(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: -)
معجم الشعراء   (المرزباني)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب : معجم الشعراء

المؤلف : للإمام أبي عبيد الله محمد بن عمران المرزباني (المتوفى : 384 هـ)

بتصحيح وتعليق : الأستاذ الدكتور ف . كرنكو

الناشر : مكتبة القدسي، دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة : الثانية، 1402 هـ - 1982 م

عدد الصفحات: 516

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কবিদের অভিধান (মু'জামুশ শুয়ারা)   (আল-মারজুবানি)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ : কবিদের অভিধান (মু'জামুশ শুয়ারা)

লেখক : ইমাম আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইমরান আল-মারজুবানি (মৃত্যু : ৩৮৪ হিজরি)

সম্পাদনা ও টীকা : প্রফেসর ডক্টর এফ. ক্রেনকো

প্রকাশক : মাকতাবাতুল কুদসি، দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ : দ্বিতীয়، ১৪০২ হিজরি - ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১৬

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: -)
" مختصر ترجمة المرزباني "

" عن شذرات الذهب وتاريخ بغداد وغيرها " محمد بن عمران بن موسى أبو عبيد الله الكاتب المرزباني. مولده في جمادى الآخرة سنة سبع وتسعين ومائتين خراساني الأصل بغدادي المولد.

حدث عن البغوي وأبن دريد ونفطويه وأبن الانباري وغيرهم، وروى عنه أبو عبد الله الصيمري وأبو القاسم التنوخي وأبو محمد الجوهري وغيرهم.

وكان علامة صاحب أخبار رواية للآداب. وصنف كتباً كثيرة وكان حسن الترتيب لما يجمعه، قال علي بن أيوب العمى: يقال إن أبا عبيد الله أحسن تصنيفاً من الجاحظ. وقال أبو علي الفارسي: هو من محاسن الدنيا. وكان عضد الدولة يجتاز على داره فيقف ببابه حتى يخرج إليه فيسلم عليه ويسأله عن حاله. قال الصيمري وأكثر أهل الأدب الذين سمع منهم سمع منهم في داره، وكان مائلاً إلى التشيع والاعتزال ثقة في الحديث.

له من الكتب: المونق في تاريخ الشعراء، معجم الشعراء: أشعار النساء، المفيد في الشعراء ومذاهبهم، الرياض في أخبار المتيمين من الشعراء؛ أخبار البرامكة، شعر حاتم الطائي، ديوان يزيد بن معاوية، أشعار الخلفاء. وغير ذلك.

توفي سنة أربع وثمانين وثلثمائة ثاني شوال ليلة الجمعة، ودفن في داره ببغداد في الجانب الشرقي.

وقد أورد المرزباني في المعجم في الصفحة 462 قصيدة في مدح والده.
" আল-মারযুবানীর সংক্ষিপ্ত জীবনী "

" 'শাযারাতুয যাহাব', 'তারিখু বাগদাদ' এবং অন্যান্য গ্রন্থ হতে। " মুহাম্মদ বিন ইমরান বিন মুসা আবু উবাইদুল্লাহ আল-কাতিব আল-মারযুবানী। তাঁর জন্ম ২৯৭ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে; তিনি মূলে খুরাসানি হলেও বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি আল-বাগাভী, ইবনে দুরাইদ, নাফতাওয়াইহ, ইবনুল আনবারী এবং অন্যান্যদের নিকট হতে হাদিস বর্ণনা করেছেন; এবং তাঁর নিকট হতে আবু আব্দুল্লাহ আস-সাইমারী, আবুল কাসিম আত-তানূখী, আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

তিনি ছিলেন একজন বিজ্ঞ পণ্ডিত, ইতিহাস বিশেষজ্ঞ এবং শিষ্টাচার ও সাহিত্যের বর্ণনাকারী। তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তাঁর সংগৃহীত তথ্য সুবিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত নিপুণ ছিলেন। আলী বিন আইয়ুব আল-আম্মা বলেন: বলা হয়ে থাকে যে, আবু উবাইদুল্লাহ গ্রন্থ রচনায় আল-জাহিজের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ছিলেন। আবু আলী আল-ফারিসি বলেন: তিনি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষী। আদুদুদ্দৌলা তাঁর ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতেন যতক্ষণ না তিনি বেরিয়ে আসতেন, অতঃপর তিনি তাঁকে সালাম দিতেন এবং তাঁর কুশলাদি জিজ্ঞাসা করতেন। আস-সাইমারী বলেন যে, অধিকাংশ সাহিত্যিক যাদের নিকট থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন, তাদের নিকট হতে তিনি নিজ গৃহেই শ্রবণ করেছেন। তিনি শিয়া ও মুতাযিলা মতবাদের প্রতি অনুরাগী ছিলেন, তবে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে: আল-মাওনিক ফি তারিখিশ শুয়ারা, মুজামুশ শুয়ারা, আশআরুন নিসা, আল-মুফিদ ফিশ শুয়ারা ওয়া মাযাহিবুহুম, আর-রিয়াদ ফি আখবারিল মুতাইয়ামিন মিনাশ শুয়ারা, আখবারুল বারামিকাহ, শি’রু হাতিম আত-তায়ি, দিওয়ানু ইয়াযিদ বিন মুআবিয়া, আশআরুল খুলাফা এবং আরও অন্যান্য।

তিনি ৩৮৪ হিজরি সনের ২রা শাওয়াল জুমার রাতে মৃত্যুবরণ করেন এবং বাগদাদের পূর্ব অংশে তাঁর নিজ গৃহেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

আল-মারযুবানী তাঁর 'আল-মুজাম' গ্রন্থের ৪৬২ পৃষ্ঠায় তাঁর পিতার প্রশংসায় একটি কবিতা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٠)
‌‌حرف العين

‌‌باب

ذكر من اسمه عمرو

هاشم واسمه عمرو بن عبد مناف واسمه المغيرة بن قصي واسمه زيد ابن كلاب بن مرة بن لؤي بن هاشم. هو جد رسول الله صلى الله عليه وسلم ويكنى أبا نضلة وفيه يقول مطرود بن كعب الخزاعي:

عمرو الذي هشم الثريد لقومه … ورجال مكة مسنتون عجاف

ولما قصد البيت بعض من قصده قال هاشم في رجز له: عذت بما عاذ به إبراهيم

 

عمرو بن قميئة بن سعد بن مالك بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة وهو الحصن بن عكابة بن صعب بن علي بن بكر بن وائل. وقيل هو عمرو بن ذريح بن سعد بن مالك ويكنى أبا كعب وكان في عصر مهلهل بن ربيعة ويقول الشعر وعمر حتى جاوز التسعين وقال:

كأني وقد جاوزت تسعين حجة … خلعت بها عني عذار لجام

رمتني بنات الدهر من حيث لا أرى … فكيف بمن يرمى وليس برام

فلو أنها نبل إذاً لاتقيتها … ولكنني أرمى بغير سهام

وتزعم بكر بن وائل أنه أول من قال الشعر وقصد القصيد، وكان امرؤ القيس بن حجر استصحبه لما شخص إلى قيصر يستمده على بني أسد فمات في سفره ذلك فسمته بكر عمراً الضائع وهو صاحب امرئ القيس الذي عني بقوله:

بكى صاحبي لما رأى الدرب دونه … وأيقن أنا لاحقون بقيصراً
আইন বর্ণমালা

অনুচ্ছেদ

যাদের নাম আমর তাদের বর্ণনা

হাশিম, এবং তার নাম ছিল আমর ইবনে আবদে মানাফ, যার নাম ছিল আল-মুগীরা ইবনে কুসাই, যার নাম ছিল যায়িদ ইবনে কিলাব ইবনে মুররাহ ইবনে লুয়াই ইবনে হাশিম। তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রপিতামহ এবং তার কুনিয়াত (উপনাম) ছিল আবু নাদলাহ। তার সম্পর্কে মাত্রুদ ইবনে কাব আল-খুজায়ি বলেন:

আমর, যিনি তার গোত্রের জন্য রুটি ভেঙে সুরুয়া তৈরি করেছিলেন … যখন মক্কার লোকেরা দুর্ভিক্ষে শীর্ণ ও দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

যখন কতিপয় লোক কাবার উদ্দেশ্যে যাত্রা করল, তখন হাশিম তার এক পঙক্তিতে বলেছিলেন: আমি সেই সত্তার আশ্রয় নিচ্ছি, যার আশ্রয় ইব্রাহিম নিয়েছিলেন।

 

আমর ইবনে কামিয়াহ ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে দ্বাবিয়াহ ইবনে কায়িস ইবনে সালাবাহ, যিনি আল-হিসন ইবনে উকাবাহ ইবনে সাব ইবনে আলি ইবনে বকর ইবনে ওয়াইল নামেও পরিচিত। কেউ কেউ বলেন, তিনি আমর ইবনে জারিহ ইবনে সাদ ইবনে মালিক। তার কুনিয়াত ছিল আবু কাব। তিনি মুহালহিল ইবনে রবিআর সমসাময়িক ছিলেন এবং কবিতা রচনা করতেন। তিনি নব্বই বছরেরও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন এবং বলেছিলেন:

মনে হয় যেন আমি নব্বইটি বছর অতিক্রম করে … আমার মুখ থেকে লাগামের রশি খুলে ফেলেছি।

কালের কন্যারা আমাকে এমন দিক থেকে নিক্ষেপ করেছে যা আমি দেখতে পাই না … তবে এমন ব্যক্তির অবস্থা কী হবে যাকে নিক্ষেপ করা হচ্ছে অথচ সে নিজে নিক্ষেপকারী নয়?

যদি সেগুলো তীর হতো তবে আমি তা থেকে আত্মরক্ষা করতাম … কিন্তু আমাকে তো এমন কিছু দিয়ে নিক্ষেপ করা হচ্ছে যা তীর নয়।

বকর ইবনে ওয়াইল গোত্র দাবি করে যে, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি কবিতা ও কাসিদা রচনা করেছিলেন। ইমরুল কায়েস ইবনে হুজর যখন রোম সম্রাটের কাছে বনু আসাদের বিরুদ্ধে সাহায্যের জন্য যাচ্ছিলেন, তখন তাকে সাথে নিয়েছিলেন। সেই সফরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ফলে বকর গোত্র তাকে 'বিপথগামী আমর' নামে অভিহিত করে। তিনি ইমরুল কায়েসের সেই বন্ধু যাকে উদ্দেশ্য করে সে তার কবিতায় বলেছিল:

আমার সঙ্গী কেঁদে উঠল যখন সে তার সামনে গিরিপথ দেখতে পেল … এবং সে নিশ্চিত হলো যে আমরা রোম সম্রাটের কাছে পৌঁছাতে চলেছি।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠١)
فقلت له لا تبك عينك إنما … نحاول ملكاً أو نموت فنعذرا

وعمرو هو القائل يبكي شبابه وهو أول من بكى عليه:

لاتغبط المرء أن يقال له … أمسى فلان لعمره حكماً

إن يمس في خفض عيشه فلقد … أخنى على الوجه طول ماسلما

قد كنت في ميعة أسر بها … أمنع ضيمي وأهبط العصما

يا لهف نفسي على الشباب ولم … أفقد به إذا فقدته أمماً

المرقش الأكبر اسمه عمرو بن سعد بن مالك بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة وقيل اسمه عوف بن سعد بن مالك. وقالوا اسمه ربيعة بن سعد بن مالك وكان المرقشان علىعهد مهلهل بن ربيعة وشهدا حرب بكر وتغلب والأكبر القائل:

ليس على طول الحياة ندم … ومن وراء المرء ما يعلم

النشر مسك والوجوه دنا … نير وأطراف الأكف عنم

فالدار وحش والرسوم كما … رقش في ظهر الأديم قلم

المرقش الأصغر اسمه عمرو بن حرملة بن سعد بن مالك بن ضبيعة ابن قيس بن ثعلبة وقيل اسمه حرملة بن سعد وقيل اسمه ربيعة بن سفيان ابن سعد بن مالك والمرقش اللأكبر عم المرقش الأصغر والأصغر عم طرفة بن العبد والمرقش الأصغر أشعرهما وأطولهما عمراً وهو القائل:

وما قهوة صهباء كالمسك ريحها … تعل على الناجود طوراً وتقدح

بأطيب من فيها إذا جئت طارقاً … من الليل بل فوها ألذ وأنصح

وهو القائل في رواية محمد بن داود:

أمن حلم أصبحت تنكث واجماً … وقد تعتري الأحلام من كان نائماً

فمن يلق خيراً يحمد الناس أمره … ومن يغو لا يعدم على الغي لائماً

طرفة اسمه عمرو بن عبد بن سفيان بن سعد بن مالك بن ضبيعة ابن قيس بن ثعلبة. قال أبو سعيد السكري اسمه عبيد ويقال معبد ولقب بطرفة ببيت قاله. وكنيته أبو إسحاق ويقال أبو سعد قال ابن دريد كنية طرفة أبو عمرو وأمه وردة بنت قتادة بن مشنوء بن عمرو بن مالك بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة قتله المكعبر بالبحرين بكتاب عمرو بن هند وله بضع وعشرون سنة وقد روي
আমি তাকে বললাম, তোমার চোখ যেন না কাঁদে, আমরা তো কেবল রাজত্ব লাভের চেষ্টা করছি অথবা মারা যাব, যাতে আমাদের ওজর কবুল হয়।

আমর-ই সেই ব্যক্তি যে তার যৌবনের জন্য বিলাপ করেছে এবং সে-ই প্রথম ব্যক্তি যে এর জন্য কেঁদেছে:

কাউকে দেখে ঈর্ষা করো না যখন তার সম্পর্কে বলা হয় যে … অমুক ব্যক্তি তার দীর্ঘ জীবনের ফয়সালাকারী হয়ে উঠেছে।

যদিও সে স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনে সন্ধ্যা অতিবাহিত করে, তবে … দীর্ঘকাল নিরবচ্ছিন্ন সুস্থতা তার চেহারার লাবণ্যকে জীর্ণ করে দিয়েছে।

আমি যৌবনের সেই প্রারম্ভে ছিলাম যাতে আমি আনন্দ পেতাম … আমি আমার ওপর হওয়া জুলুম প্রতিহত করতাম এবং দুর্গম পাহাড়ী ছাগলদের নিচে নামিয়ে আনতাম।

হায়! যৌবনের জন্য আমার আক্ষেপ! আমি যখন … তা হারিয়েছি, তখন কোনো নগণ্য সম্পদ হারাইনি।

মুরাক্কিশ আল-আকবার, তার নাম আমর বিন সাদ বিন মালিক বিন দবিআ বিন কাইস বিন সালাবা; বলা হয় তার নাম আউফ বিন সাদ বিন মালিক। আবার কেউ কেউ বলেন তার নাম রবীআ বিন সাদ বিন মালিক। দুই মুরাক্কিশ-ই মুহালহিল বিন রবীআর যুগে ছিলেন এবং তারা বকর ও তাগলিবের যুদ্ধে শরিক হয়েছিলেন। বড় মুরাক্কিশ (আল-আকবার) বলেছেন:

দীর্ঘ জীবনের ওপর কোনো আক্ষেপ নেই … আর মানুষের অগোচরে যা আছে তা সে জানে।

সুগন্ধ যেন কস্তুরী, মুখমণ্ডল যেন উজ্জ্বল … দিনার এবং আঙুলের ডগাগুলো যেন আনাম গাছের লাল ফল।

ঘর এখন বিরান এবং এর চিহ্নগুলো যেন … চামড়ার পিঠে কলমের কারুকার্য।

মুরাক্কিশ আল-আসগার, তার নাম আমর বিন হারমালা বিন সাদ বিন মালিক বিন দবিআ বিন কাইস বিন সালাবা; বলা হয় তার নাম হারমালা বিন সাদ, আবার বলা হয় তার নাম রবীআ বিন সুফিয়ান বিন সাদ বিন মালিক। মুরাক্কিশ আল-আকবার ছিলেন মুরাক্কিশ আল-আসগারের চাচা, আর মুরাক্কিশ আল-আসগার ছিলেন তারাফা বিন আল-আবদের চাচা। মুরাক্কিশ আল-আসগার তাদের দুজনের মধ্যে অধিক বড় কবি এবং দীর্ঘজীবী ছিলেন। তিনি বলেছেন:

সেই লালচে সুরা নয় যার সুবাস কস্তুরীর মতো … যা কখনো কলসে ঢালা হয় আবার কখনো পাত্রে ঢেলে পরিবেশন করা হয়;

তার (প্রেয়সীর) মুখের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত নয় যখন তুমি রাতে পথিক হয়ে … আসবে; বরং তার মুখ অধিক সুস্বাদু ও নির্মল।

মুহাম্মাদ বিন দাউদের বর্ণনায় তিনি আরও বলেছেন:

কোনো স্বপ্নের কারণে কি তুমি বিমর্ষ চিত্তে বিষণ্ণ হয়ে আছো? … অথচ স্বপ্ন তো কেবল নিদ্রিত ব্যক্তিকেই আচ্ছন্ন করে।

যে ব্যক্তি কল্যাণের দেখা পায়, মানুষ তার কাজের প্রশংসা করে … আর যে পথভ্রষ্ট হয়, সে তার পথভ্রষ্টতার জন্য কোনো নিন্দুক হারায় না।

তারাফা, তার নাম আমর বিন আবদ বিন সুফিয়ান বিন সাদ বিন মালিক বিন দবিআ বিন কাইস বিন সালাবা। আবু সাইদ আল-সুক্কারি বলেন, তার নাম উবাইদ, আবার বলা হয় মাবাদ। একটি কবিতা বলার কারণে তার উপাধি হয়েছে তারাফা। তার উপনাম আবু ইসহাক, আবার বলা হয় আবু সাদ। ইবনে দুরিদ বলেন, তারাফার উপনাম আবু আমর। তার মা ওয়ারদা বিনতে কাতাদা বিন মাশনু বিন আমর বিন মালিক বিন দবিআ বিন কাইস বিন সালাবা। আল-মুকা'বির তাকে বাহরাইনে আমর বিন হিন্দের চিঠির মাধ্যমে হত্যা করেন এবং তখন তার বয়স ছিল বিশ বছরের কিছু বেশি। বর্ণিত আছে যে...
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٢)
أنه لم يبلغ العشرين وكان آدم أزرق أو قص أفرع اكشف أزور الصدر متأول الخلق. ويقال إنه أخرج لسانه فإذا هو أسود كأنه لسان ظبي فأخذه بيده ثم أومأ بيده إلى رقبته فقال ويل لهذا مما يحبني عليه هذا فكان هو الذي جنى عليه فقتل وذلك أنه هجا عمرو بن هند وكان ينادمه هو والمتلمس، والمتلمس خال طرفة فكتب لهما كتابين إلى المكعبر يأمره فيهما بقتلهما فأما المتلمس فإنه خرق كتابه ونجا بنفسه ومضى طرفة بالكتاب فقتل وهو القائل في قصيدة له:

ستبدي لك الأيام ما كنت جاهلاً … ويأتيك بالأخبار من لم تزود

وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا استراث الخبر يتمثل بعجز هذا البيت وهي هذه القصيدة وقد روي لغيره:

فقل للذي يبقى خلاف الذي مضى … تزود لأخرى مثلها فكأن قد

وله:

للفتى عقل يعيش به … حيث تهدي ساقه قدمه

أي له عقل في كل وجه توجه فيه فيما يهوى وينتفع به، وقال ثعلب ان اتجه لجهة صالحة علم أن له عقلاً وإن اتجه لجهة شر علم أنه لا عقل له.

وله:

فوجدي بسلمى فوق وجد مرقش … بأسماء إذ لا يستفيق عواذله

لعمري لموت لا عقوبة بعده … لذي البث أشفى من هوى لا يزايله

عمرو بن كلثوم بن مالك بن عتاب بن ربيعة بن زهير بن جشم بن بكر بن حبيب بن عمرو بن غنم بن تغلب بن وائل بن قاسط بن هنب بن أفصى بن دعمى ابن جديلة بن أسد بن ربيعة بن نزار يكنى أبا الأسود وقيل أبا عمير وهو فارس شاعر مقدم سيد أحد فتاك الجاهلية ولابنه الأسود وهو في بيت تغلب. وأم عمرو لبنى بنت مهلهل بن ربيعة التغلبي، وبلغ خمسين ومائة سنة ورأى من ولده وولد ولده خلفاً كثيراً وكان خطيباً حكيماً وأوصى بنيه عند موته بوصية بليغة حسنة. وقصيدته التي أولها: ألا هبي بصحنك فاصبحينا إحدى مفاخر العرب قام بها خطيباً في فتكه بعمرو بن هند وقتله.

وفيها يقول:

بأي مشيئة عمرو بن هند … تطيع بنا الوشاة وتزدربنا

فإن قناتنا ياعمرو أعيت … على الأعداء قبلك أن تلينا

وله في رواية ثعلب من أبيات:
তিনি বিশ বছর বয়সেও পৌঁছাননি। তিনি ছিলেন শ্যামল বর্ণের, নীল চোখ বিশিষ্ট (অথবা ক্ষুরধার দৃষ্টিসম্পন্ন), দীর্ঘ কেশধারী, উন্নত ললাট ও প্রশস্ত বক্ষ বিশিষ্ট এবং সুঠাম দেহের অধিকারী। বর্ণিত আছে যে, তিনি একবার তাঁর জিহ্বা বের করেছিলেন এবং দেখা গেল তা হরিণের জিহ্বার মতো কালো। তিনি তাঁর হাত দিয়ে তা ধরলেন এবং হাতের ইশারায় নিজের ঘাড়ের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, 'আক্ষেপ এর জন্য, যা আমাকে এর ওপর টেনে আনবে!' এটিই তাঁর ওপর বিপদ ডেকে এনেছিল এবং তিনি নিহত হয়েছিলেন। এর কারণ ছিল যে, তিনি আমর ইবনে হিন্দের নিন্দা (হিজা) করেছিলেন, অথচ তিনি এবং মুতালাম্মিস তাঁর মদ্যপানের সঙ্গী ছিলেন। মুতালাম্মিস ছিলেন তারাফার মামা। রাজা আমর ইবনে হিন্দ তাদের দুজনের জন্য মুকাবিরের কাছে দুটি পত্র লিখলেন, যাতে তাদের হত্যার নির্দেশ ছিল। মুতালাম্মিস তাঁর পত্রটি ছিঁড়ে ফেললেন এবং আত্মরক্ষা করলেন, কিন্তু তারাফা পত্রটি নিয়েই এগিয়ে গেলেন এবং নিহত হলেন। তিনি তাঁর এক কবিতায় বলেছেন:

দিনগুলো তোমার সামনে তা প্রকাশ করবে যা তুমি জানতে না … আর তোমার কাছে সংবাদ নিয়ে আসবে সে, যাকে তুমি কোনো পাথেয় দাওনি

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো সংবাদের বিলম্ব অনুভব করতেন, তখন এই পঙক্তির শেষাংশ আওড়াতেন। এটি এই কবিতার অংশ, তবে এটি অন্য কারো বলেও বর্ণিত হয়েছে:

সুতরাং তাকে বলো যে গত হয়ে যাওয়া ব্যক্তির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অবশিষ্ট আছে … পরকালের জন্য এর মতোই পাথেয় সংগ্রহ করো, যেন তা এখনই এসে পড়েছে

তাঁর আরও কবিতা:

যুবকের রয়েছে এমন বুদ্ধি যার দ্বারা সে বেঁচে থাকে … যেখানে তার পা তার নলার অনুসরণ করে (অর্থাৎ স্বীয় পদক্ষেপ অনুযায়ী চলে)

অর্থাৎ, সে যে পথেই অগ্রসর হোক না কেন, তার আকাঙ্ক্ষা ও উপকারের জন্য তার বুদ্ধি রয়েছে। সা'লাব বলেন, যদি সে সঠিক পথে পরিচালিত হয় তবে বোঝা যাবে তার বুদ্ধি আছে, আর যদি সে মন্দের পথে যায় তবে বোঝা যাবে তার কোনো বুদ্ধি নেই।

তাঁর আরও কবিতা:

সালমার প্রতি আমার অনুরাগ মুরাক্কিশের আসমার প্রতি অনুরাগের চেয়েও বেশি … যখন তার নিন্দুকেরা নিবৃত্ত হয় না

আমার জীবনের কসম, এমন মৃত্যু যার পরে কোনো শাস্তি নেই … শোকাতুর ব্যক্তির জন্য সেই আসক্তি থেকে অধিকতর আরোগ্যদায়ক যা তাকে ছেড়ে যায় না

আমর ইবনে কুলসুম ইবনে মালিক ইবনে ইতাব ইবনে রাবিআ ইবনে জুহাইর ইবনে জুশাম ইবনে বকর ইবনে হাবিব ইবনে আমর ইবনে গানাম ইবনে তাগলিব ইবনে ওয়ায়িল ইবনে কাসিত ইবনে হুনাব ইবনে আফসা ইবনে দুমি ইবনে জাদিরা ইবনে আসাদ ইবনে রাবিআ ইবনে নিযার। তাঁর উপনাম ছিল আবু আল-আসওয়াদ, আবার বলা হয় আবু উমাইর। তিনি ছিলেন একজন বীর অশ্বারোহী, অগ্রগণ্য কবি, গোত্রপ্রধান এবং জাহেলি যুগের অন্যতম দুর্ধর্ষ যোদ্ধা। তাঁর পুত্র আসওয়াদ তাগলিব গোত্রের নেতৃত্বে সমাসীন ছিলেন। আমরের মাতা ছিলেন লুবনা বিনতে মুহালহিল ইবনে রাবিআ আত-তাগলিবি। তিনি দেড়শ বছর জীবন লাভ করেছিলেন এবং তাঁর সন্তান ও পৌত্রদের এক বিশাল বংশধর দেখে গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ বাগ্মী এবং মৃত্যুর সময় তাঁর সন্তানদের অত্যন্ত চমৎকার ও সারগর্ভ অসিয়ত করে গিয়েছিলেন। তাঁর সেই কবিতা যার শুরু: 'ওহে রমণী, তোমার পাত্রটি নিয়ে জাগো এবং আমাদের প্রাতঃকালীন পানীয় পরিবেশন করো'—এটি আরবদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গৌরবের বিষয়। আমর ইবনে হিন্দকে আক্রমণ ও হত্যার সময় তিনি এটি পাঠ করে বাগ্মিতা প্রদর্শন করেছিলেন।

তাতে তিনি বলেন:

হে আমর ইবনে হিন্দ! কোন ইশারায় … তুমি আমাদের ব্যাপারে চোগলখোরদের আনুগত্য করছ এবং আমাদের অবজ্ঞা করছ?

