(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: -)
جزء الحسن بن رشيق العسكري القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء الحسن بن رشيق العسكري عن شيوخه من الأمالي
المؤلف: الحسن بن رشيق، أبو محمد العسكري المصري (ت 370هـ)
طُبع: ضمن مجموع فيه ثلاثة من الأجزاء الحديثية
المحقق: جاسم بن محمد بن حمود الفجي
الناشر: مكتبة أهل الأثر - دار غراس
الطبعة: الثانية، 2005 م
عدد الصفحات: 100
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-হাসান বিন রাশিক আল-আসকারির জুয বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আল-আমালি থেকে আপন উস্তাদদের সূত্রে বর্ণিত আল-হাসান বিন রাশিক আল-আসকারির জুয
লেখক: আল-হাসান বিন রাশিক, আবু মুহাম্মাদ আল-আসকারি আল-মিসরি (মৃত্যু ৩৭০ হিজরি)
মুদ্রিত: হাদিস শাস্ত্রীয় তিনটি জুয সংবলিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে
গবেষক: জাসিম বিন মুহাম্মাদ বিন হামুদ আল-ফজ্জি
প্রকাশক: মাকতাবাতু আহলিল আছার - দারু গিরাস
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা’র জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (পঠন ও সমন্বয়)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১ হিজরি
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
جزء فيه من منتقى حديث أبي مُحَمَّدٍ الْحَسَن بْنُ رَشِيقٍ الْعَسْكَرِيُّ عن شيوخه من الأمالي
رواية أبي الْحَسَنِ مُحَمَّد بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ محمد النيسابوري عنه
رواية أبي صَادِقٍ مُرْشِد بْنُ يَحْيَى بْنِ القاسم المديني
وأبي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن إبراهيم الرازي كلاهما عنه
رواية أبي طَاهِرٍ بَرَكَات بْن إِبْرَاهِيم بْن طاهر الفرشي عنهما كتابة
سماع يوسف بن خليل بن عبد الله الدمشقي
আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন রাশিক আল-আসকারী কর্তৃক তাঁর শায়খগণের নিকট থেকে বর্ণিত ‘আল-আমালি’ হতে চয়নকৃত হাদিসের একটি অংশ
তাঁর থেকে আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আন-নাইসাবুরীর বর্ণনা
আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদীনীর বর্ণনা
এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আর-রাযী; তাঁরা উভয়েই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন
তাঁদের উভয় হতে আবু তাহির বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহির আল-কুরাশীর লিখিত বর্ণনা
ইউসুফ বিন খলিল বিন আবদুল্লাহ আদ-দামেশকীর শ্রবণ
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
وَبِهِ نَسْتَعِينُ
أَخْبَرنَا الشَّيْخُ الأَصِيلُ مُؤَيِّدُ الدِّينِ أَبُو الْمَعَالِي أَسْعَدُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ أَسَدِ بْنِ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ في جمادى الآخرة سنة594 أَخْبَرنَا أَبِي أَبُو يَعْلَى حَمْزَةُ بْنُ أسد أَخْبَرنَا أَبُو الْفَرَجِ سَهْلُ بْنُ بِشْرِ بن أحمد الإسفرايني قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ.
ح وَأَخْبَرنا أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بن طاهر بن بركات الفرشي قراءةً عليه وأنا أسمع أَخْبَرنَا الشَّيْخَانِ أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الرَّازِيُّ فِي كِتَابَيْهِمَا قالا أَخْبَرنَا أَبُو الحَسَن مُحَمَّدُ بْنُ الحُسَين بن محمد بن النَّيْسَابُورِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ أَخْبَرنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الحَسَن بْنُ رَشِيقٍ الْعَسْكَرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ في شوال من سنة 365.
1- حَدَّثَنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ عَلِيٍّ النَّسَوِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سعد بن إبراهيم الزهري حَدَّثَنا عمي حَدَّثَنا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنِي حَكِيمُ بْنُ حَكِيمِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الحُسَين ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَى فاطمة رضي الله عنه من الليل فأيظنا لِلصَّلاةِ ثُمَّ رَجَعَ إِلَى بَيْتِهِ فَصَلَّى هَوِيًّا مِنَ اللَّيْلِ فَلَمْ يَسْمَعْ لَنَا حِسًّا فَرَجَعَ إِلَيْنَا فأيظنا وَقَالَ قُومَا فَصَلِّيَا قَالَ فَجَلَسْتُ وَأَنَا أَعْرُكُ عَيْنِي وَأَقُولُ: إِنَّا وَاللَّهِ مَا نُصَلِّي
⦗ص: 26⦘ إِلا مَا كُتِبَ لَنَا إِنَّمَا أَنْفُسُنَا بِيَدِ اللَّهِ عز وجل ، فَإِذَا شَاءَ أن بعثنا بَعَثَنَا فَوَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقُولُ وَيَضْرِبُ بِيَدِهِ عَلَى فَخِذِهِ مَا نُصَلِّي إِلا مَا كُتِبَ لَنَا مَا نُصَلِّي إِلا مَا كُتِبَ لَنَا {وَكَانَ الإِنْسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جدلا} .
