، حدثنا سلام بن مسكين، عن عقيل بن طلحة.
সুহাইব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন জান্নাতিরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলবেন: হে জান্নাতবাসী! আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য এমন একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তোমরা এখনও দেখনি। তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের পাল্লাসমূহ ভারী করে দেননি, আমাদের চেহারাগুলোকে উজ্জ্বল করেননি, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? তিনি বলেন: এরপর মহান ও মহীয়ান আল্লাহ পর্দা উন্মোচন করবেন। তখন তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহর শপথ! তিনি তাদের এমন কোনো কিছু দান করেননি যা তাদের নিকট তাঁর দিকে তাকানোর চেয়ে বেশি প্রিয়।" অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন: "যারা উত্তম কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ (জান্নাত) এবং আরও অতিরিক্ত (নেয়ামত)।"

ইমাম আহমাদ এটি ইয়াযিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি 'মুওয়াফাকাহ' হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এবং ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি 'বাদাল' হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এবং আবু বকর আশ-শাফি'ঈ পর্যন্ত সূত্রের মাধ্যমে বর্ণিত: আহমাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আন-নারসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাল্লাম ইবনে মিসকিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উকাইল ইবনে তালহা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٨)
حدثني أبو جري، واسمه سليم بن جابر رضي الله عنه قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله إنا قومٌ من أهل البادية فعلمنا شيئاً ينفعنا الله به. فقال: ((لا تحقرن من المعروف شيئاً، ولو أن تفرغ من دلوك في إناء المستسقي، ولو أن تكلم أخاك ووجهك إليه منبسط، وإياك وتسبيل الإزار فإنه من الخيلاء، والخيلاء لا يحبها الله، وإن امرؤ سبك بما يعلم منك فلا تسبه بما تعلم منه فإن أجره لك ووباله على من قاله)) .

رواه الإمام أحمد، عن يزيد بن هارون، فوقع موافقةً.

ولد شيخنا (شمس الدين) رحمه الله في محرم سنة سبعٍ وتسعين وخمسماية، وتوفي ليلة الثلاثاء سلخ ربيع الآخر سنة اثنتين وثمانين وستماية، ودفن يوم الثلاثاء عند قبر والده بسفح جبل قاسيون، رضي الله عنه وأرضاه.

الشيخ الثامن والثلاثون

أخبرنا الإمام، العالم، الأوحد، العلامة، ذو الفنون من أنواع العلوم، عز الدين أبو محمد، عبد العزيز بن عبد السلام بن أبي القاسم السلمي، الشافعي، قراءةً عليه وأنا أسمع، سنة سبعٍ وأربعين وستماية، بالمدرسة الصالحية من القاهرة المعزية من إقليم الديار المصرية، أخبركم أبو حفص عمر بن محمد بن معمر البغدادي، قراءةً عليه، أخبرنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين، أخبرنا أبو طالب محمد بن محمد بن إبراهيم بن غيلان، أخبرنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن
আবু জুরাই (তার নাম সুলাইম ইবনে জাবির, আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুলের (আল্লাহর সালাত ও সালাম তার ওপর বর্ষিত হোক) নিকট এসে বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আমরা মরুভূমির অধিবাসী, সুতরাং আমাদের এমন কিছু শেখান যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের উপকৃত করবেন। তিনি বললেন: "তুমি ভালো কাজের কোনো কিছুকেই তুচ্ছ জ্ঞান করো না, হোক তা তোমার বালতি থেকে পিপাসার্তের পাত্রে পানি ঢেলে দেওয়া, অথবা তোমার ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা বলা। আর পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে পরা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা অহংকারের অন্তর্ভুক্ত, আর আল্লাহ অহংকার পছন্দ করেন না। যদি কোনো ব্যক্তি তোমাকে এমন কিছু দিয়ে গালি দেয় যা সে তোমার সম্পর্কে জানে, তবে তুমি তাকে তার সম্পর্কে যা জানো তা দিয়ে গালি দিও না। কারণ এর সওয়াব তোমার জন্য থাকবে আর এর মন্দ পরিণতি যে তা বলেছে তার ওপর বর্তাবে।"

ইমাম আহমাদ এটি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি উচ্চতর সনদে মিলে গেছে (মুওয়াফাকাহ)।

আমাদের শাইখ (শামসুদ্দিন), আল্লাহ তার ওপর রহম করুন, পাঁচশত সাতানব্বই হিজরির মহররম মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ছয়শত বিরাশি হিজরির রবিউস সানি মাসের শেষ রাতে মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেন। তাকে মঙ্গলবার কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে তার পিতার কবরের পাশে দাফন করা হয়, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাকে সন্তুষ্ট করুন।

