(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: -)
جزء فيه مصافحات مسلم النسائي للدمياطي   (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه مصافحات الإمام مسلم والإمام النسائي

المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)

طُبع: ضمن مجموع فيه ثلاثة من الأجزاء الحديثية

المحقق: جاسم بن محمد بن حمود الفجي

الناشر: مكتبة أهل الأثر - دار غراس

الطبعة: الثانية، 2005 م

عدد الصفحات: 290

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইমাম মুসলিম ও ইমাম নাসায়ীর মুসাফাহাত সম্বলিত একটি পুস্তিকা - আদ-দিময়াতী কর্তৃক   (আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইমাম মুসলিম ও ইমাম নাসায়ীর মুসাফাহাত সম্বলিত একটি পুস্তিকা

লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতী, আবু মুহাম্মদ, শারফুদ্দিন আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৭০৫ হিজরি)

মুদ্রিত: তিনটি হাদিস বিষয়ক পুস্তিকা সম্বলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে

তাহকীককারী: জাসিম বিন মুহাম্মদ বিন হামুদ আল-ফজ্জি

প্রকাশক: মাকতাবাতু আহলিল আসার - দারু গিরাস

সংস্করণ: দ্বিতীয়, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯০

[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরির জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (মূল পাঠের সাথে যাচাই)

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٤٩)
‌‌جزء في مصافحة الإِمَامِ مُسْلِمٍ وَالإِمَامِ النَّسَائِيِّ

تَخْرِيجُ شَيْخِنَا الإِمَامِ الْحَافِظِ جَمَالِ الْمُحَدِّثِينَ شَرَفِ الدِّينِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيِّ

تَغَمَّدَهُ اللَّهُ برحمته
ইমাম মুসলিম ও ইমাম নাসায়ীর মুসাফাহা সম্পর্কিত একটি পুস্তিকা

আমাদের শায়খ, ইমাম হাফেজ, মুহাদ্দিসকুলের সৌন্দর্য, শরফুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতির তাখরীজকৃত

আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতে আবৃত করুন
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥١)
بسم الله الرحمن الرحيم

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ الْمُعَمِّرُ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ، عَنِ الشَّرِيفِ النَّقِيبِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ ابن عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عبد الله بن العباس بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ الْمَكِّيِّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الشَّافِعِيُّ الْمَكِّيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِهَا، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فِرَاسٍ العبقسي الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدَّيْبُلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الأَزْهَرِ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دينار، عن ابن عمر رضي الله عنهما قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ كَانَ حَالِفًا فَلا يَحْلِفْ إِلا بِاللَّهِ)) ، وَكَانَتْ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নেককার দীর্ঘজীবী শাইখ আবুল হাসান ইবনে আবি আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হাসান আল-বাগদাদী তাঁর কাছে শ্রবণের মাধ্যমে; তিনি বর্ণনা করেন শরীফ নাকীব আবু আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজীজ বিন আলী বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন সুলাইমান বিন ইয়াকুব বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব আল-মাক্কী থেকে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আব্বাস আশ-শাফিঈ আল-মাক্কী, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আহমাদ বিন আলী বিন আহমাদ বিন ফরাস আল-আবকাসী আল-মাক্কী। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাইबুলী। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সালেহ মুহাম্মদ বিন আবি আল-আযহার আল-মাক্কী। আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাঈল বিন জাফর আল-মাদানী। আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন দীনার, তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ ছাড়া আর কারও নামে শপথ না করে।" এবং ছিল...
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٢)
قُرَيْشٌ، تَحْلِفُ بِآبَائِهَا، فَقَالَ: ((لا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ)) .

رَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَيَحْيَى بن أيوب، وقتيبة، وعلي ابن حُجْرٍ، أَرْبَعَتِهِمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ.

فَوَقَعَ بدلا عالياً تساعيا.

رواه أيضاً نازلاً عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ.

فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ مُسْلِمٍ وَصَافَحْتُهُ بِهِ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ، وَهُوَ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ.
কুরাইশরা তাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করত, তখন তিনি বললেন: "তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করো না।"

এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, কুতায়বাহ এবং আলী ইবনে হুজর থেকে—তাঁরা চারজনই ইসমাইল ইবনে জাফর থেকে।

ফলে এটি উচ্চ পর্যায়ের একটি নয় স্তরবিশিষ্ট 'বাদাল' সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হলো।

তিনি এটি নিম্ন পর্যায়ের সনদেও বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনুল লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত এই বর্ণনাসংখ্যার বিবেচনায় এটি যেন এমন যে আমি হাদীসটি ইমাম মুসলিমের থেকে শুনেছি এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে করমর্দন করেছি। আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ, এবং তিনিই তাওফীকদাতা।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٣)
‌‌حَدِيثٌ مُصَافَحَةٌ لِمُسْلِمٍ

قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخَةِ الصَّالِحَةِ سِتِّ الْعَشِيرِ أُمِّ حَمْزَةَ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْخَضِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ بْنِ خُوَيْلِدِ بْنِ أَسَدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ قُصَيٍّ الْقُرَشِيَّةِ الأَسَدِيَّةِ الزُّبَيْرِيَّةِ، بِالسُّوقِ الأَعْلَى مِنْ حُمَاةَ بِمَحْضَرٍ مِنْ وَلَدِهَا الْقَاضِي أَبِي يَعْلَى حَمْزَةَ بن محمد بن الحسن بْنِ حَمْزَةَ الْبَهْرَانِيِّ الْحَاكِمِ بِحُمَاةَ.

وَتُوُفِّيَتْ بِهَا يَوْمَ الأَحَدِ قَبْلَ الْعَصْرِ الْخَامِسَ مِنْ رَجَبٍ، ودفنت من الغد سنة ست وأربعين وستمائة.

وَفِيهَا تُوُفِّيَ: مَنْصُورُ بْنُ الدَّمَّاغِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ ياقوت، وأحمد بن رئيس، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ الدِّمْيَاطِيُّ الفقيه،
একজন মুসলিমের সাথে মুসাফাহা করার হাদিস

আমি হামার উচ্চ বাজারে (আস-সুকুল আ’লা) পুণ্যবতী শায়খা সিত্তুল আশির উম্মু হামযা সাফিয়্যাহ বিনতে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী বিন আল-খাযির বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযীয বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন ইয়াহইয়া বিন আব্বাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের ইবনুল আওয়াম বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আব্দুল আযীয বিন কুসাই আল-কুরাইশিয়া আল-আসাদিয়া আজ-যুবাইরিয়ার নিকট পাঠ করেছি; সে সময় তাঁর নিকট তাঁর পুত্র হামার বিচারক কাযী আবু ইয়া’লা হামযা বিন মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন হামযা আল-বাহরানি উপস্থিত ছিলেন।

তিনি সেখানে ৬৪৬ হিজরী সনের ৫ই রজব, রবিবার আসরের পূর্বে ইন্তেকাল করেন এবং পরদিন তাঁকে দাফন করা হয়।

উক্ত বছরে আরও যারা মৃত্যুবরণ করেছেন: মনসুর ইবনুদ দাম্মাগ, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুত, আহমাদ ইবনে রইস, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা এবং ফকীহ আব্দুল্লাহ আদ-দিময়াতি।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٤)
وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ الْمَخْزُومِيُّ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ التِّلْمِسَانِيُّ، وَأَبُو عَمْرِو بْنُ الْحَاجِبِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الصَّيْرَفِيُّ رضي الله عنهم.

عَنِ الأَشْيَاخِ الْخَمْسَةِ: الإِمَامِ الْمُفْتِي أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الرُّسْتُمِيِّ، وَأَبِي الْفَرَجِ مَسْعُودِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أحمد ابن أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيِّ، وَأَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ اللَّبَّادِ، وَأَبِي الْغَنَائِمِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، وَأَبِي الْقَاسِمِ مَحْمُودِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّاجِرِ الْمَعْرُوفِ بِفُورَجَةَ.

قَالَ الرُّسْتُمِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو عِيسَى عَبْدُ الرحمن بن محمد بن عبد الرحمن ابن زِيَادٍ، وَأَبُو الْفَضْلِ الْمُطَهِّرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بن عبد الله بن الفضل بن الربيع البزاني.
আব্দুর রহমান বিন উসমান আল-মাখযুমি, আব্দুল আযীয বিন আত-তিলমিসানি, আবু আমর বিন আল-হাজিব এবং আব্দুর রহমান বিন আস-সাইরাফি (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)।

পাঁচজন শাইখের সূত্রে: ইমাম আল-মুফতি আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান বিন আলী আর-রুস্তুমি, আবু আল-ফারাজ মাসউদ বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ ইবনে আহমাদ বিন মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি, আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-লাব্বাদ, আবু আল-গানায়িম মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুমিন বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ এবং আবু আল-কাসিম মাহমুদ বিন আব্দুল কারিম বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাজির, যিনি ফুরাজাহ নামে পরিচিত।

আর-রুস্তুমি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ঈসা আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন যিয়াদ এবং আবু আল-ফাদল আল-মুতাহহির বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাদল বিন আর-রাবি আল-বুযযানি।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٥)
وقال الثقفي: أخبرنا ابن زياد المذكور.

