(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: -)
فضيلة ذكر الله لابن عساكر القسم: كتب السنة
الكتاب: فضيلة ذكر الله عز وجل لابن عساكر
المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ)
تحقيق: أحمد البزرة
الناشر: دار المأمون للتراث
الطبعة الأولى، 1414 هـ - 1994 م
عدد الصفحات: 40
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
ইবন আসাকির রচিত মহান আল্লাহর জিকিরের ফজিলত বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইবন আসাকির রচিত মহান আল্লাহর জিকিরের ফজিলত
লেখক: সিকাতুদ্দিন, আবু আল-কাসিম আলি বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবন আসাকির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৭১ হিজরি)
তাহকিক: আহমাদ আল-বিজরা
প্রকাশক: দারুল মামুন লিত-তুরাস
প্রথম সংস্করণ, ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী, অগ্রসর হও
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩ হিজরি
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: -)
فضيلة ذكر الله عز وجل
تأليف
الإمام الحافظ أبي القاسم علي بن الحسن بن هبة الله الشافعي
المعروف بابن عساكر
(499 هـ - 571 هـ)
صححه وخرج أحاديثه
أحمد البزرة
دار المأمون للتراث
الطبعة الأولى
1414 هـ - 1994 م
মহান আল্লাহ তাআলার জিকিরের ফজিলত
রচনা
ইমাম হাফেজ আবুল কাসেম আলী বিন হাসান বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিঈ
যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত
(৪৯৯ হিজরী - ৫৭১ হিজরী)
সম্পাদনা ও হাদিস যাচাইকরণ
আহমদ আল-বিজরা
দারুল মামুন লিত-তুরাস
প্রথম সংস্করণ
১৪১৪ হিজরী - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ১৯)
بسم الله الرحمن الرحيم
رب يسر وأعن برحمتك
حدثنا الشيخ الإمام الحافظ الثقة أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله الشافعي رضي الله عنه، إملاءً من لفظه في يوم الاثنين مستهل ذي الحجة سنة ثمان وثلاثين، قال:
1 - أنا المشايخ أبو نصر أحمد بن عبد الله بن أحمد بن رضوان وأبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين وأبو غالب أحمد بن الحسن بن أحمد بن البناء، قالوا: أخبرنا أبو محمد الحسن بن علي الجوهري، قال: أنا أبو بكر بن أحمد بن جعفر بن حمدان، قال: ثنا جعفر بن محمد بن الحسن الفريابي، قال: ثنا أمية بن بسطام، قال: ثنا يزيد بن زريع، قال: ثنا
⦗ص: 20⦘ روح بن القاسم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في طريق مكة، فمر على جبل يقال له: جمدان. فقال: ((سيروا هذا جمدان، سبق المفردون)). فقالوا: يا رسول الله، ومن المفردون؟ قال: ((الذاكرون الله كثيراً والذاكرات)).
أخرجه مسلم في صحيحه عن أمية.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
হে আমার প্রতিপালক, সহজ করে দিন এবং আপনার রহমতের মাধ্যমে সাহায্য করুন
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নির্ভরযোগ্য হাফেজ ইমাম শায়খ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ী (রাযিয়াল্লাহু আনহু), পাঁচশত আটত্রিশ হিজরি সনের যিলহজ মাসের শুরুতে সোমবার তাঁর নিজ মুখে উচ্চারিত শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তিনি বলেন:
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু নাসর আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে রিদওয়ান, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন এবং আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনুল বান্না। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-ফারইয়াবী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইয়া ইবনে বিসতাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে যুরাই। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ রূহ ইবনুল কাসিম, আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার পথে ছিলেন। তিনি ‘জুমদান’ নামক একটি পাহাড় অতিক্রম করার সময় বললেন: “তোমরা চলতে থাকো, এটি জুমদান। মুফারিদুনরা অগ্রগামী হয়ে গেছেন।” তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, মুফারিদুন কারা? তিনি বললেন: “আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ এবং অধিক স্মরণকারী নারীগণ।”
ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে এটি উমাইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২০)
2 - أخبرنا الشيخ أبو بكر محمد بن الحسين بن علي بن الحاجي، قال: ثنا أبو الحسين محمد بن
⦗ص: 21⦘ علي بن محمد الهاشمي. وأخبرنا الشيخ أبو القاسم إسماعيل بن أحمد بن عمر، قال: أخبرنا أبو الحسين أحمد بن محمد بن النقور، قالا: أخبرنا عيسى بن علي بن محمد الهاشمي، ثنا عبد الله بن محمد البغوي، قال: ثنا خلف بن هشام البزار، قال: ثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن الأغر أبي مسلم قال: أشهد على أبي سعيد وأبي هريرة رضي الله عنهما أنهما شهدا على رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((ما جلس قوم يذكرون الله إلا حفّت بهم الملائكة ونزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وذكرهم الله فيمن عنده))
⦗ص: 22⦘ رواه مسلم عن زهير، عن ابن مهدي، عن شعبة، عن أبي إسحاق.
২ - শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী ইবনুল হাজী আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং শায়খ আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুন নাকূর আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ঈসা ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালাফ ইবনে হিশাম আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, আল-আগার আবু মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু সাঈদ এবং আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তাঁরা উভয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে তিনি বলেছেন: ((যখনই কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর যিকির করার জন্য উপবেশন করে, তখনই ফেরেশতারা তাদের বেষ্টন করে নেয়, তাদের ওপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়, রহমত তাদের আচ্ছন্ন করে নেয় এবং আল্লাহ তাঁর নিকট যারা আছেন তাদের নিকট তাদের কথা উল্লেখ করেন।))
⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ ইমাম মুসলিম এটি যুহাইর থেকে, তিনি ইবনে মাহদী থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে এবং তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২২)
3 - أخبرنا الشيخ أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد الشيباني، قال: أنا أبو طالب محمد بن محمد بن إبراهيم بن غيلان، قال: ثنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن إبراهيم البزاز، قال: حدثني أبو إسماعيل الترمذي وهو محمد بن إسماعيل، قال: ثنا مخلد بن مالك أبو محمد الحراني، قال: ثنا أبو عمر حفص بن ميسرة، قال: ثنا زيد بن أسلم، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: ((يقول الله تعالى: أنا عند ظن عبدي، يعني بي، وأنا معه حين يذكرني والله أفرح بتوبة
⦗ص: 23⦘ أحدكم من الرجل يجد ضالته بالفلاة، ومن تقرب مني شبراً تقربت منه ذراعاً وإن جاءني يمشي أتيته أهرول)).
رواه مسلم عن قتيبة بن سعيد، عن جرير (1).
--------------------------------------------
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শায়বানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন গায়লান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহীম আল-বাযযায, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাঈল আত-তিরমিযী—আর তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল—তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাখলাদ বিন মালিক আবু মুহাম্মাদ আল-হাররানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমর হাফস বিন মায়সারা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যায়দ বিন আসলাম, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((আল্লাহ তাআলা বলেন: আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা পোষণ করে আমি তেমনই, অর্থাৎ আমার ব্যাপারে; আর সে যখন আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথে থাকি। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ তোমাদের কারো তওবায়
⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ সেই ব্যক্তির চেয়েও বেশি আনন্দিত হন যে জনশূন্য প্রান্তরে তার হারিয়ে যাওয়া বাহন খুঁজে পায়। আর যে ব্যক্তি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ নিকটবর্তী হয়, আমি তার দিকে এক হাত পরিমাণ নিকটবর্তী হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, তবে আমি তার দিকে দৌড়ে আসি।))
মুসলিম এটি কুতায়বা বিন সাঈদ থেকে, তিনি জারীর থেকে বর্ণনা করেছেন (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২৪)
4 - أخبرنا المشايخ أبو الفضل أحمد بن الحسن بن هبة الله المقرئ وأبو منصور علي بن علي بن عبيد الله بن سكينة وأبو القاسم إسماعيل بن أحمد بن عمر بن السمرقندي قالوا: أخبرنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن عبد الله الخطيب، قال: أخبرنا عبيد الله بن محمد بن إسحاق المتوثي، قال: ثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز، قال: ثنا علي بن الجعد، قال: ثنا إسماعيل بن عياش، قال: حدثني عمرو بن قيس السكوني، عن عبد الله بن بسر المازني رضي الله عنهما، قال: جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، أي الناس خير؟ قال: ((طوبى لمن طال عمره وحسن عمله)). قال: يا رسول الله، أي الأعمال أفضل؟ قال: ((أن تفارق الدنيا ولسانك رطبٌ من ذكر الله تعالى)).
⦗ص: 25⦘ أخرجه أبو عيسى الترمذي عن أبي كريب الهمداني، عن زيد بن الحباب، عن معاوية بن صالح، عن عمرو بن قيس، وقال: حسن غريب.
