(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: -)
جزء أبي حامد ابن بلال القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء فيه أحاديث أبي حامد أحمد بن محمد بن يحيى بن بلال النيسابوري الخشاب
المؤلف: أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ يَحْيَى بنِ بِلَال النَّيْسَابُوْرِيُّ المَعْرُوْف بِالخَشَّاب (ت 330هـ)
المحقق: أبو عبد الأعلى خالد بن محمد بن عثمان
الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر [طبع ضمن مجموع فيه ستة أجزاء حديثية]
الطبعة: الأولى، 2008 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تمت مقابلة الكتاب واستدراك بعض التصويبات من المخطوط
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
عدد الصفحات: 343
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু হামিদ ইবন বিলালের জুয বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: এমন একটি জুয যাতে আবু হামিদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আন-নিসাবুরি আল-খাশশাবের হাদিসসমূহ রয়েছে
লেখক: আবু হামিদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আন-নিসাবুরি, যিনি আল-খাশশাব নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৩০ হিজরি)
সম্পাদক: আবু আবদিল আ'লা খালিদ বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান
প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসাহ প্রকাশনী [ছয়টি হাদিস বিষয়ক জুয সম্বলিত একটি সংকলনের অধীনে মুদ্রিত]
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দ
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
কিতাবটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং কিছু সংশোধনী গ্রহণ করা হয়েছে
শামেলা লাইব্রেরির জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিখন) ، এবং ইয়া বাগিয়া আল-খাইর আকবিল (পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪৩
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩০৭)
جُزْءٌ فِيهِ أَحَادِيثُ أَبِي حَامِدٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بِلالٍ النَّيْسَابُورِيِّ
مِنْ رِوَايَةِ الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَه عَنْهُ
رِوَايَةُ ابْنِهِ أَبِي عَمْرٍو عَبْدِ الوهاب، عنه
একটি খণ্ড, যাতে আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আন-নাইসাবুরীর হাদিসসমূহ রয়েছে
আল-ইমাম আল-হাফিয আবু আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত
তাঁর পুত্র আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩১৮)
بسم الله الرحمن الرحيم
قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الإمام العالم العامل بقية المشايخ رحلة الطَّلَبَةِ مُسْنِدِ الشَّامِ فَخْرِ الدِّينِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيِّ، بِسَفْحِ جَبَلِ قَاسَيُونَ ظَاهِرَ دِمَشْقَ، فِي شَوَّالٍ سنة سبع وسبعين وستمائة، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْمَشَايِخُ الأَرْبَعَةُ وَالْعِشْرُونَ:
الأَخَوَانِ الأَصِيلانِ أَبُو مَحْمُودٍ أَسْعَدُ، وَأَبُو الْمَجْدِ زَاهِرٌ، ابْنَا الإِمَامِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي غَانِمٍ حَامِدِ الثَّقْفَيَانِ، وَالْحَافِظَانِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّهَاوِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ أَبِي الرَّجَاءِ الْحَنْبَلِيُّ، وَأَخُوهُ أَبُو نَجِيحٍ مَحْمُودٌ الْخَيَّاطُ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ صَالِحُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنْبَلِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي سَعِيدِ بْنِ أَبِي طَاهِرِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الأَصْبَهَانِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ سُفْيَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُفْيَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْدَه، وَأَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَيُّوبَ الشِّيرَازِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدُ الرحمن بن محمد المؤدب المعروف بالقطان، وابن عمته أَبُو سَعِيدٍ مَحْمُودُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، الْمَعْرُوفُ بِقَلَمِ زَنِّ الْقَطَّانِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي نَصْرٍ الْغَازِيُّ الصَّقَّالُ، وَأَبُو شُجَاعٍ رِضْوَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْفُوظِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ [بْنِ أَحْمَدَ] (1) الثَّقَفِيُّ، وَأَبُو نَجِيحٍ خُزَيْمَةُ، وَأَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ الأَوَّلِ، ابْنَا الْحَافِظِ أَبِي الْفَرَجِ ثَابِتِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَرَجِ الْمَدِينِيِّ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدٌ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْبَرِّ، وَفَاطِمَةُ، وَفَاخِتَةُ، أَوْلادُ الْحَافِظِ أَبِي الْعَلاءِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَهْلٍ الْهَمَذَانِيِّ الْقَطَّانِ، وَابْنُ أُخْتِهِمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّشِيدِ بْنِ علي
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমি শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, আমলকারী, মাশায়েখদের অবশিষ্টাংশ, জ্ঞানান্বেষীদের গন্তব্য, শাম দেশের মুসনিদ (হাদিস বর্ণনাকারী) ফখরউদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসীর নিকট দামেস্কের উপকণ্ঠে কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে ৬৭৭ হিজরীর শাওয়াল মাসে পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের কি এই চব্বিশ জন মাশায়েখ সংবাদ দিয়েছেন:
দুই অভিজাত ভাই আবু মাহমুদ আস'আদ ও আবু আল-মাজদ জাহির—ইমাম আবু তাহির আহমদ বিন আবু গানিম হামিদ আস-সাকাফীর দুই পুত্র; এবং দুই হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির বিন আব্দুল্লাহ আর-রাহাভী এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মক্কী বিন আবু আর-রাজা আল-হাম্বলী; এবং তার ভাই আবু নাজীহ মাহমুদ আল-খাইয়্যাত; এবং আবু মুহাম্মদ সালেহ বিন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাম্বলী; এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবু সাঈদ বিন আবু তাহের বিন আবু আল-ফাতহ আল-আসবাহানী; এবং আবু মুহাম্মদ সুফিয়ান বিন ইবরাহিম বিন সুফিয়ান বিন ইবরাহিম বিন আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব বিন হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মান্দাহ; এবং আবু আলী আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব আশ-শিরাজী; এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব, যিনি আল-কাত্তান নামে পরিচিত; এবং তার ফুফাতো ভাই আবু সাঈদ মাহমুদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ, যিনি কলম জান আল-কাত্তান নামে পরিচিত; এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবু নাসর আল-গাজী আস-সাক্কাল; এবং আবু শুজা রিজওয়ান বিন মুহাম্মদ বিন মাহফুজ বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফজল বিন আহমদ [বিন আহমদ] আস-সাকাফী; এবং আবু নাজীহ খুজাইমাহ ও আবু আল-মায়ালী আব্দুল আউয়াল—হাফেজ আবু আল-ফারাজ সাবিত বিন মুহাম্মদ বিন আবু আল-ফারাজ আল-মাদীনীর দুই পুত্র; এবং আবু বকর মুহাম্মদ, আবু মুহাম্মদ আব্দুল বারর, ফাতিমা ও ফাখিতা—হাফেজ আবুল আলা আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাহল আল-হামাদানী আল-কাত্তানের সন্তানাদি; এবং তাদের ভাগ্নে আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুর রশিদ বিন আলী।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩১৯)
بْنِ بِنْيَمَانَ الْحَدَّادُ، وَأَبُو مُسْلِمٍ أَحْمَدُ بْنُ شِيرَوَيْهِ بْنُ شَهْرَدَارَ بْنِ شِيرَوَيْهِ بْنِ شَهْرَدَارَ الديلمي الشافعي، وفتاه قايماز بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ صَالِحٍ الْهَرَوِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، الْمَعْرُوفِ بِأَمُوسَانَ، إِجَازَةً، قَالَ: أَسْعَدُ، وَزَاهِرٌ، أنبا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ أَبُو تَمِيمٍ عَبْدُ الْمُغِيثِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُطَهَّرِ بْنِ أَبِي نِزَارٍ، وَأَبُو الْغَنَائِمِ مَسْعُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، وَأَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بن أبي الرجاء أَبِي نَصْرٍ الصَّائِغُ الْمُؤَدِّبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ.
وَقَالَ محمد، وأخوه عبد البر: [ومن] (2) بَعْدَهَا، أنبا أَبُو الْخَيْرِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ [بْنِ] (3) عُمَرَ الْبَاغَبَانُ الْمُقْرِئُ الأَصْبَهَانِيُّ، زَادَ جَعْفَرٌ، وَأَخُوهُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَاغَبَانُ، وَقَالَ الْبَاقُونَ: أنبا الرَّئِيسُ أَبُو الْفَرَجِ مَسْعُودُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ.
زَادَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَكِّيٍّ، وَأَبُو الْخَيْرِ الْبَاغَبَانُ، قَالُوا: حَسِبْتُهُمْ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَه، أنا وَالِدِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أنبا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بِلالٍ النَّيْسَابُورِيُّ، في جُمَادَى الآخرة سنة ثلاثين وثلاثمائة، وَمَاتَ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ هَذِهِ السَّنَةِ:
1- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ مَالِكُ بْنُ سُعَيْرِ بْنِ الْخُمْسِ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، وَالْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ وَرَّادٍ، قَالَ: أَمْلَى عَلَيَّ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ كِتَابًا إِلَى مُعَاوِيَةَ رضي الله عنه، " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ
⦗ص: 320⦘ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَضَى صَلاتَهُ، قَالَ: لا إِلَه إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اللَّهُمَّ لا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ ولا ينفع ذا الجد منك الجد ".
--------------------------------------------
ইবনে বিনয়মান আল-হাদ্দাদ, এবং আবু মুসলিম আহমদ ইবনে শিরাওয়াইহ ইবনে শাহরদার ইবনে শিরাওয়াইহ ইবনে শাহরদার আদ-দাইলামি আশ-শাফেয়ি, এবং তাঁর মুক্তদাস কায়মাজ ইবনে আব্দুল্লাহ, এবং আবু জাফর আহমদ ইবনে সালিহ ইবনে আহমদ ইবনে আবি বকর ইবনে মনসুর ইবনে সালিহ আল-হারাওয়ি, এবং আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আবি সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আবি মুহাম্মদ জাফর ইবনে আবি নাসর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ, যিনি আমুসান নামে পরিচিত, অনুমতিসূত্রে (ইজাজাহ) বলেন: আসআদ এবং জাহির বলেছেন, আমাদের এই তিন শায়খ সংবাদ দিয়েছেন—আবু তামিম আব্দুল মুগিছ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুতাহহার ইবনে আবি নিজার, আবু আল-গানায়িম মাসউদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম, এবং আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে আবির রাজা আবু নাসর আস-সায়িগ আল-মুয়াদ্দিব; তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে।
মুহাম্মদ এবং তাঁর ভাই আব্দুল বারর বলেছেন: [এবং এর] (২) পর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খায়ের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ [ইবনে] (৩) উমর আল-বাগাবান আল-মুকরি আল-আসবাহানি; জাফর আরও বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর ভাই আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাবান। আর অবশিষ্টরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান আবু আল-ফারাজ মাসউদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-কাসিম ইবনে আল-ফাদল ইবনে আহমদ ইবনে আহমদ আছ-ছাকাফি; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে।
আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাক্কি এবং আবু আল-খায়ের আল-বাগাবান আরও বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমি তাঁদের সম্পর্কে ধারণা করি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আন-নায়সাবুরি, ৩৩০ হিজরির জমাদিউল আখিরা মাসে, আর তিনি এই বছরের জিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন:
১- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনে আল-হাকাম আন-নায়সাবুরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ মালিক ইবনে সুআইর ইবনে আল-খুমস, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর ও আল-মুসাইয়িব ইবনে রাফি থেকে, তিনি ওয়াররাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুগিরা ইবনে শু’বা মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট প্রেরিত একটি পত্র আমার দ্বারা লিখিয়েছিলেন যে, "রাসূলুল্লাহ
⦗পৃষ্ঠা: ৩২০⦘ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তাঁর সালাত শেষ করতেন, তখন বলতেন: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার পাকড়াও থেকে তাকে রক্ষা করতে পারবে না।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২০)
2- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثنا مَرَوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ قَنَانِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَفْشُوا السَّلامَ تَسْلَمُوا ".
২- আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি কানান ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আওসাজাহ থেকে, তিনি আল-বারা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা সালাম প্রচার করো, তোমরা নিরাপদ থাকবে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২১)
3- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثنا أُمَيَّةُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا شعبة، ثنا عَلِيِّ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، " أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَجَدَ فِي {إِذَا السماء انشقت} ".
৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইয়া ইবনে খালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে সুওয়াইদ, আবু রাফি' থেকে, আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত যে, "নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) {যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে} পাঠকালে সিজদা করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২১)
4- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثنا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، ثنا حَنْظَلَةُ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ أَبِيهِ رضي الله عنه: " أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أن يراجعها ".
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান, তিনি বিশর ইবনুস সাররি থেকে, তিনি হানজালা থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: "তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন, ফলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাকে ফিরিয়ে নেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২১)
5- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، ثنا أَبِي، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مَطَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أنه قال: أن رجلا عَلَى (1) بَعِيرِهِ وَهُوَ بِمِنًى، فَأَوْقَصَتْهُ فَمَاتَ وَهُوَ مُحْرِمٌ، فَأُتِيَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا كَفَّنْتُمُوهُ فَلا تُغَطُّوا وَجْهَهُ حتى يبعث يوم القيامة ملبيا ".
--------------------------------------------
৫- আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে হাফস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে তাহমান বর্ণনা করেছেন, মাতার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি মিনায় থাকাকালীন তার উটের ওপর (১) থাকা অবস্থায় সেটি তাকে নিচে ফেলে দিয়ে ঘাড় মটকে দিল এবং সে ইহরাম অবস্থায় মারা গেল। অতঃপর তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসা হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যখন তোমরা তাকে কাফন পরাবে, তখন তার মুখমণ্ডল ঢেকে দিও না, যেন সে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুত্থিত হয়।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৬)
6- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبِي، ثنا إِبْرَاهِيمُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ أَبِي حَسَّانٍ، عَنْ جُسْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرِيلَ وَرَبَّ مِيكَائِيلَ وَرَبَّ إِسْرَافِيلَ أَعُوذُ بِكَ مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ ".
৬- আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু হাসসান থেকে, তিনি জুসরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে আল্লাহ! জিবরাঈলের রব, মিকাঈলের রব এবং ইসরাফিলের রব; আমি আপনার নিকট আগুনের উত্তাপ এবং কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৬)
7- حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ أَنَسٍ رضي الله عنه: " أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم طَافَ عَلَى نِسَائِهِ فِي لَيْلَةٍ بِغُسْلٍ واحد ".
৭- হাসান ইবনে মুহাম্মদ আয-জা’ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট হুমাইদ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক রাতে তাঁর সকল স্ত্রীদের নিকট গমন করতেন এবং একবার মাত্র গোসল করতেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৭)
8- حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْحَاقَ الْكِنَانِيُّ أَبُو مُحَمَّدٍ كُوفِيٌّ، سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ، ثنا عَثَّامُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه قَالَ: لا تَسَلِ الرَّجُلَ مَا فِي قَلْبِهِ، وَلَكِنِ انْظُرْ مَا فِي قَلْبِكَ لَهُ فَإِنَّ لَكَ فِي قَلْبِهِ مِثْلَ ذَلِكَ.
৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে ইসহাক আল-কিনানি আবু মুহাম্মদ আল-কুফি, উনষাট সালে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসসাম ইবনে আলী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আউন ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তিকে তার অন্তরে তোমার সম্পর্কে কী আছে তা জিজ্ঞাসা করো না; বরং তার প্রতি তোমার অন্তরে কী আছে তা দেখো, কেননা তোমার প্রতি তার অন্তরেও অনুরূপই রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৭)
9- حَدَّثَنَا مُوسَى، ثنا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: " مَا سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا قَطُّ، فَقَالَ: لا ".
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকী‘, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কখনো কোনো কিছু চাওয়া হয়নি যার উত্তরে তিনি 'না' বলেছেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৭)
10- حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ بْنِ الصَّبَّاحِ، ثنا يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ الصَّفَّارُ، ثنا قَتَادَةَ، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ: " ابْنُ آدَمَ لَوْ أَنَّ لَهُ واديين ⦗ص: 328⦘ من مال لابتغى إليهما ثَالِثًا، وَلا يَمْلأُ جَوْفَ ابْنِ آدَمَ إِلا التُّرَابُ، وَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَى مَنْ تَابَ ".