وقال الباقون: أخبرنا أبو بكر محمد بن أحمد بن الحسن بن ماجة الأنصاري، قالوا: أخبرنا أبو جعفر أحمد بن محمد بن المرزبان الأبهري، أخبرنا أبو جعفر محمد بن إبراهيم بن يحيى بن الحكم الحزروري، قال: حدثنا أبو جعفر محمد بن سليمان بن حبيب المصيصي الملقب بلوين، حدثنا ابن عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ بَرَكَةَ، عن أمه، قالت: كنت مع عائشة –رضي الله عنها في الطواف، فذكروا حسانا، فوقعوا فيه، فنهتهم عنه، وقالت: أَلَيْسَ هُوَ الَّذِي يَقُولُ:

هَجَوْتَ مُحَمَّدًا فَأَجَبْتُ عنه … وعند الله في ذاك الجزاء

أتهجوه ولست له بكفوء … فشركما لخير كما الفداء

فإن أبي ووالدتي وعرضي … لعرض محمد منكم وقاء

هكذا ساقه محمد بن سعد في ((الطبقات)) فقال: أخبرنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حدثنا ابن جريج، حدثني مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ بَرَكَةَ، عَنْ أُمِّهِ: أنها كانت تطوف مع عائشة، ومعها عاتكة بنت خالد بن العاص وأم عبد الوهاب بن عبد الله بن أبي ربيعة قالت: فذكرنا حسان بن ثابت، ذكرناه بسبه إياها، قالت ابن الفريعة: تسببن! قلنا: نعم، قال ذلك. فبرأته من ذلك، وقالت: أليس الذي يقول:
এবং আস-সাকাফী বলেছেন: উল্লিখিত ইবনে যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং অবশিষ্টরা বলেছেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন মাজাহ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন: আবু জাফর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মারজুবান আল-আবহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন ইয়াহইয়া বিন আল-হাকাম আল-হাযরূরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন হাবীব আল-মাসসী, যাঁর উপাধি লুওয়াইন, তিনি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আস-সাইব বিন বারাকাহ থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সাথে তাওয়াফে ছিলাম। তখন লোকজন হাসসানকে স্মরণ করল এবং তাঁর সমালোচনা করতে লাগল। ফলে তিনি তাদের তা থেকে নিষেধ করলেন এবং বললেন: তিনি কি সেই ব্যক্তি নন যিনি বলেন:

তুমি মুহাম্মাদকে ব্যঙ্গ করেছ, আর আমি তার পক্ষ থেকে জবাব দিয়েছি … আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে এর প্রতিদান।

তুমি কি তাকে ব্যঙ্গ করছ অথচ তুমি তার সমকক্ষ নও? … তোমাদের মধ্যকার যে নিকৃষ্ট, সে তোমাদের মধ্যকার যে শ্রেষ্ঠ তার জন্য উৎসর্গ।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, আমার মাতা এবং আমার সম্মান … তোমাদের আক্রমণ হতে মুহাম্মাদের সম্মানের জন্য ঢালস্বরূপ।

মুহাম্মদ বিন সাদ ‘আত-তবাকাত’-এ এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে জুরাইজ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ বিন আস-সাইব বিন বারাকাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর মা থেকে: তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সাথে তাওয়াফ করছিলেন। তাঁর সাথে আতিকা বিনতে খালিদ বিন আল-আস এবং উম্মু আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু রাবিয়াহ ছিলেন। তিনি বলেন: আমরা হাসসান বিন সাবিতকে স্মরণ করলাম এবং তাঁর (আয়েশার) প্রতি গালি বর্ষণের কারণে তাঁর সমালোচনা করলাম। তিনি বললেন: ইবনুল ফারীআহ কি তোমাদের গালি দিয়েছেন? আমরা বললাম: হ্যাঁ, তিনি তা করেছেন। তখন তিনি তাঁকে তা থেকে নির্দোষ ঘোষণা করলেন এবং বললেন: তিনি কি সেই ব্যক্তি নন যিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٦)
هجوت محمدا فأجبت عنه … وعند الله في ذَاكَ الْجَزَاءُ

فَإِنَّ أَبِي وَوَالِدَهُ وَعِرْضِي … لِعِرْضِ محمد منكم وقاء

وَمُحَمَّدُ بْنُ السَّائِبِ بْنِ بَرَكَةَ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ، وَثَّقَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَتَرْجَمَهُ عَنْ أمه عن عائشة ترجمة حسنة محفوظة.

أخرجه ابن ماجه، والترمذي، وصححه.

وَقَدْ رَوَى مُسْلِمٌ هَذَا الْحَدِيثَ بِطُولِهِ فِيْ كِتَابِ ((الْفَضَائِلِ)) مِنْ ((مُسْنَدِهِ الصَّحِيحِ)) عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ الْمَصْرِيِّ، عَنْ سَعيِدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ اللَّيْثِيِّ مَوْلاهُمْ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِّيَّةَ الأَنْصَارِيِّ النَّجَّارِيِّ ثُمَّ الْمَازِنِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيِّ، عَنِ الصِّدِّيقَةِ بِنْتِ الصِّدِّيقِ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ عَائِشَةَ بِنْتِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قُحَافَةَ عُثْمَانَ بْنِ عَامِرٍ أَخِي عُثْمَانَ، وَجَدُّ ثمان أولا: عَمْرٍو وَآلِيَةِ الْبَيْتِ أَخِي عَامِرٍ وَعَبْدِ مَنَافٍ، وأولاد كعب أخي حارثة بن سعيد بن تيم بن مُرَّةَ الْقُرَشَيِّةِ التَّيْمِيَّةِ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، وَحَبِيبَةِ رَسُولِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.

فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ إِلَيْهَا –رضي الله عنها فَكَأَنِّي شَافَهْتُ بِهِ الإِمَامَ النَّاقِدَ أَبَا الْحُسَيْنِ مُسْلِمَ بْنَ الْحَجَّاجِ بْنِ مُسْلِمٍ الْمُضَرِيَّ القيسي الهوزاني الْعَامِرِيَّ الْقُشَيْرِيَّ.

قُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ أَخُو عُقَيْلٍ وَجَعْدَةَ وَالْحُرَيْشُ، أَوْلادُ كَعْبٍ أَخِي كِلابٍ وَكُلَيْبٍ، وَهُمَا مِنْ وَلَدِ الْبَكَّاءِ وَاسْمُهُ رَبِيعَةُ، أَوْلادُ رَبِيعَةَ أَخِي هِلالٍ.
তুমি মুহাম্মাদকে গালি দিয়েছো, আর আমি তার পক্ষ থেকে জবাব দিয়েছি … আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে এর প্রতিদান।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, তার পিতা এবং আমার সম্মান … তোমাদের থেকে মুহাম্মাদের সম্মানের জন্য ঢালস্বরূপ।

আর মুহাম্মাদ বিন আস-সাইব বিন বারাকাহ মক্কাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত, ইয়াহইয়া বিন মায়ীন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, এবং তিনি তার মা থেকে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) এর সূত্রে একটি সুন্দর ও সংরক্ষিত জীবনী বর্ণনা করেছেন।

এটি ইবনে মাজাহ এবং তিরমিজি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিজি) একে সহিহ বলেছেন।

ইমাম মুসলিম তার 'আল-মুসনাদ আস-সহিহ'-এর 'কিতাবুল ফাদায়িল' অধ্যায়ে এই হাদিসটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুয়াইব বিন আল-লাইস বিন সা'দ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি খালিদ বিন ইয়াজিদ আল-মিসরি থেকে, তিনি তাদের আযাদকৃত দাস সাঈদ বিন আবি হিলাল আল-লাইসি থেকে, তিনি উমারাহ বিন গাজিয়্যাহ আল-আনসারি আন-নাজ্জারি অতঃপর আল-মাজিনি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন আল-হারিস আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আজ-জুহরি থেকে, তিনি সিদ্দিকা বিনতে সিদ্দিকা, উম্মে আব্দুল্লাহ আয়েশা বিনতে আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু কুহাফাহ উসমান বিন আমির থেকে—যিনি উসমানের ভাই এবং আট জন প্রথম ব্যক্তির দাদা: আমর এবং আলিয়াতুল বাইত যারা আমির ও আব্দুল মানাফের ভাই, এবং হারেসাহ বিন সাঈদ বিন তাইম বিন মুররাহ আল-কুরাশি আত-তাইমির ভাই কাব-এর বংশধর, যিনি মুমিন জননী এবং রাব্বুল আলামিনের রাসুলের প্রিয়তমা।

তার (রাদিয়াল্লাহু আনহা) পর্যন্ত বর্ণনাকারীর সংখ্যা বিবেচনা করলে এমন মনে হয় যেন আমি এই হাদিসটি সরাসরি সমালোচক ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম বিন হাজ্জাজ বিন মুসলিম আল-মুদারি আল-কায়সি আল-হাওজানি আল-আমিরি আল-কুশায়রির কাছ থেকে শ্রবণ করেছি।

কুশায়র বিন কাব হলেন উকাইল, জাদাহ ও আল-হুরাইশের ভাই; তারা কাবের সন্তান যিনি কিলাব ও কুলাইবের ভাই, আর তারা দুজনেই আল-বাক্কার বংশধর যার নাম ছিল রাবিআহ; তারা হিলালের ভাই রাবিআহর সন্তান।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٧)
اخْتَصَرْتُ مَعْهُ مَا هُنَا مِنَ الْكَلامِ لِطُولِهِ، ثُمَّ قَالَ:

وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ أَيْضًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، أَخِي عُثْمَانَ وَاِلِد الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ ابْنَيْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدٍ أَخِي حَكِيمِ بن حزام، إلى أن قال: أخبرناه أبو محمد عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ أَبِي الْمَنْصُورِ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الأَصْبَهَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِالثَّغْرِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقَارِئُ، فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رِزْقَوَيْهِ، فِيْ صَفَرَ سَنَةَ إحدى عشر وأربعمائة، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ خَلَفٍ السَّابِحُ –بِالْبَاءِ الْمُوَحَّدَةِ- أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الهيثم الدير عاقولي، حدثنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، حدثنا
দীর্ঘ হওয়ার কারণে আমি এখানে তাঁর সাথে এ বক্তব্যকে সংক্ষেপ করেছি, এরপর তিনি বললেন:

আর ইবনে উয়াইনা থেকে এই হাদিসটি আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনুল মুনজির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুনজির ইবনুল মুগিরাও বর্ণনা করেছেন, যিনি হাকীম ইবনে হিজামের ভাই আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদের দুই পুত্র—উসমান ও দাহহাক ইবনে উসমানের পিতা—এর ভাই। তিনি এ পর্যন্ত বলেছেন যে: আলেকজান্দ্রিয়ায় আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আবিল মানসুর আমাদের এটি অবহিত করেছেন, আমি তাঁকে বললাম: হাফিজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-আসবাহানি কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন—যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি সীমান্তে তা শুনছিলেন—যে, আবু আল-খাত্তাব নাসর ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা আমি বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেছেন: আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রিজকওয়াইহ চারশত এগারো হিজরির সফর মাসে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে খালাফ আস-সাবিহ —এক নুকতা বিশিষ্ট 'বা' সহযোগে— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুল কারিম ইবনুল হাইসাম আদ-দাইর আকুলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইবরাহিম ইবনুল মুনজির আল-হিযামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٨)
سفيان ابن عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ بَرَكَةَ، عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ: طُفْتُ مَعَ عَائِشَةَ بِالْبَيْتِ فِيْ نِسْوَةٍ مِنْ بَنِي الْمُغِيرَةِ وَذَكَرْنَ حَسَّانَ بْنَ ثَابِتٍ، وَوَقَعْنَ فِيهِ، فَقَالَتْ عَائِشَةُ: ((أَلَيْسَ هُوَ الَّذِي يَقُولُ:

هَجَوْتَ مُحَمَّدًا فَأَجَبْتُ عَنْهُ … وَعِنْدَ اللَّهِ فِيْ ذَاكَ الْجَزَاءُ

فَإِنَّ أَبِي وَوَالِدَهُ وَعِرْضِي … لِعِرْضِ مُحَمَّدٍ مِنْكُمْ وِقَاءٌ

وَاللَّهِ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ يُدْخِلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ)) .