হে আমর! নিশ্চয়ই আমাদের বল্লম তোমার পূর্ববর্তী শত্রুদের কাছে … নতি স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে

সা'লাবের বর্ণনা অনুযায়ী তাঁর আরও কিছু পঙক্তি হলো:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٣)
لا تلوميني فإني متلف … كل ما تحوي يمينى وشمالي

لست إن أطرفت مالاً فرحاً … وإذا أتلفته لست أبالي

يخلف المال فلا تستسيئسي … كري المهر على الحي الحلال

وابتذالي النفس في يوم الوغى … وطرادي فوق مهري ونزالي

وسموي بخميس جحفل … نحو أعدائي بحلي وارتحالي

جهنام البكري ويقال جهنام واسمه عمرو بن قطن بن المنذر بن عبدان بن حذافة بن حبيب بن ثعلبة بن سعد بن قيس بن ثعلبة وهو الذي هاجى أعشى بني قيس بن ثعلبة وفيه يقول الأعشى:

دعوت خليلي مسحلاً ودعوا له … جهنام جدعاً للهجين المدمم

ومسحل شيطان الأعشى فيما يقال. ومن قول جهنام:

أمجاع تزعم لو أنني … لقيت ابن حواء ما ضرني

بلى إن يد قبضت خمسها عليك مكاناً من الأمكن

عمرو بن حلزة اليشكري أخو الحارث بن حلزة قديم وهو يقول يرثي أخاه:

يأمن الأيام مغتر بها … ما رأينا قط دهراً لا يخون

والملمات فيما أعجبها … للملمات ظهور وبطون

هون الأمر تعش في راحة … قلما هونت الا سيهون

ربما قرت عيون بشجى … مرمض قد سخنت منه عيون

لا تكن محتقراً شأن امرئ … ربما كان من الشأن شؤون

عمرو بن الإطنابة وهي أمه وأبوه عامر بن زيد مناة بن عامر بن مالك الأغر بن ثعلبة بن كعب بن الخزرج بن الحارث بن الخزرج وأمه الإطنابة بنت شهاب بن زبان من بني القين بن جسر وكان أشرف الخزرج.

وهو شاعر فارس معروف قديم خرجت الخزرج معه وخرجت الأوس وأحلافها مع معاذ بن النعمان
তুমি আমাকে তিরস্কার করো না, কারণ আমি ক্ষয়কারী … আমার ডানে ও বামে যা কিছু আছে সবকিছুরই।

আমি সম্পদ অর্জন করলে আনন্দিত হই না … আর যখন তা বিলিয়ে দেই তখন পরোয়া করি না।

সম্পদ আবার ফিরে আসবে, তাই তুমি অসন্তুষ্ট হয়ো না … হালাল গোত্রের ওপর আমার ঘোড়া ছুটিয়ে দেওয়ার কারণে।

আর যুদ্ধের দিনে আমার জান বিলিয়ে দেওয়া … আমার ঘোড়ার পিঠে চড়ে শত্রু তাড়ানো এবং সম্মুখ যুদ্ধ করা।

আর বিশাল এক বাহিনী নিয়ে আমার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা … আমার অবস্থান ও প্রস্থানে শত্রুদের অভিমুখে।

জাহনাম আল-বাকরি; তাকে জাহনাম বলা হয় এবং তার নাম হলো আমর বিন কুতন বিন আল-মুনজির বিন আবদান বিন হুযাফা বিন হাবিব বিন সা'লাবা বিন সা'দ বিন কায়স বিন সা'লাবা। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বনু কায়স বিন সা'লাবার কবি আ'শা-এর সাথে কাব্যযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলেন। তার সম্পর্কে আ'শা বলেছেন:

আমি আমার বন্ধু মিসহালকে ডেকেছি, আর তারা তার জন্য ডেকেছে … জাহনামকে, সেই সংকর ও অভিশপ্ত ব্যক্তিকে ধ্বংস করার জন্য।

বলা হয়ে থাকে মিসহাল হলো আ'শার শয়তান। জাহনামের উক্তি থেকে:

মুজাআ কি ধারণা করে যে আমি যদি … ইবনে হাওয়ার (কোন মানুষের) দেখা পাই, তবে তা আমার কোনো ক্ষতি করবে না?

হ্যাঁ, নিশ্চয়ই একটি হাত যখন তার পাঁচ আঙুল দিয়ে তোমাকে কোনো এক স্থানে পাকড়াও করবে।

আমর বিন হিল্লিজাহ আল-ইয়াশকিরি; তিনি হারিস বিন হিল্লিজাহর ভাই এবং একজন প্রাচীন কবি। তিনি তার ভাইয়ের শোকগাঁথায় বলছেন:

সে দিনকালকে নিরাপদ মনে করে যে এতে প্রতারিত হয় … আমরা কখনোই এমন কাল দেখিনি যা বিশ্বাসঘাতকতা করে না।

আর বিপদাপদ কতই না আশ্চর্যজনক … বিপদাপদের রয়েছে পিঠ এবং পেট (প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য দিক)।

বিষয়টিকে সহজভাবে নাও, শান্তিতে বসবাস করবে … তুমি যখনই কোনো বিষয়কে সহজ ভাববে, তা সহজ হয়ে যাবে।

কখনও কখনও এমন কষ্টে চোখ শীতল হয় … যা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক এবং যার কারণে অন্য চোখগুলো উত্তপ্ত হয়েছিল।

তুমি কোনো ব্যক্তির অবস্থাকে তুচ্ছজ্ঞান করো না … হয়তো সেই সাধারণ অবস্থার ভেতরে অনেক বড় বিষয় লুকিয়ে আছে।

আমর বিন আল-ইতনাবাহ; ইতনাবাহ হলো তার মা। তার পিতা হলেন আমির বিন যায়েদ মানাত বিন আমির বিন মালিক আল-আগার বিন সা'লাবা বিন কাব বিন আল-খাযরাজ বিন আল-হারিস বিন আল-খাযরাজ। তার মা ইতনাবাহ বিনতে শিহাব বিন যাবান, যিনি বনু কায়ন বিন জাসর গোত্রের। তিনি খাযরাজ গোত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন।

তিনি একজন সুপরিচিত প্রাচীন কবি ও বীর যোদ্ধা। তার নেতৃত্বে খাযরাজ গোত্র যুদ্ধে বের হয়েছিল এবং মুয়াজ বিন আল-নু'মানের নেতৃত্বে আউস গোত্র ও তাদের মিত্ররা বের হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٤)
في حرب كانت بين الأوس والخزرج. وقيل لحسان بن ثابت: من أشعر الناس قال: الذي يقول يعني ابن الإطنابة

أني من القوم الذين إذا انتدوا … بدؤوا بحق الله ثم النائل

انتدوا: جلسوا في النادي. وهي قصيدة وبعد هذا البيت:

المانعين من الخنا جيرانهم … والحاشدين على طعام النازل

والخالطين فقيرهم بغنيهم … والباذلين عطاءهم للسائل

لا يطبعون وهم على أحسابهم … يشفون بالأحلام داء الجاهل

القائلين ولا يعاب خطيبهم … يوم المقامة بالكلام الفاصل

وقال معاوية لقد وضعت رجلي في الركاب يوم صفين وهممت بالفرار فما منعني من ذلك إلا قول ابن الإطنابة:

أبت لي عفتي وأبى بلائي … وأخذي الحمد بالثمن الربيح

وإكراهي على المكروه نفسي … وضربي هامة البطل المشيح

وقولي كلما جشأت وجاشت … مكانك تحمدي أو تستريحي

لأدفع عن مآثر صالحات … وأحمي بعد عن عرض صحيح

معقر البارقي قيل اسمه عمرو بن سفيان بن حمار بن الحارث بن أوس وبارق من الأزد. وقيل اسمه سفيان بن أوس بن حمار وهو جاهلي سمي معقراً بقوله في قصيدته المشهورة:

لها ناهض في الوكر قد مهدت له … كما مهدت للبعل حسناء عاقر

وفيها يقول:

فجئنا إلى جمع كأن زهاءه … جراد هفا من هبوة متطاير

تهيبك الأسفار من خشية الردى … وكم قد رأينا من رد لا يسافر

وخبرها الوراد إن ليس بينها … وبين قرى نجران والدرب كافر

فألقت عصاها واستقر بها النوى … كما قر عيناً بالإياب المسافر

أنشدت هذا البيت عائشة رضي الله عنها لما بلغها موت علي بن أبي طالب رضي الله عنه.

عمرو بن الحارث بن مضاض بن عمرو بن غالب الجرهمي أحد المعمرين القدماء وهو القائل لما أجلتهم خزاعة عن الحرم وكانوا ولاة البيت بعد نبت بن اسماعيل بن ابراهيم عليهما الصلاة والسلام:

كأن لم يكن بين الحجون إلى الصفا … أنيس ولم يسمر بمكة سامر
আউস ও খাযরাজের মধ্যে সংঘটিত একটি যুদ্ধে। হাসসান বিন সাবিতকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কবি কে? তিনি বললেন: সেই ব্যক্তি যে বলেছে—অর্থাৎ ইবনুল ইতনাবাহ

আমি সেই কওমের অন্তর্ভুক্ত, যারা যখন মজলিসে সমবেত হয় … তখন আল্লাহর হক দিয়ে শুরু করে, এরপর দান-সহযোগিতা করে।

ইনতাদু (انتدوا) অর্থ: তারা মজলিসে বসেছিল। এটি একটি কাসিদা এবং এই পংক্তির পরে রয়েছে:

তারা তাদের প্রতিবেশীদের অশ্লীলতা থেকে হেফাযতকারী … এবং আগন্তুকের খাবারের জন্য একত্রিতকারী।

তারা তাদের দরিদ্রদের ধনীদের সাথে মিশিয়ে দেয় … এবং যাঞ্চাকারীকে দান করার ক্ষেত্রে অকাতর।

তারা হীনতা স্বীকার করে না অথচ তারা উচ্চ বংশীয় … তারা সহনশীলতার মাধ্যমে জাহেলের রোগের প্রতিকার করে।

তারা সত্য কথা বলে এবং সমাবেশের দিনে তাদের বক্তার সমালোচনা করা হয় না … ফয়সালাকারী বা অকাট্য কথার কারণে।

মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: সিফফীনের যুদ্ধের দিন আমি রেকাবে পা রেখেছিলাম এবং পলায়ন করার সংকল্প করেছিলাম, কিন্তু ইবনুল ইতনাবাহর এই কথাটিই আমাকে তা থেকে বিরত রেখেছে:

আমার আত্মমর্যাদা ও পরীক্ষা এবং লাভজনক মূল্যে প্রশংসা অর্জন করা … আমাকে (পলায়ন করতে) অস্বীকার করেছে।

আর কষ্টকর বিষয়ের ওপর আমার নফসকে বাধ্য করা … এবং উদ্যমী বীরের মস্তকে আঘাত করা।

আর যখনই আমার প্রাণ কেঁপে উঠত ও চঞ্চল হত, তখন আমি বলতাম … "নিজের স্থানে স্থির থাকো, তবেই তুমি প্রশংসিত হবে অথবা চিরশান্তি পাবে।"

যাতে আমি নেক আমলসমূহ রক্ষা করতে পারি … এবং এরপর নিষ্কলঙ্ক সম্মানকে হেফাযত করতে পারি।

মুয়াক্কির আল-বারিকী। বলা হয় যে তার নাম আমর বিন সুফইয়ান বিন হিমার বিন হারিস বিন আউস। আর বারিক হলো আযদ গোত্রের একটি শাখা। আবার বলা হয় তার নাম সুফইয়ান বিন আউস বিন হিমার। তিনি জাহেলি যুগের কবি ছিলেন এবং তার বিখ্যাত কাসিদার একটি চরণের কারণে তাকে 'মুয়াক্কির' নাম দেওয়া হয়েছিল:

বাসার মধ্যে তার একটি শাবক রয়েছে যার জন্য সে শয্যা প্রস্তুত করেছে … যেভাবে একজন সুন্দরী বন্ধ্যা নারী তার স্বামীর জন্য শয্যা প্রস্তুত করে।

আর তাতে তিনি বলেন:

অতঃপর আমরা এমন এক বিশাল বাহিনীর কাছে আসলাম যাদের সংখ্যাধিক্য … যেন ধূলিমেঘ থেকে উড়ে আসা পঙ্গপাল।

ধ্বংসের ভয়ে সফর তোমাকে আতঙ্কিত করে … অথচ আমরা কত মানুষকে দেখেছি যারা ঘরে বসে থেকেও রেহাই পায়নি এবং সফরও করেনি।

আগন্তুকরা তাকে সংবাদ দিল যে, তার এবং … নাজরানের গ্রামসমূহ ও রাস্তার মাঝে কোনো কাফের বা অন্তরায় নেই।

অতঃপর সে তার লাঠি নিক্ষেপ করল (যাত্রা থামাল) এবং তার গন্তব্যে স্থির হল … যেভাবে কোনো মুসাফির ফিরে এসে প্রশান্তি লাভ করে।

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এই পংক্তিটি আবৃত্তি করেছিলেন যখন তার কাছে আলী বিন আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুর মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছেছিল।

আমর বিন হারিস বিন মুদাদ বিন আমর বিন গালিব আল-জুরহুমি। তিনি প্রাচীন দীর্ঘায়ু ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তিনি এটি বলেছিলেন যখন খুযাআ গোত্র তাদের হারাম শরীফ থেকে বিতাড়িত করেছিল। তারা নাবত বিন ইসমাঈল বিন ইব্রাহীম আলাইহিমাস সালাতু ওয়াস সালাম-এর পরে বাইতুল্লাহর অভিভাবক ছিলেন:

যেন হাজুন থেকে সাফা পর্যন্ত কোনো বন্ধু ছিল না … এবং মক্কায় কোনো গল্পকার নৈশকালীন গল্পগুজব করেনি।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٥)
بلى نحن كنا أهلها فأبادنا … صروف الليالي والجدود العوائر

ويقال إنه مد له في العمر إلى أن أدرك الإسلام وقال:

يا أيها الناس سيروا إلى قصركم … أن تصبحوا ذات يوم لا تسيرونا

كنا أناساً كما كنتم فغيركم … دهر فأنتم كما كنا تصيرونا

عمرو بن عدي بن نصر اللخمي وهو عمرو بن عدي بن نصر بن ربيعة بن مالك بن الحارث بن عمرو بن نمارة بن لخم. قال أبو عبيدة: هذا نسبة أهل اليمن وأما ما يقول علماؤنا فيقولون: نصر بن الساطرون بن أسيطرون ملك الحضر وهو الجرمكقاني من أهل الموصل من رستات باجرمي وعمرو هو أول ملوك الحيرة ملك بعد خاله جذيمة الأبرش وعمرو وهو قاتل الزباء واسمها نائلة بنت عمرو بن ظرب من العماليق وعمرو هو أبو ملوك الحيرة بأسرهم وآخرهم النعمان بن المنذر الذي قتله كسرى وتملك على الحيرة بآسرهم وآخرهم النعمان بن المنذر الذي قتله كسرى وتملك على الحيرة إياس بن قبيصة. وعمرو هو القائل وهو صبي لخاله جذيمة وقد تبدى فأقبل عمرو والصبيان معه من خول جذيمة يجنون الكمأة فيأكل الصبيان خيار ما يجنون ويدفعون إلى جذيمة رذالته وجعل عمرو يدفع إليه ما يجنيه على حاله ولا يأكل منه شيئاً ويقول:

هذا جناي وخياره فيه … إذا كان جان يده إلى فيه

وتمثل علي بن أبي طالب رضي الله عنه بهذا البيت عند قسمته ما كان في بيت المال. وعمرو هو القائل في رواية المفضل:

صددت الكأس عنا أم عمرو … وكان الكأس مجراها الميينا

وما شر الثلاثة أم عمرو … بصاحبك الذي لا تصحبينا

عمرو بن هند مضرط الحجارة الملك وهند أمه وأبوه المنذر بن امرئ القيس بن النعمان بن امرئ القيس البدن بن عمرو بن امرئ القيس البدن ابن عمرو بن عدي بن نصر اللخمي. هكذا نسبه ابن الكلبي وأبو سعيد السكري. وقال أبو عبيدة والمدائني: هو عمرو بن المنذر بن امرئ القيس ابن عمرو بن عدي بن نصر وأمه كهند بنت الحارث بن عمرو بن حجر آكل المرار الكندي ملك اليمن غلبت على اسم أبيه فنسب إليها وهي عمة امرئ القيس ابن حجر الشاعر وأبوه المنذر بن ماء السماء وهي بنت عوف بن جشم بن
হ্যাঁ, আমরাই এর অধিকারী ছিলাম, অতঃপর কালের পরিক্রমা এবং অমঙ্গলজনক ভাগ্য আমাদের ধ্বংস করেছে।

বলা হয় যে, তাঁর আয়ু দীর্ঘ হয়েছিল এবং তিনি ইসলাম পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন এবং বলেছিলেন:

হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের প্রাসাদের দিকে চলো, পাছে এমন একদিন আসে যেদিন তোমরা আর চলতে পারবে না।

আমরাও তোমাদের মতোই মানুষ ছিলাম, কিন্তু মহাকাল তোমাদের পরিবর্তন করে দিয়েছে; শীঘ্রই তোমরা আমাদের মতোই হয়ে যাবে।

আমর ইবন আদি ইবন নাসর আল-লাখমি; তিনি হলেন আমর ইবন আদি ইবন নাসর ইবন রাবিআ ইবন মালিক ইবন আল-হারিস ইবন আমর ইবন নামারা ইবন লাখম। আবু উবায়দাহ বলেন: এটি ইয়েমেনিদের প্রদত্ত বংশপরম্পরা। আর আমাদের আলিমগণ যা বলেন তা হলো: নাসর ইবন আস-সাতিরুন ইবন আসাইতিরুন, যিনি হাযার এর রাজা ছিলেন। তিনি ছিলেন মোসলের বাজেরমি পল্লীর জুরমাকানিয়া অঞ্চলের অধিবাসী। আমর ছিলেন হিরার প্রথম রাজা, তিনি তাঁর মামা জাযিমা আল-আবরাশের পর রাজত্ব করেন। আমরই ছিলেন যাব্বা-এর হত্যাকারী, যার নাম ছিল নাইলা বিনতে আমর ইবন যারব, যিনি আমালিকা বংশোদ্ভূত। আমর ছিলেন হিরার সকল রাজাদের আদি পিতা, যাঁদের সর্বশেষ ছিলেন নুমান ইবনুল মুনযির, যাকে কিসরা হত্যা করেছিলেন এবং ইয়াস ইবন কুবাইসা হিরার শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন। আমর ছিলেন হিরার সকল রাজাদের আদি পিতা, যাঁদের সর্বশেষ ছিলেন নুমান ইবনুল মুনযির, যাকে কিসরা হত্যা করেছিলেন এবং ইয়াস ইবন কুবাইসা হিরার শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন। আমর শৈশবে তাঁর মামা জাযিমার উদ্দেশ্যে একটি কথা বলেছিলেন—যখন জাযিমা বাইরে বের হলেন, তখন আমর এবং জাযিমার সেবকদের সন্তানরা তাঁর সাথে এগিয়ে এলো। তারা মাশরুম সংগ্রহ করছিল। অন্য বালকরা যা সংগ্রহ করছিল তার মধ্য থেকে ভালো অংশগুলো নিজেরা খেয়ে ফেলত এবং জাযিমাকে নিকৃষ্ট অংশগুলো দিত। কিন্তু আমর যা সংগ্রহ করতেন তা অবিকল জাযিমাকে দিতেন এবং নিজে কিছুই খেতেন না। তিনি বলতেন:

এটি আমার সংগৃহীত ফল এবং এর শ্রেষ্ঠ অংশ এর ভেতরেই আছে; যখন কোনো সংগ্রহকারী তার হাত নিজের মুখের দিকে নিয়ে যায়।

আলী ইবন আবু তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বায়তুল মালের সম্পদ বণ্টন করার সময় এই কবিতাটি উদাহরণ হিসেবে পেশ করতেন। মুফাদ্দালের বর্ণনামতে আমর আরও বলেছিলেন:

হে উম্মে আমর! তুমি কি আমাদের থেকে পেয়ালা সরিয়ে নিলে? অথচ পেয়ালা তো ডান দিক থেকেই আবর্তিত হওয়ার কথা ছিল।

হে উম্মে আমর! তোমার সেই সঙ্গীর চেয়ে আমরা তিনজনের মধ্যে কেউই অধম নই, যার সঙ্গ তুমি দিচ্ছ না।

আমর ইবন হিন্দ, যাকে পাথর বিদীর্ণকারী রাজা বলা হতো। হিন্দ ছিল তাঁর মায়ের নাম এবং তাঁর পিতা ছিলেন মুনযির ইবন ইমরুল কায়স ইবনুন নুমান ইবন ইমরুল কায়স আল-বাদান ইবন আমর ইবন ইমরুল কায়স আল-বাদান ইবন আমর ইবন আদি ইবন নাসর আল-লাখমি। ইবনুল কালবি এবং আবু সাঈদ আস-সুক্কারি এভাবেই তাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করেছেন। আবু উবায়দাহ এবং আল-মাদায়িনি বলেছেন: তিনি হলেন আমর ইবনুল মুনযির ইবন ইমরুল কায়স ইবন আমর ইবন আদি ইবন নাসর। তাঁর মা হিন্দ ছিলেন ইয়েমেনের রাজা হারিস ইবন আমর ইবন হুজর 'আকিলুল মুরার' আল-কিনদির কন্যা। মায়ের প্রভাব পিতার নামের ওপর জয়ী হওয়ায় তাঁকে মায়ের দিকেই সম্বন্ধ করা হয়। তিনি ছিলেন কবি ইমরুল কায়স ইবন হুজরের ফুফু। আর তাঁর পিতা ছিলেন মুনযির ইবন মাউস সামা। তিনি ছিলেন আউফ ইবন জুশাম ইবন... এর কন্যা।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٦)
هلال بن ربيعة بن زيد مناة بن الضحيان وهو عامر بن سعد بن الخزرج بن تيم مناة بن النمر بن قاسط وإنما سميت بماء السماء لحسنها، ولقب عمرو بن هند مضرط الحجارة لشدة ملكه وخشونته وقتله عمرو بن كلثوم التغلبي.

وعمرو بن هند هو الأكبر وهو محرق وهو القائل عند إيقاعه ببني تميم:

أبأنا بحسان فوارس دارم … فأبررت منهم ألوة لم تقطب

تحش لهم ناري كأن رؤوسهم … قنافذ في إضرامها تتقلب

وفت مائة من أهل دارم عنوة … ووفاهموها البرجمي المخيب

عمرو بن أمامة اللخمي وهو عمرو الأصغر وهو أخو عمرو بن هند وأبوهما المنذر بن امرئ القيس وأمه أمامة بنت سلمة بن الحارث الكندي عم امرئ القيس. مات أخوه المنذر بن المنذر بن امرئ القيس وكان ملك الحيرة وملك بعده أخوه عمرو الأكبر بن هند وهي عمة أمامة أم عمرو الأصغر فرد عمرو بن هند إلى أخيه لأبيه وأمه قابوس بن المنذر أمر البادية ولم يرد إلى عمرو بن أمامة شيئاً فقال ابن أمامة:

الابن أمك ما بدا … ولك الخورنق والسدير

فلأمنعن منابت … الضمر إذا منع القصور

بكتائب تردى كما … تردى إلى الجيف النسور

إنا بني العلات نق … ضي دون شاهدنا الأمور

ثم خرج مغاضباً لأخيه وقصد اليمن فأطاعته مراد وأقبل بها يقودها نحو العراق حتى إذا سار بها ليالي تلاومت مراد بينها وكرهت المسير معه وثار به المكشوح وهو هبيرة بن يغوث فقتله فلما أحيط به ضاربهم بسيفه حتى قتل وقال:

لقد عرفت الموت قبل ذوقه … إن الجبان حتفه من فوقه

كل امرئ مقاتل من طوقه … كالثور يحمي جلده بروقه

تمثل بهذا عامر بن فهيرة الشهيد رحمه الله يوم بئر معونة حين هاجروا إلى المدينة فأجتووها عمرو بن الحارث بن عمرو الملك أبو شرحبيل الكندي قال محمد ابن داود قال يرثي شراحيل بن الحارث المقتول بالكلاب وقتلته تغلب:

إن جنبي عن الفراش لناب … كتجافي الأسر فوق الظراب

وهي أبيات تروى لأخيه معدي كرب بن الحارث وهو الصحيح.

