(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
مثير العزم الساكن إلى أشرف الأماكن ط الراية القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: مثير العزم الساكن إلى أشرف الأماكن
المؤلف: جمال الدين أبو الفرج عبد الرحمن بن علي بن محمد الجوزي (ت 597 هـ)
المحقق: مرزوق علي إبراهيم
تقديم: حماد بن محمد الأنصاري [ت 1418 هـ]
الناشر: دار الراية
الطبعة: الأولى 1415 هـ - 1995 م
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানসমূহের অভিমুখে সুপ্ত সংকল্পের উদ্দীপক - আর-রায়াহ সংস্করণ বিভাগ: দেশ ও ভ্রমণবৃত্তান্ত
বই: সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানসমূহের অভিমুখে সুপ্ত সংকল্পের উদ্দীপক (মুথিরুল আজমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন)
লেখক: জামালুদ্দিন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওজি (মৃত্যু ৫৯৭ হি.)
সম্পাদক: মারজুক আলী ইবরাহিম
উপস্থাপনা: হাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী [মৃত্যু ১৪১৮ হি.]
প্রকাশক: দারুর রায়াহ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হি. - ১৯৯৫ খ্রি.
খণ্ড সংখ্যা: ২
[বইয়ের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
من روائع التراث عن الحرمين الشريفين
مثير العزم الساكن
إلى أشرف الأماكن
للشيخ الإمام العالم العلامة
أبي الفرج عبد الرحمن بن الجوزي
المتوفى 597 هـ
تقديم فضيلة الشيخ
حماد بن محمد الأنصاري
تحقيق
مرزوق علي إبراهيم
دار الراية
الطبعة الأولى
1415 هـ - 1995 م
পবিত্র হারামাইন শরিফাইন সংক্রান্ত ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানভাণ্ডারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কর্ম
সুপ্ত সংকল্পের উদ্দীপক
শ্রেষ্ঠতম স্থানসমূহের অভিমুখে
শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলিম ও আল্লামা
আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান ইবনুল জাওজি
মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি
উপস্থাপনায়: ফযিলাতুশ শায়খ
হাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি
সম্পাদনা ও তাহকিক
মারজুক আলি ইবরাহিম
দারুর রাইয়াহ
প্রথম সংস্করণ
১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
بسم الله الرحمن الرحيموصلى الله على محمد وآله، ولا حول ولا قوة إلا بالله.
قال الشيخ، الإمام، العالم، الكامل، جمال الدين، أبو الفرج عبد الرحمن ابن الجوزي رحمه الله:
الحمد لله الذي أنشأ فأحسن الإنشاء، ثم قدم بالاجتباء ما شاء، وصلى الله على محمد النبي [الأمي] الذي سبق الأنبياء، وعلا على من علا فنال العلاء، وصلى الله على أصحابه الذين فاقوا في الفضل الفضلاء، وعلى عمه العباس الذي أرسل الله [بدعائه] إذ سيل به [سيل] السماء، ونشر من ذريته الأئمة الخلفاء، وسلام على عباده الذين اصطفى.
أما بعد:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় ও শক্তি নেই।
শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব, জামালুদ্দীন আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবনুল জাওযী (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) বলেছেন:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সৃষ্টিকে অতি সুন্দর করেছেন; অতঃপর তিনি যাকে চেয়েছেন নির্বাচনের মাধ্যমে অগ্রগণ্য করেছেন। আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক নবী [উম্মী] মুহাম্মদের ওপর, যিনি সকল নবীর অগ্রগামী ছিলেন এবং উচ্চ মর্যাদাসীনদের ঊর্ধ্বে আরোহণ করে সুউচ্চ মর্যাদা লাভ করেছেন। আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক তাঁর সাহাবীবৃন্দের ওপর, যারা শ্রেষ্ঠত্বে সকল শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে গেছেন; এবং তাঁর চাচা আব্বাসের ওপর, যাঁর [দুআর] বরকতে আল্লাহ বারিপাত করেছেন যখন তাঁর অসিলায় আসমানের [বৃষ্টির ধারা] প্রবাহিত করা হয়েছিল, আর তাঁর বংশধরদের মধ্য থেকে ইমাম ও খলিফাদের বিস্তার ঘটিয়েছেন। সালাম বর্ষিত হোক তাঁর মনোনীত বান্দাদের ওপর।
অতঃপর:
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
فإني كنت أتوق إلى مكة قبل الحج؛ فداويت هذا الداء بالقصد، فزاد الشوق بعد الرجوع على الحد، وعلمت أن كثرة الترداد لا تزيد إلا شوقاً، كما أن لقيا المحبوب لا تزيد نار الوجد إلا وقداً، ثم إني صادفت من هو أشوق مني؛ فشغلني ما رأيت من وجده عني؛ فاتفقنا في أصل الشوق، وافترقنا في [قدر] التوق، ورأيته كما قال الشاعر:
أحب الثرى النجدي من أجرع الحمى
… كأني لمن بالأجر عين نسيب
إذا هب علوي النسيم رأتني
… أغض جفوني أن يقال مريب
وكما قال الآخر:
أحن إلى نور اللوى في بطاحه
… وأظمأ إلى ري اللوى في هبوبه
وذاك الحمى يغدو عليلاً نسيمه
… ويمسي صحيحاً مآؤه في قليبه
وكما قال [آخر] :
يرنحني إليك الشوق حتى
… أميل من اليمين إلى الشمال
كما مال المعاقر عاودته حميا
… الكأس حالاً بعد حال
وتأخذني لذكركم ارتياح
… كما نشط الأسير من العقال
وأيسر ما ألاقي أن هماً
… يغصصني بذا الماء الزلال
আমি হজ্জের পূর্বে মক্কার জন্য ব্যাকুল ছিলাম; আমি গমনের সংকল্পের মাধ্যমে এই ব্যাধির চিকিৎসা করেছিলাম, কিন্তু ফিরে আসার পর সেই ব্যাকুলতা সীমা ছাড়িয়ে গেল। আর আমি বুঝতে পারলাম যে, বারবার যাতায়াত কেবল ব্যাকুলতাই বৃদ্ধি করে, যেমন প্রিয়তমার সাথে সাক্ষাত আবেগের অগ্নিতে কেবল ইন্ধনই যোগায়। অতঃপর আমি এমন একজনের দেখা পেলাম যিনি আমার চেয়েও বেশি ব্যাকুল ছিলেন; তাঁর আবেগের প্রাবল্য দেখে আমি নিজের কথা ভুলে গেলাম। আমরা ব্যাকুলতার মূলে একমত হলাম, কিন্তু আকাঙ্ক্ষার মাত্রায় আমাদের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দিল। আমি তাকে কবি যেমনটি বলেছেন তেমনটি দেখলাম:
আমি আল-হিমা প্রান্তরের নাজদ অঞ্চলের মাটিকে ভালোবাসি
… যেন আমি আল-আজরাঈনবাসীদেরই কোনো এক আত্মীয়
যখন উচ্চভূমি থেকে স্নিগ্ধ বাতাস প্রবাহিত হয়, তখন তুমি আমাকে দেখবে
… আমি আমার চোখের পাতা অবনমিত করি পাছে কেউ আমাকে সন্দিগ্ধ বলে মনে করে
যেমন অন্য একজন বলেছেন:
আমি আল-লিওয়ার প্রশস্ত প্রান্তরের জ্যোতির জন্য ব্যাকুল হই
… এবং এর প্রবাহিত বায়ুতে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য পিপাসার্ত থাকি
সেই সংরক্ষিত চারণভূমির প্রভাতকালীন সমীরণ হয় মৃদু ও স্নিগ্ধ
… আর সন্ধ্যার প্রাক্কালে তার কুপের পানি হয়ে ওঠে স্বচ্ছ ও নির্মল
যেমন অন্য একজন কবি বলেছেন:
তোমার প্রতি ব্যাকুলতা আমাকে এমনভাবে দোলায়িত করে যে
… আমি ডান থেকে বাম দিকে হেলে পড়ি
যেমন সেই মদ্যপায়ী হেলে পড়ে, যার কাছে বারবার ফিরে আসে
… পানপাত্রের তীব্র নেশা মুহূর্তের পর মুহূর্ত
আর তোমাদের স্মরণে আমার মাঝে এমন এক প্রশান্তি জেগে ওঠে
… যেমন কোনো বন্দি তার শিকল থেকে মুক্তি পেয়ে চঞ্চল হয়ে ওঠে
আর আমার কষ্টের লঘুতম দিক হলো সেই উদ্বেগ
… যা এই স্বচ্ছ নির্মল পানি পান করার সময়ও আমার কণ্ঠে বাধার সৃষ্টি করে
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
وكما قال [آخر] :
وإني لأغري بالنسيم إذا سرى
… ويعجبني بالأبرقين ربوع
ويحني علي الشوق نجدي مزنةٍ
… وبرق بأطراف الحجاز لموع
ولا أعرف الأشجان حتى تشوقني
… حمائم ورق في الديار وقوع
فلما رأيت الزمان لا يواتي [على المطلوب] ؛ فشرعت في التعلل بذكر المحبوب.