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আসীল মুআইয়িদুদ্দীন আবুল মাআলি আসআদ ইবনে হামজা ইবনে আসাদ ইবনে আলী আত-তামিমী, ৫৯৪ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু ইয়ালা হামজা ইবনে আসাদ। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ সাহল ইবনে বিশর ইবনে আহমদ আল-ইসফিরায়িনী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম।
হাদিসের অন্য সূত্র: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম ইবনে তাহির ইবনে বারাকাত আল-কুরাশি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবু সাদিক মুরশিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-কাসিম আল-মাদিনী এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আর-রাযী তাঁদের কিতাবদ্বয়ে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আন-নাইসাবুরী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে রাশিক আল-আসকারী, ৩৬৫ হিজরির শাওয়াল মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম।
১- আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব ইবনে আলী আন-নাসাভী, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-যুহরি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার চাচা। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার পিতা ইবনে ইসহাক থেকে। তিনি বলেন: আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন হাকিম ইবনে হাকিম ইবনে আব্বাদ ইবনে হুনায়েফ মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে শিহাব আল-যুহরি থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী ইবনে আবু তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের বেলা আমার ও ফাতিমা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-র নিকট আসলেন এবং আমাদের সালাতের জন্য জাগালেন। এরপর তিনি তাঁর ঘরে ফিরে গেলেন এবং রাতের দীর্ঘ সময় সালাত আদায় করলেন। তিনি আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া শব্দ পেলেন না, ফলে পুনরায় আমাদের নিকট ফিরে এসে আমাদের জাগালেন এবং বললেন: "তোমরা ওঠো এবং সালাত আদায় করো।" আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: তখন আমি চোখ রগড়াতে রগড়াতে বসলাম এবং বললাম: "আল্লাহর শপথ, আমাদের জন্য যা লিখে রাখা হয়েছে (নির্ধারিত) আমরা তার বাইরে সালাত আদায় করি না।
⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ আমাদের প্রাণ তো আল্লাহর হাতে; তিনি যখন আমাদের জাগাতে চান, তখন জাগিয়ে দেন।" এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রস্থান করলেন এবং তিনি তাঁর হাত দিয়ে তাঁর উরুর উপর আঘাত করতে করতে বলছিলেন: "আমরা তাই সালাত আদায় করি যা আমাদের জন্য লিখে রাখা হয়েছে, আমরা তাই সালাত আদায় করি যা আমাদের জন্য লিখে রাখা হয়েছে; আর মানুষ সবচেয়ে বেশি তর্কাপ্রিয়।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
2- حَدَّثَنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يونس حَدَّثَنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ وَعَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ وَشُعَيْبٌ وَابْنُ إِسْحَاقَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخْبَرَنِي بِأَمْرٍ لا أَسْأَلُ عَنْهُ أَحَدًا بَعْدَكَ قَالَ قُلْ آمَنْتُ بِاللَّهِ ثُمَّ اسْتَقِمْ.
২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইবরাহীম ইবন ইউনুস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন হাফস ইবন মাইসারা, আলী ইবন মুশহির, শু'আইব এবং ইবন ইসহাক; হিশাম ইবন উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত করুন যে সম্পর্কে আপনার পরে আমি আর কাউকে জিজ্ঞাসা করব না। তিনি বললেন: "বলো, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি, অতঃপর অবিচল থাকো।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
3- حَدَّثَنا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدِ بْنِ بشير حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رُزْمَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُهَاجِرِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ قَالَ رَأَيْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ فَقَالَ النَّاسُ إِنَّمَا كَانَ هَذَا قَبْلَ الْمَائِدَةِ فَقَالَ جَرِيرٌ إِنَّمَا أَسْلَمْتُ بَعْدَ الْمَائِدَةِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يمسح على الخفين.
৩- আমাদের কাছে আলী ইবনে সাঈদ ইবনে বশির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবি রুজমা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-মুহাজির বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি বলেন: আমি জারির ইবনে আব্দুল্লাহকে চামড়ার মোজার উপর মাসাহ করতে দেখেছি। তখন লোকেরা বলল, এটি তো সূরা আল-মায়েদাহ অবতীর্ণ হওয়ার আগের ঘটনা। জারির বললেন, আমি তো সূরা আল-মায়েদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পরেই ইসলাম গ্রহণ করেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চামড়ার মোজার উপর মাসাহ করতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
4- حَدَّثَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبد العزيز حَدَّثَنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُؤْتَى بِالرَّجُلِ الْمَيِّتِ عَلَيْهِ الدَّيْنُ فَيَسْأَلُ هَلْ تَرَكَ لِدَيْنِهِ قَضَى فَإِنْ حُدِّثَ أَنَّهُ تَرَكَ لِدَيْنِهِ قضى صَلَّى عَلَيْهِ وَإِلا قَالَ صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ فَلَمَّا فتح عَلَيْهِ الْفُتُوحَ قَالَ أَنَا ⦗ص: 28⦘ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ فَمَنْ تُوُفِّيَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فَعَلَيَّ قَضَاؤُهُ وَمَنْ تَرَكَ مَالا فَهُوَ لِوَرَثَتِهِ.
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস, তিনি ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান, আবু হুরাইরা (রা.) থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এমন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হতো যার ওপর ঋণ থাকত। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করতেন, সে কি তার ঋণ পরিশোধের জন্য কিছু রেখে গেছে? যদি তাকে জানানো হতো যে সে তার ঋণ পরিশোধের জন্য সম্পদ রেখে গেছে, তবে তিনি তার জানাজা পড়াতেন। অন্যথায় তিনি বলতেন, তোমরা তোমাদের সাথীর জানাজা পড়ে নাও। অতঃপর যখন তাঁর জন্য বিজয়সমূহ উন্মুক্ত হলো, তখন তিনি বললেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের প্রাণের চেয়েও অধিক হকদার। সুতরাং যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার ওপর। আর যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যাবে, তা তার উত্তরাধিকারীদের জন্য।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
5- حَدَّثَنا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إبراهيم حَدَّثَنا علي بن زياد حَدَّثَنا مُوسَى بْنُ طَارِقٍ قَالَ ذَكَرَ ابْنُ جُرَيْج ، عَنْ عَطَاء عَنْ أَبِي صَالِحٍ الزَّيَّاتِ أَنَّهُ سَمِعَ أبا هريرة رضي الله عنه يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ اللَّهُ عز وجل كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ لَهُ إِلا الصِّيَامَ فَهُوَ لي وأنا أجزي بِهِ وَالصِّيَامُ جُنَّةٌ ، فَإِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلا يَرْفُثْ يَوْمَئِذٍ وَلا يَسْخَبْ فَإِنْ شَاتَمَهُ أحد أوقاتله فليقل: إني امرئ صائم إني امرئ صَائِمٌ.
وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رَائِحَةِ الْمِسْكِ وَلِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ يَفْرَحُهُمَا إِذَا أَفْطَرَ فَرِحَ بِفِطْرِهِ وَإِذَا لَقِيَ رَبَّهُ عز وجل فَرِحَ بِصَوْمِهِ.
