(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: -)
مسألة التسمية لمحمد بن طاهر المقدسي القسم: كتب السنة
الكتاب: مسألة التسمية
المؤلف: أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد المقدسي الشيباني، المعروف بابن القيسراني (ت 507هـ)
المحقق: عبد الله بن علي مرشد
الناشر: مكتبة الصحابة - جدة
الطبعة: الأولى
عدد الصفحات: 70
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মুহাম্মদ বিন তাহির আল-মাকদিসি রচিত মাসআলাতুত তাসমিয়াহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মাসআলাতুত তাসমিয়াহ
লেখক: আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির বিন আলী বিন আহমদ আল-মাকদিসি আল-শাইবানি, যিনি ইবনুল কায়সারানি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫০৭ হিজরি)
সম্পাদক: আবদুল্লাহ বিন আলী মুর্শিদ
প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাহাবা - জেদ্দা
সংস্করণ: প্রথম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭০
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (পাঠ তুলনা)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
بسم الله الرحمن الرحيمالحمد لله رب العالمين وصلواته على سيد المرسلين محمد وآله وصحبه أجمعين وسلم تسليما
أما بعد
فإن سائلا سألني عن السبب الموجب لترك الجهر بقراءة {بسم الله الرحمن الرحيم} في أول الفاتحة وغيرها من سور القرآن في الصلوات بعد أن كنت أجهر بها
فكان الجواب أنني لما نشأت كنت على مذهب أخذته تقليدا إذ الصبي يكون مذهبه قبل التمييز مذهب أبويه وأهل بلده فكنت على ذلك حينا أعتقد صحتة جهلا مني بطرق الأحاديث التي هي المرقاة المتوصل بها إلى معرفة ذلك فلما رزقني الله تعالى من العلوم أجلها وأنفعها عاجلا وآجلا دعاني ذلك إلى تناول الصحيح مما ينقل عن
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামেসকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং তাঁর রহমত বর্ষিত হোক রাসূলদের সরদার মুহাম্মদ এবং তাঁর সকল পরিবার-পরিজন ও সঙ্গীদের ওপর, আর তাদের ওপর বর্ষিত হোক পূর্ণাঙ্গ শান্তি।
অতঃপর,
এক প্রশ্নকারী আমাকে সেই কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন যার ফলে আমি নামাযে সূরা ফাতিহা ও কুরআনের অন্যান্য সূরার শুরুতে {বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম} উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করা পরিত্যাগ করেছি, অথচ পূর্বে আমি তা উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করতাম।
উত্তর এই যে, যখন আমি বড় হচ্ছিলাম, তখন আমি এমন একটি মাযহাবের ওপর ছিলাম যা আমি তাকলীদের মাধ্যমে গ্রহণ করেছিলাম। কেননা, বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে শিশুর মাযহাব হয়ে থাকে তার পিতামাতা এবং তার দেশের অধিবাসীদের মাযহাব। আমি একটি সময় পর্যন্ত সেটির ওপরই ছিলাম এবং হাদীসের পথসমূহ সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে সেটিকে সঠিক বলে মনে করতাম—যা হলো সেই জ্ঞান লাভের সোপান। অতঃপর যখন আল্লাহ তাআলা আমাকে ইহকাল ও পরকালের সবচেয়ে মহান এবং উপকারী ইলম দান করলেন, তখন তা আমাকে সেই সব সহীহ বর্ণনা গ্রহণ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করল যা বর্ণিত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২০)
صاحب الشريعة ويترك ما سواه وذلك أني تتبعت هذه المسألة وأحاديثها للفريقين فلم أجد في الجهر في الصلاة حديثا صحيحا يعتمد عليه أهل النقل ولا أخرج منها في الكتابين الصحيحين الذين أجمع المسلمون على صحة ما أخرج فيهما حرف واحد يدل على أن النبي صلى الله عليه وسلم جهر بها في الصلاة ووجدت الأحاديث الصحاح في ترك الجهر بها مخرجة في الكتابين وغيرهما من السنن المصنفة في الشريعة ثم إجماع الفقهاء على هذا الفعل وإنما جهر بها من
শরীয়ত প্রণেতা এবং তিনি যা কিছু তার পরিপন্থী তা পরিত্যাগ করেন। আর তা এজন্য যে, আমি এই মাসআলাটি এবং উভয় পক্ষের হাদিসসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান করেছি, ফলে নামাজের মধ্যে উচ্চস্বরে (ক্বিরাত) পাঠের ক্ষেত্রে এমন কোনো সহীহ হাদিস খুঁজে পাইনি যার ওপর হাদিস বিশারদগণ নির্ভর করতে পারেন। যে দুটি সহীহ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হাদিসসমূহের বিশুদ্ধতার ওপর মুসলিম উম্মাহ ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তাতে এমন একটি বর্ণও বর্ণিত হয়নি যা প্রমাণ করে যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামাজে তা উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন। বরং উচ্চস্বরে পাঠ বর্জনের ব্যাপারে সহীহ হাদিসসমূহ আমি উক্ত সহীহ গ্রন্থদ্বয় এবং শরীয়তের অন্যান্য সুনান গ্রন্থসমূহে সংকলিত পেয়েছি। অতঃপর এই কর্মের ওপর ফকীহগণের ঐকমত্য রয়েছে। আর যারা উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন, তারা কেবল...
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২১)
الأئمة المقتدى بهم الإمام أبو عبد الله محمد بن إردريس الشافعي رضي الله عنه وقوم ممن لا يعد الفقهاء خلافهم خلافا فكان ذلك هو السبب الذي دعاني إلى هذا الفعل
قال السائل: فإن جماعة من أهل النقل ممن يعرف بالحفظ والتقدم فيه يجهر بها.
قلت لا يخلو المحدث الجاهر بها من أحد قسمين إما أن يكون عَلم من النقد ما عَلم الحفاظ الأئمة المتقدمون من الصحيح والسقيم والمتصل والمنفصل والمرسل والمسند والمعدل
অনুসরণীয় ইমামগণ যেমন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আশ-শাফিয়ী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এবং এমন একদল ব্যক্তি যাদের ভিন্নমতকে ফকিহগণ ধর্তব্য কোনো বিরোধ মনে করেন না; মূলত এটিই ছিল সেই কারণ যা আমাকে এই কাজে প্রবৃত্ত করেছে।
প্রশ্নকারী বললেন: বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে এমন একটি দল, যারা স্মৃতিশক্তি এবং এ শাস্ত্রে পারদর্শিতার জন্য সুপরিচিত, তারা এটি উচ্চস্বরে ব্যক্ত করেন।
আমি বললাম: উচ্চস্বরে ব্যক্তকারী মুহাদ্দিস দুটি প্রকারের যেকোনো একটির অন্তর্ভুক্ত হবেন; হয় তিনি হাদিস পর্যালোচনার সেই জ্ঞান রাখেন যা পূর্ববর্তী হাফেজ ও ইমামগণ রাখতেন—সহিহ, সাকিম, মুত্তাসিল, মুনফাসিল, মুরসাল, মুসনাদ এবং মুয়াদ্দাল হাদিস সম্পর্কে।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২২)
والمجروح وما يتعلق بأنواع الحديث التي جعلت سببا إلى معرفة الحديث أوْ لا ، فإن كان الرجل ممن عرف هذا كله وجهر بها فإنه متبع هواه مخالف للسنة وإن كان ممن وقع عليه الإسم مجازا فعذره عذر المقلد في هذا النوع ورضي بأن يقال سبق إلحاح
واعلم أن كل حديث جهر ببسم الله الرحمن الرحيم في الصلاة وقنت في صلاة الصبح بالدعاء الذي علمه رسول الله صلى الله عليه وسلم للحسن بن علي رضي الله عنه في الوتر وتشهد بتشهد عبد الله بن عباس وما أشبه ذلك من المسائل التي صح النقل بخلافها أو كان غيرها أولى وأرجح عند أهل الصنعة من الأخذ فإنه داخل في هذين القسمين [التي] تقدمت
এবং মাজরুহ (ত্রুটিযুক্ত বর্ণনাকারী) ও হাদিসের প্রকারভেদ সংক্রান্ত বিষয়াদি যা হাদিস চেনার মাধ্যম হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে বা হয়নি; সুতরাং যদি ব্যক্তি এমন হন যিনি এই সব কিছু জানেন এবং তা প্রকাশ্যে প্রচার করেন, তবে তিনি স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসারী ও সুন্নাহর বিরোধী। আর যদি তিনি এমন কেউ হন যার ওপর এই নাম কেবল রূপকভাবে প্রযুক্ত হয়, তবে এই বিষয়ে তার ওজর হলো একজন মুকাল্লিদের (অন্ধ অনুসারীর) ওজরের ন্যায় এবং তিনি এতেই সন্তুষ্ট যে বলা হোক তার জেদ প্রাধান্য পেয়েছে।
জেনে রাখুন যে, প্রত্যেক সেই হাদিস যাতে সালাতে উচ্চস্বরে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ পাঠ করা, ফজরের সালাতে সেই দোয়ার মাধ্যমে কুনুত পাঠ করা যা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাসান ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিতরের সালাতে শিখিয়েছিলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের তাশাহহুদ পাঠ করা এবং এই জাতীয় অন্যান্য মাসয়ালাসমূহ যেগুলোর বিপরীতে সহিহ বর্ণনা সাব্যস্ত হয়েছে অথবা এই শাস্ত্রের পণ্ডিতদের নিকট গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্যটি অধিকতর উত্তম ও অগ্রগণ্য ছিল; তবে তা পূর্বে উল্লিখিত এই দুই প্রকারের অন্তর্ভুক্ত হবে।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وأنا بعون الله ومنه أورد في هذه المسألة الحجج التي اعتمد عليها الأئمة من أهل النقل والفقه ليصح لديك جميع ما قدمته إليك والله المسهل لذلك والمعين عليه إنه جواد كريم
ونبدأ في هذه المسألة بالحديث المجمع على صحته عند أهل النقل على إخراجه في الصحيحين للبخاري ومسلم من حديث
আর আমি আল্লাহর সাহায্য ও তাঁর অনুগ্রহে এই মাসআলায় সেই দলিলসমূহ উপস্থাপন করছি, যার ওপর নির্ভর করেছেন হাদিস বিশারদ ও ফকিহ ইমামগণ, যাতে আপনার নিকট আমার পেশকৃত সকল বিষয় সঠিকভাবে প্রতিভাত হয়। আর আল্লাহই এর জন্য সহজকারী ও সাহায্যকারী; নিশ্চয়ই তিনি মহান দাতা ও দয়ালু।
আর আমরা এই মাসআলায় সেই হাদিস দিয়ে শুরু করছি যার বিশুদ্ধতার ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে হাদিস বিশারদগণের নিকট, যা বুখারি ও মুসলিমের সহিহাইন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে, (নিম্নোক্ত) হাদিস হতে:
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
أبي الخطاب: قتادة بن دعامة السدوسي البصري عن أبي حمزة أنس بن مالك الأنصاري رضي الله عنهما.