عمرو بن حني التغلبي فارس جاهلي مذكور. يقول في قتلهم عمرو بن
হিলাল ইবনে রাবিআ ইবনে যায়িদ মানাত ইবনে আদ-দাহইয়ান, যিনি আমের ইবনে সাদ ইবনে আল-খাজরাজ ইবনে তাইম মানাত ইবনে আন-নামির ইবনে কাসিত। মূলত সৌন্দর্যের কারণে তাকে আকাশের পানি (মা-উস সামা) নামে অভিহিত করা হতো। আমর ইবনে হিন্দের উপাধি ছিল 'পাথর বিদীর্ণকারী' (মুদাররিতুল হিজারা), যা তার রাজত্বের কঠোরতা ও নিষ্ঠুরতার কারণে হয়েছিল; এবং আমর ইবনে কুলসুম আত-তাগলিবি তাকে হত্যা করেছিলেন।

আমর ইবনে হিন্দ ছিলেন জ্যেষ্ঠ এবং তিনি ছিলেন অগ্নিদাহক (মুহাররিক)। বনু তামিমে আক্রমণ করার সময় তিনি বলেছিলেন:

আমরা হাসসানের বিনিময়ে দারিমের অশ্বারোহীদের পাকড়াও করেছি … ফলে আমি তাদের ব্যাপারে এমন এক শপথ পূর্ণ করেছি যা ভঙ্গ হয়নি।

তাদের জন্য আমার আগুন প্রজ্বলিত করা হচ্ছে যেন তাদের মাথাগুলো … সেই অগ্নিকুণ্ডে উল্টে-পাল্টে যাওয়া সজারু।

দারিমের একশ ব্যক্তিকে জোরপূর্বক পূর্ণ করা হয়েছে … আর বঞ্চিত বুর্জামি তাদের সংখ্যা পূর্ণ করে দিয়েছিল।

আমর ইবনে উমামা আল-লাখমি হলেন কনিষ্ঠ আমর এবং তিনি আমর ইবনে হিন্দের ভাই। তাদের পিতা ছিলেন আল-মুনজির ইবনে ইমরুল কায়েস এবং তাদের মাতা ছিলেন উমামা বিনতে সালামা ইবনে আল-হারিস আল-কিন্দি, যিনি ইমরুল কায়েসের চাচা ছিলেন। তার ভাই আল-মুনজির ইবনে আল-মুনজির ইবনে ইমরুল কায়েস মৃত্যুবরণ করেন, যিনি হিরার রাজা ছিলেন। তার পর তার ভাই জ্যেষ্ঠ আমর ইবনে হিন্দ রাজত্ব গ্রহণ করেন। তিনি হলেন কনিষ্ঠ আমরের মা উমামার ফুফু। আমর ইবনে হিন্দ তার সহোদর ভাই কাবুস ইবনে আল-মুনজিরকে মরুঅঞ্চলের দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আমর ইবনে উমামাকে কিছুই দেননি। তখন ইবনে উমামা বললেন:

তোমার মায়ের সন্তানের জন্য যা বরাদ্দ হয়েছে তা-ই থাক … আর তোমার জন্য রইল খাওয়ারনাক ও সাদির প্রাসাদ।

অবশ্যই আমি আদ-দামরের চারণভূমি রক্ষা করব … যখন রাজপ্রাসাদগুলো অবরুদ্ধ থাকবে।

এমন এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে যারা ঝাঁপিয়ে পড়ে … যেমন মৃতদেহের ওপর শকুনরা ঝাঁপিয়ে পড়ে।

আমরা বৈমাত্রেয় ভাইয়েরা … অনুপস্থিতিতেও আমরা সব বিষয়ের ফয়সালা করি।

অতঃপর তিনি তার ভাইয়ের ওপর ক্রুদ্ধ হয়ে বেরিয়ে পড়লেন এবং ইয়েমেনের দিকে যাত্রা করলেন। মুরাদ গোত্র তার আনুগত্য করল এবং তিনি তাদের ইরাকের দিকে পরিচালিত করলেন। যখন তিনি তাদের নিয়ে কয়েক রাত চললেন, তখন মুরাদ গোত্র নিজেদের মধ্যে একে অপরকে দোষারোপ করতে লাগল এবং তার সাথে চলা অপছন্দ করল। আল-মাকশুহ—যিনি হুবায়রা ইবনে ইয়াগুস—তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাকে হত্যা করলেন। যখন তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হলো, তখন তিনি নিহত হওয়া পর্যন্ত তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধ করতে থাকলেন এবং বললেন:

আমি আস্বাদনের আগেই মৃত্যুকে চিনেছি … নিশ্চয়ই ভীরু ব্যক্তির মৃত্যু তার ওপর থেকেই আসে।

প্রত্যেক ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী যুদ্ধ করে … যেমন ষাঁড় তার শিং দিয়ে নিজের চামড়া রক্ষা করে।

শহীদ আমের ইবনে ফুহাইরা (রাহিমাহুল্লাহ) বীর মাউনার দিনে এই কবিতার উদাহরণ দিয়েছিলেন যখন তারা মদিনায় হিজরত করেছিলেন এবং সেখানকার আবহাওয়া তাদের অনুকূল ছিল না। আমর ইবনে আল-হারিস ইবনে আমর আল-মালিক আবু শারাহবিল আল-কিন্দি; মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ বলেন, তিনি কিলাবের যুদ্ধে নিহত শারাহবিল ইবনে আল-হারিসের শোকগাথা বর্ণনা করছিলেন, যাকে তাগলিব গোত্র হত্যা করেছিল:

নিশ্চয়ই শয্যা থেকে আমার পার্শ্বদেশ দূরে সরে যাচ্ছে … যেমন পাথুরে টিলার ওপর বন্দীর পিঠ তফাতে থাকে।

এই পঙক্তিগুলো আসলে তার ভাই মা'দিকারিব ইবনে আল-হারিসের বলে বর্ণিত হয়েছে এবং এটিই সঠিক।

আমর ইবনে হানি আত-তাগলিবি একজন সুপরিচিত জাহেলি অশ্বারোহী বীর। আমর ইবনে-এর হত্যার ব্যাপারে তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٧)
هند في رواية محمد بن داود:

نعاطي الملوك الحق ما قصدوا بنا … وليس علينا قتلهم بمحرم

أنفت لهم من عقل عمرو بن مرثد … إذا وردوا ماء ورمح ابن هرثم

وكنا إذا الجبار صعر خده … أقمنا له من ميله فتقوم

قال يريد: فتقوم أنت. وهذا البيت يروى من قصيدة المتلمس التي أولها:

يعيرني أمي رجال ولن ترى … أخا كرم إلا بأن يتكرما

وبعده البيت وآخره: أقمنا من ميله فتقوما. وأبو عبيدة وغيره يروون هذه الأبيات لجابر بن حني التغلبي.

عمرو بن مرثد بن سعد بن مالك بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة. هو المشهور بكرم الأولاد السادة الفرسان وفيه يقول طرفة بن العبد:

فلو شاء ربي كنت قيس بن خالد … ولو شاء ربي كنت عمرو بن مرثد

يريد قيس بن خالد بن ذي الجدين

فأصبحت ذا مال كثير وزارني … بنون كرام سادة لمسود

ومن قول عمرو:

لعمر أبيك ما مالي بنحل … ولا طهف يطير به الغبار

الطهف طعام يشبه الذرة وقال كيسان هو التبن. ويروى له وقيل هي لجده سعد بن مالك:

يا بؤس للحرب التي … وضعت أراهط فاستراحوا

وله يمدح الأحوص بن جعفر بن كلاب العامري واسم الأحوص ربيعة

أتاها من الأنباء أن ابن جعفر … ربيعة لم يخضر خضارة ملبد

أجادت به إحدى غني لجعفر … إذا طرقت إحدى الليالي بمربد

ذو الكف الأشل واسمه عمرو بن عبد الله بن حنيف بن ثعلبة بن سعد بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة يكنى أبا جلان. فارس شاعر جاهلي يقول في فرسه:

أمن دعة شهرين عض رباطه … ونازع أطراف الجلال المزرر

فأبشر برب لا تعرى جياده … وحرب تلظى كالحريق المسعر

وله في توعداته بني حنيفة:

حنيفة مهلاً تنذرون دماءنا … على أن تقيلانا قتيلا بني أسد
মুহাম্মদ বিন দাউদের বর্ণনায় হিন্দ:

আমরা রাজাদের প্রাপ্য অধিকার প্রদান করি যতক্ষণ তারা আমাদের প্রতি ন্যায়বিচার পোষণ করে … আর তাদের হত্যা করা আমাদের জন্য হারাম কিছু নয়

আমি তাদের জন্য আমর বিন মারসাদের দিয়ত গ্রহণ করাকে লজ্জাজনক মনে করেছি … যখন তারা জলাশয়ে উপনীত হলো এবং ইবনে হারসামের বর্শার সম্মুখীন হলো

আর যখনই কোনো স্বৈরাচারী অহংকারে তার গাল বাঁকা করত … আমরা তার বক্রতাকে সংশোধন করে দিতাম এবং সে সোজা হয়ে যেত

তিনি বললেন, এর অর্থ হলো: তুমি সোজা হও। এই পঙক্তিটি মুতালাম্মিসের সেই কাসিদা থেকে বর্ণিত যার শুরু হলো:

কিছু লোক আমার মায়ের কারণে আমাকে লজ্জিত করে, অথচ তুমি কোনো মহান ব্যক্তিকে উদারতা প্রদর্শন ছাড়া দেখতে পাবে না

এর পরের পঙক্তিটির শেষ অংশ হলো: আমরা তার বক্রতাকে সংশোধন করেছি ফলে তা সোজা হয়ে গেছে। আবু উবায়দাহ এবং অন্যান্যরা এই পঙক্তিগুলোকে জাবির বিন হুনি আল-তাগলিবি-র বলে বর্ণনা করেছেন।

আমর বিন মারসাদ বিন সাদ বিন মালিক বিন দুবাইয়াহ বিন কায়স বিন সা'লাবাহ। তিনি তাঁর মহান ও অশ্বারোহী সন্তানদের উদারতার জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং তাঁর সম্পর্কে তারাফাহ বিন আল-আবদ বলেন:

আমার প্রতিপালক যদি চাইতেন তবে আমি কায়স বিন খালিদ হতাম … আর আমার প্রতিপালক যদি চাইতেন তবে আমি হতাম আমর বিন মারসাদ

তিনি কায়স বিন খালিদ বিন যুল জাদ্দাইনকে বুঝিয়েছেন

অতঃপর আমি অঢেল সম্পদের অধিকারী হলাম এবং আমাকে দেখতে এলো … মহান ও শ্রেষ্ঠ সন্তানরা যারা অন্যদের নেতৃত্ব দানকারী

এবং আমরের উক্তি থেকে:

তোমার পিতার কসম, আমার সম্পদ নিছক খেজুর বাগান নয় … আর তা এমন কোনো শস্য (তাহফ) নয় যাকে ধুলাবালি উড়িয়ে নিয়ে যায়

'তাহফ' হলো ভুট্টার মতো এক প্রকার খাদ্য এবং কায়সান বলেছেন এটি হলো খড়। এটি তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণিত হয়েছে, আবার কেউ বলেছেন এটি তাঁর দাদা সাদ বিন মালিকের কবিতা:

হায় আফসোস সেই যুদ্ধের জন্য যা … একদল মানুষকে ধরাশায়ী করেছে, অতঃপর তারা চিরশান্তি লাভ করেছে

আহওয়াস বিন জাফর বিন কিলাব আল-আমিরিকে প্রশংসা করে তাঁর আরও পঙক্তি রয়েছে, আর আহওয়াসের নাম ছিল রাবিয়াহ

তার কাছে এই সংবাদ পৌঁছাল যে ইবনে জাফর … রাবিয়াহ, কোনো ঘন ঘাস বা উদ্ভিদের ন্যায় ম্লান হয়ে যাননি

গানি গোত্রের এক নারী জাফরের জন্য তাকে উত্তমভাবে জন্ম দিয়েছিলেন … যখন কোনো এক রাতে মিরবাদে বিপদ ঘনিয়ে এসেছিল

যুল কাফ আল-আশাল (অবশ হাতের অধিকারী), তাঁর নাম ছিল আমর বিন আব্দুল্লাহ বিন হানিফ বিন সা'লাবাহ বিন সাদ বিন দুবাইয়াহ বিন কায়স বিন সা'লাবাহ, তাঁর উপনাম ছিল আবু জালান। তিনি ছিলেন জাহেলি যুগের একজন অশ্বারোহী কবি, তিনি তাঁর ঘোড়া সম্পর্কে বলেন:

দুই মাসের আরামের কারণেই কি সে তার বন্ধনীতে কামড় দিল … এবং বোতাম লাগানো জিনের কাপড়ের প্রান্তগুলো ধরে টানাটানি করল

সুতরাং এমন এক প্রতিপালকের সুসংবাদ গ্রহণ করো যার অশ্বরাজি কখনো রিক্ত থাকে না … এবং এমন এক যুদ্ধের যা প্রজ্বলিত আগুনের ন্যায় লেলিহান হয়ে ওঠে

বনু হানিফাকে হুমকি দিয়ে তাঁর আরও পঙক্তি রয়েছে:

হে বনু হানিফা, থামো! তোমরা কি আমাদের রক্ত ঝরানোর হুমকি দিচ্ছ … এই কারণে যে আমরা বনু আসাদের দুই ব্যক্তিকে হত্যা করেছি?
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٨)
ونحن مصادير الطعان إذا دعا … ضبيعة داعيها أسنتها قصد

إذا الخيل خامت واقشعرت جلودها … بسير فيغشاها الأسنة بالقدد

سيمنع آخرى الحق منكم فوارس … إذا فزعوا لم يشددوا حزم البرد

ابن زيابة واسمه عمرو بن الحارث بن همام وهو من بني تيم الله بن ثعلبة وقيل اسمه سلمة بن ذهل وهو جاهلي وقيل ابن زبابة والزبابة فأرة من فئران الحرة وله يقول الحارث بن همام:

أيا ابن زيابة أن تلقني … لا تلقني في النعم العازب

أي لا تلقني فيها راعيا

وتلقني يشتد بي أجرد … مستقدم البركة كالراكب

أجابه بن زيابة:

يا لهف زيابة للحارث الص؟ … ابح فالغانم فالآيب

والله لو لاقيته خالياً … لآب سيفانا مع الغالب

أنا ابن زبابة إن تدعني … آتك والظن على الكاذب

وله في رواية ابن الأعرابي:

نبئت لأياً عارضاً رمحه … في سنة يوعد أخواله

وتلك منه غير مأمونة … أن يفعل الشيء إذا قاله

إني وأخوالي بني عائش … كالليث إذ يمنع أشباله

إنك يا عمرو وترك الندى … كعبد إذ قيد أجماله

عمرو بن معديكرب بن ربيعة بن عبد الله بن عصم بن عمرو بن زبيد وهو منبه بن سلمة بن مازن بن ربيعة بن منبه بن صعب بن سعد العشيرة بن مالك وهو مذحج بن أزد بن أدد بن زيد بن كهلان بن سبأ بن يشجب بن يعرب بن قحطان وعمرو يكنى أبا ثور وأصيبت عينه يوم اليرموك وهو من فحول الفرسان والشعراء. وروى أبو عمرو بن العلاء أنه قال لا نفضل على عمرو فارساً في العرب. وهو مخضرم أسلم في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ارتد مع مرتدي اليمن وحارب عمال رسول الله صلى الله عليه وسلم باليمن ثم عاد إلى الإسلام وشهد الفتوح وحسن بلاؤه فيها. وكان معروفاً بالكذب فيما يخبر به من وقائعه مع العرب وهو القائل:
আমরাই সেই বল্লম চালনাকারীদের প্রত্যাবর্তনস্থল যখন দাবিয়া-র আহ্বানকারী আহ্বান জানায়; তখন তাদের বর্শাগুলো সোজা হয়।

যখন ঘোড়াগুলো ভীত হয়ে পিছিয়ে যায় এবং তাদের চামড়া রোমাঞ্চিত হয়, দ্রুত চলন্ত অবস্থায় তখন বর্শাগুলো চামড়ার ফালি দিয়ে তাদের ঘিরে ধরে।

তোমাদের কাছ থেকে সত্যের অধিকার পুনরুদ্ধার করবে এমন সব অশ্বারোহীরা, যারা ভীত হলে কাপড়ের গাঁট শক্ত করে বাঁধে না।

ইবনে জিয়াবাহ, তার নাম হলো আমর ইবনুল হারিস ইবনে হাম্মাম। তিনি বনু তাইমুল্লাহ ইবনে সা'লাবা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। বলা হয় তার নাম সালামাহ ইবনে জুহাল এবং তিনি জাহেলি যুগের ব্যক্তি ছিলেন। আরও বলা হয় যে তাকে ইবনে জুবাবাহ বলা হতো; জুবাবাহ হলো হুররা অঞ্চলের এক প্রকারের ইঁদুর। তার উদ্দেশ্যেই হারিস ইবনে হাম্মাম বলেন:

হে ইবনে জিয়াবাহ! তুমি যদি আমার সাক্ষাৎ পাও, তবে গবাদিপশুর পালের মাঝে রাখা রাখাল হিসেবে আমাকে পাবে না।

অর্থাৎ তুমি আমাকে সেখানে মেষপালক হিসেবে পাবে না।

বরং তুমি আমাকে পাবে এমন এক শক্তিশালী তেজি ঘোড়ার পিঠে, যা সওয়ারীর মতো করে তার বক্ষকে সামনে এগিয়ে দেয়।

ইবনে জিয়াবাহ তাকে উত্তর দিলেন:

হায়! জিয়াবাহর আক্ষেপ হারিস আস-সাবিহ-এর জন্য, যে গনীমত লাভ করে এবং ফিরে আসে।

আল্লাহর কসম, যদি নির্জনে তার সাথে আমার দেখা হতো, তবে আমাদের উভয়ের তলোয়ার বিজয়ী হয়েই ফিরে আসত।

আমি জুবাবাহর পুত্র, তুমি যদি আমাকে আহ্বান করো, আমি তোমার কাছে আসবই; আর ধারণা মিথ্যাবাদীর ওপরই বর্তায়।

ইবনুল আরাবির বর্ণনায় তার সম্পর্কে এসেছে:

আমাকে জানানো হয়েছে যে লা'য় নামক ব্যক্তি তার বর্শা আড়াআড়িভাবে ধরে রেখেছে এমন এক বছরে যখন সে তার মামাদের হুমকি দিচ্ছে।

তার পক্ষ থেকে এটা নিরাপদ নয় যে, সে যা বলে তা করে দেখাবে।

আমি এবং আমার মামারা অর্থাৎ বনু আইশ যেন সেই সিংহের মতো, যে তার শাবকদের রক্ষা করে।

হে আমর! তোমার দানশীলতা ত্যাগ করাটা ঠিক সেই দাসের মতো, যে তার উটগুলোকে বেঁধে রাখে।

আমর ইবনে মা'দিকারিব ইবনে রাবিআ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আসম ইবনে আমর ইবনে জুবাইদ। জুবাইদ হলেন মুনাব্বিহ ইবনে সালামাহ ইবনে মাজিন ইবনে রাবিআ ইবনে মুনাব্বিহ ইবনে সা'ব ইবনে সা'দ আল-আশিরা ইবনে মালিক। আর মালিক হলেন মাজহিজ ইবনে আসাদ ইবনে আদাদ ইবনে যায়েদ ইবনে কাহলান ইবনে সাবা ইবনে ইয়াশজুব ইবনে ইয়ারুব ইবনে কাহতান। আমরের উপনাম ছিল আবু সাওর। ইয়ারমুকের যুদ্ধে তার চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল। তিনি ছিলেন বীর যোদ্ধাদের ও কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আবু আমর ইবনুল আলা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আরবদের মধ্যে আমরা আমরের ওপর অন্য কোনো অশ্বারোহীকে প্রাধান্য দিই না। তিনি ছিলেন মুখাজরাম। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ইসলাম গ্রহণ করেন, এরপর ইয়েমেনের মুরতাদদের সাথে ধর্মত্যাগী হন এবং ইয়েমেনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিযুক্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। পরবর্তীতে তিনি পুনরায় ইসলামে ফিরে আসেন এবং বিভিন্ন বিজয় অভিযানে অংশ নিয়ে বীরত্ব প্রদর্শন করেন। আরবদের সাথে তার যুদ্ধের কাহিনী বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٠٩)
إذا لم تستطع شيئاً فدعه … وجاوزه إلى ما تستطيع

ويروى أن أبا بكر رضي الله عنه استنشد عمرو بن معدي كرب وقال أنت أول من سألته في الإسلام. ومات عمرو بالفالج في زمن عثمان بن عفان وخرج يريد الري فمات بروذة وجاوز المائة سنة يقال بعشرين ويقال بخمسين. وهو القائل لقيس بن المكشوح المرادي:

أريد حياته ويريد قتلي … عذيرك من خليلك من مراد

وتمثل به علي بن أبي طالب رضي الله عنه لما رأى عبد الرحمن بن ملجم المرادي. وله:

أعاذل شكتي بدني ورمحي … وكل مقلص سلس القياد

الشكة السلاح والبدن: الدرع، والمقلس المشمر يعني الفرس

أعاذل إنما أفنى شبابي … ركوبي في الصريخ إلى المنادي

ويبقى بعد حلم القوم حلمي … ويفنى قبل زاد القوم زادي

وله:

ظللت كأني للرماح دريئة … أقاتل عن أحساب جرم وفرت

وجاشت إلي النفس أول مرة … فردت إلى مكروهها فاستقرت

عمرو بن حممة بن رافع بن الحارث الدوسي من الأزد أحد حكام العرب في الجاهلية وأحد المعمرين يقال إنه عاش ثلاثمائة وتسعين سنة ويقال إنه هو ذو الحلم الذي ضرب به العرب المثل الحارث بن وعلة الذهلي

وزعمت أنا لا حلوم لنا … إن العصا قرعت لذي الحلم

وقال الفرزدق:

وإن أعف استبقى حلوم مجاشع … فإن العصا كانت لذي الحلم تقرع

وقال آخر:

لذي الحلم قبل اليوم ما تقرع العصا … وما علم الإنسان إلا ليعلما

وعمرو هو القائل:

كبرت وطال العمر مني كأنني … سليم أفاع ليله غير مودع

فما القسم أبلاني ولكن تتابعت … علي سنون من مصيف ومربع

ثلاث مئين من السنين كوامل … وها أنا هذا أرتجي مر أربع

فأصبحت بين الفخ في العش ثاوياً … إذا رام تطياراً يقال له قع

أخبر أخبار السنين التي مضت … ولا بد يوماً أن يطار بمصرعي

عمرو بن عبد الجن التنوخي جاهلي قديم خلف على ملك جذيمة الأبرش بعد قتله فنازعه عمرو بن عدي اللخمي وهو ابن أخت جذيمة وعليه ولي الأمر، وفي
যদি তুমি কোনো কিছু করতে না পারো, তবে তা ছেড়ে দাও … এবং যা তুমি করতে পারো সেদিকে অগ্রসর হও।

বর্ণিত আছে যে, আবু বকর (রা.) আমর বিন মাদিকারিবকে কবিতা আবৃত্তি করতে বলেন এবং বলেন, "ইসলাম গ্রহণ করার পর তুমিই প্রথম ব্যক্তি যার কাছে আমি কবিতা আবৃত্তি করার অনুরোধ করেছি।" আমর (রা.) উসমান বিন আফফানের (রা.) শাসনামলে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রাই শহরের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন এবং রুজাহ নামক স্থানে ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স একশ বছর অতিক্রম করেছিল; বলা হয় একশ বিশ বছর, আবার বলা হয় একশ পঞ্চাশ বছর। তিনিই কায়েস বিন মাকশুহ আল-মুরাদির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন:

আমি তার জীবন চাই আর সে চায় আমাকে হত্যা করতে … মুরাদ গোত্রের তোমার বন্ধুর পক্ষ থেকে তোমার ওজর গ্রহণ করা হোক।

আলী বিন আবি তালিব (রা.) যখন আব্দুর রহমান বিন মুলজিম আল-মুরাদিকে দেখেন, তখন এই কবিতাটি দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করেছিলেন। তাঁর (আমরের) আরও কবিতা রয়েছে:

হে তিরস্কারকারী! আমার যুদ্ধ সরঞ্জাম, বর্ম ও বর্শা প্রস্তুত … এবং প্রতিটি ক্ষিপ্রগতি ও অনুগত ঘোড়া (প্রস্তুত)।

'শেক্কাহ' অর্থ অস্ত্র, 'বদন' অর্থ বর্ম, আর 'মুকাল্লিস' অর্থ সুগঠিত ও চটপটে অর্থাৎ ঘোড়া।

হে তিরস্কারকারী! নিশ্চয়ই সাহায্যের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমার অশ্বারোহণই আমার যৌবনকে নিঃশেষ করেছে …

মানুষের সহনশীলতা শেষ হওয়ার পরও আমার সহনশীলতা অবশিষ্ট থাকে … অথচ তাদের পাথেয় শেষ হওয়ার আগেই আমার পাথেয় ফুরিয়ে যায়।

তাঁর আরও কবিতা:

আমি যেন বর্শার লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম … আমি জারম গোত্রের সম্মানের জন্য লড়াই করি যারা পালিয়ে গিয়েছিল।

প্রথমবার আমার মন লড়াইয়ের আশঙ্কায় চঞ্চল হয়ে উঠেছিল … অতঃপর তাকে তার অপছন্দনীয় কাজের (যুদ্ধের) দিকে ফিরিয়ে আনা হলো এবং সে স্থির হলো।

আমর বিন হুমামাহ বিন রাফে বিন হারিস আদ-দুসি আল-আজদি। তিনি জাহিলী যুগের আরবদের অন্যতম বিচারক এবং দীর্ঘায়ু ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। বলা হয় যে, তিনি তিনশ নব্বই বছর জীবিত ছিলেন। আরও বলা হয় যে, তিনিই সেই প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি যাকে নিয়ে আরবরা প্রবাদ বাক্য তৈরি করেছে। হারিস বিন ওয়ালাহ আদ-যুহলি বলেন:

তুমি ধারণা করেছ যে আমাদের কোনো প্রজ্ঞা নেই … অথচ প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির জন্যই লাঠি দিয়ে সংকেত দেওয়া হয়েছিল।

আল-ফারাজদাক বলেন:

যদি আমি ক্ষমা করি তবে মুজাশে গোত্রের প্রজ্ঞাকেই রক্ষা করব … কেননা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির জন্যই লাঠি দিয়ে সংকেত দেওয়া হতো।

অন্য একজন কবি বলেন:

আজকের দিনের আগেও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির জন্য লাঠি দিয়ে সংকেত দেওয়া হতো … আর মানুষ তো কেবল জানার জন্যই শিক্ষা গ্রহণ করে।

এবং আমরই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:

আমি বৃদ্ধ হয়েছি এবং আমার আয়ু দীর্ঘ হয়েছে, যেন আমি … সাপে দংশিত এক ব্যক্তি যার দীর্ঘ রাত শেষ হয় না।

শপথ আমাকে জীর্ণ করেনি, বরং গ্রীষ্ম ও বসন্তের … বছরের পর বছরগুলো একের পর এক আমার ওপর দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে।

পূর্ণ তিনশ বছর অতিবাহিত হয়েছে … আর এই তো আমি, চতুর্থ শতকের অতিবাহনের অপেক্ষায় আছি।

এখন আমি বাসার খাঁচায় আটকা পড়া এক পাখির মতো হয়ে গেছি … যে যখনই উড়তে চায়, তাকে বলা হয় ‘বসে থাকো’।

আমি বিগত বছরগুলোর সংবাদ দিচ্ছি … আর একদিন অবশ্যই আমার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়বে।

আমর বিন আবদিল জিন আত-তানুখি। তিনি প্রাচীন জাহিলী যুগের ব্যক্তি। জুযাইমাহ আল-আবরাশ নিহত হওয়ার পর তিনি তাঁর রাজত্বের স্থলাভিষিক্ত হন। অতঃপর জুযাইমাহর ভাগ্নে আমর বিন আদি আল-লাখমি তাঁর সাথে বিরোধে লিপ্ত হন এবং শাসনভার গ্রহণ করেন। এবং...
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٠)
ذلك يقول عمرو بن عدي:

دعوت ابن عبد الجن للسلم بعدما … تتابع في غرب السفاه وكلسما

فلما ارعوى عن صدنا باغترابه … مريت هواه مري أخ أو ابن ما

فقال ابن عبد الجن:

أما ودماء مائرات تخالها … على قلة العزى أو النسر عندما

وما قدس الرهبان في كل هيكل … أبيل أبيلين عيسى بن مريما

عمر بن عمرو بن عدس بن زيد بن عبد الله بن دارم التميمي يكنى أربد أخو لبيد بن ربيعة الشاعر لأمه واسم أربد عمرو بن زهير بن جذيمة بن جزء بن خالد بن جعفر. وفد أربد مع عامر بن الطفيل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليهما فأرسل الله على أربد في طريقه صاعقة فأحرقته ورثاه لبيد بقصيدته التي يقول فيها:

أخشى على أربد الحتوف … ولا أخاف نوء السماك والأسد

ومات عامر بن الطفيل في طريقه منصرفاً بالغدة وسمي أربد بقوله:

قل لقريش تبلغوا رأس حية … تدلى عليهم من تهامة أربد

أبا شريح جاهلي قديم يقول لدختنوس بنت لقيط بن زرارة وقتل أبوها يوم الشعب:

يا ليت شعري عنك دختنوس إذا … أتاها الخبر المرموس

أتحلق القرون أم تميس لا … بل تميس إنها عروس

وكان عمرو أبرص وله يقول جرير:

هل تعرفون على ثنية أقرن … أنس الفوارس يوم شل الأسلع

الأسلع عمرو بن عمرو وأنس الفوارس هو أنس بن زياد العبسي وهو قاتل عمرو بن عمرو.