...............
… رب ذكرى قربت من نزحا
وها أنا أذكر من أخبار تلك الطريق وفضائل البيت العتيق، وإن كان الذكر سبباً للتشويق، لكنه كما قال القائل:
تداويت من ليلى بليلى
… ......................
وقد أتيت بذلك على ترتيب المنازل، وذكرت ما يختص بالمكان والوقت من الفضائل، وبينت فيه المشروع من المناسك، وحليت ذلك بالأحاديث الفائقة والأشعار الرائقة، ثم ذكرت من أخبار المدينة وزيارة الرسول صلى الله عليه وسلم طرفاً يحوي طرفاً، ثم أتبعت ذلك بذكر الاتعاظ بالأجداث، وتلوته بمستحسن ما كتب على القبور، ثم ختمت الكتاب بكلمات من الحكم تتضمن مواعظ بليغة؛ ليكون هذا المجموع جامعاً للفن الذي قصدته مع أني قد أجريت فيه إلا
যেমনটি অন্য একজন [কবি] বলেছেন:
যখনই মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হয় আমি তাতে মোহিত হই
… আর আবরাকাইনের বসতিগুলো আমাকে মুগ্ধ করে।
নজদ অঞ্চলের মেঘমালা আমার মাঝে ব্যাকুলতা জাগিয়ে তোলে
… আর হিজাজের প্রান্তে বিচ্ছুরিত বিজলি।
আমি শোক-তাপের কথা জানতাম না, যতক্ষণ না
… জনবসতিতে নেমে আসা ধূসর কপোতগুলো আমাকে ব্যাকুল করে তুলেছে।
অতঃপর যখন আমি দেখলাম যে সময় [কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে] অনুকূল নয়; তখন আমি প্রিয়তমের স্মরণের মাধ্যমে সান্ত্বনা খুঁজতে শুরু করলাম।
...............
… কত স্মৃতিই তো দূরবর্তীকে নিকটবর্তী করে দেয়!
আর এখন আমি সেই পথের সংবাদ এবং প্রাচীন ঘর (কাবা)-এর ফজিলতসমূহ উল্লেখ করছি, যদিও এই স্মৃতিচারণ ব্যাকুলতা বৃদ্ধির কারণ, তবুও এটি তেমন যেমনটি কোনো কবি বলেছেন:
আমি লায়লার বিরহের চিকিৎসা লায়লার মাধ্যমেই করেছি
… ......................
আমি এই বিষয়গুলোকে গন্তব্যস্থলের ক্রমানুসারে সাজিয়েছি, স্থান ও কাল সংশ্লিষ্ট বিশেষ ফজিলতসমূহ উল্লেখ করেছি, শরয়ি বিধানসমূহ স্পষ্ট করেছি এবং সেগুলোকে শ্রেষ্ঠ হাদিস ও চমৎকার সব কবিতা দ্বারা সুশোভিত করেছি। অতঃপর মদিনার সংবাদ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জিয়ারত সম্পর্কে এমন এক অংশ বর্ণনা করেছি যা বহু বিরল ও চমৎকার তথ্যকে ধারণ করে। এরপর কবরের অবস্থা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করেছি এবং কবরের ফলকে উৎকীর্ণ সুন্দর বাণীসমূহ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করেছি। পরিশেষে বইটি প্রজ্ঞাপূর্ণ কিছু কথা দিয়ে শেষ করেছি যা মর্মস্পর্শী উপদেশমালাকে অন্তর্ভুক্ত করে; যাতে এই সংকলনটি আমার অভীষ্ট বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কাজ হতে পারে, যদিও আমি এতে কেবল...
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
الاختصار، وحذف كثير من الأسانيد، ولو ذكرت كل ما قيل في هذه المعاني؛ لوقع الملل، غير أني تخيرت الأحسن، ولو رمت إسهاباً؛ لأتى الفيض بالمد، والله الموفق.
সংক্ষিপ্তকরণ এবং বহু সনদ বিলোপ করা হয়েছে; এই বিষয়বস্তুগুলোর ক্ষেত্রে যা কিছু বলা হয়েছে তার সবটুকু উল্লেখ করলে তা একঘেয়েমির উদ্রেক করত। তবে আমি সর্বোত্তমটিকেই বেছে নিয়েছি। আমি যদি বিশদ বর্ণনা করতে চাইতাম, তবে তথ্যের প্রবাহ বহুগুণে বৃদ্ধি পেত। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
باب ذكر تراجم أبواب الكتابباب فرض الحج
باب بيان ما يشتمل عليه الحج.
بَابُ ذَمِّ مَنْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْحَجُّ وَتَرَكَهُ من غير عذر.
باب ذكر العاجز عن الحج.
باب فضل الحج.
باب توقان النفس إلى مكة.
باب التهيؤ للحج.
باب الإفضال على الإخوان في الحج والسفر.
باب ما يصنع إذا أراد الخروج من منزله.
باب انزعاج مودعي الحاج.
باب آداب السير في السفر.
بَابُ ذِكْرِ حَنِينِ الْإِبِلِ فِي السَّيْرِ، وَخِطَابِ الواجدين لها ولحاديها،
গ্রন্থের অধ্যায়সমূহের শিরোনামের বর্ণনাহজের আবশ্যকতা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
হজ যা কিছু অন্তর্ভুক্ত করে তার বর্ণনা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
যার ওপর হজ ফরজ হওয়া সত্ত্বেও কোনো ওজর ব্যতীত তা বর্জন করে তার নিন্দা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
হজ পালনে অক্ষম ব্যক্তির বর্ণনা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
হজের ফজিলত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
মক্কার প্রতি প্রাণের আকুতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
হজের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
হজ ও সফরে ভাইদের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা করলে যা করতে হয় সে সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
হাজিদের বিদায়দাতাদের ব্যাকুলতা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
সফরে পথচলার আদবসমূহ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
পথচলার সময় উটের আকুতি এবং উটের মালিক ও উটচালকদের প্রতি সম্বোধন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
والأخبار عنها وأنعم بها.
باب حج الماشي.
باب ذكر بعض المنازل.
باب ذكر بعض المنازل المشهورة وذكر بعض ما جرى فيها.
باب ذكر الأميال وما جرى عندها وفي الطريق.
باب ذكر نبذة من أخبار صالحي أهل البادية.
باب ذكر من سقى في الطريق ماءً أو فعل خيراً.
باب حدود الحرم.
باب ذكر تعظيم حرمة الحرم.
أبواب الإحرام:
باب المواقيت.
باب التمتع والقران والإفراد.
باب آداب المحرم.
باب ذكر التلبية.
এবং তা সম্পর্কে সংবাদসমূহ এবং তার দ্বারা প্রাপ্ত অনুগ্রহসমূহ।
পদব্রজে হজ্জ পালনকারীর পরিচ্ছেদ।
কতিপয় মনজিল বা যাত্রাবিরতির স্থান উল্লেখের পরিচ্ছেদ।
কতিপয় প্রসিদ্ধ মনজিল এবং সেখানে যা ঘটেছিল তা উল্লেখের পরিচ্ছেদ।
মাইলফলকসমূহ এবং তার নিকটবর্তী স্থানে ও পথে যা ঘটেছিল তা উল্লেখের পরিচ্ছেদ।
মরুভূমির নেককার লোকদের সংবাদের একাংশ উল্লেখের পরিচ্ছেদ।
যিনি পথে পানি পান করিয়েছেন বা কোনো কল্যাণকর কাজ করেছেন তাদের আলোচনার পরিচ্ছেদ।
হারামের সীমানা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
হারামের পবিত্রতার মহিমা বর্ণনা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
ইহরামের অধ্যায়সমূহ:
মীকাতসমূহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তামাত্তু, কিরান এবং ইফরাদ হজ্জ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
মুহরিমের আদব বা শিষ্টাচার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তালবিয়াহ উল্লেখের পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
بَابُ مَا يَتَوَقَّاهُ الْمُحْرِمُ وَمَا يُبَاحُ لَهُ.
بَابٌ الْإِشَارَةُ فِي الْإِحْرَامِ وَالتَّلْبِيَةُ وَأَفْعَالُ الْحَجِّ.
بَابٌ ذِكْرُ أَحْوَالٍ جَرَتْ لِلْخَائِفِينَ مِنَ الْمُحْرِمِينَ.
بَابٌ مَنْ مَاتَ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ مُحْرِمًا أو غير محرم.
باب فضائل العشر.
باب ذكر ليلة التروية ويوم التروية.
أبواب يوم عرفة:
باب في معنى هذه التسمية.
باب في ذكر ليلة عرفة.
باب في فضائل يوم عرفة.
باب ذكر الوقوف بعرفة.
بَابٌ فِي كَثْرَةِ الْعِتْقِ وَالْغُفْرَانِ يَوْمَ عَرَفَةَ.
باب في ذكر ثواب صائم يوم عرفة.
بَابُ مَا رُوِيَ مِنَ الدُّعَاءِ يَوْمَ عَرَفَةَ.
