(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: -)
نسخة نبيط بن شريط   (اللكي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: نسخة نبيط بن شريط الأشجعي (نبيط بن شريط: له صحبة)

المؤلف (رواية) : أَحْمَدُ بنُ القَاسِمِ بنِ كَثِيْرِ بنِ صدقَةَ بنِ الرَّيَّانِ المِصْرِيُّ اللُّكِّيُّ، نَزِيْلُ البَصْرَةِ (ت 356هـ)

المحقق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية [ضمن مجموع باسم الفوائد لابن منده]

الطبعة: الأولى، 2002 م

تمت مقابلة الكتاب، ولهذا الكتاب طبعة أخرى أصدرتها دار الصحابة بتحقيق مجدي فتحي السيد، وأرقام الأحاديث منها، والرقم بين القوسين لطبعة دار الكتب العلمية، وتم استدراك بعض الأخطاء من المخطوط

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

عدد الصفحات: 132

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

নুবাইত বিন শারীত-এর পাণ্ডুলিপি   (আল-লাক্কি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নুবাইত বিন শারীত আল-আশজাঈ-এর পাণ্ডুলিপি (নুবাইত বিন শারীত: তিনি সাহাবী ছিলেন)

লেখক (বর্ণনা) : আহমাদ বিন আল-কাসিম বিন কাসীর বিন সাদাকাহ বিন আর-রাইয়ান আল-মিসরি আল-লাক্কি، বসরায় বসবাসকারী (মৃত্যু ৩৫৬ হিজরি)

মুহাক্কিক: খিলাফ মাহমুদ আবদুস সামি

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ [ইবনে মান্দাহর আল-ফাওয়ায়েদ নামক সংকলনের অন্তর্ভুক্ত]

সংস্করণ: প্রথম، ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

কিতাবটি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে; এই কিতাবটির আরেকটি সংস্করণ মাজদি ফাতহি আস-সাইয়্যিদ-এর তাহকীকে দারুস সাহাবাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। হাদিস নম্বরসমূহ সেখান থেকে নেওয়া হয়েছে এবং বন্ধনীভুক্ত নম্বরটি দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ সংস্করণের। পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু ভুলও সংশোধন করা হয়েছে।

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরির জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিপি) ، এবং ইয়া বাগিয়াল খাইরি আকবিল (পাঠ যাচাই)

পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৩২

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৭)
الجزء فيه‌‌ نسخة نُبَيْطِ بْنِ شُرَيْطٍ الأَشْجَعِيِّ

رِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ بن الريان (1) المصري عنه

 

بسم الله الرحمن الرحيم رب يسر وأعن يا كريم

أخبرتنا ست العراق بنت أحمد بن محمد بن محمد بن حسين البالسية سماعاً في سنة 866 قالت: أنا أبو هريرة عبد الرحمن بن الحافظ أبي عبد الله الذهبي في مائة أنا أيوب الحكال أنا عبد الله بن بركات الخشوعي. وأخبرنا النظام بن مفلح شفاهاً أنا المحدث الحافظ أبو بكر محمد بن عبد الله بن أحمد بن المحب المقدسي شفاهاً أنا جدي أبا العباس أحمد بن المحب عبد الله بن أحمد بن محمد بن إبراهيم سماعاً أنا أبو محمد عبد الله بن بركات الخشوعي أنا أب والفرج يحيى بن محمود بن سعد الثقفي قراءة عليه وأنا أسمع في يوم 21 محرم سنة 483 قال: قرئ على أبي علي الحسن بن أحمد بن الحسن الحداد وأنا أسمع في يوم الجمعة 21 شعبان سنة 414 بأصبهان: أنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى الحافظ، حدثنا أبو الْحَسَنِ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الريان المصري المعروف باللكي بالبصرة في نهر دبيس قراءة عليه في صفر سنة 347 فأقر به، حدثنا أحمد بن إسحاق بن ⦗ص: 118⦘ إبراهيم بن نبيط بن شريط أبو جعفر الأشجعي بمصر سنة 272:

1- (329) حدثني أبي إسحاق بن إبراهيم بن نبيط، حَدَّثَنِي أَبِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ نُبَيْطٍ، عَنْ جَدِّهِ نُبَيْطِ بْنِ شُرَيْطٍ قَالَ: قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " فَضَّلَ اللَّهُ أَهْلَ الْمُدُنِ عَلَى أَهْلِ الْقُرَى، كَفَضْلِ أَهْلِ السَّمَاءِ عَلَى أَهْلِ الأرض، من أجل الجمعة والجماعات "

--------------------------------------------

(1) [[من المخطوط، وفي مطبوعة الصحابة: الزيادة، وفي العلمية: الدقاق]]
এই অংশটি হলো নুবাইত বিন শুরাইত আল-আশজায়ির পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে।

তাঁর থেকে আবুল হাসান আহমাদ বিন আল-কাসিম বিন আর-রাইয়ান (১) আল-মিসরির বর্ণনা।

 

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে মহান রব! সহজ করে দিন এবং সাহায্য করুন।

সিত্তুল ইরাক বিনতে আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হুসাইন আল-বালিসিয়্যাহ ৮৬৬ হিজরিতে শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহাবির পুত্র আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ১০০ বছর বয়সে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আইয়ুব আল-হাক্কাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আব্দুল্লাহ বিন বারাকাত আল-খুশুয়ি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। আর নিযাম বিন মুফলিহ মৌখিকভাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাদ্দিস হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আল-মুহিব আল-মাকদিসি মৌখিকভাবে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার দাদা আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-মুহিব আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম শ্রবণের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন বারাকাত আল-খুশুয়ি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ বিন সা'দ আস-সাকাফি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি ২১ মুহররম ৪৮৩ হিজরিতে—তিনি বলেন: আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি ২১ শাবান ৪১৪ হিজরি জুমুআর দিনে আসফাহানে: হাফিজ আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আহমাদ বিন আল-কাসিম বিন আর-রাইয়ান আল-মিসরি—যিনি বাসরায় নাহর দুবাইসে আল-লাক্কি নামে পরিচিত—তিনি সফর মাসে ৩৪৭ হিজরিতে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, আহমাদ বিন ইসহাক বিন ⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ ইবরাহিম বিন নুবাইত বিন শুরাইত আবু জাফর আল-আশজায়ি মিশর দেশে ২৭২ হিজরিতে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন:

১- (৩২৯) আমার পিতা ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন নুবাইত আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা ইবরাহিম বিন নুবাইত তাঁর দাদা নুবাইত বিন শুরাইত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "জুমুআ এবং জামাতের কারণে আল্লাহ শহরবাসীদেরকে গ্রামবাসীদের ওপর এমন শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, যেমন শ্রেষ্ঠত্ব আসমানবাসীরা জমিনবাসীদের ওপর লাভ করেছে।"