أشعر الرقبان الأسدي اسمه عمرو بن حارثة بن ناشب بن سلامة بن الحارث بن سعد بن مالك بن ثعلبة بن دودان بن أسد. وقيل هو من بني سوادة بن الحارث بن سعد بن مالك بن ثعلبة. قتل عمرو بن هند أخاه فسرق ابنين له فذبحهما وقال:

إنا كذلك كان عادتنا … لم نغض من ملك على وتر

ونزل برضوان الأسدي فلم يقره فقال أشعر الرقبان:

تجانف رضوان عن ضيفه … ألم تأت رضوان مني النذر

وقد علم المعشر الطارقون … بأنك للضيف جوع وقر
এ সম্পর্কে আমর ইবনে আদি বলেন:

আমি ইবনে আবদিল জিনকে শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলাম যখন সে … মূর্খতার পথে অবিরাম চলতে থাকে এবং সত্য গোপন করে।

অতঃপর যখন সে তার বিমুখতা ও পরবাস থেকে ফিরে এল … আমি তার আকাঙ্ক্ষাকে এমনভাবে সিক্ত করলাম যেভাবে একজন ভাই বা মা তার সন্তানের প্রতি করে।

তখন ইবনে আবদিল জিন বলল:

প্রবাহিত রক্তের কসম, তুমি সেগুলোকে মনে করবে … উজ্জা বা নাসর প্রতিমার চূড়ায় প্রবাহিত লাল রঙের মতো।

আর প্রতিটি গির্জায় সন্ন্যাসীদের পবিত্র জ্ঞান করা সেই মহান যাজক … যাজকদের যাজক ঈসা ইবনে মারিয়ামের কসম।

উমর ইবনে আমর ইবনে আদাস ইবনে যায়েদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দারিম আত-তামিমী, যার উপনাম আরবাদ। তিনি কবি লাবিদ ইবনে রাবিআ’র বৈমাত্রেয় ভাই। আরবাদ-এর আসল নাম ছিল আমর ইবনে যুহাইর ইবনে জাযীমা ইবনে জুয ইবনে খালিদ ইবনে জাফর। আরবাদ আমির ইবনে তুফাইলের সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দুজনের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন। ফলে আল্লাহ তাআলা আরবাদের ওপর তার পথিমধ্যে একটি বজ্রপাত প্রেরণ করেন যা তাকে পুড়িয়ে দেয়। লাবিদ তার সেই কবিতায় শোকগাথা গেয়েছেন যেখানে তিনি বলেন:

আমি আরবাদের ওপর মৃত্যুর ভয় পাই … কিন্তু আমি সিমাক ও আসাদ নক্ষত্রের উদয় নিয়ে ভয় পাই না।

এবং আমির ইবনে তুফাইল ফেরার পথে গণ্ডমালা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। আর আরবাদকে 'আরবাদ' নাম দেওয়ার কারণ তার এই উক্তি:

কুরাইশদের বলে দাও, তোমরা এক বিষধর সাপের মস্তক হতে সাবধান থেকো … যা তিহামা থেকে আরবাদ হয়ে তাদের ওপর ঝুলে আছে।

আবু শুরাইহ একজন প্রাচীন জাহেলী কবি। তিনি লাকীত ইবনে যুরারার কন্যা দুখতানূসকে উদ্দেশ্য করে বলেন—যার পিতা ইয়াওমুশ শা'ব-এর যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন:

হায়! আমি যদি দুখতানূস সম্পর্কে জানতাম যখন … তার কাছে সেই দাফনকৃত সংবাদটি পৌঁছাবে।

সে কি তার চুলের বেণী কেটে ফেলবে নাকি তা নাড়িয়ে গর্ব করবে? না … বরং সে তা নাড়িয়ে গর্বই করবে, কারণ সে একজন নববধূ।

আমর ধবল রোগে আক্রান্ত ছিলেন, তাকে উদ্দেশ্য করে জারীর বলেন:

তোমরা কি আকরান পাহাড়ের উপত্যকায় … আনাস আল-ফাওয়ারিসকে চেনো, যেদিন সে আসলা'কে তাড়িয়ে দিয়েছিল।

এখানে আসলা' হলেন আমর ইবনে আমর, আর আনাস আল-ফাওয়ারিস হলেন আনাস ইবনে যিয়াদ আল-আবাসি, যিনি আমর ইবনে আমরের হত্যাকারী।

আশআরুর রুকবান আল-আসাদী, যার নাম আমর ইবনে হারিসা ইবনে নাশিব ইবনে সালামাহ ইবনে হারিস ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে সালাবা ইবনে দাওদান ইবনে আসাদ। কেউ কেউ বলেন তিনি বনু সাওয়াদা ইবনে হারিস ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে সালাবা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। আমর ইবনে হিন্দ তার ভাইকে হত্যা করেছিলেন, ফলে তিনি তার (আমরের) দুই পুত্রকে চুরি করে নিয়ে জবাই করেন এবং বলেন:

আমাদের অভ্যাস এমনই ছিল … আমরা প্রতিশোধের বিষয়ে কোনো রাজার কাছে নতি স্বীকার করি না।

তিনি রিদওয়ান আল-আসাদীর নিকট অতিথি হিসেবে অবতরণ করেন কিন্তু সে তার মেহমানদারি করেনি, তখন আশআরুর রুকবান বলেন:

রিদওয়ান তার মেহমানের প্রতি বিমুখ হয়েছে … রিদওয়ানের কাছে কি আমার সতর্কবার্তা পৌঁছায়নি?

আর রাতে আগন্তুক দল জেনে গেছে যে … তুমি মেহমানের জন্য কেবল ক্ষুধা আর শীতের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই নও।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١١)
وأنت مليخ كلحم الحوار … فلا أنت حلو ولا أنت مر

إذا ما انتدى القوم لم تأتهم … كأنك قد ولدتك الحمر

ويقول: إذا جلس القوم في ناديهم لم تأتهم لئلا تسأل حاجة

ولكن رضوان من لؤمه … بخيل على كل خير وشر

أي يبخل بالخير أن يعطيه ويعجز عن الترة أن يطلبها أي ليس عنده خير ولا شر.

أبو المشمرج اليشكري عمرو بن المشمرج جاهلي. لما منعت بنو تميم النعمان بن المنذر الإتاوة فوجه إليهم أخاه الريان بن المنذر وجل من معه من بكر بن وائل فاستاق النعم وسبى الذراري فقال أبو المشمرح:

لما رأوا راية النعمان مقبلة … قالوا ألا ليت أدنى دارنا عدن

ياليت أم تميم لم تكن عرفت … مرأ وكانت كمن أودى به الزمن

إن تقتلوهم فأعيار مجدعة … أو تنعموا فقديماً منكم المنن

فأجابه النعمان بقوله:

لله بكر غداة الروع لو بهم … أرمى ذرى حضن زالت لهم حضن

إذ لا أرى أحداً في الناس يشبههم … إلا فوارس خامت عنهم المين

الأعلم اسمه عمرو بن مالك بن ضبيعة بن قيس بن ثعلبة جاهلي قديم. يقول في رواية ابن الأعرابي:

أتيت بني عمرو ورهطي فلم أجد … عليهم إذا اشتد الزمان معولا

ومن يفتقر في قومه يحمد الغنى … وإن كان فيهم ماجد العم مخولا

يمنون إن أعطوا ويبخل بعضهم … ويحسب عجزاً سكته إن تجملا

ويزري بعقل المرء قلة ماله … وإن كان أقوى من رجال وأحيلا

فإن الفتى ذا الحزم رام بنفسه … جواشن هذا الليل كي يتمولا

عمرو بن عدي الخصفي لقبه الكيذبان شاعر جاهلي وسمي الكيذبان لأنه لقيه جيش فقالوا من أنت فقال: أنا وأصحابي خرجنا لغارة. قالوا وكم أنتم قال إذا كنا ومثلنا ومثل نصفنا كنا كذا وكذا. فشغلهم بالحساب ومر على وجهه فأملس منهم فسمي الكيذبان.

عمرو بن بياضة النجاري جاهلي يقول لعبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف
তুমি উটের বাচ্চার মাংসের মতো বিস্বাদ … তুমি মিষ্টিও নও, আবার তিতকুটেও নও।

যখন লোকেরা মজলিসে সমবেত হয়, তখন তুমি তাদের কাছে আসো না … মনে হয় যেন তোমাকে কোনো গাধা প্রসব করেছে।

তিনি বলেন: যখন লোকেরা তাদের সভাস্থলে বসে, তখন তুমি তাদের কাছে আসো না যাতে তোমাকে কোনো প্রয়োজনের কথা না জিজ্ঞেস করা হয়।

কিন্তু রিদওয়ান তার নীচতার কারণে … কল্যাণ এবং অকল্যাণ—উভয় ক্ষেত্রেই কৃপণ।

অর্থাৎ সে কল্যাণ দান করতে কৃপণতা করে এবং প্রতিশোধ গ্রহণ করতে অক্ষমতা প্রকাশ করে, অর্থাৎ তার কাছে কোনো কল্যাণও নেই, আবার অকল্যাণও নেই।

আবু আল-মুশামরাজ আল-ইয়াশকারী, আমরো ইবনুল মুশামরাজ একজন জাহিলী কবি। যখন বনু তামীম নু'মান ইবনুল মুনযিরকে কর দিতে অস্বীকার করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে তার ভাই রাইয়ান ইবনুল মুনযিরকে পাঠালেন এবং তার সাথে বকর ইবনে ওয়ায়েলের এক বিশাল বাহিনী পাঠালেন। তারা গবাদিপশু তাড়িয়ে নিয়ে এল এবং সন্তানদের বন্দী করল। তখন আবু আল-মুশামরাজ বললেন:

যখন তারা নু'মানের পতাকাকে অগ্রসর হতে দেখল … তখন তারা বলল, হায়! আমাদের নিকটবর্তী আবাস যদি আদন হতো।

হায়! তামীমের মা যদি মুররকে না চিনতেন … এবং তিনি এমন হতেন যাকে কাল গ্রাস করে নিয়েছে।

তোমরা যদি তাদের হত্যা করো, তবে তারা কান-কাটা বুনো গাধা সদৃশ … আর যদি তোমরা অনুগ্রহ করো, তবে তোমাদের অনুগ্রহ তো দীর্ঘদিনের পুরনো।

অতঃপর নু'মান তাকে এই বলে উত্তর দিলেন:

আল্লাহর কসম বকর গোত্রের জন্য যুদ্ধের সকালে, যদি তাদের মাধ্যমে … আমি 'হুযন' পাহাড়ের চূড়াসমূহ লক্ষ্য করে আঘাত করতাম, তবে তাও চূর্ণ হয়ে যেত।

যেহেতু আমি মানুষের মাঝে তাদের সদৃশ কাউকে দেখি না … কেবল সেই অশ্বারোহীরা ছাড়া যাদের থেকে প্রবঞ্চনা দূরে থাকে।

আল-আ'লাম, তার নাম হলো আমরো ইবনে মালিক ইবনে দ্ববীআ ইবনে কায়েস ইবনে সা'লাবা, তিনি একজন প্রাচীন জাহিলী কবি। ইবনুল আরাবীর বর্ণনা মতে তিনি বলেন:

আমি বনু আমরো এবং আমার নিজ আত্মীয়দের কাছে এলাম, কিন্তু কঠিন সময়ে … তাদের উপর কোনো নির্ভরতা খুঁজে পেলাম না।

যে ব্যক্তি নিজ সম্প্রদায়ের মাঝে দরিদ্র হয়ে পড়ে, সে সচ্ছলতাকে সম্মান করে … যদিও তার চাচা ও মামারা তাদের মাঝে অত্যন্ত সম্মানিত হয়।

তারা যদি কিছু দান করে তবে খোঁটা দেয়, আর তাদের কেউ কেউ কৃপণতা করে … এবং সৌজন্যবশত সে চুপ থাকলে তারা সেটাকে তার অক্ষমতা মনে করে।

মানুষের সম্পদের স্বল্পতা তার বুদ্ধিকে খাটো করে দেয় … যদিও সে অন্য পুরুষদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী ও কৌশলী হয়।

নিশ্চয়ই দৃঢ়চেতা যুবক স্বয়ং এই রজনীর … অন্ধকার বুক চিরে ধাবিত হয় যাতে সে সম্পদশালী হতে পারে।

আমরো ইবনে আদি আল-খাসফী, তার উপাধি ছিল আল-কাইযাবান, তিনি একজন জাহিলী কবি। তাকে 'আল-কাইযাবান' (মিথ্যাবাদী) উপাধি দেওয়ার কারণ হলো, এক বাহিনীর সাথে তার দেখা হয়েছিল। তারা জিজ্ঞেস করল, তুমি কে? তিনি বললেন: আমি এবং আমার সঙ্গীরা অভিযানে বের হয়েছি। তারা জিজ্ঞেস করল, তোমরা কতজন? তিনি বললেন: যদি আমরা আমাদের সংখ্যার সমান এবং তার অর্ধেক আরও সাথে থাকতাম, তবে আমরা এত এত সংখ্যক হতাম। এভাবে তিনি তাদের হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত করে ফেললেন এবং তাদের থেকে সটকে পড়লেন। তাই তার নাম রাখা হয়েছিল আল-কাইযাবান।

আমরো ইবনে বায়াদাহ আন-নাজ্জারী একজন জাহিলী কবি, তিনি আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম ইবনে আব্দ মানাফকে উদ্দেশ্য করে বলেন-
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٢)
ولدناك يا شيبة المكرما … ت ساقي زوار أرض الحرم

فأكرم بسيبك بيت الإله … وأنت بنفسك بيت الكرم

عمرو بن الأهتم المنقري واسم الأهتم سنان بن سمي ويقال سمي ابن سنان بن خالد بن منقر بن عبيد بن مقاعس بن عمرو بن كعب بن سعد بن زيد مناة بن تميم ومقاعس هو الحارث، وعمرو يكنى أبا نعيم وكان سيداً من سادات قومه ووفد على رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد بني تميم فأسلم ومدح قيس بن عاصم ثم ذمه فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن من العشر حكماً ومن البيان سحراً، وهو القائل:

ذريني فإن البخل يا أم هيثم … لصالح أخلاق الرجال سروق

ذريني فإني ذو فعال تهمني … نوائب يغشى رزؤها وحقوق

ومستنبح بعد الهدو دعوته … وقد حان من نجم الشتاء خفوق

فقلت له أهلاً وسهلاً ومرحباً … فهذا مبيت صالح وصديق

وكل كريم يتقي الذم بالقرى … وللخير بين الصالحين طريق

لعمرك ما ضاقت بلاد بأهلها … ولكن أخلاق الرجال تضيق

وله:

ألم تر ما بيني وبين ابن عامر … من الود قد بالت عليه الثعالب

فأصبح باقي الود بيني وبينه … كأن لم يكن والدهر فيه العجائب

إذا المرء لم يحببك إلا تكرما … بدالك من أخلاقه ما يغالب

عمرو بن شأس بن أبي بلى واسمه عبيد بن ثعلبة ين وبرة بن مالك ابن الحارث ابن سعد بن ثعلبة بن دودان بن أسد بن خزيمة ويقال أبو بلى بن ذؤيبة بن مالك بن الحارث. وعمرو يكنى أبا عرار. شاعر كثير الشعر مقدم أسلم في صدر الإسلام وشهد القادسية وهو القائل:

إذا نحن أدلجنا وأنت أمامنا … يكن لمطايانا برياك هاديا

أليس يزيد العيش خفة أذرع … وإن كن حسرى أن تكون أماميا

وهو القائل في ابنه عرار وكانت أمه سوداء وكانت امرأة عمرو تؤذيه فقال عمرو:

أرادت عراراً بالهوان ومن يرد … عراراً لعمري بالهوان فقد ظلم

وإن عراراً إن يكن غير واضح … فإن أحب الجون ذا المنكب العمم
আমরা আপনাকে জন্ম দিয়েছি হে সম্মানিত শায়বাহ … আপনি হারাম ভূমির যিয়ারতকারীদের পানি পান করাতেন।

সুতরাং আপনার দানের মাধ্যমে আল্লাহর ঘরকে সম্মানিত করুন … আর আপনি নিজেই তো সম্মানের আধার।

আমর ইবনুল আহতাম আল-মিনকারি। আল-আহতামের নাম ছিল সিনান ইবনে সুমাই, আর বলা হয় সুমাই ইবনে সিনান ইবনে খালিদ ইবনে মিনকার ইবনে উবায়েদ ইবনে মুকাসিস ইবনে আমর ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাত ইবনে তামিমি। মুকাসিস হলেন আল-হারিস। আর আমরের উপনাম ছিল আবু নুআয়ম। তিনি তার কওমের অন্যতম সরদার ছিলেন। তিনি বনু তামিম গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি কায়েস ইবনে আসিমের প্রশংসা করেন এবং পরে তার নিন্দা করেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, 'নিশ্চয়ই কোনো কোনো প্রজ্ঞা কবিতা থেকে আসে এবং নিশ্চয়ই কোনো কোনো বর্ণনা যাদুসম।' তিনি এই কবিতাগুলো বলেছিলেন:

আমাকে ছেড়ে দাও, হে উম্মে হাইসাম! কেননা কৃপণতা … মানুষের সৎ চরিত্রকে হরণ করে নেয়।

আমাকে ছেড়ে দাও, আমি এমন সব কর্মে লিপ্ত যা আমাকে ভাবিয়ে তোলে … এমন সব বিপদ যার শোক ও দায় আমায় আচ্ছন্ন করে।

নিঝুম রাতের পর যখন কোনো পথিক কুকুর লেলিয়ে সাহায্যের ডাক দেয়, আমি তাকে ডেকে নেই … তখন শীতের নক্ষত্রগুলো অস্ত যাওয়ার সময় হয়েছিল।

আমি তাকে বললাম, সুস্বাগতম ও খোশ আমদেদ … এখানে উত্তম রাত্রিযাপন এবং একজন বন্ধু মিলবে।

প্রত্যেক সম্মানিত ব্যক্তি আতিথেয়তার মাধ্যমে নিন্দা থেকে বেঁচে থাকেন … আর নেককারদের মাঝে কল্যাণের পথ উন্মুক্ত থাকে।

তোমার জীবনের শপথ, কোনো দেশ তার অধিবাসীদের জন্য সংকীর্ণ হয় না … বরং মানুষের চরিত্রই সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।

তার আরও কবিতা:

তুমি কি দেখনি যে, ইবনে আমিরের সাথে আমার যে ভালোবাসা ছিল … তার উপর শিয়ালরা প্রস্রাব করে দিয়েছে? (অর্থাৎ তা বিলীন হয়েছে)।

ফলে আমার ও তার মাঝে ভালোবাসার অবশিষ্টাংশ এমন হয়ে গেল … যেন তার কোনো অস্তিত্বই ছিল না; আর কাল পরিক্রমায় অনেক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে।

কোনো ব্যক্তি যদি কেবল সৌজন্যবশত তোমাকে ভালোবাসে … তবে তার চরিত্রের সেই জেদপূর্ণ দিকটিই তোমার কাছে প্রকাশ পাবে।

আমর ইবনে শাস ইবনে আবি বালি; তার নাম উবায়েদ ইবনে সালাবা ইবনে ওয়াবারা ইবনে মালিক ইবনুল হারিস ইবনে সাদ ইবনে সালাবা ইবনে দাউদান ইবনে আসাদ ইবনে খুযাইমাহ। আর বলা হয় আবু বালি ইবনে যুয়াইবা ইবনে মালিক ইবনুল হারিস। আমরের উপনাম ছিল আবু আরার। তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা কবি এবং প্রচুর কবিতার রচয়িতা। তিনি ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং আল-কাদিসিয়ার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলতেন:

যখন আমরা রাতের শেষাংশে পথ চলি এবং আপনি আমাদের সামনে থাকেন … তখন আপনার সুবাস আমাদের বাহনগুলোর জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে যায়।

বাহুগুলোর ক্ষিপ্রতা কি জীবনকে আরও আনন্দময় করে না? … যদিও তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, যখন আপনি আমার সামনে থাকেন।

তিনি তার পুত্র আরার সম্পর্কে কবিতা বলেছিলেন, যার মা ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ এবং আমরের অন্য স্ত্রী তাকে কষ্ট দিতেন। তখন আমর বলেছিলেন:

তিনি আরারকে লাঞ্ছিত করতে চেয়েছিলেন; আর আমার জীবনের শপথ … যে ব্যক্তি আরারকে লাঞ্ছিত করতে চায়, সে অবশ্যই জুলুম করেছে।

আর আরার যদি ফর্সা বর্ণেরও না হয় … তবুও আমি প্রশস্ত স্কন্ধবিশিষ্ট সেই কালো বর্ণকেই ভালোবাসি।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٣)
والواضح: الأبيض، والجون: الأسود. وكتب الحجاج كتاباً إلى عبد الملك وأنفذه على يد عرار بن عمرو ووجه معه برأس ابن الأشعث فجعل عبد الملك يقرأ الكتاب ويسأل عراراً وهو لا يعرفه عن الخبر فيكون جوابه أبلغ من الكتاب فإذا رفع رأسه فرآه أسود صرف بصره عنه فلما أعجبه كلامه وظرفه أنشد: وإن عراراً إن يكن غير واضح البيت. فقال له عرار فهل تدري من عرار يا أمير المؤمنين. قال: لا والله. قال: أنا والله عرار. ومنها

فأطرق إطراق الشجاع ولو يرى … مساغاً لنابيه الشجاع لقد أزم

سرقه عمرو من المتلمس. ومن أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عمرو بن شأس وهو أسلمي خزاعي وليس بهذا الأسدي الشاعر وهو الذي روى عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: يا عمرو بن شأس قد آذيتني. قال قلت: أعوذ بالله أن أوذيك.

قال: أنه من آذى علياً فقد آذاني.

المستوغر واسمه عمرو بن ربيعة بن كعب بن سعد بن مناة بن تميم. مات في صدر الإسلام ويقال إنه عاش إلى أول أيام معاوية هو أحد المعمرين يقال إنه عاش ثلاثين وثلاثمائة سنة وسمي المستوغر ببيت قاله وهو القائل:

ولقد سئمت من الحياة وطولها … وعمرت من عدد السنين مئينا

مائة أتت من بعدها مائتان لي … وازددت من عدد الشهور سنينا

هل ما بقي إلا الذي قد فاتني … يوم يمر وليلة تحدونا

وله:

إذا ما المرء صم فلم يناجي … وأودى سمعه إلا ندايا

ولاعب بالعشي بني بنيه … كفعل الهر يحترش العظايا

فذاك الهم ليس له دواء … سوى الموت المنطق بالمنايا

وبين المستوعر وبين مضر بن نزار تسعة آباء وبين عمرو بن قميئة المعمر وبين نزار عشرون أباً. ويروى أن المستوغر مر بعكاظ وعلى ظهره ابن ابنه يحمله فحمل شيخاً هرماً فأعيا من حمله فوضعه بالأرض وقال: عنيتني صغيراً وكبيراً. فقال له رجل. يا عبد الله أتقول هذا لأبيك. فقال: أنا جده. فقال الرجل:
'ওয়াদিহ' অর্থ সাদা, আর 'জাওন' অর্থ কালো। হাজ্জাজ আবদুল মালিকের কাছে একটি চিঠি লিখলেন এবং আরার ইবনে আমরের মাধ্যমে তা পাঠালেন। তিনি তার সাথে ইবনুল আশ'আসের মস্তকও প্রেরণ করলেন। আবদুল মালিক চিঠিটি পড়তে শুরু করলেন এবং আরারকে সংবাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, অথচ তিনি তাকে চিনতেন না। আরারের উত্তর চিঠির চেয়েও অধিক প্রাঞ্জল ছিল। যখন তিনি মাথা তুললেন এবং তাকে কৃষ্ণবর্ণ দেখলেন, তখন তিনি তার থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিলেন। যখন তার কথা ও বুদ্ধিমত্তা তাকে মুগ্ধ করল, তখন তিনি আবৃত্তি করলেন: "আর আরার যদি স্পষ্ট (সাদা) না-ও হয়..." (কবিতার পঙক্তি)। তখন আরার তাকে বলল: হে আমিরুল মুমিনিন, আপনি কি জানেন আরার কে? তিনি বললেন: না, আল্লাহর কসম। সে বলল: আল্লাহর কসম, আমিই আরার। এর মধ্যে রয়েছে:

সে বিষধর সাপের মতো মাথা নিচু করল, আর যদি বিষধর সাপ … তার বিষদাঁত বসানোর জায়গা পেত, তবে সে কামড়ে ধরত।

আমর এটি মুতালাম্মিস থেকে হরণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে রয়েছেন আমর ইবনে শাস, তিনি আসলামি খুজায়ি গোত্রের, এই আসাদি কবি নন। তিনিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: হে আমর ইবনে শাস, তুমি আমাকে কষ্ট দিয়েছ। তিনি বললেন: আমি আপনাকে কষ্ট দেওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

তিনি বললেন: যে আলীকে কষ্ট দিল, সে আমাকেই কষ্ট দিল।

মুস্তাওগির, তার নাম আমর ইবনে রাবিআ ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে মানাত ইবনে তামিমি। তিনি ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে মৃত্যুবরণ করেন এবং বলা হয় যে তিনি মুয়াবিয়ার শাসনকালের প্রথম দিক পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। তিনি দীর্ঘায়ু ব্যক্তিদের একজন। বলা হয় যে তিনি তিনশ ত্রিশ বছর বেঁচে ছিলেন। তার বলা একটি পঙক্তির কারণে তাকে মুস্তাওগির নাম দেওয়া হয়েছে এবং তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বলেছেন:

নিশ্চয়ই আমি জীবন ও তার দীর্ঘতা নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি … এবং বছরের পর বছর আমি কয়েক শত বছর অতিবাহিত করেছি।

আমার একশ বছরের পর আরও দুইশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে … এবং মাসের হিসাব ছাড়িয়ে আমি আরও কয়েক বছর অতিবাহিত করেছি।

যা গত হয়ে গেছে তা ছাড়া কি আর কিছু অবশিষ্ট আছে? … একটি দিন অতিক্রান্ত হয় এবং একটি রাত আমাদের চালিত করে।

তার আরও কবিতা:

মানুষ যখন বধির হয়ে যায় তখন সে আর নিভৃত আলাপ শুনতে পায় না … এবং উচ্চৈঃস্বরে আহ্বান করা ছাড়া তার শ্রবণশক্তি লোপ পায়।

এবং সে সন্ধ্যায় তার নাতিদের সাথে খেলা করে … যেমন বিড়াল গিরগিটি শিকার করার চেষ্টা করে।

সেই দুশ্চিন্তার কোনো প্রতিকার নেই … কেবল মৃত্যু ছাড়া যা ভাগ্যের লিখন দ্বারা ঘোষিত।

মুস্তাওগির এবং মুদার ইবনে নিজারের মধ্যে নয়জন পূর্বপুরুষের ব্যবধান এবং দীর্ঘজীবী আমর ইবনে কামিয়াহ ও নিজারের মধ্যে বিশজন পূর্বপুরুষ। বর্ণিত আছে যে, মুস্তাওগির উকায মেলা অতিক্রম করছিলেন এবং তার পিঠে তার নাতির ছেলেকে বহন করছিলেন। তিনি একজন জরাগ্রস্ত বৃদ্ধকে বহন করতে গিয়ে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়লেন, অতঃপর তাকে মাটিতে নামিয়ে রেখে বললেন: তুমি শৈশবে এবং বার্ধক্যে আমাকে ক্লান্ত করেছ। তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল: হে আল্লাহর বান্দা, আপনি কি আপনার পিতার সাথে এমন কথা বলছেন? তিনি বললেন: আমি তার দাদা। তখন লোকটি বলল:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٤)
ما رأيت شيخاً أكذب لو كنت المستوغر بن ربيعة ما زدت. فقال: فأنا المستوغر بن ربيعة.