১০- হাসান ইবন মুহাম্মদ আয-যা’ফারানী ইবন আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবন আতিয়্যাহ আস-সাফফার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন: "আদম সন্তানের যদি দুই উপত্যকা ভর্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৩২৮⦘ সম্পদ থাকত, তবে সে অবশ্যই তৃতীয় আরেকটি উপত্যকা কামনা করত। আর আদম সন্তানের উদর মাটি ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে পূর্ণ হবে না। আর যে ব্যক্তি তওবা করে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৮)
11- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الرَّبِيعِ الْمَكِّيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَى ثَلاثَةِ مَسَاجِدَ: الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَالْمَسْجِدِ الأَقْصَى وَمَسْجِدِي ".
১১- ইয়াহইয়া ইবনে আল-রাবি আল-মাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনোটির উদ্দেশ্যে সফরের সরঞ্জাম বাঁধা যাবে না: মসজিদুল হারাম, মসজিদুল আকসা এবং আমার এই মসজিদ।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৮)
12- حَدَّثَنَا الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنِ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ لَمَّا مَاتَ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ، قَالَ لَهُمْ: لا تَبْكُوا عليه، فإن بكاء الحي عذاب للميت وقالت عَمْرَةُ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ رضي الله عنها عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَتْ: يَرْحَمُهُ اللَّهُ، إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيَهُودِيَّةٍ وَأَهْلُهَا يَبْكُونَ عَلَيْهَا: " إِنِّهُمْ لَيَبْكُونَ عَلَيْهَا وَإِنِّهَا لَتُعَذَّبُ في قبرها ".
১২- আমাদের নিকট জাফরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, যখন রাফি ইবনে খাদিজ মৃত্যুবরণ করলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাঁদের বললেন: তোমরা তাঁর জন্য ক্রন্দন করো না, কারণ জীবিত ব্যক্তির ক্রন্দন মৃতের জন্য আযাবের কারণ হয়। আমরাহ বলেন: আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মূলত এক ইহুদি মহিলার ক্ষেত্রে বলেছিলেন যার পরিবার তার জন্য কাঁদছিল যে: "নিশ্চয়ই তারা তার জন্য কাঁদছে, অথচ তাকে তার কবরে আযাব দেওয়া হচ্ছে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৮)
13- حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْحَاقَ الْقَوَّاسُ، ثنا وَكِيعٌ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ الْيَهُودَ لاقُوكُمْ غَدًا، فَإِذَا قَالُوا: السَّامُ عَلَيْكُمْ، فَقُولُوا: وَعَلَيْكُمْ ".
১৩- মুসা ইবনে ইসহাক আল-কাওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আগামীকাল ইহুদিদের সাথে তোমাদের সাক্ষাৎ হবে; তারা যদি বলে: 'তোমাদের মৃত্যু হোক', তবে তোমরা বলো: 'তোমাদের ওপরও'।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৯)
14- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ [بْنُ] (1) يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثنا شُعْبَةُ، عَنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " مَا تَحْتَ الْكَعْبَيْنِ مِنَ الإِزَارِ في النار ".
--------------------------------------------
১৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ [বিন] (১) ইয়াহইয়া আয-যুহলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি আবু সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "ইজারের (লুঙ্গির) যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে, তা জাহান্নামের আগুনে পুড়বে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩২৯)
15- حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ سَخْتَوَيْهِ بْنُ مَازَيَارَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، ثنا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ، عَنِ أَبِيهِ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ الْخَلْقَ كَتَبَ بِيَدِهِ: " إِنَّ رَحْمَتِي تَغْلِبُ غضبي ".
১৫- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলী সাখতাওয়াইহ ইবনে মাযাইয়ার এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন আল্লাহ সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে লিখলেন: "নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর প্রবল হয়।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩০)
16- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الْمَرْزَوِيُّ أَبُو صَالِحٍ زَاجٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، ثنا أَبُو غَالِبٍ، أَنَّ أَبَا أُمَامَةَ، حَدَّثَهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: " يَدْخُلُ الْجَنَّةَ بِشَفَاعَةِ رَجُلٍ مِنْ أُمَّتِي أَكْثَرُ مِنْ عَدَدِ مُضَرَ، وَيَشْفَعُ الرَّجُلُ فِي أَهْلِ بَيْتِهِ وَيَشْفَعُ عَلَى قدر عقله ".