মুহরিম যা পরিহার করবে এবং তার জন্য যা বৈধ তার পরিচ্ছেদ।
ইহরাম, তালবিয়া এবং হজ্জের কার্যাবলীতে ইশারার পরিচ্ছেদ।
মুহরিমদের মধ্যে যারা ভীত ছিল তাদের ক্ষেত্রে ঘটা ঘটনাবলীর বর্ণনার পরিচ্ছেদ।
যে ব্যক্তি মক্কার পথে মুহরিম অবস্থায় অথবা ইহরাম ছাড়া মৃত্যুবরণ করেছে তার পরিচ্ছেদ।
দশ দিনের ফযীলতের পরিচ্ছেদ।
তারবিয়াহর রাত এবং তারবিয়াহর দিনের বর্ণনার পরিচ্ছেদ।
আরাফার দিনের অধ্যায়সমূহ:
এই নামকরণের তাৎপর্য সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
আরাফার রাতের বর্ণনার পরিচ্ছেদ।
আরাফার দিনের ফযীলতের পরিচ্ছেদ।
আরাফায় অবস্থানের বর্ণনার পরিচ্ছেদ।
আরাফার দিনে অধিক পরিমাণে মুক্তি ও ক্ষমা লাভ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
আরাফার দিনে রোযাদারের সওয়াবের বর্ণনার পরিচ্ছেদ।
আরাফার দিনে বর্ণিত দোয়াসমূহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
بَابُ ذِكْرِ كَلِمَاتٍ حُفِظَتْ عَنِ الْوَاقِفِينَ بِعَرَفَةَ.
باب خوف الصادقين عند وقوفهم بعرفة.
بَابُ مَا رُوِيَ مِنَ اجْتِمَاعِ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ وإسرافيل والخضر بعرفة.
باب ما روى من التقاء إياس والخضر بالموسم.
باب ما روي من الصلوات يوم عرفة.
بَابُ تَعْرِيفِ مَنْ لَمْ يَحُجَّ فِي الْمَسَاجِدِ تشبهاً بأهل عرفة.
باب الدفع من عرفة.
باب فضل ليلة النحر.
باب ما يصنع بعد فجر النحر.
باب ذكر منى.
باب رمي الجمرات.
أبواب الأضاحي:
باب بيان فضل الأضاحي.
باب بيان أن الأضحية سنة.
আরাফাতে অবস্থানকারীদের থেকে সংরক্ষিত বাণীসমূহ স্মরণ করা সংক্রান্ত অধ্যায়।
আরাফাতে অবস্থানের সময় সত্যনিষ্ঠদের ভীতির বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
আরাফাতে জিবরাঈল, মিকাঈল, ইসরাফিল এবং খিজিরের একত্রিত হওয়া সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
হজের মৌসুমে ইলিয়াস এবং খিজিরের সাক্ষাৎ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
আরাফার দিনে সালাতসমূহ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
আরাফাবাসীদের সাথে সাদৃশ্য অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যারা হজ করেননি তাদের মসজিদে জমায়েত হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়।
আরাফা থেকে প্রস্থান সংক্রান্ত অধ্যায়।
নহরের রাতের (কুরবানির রাত) শ্রেষ্ঠত্ব সংক্রান্ত অধ্যায়।
নহরের (কুরবানির দিন) ফজরের পর যা করণীয় সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
মিনার আলোচনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপ সংক্রান্ত অধ্যায়।
কুরবানি সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ:
কুরবানির ফযিলত বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
কুরবানি যে সুন্নাত তা বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
باب في بَيَانُ السَّبَبِ الَّذِي مِنْ أَجْلِهِ سُنَّتِ الأَضَاحِي.
باب ذكر اختلاف الناس في الذبيح.
باب بيان ما يستعمله المضحي من الآداب.
باب ذكر الهدي.
بَابٌ كَلامُ أَهْلِ الإِشَارَةِ فِي الأَضَاحِي وَالْعِيدِ.
باب الحلاق والتقصير.
باب مسجد الخيف.
باب ذكر التكبير.
أبواب ذكر مكة.
باب في أسمائها.
باب في فضل مكة.
بَابٌ بَيَانُ أَنَّ أَهْلَ مَكَّةَ أَهْلُ اللَّهِ عز وجل.
باب فتح مكة.
যে কারণে কোরবানি সুন্নাত করা হয়েছে তার বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়।
যবেহকৃত ব্যক্তি সম্পর্কে মানুষের মতপার্থক্যের বিবরণ বিষয়ক অধ্যায়।
কোরবানিদাতার পালনীয় আদবসমূহ বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়।
হাদয় (হজ্বের কোরবানি) সংক্রান্ত বিবরণ বিষয়ক অধ্যায়।
অধ্যায়: কোরবানি ও ঈদ সম্পর্কে ইশারা প্রদানকারীগণের (আহলুল ইশারা) বক্তব্য।
মস্তক মুণ্ডন ও চুল ছোট করা বিষয়ক অধ্যায়।
মসজিদে খায়েফ বিষয়ক অধ্যায়।
তাকবির পাঠের বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়।
মক্কার বর্ণনায় বিভিন্ন অধ্যায়।
এর নামসমূহ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মক্কার ফজিলত সংক্রান্ত অধ্যায়।
অধ্যায়: মক্কাবাসীগণ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর পরিজন—এর বর্ণনা।
মক্কা বিজয় বিষয়ক অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
باب صعود بلال على الكعبة يوم الفتح [للأذان] .
باب كيفية دخول مكة.
أبواب ذكر الكعبة:
باب في ذكر المشهور من أسمائها.
بَابٌ بَيَانُ أَنَّهَا أَوَّلُ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ.
باب تلخيص قصة بناء الكعبة.
باب كيفية بناء المسجد الحرام.
باب فضل المسجد الحرام.
باب كسوة الكعبة [المشرفة] .
باب سدانة الكعبة.
باب فضل الحجر الأسود.
باب ذكر الركن اليماني.
باب ذكر الحجر وأنه من البيت.
باب ذكر الميزاب.
بَابٌ ذِكْرُ الْبَيْتِ الْمَعْمُورِ الَّذِي فِي السَّمَاءِ وأنه مقابل الكعبة.
মক্কা বিজয়ের দিন [আযানের জন্য] কাবার ওপর বিলালের আরোহণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মক্কায় প্রবেশের পদ্ধতি সংক্রান্ত অধ্যায়।
কাবার বর্ণনায় বিভিন্ন অধ্যায়:
কাবার প্রসিদ্ধ নামসমূহ উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়।
এটি যে মানুষের জন্য স্থাপিত প্রথম ঘর—তার বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
কাবা নির্মাণের কাহিনীর সারসংক্ষেপ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মসজিদুল হারাম নির্মাণের পদ্ধতি সংক্রান্ত অধ্যায়।
মসজিদুল হারামের শ্রেষ্ঠত্ব সংক্রান্ত অধ্যায়।
[সম্মানিত] কাবার গিলাফ সংক্রান্ত অধ্যায়।
কাবার রক্ষণাবেক্ষণ ও চাবি বহনের দায়িত্ব সংক্রান্ত অধ্যায়।
হাজরে আসওয়াদের শ্রেষ্ঠত্ব সংক্রান্ত অধ্যায়।
রুকনে ইয়ামানি উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়।
হিজর (হাতিম) এবং এটি যে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত—সেটি উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মীযাব (পানির নালা) উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়।
আসমানে অবস্থিত বায়তুল মামুর এবং এটি যে কাবার ঠিক বরাবর অবস্থিত—সেটি উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
باب تلخيص قصة أصحاب الفيل.
باب ذكر دخول المسجد الحرام.
باب فضل النظر إلى الكعبة.
باب انزعاج العارفين عند رؤية الكعبة [أو مكة] .
أبواب ذكر الطواف بالبيت:
باب الأصل في الطواف.
باب أقسام الطواف وما يقال فيه.
باب ذكر فضائل الطواف.
باب التحريض على الإكثار من الطواف.
باب الأدب في الطواف.
باب غض البصر في الطواف.
باب عقوبة أقوام أساؤوا الأدب عند الكعبة.
بَابُ ذِكْرِ مَنْ ضَرَبَهَا الْمَخَاضُ فِي الطَّوَافِ فولدت في الكعبة.
باب ذكر الإشارة في الطواف.
بَابٌ ذِكْرُ كَلِمَاتٍ حُفِظَتْ عَنِ الطَّائِفِينَ وَأَدْعِيَةٌ وأحوال جرت لهم.
হস্তীবাহিনীর কাহিনীর সারসংক্ষেপ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
মসজিদে হারামে প্রবেশ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
কাবার দিকে তাকানোর ফযীলত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
কাবা [বা মক্কা] দর্শনে আরিফগণের ব্যাকুলতা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
বাইতুল্লাহ তাওয়াফ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ:
তাওয়াফের মূল ভিত্তি সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফের প্রকারভেদ এবং এতে যা বলা হয় সে সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফের ফযীলতসমূহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
অধিক পরিমাণে তাওয়াফ করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফের আদবসমূহ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফকালে দৃষ্টি অবনত রাখা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
কাবার নিকট বেয়াদবি করা কওমদের শাস্তি সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফের সময় যাদের প্রসববেদনা উঠেছিল এবং কাবার অভ্যন্তরে যারা সন্তান প্রসব করেছিলেন তাঁদের উল্লেখ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফকালে ইশারা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
তাওয়াফকারীদের নিকট হতে সংরক্ষিত বাণীসমূহ, দুআসমূহ এবং তাঁদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
باب طواف الحشرات بالبيت.