قَالَ عبد الكريم، وزاد إبراهيم بن المنذر عن سفيان:

أتهجوه ولست له بكفوء … فشركما لخير كما الْفِدَاءُ

وَقَدْ وَقَعَ إِلَيْنَا حَدِيثُ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ.

أَخْبَرَنَاهُ الأَشْيَاخُ الأَرْبَعَةُ: أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ مَحْمُودِ بْنِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ عَلِيٍّ الْمَحْمُودِيُّ الصَّابُونِيُّ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الحسين بْنِ رَوَاحَةَ الأَنْصَارِيِّ، وَأَبُو يَعْقُوبَ يُوسُفُ بْنُ أَبِي الثَّنَاءِ مَحْمُودُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الدِّمَشْقِيُّ وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الحرم مَكِّيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطَّرَابُلْسِيُّ قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ مُنْفَرِدًا قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ،
সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, মুহাম্মাদ ইবনে সাইব ইবনে বারাকাহ থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আয়িশা (রা.)-এর সাথে বনু মুগিরা গোত্রের কিছু মহিলার সাথে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলাম। তারা হাসসান ইবনে সাবিত (রা.)-এর কথা উল্লেখ করল এবং তাঁর সমালোচনায় লিপ্ত হলো। তখন আয়িশা (রা.) বললেন: "সে কি সেই ব্যক্তি নয় যে বলেছিল:

তুমি মুহাম্মাদকে ব্যঙ্গ করেছ, আর আমি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তর দিয়েছি … আর আল্লাহর কাছেই এর প্রতিদান রয়েছে।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, তাঁর পিতা এবং আমার সম্মান … তোমাদের থেকে মুহাম্মাদের সম্মানের জন্য ঢালস্বরূপ।

আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আশা করি যে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।"।

আবদুল কারিম বলেন এবং ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির সুফিয়ান থেকে বর্ধিত বর্ণনা করেছেন:

তুমি কি তাঁকে ব্যঙ্গ করছ অথচ তুমি তাঁর সমকক্ষ নও … তোমাদের মধ্যে যে নিকৃষ্ট সে তোমাদের মধ্যে যে শ্রেষ্ঠ তাঁর জন্য উৎসর্গিত।

আর লায়স ইবনে সা'দ বর্ণিত হাদিসটি আমাদের কাছে দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন চারজন শায়খ: আবুল হাসান আলী ইবনে আবিল ফাতহ মাহমুদ ইবনে আবিল আব্বাস আহমাদ ইবনে আবি জাফর আলী আল-মাহমুদি আস-সাবউনি, আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আলী আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে রাওয়াহা আল-আনসারি, আবু ইয়াকুব ইউসুফ ইবনে আবিস সানা মাহমুদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-হাসান আদ-দিমাশকি এবং আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে আবিল হারাম মাক্কি ইবনে আব্দুর রহমান আত-তরাবুলসি; তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পৃথকভাবে পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাফিজ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমরা শ্রবণ করছিলাম।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٥٩)
أَخْبَرَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ ابن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيُّ الْمُزَكِّي، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ محمد عَبْدُوسٍ الطَّرَائِفِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعيِدٍ الدَّارَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِيَ اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعيِدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِّيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عبد الرحمن، عن عائشة رضي الله عنها أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((اهْجُوا قُرَيْشًا، فَإِنَّهُ أَشَدُّ عَلَيْهَا مِنْ رَشْقِ النَّبْلِ)) . فَأَرْسَلَ إِلَى ابْنِ رَوَاحَةَ فَقَالَ: ((اهْجُهُمْ)) ، فَهَجَاهُمْ فَلَمْ يَرْضَ، فَأَرْسَلَ إِلَى كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى حَسَّانِ بْنِ ثَابِتٍ، فَلَمَّا دَخَلَ قَالَ: ((قَدْ آنَ لَكُمْ أَنْ تُرْسِلُوا إِلَى هَذَا الأَسَدِ الضَّارِبِ بِذَنَبِهِ)) . ثُمَّ أَدْلَعَ لِسَانَهُ فَجَعَلَ يُحَرِّكُهُ، فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ، لأَفْرِيَنَّهُمْ بِهِ فَرْيَ الأَدِيمِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((لا تعجل وإيت أَبَا بَكْرٍ فَهُوَ أَعْلَمُ قُرَيْشٍ بِأَنْسَابِهَا، وَإِنَّ لي فيهم نسبا حتى يخلص لك نسبي)) ، فَأَتَاهُ حَسَّانٌ، ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ أَخْلَصَ لِي نَسَبُكَ، فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لأُسَلِّنَّكَ مِنْهُمْ كَمَا تُسَلُّ الشَّعْرَةُ مِنَ العجين.

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রইস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফজল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আস-সাকাফি, তাঁর নিকট ইসফাহানে পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরি আল-মুজাক্কি, তাঁর নিকট নাইসাবুরে পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আব্দুস আত-তারায়িফি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে ইয়াজিদ; সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে; উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ থেকে; মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে; আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে; আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((তোমরা কুরাইশদের নিন্দা করো, কারণ এটি তাদের জন্য তীরের নিক্ষেপের চেয়েও অধিক যন্ত্রণাদায়ক।)) এরপর তিনি ইবনে রাওয়াহার নিকট লোক পাঠালেন এবং বললেন: ((তাদের নিন্দা করো।)) তিনি তাদের নিন্দা করলেন কিন্তু তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। এরপর তিনি কা’ব ইবনে মালিকের নিকট লোক পাঠালেন, অতঃপর হাসান ইবনে সাবিতের নিকট লোক পাঠালেন। তিনি যখন প্রবেশ করলেন, তখন বললেন: ((এখন আপনাদের সময় হয়েছে এই সিংহের কাছে লোক পাঠানোর যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে।)) এরপর তিনি তার জিহ্বা বের করলেন এবং তা নাড়াতে লাগলেন। অতঃপর বললেন: সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি অবশ্যই তাদের এই জিহ্বা দ্বারা এমনভাবে ছিঁড়ে ফেলব যেমনভাবে চামড়া ছেঁড়া হয়। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ((তাড়াহুড়ো করো না; আবু বকরের নিকট যাও, কারণ তিনি কুরাইশদের বংশতালিকা সম্পর্কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী। আর তাদের মধ্যে আমারও বংশধারা রয়েছে, যাতে তিনি তোমার নিকট আমার বংশধারাটি পৃথক করে দেন।)) অতঃপর হাসান তাঁর নিকট গেলেন, এরপর ফিরে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তিনি আপনার বংশধারাটি আমার নিকট পৃথক করে দিয়েছেন। সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি অবশ্যই আপনাকে তাদের মধ্য থেকে এমনভাবে বের করে আনব যেভাবে খামির থেকে চুল বের করে আনা হয়।

(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٠)
قَالَتْ عَائِشَةُ: فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ لِحَسَّانٍ: ((إِنَّ رُوحَ الْقُدُسِ لا يَزَالُ يُؤَيِّدُكَ مَا نَافَحْتَ عَنِ الله ورسوله)) .

قالت: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((هَجَاهُمْ حَسَّانٌ فَشَفَى وَاسْتَشْفَى)) .

قَالَ حَسَّانٌ:

هجوت محمدا فأجبت عنه … وعند الله في ذَاكَ الْجََزاءُ

هَجَوْتَ مُحَمَّدًا بَرًّا حَنِيفًا … رَسُولَ اللَّهِ شِيمَتُهُ الْوَفَاءُ

فَإِنَّ أَبِي وَوَالِدَهُ وَعِرْضِي … لَعِرْضِ مُحَمَّدٍ مِنْكُمْ وِقَاءُ

ثَكِلْتُ بُنَيَّتِي إِنْ لم تروها … تثير النقع موعدها كداء

تنازعها الأَعِنَّةَ مُصْعِدَاتٍ … عَلَى أَكْتَافِهَا الأُسُلُ الظَّمَّاءُ

تَظَلُّ جِيَادُنَا مُتَمَطِّرَاتٍ … تَلْطُمُهُنَّ بِالْخُمُرِ النِّسَاءُ

فَإِنْ أَعْرَضْتُمْ عَنَّا اعْتَمَرْنَا … وَكَانَ الْفَتْحُ وَانْكَشَفَ الْغِطَاءُ

وَإِلا فَاصْبِرُوا لِضِرَابِ يَوْمٍ … يُعِزُّ اللَّهُ فِيهِ مَنْ يَشَاءُ

وَقَالَ اللَّهُ قَدْ أَرْسَلْتُ عَبْدًا … يَقُولُ الحق ليس به خفاء

وقال الله قد يَسَّرْتُ جُنْدًا … هُمُ الأَنْصَارِ عُرْضَتُهَا اللِّقَاءُ

يُلَاقَى مِنْ مَعْدٍ كُلَّ يَوْمٍ … سِبَابٌ أَوْ قِتَالٌ أَوْ هِجَاءُ

فَمَنْ يَهْجُو رَسُولَ اللَّهِ مِنْكُمْ … ويمدحه وينصره سواء

وجبريل رسول الله فينا … وروح القدس ليس له كفاء

وأخبرناه أَيْضًا عَالِيًا وَمُوَافَقَةً: الْحَافِظُ أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بن الخليل بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدِّمَشْقِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ عَوْدًا على بدء، أخبرنا أبو الحسن مسعود
আয়েশা (রা.) বলেন: আমি তাঁকে (রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে) হাসসানকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই রুহুল কুদুস (জিবরাঈল) তোমাকে সাহায্য করতে থাকবেন যতক্ষণ তুমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা করবে।"

তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি: "হাসসান তাদের নিন্দা (কবিতার মাধ্যমে) করেছে, যার মাধ্যমে সে (মুমিনদের অন্তরকে) প্রশান্তি দিয়েছে এবং নিজেও প্রশান্তি লাভ করেছে।"

হাসসান (রা.) বলেন:

তুমি মুহাম্মাদের নিন্দা করেছ, আর আমি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তর দিয়েছি … আর আল্লাহর নিকটই এর প্রতিদান নিহিত।