أخبرنا أبو محمد عبد الله الخطيب أخبرنا عبد الله بن محمد بن حبابة قال: أخبرنا أبو القاسم البغوي قال: سمعت شريح بن يونس يقول سمعت هشيما يقول إذا جاء قتادة في حديث فاتركوا حديث الناس.
أخبرنا أبو عبد الله محمد بن عبد العزيز الفقيه الهروي بها قال: أخبرنا أبو محمد عبد الرحمن بن أبي شريح الأنصاريّ.
وأخبرنا أبو القاسم علي بن أحمد البندار ببغداد أخبرنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن المخلّص.
وأخبرنا أبو محمد الخطيب الصريفيني أخبرنا أبو الحسن محمد بن عبد الله بن أخي ميمي (ح) وأخبرنا ابن النقور أخبرنا الكتاني.
وأخبرنا أبو محمد عبد الله بن محمد الصريفيني أخبرنا أبو القاسم عبيد الله بن محمد بن محمد بن مخلد بن سليمان قالوا أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي حدثنا علي بن الجعد الجوهري أخبرنا شعبة وشيبان عن قتادة قال: سمعت أنس بن مالك قال: صليت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فلم أسمع أحدا منهم يجهر ببسم الله الرحمن الرحيم.
هذا حديث اتفق البخاري، ومسلم على إخراجه في الكتابين الصحيحين، من حديث أبي بسطام شعبة بن الحجاج عن قتادة. فالبخاري أورده في الصلاة عن حفص بن عمر عن شعبة.
আবু আল-খাত্তাব: কাতাদাহ ইবনে দি'আমাহ আস-সাদুসি আল-বাসরি, আবু হামযাহ আনাস ইবনে মালিক আল-আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন।
আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-খতিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবাবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি, তিনি বলেন: আমি শুরাইহ ইবনে ইউনুসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হুশাইমকে বলতে শুনেছি, যখন কোনো হাদিসের বর্ণনায় কাতাদাহর নাম আসে, তখন তোমরা অন্য লোকদের হাদিস বর্জন করো।
আমাদের নিকট সেখানে সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আজিজ আল-ফকিহ আল-হারাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আবি শুরাইহ আল-আনসারি।
এবং আমাদের নিকট বাগদাদে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলী ইবনে আহমাদ আল-বুনদার, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মুখাল্লিস।
এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-খতিব আস-সারিফিনি, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আখি মিমি (হ), এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ইবনুন নাক্কুর, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল-কাত্তানি।
এবং আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সারিফিনি, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ ইবনে সুলাইমান; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদিল আজিজ আল-বাগাওয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আল-জা'দ আল-জাওহারি, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ এবং শাইবান, তাঁরা কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর, উমর এবং উসমানের পিছনে সালাত আদায় করেছি, কিন্তু আমি তাঁদের কাউকেই 'বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম' উচ্চস্বরে পড়তে শুনিনি।
এটি এমন একটি হাদিস যা বুখারি ও মুসলিম তাঁদের স্ব-স্ব সহিহ গ্রন্থে আবু বিসতাম শু'বাহ ইবনে হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারি এটি সালাত অধ্যায়ে হাফস ইবনে উমর থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ومسلم أورده عن أبي موسى محمد بن المثنى ومحمد بن بشار البصريين عن محمد بن جعفر غندر عن شعبة
وعن أبي موسى وحده عن أبي داود الطيالسي عن شعبة ولفظ غندر لم يكونوا يستفتحون القراءة ببسم الله الرحمن الرحيم وكذلك أبو داود سليمان بن داود الطيالسي
أخبرنا أبو بكر أحمد بن علي الأديب بنيسابور أخبرنا الحاكم أبو عبد الله محمد بن عبد الله إجازة حدثنا أبو الحسن بن تميم ببغداد حدثنا أبو قلابة الرقاشي حدثني أبي حدثنا حمَّاد بن زَيْد أنه كان إذا حدث عن شعبة قال حدثنا الضخم عن الضخام شعبة الخير أبو بسطام وناهيك بهذه المنقبة من إمام العراق: أبي إسماعيل حماد بن زيد بن درهم ومدحه له وتفخيمه إياه
فقد أخبرنا أبو علي الحسن بن عبد الرحمن الشامي بمكة قال: أخبرنا أحمد بن إبراهيم بن فراس أخبرني العباس بن قتيبة العسقلاني حدثنا محمد بن يزيد المستملي حدثنا عارم قال: سمعت ابن المبارك يقول:
أيها الطالب علما
… إيت حمَّاد بن زَيْد
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন বসরার দুই অধিবাসী আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মদ ইবনে বাশশার হতে, তাঁরা মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার হতে, তিনি শু'বাহ হতে।
এবং আবু মুসা এককভাবে আবু দাউদ আত-তায়ালিসি হতে, তিনি শু'বাহ হতে বর্ণনা করেছেন। গুন্দারের শব্দাবলী ছিল: "তারা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম দিয়ে তিলাওয়াত শুরু করতেন না।" তদ্রূপ আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে দাউদ আত-তায়ালিসিও বর্ণনা করেছেন।
নিশাপুরে আবু বকর আহমদ ইবনে আলী আল-আদিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হাসান ইবনে তামিম বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কিলাবা আর-রাক্কাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যখন শু'বাহ হতে হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন: "বিশাল ব্যক্তিত্ব আমাদের নিকট বিশাল ব্যক্তিত্বদের থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি হলেন কল্যাণের আধার শু'বাহ আবু বাস্তাম।" ইরাকের ইমাম আবু ইসমাইল হাম্মাদ ইবনে যাইদ ইবনে দিরহামের পক্ষ থেকে তাঁর এই প্রশংসা ও সম্মান প্রদর্শনই তাঁর (শু'বাহর) সুউচ্চ মর্যাদার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট।
মক্কায় আবু আলী হাসান ইবনে আব্দুর রহমান আশ-শামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ফরাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাস ইবনে কুতায়বা আল-আসকালানি আমাকে জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ আল-মুস্তামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আরিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি:
হে জ্ঞান অন্বেষণকারী
… তুমি হাম্মাদ ইবনে যাইদের নিকট যাও।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
فخذ العلم برفق
… ثم قيده بقيد
ولعل قائلا يقول: إني في تصحيحي هذا الحديث من هذا الطريق مقلد للبخاري ومسلم لأنهما أخرجاه وليس كذلك على أنهما بمنزلة من نقلد ولكني صححته من الوجه الذي صححاه وذلك أن هذا حديث رواه عن النبي صلى الله عليه وسلم جماعة من الصحابة ووافقوا أنس بن مالك على هذا اللفظ.
সুতরাং জ্ঞান অর্জন করো কোমলতার সাথে
… এরপর একে লিখনির মাধ্যমে আবদ্ধ করো।
হয়তো কোনো বক্তা বলতে পারেন: আমি এই সূত্রের মাধ্যমে এই হাদিসটি সহিহ সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে বুখারি ও মুসলিমের অন্ধ অনুসরণকারী, যেহেতু তারা এটি বর্ণনা করেছেন। বিষয়টি তেমন নয়, যদিও তারা এমন মর্যাদাসম্পন্ন যাদের আমরা অনুসরণ করতে পারি। তবে আমি একে সেই দিক থেকেই সহিহ সাব্যস্ত করেছি যে দিক থেকে তারা একে সহিহ বলেছেন। আর তা হলো এই যে, এটি এমন একটি হাদিস যা একদল সাহাবি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এই শব্দাবলির ক্ষেত্রে তারা আনাস ইবন মালিকের সাথে একমত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
منهم رجلان: عبد الله بن مغفل وأبو هريرة.