بَابٌ طَوَافُ سَفِينَةِ نُوحٍ عليه السلام بِالْبَيْتِ زمن الغرق.
باب دخول البيت.
باب ما يصنع بعد الطواف.
باب ذكر مقام إبراهيم عليه السلام.
بَابُ مَا يَصْنَعُ بَعْدَ الصَّلاةِ عِنْدَ الْمَقَامِ.
باب السعي بين الصفا والمروة.
باب ما يصنع بعد السعي.
باب ذكر زَمْزَمَ.
بَابُ فَضْلِ الشُّرْبِ مِنْ مَاءِ زَمْزَمَ.
باب ذكر السقاية والرفادة.
باب ذكر العمرة.
باب فضل العمرة في رمضان.
باب ذكر أسواق العرب التي كانت تقوم بمكة في مواسم الحج.
পরিচ্ছেদ: কাবাগৃহে কীটপতঙ্গের তাওয়াফ।
পরিচ্ছেদ: মহাপ্লাবনের সময় নূহ আলাইহিস সালামের নৌকার কাবাগৃহ তাওয়াফ।
পরিচ্ছেদ: কাবাগৃহে প্রবেশ।
পরিচ্ছেদ: তাওয়াফের পর যা করণীয়।
পরিচ্ছেদ: মাকামে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-এর আলোচনা।
পরিচ্ছেদ: মাকামের নিকট সালাত আদায়ের পর যা করণীয়।
পরিচ্ছেদ: সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করা।
পরিচ্ছেদ: সাঈর পর যা করণীয়।
পরিচ্ছেদ: যমযম-এর আলোচনা।
পরিচ্ছেদ: যমযমের পানি পান করার ফজিলত।
পরিচ্ছেদ: সিকায়াহ (পানি পান করানো) এবং রিফাদাহ (আহার করানো) প্রসঙ্গ।
পরিচ্ছেদ: ওমরাহ-এর আলোচনা।
পরিচ্ছেদ: রমজানে ওমরাহ পালনের ফজিলত।
পরিচ্ছেদ: হজ মৌসুমে মক্কায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া আরবদের বাজারসমূহের আলোচনা।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
أَبْوَابٌ فِيهَا نُبَذٌ مِمَّا كَانَ يَجْرِي لِلْعَرَبِ فِي أَيَّامِ الْمَوْسِمِ بِعُكَاظٍ وَغَيْرِهَا:
بَابٌ خُطَبُ الفصحاء بمكة.
بَابٌ ذِكْرُ طَرَفٍ مِنْ خُطَبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بمكة.
بَابُ ذِكْرِ اجْتِمَاعِ الشُّعَرَاءِ بِسُوقِ عُكَاظٍ وَتَنَاشُدِهِمُ الأشعار.
بَابُ ذِكْرِ مَنْ كَانَ يَتَوَلَّى الْحُكْمَ بَيْنَ العرب وإجازة الحاج.
بَابُ إِيثَارِ طَاعَةِ اللَّهِ عز وجل فِي تلك الأماكن على البيع والشرى.
باب ذكر أماكن بمكة يستحب الصلاة فيها والدعاء.
بَابُ ذِكْرِ مَنْ كَانَ بِمَكَّةَ فَأُلْهِمَ الْخُرُوجَ لمصلحةٍ.
باب طواف الوداع.
باب ذكر الملتزم.
بَابُ ذِكْرِ أَمَاكِنَ بِمَكَّةَ وَمَا وَالاهَا وَقَرُبَ مِنْهَا مِثْلُ الْحَجُونِ وَالْمُحَصَّبِ وَالْحِجَازِ وَنَجْدَ، ذَكَرَهَا الشعراء في أشعارهم، فأطرب ذكرها السامع.
উকায ও অন্যান্য স্থানে হজের মৌসুমে আরবদের মাঝে যা ঘটত, সে বিষয়ক কিছু পরিচ্ছেদ:
পরিচ্ছেদ: মক্কায় বাগ্মীদের ভাষণসমূহ।
পরিচ্ছেদ: মক্কায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভাষণসমূহের কিয়দাংশের উল্লেখ।
পরিচ্ছেদ: উকায বাজারে কবিদের একত্র হওয়া এবং একে অপরকে কবিতা শোনানোর উল্লেখ।
পরিচ্ছেদ: আরবদের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা এবং হাজিদের অনুমতি প্রদানের দায়িত্বে যারা নিয়োজিত ছিলেন তাদের উল্লেখ।
পরিচ্ছেদ: সেই স্থানগুলোতে ক্রয়-বিক্রয়ের তুলনায় মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া।
পরিচ্ছেদ: মক্কার এমন কিছু স্থানের উল্লেখ যেখানে সালাত আদায় এবং দুআ করা মুস্তাহাব।
পরিচ্ছেদ: মক্কায় অবস্থানরত এমন ব্যক্তিদের উল্লেখ যাদের কোনো কল্যাণের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার ইলহাম করা হয়েছিল।
পরিচ্ছেদ: বিদায়ী তাওয়াফ।
পরিচ্ছেদ: মুলতাযামের উল্লেখ।
পরিচ্ছেদ: মক্কার বিভিন্ন স্থান এবং তৎসংলগ্ন ও নিকটবর্তী অঞ্চলের উল্লেখ, যেমন হাজুন, মুহাসসাব, হিজায ও নজদ; কবিগণ তাদের কবিতায় এগুলোর উল্লেখ করেছেন, যা শুনে শ্রোতা পুলকিত হয়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
باب قبول الحاج.
باب من آثر أهل فَاقَةٍ بِنَفَقَةِ الْحَجِّ وَلَمْ يَحُجَّ، فَبَعَثَ اللَّهُ تعالى ملكاً فحج عنه.
أبواب ذكر كبراء الحاج وساداتهم:
باب ذكر حج الملائكة.
باب ذكر حج آدم عليه السلام.
باب ذكر حج الأنبياء عليهم السلام.
باب ذكر حج الحواريين.
باب حج أصحاب الكهف.
باب حج نبينا محمد صلى الله عليه وسلم.
أَبْوَابٌ ذِكْرُ حَجِّ الْخُلَفَاءِ وَبَعْضُ مَا جَرَى لَهُمْ مِنَ الطُّرَفِ:
بَابُ ذِكْرِ حَجِّ أَبِي بكر [رضي الله عنه] .
হাজীদের কবুল হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়।
যে ব্যক্তি হজের পাথেয় দ্বারা অভাবগ্রস্তদের অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং নিজে হজ করেনি, ফলে আল্লাহ তাআলা তার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা পাঠালেন যিনি তার হয়ে হজ আদায় করেছেন, সে বিষয়ক অধ্যায়।
হাজীদের মধ্যকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও তাদের নেতাদের বর্ণনায় অধ্যায়সমূহ:
ফেরেশতাদের হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
আদম আলাইহিস সালামের হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
নবীগণের (আলাইহিমুস সালাম) হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
হাওয়ারীদের হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
আসহাবে কাহাফের হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
খলিফাদের হজ এবং তাদের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু চমৎকার ঘটনার বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ:
আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হজের বর্ণনা সংক্রান্ত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
باب ذكر حج عمر [رضي الله عنه] .
باب ذكر حج عثمان [رضي الله عنه] .
باب ذكر حج علي [رضي الله عنه] .
بَابُ ذِكْرِ مَنْ حَجَّ مِنْ خُلَفَاءِ بَنِي أمية.
بَابُ ذِكْرِ مَنْ حَجَّ مِنْ خُلَفَاءِ بَنِي العباس.
باب فيه ذِكْرِ طَرَفٍ مُسْتَحْسَنٍ مِنْ أَخْبَارِ الصَّالِحِينَ وَالأَوْلِيَاءِ في الحج.
بَابٌ ذِكْرُ مَنْ طَالَ عَلَيْهُ سَفَرُهُ فَاشْتَاقَ إلى وطنه.
باب في توديع الرفاق.
باب ذكر من حج فزار قبر قرابةٍ له.
باب المجاورة بمكة [المشرفة] .
باب ذكر أعيان من نزل بمكة.
باب فضل صيام رمضان بمكة.
باب ذكر أعيان المدفونين في الحرم.
باب ذكر من كان يكثر الحج.
بَابُ ذِكْرِ ثَوَابِ مَنْ مَاتَ عُقَيْبَ الْحَجِّ.
باب في التشوق إلى الحج وأماكنه.