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খগণ—আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-মুকরি, আবু মানসুর আলি ইবনে আলি ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে সাকিনাহ এবং আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর ইবনে আস-সামারকান্দি; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-খতিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মুতাওয়াসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আল-জাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আইয়াশ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে কায়স আস-সাকুনি, আবদুল্লাহ ইবনে বুসর আল-মাজিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, মানুষের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ? তিনি বললেন: "সুসংবাদ তার জন্য, যার বয়স দীর্ঘ হয়েছে এবং যার আমল সুন্দর হয়েছে।" তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসুল, কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: "তুমি দুনিয়া থেকে এমন অবস্থায় বিদায় নেবে যে, তোমার জিহ্বা আল্লাহ তাআলার জিকিরে সিক্ত থাকবে।"
⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ এটি বর্ণনা করেছেন আবু ঈসা আত-তিরমিজি, আবু কুরাইব আল-হামদানি থেকে, তিনি যায়িদ ইবনুল হুবাব থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি আমর ইবনে কায়স থেকে; এবং তিনি বলেছেন: এটি হাসান গরিব।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২৬)
5 - أخبرنا الشيخان أبو البركات عبد الوهاب بن المبارك بن أحمد بن الحسن البندار وأبو القاسم إسماعيل بن أحمد الحافظان ببغداد، قالا: أخبرنا أبو الحسين أحمد بن محمد بن أحمد البزاز، قال: أنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن بن العباس الذهبي، قال: أنا أبو حامد محمد بن هارون بن عبد الله الحضرمي، قال: ثنا عبد الرحمن بن واقد الواقدي، قال: ثنا سفيان بن عيينة، عن منصور، عن ربعي، عن حذيفة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم -زاد إسماعيل فقال: قال الله عز وجل: ((من شغله ذكري عن مسألتي أعطيته قبل أن يسلني)).
⦗ص: 27⦘ هذا حديث غريب تفرد به أبو مسلم الواقدي عن ابن عيينة هكذا.
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু বারাকাত আব্দুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-বিনদার এবং আবুল কাসেম ইসমাইল বিন আহমদ, তাঁরা উভয়েই বাগদাদের হাফেজ। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-বাযযায। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস আজ-জাহাবি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন হারুন বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন ওয়াকিদ আল-ওয়াকিদি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, মানসুরের সূত্রে, তিনি রিবঈর সূত্রে, তিনি হুজাইফা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—ইসমাইল অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: "যে ব্যক্তিকে আমার স্মরণ আমার নিকট প্রার্থনা করা থেকে নিবিষ্ট রাখে, আমি তাকে সে প্রার্থনা করার আগেই দান করি।"
⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ এটি একটি গরিব হাদিস, আবু মুসলিম আল-ওয়াকিদি ইবনে উয়াইনা থেকে এককভাবে এটি এভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২৭)
6 - أخبرنا الشيخ أبو القاسم إسماعيل بن أحمد، قال: أنا أبو الحسين بن النقور، قال: ثنا أبو القاسم عيسى بن علي الوزير، قال: ثنا القاضي أبو القاسم بدر بن الهيثم، قال: ثنا هارون بن إسحاق، قال: ثنا إبراهيم بن حمزة الزبيري،
⦗ص: 28⦘ قال: ثنا المغيرة بن عبد الرحمن المخزومي، عن زياد بن أبي زياد، عن أبي بحرية، عن أبي الدرداء، رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((ألا أنبئكم بخيار أعمالكم وأرضاها عند مليككم وأرفعها في درجاتكم؟)) قالوا: وما ذلك يا رسول الله؟ قال: ((ذكر الله تعالى)). قال معاذ بن جبل رحمه الله: ما عمل آدمي من عمل أنجى له من عذاب الله عز وجل من ذكر الله تعالى.
رواه ابن ماجه في سننه عن يعقوب بن حميد بن كاسب، عن المغيرة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن سعيد بن أبي هند، عن زياد.
واسم أبي بحرية عبد الله بن قيس التراغمي.