তুমি নিন্দা করেছ সেই পুণ্যবান ও একনিষ্ঠ মুহাম্মাদের … যিনি আল্লাহর রাসূল এবং তাঁর স্বভাবই হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, তাঁর পিতা এবং আমার সম্মান … মুহাম্মাদের সম্মানের জন্য তোমাদের বিরুদ্ধে ঢালস্বরূপ।

আমি আমার কন্যাকে হারাই যদি তোমরা তাদের না দেখো … যারা ধূলি উড়িয়ে ধাবিত হচ্ছে এবং তাদের গন্তব্য হলো 'কাদা'।

তারা লাগাম টেনে ধরা অবস্থায় চড়াই পথে উপরে উঠছে … আর তাদের পিঠে রয়েছে তৃষ্ণার্ত বর্শাসমূহ।

আমাদের ঘোড়াগুলো দ্রুতবেগে ছুটতে থাকবে … আর মহিলারা তাদের ওড়না দিয়ে সেগুলোকে আঘাত করবে (বাধা দিতে চাইবে)।

যদি তোমরা আমাদের থেকে বিমুখ হও, তবে আমরা উমরাহ পালন করব … আর তখনই বিজয় আসবে এবং পর্দা উন্মোচিত হবে।

অন্যথায়, সেই দিনের যুদ্ধের জন্য ধৈর্য ধারণ করো … যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করবেন।

আল্লাহ বলেছেন, আমি একজন বান্দাকে পাঠিয়েছি … যিনি সত্য বলেন এবং তাতে কোনো অস্পষ্টতা নেই।

আল্লাহ বলেছেন, আমি একটি বাহিনী প্রস্তুত করেছি … তারা হলো আনসার, যাদের মূল লক্ষ্য হলো শত্রুর মোকাবিলা করা।

মা’আদ গোত্রের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সম্মুখীন হতে হয় … গালিগালাজ, লড়াই অথবা নিন্দাসূচক কবিতার।

তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসূলের নিন্দা করে … আর যে তাঁর প্রশংসা ও সাহায্য করে, তারা সমান নয়।

আর জিবরাঈল—যিনি আল্লাহর প্রেরিত দূত—আমাদের মাঝে আছেন … সেই রুহুল কুদুসের সমকক্ষ কেউ নেই।

এবং আমাদের নিকট এটি উচ্চতর সনদ ও ঐকমত্যের সাথে বর্ণনা করেছেন: হাফিজ আবুুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনুল খলিল ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি, তাঁর নিকট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বারবার পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মাসউদ...
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦١)
عن أبي منصور وسعد بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الحسن الحداد، أخبرنا أبو نعيم أحمد بن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مِلْحَانَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الله بن بكير، حَدَّثَنِيَ اللَّيْثُ ح.

قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وَحَدَّثَنَا أبو محمد بن حيان، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ. قَالُوا: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْمُونٍ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الكريم، حدثني أبي، وشعيب، عن الليث ح.

وقال: وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ
আবু মানসুর এবং সাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান থেকে বর্ণিত, ইসফাহানে তাঁদের নিকট পাঠ করা হয়েছে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হাফিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন ইবরাহীম বিন মিলহান, আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর, আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আল-লাইস (হা)।

আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জুরআহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন বুকাইর। তাঁরা বলেন: এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন মাখলাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন মাইমুন আস-সাওয়াফ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কারীম, আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আমার পিতা এবং শুআইব, আল-লাইস থেকে (হা)।

এবং তিনি বললেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান বিন আলান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবন আবি দাউদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল মালিক।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٢)
بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعيِدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِّيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عن عائشة رضي الله عنها: أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((اهْجُ قُرَيْشًا، فَإِنَّهُ أَشَقُّ عَلَيْهَا من رَشْقٌ بِالنَّبْلِ)) . فَأَرْسَلَ إِلَى ابْنِ رَوَاحَةَ فَقَالَ: ((اهْجُهُمْ)) ، فَهَجَاهُمْ فَلَمْ يَرْضَ، فَأَرْسَلَ إِلَى كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى حَسَّانِ بْنِ ثَابِتٍ، فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ قَالَ حَسَّانٌ: قَدْ آنَ لَكُمْ أَنْ تُرْسِلُوا إِلَى هَذَا الأَسَدِ الضَّارِبِ بِذَنَبِهِ، ثُمَّ أَدْلَعَ لِسَانَهُ فَجَعَلَ يُحَرِّكُهُ، فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ، لأَفْرِيَنَّهُمْ بِلِسَانِي فَرْيَ الأديم. فقال له رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((لا تَعْجَلْ فَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ أَعْلَمُ قُرَيْشٍ بِأَنْسَابِهَا، وإن لي فيهم نسبا حتى يخلص لك نَسَبِي)) ، فَأَتَاهُ حَسَّانٌ، ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ خَلُصَ لِي نَسَبُكَ، وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لأُسَلِّنَّكَ مِنْهُمْ كَمَا تُسَلُّ الشَّعْرَةُ مِنَ الْعَجِينِ.

قَالَتْ عَائِشَةُ: فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِحَسَّانٍ: ((إِنَّ رُوحَ الْقُدُسِ لا يَزَالُ يُؤَيِّدُكَ مَا نَافَحْتَ عَنِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ)) .

وَقَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((هَجَاهُمْ حَسَّانٌ فشفى واستشفى)) .

قال حسان:

هجوت محمدا فأجبت عنه … وعند الله في ذاك الجزاء

هجوت مُبَارَكًا بَرًّا حَنِيفًا … رَسُولَ اللَّهِ شِيمَتُهُ الْوَفَاءُ

فإن أبي ووالده وعرضي … لعرض محمد منكم وِقَاءٌ

عَدِمْنَا خَيْلَنَا إِنْ لَمْ تَرَوْهَا … تُثِيرُ النقع في كنفي كداء
শুআইব ইবনে শুআইব ইবনুল লাইস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবু হিলাল থেকে, তিনি উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা কুরাইশদের নিন্দা করে কবিতা (হাজো) রচনা করো, কারণ এটি তাদের নিকট তীরের আঘাতের চেয়েও অধিক যন্ত্রণাদায়ক।" এরপর তিনি ইবনে রাওয়াহার নিকট লোক পাঠালেন এবং বললেন: "তাদের নিন্দা করো।" তিনি তাদের নিন্দা করলেন কিন্তু তাতে তিনি (রাসূল) সন্তুষ্ট হলেন না। এরপর তিনি কাব ইবনে মালিকের নিকট লোক পাঠালেন। অতঃপর তিনি হাসসান ইবনে সাবিতের নিকট লোক পাঠালেন। যখন তিনি তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, হাসসান বললেন: "এখন সময় হয়েছে যে আপনারা এই সিংহের কাছে লোক পাঠাবেন যে তার লেজ দ্বারা আঘাত করে।" এরপর তিনি তাঁর জিহ্বা বের করলেন এবং তা নাড়াতে লাগলেন। অতঃপর বললেন: "সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি অবশ্যই আমার জিহ্বা দিয়ে তাদেরকে চামড়া ছিঁড়ে ফেলার মতো ছিন্নভিন্ন করে দেব।" তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন: "তাড়াহুড়ো করো না, কারণ আবু বকর কুরাইশদের বংশপরিচয় সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ। আর তাদের মধ্যে আমারও বংশীয় সম্পর্ক রয়েছে। (তুমি তাঁর কাছে যাও) যাতে তিনি আমার বংশপরিচয় তোমার কাছে আলাদা করে বুঝিয়ে দেন।" এরপর হাসসান তাঁর কাছে গেলেন, অতঃপর ফিরে এসে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে আপনার বংশপরিচয় স্পষ্ট হয়ে গেছে। সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি অবশ্যই আপনাকে তাদের থেকে এমনভাবে বের করে আনব (কবিতার মাধ্যমে), যেভাবে আটা থেকে চুল টেনে বের করা হয়।"

আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে হাসসানের উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই রুহুল কুদুস (পবিত্র আত্মা) ততক্ষণ পর্যন্ত তোমাকে সাহায্য করতে থাকবেন যতক্ষণ তুমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে।"

তিনি আরও বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "হাসসান তাদের নিন্দা করেছে এবং সে (মুমিনদের অন্তরকে) প্রশান্তি দান করেছে এবং নিজেও প্রশান্ত হয়েছে।"

হাসসান বলেন:

তুমি মুহাম্মদের নিন্দা করেছ, তাই আমি তাঁর পক্ষ থেকে উত্তর দিয়েছি … আর আল্লাহর নিকটই রয়েছে এর প্রতিদান।

তুমি এমন এক বরকতময়, নেককার ও একনিষ্ঠ ব্যক্তির নিন্দা করেছ … যিনি আল্লাহর রাসূল এবং যাঁর স্বভাব হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা।

নিশ্চয়ই আমার পিতা, তাঁর পিতা (আমার দাদা) এবং আমার সম্মান … তোমাদের আক্রমণ থেকে মুহাম্মদের সম্মানের ঢাল স্বরূপ।

আমরা যেন আমাদের ঘোড়াগুলোকে হারিয়ে ফেলি যদি তোমরা না দেখ … যে সেগুলো কাদা-র দুই প্রান্তে ধূলি উড়াচ্ছে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٣)
ينازعن الأَعِنَّةَ مُصْعِدَاتٍ … عَلَى أَكْتَافِهَا الأُسُلُ الظَّمَّاءُ

تَظَلُّ جِيَادُنَا مُتَمَطِّرَاتُ … تَلْطُمُهُنَّ بِالْخُمُرِ النِّسَاءُ

فَإِنْ أَعْرَضْتُمُوا عَنَّا اعْتَمَرْنَا … وَكَانَ الْفَتْحُ وَانْكَشَفَ الْغِطَاءُ

وَإِلا فَاصْبِرُوا لِضِرَابِ يَوْمٍ … يُعِزُّ اللَّهُ فِيهِ مَنْ يَشَاءُ

وَقَالَ اللَّهُ قَدْ أَرْسَلْتُ عَبْدًا … يَقُولُ الحق ليس به خفاء

وقال الله قد يَسَّرْتُ جُنْدًا … هُمُ الأَنْصَارُ عُرْضَتُهَا اللِّقَاءُ

لَنَا فِيْ كُلِّ يَوْمٍ مَنْ مَعْدٍ … سِبَابٌ أَوْ قِتَالٌ أَوْ هِجَاءُ

فَمَنْ يَهْجُو رَسُولَ اللَّهِ منكم … ويمدحه وينصره سواء

وجبريل رسول الله فِينَا … وَرُوحُ الْقُدُسِ لَيْسَ لَهُ كِفَاءُ

قَالَ أبو نعيم: اللفظ لابن ملحان، عن ابن بكير وعبد الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبٍ مِثْلَهُ.