৫- আল-মুফায্যাল বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন তারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে ইবনে জুরাইজ আতা থেকে এবং তিনি আবু সালিহ আস-যাইয়্যাত থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন, আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত বলেছেন: আদম সন্তানের প্রতিটি আমল তার জন্য, কেবল রোযা ব্যতীত; কেননা তা আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান প্রদান করব। আর রোযা হলো ঢালস্বরূপ। সুতরাং তোমাদের কারো রোযার দিন সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে লড়াই করতে চায়, তবে সে যেন বলে: আমি একজন রোযাদার, আমি একজন রোযাদার।
সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। রোযাদারের জন্য দু'টি আনন্দ রয়েছে যা সে লাভ করে: যখন সে ইফতার করে তখন সে তার ইফতারের কারণে আনন্দিত হয়, আর যখন সে তার প্রতিপালক মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন সে তার রোযার কারণে আনন্দিত হবে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
6- حَدَّثَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبد العزيز حَدَّثَنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنِ الأَعْرَجِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَأْثُرُهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كُلُّ حَسَنَةٍ بعشر أمثالها إلى يبلغ مئة ضِعْفٍ قَالَ اللَّهُ عز وجل إِلا الصِّيَامَ فَهُوَ لِي وَأَنَا أُجْزِيُ بِهِ لا يَذَرُ طَعَامَهُ إِلا مِنْ أَجْلِي وَلا شَرَابَهُ إِلا مِنْ أَجْلِي وَلا شَهْوَتَهُ إِلا مِنْ أَجْلِي فَأَمَّا الصِّيَامُ فَهُوَ لِي وَأَنَا أُجْزِيُ بِهِ.
৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস, জাফর ইবনে রাবিয়াহ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, যিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: প্রতিটি নেক আমল দশ গুণ থেকে একশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল বলেছেন: রোজা ব্যতীত, কেননা তা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব। সে কেবল আমারই কারণে তার খাদ্য বর্জন করে, কেবল আমারই কারণে তার পানীয় বর্জন করে এবং কেবল আমারই কারণে তার প্রবৃত্তি বর্জন করে। সুতরাং রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
7- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جعفر الذهلي حَدَّثَنا داود بن عمرو الضبي حَدَّثَنا مروان بن معاوية حَدَّثَنا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي عَامِرُ بْنُ سَعْدِ بْنِ أَبِي وقاص ، عن أبيه رضي الله عنه قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَسْجِدِ بَنِي مُعَاوِيَةَ فَدَخَلَ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ يُنَاجِي رَبَّهُ تبارك وتعالى ثُمَّ انْصَرَفَ فَقَالَ سَأَلْتُ ⦗ص: 30⦘ رَبِّي عز وجل ثَلاثًا فَأَعْطَانِي اثْنَتَيْنِ وَمَنَعَنِي وَاحِدَةً سَأَلْتُ رَبِّي عز وجل أَلا يُهْلِكَ أُمَّتِي بِالْغَرَقِ وَلا يُهْلِكَهُمْ بِالسَّنَةِ فَفَعَلَ وَسَأَلْتُهُ أَلا يَجْعَلَ بَأْسَهُمْ بَيْنَهُمْ فَمَنَعَنِيهَا.
৭- আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর আদ-দুহলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট দাউদ ইবনে আমর আদ-দাব্বী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উসমান ইবনে হাকিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমের ইবনে সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস তাঁর পিতা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বনী মুআবিয়া মসজিদে ছিলাম। তিনি সেখানে প্রবেশ করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন, এরপর দাঁড়িয়ে তাঁর বরকতময় ও সুউচ্চ রবের নিকট মুনাজাত করলেন। অতঃপর তিনি প্রস্থান করার সময় বললেন: আমি প্রার্থনা করেছি ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ আমার মহাপরাক্রমশালী ও মহান রবের নিকট তিনটি বিষয়, তিনি আমাকে দুটি দান করেছেন এবং একটি প্রদান করেননি। আমি আমার মহাপরাক্রমশালী ও মহান রবের নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি আমার উম্মতকে নিমজ্জনের মাধ্যমে ধ্বংস না করেন এবং দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে ধ্বংস না করেন; তিনি তা কবুল করেছেন। আর আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি তাদের পারস্পরিক লড়াই তাদের নিজেদের মধ্যে না রাখেন, কিন্তু তিনি আমাকে তা প্রদান করেননি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
8- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ عاصم حَدَّثَنا حامل بن يحيى حَدَّثَنا سُفْيَانُ عَنِ ابْنِ جُرَيْج ، عَنْ عَطَاء عن جابر رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال لاترقبوا وَلا تُعْمِرُوا فَمَنْ أَرْقَبَ شَيْئًا أو أعمر شيئاً فيه فَسَبِيلُهُ سَبِيلُ الْمِيرَاثِ.
৮- মুহাম্মাদ বিন মূসা বিন আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হামিল বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা ‘রুকবা’ করো না এবং ‘উমরা’ করো না। সুতরাং যাকে কোনো কিছু ‘রুকবা’ বা ‘উমরা’ হিসেবে দান করা হয়, তা উত্তরাধিকারের বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবে।”
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
9- حَدَّثَنا أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ علي أَخْبَرنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ الله قال: حدثني قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزِّنَادِ عَنْ عَبْدِ الرحمن ، عن أبي هريرة رضي الله عنه ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوَّلُ زُمْرَةٍ تَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى صُورَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ وَالَّذِينَ عَلَى أَثَرِهِمْ كَأَشَدِّ كَوْكَبٍ دُرِّيٍّ فِي السَّماء إِضَاءَةً قُلُوبُهُمْ عَلَى قَلْبٍ وَاحِدٍ لا اخْتِلافَ بَيْنَهُمْ وَلا تَبَاغُضَ لُكِلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ زوجتان كُلُّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا يُرَى مُخُّ سَاقِهَا مِنْ وَرَاءِ لَحْمِهَا يُسَبِّحُونَ اللَّهَ عز وجل بُكْرَةً وَعَشِيًّا لا يسقمون فيها ولا يمتخطون وَلا يَبْصُقُونَ آنِيَتُهُمُ الذَّهَبُ وَالْفِضَّةُ وَأَمْشَاطُهُمُ الذَّهَبُ وَوَقُودُ مَجَامِرِهِمُ الأَلُوَّةُ وَرَشْحُهُمُ الْمِسْكُ.