عمرو بن أحمر بن العمرد بن تميم بن ربيعة بن حرام بن فراص بن معن الباهلي ويقال هوعمرو بن أحمر بن العمرد بن عامر بن عبد شمس بن عبد بن فراص بن معن بن مالك وعمرو يكنى أبا الخطاب. أدرك الإسلام فأسلم وغزا مغازي الروم وأصيبت إحدى عينيه هناك ونزل الشام وتوفي على عهد عثمان رضي الله عنه بعد أن بلغ سناً عالية وهو صحيح الكلام كثير الغريب. يقول:

إن الفتى يقتر بعد الغنى … ويغتني بعد ما يفتقر

والحي كالميت ويبقى التقى … والعيش فنان فحلو ومر

ولن ترى مثلي ذا شيبة … أعلم ما ينفع مما يضر

أي أعلم مني بما ينفع مما يضر، وله:

إذا أنت راودت البخيل رددته … إلى البخل واستمطرت غير مطير

متى تطلب المعروف في غير أهله … تجد مطلب المعروف غير يسير

إذا أنت لم تجعل لعرضك جنة … من الذم سار الذم كل مسير

عمرو بن لأي بنب موألة بن عائذ بن ثعلبة بن تيم اللات بن ثعلبة من أشراف بكر بن وائل في الجاهلية وهو فارس مجلز وهو القائل:

يا رب من يبغض أزوادنا … رحن على بغضائه واغتدين

لو نبت المرعى على أنفه … لرحن منه أصلاً قد ونين

ونين وأنين من السمن أي أبطلن. وهو القائل في قتل حجر بن الحارث الملك الكندي أبي امرئ القيس بن حجر الشاعر قتلته بنو أسد يخاطب عمرو بن هند اللخمي وأمه هند بنت الحارث الملك الكندي:

عمرو بن هند إن مهلكة … قول السفاه وشدة الغشم

وبنا تدورك في بني أسد … وغم لخالك أكبر الوغم

قتلوا ابن أم قطام سيدهم … حجراً وما برئوا من الأثم

فسما امرؤ القيس الهمام له … في جحفل من وائل صتم

لهم فهدم من مساكنهم … ما كان أرعن آمن الهدم

لم تلق حي مثل صبحتهم … في الناس من قيل ومن هزم

عمرو بن ذكوان الحضرمي جاهلي يقول:
আমি কোনো বৃদ্ধকে এর চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী দেখিনি; তুমি যদি আল-মুস্তাওগির ইবনে রাবিআহ হতে, তবে এর চেয়ে বেশি বাড়াতে পারতে না। তখন তিনি বললেন: আমিই আল-মুস্তাওগির ইবনে রাবিআহ।

আমর ইবনে আহমার ইবনুল আমরদ ইবনে তামীম ইবনে রাবিআহ ইবনে হারাম ইবনে ফিরাস ইবনে মা’ন আল-বাহিলি। তাকে আমর ইবনে আহমার ইবনুল আমরদ ইবনে আমির ইবনে আবদ শামস ইবনে আবদ ইবনে ফিরাস ইবনে মা’ন ইবনে মালিকও বলা হয়। আমরের কুনিয়াত (উপনাম) ছিল আবু আল-খাত্তাব। তিনি ইসলামের যুগ লাভ করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন এবং সেখানে তার একটি চোখ জখম হয়। তিনি সিরিয়ায় (শাম) বসতি স্থাপন করেন এবং উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে বার্ধক্যে উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিশুদ্ধভাষী ছিলেন এবং তার কবিতায় অপ্রচলিত শব্দের আধিক্য ছিল। তিনি বলেন:

নিশ্চয়ই যুবক সচ্ছলতার পর অভাবী হয় … এবং অভাবী হওয়ার পর সচ্ছল হয়।

জীবিত ব্যক্তি মৃতেরই মতো, কেবল তাকওয়া অবশিষ্ট থাকে … আর জীবন দু’রকম—মিষ্টি ও তিতকুটে।

আমার মতো কোনো বৃদ্ধকে দেখবে না যে … ক্ষতিকর বিষয় অপেক্ষা উপকারী বিষয় সম্পর্কে অধিক অবগত।

অর্থাৎ আমার চেয়ে বেশি জানে কোনটি উপকারী এবং কোনটি ক্ষতিকর। তার আরও কবিতা রয়েছে:

তুমি যদি কোনো কৃপণকে প্রলুব্ধ করো, তবে তাকে ফিরিয়ে দিলে … কৃপণতার দিকেই এবং এমন মেঘ থেকে বৃষ্টি চাইলে যা বর্ষণকারী নয়।

যখনই তুমি অযোগ্য ব্যক্তির কাছে সৌজন্য প্রার্থনা করবে … তখনই সৌজন্য লাভ করাকে কঠিন মনে করবে।

তুমি যদি তোমার সম্মানের জন্য নিন্দার বিরুদ্ধে ঢাল তৈরি না করো … তবে সেই নিন্দা সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়বে।

আমর ইবনে লায়ি ইবনে মুআলাহ ইবনে আইজ ইবনে সা’লাবাহ ইবনে তাইম আল-লাত ইবনে সা’লাবাহ। তিনি জাহেলি যুগে বকর ইবনে ওয়াইল গোত্রের অন্যতম অভিজাত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি একজন বীর অশ্বারোহী ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন:

হে রব! যারা আমাদের পাথেয়কে ঘৃণা করে … তাদের ঘৃণার মধ্যেই তারা সকাল-সন্ধ্যা অতিবাহিত করুক।

যদি তার নাকে চারণভূমি জন্মাত … তবে তারা তার গোড়া থেকেই উপড়ে ফেলত এবং ক্লান্ত হতো।

'ওয়ানিন' ও 'আনিন' শব্দের অর্থ হলো স্থুলতার কারণে ধীর হওয়া বা ক্লান্ত হওয়া। তিনি কিন্দাহর রাজা হুজর ইবনুল হারিস—যিনি কবি ইমরুল কায়েসের পিতা—তার হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কবিতাটি বলেছিলেন। বনু আসাদ তাকে হত্যা করেছিল। কবি এখানে আমরের বিন হিন্দের উদ্দেশ্যে কথা বলছেন, যিনি ছিলেন লাখমি বংশের এবং যার মা ছিলেন কিন্দাহর রাজা হারিসের কন্যা হিন্দ:

হে আমর ইবনে হিন্দ! নিশ্চয়ই ধ্বংসের কারণ হলো … মূর্খতাপূর্ণ কথা এবং চরম অবিচার।

আমাদের মাধ্যমেই বনু আসাদের প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে … এবং তোমার মামার জন্য আসা শোক ছিল চরম শোক।

তারা তাদের সরদার উম্মে কাতামের পুত্র হুজরকে হত্যা করেছে … এবং তারা এই পাপ থেকে মুক্ত হতে পারেনি।

অতঃপর অকুতোভয় ইমরুল কায়েস তার মোকাবিলায় অগ্রসর হলেন … ওয়াইল গোত্রের এক বিশাল সেনাদল নিয়ে।

তিনি তাদের বাসস্থানগুলোর মধ্যে যা ধূলিসাৎ করে দিলেন … যা ছিল সুদৃঢ় এবং ধ্বংসের হাত থেকে নিরাপদ।

নিহত বা পরাজিত হওয়া এমন কোনো গোত্র তুমি দেখবে না … যাদেরকে তাদের মতো প্রভাতী আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে।

আমর ইবনে যাকওয়ান আল-হাদরামি জাহেলি যুগের কবি, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٥)
أحيا أباه هاشم بن حرملة … يوم الهباتين ويوم اليعملة

والخيل تعدو بالحديد مثقلة … ورمحه للوالدات مثكلة

لا يمنع القتيل أن يخذاله … لحد ولا يسلب عنه مبذله

والقيل لا يقبل إلا أجمله … سائل بذاك رمحه ومعبله

ترى الملوك حوله مغربله المعبل: سهم عريض النصل.

عمرو بن الحارث بن عبد مناة بن كنانة وخزيمة وهو الأحمر جاهلي.

يقول في رواية محمد بن داؤد عن رجاله:

وإذا تكون كريهة أدعى لها … وإذا يحاس الحيس يدعى جندب

قال وذكر المفضل الضبي أن هذا القول لبعض ولد طيئ وكان يفضل جندباً أحد ولد ولده عليهم ويقدمه في الزاد وغيره على فرسان ولده فقال أحدهم لآخر منهم يسمى عمراً:

يا عمر خبرني ولست بكاذب … وأخوك يصدقك الذي لا يكذب

أمن القضية أن إذا استغنيتم … وأمنتم فأنا البعيد الأجنب

وإذا تكون كريهة … البيت ما بعده. قال المرزباني: وقد رويت هذه الأبيات لهنئ بن أحمر الكناني.

عمرو بن كلثوم الكناني من بني عميس بن جذيمة. فارس معروف جاهلي يقول:

تركنا هامة الجدلي تزقو … أمام الجيش تحكي بالنعيق

وله:

وقد علمت عليا كنانة أننا … نطاعن في الهيجا مطاعم في المحل

وله:

جزى الله عني مدلجاً أين أصبحت … خزاية بؤسي حيث سارت وحلت

عمرو بن أهبان بن دثار الفقعسي جاهلي يقول:

ألا ينهى عرينة عن ملامي … قدامة قد عجلتم بالملام

ويروى له:

على مثل همام تشق جيوبها … وتعلن بالنوح النساء الفواقد

إذا نازع القوم الأحاديث لم يكن … عيياً ولا عبأً على من يقاعد

طويل نجاد السيف يصاع بطنه … خميصاً وجاديه على الزاد حامد

عمرو بن مرثد بن عرفطة بن الطماح الأسدي الفقعسي جاهلي يقول:
তিনি তাঁর পিতা হাশিম বিন হারমালাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন … হিবাতাইন ও ইয়া'মালার দিনে।

আর ঘোড়াগুলো লৌহবর্মে ভারাক্রান্ত হয়ে দ্রুত ছুটছিল … এবং তাঁর বল্লম জননীদের সন্তানহারা করছিল।

নিহত ব্যক্তিকে কবরের গর্ত তার লাঞ্ছনা থেকে রক্ষা করতে পারে না … আর তার পরিহিত সাধারণ পোশাকটিও তার থেকে কেড়ে নেওয়া হয় না।

কথা কেবল তার সৌন্দর্যেই গৃহীত হয় … এ বিষয়ে তাঁর বল্লম এবং চওড়া ফলাযুক্ত তীরকে জিজ্ঞাসা কর।

তুমি দেখতে পাবে রাজন্যবর্গ তাঁর চারদিকে চালুনির মতো পর্যুদস্ত হয়ে আছে। মু'বিল: চওড়া ফলাযুক্ত তীর।

আমর ইবনুল হারিস বিন আব্দুল মানাত বিন কিনানা ও খুজায়মা; তিনি আল-আহমার নামে পরিচিত, একজন জাহেলী কবি।

তিনি মুহাম্মাদ বিন দাউদের বর্ণনায় তাঁর সংগৃহীত সূত্রে বলেন:

যখন কোনো যুদ্ধ বা বিপদ আসে তখন আমাকে ডাকা হয় … আর যখন হাইস (এক প্রকার খাবার) প্রস্তুত করা হয় তখন জুনদাবকে ডাকা হয়।

তিনি বলেন, মুফাদ্দাল আদ-দাব্বি উল্লেখ করেছেন যে, এই কথাটি তাইয়ি সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তির, যিনি তাঁর নাতি জুনদাবকে তাঁর অন্যান্য সন্তানদের ওপর প্রাধান্য দিতেন এবং পাথেয় ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে তাঁর সাহসী সন্তানদের ওপর অগ্রাধিকার দিতেন। তখন তাদের একজন আমর নামক অপরজনকে উদ্দেশ্য করে বললেন:

হে আমর, আমাকে জানাও, তুমি মিথ্যাবাদী নও … আর তোমার ভাই তোমার সাথে সত্য বলবে যে কখনো মিথ্যা বলে না।

এটি কি কোনো ন্যায়বিচার যে যখন তোমরা অভাবমুক্ত ও নিরাপদ হও … তখন আমি তোমাদের নিকট দূরবর্তী অপরিচিত হয়ে যাই?

আর যখন কোনো বিপদ আসে … কবিতাটির পরবর্তী অংশ। আল-মারজুবানি বলেন: এই কবিতাগুলো হুনাই বিন আহমার আল-কিনানির বলেও বর্ণিত হয়েছে।

উমাইস বিন জুজায়মা গোত্রের আমর বিন কুলসুম আল-কিনানি। তিনি জাহেলী যুগের একজন সুপরিচিত অশ্বারোহী বীর, তিনি বলেন:

আমরা জাদালীর মস্তক এমন অবস্থায় ছেড়ে এসেছি যে তা পেঁচার মতো চিৎকার করছিল … বাহিনীর সামনে তা অশুভ ধ্বনি দিচ্ছিল।

তাঁর আরও কবিতা:

কিনানার উচ্চবংশীয়রা জেনেছে যে আমরা … যুদ্ধের ময়দানে বল্লম চালনাকারী এবং দুর্ভিক্ষের সময় অন্নদাতা।

তাঁর আরও কবিতা:

আল্লাহ আমার পক্ষ থেকে মুদলাজকে প্রতিদান দিন তারা যেখানেই থাকুক … তাদের দারিদ্র্যের লাঞ্ছনা সেখানেই পৌঁছাক যেখানে তারা গমন করে এবং অবস্থান করে।

আমর বিন আহবান বিন দিসার আল-ফাক’আসি, একজন জাহেলী কবি, তিনি বলেন:

উদাইনা কি আমাকে তিরস্কার করা থেকে বিরত রাখবে না? … কুদামা, তোমরা তো তিরস্কার করতে বড়ই তাড়াহুড়ো করে ফেলেছ।

তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে:

হাম্মামের মতো ব্যক্তির শোকে নারীরা তাদের জামার কলার ছিঁড়ে ফেলে … আর সন্তানহারা নারীরা বিলাপ প্রকাশ করে।

যখন লোকেরা পরস্পর আলাপ-চারিতায় লিপ্ত হয়, তখন সে … তোতলামি করে না এবং তার সঙ্গীদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায় না।

সে লম্বা তলোয়ারের বেল্টধারী, যার পেট সংকুচিত … এবং তার যাচক খাবারের ওপর কৃতজ্ঞ থাকে।

আমর বিন মারসাদ বিন উরফাতাহ বিন আত-তাম্মাহ আল-আসাদি আল-ফাক’আসি, একজন জাহেলী কবি, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٦)
أيا راكباً بلغ حبيب بن خالد … فأسد إلينا ما استطعت وألحم

عمرو بن حكيم الأسدي الزهري جاهلي له أرجوزة طويلة أولها:

نام طفيل نومة رداحاً … حتى إذا ما انبطح انبطاحاً

عمرو بن مسعود بن عمرو بن مرارة الأسدي الفقعسي جاهلي يقول:

أيبغي آل شداد علينا … وما يرعى لشداد فصيل

كصارفة البكاء لشجو أخرى … وما يبدو لعينيها نطيل

عمرو ذو الكلب الهذلي أحد بني لحيان شاعر قديم مغوار يقول:

كل امرئ بطوال العيش مكذوب … وكل من غالب الأيام مغلوب

وكل من حج بيت الله من رجل … مؤد فمدركه الشبان والشيب

عمرو بن عبد الرحمن بن الخلق أبو هشام الباهلي الظالمي شاعر مكثر كان على عهد المنصور والمهدي والرشيد. هاجى بشاراً الأعمى فانتصف منه وفيه يقول:

بذلة والديك كسبت عزا … وباللؤم اجترأت على الجواب

وهجا روح بن حاتم المهلبي فأسرف عليه ورماه باللواط والإجازة في صباه واللؤم والجبن. حدثني أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة عن دعبل بن علي قال: كان أبو هشام يعبر الجسر على دجلة بمدينة السلام فلقيه عليه أبو نيقة الحسين بن الوراس مولى خزاعة وكان شاعراً فتكلما وعاتبه أبو نيقة على هجائه آل المهلب ثم اتخذا وتلاطما فدفع أبو نيقة أبا هاشم فرمى به إلى دجلة فبادر إليه قوم من الملاحين وأصحاب الزواريق فأخرجوه وتشبث به وكان على أحد الجانبين المسيب بن زهير الضبي وعلى الآخر نصر بن مالك الخزاعي فقال أبو نيقة إرفعونا إلى نصر وقال أبو هشام ارفعونا إلى المسيب ففرق الناس بينهما فقال أبو نيقة:

فمن مبلغ علياً خزاعة أنني … قذفت بعبد الباهليين في الجسر

قذفت به كي يغرق العبد عنوة … فجاش به من لؤمه زبد البحر

ومن قول أبي هشام في سعيد بن سلم بن قتيبة الباهلي يمدحه:
হে আরোহী, হাবীব বিন খালিদকে পৌঁছে দিও … তুমি সাধ্যমতো আমাদের সাহায্য করো এবং সংযুক্ত করো।

আমর বিন হাকিম আল-আসাদি আজ-জুহরি; তিনি জাহেলি যুগের ব্যক্তি, তাঁর একটি দীর্ঘ আরজুজা (কবিতা) আছে যার শুরুটি হলো:

তুফাইল দীর্ঘ ও গভীর ঘুমে নিমগ্ন হলো … যতক্ষণ না সে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ল।

আমর বিন মাসউদ বিন আমর বিন মারারা আল-আসাদি আল-ফাকআসি; তিনি জাহেলি যুগের ব্যক্তি, তিনি বলেন:

শাদ্দাদের বংশধরেরা কি আমাদের ওপর বিদ্রোহ করতে চায়? … অথচ শাদ্দাদের কোনো উটের বাচ্চাও চারণ করা হয় না।

অন্য একজনের দুঃখের কারণে কান্না ফিরালে যেমন হয় … এবং তার চোখে যা প্রকাশ পায় তা আমরা দীর্ঘ করি না।

আমর জু-আল-কালব আল-হুজালি; বনু লিহইয়ানের অন্তর্ভুক্ত একজন প্রাচীন ও সাহসী কবি, তিনি বলেন:

দীর্ঘ জীবনের আশায় প্রতিটি মানুষই প্রবঞ্চিত … আর যে সময়ের সাথে পাল্লা দেয় সে পরাজিত।

প্রত্যেক সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর ঘর হজ করেছে … সে তার হক আদায়কারী; যুবক ও বৃদ্ধ সকলেই তাকে (মৃত্যুকে) পাবে।

আমর বিন আবদুর রহমান বিন আল-খালক আবু হিশাম আল-বাহিলি আজ-জালিমি; তিনি একজন বহুপ্রসূ কবি ছিলেন, খলিফা মানসুর, মাহদি এবং রশিদের আমলে তিনি জীবিত ছিলেন। তিনি অন্ধ বাশশারের সাথে ব্যঙ্গাত্মক কবিতায় লিপ্ত হন এবং তার প্রতিশোধ নেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন:

তোমার পিতামাতার হীনতার মাধ্যমেই তুমি সম্মান অর্জন করেছ … এবং নীচতার মাধ্যমেই তুমি জবাব দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছ।

তিনি রাওহ বিন হাতিম আল-মুহাল্লাবিকেও ব্যঙ্গ করেন এবং তার ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করেন; তিনি তাকে শৈশবে সমকামিতা ও অনৈতিকতার অপবাদ দেন এবং তাকে নীচতা ও কাপুরুষতার দোষে দোষী সাব্যস্ত করেন। আবু বকর আহমদ বিন আবি খায়সামা দা'বাল বিন আলীর সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু হিশাম মদিনাতুস সালামে (বাগদাদে) দজলা নদীর সেতু অতিক্রম করছিলেন। এমতাবস্থায় খুজাআ গোত্রের আযাদকৃত দাস কবি আবু নিকা আল-হুসাইন বিন আল-ওয়াররাসের সাথে তার দেখা হলো। তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলো এবং আবু নিকা মুহাল্লাব পরিবারকে ব্যঙ্গ করার জন্য তাকে তিরস্কার করলেন। এরপর তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন এবং একে অপরকে চড় মারলেন। তখন আবু নিকা আবু হিশামকে ধাক্কা দিয়ে দজলা নদীতে ফেলে দিলেন। সাথে সাথে কিছু মাঝি ও নৌকাচালক এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করলেন এবং তিনি তাদের আঁকড়ে ধরলেন। সেতুর এক পাশে ছিলেন মুসাইয়িব বিন জুহাইর আদ-দব্বি এবং অন্য পাশে ছিলেন নাসর বিন মালিক আল-খুজায়ি। আবু নিকা বললেন, "আমাদেরকে নাসরের কাছে নিয়ে চলো," আর আবু হিশাম বললেন, "আমাদেরকে মুসাইয়িবের কাছে নিয়ে চলো।" অতঃপর লোকজন তাদের দুজনকে আলাদা করে দিল। তখন আবু নিকা বললেন:

খুজাআ গোত্রের আলীর কাছে কে এই বার্তা পৌঁছে দেবে যে … আমি বাহিলিদের দাসকে সেতুর ওপর থেকে ফেলে দিয়েছি।

আমি তাকে ফেলে দিয়েছি যাতে এই দাসটি জোরপূর্বক ডুবে মরে … কিন্তু তার নীচতার কারণে নদীর ফেনা তাকে উপচে বের করে দিল।

সাঈদ বিন সালাম বিন কুতাইবা আল-বাহিলির প্রশংসায় আবু হিশামের উক্তি:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٧)
ألا قل لساري الليل لا تخش ضلة … سعيد بن سلم ضوء كل بلاد

لنا سيد أربى على كل سيدٍ … جواد حنا في وجه كل جواد

يطول على الرمح الرديني قامة … ويقصر عنه باع كل نجاد

عمرو بن دراك العبدي. قال محمد بن داود عن المرثدي: اسمه عمرو ويقال عمرو الأول أصح وبابه يجيء وفي كتاب محمد بن داود بن الجراح ما نصه عمرو بن دراك بكسر الدال وتخفيف الراء العبدي وقد قالوا اسمه عمر وسماه لي المرثدي عمرو بن دراك بتشديد الراء ومن قوله يهجو اليمن ويتعصب لنزار:

لهني إن قطعت حبال قيسٍ … وحالفت المزون على تميم

لأخسر خطة من أبي رغالٍ … وأجور في الحكومة من سدوم

ومن قوله يهجو سليمان بن حبيب بن الهلب:

سليمان مالك لا تنتهي … عن العلج والعلجة الزانية

رضيت وأنت تسامي الملوك … لئيم اللهازم من طاحيه

وأشبهت خالك خال الخسار … ولم تشبه العصبة الماضية

عمرو بن معاذ البصري. قال محمد بن سلام كان عمرو بن معاذ شاعراً بصيراً قلت له من أشعر الناس؟ قال أوس بن حجر. قلت ثم من قال أبو ذؤيب.