قُلْتُ: وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ عَائِشَةَ عُرْوَةُ وَلَيْسَ فِيهِ ذِكْرُ الشِّعْرِ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبُو هُرَيْرَةَ، وَالْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ، عن النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو مُحَمَّدٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الثَّنَاءِ مَحْمُودِ بْنِ سَالِمِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْمُقْرِئُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْخَيْرِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَأَبُو الْمُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْبَدْرِ بْنِ مُقْبِلِ بْنِ فتيان بن مطر النهرواني، الفقيه الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمُنَى بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمَا مُنْفَرِدَيْنِ بِبَغْدَادَ، قالا: أخبرتنا الجهة العالمة الكاتبة شهدة
লাগাম টেনে ঘোড়াগুলো উপরে আরোহণ করছে … তাদের কাঁধের ওপর রয়েছে তৃষ্ণার্ত বর্শাসমূহ

আমাদের দ্রুতগামী ঘোড়াগুলো ঘর্মাক্ত অবস্থায় থাকে … মহিলারা সেগুলোকে তাদের ওড়না দিয়ে আঘাত করে

যদি তোমরা আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে আমরা উমরাহ করব … এবং বিজয় অর্জিত হবে ও পর্দা উন্মোচিত হবে

অন্যথায়, তোমরা ধৈর্য ধরো এমন একদিনের যুদ্ধের আঘাতের জন্য … যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করবেন

আল্লাহ বলেছেন: আমি এক বান্দাকে পাঠিয়েছি … যে সত্য বলে, যাতে কোনো অস্পষ্টতা নেই

আল্লাহ বলেছেন: আমি একদল সৈন্যকে সুগম করেছি … তারা হলো আনসার, যাদের লক্ষ্য হলো (শত্রুর) মোকাবেলা করা

মা'আদ গোত্রের পক্ষ থেকে প্রতিদিন আমাদের জন্য রয়েছে … গালমন্দ, অথবা যুদ্ধ, কিংবা ব্যঙ্গকবিতা

তোমাদের মধ্য থেকে যে আল্লাহর রাসূলকে ব্যঙ্গ করে … আর যে তাঁর প্রশংসা করে ও তাঁকে সাহায্য করে, তারা কি সমান হতে পারে?

আর জিবরাঈল আমাদের মাঝে আল্লাহর প্রেরিত দূত … এবং তিনি পবিত্র আত্মা, যাঁর কোনো সমতুল্য নেই

আবু নুআইম বলেন: এই শব্দাবলি ইবনুল মালহানের, তিনি ইবনে বুকাইর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আব্দুল মালিক ইবনে শুআইবও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: উরওয়াহ এটি আয়েশা (রা.) থেকেও বর্ণনা করেছেন, তবে তাতে কবিতার উল্লেখ নেই। অনুরূপভাবে আবু হুরায়রা ও বারা ইবনে আযিব (রা.) এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

দুই শায়খ— আবু মুহাম্মদ ইবরাহিম ইবনে আবিল সানা মাহমুদ ইবনে সালিম ইবনে মাহদি আল-মুকরি, যিনি ইবনুল খায়র নামে পরিচিত; এবং আবু আব্দুল্লাহ ও আবুল মুযাফফর মুহাম্মদ ইবনে আবিল বদর ইবনে মুকবিল ইবনে ফিতইয়ান ইবনে মাতার আন-নাহরওয়ানি, যিনি ইবনুল মুনা নামে পরিচিত ফকিহ; বাগদাদে তাদের উভয়ের নিকট আমার পৃথক পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: বিদুষী লেখিকা শাহদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٤)
بنت أبي نصر أحمد بن الفرج بن عمر الآبري الدينوري، قراءة عليها ونحن نسمع، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَوْصِلِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَهْلٍ أَحْمَدُ بن محمد عبد اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ الْقَطَّانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بن الهيثم الدير عاقولي، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ –رضي الله عنهما قَالَ: لَمَّا دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ الْفَتْحِ فَرَأَى النِّسَاءَ يَلْطُمْنَ وُجُوهَ الْخَيْلِ بِالْخُمُرِ، فَتَبَسَّمَ إِلَى أَبِي بكر رضي الله عنه وَقَالَ: ((يَا أَبَا بَكْرٍ، كَيْفَ قَالَ حَسَّانُ بْنُ ثَابِتٍ)) ؟

فَأَنْشَدَهُ:

عَدِمْنَا خَيْلَنَا إِنْ لم تروها … تثير النقع موعدها كداء

ينازعن الأعنة مصغيات … على أكنافها الأُسُلُ الظَّمَّاءُ

تَظَلُّ جِيَادُنَا مُتَمَطِّرَاتٍ … يَلْطُمُهُنَّ بِالْخُمُرِ النِّسَاءُ

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((أَدْخِلُوهَا مِنْ حَيْثُ قَالَ حَسَّانٌ)) .
আবু নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমার আল-আবরী আদ-দ্বীনওয়ারীর কন্যা, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা শুনছিলাম, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-মাওসিলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল কারীম বিন আল-হাইসাম আদ-দাইর আ-কুলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-মুনযির আল-হিযামী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন বিন ঈসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উমার বিন হাফস, নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর প্রবেশ করলেন এবং দেখলেন যে মহিলারা তাদের ওড়না দিয়ে ঘোড়াগুলোর মুখে আঘাত করছে, তখন তিনি আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর দিকে তাকিয়ে হাসলেন এবং বললেন: "হে আবু বকর, হাসসান বিন সাবিত কী বলেছিলেন?"

অতঃপর তিনি তাঁকে আবৃত্তি করে শোনালেন:

আমরা আমাদের ঘোড়াগুলোকে হারাই যদি তোমরা সেগুলোকে না দেখো … ধূলি উড়িয়ে সেগুলোর নির্ধারিত গন্তব্য হলো কাদা

সেগুলো বলগা টেনে ধরে কান পেতে দ্রুত ধাবিত হয় … তাদের ঘাড়ের ওপর রয়েছে পিপাসার্ত বর্শাসমূহ

আমাদের দ্রুতগামী অশ্বগুলো ক্ষিপ্রগতিতে ছুটতে থাকে … আর মহিলারা ওড়না দিয়ে সেগুলোকে আঘাত করে

তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "তোমরা সেদিক দিয়েই প্রবেশ করাও যেদিকের কথা হাসসান বলেছে।"
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٥)
قُلْتُ: وَأَوَّلُ هَذِهِ الأَبْيَاتِ:

عَفَتْ ذَاتُ الأَصَابِعِ والجواء … إلى عذراء منزلها خلاء

دبار من بني الحسحاس قَفْرٌ … تُعْفِيهَا الرَّوَامِسُ وَالسَّمَاءُ

وَكَانَتْ لا يَزَالُ بِهَا أَنِيسٌ … خِلالَ مُرُوجِهَا نَعَمٌ وَشَاءُ

فَدَعْ هذا ولكن من لطيف … يؤرقني إذا ذهب الْعِشَاءُ

لِشَعْثَاءَ الَّتِي قَدْ تَيَّمَتْهُ … فَلَيْسَ لِقَلْبِهِ منها شفاء

كأن خبيبة مِنْ بَيْتِ رَأْسٍ … يَكُونُ مِزَاجَهَا عَسَلٌ وَمَاءُ

عَلَى أَنْيَابِهَا أَوْ طَعْمٌ غَضٌّ … مِنَ التُّفَّاحِ هَصَرَهُ اجْتِنَاءُ

إِذَا مَا الأَشْرِبَاتُ ذَكَرْنَ يَوْمًا … فَهُنَّ لِطِيبِ الرَّاحِ الْفِدَاءُ

نُوَلِّيهَا الْمَلامَةَ إِنْ أَلَمْنَا … إِذَا مَا كَانَ مَغْثً أَوْ لِحَاءُ

ونشربها فتجعلنا ملوكا … وأسدا ما ينهنها اللقاء

عَدِمْنَا خَيْلَنَا إِنْ لَمْ تَرَوْهَا … تُثِيرُ النَّقْعَ موعدها كداء

ينازعن الأعنة مصعدات … على أكتافها الأسل الظماء

لَنَا فِيْ كُلِّ يَوْمٍ مَنْ مَعْدٍ … سِبَابٌ أو قتال أو هجاء

فنحكم بالقوافي من هجانا … ونضرب حين يختلط الدماء

وَقَالَ اللَّهُ قَدْ أَرْسَلْتُ عَبْدًا … يَقُولُ الْحَقَّ ليس به خفاء

شهدت به فقوموا صدقوه … فقالوا لا نقوم ولا نشاء

ألا أبلغ أبا سفيان عنا … مغلغلة فقد برح الخفاء

بأن سيوفنا تركتك عبدا … وعبد الدار سادتها الإماء

في رواية:

ألا أبلغ أبا سفيان عنى … فأنت مجوف نخب هواء

هجوت محمدا فأجبت عنه … وعند الله في ذاك الجزاء
আমি বললাম: আর এই পংক্তিগুলোর শুরু হলো:

জাতুল আসাবি' এবং আল-জিওয়া জনশূন্য হয়ে গেছে … উজরা পর্যন্ত তার আবাসস্থল এখন বিজন।

বনু হাসহাসের এই বিরান ভূমি মরুপ্রান্তর হয়ে গেছে … ধূলিঝড় এবং আকাশ একে মুছে দিচ্ছে।

সেখানে সর্বদা মানুষের আনাগোনা ছিল … তার চারণভূমিগুলোতে চরে বেড়াত গবাদি পশু ও মেষপাল।

এসব কথা ছাড়ুন, বরং সেই সূক্ষ্ম আবেগের কথা বলুন … যা এশার সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আমাকে বিনিদ্র রাখে।

শাসা'র বিরহে, যে তাকে গভীর প্রেমে আচ্ছন্ন করেছে … আর তার অন্তর এর থেকে কোনো আরোগ্য পাচ্ছে না।

মনে হয় যেন বাইতে রাসের শরাব … যার মিশ্রণ হলো মধু ও পানি।

তার দাঁতগুলোর অগ্রভাগে যেন সেই সতেজ স্বাদ … আপেলের মতো যা আহরণের জন্য ছিঁড়ে আনা হয়েছে।

যখনই পানীয়গুলোর কথা উল্লেখ করা হয় … তখন সেই উৎকৃষ্ট শরাবের কাছে অন্য সবকিছু উৎসর্গিত।

আমরা যদি কষ্ট পাই তবে একেই দোষারোপ করি … যখন সেখানে কোনো বিবাদ বা ঝগড়া সৃষ্টি হয়।