উমর [রাযিয়াল্লাহু আনহু]-এর হজের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
উসমান [রাযিয়াল্লাহু আনহু]-এর হজের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
আলী [রাযিয়াল্লাহু আনহু]-এর হজের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
উমাইয়া খলিফাদের মধ্যে যারা হজ করেছেন তাদের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
আব্বাসীয় খলিফাদের মধ্যে যারা হজ করেছেন তাদের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
হজ পালনে নেককার ও আল্লাহর ওলিদের ঘটনাবলির চমৎকার কিছু অংশের বিবরণ সম্বলিত পরিচ্ছেদ।
যাদের সফর দীর্ঘ হয়েছিল এবং যারা স্বদেশের জন্য ব্যাকুল হয়েছিলেন তাদের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
সাথীদের বিদায় জানানো সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
যারা হজ সম্পাদন করে তাদের কোনো নিকটাত্মীয়ের কবর যিয়ারত করেছেন তাদের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
[সম্মানিত] মক্কায় অবস্থান সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
মক্কায় অবস্থানকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
মক্কায় রমজানের রোজা রাখার ফজিলত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
হারাম শরীফে সমাহিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
যারা অধিক পরিমাণে হজ করতেন তাদের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
হজ করার পরপরই যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের সওয়াবের বিবরণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
হজ এবং হজের স্থানসমূহের প্রতি ব্যাকুলতা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
أَبْوَابٌ ذِكْرُ مَدِينَةِ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم:
باب في أسمائها.
باب في فضلها.
باب في كيفية فتح المدينة.
باب تحريم المدينة وحدود حرمها.
باب ذكر مسجد الرسول عليه السلام.
باب في ذكر أصله وبنائه.
باب فضل الصلاة فيه.
باب ذكر المنبر.
باب ذكر حنين الجذع حين انتقل [صلى الله عليه وسلم] عَنْهُ إِلَى الْمِنْبَرِ.
باب ذكر الروضة [النبوية] .
باب فضل صلاة الجمعة بالمدينة.
باب فضل صوم رمضان بالمدينة.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শহরের বর্ণনার পরিচ্ছেদসমূহ:
এর নামসমূহ সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
এর মর্যাদা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
মদিনা বিজয়ের পদ্ধতি সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
মদিনাকে হারাম ঘোষণা করা এবং এর হারামের সীমানা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
রাসূল আলাইহিস সালাম-এর মসজিদের বর্ণনা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
এর মূল ভিত্তি এবং নির্মাণ সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
এতে সালাত আদায়ের মর্যাদা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
মিম্বারের বর্ণনা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
যখন তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] খেজুর গাছের গুঁড়ি থেকে মিম্বারে স্থানান্তরিত হলেন, তখন গুঁড়িটির কান্নার বর্ণনা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
[নববী] রওজার বর্ণনা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
মদিনায় জুমার সালাত আদায়ের মর্যাদা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
মদিনায় রমজানের রোজা পালনের মর্যাদা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
باب ذكر مسجد قباء.
باب ذكر أعيان من نزل بالمدينة.
بَابٌ ذِكْرُ مَنِ انْتَهَتِ الْفَتْوَى إِلَيْهِ مِنَ التابعين بالمدينة.
باب ذكر فضيلة عالم المدينة.
بَابٌ ذِكْرُ مَنْ وُعِظَ مِنَ الْخُلَفَاءِ بِالْمَدِينَةِ.
بَابٌ ذِكْرُ قَبْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
باب زيارة قبره صلى الله عليه وسلم.
باب بلوغ سلام المسلمين عليه صلى الله عليه وسلم.
بَابُ ذِكْرِ كَلِمَاتٍ حُفِظَتْ عِنْ زُوَّارِ قَبْرِهِ [صلى الله عليه وسلم] وأحوال جرت لهم.
بَابُ ذِكْرِ الْبَقِيعِ وَصَلاةِ رَسُولِ اللَّهِ [صلى الله عليه وسلم] على أهله.
باب ذكر بقاعٍ بالمدينة يستحب زيارتها.
باب الاتعاظ بالقبور.
باب كلام القبر.
মসজিদ কুব্বার বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মদিনায় বসবাসকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মদিনার তাবেয়ীদের মধ্যে যাঁদের নিকট ফতোয়া প্রদান পর্যবসিত হয়েছিল, তাঁদের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মদিনার আলেমের শ্রেষ্ঠত্বের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মদিনায় যে সকল খলিফাকে উপদেশ প্রদান করা হয়েছিল, তাঁদের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর জিয়ারত সংক্রান্ত অধ্যায়।
তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট মুসলিমদের সালাম পৌঁছানো সংক্রান্ত অধ্যায়।
তাঁর [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] কবর জিয়ারতকারীদের থেকে সংরক্ষিত বাণীসমূহ এবং তাঁদের ক্ষেত্রে সংঘটিত ঘটনাবলির বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
আল-বাকী এবং বাকীবাসীদের ওপর রাসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম]-এর সালাত (দোয়া) পাঠের বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
মদিনার এমন কিছু স্থানের বিবরণ যে স্থানগুলো জিয়ারত করা মুস্তাহাব।
কবর দেখে উপদেশ গ্রহণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
কবরের কথোপকথন সংক্রান্ত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
بَابٌ مُنْتَخَبٌ مِنْ مَحَاسِنِ مَا كُتِبَ عَلَى القبور.
باب من فنون الحكم والمواعظ.
فتلك مئة وستون باباً.
কবরের ফলকসমূহে যা লেখা হয়েছে তার শ্রেষ্ঠ বিষয়সমূহ থেকে নির্বাচিত একটি অধ্যায়।
প্রজ্ঞা ও উপদেশমালার বিবিধ প্রকার সংক্রান্ত একটি অধ্যায়।
সুতরাং এই হলো মোট একশত ষাটটি অধ্যায়।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
أبواب فرض الحج
হজ ফরয হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়সমূহ
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
أبواب فرض الحج
بَابُ فَرْضِ الْحَجِّثَبَتَ وُجُوبُ الْحَجِّ بِقَوْلِهِ تَعَالَى: {وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ استطاع إليه سبيلاً} .
وَالْحَجُّ فِي كَلامِ الْعَرَبِ: الْقَصْدُ، وَفِيهِ لُغَتَانِ: فَتْحُ الْحَاءِ وَهِيَ قِرَاءَةُ الأَكْثَرِينَ، وَكَسْرُهَا وَهِيَ قراءة حمزة والكسائي.
وقوله: {من استطاع إليه سبيلاً} :
قَالَ النَّحْوِيُّونَ: ((مَنْ)) بَدَلٌ مِنَ النَّاسِ، وَهَذَا بدل البعض، كما تقول: ((ضربت زيداً رأسه)) .
و ((السبيل)) في اللغة: الطريق، ويذكر السبيل ويؤنث، وكذلك الطريق، والذراع، والموس، والسوق، والعاتق، والعنق، والحمر، والسلطان، والقليب فِي حُرُوفٍ يَطُولُ ذِكْرُهَا.
1- وَقَدْ رُوِيَ [عَنِ] ابن مسعود وابن عمر وأنس وعائشة [رضي الله عنها] ، عن النبي صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ سُئِلَ: مَا السَّبِيلُ؟ فَقَالَ:
হজ ফরজ হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদসমূহ
হজ ফরজ হওয়ার অধ্যায়মহান আল্লাহর এই বাণীর মাধ্যমে হজ ওয়াজিব হওয়া সাব্যস্ত হয়েছে: “মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ করা তার ওপর আবশ্যক।”
আরবদের ভাষায় হজ শব্দের অর্থ হলো: সংকল্প বা উদ্দেশ্য করা। এতে দুটি ভাষাতাত্ত্বিক রূপ রয়েছে: ‘হা’ বর্ণে জবর (হজ), যা অধিকাংশ ক্বারীর তিলাওয়াত; এবং ‘হা’ বর্ণে জের (হিজ), যা হামজাহ ও কিসায়ীর তিলাওয়াত।
আর তাঁর বাণী: “যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে”:
ব্যাকরণবিদগণ বলেছেন: ‘মান’ (যে) শব্দটি ‘আন-নাস’ (মানুষ) শব্দ থেকে বদল (স্থলাভিষিক্ত) হয়েছে, আর এটি হলো ‘বদলুল বাজ’ (আংশিক স্থলাভিষিক্ত), যেমন আপনি বলেন: “আমি যায়েদের মাথায় আঘাত করেছি।”
অভিধানে ‘সাবিল’ শব্দের অর্থ হলো: পথ। ‘সাবিল’ শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ভাবেই ব্যবহৃত হয়; তদ্রূপ ‘তারিক’ (পথ), ‘জিরা’ (বাহু), ‘মুসা’ (ক্ষুর), ‘সুক’ (বাজার), ‘আতিক’ (কাঁধ), ‘উনুক’ (ঘাড়), ‘হুমুর’ (গাধা), ‘সুলতান’ (কর্তৃত্ব) এবং ‘কালীব’ (কূপ) - এমন আরও অনেক শব্দের ক্ষেত্রে এটি ঘটে যা বর্ণনা করা দীর্ঘসাধ্য হবে।
১- ইবনে মাসউদ, ইবনে উমর, আনাস এবং আয়েশা [রাজিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: ‘সাবিল’ (পথ) কী? তখন তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
((مَنْ وَجَدَ الزَّادَ وَالرَّاحِلَةَ)) .