তঁদের মধ্যে দুইজন ব্যক্তি: আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল এবং আবু হুরায়রা।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
أما حديث عبد الله بن مغفل:فأخبرناه القاضي أبو عامر محمد بن القاسم الأزدي بهراة،
আর আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফালের হাদিস সম্পর্কে:হেরাতে আল-কাজি আবু আমির মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আল-আযদি আমাদেরকে এটি অবহিত করেছেন,
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
أخبرنا أبو محمد عبد الجبار بن محمد الجرحي المروزي قدم علينا أخبرنا أبو العباس محمد بن أحمد بن محبوب حدثنا أبو عيسى الترمذي حدثنا أحمد بن منيع حدثنا إسماعيل بن إبراهيم حدثنا الجريري عن قيس بن عباية عن ابن عبد الله بن مغفل قال سمعني أبي وأنا أقول بسم الله الرحمن الرحيم فقال أي بني إياك والحدث قال: " ولم أر أحدا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أبغض إليه الحدث في الإسلام يعني منه قال وقد صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ومع أبي بكر ومع عمر ومع عثمان فلم أسمع أحدا منهم يقولها فلا تقولها إذا أنت صليت فقل {الحمد لله رب العالمين} .
قال الإمام أبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي حديث عبد الله بن مغفل حديث حسن والعمل عليه عند أكثر أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم أبو بكر وعمر وعثمان وعلي غيرهم ومن بعدهم من التابعين.
আবু মুহাম্মদ আব্দুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ আল-জারহি আল-মারওয়াযি আমাদের নিকট আগত হয়ে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাহবূব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ঈসা আত-তিরমিযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-জারিরাী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স ইবনে আবায়া থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফালের পুত্র থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে ‘পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে’ (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম) বলতে শুনলেন। তখন তিনি বললেন: হে বৎস! দ্বীনের মধ্যে নব-আবিষ্কৃত বিষয় (বিদআত) থেকে সাবধান থেকো। বর্ণনাকারী বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে দ্বীনের ভেতর নতুন উদ্ভাবিত বিষয়কে তাঁর চেয়ে বেশি অপছন্দ করতে আর কাউকে আমি দেখিনি। তিনি বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এবং আবু বকর, উমর ও উসমানের সাথে সালাত আদায় করেছি, কিন্তু তাঁদের কাউকে এটি (সশব্দে) বলতে শুনিনি। সুতরাং তুমি যখন সালাত পড়বে তখন এটি বলো না, বরং তুমি বলো {সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক}।
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযী বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফালের হাদীসটি হাসান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে অধিকাংশ জ্ঞানবান ব্যক্তির আমল এই হাদীসের উপরই রয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবু বকর, উমর, উসমান, আলী এবং অন্যান্যরা। আর তাঁদের পরবর্তী তাবিঈগণেরও আমল এরূপই ছিল।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪০)
وأما حديث أبي هريرة:فأخبرنا أبو منصور محمد بن الحسين
আর আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসের ব্যাপারে:অতঃপর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪১)
المؤدب أخبرنا أبو طلحة القاسم بن أبي المنذر أخبرنا أبو الحسن علي بن إبراهيم القطان أخبرنا أبو عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه صاحب السنن حدثنا نصر بن علي الجهضمي وبكر بن خلف وعقبة بن مكرم قالوا حدثنا صفوان بن عيسى حدثنا بشر بن رافع عن أبي عبد الله ابن عم أبي هريرة عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يفتتح القراءة بـ {الحمد لله رب العالمين}
ثم أقول:
رواه عن أنس بن مالك جماعة من التابعين غير قتادة
منهم ثابت بن أسلم البنانيأخبرنا عبد الله بن محمد الخطيب أخبرنا أبو القاسم بن حبابة حدثنا عبد الله بن محمد البغوي حدثني أحمد بن منصور وغيره حدثنا الأحوص بن جواب حدثنا عمار بن زريق عن الأعمش عن شُعْبة عن ثابت بن أنس قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ومع أبي بكر وعمر رضي الله عنهم فلم يجهروا ببسم الله الرحمن الرحيم
আল-মুয়াদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তালহা আল-কাসিম ইবনে আবি আল-মুনজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলি ইবনে ইবরাহিম আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, 'সুনান' গ্রন্থকার আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মাজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, নাসর ইবনে আলি আল-জাহদামি, বকর ইবনে খালাফ এবং উকবা ইবনে মুকরিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন যে সাফওয়ান ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে রাফি আবু আব্দুল্লাহ (আবু হুরায়রার চাচাতো ভাই) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিরাত শুরু করতেন 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন' দিয়ে।
অতঃপর আমি বলি:
কাতাদা ব্যতীত তাবেয়ীদের একটি দল আনাস ইবনে মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন
তাদের মধ্যে সাবিত ইবনে আসলাম আল-বুনানি অন্যতমআব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-খতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-কাসিম ইবনে হুবাবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে মানসুর ও অন্যান্যরা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আহওয়াস ইবনে জওয়াব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আম্মার ইবনে জুরাইক আমাশ থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবু বকর এবং ওমর (রাদিআল্লাহু আনহুম)-এর সাথে সালাত আদায় করেছি, তাঁরা 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' উচ্চস্বরে পাঠ করতেন না।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪২)
وهذا الحديث لا يعلل به حديث شعبة عن قتادة عن أنس فيحتمل أن يكون الحديث عنده عنهما وفرق بينهما في الرواية لاختلاف العبارة وقد جمع بينهما في هذا الحديث حمَّاد بن سَلَمة فصح بذلك ما قلناه.
أخبرنا بحديثه أبو القاسم إسماعيل بن موسى بن عبد الله الساري أخبرنا اليسري أخبرنا أبو عمرو.
وحدثنا ابن مخلد كذا في حاشية الأصل بخط أبي نصر الأصبهاني "بفرخك" أخبرنا القاضي أبو بكر أحمد بن الحسن الحيري حدثنا أبو العباس محمد بن يعقوب الأصم حدثنا الحسن بن مكرم حدثنا يزيد بن هارون أخبرنا حمَّاد بن سلمة عن قتادة وثابت عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر وعثمان كانوا يستفتحون القراءة بـ {الحمد لله رب العالمين} .
ومنهم الحسن بن أبي الحسن البصري:أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد الطيار بأصبهان أخبرنا إبراهيم بن عبد الله بن خرشيد قوله أخبرنا عبد الله محمد بن مخلد حدثنا حفص بن عمرو الربالي حدثنا حماد بن مسعدة عن
এবং এই হাদিসটি শুবা-এর বর্ণিত হাদিসকে (যা তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি আনাস হতে বর্ণনা করেছেন) ত্রুটিযুক্ত করে না। বরং সম্ভাবনা রয়েছে যে, হাদিসটি তাঁর নিকট উভয়ের পক্ষ হতে বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি শাব্দিক ভিন্নতার কারণে বর্ণনায় তাঁদের মধ্যে পার্থক্য করেছেন। হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এই হাদিসে উভয়ের বর্ণনাকে একত্রিত করেছেন, ফলে আমরা যা বলেছি তা সঠিক প্রমাণিত হলো।
আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে মুসা ইবনে আবদুল্লাহ আস-সারি আমাদের নিকট তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-ইয়ুসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
ইবনে মাখলাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন - এভাবেই মূল পাণ্ডুলিপির টীকায় আবু নাসর আল-আসফাহানির হস্তাক্ষরে "বিফারখিকা" হিসেবে রয়েছে - কাজী আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান আল-হাইরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে মুকরাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ কাতাদাহ এবং সাবিত হতে, তাঁরা আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং আবু বকর, উমর ও উসমান (রা.) ‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ দিয়ে কিরাত শুরু করতেন।
এবং তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন হাসান ইবনে আবিল হাসান আল-বাসরি:আসফাহানে আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তাইয়্যার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে খুরশিদ কওলুহু আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফস ইবনে আমর আর-রাবালি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে মাসআদাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন... হতে।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
أشعث عن الحسن عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يفتتح القراءة بـ {الحمد لله رب العالمين}
ورواه سالم الخياط عن الحسن أتم من هذا.
أخبرنا أبو الفتح المطهر بن أحمد البيع أخبرنا علي بن منده أخبرنا أبو عمرو بن حكيم حدثنا أبو أمية الطرسوسي حدثنا عبد بن موسى حدثنا سالم الخياط عن الحسن عن أنس قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم سنتين ومع أبي بكر وعمر فلم أسمعهم يجهرون ببسم الله الرحمن الرحيم.