--------------------------------------------

(১) [[পাণ্ডুলিপি থেকে; 'আস-সাহাবা' মুদ্রণে রয়েছে: আয-যিয়াদাহ, এবং 'আল-ইলমিয়্যাহ' মুদ্রণে রয়েছে: আদ-দাক্কাক]]
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৮)
2- (330) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: " أَقِيلُوا الْحَسَنَ الْخُلُقِ السَّخِيَّ زَلَّتَهُ، فَإِنَّهُ يعثر حتى يأخذ الله بِيَدِهِ "
২- (৩৩০) এবং তাঁর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "তোমরা সচ্চরিত্রবান দানশীল ব্যক্তির পদস্খলন ক্ষমা করো; কারণ সে যখনই হোঁচট খায়, আল্লাহ তাকে তাঁর হাত দিয়ে ধরে নেন।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৮)
3- (331) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَحِبُّوا الْبَنَاتِ فَأَنَا أَبُو الْبَنَاتِ، إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا وُلِدَتْ لَهُ ابْنَةٌ هَبَطَ إِلَيْهَا مَلَكَانِ، فَمَسَحَا عَلَى ظَهْرِهَا، وَقَالا: ضَعِيفَةٌ خَرَجَتْ مِنْ صُلْبِ ضَعِيفٍ، مَنْ أَعَانَ عَلَيْكِ لَمْ يَزَلْ مُعَانًا عَلَيْهِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ "
৩- (৩৩১) একই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমরা কন্যা সন্তানদের ভালোবাসো, কারণ আমি কন্যাদের পিতা। নিশ্চয়ই যখন কোনো ব্যক্তির কোনো কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে, তখন তার নিকট দুজন ফেরেশতা অবতরণ করেন এবং তার পিঠে হাত বুলিয়ে দেন। তাঁরা বলেন: ‘এক দুর্বল সত্তা, যে এক দুর্বলের পৃষ্ঠদেশ থেকে নির্গত হয়েছে; যে তোমার জন্য (তোমার দেখাশোনায়) সাহায্য করবে, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তাকে সাহায্য করা হতে থাকবে’।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৮)
4- (332) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَوَّلُ مَنْ أَضَافَ الأَضْيَافَ إِبْرَاهِيمُ، وَأَوَّلُ مَنْ لَبِسَ السَّرَاوِيلَ إِبْرَاهِيمُ، وَأَوَّلُ مَنِ اخْتَتَنَ بِالْقَدُومِ إِبْرَاهِيمُ، وَهُوَ ابْنُ عِشْرِينَ وَمِائَةِ سَنَةٍ "
৪- (৩৩২) এবং এই একই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "সর্বপ্রথম যিনি মেহমানদের মেহমানদারি করেছেন তিনি ইবরাহিম, সর্বপ্রথম যিনি পায়জামা পরিধান করেছেন তিনি ইবরাহিম, এবং সর্বপ্রথম যিনি বাটালির সাহায্যে খতনা করেছেন তিনি ইবরাহিম; তখন তাঁর বয়স ছিল একশত বিশ বছর।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৮)
5- (333) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " الْحَرْبُ خُدْعَةٌ "
৫- (৩৩৩) এবং একই সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "যুদ্ধ হলো একটি কৌশল।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
6- (334) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ "
৬- (৩৩৪) এবং এই সূত্রেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
7- (335) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: أَتَانِي جِبْرِيلُ عليه السلام، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَقْرَأُ عَلَيْكَ السَّلامَ، وَيَقُولُ: " وَعِزَّتِي وَجَلالِي لا أُعَذِّبُ أَحَدًا سُمِّيَ بِاسْمِكَ بِالنَّارِ يَا مُحَمَّدُ "
৭- (৩৩৫) এবং তাঁর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আপনাকে সালাম জানাচ্ছেন এবং বলছেন: "আমার মর্যাদা ও আমার মহিমার শপথ! হে মুহাম্মদ, আপনার নাম অনুসারে যার নামকরণ করা হয়েছে তাকে আমি জাহান্নামের আগুন দ্বারা শাস্তি দেব না।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
8- (336) وَبِهِ عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَوَّلُ مَنِ اتَّخَذَ الْخُبْزَ الْمُبَلْقَسَ إِبْرَاهِيمُ عليه السلام " وَالْخُبْزُ الْمُبَلْقَسُ خُبْزَةٌ كَاللَّبِنَةِ، فِيهَا أَرْبَعَةُ أرطال
৮- (৩৩৬) এবং তাঁর মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "প্রথম যে ব্যক্তি মুবালকাস রুটি তৈরি করেছিলেন তিনি হলেন ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)।" আর মুবালকাস রুটি হলো ইটের মতো এক প্রকার রুটি, যাতে চার রতল (ওজন বিশেষ) থাকতো।