2- أَخْبَرَنَا ابْنُ الْحُصَيْنِ، قال: أخبرنا ابن المذهب، قال: أخبرنا القطيعي، قال: ثنا عبد الله بن أحمد، قال: حدثني أبي، قال: ثنا منصور بن وردان، قال: ثنا علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي عليه السلام؛ قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ: {وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلا} ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَفِي كُلِّ عَامٍ؟ فَسَكَتَ. فَقَالُوا: أَفِي كُلِّ عَامٍ؟ فَسَكَتَ. ثُمَّ قالوا: أفي كل عام؟ فقال: ((لا، وَلَوْ قُلْتُ نَعَمْ؛ لَوَجَبَتْ)) .
فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل: {يا أيها الَّذِينَ آمَنُوا لا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تبد لكم تسؤكم....} إِلَى آخِرِ الْآيَةِ.
((যে পাথেয় ও বাহন পেয়েছে))।
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মাযহাব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ক্বাতীঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবনে ওয়ারদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল আলা, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবুল বাখতারী থেকে, তিনি আলী আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: যখন এই আয়াতটি নাযিল হলো: {এবং মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ গৃহের হজ করা তার ওপর অবশ্য কর্তব্য}, তখন তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি প্রতি বছর? তখন তিনি নিরব থাকলেন। তারা পুনরায় বললেন: এটা কি প্রতি বছর? তিনি নিরব থাকলেন। অতঃপর তারা বললেন: এটা কি প্রতি বছর? তখন তিনি বললেন: ((না, আর আমি যদি ‘হ্যাঁ’ বলতাম, তবে তা অবশ্য কর্তব্য হয়ে যেত))।
অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা নাযিল করলেন: {হে মুমিনগণ! তোমরা এমন সব বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হলে তোমাদের নিকট তা খারাপ লাগবে....} আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
بَابُ بَيَانِ مَا يَشْتَمِلُ عَلَيْهِ الْحَجُّالْحَجُّ يَشْتَمِلُ عَلَى خَمْسَةِ أَشْيَاءَ: شَرَائِطَ، وَأَرْكَانٍ، وَوَاجِبَاتٍ، ومسنونات، وهيآت.
فَأَمَّا الشَّرَائِطُ:
فَقَدِ اشْتُرِطَ فِي مَحَلِّ الْوُجُوبِ وُجُودُ خَمْسَةِ شَرَائِطَ: الْبُلُوغُ، وَالْعَقْلُ، وَالْحُرِّيَّةُ، وَالإِسْلامُ، والزاد، والراحلة.
أما شَرَائِطُ الأَدَاءِ عَلَى الْعُمُومِ، فَثَلاثَةٌ:
[الْأَوَّلُ] : تَخْلِيَةُ الطَّرِيقِ: وَهُوَ أَنْ لا يَكُونَ مَانِعٌ يَمْنَعُ ما يُخَافُ مِنْهُ عَلَى النَّفْسِ وَالْمَالِ.
وَالثَّانِي: أَنْ يُمَكَّنَ الأَدَاءُ: وَهُوَ أَنْ يَكُونَ الْوَقْتُ مُتَّسِعًا للفعل، أو المسافرة إِنْ كَانَ عَلَى مَسَافَةٍ.
وَالثَّالِثُ: أَنْ يَكُونَ مِمَّنْ يَسْتَمْسِكُ عَلَى الرَّاحِلَةِ.
হজ যা যা অন্তর্ভুক্ত করে তার বিবরণ সংক্রান্ত অধ্যায়হজ পাঁচটি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে: শর্তাবলি, রুকনসমূহ, ওয়াজিবসমূহ, সুন্নাতসমূহ এবং আনুষঙ্গিক রূপসমূহ।
আর শর্তাবলির বিষয়ে:
হজ ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে পাঁচটি শর্তারোপ করা হয়েছে: বালেগ হওয়া, সুস্থ জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া, স্বাধীন হওয়া, ইসলাম এবং পাথেয় ও বাহনের সংস্থান থাকা।
আর সাধারণভাবে হজ আদায়ের শর্তাবলি হলো তিনটি:
[প্রথম] : পথ বাধামুক্ত থাকা; আর তা হলো জান ও মালের ওপর ভীতি সৃষ্টি করে এমন কোনো প্রতিবন্ধক না থাকা।
দ্বিতীয়: হজ সম্পাদন সম্ভব হওয়া; অর্থাৎ আমলটি করার জন্য অথবা পথ অতিক্রম করার জন্য (যদি দূরত্ব থাকে) সময় পর্যাপ্ত হওয়া।
তৃতীয়: এমন ব্যক্তি হওয়া যে বাহনের ওপর স্থির থাকতে সক্ষম।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
وَاشْتُرِطَ فِي حَقِّ الضَّرِيرِ أَنْ يَكُونَ لَهُ قائد يلازمه.
واشترط في حق المرأة: المحرم، و (المحرم) : الزَّوْجُ أَوْ مَنْ لا يَحِلُّ لَهُ نِكَاحُهَا من المناسبين.
واختلفت الرواية عن [الإمام] أَحْمَدَ فِي الْمَحْرَمِ، هَلْ هُوَ مِنْ شَرَائِطِ الْوُجُوبِ؟ أَوْ مِنْ شَرَائِطِ الأَدَاءِ عَلَى رِوَايَتَيْنِ.
فَصْلٌوَأَمَّا الْأَرْكَانُ: فَفِيهَا ثَلاثُ رِوَايَاتٍ عَنْ [الإمام] أَحْمَدَ:
إِحْدَاهُنَّ: أَنَّهَا أَرْبَعَةٌ: الْإِحْرَامُ، وَالْوُقُوفُ، وَطَوَافُ الزِّيَارَةِ، وَالسَّعْيُ.
وَالرِّوَايَةُ الثَّانِيَةُ: أَنَّهَا ثَلاثَةٌ، وَالسَّعْيُ سُنَّةٌ إِذَا تَرَكَهُ، فَلا شَيْءَ عَلَيْهِ.
وَقَالَ أصحابنا: عليه بتركه دم.
والرواية الثالثة: أنها رُكْنَانِ: الْوُقُوفُ، وَالطَّوَافُ.
فَإِنَّهُ قَالَ فِيمَنْ وَقَفَ وَزَارَ الْبَيْتَ: عَلَيْهِ دَمٌ وَحَجَّتُهُ صَحِيحَةٌ.
فَصْلٌ
وَأَمَّا الْوَاجِبَاتُ: فَسَبْعَةٌ:
দৃষ্টিহীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে শর্ত করা হয়েছে যে, তার সাথে একজন নিয়মিত পথপ্রদর্শক থাকতে হবে।
এবং মহিলার ক্ষেত্রে শর্ত করা হয়েছে: মাহরাম। আর (মাহরাম) হলো: স্বামী অথবা আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে এমন ব্যক্তি যার জন্য তাকে বিবাহ করা বৈধ নয়।
মাহরামের বিষয়ে [ইমাম] আহমাদ থেকে প্রাপ্ত বর্ণনায় মতভেদ রয়েছে; এটি কি হজ ওয়াজিব হওয়ার শর্তাবলির অন্তর্ভুক্ত নাকি তা আদায় করার শর্তাবলির অন্তর্ভুক্ত? এ বিষয়ে দুটি বর্ণনা রয়েছে।
পরিচ্ছেদআর রুকনসমূহের বিষয়ে [ইমাম] আহমাদ থেকে তিনটি বর্ণনা রয়েছে:
তার মধ্যে একটি হলো: রুকন চারটি: ইহরাম, (আরাফায়) অবস্থান, তাওয়াফে যিয়ারত এবং সাঈ।
দ্বিতীয় বর্ণনাটি হলো: রুকন তিনটি; আর সাঈ হলো সুন্নাত, যদি কেউ তা পরিত্যাগ করে তবে তার ওপর কোনো কিছু বর্তাবে না।
এবং আমাদের সাথীগণ বলেছেন: এটি পরিত্যাগ করার কারণে তার ওপর ‘দম’ (পশু জবাই করা) ওয়াজিব হবে।
তৃতীয় বর্ণনাটি হলো: রুকন দুটি: অবস্থান এবং তাওয়াফ।
কেননা তিনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে (আরাফায়) অবস্থান করেছে এবং বায়তুল্লাহ যিয়ারত করেছে: তার ওপর ‘দম’ ওয়াজিব এবং তার হজ সহীহ।
পরিচ্ছেদ
আর ওয়াজিবসমূহ হলো সাতটি:
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
الْإِحْرَامُ مِنَ الْمِيقَاتِ، وَالْوُقُوفُ بِعَرَفَةَ إِلَى اللَّيْلِ، وَالْمَبِيتُ بِمُزْدَلِفَةَ إِلَى بَعْدِ نِصْفِ اللَّيْلِ، وَالْمَبِيتُ بِمِنًى فِي لَيَالِي مِنًى -إِلا لأَهْلِ السِّقَايَةِ وَالرِّعَاءِ-، وَالرَّمْيِ، وَالْحَلاقِ، وَطَوَافُ الْوَدَاعِ.