আটত্রিশতম শাইখ

ইমাম, আলিম, অদ্বিতীয়, আল্লামা, বহুবিদ শাস্ত্রের পণ্ডিত, ইজ্জুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে আবিল কাসিম আস-সুলামি আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—ছয়শত সাতচল্লিশ হিজরি সনে, মিশরের কায়রোর আল-মুইয্যিয়াহর সালিহিয়্যাহ মাদরাসায়। আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুয়াম্মার আল-বাগদাদি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার সামনে এটি পাঠ করার সময়—তিনি বলেছেন: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে গাইলান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٦٩)
إبراهيم الشافعي، حدثنا أبو عمران موسى بن سهل، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عباد بن منصور، عن عكرمة.

عن ابن عباس رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((خير يوم يحتجم فيه يوم سبع عشرة وتسع عشرة وأحدٍ وعشرين، وما مررت بملأ من الملائكة ليلة أسري بي إلا قالوا: (عليك) بالحجامة يا محمد)) .

رواه الإمام أحمد، عن يزيد بن هارون، فوقع موافقة.

وبالإسناد إلى موسى بن سهل قال: حدثنا يزيد بن هارون، أخرجنا حجاج بن أبي زينب.

قال: سمعت أبا عثمان النهدي، يحدث عن أبي هريرة رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((لما خلق (الله) السماوات والأرض خلق مئة رحمة كل رحمةٍ
ইবরাহীম আশ-শাফিঈ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান মুসা বিন সাহল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাদ বিন মানসুর, ইকরামা থেকে।

ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((শিঙা (হিজামা) লাগানোর সর্বোত্তম দিন হলো সতেরো, উনিশ এবং একুশ তারিখ। আর মিরাজের রাতে আমি ফেরেশতাদের যে দলের পাশ দিয়েই অতিক্রম করেছি, তারা সকলেই বলেছে: হে মুহাম্মদ! আপনি হিজামা গ্রহণ করুন))।

এটি ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে, ফলে এটি মুওয়াফাকাহ (একই সূত্রে মিলন) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এবং মুসা বিন সাহল পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের সামনে পেশ করেছেন হাজ্জাজ বিন আবি যায়নাব।

তিনি বলেন: আমি আবু উসমান আন-নাহদীকে আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যখন আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি একশত রহমত সৃষ্টি করলেন, যার প্রতিটি রহমত...))
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧٠)
طباقها، فقسم رحمةً منها بين جميع الخلائق فيها يتعاطفون، فإذا كان يوم القيامة رد هذه الرحمة على تلك التسعة وتسعين فأكملها مئة يرحم بها عباده يوم القيامة)) .

رواه البخاري، عن أبي اليمان، عن شعيب.

ورواه مسلم، عن حرملة، عن ابن وهب، عن يونس، كلاهما عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، فتعلو روايتنا على رواية يونس بثلاثة أنفس، فكأن شيخنا سمعه من الجلودي، وبينه وبين مسلم واحد.

توفي شيخنا الإمام عز الدين ابن عبد السلام يوم السبت عاشر جمادى الأولى سنة ستين وستماية بالقاهرة، (ودفن بسفح المقطم رحمه الله) .

الشيخ التاسع والثلاثون

أخبرنا الشيخ الإمام، العالم، الحافظ، أبو البقاء، خالد بن يوسف بن سعد النابلسي، قراءةً عليه وأنا أسمع، أخبركم الشيخ أبو حفص، عمر بن محمد بن معمر المؤدب، أخبرنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين، أخبرنا أبو طالب محمد بن محمد بن غيلان، أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الله
এর স্তরসমূহ, অতঃপর তিনি তার মধ্য হতে একটি রহমত সকল সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করে দিলেন যার মাধ্যমে তারা একে অপরের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে; আর যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, তখন তিনি এই রহমতকে সেই নিরানব্বইটির সাথে ফিরিয়ে দিয়ে একে একশত পূর্ণ করবেন যার মাধ্যমে তিনি কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন।

এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে।

এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন হারমালা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে; তাঁরা উভয়েই যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। সুতরাং আমাদের বর্ণনাটি ইউনুসের বর্ণনার চেয়ে তিন ব্যক্তির মাধ্যমে উচ্চ স্তরে রয়েছে, যেন আমাদের শায়খ এটি জালুদি থেকে শুনেছেন এবং তাঁর ও মুসলিমের মাঝে মাত্র একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন।

আমাদের শায়খ ইমাম ইজ্জুদ্দিন ইবনে আবদুস সালাম ৬৬০ হিজরির দশই জুমাদাল উলা রোজ শনিবার কায়রোতে ইন্তেকাল করেন, (তাঁকে মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে দাফন করা হয়, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)।

উনচল্লিশতম শায়খ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম, আলিম, হাফিজ আবু আল-বাকা খালিদ ইবনে ইউসুফ ইবনে সাদ আন-নাবুলুসি, তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেছেন: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা’মার আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গাইলান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧١)
الشافعي، حدثنا أحمد بن عبيد الله -هو ابن إدريس- حدثنا يزيد، أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة.

عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد، مسجدي، والمسجد الحرام، والمسجد الأقصى)) .

أخرجه الإمام أحمد عن يزيد بن هارون، فوقع موافقة.

وأخبرنا أبو البقاء، قراءةً عليه، أخبرنا عمر البغدادي، أخبرنا أبو القاسم، أخبرنا أبو طالب، أخبرنا أبو بكر الشافعي، حدثنا إسحاق بن الحسن، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان بن عبد الرحمن، عن قتادة.

عن أنس رضي الله عنه قال: (دعي) النبي صلى الله عليه وسلم إلى خبز الشعير وإهالة سبخة، ولقد سمعته ثلاث مرات يقول: ((والذي نفس محمد بيده ما أصبح عند آل محمدٍ صاع حب ولا صاع تمر)) . وإن له صلى الله عليه وسلم ((يومئذ تسع نسوة، ولقد رهن يومئذٍ درعاً له عند يهودي أخذ منه طعاماً ما وجد ما يفتكه)) .

أخرجه الإمام أحمد، عن الحسن بن موسى، فوقع موافقة.

الشيخ الأربعون

أخبرنا الشيخ الجليل، الأصيل، أبو الغنائم، مسلم بن محمد بن مسلم القيسي
শাফেঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ—তিনি হলেন ইবনে ইদরিস—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আমর, তিনি আবু সালামাহ থেকে।

আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) সফর করা যাবে না: আমার এই মসজিদ, মাসজিদুল হারাম এবং মাসজিদুল আকসা।”

ইমাম আহমাদ এটি ইয়াযীদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি ‘মুয়াফাকাহ’ (সনদের ঐক্য) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল বাকা—তাঁকে পাঠ করে শুনানো হয়েছে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর আল-বাগদাদী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শাফেঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনুল হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইবান ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি কাতাদাহ থেকে।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যবের রুটি এবং পুরনো চর্বির খাবারের দাওয়াত দেয়া হয়েছিল। আমি তাকে তিনবার বলতে শুনেছি: “সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, মুহাম্মাদের পরিবারের কাছে আজ সকালে এক সা‘ খাদ্যশস্য বা এক সা‘ খেজুরও ছিল না।” অথচ সেদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তিনি সেদিন জনৈক ইয়াহুদীর কাছে তাঁর একটি বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন কিছু খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের বিনিময়ে, যা ছাড়িয়ে নেয়ার মতো কোনো সম্পদ তিনি পাননি।

ইমাম আহমাদ এটি হাসান ইবনে মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি ‘মুয়াফাকাহ’ (সনদের ঐক্য) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

চল্লিশতম শাইখ

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান, সুজাত শাইখ আবুল গানায়িম মুসলিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম আল-কায়সী।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧٢)
قراءةً عليه، أخبركم الإمام العلامة، رئيس القراء، والرؤساء، أبو اليمن زيد بن الحسن بن زيد الكندي، البغدادي، قراءةً عليه، أخبرنا أبو منصور عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد بن الحسن بن زريق القزاز الشيباني، البغدادي، قراءةً عليه وأنا أسمع، أخبرنا الحافظ أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب، أخبرنا أبو القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله الحرفي، أخبرنا حمزة بن محمد الدهقان، حدثنا محمد بن عيسى بن حيان المدائني، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سالم.

عن أبيه رضي الله عنه قال: ((رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين يفتتح الصلاة يرفع يديه حتى تحاذي منكبيه، وإذا أراد أن يركع وبعد ما يرفع من الركوع، ولا يرفع بين السجدتين)) .