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
9- (337) وَبِهِ قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " الْجِيزَةُ رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِصْرُ خَزَائِنُ اللَّهِ فِي أَرْضِهِ "
৯- (৩৩৭) এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "জিজা হলো জান্নাতের বাগানসমূহের মধ্য থেকে একটি বাগান এবং মিশর হলো জমিনে আল্লাহর ভাণ্ডার।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
10- (338) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " اسْتَوْصُوا بِالْقِبْطِ خَيْرًا، فَإِنَّ لَهُمْ ذِمَّةً وَرَحِمًا "
১০- (৩৩৮) এবং একই সনদে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমরা কিবতীদের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপদেশ গ্রহণ করো; কারণ তাদের জন্য নিরাপত্তার অঙ্গীকার ও আত্মীয়তার অধিকার রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
11- (339) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَهْلُ بَيْتِي كَالنُّجُومِ، بِأَيِّهِمُ اقْتَدَيْتُمُ اهْتَدَيْتُمْ "
11- (339) এবং এই একই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "আমার আহলে বাইত (পরিবারবর্গ) নক্ষত্ররাজির ন্যায়; তাদের মধ্যে তোমরা যারই অনুসরণ করবে, হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১১৯)
12- (340) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " الْغِنَى غِنَى النَّفْسِ "
১২- (৩৪০) একই সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "প্রকৃত ধনাঢ্যতা হলো অন্তরের ধনাঢ্যতা।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
13- (341) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: خَيْرُ أَصْحَابِي الْقَرْنُ الَّذِي أَنَا فِيهِمْ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ الْفِتَنُ كَقِطَعِ اللَّيْلِ الْمُظْلِمِ "
১৩- (৩৪১) আর সেই একই সনদে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "আমার সাহাবীদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো সেই প্রজন্ম যাদের মাঝে আমি রয়েছি, এরপর যারা তাদের অনুবর্তী হবে, এরপর যারা তাদের অনুবর্তী হবে, অতঃপর ফেতনাগুলো ঘন অন্ধকার রাতের টুকরোর ন্যায়।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
14- (342) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " ابْتَغُوا الْحَاجَاتِ عِنْدَ حِسَانِ الْوُجُوهِ "
১৪- (৩৪২) এবং উক্ত সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমরা সুন্দর চেহারার অধিকারীদের নিকট নিজেদের প্রয়োজনসমূহ তালাশ করো।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
15- (343) وَبِهِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ وَرَدَ عَلَيْهِ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ، وَفِيهِمْ غُلامٌ وَضِيءُ الْوَجْهِ، فَأَقْعَدَهُ وَرَاءَ ظَهْرِهِ، وَقَالَ: " إِنَّمَا أُتِيَ أَخِي دَاوُدُ عليه السلام مِنَ النَّظَرِ "
১৫- (৩৪৩) এবং উক্ত সনদে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তাঁর নিকট আব্দুল কায়েস গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল আগমন করল। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল চেহারার এক কিশোর ছিল। তখন তিনি তাকে নিজের পিঠের পেছনে বসালেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই আমার ভাই দাউদ আলাইহিস সালাম কেবল দৃষ্টিপাতের কারণেই পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
16- (344) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لأَهْلِهِ وَأَنَا خَيْرُكُمْ لأَهْلِي "
১৬- (৩৪৪) এবং এই সনদেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে তার পরিবারের নিকট সর্বোত্তম, আর আমি তোমাদের মধ্যে আমার পরিবারের নিকট সর্বোত্তম।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