ومنهم محمد بن سيرين:أخبرنا أبو طالب بن سعد بن منصور ولاد الأصبهاني أخبرنا أبو الحسن علي بن ميلة الفقيه أخبرنا أبو عمرو بن حكيم أخبرنا محمد بن إبراهيم الطرسوسي حدثنا سليمان بن عبد الله الرقي حدثنا مخلد عن هشام عن ابن سيرين والحسن عن أنس بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر يستفتحون بـ {الحمد لله رب العاليمن}
ومنهم داود بن أبي هند:أخبرنا أبو القاسم الحسن بن محمد بن الحسن الخوافي - قدم علينا بنيسابور من خواف - أخبرنا محمد بن عبد الله بن يوسف بن
আশআস বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরাত শুরু করতেন {আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন} দিয়ে।
এবং সালিম আল-খাইয়াত এটি হাসান থেকে এর চেয়েও পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ আল-মুতাহহার বিন আহমাদ আল-বাই'; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন মানদাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর বিন হাকিম; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ আত-তারসুসি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদ বিন মুসা; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালিম আল-খাইয়াত, হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে; তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দুই বছর এবং আবু বকর ও উমরের সাথে সালাত আদায় করেছি, আমি তাদের কাউকে 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' উচ্চস্বরে পড়তে শুনিনি।
তাদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন সিরিন:আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব বিন সাদ বিন মানসুর ওয়াল্লাদ আল-আসফাহানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলি বিন মিলাহ আল-ফাকিহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর বিন হাকিম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আত-তারসুসি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন আব্দুল্লাহ আর-রাক্কি; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাখলাদ, হিশাম থেকে, তিনি ইবন সিরিন ও হাসান থেকে, তারা আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর ও উমর {আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন} দ্বারা সালাত শুরু করতেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন দাউদ ইবন আবি হিন্দ:আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-খাওয়াফি - তিনি খুওয়াফ থেকে নিশাপুরে আমাদের নিকট আগমন করেন - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
باهويه أخبرنا أبو الحسين علي بن الحسن القطان حدثنا أبو الجهم عبد الرحمن بن المنذر عن جده: محمد بن المنذر حدثنا علي بن ظبيان الجنى عن داود بن أبي هند عن أنس بن مالك قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر وعثمان يخفون بسم الله الرحمن الرحيم.
ومنهم أبو نعامه الحنفي:أخبرنا أبو بكر أحمد بن علي الشيرازي أخبرنا أبو طاهر محمد بن يحمش الزيادي حدثنا أبو بكر محمد بن الحسين القطان حدثنا علي بن الحسين بن أبي عيسى حدثنا عبد الله بن الوليد عن سفيان عن خالد الحذاء عن أبي نعامة عن أنس بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر لا يقرون - يعني لا يجهرون - ببسم الله الرحمن الرحيم.
فقد ثبت بما أوردناه صحة هذا الحديث عن أنس ولولا كراهية التطويل لأوردت طرقه عن أنس بالتمام وطرق من رواه عن كل واحد منهم ولكني اختصرت على إيراده من حديث هؤلاء الخمسة
বাহওয়াইহ্; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী ইবনুল হাসান আল-কাত্তান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল জাহাম আবদুর রহমান ইবনুল মুনযির তাঁর দাদা মুহাম্মাদ ইবনুল মুনযির থেকে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে যাবইয়ান আল-জানি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর, উমর এবং উসমান 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' গোপনে পাঠ করতেন।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন আবু নাআমা আল-হানাফি:আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী আশ-শিরাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহমাশ আয-যিয়াদি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে আবি ঈসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালিদ সুফিয়ান থেকে, তিনি খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি আবু নাআমা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উমর 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' পাঠ করতেন না - অর্থাৎ তাঁরা উচ্চস্বরে পাঠ করতেন না।
আমরা যা উপস্থাপন করেছি তার মাধ্যমে আনাস (রা.) থেকে এই হাদীসের বিশুদ্ধতা প্রমাণিত হয়েছে। দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি আনাস (রা.) থেকে এর সমস্ত সূত্র এবং তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে যারা এটি বর্ণনা করেছেন তাদের সূত্রগুলো সম্পূর্ণরূপে উল্লেখ করতাম। কিন্তু আমি এই পাঁচজনের হাদীসের বর্ণনার মধ্যেই সংক্ষেপ করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
الكبار الثقات من أصحاب أنس متابعة لقتادة على روايته المخرجة في الصحيحين.
ثم أقول: رواه عن قتادة غير شعبة شيبان المقدم ذكرهما جماعة من الأئمة نذكر من أجلائهم المجمع على أمانته خمسة.
فنبدأ بأبي بكر أيوب بن أبي تميمة السختياني تابعي سمع من أنس غير هذا الحديث وحدث بهذا الحديث عن قتادة
أخبرناه محمد بن الحسين أخبرنا القاسم بن أبي المنذر أخبرنا علي بن إبراهيم القطان قال: أخبرنا محمد بن يزيد حدثنا محمد بن الصباح أخبرنا سفيان بن عيينة عن أيوب عن قتادة عن أنس بن مالك.
قال محمد بن بن يزيد وحدثنا جبارة بن المغلس حدثنا أبو عوانة عن قَتَادة عن أَنَس بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر يفتتحون القراءة بـ {الحمد لله رب العالين} . هكذا أورده في السن ولم يبين اللفظ لمن هو فأوردته كذلك وقد تقدم في ترجمة ثابت رواية حمَّاد بن سَلَمة لهذا الحديث عن قَتَادة فيكون ثلاثة من الأئمة والرابع أبو بكر هشام بن سَنْبَر الدستوائي.
وأخبرنا بحديثه أبو علي علي بن أحمد بن علي السقطي بالبصرة أخبرنا أبو عمر القاسم بن جعفر بن عبد الواحد الهاشمي أخبرنا أبو علي محمد بن أحمد بن عمرو اللؤلؤي حدثنا أبو داود سليمان بن الأشعث حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام عن قَتَادة عن [أَنَس] أن النبي صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر وعثمان كانوا يفتتحون
আনাস (রা.)-এর সাথীদের মধ্যে যারা বয়োজ্যেষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য, তাঁরা কাতাদাহর সেই বর্ণনার অনুসরণ করেছেন যা সহীহাইনে উদ্ধৃত হয়েছে।
অতঃপর আমি বলছি: শু’বাহ ও শাইবান (যাদের কথা ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে) ছাড়াও একদল ইমাম কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আমরা তাঁদের মধ্য থেকে পাঁচজন মহান ইমামের কথা উল্লেখ করব, যাঁদের বিশ্বস্ততার ব্যাপারে সকলে একমত।
আমরা শুরু করছি আবু বকর আইয়ুব ইবনে আবি তামি মাহ আস-সাখতিয়ানিকে দিয়ে; তিনি একজন তাবিঈ, যিনি আনাস (রা.) থেকে এই হাদিসটি ছাড়াও অন্যান্য হাদিস শুনেছেন এবং এই হাদিসটি কাতাদাহর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আমাদেরকে এটি সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন কাসিম ইবনে আবি আল-মুনজির, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-কাত্তান, তিনি বলেছেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আইয়ুব থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে।
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাবারাহ ইবনুল মুগাল্লিস, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবু বকর এবং উমর কিরাত শুরু করতেন 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' দিয়ে। তিনি হাদিসটি এভাবেই সুনানে উল্লেখ করেছেন এবং শব্দগুলো কার তা স্পষ্ট করেননি, তাই আমিও সেভাবেই এটি উল্লেখ করলাম। ইতিপূর্বে সাবিতের জীবনী আলোচনা করার সময় হাম্মাদ ইবনে সালামাহর সূত্রে কাতাদাহ থেকে এই হাদিসটির বর্ণনা অতিবাহিত হয়েছে। সুতরাং তাঁরা হলেন তিনজন ইমাম, আর চতুর্থজন হলেন আবু বকর হিশাম ইবনে সানবার আদ-দাস্তুওয়ায়ী।
বসরায় আবু আলী আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আস-সাকতি তাঁর সূত্রে আমাদেরকে হাদিসটি জানিয়েছেন, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আল-কাসিম ইবনে জাফর ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-হাশিমী, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আমর আল-লু’লুয়ী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম, কাতাদাহ থেকে, তিনি [আনাস] থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবু বকর, উমর এবং উসমান কিরাত শুরু করতেন...
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
القراءة بـ {الحمد لله رب العالمين}
والخامس إمام الشام: أبو عمرو عبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي:
أخبرنا أبو عمرو عثمان بن محمد العدل النيسابوري بها أخبرنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن الإسفراييني أخبرنا أبو عوانة يعقوب بن إسحاق الحافظ حدثنا عيسى بن أحمد حدثنا بشر بن بكير حدثني الأوزاعي قال كتب إلي قتادة قال حدثني أنس بن مالك أنه صلى خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان وكانوا يفتتحون بـ {الحمد لله رب العالمين} لا يذكرون بسم الله الرحمن الرحيم في أول القراءة ولا في آخرها. أخرجه مسلم في صحيحه من هذا الطريق عن محمد بن مهران عن الوليد بن مسلم عن الأوزاعي.
* واعلم أن هؤلاء الأئمة الذين قدمت ذكرهم من قواعد الصحيح إلا أن الشيخين لم يخرجا هذا الحديث من روايتهم عن قتادة وإنما اعتمدوا على طريق شعبة وعلى طريق الأوزاعي والسبب أن قتادة كان يدلس ولم يكن أحد يمكنه أن يسأله عما سمع مما لم يسمع إلا شعبة
وله في ذلك حكايات يعرفها أهل النقل منها:
ما أخبرنا أبو محمد الخطيب حدثنا عبد الله بن حبابة، حدثنا عبد الله بن محمد البغوي، حدثنا أحمد بن إبراهيم _ يعني الدورقي _ حدثنا أبوداود، حدثنا شعبة قال: كنت أنظر إلى فم قتادة إذا حدث، فإذا حدث ما قد سمع، قال: حدثنا سعيد بن المسيب، وحدثنا أنس، وحدثنا مطرف.
{সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর} পাঠ করা
পঞ্চমজন হলেন শামের ইমাম: আবু আমর আব্দুর রহমান বিন আমর আল-আওযায়ী:
আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মদ আল-আদল আন-নাইসাবুরি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আব্দুল মালিক বিন হাসান আল-ইসফারায়িনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা বিন আহমদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আল-আওযায়ী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ আমার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন যে, আনাস বিন মালিক তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর, উমর ও উসমানের পেছনে সালাত আদায় করেছেন। তাঁরা {সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর} দ্বারা (কিরাত) শুরু করতেন। তাঁরা কিরাতের শুরুতে কিংবা শেষে 'বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম' উল্লেখ করতেন না। ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এই সূত্রেই মুহাম্মদ বিন মিহরান থেকে, তিনি ওয়ালিদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি আল-আওযায়ী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
জেনে রাখুন যে, আমি ইতিপূর্বে যাদের কথা উল্লেখ করেছি সেই ইমামগণ 'সহিহ' (হাদিস শাস্ত্রের) মূল ভিত্তি স্বরূপ। তবে শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম) কাতাদাহ থেকে তাঁদের বর্ণিত এই হাদিসটি গ্রহণ করেননি; বরং তাঁরা শু'বাহ ও আল-আওযায়ীর সূত্রের ওপর নির্ভর করেছেন। এর কারণ হলো যে, কাতাদাহ 'তাদলিস' করতেন এবং শু'বাহ ব্যতীত আর কারো পক্ষে এটি সম্ভব ছিল না যে তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে কোন হাদিসটি তিনি সরাসরি শুনেছেন আর কোনটি শোনেননি।
এ বিষয়ে তাঁর এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা বর্ণনা বিশেষজ্ঞগণ জানেন, তার মধ্যে একটি হলো:
আবু মুহাম্মদ আল-খতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন হুবাবাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন ইবরাহিম—অর্থাৎ আদ-দাওরাকি—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ যখন হাদিস বর্ণনা করতেন তখন আমি তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। তিনি যখন এমন কিছু বর্ণনা করতেন যা তিনি নিজে সরাসরি শুনেছেন, তখন তিনি বলতেন: "সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন", "আনাস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন", এবং "মুতাররিফ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন"।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
فإذا حدث بما لم يسمع، قال: حدث سليمان بن يسار، وحدث أبوقلابة به.
وأخبرنا أحمد بن علي الأديب، أخبرنا الحاكم أبوعبد الله إجازة، حدثنا محمد بن صالح بن هاني، حدثنا إبراهيم بن أبي طالب، حدثنا رجاء الحافظ المروزي، حدثنا النضر بن شميل. قال: سمعت شعبة يقول: كفيتكم تدليس ثلاثة: الأعمش، وأبي إسحاق، وقتادة.
وأخبرنا أبوالفضل الصرام، أخبرنا أبونعيم الإسفرائيني، حدثنا أبوعوانة حدثنا نصر بن مرزوق، حدثنا أسد بن موسى، قال: سمعت شعبة يقول: كان همي من الدنيا شفتي قتادة، فإذا قال: سمعت كتبت؛ وإذا قال: قال تركت.
وأما هذا الحديث، فقد سأل قتادة عنه.
أخبرنا بذلك أبو القاسم إسماعيل بن عبد الله الساوي، أخبرنا أبو سعيد الصيرفي أخبرنا أبو العباس الأصم، أخبرنا يحيى بن أبي طالب، أخبرنا أبو داود الطيالسي، أخبرنا شعبة عن قَتَادة [عن أَنَس] أن النبي صلى الله عليه وسلم وسلم وأبا بكر وعمر كانوا لا يستفتحون القراءة ببسم الله الرحمن الرحيم قال شعبة قلت لقتادة أسمعته من أنس قال نعم نحن سألناه عنه وكذلك رواه أبو موسى عن أبي داود.
সুতরাং যখন তিনি এমন বিষয়ে বর্ণনা করতেন যা তিনি সরাসরি শোনেননি, তখন তিনি বলতেন: সুলাইমান বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন, এবং আবু কিলাবা এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী আল-আদীব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ ইজাযতসূত্রে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন হানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন আবু তালিব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন রাজা আল-হাফিজ আল-মারওয়াযী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আন-নাদর বিন শুমাইল। তিনি বলেন: আমি শু'বাকে বলতে শুনেছি: আমি তোমাদেরকে তিনজনের ‘তাদলীস’ (বর্ণনার ত্রুটি গোপন করা) থেকে রেহাই দিয়েছি: আল-আ'মাশ, আবু ইসহাক এবং কাতাদা।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল আস-সাররাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আল-ইসফারায়িনী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আওয়ানা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন নাসর বিন মারযূক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসাদ বিন মূসা। তিনি বলেন: আমি শু'বাকে বলতে শুনেছি: এই পৃথিবীতে আমার একমাত্র চিন্তা ছিল কাতাদার ওষ্ঠদ্বয়; যখন তিনি বলতেন ‘আমি শুনেছি’ তখন আমি তা লিপিবদ্ধ করতাম, আর যখন তিনি বলতেন ‘তিনি বলেছেন’ তখন আমি তা বর্জন করতাম।
আর এই হাদীসটি সম্পর্কে কাতাদাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
আমাদের এ বিষয়ে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ আস-সাভী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আস-সাইরাফী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আল-আসাম্ম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আবু তালিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বা, কাতাদা থেকে, [তিনি আনাস থেকে] বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর এবং উমর কিরাত পাঠ ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম’ দিয়ে শুরু করতেন না। শু'বা বলেন, আমি কাতাদাকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কি এটি আনাস থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমরা তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আর অনুরূপভাবে আবু মূসা এটি আবু দাউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
أخبرنا المبارك بن عبد الجبار أخبرنا علي بن أحمد بن علي الغالي أخبرنا أبو عبد الله أحمد بن إسحاق بن خَرْبان النهاوندي أخبرنا أبو محمد الحسن بن عبد الرحمن بن خلاد الرامهرمزي في كتاب الفاصل أخبرنا عبد الله بن علي أخبرنا أبو موسى أخبرنا أبو داود أخبرنا شعبة عن قَتَادة عن أَنَس قال: صليت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وخلف أبي بكر وعمر وخلف عثمان فلم يكونوا يستفتحون بقراءة بسم الله الرحمن الرحيم قال شعبة قلت لقتادة أسمعته من أنس قال نعم.
نحن علونا في الأول فكأنا سمعنا الثالث من النهاوندي عن المصنف فلما علم الأئمة من إحتياط شعبة في الحديث وأخذه عن المدلس ما سمع وتركه مالم يسمع أخرجوا هذا لاحديث من طريقه واقتصروا فيه عليه وأما إخراج مسلم لهذا الحديث من طريق الأوزاعي عن قتادة فإنه قال في كتابه إليه: حدثني أنس بن مالك فزال بذاك تهمة التدليس وقد روى هذا الحديث عن شعبة غير أبي الحسن علي بن الجعد بن علي بن عبيد الجوهري جماعة من خلق الله يطول شرحهم وبمثل ما أوضحت لك من إيراد الحديث بالمتابعات لكل راوي يصحح الحديث. فاعلم ذلك.
আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-গালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খারবান আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে খাল্লাদ আর-রামাহুরমুজি তার 'আল-ফাসিল' কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শু'বাহ কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর, উমর এবং উসমানের পিছনে সালাত আদায় করেছি, তারা 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' পাঠের মাধ্যমে কিরাত শুরু করতেন না। শু'বাহ বলেন, আমি কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি এটি আনাস থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
আমরা শুরুতে উচ্চ সনদ লাভ করেছি, যেন আমরা আন-নাহাওয়ান্দি থেকে গ্রন্থকারের নিকট তৃতীয় স্তরে এটি শ্রবণ করেছি। ইমামগণ যখন হাদীস বর্ণনায় শু'বাহ-এর সতর্কতা এবং মুদাল্লিস রাবীর থেকে তিনি যা সরাসরি শুনেছেন তা গ্রহণ করা ও যা শোনেননি তা বর্জন করা সম্পর্কে অবগত হলেন, তখন তারা এই হাদীসটি তার পথেই (সূত্রেই) বর্ণনা করেছেন এবং এর ওপরই নির্ভর করেছেন। আর ইমাম মুসলিম যে আওজাঈ-এর সূত্রে কাতাদাহ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তার কারণ হলো তিনি (কাতাদাহ) তার কাছে লিখিত পত্রে বলেছেন: "আনাস ইবনে মালিক আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন"; এর মাধ্যমে তাদলীসের (রাবী গোপন করার) অভিযোগ দূর হয়ে গেছে। আবুল হাসান আলী ইবনুল জা'দ ইবনে আলী ইবনে উবাইদ আল-জাওহারী ছাড়াও আল্লাহর সৃষ্টির এক বিশাল জামাত শু'বাহ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যাদের বিবরণ দীর্ঘ হবে। আমি আপনার নিকট যেভাবে প্রতিটি রাবীর জন্য সমর্থক বর্ণনা (মুতাবায়াত) উপস্থাপনের মাধ্যমে হাদীসটি স্পষ্ট করেছি, সেভাবেই হাদীস সহীহ করা হয়। সুতরাং এটি জেনে রাখুন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
وثبت بما قدمناه من طريق شعبة والأوزاعي الذي في الصحيحين أن المتأول لهذا الحديث بقوله إن معناه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يفتتح بالحمد لله أي لم يكن يقرأ سورة غيرها غير مصيب فإن الرواية الصحيحة دلت على خلافه فبطل هذا التأويل والله أعلم
الأصل الثاني الذي اعتمدت عليه في هذه المسألة حديث أورده البخاري وحده في الصحيح
أخبرناه أبو مسعود سليمان بن إبراهيم الحافظ الوراق بأصبهان أخبرنا محمد بن علي بن عبد الملك الفسوي الحافظ أخبرنا أبو أحمد محمد بن محمد الحافظ النيسابوري حدثنا أبو عمرويه يعني الحسين بن أبي معشر الحراني الحافظ حدثنا بندار يعني محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد ومحمد بن جعفر عن شعبة عن حبيب وهو بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال مر بي رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أصلي فدعاني فلم آته حتى صليت ثم أتيته فقال ما منعك أن تأتني؟ قلت كنت أصلي قال ألم يقل الله عز وجل {يا أيها الذين آمنوا استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم لما يحييكم} الآية
ثم قال ألا أعلمك أعظم سورة في القرآن قبل أن أخرج قال فذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخرج فذكرته فقال {الحمد لله رب العالمين} هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته
أبو سعيد: اسمه رافع بن المعلى بن لوذان بن عبد حارثة بن زيد
ইতিপূর্বে আমরা শু'বাহ এবং আওযাঈ-এর সূত্রে যা বর্ণনা করেছি—যা সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ রয়েছে—তা থেকে প্রমাণিত হয় যে, যে ব্যক্তি এই হাদিসের ব্যাখ্যায় বলে যে এর অর্থ হলো নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) 'আলহামদুলিল্লাহ' দিয়ে শুরু করতেন অর্থাৎ তিনি অন্য কোনো সূরা পড়তেন না, তার সেই ব্যাখ্যা সঠিক নয়। কারণ সহীহ বর্ণনা এর বিপরীত প্রমাণ দেয়, ফলে এই ব্যাখ্যা বাতিল বলে গণ্য হলো। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
এই মাসআলায় আমি যে দ্বিতীয় মূলনীতির ওপর নির্ভর করেছি তা হলো: ইমাম বুখারী এককভাবে তাঁর সহীহ গ্রন্থে যে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
ইস্পাহানের হাফেজ আবু মাসউদ সুলাইমান ইবন ইবরাহীম আল-ওয়াররাক আমাদের খবর দিয়েছেন, হাফেজ মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন আব্দুল মালিক আল-ফাসাবী আমাদের জানিয়েছেন, হাফেজ আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আন-নিসাবুরী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আমরওয়াইহ অর্থাৎ হাফেজ আল-হুসাইন ইবন আবি মা'শার আল-হাররানী আমাদের বর্ণনা করেছেন, বুন্দার অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবন বাশশার আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ও মুহাম্মদ ইবন জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে, তিনি হাবীব—যিনি ইবন আব্দুর রহমান—থেকে, তিনি হাফস ইবন আসিম থেকে, তিনি আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন আমি সালাত আদায় করছিলাম, তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। কিন্তু আমি সালাত শেষ না করা পর্যন্ত তাঁর কাছে গেলাম না। এরপর আমি তাঁর কাছে আসলাম, তখন তিনি বললেন: "আমার কাছে আসতে তোমাকে কিসে বাধা দিল?" আমি বললাম: "আমি সালাত আদায় করছিলাম।" তিনি বললেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কি বলেননি: {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ডাকে সাড়া দাও যখন তিনি তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহ্বান করেন যা তোমাদেরকে জীবন দান করে} (সম্পূর্ণ আয়াত)?"
এরপর তিনি বললেন: "আমি কি তোমাকে মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে কুরআনের শ্রেষ্ঠ সূরাটি শেখাব না?" বর্ণনাকারী বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বের হওয়ার জন্য উদ্যত হলেন, তখন আমি তাঁকে সে কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম। তিনি বললেন: "{আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন}। এটিই হলো বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহান কুরআন যা আমাকে দান করা হয়েছে।"
আবু সাঈদ: তাঁর নাম হলো রাফে' ইবনুল মুআল্লা ইবন লুযান ইবন আবদ হারিসা ইবন যায়েদ।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
بن ثعلبة بن عدي بن مالك بن زيد مناة الزرقي الأنصاري روى عنه حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب هذا ، وابنه سعيد وعبيد بن حنين نزلت فيه وفي أصحابه {إن الذين تولوا منكم يوم التقى الجمعان} الآية
وأخرجه البخاري في صحيحيه في التفسير عن بندار هذا عن غندر محمد بن جعفر وعن علي بن المديني عن يحيى بن سعيد القطان وعن إسحاق بن منصور عن روح بن عبادة وقال قال معاذ يعني ابن معاذ رابعهم عن شعبة.
وأخرجه أبو داود في السنن عن عبد الله بن معاذ عن خالد عن شعبة وفي هذا الحديث الصحيح دليل آخر وهو أن الفاتحة سبع آيات سوى بسم الله الرحمن الرحيم كما عدها قراء المدينة فمن عدها سبع آيات مع بسم الله الرحمن الرحيم فقد جعل الفاتحة ست آيات وخالف عدد صاحب الشرع الذي نزلت عليه وأمر الخلق
... বিন সালাবা বিন আদি বিন মালিক বিন যায়িদ মানাত আল-জুরকী আল-আনসারী। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এই হাফস বিন আসিম বিন উমর বিন আল-খাত্তাব এবং তাঁর পুত্র সাঈদ ও উবাইদ বিন হুনাইন। তাঁর এবং তাঁর সাথীদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছে: "তোমাদের মধ্য থেকে যারা পিঠ প্রদর্শন করেছিল যেদিন দুই দল পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল" - এই আয়াতটি।
ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থের তাফসীর অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন এই বুন্দার থেকে, তিনি গুন্দার মুহাম্মদ বিন জাফর থেকে, আলী বিন আল-মাদিনী থেকে, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান থেকে এবং ইসহাক বিন মানসুর থেকে, তিনি রাওহ বিন উবাদাহ থেকে। তিনি বলেন, মুয়াজ—অর্থাৎ ইবনুল মুয়াজ—বলেছেন, তাঁদের চতুর্থজন শুবা থেকে।
ইমাম আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুয়াজ থেকে, তিনি খালিদ থেকে, তিনি শুবা থেকে। আর এই সহীহ হাদীসে আরেকটি দলিল রয়েছে, আর তা হলো—বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম ব্যতিরেকে সূরা ফাতিহা সাতটি আয়াত, যেমনটি মদীনার ক্বারীগণ গণনা করেছেন। সুতরাং, যে ব্যক্তি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমসহ একে সাতটি আয়াত হিসেবে গণনা করেন, তিনি সূরা ফাতিহাকে ছয়টি আয়াত সাব্যস্ত করেন এবং শরীয়ত প্রণেতার গণনার বিরোধিতা করেন, যাঁর ওপর এটি অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা তিনি সৃষ্টিজগতকে নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫১)
كافة باتباعه
أخبرنا بذلك أحمد أخبرنا محمد بن عبد الله الدقاق حدثنا يحيى بن صاعد حدثنا يوسف بن موسى وزهير بن محمد واللفظ ليوسف حدثنا عمار بن عبد الجبار المروزي حدثنا ابن أبي ذئب عن سعيد المقبري عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم الحمد لله أم القرآن والسبع المثاني والقرآن العظيم.
قال يحيى بن صاعد: حدثنا محمد بن عبد الله المخرمي حدثنا أبو داود الطيالسي حدثنا ابن أبي ذئب عن سعيد المقبري عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فاتحة الكتاب يعني {ولقد آتيناك سبعا من
সকলের জন্য তাঁর অনুসরণ করা।
আমাদের এই বিষয়ে সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সায়িদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুসা ও যুহাইর ইবনে মুহাম্মদ—শব্দাবলী ইউসুফের—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যিব, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য) হলো কুরআনের জননী, বারবার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহান কুরআন।
ইয়াহইয়া ইবনে সায়িদ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাখরামী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যিব, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ফাতিহাতুল কিতাব (কিতাবের প্রারম্ভিকা) অর্থাৎ {আর অবশ্যই আমি আপনাকে দিয়েছি বারবার পঠিত সাতটি আয়াত থেকে...}
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫২)
المثاني} .