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন বিন আল-নাক্কুর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী আল-ওয়াজির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বিচারক আবুল কাসিম বদর বিন আল-হাইসাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হারুন বিন ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন হামজা আল-জুবাইরি,
⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-মুগিরা বিন আব্দুর রহমান আল-মাখজুমি, তিনি জিয়াদ বিন আবি জিয়াদ থেকে, তিনি আবু বাহরিয়া থেকে, তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((আমি কি তোমাদের তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম, তোমাদের মালিকের নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় এবং তোমাদের মর্যাদায় যা সর্বোচ্চ, সে সম্পর্কে সংবাদ দেব না?)) তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, সেটি কী? তিনি বললেন: ((আল্লাহ তাআলার জিকির))। মুয়াজ বিন জাবাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: আদমের সন্তান এমন কোনো আমল করে না যা আল্লাহ তাআলার জিকিরের চেয়ে মহান আল্লাহর আজাব থেকে অধিক মুক্তিদানকারী হতে পারে।
এটি ইবনে মাজাহ তার 'সুনান' গ্রন্থে ইয়াকুব বিন হুমাইদ বিন কাসিব থেকে, তিনি আল-মুগিরা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি জিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর আবু বাহরিয়ার নাম হলো আব্দুল্লাহ বিন কাইস আল-তারাগমি।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ২৯)
7 - أخبرنا الشيخ أبو العز أحمد بن عبيد الله بن محمد العديني، قال: أنا أبو محمد الحسن بن علي الجوهري، قال: أنا أبو الحسن علي بن محمد بن أحمد بن لؤلؤ، قال: أنا أبو حفص عمر بن أيوب السقطي، قال: ثنا أبو عمر القطيعي وهو إسماعيل بن إبراهيم، قال: ثنا الحكم بن ظهير، قال: ثنا علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه رضي الله عنه، قال: لما نزلت {والذين يكنزون الذهب والفضة .... } الآية. قال أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما للكنز اليوم؟ قال: فقال رجل من القوم: يا رسول الله نزل اليوم في الكنز ما نزل فماذا نكنز؟ قال: ((لساناً
⦗ص: 30⦘ ذاكراً وقلباً صادقاً وجسداً على البلاء صابراً)).
هذا حديث حسن غريب وفي رواية أخرى: ((وقلباً شاكراً)).
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আল-ইযয আহমদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-উদাইনী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন লুলু, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন আইয়ুব আস-সাকাতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর আল-কাতীঈ, আর তিনি হলেন ইসমাইল বিন ইবরাহীম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম বিন যাহীর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলকামা বিন মারসাদ, সুলাইমান বিন বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {এবং যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জীভূত করে...}। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বললেন: আজ সম্পদ পুঞ্জীভূত করার বিষয়টি কেমন হবে? বর্ণনাকারী বলেন: তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আজ সম্পদ পুঞ্জীভূত করার ব্যাপারে যা অবতীর্ণ হওয়ার তা হয়েছে, তবে আমরা কী সঞ্চয় বা পুঞ্জীভূত করব? তিনি বললেন: ((আল্লাহর যিকিরকারী একটি জিহ্বা,
⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ একটি সত্যবাদী অন্তর এবং বিপদে ধৈর্যশীল একটি শরীর))।
এই হাদীসটি হাসান গরীব এবং অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে: ((এবং একটি কৃতজ্ঞ অন্তর))।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০)
8 - أخبرنا الشيخ أبو القاسم زاهر بن طاهر بن محمد الشحامي بنيسابور، قال: أنا أبو محمد محمد
⦗ص: 31⦘ ابن عبد الرحمن بن محمد الفقيه، قال: أنا أبو بكر محمد بن محمد بن أحمد الطرازي، قال: أنا أبو بكر محمد بن غيلان السوسي ببغداد، قال: ثنا أبو جعفر محمد بن يزيد، وكان من العباد، قال: ثنا يحيى بن سليم الطائفي، قال: ثنا عمران بن مسلم القصير، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((ذاكر الله في الغافلين كالذي يقاتل عن الفارين، وذاكر الله في الغافلين كالمصباح في البيت المظلم، وذاكر الله في الغافلين كمثل الشجرة الخضراء وسط الشجر، وذاكر الله في الغافلين يعرفه الله مقعده من الجنة، وذاكر الله في الغافلين يستغفر له كل فصيح وأعجمي)) والفصيح بنو آدم والأعجمي البهائم
⦗ص: 32⦘ هذا حديث غريب.