فَصْلٌوَأَمَّا الْمَسْنُونَاتُ: فَهِيَ:
الاغْتِسَالُ، وَصَلاةُ الرَّكْعَتَيْنِ عِنْدَ عَقْدِ الْإِحْرَامِ، وَطَوَافُ الْقُدُومِ، وَالْجَمْعُ بَيْنَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ فِي عَرَفَاتٍ مَا لَمْ يَكُنْ بَدَأَ بِالْوُقُوفِ نَهَارًا، لَأَنَّهُ مُخَيَّرٌ قَبْلَ الدُّخُولِ فِي الْوُقُوفِ بَيْنَ الْجَمْعِ بَيْنَ الزَّمَانَيْنِ وَبَيْنَ إِفْرَادِ اللَّيْلِ، فإن وقف بالنهار، وجب عليه أن يقف جزءاً من اللَّيْلِ، فَإِنْ أَخَلَّ بِذَلِكَ، وَجَبَ عَلَيْهِ دَمٌ، وَالتَّلْبِيَةُ، وَرَكْعَتَا الطَّوَافِ، وَاسْتِلامُ الرُّكْنَيْنِ، وَالتَّقْبِيلُ، وَالْمَبِيتُ بِمِنًى لَيْلَةَ عَرَفَةَ إِنْ كَانَ خَارِجًا إِلَى عرفات من مَكَّةَ إِلَى غَدَاةِ عَرَفَةَ، وَسَائِرُ الأَذْكَارِ فِي الحج.
فصل
وأما الهيآت: فَرَفْعُ الصَّوْتِ بِالتَّلْبِيَةِ لِلرِّجَالِ، وَالدُّخُولُ إِلَى مَكَّةَ مِنْ أَعْلاهَا، وَإِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ مِنْ بَابِ بَنِي شَيْبَةَ، وَالاضْطِبَاعُ فِي الطَّوَافِ، وَالسَّعْيُ، وَالإِسْرَاعُ فِي مَوْضِعِ الإِسْرَاعِ وَالْمَشْيُ فِي مَوْضِعِ الْمَشْيِ، وَالْعُلُوُّ عَلَى الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يُشَاهِدَ الْبَيْتَ، وشدة السعي عند محسر، والوقوف على الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ وَعِنْدَ الْجَمَرَاتِ.
মিকাত থেকে ইহরাম বাঁধা, রাত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করা, মধ্যরাতের পর পর্যন্ত মুযদালিফায় রাত যাপন করা, মিনার রাতগুলোতে মিনায় অবস্থান করা—পানি পান করানোর দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি ও রাখালদের ব্যতীত—, পাথর নিক্ষেপ করা, মাথা মুণ্ডানো এবং বিদায়ী তাওয়াফ।
পরিচ্ছেদআর সুন্নাতসমূহ হলো:
গোসল করা, ইহরাম বাঁধার সময় দুই রাকাত সালাত আদায় করা, তাওয়াফে কুদুম (আগমনী তাওয়াফ), আরাফাতে অবস্থানকালে দিন ও রাতের সমন্বয় করা যতক্ষণ না তিনি দিনের বেলা অবস্থান শুরু করেন; কারণ অবস্থানে প্রবেশের পূর্বে দুই সময়ের সমন্বয় করা অথবা কেবল রাতের বেলা অবস্থান করার মধ্যে তিনি পছন্দের অধিকারী। যদি তিনি দিনের বেলা অবস্থান করেন, তবে তার ওপর রাতের কিছু অংশ অবস্থান করা ওয়াজিব। যদি তিনি এতে ত্রুটি করেন, তবে তার ওপর দম (পশু কুরবানি) ওয়াজিব হবে। এছাড়া তালবিয়া পাঠ করা, তাওয়াফের দুই রাকাত সালাত, রুকনদ্বয় স্পর্শ করা, চুম্বন করা এবং আরাফাতের রাতে মিনায় রাত যাপন করা—যদি তিনি মক্কা থেকে আরাফাতের উদ্দেশ্যে বের হন—আরাফাতের দিন সকাল পর্যন্ত, এবং হজ্জের অন্যান্য যিকরসমূহ।
পরিচ্ছেদ
আর আদবসমূহ হলো: পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করা, মক্কার উঁচু দিক দিয়ে প্রবেশ করা, মাসজিদুল হারামে বনী শায়বাহর দরজা দিয়ে প্রবেশ করা, তাওয়াফ ও সায়ীর সময় ইযতিবা (ডান কাঁধ খোলা রাখা) করা, দ্রুত চলার স্থানে দ্রুত চলা এবং স্বাভাবিক হাঁটার স্থানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটা, সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ওপর আরোহণ করা যতক্ষণ না বাইতুল্লাহ দেখা যায়, মুহাসসির উপত্যকায় দ্রুত গতিতে চলা এবং মাশআরুল হারাম ও জামারাতসমূহের নিকট অবস্থান করা।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮০)
فَصْلٌفَمَنْ تَرَكَ رُكْنًا، لَمْ يَتِمَّ نُسُكُهُ إِلا بِهِ، وَمَنْ تَرَكَ وَاجِبًا، فَعَلَيْهِ دَمٌ، وَمَنْ تَرَكَ سُنَّةً أَوْ هَيْئَةً، فَلا شَيْءَ عليه.
فصل
فإذا تَكَامَلَتِ الشُّرُوطُ عَلَى مَا سَبَقَ بَيَانُهُ، وَجَبَ البدار إلى الحج، وهذا قول الحنفية، والمالكية، والداوودية، وأحمد بن حَنْبَلٍ.
وَقَالَ الشَّافِعِيُّ: هُوَ عَلَى التَّرَاخِي.
وَالْمَسْأَلَةُ مَبْنِيَّةٌ عَلَى أَصْلٍ، وَهُوَ: هَلِ الأَمْرُ الْمُطْلَقُ يَقْتَضِي الْفَوْرَ أَمْ لا؟
[فَعِنْدَ] الْجُمْهُورِ يَقْتَضِي الفور خلافاً للشافعي، ولنا أدلة كثيرة ننتخب منها ها هنا ثلاثة:
إحداها: مِنَ الْقُرْآنِ، وَهُوَ قَوْلُهُ تَعَالَى: {مَا مَنَعَكَ ألا تسجد إذ أمرتك} ، وَلَوْ كَانَ الأَمْرُ عَلَى التَّرَاخِي، لَمَا حَسُنَ البدار إِلَيْهِ بِالْعِتَابِ.
وَالثَّانِي مِنَ النَّقْلِ، وَهُوَ:
3- حَدِيثُ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَعَاهُ وَهُوَ فِي الصَّلاةِ،
পরিচ্ছেদসুতরাং যে ব্যক্তি কোনো রুকন বর্জন করল, তা ব্যতিরেকে তার ইবাদত পূর্ণ হবে না। আর যে ব্যক্তি কোনো ওয়াজিব বর্জন করল, তার ওপর দণ্ডস্বরূপ পশু জবাই (দম) করা আবশ্যক। আর যে ব্যক্তি কোনো সুন্নত বা আদব বর্জন করল, তার ওপর কোনো কিছু বর্তাবে না।
পরিচ্ছেদ
অতঃপর যখন পূর্বে বর্ণিত শর্তাবলি পূর্ণ হয়ে যাবে, তখন অবিলম্বে হজ করা ওয়াজিব হবে। আর এটিই হানাফি, মালিকি, দাউদি এবং আহমদ ইবনে হাম্বলের অভিমত।
ইমাম শাফিয়ি বলেন: এটি বিলম্বে আদায়ের অবকাশ রাখে।
এই মাসয়ালাটি একটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, তা হলো: নিঃশর্ত আদেশ কি অবিলম্বে সম্পাদন দাবি করে নাকি নয়?
জমহুর উলামায়ে কেরামের মতে এটি শাফিয়ির মতের বিপরীতে অবিলম্বে সম্পাদন দাবি করে। আমাদের সপক্ষে অনেক দলিল রয়েছে, যেখান থেকে আমরা এখানে তিনটি নির্বাচন করছি:
প্রথমটি: কুরআন থেকে, যা হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আমি যখন তোমাকে নির্দেশ দিয়েছিলাম, তখন কিসে তোমাকে সিজদা করতে বাধা দিয়েছিল?}। যদি নির্দেশটি বিলম্বে পালন করার অবকাশ রাখত, তবে অবিলম্বে তিরস্কার করা সংগত হতো না।
দ্বিতীয়টি বর্ণনা থেকে, তা হলো:
৩- আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা বর্ণিত হাদিস; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকেছিলেন যখন তিনি সালাতরত ছিলেন,
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮১)
فَلَمْ يُجِبْ، فَعَاتَبَهُ عَلَى ذَلِكَ وَقَالَ:
((أَلَمْ يقل الله عز وجل: {اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ} ؟)) .