أخرجه مسلم، عن يحيى بن يحيى.
তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; ইমাম, আল্লামা, ক্বারী ও নেতৃবৃন্দের প্রধান, আবু আল-ইয়ামান যায়েদ বিন হাসান বিন যায়েদ আল-কিন্দি আল-বাগদাদী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন হাসান বিন যুরাইক আল-কাযযায আশ-শাইবানী আল-বাগদাদী তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমি তা শুনছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিয আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খাতিব; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ আল-হারফী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযা বিন মুহাম্মাদ আদ-দেহকান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন হাইয়ান আল-মাদায়েনী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ, যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে।

তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ((আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর হাত দুটি কাঁধ বরাবর উঠাতেন; আর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর (হাত উঠাতেন); তবে তিনি দুই সিজদার মাঝে হাত উঠাতেন না))।

ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧٣)
وأبو داود، عن الإمام أحمد بن محمد بن حنبل.

وأخرجه النسائي، عن قتيبة.

وابن ماجه، عن هشام بن عمار.

كلهم عن سفيان بن عيينة. فوقع بدلاً لأربعتهم.

وأخرجه أيضاً أبو داود، عن محمد بن مصفى، عن بقية، عن الزبيدي.

وأخرجه أيضاً النسائي، عن سويد بن نصر، عن ابن المبارك، عن يونس، كلاهما عن الزهري، فعلا برجلين، والله أعلم.

وأخبرنا أبو الغنائم، أخبرنا أبو اليمن، أخبرنا أبو منصور، أخبرنا الحافظ أبو بكر، أخبرنا أبو القاسم عبيد الله بن محمد بن عبيد الله النجار، أخبرنا عبيد الله بن محمد بن سليمان بن بابويه بن فهرويه المخزومي، حدثنا أبي محمد بن سليمان، حدثنا أبو الفضل الربيع بن ثعلب، عن محمد بن زياد اليشكري، عن ميمون بن مهران.
আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল থেকে।

আর আন-নাসায়ী এটি কুতায়বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ হিশাম বিন আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা সকলেই সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁদের চারজনের জন্য 'বাদাল' (স্থলাভিষিক্ত সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে।

আবু দাউদ এটি মুহাম্মাদ বিন মুসাফ্ফা থেকে, তিনি বাকিয়্যাহ থেকে এবং তিনি যুবায়দী থেকেও বর্ণনা করেছেন।

আন-নাসায়ী এটি সুওয়ায়দ বিন নাসর থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে এবং তিনি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই আয-যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি দুইজন ব্যক্তির মাধ্যমে উচ্চতর সনদে পরিণত হয়েছে, আর আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-গানায়িম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ইয়ামান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাফিজ আবু বকর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ আন-নাজ্জার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান বিন বাবওয়াইহ বিন ফাহরাওয়াইহ আল-মাখযূমী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফাদল আর-রাবী বিন সা’লাব, তিনি মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আল-ইয়াশকারী থেকে এবং তিনি মায়মুন বিন মিহরান থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧٤)
عن علي رضي الله عنه قال: ((النساء أربع: القرثع، والوعوع، وغل لا ينزع، وجامعة تجمع. فأما القرثع فالسمحة، وأما الوعوع فالسخابة، وأما الغل الذي لا ينزع، فالمرأة السوء للرجل منها أولاد لا يدري كيف يتخلص. وأما الجامعة التي تجمع، فهي التي تجمع الشمل وتلم الشعث)) .

وأخبرنا أبو الغنائم، أخبرنا أبو اليمن، أخبرنا القزاز، أخبرنا الخطيب، حدثنا عبد العزيز بن الحسن القرميسيني، حدثنا علي بن عبد الله بن جهضم، حدثنا عبيد الله بن محمد العيشي قال: ((سمعت الجياني يقول: النقباء ثلاثمئة، والنجباء سبعون، والبدلاء أربعون، والأخيار سبعة، والعمد أربعة، والغوث واحد. فمسكن النقباء: الغرب، ومسكن النجباء: مصر، ومسكن الأبدال: الشام. والأخيار سياحون في الأرض، والعمد في زوايا الأرض، ومسكن الغوث مكة. فإذا عرضت الحاجة من أمر العامة ابتهل فيها النقباء، ثم النجباء، ثم الأبدال، ثم الأخيار، ثم العمد، فإن أجبيوا وإلا ابتهل الغوث فلا تتم مسألته حتى تجاب دعوته)) .