৮ - নিসাবুরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আল-কাসিম যাহির বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আশ-শাহামি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মদ মুহাম্মদ
⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আত-তিরাজি, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন গায়লান আস-সুসি বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ—যিনি ইবাদতগুজারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সুলিম আত-তায়েফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান বিন মুসলিম আল-কাসির, আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "অমনোযোগীদের মাঝে আল্লাহকে স্মরণকারী ব্যক্তি পলায়নকারীদের পক্ষ থেকে লড়াইকারী ব্যক্তির মতো, এবং অমনোযোগীদের মাঝে আল্লাহকে স্মরণকারী ব্যক্তি অন্ধকার ঘরে প্রদীপের মতো, এবং অমনোযোগীদের মাঝে আল্লাহকে স্মরণকারী ব্যক্তি বৃক্ষরাজির মাঝে সবুজ সতেজ বৃক্ষের মতো, এবং অমনোযোগীদের মাঝে আল্লাহকে স্মরণকারী ব্যক্তিকে আল্লাহ জান্নাতে তার স্থান চিনিয়ে দেন, এবং অমনোযোগীদের মাঝে আল্লাহকে স্মরণকারী ব্যক্তির জন্য প্রত্যেক বাকশক্তি সম্পন্ন ও বাকশক্তিহীন সৃষ্টি ক্ষমা প্রার্থনা করে।" আর বাকশক্তি সম্পন্ন (ফাসিহ) হলো আদম সন্তান এবং বাকশক্তিহীন (আজামি) হলো চতুষ্পদ জন্তু।
⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ এটি একটি গারিব হাদিস।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩২)
9 - أخبرنا الشيخ أبو القاسم ابن السمرقندي، قال: أنا أبو الحسن بن النقور، قال: ثنا عيسى بن علي الوزير، قال: قرئ على القاضي أبي القاسم ⦗ص: 33⦘ بدر بن الهيثم وأنا أسمع قيل له: حدثكم أبو كريب محمد بن العلاء الهمداني، قال: ثنا أبو معاوية، قال: ثنا عمر بن راشد، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((سبق المفردون)) قالوا: يا رسول الله وما المفردون؟ قال: ((المستهترون في ذكر الله عز وجل يضع الذكر أثقالاً فيأتون يوم القيامة خفافاً)).
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল কাসিম ইবনুস সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আন-নাকূর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন আলী আল-ওয়াযির, তিনি বলেন: কাযী আবুল কাসিম ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ বদর বিন আল-হাইসামের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তখন শুনছিলাম, তাকে বলা হয়েছে: আপনাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব মুহাম্মাদ বিন আল-আলা আল-হামদানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুআবিয়াহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন রাশিদ, ইয়াহইয়া বিন আবী কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মুফাররিদুনগণ অগ্রগামী হয়ে গেছেন।" তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! মুফাররিদুন কারা? তিনি বললেন: "যারা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর যিকিরে অত্যধিক মগ্ন থাকে; যিকির তাদের পাপের বোঝাগুলো নামিয়ে দেয়, ফলে তারা কিয়ামতের দিন হালকা হয়ে উপস্থিত হবে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
10 - أخبرنا الشيخ أبو عبد الله الحسين بن عبد الملك بن الحسين الخلال بأصبهان، قال: أنا أبو طاهر أحمد بن محمود بن أحمد الثقفي، قال: أنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن المقرئ قال: ثنا علان: علي بن أحمد بن سليمان المصري، قال: ثنا محمد بن سلمة المرادي، قال: ثنا ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن دراج أبي السمح، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((قال الله عز وجل: سيعلم أهل الجمع اليوم من أهل الكرم)). قيل: يا رسول الله: ومن أهل الكرم؟ قال: ((مجالس الذكر في المساجد)).
⦗ص: 35⦘ اسم أبي الهيثم سليمان بن عمرو بن عبد العتواري، واسم أبي سعيد سعد بن مالك بن سنان والحديث غريب.
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন আল-খাল্লাল আস্পাহানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আহমদ বিন মাহমুদ বিন আহমদ আস-সাকাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল্লান: আলী বিন আহমদ বিন সুলাইমান আল-মিসরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সালামাহ আল-মুরাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল ওয়াহাব, আমর বিন আল-হারিস থেকে, তিনি দাররাজ আবুস সামহ থেকে, তিনি আবুল হাইসাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: হাশরের ময়দানে সমবেত ব্যক্তিগণ আজ জানতে পারবে কারা উচ্চ মর্যাদার অধিকারী।” জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, উচ্চ মর্যাদার অধিকারী কারা? তিনি বললেন: “মসজিদসমূহের যিকিরের মজলিসসমূহ।”
⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ আবুল হাইসামের নাম সুলাইমান বিন আমর বিন আবদ আল-আতাওয়ারি, এবং আবু সাঈদের নাম সা’দ বিন মালিক বিন সিনান; আর এই হাদিসটি গরিব।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
11 - أخبرنا الشيخ أبو منصور عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد بن زريق ببغداد، قال: ثنا القاضي أبو الحسين محمد بن علي بن محمد بن المهتدي بالله، قال: ثنا أبو بكر محمد بن يوسف بن محمد بن دوست العلاف إملاء، قال: ثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، قال: ثنا أبو بكر بن أبي شيبة، قال: ثنا أبو خالد الأحمر، عن يحيى بن سعيد، عن أبي الزبير، عن طاووس، عن معاذ بن جبل رضي الله عنه، قال: ⦗ص: 36⦘ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((ما عمل ابن آدم من عمل أنجى له من عذاب الله من ذكر الله عز وجل). قالوا: ولا الجهاد في سبيل الله؟ قال: ((ولا الجهاد في سبيل الله ولو أن تضرب بسيفك حتى ينقطع، ثم تضرب به حتى ينقطع)). قالها ثلاثاً.