৯- আহমদ ইবনে শুআইব ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে তাহমান মূসা ইবনে উকবাহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুয যিনাদ আব্দুর রহমান থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটি পূর্ণিমার রাতের চাঁদের আকৃতিতে হবে, আর যারা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তারা আকাশের সর্বাধিক দীপ্তিমান উজ্জ্বল নক্ষত্রের ন্যায় আলো দানকারী হবে। তাদের সকলের অন্তর একটি অন্তরের ন্যায় হবে, তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ থাকবে না এবং কোনো পারস্পরিক বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের প্রত্যেকের জন্য দুইজন করে স্ত্রী থাকবে, যাদের প্রত্যেকের পায়ের নলার মজ্জা মাংসের ভেতর দিয়ে দেখা যাবে। তারা সকাল ও সন্ধ্যায় মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করবে। তারা সেখানে অসুস্থ হবে না, সর্দি ফেলবে না এবং থুতু ফেলবে না। তাদের পাত্রসমূহ হবে স্বর্ণ ও রৌপ্যের, তাদের চিরুনিসমূহ হবে স্বর্ণের, তাদের ধুনুচির জ্বালানি হবে আগর কাঠ এবং তাদের শরীরের ঘাম হবে কস্তুরী।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
10- حَدَّثَنا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عمرو المعدل حَدَّثَنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ العلاء حَدَّثَنا أبو مسهر حَدَّثَنا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلامٍ الأَسْوَدُ عَنْ ثَوْبَانَ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ حَوْضِي كَمَا بَيْنَ عَدَنٍ إِلَى صَنْعَاءَ مَاؤُهُ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ وَأَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ وَأَطْيَبُ رَائِحَةً مِنَ الْمِسْكِ أَكَاوِيبُهُ مِثْلُ نُجُومِ السَّماء مَنْ شَرِبَ مِنْهُ شَرْبَةً لَمْ يَظْمَأْ بَعْدَهَا أَبَدًا وَأَكْثَرُ النَّاسِ عَلَيْهِ وُرُودًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ فُقَرَاءُ الْمُهَاجِرِينَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَنْ فُقَرَاءُ المهاجرين قال الشعث رؤوسا الدُّنْسُ ثِيَابًا الَّذِينَ لا يَنْكِحُونَ الْمُنَعَّمَاتِ وَلا يُفْتَحُ لَهُمُ السُّدَدُ الَّذِينَ يُعْطُونَ الْحَقَّ الَّذِي عَلَيْهِمْ وَلا يُعْطَوْنَ الَّذِي لَهُمْ.
১০- ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মুয়াদ্দাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুসহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাদাকা ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যায়েদ ইবনে ওয়াকিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সালাম আল-আসওয়াদ সওবান—যিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস ছিলেন—তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমার হাওযের পরিধি আদন থেকে সানআ-এর দূরত্বের ন্যায়। এর পানি দুধের চেয়েও অধিক সাদা, মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি এবং এর সুঘ্রাণ মিশকের চেয়েও উত্তম। এর পানপাত্রগুলো আকাশের নক্ষত্ররাজির ন্যায়। যে ব্যক্তি তা থেকে এক ঢোক পান করবে, সে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। কিয়ামতের দিন যারা এই হাওযে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় আসবে তারা হলো দরিদ্র মুহাজিরগণ।" আমি বললাম: "হে আল্লাহর রসূল! দরিদ্র মুহাজির কারা?" তিনি বললেন: "যাদের মাথার চুল উষ্কখুষ্ক ও ধূলিমলিন, যাদের পোশাক অপরিষ্কার, যারা সুখ-বিলাসী নারীদের বিবাহ করতে পারে না এবং যাদের জন্য উচ্চ মহলের দ্বারসমূহ উন্মুক্ত করা হয় না। তারা তাদের ওপর অর্পিত হক (কর্তব্য) আদায় করে, কিন্তু তাদের নিজেদের হক (প্রাপ্য অধিকার) তাদের প্রদান করা হয় না।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
11- حَدَّثَنا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ أَحْمَدَ بن سهيل حَدَّثَنا هشام بن عمار حَدَّثَنا الوليد بن مسلم حَدَّثَنا سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: قَالَ اللَّهُ تبارك وتعالى يَا بَنِي آدَمَ كُلُّكُمْ مُذْنِبٌ إِلا مَنْ عَافَيْتُ فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرُ لَكُمْ وَكُلُّكُمْ ضَالٌّ إِلا مَنْ هَدَيْتُ فَسَلُونِي الْهُدَى أَهْدِكُمْ وَكُلُّكُمْ فَقِيرٌ إلا من أغنيت فسلوني أغنيكم وَلَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَحَيَّكُمْ وَمَيِّتَكُمْ وَرَطْبَكُمْ وَيَابِسَكُمُ اجْتَمَعُوا فَسَأَلَنِي كُلُّ رَجُلٍ مِنْهُمْ مَا بَلَغَتْ مَسْأَلَتُهُ مَا نَقَصَ ذَلِكَ مَا لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ أَتَى الْبَحْرَ فَغَمَسَ فِيهِ إِبْرَةً ثُمَّ انْتَزَعَهَا ذَلِكَ بِأَنِّي جَوَّادٌ مَاجِدٌ وَاجِدٌ أَفْعَلُ مَا أَشَاءُ عَطَائِي كَلامٌ إذا أردت شيئا فإنما أقوله لَهُ كُنْ فَيَكُونُ.