وبالإسناد إلى الخطيب قال: أنشدنا الطاهري والشروطي -يعني علي بن عبد العزيز-
আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নারী চার প্রকার: আল-কুরসা‘, আল-ওয়া‘ওয়া‘, এমন বেড়ী যা খোলা যায় না, এবং একত্রিতকারিণী যে একত্রিত করে। আল-কুরসা‘ হলো সেই নারী যে দানশীলা ও সহজপ্রকৃতির। আল-ওয়া‘ওয়া‘ হলো সেই নারী যে অধিক চিৎকার-চেঁচামেচি ও উচ্চবাচ্য করে। আর এমন বেড়ী যা খোলা যায় না, সে হলো সেই মন্দ নারী যার গর্ভে পুরুষের সন্তান রয়েছে এবং সে জানে না কীভাবে তার থেকে নিষ্কৃতি পাবে। আর একত্রিতকারিণী যে একত্রিত করে, সে হলো সেই নারী যে পরিবারকে সুসংবদ্ধ করে এবং বিচ্ছিন্ন অবস্থা গুছিয়ে আনে।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-গানাইম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ইয়ামান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-খাতীব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল আযীয ইবনে আল-হাসান আল-কুরমাইসিনী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাহযাম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আইশী, তিনি বলেন: "আমি আল-জাইয়ানীকে বলতে শুনেছি: নুকাযা (প্রধানগণ) তিনশ জন, নুযাবা (উন্নত চরিত্রবানগণ) সত্তর জন, আবদাল (স্থলাভিষিক্তগণ) চল্লিশ জন, আখইয়ার (উত্তমগণ) সাত জন, উমাদ (স্তম্ভসমূহ) চার জন এবং গাওস একজন। নুকাবাদের বাসস্থান হলো মাগরিব (পশ্চিম), নুযাবাদের বাসস্থান হলো মিশর, আর আবদালদের বাসস্থান হলো শাম (সিরিয়া)। আখইয়ারগণ পৃথিবীতে পরিভ্রমণকারী, উমাদগণ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করেন এবং গাওসের বাসস্থান হলো মক্কা। যখন সাধারণ জনগণের কোনো বিষয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়, তখন নুকাবারা তাতে বিনীত প্রার্থনা করেন, এরপর নুযাবারা, এরপর আবদালরা, এরপর আখইয়াররা, এরপর উমাদরা; যদি তাদের প্রার্থনা কবুল হয় (তবে ভালো), অন্যথায় গাওস বিনীত প্রার্থনা করেন এবং তার প্রার্থনা পূর্ণ হওয়ার আগেই তার দোয়া কবুল করা হয়।"

এবং আল-খাতীব পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন আত-তাহেরী এবং আশ-শুরুতী—অর্থাৎ আলী ইবনে আব্দুল আযীয—
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু শারাফিদ দীন আল ইউনিনী (পৃষ্ঠা: ٧٥)
ومحمد بن جعفر بن علان، قالا: أنشدنا مخلد بن جعفر، قال:

أنشدنا محمد بن جرير -يعني أبا جعفر الطبري-

خلقان لا أرضى طريقهما … بطر الغنى ومذلة الفقر

فإذا غنيت للا تكن بطراً … وإذا افتقرت فتِهْ على الدهر

وبالإسناد إلى الخطيب، قال: أنشدنا محمد بن المظفر -يعني ابن السراج- أنشدنا أبو بكر أحمد بن سلمان بن الحسن النجد الفقيه.

أنشدنا هلال بن العلاء الباهلي، لنفسه:

سبيلى لسانٌ كان يعرب لفظه … فيا ليته من وقفة العرض يسلم

وما ينفع الإعراب إن لم يكن تقىً … وما ضر ذا تقوى لسانٌ معجم

وبالإسناد إلى الخطيب
এবং মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আল্লান, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন মাখলাদ ইবনে জাফর, তিনি বলেছেন:

আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জারির—অর্থাৎ আবু জাফর আত-তবারি—

দুটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এমন যার পথ আমি পছন্দ করি না … ধনবত্তার দম্ভ এবং দারিদ্র্যের লাঞ্ছনা।

অতএব যখন তুমি অভাবমুক্ত হবে তখন উদ্ধত হয়ো না … আর যখন অভাবগ্রস্ত হবে তখন মহাকালের প্রতিকূলতার ওপর অটল বা গর্বিত থেকো।

এবং খতিবের প্রতি থাকা সনদের মাধ্যমে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর—অর্থাৎ ইবনুস সাররাজ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান ইবনুল হাসান আন-নাজাদ আল-ফকিহ।

হিলাল ইবনুল আলা আল-বাহিলি নিজের রচিত কবিতা আমাদের নিকট পাঠ করেছেন:

আমার সম্বল ছিল এমন এক রসনা যা শব্দাবলিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করত … হায়! বিচারের দিন পেশ হওয়ার মুহূর্তে যদি তা মুক্তি পেত!

তাকওয়া বা খোদাভীতি না থাকলে ব্যাকরণগত বিশুদ্ধতা কী উপকারে আসবে? … আর যে মুত্তাকি, অস্পষ্ট বা জড়তাপূর্ণ ভাষা তার কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

এবং খতিবের প্রতি থাকা সনদে।