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মানসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন জুরাইক বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাযী আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুহতাদী বিল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন দুস্ত আল-আল্লাফ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খালিদ আল-আহমার, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ((আদম সন্তান এমন কোনো আমল করে না যা আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে মহা মহিমান্বিত আল্লাহর যিকিরের চেয়ে বেশি মুক্তিদায়ক হতে পারে))। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: আল্লাহর পথে জিহাদও কি নয়? তিনি বললেন: ((আল্লাহর পথে জিহাদও নয়; এমনকি তুমি যদি তোমার তলোয়ার দিয়ে আঘাত করতে থাকো যতক্ষণ না তা ভেঙে যায়, এরপর আবার তা দিয়ে আঘাত করতে থাকো যতক্ষণ না তা ভেঙে যায়))। তিনি কথাটি তিনবার বললেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
12 - وأخبرنا أبو منصور، قال: ثنا أبو الحسين، قال: ثنا أبو بكر ابن العلاف، قال: ثنا القاضي أحمد بن إسحاق بن البهلول، قال: ثنا أبي، قال: حدثني أبي، عن بكر بن خنيس، عن أبي عبد الرحمن، عن عبادة بن نسي، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، رضي الله
⦗ص: 37⦘ عنه، قال:
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((أكثروا ذكر الله تعالى على كل حال، فإنه ليس عمل أحب إلى الله تعالى ولا أنجى لعبد من كل سيئة في الدنيا والآخرة من ذكر الله تعالى)). فقال قائل: ولا القتال في سبيل الله يا رسول الله؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: ((لولا ذكر الله لم يؤمر بالقتال في سبيل الله، ولو اجتمع الناس على ما أمروا به من ذكر الله تعالى ما كتب الله القتال على عباده، وإن ذكر الله تعالى لا يمنعكم من القتال في سبيله، بل هو عون لكم على ذلك، فقولوا: لا إله إلا الله والله أكبر، وقولوا: سبحان الله، وقولوا: الحمد لله، وقولوا: تبارك الله، فإنهن خمس لا يعدلهن شيء، عليهم فطر الله عز وجل ملائكته، ومن أجلهن رفع سماءه ودحى أرضه، ولهن جبل إنسه وجنه، وفرض عليهن فرائضه. ولا يقبل الله ذكره إلا ممن اتقى وطهر قلبه. وأكرموا الله أن يرى ما نهاكم عنه)).
قالوا: يا رسول الله، فإن ذكر الله لا يكفينا من الجهاد. قال: ((ولا الجهاد يكفي من ذكر الله، ولا يصلح
⦗ص: 38⦘ الجهاد إلا بذكر الله، وإنما الجهاد شعبة من شعب الله. وطوبى لمن أكثر في الجهاد من ذكر الله عز وجل، كل كلمة بسبعين ألف حسنة، كل حسنة بعشر، وعند الله من المزيد ما لا يحصيه غيره)). قالوا: يا رسول الله، والنفقة؟ قال: ((والنفقة على حسب ذلك)).
قالوا: يا رسول الله، إن ذكر الله تعالى هو أهون العمل. قال: ((إن الله كريم، إنما فرض على الناس أهون العمل فأبى أكثر الناس إلا كفوراً، فلما لم يقبلوا رحمة الله أمر الله بجهادهم، فاشتد ذلك على المؤمن وجعل الله لهم العاقبة وجعل لهم النقمة من الكافرين)).
⦗ص: 39⦘ قال عبد الرحمن بن غنم: فقلت لمعاذ: إن الله عز وجل إنما ذكر النفقة في سبيله في القرآن بسبعمائة، فقال: قَلَّ فهمُك، إنما ذلك إذا أنفقوها وهم مقيمون في أهليهم غير غزاة.