আমরা এটি পান করি যা আমাদের রাজার ন্যায় করে দেয় … এবং এমন সিংহ বানিয়ে দেয় যাদেরকে যুদ্ধের ময়দান বিচলিত করে না।

আমরা আমাদের ঘোড়াগুলো হারিয়ে ফেলি যদি তোমরা সেগুলোকে না দেখ … ধূলি উড়িয়ে সেগুলো কাদার পাহাড়ে সমবেত হচ্ছে।

সেগুলো লাগাম টেনে ঊর্ধ্বমুখে অগ্রসর হচ্ছে … তাদের কাঁধে রয়েছে তৃষ্ণার্ত বল্লমসমূহ।

মা'আদ গোত্রের সাথে আমাদের প্রতিদিন … গালাগালি অথবা লড়াই কিংবা নিন্দাসূচক কবিতা বিনিময় হয়।

যে আমাদের নিন্দা করে আমরা কবিতার পংক্তি দিয়ে তাকে বিচার করি … এবং যখন রক্ত একাকার হয়ে যায় তখন আমরা আঘাত করি।

আর আল্লাহ বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি একজন বান্দাকে পাঠিয়েছি … যিনি সত্য কথা বলেন যাতে কোনো অস্পষ্টতা নেই।

আমি তার সাক্ষ্য দিয়েছি, অতএব তোমরা দাঁড়াও এবং তাকে সত্য বলে স্বীকার করো … কিন্তু তারা বলল: আমরা দাঁড়াব না এবং আমরা তা চাই না।

সাবধান, আবু সুফিয়ানকে আমাদের পক্ষ থেকে এই বার্তা পৌঁছে দাও … এক চূড়ান্ত বার্তা যা সত্যকে স্পষ্ট করে দিয়েছে।

যে আমাদের তলোয়ারগুলো তোমাকে দাসে পরিণত করেছে … আর আবদুদ দার গোত্রের কর্তারা আজ দাসীদের তুল্য।

অন্য বর্ণনায় এসেছে:

সাবধান, আবু সুফিয়ানকে আমার পক্ষ থেকে জানিয়ে দাও … তুমি তো অন্তঃসারশূন্য, ভীরু এবং ফাঁপা হৃদয়ের অধিকারী।

তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর নিন্দা করেছ আর আমি তার পক্ষ থেকে জবাব দিয়েছি … আর আল্লাহর কাছেই এর প্রতিদান নিহিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٦)
فذكر البيت، ثم قال في أخرها:

لساني صارم لا عيب فيه … وبحري لا تكدره الدلاء

وكان حسان بن ثابت يقال له: شاعر النبي صلى الله عليه وسلم.

ويكنى أبا وليد.

وهو أخو أوس.
অতঃপর তিনি পঙক্তিটি উল্লেখ করলেন, তারপর তার শেষে বললেন:

আমার জিহ্বা এক সুতীক্ষ্ণ তলোয়ার যাতে কোনো ত্রুটি নেই … আর আমার সমুদ্রকে বালতিসমূহ ঘোলা করতে পারে না।

হাসসান ইবন সাবিতকে বলা হতো: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবি।

তাঁর উপনাম ছিল আবু ওয়ালীদ।

তিনি ছিলেন আওসের ভাই।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٧)
‌‌حديث مصافحة للنسائي رحمه الله

أخبرنا الأشياخ: أبو الحسن علي بن أبي الفضائل هبة الله بن سلامة بن المسلم بن أحمد بن علي اللخمي الفقيه مرات بفسطاط مصر، وأبو محمد بن أبي المنصور، وأبو القاسم بن أبي الحرم المالكيان بالاسكندرية في الشافية قراءة وسماعا، والإمام العلامة أبو الحسن علي بن محمد بن عبد الصمد بن عبد الأحد بن عبد الغالب السخاوي كتابة من دمشق، قالوا أخبرنا أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد الفقيه الحافظ قراءة عليه ونحن نسمع بالثغر، أخبرنا الرئيس أبو الحسن مَكِّيُّ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ عَلانَ الْكَرْجِيُّ، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَرَشِيُّ بِنَيْسَابُورَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ
ইমাম নাসায়ী (রহিমাহুল্লাহ) সংকলিত মুসাফাহা (করমর্দন) সংক্রান্ত হাদীস

শায়খগণ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবুল হাসান আলী ইবনে আবিল ফাদায়েল হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনুল মুসলিম ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-লাখমী আল-ফকীহ মিশরের ফাসতাত নগরে একাধিকবার, এবং আবু মুহাম্মাদ ইবনে আবিল মানসুর ও আবু আল-কাসিম ইবনে আবিল হারাম—আলেকজান্দ্রিয়ার আশ-শাফিয়াতে পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে (উভয়ই মালিকী মাযহাবের অনুসারী), এবং ইমাম আল্লামা আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল আহাদ ইবনে আব্দুল গালিব আস-সাখাভী দামেস্ক থেকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে; তাঁরা বলেছেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফকীহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা সীমান্ত এলাকায় (আলেকজান্দ্রিয়া) তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান আবুল হাসান মাক্কী ইবনে মানসুর ইবনে আল্লান আল-কারজী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবু বকর আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ আল-হারাশী নিশাপুরে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٨)
الأَصَمُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ أَسَدٍ الْمَرْوَزِيُّ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، سَمِعَ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ رضي الله عنهما يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ فَلْيَقُلْ: اللَّهُمَّ إِلَيْكَ أَسْلَمْتُ نَفْسِي، وَإِلَيْكَ وَجَّهْتُ وَجْهِي، وَإِلَيْكَ فَوَّضْتُ أَمْرِي، وَإِلَيْكَ أَلْجَأْتُ ظَهْرِي، رَغْبَةً، وَرَهْبَةً، لا مَلْجَأَ، وَلا مَنْجَا مِنْكَ إِلا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِرَسُولِكَ أَوْ نَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ، فَإِنْ مَاتَ، مَاتَ عَلَى الْفِطْرَةِ)) .

صَحِيحٌ ثَابِتٌ، كُوفِيُّ الإِسْنَادِ تُسَاعِيَّةٌ، مُجْمَعٌ على صحته وثبوته من حديث الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ.

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِيِ ((الدَّعَوَاتِ)) عن ابن أبي عمرو.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي ((الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ)) ، عَنْ قُتَيْبَةَ، كِلاهُمَا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ.

فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمَا.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ أَيْضًا فِيِ ((الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ)) ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عبد اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ
আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আসাদ আল-মারওয়াযী বাগদাদে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা ইবনে আযিব (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ((যখন কেউ তার বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ করে, সে যেন বলে: হে আল্লাহ, আমি আমার নিজেকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম, আপনার দিকে আমার চেহারা ফেরালাম, আপনার ওপর আমার বিষয় সোপর্দ করলাম এবং আপনার প্রতি আমার পিঠ সপে দিলাম, আপনার প্রতি অনুরাগ ও ভীতি নিয়ে। আপনার থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো আশ্রয়স্থল নেই এবং আপনার নিকট ছাড়া আপনার থেকে বাঁচার কোনো স্থান নেই। আমি ঈমান এনেছি আপনার অবতীর্ণ কিতাবের ওপর এবং আপনার প্রেরিত রাসূল বা নবীর ওপর। অতঃপর সে যদি মারা যায়, তবে সে ফিতরাতের ওপরই মৃত্যুবরণ করল))।

এটি সহীহ ও সুসাব্যস্ত হাদীস, এর ইসনাদ কুফী এবং এটি নয় স্তরবিশিষ্ট (তুসায়িয়্যাহ) বর্ণনা, বারা ইবনে আযিবের হাদীস হিসেবে এর বিশুদ্ধতা ও সুসাব্যস্ত হওয়ার ওপর ঐক্যমত্য রয়েছে।

তিরমিযী এটি 'আদ-দাওয়াত' অধ্যায়ে ইবনে আবু আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং নাসায়ী এটি 'আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থে কুতায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই সুফিয়ান বিন উয়ায়না থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে।

ফলে এটি তাঁদের উভয়ের জন্য একটি উচ্চস্তরের সমান্তরাল সনদ (বাদাল আলিন) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

এবং নাসায়ী এটি আরও বর্ণনা করেছেন 'আল-ইয়াওম ওয়াল-লাইলাহ' গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ থেকে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٦٩)
بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ سَعيِدٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ.

فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ إِلَى أَبِي إِسْحَاقَ كَأَنِّي شَاهَدْتُ فِيهِ الإِمَامَ الْحَافِظَ أبا عبد الرحمن أحمد بن شعيب النَّسَائِيَّ، وَسَمِعْتُهُ مِنْهُ، وَصَافَحْتُهُ بِهِ.

وَكَانَتْ وَفَاتُهُ بمكة سنة ثلاثمائة، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.

وَقَدْ وَقَعَ إِلَيْنَا أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ ابْنِ طَهْمَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ.

أَخْبَرَنَاهُ الشَّيْخَانِ: أَبُو مُحَمَّدٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الثَّنَاءِ مَحْمُودِ بْنِ سَالِمِ بْنِ مَهْدِيِّ بْنِ المقرئ وأبو عبد الله محمد بن أبي البدر معقل بن يسار ابن مطر النهرواني الفقيه، بقراءتي عليهما منفردين ببغداد في الرحلة الأولى، قَالا: أَخْبَرَتْنَا الْكَاتِبَةُ الْعَالِمَةُ شُهْدَةُ بِنْتُ أَبِي نصر أحمد بن الفرج بن عمر الآبري الدَّيْنَوَرِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَنَحْنُ نَسْمَعُ ح.