১৬- আহমদ ইবনে মনসুর আল-মারওয়াযী আবু সালিহ যা-জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে ওয়াকিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু গালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু উমামাহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেছেন: "আমার উম্মতের জনৈক ব্যক্তির সুপারিশে মুদার গোত্রের সদস্য সংখ্যার চেয়েও অধিক সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর ব্যক্তি তার পরিবারের সদস্যদের জন্য সুপারিশ করবে এবং সে তার জ্ঞান বা বুদ্ধির পরিমাপ অনুযায়ী সুপারিশ করবে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩১)
17- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، ثنا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنِ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَلَّهُ تبارك وتعالى أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ " الْحَدِيثَ.
১৭- আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মানসূর বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমা ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ বরকতময় ও সুউচ্চ তাঁর বান্দার তাওবায় অধিকতর আনন্দিত হন" — পূর্ণ হাদিস।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩২)
18- أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، ثنا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، ثنا جَهْضَمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الطُّفَيْلِ اللَّيْثِيُّ، ثنا أَبُو طَيْبَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَتَانِي جِبْرِيلُ وَفِي كَفِّهِ مِرْآةٌ بَيْضَاءُ فِيهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ " بِطُولِهِ.
18- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে ইউনুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাহযাম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবিত তুফাইল আল-লাইসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাইবাহ, উসমান ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমার নিকট জিবরীল আসলেন এবং তাঁর হাতের তালুতে ছিল একটি সাদা আয়না যাতে একটি কালো বিন্দু ছিল" — (সম্পূর্ণ দীর্ঘ হাদীস)।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩৭)
19- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الرَّبِيعِ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ أَبِيهِ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، " أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِرَجُلٍ يَبِيعُ طَعَامًا، فَقَالَ: كَيْفَ تَبِيعُ؟ [فَأَخْبَرَهُ] (1) ، فَأَوْحَى إِلَيْهِ أَنْ أَدْخِلْ يَدَكَ فِيهِ، فَأَدْخَلَ يَدَهُ فَإِذَا هُوَ مَبْلُولٌ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَيْسَ مِنَّا من غش ".
--------------------------------------------
১৯- আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন আর-রাবি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, আল-আলা বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার বিক্রয়রত এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কীভাবে বিক্রি করছ? [অতঃপর সে তাঁকে তা জানাল] (১), তখন তাঁর প্রতি ওহি করা হলো যে, এর ভেতরে আপনার হাত প্রবেশ করান। অতঃপর তিনি তাঁর হাত প্রবেশ করালেন এবং দেখা গেল যে তা ভেজা। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩৮)
20- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ ".
২০- আব্দুর রহমান ইবনে বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে, তখন তোমাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রেখো না।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৩৮)
21- حَدَّثَنَا أَبُو الأَزْهَرِ، ثنا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، ثنا أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ، يُحَدِّثُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُحَمَّدِ [بْنِ جُبَيْرِ] (1) بْنِ مُطْعَمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رضي الله عنه، قَالَ: " جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله (2) : هكت الأَنْفُسُ وَجَاعَ الْعِيَالُ وَهَلَكَتِ الأَمْوَالُ، اسْتَسْقِ لَنَا رَبَّكَ فَإِنَّا نَسْتَشْفِعُ بِاللَّهِ عَلَيْكَ وَبِكَ عَلَى اللَّهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: سُبْحَانَ اللَّهِ سُبْحَانَ اللَّهِ فَمَا زَالَ يُسَبِّحُ حَتَّى عُرِفَ ذَلِكَ فِي وُجُوهِ أَصْحَابِهِ، فَقَالَ: أَتَدْرِي مَا اللَّهُ؟ إِنَّ شَأْنَهُ أَعْظَمُ مِنْ ذَلِكَ، إِنِّهُ لا يُسْتَشْفَعُ بِهِ عَلَى أَحَدٍ، إِنِّهُ لَفَوْقَ سَمَائِهِ عَلَى عَرْشِهِ، وَإِنَّ عَلَيْهِ لَهَكَذَا، وَأَشَارَ وَهْبٌ بِيَدِهِ مِثْلَ الْقُبَّةِ، وَإِنَّهُ ليئط أطيط الرحل بالراكب ".