عمرو بن واقد مولى عتبة بن يزيد بن معاوية شامي دمشقي يقول في فتنة أبي الهيذام المري بالشام أيام الرشيد يصف هيذاماً وخريماً ابني أبي الهيذام ومولاه سابقاً ورجلاً من قريش كانوا حماته في تلك الحال:

فلم أركا لهيذام في الناس فارساً … ولا كخريم حلية في الخلائق

ولا كأخينا من قريش رأيته … بعيني ولا مولى رأيت كسابق

كأنهم كانوا صقور دجنة … أتيحت على الخربان من رأس حالق

فولت بنو قحطان عنا كأنهم … هنالك ضأن جلن من صوت باعق

عمرو المخلخل مولى ثقيف بصري. هو القائل يهجو عمراً الخاركي الأعور:

نظرت في نسبة الكرام فما … فيها لكم ناقة ولا جمل

قوم لئام أعراضهم هدف … فيها سهام الهجاء تنتضل
শোনো, রাতের পথচারীকে বলো যেন সে পথভ্রষ্ট হওয়ার ভয় না পায় … সাঈদ ইবনুল সালাম সকল দেশের আলোকবর্তিকা।

আমাদের এমন একজন নেতা আছেন যিনি সকল নেতার উপরে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছেন … এমন এক দানবীর যিনি প্রতিটি দানবীরের অহংকারকে নত করে দিয়েছেন।

তিনি দীর্ঘতায় রুদাইনি বর্শাকেও ছাড়িয়ে যান … আর সকল তলোয়ার বহনকারীর বাহু তাঁর তুলনায় খাটো হয়ে পড়ে।

আমর ইবনে দাররাক আল-আবদি। মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ আল-মারসাদি থেকে বর্ণনা করেছেন: তাঁর নাম আমর, তবে বলা হয় 'আমর আল-আউয়াল' (প্রথম আমর) কথাটিই অধিক বিশুদ্ধ এবং তাঁর প্রসঙ্গ যথাস্থানে আসবে। মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহর কিতাবে তাঁর নাম এভাবে বর্ণিত হয়েছে: আমর ইবনে দিররাক (দাল বর্ণে কাসরা এবং রা বর্ণে তাশদিদহীন), আল-আবদি। কেউ কেউ বলেছেন তাঁর নাম উমর। তবে আল-মারসাদি আমার কাছে তাঁর নাম আমর ইবনে দাররাক (রা বর্ণে তাশদিদসহ) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইয়ামেনিদের নিন্দা করে এবং নিজার গোত্রের পক্ষালম্বন করে তাঁর কিছু পঙ্‌ক্তি হলো:

আল্লাহর কসম, আমি যদি কায়স গোত্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি … আর তামিম গোত্রের বিপরীতে মাজুনদের সাথে মিত্রতা করি,

তবে আমি আবু রিগালের চেয়েও ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিচারে … সাদুমের চেয়েও অধিক জালেম সাব্যস্ত হব।

সুলায়মান ইবনে হাবিব ইবনুল হাল্লাবকে নিন্দা করে তাঁর কিছু কবিতা:

হে সুলায়মান! তোমার কী হয়েছে যে তুমি নিবৃত্ত হচ্ছ না … কাফের পুরুষ এবং ব্যভিচারী কাফের নারীর সংসর্গ থেকে?

তুমি এতেই সন্তুষ্ট হয়েছ, অথচ তুমি রাজাদের সাথে সমকক্ষতার দাবি করো … তাহিয়া গোত্রের হীন প্রকৃতির লোকদের সাথে মিশে?

তুমি তোমার মামার মতোই হয়েছ যে কি না সর্বস্বান্ত হওয়ার মামা … অথচ তুমি তোমার পূর্ববর্তী শ্রেষ্ঠ দলের সদৃশ হওনি।

আমর ইবনে মুয়াজ আল-বাসরি। মুহাম্মাদ ইবনে সাল্লাম বলেন, আমর ইবনে মুয়াজ ছিলেন একজন বিচক্ষণ কবি। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সবচেয়ে বড় কবি কে? তিনি বললেন, আউস ইবনে হাজার। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কে? তিনি বললেন, আবু জুআইব।

আমর ইবনে ওয়াকিদ, তিনি উতবা ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার আযাদকৃত গোলাম, শাম ও দামেস্কের অধিবাসী। হারুনুর রশিদের আমলে শামে আবু হাইজাম আল-মুররির ফিতনার বর্ণনায় তিনি আবু হাইজামের দুই পুত্র হাইজাম ও খুরাইম, তাদের গোলাম সাবিক এবং কুরাইশ বংশীয় এক ব্যক্তির প্রশংসা করছিলেন যারা সেই পরিস্থিতিতে তাঁর রক্ষক ছিলেন:

আমি মানুষের মধ্যে হাইজামের মতো কোনো বীর অশ্বারোহী দেখিনি … আর সৃষ্টির মধ্যে খুরাইমের মতো সুন্দর ভূষণ কাউকে দেখিনি।

কুরাইশদের সেই ভাইয়ের মতোও কাউকে আমি নিজের চোখে দেখিনি … আর সাবিকের মতো কোনো অনুগত গোলামও আমার নজরে পড়েনি।

মনে হচ্ছিল যেন তারা অন্ধকার রাতের শিকারি বাজপাখি … যারা সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়া থেকে বুনো পাখিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

তখন কাহতান বংশীয়রা আমাদের থেকে এভাবে পালিয়ে গেল যেন … তারা মেষের পাল, যা কোনো চিৎকারকারীর শব্দে দিকবিদিক ছোটাছুটি করছে।

আমর আল-মুখালহাল, সাকিফ গোত্রের আযাদকৃত গোলাম, বসরার অধিবাসী। তিনি একচক্ষু বিশিষ্ট আমর আল-খারকিকে নিন্দা করে বলেছিলেন:

আমি মর্যাদাবানদের বংশতালিকায় অনুসন্ধান করেছি কিন্তু … সেখানে তোমাদের কোনো উষ্ট্রী বা উট খুঁজে পাইনি।

তারা এমন এক হীন জাতি যাদের সম্মান হলো লক্ষ্যবস্তু … যেখানে নিন্দার তিরগুলো একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে বিদ্ধ হয়।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٨)
لا يستجيبون إن دعوتهم … إن لم تقل في الدعاء يا سفل

أبوهم خالهم وأمهم … من بعض أولادها بها حبل

ولما ولي معاذ بن معاذ القضاء بالبصرة وعزل عنها عمرو بن حبيب العدوي هجا المخلخل معاذاً.

أبو الغراف السلمي عمرو بن مرثد شاعر معروف سندي وهو القائل يرد على ربيعة الرقي قوله يمدح يزيد بن حاتم بن قبيصة بن المهلب ويهجو يزيد بن أسيد السلمي.

لشتان ما بين اليزيدين في الندى … يزيد سليم والأغر بن حاتم

وهي أبيات فهجا أبو الغراف ربيعة والمين.

عمرو بن عبد الملك الوراق مولى عنزة. قال ابن أبي طاهر: هو عمرو بن المبارك بن عبد الملك العنزي شاعر ماجن رشيدي له شعر كثير في حرب محمد والمأمون وأصله بصري وهو أحد الخلعاء المجان وله مع أبي نواس أخبار ومن قوله:

عوجو إلى بيت عمرو … إلى سماع وخمر

وناشجات علينا … تطاع في كل أمر

وبيسرى رخيم … يزهو بجيد ونحر

فذاك بر من يأتي … إن لم يريدوا ببحر

هذا وليس عليكم … أولى ولا وقت عصر

قوموا وليس علينا … حقاً جنايات غدر

وله يقول أبو نواس:

بعثت أستهديك قرابة … فجدت يا عمرو بقبلته وله في رواية الصولي.

الحمد لله العلي … ومن له كل المحامد

أيسبني رجل … عليه من الدعارة ألف شاهد

ماذا أقول لمن … له في كل عضوٍ ألف والد

عمرو بن خوي السكسكي أبو خوي من أهل دمشق كان على عهد الرشيد والمأمون وهو من ولد ابن خوي قاتل عمار بن ياسر رضي الله عنه بصفين تقلد عمرو الري ثلاث سنين وهو القائل:

هلم اسقنيها لا عدمتك صاحباً … ودونك صفو الراح إن كنت شارباً

إذا أسرت نفس المدام نفوسنا … جنينا من اللذات منها الأطايبا

أيا كوكباً لا يمسك الليل غيره … بربك لا تخبر علينا الكواكبا

ويا ليل لولا أن تشوبك غدرة … إذا ما تبدلنا بك الدهر صاحباً

أبو قابوس الحيري العبادي اسمه عمرو بن سليمان وقيل عمرو بن سليم نصراني
তারা সাড়া দেবে না যদি তুমি তাদের ডাকো … যদি তুমি প্রার্থনায় হে নিচু না বলো।

তাদের পিতা তাদের মামা এবং তাদের মা … তার কিছু সন্তানের মাধ্যমে সে গর্ভবতী হয়েছে।

যখন মুআয বিন মুআয বসরার বিচারক নিযুক্ত হলেন এবং সেখান থেকে আমর বিন হাবীব আল-আদাওয়ীকে অপসারিত করা হলো, তখন আল-মুখালখাল মুআযকে বিদ্রূপ করলেন।

আবুল গারাফ আস-সুলামী আমর বিন মারসাদ একজন সুপরিচিত সিন্ধি কবি। তিনি রবীআহ আর-রাক্কীর প্রতিবাদে পঙক্তি রচনা করেছিলেন, যেখানে রবীআহ ইয়াযিদ বিন হাতিম বিন কাবিযা বিন আল-মুহাল্লাবের প্রশংসা এবং ইয়াযিদ বিন আসিদ আস-সুলামীর নিন্দা করছিলেন।

দানশীলতার ক্ষেত্রে দুই ইয়াযিদের মধ্যে কতই না ব্যবধান … সুলাইমের ইয়াযিদ এবং হাতিমের সম্মানিত পুত্র।

এগুলো ছিল এমন কিছু পঙক্তি যার মাধ্যমে আবুল গারাফ রবীআহ ও মিথ্যাবাদীকে ব্যঙ্গ করেছিলেন।

আমর বিন আব্দুল মালিক আল-ওয়াররাক, আনাযার মুক্ত দাস। ইবনে আবি তাহির বলেন: তিনি হলেন আমর বিন আল-মুবারক বিন আব্দুল মালিক আল-আনাসি, একজন নীতিহীন রশীদী কবি। মুহাম্মাদ ও আল-মামুনের যুদ্ধ নিয়ে তার অনেক কবিতা রয়েছে। তিনি মূলত বসরার লোক এবং চরম বেপরোয়া ও নীতিহীনদের একজন। আবু নুওয়াসের সাথে তার অনেক কাহিনী রয়েছে এবং তার একটি উক্তি হলো:

আমরের গৃহের দিকে ফিরে চলো … গান শোনা ও মদের দিকে।

এবং আমাদের ওপর রোদনকারিনীরা … সব বিষয়ে যাদের কথা মানা হয়।

আর কোমল বাম হাত দ্বারা … সে তার গর্দান ও কণ্ঠদেশ নিয়ে গর্ব করে।

যারা আসে এটি তাদের আতিথেয়তা … যদি তারা সমুদ্র কামনা না করে।

এটিই, আর তোমাদের ওপর নেই … কোনো আবশ্যকতা বা আসরের সময়।

উঠে দাঁড়াও, আর আমাদের ওপর প্রকৃতপক্ষে … কোনো বিশ্বাসঘাতকতার অপরাধ নেই।

তার সম্পর্কে আবু নুওয়াস বলেন:

আমি আত্মীয়তার উপহার চেয়ে পাঠিয়েছিলাম … কিন্তু হে আমর, তুমি দিলে এক চুম্বন। আস-সূলীর বর্ণনায় তার সম্পর্কে এসেছে:

সমস্ত প্রশংসা সুউচ্চ আল্লাহর জন্য … এবং যাঁর জন্য সকল স্তুতি।

এমন লোক কি আমাকে গালি দেবে … যার লম্পটপনার ওপর হাজারো সাক্ষী রয়েছে?

তাকে আমি কী বলব … যার প্রতিটি অঙ্গে হাজারো পিতা রয়েছে?

আমর বিন খুওয়াই আস-সাকসাকী আবু খুওয়াই দামেস্কের অধিবাসী ছিলেন। তিনি রশীদ ও আল-মামুনের যুগে ছিলেন। তিনি ইবনে খুওয়াইয়ের বংশধর, যে সিফফিনের যুদ্ধে আম্মার বিন ইয়াসির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে হত্যা করেছিল। আমর তিন বছর রায় শহরের শাসনকর্তা ছিলেন এবং তিনি বলতেন:

এসো আমাকে তা পান করাও, বন্ধু হিসেবে তোমাকে হারাতে চাই না … আর এই নাও স্বচ্ছ সুরা, যদি তুমি পানকারী হও।

যখন মদের প্রাণ আমাদের আত্মাকে বন্দি করে ফেলে … তখন আমরা তা থেকে সেরা স্বাদগুলো আহরণ করি।

হে তারকা, রাত যাকে ছাড়া অন্য কাউকে ধরে রাখে না … তোমার রবের শপথ, অন্য নক্ষত্রদের আমাদের কথা বলো না।

হে রাত, যদি তোমার মাঝে বিশ্বাসঘাতকতা না মিশে থাকত … তবে চিরকাল আমরা তোমাকেই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম।

আবু কাবুস আল-হীরী আল-ইবাদী, তার নাম আমর বিন সুলাইমান, মতান্তরে আমর বিন সুলাইম, একজন খ্রিস্টান।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢١٩)
من بني الحارث بن كعب. قال المبرد يقال إنه لبني العباس مثل الأخطل لبني أمية إذا كان لا يمدح سواهم وسوى كبرائهم وأكثر قوله في البرامكة وله مع العتابي مقالات ومناقضات. وهجا أبا العتاهية. وهو القائل في يحيى بن خالد:

رأيت يحيى أتم الله نعمته … عليه يأتي الذي لم يأته أحد

ينسى الذي كان من معروفه أبداً … إلى الرجال ولا ينسى الذي يعد

وله في أبي جعفر يحيى:

إن أبا الفضل له فضله … وأين في الناس فتى مثله

أصدق أقوالهم قوله … وخير أفعالهم فعله

لا تجتني الذم يداه ولا … تخطو إلى فاحشة رجله

عمرو الأعور الخاركي أزدي بصري أصله من خارك قرية بفارس عليى البحر. ماجن خبيث الشعر كان على عهد المخلخل الوراق، والخاركي هو القائل:

إذا لام على المرد … نصيح زادني حرصاً

ولا والله ولا والله … لا أقطع أو أخصى

وله:

أن كنت أرجو لك من سلوة … فطال في حبس الغنى لبثي

وعشت كالمغرور من دينه … يوقف بعد الموت بالبعث

أبو طليق الثقفي اسمه عمرو بن محمد. يقول في رواية حماد بن إسحاق:

رأيتك تدعوني إذا ما دعوتني … دعاء يهود مسبتين على نهر

على عندمي اللون من شم ريحه … من الناس يوماً قال ريحته الخمر

ولا خير في الحداث إلا ثلاثة … سوداء مثل الأثافي في القدر

فإن كان فيهم رابع كان مسمعاً … يسلى بأصوات له شجن الصدر

عمرو بن مسعدة الكاتب الرسائلي أبو الفضل مولى خالد القسري هكذا قال محمد بن داود. وقال الصولي هو عمرو بن مسعدة بن سعد بن صول بن صول كاتب المأمون وسعد أخو محمد بن صول بن صول وأهدى عمرو إلى المأمون فرساً وكتب إليه:

يا إماماً لا يدان … هـ إذا عد إمام

يفضل الناس كما يف … ضل نقصاناً تمام

قد بعثنا بجواد … مثله ليس يرام

فرس يزهى به أل … حسن سرج ولجام

دونه الخيل كما د … نك في الفضل الأنام

وجهه صبح ولك … سائر الجسم ظلام

والذي يصلح لل … لى على العبد حرام
বনু আল-হারিস বিন কাব গোত্রের। আল-মুবররাদ বলেন, বলা হয়ে থাকে যে তিনি বনু আব্বাসের জন্য তেমনি কবি ছিলেন যেমন বনু উমাইয়ার জন্য আল-আখতাল ছিলেন; কেননা তিনি তাদের এবং তাদের প্রধান ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কারো প্রশংসা করতেন না। তার কবিতার অধিকাংশ ছিল বারমাকিদের নিয়ে। আল-উতাবির সাথে তার অনেক বাদানুবাদ ও খণ্ডনমূলক লেখা রয়েছে। তিনি আবু আল-আতাহিয়াকে বিদ্রূপ করেছেন। ইয়াহইয়া বিন খালিদ সম্পর্কে তিনি বলেছেন:

আমি ইয়াহইয়াকে দেখেছি—আল্লাহ তার প্রতি নেয়ামত পূর্ণ করুন … তিনি এমন সব কাজ করেন যা ইতিপূর্বে কেউ করেনি

তিনি মানুষের প্রতি করা তাঁর দয়া ও অনুগ্রহ সর্বদা ভুলে যান … কিন্তু যে প্রতিশ্রুতি তিনি দেন তা কখনও ভুলেন না

আবু জাফর ইয়াহইয়া সম্পর্কে তার আরও কবিতা:

নিশ্চয়ই আবু আল-ফদলের রয়েছে নিজস্ব শ্রেষ্ঠত্ব … আর মানুষের মাঝে তার মতো যুবক আর কোথায়?

তাদের কথাগুলোর মাঝে তার কথাই সবচেয়ে সত্য … আর তাদের কর্মের মাঝে তার কর্মই সর্বোত্তম

তার হাত কখনও নিন্দা কুড়ায় না এবং … তার পা কখনও অশ্লীলতার দিকে ধাবিত হয় না

আমর আল-আওয়ার আল-খারকি ছিলেন আজদি ও বাসরি বংশোদ্ভূত। তার আদি নিবাস ছিল পারস্যের সমুদ্রতীরবর্তী গ্রাম খারক। তিনি ছিলেন চটুল ও কুরুচিপূর্ণ কবিতার রচয়িতা। তিনি আল-মুখালখাল আল-ওয়াররাকের সমসাময়িক ছিলেন। আল-খারকি বলেছেন:

যখন কোনো হিতাকাঙ্ক্ষী কিশোরদের প্রতি আসক্তির জন্য তিরস্কার করে … তখন তা আমার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দেয়

না, আল্লাহর কসম! না, আল্লাহর কসম! … আমি এটি ত্যাগ করব না যতক্ষণ না আমাকে খণ্ডিত বা খোজা করা হয়

তার আরও পঙ্ক্তি:

আমি যদি তোমার কাছে ধৈর্যের আশা করতাম … তবে এই সম্পদের বন্দিশালায় আমার অবস্থান দীর্ঘ হতো

আর আমি সেই প্রবঞ্চিত ব্যক্তির মতো বেঁচে থাকতাম … যাকে মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের জন্য উপস্থিত করা হবে

আবু ত্বলিক আস-সাকাফি, যার নাম আমর বিন মুহাম্মদ। হাম্মাদ বিন ইসহাকের বর্ণনা অনুযায়ী তিনি বলেন:

আমি দেখেছি যে তুমি আমাকে ডাকছো যখন তুমি আমাকে আহ্বান করো … যেমন নদীর তীরে বিশ্রামরত ইহুদিরা আহ্বান করে

এমন রক্তিম বর্ণের ওপর যার ঘ্রাণ … মানুষ একদিন শুঁকলে বলবে এর ঘ্রাণ মদের মতো

নতুন সৃষ্টি বা বিষয়ের মধ্যে তিনটির বেশি কল্যাণ নেই … চুলার উপর রাখা ডেকচির তিনটি কালো পাথরের মতো

যদি তাদের মাঝে চতুর্থ কেউ থাকে তবে সে হবে একজন গায়ক … যার সুরের মাধ্যমে হৃদয়ের দুঃখ-বেদনা দূর হবে

আমর বিন মাসআদাহ আল-কাতিব আর-রাসায়েলি আবু আল-ফদল, যিনি খালিদ আল-কাসরির আযাদকৃত গোলাম; মুহাম্মদ বিন দাউদ এভাবেই বলেছেন। আল-সুলি বলেন, তিনি হলেন আমর বিন মাসআদাহ বিন সাদ বিন সূল বিন সূল, খলিফা আল-মামুনের লিপিকার। সাদ ছিলেন মুহাম্মদ বিন সূল বিন সূলের ভাই। আমর খলিফা আল-মামুনের নিকট একটি তেজী ঘোড়া উপহার পাঠিয়েছিলেন এবং তার কাছে লিখেছিলেন:

হে এমন এক ইমাম যার কোনো সমকক্ষ নেই … যখন কোনো ইমামকে গণনা করা হয়

তিনি মানুষের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেন যেমন … পূর্ণতা অপূর্ণতার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব পায়

আমরা এমন এক তেজী ঘোড়া পাঠিয়েছি … যার মতো ঘোড়া আর কাম্য হতে পারে না

এমন এক ঘোড়া যার সৌন্দর্য গর্বিত হয় … সুন্দর জিন ও লাগামের মাধ্যমে

অন্যান্য ঘোড়া তার নিচে, ঠিক যেমন শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে … আপনার নিচে অন্য সব মানুষ

তার মুখমণ্ডল সকালের মতো উজ্জ্বল কিন্তু … শরীরের অবশিষ্টাংশ অন্ধকারের মতো কালো

যা মহানুভব ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত … তা দাসের জন্য নিষিদ্ধ।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٠)
وله:

ومستعذب للهجر والوصل أعذب … أكاتمه حبي فينأى وأقرب

إذا جدت مني بالرضا جاد بالجفا … ويزعم أني مذنب وهو أذنب

تعلمت أبواب الرضا خوف هجره … وعلمه حبي له كيف يغضب

ولي غير وجه قد علمت مكانه … ولكن بلا قلب إلى أين أذهب

وهذان البيتان الأخيران يتنازعان.

عمرو بن نصر القصافي التميمي أبو الفيض بصري. مدح جماعة من الخلفاء أولهم الرشيد وبقي إلى أيام المتوكل وقال دعبل: قال القصافي الشعر ستين سنة فلم يعرف له بيت إلا قوله:

خوص نواج إذا صاح الحداة بها … رأيت أرجلها قدام أيديها

وله:

في دمعه الجاري وإعواله … ما يخبر السائل عن حاله

يقول: فيها:

رحلت عنساً دلهاً عامل … في حال ارقالي وإرقاله

حتى تناهيت إلى ماجد … صب إلى طلعة سؤاله

وله إلى بعض إخوانه وقد اقتصد:

ولما علاك الشكو كادت نفوسنا … تلاقي الردى إذ قيل أصبح شاكياً

أرقت دماً لو يسكب المزن مثله … لأصبح وجه الأرض أخضر زاهياً

دماً طاهراً لو يطلق الدن شربه … لكان من الأسقام للناس شافياً

عمرو بن أبي بكر العدوي القرشي قاضي دمشق أخو عمر ابن أبي بكر المؤملي الذي يروي عنه الزبير بن بكار. وعمرو هو القائل:

برئت من الإسلام إن كان ذا الذي … أتاك به الواشون عني كما قالوا

ولكنهم لما رأوك سريعة … إلي تواصوا بالنميمة واحتالوا

فقد صرت أذناً للوشاة سميعة … ينالون من عرضي ولو شئت ما نالوا

وله مع المأمون في هذه الأبيات خبر مشهور وكان عمرو بن مسعدة يقوم بأمره في أيام المأمون وكان محمد بن يزداد يحمل عليه فقال يمدح عمراً ويغمز على ابن يزداد ولم يكن عمرو وزيراً:

لشتان بين المدعين وزارة … وبين الوزير الحق عمرو بن مسعده
তার কবিতা:

বিচ্ছেদ যার কাছে মধুর, কিন্তু মিলন আরও মধুর … আমি তার কাছে আমার ভালোবাসা গোপন করি, ফলে সে দূরে সরে যায় আবার কাছে আসে।

আমি যখন আমার পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করি, তখন সে রূঢ়তা প্রদর্শন করে … সে দাবি করে যে আমি অপরাধী, অথচ সে নিজেই অধিক অপরাধী।

বিচ্ছেদের ভয়ে আমি সন্তুষ্টির দুয়ারগুলো শিখেছি … আর তার প্রতি আমার ভালোবাসা তাকে শিখিয়েছে কীভাবে রাগান্বিত হতে হয়।

আমার অন্য এক চেহারা আছে যার স্থান আমি জানি … কিন্তু হৃদয়হীন অবস্থায় আমি কোথায় যাব?

এই শেষোক্ত দুটি চরণে মতভেদ রয়েছে।

আমর বিন নাসর আল-কাসাফি আত-তামিমি আবু আল-ফায়দ বসরী। তিনি একদল খলিফার প্রশংসা করেছেন যাদের মধ্যে প্রথম ছিলেন আল-রশীদ এবং তিনি আল-মুতাওয়াক্কিলের সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। দি'বিল বলেছেন: আল-কাসাফি ষাট বছর ধরে কবিতা বলেছেন, কিন্তু তার এই চরণটি ছাড়া অন্য কোনো চরণ পরিচিত ছিল না:

গর্তে বসা চোখের দ্রুতগামী উষ্ট্রীসমূহ, যখন উষ্ট্র-চালকরা তাদের উচ্চস্বরে ডাক দেয় … তুমি তাদের পেছনের পাগুলো সামনের পাগুলোর আগে দেখতে পাবে।

তার আরও কবিতা:

তার প্রবহমান অশ্রু এবং বিলাপের মাঝে … এমন কিছু আছে যা প্রশ্নকারীকে তার অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে।

তাতে তিনি বলেন:

আমি এমন এক শক্তিশালী উষ্ট্রীতে আরোহণ করেছি যা প্রেমে উন্মত্ত ও কর্মতৎপর … আমার এবং তার দ্রুত চলার অবস্থায়।

এমনকি আমি এমন এক মহানুভব ব্যক্তির কাছে পৌঁছলাম … যে তার নিকট প্রার্থনাকারীর দর্শনের জন্য উন্মুখ।

তার এক ভাইয়ের উদ্দেশ্যে যখন তিনি রক্তমোক্ষণ করিয়েছিলেন:

যখন অসুস্থতা তোমাকে আচ্ছন্ন করল, তখন আমাদের প্রাণগুলো প্রায় … ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছিল যখন বলা হলো: সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

তুমি এমন রক্ত ঝরিয়েছ যে, যদি মেঘমালা তার মতো কিছু বর্ষণ করত … তবে জমিনের উপরিভাগ সবুজ ও সজীব হয়ে উঠত।

এমন পবিত্র রক্ত, যদি মদের মটকাকে তা পানের অনুমতি দেওয়া হতো … তবে তা মানুষের জন্য রোগব্যধি থেকে আরোগ্য দানকারী হতো।

আমর বিন আবি বকর আল-আদাওয়ি আল-কুরাশি, দামেস্কের বিচারক, তিনি উমর বিন আবি বকর আল-মুয়াম্মালির ভাই যার থেকে জুবায়ের বিন বাক্কার বর্ণনা করেন। আর আমর-ই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছেন:

আমি ইসলাম থেকে বিমুক্ত যদি সেই বিষয়টি সত্য হয় যা … চোগলখোররা আমার সম্পর্কে তোমার কাছে নিয়ে এসেছে যেমনটি তারা বলেছে।

কিন্তু তারা যখন তোমাকে আমার বিরুদ্ধে দ্রুত (প্ররোচিত হতে) দেখল … তখন তারা চোগলখোরির পরামর্শ দিল এবং কৌশল অবলম্বন করল।

তুমি চোগলখোরদের জন্য এক মনোযোগী কান হয়ে গেছ … তারা আমার সম্মানহানি করছে, অথচ তুমি চাইলে তারা তা করতে পারত না।

এই কবিতাগুলো নিয়ে আল-মামুনের সাথে তার এক প্রসিদ্ধ ঘটনা রয়েছে। আমর বিন মাসআদাহ আল-মামুনের আমলে তাঁর কার্যাদি সম্পাদন করতেন এবং মুহাম্মাদ বিন ইয়াজদাদ তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনা দিতেন। তাই তিনি আমরের প্রশংসা করে এবং ইবনে ইয়াজদাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, অথচ তখন আমর উজির ছিলেন না:

যারা মন্ত্রিত্বের দাবিদার তাদের মধ্যে … আর প্রকৃত মন্ত্রী আমর বিন মাসআদাহর মধ্যে কতই না ব্যবধান।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢١)
فهمهم في بالناس أن يجبهوهم … وهم أبي الفضل اصطناع ومحمده

فأسكن رب الناس عمراً جنانه … وأسكنهم ناراً من النار موصده

وفي كتاب محمد بن داود بن الجراح في خبر أبيات عمرو بن أبي بكر قال: وبلغني أن المأمون استنشده هذا الشعر فاعترف به له وقال: قلته وأنا حدث. فقال: قاض لا تكون له يمين إلا بالبراءة من الإسلام. وأمر بصرفه عن الحكم بدمشق.