১১- আবদুস সালাম বিন আহমদ বিন সুহাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ বিন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন বশীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন গনাম থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমরা প্রত্যেকেই অপরাধী, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি ক্ষমা করেছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। তোমরা প্রত্যেকেই পথভ্রষ্ট, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি হিদায়াত দিয়েছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব। এবং তোমরা প্রত্যেকেই অভাবী, কেবল সে ব্যতীত যাকে আমি অভাবমুক্ত করেছি; সুতরাং তোমরা আমার কাছে প্রার্থনা করো, আমি তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেব। যদি তোমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ, তোমাদের জীবিত ও মৃতরা এবং তোমাদের সতেজ ও শুষ্ক সকলে একত্রিত হতো এবং তাদের প্রত্যেকে আমার কাছে তার চূড়ান্ত আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী প্রার্থনা করত, তবে তা আমার নিকট যা আছে তা থেকে সামান্যও হ্রাস করত না; যেমন তোমাদের কেউ যদি সমুদ্রের তীরে এসে তাতে একটি সূঁচ ডুবিয়ে তা পুনরায় তুলে নেয় (তবে সমুদ্রের পানি যতটুকু কমে)। তা একারণে যে, আমি পরম দাতা, অতিশয় মর্যাদাবান ও অমুখাপেক্ষী; আমি যা ইচ্ছা করি তা-ই করি। আমার প্রদান হলো কেবল একটি বাণী; যখন আমি কোনো কিছুর ইচ্ছা করি, তখন আমি তাকে বলি ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
12- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ رُزَيْقِ بْنِ جامع حَدَّثَنا أحمد بن صالح حَدَّثَنا ابن وهب قال: أخبرني عمروبن الْحَارِثِ أَنَّ دَرَّاجًا أَبَا السَّمْحِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ حُجَيْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عز وجل أَعَدَّ لِعِبَادِهِ الصَّالِحِينَ مَا لا عَيْنٌ رَأَتْ وَلا أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلا خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ.
قَالَ عَمْرٌو: وَحَدَّثَنِي بِذَلِكَ أَبُو يُونُسَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
১২- আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন রুযাইক বিন জামি‘ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনু ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমর ইবনুল হারিস সংবাদ দিয়েছেন যে, দাররাজ আবুস সামহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনু হুজাইরাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু প্রস্তুত করে রেখেছেন, যা কোনো চক্ষু দেখেনি, কোনো কর্ণ শ্রবণ করেনি এবং কোনো মানুষের অন্তরেও তা কখনো উদিত হয়নি।
আমর বলেন: আর আমার নিকট আবু ইউনুস এটি বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
13- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْكُوفِيُّ حَدَّثَنا الْمُسَيَّبُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّشَّاشُ بالكوفة حَدَّثَنا الأَشْجَعِيُّ عَنْ يَزِيدَ بْنِ سُلَيْمَانَ عَنِ الْجَدَلِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه فَقَالَ كَانَ وَاللَّهِ خَيْرًا كُلُّهُ وَسُئِلَ عَنْ عُمَرَ رضي الله عنه فَقَالَ كَانَ وَاللَّهِ كَالطَّيْرِ الْحَذِرِ الَّذِي يُنْصَبُ لَهُ فِي كُلِّ طَرِيقٍ شَرَكٌ فَكَانَ يَعْمَلُ عَلَى مَا يَرَى مَعَ الْعُنْفِ وَشِدَّةِ النَّشَاطِ وَسُئِلَ عَنْ عُثْمَانَ رضي الله عنه فَقَالَ كَانَ وَاللَّهِ صَوَّامًا قَوَّامًا قَارِئًا لِلْقُرْآنِ مِنْ رَجُلٍ غَرَّتْهُ نَوْمَتُهُ مِنْ يَقَظَتِهِ وَسُئِلَ عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه فَقَالَ كَانَ وَاللَّهِ مَوْكُوبًا عِلْمًا وَحِلْمًا مِنْ رَجُلٍ غَرَّتْهُ مُتَابَعَتُهُ ظَنَّ أَنْ لَنْ يَمُدَّ يَدَهُ إِلَى شَيْءٍ إِلا أَتْبَعَهُ فَوَاللَّهِ مَا رَأَيْتُهُ مَدَّ يَدَهُ إِلَى شَيْءٍ إِلا خَالَفَهُ.
১৩- মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুসাইয়্যাব ইবন আব্দুল মালিক আদ-দাশশাশ কুফায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আশজা'ঈ আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবন সুলাইমান থেকে, তিনি আল-জাদালি থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, তিনি সম্পূর্ণই কল্যাণময় ছিলেন। আর তাঁকে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, তিনি ছিলেন সেই সতর্ক পাখির মতো যার জন্য প্রতিটি পথে ফাঁদ পাতা হয়েছে, ফলে তিনি যা দেখতেন সে অনুযায়ী কঠোরতা ও প্রবল কর্মোদ্যমের সাথে কাজ করতেন। আর তাঁকে উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, তিনি ছিলেন অত্যধিক রোজা পালনকারী, রাতে দীর্ঘ সালাত আদায়কারী এবং কুরআনের পাঠক; এমন এক ব্যক্তি যার ঘুম তাকে তার জাগ্রত অবস্থা থেকে বিভ্রান্ত করেছিল। আর তাঁকে আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, তিনি জ্ঞান ও সহনশীলতায় পরিপূর্ণ ছিলেন; এমন এক ব্যক্তি যাকে তার অনুসারীরা বিভ্রান্ত করেছিল; তিনি ধারণা করেছিলেন যে তিনি কোনো কিছুর দিকে হাত বাড়ালেই সেটি তাঁর অনুগত হবে, কিন্তু আল্লাহর কসম, আমি তাঁকে কোনো কিছুর দিকে হাত বাড়াতে দেখিনি যা তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করেনি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
14- حَدَّثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بن سلم المقدسي حَدَّثَنا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ⦗ص: 37⦘ الأَيْلِيُّ بِأَيْلَةَ حَدَّثَنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ عُمَيْلَةَ وَالِدِ الدُّكَيْنِ ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ كَلِمَةً مَا سَمِعْتُ بَعْدُ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل وَلا حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَعْجَبَ إِلَيَّ مِنْهَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ بِحَسْبِ امْرِئٍ رَأَى مُنْكَرًا لَمْ يَسْتَطِعْ لَهُ غِيَرًا أَنْ يَعْلَمَ اللَّهُ عز وجل مِنْ قَلْبِهِ أَنَّهُ لَهُ كَارِهًا.
১৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন সালম আল-মাকদিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইসমাঈল ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ আল-আয়লি আয়লায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন উইয়াইনাহ, তিনি আবদুল মালিক ইবন উমায়ের থেকে, তিনি আদ-দুকাইনের পিতা রাবি ইবন উমাইলাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ থেকে এমন একটি কথা শুনেছি যে, এর পরে মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর কিতাবের কোনো আয়াত কিংবা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো হাদীস আমার কাছে এর চেয়ে অধিক প্রিয় মনে হয়নি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: কোনো ব্যক্তির জন্য এটিই যথেষ্ট যে, যখন সে কোনো মন্দ কাজ দেখে যা পরিবর্তন করার সামর্থ্য তার নেই, তখন মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ যেন তার অন্তর থেকে এটি জানেন যে, সে তা অপছন্দ করে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
15- حَدَّثَنا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ حماد بن مسلم التجيبي حَدَّثَنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ الْجُمَحِيُّ أَخْبَرنَا يحيى بن أيوب حَدَّثَنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ زَحْرٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ عَنِ الْقَاسِمِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بُعِثْتُ رَحْمَةً وَهُدًى لِلْعَالَمِينَ لِمَحْقِ الأَوْثَانِ وَالْمَعَازِفِ وَالْمَزَامِيرِ وَأَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ.
، ثم قال: من شرب الخمر فِي الدُّنْيَا سَقَاهُ اللَّهُ كَمَا شَرِبَ مِنْهُ مِنْ حَمِيمِ جَهَنَّمَ مُعَذَّبٌ بَعْدُ أَوْ مَغْفُورٌ لَهُ وَمَنْ سَقَى صَبِيًّا صَغِيرًا مُسْلِمًا لا يَعْقِلُهَا
⦗ص: 38⦘ سَقَاهُ اللَّهُ مِثْلَ مَا سَقَاهُ مِنْ حَمِيمِ جَهَنَّمَ مُعَذَّبٌ بَعْدُ أَوْ مَغْفُورٌ لَهُ.
১৫- আবু জাফর আহমাদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে মুসলিম আত-তুজিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম আল-জুমাহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে জাহর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি কাসেম ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি বিশ্ববাসীর জন্য রহমত ও হেদায়েত হিসেবে প্রেরিত হয়েছি—মূর্তি, বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি এবং জাহেলিয়াতের রীতিনীতি নির্মূল করার জন্য।
অতঃপর তিনি বলেন: যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের ফুটন্ত পানি পান করাবেন যেভাবে সে তা পান করেছিল; এরপর তাকে শাস্তি দেয়া হবে অথবা তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কোনো ছোট মুসলিম শিশুকে তা পান করাবে যে তার (পরিণতি) বোঝে না,
⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ আল্লাহ তাকে জাহান্নামের ফুটন্ত পানি থেকে অনুরূপ পান করাবেন যা সে তাকে পান করিয়েছিল; এরপর তাকে শাস্তি দেয়া হবে অথবা তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
16- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جعفر الذهلي حَدَّثَنا أحمد بن جميل حَدَّثَنا عبد الله بن المبارك حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عُثْمَانَ عَنِ الأَعْرَجِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُؤْمِنُ الْقَوِيُّ خَيْرٌ وَأَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنَ الْمُؤْمِنِ الضَّعِيفِ وَفِي كُلٍّ خَيْرٌ وَاحْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ وَلا تَعْجَزْ فَإِنْ غَلَبَكَ أَمْرٌ فَقُلْ قَدَّرَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ صَنَعَ وَإِيَّاكَ وَلَوْ فَإِنَّ اللَّوَّ تَفْتَحُ عَمَلَ الشَّيْطَانِ.
وَسَمِعْتُهُ مِنْ رَبِيعَةَ وَحِفْظِي لَهُ مِنْ مُحَمَّدٍ.
১৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জাফর আদ-দুহালি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন জামিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আজলান, তিনি রাবিআ বিন উসমান থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর নিকট দুর্বল মুমিনের চেয়ে উত্তম ও অধিক প্রিয়, তবে প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। যা তোমার উপকারে আসে তা অর্জনে সচেষ্ট হও এবং অক্ষমতা প্রকাশ করো না। যদি কোনো বিপদ তোমাকে পেয়ে বসে তবে বলো: ‘আল্লাহ নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তা-ই করেছেন’। আর ‘যদি’ (শব্দটি) পরিহার করো, কারণ ‘যদি’ শয়তানের কাজের পথ উন্মুক্ত করে দেয়।”
আর আমি এটি রাবিআ থেকে শুনেছি এবং মুহাম্মদের নিকট থেকে তা মুখস্থ করেছি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
17- حَدَّثَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بن رزيق بن جامع حَدَّثَنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بن السرح القرشي حَدَّثَنا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ لِكَعْبِ بْنِ الأَشْرَفِ فَإِنَّهُ قَدْ آذَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَامَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُحِبُّ أَنْ أَقْتُلَهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَأْذَنْ لِي أن أقول شيئا فَأَتَاهُ فَقَالَ إِنَّ هَذَا الرَّجُلَ قَدْ سَأَلَنَا الصَّدَقَةَ وَقَدْ عَنَّانَا وَقَدِ اتَّبَعْنَاهُ وَنَحْنُ نَكْرَهُ أَنْ نَدَعَهُ حَتَّى نَنْظُرَ إِلَى أَيِّ شيء يصير أمره قال أَيَّ شَيْءٍ تَرْهَنُونِي قَالُوا مَا تُرِيدُ مِنَّا قَالَ تَرْهَنُونِي نِسَاءَكُمْ قَالُوا ⦗ص: 40⦘ أَنْتَ أَجْمَلُ الْعَرَبِ نَرْهَنُكَ نِسَاءَنَا فَيَكُونُ ذَلِكَ عَارًا عَلَيْنَا قَالَ تَرْهَنُونِي أَوْلادَكُمْ قَالُوا سُبْحَانَ اللَّهِ يُسَبُّ ابْنُ أَحَدِنَا فَيُقَالُ لَهُ رُهِنْتَ بِوَسْقٍ أَوْ وَسْقَيْنِ قَالُوا نَرْهَنُكَ اللأْمَةَ قَالَ نَعَمْ يُرِيدُ السِّلاحَ فَلَمَّا أَتَاهُ نَادَاهُ فَخَرَجَ إِلَيْهِ وَهُوَ مُتَطَيِّبٌ فَلَمَّا أَنْ جَلَسُوا إِلَيْهِ وَقَدْ جَاءَ مَعَهُ بِاثْنَيْنِ أَوْ ثَلاثَةٍ أَوْ أربعة قالوا ريح طيب يَنْفَحُ مِنْكَ قَالَ عِنْدِي فُلانَةُ وَهِيَ مِنْ أَعْطَرِ نِسَاءِ النَّاسِ قَالَ أَتَأْذَنُ لِي فَأَشُمَّ قَالَ دُونَكُمْ فَضَرَبُوهُ حَتَّى قَتَلُوهُ.