১২ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনুল আল্লাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাযী আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, বকর ইবনে খুনাইস থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে নুসায়্যি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে গানাম থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি
⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ বলেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((তোমরা সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাআলার অধিক পরিমাণে যিকির করো। কেননা, আল্লাহ তাআলার নিকট আল্লাহ তাআলার যিকিরের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সকল মন্দ বিষয় হতে বান্দার জন্য এর চেয়ে অধিক পরিত্রাণকারী আর কিছু নেই।)) অতঃপর একজন প্রশ্নকারী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর পথে লড়াই (জিহাদ) করাও কি এর সমান নয়? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((যদি আল্লাহর যিকির না থাকত, তবে আল্লাহর পথে লড়াই করার নির্দেশ দেওয়া হতো না। আর মানুষ যদি আল্লাহ তাআলার যিকিরের ব্যাপারে তাদের প্রতি কৃত নির্দেশের ওপর একতাবদ্ধ হতো, তবে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর লড়াই করা অবধারিত করতেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলার যিকির তোমাদেরকে আল্লাহর পথে লড়াই করা থেকে বিরত রাখে না, বরং এটি তোমাদেরকে এর ওপর সাহায্য করে। অতএব তোমরা বলো: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই) এবং 'আল্লাহু আকবার' (আল্লাহ মহানতম), এবং বলো: 'সুবহানাল্লাহ' (আল্লাহ অতি পবিত্র), এবং বলো: 'আলহামদুলিল্লাহ' (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য), এবং বলো: 'তাবারাকাল্লাহ' (আল্লাহ বরকতময়)। কারণ এগুলি এমন পাঁচটি বাক্য যার সমতুল্য কিছু নেই। এগুলোর ওপরই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাঁর ফেরেশতাদের সৃষ্টি করেছেন, এগুলোর কারণেই তিনি তাঁর আকাশকে সমুন্নত করেছেন এবং তাঁর জমিনকে বিস্তৃত করেছেন, এগুলোর জন্যই তিনি মানুষ ও জিনকে সৃষ্টি করেছেন এবং এগুলোর ওপরই তাঁর ফরজ বিধানসমূহ নির্ধারণ করেছেন। আর আল্লাহ কেবল সেই ব্যক্তির যিকির কবুল করেন যে তাকওয়া অবলম্বন করে এবং তার অন্তরকে পবিত্র করে। আর তোমরা আল্লাহকে সম্মান করো যাতে তিনি তোমাদেরকে এমন অবস্থায় না দেখেন যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন।))
তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর যিকির তো আমাদেরকে জিহাদ থেকে অমুখাপেক্ষী করে না। তিনি বললেন: ((আর জিহাদও আল্লাহর যিকির থেকে অমুখাপেক্ষী করে না। আল্লাহর যিকির ছাড়া জিহাদ
⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ শুদ্ধ হয় না। মূলত জিহাদ হলো আল্লাহর দ্বীনের শাখাগুলোর একটি শাখা। আর সেই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ যে জিহাদের মধ্যে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার যিকির অধিক পরিমাণে করে; প্রতিটি বাক্যের বিনিময়ে সত্তর হাজার সওয়াব রয়েছে, প্রতিটি সওয়াব দশ গুণ করে বৃদ্ধি পায়, আর আল্লাহর নিকট আরও অধিক রয়েছে যা তিনি ছাড়া আর কেউ গণনা করতে পারে না।)) তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আর ব্যয়ের (খরচ) ব্যাপারটি কী? তিনি বললেন: ((আর ব্যয়ও সেই পরিমাণ সওয়াব অনুযায়ী হবে।))
তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ তাআলার যিকির তো সবচেয়ে সহজ আমল। তিনি বললেন: ((নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি মহানুভব। তিনি মানুষের ওপর সবচেয়ে সহজ আমলই ফরজ করেছেন, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা অস্বীকার করা ছাড়া আর কিছু করেনি। ফলে যখন তারা আল্লাহর রহমত গ্রহণ করল না, তখন আল্লাহ তাদের সাথে জিহাদ করার নির্দেশ দিলেন। এরপর মুমিনের ওপর তা কঠিন হয়ে দাঁড়াল এবং আল্লাহ তাদের জন্য শুভ পরিণাম নির্ধারণ করলেন আর কাফিরদের জন্য নির্ধারণ করলেন তাঁর শাস্তি।))
⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ আবদুর রহমান ইবনে গানাম বলেন: আমি মুয়াজকে বললাম: আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তো কুরআনে তাঁর পথে ব্যয়ের জন্য সাতশ গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। তখন তিনি বললেন: তোমার বুঝ কম; ওটা তো তখন যখন তারা জিহাদে না গিয়ে নিজ পরিবারে অবস্থানরত অবস্থায় ব্যয় করে।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
13 - أخبرنا الشيخ أبو الفضل محمد بن عمر بن يوسف الأرموي الفقيه ببغداد، قال: ثنا أبو الحسين ابن المهتدي، قال: ثنا عمر بن أحمد بن شاهين، قال: ثنا عبد الله بن محمد، ثنا نعيم بن الهيصم، قال: ثنا جعفر بن سليمان، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن رباح الأنصاري قال: إن للكلام الطيب حول العرش دوياً كدوي النحل يذكر بصاحبه.