الأصل الثالث الذي اعتمدت عليه في هذه المسألة حديث عائشة رضي الله عنها المخرج في صحيح مسلم وحده الذي وصفت فيها صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وأفعاله فيها من أولها إلى آخرها
أخبرنا به أبو القاسم الفضل بن عبد الله بن المحب المفسر بنيسابور بقرائتي عليه قلت له أخبركم أبو الحسين أحمد بن محمد الخفاف الزاهد حدثنا أبو العباس محمد بن إسحاق السراج حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أخبرنا عيسى بن يونس حدثنا حسين المعلم عن بديل بن ميسرة عن أبي الجوزاء عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستفتح صلاته بالتكبير والقراءة بالحمد لله رب العالمين وكان إذا ركع لم يشخص رأسه ولم يصوبه وكان إذا رفع
আল-মাছানি} ।
তৃতীয় মূলনীতি যার ওপর আমি এই বিষয়ে নির্ভর করেছি, তা হলো আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর বর্ণিত হাদিস, যা এককভাবে সহিহ মুসলিমে সংকলিত হয়েছে, যাতে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সালাত এবং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর কার্যাবলীর বর্ণনা দিয়েছেন।
নিশাপুরে মুফাসসির আবুল কাসিম আল-ফজল বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুহিব্ব আমাকে এটি জানিয়েছেন, তাঁর কাছে আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-খাফফাফ আল-যাহিদ কি আপনাদের জানিয়েছেন? আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-হানজালি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ঈসা বিন ইউনুস আমাদের জানিয়েছেন, হুসাইন আল-মুয়াল্লিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বুদাইল বিন মাইসারা থেকে, তিনি আবুল জাওযা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকবিরের মাধ্যমে তাঁর সালাত শুরু করতেন এবং ‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ পাঠের মাধ্যমে কিরাত শুরু করতেন। তিনি যখন রুকু করতেন, তখন তাঁর মাথা উঁচিয়ে রাখতেন না এবং একেবারে নিচুও করতেন না। আর যখন তিনি মাথা তুলতেন
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
رأسه من الركوع استوى قائما وكان إذا رفع رأسه من السجدة لم يسجد حتى يستوي جالسا وكان ينهى عن عقب الشيطان وكان يفرش رجله اليسرى [وينصب رجله اليمنى] وكان يكره أن يفرش ذراعيه افتراش الكلب وكان يختم الصلاة بالتسليم وكان يقرأ في كل ركعتين التحية
رواه عبد الله بن وهب عن عيسى بن يونس مختصرا
أخبرناه أبو علي الحسن بن عبد الرحمن العدل بمكة أخبرنا أحمد بن إبراهيم بن فراس أخبرنا محمد بن الربيع الخيري أخبرنا عبد الله بن أبي رومان بالإسكندرية سنة ثلاث وخمسين ومائتين حدثنا عبد الله بن وهب أخبرني عيسى ين يونس بالحديث ورواه عن حسين المعلم غير عيسى بن يونس أخبرنا أبو عمرو عبد الوهاب أخبرنا أبي أبو عبد الله بن منده أخبرنا أبو بكر محمد بن عمر بن حفص النيسابوري حدثنا إبراهيم بن عبد الله بن عبد الله بن سليمان السعدي حدثنا عبد الأعلى بن حسين المعلم حدثنا أبي حدثنا أبو بكر بن ميسرة عن أبي الجوزاء عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح الصلاة بالتكبير والقراءة بالحمد لله رب العالمين وذكره بطوله
ورواه سعيد بن أبي عروبة عن بديل كذلك
أخبرناه أبو العباس المؤذن أخبرنا أبو بكر أحمد بن الحسن حدثنا محمد بن يعقوب الأصم حدثنا إبراهيم بن مرزوق حدثنا محمد بن يعقوب الأصم حدثنا إبراهيم بن مرزوق حدثنا سعيد يعني ابن عامر عن سعيد عن بديل العقيلي عن أبي الجوزاء عن عائشة
রুকু থেকে তিনি তাঁর মাথা তুলতেন এবং সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। আর যখন সিজদা থেকে তাঁর মাথা তুলতেন, তখন সোজা হয়ে না বসা পর্যন্ত পুনরায় সিজদা করতেন না। তিনি শয়তানের বসার ন্যায় (আকিবুশ শাইতান) বসতে নিষেধ করতেন। তিনি তাঁর বাম পা বিছিয়ে দিতেন [এবং ডান পা খাড়া রাখতেন]। তিনি কুকুরের ন্যায় দুই হাত বিছিয়ে দিতে অপছন্দ করতেন। তিনি সালামের মাধ্যমে সালাত সমাপ্ত করতেন এবং প্রতি দুই রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করতেন।
আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে এটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।
মক্কায় আবু আলী আল-হাসান বিন আবদুর রহমান আল-আদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন ফিরাস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আর-রাবি আল-খাইরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আবু রুমান দুইশত তিপ্পান্ন হিজরি সালে আলেকজান্দ্রিয়ায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: ঈসা বিন ইউনুস আমাকে এই হাদিসটির সংবাদ দিয়েছেন। এটি ঈসা বিন ইউনুস ছাড়াও হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে বর্ণিত হয়েছে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আবদ আল-ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আবদুল্লাহ বিন মান্দাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর বিন হাফস আন-নাইসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আস-সাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আলা বিন হুসাইন আল-মুয়াল্লিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন মাইসারা, তিনি আবুল জাওযা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকবিরের মাধ্যমে সালাত এবং ‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ পাঠের মাধ্যমে কিরাত শুরু করতেন... এবং তিনি এটি দীর্ঘভাবে উল্লেখ করেছেন।
সাঈদ বিন আবু আরুবাহ বুদাইল থেকে অনুরুপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আল-মুয়াযযিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম্ম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মারযুক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম্ম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মারযুক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ—অর্থাৎ ইবনে আমির—তিনি সাঈদ থেকে, তিনি বুদাইল আল-উকাইলি থেকে, তিনি আবুল জাওযা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح الصلاة بالتكبير والقراءة بالحمد لله رب العالمين ويختمها بالتسليم
وهذا الحديث أخرجه مسلم بن الحجاج في صحيحه عن أبي يعقوب إسحاق بن إبراهيم الحنظلي هذا ويعرف بابن راهويه كما أخرجناه عاليا وأبو الجوزاء هذا بالجيم والزاي المعجمة اسمه أوس بن عبد الله ويقال أوس بن خالد الربعي البصري وليس له في كتاب مسلم غير هذا الحديث. قال عمرو بن علي مات سنة ثلاث وثمانين ويصحف بكنيته من يكنى بأبي الحوراء بالحاء والراء المهملتين يروي عن الحسن بن علي اسمه ربيعة بن شيبان
ورواه عن الحسين بن ذكوان المعلم البصري العوذي جماعة غير عيسى بن يونس منهم: أبو خالد الأحمر وعبد الوارث بن سعيد ويزيد بن هارون وآخرين تركنا إيراد طرقهم إليه في هذا الحديث خشية التطويل
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করতেন এবং 'আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' পাঠের মাধ্যমে তিলাওয়াত শুরু করতেন এবং সালামের মাধ্যমে তা শেষ করতেন।
এবং এই হাদীসটি মুসলিম বিন হাজ্জাজ তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন ইবরাহীম আল-হানযালী থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ইবনে রাহওয়াইহ হিসেবে পরিচিত, যেমনটি আমরা উচ্চ সনদে বর্ণনা করেছি। আর এই আবু আল-জাওযা—জীম এবং বিন্দুযুক্ত যা (যাই) যোগে—তাঁর নাম আউস বিন আব্দুল্লাহ, এবং বলা হয় আউস বিন খালিদ আল-রিবঈ আল-বাসরী। ইমাম মুসলিমের কিতাবে এই হাদীসটি ছাড়া তাঁর আর কোনো হাদীস নেই। আমর বিন আলী বলেন, তিনি তিরাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর উপনামের বানানে সেই ব্যক্তির সাথে বিভ্রান্তি ঘটে যার উপনাম আবু আল-হাওরা—বিন্দুহীন হা এবং রা যোগে—যিনি হাসান বিন আলী থেকে বর্ণনা করেন এবং তাঁর নাম রাবীআ বিন শায়বান।
এবং ঈসা বিন ইউনুস ছাড়াও একদল বর্ণনাকারী হুসাইন বিন যাকওয়ান আল-মুয়াল্লিম আল-বাসরী আল-আওযী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবু খালিদ আল-আহমার, আব্দুল ওয়ারিস বিন সাঈদ, ইয়াযীদ বিন হারুন এবং আরও অনেকে। দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার ভয়ে এই হাদীসে তাঁদের বর্ণিত সূত্রগুলো আমরা বর্জন করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
الأصل الرابع الذي اعتمدت عليه في هذه المسألة حديث أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ربه عز وجل المخرج في الصحيح لمسلم وهذا النوع من الحديث حكمه عند أهل النقل حكم الكتاب المنزل
أخبرناه أبو عمرو عثمان بن محمد [بن] عبد الله العدل بنيسابور أخبرنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن الأزهري أخبرنا أبو عوانة يعقوب بن إسحاق الحافظ الإسفرائيني حدثنا يونس بن عبد الأعلى حدثنا ابن وهب أن مالكا حدثه عن العلاء بن عبد الرحمن أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله
চতুর্থ মূলনীতি এই বিষয়ে আমি যার ওপর নির্ভর করেছি তা হলো আবু হুরায়রা কর্তৃক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এবং তিনি তাঁর মহান ও পরাক্রমশালী প্রতিপালক থেকে বর্ণিত সেই হাদীস যা সহীহ মুসলিমে সংকলিত হয়েছে। হাদীস বিশারদদের নিকট এই প্রকারের হাদীসের বিধান অবতীর্ণ কিতাবের বিধানেরই অনুরূপ।
নিশাপুরে আমাদের তা সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আদল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক ইবনুল হাসান আল-আযহারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানা ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ আল-ইসফারায়িনী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস ইবনে আব্দুল আ’লা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব যে, মালিক তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি হিশাম ইবনে যুহরার মুক্তদাস আবু সায়িবকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
صلى الله عليه وسلم من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج فهي خداج فهي خداج غير تمام ثلاث مرات قلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام قال فغمز ذراعي وقال لي: اقرأ بها في نفسك يا فارسي فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: قال الله عز وجل قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ، فَنِصْفُهَا لِي وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ: {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} يَقُولُ اللَّهُ: حَمِدَنِي عَبْدِي، يَقُولُ: {الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} ، يَقُولُ اللَّهُ: أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ: {مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ} ، يَقُولُ اللَّهُ: مَجَّدَنِي عَبْدِي، يَقُولُ الْعَبْدُ: {إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ} ، فَهَذِهِ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ، يَقُولُ الْعَبْدُ {اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ} ، فَهؤلاء لِعَبْدِي، وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ.