--------------------------------------------
২১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আযহার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহব বিন জারীর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন ইসহাককে ইয়াকুব বিন উতবা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি জুবায়ের বিন মুহাম্মদ [বিন জুবায়ের] (১) বিন মুতয়িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "এক বেদুইন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল (২): মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত, পরিবার-পরিজন ক্ষুধার্ত এবং ধন-সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। আপনি আমাদের জন্য আপনার রবের নিকট বৃষ্টির প্রার্থনা করুন, কেননা আমরা আপনার নিকট আল্লাহর সুপারিশ পেশ করছি এবং আল্লাহর নিকট আপনার সুপারিশ পেশ করছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: সুবহানাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ। তিনি ক্রমাগত তাসবিহ পাঠ করতে থাকলেন, এমনকি তাঁর সাহাবীদের চেহারায় তার প্রভাব ফুটে উঠল। এরপর তিনি বললেন: তুমি কি জানো আল্লাহ কে? তাঁর শান বা মর্যাদা এর চেয়ে অনেক মহান। কারো নিকট তাঁর মাধ্যমে সুপারিশ করা যায় না। তিনি তাঁর আসমানের উপরে তাঁর আরশের ওপর রয়েছেন, আর তিনি তাঁর ওপর এভাবে আছেন—ওয়াহব তাঁর হাত দিয়ে গম্বুজের মতো ইশারা করলেন—আর নিশ্চয়ই তা (আরশ) আরোহীর ভারে সওয়ারির হাওদার মতো মড়মড় শব্দ করে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪০)
22- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، ثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنِ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: " كَانَ فِرَاشُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَدَمٍ حَشْوُهُ لِيفٌ ".
২২- আমাদের নিকট আহমাদ বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আন-নাদর বিন শুমাইল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হিশাম বিন উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিছানা ছিল চামড়ার, যার ভেতরে খেজুর গাছের আঁশ ভরা ছিল।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪০)
23- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو وَلَقَبُهُ أزْدَاذُ بِهَمَذَانَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا ⦗ص: 341⦘ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " الْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعى وَاحِدٍ وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أمعاء ".
23- আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন আমর বর্ণনা করেছেন, হামাদানে যাঁর উপাধি আজদাজ; আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবন হারুন বর্ণনা করেছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪১⦘ মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মুমিন এক অন্ত্রে আহার করে এবং কাফির সাত অন্ত্রে আহার করে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪১)
24- حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، ثنا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، ثنا حَنْظَلَةُ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ رضي الله عنهما، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا تَبِيعُوا الثَّمَرَ حَتَّى يَبْدُو صَلاحُهُ ".
২৪- আবদুর রহমান ইবনে বিশর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুস সারি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হানজালা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন তাউস থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করো না।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪১)
25- حَدَّثَنَا أَبُو الأَزْهَرِ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنِ أَبِي بَرَدَةَ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ دُفِعَ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ ⦗ص: 342⦘ مُؤْمِنٍ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمِلَلِ، فَقِيلَ لَهُ: هَذَا فِدَاؤُكَ مِنَ النَّارِ ".
২৫- আবু আল-আযহার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তালহা বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, তখন প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিকে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪২⦘ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্য হতে একজন ব্যক্তি প্রদান করা হবে এবং তাকে বলা হবে: 'এটিই জাহান্নামের আগুন থেকে তোমার মুক্তিপণ'।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪২)
26- حَدَّثَنَا أَبُو الأَزْهَرِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا خَالِدُ بْنُ إِيَاسٍ، عَنْ هِشَامِ بن عروة، عن أبيه، عن عائشة رضي الله عنها، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " أَكْرِمُوا الشَّيْبَ ".
২৬- আবু আল-আযহার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওবায়দুল্লাহ ইবন মূসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবন ইয়াস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা বার্ধক্যকে সম্মান করো।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী হামিদ ইবনে বিলাল
(পৃষ্ঠা: ৩৪২)
27- حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أنبا مَعْمَرٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَسْمَرَ اللَّوْنِ ".
২৭- আহমাদ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাবিত থেকে এবং তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গমের ন্যায় শ্যামবর্ণের ছিলেন।"