১৩ - বাগদাদের ফকীহ শাইখ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন উমর বিন ইউসুফ আল-আরমাভী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন ইবনুল মুহতাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নুয়াইম বিন আল-হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইমরান আল-জাওনী থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ বিন রাবাহ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই আরশের চারপাশে পবিত্র বাণীর মৌমাছির গুঞ্জনের মতো এক প্রকার গুঞ্জন রয়েছে, যা তার পাঠকারীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
14 - أخبرنا الشيخ أبو القاسم إسماعيل بن محمد الحافظ بأصبهان، قال: أنا أبو محمد رزق الله بن عبد الوهاب التميمي، قال: أنا أبو الحسين ابن ⦗ص: 40⦘ بشران، قال: ثنا محمد بن عمرو ابن البختري، قال: ثنا علي بن إبراهيم، قال: ثنا الحارث بن منصور قال: ثنا إسرائيل، عن ثوير، عن مجاهد، عن ابن عمر، رضي الله عنهما، قال: إن الرجل وعبده ليدخلان الجنة، فيكون عبده أرفع منه، فيقول: رب هذا كان عبدي في الدنيا. فيقال: إنه كان أكثر ذكراً لي منك.
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিজ আল-আসবাহানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ রিজকুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আত-তামিমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ বিশরান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হারিস ইবনে মানসুর, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসরাঈল, সুওয়াইর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই একজন ব্যক্তি এবং তার দাস জান্নাতে প্রবেশ করবেন, অতঃপর তার দাস তার চেয়েও উচ্চ মর্যাদায় থাকবে। তখন সে বলবে: হে আমার প্রতিপালক, এ তো দুনিয়াতে আমার দাস ছিল। তখন বলা হবে: নিশ্চয়ই সে তোমার চেয়ে আমাকে অধিক স্মরণ করত।
(খণ্ড: ১)
ফাযীলাতু যিকরিল্লাহি লি ইবনে আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৪০)
15 - سمعت الشيخ أبا المظفر عبد المنعم ابن القشيري يقول: سمعت أبي، رحمه الله، يقول: سمعت محمد بن الحسين، يقول: سمعت عبد الله بن موسى السلامي يقول: سمعت الشبلي رحمه [الله] (1) ينشد في مجلسه:
ذكرتك لا أني نسيتك لمحةً
… وأيسر ما في الذكر ذكر لساني
⦗ص: 41⦘ وكنتُ بلا وجدٍ أموت من الهوى
… وهام علي القلب بالخفقان
فلما أراني الوجد أنك حاضري
… شهدتك موجوداً بكل مكان
فخاطبتُ موجوداً بغير تكلم
… ولاحظت معلوماً بغير عيان
والحمد لله رب العالمين وصلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه أجمعين
--------------------------------------------
১৫ - আমি শায়খ আবুল মুজাফফর আবদুল মুনইম ইবনুল কুশাইরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন হুসাইনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন মুসা আস-সালামীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শিবলীকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর মজলিসে আবৃত্তি করতে শুনেছি:
আমি আপনাকে স্মরণ করি, এর মানে এই নয় যে আমি আপনাকে এক পলকের তরে ভুলে গিয়েছিলাম
… আর স্মরণের মাঝে সবচেয়ে তুচ্ছ হলো আমার রসনার স্মরণ।
⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ আমি ভাবাবেশ ছাড়াই প্রেমের আতিশয্যে মরে যাচ্ছিলাম
… আর আমার হৃৎপিণ্ড স্পন্দনের চোটে ছিল দিশেহারা।
অতঃপর যখন ভাবাবেশ আমাকে দেখাল যে আপনি আমার কাছে উপস্থিত
… তখন আমি আপনাকে সর্বত্র বিদ্যমান হিসেবে প্রত্যক্ষ করলাম।
তখন আমি বাক্য বিনিময় ছাড়াই এক বিদ্যমান সত্তার সাথে কথা বললাম
… এবং চাক্ষুষ দেখা ছাড়াই এক পরিচিত সত্তাকে প্রত্যক্ষ করলাম।
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সঙ্গীদের ওপর।
--------------------------------------------