17- (345) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " اللَّهَ اللَّهَ فِي أَصْحَابِي، لا تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا مِنْ بَعْدِي، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّي أَحَبَّهُمْ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِي أَبْغَضَهُمْ، وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِي، وَمَنْ آذَانِي فَقَدْ آذَى اللَّهَ، وَمَنْ آذَى اللَّهَ فَيُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ "
১৭- (৩৪৫) এবং এই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "আমার সাহাবীদের ব্যাপারে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহকে ভয় করো। আমার পরে তোমরা তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না। সুতরাং যে ব্যক্তি তাদের ভালোবাসল, সে আমার প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাদের ভালোবাসল; আর যে ব্যক্তি তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করল, সে আমার প্রতি বিদ্বেষের কারণেই তাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করল। আর যে ব্যক্তি তাদের কষ্ট দিল, সে আমাকেই কষ্ট দিল; আর যে আমাকে কষ্ট দিল, সে আল্লাহকে কষ্ট দিল। আর যে আল্লাহকে কষ্ট দিল, অচিরেই তিনি তাকে পাকড়াও করবেন।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২০)
18- (346) وَبِهِ عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " خَلَفْتُ فِيكُمُ الثَّقَلَيْنِ: كِتَابُ اللَّهِ حَبْلٌ مَمْدُودٌ وَطَرَفُهُ بِيَدِ اللَّهِ وَطَرَفُهُ بِأَيْدِيكُمْ، وَعِتْرَتِي أَهْلُ بَيْتِي، وَإِنَّهُمَا لَنْ يَفْتَرِقَا حَتَّى يَرِدَا عَلَى الْحَوْضِ، فَاحْفَظُونِي فِيهِمَا "
১৮- (৩৪৬) এবং তাঁর সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমি তোমাদের মাঝে অতি মূল্যবান দুটি বস্তু রেখে যাচ্ছি: আল্লাহর কিতাব, যা একটি বিস্তৃত রশি, যার এক প্রান্ত আল্লাহর হাতে এবং অন্য প্রান্ত তোমাদের হাতে; আর আমার বংশধর তথা আমার আহলে বাইত। নিশ্চয়ই তারা উভয় একে অপর হতে বিচ্ছিন্ন হবে না যতক্ষণ না তারা হাওযের পাড়ে আমার নিকট উপস্থিত হয়। সুতরাং এই দুইয়ের ব্যাপারে আমার অধিকার রক্ষা করো।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
19- (347) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَنْ لا يَرْحَمُ لا يُرْحَمُ "
১৯- (৩৪৭) এবং একই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "যে দয়া করে না, তাকে দয়া করা হয় না।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
20- (348) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قال " صَدَقَةُ السِّرِّ تُطْفِئُ غَضَبَ الرَّبِّ عز وجل، وَصَنَائِعُ الْمَعْرُوفِ تَقِي مَصَارِعَ السُّوءِ، وَصِلَةُ الرَّحِمِ تَزِيدُ فِي الْعُمُرِ "
২০- (৩৪৮) এবং তাঁর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, "গোপন সদকা মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত রবের ক্রোধ নির্বাপিত করে, সৎকাজসমূহ মন্দ মৃত্যু থেকে রক্ষা করে এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা আয়ু বৃদ্ধি করে।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
21- (349) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " لِلْعَاقِلِ خَمْسُ خصال يعرف بها: يعفو عن مَنْ ظَلَمَهُ، وَيَتَوَاضَعُ لِمَنْ دُونَهُ، وَيُسَابِقُ إِلَى الْخَيْرِ مَنْ فَوْقَهُ، فإن رأى باب بر انْتَهَزَهُ، وَلا يُفَارِقُهُ الْخَوْفُ، وَيَتَدَبَّرُ ثُمَّ يَتَكَلَّمُ فَإِنْ تَكَلَّمَ غَنِمَ وَإِنْ سَكَتَ سَلِمَ، وَإِنْ عُرِضَتْ لَهُ فِتْنَةٌ اعْتَصَمَ بِاللَّهِ وَسَكَتَ، وَلِلْجَاهِلِ خِصَالٌ يُعْرَفُ بِهَا: يَظْلِمُ مَنْ يُخَالِطُهُ، وَيَعْتَدِي عَلَى مَنْ دُونَهُ، وَيَتَطَاوَلُ عَلَى مَنْ فَوْقَهُ، وَلا يُنْصِفُ مِنْ نَفْسِهِ، وَيَتَكَلَّمُ بِغَيْرِ تَدْبِيرٍ فَيَنْدَمُ، فَإِنْ تَكَلَّمَ أَثِمَ وَإِنْ سَكَتَ سَهَا، وَإِنْ عُرِضَتْ لَهُ فِتْنَةٌ أَرْدَتْهُ، وَإِنْ رَأَى بَابَ فَضِيلَةٍ أَعْرَضَ عَنْهَا "