وَالَثَّالِثُ: مِنَ اللُّغَةِ: وَهُوَ أَنَّ مُقْتَضَى الأَمْرِ إنما يعرف من أهل اللُّغَةِ، وَقَدْ أَجْمَعُوا عَلَى أَنَّ السَّيِّدَ إِذَا قَالَ لِعَبْدِهِ: قُمْ فَتَوَقَّفَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ، فَإِنَّهُ يَحْسُنُ لَوْمُهُ وَعِقَابُهُ.
4- وَقَدْ رَوَى ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ:
((مَنْ أَرَادَ الْحَجَّ، فَلْيَتَعَجَّلْ)) .
وَقَدِ احْتَجَّ أَصْحَابُ الشَّافِعِيِّ بِأَنَّ الْحَجَّ فُرِضَ فِي سَنَةِ خَمْسٍ مِنَ
তিনি উত্তর দিলেন না, ফলে তিনি এ বিষয়ে তাঁকে তিরস্কার করলেন এবং বললেন:
((আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কি বলেননি: {আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আহ্বানে সাড়া দাও যখন তিনি তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহ্বান করেন যা তোমাদেরকে জীবন দান করে}?))।
তৃতীয়টি: ভাষাতাত্ত্বিক দিক থেকে: আর তা হলো এই যে, আদেশের দাবি কেবলমাত্র ভাষা বিশেষজ্ঞদের থেকেই জানা যায়। তাঁরা এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, কোনো মুনিব যদি তাঁর দাসকে বলেন: "দাঁড়াও", আর সে কোনো ওজর ছাড়াই থেমে থাকে, তবে তাঁকে তিরস্কার করা এবং শাস্তি প্রদান করা সংগত।
৪- ইবনে আব্বাস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন:
(("যে ব্যক্তি হজ্জ করার ইচ্ছা করে, সে যেন দ্রুত তা সম্পাদন করে।"))।
শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারীরা দলিল পেশ করেছেন যে, হজ্জ হিজরী পঞ্চম সনে ফরয হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮২)
الْهِجْرَةِ، وَأَخَّرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى سَنَةِ عَشْرٍ، وَلَوْ كَانَ وَاجِبًا عَلَى الْفَوْرِ، لَمَا أَخَّرَهُ.
وَقَدْ أَجَابَ أَصْحَابُ أَبِي حَنِيفَةَ، فَقَالُوا: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَعْلَمَ نبيه [صلى الله عليه وسلم] أن لا يموت حَتَّى يَحُجَّ، فَكَانَ عَلَى يَقِينٍ مِنَ الإِدْرَاكِ، وهذا عذر يحتاجون فيه إلى إثبات نَقْلٍ، وَلا يَجِدُونَ فِي ذَلِكَ نَقْلا.
وَإِنَّمَا أَقَامُوا الاحْتِمَالَ مَقَامَ النَّقْلِ، فَلَيْسَ هَذَا الْجَوَابُ مُرْتَضًى لِهَذِهِ الْعِلَّةِ، وَالصَّحِيحُ أَنَّهُ أَخَّرَهُ لِعُذْرٍ، وقد كانت له خمسة أعذار:
إحداها: الْفَقْرُ.
وَالثَّانِي: الْخَوْفُ عَلَى نَفْسِهِ، وَلِهَذَا، كَانَ يُحْرَسُ إِلَى أَنْ نَزَلَ عَلَيْهِ قَوْلُهُ تَعَالَى: {والله يعصمك من الناس} .
وَالثَّالِثُ: الْخَوْفُ عَلَى الْمَدِينَةِ.
وَالرَّابِعُ: أَنْ يَكُونَ رأي أن تقديم الجهاد أولى.
والخامس: غلبة المشركين عَلَى مَكَّةَ وَإِظْهَارُهُمُ الشِّرْكَ هُنَاكَ وَمَا كَانَ يمكنه الْإِنْكَارُ عَلَيْهِمْ، فَلَمَّا قَوِيَ الإِسْلامُ، وَبَعَثَ أَبَا بكر [رضي الله عنه] عَلَى الْحَجِّ فِي سَنَةِ تِسْعٍ، وَأَمَرَ عَلِيًّا، فَنَادَى أَنْ لا يَحُجَّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ حج لزوال العذر، فتأخيره عليه [الصلاة و] وَالسَّلامُ قَضِيَّةٌ فِي عَيْنٍ، فَهِيَ مُحْتَمِلَةٌ، فَلا تُؤَثِّرُ فِي الْأَمْرِ الصَّرِيحِ.
হিজরতের পর, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দশম হিজরি পর্যন্ত বিলম্বিত করেছিলেন। যদি হজ্জ তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াজিব হতো, তবে তিনি তা বিলম্বিত করতেন না।
ইমাম আবু হানিফার অনুসারীগণ এর উত্তরে বলেছেন যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছিলেন যে, হজ্জ সম্পাদন করার আগে তাঁর মৃত্যু হবে না। ফলে তিনি তা আদায় করতে পারার বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন। এটি এমন এক ওজর যা প্রমাণের জন্য নির্ভরযোগ্য বর্ণনার (নকল) প্রয়োজন, অথচ তারা এ ক্ষেত্রে কোনো বর্ণনা খুঁজে পান না।
তারা মূলত বর্ণনার স্থলে নিছক সম্ভাবনাকে স্থান দিয়েছেন, তাই এই ত্রুটির কারণে এই উত্তরটি গ্রহণযোগ্য নয়। বরং সঠিক বিষয় হলো, তিনি কোনো ওজরের কারণে তা বিলম্বিত করেছিলেন। তাঁর ক্ষেত্রে পাঁচটি ওজর বিদ্যমান ছিল:
প্রথমটি: দরিদ্রতা।
দ্বিতীয়টি: নিজের জীবনের ওপর হামলার আশঙ্কা। এই কারণে আল্লাহ তাআলার এই বাণী—{আর আল্লাহ আপনাকে মানুষ থেকে রক্ষা করবেন}—অবতীর্ণ হওয়া পর্যন্ত তাঁকে পাহারা দেওয়া হতো।
তৃতীয়টি: মদিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে আশঙ্কা।
চতুর্থটি: জিহাদ পরিচালনাকে হজ্জের ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া অধিকতর কল্যাণকর মনে করা।
পঞ্চমটি: মক্কায় মুশরিকদের আধিপত্য এবং সেখানে তাদের শিরকি কর্মকাণ্ডের বহিঃপ্রকাশ, যা তখন তাঁর পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল না। অতঃপর যখন ইসলাম শক্তিশালী হলো এবং তিনি নবম হিজরিতে আবু বকরকে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হজ্জের জন্য পাঠালেন এবং আলীকে নির্দেশ দিলেন; তখন তিনি ঘোষণা করলেন যে, এই বছরের পর আর কোনো মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না। ওজর দূরীভূত হওয়ার ফলেই তিনি হজ্জ করলেন। সুতরাং আল্লাহর রাসূলের (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) এই বিলম্ব করার বিষয়টি ছিল একটি বিশেষ পরিস্থিতির ঘটনা, যা একাধিক ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে; ফলে এটি কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশের ওপর প্রভাব ফেলে না।
(খণ্ড: ১)
মুসীরুল আযমিস সাকিন ইলা আশরাফিল আমাকিন ত্ববআ আর-রায়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
بَابُ ذَمِّ مَنْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْحَجُّ وَتَرَكَهُ من غير عذر5- أخبرنا عبد الله بن محمد النسفي، قال: أخبرنا عبد الرزاق بن عمر بن شمة، قال: أخبرنا محمد بن إبراهيم بن داران، قال: ثنا أبو عروبة الحراني، قال: حدثني المغيرة بن عبد الرحمن، قال: ثنا يزيد بن هارون، قال: ثنا شَرِيكٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سابط، عن أبي أمامة [رضي الله عنه] ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قال:
((من لم يحبسه [عن الحج] مَرَضٌ، أَوْ حَاجَةٌ ظَاهِرَةٌ، أَوْ سُلْطَانٌ جَائِرٌ، وَلَمْ يَحُجَّ، فَلْيَمُتْ إِنْ شَاءَ يَهُودِيًّا أَوْ نصرانياً)) .
6- أخبرنا الكروخي، قال: أخبرنا أَبُو عَامِرٍ الْأَزْدِيُّ وَأَبُو بَكْرٍ
অনুচ্ছেদ: যার ওপর হজ ফরজ হয়েছে অথচ কোনো ওজর ব্যতিরেকেই তা বর্জন করেছে, তার নিন্দা৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আন-নাসাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক বিন উমর বিন শাম্মাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন দারান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আরুবাহ আল-হাররানি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুগিরা বিন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক, লাইস থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু উমামাহ [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
((যাকে কোনো অসুস্থতা, অথবা প্রকাশ্য কোনো প্রয়োজন, কিংবা কোনো জালেম শাসক [হজ করা থেকে] বাধা প্রদান করেনি, তবুও সে হজ করেনি, তবে সে চাইলে ইহুদি হয়ে মৃত্যুবরণ করুক অথবা খ্রিস্টান হয়ে।))।
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কারুখি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমির আল-আজদি এবং আবু বকর...