وَقَرَأَتْهُ أَيْضًا بِمَارَدِينَ عَلَى الْفَقِيهِ الإِمَامِ الْمُعَمَّرِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ أَبِي ذَرٍّ الْمُعَمَّرِ بْنِ حَسَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ يَحْيَى بْنِ سلمون الْعِرَاقِيِّ النَّشْتَبَرِيِّ نَزِيلِ مَارَدِينَ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْفَتْحِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بن نجا بن محمد بن علي بن شاتيل الدباس، قرأت عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، قَالا:
...ইবনে ইব্রাহিম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি উসমান ইবনে আমর থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি ইবনুল হাদ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে।

আবু ইসহাক পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার বিচারে আমি যেন এতে ইমাম হাফেজ আবু আবদুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ীকে প্রত্যক্ষ করেছি, তাঁর থেকেই এটি শ্রবণ করেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি।

তাঁর মৃত্যু মক্কায় তিনশ হিজরীতে হয়েছিল; আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।

ইবনে তাহমানের সূত্রে আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত হাদিসও আমাদের নিকট পৌঁছেছে।

আমাদের নিকট এটি সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ: আবু মুহাম্মদ ইব্রাহিম ইবনে আবিস সানা মাহমুদ ইবনে সালিম ইবনে মাহদি ইবনুল মুকরি এবং ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবিল বদর মাকিল ইবনে ইয়াসার ইবনে মাতার আন-নাহরাওয়ানি। আমি বাগদাদে প্রথম সফরের সময় তাঁদের উভয়ের নিকট পৃথকভাবে এটি পাঠ করেছি। তাঁরা বলেছেন: বিদুষী লেখিকা শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমদ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে উমর আল-আবরি আদ-দিনাওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম।

এবং আমি এটি মারিদিন শহরে দীর্ঘজীবী ফকিহ ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল খালিক ইবনে আবি যর আল-মুয়াম্মার ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামজা ইবনুল কাসিম ইবনে ইউসুফ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালমুন আল-ইরাকি আন-নাশতাবারি—যিনি মারিদিনে বসবাস করতেন—তাঁর নিকট পাঠ করেছি। (তিনি বলেছেন:) আবু আল-ফাতহ উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে শাতিল আদ-দাব্বাস আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন; আমি বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি আর আপনি তা শুনছিলেন। তাঁরা উভয়েই বলেছেন:
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٠)
أخبرنا الشيخان: أبو عبد الله الحسين بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبُنْدَارِ البسري، وَأَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ خُشَيْشٍ الْكَرْخِيُّ، ح.

وَأَخْبَرَنَاهُ أَيْضًا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ أَبِي نَصْرٍ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ عبد القادر المديني القزويني الحربي المؤدب، بقرائتي عليه ببغداد، وأبو المحاسن فضل الله ابن الْحَافِظِ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ الشَّيْخِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْقَادِرِ الْجِيلِيِّ، رَضِيَ اللَّهُ عليهم، إِذْنًا إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، قَالا: أَخْبَرَنَا عبيد الله بن عبد الله بن شاتيل، قِرَاءَةً وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا ابْنُ خُشَيْشٍ، قَالا –أَعْنِي ابْنَ خُشَيْشٍ، وَابْنَ الْبُنْدَارِ-: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الحسن ابن مُحَمَّدِ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ النَّجَّادُ الْفَقِيهُ، حدثنا أحمد بن محمد ثنا أبو حذيفة،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবিল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-বুনদার আল-বুসরি এবং আবু সা’দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন খুশাইশ আল-কারখি। (হাওলা)

এবং আমাদেরকে আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আব্দুল কাদির বিন আবি নাসর আব্দুল জাব্বার বিন আব্দুল কাদির আল-মাদিনি আল-কাযওয়িনি আল-হারবি আল-মুয়াদ্দিব—বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—এবং আবুল মাহাসিন ফাদলুল্লাহ ইবনুল হাফিজ আবু বকর আব্দুল রাজ্জাক বিন আশ-শায়খ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কাদির আল-জিলি—আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন—অনুমতির মাধ্যমে যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন শাতিল, আমাদের উপস্থিতিতে পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন খুশাইশ। তাঁরা উভয়ে—অর্থাৎ ইবন খুশাইশ এবং ইবনুল বুনদার—বলেছেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন শাযান আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন সালমান বিন আল-হাসান আন-নাজ্জাদ আল-ফাকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧١)
وعند شهده ((أَبُو حَنِيفَةَ)) ، بَدَلَ ((أَبِي حُذَيْفَةَ)) ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بن عازب رضي الله عنهما قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِرَجُلٍ وَهُوَ يُعَلِّمُهُ أَنْ يَقُولَ عِنْدَ مَنَامِهِ: ((اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ، وَوَجَّهْتُ وجهي إليك، وفوضت أمري إليك، وألجأت ظَهْرِي إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً، لا مَلْجَأَ وَلا مَنْجَا مِنْكَ إِلا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أنزلت، ونبيك الَّذِي أَرْسَلْتَ)) ثُمَّ قَالَ: ((إِنْ مَاتَ مَاتَ عَلَى الْفِطْرَةِ، وَإِنْ عَاشَ أَصَابَ خَيْرًا)) .

এবং শাহদাহ্‌র নিকট ‘আবু হুজাইফা’-এর পরিবর্তে ‘আবু হানিফা’ রয়েছে। ইবরাহিম ইবনে তাহমান আমাদের নিকট আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-বারা ইবনে আযিব (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে শিক্ষা দেওয়ার সময় বললেন যে, সে যেন তার ঘুমানোর প্রাক্কালে বলে: ((হে আল্লাহ! আমি নিজেকে আপনার নিকট সঁপে দিলাম, আমার মুখমণ্ডল আপনার দিকে ফিরালাম, আমার সমস্ত বিষয় আপনার নিকট সোপর্দ করলাম এবং আমার পৃষ্ঠদেশ আপনার আশ্রয়ে ন্যস্ত করলাম; আপনার প্রতি অনুরাগ ও ভীতির সাথে। আপনার নিকট থেকে পলায়ন করে আশ্রয় নেওয়ার মতো আপনি ছাড়া কোনো আশ্রয়স্থল নেই এবং আপনার নিকট ছাড়া আর কোথাও মুক্তির স্থান নেই। আমি ঈমান এনেছি আপনার অবতীর্ণ কিতাবের ওপর এবং আপনার প্রেরিত নবীর ওপর))। অতঃপর তিনি বললেন: ((যদি সে মারা যায়, তবে সে ফিতরাতের ওপর মৃত্যুবরণ করল। আর যদি সে বেঁচে থাকে, তবে সে কল্যাণের অধিকারী হবে))।

(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٢)
‌‌حديث مصافحة النسائي أيضاً

أخبرنا الْحَافِظُ مُسْنِدُ الشَّامِ وَمُحَدِّثُهُ أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بن خليل ابن عَبْدِ اللَّهِ الأَدَمِيُّ الدِّمَشْقِيُّ، نَزِيلُ حَلَبَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِهَا، أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ، أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدِ بْنِ حَمَدِ بْنِ أبي نصر بن أبي علي الكراني، وَأَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الطَّرْسُوسِيُّ بِأَصْبَهَانَ قَالا: أَخْبَرَنَا أبو منصور محمود بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصَّيْرَفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ فَاذْشَاهْ. ح.

وأَخْبَرَنَا ابْنُ خَلِيلٍ أَيْضًا، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الطَّرْسُوسِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو نَهْشَلٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَضْلِ الْعَنْبَرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ زِيَادِ بْنِ زَيْدٍ قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مُطَيْرٍ اللَّخْمِيُّ الشَّامِيُّ ثم الطبري،
নাসায়ীর মুসাফাহ (করমর্দন) সংক্রান্ত হাদীসও

সিরিয়ার হাফিজ, মুসনিদ ও মুহাদ্দিস আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলিল ইবনে আবদুল্লাহ আল-আদামি আদ-দিমাশকি—যিনি হালাবে বসবাস করতেন—তাঁর নিকট পঠিত পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ—আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি যাইদ ইবনে হামাদ ইবনে আবি নাসর ইবনে আবি আলি আল-কারানি এবং আসফাহানের আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-ফাতহ আত-তারসুসি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর মাহমুদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাইরাফি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ফাযশাহ। (হ).

এবং ইবনে খলিলও আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আত-তারসুসি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাহশাল আবদুস সামাদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-ফাদল আল-আনবারি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে যিয়াদ ইবনে যাইদ। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু আল-কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব ইবনে মুতাইর আল-লাখমি আশ-শামি, অতঃপর আত-তাবারী,
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٣)
نزيل أصبهان، حدثنا الحسين بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها قالت: ((كان رسول الله يُصْبِحُ جُنُبًا مِنَ الْوِقَاعِ، لا مِنَ الاحْتِلامِ ثُمَّ يُتِمُّ صَوْمَهُ)) .

رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ فِيِ ((الصوم)) عن [علي] بن مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ عبيد اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ نَافِعِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى ابْنِ عمر، عن أم المؤمنين أم سلمة.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِيِ ((الصَّوْمِ)) أَيْضًا، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَفْصٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ عَنْ أَبِي عِيَاضٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ، وَلَمْ يُسَمِّهِ، وَاسْمُهُ نَافِعٌ أَيْضًا، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها.

ونافع هذا غير نافع مولى بن عُمَرَ الَّذِي رَوَيْنَاهُ عَنْهُ.

فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ كَأَنِّي فِيْ رِوَايَةِ عَبْدِ رَبِّهِ في طريق النسائي سمعت مِنْهُ، وَصَافَحْتُهُ بِهِ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.
আসবাহানে বসবাসকারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন উমর, তিনি উম্মে সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহবাসের কারণে নাপাক অবস্থায় ভোরে উপনীত হতেন, স্বপ্নদোষের কারণে নয়, অতঃপর তিনি তাঁর রোজা পূর্ণ করতেন।"

ইবনে মাজাহ এটি 'রোজা' অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-উমারি থেকে, তিনি ইবনে উমরের মুক্তদাস আবু আব্দুল্লাহ নাফি বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মুমিনদের জননী উম্মে সালামাহ থেকে।

নাসায়ীও এটি 'রোজা' অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাফস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি হাজ্জাজ বিন হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবদে রাব্বিহি থেকে, তিনি আবু ইয়াদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস থেকে, উম্মে সালামাহর জনৈক মুক্তদাস থেকে—যার নাম সেখানে উল্লেখ করা হয়নি এবং তাঁর নামও নাফি—তিনি উম্মে সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে।

আর এই নাফি ইবনে উমরের সেই মুক্তদাস নাফি নন যার সূত্রে আমরা ইতিপূর্বে বর্ণনা করেছি।

সুতরাং উম্মে সালামাহ পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার দিক থেকে নাসায়ীর সূত্রে আবদে রাব্বিহির বর্ণনাটি এমন যে, আমি যেন তাঁর থেকে সরাসরি শুনেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছি। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٤)
‌‌حَدِيثُ مُصَافَحَةِ النَّسَائِيِّ أَيْضًا