২১- (৩৪৯) এবং তাঁর মাধ্যমেই নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "বুদ্ধিমান ব্যক্তির পাঁচটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার মাধ্যমে তাকে চেনা যায়: যে তার ওপর জুলুম করে তাকে সে ক্ষমা করে দেয়, যে তার চেয়ে নিম্নে তাকে সে বিনয় প্রদর্শন করে, যে তার চেয়ে ঊর্ধ্বে তার সাথে সে কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতা করে, যদি সে নেকির কোনো পথ দেখে তবে তা লুফে নেয়, ভয় তাকে ছেড়ে যায় না, সে চিন্তা-ভাবনা করে কথা বলে—ফলে কথা বললে সে লাভবান হয় আর নীরব থাকলে নিরাপদ থাকে, এবং যদি তার সামনে কোনো ফিতনা উপস্থিত হয় তবে সে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করে ও নীরব থাকে। আর মূর্খ ব্যক্তির কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার মাধ্যমে তাকে চেনা যায়: যে তার সাথে মেলামেশা করে তার প্রতি সে জুলুম করে, তার চেয়ে নিম্নে যারা তাদের ওপর সে সীমালঙ্ঘন করে, তার চেয়ে ঊর্ধ্বে যারা তাদের সাথে সে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে, নিজের পক্ষ থেকে সে ইনসাফ করে না, চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই কথা বলে ফলে অনুতপ্ত হয়—ফলে কথা বললে সে গুনাহগার হয় আর নীরব থাকলে উদাসীন থাকে, যদি তার সামনে কোনো ফিতনা আসে তবে তা তাকে ধ্বংস করে দেয়, এবং যদি সে কোনো ফযিলতের দরজা দেখে তবে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
22- (350) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ لِرَجُلٍ قَدْ حَمَلَ وَلَدَهُ: " مَتَّعَكَ اللَّهُ بِهِ، أَمَا إِنِّي لَوْ قُلْتُ: بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِيهِ لَفَقَدْتَهُ "
২২- (৩৫০) এবং একই সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি এক ব্যক্তিকে—যে তার সন্তানকে বহন করছিল—উদ্দেশ্য করে বললেন: "আল্লাহ তোমাকে তার দ্বারা আনন্দ দান করুন। জেনে রেখো, আমি যদি বলতাম: আল্লাহ তোমার জন্য এতে বরকত দান করুন, তবে তুমি তাকে হারিয়ে ফেলতে।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
23- (351) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " لَيْسَ خَيْرُكُمْ مَنْ تَرَكَ الدُّنْيَا لِلآخِرَةِ، وَلا مَنْ تَرَكَ الآخِرَةَ لِلدُّنْيَا، وَلَكِنْ مَنْ أَخَذَ مِنْ هَذِهِ وَهَذِهِ "
২৩- (৩৫১) এবং তাঁর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম নয় যে আখেরাতের জন্য দুনিয়া ত্যাগ করে, আর সে-ও নয় যে দুনিয়ার জন্য আখেরাত ত্যাগ করে; বরং সেই ব্যক্তিই (উত্তম) যে এটি এবং ওটি—উভয় থেকেই (নিজের অংশ) গ্রহণ করে।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ২১২)
24- (352) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " هَلْ يَنْتَظِرُ أَحَدُكُمْ إِلا غِنًى مُطْغِيًا، أَوْ فَقْرًا مُنْسِيًا، أَوْ مَرَضًا مُفْسِدًا، أو هوى مُفَنِّدًا، أَوْ مَوْتًا مُجْهِزًا، أَوِ الدَّجَّالَ، وَالدَّجَّالُ شَرُّ غَائِبٍ يُنْتَظَرُ، أَوِ السَّاعَةَ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ "
২৪- (৩৫২) এবং তাঁর সূত্রেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "তোমরা কি কেবল এরই অপেক্ষা করছ—এমন প্রাচুর্য যা উদ্ধত করে তোলে, অথবা এমন দারিদ্র্য যা বিস্মৃতি ঘটায়, অথবা এমন অসুস্থতা যা অকর্মণ্য করে দেয়, অথবা এমন প্রবৃত্তি যা বিচারবুদ্ধি লোপ করে দেয়, অথবা এমন মৃত্যু যা দ্রুত নিঃশেষকারী, অথবা দাজ্জাল—আর দাজ্জাল হলো প্রতীক্ষিত অনুপস্থিত অনিষ্টগুলোর মধ্যে নিকৃষ্টতম, অথবা কিয়ামত—আর কিয়ামত হলো অধিক ভয়াবহ ও অধিক তিক্ত।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২২)
25- (353) وَبِهِ قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَبِي ذَرٍّ: " الشِّرْكُ فِيكُمْ أَخْفَى مِنْ دَبِيبِ النَّمْلِ، إِنَّ الرَّجُلَ مِنْكُمْ لَيَقُولُ: قَدْ فَعَلْتُ كَذَا لِلَّهِ وَلِفُلانٍ، فَقَدْ جَعَلَ فِي ذَلِكَ شَرِيكًا وَاللَّهُ غَنِيٌّ عَنْ ذَلِكَ، أَوَلا أعلمك كلمات ينفين (1) صِغَارَ الشِّرْكِ وَكِبَارَهُ؟ " قَالَ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: " قُلْ إِذَا صَلَّيْتَ وَإِذَا أَصْبَحْتَ وَإِذَا أَمْسَيْتَ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وأستغفرك لما لا أعلم "