১৭- আমাদের কাছে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে রুযাইক ইবনে জামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে আবু তাহির আহমাদ ইবনে আমর ইবনুস সারহ আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। জাবির (রা.) বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কা'ব ইবনুল আশরাফের দায়িত্ব কে নেবে? কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে।" তখন মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ দাঁড়িয়ে বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি চান যে আমি তাকে হত্যা করি?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "তবে আমাকে (কৌশল হিসেবে) কিছু বলার অনুমতি দিন।" এরপর তিনি তার কাছে আসলেন এবং বললেন, "এই ব্যক্তি আমাদের কাছে সদকা চেয়েছেন এবং আমাদের কষ্টে ফেলেছেন। আমরা তার অনুসরণ করেছি এবং আমরা তাকে ত্যাগ করা অপছন্দ করছি যতক্ষণ না দেখি তার বিষয়টির পরিণতি কোন দিকে যায়।" সে বলল, "তোমরা আমার কাছে কী বন্ধক রাখবে?" তারা বলল, "আপনি আমাদের থেকে কী চান?" সে বলল, "তোমাদের নারীদের আমার কাছে বন্ধক রাখো।" তারা বলল ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ "আপনি আরবদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর, আমরা আমাদের নারীদের আপনার কাছে বন্ধক রাখলে তা আমাদের জন্য লজ্জার কারণ হবে।" সে বলল, "তোমাদের সন্তানদের বন্ধক রাখো।" তারা বলল, "সুবহানাল্লাহ! আমাদের কারো সন্তানকে এই বলে গালি দেওয়া হবে যে, তোমাকে এক বা দুই ওয়াস্কের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছিল।" তারা বলল, "আমরা আপনার কাছে যুদ্ধাস্ত্র বন্ধক রাখব।" সে বলল, "হ্যাঁ।" এর দ্বারা তিনি অস্ত্র বুঝিয়েছিলেন। এরপর যখন তিনি তার কাছে আসলেন এবং তাকে ডাকলেন, তখন সে সুগন্ধি মেখে বের হয়ে আসল। যখন তারা তার কাছে বসলেন—আর তার সাথে দুই, তিন বা চারজন লোক ছিল—তারা বলল, "আপনার থেকে চমৎকার সুগন্ধি বিচ্ছুরিত হচ্ছে।" সে বলল, "আমার কাছে অমুক নারী আছে যে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুগন্ধি ব্যবহারকারী।" তিনি বললেন, "আপনি কি আমাকে অনুমতি দেবেন আমি একটু ঘ্রাণ নিতে পারি?" সে বলল, "নিন।" তখন তারা তাকে আঘাত করলেন এবং তাকে হত্যা করলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
18- حَدَّثَنا أحمد بن شعيب أَخْبَرنَا عمرو بن علي حَدَّثَنا أبو علي وهو الحنفي حَدَّثَنا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَجْلِسِ الْوَاحِدِ مئة مَرَّةٍ يَقُولُ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ.
১৮- আহমাদ ইবন শুআইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী—যিনি আল-হানাফী—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবন মিগওয়াল মুহাম্মাদ ইবন সূকাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে এবং তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য একই মজলিসে একশত বার গণনা করতাম যে তিনি বলতেন: “হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন; নিশ্চয় আপনি অধিক তাওবা কবুলকারী ও পরম ক্ষমাশীল।”
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
19- حَدَّثَنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يونس حَدَّثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ حَدَّثَنا يَحْيَى بْنُ أَبِي غَنِيَّةَ ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ مِنَ الشِّعْرِ حِكْمَةً.
১৯- আমাদের নিকট ইসহাক ইবন ইবরাহীম ইবন ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবন সাঈদ আল-আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবন আবি গানিয়্যাহ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই কিছু কবিতার মধ্যে প্রজ্ঞা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
20- حَدَّثَنا إسحاق حَدَّثَنا ابن بكار حَدَّثَنا أَبُو مَعْشَرٍ عَنْ هِشَامٍ ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.
২০- আমাদের নিকট ইসহাক হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে বাক্কার থেকে, তিনি আবু মা'শার থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
21- حَدَّثَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الحُسَين بْنُ عَلِيِّ بْنِ الحَسَن الْحُسَيْنِيُّ حَدَّثَنا الحُسَين بن الحكم الكوفي حَدَّثَنا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَبُو غَسَّانَ عَنْ كَامِلٍ أَبُو الْعَلاءِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعِشَاءَ وَكَانَ إِذَا سَجَدَ وَثَبَ الحَسَن والحُسَيْن عَلَى ظَهْرِهِ ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْفَعَ أَخَذَهُمَا بِيَدِهِ أَخْذًا رَقِيقًا حَتَّى يَضَعَهُمَا عَلَى الأَرْضِ فَإِنْ عَادَ عَادَا حَتَّى قَضَى صَلاتَهُ فَانْصَرَفَ فَوَضَعَهُمَا عَلَى فَخِذِهِ فَقَالَ أَبُو هريرة رضي الله عنه فَقُمْتُ إِلَيْهِ ⦗ص: 43⦘ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلا أَذْهَبُ بِهِمَا قَالَ لا فَبَرَقَتْ بَرْقَةٌ فَقَالَ لَهُمَا الْحَقَا بِأُمِّكُمَا فَلَمْ يَزَالا فِي ضَوْئِهَا حَتَّى دَخَلا.