عمرو بن زهرة الشيباني جاهلي يقول في تميم:

أصبنا عبد شمس يوم قو … ولم ينفع غداة إذا مناها

عمرو بن ثعلبة بن أسعد بن همام بن زهرة الشيباني يقول في رواية ثعلب:

تجانف رضوان عن ضيفه … ألم تأت رضوان عني النذر

وحسبك في القوم أن يعلموا … بأنك فيهم غيي مضر

فأنت محلك دون العراق … تباعد رفدك من أن تضر

وأنت مليخ كلحم الحوار … ولا أنت حلو ولا أنت مر

وقد تقدمت هذه الأبيات لغيره.

عمرو بن عبد العزى القاري من القارة وهو القائل يحضض بني معيص بن عمرو بن لؤي على بني ليث في مال نوفل بن عمرو في الجاهلية

أمعيص بن عمرو بن لؤي … إسمعوا تسمعون أمراً عجاباً

تلكم يعمر وكلب بن عوف … غلقاً دون حقنا أبوابا

غرهم أن حارثاً أفردونا … وبنو الهون أصبحوا غياباً

فدعوناكم فقالوا ضلالاً … أيجاب الذي ينادي السرابا

إن عمراً وإن عبد مناف … جعلا الحلف بيننا أسباباً

عمرو بن جبلة حليف آل حرب بن أمية يقول في أبيات وقد رويت لغيره:

وإني من القوم الذين قليلهم … كثير إذا رفضت عما المتحلف

إلى نضد من عبد شمس كأنهم … هضاب أجا أركانها لم تقصف

عمرو بن شقيق بن سلامان بن عبد العزى بن عامرة بن عميرة بن وديعة بن الحارث بن فهر القرشي كان من فرسان قريش في الجاهلية وشعرائهم
মানুষের মাঝে তাদের সংকল্প ছিল তাদের মোকাবেলা করা … আর তারা ছিল আবুল ফযলের অনুগ্রহ ও প্রশংসার পাত্র।

অতঃপর মানুষের রব আমরকে তাঁর জান্নাতে স্থান দিয়েছেন … আর তাদের জন্য নির্ধারিত করেছেন জাহান্নামের অবরুদ্ধ আগুন।

মুহাম্মাদ ইবন দাউদ ইবনুল জাররাহ-এর কিতাবে আমর ইবন আবি বকর-এর কবিতা সংক্রান্ত সংবাদে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, আল-মামুন তাকে এই কবিতাটি আবৃত্তি করতে বলেছিলেন, তখন তিনি এটি নিজের বলে স্বীকার করেন এবং বলেন: 'আমি এটি কিশোর বয়সে বলেছিলাম'। তখন মামুন বললেন: 'এমন একজন বিচারক যার শপথ কেবল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মাধ্যমেই হতে পারে।' এরপর তিনি তাকে দামেস্কের বিচারকের পদ থেকে বরখাস্ত করার আদেশ দেন।

আমর ইবন যাহরাহ আশ-শাইবানি, একজন জাহেলি কবি, তামিমি গোত্র সম্পর্কে বলেন:

কুউ-এর যুদ্ধে আমরা আবদু শামসকে পর্যুদস্ত করেছিলাম … এবং সেই সকালের বিপদ তাদের কোনো উপকারে আসেনি।

আমর ইবন সা'লাবা ইবন আসআদ ইবন হুমাম ইবন যাহরাহ আশ-শাইবানি, সা'লাবের বর্ণনায় বলেন:

রিদওয়ান তার মেহমান থেকে বিমুখ হয়েছে … রিদওয়ানের কাছে কি আমার পক্ষ থেকে সতর্কবাণী পৌঁছেনি?

তোমার কওমের মাঝে তাদের এতটুকু জানাই যথেষ্ট যে … তুমি তাদের মাঝে মুদার গোত্রের এক পথভ্রষ্ট ব্যক্তি।

ইরাকের নিচেই তোমার অবস্থান … তোমার সাহায্য এতই নগণ্য যে তা কোনো ক্ষতি থেকেও দূরে রাখে না।

তুমি উটের বাচ্চার মাংসের মতো বিস্বাদ … তুমি মিষ্টিও নও, আবার তেতোও নও।

এই পঙক্তিগুলো ইতিপূর্বে অন্য কারো নামেও বর্ণিত হয়েছে।

আল-কারা গোত্রের আমর ইবন আব্দুল উযযা আল-কারি; তিনি জাহেলিয়াত যুগে নাওফাল ইবন আমরের সম্পদের বিষয়ে বনু লাইসের বিরুদ্ধে বনু মুআইস ইবন আমর ইবন লুওয়াইকে প্ররোচিত করে বলেছিলেন:

হে মুআইস ইবন আমর ইবন লুওয়াই! … শোনো, তোমরা এক বিস্ময়কর সংবাদ শুনবে।

তারা হলো ইয়ামুর এবং কালব ইবন আউফ … যারা আমাদের পাওনার সামনে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।

তারা এই ভেবে প্রতারিত হয়েছে যে হারেস আমাদের একাকী করে দিয়েছে … আর বনু আল-হুন অনুপস্থিত রয়েছে।

তাই আমরা তোমাদের ডাকলাম, কিন্তু তারা বলল এটি বৃথা … মরীচিকাকে যে আহ্বান করে তার ডাকে কি সাড়া দেওয়া হয়?

নিশ্চয়ই আমর এবং আবদু মানাফ … আমাদের মধ্যকার এই মৈত্রীকে সম্পর্কের মাধ্যম বানিয়েছেন।

আমর ইবন জাবালাহ, যিনি আলু হারব ইবন উমাইয়ার মিত্র ছিলেন; তিনি এই পঙক্তিগুলোতে বলেছেন, যা অন্য কারো নামেও বর্ণিত হয়েছে:

আমি এমন এক কওমের অন্তর্ভুক্ত যাদের অল্প সংখ্যাও অনেক … যখন শপথকারীরা একে অপরকে ত্যাগ করে।

আবদু শামস গোত্রের এক সুবিন্যস্ত দলের দিকে লক্ষ্য করো, যেন তারা … আজা পাহাড়ের চূড়া যার ভিত্তি কখনো চূর্ণ হয়নি।

আমর ইবন শাকিক ইবন সালামন ইবন আব্দুল উযযা ইবন আমিরাহ ইবন উমাইরাহ ইবন ওয়াদিয়া ইবনুল হারিস ইবন ফিহর আল-কুরাশি; তিনি জাহেলিয়াত যুগে কুরাইশদের অন্যতম অশ্বারোহী যোদ্ধা ও কবি ছিলেন।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٢)
وهو القائل في رواية الزبير:

لا يبعدن ربيعة بن مكدم … وسقى الغوادي قبره بذنوب

وهي أبيات تتنازع ورويت لحسان بن ثابت وليغيره.

عمرو بن ترنا الهذلي وترنا أمه وهو القائل يجيب عمراً ذا الكلب في رواية السكري:

قريبة قد نأت غير سؤال … وأمست منك بائنة الرحال

فلا تتمنني وتمن جلفاً … قراقرة هجفاً كالخيال

فأطعنه بمسنون طرير … عليه مثل بارقة الهلال

عمرو بن الحارث بن أقيش العكلي كان أسر حسينة بنت جابر بن بجير بن شريط العجلي أخت أبجر بن جابر في يوم العذاب في الجاهلية وهو يوم أغارت فيه بنو عبد مناة بن أد بن طابخة على عجل وحنيفة بأرض حو باليمامة وحسينة شاعرة ففاداها أخوها أبجر بمائة من الإبل وخمسة أفراس فسار معها عمرو بن الحارث حتى جوزها أرض بني تميم وقال في ذلك في أبيات:

وكانت صفوتي من سبي عجل … حسينة من كواعب كالظباء

وهبناها لأبجر إذ أتاها … وفينا غيرها منهم نساء

فكان ثوابه منا جياداً … وسوق هنيدة فيها رعاء

عمرو بن حذار من بني وائلة بن صعصة يكنى أبا أبي ويدعى ذا العنق وكان شجاعاً وهو الذي قتل بشر بن أبي خازم الأسدي وكان عمرو مع عامر بن الطفيل في يوم الرقم وأغارت بنو عامر على بلاد غطفان فقال لفرسه وأبلى يومئذ بلاءً حسناً:

أقدم قديد لا تكن خلوسا … لأطعنن طعنة قلوساً

ذات شاش تزع الخميسا … من لا يقاتل لا يكن رئيساً

فقال عغامر بن الطفيل:

وأبو أبي ما منيت بمثله … يا حبذا هو ممسياً ونهاراً

لقي الخميس أبو أبي بارزاً … ألوائلي وحرم الأدبارا

عمرو الذي جعلت سلول وعامر … يوم الصباح يجببون فزارا

عمرو بن شراحيل أخو بني عوف بن مالك بن سعد بن قيس بن ثعلبة أخو أشيم بن شراحيل وقتلت أشيم بنو تميم بعلقمة بن زراة وقال لقيط ابن زرارة:

وإن يقتلوا منا كريماً فإننا … أبأنا به مأوى الصعاليك أشيما
জুবাইরের বর্ণনা অনুসারে তিনিই এই উক্তির বক্তা:

রাবিয়াহ বিন মুকাদিম যেন বিস্মৃত না হন … আর সকালের মেঘগুলো যেন তার কবরে প্রচুর বৃষ্টি ঝরিয়ে দেয়

এগুলো এমন কিছু পঙ্‌ক্তি যা নিয়ে মতভেদ আছে এবং হাসান বিন সাবিত ও অন্য কারো বলেও বর্ণনা করা হয়েছে।

আমর বিন তুরনা আল-হুজালি। তুরনা ছিল তার মায়ের নাম। আস-সুক্কারির বর্ণনা মতে আমর যা আল-কালবকে উত্তর দিয়ে তিনি বলেন:

কারিবা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই দূরে সরে গিয়েছে … আর আজ তোমার থেকে তার কাফেলা বিচ্ছিন্ন হয়েছে

তুমি আমার আকাঙ্ক্ষা করো না, বরং এমন এক স্থূল ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা করো … যে পেটমোটা এবং ছায়ার মতো বিশালদেহী

অতঃপর আমি তাকে তীক্ষ্ণ ধারালো বর্শা দিয়ে আঘাত করি … যার ওপর চাঁদের বাঁকা ফালির মতো চমক রয়েছে

আমর বিন আল-হারিস বিন আকিশ আল-উকিল। তিনি জাহেলিয়াতের যুগে 'ইয়াওমুল আজাব'-এর দিন আবজার বিন জাবিরের বোন হুসাইনা বিনতে জাবির বিন বুজাইর বিন শারিত আল-ইজলিকে বন্দি করেছিলেন। সেটি ছিল এমন এক দিন যখন বনু আবদ মানাত বিন আদ বিন তাবিখা ইয়ামামার 'হাও' ভূমিতে ইজল ও হানিফা গোত্রের ওপর আক্রমণ করেছিল। হুসাইনা ছিলেন একজন কবি। তার ভাই আবজার একশ উট এবং পাঁচটি ঘোড়ার বিনিময়ে তাকে মুক্ত করেন। আমর বিন আল-হারিস তার সাথে পথ চললেন যতক্ষণ না তাকে বনু তামিমে পৌঁছে দিলেন। এ সম্পর্কে তিনি কিছু পঙ্‌ক্তিতে বলেন:

ইজল গোত্রের বন্দিদের মধ্যে আমার প্রিয় ছিল … হুসাইনা, যে ছিল হরিণীর মতো রূপসী যুবতী

আমরা তাকে আবজারের হাতে তুলে দিয়েছিলাম যখন সে এসেছিল … যদিও আমাদের কাছে তাদের মধ্য হতে অন্য নারীরাও ছিল

তার পক্ষ থেকে আমাদের পুরস্কার ছিল শ্রেষ্ঠ ঘোড়াসমূহ … আর একশ উটের পাল যা রাখালরা হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল

আমর বিন হুজার, বনু ওয়াইলা বিন সা'সা গোত্রের। তার উপনাম ছিল আবু আবি এবং তাকে 'যা আল-উনুুক' (দীর্ঘ ঘাড় বিশিষ্ট) বলা হতো। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী এবং তিনিই বিশর বিন আবি খাযিম আল-আসাদিকে হত্যা করেছিলেন। আমর 'ইয়াওমুল রাকম'-এর দিন আমির বিন তুফাইল-এর সাথে ছিলেন, যখন বনু আমির গাতফান গোত্রের এলাকায় আক্রমণ করেছিল। সেদিন তিনি তার ঘোড়াকে সম্বোধন করে বলেন—আর সেদিন তিনি বীরত্বপূর্ণ লড়াই করেছিলেন:

এগিয়ে চলো কুদাইদ, পিছপা হয়ো না … আমি অবশ্যই এমন এক আমূল বিদ্ধকারী আঘাত হানব

এমন ক্ষিপ্র আঘাত যা বিশাল বাহিনীকে হটিয়ে দেয় … যে যুদ্ধ করে না সে নেতা হতে পারে না

তখন আমির বিন তুফাইল বললেন:

আবু আবি-এর মতো বীরের সম্মুখীন আমি আর হইনি … সকাল এবং সন্ধ্যায় সে কতই না চমৎকার!

আবু আবি বীরত্বের সাথে প্রকাশ্য ময়দানে বিশাল বাহিনীর মোকাবিলা করেছে … সেই ওয়াইলা গোত্রীয় বীর, যে পশ্চাদপসরণকে নিষিদ্ধ করেছে

সেই আমর, যার ভয়ে সালুল ও আমির গোত্র … প্রভাতের যুদ্ধে ফাজারা গোত্রকে পরাজিত ও পর্যুদস্ত করেছিল

আমর বিন শারাহিল, বনু আউফ বিন মালিক বিন সাদ বিন কাইস বিন সা'লাবার ভাই এবং আশইয়াম বিন শারাহিলের ভাই। বনু তামিম আলকামা বিন জুরারার বদলে আশইয়ামকে হত্যা করেছিল। এ প্রসঙ্গে লাখিত বিন জুরারা বলেন:

তারা যদি আমাদের কোনো মহৎ ব্যক্তিকে হত্যা করে থাকে, তবে আমরাও … তার বদলে নিঃস্বদের আশ্রয়স্থল আশইয়ামকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিয়েছি।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٣)
فأجابه عمرو بن شراحيل:

ألا أبلغا عني لقيطاً رسالةً … فما أنت وما ذكرك اليوم أشيماً

وأقسم لولا فتية غير محزم … لألحقك الماضي أخيك علقما

رماه بسهم صاف ثم يجشه … بنجلاء حتى بل لحيته دماً

فإن تأتنا نقربك غير معرد … سناناً كنبراس النهامي لهذما

عمرو الأصم أبو مفروق الشيباني وهو عمرو بن قيس بن مسعود بن عامر بن أبي ربيعة بن ذهل بن شيبان جاهلي يقول في يوم المقاد وكان على بني تغلب:

إن المقاد به قتلى مصرعة … أودت بها منكم ذهل بن شيبان

أبو الطفيل عمرو بن خالد بن محمود بن عمرو بن مرثد الضبعي جاهلي يقول يوم الوقيط وهو يوم لبكر بن وائل على بني تميم:

حلت تميم بركها لما التقت … راياتنا ككواسر العقبان

دهموا الوقيط بجحفل جم الوغى … ورماحنا كنوازع الأشطان

وله:

إن الفوارس يوم ناعجة النقا … نعم الفوراس من بني سيار

لحقوا على لحق الأياطل كالقنا … قود تعد لكل يوم غوار

عمرو بن مالك بن زيد بن عائش بن مالك بن تيم الله بن ثعلبة بن عكابة بن صعب بن علي بن بكر بن وائل. شاعر قديم هو الذي أزال رياسه يشكر بن بكر عن ربيعة وقتل فرخ النسر الذي كان ليشكر اللخمي فانتقلت الرياسة إلى ولد ثعلبة بن عكابة وهو الحصن وقال عمرو في ذلك:

ونحن هدمنا عز يشكر بعدما … مضت حقبة تحمي الرياض وتغشم

ونحن وطئنا هامة الفرخ اذ عسا … على حين لا يغشى ولا يتظلم

ونحن سلبنا البكر جمعاً مكوسا … فأصبح فينا لحمه يتقسم

عمرو بن عكب العجلي جاهلي يقول:

هل بالديار أبا الهلوان من صمم … أم هل عليك بآتي الدار من لمم

عمرو بن عبد الله بن معاوية بن عبد سعد بن جشم العجلي جاهلي يقول:

إذا أخمد النيران من حذر القرى … رأيت سنا ناري يشب اضطرامها

عمرو بن الحارث بن عبد الله بن قيس بن حارثة العجلي أبو هوبر جاهلي يقول:

وأبدلته من العجينة إذ شتا … رغائث هزلي ما ينام جزوعها
অতঃপর আমর ইবনে শুরাহবিল তাকে উত্তর দিলেন:

শুনো, আমার পক্ষ থেকে লাকিতকে একটি বার্তা পৌঁছে দাও … আজ তোমার কী অবস্থা এবং কেন তুমি অাশিমকে স্মরণ করছো?

আমি শপথ করছি, যদি অবিবেচক যুবকরা না থাকত … তবে আমি তোমাকে তোমার গত হওয়া ভাই আলক্বামার সাথে মিলিয়ে দিতাম।

তিনি তাকে একটি নিখুঁত তীর দিয়ে বিদ্ধ করলেন, অতঃপর একটি প্রশস্ত জখম দিয়ে তাকে নাড়া দিলেন … এমনকি তার দাড়ি রক্তে ভিজে গেল।

যদি তুমি আমাদের কাছে আসো, তবে আমরা তোমাকে পলায়নপর নয় এমনভাবে কাছে টেনে নেব … এমন এক বর্শার ফলার মাধ্যমে যা কারিগরের প্রদীপের মতো উজ্জ্বল এবং তীক্ষ্ণ।

আমর আল-আসাম আবু মাফরুক আশ-শাইবানি; তিনি হলেন আমর ইবনে কাইস ইবনে মাসউদ ইবনে আমির ইবনে আবু রাবিআহ ইবনে যুহল ইবনে শাইবান। তিনি জাহেলি যুগের কবি। আল-মাক্বাদের যুদ্ধে তিনি বনু তাগলিবের বিপক্ষে লড়েছিলেন এবং বলেছিলেন:

নিশ্চয়ই মাক্বাদে বহু নিথর দেহ পড়ে আছে … তোমাদের মধ্য থেকে যুহল ইবনে শাইবান তাদের ধ্বংস করেছে।

আবু তুফাইল আমর ইবনে খালিদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আমর ইবনে মারসাদ আদ-দুবায়ি। তিনি জাহেলি যুগের কবি। আল-ওয়াক্বিতের যুদ্ধে তিনি কবিতা বলেছিলেন, যা বনু তামিমে বকর ইবনে ওয়াইলের বিজয়ের দিন ছিল:

তামিম গোত্র তাদের উট বসিয়ে দিয়েছিল যখন আমাদের পতাকাগুলো … শিকারি ঈগলদের মতো মুখোমুখি হয়েছিল।

তারা বিশাল রণক্লান্ত সেনাবাহিনী নিয়ে ওয়াক্বিত আক্রমণ করেছিল … আর আমাদের বর্শাগুলো ছিল কূয়োর বালতি টেনে তোলার রশির মতো।

তাঁর আরও কবিতা:

নাইজাতুন নাকার দিনে সেই অশ্বারোহীরা … বনু সাইয়্যারের কতই না চমৎকার অশ্বারোহী ছিল।

তারা সরু কোমরবিশিষ্ট ঘোড়ার পিঠে চড়ে বর্শার মতো ক্ষিপ্রতায় পৌঁছে গিয়েছিল … এমন সব ঘোড়া যা প্রতিটি যুদ্ধের দিনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

আমর ইবনে মালিক ইবনে যাইদ ইবনে আইশ ইবনে মালিক ইবনে তাইমুল্লাহ ইবনে সালাবা ইবনে উক্বাবাহ ইবনে সাব ইবনে আলি ইবনে বকর ইবনে ওয়াইল। তিনি একজন প্রাচীন কবি। তিনিই রবীআহ গোত্র থেকে ইয়াশকর ইবনে বকরের নেতৃত্ব সরিয়ে দিয়েছিলেন এবং 'ফারখুন নাসর'কে হত্যা করেছিলেন, যে ইয়াশকর আল-লাখমির অনুসারী ছিল। ফলে নেতৃত্ব সালাবা ইবনে উক্বাবাহর বংশধরদের কাছে অর্থাৎ আল-হিসনের কাছে চলে যায়। এ সম্পর্কে আমর বলেছিলেন:

আমরাই ইয়াশকরের মর্যাদা ধূলিসাৎ করেছি, যখন দীর্ঘ সময় ধরে … তারা চারণভূমি রক্ষা করত এবং জুলুম করত।

আমরাই ফারখের মস্তক পদদলিত করেছি যখন সে অবাধ্য হয়েছিল … এমন এক সময়ে যখন তাকে কেউ আক্রমণ করত না এবং তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করত না।

আমরা বকর গোত্রের একীভূত খাজনা ছিনিয়ে নিয়েছি … ফলে তাদের গোশত আমাদের মধ্যে বণ্টিত হতে লাগল।

আমর ইবনে আকব আল-ইজলি জাহেলি যুগের কবি; তিনি বলেন:

হে আবু আল-হালওয়ান, এই জনপদ কি বধির হয়ে গেছে? … নাকি এই বাড়িতে এসে তোমার ওপর কোনো জিনের আছর হয়েছে?

আমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আব্দ সাআদ ইবনে জুশাম আল-ইজলি জাহেলি যুগের কবি; তিনি বলেন:

মেহমানদারির ভয়ে অন্যরা যখন আগুন নিভিয়ে ফেলে … তখন তুমি আমার আগুনের শিখাকে প্রজ্জ্বলিত হতে দেখবে।

আমর ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস ইবনে হারিসা আল-ইজলি আবু হাওবার; জাহেলি যুগের কবি। তিনি বলেন:

শীতকালে আমি তাকে রুটির কাইয়ের পরিবর্তে … সেই শীর্ণ উটনীর দুধ দিয়েছিলাম যার মালিক উদ্বেগে ঘুমাতে পারে না।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٤)
كبد الحصاة العجلي اسمه عمرو بن قيس بن صنيعة بن عجل بن لجيم جاهلي يقول:

صبرت وبعض الجهل ما يتذكر … وصبرك عن ليلى أعف وأستر

ونبئت أن الحي كلباً وطيئاً … وغسان أنصاف عليها السنور

ونحن أناس ليس فينا خليفة … من الناس إلا أنت تعطي وتغفر

وله:

ألا هلك المكسر يال بكر … وأودى الباع والحسب التليد

ألا هلك المكسر فاستراحت … حوافي الخيل والحي الحريد

عمرو بن شجيرة العجلي وشجيرة أمه وكانت سبية وهو عمرو بن عبد الله بن حذافة بن عمرو بن مالك بن ربيعة بن عجل. يقول:

ألا هل يأتي هنداً على نأي دارها … وغربتها أنى ثأرت المكففا

قتلنا به من آل مرة فاجعاً … جعلنا مكان السمط أبيض مرهفاً

عمرو بن عبد العزى بن سحيم بن مر بن الدول الحنفي جاهلي يقول:

يميناً لا يزال بذات كهف … وبطن المسحلان صدى ينادي

عمرو بن شمر بن عمر بن عبد الله الحنفي جاهلي يقول:

ويم حقيق قد غدوت بفتيةٍ … كمثل الأسود جازراً بسنائنه

عمرو بن عصيم الضبعي يقول:

ليهنك أن أضحت ركابك بدنا … وأضحت ركابي بالحني المخيم

عوامل فيما يكرم المرء نفسه … رجاء ثواب لست فيها بمجرم

عمرو بن أسوى بن عساس بن ليث بن حداد بن ظالم العبدي من بني وديعة بن لكيز جاهلي يقول:

ألا أبلغا عمرو بن قيس رسالةً … فلا تجزعن من ثائب الحرب واصبر

وله:

كأن عاليها درج وأسفلها … برج وسائرها بالسيد منصوب

عمرو بن جبير بن سلمة العبدي النكري جاهلي يقول:

لعمرك لو لاقيت عمرو بن فرتنا … لآب به من شاهد السيف غادر

عمرو بن حنثر العبدي. وقالوا خنثر بالخاء. أنشد له مؤرج:

سائل قمية هل غشيته فرسي … أم هل كررت عليه ثم ثنيت

عمرو بن الذارع الحنفي. كان يوم النشاش على بني نمير. يقول:
কবদ আল-হাসাত আল-আজলী; তার নাম আমর বিন কায়স বিন সানিআ বিন আজল বিন লুজায়ম। তিনি জাহেলী যুগের একজন কবি, তিনি বলেন:

আমি ধৈর্য ধারণ করেছি, আর কিছু মূর্খতা স্মরণ করা হয় না … এবং লায়লার প্রতি তোমার ধৈর্য অধিক পবিত্র ও গোপনীয়।

আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, কালব ও তাই গোত্র … এবং গাসসান গোত্রের অর্ধাংশ বর্ম পরিহিত।

আমরা এমন এক জাতি যাদের মধ্যে কোনো স্থলাভিষিক্ত নেই … মানুষের মধ্যে তুমি ব্যতীত, তুমিই দান করো এবং ক্ষমা করো।

তার আরও কবিতা:

সাবধান! বকর বংশের মুখাসসার ধ্বংস হয়েছে … আর প্রশস্ততা ও সুপ্রাচীন মর্যাদা বিলুপ্ত হয়েছে।

সাবধান! মুখাসসার ধ্বংস হয়েছে, ফলে স্বস্তি পেয়েছে … ঘোড়ার পার্শ্বদেশ এবং একাকী থাকা গোত্রগুলো।

আমর বিন শুজায়রা আল-আজলী; শুজায়রা ছিল তার মা এবং সে ছিল এক যুদ্ধবন্দিনী। তিনি হলেন আমর বিন আব্দুল্লাহ বিন হুযাফা বিন আমর বিন মালিক বিন রাবিআ বিন আজল। তিনি বলেন:

আহা! হিন্দের কাছে কি তার সুদূর আবাসের সংবাদ পৌঁছাবে … এবং তার প্রবাসের সংবাদ, যে আমি কীভাবে আল-মুকাফফাফের প্রতিশোধ নিয়েছি?