حَدَّثَنَا الأَشْيَاخُ السَّبْعَةُ: أبو الحسن العليان، وأبي الْفَضَائِلِ النَّابُلْسِيُّ، وَابْنُ أَبِي الْفَتْحِ الْبَصْرِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ الأَزْدِيُّ وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الأَنْصَارِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَرَمِ الطَّرَابُلْسِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْحُسَيْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي الْحَسَنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ يَاقُوتٍ، وَأَبُو الرِّضَى عَلِيُّ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ التَّسَارِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ مُنْفَرِدًا، قَالُوا كُلُّهُمْ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْفَقِيهُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِالثَّغْرِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ الْمَحْمُودِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وأنا أسمع بأصبهان سنة ثمان وثمانين وأربعمائة، ومات في رجب سنة تسع وثمانين وأربعمائة، حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبد الله
নাসায়ীর মুসাফাহ সংক্রান্ত হাদীসও

সাতজন শাইখ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আল-হাসান আল-উলইয়ান, আবু আল-ফাদায়িল আন-নাবুলসি, ইবন আবু আল-ফাতহ আল-বাসরি, আবু মুহাম্মদ বিন আবু আল-মানসুর আল-আযদি, আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন আবু আলি আল-আনসারি, আবদুর রহমান বিন আবু আল-হারাম আত-তরাবুলসি, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আবু আল-হুসাইন ইয়াহইয়া বিন আবু আল-হাসান আবদুল্লাহ (যিনি ইবনে ইয়াকুত নামে পরিচিত) এবং আবু আর-রিদা আলি বিন যাইদ বিন আলি আত-তাসারাসি; তাদের প্রত্যেকের নিকট পৃথকভাবে পাঠ করার মাধ্যমে। তারা সকলেই বলেছেন: হাফেজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমরা যখন সীমান্তে (আস-সাঘর) শ্রবণরত ছিলাম তখন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফদল বিন আহমদ বিন আহমদ বিন মাহমুদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আস-সাকাফি আল-মাহমুদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—চারশত অষ্টাশি হিজরি সালে আসফাহানে আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি চারশত উননব্বই হিজরির রজব মাসে ইন্তেকাল করেন। আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٥)
ابن بِشْرَانَ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عمرو بن البختري إملاء، حدثنا عبد الرحمن بْنُ مَنْصُورٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعيِدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا خُثَيْمُ بْنُ عِرَاكٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((لَيْسَ عَلَى الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ فِيْ فَرَسِهِ، وَلا فِيْ مَمْلُوكِهِ صَدَقَةٌ)) .

صَحِيحٌ ثَابِتٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِيِ، ((الزَّكَاةِ)) عَنْ مُسَدَّدٍ.

وَالنَّسَائِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعيِدٍ، جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى الْقَطَّانِ. فَوَقَعَ بَدَلا عَالِيًا لَهُمَا.

وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، وَالتِّرْمِذِيُّ، مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ، عن عبد الله ابن دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ الْغِفَارِيِّ الْمَدَنِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ، مِنْ حَدِيثِ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ.

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ وَالثَّوْرِيِّ وَمَالِكٍ، عَنِ ابْنِ دِينَارٍ مِنْ
বাগদাদে ইবনে বিশরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন মনসুর আল-হারিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খুসাইম বিন ইরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "একজন মুসলিম ব্যক্তির ওপর তার ঘোড়া এবং তার দাসের জন্য কোনো সদাকাহ (যাকাত) নেই।"

এটি একটি সহীহ ও সাব্যস্ত হাদীস, যা আবু সাঈদ ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তানের বর্ণনা থেকে মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারী এটি 'যাকাত' অধ্যায়ে মুসাদ্দাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম নাসায়ী উবায়দুল্লাহ বিন সাঈদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তারা সকলেই ইয়াহইয়া আল-কাত্তান থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাদের জন্য একটি উচ্চমানের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

ইমাম বুখারী ও তিরমিযী এটি শু'বার সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি সুলাইমান বিন ইয়াসার থেকে, তিনি ইরাক বিন মালিক আল-গিফারী আল-মাদানী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম ও আবু দাউদ এটি মালিকের সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসায়ীও এটি শু'বা, সাওরী ও মালিকের সূত্রে ইবনে দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٦)
طُرُقٍ مِنْهَا:

أَنَّهُ رَوَاهُ فِيْ ((جَمْعِ حَدِيثِ مَالِكٍ)) ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبِ بْنِ الليث ابن سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ.

فَبِاعْتِبَارِ هَذَا الْعَدَدِ إِلَى عِرَاكٍ كَأَنِّي لَقِيتُ فِيهِ النَّسَائِيَّ وَسَمِعْتُهُ مِنْهُ، وَصَافَحْتُهُ.

وَقَدْ وَقَعَ إِلَيْنَا أَيْضًا مُوَافَقَةً مِنْ حَدِيثِ الإِمَامِ مَالِكٍ:

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو نَصْرٍ الأَغَرُّ بْنُ فَضَائِلَ بْنِ أَبِي نَصْرِ بْنِ أَبِي العز بن عباسوه الْبَغْدَادِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعُلَّيْقِ وَابْنِ بُنْدُقَةَ أَيْضًا، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ جَمِيعَ مُوَطَّأِ الْقَعْنَبِيِّ بِبَغْدَادَ قَالَ: حدثتنا الجهة العالمة الكاتبة شهدة بنت أبي نصر أحمد ابن الفرج بن عمر الآبري الدينوري، قراءة عليها وَنَحْنُ نَسْمَعُ، وَأَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أَبِي الْمَعَالِي ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَقَّالُ إجازة، قالت شهدة: أخبرنا أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ، وَقَالَ يَحْيَى: أَخْبَرَنَا وَالِدِي، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ابن مُحَمَّدِ بْنِ دَوْسَتَ الْعَلافُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ محمد بن عبد الله
বিভিন্ন সূত্রের মধ্যে একটি হলো:

এটি এই যে, তিনি এটি (জামে হাদিসে মালিক)-এ বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে শুআইব ইবনে লাইস ইবনে সা'দ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি ইরাক ইবনে মালিক থেকে।

ইরাক পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের এই সংখ্যার বিবেচনায়, মনে হচ্ছে যেন আমি এতে আন-নাসাঈর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তাঁর নিকট থেকে এটি শুনেছি এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা (করমর্দন) করেছি।

ইমাম মালিকের হাদিস থেকে আমাদের কাছে একটি মুওয়াফাকাত (একই সূত্রে মিলিত হওয়ার সংযোগ) এসে পৌঁছেছে:

আমাদের তা সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আল-আগার ইবনে ফাদায়েল ইবনে আবি নাসর ইবনে আবিল ইযয ইবনে আব্বাসুহ আল-বাগদাদী, যিনি ইবনে আল-উলায়িক এবং ইবনে বুন্দুকা নামেও পরিচিত, বাগদাদে তাঁর নিকট সম্পূর্ণ 'মুয়াত্তা আল-কা'নাবি' পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিদুষী লেখিকা শাহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমদ ইবনুল ফরাজ ইবনে উমর আল-আবরী আদ-দিনাওয়ারী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম, এবং আবুল কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে আবিল মা'আলি সাবিত ইবনে বুন্দার ইবনে ইব্রাহিম আল-বাক্কাল ইজাযত সূত্রে (বর্ণনা করেছেন)। শাহদাহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ। আর ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাওসাত আল-আল্লাফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ...
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٧)
ابن إبراهيم البزاز، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مَيْمُونٍ الْحَرْبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سليمان ابن يَسَارٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله قَالَ: ((لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِيْ عَبْدِهِ وَلا فَرَسِهِ صَدَقَةٌ)) .

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ، على الموافقة.
ইবনে ইবরাহীম আল-বাযযার, ইসহাক ইবনুল হাসান ইবনে মাইমুন আল-হারবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কা'নাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি ইরাক ইবনে মালিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: "মুসলিম ব্যক্তির ওপর তার দাসের জন্য এবং তার ঘোড়ার জন্য কোনো সদাকা নেই।"

আবু দাউদ এটি আল-কা'নাবি থেকে বর্ণনা করেছেন, যা সূত্রের সাথে সংগতিপূর্ণ।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফীহি মুসাফাহাতু মুসলিম আন-নাসায়ী লিদ-দুমইয়াতী (পৃষ্ঠা: ٢٧٨)
‌‌حَدِيثُ مُصَافَحَةٍ لِلنَّسَائِيِّ أَيْضًا

قَرَأْتُ عَلَى أَبِي محمد إبراهيم بن محمود بن سالم بن مَهْدِيٍّ الْمُقْرِئِ، بِبَغْدَادَ بِبَابِ الأَزْجِ، وَعَلَى أَبِي الْعَزَائِمِ عِيسَى بْنِ سَلامَةَ بْنِ سَالِمِ بْنِ ثَابِتٍ الْخَيَّاطِ، وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ فَارِسٍ، وَأَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ أَيُّوبَ، مِنْ بَغْدَادَ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا الْحَاجِبُ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ البطي الأولان كتابة، والأخيران سماعاح.

وَقَرَأْتُ أَيْضًا بِحَمَاةِ عَلِيٍّ أُمِّ حَمْزَةَ صَفِيَّةَ بِنْتِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْخَضِرِ الْقُرَشِيَّةِ، بِمَحْضَرٍ مِنْ وَلَدِهَا الْقَاضِي أَبِي يَعْلَى، عن أبي الحسن ابن أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ الطُّوسِيُّ -عُرِفَ وَالِدُهُ بِابْنِ تاج القراء-، ح.
নাসায়ীরও একটি মুসাফাহা সম্পর্কিত হাদিস

আমি বাগদাদের বাবুল আজাজে আবু মুহাম্মাদ ইবরাহীম বিন মাহমুদ বিন সালিম বিন মাহদী আল-মুকরির নিকট এবং আবু আল-আযাইম ঈসা বিন সালামাহ বিন সালিম বিন সাবিত আল-খাইয়াতের নিকট পাঠ করেছি। আর বাগদাদ থেকে আমাদের নিকট পত্র লিখেছেন আবু তালিব আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন হামযাহ বিন ফারিস এবং আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন উসমান বিন ইউসুফ বিন আইয়ুব। তাঁরা বললেন: আল-হাজিব আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি বিন আহমাদ বিন সালমান—যিনি ইবনুল বাত্তি নামে পরিচিত—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। প্রথম দু’জন লিখিতভাবে এবং শেষোক্ত দু’জন শ্রবণের মাধ্যমে।

আমি হামাতে উম্মে হামযাহ সাফিয়্যাহ বিনতে আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী বিন আল-খাদির আল-কুরাশিয়াহর নিকট তাঁর পুত্র কাজী আবু ইয়া’লার উপস্থিতিতেও পাঠ করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান ইবনে আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন রাফি আদ-তুসী থেকে—তাঁর পিতা ইবনু তাজিল কুররা নামে পরিচিত ছিলেন— (হ)।