--------------------------------------------

(1) [[من مطبوعة الصحابة، وهو الموافق للمخطوط، وفي العلمية: تقيك]] .
২৫- (৩৫৩) এবং তাঁর সূত্রে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবু যার-কে বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে শিরক পিঁপড়ার চলাচলের চেয়েও বেশি গোপন। তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি বলে থাকে: 'আমি এটি আল্লাহ এবং অমুকের জন্য করেছি।' বস্তুত সে এতে অংশীদার সাব্যস্ত করল, অথচ আল্লাহ তা থেকে অভাবমুক্ত। আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না যা শিরকের ছোট ও বড় উভয় প্রকারকেই দূর করে দেয় (১)?" তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: "তুমি যখন সালাত আদায় করবে এবং যখন সকালে ও সন্ধ্যায় উপনীত হবে তখন বলো: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জেনে-বুঝে আপনার সাথে শিরক করা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি ঐ বিষয়ে যা আমি জানি না।"

--------------------------------------------

(১) [[আস-সাহাবাহ মুদ্রণ থেকে সংগৃহীত, যা পাণ্ডুলিপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; আর আল-ইলমিয়্যাহ সংস্করণে রয়েছে: 'তোমাকে রক্ষা করবে']]।
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২২)
26- (354) وَبِهِ قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهَ عز وجل: " لا أَجْمَعُ عَلَى عَبْدِي خَوْفَيْنِ، وَلا أَجْمَعُ لَهُ أَمْنَيْنِ، فَإِنْ خَافَنِي فِي الدُّنْيَا أَمَّنْتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِنْ أَمِنَنِي فِي الدُّنْيَا أَخَفْتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "
২৬- (৩৫৪) এবং এই সূত্রেই আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লা) বলেছেন: "আমি আমার বান্দার জন্য দুটি ভয় একত্রিত করব না এবং তার জন্য দুটি নিরাপত্তাও একত্রিত করব না। সুতরাং সে যদি দুনিয়াতে আমাকে ভয় করে, তবে কিয়ামতের দিন আমি তাকে নিরাপত্তা দান করব। আর যদি সে দুনিয়াতে আমার ব্যাপারে নির্ভয় থাকে, তবে কিয়ামতের দিন আমি তাকে ভীত করব।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২২)