২১- আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আল-হাসান আল-হুসাইনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন আল-হাকাম আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন ইসমাইল আবু গাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল আবু আল-আলা থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ইশার সালাত আদায় করছিলাম, তখন তিনি যখন সিজদাহ করতেন, হাসান ও হুসাইন তাঁর পিঠের ওপর লাফিয়ে উঠতেন। তিনি যখন সিজদাহ থেকে মাথা উঠাতে চাইতেন, তখন তাঁদেরকে নিজ হাতে অত্যন্ত কোমলভাবে ধরতেন এবং যমীনে নামিয়ে রাখতেন। তিনি পুনরায় সিজদাহ করলে তাঁরাও পুনরায় তাই করতেন, এভাবে তিনি তাঁর সালাত সম্পন্ন করলেন। এরপর তিনি সালাত শেষ করে তাঁদেরকে নিজের উরুর ওপর বসালেন। আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তখন আমি তাঁর কাছে দাঁড়িয়ে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাঁদেরকে নিয়ে যাব? তিনি বললেন: না। এরপর হঠাৎ একটি বিদ্যুৎ চমকাল, তখন তিনি তাঁদেরকে বললেন: তোমরা তোমাদের মায়ের কাছে চলে যাও। এরপর তাঁরা সেই বিদ্যুতের আলোতেই চলতে থাকলেন যতক্ষণ না তাঁরা (ঘরে) প্রবেশ করলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
22- حَدَّثَنا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنا علي بن زياد حَدَّثَنا مُوسَى بْنُ طَارِقٍ قَالَ ذَكَرَ ابْنُ جُرَيْج وَمُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ قَالَ: إِذَا تَبَايَعَ الْمُتَبَايِعَانِ الْبَيْعَ فَكُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا فِي الْبَيْعِ بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا أَوْ يَكُونَ بَيْعُهُمَا عَنْ خِيَارٍ ، فَإِذَا كَانَ بَيْعُهُمَا عَنْ خِيَارٍ فَقَدْ وَجَبَ الْبَيْعُ.
২২- মুফাদদাল বিন মুহাম্মাদ আল-হামদানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী বিন যিয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন তারিক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইবনে জুরাইজ এবং মূসা বিন উকবা নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে, আর তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “যখন ক্রেতা ও বিক্রেতা কোনো ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে, তখন তাদের প্রত্যেকেরই সেই ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার অধিকার থাকে যতক্ষণ না তারা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, অথবা তাদের ক্রয়-বিক্রয়টি যদি অধিকার সংরক্ষিত রাখার (খিয়ার) শর্তে হয়। সুতরাং যদি তাদের ক্রয়-বিক্রয় অধিকার সংরক্ষিত রাখার শর্তে সম্পন্ন হয়, তবে সেই ক্রয়-বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়।”
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
23- حَدَّثَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبد الواحد الطائي حَدَّثَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عِيسَى بْنِ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي ثوب واحد متوشحابه فِي بَيْتِهِ.
২৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আত-তাঈ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে আমর ইবনে ঈসা ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক। তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উমর ইবনে আবি সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ঘরে এক কাপড়ে তা গায়ে জড়িয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
24- حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ الحَسَن بْنِ قتيبة حَدَّثَنا يَزِيدُ بْنُ مَوْهَبٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَفْوَانَ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عَاصِمٍ ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ أَوْ لَيْسَ الْبِرَّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ.
২৪- মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে মাওহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লায়স আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাফওয়ান থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি কাব ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, "সফরে রোজা রাখা কোনো পুণ্যের কাজ নয়।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
25- حَدَّثَنا أحمد بن شعيب حَدَّثَنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ.
২৫- আহমাদ ইবনু শুআইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতাইবা ইবনু সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনু আনাস থেকে, তিনি ইবনু শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনু আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় রমজানে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
26- حَدَّثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بن سلم الفريابي حَدَّثَنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ حَدَّثَنا سلمة بن رجاء حَدَّثَنا الأَحْوَصُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ عَبْدٍ السُّلَمِيِّ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ قَالا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسَحَّرُوا فِي آخِرِ اللَّيْلِ وَكَانَ يَقُولُ هُوَ الْغَدَاءُ الْمُبَارَكُ.
২৬- আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সালাম আল-ফিরইয়াবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদ আল-আলা আস-সানআনি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সালামাহ বিন রাজা, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আহওয়াস বিন হাকিম, তিনি রাশিদ বিন সাদ থেকে, তিনি উতবাহ বিন আবদ আস-সুলামি এবং আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, "তোমরা রাতের শেষভাগে সাহরি করো।" আর তিনি বলতেন, "এটি হলো বরকতময় সকালের আহার।"
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
27- حَدَّثَنا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدِ بْنِ بشير حَدَّثَنا عبد العزيز بن يحيى حَدَّثَنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُقْبَةَ ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْرُجُ الدَّجَّالُ عَلَى حِمَارٍ أَقْمَرَ مَا بَيْنَ أُذُنَيْهِ سَبْعُونَ بَاعًا مَعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ يَهُودِيٍّ عَلَيْهِمُ الطَّيَالِسَةُ الْخُضْرُ حَتَّى يَنْزِلُوا كَوْمَ أَبِي الْحَمْرَاءِ.
২৭- আমাদের নিকট আলী ইবনে সাঈদ ইবনে বাশির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে বিলাল বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দাজ্জাল এক উজ্জ্বল সাদা রঙের গাধার পিঠে চড়ে বের হবে, যার দুই কানের মধ্যবর্তী দূরত্ব হবে সত্তর বা’। তার সাথে থাকবে সত্তর হাজার ইহুদি যাদের গায়ে থাকবে সবুজ চাদর, অবশেষে তারা কাওম আবি আল-হামরা নামক স্থানে অবতরণ করবে।
(খণ্ড: ১)
জুযউল হাসান বিন রাশীক আল-আসকারী
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
28- حَدَّثَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يحيى ومهران حَدَّثَنا حرملة بن يحيى أَخْبَرنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنِ يَزِيدَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ أَنَ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْبِضُ اللَّهُ عز وجل الأَرْضَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَطْوِي السَّماء بِيَمِينِهِ ثُمَّ يَقُولُ أَنَا الْمَلِكُ فَأَيْنَ مُلُوكُ الأَرْضِ.
২৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া এবং মিহরান, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারমালাহ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস বিন ইয়াসিদ, তিনি ইবনু শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুরাইরাহ বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কিয়ামতের দিন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ পৃথিবীকে মুষ্টিবদ্ধ করবেন এবং তাঁর ডান হাত দিয়ে আকাশমণ্ডলকে গুটিয়ে নেবেন। অতঃপর তিনি বলবেন: "আমিই রাজা, এখন পৃথিবীর রাজারা কোথায়?"