أورده مسلم في صحيحه عن قتيبة بن سعيد عن مالك كذلك فتابع مالكا على روايته عنه عن أبي السائب هذا عبد الملك بن عبد العزيز بن جريج ورواه سفيان بن عيينة عن العلاء بن عبد الرحمن فقال عن أبيه عن أبي هريرة
أخبرنا أبو علي أحمد بن علي أخبرنا الحاكم أبو عبد الله الحافظ حدثنا أبو علي محمد بن علي المذكر أخبرنا عتيق بن محمد الحرشي حدثنا سفيان بن عيينة عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة وربما قال عمن سمع أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل: قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي إذا قال الْعَبْدُ: {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} قال اللَّهُ: حَمِدَنِي عَبْدِي وذكر الحديث إلى آخره. أخرجه مسلم في الصحيح هكذا عن إسحاق بن راهويه عن سفيان كذلك وهذا الحديث رواه العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه وأبي السائب فمن الرواة من ذكره عن أبي السائب فقط كما فعل مالك،
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি এমন কোনো সালাত আদায় করল যাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল না, তবে তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ এবং তা অপূর্ণাঙ্গ"—এটি তিনি তিনবার বললেন। আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা! আমি মাঝে মাঝে ইমামের পেছনে থাকি। তখন তিনি আমার বাহুতে চাপ দিলেন এবং আমাকে বললেন: "হে ফারসি! তুমি তা মনে মনে পাঠ করো। কেননা আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মহান আল্লাহ বলেছেন: 'আমি সালাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করেছি। এর অর্ধেক আমার জন্য এবং অর্ধেক আমার বান্দার জন্য। যখন বান্দা বলে: {সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য}, তখন আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। যখন বান্দা বলে: {পরম করুণাময়, অতি দয়ালু}, তখন আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার গুণগান করেছে। যখন বান্দা বলে: {বিচার দিবসের মালিক}, তখন আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমাকে মহিমান্বিত করেছে। যখন বান্দা বলে: {আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই সাহায্য চাই}, তখন আল্লাহ বলেন: এটি আমার এবং আমার বান্দার মাঝে, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করে তা তাকে দেওয়া হবে। যখন বান্দা বলে: {আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন, তাদের পথ যাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন, তাদের পথ নয় যারা অভিশপ্ত এবং যারা পথভ্রষ্ট}, তখন আল্লাহ বলেন: এগুলো আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করে তা তাকে দেওয়া হবে।"
ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থে কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে এবং তিনি মালিক থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন। আবু সাইবের সূত্রে মালিকের বর্ণনার ক্ষেত্রে আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে জুরাইজ তাঁকে অনুসরণ করেছেন। সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা এটি আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আহমদ ইবনে আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকিম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মুযাক্কির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আতিক ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাশি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। কখনো কখনো তিনি তাঁর পরিবর্তে বলেন যে, যিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন তিনি বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেছেন: আমি সালাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে ভাগ করেছি। যখন বান্দা বলে: {সকল প্রশংসা মহাবিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য}, তখন আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। এরপর তিনি হাদীসের শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেন। ইমাম মুসলিম এটি সহীহ গ্রন্থে ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ থেকে এবং তিনি সুফিয়ান থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটি আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান তাঁর পিতা এবং আবু সাইব উভয়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। রাবীদের মধ্যে কেউ কেউ শুধু আবু সাইবের সূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন যেমন ইমাম মালিক করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসআলাতুত তাসমিয়্যাহ লি-মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসী
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
ومنهم من رواه عنه عن أبيه كما فعل ابن عيينة وكلاهما صحيحان لا يعلل أحدهما الآخر
والدليل على صحة ذلك أن أبا أويس عبد الله بن عبد الله بن أويس رواه عن العلاء فجوده بذكرهما وأحكمه
أخبرناه عثمان بن محمد المزكي نا عبد الملك بن الحسن أخبرنا أبو عوانة حدثنا إسماعيل بن أبي أويس عن أبيه عن العلاء بن عبد الرحمن قال: سمعت من أبي ومن أبي السائب جميعا كانا جليسين لأبي هريرة قال قال أبو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث أخرجه مسلم من هذا الوجه أيضا عن أحمد بن جعفر المعقري عن النضر بن محمد عن أبي أويس هذا
أخبرني البسري علي بن أحمد أخبرنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن حدثنا يحيى بن صاعد حدثنا عمرو بن علي حدثنا أبو داود حدثنا شعبة عن محمد بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة قال: سمعت عبد الرحمن الأعرج يحدث عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال كان إذا استفتح الصلاة قرأ الحمد لله رب العالمين ثم سكت هنيهة
قال الدارقطني لم يرفعه عن أبي داود غير شعبة ووافقه غيره من فعل أبي هريرة ورواه جابر بن عبد الله كرواية أبي هريرة
حدثنا الحسين بن إسماعيل حدثنا أبو السائب سلم بن جنادة حدثنا زيد بن الحباب عن عنبسة بن سعيد عن مطرف بن طريف عن سعد بن إسحاق عن جابر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تعالى يقول قسمت بيني وبين عبدي الصلاة فإذا قال: {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} قال: حَمِدَنِي عَبْدِي، فإذا قال: {الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} ، قال: أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي، فإذا قال: {مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ} ، يَقُولُ: مَجَّدَنِي عَبْدِي، هذا
তাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন যিনি এটি তার নিকট থেকে তার পিতা সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ইবনে উয়াইনা করেছেন। উভয় বর্ণনাই বিশুদ্ধ এবং একটি অন্যটির ত্রুটি হিসেবে গণ্য নয়।
এর বিশুদ্ধতার প্রমাণ হলো, আবু উয়াইস আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উয়াইস এটি আল-আলা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাদের দুইজনের উল্লেখের মাধ্যমে বর্ণনাটিকে সুচারু ও সুদৃঢ় করেছেন।
উসমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুজাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল মালিক ইবনুল হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আওয়ানা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাইল ইবনে আবি উয়াইস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি আমার পিতা এবং আবু সাইব উভয়ের নিকট থেকে শুনেছি, তারা উভয়েই আবু হুরায়রার মজলিসে বসতেন। তিনি বলেন, আবু হুরায়রা বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করলেন। ইমাম মুসলিমও এই সূত্রে আহমদ ইবনে জাফর আল-মা’কারি থেকে, তিনি আন-নজর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি এই আবু উয়াইস থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
আল-বিসরি আলী ইবনে আহমদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সা’ইদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর ইবনে আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু দাউদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শু’বা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সাদ ইবনে জুরারা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান আল-আরাজকে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শুরু করতেন তখন ‘সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য’ পাঠ করতেন, তারপর সামান্য সময় নীরব থাকতেন।
দারাকুতনি বলেন: শু’বা ব্যতীত আর কেউ একে আবু দাউদ থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেননি, তবে অন্য বর্ণনাকারীরা আবু হুরায়রার আমল হিসেবে এর সাথে একমত পোষণ করেছেন। জাবির ইবনে আবদুল্লাহও আবু হুরায়রার বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হুসাইন ইবনে ইসমাইল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু সাইব সালাম ইবনে জুনাদা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যায়েদ ইবনুল হুবাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আনবাসা ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুতাররিফ ইবনে তারিফ থেকে, তিনি সাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ বলেন, আমি সালাতকে আমার এবং আমার বান্দার মধ্যে ভাগ করেছি। সুতরাং বান্দা যখন বলে: ‘সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য’, তখন আল্লাহ বলেন: ‘আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল’। যখন সে বলে: ‘পরম করুণাময়, অতি দয়ালু’, তখন আল্লাহ বলেন: ‘আমার বান্দা আমার গুণগান করল’। যখন সে বলে: ‘বিচার দিবসের মালিক’, তখন আল্লাহ বলেন: ‘আমার বান্দা আমাকে মহিমান্বিত করল’। এটি