27- (355) وَبِهِ قَالَ: " كَانَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَوْسٌ تُدْعَى الكتوم مِنْ نَبْعٍ، كُسِرَتْ يَوْمَ أُحُدٍ كَسَرَهَا قَتَادَةُ بْنُ النُّعْمَانِ، ثُمَّ إِنَّهُ أَصَابَ مِنْ سِلاحِ بَنِي قَيْنُقَاعٍ ثَلاثَةَ أَقْسِيَةٍ، قَوْسًا تُدْعَى البيضاء، وقوس صفراء تُدْعَى الصَّفْرَاءَ، وَقَوْسًا تُدْعَى الرَّوْحَاءَ، وَكَانَتْ لَهُ دِرْعَانِ، دِرْعٌ تُدْعَى الصفدية، وَالأُخْرَى تُدْعَى فِضَّةً، وَثَلاثَةُ أَسْيَافٍ، سيف قلعي، وكانت عنده المخدم وَرُسُوبٌ، وَكَانَتْ عِنْدَهُ ذَاتُ الْفُضُولِ، وَسَيْفٌ يُقَالُ لَهُ: الْقَضِيبُ وَذُو الْفَقَارِ، وَكَانَتْ لَهُ ثَلاثَةُ أَرْمَاحٍ أَصَابَهَا مِنْ سُوقِ بَنِي قَيْنُقَاعٍ، وأصاب من سلاحهم مغفرا موشحة بِشَبَّةٍ "
২৭- (৩৫৫) এবং তাঁর মাধ্যমেই তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি ধনুক ছিল যাকে 'আল-কাতুম' বলা হতো, যা নাব্' কাঠ দিয়ে তৈরি ছিল। উহুদ যুদ্ধের দিন সেটি ভেঙে গিয়েছিল; কাতাদাহ ইবনে নুমান সেটি ভেঙে ফেলেছিলেন। এরপর তিনি বনু কায়নুকার অস্ত্রশস্ত্র থেকে তিনটি ধনুক লাভ করেন: একটি ধনুক যাকে 'আল-বায়দা' বলা হতো, একটি হলুদ ধনুক যাকে 'আস-সাফরা' বলা হতো এবং একটি ধনুক যাকে 'আর-রাওহা' বলা হতো। তাঁর দুটি বর্ম ছিল: একটিকে 'আস-সাফদিয়্যাহ' বলা হতো এবং অন্যটিকে 'ফিজ্জাহ' বলা হতো। তাঁর তিনটি তলোয়ার ছিল: একটি 'কালয়ী' তলোয়ার, আর তাঁর কাছে ছিল 'আল-মিখদাম' এবং 'রুসুব'। তাঁর কাছে 'জাতুল ফুদুল' ছিল এবং 'আল-কাজীব' নামক একটি তলোয়ার ও 'জুলফিকার' ছিল। তাঁর তিনটি বর্শা ছিল যা তিনি বনু কায়নুকার বাজার থেকে লাভ করেছিলেন এবং তিনি তাদের অস্ত্রশস্ত্র থেকে একটি শিরস্ত্রাণ লাভ করেছিলেন যা পিতল দিয়ে খচিত ছিল।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২২)
28- (356) وَبِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لِعَلِيٍّ: " أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى، إلا أنه لا نَبِيَّ بَعْدِي "
২৮- (৩৫৬) এবং একই সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি আলীকে বললেন: "আমার নিকট তোমার মর্যাদা ঠিক তেমনি, যেমন মূসার নিকট হারূনের মর্যাদা ছিল; তবে পার্থক্য এই যে, আমার পরে আর কোনো নবী নেই।"
(খণ্ড: ১) নুসহাতু নুবাইত বিন শুরাইত (পৃষ্ঠা: ১২৩)
29- (357) وَبِهِ عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أُهْبِطَ آدَمُ عليه السلام إِلَى الأَرْضِ وَطُولُ بَشَرَتِهِ أَرْبَعُونَ ذراعا قالوا: وكم خُطُوَاتُهُ؟ قَالَ: كُلُّ خُطْوَةٍ فَرْسَخٌ "
২৯- (৩৫৭) এবং তাঁর সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আদম আলাইহিস সালাম-কে পৃথিবীতে নামিয়ে আনা হয়েছিল এবং তাঁর দেহের দৈর্ঘ্য ছিল চল্লিশ হাত। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ কতটুকু ছিল? তিনি বললেন: প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল এক ফারসাখ।"