আমরা তার কারণে মুররা বংশের শোকার্ত ব্যক্তিকে হত্যা করেছি … হারের স্থলে আমরা ধারালো সাদা তলোয়ার স্থাপন করেছি।

আমর বিন আব্দুল উযযা বিন সুহায়ম বিন মুর বিন আদ-দাওল আল-হানাফী; তিনি জাহেলী কবি, তিনি বলেন:

শপথ করছি, যাতু কাহফ নামক স্থানে … এবং বাতনুল মাসহালান উপত্যকায় সর্বদা প্রতিধ্বনি আহ্বান করতে থাকবে।

আমর বিন শাম্মার বিন উমর বিন আব্দুল্লাহ আল-হানাফী; তিনি জাহেলী কবি, তিনি বলেন:

হাক্বীক্ব-এর দিনে আমি এমন একদল যুবকের সাথে সকালে বের হয়েছিলাম … যারা ছিল সিংহের মতো, যারা তাদের তলোয়ার দিয়ে ছিন্নভিন্ন করছিল।

আমর বিন আসিম আদ-দুবায়ী বলেন:

তোমাকে অভিনন্দন যে তোমার উটগুলো হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে … আর আমার উটগুলো আল-হানী নামক তাঁবুতে অবস্থান করছে।

এমন কাজ যা মানুষকে সম্মানিত করে … সওয়াবের আশায়, যেখানে তুমি অপরাধী নও।

আমর বিন আসওয়া বিন আসাস বিন লায়স বিন হাদ্দাদ বিন যালিম আল-আবদী; তিনি বনী ওয়াদীআ বিন লাকিয গোত্রের জাহেলী কবি, তিনি বলেন:

সাবধান! আমর বিন কায়সকে এই বার্তাটি পৌঁছে দাও … যুদ্ধের পুনরাবর্তনে তুমি ভীত হয়ো না এবং ধৈর্য ধারণ করো।

তার আরও কবিতা:

মনে হয় এর উপরের অংশ সিঁড়ি এবং এর নীচের অংশ … একটি দুর্গ, আর এর অবশিষ্ট অংশ নেকড়ে দ্বারা বেষ্টিত।

আমর বিন জুবায়ের বিন সালামা আল-আবদী আন-নুকারী; তিনি জাহেলী কবি, তিনি বলেন:

তোমার জীবনের শপথ! তুমি যদি আমর বিন ফারতানার সাথে সাক্ষাৎ করতে … তবে তরবারির সামনে থেকে একজন বিশ্বাসঘাতক ফিরে আসত।

আমর বিন হানসার আল-আবদী; কেউ কেউ একে 'খানসার' বলেছেন। মুআররিজ তার একটি কবিতা উদ্ধৃত করেছেন:

কুমিয়্যাহকে জিজ্ঞাসা করো, আমার ঘোড়া কি তাকে পরাস্ত করেছিল … নাকি আমি তার ওপর আক্রমণ চালিয়েছি এবং তারপর পুনরায় ফিরে এসেছি?

আমর বিন আয-যারা আল-হানাফী। তিনি বনী নুমায়রের বিরুদ্ধে আন-নাশাস-এর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٥)
أجدا لسعدى السير إذا بنتما بها … وقولا لسعدى لا نمير بن عامر

فقد بدلت ركباً جناباً بأهلها … وتركبها في السير سير الهواجر

إذا نحن شئنا زوجتنا رماحنا … كما أمكنتنا من بنات المهاجر

عمرو بن فرصة بن عازب بن صليع بن قيس بن ذهل بن عامر بن ذبيان ابن كنانة بن يشكر جاهلي. يقول:

ونحن جلبنا الخيل من كل شازب … وشازبة تعطي قليلاً مؤيداً

ينبهن أسراب القطا من مبيته … إذا ما القطا من آخر الليل هجدا

القعقاع البكري اسمه عمرو بن ثمامة بن النار جاهلي. وقيل اسمه عمرو بن قيس بن عبادة أحد بني عدي بن جشم من بني يشكر جاهلي سمي القعقاع بقوله:

فخر أديم حين غاب صناعه … وخر خباء تحته يتقعقع

وله:

ألا أيها القلب الكئيب المفجع … تجمل بصبر آل مية ودعوا

فلا تهلكن إن فارقوك فإنني … بذي المرفق الزاكي علي مفجع

عمرو بن جبلة بن باعث بن صريم الغبري اليشكري جاهلي يقول:

فأبلغ بني ماوية الصيد بيهساً … وقيساً ولا تترك شريحاً ولا عمراً

وله في يوم ذي قار يحضض قومه على القتال:

يا قوم لا تغرركم هذي الخرق … ولا وبيص البيض في الشمس برق

من لم يقاتل منكم هذا العنق … فجنبوه الراح واسقوه المرق

عمرو بن مالك بن القرار العنزي يقول لحاتم الطائي وكان أسيراً فيهم:

أحاتم إنا لا نجيع أسيرنا … فأنت طليق الجوع إن كان نالكا

أحاتم قد جربتنا فوجدتنا … ليوثاً لدى الهيجاء إنا كذالكا

عمرو بن الأحز بن الأخضر بن هلال بن ربيعة بن خطمة بن الحرث ابن جلان من عنزة جاهلي يقول:

وأبلغ بني عوف وأبلغ محارباً … وأبلغ بني جلان ما الحق تسأل

وهزان بلغ حيث حلت ديارها … فما من أخ إلا عليه معول

عمرو بن ضبيعة الرقاشي. يقول:
সু'দাকে কি চলতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে যখন তোমরা তাকে ছেড়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলে? … আর সু'দাকে বলো যে আমরা আমির বিন আমিরের বংশধর নই।

কারণ তার আপনজনদের বদলে একদল অপরিচিত আরোহী স্থলাভিষিক্ত হয়েছে … আর সে দ্বিপ্রহরের তীব্র গরমে দ্রুত পথ চলার ন্যায় পথ চলছে।

আমরা যখন চেয়েছি, আমাদের বর্শাগুলো আমাদের বিয়ে দিয়েছে … যেভাবে তারা আমাদের জন্য মুহাজিরদের কন্যাদের সহজলভ্য করে দিয়েছে।

আমর বিন ফুরসাহ বিন আজিব বিন সালি' বিন কায়স বিন যুহল বিন আমির বিন যুবইয়ান ইবনে কিনানাহ বিন ইয়াশকর একজন জাহেলি কবি। তিনি বলেন:

আমরা প্রতিটি কৃশকায় ঘোড়া এবং এমন কৃশকায় ঘোটকী নিয়ে এসেছি … যারা সামান্য পরিশ্রমে শক্তিশালী গতি দেয়।

সেগুলো কাতা পাখির ঝাঁককে তাদের বিশ্রামের স্থান থেকে জাগিয়ে তোলে … যখন কাতা পাখিরা রাতের শেষভাগে ঘুমে মগ্ন থাকে।

আল-কা'কা' আল-বাকরি, তার নাম আমর বিন সুমামাহ বিন আন-নার, তিনি জাহেলি যুগের। বলা হয়ে থাকে তার নাম আমর বিন কায়স বিন উবাদাহ, বনু ইয়াশকর গোত্রের বনু আদি বিন জুশাম শাখার একজন। তিনি জাহেলি যুগের এবং তার নিচের কথাটির কারণে তাকে কা'কা' নাম দেওয়া হয়েছে:

যখন কারিগর অদৃশ্য হলো তখন চামড়াটি ছিঁড়ে পড়ল … আর তার নিচে তাঁবুটি শব্দ করে ধসে পড়ল।

তার আরও কবিতা:

ওহে বিষণ্ণ ও শোকাতুর হৃদয় … আলে মিয়্যাহর ধৈর্যের ন্যায় ধৈর্য ধারণ করো এবং তাদের ছেড়ে দাও।

তারা তোমাকে ছেড়ে চলে গেলে তুমি ধ্বংস হয়ে যেও না, কারণ আমি … পবিত্র কনুইবিশিষ্ট সেই ব্যক্তির বিরহে শোকাহত।

আমর বিন জাবালাহ বিন বাইস বিন সারিম আল-গুবরি আল-ইয়াশকরী জাহেলি যুগের কবি, তিনি বলেন:

মাওবিয়ার বীর সন্তানদের মধ্যে বাইহাস এবং কায়সকে সংবাদ পৌঁছে দাও … আর শুরাইহ ও আমরকে বাদ দিও না।

যি-কারের যুদ্ধের দিন নিজ গোত্রকে যুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করে তিনি বলেন:

হে আমার কওম, এই কাপড়ের টুকরোগুলো যেন তোমাদের ধোঁকায় না ফেলে … আর সূর্যের আলোয় শিরস্ত্রাণের উজ্জ্বলতা যেন তোমাদের বিভ্রান্ত না করে।

তোমাদের মধ্যে যে এই শত্রু দলের সাথে লড়াই করবে না … তাকে শরাব থেকে দূরে রাখো এবং তাকে কেবল ঝোল পান করাও।

আমর বিন মালিক বিন আল-কাররার আল-আনাযি হাতিম তায়ীর উদ্দেশ্যে বলেন, যখন হাতিম তাদের নিকট বন্দী ছিলেন:

হে হাতিম, আমরা আমাদের বন্দীকে ক্ষুধার্ত রাখি না … সুতরাং তুমি ক্ষুধা থেকে মুক্ত, যদিও তা তোমাকে পেয়ে থাকে।

হে হাতিম, তুমি আমাদের পরীক্ষা করেছ এবং আমাদের পেয়েছ … যুদ্ধের ময়দানে সিংহের মতো, আমরা সত্যিই তেমন।

আমর বিন আল-আহাযয বিন আল-আখদার বিন হিলাল বিন রাবিয়াহ বিন খাতমাহ বিন আল-হারিস ইবনে জালান, আনাযা গোত্রের একজন জাহেলি কবি। তিনি বলেন:

বনু আউফ এবং বনু মুহারিবকে সংবাদ পৌঁছে দাও … আর বনু জালানকেও জানাও যে সত্য সম্পর্কে তোমরা জিজ্ঞাসা করছ।

আর হাযযান গোত্র যেখানেই অবস্থান করুক তাদের সংবাদ দাও … কারণ এমন কোনো ভাই নেই যার ওপর নির্ভর করা যায় না।

আমর বিন দাবিয়াহ আর-রাকাশি। তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٦)
تضيق جفون العين عن عبراتها … فتسفحها بعد التجلد والصبر

وعصة صدر أظهرتها فرفهت … حرارة حز في الجوانح والصدر

ألا ليقل من شاء ما شاء إنما … يلام الفتى فيما استطاع من الأمر

قضى الله حب المالكية فاصطبر … عليه فعد تجري الأمور على قدر

عمرو بن عمارة التيمي من بني تيم اللات بن ثعلبة بن عكابة جاهلي يقول في عثجل بن المأموم بن سيار بن علقمة بن زرارة يوم الوقيط:

وصادف عثجل من ذاك مراً … مع المأموم إذ جدا نفاراً

الصامت وقيل الصموت وهو عمرو بن غنم الطائي. سمي بقوله:

صمت ولم أكن قدماً عيياً … ألا إن الغريب هو الصموت

ريش لغب وقيل ريش بلغب وهو أخو تأبط شراً واسمه عمرو بن جابر بن سفيان الفهمي من بني فهم بن عمرو بن قيس ولقب ريش لغب بقوله:

وما كنت فقعاً نابتاً بقرارة … ولا ريشاً من ذنابى ولا لغب

ويروي: فما ولدت أمي من القوم عاجزاً ولا كنت ريشاً الخ.

غامد الأزدي اسمه عمرو بن عبد الله بن كعب بن الحارث سمي غامداً لأنه أصلح ما كان بين قومه وتغمده وقال:

تأملت للصلح الثأى من عشيرتي … فآساني القيل الحضوري غامدا

مزلج الزيادي واسمه عمرو بن مخرم بن زياد من بني الحارث بن كعب زلجة قوله:

أجد لبانات الهوى لم تخلج … وساعة ما استودعت وصلا فزلج

وصددتم ولو شئتم للاقى سوامكم … سواماً غداً من عندكم غير مدلج

ولكن علمتم أن دون اكتفاله … دروءاً متى ما تلقه الريح تعنج

عمرو بن معمر الهذلي. هو القائل يرثي عبد الله ومصعباً ابني الزبير من أبيات:

وكنت امرأ ناصحته غير مؤثر … عليه ابن مروان ولا متقرباً

إليه بما تقذى به عين مصعب … ولكنني ناصحت في الله مصعباً

إلى أن رمته الحارثات بسهمها فلله سهماً ما أسد وأصوبا

فإن يك هذا الدهر أودى بمصعب … وأصبح عبد الله شلواً ملحبا

فكل امرئ حاس من الموت جرعة … وإن حاد عنها جهده وتهيبا
চোখের পলক অশ্রুর ভারে সংকীর্ণ হয়ে যায় … ধৈর্যের কঠিন পরীক্ষার পর তা ঝরতে থাকে।

বক্ষের যে রুদ্ধশ্বাস আমি প্রকাশ করেছি, তা পাঁজরের হাড় ও বুকের ভেতরের দহনকে কিছুটা উপশম করেছে।

শোনো, যার যা ইচ্ছা বলুক, যুবককে কেবল সেই বিষয়ের জন্যই তিরস্কার করা হয় যা তার সাধ্যের মধ্যে থাকে।

আল্লাহ মালিকিয়ার ভালোবাসার ফয়সালা করেছেন, তাই তাতে ধৈর্য ধরো; জেনো রাখো যে, সকল বিষয় নির্ধারিত তকদির অনুযায়ীই আবর্তিত হয়।

আমর বিন উমারা আত-তাইমি, তিনি বনু তাইম আল-লাত বিন ছা'লাবা বিন উকাবা গোত্রের একজন জাহেলি কবি। তিনি আল-ওয়াকিত দিবসে ইছজাল বিন আল-মামুম বিন সাইয়্যার বিন আলকামা বিন জুরারা সম্পর্কে বলেন:

এবং ইছজাল সেই পরিস্থিতি থেকে তিক্ততার সম্মুখীন হয়েছিল … যখন সে আল-মামুমের সাথে দ্রুত পলায়ন করেছিল।

আস-সামিত, এবং বলা হয় আস-সামুত; তিনি হলেন আমর বিন গানাম আত-তাঈ। তাকে এই নামে অভিহিত করা হয়েছে তার এই উক্তির কারণে:

আমি নীরব থেকেছি অথচ আমি অতীতে বাকপ্রতিবন্ধী ছিলাম না … জেনে রেখো, আগন্তুক ব্যক্তি তো নীরবই হয়ে থাকে।

রিশু লাগাব, এবং বলা হয় রিশু বিলা-গাব; তিনি তাআববাতা শাররানের ভাই। তার নাম হলো আমর বিন জাবির বিন সুফিয়ান আল-ফাহমি, যিনি বনু ফাহম বিন আমর বিন কায়েস গোত্রের। তার এই উক্তির কারণে তাকে রিশু লাগাব উপাধি দেওয়া হয়েছিল:

আমি কোনো নিচু ভূমিতে জন্মানো অকেজো ব্যাঙের ছাতা নই … আর না আমি লেজের কোনো পালক কিংবা দুর্বল পালক।

এটিও বর্ণিত হয়েছে: আমার মা এই গোত্রের কোনো অক্ষম সন্তান জন্ম দেননি, এবং আমি কোনো পালকও ছিলাম না... ইত্যাদি।

গামিদ আল-আজদি, তার নাম আমর বিন আবদুল্লাহ বিন কাব বিন আল-হারিস। তাকে 'গামিদ' (তলোয়ার খাপে ভরার ন্যায় বিবাদ মীমাংসাকারী) বলা হয় কারণ তিনি তার কওমের মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছিলেন এবং তা ঢেকে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন:

আমি আমার বংশের মধ্যকার ফাটলগুলো মেরামতের কথা চিন্তা করলাম … অতঃপর হুজুরি নেতা আমাকে সেই বিবাদ মিটিয়ে দিতে সাহায্য করলেন।

মুজাল্লাজ আজ-জিয়াদি, তার নাম হলো আমর বিন মুখাররাম বিন জিয়াদ, তিনি বনু আল-হারিস বিন কাব গোত্রের। তার এই উক্তির কারণে তাকে মুজাল্লাজ বলা হয়:

আমি অনুরাগের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে সজীব পাচ্ছি যা এখনো ছিন্ন হয়নি … এবং যখনই কোনো মিলনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো, তখনই তা পিছলে গেল (ভ্রষ্ট হলো)।

তোমরা বাধা দিয়েছ, অথচ তোমরা চাইলে তোমাদের গবাদি পশুগুলো … কাল তোমাদের নিকট থেকে এমন পশুপালের দেখা পেত যা রাতের শেষভাগে যাত্রা করত না।

কিন্তু তোমরা জেনেছিলে যে, এটি আয়ত্তে আনার পথে … অনেক বাধা রয়েছে, যখনই বাতাস তার সম্মুখীন হয়, তাকে থামিয়ে দেয়।

আমর বিন মুআম্মার আল-হুজালি। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি আবদুল্লাহ ও মুসআব ইবনুল জুবাইরের শোকগাথা বর্ণনা করে কতিপয় চরণ রচনা করেছেন:

আমি এমন এক ব্যক্তি ছিলাম যে তাকে (মুসআবকে) অকৃত্রিমভাবে উপদেশ দিয়েছিলাম; আমি তার ওপর … ইবনে মারওয়ানকে প্রাধান্য দেইনি এবং তার নৈকট্যও কামনা করিনি।

যা মুসআবের চক্ষুকে পীড়া দেয় এমন কিছুর মাধ্যমে আমি তার (ইবনে মারওয়ানের) দিকে যাইনি … বরং আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মুসআবকে সদুপদেশ দিয়েছি।

শেষ পর্যন্ত যখন বিপদসমূহ তার দিকে তাদের তীর নিক্ষেপ করল; আল্লাহর কসম, সেই তীরটি কতই না নির্ভুল এবং অব্যর্থ ছিল!

যদি এই মহাকাল মুসআবকে ধ্বংস করে থাকে … এবং আবদুল্লাহ ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহে পরিণত হয়ে থাকেন;

তবে প্রতিটি মানুষকেই মৃত্যুর পেয়ালা পান করতে হবে … যদিও সে তার সমস্ত শক্তি দিয়ে তা এড়িয়ে চলতে চায় এবং তা দেখে ভীত হয়।
(খণ্ড: ১) মুজামুশ শুআরা (পৃষ্ঠা: ٢٢٧)
عمرو بن سلمة الأرحبي. قدم مع محمد بن الأشعث على معاوية في الصلح بينه وبين الحسن بن علي عليهما السلام فرآه معاوية جميلاً جهيراً فقال له: من مضر أنت. فقال:

إني لمن قوم بنى الله مجدهم … على كل باد في الأنام وحاضر

أبوتنا آباء صدق نمى بهم … إلى المجد آباء كرام العناصر

وأماتنا أكرم بهن عجائزاً … ورثن العلى عن كابر بعد كابر

جناهن كافور ومسك وعنبر … وليس ابن هند من جناة المغافر

عمرو بن هند الهندي. هو القائل يمدح ابن الزبير:

ألم تر أولاد الزبير تحالفوا … على المجد ما صامت قريش وصلت

هم منعوا البيت الحرام فأصبحت … أمية تاهت في البلاد وضلت

قريش غياث في السنين وأنتم … غياث قريش حيث سارت وحلت

عمرو بن حجر الكلبي يقول في المرج:

ألا من مبلغ قيساً رسولاً … بأنا قد شفينا واشتفينا

غداة المرج نضربكم ببيض … صوارم في المهزة يلتوينا

فلم تحموا هنالك ذماراً … ولا عطفت كتائبكم علينا

فأشبعنا ضباع الأرض منكم … وأقررنا بقتلكم العيونا

عمرو بن سالم الخزاعي حجازي ذكره دعبل.

عمرو بن هميل الهذلي حجازي ذكره دعبل أيضاً.

عمرو بن سعيد بن كعب بن زهير بن أبي سلمى. ذكره أبو هفان.

عمرو بن عبد الله بن كعب بن مالك الأنصاري. قال مصعب الزبيري عن ابن القداح: عمرو بن عبد الله شاعر وابنه معن بن عمرو شاعر أيضاً وابنه الضحاك بن معن كان شاعراً أيضاً شريفاً مرضياً.

عمرو بن حرثان الفهمي، قال محمد بن داود: هو من ولد ذي الأصبع العدواني وفهم وعدوان أخوان وعمرو فارس شاعر ضربه أمية بن عبد الله بن خالد بن أسيد حداً في الشراب فهجاه بأشعار منها:

أضاع أمير المؤمنين ثغورنا … وأطمع فينا المشركين ابن خالد

إذا هتف العصفور طار فؤاده … وليث حديد الناب عند الثرائد

ومنها:

لعمري لقد ضيعت ثغراً وليته … أبا جعل أف لفعلك من فعل
আমর ইবনে সালামাহ আল-আরহাবি। তিনি মুহাম্মদ ইবনুল আশআসের সাথে মুয়াবিয়ার কাছে এসেছিলেন, যখন তাঁর এবং হাসান ইবনে আলী (আলাইহিমাস সালাম)-এর মধ্যে সন্ধি হচ্ছিল। তখন মুয়াবিয়া তাকে সুন্দর এবং বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরের অধিকারী দেখতে পান এবং তাকে বলেন: "তুমি কি মুদার গোত্রের?" তখন তিনি বললেন:

আমি এমন এক কওমের অন্তর্ভুক্ত যাদের মর্যাদা আল্লাহ সুউচ্চ করেছেন … সমস্ত মরুচারী ও নগরবাসী মানুষের ঊর্ধ্বে

আমাদের পিতৃপুরুষগণ সত্যনিষ্ঠ পিতা, যাদের মাধ্যমে আরোহণ করেছেন … মর্যাদার উচ্চ শিখরে সম্মানিত বংশীয় পিতৃপুরুষগণ

এবং আমাদের মাতাগণ—কতই না সম্মানিত সেই বৃদ্ধাগণ … যারা উচ্চমর্যাদা উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেছেন একের পর এক শ্রেষ্ঠ উত্তরসূরি থেকে

তাদের সুগন্ধি হলো কর্পূর, মিশক ও আম্বর … আর হিন্দের পুত্র (মুয়াবিয়া) মগফিরের সুগন্ধি আহরণকারীদের অন্তর্ভুক্ত নয়

আমর ইবনে হিন্দ আল-হিন্দি। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি ইবনুজ জুবায়েরের প্রশংসায় এই কবিতাটি বলেছিলেন:

তুমি কি দেখনি জুবায়েরের সন্তানরা মর্যাদার ওপর পরস্পর চুক্তিবদ্ধ হয়েছে … যতক্ষণ কুরাইশরা রোজা রাখে ও নামাজ পড়ে

তারাই হারাম শরীফকে রক্ষা করেছে, ফলে উমাইয়ারা … জনপদে বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট হয়ে পড়েছে

কুরাইশরা দুর্ভিক্ষের বছরগুলোতে সাহায্যকারী, আর তোমরা … কুরাইশদের সাহায্যকারী যেখানেই তারা ভ্রমণ করে বা অবস্থান করে

আমর ইবনে হুজর আল-কালবি, মারজ-এর যুদ্ধে তিনি বলেন:

সাবধান, কে আছে কায়েস গোত্রের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেবে … যে আমরা আমাদের প্রতিশোধ গ্রহণ করে তৃপ্ত হয়েছি

মারজ-এর প্রভাতে আমরা তোমাদের আঘাত করেছি উজ্জ্বল … ধারালো তলোয়ার দিয়ে, যা আঘাতের সময় বক্র হয়ে যায়

সেদিন তোমরা তোমাদের সম্মান রক্ষা করতে পারোনি … আর তোমাদের বাহিনীও আমাদের দিকে ফিরে তাকাতে পারেনি

আমরা যমিনের হায়েনাদের তোমাদের মাধ্যমে পরিতৃপ্ত করেছি … আর তোমাদের হত্যার মাধ্যমে আমাদের নয়ন জুড়িয়েছি

আমর ইবনে সালিম আল-খুজায়ি, তিনি হিজাজি; দি'বিল তাঁর উল্লেখ করেছেন।

আমর ইবনে হুমাইল আল-হুযালি, তিনি হিজাজি; দি'বিলও তাঁর উল্লেখ করেছেন।

আমর ইবনে সাঈদ ইবনে কাব ইবনে যুহাইর ইবনে আবি সুলমা। আবু হাফ্ফান তাঁর উল্লেখ করেছেন।

আমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক আল-আনসারি। মুসআব আল-জুবায়রি ইবনুল কাদ্দাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে আব্দুল্লাহ একজন কবি ছিলেন, তাঁর পুত্র মা'ন ইবনে আমরও একজন কবি ছিলেন এবং তাঁর পৌত্র দাহ্হাক ইবনে মা'নও একজন কবি এবং সম্মানিত ও পছন্দীয় ব্যক্তি ছিলেন।

আমর ইবনে হুরসান আল-ফাহমি; মুহাম্মদ ইবনে দাউদ বলেন: তিনি যুল আসবা' আল-আদওয়ানির বংশধর। ফাহাম এবং আদওয়ান দুই ভাই। আমর ছিলেন একজন অশ্বারোহী বীর ও কবি। উমাইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে আসিদ মদপানের অপরাধে তাঁকে হদ (শাস্তি) প্রদান করেন, ফলে তিনি তাঁর কুৎসা গেয়ে কবিতা রচনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে:

আমিরুল মুমিনিন আমাদের সীমান্তগুলো ধ্বংস করেছেন … আর খালিদের পুত্র আমাদের ওপর মুশরিকদের লোলুপ দৃষ্টি ফেলতে উৎসাহিত করেছে

যখন চড়ুই পাখি ডাক দেয়, তখন তার হৃৎপিণ্ড ভয়ে উড়ে যায় … অথচ সারিদ খাওয়ার সময় সে তীক্ষ্ণ দাঁতওয়ালা সিংহ

আরও রয়েছে:

আমার জীবনের কসম! তুমি এমন এক সীমান্ত ধ্বংস করেছ যার দায়িত্ব তোমাকে দেওয়া হয়েছিল … হে আবু জা'আল! তোমার কর্মের জন্য ধিক্কার।